আদালত

হাসপাতালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার মামলার এক নম্বর আসামি মঈন উদ্দিন।
হাসপাতালকে ঘিরে চাঁদাবাজি: চার আসামিকে রিমান্ডে পাঠাল আদালত

কিডনি বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সাতজনের মধ্যে চারজনকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।   সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে তাদের ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করা হলে বিচারক রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেন।   এর আগে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, মামলার প্রধান আসামি মঈন উদ্দিনসহ মোট সাতজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের পরিচয় বিস্তারিতভাবে পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।   অভিযোগ অনুযায়ী, গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে নিজেদের যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।   ঘটনার পর হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু হানিফ শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।   এদিকে, ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর যুবদলের শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তারা জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। পরদিন বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজেও এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন পেলেন

জুলাই আন্দোলনের সময়ের আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে জামিন দিয়েছেন আদালত।   রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত আসামি পক্ষের আবেদন শুনে ৫০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।   প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আশরাফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিস্তারিত আসছে…

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেতে মিথ্যা তথ্য প্রদানে এক নারীর কা’রাদণ্ড
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেতে মিথ্যা তথ্য প্রদানে এক নারীর কারাদণ্ড

ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেতে নিজের অতীত সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন এমন অভিযোগে এক নারীকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে কানেকটিকাটের একটি ফেডারেল আদালত। কানেকটিকাটে বসবাসকারী ওই নারী বসনিয়ার যুদ্ধাপরাধে জড়িত ছিলেন বলে মিথ্যা তথ্য দেন।   কোনো এক সময়ে বসনিয়ার যুদ্ধাপরাধী নাদা রাদোভান তোমানিচ হার্টফোর্ড থেকে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় চলে যান, কিন্তু দূরত্বও তাকে তার কর্মকাণ্ডের পরিণতি থেকে রক্ষা করতে পারেনি। ৫৩ বছর বয়সী নাদা রাদোভান তোমানিচকে বুধবার ব্রিজপোর্ট ফেডারেল আদালত আড়াই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। ডেভিড সুলিভান-এর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০১২ সালে হার্টফোর্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় তার অপরাধমূলক অতীত গোপন করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশকে বসনিয়া যুদ্ধের সময় তোমানিচ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সেনাবাহিনী-এর ‘জুলফিকার স্পেশাল ইউনিট’-এ দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি ও তার ইউনিটের অন্য সদস্যরা বসনিয়ান সার্ব বেসামরিক বন্দিদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান, যার মধ্যে নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে নাগরিকত্বের আবেদনকালে তিনি দাবি করেন, তিনি কখনো কোনো আটক কেন্দ্রে কাজ করেননি বা কাউকে আটক রাখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এমনকি তিনি কোনো যুদ্ধাপরাধেও জড়িত ছিলেন না বলে শপথ করে মিথ্যা তথ্য দেন। তদন্তে আরও জানা যায়, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) -এর কর্মকর্তার সামনে সাক্ষাৎকারের সময়ও তিনি শপথ নিয়ে এসব তথ্য অস্বীকার করেন। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর তিনি অবৈধভাবে নাগরিকত্ব গ্রহণের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। রায় ঘোষণার পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বলেন, বহু বছর পর হলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও বসনিয়ার তদন্তকারীদের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। এফবিআইয়ের নিউ হ্যাভেন ফিল্ড অফিস-এর কর্মকর্তারা জানান, এই মামলাটি শুধু নাগরিকত্ব আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার বিষয় নয়; বরং তার অতীতের সহিংস কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ও ছিল। এই মামলাটি তদন্ত করেছে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। তদন্তে সমন্বয় সহায়তা দেয় স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ-এর হিউম্যান রাইটস ভায়োলেটরস অ্যান্ড ওয়ার ক্রাইমস সেন্টার (এইচআরভিডব্লিউসিসি) এবং মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)-এর ফ্রড ডিটেকশন অ্যান্ড ন্যাশনাল সিকিউরিটি (এফডিএনএস) অফিস, পাশাপাশি এফবিআই-এর ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ইউনিট (আইএইচআরইউ)। এই তদন্তে সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কর্তৃপক্ষকে—বিশেষ করে তাদের বিচার মন্ত্রণালয় ও রিপাবলিকা সার্পস্কার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সার্বিয়ার কর্তৃপক্ষসহ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক ফৌজদারি ট্রাইব্যুনালের অবশিষ্ট প্রক্রিয়া-কে ধন্যবাদ জানিয়েছে, যারা তদন্ত এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছে। মামলাটি পরিচালনা করেন ক্রিমিনাল ডিভিশনের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড স্পেশাল প্রসিকিউশন্স সেকশনের ট্রায়াল অ্যাটর্নি এলিজাবেথ নিলসেন এবং কানেকটিকাট জেলার সহকারী ইউএস অ্যাটর্নি আনাস্তাসিয়া কিং ও অ্যাঞ্জেল ক্রুল, এইচআরএসপি ইতিহাসবিদদের সহায়তায়। এছাড়া, বিচার বিভাগের অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সও এ মামলায় সহযোগিতা করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
বিখ্যাত মার্কিন হিপ-হপ তারকা এবং মিউজিক মোগল শন ‘দিদি’ কম্বস
কারামুক্তির আশায় আদালতে আপিল শন দিদি কম্বস

