যুদ্ধাপরাধ

ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে অস্ট্রেলিয়ান এসএএস কর্পোরাল বেন রবার্টস-স্মিথ (বাঁয়ে)। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ভিক্টোরিয়া ক্রসে ভূষিত হওয়ার পর তিনি রানির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান। ১৫ নভেম্বর ২০১১। ফাইল ছবি:
যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার, কারাগারেই থাকছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সেনা রবার্ট-স্মিথ

আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া অস্ট্রেলিয়ার এক সাবেক সেনাসদস্যকে আপাতত কারাগারেই থাকতে হচ্ছে। বুধবার ভিডিও সংযোগে আদালতে হাজির করার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।   অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ‘ভিক্টোরিয়া ক্রস’ পাওয়া এই সাবেক সেনাসদস্যকে মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয়। দেশটির ফেডারেল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে আফগানিস্তানে দায়িত্ব পালনকালে ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে পাঁচজন নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষকে হত্যার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পাঁচটি যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হয়েছে। প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তিনি।   গ্রেপ্তারের পর তাকে সিডনির একটি সংশোধনাগারে নেওয়া হয়। আদালতে শুনানির সময় তার আইনজীবী তাৎক্ষণিক জামিন আবেদন না করে তাকে সশরীরে আদালতে হাজির করে শুনানি নেওয়ার আবেদন জানান। তবে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর না করে আগামী ৪ জুন পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন। ফলে এর আগ পর্যন্ত তাকে কারাগারেই থাকতে হবে।   এই গ্রেপ্তারকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বিষয়টিকে সামরিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে তুলে ধরছে।   এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, অভিযুক্তদের আইনি লড়াইয়ের খরচ সরকার বহন করা উচিত। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া সামরিক বাহিনীর ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে।   অন্যদিকে একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার অস্ট্রেলিয়া শাখার প্রতিনিধি বলেছেন, সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি।   উল্লেখ্য, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার পর আফগানিস্তানে শুরু হওয়া যুদ্ধে অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন মিত্র দেশ অংশ নেয়। দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের সেই যুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৪০ হাজার সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করেন এবং ৪৭ জন প্রাণ হারান। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের হুমকি যুদ্ধাপরাধ: ডেমোক্র্যাটদের তীব্র নিন্দা

ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইস্টার সানডের এক বার্তায় ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলে ডেমোক্র্যাট শিবিরের নেতারা একে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন প্রভাবশালী রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা। গত সোমবার (৬ এপ্রিল) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক অশালীন বার্তায় ট্রাম্প বলেন, তেহরান যদি অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তবে দেশটিকে নরকে পরিণত করা হবে। তিনি মঙ্গলবার দিনটিকে ইরানের জন্য ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ব্রিজ ডে’ হিসেবে ঘোষণা করার হুমকি দেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইরানি বংশোদ্ভূত কংগ্রেসওম্যান ইয়াসমিন আনসারি ট্রাম্পকে ‘বিপজ্জনক পাগল’ আখ্যা দিয়ে সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন। প্রবীণ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেছেন, “এগুলো একজন মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির প্রলাপ। কংগ্রেসের উচিত এখনই এই যুদ্ধ বন্ধ করা।” প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিজ ট্রাম্পের বার্তাকে ‘ঘৃণ্য ও উন্মাদনামূলক’ বলে বর্ণনা করেছেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ। বিপরীত দিকে, রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থানের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, ইরান যদি আলোচনায় না আসে, তবে তাদের অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়াটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। কংগ্রেস সদস্য ডন বেকন বলেন, “ইরান দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকানদের লক্ষ্যবস্তু করেছে, আতুলাহ ও তার সহযোগীদের এই পরিণতি প্রাপ্য ছিল।” গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ইরানে অন্তত ২,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বড় একটি অংশ বেসামরিক নাগরিক। হামলার শিকার হয়েছে ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, আবাসিক ভবন ও চিকিৎসাকেন্দ্র। এমনকি একটি বালিকা বিদ্যালয়ে টমাহক মিসাইল হামলায় ১৭০ জন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার তদন্ত প্রতিবেদনও সামনে এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের এই উদ্বেগকে তোয়াক্কা করছেন না ট্রাম্প। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, “ইরানের মানুষ নিজেরাই চায় তাদের দেশে বোমা পড়ুক, যাতে তারা মুক্তি পায়।” বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকি যুদ্ধাপরাধ কি না—এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, তিনি পারমাণবিক অস্ত্র ঠেকাতেই এই কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশর বর্তমানে ৪৫ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে, যদিও ইরান এখনো এতে চূড়ান্ত সম্মতি দেয়নি। এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এমন আগ্রাসী মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সেনাসদস্য বেন রবার্টস-স্মিথ
যুদ্ধনায়ক থেকে যুদ্ধাপরাধী: অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সেনাসদস্য গ্রেপ্তার

