সৌদি আরব

ফাইল ফটো।
সৌদিতে সাঁড়াশি অভিযান: এক সপ্তাহেই ১৪ হাজার অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে গত এক সপ্তাহে আবাসন, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৪ হাজার ৪৮৭ জন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৯ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৭ হাজার ৯১১ জনের বিরুদ্ধে আবাসন আইন লঙ্ঘন, ৩ হাজার ৫৮৮ জনের বিরুদ্ধে সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ২ হাজার ৯৮৮ জনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার সময় ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৮ শতাংশ ইয়েমেনি, ৬১ শতাংশ ইথিওপিয়ান এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। এছাড়া অবৈধ উপায়ে দেশ ত্যাগের চেষ্টাকালে আটক হয়েছেন আরও ৪৩ জন। সৌদি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, যারা অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেবেন, পরিবহন সুবিধা দেবেন বা কোনোভাবে সহযোগিতা করবেন, তাদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। এই অপরাধে ১৫ বছর পর্যন্ত জেল এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বর্তমানে ৩৯ হাজার ২৫৮ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৯ হাজার ৪৬০ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ৭৯৮ জন নারী। ইতিমধ্যে ১২ হাজার ৫৫৪ জন অভিবাসীকে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
মদিনা বিমানবন্দরে প্রথম দফায় আগত হজযাত্রীদের ফুল উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কর্মকর্তারা | ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হজযাত্রীরা; মদিনায় প্রথম কাফেলার উষ্ণ অভ্যর্থনা

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা পালনে সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে এ বছরের হজের প্রথম কাফেলা। এর মধ্য দিয়ে শুরু হলো ২০২৬ সালের পবিত্র হজ মৌসুমের আনুষ্ঠানিক পথচলা।   মদিনা বিমানবন্দরে প্রথম দফায় আগত হজযাত্রীদের ফুল ও খেজুর দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে হজযাত্রীদের মদিনার মসজিদে নববীতে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে তারা নামাজ ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে কয়েক দিন অবস্থানের পর হজের মূল কার্যাদি পালনের জন্য মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।   সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে আরও অসংখ্য ফ্লাইট মদিনা ও জেদ্দা বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। আল্লাহর মেহমানদের জন্য পরিবহন, আবাসন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও অসুস্থ হজযাত্রীদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে আলাদা সহায়তা দল।   চাঁদ দেখা সাপেক্ষে প্রতি বছর জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা পালিত হয়। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এ বছর মে মাসের শেষ সপ্তাহে হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখ লাখ মুসলিমের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
হজ যাত্রীদের জন্য সৌদি আরবের বিশাল পরিবহন পরিকল্পনা

আসন্ন হজ মৌসুমকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে আগত লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ পরিবহন ও লজিস্টিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। এবারের হজে আকাশ, স্থল, রেলপথ ও সমুদ্রপথে সমন্বিত পরিষেবার মাধ্যমে হজযাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সৌদি পরিবহন ও লজিস্টিক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি হজ মৌসুমে বিমান চলাচলের জন্য ৩১ লাখেরও বেশি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বিশাল সংখ্যক হজযাত্রীকে আনা-নেওয়ার জন্য ১২ হাজারেরও বেশি নির্ধারিত এবং চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেদ্দা, মদিনা ও রিয়াদসহ দেশটির ছয়টি প্রধান বিমানবন্দরকে হজের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে ২২ হাজারেরও বেশি অভিজ্ঞ কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। হজযাত্রীদের কষ্ট কমাতে এবার 'ব্যাগেজ-ফ্রি ট্রাভেলার' বা লাগেজমুক্ত ভ্রমণের বিশেষ সুবিধা চালু করা হয়েছে। এর ফলে হজযাত্রীদের মালামাল সরাসরি তাদের আবাসন থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া জমজমের পানি পরিবহনেও বিশেষ সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। অভ্যন্তরীণ যাতায়াতেও নেওয়া হয়েছে অভাবনীয় পদক্ষেপ। পবিত্র মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতের মধ্যে যাতায়াতের জন্য 'মাশায়ের ট্রেন' ২ হাজারের বেশি ট্রিপ দেবে, যার মাধ্যমে ২০ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে। এছাড়া মক্কা ও মদিনার মধ্যে সংযোগকারী হারামাইন হাই-স্পিড রেলওয়ে ৫,৩০৮টি ট্রিপের মাধ্যমে ২২ লাখের বেশি যাত্রী সেবার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সড়কপথের প্রস্তুতি হিসেবে সৌদি কর্তৃপক্ষ ৫ কোটি ৬০ লাখ ঘনমিটার বালু সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করেছে এবং ১ লাখ ৭৮ হাজার লাইটিং ইউনিট সচল রাখা হয়েছে। এছাড়া ৩৩ হাজার বাস ও ৫ হাজার ট্যাক্সি সার্বক্ষণিক হজযাত্রীদের সেবায় নিয়োজিত থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি সেন্টার চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
পাকিস্তানকে ৩ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিচ্ছে সৌদি আরব