বিখ্যাত মার্কিন হিপ-হপ তারকা এবং মিউজিক মোগল শন ‘দিদি’ কম্বসকে কারাগার থেকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং তার সাজার রায় বাতিলের দাবিতে আজ ফেডারেল আপিল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তার আইনজীবীরা। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, দিদির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মূলত ব্যক্তিগত ও শৌখিন বিনোদনের অংশ ছিল, যা মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনী দ্বারা সুরক্ষিত। গত বছরের জুলাই মাসে একটি দীর্ঘ আট সপ্তাহের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দিদি দুটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। অভিযোগগুলো ছিল তার তৎকালীন বান্ধবী ক্যাসি ভেনচুরা এবং ছদ্মনামধারী আরেকজন নারীর সাথে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার জন্য যৌনকর্মীদের (Escorts) যাতায়াতের ব্যবস্থা করা। এর ফলে গত অক্টোবর মাসে তাকে ৫০ মাসের কারাদণ্ড দেন জেলা বিচারক অরুণ সুব্রামানিয়ান। বর্তমানে তিনি নিউ জার্সির ফোর্ট ডিক্স ফেডারেল কারাকেন্দ্রে বন্দি আছেন। আজকের শুনানিতে দিদির আইনজীবী আলেকজান্দ্রা শাপিরো এবং তার দল যুক্তি দেন যে, এই ঘটনাগুলো মূলত ‘ভয়ারিজম’ (Voyeurism) বা ‘অ্যামেচার পর্নোগ্রাফি’র অংশ ছিল। তাদের মতে, এটি কোনো অপরাধমূলক পাচার নয়, বরং পারস্পরিক সম্মতিতে তৈরি করা ভিডিও। আইনজীবীরা দাবি করেন, জেলা আদালত সাজা প্রদানের সময় দিদির সেই সব আচরণের কথা বিবেচনা করেছে যা থেকে তিনি মূল বিচারে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন (যেমন: সেক্স ট্রাফিকিং এবং র‍্যাকেটিয়ারিং)। তারা একে একটি ‘অযৌক্তিক’ ও ‘কঠোর’ সাজা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে, সরকারি কৌঁসুলিরা এই যুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তারা অভিযোগ করেছেন যে, দিদি তার ক্ষমতা ও মাদক ব্যবহার করে নারীদের এই ভিডিও বা ‘ফ্রিক অফ’ সেশনে বাধ্য করতেন। প্রসিকিউটররা এই সাজার মেয়াদ বহাল রাখার পক্ষে অটল অবস্থান নিয়েছেন। দিদি শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন এবং ক্যাসি ভেনচুরার কাছে তার অতীত আচরণের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন। আজ আপিল আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করছে দিদি আগামী ২০২৮ সালের নির্ধারিত তারিখের আগেই মুক্তি পাবেন কি না। যদি আপিল আদালত আইনজীবীদের যুক্তি গ্রহণ করে, তবে দিদির সাজা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে অথবা তিনি সরাসরি কারামুক্তি পেতে পারেন। তবে আদালত এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন জগতের অন্যতম প্রভাবশালী এই ব্যক্তির বিচারিক লড়াই এখন বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের আকর্ষণের কেন্দ্রে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক। সংগৃহীত ছবি
টিউলিপসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলায় ১৬ এপ্রিল অভিযোগ গঠন

