ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।
আলোচনার জন্য পাকিস্তানের পথে রয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিরা, জানালেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন মোড় নিয়েছে কূটনৈতিক তৎপরতা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সাথে আলোচনার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের পথে রয়েছে। তবে আলোচনার এই আবহাওয়ার মধ্যেই তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন ট্রাম্প। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গত কালই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, ওয়াশিংটন এবং তেহরান একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো থেকে এখনো অনেক দূরে রয়েছে। উল্লেখ্য, দেশ দুটির মধ্যে চলমান দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শেষ হতে যাচ্ছে। এদিকে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আন্তালিয়ায় এক সম্মেলনে জানান, যুদ্ধ অবসানে উভয় দেশই আলোচনার সদিচ্ছা দেখালেও বেশ কিছু মৌলিক বিষয়ে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। অন্যদিকে, ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ট্রাম্প ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচির অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবেন না। সংঘাতের অন্যান্য খবরে জানা গেছে, গত দুই দিনে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর (আইডিএফ) আরও দুই সদস্য নিহত হয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালী ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকায় পারস্য উপসাগর অভিমুখী দুটি এলপিজি ট্যাংকার মাঝপথেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বিশ্বশান্তির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন পোপ লিও।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
মানসিক চিকিৎসায় নজিরবিহীন ও সাহসী পদক্ষেপ নিলেন ট্রাম্প

মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের সমাধানে এবার এক নজিরবিহীন ও সাহসী পদক্ষেপ নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে তিনি সাইকেডেলিক ড্রাগ, বিশেষ করে অত্যন্ত বিতর্কিত ‘আইবোগেইন’ (Ibogaine)-এর ওপর বৈজ্ঞানিক গবেষণার গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। শনিবার ওভাল অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, আমেরিকানদের বিশেষ করে যুদ্ধফেরত সেনাদের (Veterans) মানসিক অবসাদ, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (PTSD) এবং মাদকের আসক্তি দূর করতে এই ধরনের ড্রাগ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, “যদি এই ওষুধগুলো মানুষের দাবিমতো কাজ করে, তবে তা আমাদের দেশে এক যুগান্তকারী প্রভাব ফেলবে।” কী এই আইবোগেইন? আইবোগেইন মূলত পশ্চিম আফ্রিকার একটি গুল্ম জাতীয় গাছ থেকে তৈরি এক ধরনের হ্যালুসিনোজেনিক বা দৃষ্টিভ্রমকারী ড্রাগ। যুক্তরাষ্ট্রে এটি দীর্ঘদিন ধরে হিরোইন বা এলএসডি-র মতো ‘শিডিউল-১’ ক্যাটাগরির নিষিদ্ধ ড্রাগ হিসেবে তালিকায় ছিল। তবে সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এটি মস্তিষ্কের গভীরে প্রভাব ফেলে মাদকাসক্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করতে পারে। বিতর্ক ও ঝুঁকি: ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে যেমন খুশির জোয়ার বইছে সমর্থকদের মাঝে, তেমনি চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের বড় একটি অংশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আইবোগেইন ব্যবহারের ফলে হার্টের গতি অনিয়মিত হয়ে পড়া এবং হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। ১৯৯০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে এর ওপর গবেষণা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এর প্রাণঘাতী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেই। প্রভাব ও অর্থায়ন:নতুন এই আদেশের ফলে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) সাইকেডেলিক ওষুধের রিভিউ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করবে। এছাড়া গবেষণা খাতে অন্তত ৫০ মিলিয়ন ডলার ফেডারেল তহবিল বরাদ্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। এই অনুষ্ঠানে বিখ্যাত পডকাস্টার জো রোগান এবং স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র উপস্থিত ছিলেন।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও
ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বন্দ্বের খবর উড়িয়ে দিলেন পোপ লিও