তীব্র অর্থনৈতিক চাপে থাকা পাকিস্তান-এর জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে সৌদি আরব। দেশটির অর্থনীতিকে সহায়তা করতে রিয়াদ নতুন করে ৩ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।   ওয়াশিংটনে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বৈঠকে অংশ নিয়ে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব এই তথ্য নিশ্চিত করেন।   জানা গেছে, সৌদি আরবের এই অর্থ পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন সামাল দিতে সহায়ক হবে। এর আগে দেশটি পাকিস্তানের কাছে রাখা ৫ বিলিয়ন ডলারের আমানতের মেয়াদও বাড়িয়েছে। ফলে নতুন সহায়তা যুক্ত হয়ে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ বিলিয়ন ডলারে।   বর্তমানে পাকিস্তান বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত-কে ৩.৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের বাধ্যবাধকতা এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের সহায়তাকে দেশটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন হিসেবে দেখা হচ্ছে।   অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ১.৪ বিলিয়ন ডলারের ইউরোবন্ড পরিশোধ করা হয়েছে এবং আইএমএফ-এর ঋণ কর্মসূচির পরবর্তী কিস্তি ১.২ বিলিয়ন ডলার শিগগিরই পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।   অন্যদিকে, আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও করাচি বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়াকে ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান ও সৌদি আরব-এর সম্পর্ক শুধু অর্থনৈতিক নয়, কৌশলগত ও সামরিক ক্ষেত্রেও গভীর। অতীতেও সংকটের সময়ে দুই দেশ একে অপরকে সহায়তা করেছে। সাম্প্রতিক সহায়তাও সেই দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ধারাবাহিকতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   সূত্র: সামা টিভি।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
অবরোধে উত্তেজনা বাড়ছে: ইরানের পাল্টা হুমকি, আলোচনায় ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে সৌদি

মার্কিন অবরোধকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া পদক্ষেপের বিপরীতে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, আর এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনকে আলোচনায় ফেরাতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব।   ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নির্দেশে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপের লক্ষ্য ছিল দেশটির অর্থনীতিকে চাপে ফেলা। তবে আরব কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে।   এই প্রণালি লোহিত সাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে এবং এশিয়া-ইউরোপ বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই পরিচালিত হয়।   এর আগে ইরান হরমুজ প্রণালি-তে হামলার মাধ্যমে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করে, যার ফলে বিশ্ববাজারে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায় এবং তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি হরমুজের পাশাপাশি বাব এল-মান্দেব প্রণালীতেও বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।   এদিকে ইয়েমেনভিত্তিক হুতি বিদ্রোহীদের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান তাদের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। গাজা যুদ্ধের সময় হুতিরা এই পথে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটিয়েছিল।   হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে উপসাগরীয় মিত্রদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ওয়াশিংটন।   তবে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো এখন সামরিক উত্তেজনার বদলে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। তাদের মতে, সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে তা পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে।   বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামান্য উত্তেজনাও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
হজ সামনে রেখে ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন সৌদির
হজ সামনে রেখে ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন সৌদির