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় অবৈধভাবে ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেন-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৬ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।   মামলাটি বিচারযোগ্য হওয়ায় এটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ স্থানান্তর করা হয়েছে। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।   সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান, আসামিদের হাজিরার জন্য গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় নতুন আদালতে পাঠানো হয়েছে।   এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালত এই দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।   পরবর্তীতে ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর টিউলিপকে গ্রেফতারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির অনুমতি চান। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর ৮ মার্চ সরকারি গেজেট প্রকাশ করে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।   মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পারস্পরিক যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো অর্থ পরিশোধ ছাড়াই গুলশান-২ এলাকায় ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড-এর একটি ফ্ল্যাট নিজেদের দখলে নেন এবং পরে তা রেজিস্ট্রি করেন।   এই অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ১১ ডিসেম্বর দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে টিউলিপ ও মোশাররফের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।   উল্লেখ্য, এর আগে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে করা পৃথক তিন মামলায় টিউলিপের দুই বছর করে মোট ছয় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আদালতের যুগান্তকারী রায়: ফ্রান্সে মুসলিম মহাসমাবেশের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাতিল

প্যারিসের উত্তরাঞ্চলে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিশাল এক বার্ষিক সম্মেলন আয়োজনের পথ প্রশস্ত হলো। ফরাসি সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার অজুহাতে এই সমাবেশের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির একটি প্রশাসনিক আদালত।  আজ নির্ধারিত সময়ের মাত্র দুই ঘণ্টা আগে আদালত এই রায় প্রদান করেন, যা ফ্রান্সে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমাবেশের অধিকার রক্ষায় একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্যারিস পুলিশ বিভাগ দাবি করেছিল, চার দিনব্যাপী এই ‘অ্যানুয়াল এনকাউন্টার অব মুসলিমস অব ফ্রান্স’ চরমপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে এবং এতে নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে। তবে আয়োজক সংস্থা ‘মুসলিমস অব ফ্রান্স’ (এমএফ) এই নিষেধাজ্ঞাকে মৌলিক স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে আদালতের দ্বারস্থ হয়। আদালত রায়ে স্পষ্ট করে বলেছে যে, পুলিশের পক্ষ থেকে এমন কোনো অকাট্য প্রমাণ পেশ করা সম্ভব হয়নি যা দিয়ে প্রমাণ হয় যে সমাবেশটিতে বড় কোনো হামলার ঝুঁকি রয়েছে বা এটি জননিরাপত্তার জন্য হুমকি। আদালত আরও উল্লেখ করেছে, আয়োজকরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছেন, তাই পুলিশের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার অজুহাতটিও গ্রহণযোগ্য নয়। ২০১৯ সালের পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আয়োজিত এই সম্মেলনটি ইউরোপের অন্যতম বড় মুসলিম মিলনমেলা হিসেবে পরিচিত, যেখানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। ফরাসি সরকারের নতুন 'বিচ্ছিন্নতাবাদ বিরোধী' আইনের প্রেক্ষাপটে এই আইনি লড়াইটিকে দেশটির গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আইনজীবীদের ফি নিয়ে জটিলতা: ফের নিউ ইয়র্কের আদালতে নিকোলাস মাদুরো

