লাইফস্টাইল

২০১৮ সালে ফ্রান্সের কানে তোলা ছবিতে রুশ বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার ভিক্টোরিয়া বোনিয়া।
নতুন ইন্টারনেট সেন্সরশিপ: বিপাকে রাশিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা

রাশিয়ায় ইন্টারনেটের ওপর ক্রেমলিনের ক্রমবর্ধমান কড়াকড়ি এবং নতুন আইনি বিধিনিষেধের কারণে চরম অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন দেশটির জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশাসন সম্প্রতি ইন্টারনেটে তথ্য নিয়ন্ত্রণ এবং পশ্চিমা প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর প্রভাব কমাতে যে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে, তার ফলে আয়ের উৎস হারানোর পাশাপাশি আইনি জটিলতায় পড়ার শঙ্কায় আছেন হাজারো কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। সিএনএন-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার নতুন এই নীতিমালার আওতায় অনেক বিদেশি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং ভিপিএন (VPN) ব্যবহারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো রাশিয়ায় নিষিদ্ধ ছিল, তবে অনেক ইনফ্লুয়েন্সার ভিপিএন ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সরকারের নতুন সেন্সরশিপ আইন এখন সেই পথও বন্ধ করে দিচ্ছে। রুশ ইনফ্লুয়েন্সারদের মতে, এই বিধিনিষেধ কেবল তাদের বাকস্বাধীনতাই কেড়ে নিচ্ছে না, বরং তাদের দীর্ঘদিনের গড়ে তোলা ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিচ্ছে। রাশিয়ার নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম 'ভিকে' (VK) বা 'টেলিগ্রাম' ব্যবহারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হলেও, সেখানে আন্তর্জাতিক বাজারের মতো বিজ্ঞাপনের সুযোগ বা আয়ের সংস্থান নেই বলে দাবি করছেন তারা। বিশ্লেষকরা বলছেন, পুতিন প্রশাসন মূলত ইন্টারনেটে একটি 'ডিজিটাল দেয়াল' তৈরি করতে চাইছে, যাতে বাইরের বিশ্বের কোনো তথ্য বা প্রভাব রুশ নাগরিকদের কাছে পৌঁছাতে না পারে। এই সেন্সরশিপের ফলে রাশিয়ার তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ভালোবাসা পেতে যোগ্যতা বা শর্ত লাগে না; নতুন তথ্য মনোবিদদের

নিজেকে ভালোবাসতে না পারলে অন্যকে ভালোবাসা সম্ভব নয়—জনপ্রিয় এই প্রবাদটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অনেকের জন্য ক্ষতিকর বলে দাবি করেছেন মনোবিদরা। আপাতদৃষ্টিতে অনুপ্রেরণামূলক মনে হলেও পোর্টল্যান্ডের মনোবিদ জেফ গুয়েন্থার জানান, এ কথাটি আক্ষরিক অর্থে মোটেও সত্যি নয় এবং মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কোনো বিশেষ যোগ্যতা বা শর্তের প্রয়োজন পড়ে না।   জেফ গুয়েন্থার এই জনপ্রিয় প্রবাদের নেপথ্যে থাকা মনস্তাত্ত্বিক ফাঁদ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, যারা মারাত্মক আত্মবিশ্বাসের অভাব বা বিষণ্ণতায় ভোগেন, তারাও সন্তানদের প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন কিংবা বন্ধুর প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ান। নিজের প্রতি অনুরাগের অভাব থাকলেও মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বিলিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কোনোভাবেই খর্ব হয় না। সুতরাং ভালোবাসা দেওয়ার ক্ষমতা নিজের প্রতি অনুরাগের ওপর নির্ভর করে না।   এই উক্তিটি প্রায়ই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধবোধ তৈরি করে বলে মনে করেন এই মনোবিদ। তাদের বোঝানো হয় যে, আগে নিজেদের মানসিক সমস্যা ‘ঠিক’ বা ‘ফিক্স’ করতে হবে, তবেই তারা অন্যের ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য হবেন। এর ফলে অনেক মানুষ নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন এবং এই একাকীত্বকে ‘নিজের ওপর কাজ করা’ বলে চালিয়ে দেন।   মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অনেক সময় অন্যকে ভালোবাসার মাধ্যমেই মানুষের হারানো আত্মসম্মানবোধ ফিরে আসে। সম্পর্কে থেকে কঠিন সময়ে সঙ্গীর পাশে থাকা বা বিশ্বস্ত থাকাই প্রমাণ করে যে ওই ব্যক্তি অন্যদের চেয়েও অনেক বেশি সক্ষম। এটিই অনেক সময় মানসিক নিরাময়ের প্রকৃত পথ হিসেবে কাজ করতে পারে।   জেফ গুয়েন্থার আরও উল্লেখ করেন, এই উক্তিটি মূলত যা বোঝাতে চায় তা হলো—অতীতের অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু জটিল প্যাটার্ন তৈরি করে। তবে একে ‘ভালোবাসতে না পারা’ বলা সম্পূর্ণ ভুল। এগুলো মূলত স্নায়বিক সিস্টেমের কিছু অভ্যাস, যা ছোটবেলার অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হয় এবং এটি অবশ্যই নিরাময়যোগ্য।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সংসারে অশান্তি ও একাকীত্ব: বিয়ের পর নারীরা কেন পরকীয়ায় জড়ান? জেনে নিন ৫টি প্রধান কারণ

দাম্পত্য সম্পর্কের বাইরে অন্য কারো সঙ্গে প্রেমে জড়ানো বা পরকীয়া বর্তমান সময়ে এক জটিল সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এর ফলে সুন্দর সংসার মুহূর্তেই তছনছ হয়ে যাচ্ছে। পুরুষদের পাশাপাশি অনেক নারীও বিয়ের পর পরকীয়ায় আকৃষ্ট হচ্ছেন। তবে সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, নারীদের এই পথে পা বাড়ানোর পেছনে সাধারণত আবেগীয় ও মানসিক কারণগুলোই বেশি কাজ করে।   লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের পরকীয়ায় জড়ানোর পেছনে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো: অতীতের স্মৃতি: অনেক নারী পরিবারের চাপে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করেন। এমন ক্ষেত্রে তারা তাদের প্রথম প্রেম বা অতীত সম্পর্ক ভুলতে পারেন না এবং সুযোগ পেলেই প্রাক্তন সঙ্গীর দিকে ঝুঁকে পড়েন। মানসিক একাকীত্ব: দাম্পত্য জীবনে স্বামী যদি স্ত্রীকে যথেষ্ট সময় না দেন বা তাদের মধ্যে অর্থবহ কোনো কথা না হয়, তবে স্ত্রীর মনে একাকীত্ব বাসা বাঁধে। এই শূন্যতা পূরণের জন্য তিনি অন্য কারো প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন। একঘেয়েমি ও অবহেলা: সম্পর্কের শুরুর দিকের আকর্ষণ হারিয়ে গেলে কিংবা স্বামীর কাছ থেকে প্রত্যাশিত ভালোবাসা ও মনোযোগ না পেলে নারীরা বিরক্ত হয়ে ওঠেন। তখন অন্য কেউ সামান্য মনোযোগ দিলেই তারা সেদিকে প্রভাবিত হন। চাহিদার অপূর্ণতা: মানসিক ও আবেগীয় চাহিদার পাশাপাশি শারীরিক চাহিদাও দাম্পত্যের একটি বড় অংশ। সঙ্গী যদি স্ত্রীর এই প্রয়োজনগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে ব্যর্থ হন, তবে নারীরা অনেক সময় বাইরে বিকল্প খুঁজতে শুরু করেন। প্রতিশোধ নেওয়ার মানসিকতা: স্বামী যদি আগে পরকীয়া করেন বা স্ত্রীকে প্রতিনিয়ত অবজ্ঞা ও অসম্মান করেন, তবে অনেক নারী এর প্রতিশোধ হিসেবে নিজেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তারা সঙ্গীকে বুঝিয়ে দিতে চান যে অবহেলিত হওয়া কতটা কষ্টের।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
কে-পপ তারকাদের নতুন ক্রেজ ‘আকুবি’ ফ্যাশন

বর্তমান বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের কাছে ফ্যাশন আইকন মানেই কে-পপ আইডলরা। তাদের পরনের পোশাক মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কে-পপ দুনিয়ায় দাপিয়ে বেড়ানো এক নতুন ফ্যাশন ধারার কথা, যার নাম ‘আকুবি’ (Acubi)। গ্ল্যামারাস ও জমকালো পোশাকের ভিড়ে এই ‘কোয়াইট কুল’ (Quiet Cool) বা শান্ত অথচ আকর্ষণীয় স্টাইলটি এখন সবার নজর কাড়ছে। আকুবি ফ্যাশন আসলে কী? আকুবি মূলত তিনটি ভিন্ন ফ্যাশন স্টাইলের এক অনন্য মিশ্রণ— সাইবার পাঙ্ক (Cyberpunk), ওয়াইটিকে (Y2K), এবং সাবভারসিভ বেসিকস (Subversive Basics)। