নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবে যুক্তরাজ্যে ৭৫ এমপির সমর্থন

গাজা, দখলকৃত পশ্চিম তীর ও লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে দেশটির ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। এতে ইতোমধ্যে ৭৫ জন সংসদ সদস্য (এমপি) স্বাক্ষর করেছেন।   প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন লেবার পার্টির এমপি রিচার্ড বার্গন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সহকর্মীদের এই উদ্যোগে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান।   স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) মুখপাত্র ব্রেন্ডন ও’হারা, লেবার পার্টির সাবেক নেতা জেরেমি করবিন এবং যুক্তরাজ্যের একমাত্র ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত এমপি লায়লা মোরান।   প্রস্তাবে গাজা, পশ্চিম তীর ও লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ইস্যুতে ক্রমবর্ধমান চাপ ও বিভাজনের প্রতিফলন। যদিও প্রস্তাবটি কার্যকর হবে কি না, তা নির্ভর করছে সরকারের অবস্থান ও পার্লামেন্টে সমর্থনের ওপর।   সূত্র: আল জাজিরা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
২৬ জনের ভিসা বাতিল, ভিসা নীতিতে আরও কঠোর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যারা আমেরিকার জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো প্রতিপক্ষ শক্তিকে সহায়তা করবে, তাদের ওপর নতুন করে এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতিমধ্যে এই নীতির আওতায় ২৬ জন ব্যক্তির ভিসা বাতিল করার কথা নিশ্চিত করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর জানিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বৃহত্তর কৌশলেরই অংশ। ১৯শ শতকের ঐতিহাসিক ‘মনরো নীতি’র আধুনিক সংস্করণ ‘ডনরো ডকট্রিন’-এর মাধ্যমে তিনি পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র প্রভাব নিশ্চিত করতে চাইছেন। বিশেষ করে লাতিন আমেরিকায় মাদক পাচার রোধ এবং এ অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানো এখন ওয়াশিংটনের অন্যতম অগ্রাধিকার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যারা জেনে-বুঝে আমেরিকার কোনো প্রতিপক্ষ শক্তিকে কৌশলগত সম্পদ বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে, তাদের ওপর এই ভিসা বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। এছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করা, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা কিংবা কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে প্রভাব বিস্তারকারী ব্যক্তিদেরও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যদিও বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর মূল লক্ষ্য চীন ও ইরান। এরই মধ্যে ইরান সরকার বা ইরানি বিপ্লবের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অন্তত সাতজন ব্যক্তির অভিবাসন ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এর আগে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন তাদের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভিসা নীতিকে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
নাইজেরিয়ার নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ

নাইজেরিয়ায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে দেশটির নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির ওপর নতুন করে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় গত বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেয়। বিবৃতিতে জানানো হয়, নাইজেরিয়ার গণতন্ত্রকে দুর্বল করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিবাসন ও নাগরিকত্ব আইনের আওতায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে গোপনীয়তার স্বার্থে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেনি ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এক এক্স (সাবেক টুইটার) বার্তায় বলেন, "নাইজেরিয়ার গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন নিশ্চিত করতে যারা বাধা সৃষ্টি করবে, তাদের ওপর এই বিধিনিষেধ কার্যকর করা হবে। এটি কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতন্ত্র বিরোধীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা।" নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে অযোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও স্পষ্ট করেছে যে, গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে অনুষ্ঠিত নাইজেরিয়ার সাধারণ নির্বাচনে যারা ভীতি প্রদর্শন, কারচুপি এবং সহিংসতায় জড়িত ছিলেন, তাদের ওপরই এই খড়্গ নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নাইজেরিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশের ওপর এমন কঠোর ভিসা নীতি আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখার একটি শক্ত বার্তা দিতে চাইছে। বিশেষ করে যেসব দেশে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, সেসব দেশের জন্য এটি একটি বড় ধরনের সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগেও আফ্রিকান এবং এশীয় বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে একই ধরনের 'ভিসা পলিসি' প্রয়োগ করে গণতন্ত্র রক্ষার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জো বাইডেন প্রশাসন। নাইজেরিয়ার সুশীল সমাজ এবং সাধারণ নাগরিকরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ইরানের সাবেক নারী ও পরিবার বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুমেহ এবতেকার
সাবেক ইরানি ভাইস প্রেসিডেন্টের ছেলের ভিসা বাতিল: ডিপোর্ট করছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সাবেক নারী ও পরিবার বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুমেহ এবতেকারের পরিবারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে, মাসুমেহ এবতেকারের ছেলে ঈসা হাশেমি, তার স্ত্রী এবং সন্তানের রেসিডেন্সি স্ট্যাটাস বা বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই ভিসা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন। নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে রুবিও বলেন, যারা আমাদের দেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার যোগ্য নয়, তাদের এখানে থাকার অনুমতি দেওয়া কখনোই উচিত ছিল না। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঈসা হাশেমি ও তার পরিবার বর্তমানে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাসুমেহ এবতেকার ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন ব্যক্তিত্ব। তার পরিবারের ওপর এমন সরাসরি মার্কিন পদক্ষেপ দুই দেশের দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের আগুনে নতুন করে ঘি ঢালল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
ট্রাম্পের সমালোচনায় বিস্ময় প্রকাশ: নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে অনড় ফ্রান্স