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস আজ বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে পুনরায় হাজির হচ্ছেন। গত জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক ঝটিকা অভিযানে আটক হওয়ার পর এটি তাদের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ আদালত হাজিরা। তবে এবারের শুনানির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি বিশেষ আইনি বিতর্ক— মাদুরোর আইনজীবীদের ফি কে প্রদান করবে? ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি কারাকাসে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে মার্কিন কমান্ডোদের এক রুদ্ধশ্বাস অভিযানে সস্ত্রীক আটক হন নিকোলাস মাদুরো। এরপর তাদের নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাস (Narco-terrorism), যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন পাচার এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছে মার্কিন প্রশাসন। তবে শুরু থেকেই মাদুরো নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন এবং নিজেকে একজন ‘যুদ্ধবন্দি’ (Prisoner of War) হিসেবে অভিহিত করেছেন। মাদুরোর প্রধান আইনজীবী ব্যারি পোলাক আদালতকে জানিয়েছেন, মার্কিন সরকার মাদুরোর আইনি লড়াইকে বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে অর্থের জোগান বন্ধ করে দিচ্ছে। ভেনেজুয়েলা সরকার মাদুরোর আইনি খরচ মেটাতে চাইলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে সেই অর্থ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পোলাক অভিযোগ করেন যে, মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ (OFAC) প্রথমে এই অর্থ গ্রহণের অনুমতি দিলেও মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে তা বাতিল করে দেয়। আইনজীবীদের দাবি, এর ফলে মাদুরোর সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। যদি শেষ পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা সরকারকে ফি দেওয়ার অনুমতি না দেওয়া হয়, তবে ব্যারি পোলাক এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে, মার্কিন আইনজীবীরা আদালতে দাখিল করা নথিতে জানিয়েছেন, মাদুরোর ব্যক্তিগত তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ভেনেজুয়েলা সরকারের কোনো রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে এই ফি নেওয়া আইনের পরিপন্থী। তাদের মতে, মাদুরো এখন আর ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপ্রধান নন, তাই তিনি এই বিশেষ সুবিধা পাওয়ার যোগ্য নন। আজকের শুনানিতে বিচারপতি আলভিন হেলারস্টাইন মাদুরোর আইনজীবীদের এই আবেদন নিয়ে শুনানি করবেন। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি মাদুরো ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবীদের ফি দিতে ব্যর্থ হন, তবে মার্কিন আইন অনুযায়ী তাকে আদালত থেকে সরকারি আইনজীবী (Public Defender) নিয়োগ করে দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে ব্রুকলিনের একটি কারাগারে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিন কাটছে একসময়ের প্রতাপশালী এই নেতার। মাদুরো এবং তার স্ত্রী দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। সারা বিশ্বের নজর এখন নিউ ইয়র্কের এই আদালতের দিকে, কারণ আধুনিক ইতিহাসে কোনো দেশের সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে এভাবে আটক করে অন্য দেশে বিচারের মুখোমুখি করার ঘটনা বিরল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ফাইল ছবি
মানবপাচার মামলায় সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৫ দিনের রিমান্ড

সাবেক সংসদ সদস্য ও এক/এগারোর সময়ের আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা মানবপাচার মামলায় তাকে এ রিমান্ডে নেওয়া হয়।   মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ এই আদেশ দেন। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল।   সোমবার (২৩ মার্চ) গভীর রাতে ডিবির একটি বিশেষ দল রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করে।   ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, তার বিরুদ্ধে মানবপাচার, প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ ঢাকায় পাঁচটি এবং ফেনীতে ছয়টি মামলা রয়েছে। ফেনীর একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আগেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল।   এক/এগারো সরকারের সময় প্রভাবশালী সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী অবসরের পর রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।   অবসরের পর জনশক্তি রপ্তানি খাতে যুক্ত থাকার সময় মানবপাচারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
মানহানি মামলায় ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিকের জামিন

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্যের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকি উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই জামিন আদেশ মঞ্জুর করেন। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন হাসানুল হক ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালতে হাজির করা হয়। পাশাপাশি কারাগারে থাকা অপর দুই আসামি রাশেদ খান মেনন ও বিচারপতি মানিককেও আদালতে উপস্থিত করা হয়। শুনানি শেষে ইনুকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং পরবর্তীতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি মেনন ও মানিককে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে এই মানহানি মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালে একটি টেলিভিশন টক শোতে বিচারপতি মানিক জিয়াউর রহমানকে 'রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী' হিসেবে অভিহিত করেন এবং ২০২১ সালের একটি সেমিনারে তাকে 'মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী' বলে মন্তব্য করেন। এ ছাড়াও ২০১৩ সালে পৃথক অনুষ্ঠানে হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন জিয়াউর রহমান ও তার পরিবার সম্পর্কে বিভিন্ন বিরূপ মন্তব্য করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো।
ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অবৈধ: ভয়েস অব আমেরিকা সচল করার নির্দেশ মার্কিন আদালতের