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো মিনিমালিজম বা নূন্যতম সাজ। যেখানে খুব বেশি রঙ বা কারুকাজ নেই, বরং সাদামাটা কিন্তু স্মার্ট কাট ও ডিজাইনের ওপর জোর দেওয়া হয়। নিউ জিন্স (NewJeans), ব্ল্যাকপিঙ্ক (Blackpink) কিংবা লে সেরাফিম (LE SSERAFIM)-এর মতো জনপ্রিয় ব্যান্ডের সদস্যদের এখন প্রায়ই এই লুকে দেখা যাচ্ছে। কেন এটি জনপ্রিয় হচ্ছে? ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত জাঁকজমক থেকে বেরিয়ে এসে সাধারণের মধ্যে অসাধারণ হয়ে ওঠাই আকুবি স্টাইলের মূল লক্ষ্য। একে বলা হচ্ছে ‘কোরিয়ান কোয়াইট কুল’। এটি এমন এক ঘরানা যা তরুণদের ব্যক্তিত্বকে প্রকাশ করে কোনো চিৎকার ছাড়াই। এই পোশাকগুলো সাধারণত সাস্টেইনেবল বা টেকসই ফ্যাশনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা বর্তমান পরিবেশ সচেতন প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয়। কে-পপ আইডলদের ভূমিকা: সিএনএন-এর প্রতিবেদন বলছে, কে-পপ আইডলরা যখন স্টেজের বাইরে সাধারণ জীবনযাপন করেন বা এয়ারপোর্টে যাতায়াত করেন, তখন তারা এই আরামদায়ক অথচ স্টাইলিশ আকুবি ফ্যাশন বেছে নিচ্ছেন। তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই লুকের ছবি পোস্ট করার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে সাধারণ ভক্তদের মধ্যেও এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও এই স্টাইলটি ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে। জাঁকজমকের চেয়ে রুচিশীল সাধারণতাই যে এখনকার আসল ফ্যাশন, ‘আকুবি’ যেন তারই প্রমাণ দিচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সারা দিন ক্লান্ত থাকলেও রাতের ঘুম আসে না? জানুন ‘ওয়্যারড–টায়ার্ড’ চক্রের কারণ ও সমাধান

অনেকে সারা দিন কাজের চাপ ও ক্লান্তির পরও রাতে ঘুমাতে পারেন না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে বলা হয় ‘ওয়্যারড–টায়ার্ড’ চক্র। অর্থাৎ, শারীরিকভাবে ক্লান্তি থাকা সত্ত্বেও মস্তিষ্ক জাগ্রত অবস্থায় থাকে।   স্নায়ুবিজ্ঞানীরা এই সমস্যার কয়েকটি কারণ তুলে ধরেছেন। প্রথমত, অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা উদ্বেগের কারণে শরীরের কর্টিসল হরমোন বেশি মাত্রায় থাকে। ফলে মস্তিষ্ক মনে করে বিপদের মধ্যে আছেন এবং ঘুম বাধাগ্রস্ত হয়। দ্বিতীয়ত, রাতের দিকে মোবাইল, ল্যাপটপ বা টিভি থেকে বের হওয়া নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ কমিয়ে মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে।   তৃতীয়ত, ‘বেডটাইম প্রোকাস্টিনেশন’ বা অতিরিক্ত চিন্তা—দিনের কাজ, আগামীকালের পরিকল্পনা বা পুরনো স্মৃতি নিয়ে বিশ্লেষণ—মস্তিষ্কের প্রি–ফ্রন্টাল কর্টেক্সকে সক্রিয় করে, যা ঘুমের পথে বাধা সৃষ্টি করে।   স্নায়ুবিজ্ঞানীরা ঘুমের জন্য কিছু অভ্যাস পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন: ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ রাখা, নিয়মিত রুটিনে ঘুমানো ও ওঠা, ৪–৭–৮ শ্বাসক্রিয়া অনুশীলন করা এবং দুপুরের পর ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা।   ঘুম শুধু বিশ্রামের মাধ্যম নয়, এটি মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য অত্যাবশ্যক। সঠিক অভ্যাস ও মন শান্ত রাখার মাধ্যমে ‘ওয়্যারড–টায়ার্ড’ চক্র ভাঙা সম্ভব।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
বিদেশে ভবিষ্যৎ গড়তে চান? জেনে নিন আপনার জন্য সেরা ১০টি দেশ
বিদেশে ভবিষ্যৎ গড়তে চান? জেনে নিন আপনার জন্য সেরা ১০টি দেশ

