দুবাই

বুর্জ আল আরব
সাময়িক বিরতিতে যাচ্ছে ‘বুর্জ আল আরব’

দুবাইয়ের প্রতীকী বিলাসবহুল হোটেল বুর্জ আল আরব-এ বড় ধরনের সংস্কারকাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এ কারণে হোটেলটি অন্তত ১৮ মাসের জন্য আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হতে পারে। ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরুর পর এই প্রথম এত বড় পরিসরে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে।   হোটেলটির মালিক জুমেইরাহ গ্রুপ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংস্কারকাজ ধাপে ধাপে প্রায় দেড় বছর ধরে চলবে। পুরো প্রকল্পের নকশা তত্ত্বাবধান করবেন প্যারিসভিত্তিক ইন্টেরিয়র স্থপতি ত্রিস্তান অর। তবে এই সময়ে হোটেলটি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।   অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, যেসব অতিথির আগাম বুকিং রয়েছে, তাদের জন্য কাছাকাছি অন্য হোটেলে থাকার বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সংস্কারের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে বন্ধ থাকার সময়সীমা কিছুটা পরিবর্তিতও হতে পারে।   পালতোলা নকশার জন্য পরিচিত এই আইকনিক স্থাপনাটি দুবাইয়ের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এবং জুমেইরাহ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। চলতি বছরের মার্চের শুরুতে ইরানের ড্রোন প্রতিরোধের সময় সৃষ্ট কিছু ধ্বংসাবশেষ হোটেলের বাইরের অংশে আঘাত করে সামান্য ক্ষতি করেছিল।   তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান সংস্কার প্রকল্পের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত একটি উন্নয়নকাজ, যা চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতার বাইরে।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে পর্যটন খাত কিছুটা চাপের মধ্যে রয়েছে—ফ্লাইট বিঘ্নিত হচ্ছে, পর্যটকের সংখ্যাও কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে এই সময়টিকে সংস্কারের জন্য বেছে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
দুবাইয়ে ড্রোন ডিপোতে ইরানের হামলার দাবি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই–এ ইউক্রেনের একটি ড্রোন-বিধ্বংসী অস্ত্রের ডিপোতে হামলার দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর বরাতে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শনিবার (২৮ মার্চ) চালানো ওই হামলায় ডিপোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।   ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল কমান্ড–এর এক মুখপাত্র দাবি করেন, হামলার সময় সেখানে ২১ জন ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন। হামলার পর ডিপোর ভেতরের অবস্থা স্পষ্ট না হওয়ায় তাদের সবাই নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   সামরিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর গোপন স্থাপনা লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা ইউক্রেনের ড্রোন-বিধ্বংসী ব্যবস্থার ডিপোও লক্ষ্যবস্তু করা হয়।   তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করেছে ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংস্থাটির মুখপাত্র জর্জি তিখি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করছি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইরান প্রায়ই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে।   এর আগে শনিবারই এক অনানুষ্ঠানিক সফরে আমিরাতে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সফরকালে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারের কথা জানান। তার এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ড্রোন ডিপোতে হামলার দাবি সামনে আসে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও এটি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
আরব আমিরাতে ইরানের ক্রমাগত হামলার নেপথ্যে আসল কারণ কী?

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বইছে উত্তপ্ত হাওয়া। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত লক্ষ্য করে প্রায় ২,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। মূলত আমিরাতের মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত পরিবহন খাত এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এই হামলাগুলো চালানো হচ্ছে।  সোমবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলার ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায়। শুধু বিমানবন্দরই নয়, অঞ্চলটির অন্যতম বৃহৎ তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র ফুজাইরাহ বন্দরেও ড্রোন হামলায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আবুধাবির উপকণ্ঠে একটি চলন্ত গাড়িতে রকেট হামলায় এক ফিলিস্তিনি নাগরিকের মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলেছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলেও হামলা চালানো হয়। বিবিসির সংবাদদাতা আজাদেহ মশিরি জানিয়েছেন, আরব আমিরাত মনে করছে তাদের অন্যায়ভাবে এই যুদ্ধে টেনে আনা হয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান হয়তো ভাবছে এই চাপের মুখে আমিরাত সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করবে, কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই ক্রমাগত হামলায় আমিরাতের কর্মকর্তারা এখন চরম ক্ষুব্ধ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
দুবাই ও আবুধাবির বন্দর এলাকা খালি করার নির্দেশ ইরানের

সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরীগুলোতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক জরুরি সতর্কবার্তায় দুবাইয়ের জেবেল আলী, আবুধাবির খলিফা বন্দর এবং ফুজাইরা বন্দরের বাসিন্দাদের অবিলম্বে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে জানা গেছে, এসব বাণিজ্যিক ও বেসামরিক স্থাপনার ভেতরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গোপন অবস্থানের কারণে এলাকাগুলো এখন তেহরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এসব অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে। সম্প্রতি ইরানের খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে তেহরান। আইআরজিসির দাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে লুকিয়ে থাকা মার্কিন শত্রু এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ইরানের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। ফলে মার্কিন সেনাদের আশ্রয় দেওয়া প্রতিটি বন্দর ও ডক এখন ইরানি মিসাইলের নিশানায়। ইরানি নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি দাবি করেছেন, বাহরাইন, কুয়েত এবং আরব আমিরাতের বেশ কিছু মার্কিন ঘাঁটিতে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যমতে: আল-ধাফরা ঘাঁটি (ইউএই): ধ্বংস করা হয়েছে প্যাট্রিয়ট রাডার সিস্টেম ও কন্ট্রোল টাওয়ার। আল-আদিরি ঘাঁটি (কুয়েত): গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং প্যাড ও সমরাস্ত্রের গুদাম। শেখ ঈসা বিমানঘাঁটি (বাহরাইন): একাধিক ড্রোন ও মিসাইল আঘাত হেনেছে। পেন্টাগন এখন পর্যন্ত এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে মধ্যপ্রাচ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
বিস্ফোরণে কাঁপল দুবাই
বিস্ফোরণে কাঁপল দুবাই

দুবাইয়ের কেন্দ্রীয় অংশে শুক্রবার (১৩ মার্চ) একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের সময় কিছু ভবন কেঁপে ওঠে এবং আকাশে ঘন ধোঁয়ার চিহ্ন দেখা যায়।   বার্তা সংস্থা এএফপির একজন প্রতিবেদক জানিয়েছেন, তিনি দুটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন, যার প্রভাবে আশেপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে।   দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষের কারণে একটি ভবনের বাইরের অংশে সামান্য ক্ষতি হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই।   প্রতিবেদকের তথ্য অনুযায়ী, শেখ জায়েদ রোডের দিক থেকে সাইরেনের শব্দও শোনা গেছে।   ঘটনার পরপরই এলাকা ঘিরে ফেলে দুবাই পুলিশ। জানা গেছে, বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষের কারণে একটি ভবন উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ফিনান্সিয়াল সেন্টার (ডিআইএফসি) এলাকায়।   তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ফের পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যু

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে আকাশপথে প্রতিহত করা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আরও এক পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। দুবাইয়ের আল বারশা এলাকায় শনিবার রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।   দুবাই মিডিয়া অফিসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, শনিবার রাতে একটি উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তুকে মাঝ-আকাশে ধ্বংস করা হয়। সেটির ধ্বংসাবশেষ সরাসরি একটি যানবাহনের ওপর গিয়ে পড়লে ওই পাকিস্তানি চালক প্রাণ হারান। চলমান এই সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এটি দ্বিতীয় কোনো পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনা।   সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত পাকিস্তানি দূতাবাস এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, "দুবাইয়ের আল বারশা এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আমাদের একজন নাগরিকের মৃত্যুতে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। আমাদের কনস্যুলেট জেনারেল স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে কাজ করছেন।"   এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আবুধাবিতে একই ধরনের ঘটনায় মুরিদ জামান নামে এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছিলেন। তিনি খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং গত আট বছর ধরে আমিরাতে কর্মরত ছিলেন।   পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই দুই মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন, বিদেশের মাটিতে নিজেদের নাগরিকদের এমন মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি আমিরাতে অবস্থিত পাকিস্তানি মিশনগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার এবং সব ধরনের সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।   উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকেই পুরো অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ইরানও পাল্টা জবাব হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালাচ্ছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো নিরপেক্ষ দেশগুলোতেও সাধারণ বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিক এবং স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আমিরাত সরকার নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
দুবাইয়ে মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ পড়ে পাকিস্তানি নাগরিক নিহত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের Dubai–এ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ছোড়া মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ পড়ে এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছেন।   স্থানীয় সময় অনুযায়ী রোববার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera–এর বরাতে জানা যায়, দুবাইয়ের বারশা এলাকায় একটি গাড়ির ওপর মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়ে ওই পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হন।   এ ঘটনার আগে Islamic Revolutionary Guard Corps দাবি করেছিল, দুবাইয়ের মারিনা এলাকায় অবস্থিত United States Central Command–এর একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল প্রতিরোধে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হলে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
চারদিকে আতঙ্কের ছায়া, ইরানি হামলায় স্তব্ধ পর্যটন নগরী দুবাই