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা (VOA) পুনরায় চালু করতে ট্রাম্প প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সরাসরি 'অবৈধ' বলে ঘোষণা করেছেন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট।   বিচারক রয়েস ল্যামবারথ গত মঙ্গলবার এই যুগান্তকারী রায় প্রদান করেন। রায়ে কেবল প্রতিষ্ঠানটি চালুর নির্দেশই দেওয়া হয়নি, বরং ট্রাম্পের নির্দেশে চাকরি হারানো সাংবাদিকদের অবিলম্বে সপদে পুনর্বহালের আদেশও দেওয়া হয়েছে। আদালত কর্তৃপক্ষকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সম্প্রচার কার্যক্রম পুনরায় সচল করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।   উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি অপপ্রচারের মোকাবিলা করতে ভিওএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে এটি বন্ধ করে দেন। তার প্রশাসনের অভিযোগ ছিল, সংবাদমাধ্যমটি 'বামঘেঁষা' মতাদর্শ প্রচার করছে।    একই সাথে তিনি রেডিও ফ্রি ইউরোপ ও রেডিও ফ্রি এশিয়ার মতো সংস্থাগুলোকেও যতটা সম্ভব সংকুচিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সেই পদক্ষেপ বড় ধরনের আইনি ধাক্কা খেল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে তিনবার জামিনের নির্দেশ, তবুও মুক্তি অনিশ্চিত ফিলিস্তিনি নারী লেকা করদিয়ার
যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে তিনবার জামিনের নির্দেশ, তবুও মুক্তি অনিশ্চিত ফিলিস্তিনি নারী লেকা করদিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রে আটক ফিলিস্তিনি নারী লেকা করদিয়াকে তৃতীয়বারের মতো জামিনে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন এক অভিবাসন বিচারক। তবে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তিনি এখনো মুক্তি পাবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।   জানা গেছে, নিয়মিত ইমিগ্রেশন চেক-ইনের জন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাকে আটক করা হয়। এর আগে একটি বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে সেই অভিযোগ বাতিল হয়ে যায়।   অভিবাসন আদালত একাধিকবার মত দিয়েছে যে তিনি জননিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নন এবং তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। তবুও প্রশাসনিক আপিল ও আইনি প্রক্রিয়ার কারণে তার মুক্তি বারবার বিলম্বিত হচ্ছে।   বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন। আটক অবস্থায় তার অসুস্থ হয়ে পড়ার খবরও সামনে এসেছে, যা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।   আইনজীবীদের দাবি, আদালতের বারবার নির্দেশ সত্ত্বেও তাকে আটক রাখার ঘটনা অস্বাভাবিক এবং এটি অভিবাসন আইনের প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, তার অভিবাসন সংক্রান্ত মামলার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখা হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
আসিফ মাহমুদসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে পুলিশ হত্যা মামলা নাকচ আদালতের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় এক পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত জানান। আদালত সূত্রে জানা গেছে, জালাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলাটি গ্রহণের আবেদন জানিয়েছিলেন। অভিযোগপত্রে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি এবং আব্দুল কাদেরকে ২ নম্বর আসামিসহ মোট ৪২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট নথিপত্র পর্যালোচনা ও শুনানি শেষে অভিযোগটি আমলে নেওয়ার মতো কোনো উপাদান না পেয়ে তা খারিজ করে দেন। মামলায় উল্লেখযোগ্য অন্যান্য আসামিদের মধ্যে ছিলেন আবু বকর মজুমদার, আব্দুল হান্নান মাসুদ, আদনান আবির, জামান মৃধা, রিফাত রশিদ ও হাসিব আল ইসলাম। এদিকে মামলার আবেদনের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে ২ নম্বর আসামি আব্দুল কাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, বিগত সরকারের আমলেও তিনি একইরকম মামলার আসামি হয়ে জেল খেটেছেন। তবে বর্তমান সময়ে এমন অভিযোগে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে নির্বাচনের প্রস্তুতির লক্ষ্যে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সরকারি হিসেবে ৮৪৪ জন এবং জাতিসংঘের হিসেবে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল, যার মধ্যে পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির অডিও ফাঁস: ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউটর সাইমুম রেজার পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ওয়াসিম আকরাম হত্যা মামলার আসামিকে খালাস পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক কোটি টাকা ঘুষ দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ ওঠার পরপরই তিনি পদত্যাগ করেছেন এবং সরকার দ্রুততার সাথে তা গ্রহণ করে তাকে অব্যাহতি প্রদান করেছে। সোমবার (৯ মার্চ) পদত্যাগের খবর প্রকাশের পরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ঘুষ সংক্রান্ত দুটি চাঞ্চল্যকর অডিও ক্লিপ ফাঁস হয়। ফাঁস হওয়া কথোপকথনে চট্টগ্রামের রাউজান আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর পরিবারের এক আইনজীবীর সঙ্গে লেনদেন নিয়ে দরকষাকষি করতে শোনা যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, মামলার অব্যাহতি নিশ্চিত করতে এক কোটি টাকা দাবি করা হয় এবং অগ্রিম হিসেবে ১০ লাখ টাকা চাওয়া হয়। কথোপকথনে আরও শোনা যায়, বিএনপির একজন সংসদ সদস্য ও একজন প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে তদবির করানোর আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরকে ‘রিজনেবল’ বলে উল্লেখ করে তার সমর্থন আদায়ের বিষয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী রেজওয়ানা ইউসুফ সরাসরি মন্তব্য না করলেও ঘটনার সত্যতা থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। তবে সাইমুম রেজা তালুকদার তার ফেসবুক পোস্টে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই অডিও ক্লিপগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং একটি মহলের অপপ্রচার। তার মতে, প্রসিকিউশনের কাজের ধরন অনুযায়ী এককভাবে কাউকে সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও জানান, শিক্ষকতা ও গবেষণায় ফেরার উদ্দেশ্যেই তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। এদিকে, সাইবার বিশেষজ্ঞ ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিশ্লেষণে অডিওগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি বলে মনে হচ্ছে না। তবে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ফরেনসিক তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর সীমান্ত দিয়ে পালানোর সময় গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র হত্যার একাধিক মামলা রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মির্জা আব্বাসকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে বিএনপির নেতার মামলা