আফগানিস্তানে মোতায়েন থাকাকালীন নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার দায়ে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে আলোচিত ও সম্মানজনক পদকপ্রাপ্ত সাবেক সেনাসদস্য বেন রবার্টস-স্মিথকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৪৭ বছর বয়সী এই সাবেক স্পেশাল ফোর্স সদস্যের বিরুদ্ধে পাঁচটি খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে।  মঙ্গলবার সিডনি বিমানবন্দর থেকে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে আফগানিস্তানের উরুজগান প্রদেশে দায়িত্ব পালনের সময় রবার্টস-স্মিথ এই নৃশংস অপরাধগুলো সংঘটিত করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিরস্ত্র বন্দিদের সরাসরি গুলি করে অথবা তার অধীনস্থদের দিয়ে গুলি করিয়ে হত্যা করেছেন।  এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি এক আফগান বেসামরিক ব্যক্তিকে পাহাড়ের খাদ থেকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তাকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান 'ভিক্টোরিয়া ক্রস' জয়ী এই সেনাসদস্য এতদিন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসলেও, দীর্ঘ তদন্তের পর পুলিশ তার বিরুদ্ধে শক্ত প্রমাণ পায়।  যদি এই অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়, তবে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই গ্রেপ্তারকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
অ্যাম্বুলেন্সে নির্মম হামলার কারণ হিসেবে কোন প্রমাণ দিতে পারেনি ইসরায়েল

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ‘সামরিক উদ্দেশ্যে’ ব্যাপকভাবে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তবে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের স্বপক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি তারা। অন্যদিকে, লেবাননের স্বাস্থ্যসেবা কর্মী এবং সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা কর্মী ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। এমনকি উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মীদের ওপর ‘ডাবল-ট্যাপ’ (একই স্থানে পরপর দুটি হামলা) করার মতো ভয়াবহ ঘটনাও ঘটছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্যমতে, গত শনিবার দক্ষিণ লেবাননে স্বাস্থ্যসেবা খাতের ওপর পাঁচটি পৃথক হামলায় ৯ জন প্যারামেডিক নিহত এবং ৭ জন আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, চিকিৎসা কর্মী, অ্যাম্বুলেন্স এবং হাসপাতালগুলো বিশেষ সুরক্ষা পায়।  এই ধরণের স্থাপনা বা কর্মীদের ওপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানে ১৭০ শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনা ছিল সুপরিকল্পিত? আল জাজিরার অনুসন্ধানে বিস্ফোরক তথ্য

ইরানের মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭০ জন স্কুলশিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু বিশ্ববিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক সাম্প্রতিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য—এই হামলা কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং ছিল সুপরিকল্পিত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত এই ধ্বংসযজ্ঞের দায় মার্কিন প্রশাসন অস্বীকার করলেও খোদ ওয়াশিংটনেই এখন অস্থিরতা তুঙ্গে। ক্যাপিটল হিলের জনমত জরিপ বলছে, ৭৪ শতাংশ মার্কিনি এই যুদ্ধের বিপক্ষে, যার মধ্যে ৫২ শতাংশ রিপাবলিকানও রয়েছেন। অথচ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্থলসেনা মোতায়েন নিয়ে রহস্যজনক নীরবতা পালন করছেন। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই ঘটনাকে ‘ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে, আরক শহরে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নবজাতকসহ অসংখ্য বেসামরিক নাগরিক নিহতের খবর আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে। যুদ্ধের মাঝপথেই যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টার-টেররিজম সেন্টারের ডিরেক্টর জো কেন্টের পদত্যাগ ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যকে আরও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। কেন্ট সরাসরি জানিয়েছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো হুমকি ছিল না; বরং ইসরায়েলের স্বার্থেই এই যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পারস্য উপসাগরে মার্কিন উপস্থিতি উত্তেজনাকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাবে। এদিকে, হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি এক ভয়াবহ মন্দার দ্বারপ্রান্তে।  সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালের এই সংঘাত ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। জাতিসংঘ সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযানে এ পর্যন্ত কয়েক মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ
ইরানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: বিশ্লেষকদের হুঁশিয়ারি