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে ফ্রান্সের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে বলে এলিসি প্যালেস থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্সি এক বিবৃতিতে জানায়, "প্রথম দিন থেকেই ফ্রান্স তার অবস্থানে অনড় রয়েছে, এখানে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।" ট্রাম্পের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের প্রেক্ষিতে এই প্রতিক্রিয়া দেখালো প্যারিস।  ওই পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন যে, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে ফ্রান্স "একদমই সাহায্য করছে না" এবং সামরিক সরঞ্জামবাহী মার্কিন বিমানগুলোকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে না। ফরাসি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ট্রাম্পের এমন আকস্মিক মন্তব্যে তারা স্তম্ভিত। মিত্র দেশগুলোর মধ্যে এমন টানাপোড়েন আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
নিষেধাজ্ঞা শিথিলে বাজারে আসছে ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের সরবরাহ যোগ হতে যাচ্ছে। সমুদ্রে ভাসমান ট্যাংকারে মজুত থাকা প্রায় ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল এখন খালাস ও বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে।   জ্বালানি বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলার-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন সমুদ্রপথে নোঙর করে থাকা জাহাজে বিপুল পরিমাণ এই তেল সংরক্ষিত রয়েছে। যদিও পরামর্শক সংস্থা এনার্জি আসপেক্টস ১৯ মার্চ তাদের প্রাক্কলনে এ পরিমাণ ১৩ থেকে ১৪ কোটি ব্যারেল বলে উল্লেখ করেছিল।   বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এক মাসের জন্য এই তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় তা আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির পথ খুলে গেছে। এর ফলে ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে এ তেল কেনার পরিকল্পনা করছে।   বিশ্বের জ্বালানি চাহিদায় এশিয়ার দেশগুলো বড় ভূমিকা রাখে, যেখানে তাদের মোট তেলের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তবে চলতি মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় অঞ্চলের অনেক শোধনাগার উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।   এই প্রেক্ষাপটে ইরানি তেলের সরবরাহ বাজারে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স
ট্রাম্পের ‘নরম সুর’: লক্ষ্য অর্জনের পথে যুক্তরাষ্ট্র, ইরানি তেল পরিবহনে সাময়িক ছাড়

