হাসনাত আব্দুল্লাহ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ । ছবি: সংগৃহীত
বিসিবিতে ‘বাপের দোয়া-মায়ের দোয়া’ কমিটি করি নাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বিসিবিতে কোনো ধরনের ‘বাপের দোয়া’ বা ‘মায়ের দোয়া’ ভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়নি।   বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ-এর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।   এর আগে সংসদে নিজের বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এখন আর আগের মতো নেই। তার ভাষায়, “বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নেই, এটি ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে।”   তিনি ওইদিন বিকেলে সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ বিল-২০২৬’ উত্থাপনের প্রস্তাবে আপত্তি জানাতে গিয়ে বিসিবির পরিচালনা কাঠামো নিয়ে এই সমালোচনা করেন।   এমন প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে অভিযোগটি নাকচ করে বলেন, বোর্ড পরিচালনায় কোনো ধরনের পক্ষপাতমূলক বা অনিয়মের সুযোগ নেই এবং এ ধরনের মন্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
জনগণের সমর্থন পেলে লড়াই চালিয়ে যাব—হাসনাত আব্দুল্লাহ

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গোমতী নদী রক্ষায় অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেছেন, জনগণের সমর্থন থাকলে এ লড়াই অব্যাহত থাকবে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।   শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকায় গোমতী নদী রক্ষায় আয়োজিত এক মানববন্ধনে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ স্থানীয়দের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আপনারাই আমার শক্তি ও প্রেরণা। যতদিন বেঁচে থাকব, অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব।”   তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র গোমতী নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করছে। এ সময় তিনি এ কাজে জড়িত কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেন। গোমতী নদী এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, নদী রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাসও দেন তিনি।   মানববন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে পরিবেশ ও জনজীবনের ক্ষতি করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
লাইভ ক্লাসে হাসনাত আব্দুল্লাহ শিক্ষক সুলভ ভঙ্গিতে দিচ্ছেন জবাবদিহি
'লাইভ ক্লাসের’ মাধ্যমে জবাবদিহিতা করলেন হাসনাত

নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের কাছে কাজের হিসাব তুলে ধরতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন কুমিল্লা–৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। ‘পুঁজি হলো সততা, ন্যায়-ইনসাফ-জনতা’ স্লোগান সামনে রেখে মঙ্গলবার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে তিনি সংসদীয় এলাকায় বরাদ্দকৃত সরকারি সেবা ও উন্নয়নমূলক কাজের বিস্তারিত তুলে ধরেন।   ডিজিটাল বোর্ডে স্লাইড দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপিত এই লাইভটি অনেকটা শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের মতো হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তা ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। লাইভে তিনি দেবিদ্বার উপজেলায় চলমান সরকারি সেবা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণের ওয়ার্ডভিত্তিক তথ্য তুলে ধরেন।   এ সময় ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে তিনি ‘কমিশনমুক্ত ব্যবসার নিশ্চয়তা’ দিয়ে দক্ষতা বাড়িয়ে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করার আহ্বান জানান। লাইভের শেষ দিকে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের গুরুত্বও তুলে ধরেন।   এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ‘জবাবদিহিতা’ নামে একটি বিশেষ ফেসবুক পেজ খোলার ঘোষণা দেন তিনি। সেখানে তার নির্বাচনী এলাকার সব উন্নয়ন কাজের নিয়মিত আপডেট এবং প্রতিটি প্রকল্পের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করা হবে বলে জানান।   রাজনীতিতে আসার আগে হাসনাত আব্দুল্লাহ শিক্ষকতা ও কোচিং পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষার্থী থাকাকালে তিনি ‘স্কুল অব এক্সিলেন্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি পান। সংসদ সদস্য হওয়ার পরও শিক্ষকসুলভ ভঙ্গিতে লাইভে এসে কাজের অগ্রগতি ব্যাখ্যা করাকে তিনি জনগণের সামনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে দেখছেন।   লাইভে তিনি রাস্তাঘাট নির্মাণসহ মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে ধারণা দেন। পাশাপাশি এলাকার মানুষের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় নিয়েও দিকনির্দেশনা দেন।   সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, একজন সংসদ সদস্যের সরাসরি জনগণের সামনে এসে এভাবে কাজের হিসাব দেওয়া এবং শিক্ষকতার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন ও ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হাসনাত আব্দুল্লাহর এই ‘লাইভ ক্লাস’ উদ্যোগ ব্যাপকভাবে আলোচিত ও প্রশংসিত হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
এক শিশুকে নিয়ে ভিডিও ধারন করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
মির্জা আব্বাসকে নিয়ে ভাইরাল ভিডিও: আপত্তিকর মন্তব্যে দুঃখ প্রকাশ হাসনাত আব্দুল্লাহর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যসংবলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।   সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাসনাত আব্দুল্লাহ এক শিশুকে নিয়ে ভিডিও ধারণ করছেন। সেখানে তিনি মির্জা আব্বাসকে ‘চাঁদাবাজ’ বলে উল্লেখ করেন এবং পরবর্তীতে শিশুটিকেও একই কথা বলতে শোনা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিএনপির এক সিনিয়র নেতাকে নিয়ে তাঁকে আপত্তিকর মন্তব্য করতে দেখা যায় এবং সেখানে একটি শিশুর উপস্থিতি বিষয়টিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।   ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ভিডিওটি নির্বাচনকালীন সময়ে ধারণ করা হয়েছিল এবং এটি একটি ‘ক্লোজড গ্রুপে’ সীমাবদ্ধ ছিল। তবে পরবর্তীতে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।   হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ভিডিওটির জন্য তিনি নিঃশর্তভাবে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং এ ধরনের কাজ করা কোনোভাবেই উচিত হয়নি। ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে পারস্পরিক শালীনতা ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে সেই বিষয়ে তিনি সচেতন থাকার অঙ্গীকারও করেন।   তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদ-উত্তর রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আক্রমণ, ঘৃণা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য নষ্ট করার সংস্কৃতিকে তাঁরা সমর্থন করেন না। সুস্থ, সহনশীল ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চাই সবার প্রত্যাশা। সবশেষে নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য আবারও দুঃখ প্রকাশ করেন এনসিপির এই নেতা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৫, ২০২৬ 0
বক্তব্য রাখছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
ফেসবুক থেকে কত টাকা আয় করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ? জানালেন নিজেই