সৌদি আরব জানিয়েছে, পবিত্র হজ পালনের জন্য শুধুমাত্র নির্ধারিত ‘হজ ভিসা’ই গ্রহণযোগ্য হবে। এর বাইরে অন্য কোনো ভিসা ব্যবহার করে হজের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেওয়া যাবে না। দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা স্পষ্ট করেছে।   বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশ থেকে আগত মুসল্লিদের জন্য হজ পালনের একমাত্র বৈধ উপায় হলো সরকার অনুমোদিত হজ ভিসা গ্রহণ করা। অন্য কোনো ধরনের ভিসা ব্যবহার করে হজে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।   প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ভ্রমণ, ট্রানজিট, ওমরাহ বা পর্যটন ভিসা ব্যবহার করে কেউ হজের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। এসব ভিসাধারীদের হজের অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও কঠোরভাবে জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   তবে সৌদি আরবের ভেতরে অবস্থানরত নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য আলাদা নিয়ম রাখা হয়েছে। তাদের নির্ধারিত সরকারি পদ্ধতির মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে।   মন্ত্রণালয় আরও সতর্ক করে বলেছে, হজ সংক্রান্ত সব বুকিং ও নিবন্ধন শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যবস্থার মাধ্যমেই করতে হবে। কোনো ভুয়া বা অননুমোদিত মাধ্যমে বুকিং করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি–তে জাহাজ চলাচলে সীমাবদ্ধতার কারণে বিশ্ববাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।   শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছায়, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ০.৮৭ শতাংশ বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড তেলের দামও ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।   আল জাজিরা–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।   এ অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে তারা ‘খুব খারাপ কাজ’ করছে। পাশাপাশি জাহাজ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের চেষ্টা করলে তা বন্ধ করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।   এদিকে সাম্প্রতিক হামলার কারণে সৌদি আরব–এর তেল উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সূত্র জানায়, হামলার ফলে দৈনিক প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমে গেছে। পাশাপাশি ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল পরিবহনও দৈনিক প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল হ্রাস পেয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও চাপ তৈরি হতে পারে এবং এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি - সংগৃহিত
ইরান যুদ্ধ থামাতে সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ: আসছে বড় ঘোষণা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির রূপরেখা নিয়ে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে এক জরুরি ফোনালাপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এক্সিওস এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বুধবার এই দুই শীর্ষ নেতা বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তেহরানের সঙ্গে চলমান গোপন আলোচনার সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছেন।   হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফোনালাপের বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য না করলেও বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে যে, ট্রাম্প সৌদি যুবরাজকে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো সম্পর্কে বিশদভাবে অবহিত করেছেন।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে একটি বিশেষ শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যেখানে তেহরানের বিতর্কিত পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বেশ কিছু কঠোর শর্ত দেওয়া হয়েছে।   এ ছাড়া বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও এই নতুন মার্কিন শান্তি প্রস্তাবের অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে রাখা হয়েছে।   ইরান অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো ধরনের বৈঠকের খবর পুরোপুরি অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, তারা কেবল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেই বার্তা আদান-প্রদান করছে এবং ওয়াশিংটনের প্রস্তাবগুলো অত্যন্ত অবাস্তব ও একপাক্ষিক।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক চরম অস্থিতিশীল ও থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।   মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন আমেরিকান সেনাও প্রাণ হারিয়েছেন, যা হোয়াইট হাউসের ওপর অভ্যন্তরীণভাবে প্রবল রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ বাড়াচ্ছে।   যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিটি দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে গেছে এবং বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে।   ইরানও এই আগ্রাসনের জবাবে চুপ করে বসে নেই, তারা ইসরায়েলসহ জর্ডান ও ইরাকে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে পাল্টাপাল্টি ড্রোন ও বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।   সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত আলোচনাকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরানোর একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা, যা সামনের দিনগুলোতে যুদ্ধের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দিতে পারে।   রিয়াদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমর্থন ছাড়া এই অঞ্চলে যেকোনো স্থায়ী সমাধান প্রায় অসম্ভব হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে সংঘাত কমানোর কৌশলগত চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।   যদিও তেহরান এখনও নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে, তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা এবং আরব দেশগুলোর সম্মিলিত চাপ ইরানকে শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে নমনীয় হতে বাধ্য করতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।   বিশ্ববাসী এখন অধীর আগ্রহে ওয়াশিংটন ও রিয়াদের এই যৌথ প্রচেষ্টার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে, যাতে করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে এবং সাধারণ মানুষের যাপিত জীবনে আবার স্বস্তি ফিরে আসে।   সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যে যুদ্ধের ঘন কালো মেঘ জমেছে, তা সরাতে এখন সর্বোচ্চ স্তরে কূটনৈতিক লড়াই চলছে যা শেষ পর্যন্ত এই অঞ্চলের আগামীর ভাগ্য ও স্থিতিশীল শান্তি নির্ধারণ করবে।  

