খেলাধুলা

বাংলাদেশ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে আইসিসির ওপর ক্ষোভে ফুঁসছেন আফ্রিদি

Unknown জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ভারত সফরে নিরাপত্তা নিয়ে আপোষ না করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের এই সর্বোচ্চ সংস্থা। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইসিসি এই চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়।

 

ভারতের মাটিতে টাইগারদের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি রয়েছে—এমন আশঙ্কায় বিসিবি আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে। তবে আইসিসি এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। আইসিসির দাবি, তাদের স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়নে বাংলাদেশে দলের জন্য ভারতে কোনো 'বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য' হুমকি পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি বিসিবি-কে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

 

আইসিসির এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি একে 'দ্বৈত মানদণ্ড' হিসেবে আখ্যা দিয়ে লিখেছেন:

 

"বাংলাদেশি ক্রিকেটার এবং কোটি ভক্ত সম্মান পাওয়ার যোগ্য। ২০২৫ সালে পাকিস্তান সফরে না যাওয়ার ক্ষেত্রে আইসিসি ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগ মেনে নিয়েছিল, অথচ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড দেখাচ্ছে না। আইসিসির উচিত সেতু গড়া, আগুন লাগানো নয়।

 

একই সুর শোনা গেছে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির কণ্ঠেও। লাহোরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বড় ধরনের অন্যায় করা হয়েছে। এক দেশের জন্য এক নিয়ম আর অন্য দেশের জন্য ভিন্ন নিয়ম হতে পারে না। তিনি আইসিসি বোর্ড সভায়ও বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন বলে জানান।

 

আইসিসি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে পরবর্তী অবস্থানে থাকায় স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-তে এখন স্কটল্যান্ড লড়বে ইংল্যান্ড, ইতালি, নেপাল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবি: সংগৃহীত
বর্ণবাদের শিকার হামজা, প্রতিবাদ করায় হামজা চৌধুরীকে হলুদ কার্ড

ইংল্যান্ডের ফুটবলে আবারও বর্ণবাদের অভিযোগ উঠেছে। গ্যালারি থেকে বর্ণবাদী মন্তব্যের শিকার হয়েছেন লেস্টার সিটির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার হামজা চৌধুরী। তবে এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় উল্টো তাঁকেই হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে।   শনিবার ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে পোর্টসমাউথের বিপক্ষে ম্যাচে লেস্টার সিটির হয়ে শুরুর একাদশে খেলেন ২৮ বছর বয়সী এই মধ্যমাঠের খেলোয়াড়। দীর্ঘদিনের চোট কাটিয়ে তিনি এদিন দলে ফিরেছিলেন।   ম্যাচের ৭১ মিনিটে তাঁকে তুলে নেওয়া হয় এবং তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় জর্ডান জেমসকে। মাঠ ছাড়ার সময় গ্যালারি থেকে হামজার উদ্দেশে বর্ণবাদী গালাগাল দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।   এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে হামজা দর্শকদের সঙ্গে বাক্যবিনিময়ে জড়ান। পরে তিনি রেফারির কাছে বিষয়টি তুলে ধরতে গেলে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাঁকেই হলুদ কার্ড দেখানো হয়।   ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ফুটবলে বর্ণবাদবিরোধী অবস্থান নিয়ে বারবার কথা বলা হলেও, মাঠে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো।

সরগরম মিরপুর: ডিপিএলের প্রথম দিনে দল পেলেন ৭৯ ক্রিকেটার

কলোরাডো র‍্যাপিডসের বিপক্ষে মেসির জোড়া গোলে রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে ইন্টার মায়ামি

মেসি-ম্যাজিকে কলোরাডোর বিরুদ্ধে ইন্টার মায়ামির রোমাঞ্চকর জয়

ওনস জাবেউর

গাজা ইস্যু ও টেনিস কোর্টে লিঙ্গবৈষম্য নিয়ে সোচ্চার তিউনিসিয়ান তারকা জাবেউর

আর্সেনাল বস মিকেল আর্তেতা
ম্যান সিটির বিপক্ষে শিরোপা লড়াই: চাপ নয়, সুযোগ হিসেবে দেখছেন আর্তেতা