ফেসবুক পেজ থেকে আয়ের বিষয়টি সচরাচর গোপন রাখতেই পছন্দ করেন ইনফ্লুয়েন্সার বা তারকারা। তবে এক্ষেত্রে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মাসিক ও বাৎসরিক আয়ের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো চমক দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ৪৯ লাখ ছাড়িয়েছে। নিয়মিত জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে ভিডিও, ছবি এবং মতামত শেয়ার করেন তিনি। সম্প্রতি এক তথ্যে তিনি জানান, তার একটি ভিডিও ১৭ মিলিয়ন ভিউ হওয়ার বিপরীতে তিনি মাত্র ৪০ ডলার আয় করেছেন। তবে সবশেষ দুই দিনেই এসেছে ১২০ ডলার। আয়ের ধারাবাহিকতা নিয়ে হাসনাত জানান, গত মাসে তার পেজ থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩৯৯ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকার সমান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি আয়ের এই ধারা বজায় থাকে, তবে তার মাসিক গড় আয় ৪ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সেই হিসেবে বছরে তার আয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৪৫ থেকে ৪৮ লাখ টাকা। সাধারণত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আয়ের উৎস নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন থাকে। এমন পরিস্থিতিতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া আয়ের হিসাব জনসমক্ষে এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এক নতুন নজির গড়লেন এই নেতা। তার এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ ও অনুসারীরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
হাসনাত আব্দুল্লাহ
বুকে ধানের শীষ, ভোটে দাঁড়িপাল্লা, ‘ব্যালট বিপ্লব’-এর ডাক হাসনাত আব্দুল্লাহর

‘বুকে ধানের শীষ লাগিয়ে কেন্দ্রে যাবেন, কিন্তু ভোট দেবেন দাঁড়িপাল্লায়’—যশোরের দড়াটানায় এক নির্বাচনী পথসভায় এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। শনিবার ১১ দলীয় জোটের এই বিশাল সমাবেশে তিনি যশোরের জনগণকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে ব্যালট বিপ্লব ঘটানোর আহ্বান জানান।   হাসনাত আব্দুল্লাহ তার বক্তব্যে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে দুই ভাগে বিভক্ত উল্লেখ করে বলেন, একপক্ষ গোলামীর পক্ষে আর অন্যপক্ষ ইনসাফের লড়াইয়ে নেমেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুলিশ কোনো দলের গোলাম নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের সেবক। যারা বিগত দিনে দালালি করেছে, তাদের পরিণতি সবার জানা।   আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার মধ্যে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট রক্ষা এবং ফলাফল না নিয়ে মাঠ না ছাড়ার জন্য তিনি সাধারণ মানুষকে দিকনির্দেশনা দেন। সমাবেশে জামায়াত নেতা ও যশোর-৩ আসনের প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদেরসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
হাতে লিফলেট থাকায় হেনস্তার শিকার মা, হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে প্রশ্ন ছেলের