আমেরিকা বাংলা ফিচার রিপোর্ট | ধরুন, আপনি দাঁড়িয়ে আছেন জীবনের এক মোড়ে। সামনে অজানা এক পথ—যেখানে রয়েছে নতুন দেশ, নতুন সুযোগ, আর নতুন ভবিষ্যৎ। ২০২৬ সালে সেই পথ ধরেই লাখো মানুষ পাড়ি জমাচ্ছেন বিদেশে। কেউ খুঁজছেন স্থায়ী নিরাপত্তা, কেউ উচ্চ বেতন, আবার কেউ শান্তিপূর্ণ জীবন। কিন্তু প্রশ্ন একটাই—আপনার জন্য কোন দেশটি সেরা?   চলুন শুরু করি এই “অভিবাসনের যাত্রা”—দেশ থেকে দেশে, স্বপ্ন থেকে বাস্তবতার পথে।   প্রথম গন্তব্য কানাডা—যেখানে পৌঁছালে মনে হবে, আপনি যেন একটি পরিকল্পিত ভবিষ্যতের দেশে এসেছেন। পরিষ্কার শহর, বহুসংস্কৃতির সমাজ এবং সহজ PR ব্যবস্থার কারণে এটি নতুন অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য গন্তব্য। এখানে পরিশ্রম করলে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ বাস্তব।   এরপর অস্ট্রেলিয়া—সূর্যালোক, সমুদ্র আর সুযোগের দেশ। এখানে কাজের মূল্য আছে, দক্ষতার কদর আছে। উচ্চ বেতন, আর কাজের পাশাপাশি জীবন উপভোগ করার সুযোগ—এই দুইয়ের মিশ্রণ অস্ট্রেলিয়াকে আলাদা করে তোলে।   ইউরোপে পা রাখতেই জার্মানি—শিল্প ও প্রযুক্তির শক্ত ঘাঁটি। নিয়মতান্ত্রিক জীবন, শক্তিশালী অর্থনীতি এবং চাকরির বিশাল বাজার এটিকে দক্ষ কর্মীদের জন্য স্বপ্নের গন্তব্য বানিয়েছে। তবে এখানে সফল হতে হলে পরিশ্রম ও দক্ষতা জরুরি।   এরপর আপনি পৌঁছাবেন পর্তুগালে—একটি শান্ত, ধীর গতির জীবনযাত্রার দেশ। সমুদ্রের পাশে বসে কাজ করা, কম খরচে ভালো জীবন—বিশেষ করে রিমোট কর্মীদের জন্য এটি এখন এক নতুন স্বর্গ।   স্পেনে গেলে অনুভব করবেন জীবনের অন্যরকম রং। এখানে শুধু কাজ নয়, জীবনকে উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে। সংস্কৃতি, খাবার, উৎসব—সব মিলিয়ে এটি প্রাণবন্ত একটি দেশ।   নিউজিল্যান্ড যেন এক টুকরো স্বর্গ—প্রকৃতি, নিরাপত্তা এবং শান্ত জীবন। যারা ব্যস্ততা থেকে দূরে পরিবার নিয়ে স্থায়ী হতে চান, তাদের জন্য এটি অসাধারণ একটি গন্তব্য।   আয়ারল্যান্ডে ঢুকলেই দেখা মিলবে প্রযুক্তির দুনিয়া। ইউরোপের টেক হাব হিসেবে এখানে বড় বড় কোম্পানির উপস্থিতি, আর ইংরেজিভাষী হওয়ায় সহজেই ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তৈরি হয়।   এরপর সিঙ্গাপুর—ছোট কিন্তু শক্তিশালী। আধুনিক শহর, উচ্চ বেতন এবং আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সুযোগ এটিকে এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য বানিয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাত—বিশেষ করে দুবাই—দ্রুত সফল হওয়ার প্রতীক। করমুক্ত আয়, দ্রুত চাকরি এবং আধুনিক জীবনযাত্রা এটিকে অনেকের প্রথম পছন্দ করে তুলেছে।   শেষে মেক্সিকো—যেখানে জীবন সহজ, খরচ কম, আর পরিবেশ উষ্ণ। যারা কম বাজেটে বিদেশে থাকতে চান, তাদের জন্য এটি একটি বাস্তবসম্মত অপশন।   সব মিলিয়ে, এই ১০টি দেশ যেন ১০টি ভিন্ন পথ—কেউ নিয়ে যায় স্থায়ী নিরাপত্তার দিকে, কেউ দ্রুত আয়ের পথে, আবার কেউ শান্ত জীবনের দিকে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ঈদ শপিং
ঈদ শপিংয়ে বের হচ্ছেন? যা যা মাথায় রাখবেন

পবিত্র ঈদুল ফিতর দরজায় কড়া নাড়ছে। পোশাকের দোকান থেকে জুতার শোরুম— সর্বত্রই এখন উৎসবের আমেজ আর ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। তবে কেনাকাটার এই বিপুল আনন্দ যেন অগোছালো পরিকল্পনার কারণে ভোগান্তিতে রূপ না নেয়, সেদিকে সতর্ক থাকা জরুরি। অগোছালো শপিং যেমন পকেটে বাড়তি চাপ তৈরি করে, তেমনি নষ্ট করে মূল্যবান সময়। তাই ঈদের কেনাকাটা সহজ, সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক করতে বের হওয়ার আগেই কিছু বিষয়ের ওপর নজর দেওয়া প্রয়োজন। কেনাকাটা করতে যাওয়ার আগে সবচাইতে জরুরি হলো একটি নিখুঁত বাজেট ও তালিকা তৈরি করা। কার জন্য কী কিনবেন তা আগেভাগেই লিখে ফেললে মার্কেটে গিয়ে অযথা বিভ্রান্ত হতে হবে না। সম্ভব হলে বিভিন্ন দোকানের দাম যাচাই করে এবং অনলাইনে পণ্যটির বাজারমূল্য সম্পর্কে ধারণা নিয়ে বের