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।
ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম

পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে আজ রোববার (২৯ মার্চ) রাতে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। আজ রাতে দলের মিডিয়া টিম থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।   দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৪ এপ্রিল তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ব্যক্তিগত এই ধর্মীয় সফরের জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া ও শুভকামনা চেয়েছেন। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জোরালো ভূমিকা রাখার পর তিনি এই সংক্ষিপ্ত সফরে যাচ্ছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের তীব্র উত্তেজনার মাঝে বৈশ্বিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং একটি কার্যকর সমাধান খুঁজতে ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে চার দেশীয় উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সম্মেলন।  সোমবার এই সম্মেলনের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ। তুরস্ক এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই চতুর্মুখী সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সংঘাত প্রশমন করা। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সৌদি আরবের প্রতি পাকিস্তানের অবিচল সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে বর্তমান আঞ্চলিক সংকটে রিয়াদের প্রদর্শিত "অভাবনীয় ধৈর্যের" ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দেশটির শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI) প্রধান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লে. জেনারেল মুহাম্মদ আসিম মালিক। কর্মকর্তাদের এই উপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পাকিস্তান কেবল কূটনৈতিক নয়, বরং কৌশলগত দিক থেকেও এই সংকট সমাধানে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। গত এক মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের চালানো 'ব্যাকচ্যানেল ডিপ্লোমেসি' বা নেপথ্য কূটনীতির বিস্তারিত সৌদি প্রতিনিধিদলের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সমঝোতার ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির লক্ষে ইসলামাবাদ সক্রিয়ভাবে বার্তার আদান-প্রদান করছে। মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে শরিফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় পাকিস্তান সৌদি আরবের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবে। চলতি মাসে রিয়াদের পর এটিই চার দেশের দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কাছে এখন ১৫ দফার একটি ডি-এস্কেলেশন বা উত্তেজনা প্রশমন ফ্রেমওয়ার্ক বিবেচনার জন্য রয়েছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পাকিস্তান। ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই নিবিড় আলোচনা চলবে বলে জানা গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামানোর উদ্যোগ: পাকিস্তানে চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক

ইরান ও মার্কিন-ইসরাইল সংঘাতের ৩০তম দিনে এসে অবশেষে শান্তি আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ আগ্রাসন ও পাল্টা হামলার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে আজ রোববার (২৯ মার্চ) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা।   পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আজ প্রথম দফার আনুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আনতে এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকরের উদ্দেশ্যেই এই দেশগুলো বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করছে।   উল্লেখ্য, গত এক মাস ধরে চলা এই সংঘাতে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় মার্কিন-ইসরাইলি হামলা এবং এর জবাবে ইরানের কঠোর সামরিক তৎপরতার কারণে বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইসলামাবাদের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে একটি টেকসই সমাধান আসবে বলে আশা করছে আন্তর্জাতিক মহল। চার দেশের এই যৌথ উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।   সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ইয়েমেন থেকে ইসরাইলে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ
সৌদিতে হামলায় মার্কিন বিশেষ নজরদারি বিমান ধ্বংস করলো ইরান

সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ সামরিক বিমান ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে ইরান। এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে।   মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে The Wall Street Journal জানিয়েছে, গত শুক্রবার সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়। হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১২ সেনা আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক রাডারসমৃদ্ধ বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি মডেলের একটি বিমান, যা আগাম সতর্কতা ও আকাশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হামলার পর প্রকাশিত ফুটেজে বিমানটিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে।   আরব কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, একই হামলায় একাধিক রিফুয়েলিং বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ই-৩ সেন্ট্রি বিমান উন্নত রাডার প্রযুক্তির মাধ্যমে কয়েকশ কিলোমিটার দূরের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম। যুদ্ধক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক তথ্য সরবরাহে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া এই মডেলের বিমান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ছিল মাত্র ১৬টি। অতীতে এ ধরনের বিমানের সংখ্যা প্রায় ৩০টি ছিল।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের বিমান সহজে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন হলে এর বিকল্প হিসেবে ই-৭ ওয়েজটেইল মডেলের বিমান ব্যবহার করতে হয়, যার প্রতিটির মূল্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার।   এই হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটির স্যাটেলাইট ইমেজ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে একজন নিহত

সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সৈন্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলা শুক্রবার ঘটে এবং এতে বিমানঘাঁটির কয়েকটি রি-ফুয়েলিং বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের কাছে মোতায়েন সেনারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি এবং থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করেন। হোয়াইট হাউস জানায়, সৌদি আরবে বর্তমানে ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য অবস্থান করছেন, যারা আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা এবং সামরিক বিমানের কার্যক্রমে সহায়তা দেন।   ইরান এবং পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে গত দুই দশক ধরে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা বিদ্যমান। ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনের আলোচনার পর কোনো সমঝোতা চুক্তি না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালু করে। এই অভিযানের প্রথম দিনেই ইরানের সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিহত হন।   যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এর আগে ১ মার্চ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলার ফলে কয়েকজন মার্কিন সৈন্য আহত হন, যার মধ্যে সার্জেন্ট বেঞ্জামিন এন. পেনিংটন (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।   সেন্টকোমের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাস ধরে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৩০০ জনেরও বেশি মার্কিন সৈন্য আহত হয়েছেন।   সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, এপি

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ইউক্রেন ও সৌদির মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারে ইউক্রেন ও সৌদি আরব একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।   সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানায়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) জেদ্দায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা এবং ইউক্রেন পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতেও মতবিনিময় হয়।   জেলেনস্কি তার এক্স পোস্টে উল্লেখ করেন, সৌদি আরব সফরের অংশ হিসেবে জেদ্দায় বৈঠকের আগে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তিনি বলেন, ইউক্রেন তার অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সৌদি আরবের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে প্রস্তুত।   সূত্র জানায়, শনিবার (২৮ মার্চ) জেদ্দা ত্যাগ করার কথা রয়েছে জেলেনস্কির। কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানানোর জন্য মক্কা অঞ্চলের উপ-গভর্নর প্রিন্স সৌদ বিন মিশআলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।   উল্লেখ্য, ইরান-সংক্রান্ত সামরিক উত্তেজনা শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন জেলেনস্কি। বিশেষ করে ড্রোন প্রতিরোধে ইউক্রেনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে, এবং বর্তমানে এসব দেশে ইউক্রেনের দুই শতাধিক সামরিক প্রযুক্তিবিদ কাজ করছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
সৌদি আরবে মার্কিন সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, ইরানের ড্রোন হা/মলার দাবি

সৌদি আরবে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ এ সংস্থার দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের সুলতান আমির ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।   এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরান ১৩টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করেছে, যার মধ্যে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পোর্ট শুয়াইবা, আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বুয়েরিং সামরিকঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।   যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটিতে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব দাবিকে বারবার ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।   এ ছাড়া কাতার, বাহরাইন ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সেনা ও বিমানঘাঁটিগুলোতেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও এ বিষয়ে এখনো মার্কিন সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান, যা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আঞ্চলিক সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফ্থ ফ্লিট সদর দপ্তর এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতেও হামলার কথা বলা হয়েছে।  