ইরানের সাম্প্রতিক নজিরবিহীন হামলার পর চিরচেনা দুবাই এখন এক অচেনা নিস্তব্ধ নগরী। পর্যটনের ভরা মৌসুমে যেখানে তিল ধারণের জায়গা থাকে না, সেখানে এখন শপিংমল থেকে সমুদ্রসৈকত সবই খাঁ খাঁ করছে।  আকাশপথে বিমানের গর্জন নেই, ব্যস্ত মহাসড়কে নেই গাড়ির দীর্ঘ সারি। দুবাই ম্যারিনার জমজমাট ইয়ট পার্টিগুলো থমকে যাওয়ায় পরিস্থিতি অনেকটা ৬ বছর আগের কোভিড-১৯ লকডাউনের সেই স্থবিরতাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। নিরাপত্তার খাতিরে স্কুলগুলো পুনরায় অনলাইন ক্লাসে ফিরে গেছে। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোদেলা আকাশ আর পাখির ডাক ছাড়া শহরজুড়ে এখন কেবলই অস্বাভাবিক নীরবতা। সুপারমার্কেটগুলোতে পণ্য মজুতের হিড়িক পড়েছে, আর ডেলিভারি অ্যাপগুলো বাড়তি চাহিদার চাপে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।  আকাশসীমা বন্ধ থাকায় অনেক পর্যটক ও বাসিন্দা গাড়িতে করে ওমান সীমান্তের দিকে ছুটছেন। এমনকি ওমান সীমান্তের একটি হোটেল আটকা পড়া পর্যটকদের জন্য তাদের কনফারেন্স রুমকে অস্থায়ী আশ্রমে রূপান্তর করেছে। দুবাইয়ের মতো সুরক্ষিত শহরে সুনির্দিষ্ট কোনো বোম্ব শেল্টার না থাকায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা শনিবার রাত কাটিয়েছেন ভূগর্ভস্থ পার্কিং গ্যারেজে। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা গেছে শিশুদের শান্ত রাখার চেষ্টায়।  আকাশ কাঁপানো বিস্ফোরণের শব্দকে অভিভাবকরা শিশুদের কাছে 'রমজানের আতশবাজি' বা 'ইফতারের কামান' হিসেবে বর্ণনা করছেন, যাতে যুদ্ধের ভয়াবহতা শিশুদের মনে ভীতি ছড়াতে না পারে। স্থিতিশীলতার জন্য পরিচিত এই শহরটি এখন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে চেয়ে আছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২, ২০২৬ 0
ছবি: স্ক্রিনগ্র্যাব
ইরানি হামলায় দুবাইয়ের বাণিজ্যিক কেন্দ্র আতঙ্কিত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলার জবাবে শনিবার ইরান আরব উপসাগরজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হামলার শিকার শহরগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুবাই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগকেন্দ্র শহরটি আকাশ থেকে নেমে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে আগুন ও ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে।   দুবাই করোনার পরবর্তী সময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি, রিমোট ওয়ার্ক এবং সুবিধাজনক কর ব্যবস্থার কারণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। তবে শনিবারের হামলা প্রমাণ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চিত রাজনীতি থেকে দুবাই বিচ্ছিন্ন নয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা পুনরায় বিনিয়োগের আগে সতর্ক হবেন।   হামলার সময় ফেয়ারমন্ট হোটেল প্রাঙ্গণে আগুন লাগার ভিডিও ফুটেজে ইরানি ড্রোনের সরাসরি আঘাতের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এছাড়া ‘পাম জুমেইরাহ’ এলাকায়ও ড্রোন আছড়ে পড়ার ঘটনা ধরা পড়েছে। হামলার ফলে বুর্জ খলিফা থেকে মানুষকে সরানো হয়েছে, এবং আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।   ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে টেনে আনতে এই হামলার মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। একই সময়ে উপসাগরীয় রাজারা সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা দুবাইয়ের বাণিজ্যিক ভাবমূর্তি ও বিনিয়োগের আকর্ষণ দীর্ঘমেয়াদে প্রভাবিত করতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরে আগুন: মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েল জোটের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে রয়টার্স কানেক্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, রোববার (১ মার্চ) সকালে দুবাইয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দরে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী আকাশ ছেয়ে যেতে দেখা যায়। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে চালানো প্রতিশোধমূলক হামলার একটি অংশ হিসেবে জেবেল আলী বন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর আগে ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের চালানো বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। প্রত্যক্ষদর্শী এবং ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, জেবেল আলী বন্দরের একটি বার্থে একটি মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ার পর সেখানে আগুনের সূত্রপাত হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোঁড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রুখে দিতে সক্ষম হয়েছে। তবে ভূপাতিত সেই সব গোলার ধ্বংসাবশেষ বন্দরে আছড়ে পড়ায় এই অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। জেবেল আলী বন্দরটি শুধু আরব আমিরাতের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্রই নয়, এটি মার্কিন নৌবাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম 'পোর্ট অফ কল' হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ফলে এখানে হামলার প্রভাব বৈশ্বিক সামরিক ও অর্থনৈতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। শুধু দুবাই নয়, একই দিনে দোহা এবং মানামাতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানা গেছে। দুবাই সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে বন্দরের কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছে। হামলার পর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচলও নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার খবরের পর থেকেই পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ইরান ঘোষণা করেছে, তারা তাদের ভূখণ্ডে চালানো হামলার ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দিতে সব ধরনের মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্র দেশগুলোর ওপর আক্রমণ অব্যাহত রাখবে। পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রবাসীদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে আমিরাত কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববাজার এবং তেলের দামেও এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
ছবি: খালিজ টাইমস
বিশ্বে প্রথম স্বর্ণের সড়ক নির্মাণ করছে দুবাই