আফ্রিকা সফররত ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্বের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। সফরকালীন তাঁর কিছু বক্তব্যকে সংবাদমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অ্যাঙ্গোলা যাওয়ার পথে বিমানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পোপ লিও এই স্পষ্টীকরণ দেন। এর আগে ক্যামেরুন সফরকালে তিনি বলেছিলেন, "মুষ্টিমেয় কিছু স্বৈরাচারী শাসক বিশ্বকে ধ্বংস করছে।" তাঁর এই মন্তব্যটি ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ প্রসঙ্গে পোপ বলেন, তাঁর সেই মন্তব্যগুলো মোটেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ছিল না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সব দিক থেকে সঠিক ছিল না।" মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাথে সরাসরি কোনো সংঘাতের সম্ভাবনাও তিনি নাকচ করে দেন। সময়ের হিসাব তুলে ধরে পোপ লিও আরও যোগ করেন যে, বিতর্কিত ওই ভাষণটি অন্তত দুই সপ্তাহ আগে তৈরি করা হয়েছিল। অর্থাৎ, পোপের শান্তি প্রচারের বার্তার ওপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মন্তব্য করার অনেক আগেই এই বক্তব্য ঠিক করা ছিল। ফলে এটি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার জন্য ছিল না। শান্তি, ন্যায়বিচার এবং বিশ্ব অস্থিরতার বিরুদ্ধে বার্তা দিতে বর্তমানে পোপ লিও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশজুড়ে ১০ দিনের এক সফরে রয়েছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
পোপের সঙ্গে দ্বন্দ্ব: নিজেকে 'পুরোপুরি বাইবেল অনুসারী' দাবি করলেন ট্রাম্প

পোপ চর্তুদশ লিও’র সাথে সাম্প্রতিক উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও মতভেদের মধ্যেই নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজেকে খ্রিষ্টধর্মের মূল বাণী বা 'গসপেল'-এর প্রতি সম্পূর্ণ অনুগত দাবি করে তিনি বলেছেন, তিনি পুরোপুরি বাইবেলের আদর্শে বিশ্বাসী। সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ধর্ম এবং বাইবেল তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পোপ ফ্রান্সিসের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে, ঠিক তখনই ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। উল্লেখ্য, এর আগে পোপ লিও পরোক্ষভাবে ট্রাম্পের কিছু নীতির সমালোচনা করেছিলেন, যা নিয়ে রিপাবলিকান শিবিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর জবাবে ট্রাম্প খ্রিষ্টান ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখতে নিজের ধার্মিক ভাবমূর্তিকে সামনে নিয়ে আসছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৬-এর আসন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রক্ষণশীল খ্রিষ্টান ভোটারদের মন জয় করা ট্রাম্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমালোচকদের মতে, ট্রাম্পের এই ‘বাইবেল ভক্তি’ মূলত রাজনৈতিক কৌশল। তবে তার সমর্থকরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। পোপের সাথে এই স্নায়ুযুদ্ধ মার্কিন রাজনীতিতে ধর্মের প্রভাবকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে ক্রমেই দূরত্ব বাড়ছে ট্রাম্পের

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউরোপের কট্টর ডানপন্থী পপুলিস্ট নেতাদের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে।  ওয়াশিংটন পোস্টের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক কিছু বৈশ্বিক ইস্যু বিশেষ করে ইরানের সাথে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং পোপের প্রতি ট্রাম্পের সমালোচনামূলক অবস্থান এই সম্পর্কের রসায়নকে এক নাজুক পর্যায়ে নিয়ে ঠেকিয়েছে। এতদিন ইউরোপীয় জাতীয়তাবাদী নেতারা ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে নিজেদের রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। জার্মানির এএফডি (AfD) পার্টির নেতারা ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে ট্রাম্প প্রশাসনের হামলার তীব্র সমালোচনা করে একে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।  এমনকি ইতালির উপ-প্রধানমন্ত্রী মাত্তেও সালভিনি, যিনি একসময় ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন, তিনিও পোপ লিও-র ওপর ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক মন্তব্যের পর দূরত্ব বজায় রাখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় এই নেতারা এখন বুঝতে পারছেন যে ট্রাম্পের উগ্রপন্থা তাদের নিজ দেশের ভোটারদের কাছে জনপ্রিয়তা কমানোর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবানের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরাজয় এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে। পপুলিজমের এই আন্তর্জাতিক বলয় এখন এক গভীর সংকটের মুখে, যেখানে মিত্ররাই এখন ট্রাম্পের নীতি থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
২৬ জনের ভিসা বাতিল, ভিসা নীতিতে আরও কঠোর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যারা আমেরিকার জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো প্রতিপক্ষ শক্তিকে সহায়তা করবে, তাদের ওপর নতুন করে এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতিমধ্যে এই নীতির আওতায় ২৬ জন ব্যক্তির ভিসা বাতিল করার কথা নিশ্চিত করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর জানিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ। ১৯শ শতকের ঐতিহাসিক ‘মনরো নীতি’র আধুনিক সংস্করণ ‘ডনরো ডকট্রিন’-এর মাধ্যমে তিনি পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র প্রভাব নিশ্চিত করতে চাইছেন। বিশেষ করে লাতিন আমেরিকায় মাদক পাচার রোধ এবং এ অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানো এখন ওয়াশিংটনের অন্যতম অগ্রাধিকার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যারা জেনে-বুঝে আমেরিকার কোনো প্রতিপক্ষ শক্তিকে কৌশলগত সম্পদ বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে, তাদের ওপর এই ভিসা বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। এছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করা, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা কিংবা কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে প্রভাব বিস্তারকারী ব্যক্তিদেরও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যদিও বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর মূল লক্ষ্য চীন ও ইরান। এরই মধ্যে ইরান সরকার বা ইরানি বিপ্লবের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অন্তত সাতজন ব্যক্তির অভিবাসন ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এর আগে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন তাদের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভিসা নীতিকে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
লেগো ভিডিওর মাধ্যমে যেভাবে ট্রাম্পকে কুপোকাত করল ইরান