হওয়া ভালো। এতে সাশ্রয়ী দামে সেরা মানের জিনিসটি পাওয়া সহজ হয়। এছাড়া ভিড় এড়াতে সকাল সকাল মার্কেটে যাওয়া এবং ছুটির দিনগুলো এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ। দীর্ঘ সময় হাঁটার প্রয়োজনে হিল বা নতুন জুতা না পরে আরামদায়ক ফ্ল্যাট স্যান্ডেল এবং হালকা সুতি পোশাক বেছে নেওয়া উচিত। নিরাপত্তার বিষয়েও এই সময় বিশেষ সতর্কতা জরুরি। উৎসবের বাজারে পকেটমার বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নগদ টাকা এক জায়গায় না রেখে ভাগ করে রাখা এবং কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারের চেষ্টা করা ভালো। যারা জ্যাম আর ভিড় এড়াতে অনলাইনে কেনাকাটা করতে চান, তাদের অন্তত ১০-১৫ দিন আগেই অর্ডার সম্পন্ন করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা, যাতে সময়মতো ডেলিভারি পাওয়া নিশ্চিত হয়। একটু সচেতনতা আর সুশৃঙ্খল পরিকল্পনাই পারে আপনার ঈদের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
নতুন অর্থ সহায়তা পরিকল্পনা যোগ্য আমেরিকানদের ৩ হাজার ডলার দেওয়ার প্রস্তাব
নতুন অর্থ সহায়তা পরিকল্পনা: যোগ্য আমেরিকানদের ৩ হাজার ডলার দেওয়ার প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা দিতে নতুন একটি অর্থ সহায়তা পরিকল্পনার প্রস্তাব আনা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, যোগ্য আমেরিকানদের প্রত্যেককে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত নগদ সহায়তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।   এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং কংগ্রেস সদস্য রো খান্না। তাদের পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধনী বিলিয়নিয়ারদের ওপর অতিরিক্ত সম্পদ কর আরোপ করে সেই অর্থ সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে বিতরণ করা যেতে পারে।   প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের কম, তারা এই সহায়তার জন্য যোগ্য হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি ৩ হাজার ডলার এবং চার সদস্যের একটি পরিবার সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারে।   তবে এই অর্থ সহায়তা এখনই কার্যকর হচ্ছে না। কারণ প্রস্তাবটি এখনও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে আলোচনাধীন এবং এটি এখনো আইন হিসেবে পাস হয়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পনাটি কার্যকর হতে হলে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে অনুমোদন পেতে হবে এবং পরে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। এরপরই এটি আইন হিসেবে কার্যকর হতে পারে।   প্রস্তাবদাতারা বলছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চাপের সময় সাধারণ মানুষের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা আনা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সঙ্গী পরকীয়ায় জড়িয়েছেন কি না, বুঝবেন যেসব আচরণে

বর্তমান সমাজে পারিবারিক অশান্তি ও সহিংসতার একটি বড় কারণ হয়ে উঠেছে পরকীয়া সম্পর্ক। বিবাহবহির্ভূত এই সম্পর্ক শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্বই তৈরি করে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক ভাঙন ও সহিংসতার ঘটনাও ঘটায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরকীয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।   অনেক সময় সঙ্গীর আচরণে কিছু পরিবর্তন দেখা দিলে পরকীয়ার সন্দেহ তৈরি হতে পারে। তবে নিশ্চিত না হয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। আচরণগত পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে সতর্কভাবে বিষয়টি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।   