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করার আবেদন করা হয়েছে।   রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে এ আবেদন করেন রাজধানীর রমনা থানার বিএনপির বর্তমান সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতে মামলার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে এবং বেলা ১১টার দিকে এ আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।   মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মির্জা আব্বাসের কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনের আগে ও পরে তিনি বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যমে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।   আবেদনে আরও বলা হয়, গত ৫ মার্চ ফেসবুকে দেওয়া একটি বক্তব্য বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়, যেখানে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে।   অভিযোগে বলা হয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব মন্তব্য প্রচার করে মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব বক্তব্যকে মানহানিকর এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।   এ বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানকে আন্তর্জাতিক আদালতের সামনে দাঁড়ানোর আহ্বান, যুদ্ধাপরাধ তদন্তে নতুন মোড়

মার্কিন মানবাধিকার সংগঠন Democracy for the Arab World Now (DAWN) ইরানকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত International Criminal Court (ICC)-এর বিচারিক ক্ষমতা স্বীকার করার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সাম্প্রতিক সংঘাতের পর থেকে ইরানের ভূখণ্ডে সংঘটিত সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্তের জন্য এই পদক্ষেপ জরুরি।   DAWN বলেছে, আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী কোনো দেশ আদালতের পূর্ণ সদস্য না হলেও একটি বিশেষ ঘোষণার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় থেকে সংঘটিত অপরাধের ওপর আদালতের বিচারিক ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে। ইরান যদি এমন ঘোষণা দেয়, তাহলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির ভেতরে ঘটে যাওয়া হামলা, বেসামরিক হতাহত এবং অবকাঠামো ধ্বংসের ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক তদন্তের আওতায় আসতে পারবে।   সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, চলমান সংঘাতে হাসপাতাল, আবাসিক এলাকা ও অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক আদালতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে তারা।   DAWN শুধু ইরান নয়, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশ এই সংঘাতের প্রভাবের মধ্যে পড়েছে তাদেরও একই ধরনের ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির মতে, এতে ভবিষ্যতে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের বিচার করার আইনি পথ খোলা থাকবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সহজ হবে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—তিন দেশই আইসিসির পূর্ণ সদস্য নয়। ফলে আদালতের সরাসরি তদন্ত শুরু করতে হলে সংশ্লিষ্ট দেশের সম্মতি বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে। তবে ইরান যদি স্বেচ্ছায় আদালতের এখতিয়ার মেনে নেয়, তাহলে চলমান সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের নতুন পথ তৈরি হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
শিয়া লাবিউফ
শিয়া লাবিউফ গ্রেপ্তার, দ্বিতীয়বার ঝুলল আদালতের মামলায়