সরাসরি সংঘাতের পাশাপাশি বর্তমানে ডিজিটাল দুনিয়ায় চলছে ‘ন্যারেটিভ ওয়ার’ বা বর্ণনার যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধে এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ইরান। আল-জাজিরার এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানের তৈরি ‘লেগো ভিডিও’ সিরিজ এক বিশাল প্রোপাগান্ডা যুদ্ধে জয়লাভ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা এই অ্যানিমেশন ভিডিওগুলোতে শিশুদের জনপ্রিয় খেলনা ‘লেগো’র আদলে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে উপস্থাপন করা হয়েছে। ভিডিওগুলোতে ট্রাম্পের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, এপস্টাইন ফাইল এবং যুদ্ধের ভয়াবহতাকে অত্যন্ত ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে র‍্যাপ মিউজিক এবং পশ্চিমা সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করায় এই ভিডিওগুলো তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান আগে যেখানে গতানুগতিক ধারায় প্রচার চালাত, এখন তারা সরাসরি পশ্চিমা পপ সংস্কৃতিকে ব্যবহার করছে। ভিডিওগুলোতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হাস্যকরভাবে উপস্থাপন করার পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং বৈদেশিক নীতিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে। ইউটিউব এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো এই ভিডিওগুলো সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করলেও এক্স (সাবেক টুইটার) এবং টিকটকে এগুলো কোটি কোটি ভিউ পেয়েছে। বিশেষজ্ঞ এমা ব্রায়ান্ট জানান, “নতুন প্রযুক্তি ইরানকে এমন এক শক্তি দিয়েছে যার মাধ্যমে তারা পশ্চিমা দর্শকদের জন্য ‘বিনোদনমূলক’ কন্টেন্ট তৈরি করে তাদের মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করতে পারছে।” আল-জাজিরা উল্লেখ করেছে যে, এই ভিডিওগুলোর মাধ্যমে ইরান প্রমাণ করেছে যে বর্তমান সময়ের যুদ্ধে শুধু ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়ার বর্ণনায় কে বেশি শক্তিশালী, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
পোপ লিও চতুর্দশ
পোপের শান্তি বার্তায় ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা, ভ্যাটিকান ও হোয়াইট হাউসের সংঘাত চরমে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ইস্যুতে ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে চলমান বাগযুদ্ধ এখন ব্যক্তিগত পর্যায়ে পৌঁছেছে। শান্তি ও কূটনীতির পক্ষে পোপের অনড় অবস্থানের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাকে "পররাষ্ট্র নীতিতে অত্যন্ত দুর্বল" বলে অভিহিত করেছেন। ভ্যাটিকান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই অভূতপূর্ব কূটনৈতিক টানাপড়েন বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। সম্প্রতি ভ্যাটিকান সিটির সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় এক শান্তি জাগরণ অনুষ্ঠানে পোপ লিও চতুর্দশ বিশ্ব নেতাদের ‘সর্বশক্তিমান হওয়ার বিভ্রম’ (Delusion of Omnipotence) থেকে বেরিয়ে এসে সামরিক উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। মূলত ইরান সংঘাত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার দিকেই তার ইঙ্গিত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। পোপের এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ বেশ কয়েকটি আক্রমণাত্মক পোস্ট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি লেখেন, “আমি এমন একজন পোপ চাই না যিনি মনে করেন ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকাটা ঠিক। তিনি ধর্মের দিকে মনোযোগ দিন, রাজনীতিতে নয়।” ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন যে, পোপ লিও চতুর্দশ অপরাধীদের প্রতি নমনীয় এবং তার পররাষ্ট্র নীতি সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। জবাবে পোপ তার শান্তি মিশনে অনড় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমানে আফ্রিকা সফরে থাকা পোপ সাংবাদিকদের বলেন, “আমি যুদ্ধের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠে কথা বলা চালিয়ে যাব। বিশ্বে অনেক নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে, আর কেউ না কেউ তো শান্তির কথা বলবেই।” উল্লেখ্য যে, পোপ লিও চতুর্দশ ইতিহাসে প্রথম মার্কিন বংশোদ্ভূত পোপ। তার নিজের দেশের প্রেসিডেন্টের সাথে এ ধরনের প্রকাশ্য বিরোধ আধুনিক ইতিহাসে বিরল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধের নৈতিকতা এবং বিশ্ব রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক শক্তির এই লড়াই আগামী দিনে আরও তীব্র হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের হামলা বন্ধ না হলে যুদ্ধবিরতি নয়: হিজবুল্লাহ