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ-এর ‘কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না’ (No Quarter) এবং ‘কোনো দয়া দেখানো হবে না’ (No Mercy) মর্মে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মীরা। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেগসেথ বলেন, "আমরা চাপ অব্যাহত রাখব, আমরা এগিয়ে যাব। আমাদের শত্রুদের জন্য কোনো ছাড় নেই, কোনো দয়া নেই।" তার এই মন্তব্যের পরই বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা নেই পেন্টাগনের আন্তর্জাতিক আইন এবং হেগ কনভেনশন অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রে আত্মসমর্পণকারী বা আহত শত্রুপক্ষকে ‘ছাড় দেওয়া হবে না’ বা সরাসরি হত্যা করার হুমকি দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সামরিক ম্যানুয়ালেও এ ধরনের হুমকিকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সিনিয়র অ্যাডভাইজার ব্রায়ান ফিনুকেন আল জাজিরাকে বলেন, "এই মন্তব্যগুলো অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি প্রশ্ন তোলে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে এই আইনহীন এবং উস্কানিমূলক বাগাড়ম্বর বাস্তবে কতটা প্রয়োগ করা হচ্ছে।" তিনি আরও যোগ করেন, আত্মসমর্পণকারী যোদ্ধাদের হত্যা করা অমানবিক এবং পাল্টা ফলদায়ক। তবে প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথ এসব সমালোচনাকে পাত্তা না দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি যুদ্ধের কোনো "বোকামি ভরা নিয়ম" (Stupid rules of engagement) বা "রাজনৈতিকভাবে সঠিক যুদ্ধ" (Politically correct wars) মেনে চলবেন না। হেগসেথের এই 'সর্বোচ্চ প্রাণঘাতী' (Maximum lethality) কৌশলের প্রভাবে ইরানে বেসামরিক নাগরিক নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। সম্প্রতি দক্ষিণ ইরানে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু। সব মিলিয়ে চলমান এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,৪৪৪ জন ইরানি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর ওয়াশিংটন ডিরেক্টর সারাহ ইয়েগার বলেন, "আমি দুই দশক ধরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাথে কাজ করছি, কিন্তু এ ধরনের ভাষা শুনে আমি স্তব্ধ। উর্ধ্বতন নেতাদের এই বক্তব্য যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাদের আচরণকে প্রভাবিত করে এবং এটি বড় ধরনের নৃশংসতার পূর্বলক্ষণ।" ওয়াচডগ গ্রুপ ‘এয়ারওয়ারস’ (Airwars)-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার গতি আধুনিক ইতিহাসের যেকোনো যুদ্ধের চেয়ে বেশি। যুদ্ধের প্রথম দুই দিনেই যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৫.৬ বিলিয়ন ডলারের গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে। এমনকি আইএস (ISIS)-এর বিরুদ্ধে ছয় মাসে যে পরিমাণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছিল, ইরানে প্রথম ১০০ ঘণ্টাতেই তার চেয়ে বেশি হামলা চালানো হয়েছে। সিনেটর জেফ মের্কলি এই পরিস্থিতির নিন্দা জানিয়ে হেগসেথকে একজন ‘বিপজ্জনক অপেশাদার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “তার এই ‘দ্বিধাহীন’ যুদ্ধের নিয়মনীতি একটি বেসামরিক স্কুল এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে ১৫০ জনেরও বেশি স্কুলছাত্রী ও শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন।” বিশ্লেষকদের মতে, পেন্টাগনের এই আক্রমণাত্মক নীতি আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে ১৬৫ শিশু হত্যা, পেন্টাগনের কাছে জবাব চাইলেন মার্কিন ডেমোক্র্যাটরা

ইরানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের কাছে কঠোর জবাবদিহি দাবি করেছেন সিনেটের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের একটি নৌঘাঁটি ও সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওই হামলায় ১৭৫ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু।   নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মিনাব এলাকায় উদ্ধার হওয়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষগুলো আমেরিকান প্রযুক্তিতে তৈরি 'টমাহক ক্রুজ মিসাইল'-এর বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছেন যে, ইরান নিজেই এই হামলা চালিয়েছে।   বুধবার হেগসেথকে লেখা এক চিঠিতে সিনেটররা এই ঘটনার দ্রুত তদন্ত এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তারা অভিযোগ করেছেন যে, যুদ্ধের ময়দানে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার যে নৈতিক দায়িত্ব, বর্তমান প্রশাসন তা অবজ্ঞা করছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা সচিবের সাম্প্রতিক মন্তব্য—যেখানে তিনি যুদ্ধের জন্য কোনো 'শর্ত' বা 'নিয়ম' না থাকার কথা বলেছিলেন—বেসামরিক মৃত্যুর ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।   পেন্টাগন এই ঘটনার তদন্ত শুরু করার কথা বললেও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানায়নি। এদিকে জাতিসংঘ এই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা আগামী সপ্তাহের মধ্যে এই হামলার সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা স্পষ্ট করতে বলেছেন। রিপাবলিকানদের মধ্যে কেবল লুসিয়ানা অঙ্গরাজ্যের সিনেটর জন কেনেডি এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একে একটি 'ভয়াবহ ভুল' হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে ১৬৮ শিশুর মৃত্যুর জন্য সরাসরি দায়ী যুক্তরাষ্ট্র, নতুন ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ

দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ বিমান হামলার ঘটনায় নতুন ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ পেয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই ফুটেজটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে এবং হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতার দিকে আঙুল তুলছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে মিনাবের 'শাজারেহ তাইয়েবাহ' বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই হামলা চালানো হয়। ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, হামলায় ১৬৫ থেকে ১৮০ জন নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী। হামলার সময় স্কুলটি কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পর পর তিনটি মিসাইল (ট্রিপল ট্যাপ) স্কুল ভবন ও তার আশপাশে আঘাত হানে, যার ফলে দুই তলা ভবনটি মুহূর্তেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। সিএনএন এবং তদন্তকারী সংস্থা ‘বেলিংক্যাট’-এর হাতে আসা নতুন ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, একটি মিসাইল স্কুলের ঠিক পাশেই অবস্থিত ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর একটি নৌ ঘাঁটিতে আঘাত হানছে। অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, মিসাইলটির গঠন এবং গতিপথ মার্কিন ‘টমাহক ক্রুজ মিসাইল’-এর (Tomahawk Land Attack Missile) সাথে হুবহু মিলে যায়। উল্লেখ্য, এই যুদ্ধক্ষেত্রে একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই এই নির্দিষ্ট ধরনের অস্ত্র রয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদিও ভিডিওতে সরাসরি স্কুলে আঘাতের মুহূর্ত দেখা যায়নি, তবে একই সময়ে সংলগ্ন ঘাঁটিতে মার্কিন টমাহক মিসাইলের আঘাত প্রমাণ করে যে স্কুলটি ওই একই হামলার অংশ ছিল। রাজনীতি ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ: গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরান নিজেই এই হামলার জন্য দায়ী। তিনি একে ইরানের 'ভুল লক্ষ্যভেদ' বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে সিএনএন-এর সংগৃহীত স্যাটেলাইট চিত্র, ভূ-অবস্থান (geolocation) এবং অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতামত বলছে ভিন্ন কথা। এদিকে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এই ভিডিওটি প্রকাশ করে মার্কিন দাবিকে 'মিথ্যাচার' বলে আখ্যা দিয়েছে। ইরানের জাতিসংঘ দূত আমির সাইদ ইরাভানি জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১,৩০০-এর বেশি ইরানি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে মিনাব স্কুলের ঘটনাটি ছিল সবচেয়ে মর্মান্তিক। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জানিনা ডিল বলেন, "এমনকি যদি ভুলবশত স্কুলটিকে সামরিক স্থাপনা ভেবে হামলা করা হয়ে থাকে, তবুও এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের একটি গুরুতর লঙ্ঘন। হামলাকারীর দায়িত্ব ছিল লক্ষ্যবস্তু যাচাই করা।" ইউনেস্কো এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে 'যুদ্ধাপরাধ' হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। মিনাব শহরে নিহত শিশুদের গণকবর দেওয়া হয়েছে, যেখানে শত শত শোকার্ত মানুষ বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) জানিয়েছে তারা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে, তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি। সূত্র: সিএনএন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0