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে জেলেনস্কি: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার লক্ষ্যেই এই সফর।  প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে রয়েছেন ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রধান রুস্তম উমেরভ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় জেলেনস্কি জানান, "সৌদি আরবে পৌঁছেছি। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। যারা আমাদের সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে আগ্রহী এবং আমাদের সমর্থন করছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।" সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন ইউক্রেন তাদের নিজস্ব 'এয়ার ডিফেন্স' বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ড্রোন প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব দিয়েছে। কিয়েভ ইতিমধ্যে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জেলেনস্কি এই সহায়তার বিনিময়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সৌদি আরবের আর্থিক সমর্থন এবং উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন। মূলত 'প্রযুক্তি ও অর্থ'-এর বিনিময়ে নিরাপত্তা সহযোগিতার এই নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে ইউক্রেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি-কুয়েতসহ আরব দেশগুলোতে ইরানের ড্রোন হামলা, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। বুধবার সকালে সৌদি আরব ও কুয়েত জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে ইরান থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।   এছাড়া কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং বাহরাইনও একই ধরনের হামলার শিকার হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, বেসামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।   প্রেক্ষাপটে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করলে, এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে আঘাত হানে। পরে সেই হামলার জন্য কিছু দেশের কাছে দুঃখপ্রকাশও করেছিল তেহরান।   তবে সাম্প্রতিক হামলা কেন অব্যাহত রয়েছে—এ বিষয়ে বিবিসির সংবাদদাতা বারবারা প্লেট-আশার বিশ্লেষণ দিয়েছেন। তার মতে, ইরান অঞ্চলের নিরাপদ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠা ভাবমূর্তিকে দুর্বল করতে চাইছে।   তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস খাত বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই খাতে বিঘ্ন ঘটাতে পারলে বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব পড়বে, যা ইরানের কৌশলগত চাপ তৈরির অংশ হতে পারে।   একই সঙ্গে, এই হামলার মাধ্যমে আরব প্রতিবেশীদের ওপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরও চাপ প্রয়োগের লক্ষ্যও থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্যও বড় ঝুঁকি তৈরি করছে

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
ইরানে সরাসরি মার্কিন সেনা পাঠাতে ট্রাম্পের ওপর সৌদি যুবরাজের প্রবল চাপ

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে এবং দেশটিতে সরাসরি মার্কিন স্থলসেনা মোতায়েনের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উৎসাহিত করছেন সৌদি আরবের প্রভাবশালী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার ফোনালাপে সালমান বর্তমান ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন না হওয়া পর্যন্ত সামরিক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।   সৌদি যুবরাজের আশঙ্কা, ইরানের বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকলে মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘমেয়াদে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকবে। এমনকি বর্তমান সংঘাত থেমে গেলেও ইরান ভবিষ্যতে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও নৌপথে হুমকি অব্যাহত রাখতে পারে। জনসম্মুখে রিয়াদ কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও পর্দার আড়ালে সালমানের অবস্থান বেশ কঠোর। তিনি চান, মার্কিন বাহিনী ইরানের জ্বালানি কেন্দ্রগুলো দখল করে এবং সরাসরি স্থল অভিযানের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে তাদের শক্তি চিরতরে নিঃশেষ করে দিক।   নিউ ইয়র্ক টাইমসের সূত্রমতে, ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর এই চাপ ওয়াশিংটনের নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একদিকে যখন ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন, অন্যদিকে সৌদি আরবের এই কঠোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘস্থায়ী শত্রুতা নিরসনে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সালমানের পরিকল্পনায় সাড়া দেন কি না, সেটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির বড় প্রশ্ন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
প্রতীকী ছবি
সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানের শক্তিশালী হামলা