বিশ্বে প্রথম স্বর্ণ দিয়ে সড়ক নির্মাণ করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। রাস্তাটির নাম হবে ‘গোল্ড স্ট্রিট’। আর এটি নির্মাণ করা হবে আমিরাতের গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে। তবে বিস্তারিত তথ্য ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে দুবাই গোল্ড ডিস্ট্রিক্টের উদ্বোধনের সময় এই ঘোষণা দেয় রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ইথরা দুবাই। খবর খালিজ টাইমসের  ‘হোম অব গোল্ড’ নামে পরিচিত গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে স্বর্ণ ও গয়নাশিল্প-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম এক ছাদের নিচে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে খুচরা ও পাইকারি বাণিজ্য, বুলিয়ন ট্রেড, বিনিয়োগ, স্বর্ণ ব্যবসা এবং সংশ্লিষ্ট লাইফস্টাইল খাত অন্তর্ভুক্ত থাকবে।   বর্তমানে এই ডিস্ট্রিক্টে এক হাজারের বেশি খুচরা বিক্রেতা রয়েছে। যেখানে স্বর্ণালংকার ছাড়াও পারফিউম, কসমেটিকস ও লাইফস্টাইল পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ইতিমধ্যে জাওহারা জুয়েলারি, মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস, আল রোমাইজান ও তানিশক জুয়েলারির মতো বড় ব্র্যান্ড এখানে তাদের ফ্ল্যাগশিপ স্টোর স্থাপন করেছে। জুয়েলারি ব্র্যান্ড জয়ালুক্কাস মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সবচেয়ে বড়- ২৪ হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালুর ঘোষণা দিয়েছে।   ইথরা দুবাইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইসাম গালাদারি বলেন, গোল্ড ডিস্ট্রিক্ট দুবাইয়ের ঐতিহ্য, বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে একত্রিত করবে।   দুবাই ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমি অ্যান্ড ট্যুরিজমের অধীন দুবাই ফেস্টিভ্যালস অ্যান্ড রিটেইল এস্টাবলিশমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ আল খাজা বলেন, ‘স্বর্ণ দুবাইয়ের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা ঐতিহ্যকে সম্মান জানাচ্ছি এবং একই সঙ্গে সৃজনশীল ও টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’   উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রায় ৫৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারের স্বর্ণ রপ্তানি করেছে। দেশটি বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্বর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0