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার ইরানে চলমান সামরিক অভিযান ‘গুটিয়ে আনার’ ইঙ্গিত দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবিলায় ইরানি তেল পরিবহনের ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ওয়াশিংটন।   ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে লিখেছেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বিশাল সামরিক প্রচেষ্টাকে গুটিয়ে আনার কথা ভাবছি। কারণ, আমাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।”   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাত শিগগিরই সমাধান হতে পারে—ট্রাম্পের এ বার্তাকে এখন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের পরিণতির বিষয়ে তাঁর সবচেয়ে জোরালো ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।   ট্রাম্পের এ বার্তার কিছুক্ষণ পর হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্টে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ও পেন্টাগন আগেই আভাস দিয়েছিল যে এ মিশন সফল করতে প্রায় ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ লাগতে পারে।”   এদিকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ ঘাটতি নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইতিমধ্যে জাহাজে তোলা হয়েছে এমন ইরানি তেলের ওপর থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে। এই অনুমতির ফলে ২০ মার্চের আগে জাহাজে তোলা ইরানের অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত খালাস ও বিক্রি করা যাবে।   অন্যদিকে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি তাঁর দেশের শত্রুদের ‘মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো মোক্ষম জবাব’ দেওয়ার দাবি করার পর সৌদি আরব এবং ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন দফায় হামলা চালিয়েছে তেহরান।   ইরানি এই হামলার জবাবে আজ শনিবার ভোরে তেহরানের ‘শাসকগোষ্ঠীর লক্ষ্যবস্তু’তে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।   তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারে, বাজারে সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা

বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহকে স্থিতিশীল রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের উদ্যোগ নিতে পারে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স বিজনেসকে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সাগরে ইতিমধ্যেই থাকা প্রায় ১৪ কোটি ব্যারেল তেলের বাজারে আসার সুযোগ তৈরি হবে।   তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তাদের সংরক্ষিত তেল মজুতও বিশ্ববাজারে ছাড়ার প্রক্রিয়ায় আছে। এই উদ্যোগের ফলে বিশ্বে তেলের সরবরাহ বাড়বে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা হবে।   বেসেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের জ্ঞাতসারেই ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারগুলো হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই পদক্ষেপ তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর হবে।   এছাড়া মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি মূলত বিশ্ববাজারে সংকট এড়াতে এবং ইরানের তেলের ব্যবহার বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে না পারে সেজন্য নেওয়া হচ্ছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই
ইইউ-এর নতুন নিষেধাজ্ঞা ‘অযৌক্তিক ও বেআইনি’: তীব্র প্রতিবাদ ইরানের

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করেছে তেহরান।  ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই পদক্ষেপ কেবল ‘অযৌক্তিক’ নয়, বরং এটি ‘অনৈতিক’ এবং ‘পুরোপুরি বেআইনি’। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কারণে ইরানকে শাস্তি দিতেই এই পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস জানান যে, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের ১৯ জন কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন এই নিষেধাজ্ঞা সদস্য রাষ্ট্রগুলো অনুমোদন করেছে। তবে ইরান এই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করে একে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১১, ২০২৬ 0
স্পাইসজেটের ওপর বাংলাদেশি নিষেধাজ্ঞা

বকেয়া এয়ার ন্যাভিগেশন চার্জ পরিশোধ না করায় ভারতের বাজেট এয়ারলাইন স্পাইসজেটের ওপর বাংলাদেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর ফলে সংস্থাটির পূর্বাঞ্চলগামী ফ্লাইটগুলো বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারছে না। অতিরিক্ত পথ ঘুরে বিকল্প রুটে চলাচল করতে হওয়ায় স্পাইসজেটের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ও পরিচালন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।   ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম 'ফ্লাইটরাডার২৪'-এর তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা থেকে গুয়াহাটি ও ইম্ফলগামী ফ্লাইটগুলো এখন বাংলাদেশের এয়ারস্পেস এড়িয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করছে। স্বল্প দূরত্বের এই রুটে বাংলাদেশের ওভারফ্লাইট অনুমতি সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিষেধাজ্ঞার কারণে ফ্লাইট প্রতি বাড়তি জ্বালানি খরচ সংস্থার সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়েছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, স্পাইসজেট আগে থেকেই আর্থিক সংকটে রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে সংস্থাটি ২৬৯.২৭ কোটি রুপি নিট লোকসান গুনেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা সংস্থার জন্য নতুন আর্থিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জে স্পাইসজেটের শেয়ারের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমে ১৬.৮১ রুপিতে নেমেছে।   স্পাইসজেটের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং দ্রুত সমাধান হবে। তবে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বকেয়া সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় রুটের ব্যবসায়িক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
কানাডার অন্তত তিনটি বিমান সংস্থা কিউবাতে বিমান চলাচল বন্ধ করেছে
জ্বালানি সংকটে কিউবা: একের পর এক ফ্লাইট বাতিল করছে বিমান সংস্থাগুলো