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াই এখন তুঙ্গে। আগামী রোববার ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে টেবিলের শীর্ষে থাকা আর্সেনাল। লিগ টেবিলের সমীকরণ যখন অত্যন্ত জটিল, তখন আর্সেনাল বস মিকেল আর্তেতা একে 'চাপ' হিসেবে না দেখে 'সুযোগ' এবং 'মর্যাদা' হিসেবে দেখছেন। বর্তমানে সিটির চেয়ে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে থাকলেও আর্সেনালের চেয়ে ম্যানচেস্টার সিটি এক ম্যাচ কম খেলেছে। ফলে রোববারের এই ম্যাচটি শিরোপা নির্ধারণের ক্ষেত্রে 'ডু অর ডাই' ম্যাচে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে লিগ কাপের ফাইনাল এবং এফএ কাপ থেকে বিদায় নেওয়ায় আর্সেনালের ফর্ম নিয়ে কিছুটা সমালোচনা থাকলেও, আর্তেতা আত্মবিশ্বাসী। আর্তেতা বলেন, "বিশ্বের অন্যতম সেরা দল এবং সেরা কোচের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে থাকাটা আমাদের জন্য বড় এক সুযোগ ও সম্মানের। আমরা এই অবস্থানে আসার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। এখন সময় লড়াই উপভোগ করার।" অন্যদিকে, সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা এই ম্যাচটিকে দেখছেন 'ফাইনাল' হিসেবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এই ম্যাচে হারলে তাদের লিগ শিরোপার আশা শেষ হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে ফুটবল বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামের এই মহরণটির দিকে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
মেটলাইফ স্টেডিয়াম ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল আয়োজন করতে যাচ্ছে, তবে নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে এর অবস্থান এবং যাতায়াত খরচ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত ভাড়ার ‘আকাশচুম্বী’ বৃদ্ধিতে ফুটবল ভক্তদের তীব্র ক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত।

নীরবতা ভেঙে অস্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের দুই নারী ফুটবলার

ছবি: সংগৃহীত

নতুন প্রবাসী মুখ ট্রেভর ইসলাম, জাতীয় দলে অভিষেক কবে?

ছবি - সংগৃহিত
এবার ক্লাব মালিকের ভূমিকায় মেসি, কিনে নিলেন স্প্যানিশ ক্লাব

ফুটবল মাঠের ম্যাজিক দেখানোর পর এবার ফুটবল ব্যবস্থাপনায় নতুন চ্যালেঞ্জ নিলেন লিওনেল মেসি। স্প্যানিশ ফুটবলের পঞ্চম স্তরের ক্লাব ‘ইউই কর্নেয়া’ এখন থেকে পরিচালিত হবে এই আর্জেন্টাইন মহাতারকার মালিকানায়। বার্সেলোনার সাথে মেসির দীর্ঘদিনের গভীর সম্পর্কের সূত্র ধরেই এই নতুন বিনিয়োগ বলে ধারণা করা হচ্ছে।     শুক্রবার এক বিবৃতিতে কর্নেয়া কর্তৃপক্ষ জানায়,     ইউই কর্নেয়া ঘোষণা করছে যে, আর্জেন্টাইন ফুটবলার এবং আটবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী লিওনেল মেসি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাবটি অধিগ্রহণ করেছেন এবং বায়াক্স লোব্রেগাত ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানের নতুন মালিক হয়েছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বার্সেলোনায় মেসির দীর্ঘ ১৭ বছরের ক্যারিয়ারের সময় থেকেই ক্লাবটির সঙ্গে তার এক নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, যা এখন পূর্ণাঙ্গ মালিকানায় রূপ নিল   ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ক্লাবটি বার্সেলোনার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। কর্নেয়ার ইতিহাসে বেশ কিছু চমকপ্রদ সাফল্য রয়েছে। ২০২১ সালে কোপা দেল রেতে স্প্যানিশ জায়ান্ট আতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছিল দলটি। মেসির বর্তমান মায়ামি সতীর্থ জর্দি আলবা এই ক্লাবেরই একাডেমি থেকে উঠে এসেছেন। এছাড়া আর্সেনালের গোলকিপার দাভিদ রায়া এবং বার্সার ডিফেন্ডার জেরার্ড মার্টিনও এই ক্লাবের প্রাক্তন খেলোয়াড়।   বর্তমানে স্প্যানিশ ফুটবলের পঞ্চম স্তরে (গ্রুপ ফাইভ) খেলছে কর্নেয়া। পয়েন্ট তালিকায় তাদের বর্তমান অবস্থান তৃতীয়। লিগের নিয়ম অনুযায়ী এই গ্রুপের শীর্ষ দল চতুর্থ স্তর এবং কোপা দেল রেতে খেলার সুযোগ পায়। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চমস্থানধারী দলগুলো সুযোগ পায় প্রমোশন প্লে–অফে।   মেসির মালিকানায় আসার পর ক্লাবটির পরিকাঠামো এবং খেলোয়াড় সংগ্রহে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশা করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। ইন্টার মায়ামিতে খেলার পাশাপাশি স্পেনের ফুটবলে এই বিনিয়োগ মেসির ফুটবল পরবর্তী ক্যারিয়ারের এক শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের ফুটবল ক্লাব কিনলেন মেসি; জর্দি আলবাদের ‘আঁতুড়ঘর’ এখন আর্জেন্টাইন মহাতারকার

বিশ্বকাপ খেলতে ইরান অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে আসবে: ফিফা সভাপতি

ছবি - সংগৃহিত

ক্যাপ্টেনস কার্ডে মিলবে যে ৪টি বিশেষ সুবিধা

0 Comments