লেবাননে ইসরায়েলের হামলা পুরোপুরি বন্ধ না হলে কোনো যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা হাসান ফাদলাল্লাহ এই অবস্থান তুলে ধরেছেন।   বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাদলাল্লাহ বলেন, ইসরায়েল যদি সব ধরনের শত্রুতামূলক কার্যক্রম বন্ধ না করে, তাহলে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার প্রশ্নই ওঠে না। তার ভাষায়, বাস্তব পরিস্থিতির ওপরই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা নির্ভর করছে।   তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে কার্যকর হতে পারে এমন একটি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির বিষয়ে বৈরুতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত হিজবুল্লাহকে অবহিত করেছেন। এতে বোঝা যায়, প্রস্তাবিত এই যুদ্ধবিরতি ঘিরে আঞ্চলিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছিল।   এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।   ট্রাম্প বলেন, দুই দেশই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তিনি আরও জানান, গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রথমবারের মতো লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা সরাসরি বৈঠকে বসেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপস্থিত ছিলেন।   স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান রেজিন কেইনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ট্রাম্প। তবে হিজবুল্লাহর কঠোর অবস্থান যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চুক্তির দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের দাবি

ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুবই কাছাকাছি’ অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, তেহরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরসহ প্রায় সব শর্তেই সম্মত হয়েছে।   হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং খুব শিগগিরই একটি সমঝোতা হতে পারে। তিনি আরও জানান, চুক্তিটি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত হলে সেখানে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে তার।   ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই চুক্তি সম্পন্ন হলে মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, এই সপ্তাহান্তেই দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।   তবে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যদি শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কার্যকরভাবে বজায় রয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তার মতে, এই অবরোধ ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।   বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে যখন চুক্তির সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে, অন্যদিকে যুদ্ধ পুনরায় শুরুর হুমকি পরিস্থিতিকে অনিশ্চিত করে তুলছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসে ডেমোক্র্যাটদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান বিষয়ক যুদ্ধ ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করার লক্ষে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি প্রস্তাব মার্কিন প্রতিনিধি সভায় (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস) নাকচ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই ভোটাভুটিতে অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে ২১৪-২১৩ ভোটে প্রস্তাবটি পরাজিত হয়। প্রস্তাবটির মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতা কমিয়ে কংগ্রেসের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক করা। তবে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে ডেমোক্র্যাটদের এই প্রচেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলো। ভোটাভুটির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রিপাবলিকান পার্টির কেনটাকি প্রতিনিধি থমাস ম্যাসি দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রতিনিধি জ্যারেড গোল্ডেন নিজের দলের প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন। উল্লেখ্য, এটি ছিল ডেমোক্র্যাটদের দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে গত সপ্তাহেও তারা একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন যা সফল হয়নি। এমনকি গত বুধবার সিনেটেও অনুরূপ একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। তবে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন সেনারা আবারও যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনে বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্যের দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ মঙ্গলবার এক ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৩টা (২১:০০ জিএমটি) থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে যাচ্ছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের প্রতিনিধিরা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এই শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হলো। ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেন, "এই দুই নেতা একমত হয়েছেন যে, দেশ দুটির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজ বিকেল ৫টা (EST) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হবে।" এই শান্তি প্রক্রিয়া তদারকি করার জন্য ট্রাম্প একটি উচ্চপর্যায়ের দল গঠন করেছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান ‘রেজিন’ কেইন ইসরায়েল ও লেবাননের সাথে স্থায়ী শান্তি বজায় রাখতে কাজ করবেন। নিজের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে ট্রাম্প আরও বলেন, "বিশ্বজুড়ে ৯টি যুদ্ধ সমাধান করা আমার জন্য সম্মানের বিষয় ছিল, আর এটি হতে যাচ্ছে আমার ১০ম সাফল্য। তাই চলুন, এটি সম্পন্ন করি!"

