পাকিস্তান ক্রিকেট

ছবি: সংগৃহীত
পিএসএল হবে বিশ্বের এক নম্বর লিগ: পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি

বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ২০০৮ সালে ভারতে আইপিএল শুরুর পর থেকেই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের জোয়ার শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যথাক্রমে ২০১২ ও ২০১৬ সালে নিজস্ব লিগ শুরু করলেও আইপিএলের বাজারমূল্য ও জনপ্রিয়তা এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) বর্তমান চেয়ারম্যান মহসিন নকভি দাবি করেছেন, পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খুব শীঘ্রই বিশ্বের শীর্ষস্থানে পৌঁছাবে।   রোববার পিসিবির বোর্ড অফ গভর্নরসের গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আর্থিক বিবরণী অনুমোদনকালে মহসিন নকভি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, পিএসএল বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য বিশ্বের অন্যতম সেরা গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের ক্রমাগত আগ্রহই প্রমাণ করে যে, পিএসএল একদিন আইপিএলকে ছাড়িয়ে বিশ্বের এক নম্বর লিগে পরিণত হবে এবং পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল।   এদিকে, রাজনৈতিক কারণে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আইপিএলে খেলার সুযোগ না থাকলেও বাবর আজমকে নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন দেশটির সাবেক পেসার তানভীর আহমেদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ তিনি দাবি করেন, বাবর আজম আইপিএলে খেললে তিনিই হতেন টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়। তানভীরের মতে, কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি তাকে ড্রাফট পর্যন্ত যেতে দিত না, বরং সরাসরি চুক্তিতে রেকর্ড মূল্যে দলে ভিড়িয়ে নিত।   বর্তমানে বাবর আজম পিএসএলে পেশোয়ার জালমি দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৮ এপ্রিল করাচিতে হায়দ্রাবাদ কিংসমানের বিপক্ষে তার দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে বাবরকে ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশা এবং মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে চলছে ব্যাপক বিশ্লেষণ।   অন্যদিকে, শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে নিষেধাজ্ঞায় থাকা ফখর জামানকে আসন্ন ৯ এপ্রিলের ম্যাচেও মাঠের বাইরে থাকতে হবে। সব মিলিয়ে পিএসএলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং খেলোয়াড়দের আইপিএল ভাগ্য নিয়ে পিসিবি ও সাবেক ক্রিকেটারদের সাহসী মন্তব্য ক্রিকেট মহলে নতুন করে তর্কের সৃষ্টি করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের সামনে অসহায় পাকিস্তান, ৮ উইকেটের বড় জয়

কয়েক মাসের বিরতির পর ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরেই দারুণ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে তাদের ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করার পর ব্যাট হাতেও দাপট দেখিয়ে ৮ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা।   টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ৩০.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে তোলে ১১৪ রান। এটি বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।   বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন তরুণ পেসার নাহিদ। ২৪ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার তুলে নেন তিনি।   জবাবে মাত্র ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। ওপেনার সাইফ হাসান ৪ রান করে ফিরলেও অপর প্রান্তে ঝড় তোলেন তানজিদ হাসান তামিম। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র ৩২ বলে ফিফটি করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তামিম। এ ছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৩ বলে ২৭ রান করেন।   এর আগে বল হাতে শুরুতে মিতব্যয়ী বোলিং করেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান। তবে উইকেটের দেখা না মেলায় সপ্তম ওভারেই স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।   পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আক্রমণে এসে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাহিদ। সাহিবজাদা ফারহানকে ফিরিয়ে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তিনি। এরপর পরের চার ওভারের সবকটিতেই উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ধসিয়ে দেন এই তরুণ পেসার। শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান তিনি।   পরে বোলিংয়ে যোগ দেন অধিনায়ক মিরাজ। আব্দুল সামাদ, হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদিকে আউট করে পাকিস্তানের ইনিংসে আরও ধস নামান তিনি।   দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে তাসকিন আহমেদও একটি উইকেট তুলে নেন। ২৪তম ওভারে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ করান তিনি।   এক পর্যায়ে ৮২ রানে নবম উইকেট হারিয়ে একশর আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফ শেষদিকে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলকে একশ পেরিয়ে নিতে সাহায্য করেন তিনি।   শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস, আর সহজ লক্ষ্য তাড়া করে বড় জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১২, ২০২৬ 0
বিশ্বকাপে খারাপ খেলায় পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের জরিমানা
বিশ্বকাপে খারাপ খেলায় পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের জরিমানা