সঙ্গীর মোবাইল ফোন ব্যবহারের ধরন হঠাৎ পরিবর্তন হলে সেটির দিকে নজর রাখা জরুরি। একসঙ্গে সময় কাটানোর সময় সঙ্গী যদি অকারণে ফোনে ব্যস্ত থাকেন, বারবার মেসেজ বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে ফোনালাপে থাকেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। তবে কাজের প্রয়োজনে ফোন ব্যবহার বাড়তেও পারে, তাই তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।   এ ছাড়া সঙ্গী যদি আগের তুলনায় কম সময় দিতে শুরু করেন বা নিজের মধ্যে গুটিয়ে যেতে থাকেন, তবে সেটিও একটি সতর্ক সংকেত হতে পারে। তবে কর্মব্যস্ততা বা ব্যক্তিগত চাপের কারণে এমন পরিবর্তন হতে পারে—এ বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।   অযৌক্তিক রাগ, খিটখিটে আচরণ বা কথায় বিরক্তির সুর থাকাও অনেক সময় পরকীয়ার ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হয়। পাশাপাশি আপনার দৈনন্দিন চলাফেরা, বাড়ি ফেরার সময় বা অবস্থান সম্পর্কে অতিরিক্ত খোঁজখবর নেওয়াও সন্দেহের কারণ হতে পারে।   অন্যদিকে সঙ্গীর হঠাৎ নিজের চেহারা, পোশাক বা সাজসজ্জার প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়াও পরিবর্তনের লক্ষণ হতে পারে। তবে এটি সব সময় পরকীয়ার নিশ্চিত প্রমাণ নয়—সঙ্গী হয়তো নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে চাইছেন।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্দেহের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস বজায় রাখা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম উপায়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ফলের ওপর সামান্য দারুচিনি ছিটানো রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাদ বাড়ায়

রান্নাঘরের একটি সাধারণ অভ্যাস আপনার দৈনন্দিন ফল খাওয়ার অভ্যাসকে আরও স্বাস্থ্যকর করতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, ফলের ওপর সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিলে তা শুধু স্বাদ বাড়ায় না, বরং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।   ফলে প্রাকৃতিকভাবে সরল শর্করা থাকে, যা দ্রুত রক্তে মিশে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে দিতে পারে। দারুচিনি এই শর্করা প্রক্রিয়াকরণকে পরিবর্তন করে। এটি কোষে গ্লুকোজ শোষণে সহায়তা করে, ফলে হঠাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন বলেন, দারুচিনিতে থাকা পলিফেনল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।   দারুচিনির অতিরিক্ত স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে। এটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়া শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে দারুচিনি প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়, কোষের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।   দারুচিনি চিনি ছাড়া ফলের স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে, হজমে সহায়ক এবং অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। বিশেষজ্ঞরা ফলের সঙ্গে লবণ বা অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার না করে দারুচিনি গুঁড়ো ব্যবহারের পরামর্শ দেন। সামান্য এই অভ্যাস ফলের পুষ্টিগুণ বাড়ায় এবং শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
হঠাৎ জয়েন্টে ব্যথা, হাঁটুর বা পায়ের আঙ্গুলে ফোলা বা অজানা শক্ত হয়ে যাওয়া এসব উপসর্গের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। ছবি: সংগৃহীত
ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেছে, যে ৮টি খাবার খেলেই বিপদ