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
পোপ লিও
বিশ্বজুড়ে ‘স্বৈরাচারীদের’ রাজত্ব, ট্রাম্পের আক্রমণের মুখে কড়া জবাব পোপ লিওর

বিশ্বের বর্তমান প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবাজ নেতাদের কড়া সমালোচনা করেছেন পোপ লিও। পূর্বসূরিদের তুলনায় নজিরবিহীন আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তিনি বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব বর্তমানে মুষ্টিমেয় কিছু ‘স্বৈরাচারী’ শাসকের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। ক্যামেরুন সফরকালে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই মন্তব্য করেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমাগত আক্রমণের শিকার হওয়ার পর এই প্রথম পোপ লিও এমন জোরালো বক্তব্য দিলেন। যুদ্ধ এবং ধ্বংসলীলার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “যুদ্ধের কারিগররা এমন ভাব করেন যেন তারা কিছুই জানেন না। অথচ একটি সাজানো শহর বা সভ্যতা ধ্বংস করতে মাত্র কয়েক মুহূর্ত সময় লাগে, কিন্তু তা পুনর্গঠনে সারাজীবনও যথেষ্ট নয়।” পোপ আরও অভিযোগ করেন যে, বিশ্ব নেতারা ধ্বংসাত্মক কাজে এবং মানুষ মারার পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছেন, অথচ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনপদগুলো সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান নেই। তিনি বলেন, “তারা জেনেশুনেই চোখ বন্ধ করে আছেন। যেখানে ধ্বংসের নেশায় অর্থ ঢালা হচ্ছে, সেখানে মানুষের কল্যাণে সম্পদের হাহাকার দেখা দিচ্ছে।” বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নাম উল্লেখ না করলেও পোপের এই ইঙ্গিত সরাসরি ট্রাম্প এবং বিশ্বের শক্তিশালী সামরিক দেশগুলোর দিকেই। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কড়া সমালোচনার জবাবে পোপের এই ‘স্বৈরাচারী’ তকমা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
যিশু জড়িয়ে ধরে আছেন ট্রাম্পকে! ছবি পোস্ট করে ফের বিতর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ যিশু খ্রিস্টের সঙ্গে নিজের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা তৈরি ছবি শেয়ার করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, যিশু খ্রিস্ট পরম মমতায় ট্রাম্পকে জড়িয়ে ধরে আছেন। মূলত ইরান যুদ্ধ নিয়ে ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও-র সঙ্গে চলমান বাদানুবাদের মধ্যেই ট্রাম্প এই পদক্ষেপ নিলেন। এর মাত্র দুই দিন আগেই তিনি একই ধরনের একটি ছবি পোস্ট করে সমালোচনার মুখে তা ডিলিট করেছিলেন। ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, বর্তমান বিশ্বের ‘শয়তানি শক্তির’ বিরুদ্ধে লড়াই করতে ঈশ্বর হয়তো তার ‘ট্রাম্প কার্ড’ খেলছেন। নতুন ছবিটি শেয়ার করে ট্রাম্প ক্যাপশনে লিখেছেন, "উগ্র বামপন্থীরা হয়তো এটি পছন্দ করবে না, কিন্তু আমার কাছে এটি বেশ চমৎকার মনে হয়েছে।" উল্লেখ্য, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে আসছেন মার্কিন বংশোদ্ভূত পোপ লিও। ট্রাম্পের এই ছবি পোস্টকে অনেক বিশ্লেষক পোপের সমালোচনার পাল্টা জবাব এবং রক্ষণশীল খ্রিষ্টান ভোটারদের সমর্থন আদায়ের কৌশল হিসেবে দেখছেন। তবে ধর্মীয় প্রতীককে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের এই ঘটনায় খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের একাংশের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
ট্রাম্পের চাপের মুখেও অনড় স্টারমার; ‘মাথা নত করবে না ব্রিটেন’

ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনার মুখেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো ধরনের চাপের কাছে মাথা নত করে ব্রিটেনকে ইরান যুদ্ধে জড়াবেন না তিনি। আজ হাউজ অব কমন্সে ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন স্টারমার। তিনি বলেন, “ইরান যুদ্ধ নিয়ে আমার অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট। আমরা এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে চাই না। আমি আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করব না এবং কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করব না।” এর আগে স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিয়ার স্টারমারের জ্বালানি ও অভিবাসন নীতির কড়া সমালোচনা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আগের মতো ভালো নেই। বিশেষ করে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় স্টারমারের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প। ব্রিটেন শুরু থেকেই এই সামরিক অভিযানকে ‘অবৈধ’ বলে গণ্য করে আসছে। পার্লামেন্টে স্টারমার আরও বলেন, “এটি আমাদের যুদ্ধ নয়। আমার ওপর এই অবস্থান পরিবর্তনের জন্য অনেক চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে, যার মধ্যে গত রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনাও (ট্রাম্পের মন্তব্য) অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু আমি জানি আমি কোথায় দাঁড়িয়ে আছি। এই যুদ্ধে যোগ দেওয়া আমাদের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী এবং আমরা তা করব না।” এদিকে ডাউনিং স্ট্রিটের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ট্রাম্পের এই নেতিবাচক মন্তব্যের সঙ্গে ব্রিটিশ সরকার একমত নয়। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্যসহ নানা বিষয়ে প্রতিদিন আলোচনা চলছে। আমাদের দশকের পুরনো ‘বিশেষ সম্পর্ক’ আগের মতোই অটুট রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।” বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান ইস্যু এবং সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই প্রকাশ্য মতভেদ ভবিষ্যতে আটলান্টিক পাড়ের এই দুই মিত্রের কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মোদি-ট্রাম্প ফোনালাপ: হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে জোরালো আলোচনা

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ইস্যুতে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় ৪০ মিনিটের এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় দুই নেতা হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।   ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর এটিই ছিল দুই নেতার প্রথম সরাসরি কথোপকথন। আলোচনায় তারা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খোলা ও নিরাপদ রাখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।   ফোনালাপ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে। তিনি জানান, দুই দেশ তাদের “বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব” আরও জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   মোদি আরও উল্লেখ করেন, আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে। এদিকে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন দূত সার্জিও গোর জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিয়মিতভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করে থাকেন।   উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৪ মার্চ দুই নেতার মধ্যে সর্বশেষ ফোনালাপ হয়েছিল। তখনও তারা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়োজনীয়তা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়েছিলেন।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় দফা সংলাপের উদ্যোগও চলছে, যা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
হরমুজ অবরোধ না করতে ট্রাম্পকে বিরল হুঁশিয়ারি সৌদি যুবরাজের

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এক নজিরবিহীন ও কঠোর বার্তা দিয়েছেন সৌদি আরবের ক্ষমতাধর যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। হরমুজ প্রণালী ও ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের বিতর্কিত অবস্থানের প্রেক্ষিতে সৌদি যুবরাজ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন যদি তার বর্তমান অবস্থান থেকে সরে না আসে, তবে ইরানকে ঠেকানোর দায়িত্ব থেকে রিয়াদ হাত গুটিয়ে নেবে। সাম্প্রতিক এক টেলিফোনালাপে এমবিএস ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, "পিছু হটো, নতুবা ইরানকে আমরা উন্মুক্ত করে দেব (Unleash)।" বিশ্লেষকদের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি সৌদির পক্ষ থেকে আসা অন্যতম কঠোর ও বিরল হুঁশিয়ারি। দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে চাপে রাখার যে কৌশলে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র একসাথে কাজ করছিল, ট্রাম্পের কিছু একক সিদ্ধান্তের ফলে তাতে ফাটল ধরার উপক্রম হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা এবং ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় সম্ভাব্য হামলা নিয়ে ট্রাম্পের হঠকারী মন্তব্য রিয়াদকে ক্ষুব্ধ করেছে। সৌদি আরবের আশঙ্কা, ট্রাম্পের অপরিপক্ব পদক্ষেপের ফলে ইরান যদি পূর্ণমাত্রায় প্রতিশোধমূলক আক্রমণ শুরু করে, তবে তার মূল ধাক্কা পড়বে সৌদি তেল উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর ওপর। যুবরাজ সালমান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সৌদির পরামর্শ না শোনে, তবে রিয়াদ আর ইরানের মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে না। এতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। হোয়াইট হাউস থেকে এই হুঁশিয়ারির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও, এই ঘটনা ট্রাম্প-এমবিএস দীর্ঘদিনের মিত্রতায় বড় ধরনের টানাপোড়েনের আভাস দিচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
পাকিস্তানে বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে? ট্রাম্পের মন্তব্যে বিশ্ব রাজনীতিতে তোলপাড়