মার্কিন জনপ্রিয় টিভি অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শিয়া লাবিউফকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে নিউ অরলিন্সের একটি বারের বাইরে মারামারির ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।   এবার ১ মার্চের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে লাবিউফকে দ্বিতীয়বার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের রেকর্ড অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আরও একটি অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।   অভিনেতার আইনজীবী সারাহ চেরভিনস্কি জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টারের রয়্যাল স্ট্রিট ইন অ্যান্ড আউট বার সংলগ্ন সংঘর্ষের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে শিয়া লাবিউফকে। সেই ঘটনায় মার্ডিস গ্রাস উদযাপনের সময় একাধিক ব্যক্তিকে আঘাত এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে গালাগালি করার অভিযোগ রয়েছে।   নিউ অরলিন্স পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একজন ব্যক্তিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলা হচ্ছে এবং অন্য ব্যক্তির মুখে আঘাত করা হচ্ছে। এতে একজনের নাক ভেঙে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনিও একজন পরিচিত বিনোদনকর্মী।   আইনজীবী বলেন, নতুন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর শিয়া লাবিউফ স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। আদালত জানিয়েছে, এক লাখ ডলারের বেশি বন্ডে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং দুই আলাদা কারাভোগ হবে না।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, নেত্রকোণায় স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নেত্রকোণায় স্ত্রী রেজিয়া খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় স্বামী মো. আবু বক্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নেত্রকোণা জেলা ও দায়রা জজ মরিয়ম মুন মুঞ্জরী এই রায় ঘোষণা করেন।   রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হাসেম জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আবু বক্কর (৬২) কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার মোলামখার চর এলাকার মৃত জাফর আলীর ছেলে। নিহত রেজিয়া খাতুন (৩৮) নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার বসন্তিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।   আদালত সূত্রে জানা যায়, উভয়েরই এটি দ্বিতীয় বিবাহ ছিল। বিয়ের পর আবু বক্কর মোহনগঞ্জের বসন্তিয়া গ্রামে রেজিয়ার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে আবু বক্কর তার পরনের শার্ট দিয়ে রেজিয়ার গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে লাশটি ঘরের পাশে খড়ের গাদায় লুকিয়ে রাখেন এবং প্রথম স্ত্রীর গর্ভজাত ছেলেকে বিষয়টি জানান। পরদিন পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।   নিহতের বোন বিউটি আক্তার翌দিন মোহনগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করে।   প্রতিবেদকঃ মামুন রনবীর প্রেস

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
এলজিইডিতে ২৫৭ প্রকৌশলীর পদোন্নতি নিয়ে তোলপাড়
এলজিইডিতে ২৫৭ প্রকৌশলীর পদোন্নতি নিয়ে তোলপাড়

উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ বলবৎ থাকা অবস্থাতেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর একটি প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত ২৫৭ জন সহকারী প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণভাবে তোড়জোড় চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।   এ উদ্দেশ্যে সম্প্রতি এলজিইডি দুই দফায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) বেলাল হোসেন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠান বলে জানা যায়।   চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এলজিইডির সাংগঠনিক কাঠামোয় ৫ম গ্রেডভুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী বা সমমানের পদগুলো চলতি দায়িত্বের মাধ্যমে পূরণ করা যেতে পারে। সেখানে বলা হয়, রাজস্ব বাজেটের আওতায় নির্বাহী প্রকৌশলীর মোট ১৬৮টি অনুমোদিত পদ রয়েছে, যার মধ্যে বর্তমানে ১১৪টি শূন্য। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী এসব পদের বেতনক্রম ৪৩ হাজার থেকে ৬৯ হাজার ৮৫০ টাকা।   এছাড়া উন্নয়ন বাজেটের বিভিন্ন প্রকল্পে নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-প্রকল্প পরিচালক ও উপ-পরিচালকের মিলিয়ে আরও ১১২টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি পদ প্রেষণে পূরণ করা হয়েছে। ফলে রাজস্ব ও উন্নয়ন—দুই খাত মিলিয়ে মোট ২১০টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।   প্রস্তাবে আরও বলা হয়, যোগদানের তারিখের ভিত্তিতে পূর্বে ৩৩৩ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তবে জ্যেষ্ঠতা-সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন থাকায় পরবর্তীতে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত থাকে। দীর্ঘদিন পদগুলো শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে উল্লেখ করে চলতি দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে পদ পূরণের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়।   তবে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের একাংশের দাবি, প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত ২৫৭ জন সহকারী প্রকৌশলীকে ৫ম গ্রেডে দায়িত্ব দেওয়ার পথ সুগম করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রেজাউল মাহমুদ জাহেদী বলেন, সহকারী প্রকৌশলীদের পদোন্নতি সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাব তার নজরে আসেনি।   অন্যদিকে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) বেলাল হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে খুদেবার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ধর্ষণ ও প্রতারণা মামলায় ব্যবসায়ী পাঁচ দিনের রিমান্ডে

বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক ব্যবসায়ীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে পুলিশের এসআই তাহমিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   শুনানির দিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তার পক্ষে আইনজীবী সাকিব আহমেদ রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।   এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালবাগ থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক খান আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত তখন আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।   মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৫ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় এক নারী সার্জেন্ট বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাহিদুল ইসলাম জাহিদ খান নামের এক ভূমি ব্যবসায়ীকে আসামি করা হয়।   অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ৫ নভেম্বর একটি ‘ম্যাট্রিমনি’ অ্যাপের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং এরপর থেকে তাদের নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ চলতে থাকে।   বাদীর অভিযোগ, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আসামি বিভিন্ন সময় তার লালবাগের বাসায় গিয়ে ধর্ষণ করেন। পাশাপাশি ব্যবসার কথা বলে তার কাছ থেকে ১৫ লাখ ৬৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় মোট ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন। আদালতের সূত্র অনুযায়ী, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে সম্রাটকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। অন্যদিকে, মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে তাকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।  বিচারক তাঁর আদেশে উল্লেখ করেছেন যে, এই দুই ধারার সাজা একটির পর একটি কার্যকর হবে, ফলে তাকে মোট ২০ বছর কারাভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে তাঁর অর্জিত অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সম্রাট পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। এর আগে ২০১৯ সালে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেছিল দুদক। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এই রায় প্রদান করা হলো।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত
কর্মী নিয়োগে বৈষম্যের অভিযোগ: টেসলার বিরুদ্ধে মামলা চালানোর নির্দেশ আদালতের

বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার বিরুদ্ধে কর্মী নিয়োগে মার্কিন নাগরিকদের প্রতি বৈষম্য করার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন ফেডারেল বিচারক। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, টেসলা জেনেশুনে মার্কিন নাগরিকদের বাদ দিয়ে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ দিচ্ছে, যাতে তাদের কম বেতন দেওয়া সম্ভব হয়। মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়ার একজন বিচারক টেসলার পক্ষ থেকে মামলাটি খারিজ করার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। তবে একই সঙ্গে বিচারক মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করে জানান, মামলাকারী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার শেষ পর্যন্ত জয়ী হতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন। মামলাটি দায়ের করেছেন একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, যিনি অভিযোগ করেছেন যে তিনি টেসলায় চাকরির জন্য যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তার দাবি, টেসলা সুপরিকল্পিতভাবে এইচ-১বি (H-1B) বা অন্যান্য বিশেষ ভিসাধারী বিদেশি কর্মীদের প্রাধান্য দিচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিদেশি কর্মীরা সাধারণত মার্কিন নাগরিকদের তুলনায় কম বেতনে কাজ করতে রাজি থাকেন এবং ভিসার শর্তের কারণে তারা সহজে চাকরি ছাড়তে পারেন না। মামলাকারীর অভিযোগ অনুযায়ী, এটি কেবল সাধারণ নিয়োগ প্রক্রিয়া নয়, বরং মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে সরাসরি একটি ‘আমেরিকান-বিরোধী’ বৈষম্য। টেসলা কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, তারা শুধুমাত্র মেধার ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ দেয় এবং কোনো নির্দিষ্ট জাতীয়তা বা নাগরিকত্বের বিরুদ্ধে তাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। প্রতিষ্ঠানটি মামলাটি খারিজ করার জন্য আদালতে আবেদন করেছিল, যা আদালত নাকচ করে দিয়েছে। মামলাটি খারিজ না করলেও বিচারক কিছু গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, একজন নিয়োগদাতার জন্য ব্যবসায়িক স্বার্থে খরচ কমানো একটি সাধারণ বিষয় হতে পারে, কিন্তু যদি সেটি প্রমাণ করা যায় যে শুধুমাত্র জাতীয়তার কারণে মার্কিন নাগরিকদের বঞ্চিত করা হয়েছে, তবে তা আইনের লঙ্ঘন। তবে এই অভিযোগ প্রমাণ করা মামলাকারীর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগেও টেসলার বিরুদ্ধে বর্ণবাদ এবং কর্মক্ষেত্রে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রিমন্ট কারখানায় কৃষ্ণাঙ্গ কর্মীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগে টেসলা বর্তমানে আরও কয়েকটি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন এই মামলাটি টেসলা এবং এর প্রধান নির্বাহী এলন মাস্কের জন্য নতুন এক অস্বস্তি তৈরি করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়, আইনি প্রক্রিয়ায় এই ‘আমেরিকান-বিরোধী’ বৈষম্যের অভিযোগ কতটুকু সত্য প্রমাণিত হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0