কিউবায় চরম জ্বালানি সংকট! আমেরিকার কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে থমকে যাচ্ছে দেশটির পর্যটন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।   পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, কানাডার শীর্ষ তিন বিমান সংস্থা— এয়ার ট্রানস্যাট, ওয়েস্ট জেট এবং এয়ার কানাডা— দেশটিতে তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে।   বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার পর্যটক। এয়ার কানাডা জানিয়েছে, সেখানে আটকে পড়া প্রায় ৩,০০০ যাত্রীকে ফিরিয়ে আনতে তারা খালি বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।   অন্যদিকে, জার্মানি তাদের নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে বলেছে, অতিপ্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া এই মুহূর্তে কিউবা ভ্রমণ এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
আব্দুস সালাম মুর্শেদী। ছবি: সংগৃহীত
কারান্তরীণ সালাম মুর্শেদীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

কারাগারে থাকা খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাফুফের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর নামে দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে দুদক। পাশাপাশি তার স্ত্রী শারমিন সালামেরও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।   রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালতে দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।   সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।   আবেদনে বলা হয়, সালাম মুর্শেদী ও অন্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা দেশত্যাগ করে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিতকরণ একান্ত আবশ্যক।   প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর দিবাগত রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সালাম মুর্শেদীকে গ্রেফতার  করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
reuters_trump
আইসিসি ও জাতিসংঘের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং জাতিসংঘের কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। রয়টার্সের এক বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে 'বৈশ্বিক বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধ' হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর সন্ত্রাসবাদীদের মতো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যখন মার্কিন সামরিক বাহিনী বা তাদের মিত্রদের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে, তখনই ট্রাম্প প্রশাসন এই আক্রমণাত্মক অবস্থান নিল। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আইসিসি-র প্রসিকিউটর, বিচারক এবং এমনকি জাতিসংঘের নির্দিষ্ট কিছু কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।   নিষেধাজ্ঞার প্রভাব: ১. আর্থিক লেনদেন বন্ধ: তালিকাভুক্ত কর্মকর্তাদের মার্কিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। ২. ভিসা ও যাতায়াত: অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে। ৩. সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইন: এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে যা সাধারণত ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসবাদীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।   প্রতিক্রিয়া: জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা একে আন্তর্জাতিক আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে। সমালোচকদের মতে, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে আন্তর্জাতিক জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করছে।   অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কোনো বিদেশি আদালত বা সংস্থা যাতে মার্কিন নাগরিকদের ওপর অন্যায়ভাবে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিভিন্ন মিত্র দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত
সাবেক শিল্প সচিবসহ দুই শীর্ষ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক কমিশনার ও সাবেক শিল্প সচিব মো. আব্দুল হালিম এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সবুর হোসেনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।   দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দিয়েছেন। স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ: ৫ লাখ স্মার্ট মিটার স্থাপন প্রকল্পে বড় ধরণের অনিয়মের অভিযোগ। পালানোর শঙ্কা: বিশ্বস্ত সূত্রে দেশত্যাগের পরিকল্পনার খবর পেয়েই আদালতের এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা। তদন্তের স্বার্থে কড়াকড়ি: অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের জন্য অভিযুক্তদের দেশে থাকা একান্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছে দুদক।   আদালত সূত্রে জানা গেছে, 'পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের আওতায় ৫ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন' শীর্ষক প্রকল্পের ক্রয় প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বর্তমানে অনুসন্ধানাধীন। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন এমন আশঙ্কায় দুদকের অনুসন্ধান টিম এই নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেছিল। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0