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি রহস্যময় মন্তব্যে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে সম্ভাব্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যে পাকিস্তানে "বড় কিছু ঘটতে পারে"। ইসলামাবাদে অবস্থানরত নিউইয়র্ক পোস্টের একজন সংবাদদাতাকে ট্রাম্প বলেন, "আপনার সেখানে (পাকিস্তানে) থাকা উচিত, কারণ আগামী দুই দিনের মধ্যে সেখানে বিশেষ কিছু ঘটতে যাচ্ছে। আমরা সেখানেই যেতে বেশি আগ্রহী।" জেনেভাকে আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হলেও ট্রাম্প পাকিস্তানের প্রতিই তার আগ্রহ দেখিয়েছেন। এর কারণ হিসেবে তিনি পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনিরের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ট্রাম্প তাকে "ফ্যান্টাস্টিক" হিসেবে অভিহিত করে বলেন, "ফিল্ড মার্শাল দুর্দান্ত কাজ করছেন। পাকিস্তানই হতে পারে উপযুক্ত স্থান।" অন্যান্য নিরপেক্ষ দেশের তুলনায় ট্রাম্প পাকিস্তানকে কেন বেছে নিচ্ছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, "যেসব দেশের এই বিষয়ের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, আমরা সেখানে কেন যাব?" বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান ও আমেরিকার মধ্যকার শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান ও জেনারেল আসিম মুনিরের ওপর ট্রাম্পের এই ভরসা এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প ও পোপ লিওর মধ্যে উত্তেজনা চরমে, পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি

ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশের মধ্যে বাগযুদ্ধ এখন চরমে পৌঁছেছে। গত কয়েক দিনে এই দুই বিশ্বব্যক্তিত্বের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মন্তব্য ও কড়া সমালোচনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান অভিমুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শান্তির আহ্বান জানান পোপ লিও। তিনি এই যুদ্ধকে একটি 'অতল গহ্বর' হিসেবে বর্ণনা করে দ্রুত সহিংসতা বন্ধের অনুরোধ জানান। এরপর থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে তার মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকি দিয়ে বলেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার সময়সীমা মেনে না চলে, তবে 'একটি আস্ত সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে'। পোপ লিও এই হুমকিকে 'সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য' বলে প্রত্যাখ্যান করেন। এরই প্রেক্ষিতে রোববার ট্রাম্প তার নিজের প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ পোপের দীর্ঘ সমালোচনা করেন। তিনি পোপকে 'দুর্বল' এবং 'পররাষ্ট্র নীতিতে ভয়াবহ' বলে আখ্যা দেন। ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, তিনি এমন কোনো পোপকে পছন্দ করেন না যারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করেন। একই দিনে ট্রাম্প একটি এআই-জেনারেটেড (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি) ছবি পোস্ট করেন, যেখানে তাকে যিশু খ্রিস্টের আদলে লাল-সাদা পোশাকে দেখা যায়। যদিও বিতর্ক তীব্র হওয়ায় গতকাল তিনি ছবিটি সরিয়ে নিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে তিনি ভেবেছিলেন এটি তাকে একজন 'ডাক্তার' হিসেবে উপস্থাপন করেছে। গতকাল সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পোপ লিও জানান, তিনি ট্রাম্প প্রশাসনকে ভয় পান না এবং চার্চের শান্তির লক্ষ্য নিয়ে তিনি এগিয়ে যাবেন। অন্যদিকে, পোপের কাছে ক্ষমা চাইবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি ক্ষমা চাইবেন না, কারণ পোপ ইরান ইস্যুতে ভুল বলছেন। ট্রাম্পের দাবি, কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক শক্তিধর হতে দেওয়া যাবে না। দুই প্রভাবশালী নেতার এই সংঘাত এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠ মিত্র হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবান
ট্রাম্পের ইরান নীতি ও হাঙ্গেরিতে অরবানের পতন: বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর ইরান নীতি এবং হাঙ্গেরির দীর্ঘকালীন নেতা ভিক্টর অরবানের নির্বাচনী পরাজয় বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। সিএনএন-এর সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে কীভাবে এই দুই নেতার রাজনৈতিক ভাগ্য এবং কৌশল একে অপরের পরিপূরক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসলামাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ভেস্তে যাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালী’ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থাকে আরও ঘনীভূত করেছে। এদিকে, ইউরোপে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবানের ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে। নির্বাচনে পিটার ম্যাগিয়ারের ‘তিসজা’ (Tisza) পার্টির কাছে শোচনীয় পরাজয় বরণ করেছেন অরবান। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি এবং অরবানের 'ইললিবারেল ডেমোক্রেসি' বা অনুদার গণতন্ত্রের মডেল দীর্ঘকাল ধরে একে অপরকে সমর্থন দিয়ে আসছিল। অরবানের পরাজয় ইউরোপে পপুলিস্ট বা জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প ইরানে একটি "প্রকৃত চুক্তির" (Real Agreement) দাবিতে অনড় থেকে সামরিক শক্তি প্রয়োগের যে হুমকি দিচ্ছেন, তা আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। সিএনএন বলছে, অরবানের প্রস্থান ট্রাম্পের জন্য ইউরোপে তার প্রভাব বিস্তারের পথকে কিছুটা কণ্টকাকীর্ণ করে তুলল। তবে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবরোধ এবং সামরিক তৎপরতা চালিয়ে ট্রাম্প বিশ্বকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে, তিনি তার পররাষ্ট্র নীতিতে কোনো আপস করবেন না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
হরমুজ অবরোধে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
হরমুজ অবরোধে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন

আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করা জাহাজ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে। পরে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড স্পষ্ট করে জানায়, এই পদক্ষেপ মূলত ইরান গামী ও সেখান থেকে আসা জাহাজের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে এবং নির্দিষ্ট সময় থেকে এটি চালু হবে।   ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন, ইরানকে অর্থ দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করবে, সেগুলো আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকলেও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তার ভাষায়, অবৈধভাবে অর্থ প্রদান করে নিরাপদে যাতায়াত করা সম্ভব হবে না।   তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন অবরোধ কার্যত সামরিক পদক্ষেপের শামিল এবং এটি টিকিয়ে রাখতে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল নৌ-সামরিক শক্তি প্রয়োজন।   সাবেক প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা ডানা স্ট্রল মনে করেন, দ্রুত ফল পেতে চাইলেও এমন অভিযান এককভাবে পরিচালনা করা কঠিন এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।   এদিকে সাবেক নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল গ্যারি রাফহেড সতর্ক করেছেন, অবরোধ শুরু হলে ইরান প্রতিক্রিয়া হিসেবে উপসাগরীয় এলাকায় জাহাজে হামলা বা মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর স্থাপনায় আঘাত হানতে পারে। তার মতে, এমন পদক্ষেপের জবাব ইরান কোনো না কোনোভাবে দেবে।   এরই মধ্যে ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, প্রণালির কাছে কোনো সামরিক উপস্থিতিকে তারা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখবে এবং কঠোর জবাব দেবে।   অন্যদিকে, ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে এই পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম কিছু সময়ের জন্য বেশি থাকতে পারে। ইতোমধ্যে এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে।   ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার প্রশ্ন তুলেছেন, ইরান যদি আরও উত্তেজনা বাড়ায়, তাহলে এই পদক্ষেপ কীভাবে জ্বালানির দাম কমাতে সহায়ক হবে।   বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে এই সংকটের সমাধান সামরিক পদক্ষেপে নয়, বরং কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সমঝোতার মাধ্যমেই সম্ভব।   সূত্র– রয়টার্স

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0