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে খেলোয়াড়দের জরিমানা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হওয়ায় দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা দিতে হবে বলে জানা গেছে।   পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট মিলিয়ে মোট ছয়টি ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডস জাতীয় ক্রিকেট দল ও নামিবিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল–কে হারালেও দলটি ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল–এর কাছে পরাজিত হয়।   সুপার এইট পর্বে নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল–এর বিপক্ষে ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ার পর ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল–এর কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান। শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল–কে হারালেও সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবধান অর্জন করতে পারেনি দলটি।   ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের কাছে ৬১ রানে হারের পরই খেলোয়াড়দের জরিমানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। পিসিবি কর্মকর্তারা ক্রিকেটারদের জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেটাররা বর্তমানে কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বেতন ও আইসিসি রাজস্ব ভাগ পান। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে কোনো খেলোয়াড় নেই। খেলোয়াড়দের ক্যাটাগরি অনুযায়ী মাসিক বেতন ও অতিরিক্ত আয় নির্ধারিত রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২, ২০২৬ 0
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুরু, পাকিস্তান টস জিতে ফিল্ডিং নিল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আজ মাঠে গড়াচ্ছে। টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগা ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন, এবং ভারত ব্যাট করতে নামছে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে।   ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের মধ্যে হ্যান্ডশেক বিনিময় হয়নি। আগের ম্যাচগুলোর মতোই দুই অধিনায়ক সৌহার্দ্যবোধ দেখাননি।   বাংলাদেশের মধ্যস্থতায় শুরুতে কিছু অনিশ্চয়তা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত আইসিসির উদ্যোগে ভারত ম্যাচ খেলার জন্য রাজি হয়।   পাকিস্তান একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), বাবর আজম, শাদাব খান, উসমান খান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, উসমান তারিক, আবরার আহমেদ। ভারতীয় একাদশ: ইশান কিশান (উইকেটরক্ষক), অভিষেক শর্মা, তিলক ভার্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), হার্দিক পান্ডিয়া, শিবাম দুবে, রিংকু সিং, অক্ষর প্যাটেল, কুলদিপ যাদব, বরুণ চক্রবর্তী, জসপ্রিত বুমরাহ।   ম্যাচটি ক্রিকেট ভক্তদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সবসময় হাইভোল্টেজ পরিবেশ তৈরি হয়। মাঠে খেলা শুরু হওয়ায় সারা বিশ্ব থেকে দর্শক ও সমর্থকদের নজর এখন পুরো ক্রিকেটের দিকে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ পাকিস্তানের

সাত বছরের অপেক্ষা শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি জিতেছিল পাকিস্তান। একদিন পর লাহোরে জয়ের ধারা ধরে রাখল স্বাগতিকরা। সালমান আগা ও উসমান খানের হাফ সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান জমা করে তারা। তারপর আবরার আহমেদ ও শাদাব খানের বোলিংয়ে একশ পার করে অলআউট অস্ট্রেলিয়া।   আজ (শনিবার) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯০ রানে জিতেছে পাকিস্তান। আগে ব্যাটিং করে ১৯৮ রান করে তারা। তারপর ১০৮ রানে সফরকারীদের গুটিয়ে দিয়ে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। অজিদের বিপক্ষে ২০১৮ সালের পর এটি প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়।   ১৭ রানে সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুবের ওপেনিং জুটি ভাঙে। সাহিবজাদা ৫ রানে আউট হন। সালমান দ্বিতীয় উইকেটে ঝড় তোলেন। সাইমের সঙ্গে ২৫ বলে ৫৫ রান তোলার পথে একাই ১৯ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। সাইম ১১ বলে ২৩ রানে থামেন। বিশ্বকাপের আগে নিজেকে প্রমাণের আরেকটি সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ বাবর আজম। ৫ বলে ২ রান করে আউট তিনি।   পাঁচ রানের ব্যবধানে জোড়া আঘাতের পর উসমানের সঙ্গে সালমান ৪৯ রানের জুটি গড়েন। ১৩তম ওভারে তিনি আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৭৬ রান করেন, ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ৪ ছয়। ২৫ বলে ফিফটি করেছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক।   সালমান আগা ঝড়ো ইনিংস খেলেন   তারপর শাদাব খান ও উসমানের ৩৯ বলে ৬৩ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করে পাকিস্তান। ৩৫ বলে ৫০ রান করা উসমান থেমেছেন আরেকটি বল খেলে। ফিফটি করার পরের বলে ৫৩ রানে বিদায় নেন তিনি। শেষ দিকে শাদাব ও মোহাম্মদ নওয়াজের ৪ বলে ১০ রানে অপরাজিত জুটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। ২০ বলে ২৮ রানে শাদাব ও নওয়াজ ৩ বলে ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।   বড় লক্ষ্যে নেমে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং ধসের মুখে পড়ে। ৫৪ রান করতেই নেই অর্ধেক ব্যাটার। প্রথম ছয় ব্যাটারের মধ্যে কেবল মিচেল মার্শ (১৮) ও ক্যামেরন গ্রিন (৩৫) দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন।    অস্ট্রেলিয়া বাকি পাঁচ উইকেটও হারিয়েছে ৫৪ রান করতেই। গ্রিনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন ম্যাথু শর্ট। এছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে রান তোলেন জাভিয়ের বার্টলেট (১০)।   আবরার ৩ ওভারে ১৪ রান খরচায় তিন উইকেট নেন। ১৪তম ওভারে পরপর দুটি উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগানো শাদাব ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে সমান সংখ্যক উইকেট পান।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ায় যা বলল পাকিস্তান

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার খবর জানিয়েছে ক্রিকেট সম্পর্কিত ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ ও ক্রিকইনফো। একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ড খেলবে। এমন সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের সঙ্গে ‘অন্যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।   দীর্ঘদিন আলোচনা চললেও ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিল বাংলাদেশ। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আগেই এ অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের সমর্থনের বিষয়টি এতদিন গুঞ্জন হিসেবে শোনা গেলেও, এবার তা প্রকাশ্যে নিশ্চিত করলেন পিসিবি চেয়ারম্যান।   শুক্রবার লাহোরে পিসিবি কার্যালয়ে একটি ক্যাফে উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাকভি বলেন, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের বড় একটি স্টেকহোল্ডার। তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। যেকোনো অবস্থায় বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে খেলতে দেওয়া উচিত।’   তিনি আইসিসির নীতিগত অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। নাকভি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে ভারত চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ও এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে যায়নি। যখন পাকিস্তান ও ভারতের ক্ষেত্রে সমাধান বের করা যায়, তখন বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই ধরনের আচরণ করা হবে না কেন? ভারত যদি সুবিধা পায়, তাহলে বাংলাদেশেরও সেই সুবিধা পাওয়া উচিত।’   পাকিস্তান বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পিসিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা সরকারের প্রতি দায়বদ্ধ। যদি সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা আসে, তাহলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার অপেক্ষা করছি। তিনি ফিরলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0