একটা সময় মনে করা হতো বয়স বাড়লেই ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সমস্যা হয়। তবে বর্তমান সময়ে দেখা যায় কম বয়সেও এই সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। হঠাৎ জয়েন্টে ব্যথা, হাঁটুর বা পায়ের আঙ্গুলে ফোলা বা অজানা শক্ত হয়ে যাওয়া এসব উপসর্গের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। শরীর যখন প্রাকৃতিকভাবে ইউরিক অ্যাসিড নির্গত করতে ব্যর্থ হয়, তখন তা জয়েন্টে ক্রিস্টাল তৈরি করে, যা দেয় জ্বালা ও প্রদাহ।    ডা. শিবরাম বলেন, ইউরিক অ্যাসিড শুধু জয়েন্টের সমস্যা নয়। যদি সময়মতো নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তবে কিডনিতে ক্ষতি এবং চলাফেরার সমস্যা তৈরি হতে পারে। সে কারণে খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সচেতন হতে হবে। যেসব খাবার ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় সেগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।    যেসব খাবার ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ায়:  ১. রেড মিট রেড মিটের তালিকায় গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষের মাংস। এতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকে। এসব সরাসরি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় এবং জয়েন্টে প্রদাহ সৃষ্টি করে।   ২. অর্গান মিট  অর্গান মিটে পিউরিনের মাত্রা এখানে অনেক বেশি। উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের রোগীরা ছোট পরিমাণ হলেও এড়িয়ে চলা উচিত। অর্গান মিটের তালিকায় আছে যকৃত, কিডনি ও মস্তিষ্ক।    ৩. কিছু সামুদ্রিক খাবার  উচ্চ-পিউরিন সামুদ্রিক খাবারগুলো গাঁটের ব্যথার ঝুঁকি বাড়ায়। সেক্ষেত্রে সালমন বা কোড মাছ নিরাপদ বিকল্প।   রেড মিটের তালিকায় গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষের মাংস। এতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকে। এসব সরাসরি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় এবং জয়েন্টে প্রদাহ সৃষ্টি করে। ছবি: সংগৃহীত   ৪. প্রসেসড ও জাঙ্ক ফুড প্যাকেটজাত খাবার, ফ্রাইড ফুড, ফাস্ট ফুড এসব সরাসরি পিউরিন না থাকলেও প্রদাহ বাড়িয়ে দেয় এবং ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটায়।   ৫. অ্যালকোহল, বিশেষ করে বিয়ার বিয়ার ও অন্যান্য অ্যালকোহল শরীরের ইউরিক অ্যাসিড বের করতে বাধা দেয়। তাই জটিলতা এড়াতে এসব থেকে বিরত থাকাই ভালো।   ৬. অতিরিক্ত ডাল ও কিছু ফসল ডাল-শাক শাকসবজি স্বাস্থ্যকর হলেও সংবেদনশীল ব্যক্তির জন্য অতিরিক্ত পরিমাণে এসব না খাওয়াই ভালো। এতে করে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে জয়েন্ট পেইন হতে পারে তাই নিয়ন্ত্রণ জরুরি।   ফ্রুক্টোজ সরাসরি ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়। তাই সোডা ও মিষ্টি পানীয় সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। ছবি: সংগৃহীত   ৭. চিনি জাতীয় পানীয় ও সোডা ফ্রুক্টোজ সরাসরি ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়। তাই সোডা ও মিষ্টি পানীয় সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।   ৮. উচ্চ চর্বির ডেইরি পণ্য পুরো ফ্যাটের দুধ, ক্রীম, চিজ এসব প্রদাহ বাড়াতে পারে। লো-ফ্যাট বিকল্প নিরাপদ।   ইউরিক অ্যাসিডের কারণে শরীরে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে  পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাদ্য, ওজন নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত পরীক্ষা এসব স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে। আর এতে করে জয়েন্ট পেইন থেকে মুক্তি মেলে। সমইয়স আবেশি জটিল হলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।  সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0