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে প্রচারণা চালাতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন জামায়াত সমর্থিত এক নারী কর্মী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেবিদ্বারের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগী নারীর ছেলে আশিকুর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে এই হেনস্তার বিচার ও নিরাপত্তার দাবি জানান। পরবর্তীতে প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ নিজে সেই পোস্টটি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।   আশিকুর রহমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, তার মা এলাকায় নিয়মিত ধর্মীয় তালীম করেন এবং জামায়াত সমর্থক হিসেবে তিনি আসন্ন নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। আজ নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে বের হলে স্থানীয় সন্ত্রাসী আল আমিন শুভ্রর হাতে তিনি হেনস্তার শিকার হন। আশিকুর রহমানের দাবি, তার মায়ের কাছে হাসনাত আবদুল্লাহর লিফলেট পাওয়াই ছিল এই হেনস্তার মূল কারণ।   ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে প্রশ্ন রেখে লেখেন, "আমি একজন দেবিদ্বারের মানুষ হিসেবে হাসনাত ভাইয়ের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই—আপনার জন্য যারা মাঠে কাজ করছে, তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কোথায়?" এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের ভূমিকা কতটুকু? নির্বাচনী প্রচারণায় নারী কর্মীদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে এই হেনস্তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, সেদিকেই এখন সবার নজর।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
বক্তব্য রাখছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
এবার ভোট চুরি করতে এলে সেনাবাহিনী চামড়া লাল করে দেবে: হাসনাত

এনসিপির মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, অতীতে জোরজবরদস্তি জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। ডিসি এসপিদের সহযোগিতায় তারা নির্বাচিত হয়েছে। ফ্যাসিবাদ চক্র জনগণের ভোটের অধিকারে বিশ্বাস করেনি। একদিকে ভোট লুটেছে, অন্যদিকে মানুষের অর্থ সম্পদ লুট করেছে। এবার ভোট চুরি করতে এলে সেনাবাহিনী চামড়া লাল করে দিবে। আমরা প্রশাসনকে সহায়তা করব।    শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ এলাকায় উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।    হাসনাত বলেন, পুরোনো কায়দায় ভোটারদের কেউ কেউ হুমকি ভয় ভীতি দেখিয়ে ভোট নেওয়ার চেষ্টা করছে। এটা তাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।   তিনি বলেন, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক, তাদের কাছে ভোট ভিক্ষা চাইতে কোনো লজ্জা নেই। আমরা আসছি ভোট ভিক্ষা চাইতে। চাঁদাবাজি করার চাইতে ভোট ভিক্ষা চাওয়া সম্মানের। যারা এই রাষ্ট্রের বৈধতা দেয়, ট্যাক্স দিয়ে রাষ্ট্রের অর্থনীতির চাকা সচল রাখে, তাদের কাছে মাথা নত করে ভোট ভিক্ষা চাইলে সম্মান বাড়ে। অথচ যুগের পর যুগ এই জনগণকে রাষ্ট্র এবং সরকার, বিভিন্নভাবে অবমূল্যায়ন করেছে। ফ্যাসিবাদ আমলে জনগণের কোনো মূল্যায়ন ছিল না। তারা জনগণের ভোটে নয়, টাকার শক্তিতে নির্বাচিত হতো। প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্বাচিত হতো। ডিসি এসপির সহযোগিতা নির্বাচিত হতো।   হাসনাত বলেন, সময় এসেছে আপনাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করার। আপনারা নিজে ভোট প্রয়োগ করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করুন। টাকার বিনিময়ে কারো কাছে ভোট বিক্রি করবেন না। তাহলে দেখবেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আপনাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরাও আপনাদের সেবায় যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে। আমরা সামাজিক নিরাপত্তা এবং জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।    এ সময় জামায়াত এবং এনসিপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন তিনি উপজেলার এলাহাবাদ পৌর এলাকার ছোট আলমপুরসহ আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ এবং উঠান বৈঠক করেন। 

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0