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা সৌদি আরবের আল-খারজ অঞ্চলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসি-র 'খাতাম আল-আনবিয়া' সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের চলমান 'ট্রু প্রমিজ ৪' (True Promise 4) অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ঘাঁটিটি মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি প্রধান কেন্দ্র এবং এখান থেকেই এই অঞ্চলে মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।   ইরানি গণমাধ্যম ও কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, উন্নত মানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে যে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া বেশ কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই সফলভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও কিছু অসমর্থিত সূত্র ও সোশ্যাল মিডিয়া ফুটেজে ঘাঁটির ভেতরে আগুনের ধোঁয়া দেখা যাওয়ার দাবি করা হয়েছে।   একই সময়ে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরের পাশে অবস্থিত অ্যারোস্পেস সেন্টারে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। এই বহুমুখী ও সমন্বিত হামলা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি উপস্থিতির ওপর ইরানের ক্রমবর্ধমান পাল্টা আঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও পেন্টাগন বা হোয়াইট হাউস থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে এই ঘটনা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
(বাঁ থেকে) মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। রিয়াদ, সৌদি আরব; ১৯ মার্চ ২০২৬। ছবি: সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালের এক্
প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে তুরস্ক-সৌদি-মিসর-পাকিস্তানের আলোচনা

মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ চার দেশ—তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তান—প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে বৈঠক করেছে। সৌদি রাজধানী রিয়াদ-এ একটি সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশগুলোর সক্ষমতা একীভূত করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।   সূত্রগুলোর মতে, এ উদ্যোগের লক্ষ্য কোনো সামরিক জোট গঠন নয়; বরং প্রতিরক্ষা শিল্প, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা খাতে সমন্বিত সহযোগিতা গড়ে তোলা। তুরস্ক গত বছর থেকেই এ ধরনের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে এবং এতে মিসরকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছে।   বৈঠক শেষে হাকান ফিদান বলেন, “অঞ্চলের প্রভাবশালী দেশগুলো কীভাবে নিজেদের শক্তি একত্র করে সমস্যার সমাধান করতে পারে, তা আমরা পর্যালোচনা করছি।” তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক সমস্যার সমাধানে নিজেদের উদ্যোগেই এগিয়ে আসা জরুরি, নতুবা বাইরের শক্তি তাদের স্বার্থ অনুযায়ী সমাধান চাপিয়ে দিতে পারে।   আলোচনায় ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা, বিশেষ করে ইরান-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা হামলার বিষয়ও উঠে আসে। যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার সমালোচনা করা হলেও, ইসরায়েলের ভূমিকা সীমিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো নির্দিষ্ট ইস্যুতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়।   বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কের উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, পাকিস্তানের কৌশলগত সক্ষমতা, সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি এবং মিসরের সামরিক উপস্থিতি—এই চার দেশের সমন্বয় ভবিষ্যতে একটি প্রভাবশালী আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
সৌদি আরবে ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়াতি
ইরানের ৫ কূটনীতিককে বহিষ্কার, দেশ ছাড়তে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম সৌদির

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে আবারও অস্থিরতার কালো মেঘ। দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে এবার ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করল সৌদি আরব। ইরানের সামরিক অ্যাটাশে-সহ মোট পাঁচজন দূতাবাস কর্মীকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আরব ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে রিয়াদ। শনিবার সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। রিয়াদের অভিযোগ, ইরান ধারাবাহিকভাবে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, শুধু সৌদি আরব নয়, বরং গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিল (GCC) ভুক্ত অন্যান্য দেশসহ বিভিন্ন আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রে ইরানের ‘আগ্রাসী’ আচরণ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সৌদি প্রশাসনের দাবি, ইরানের এই ভূমিকা বেইজিং চুক্তির শর্ত এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবনাগুলোর সরাসরি বরখেলাপ। বহিষ্কৃতদের তালিকায় রয়েছেন ইরানের প্রধান সামরিক অ্যাটাশে, সহকারী সামরিক অ্যাটাশে এবং আরও তিনজন উচ্চপদস্থ কূটনীতিক। সৌদি প্রশাসন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধরনের উসকানিমূলক আচরণ অব্যাহত থাকলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক চূড়ান্ত অবনতির দিকে যাবে। এমনকি জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিজেদের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার প্রয়োগ করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে রিয়াদ। বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকা ও ইসরায়েলকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যখন নতুন করে যুদ্ধের দামামা বাজছে, ঠিক সেই মুহূর্তে সৌদি-ইরান সম্পর্কের এই বৈরিতা পুরো অঞ্চলের কূটনৈতিক ভারসাম্যকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0