যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ চলতি সপ্তাহে সুদের হার নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। বাজারে এবার তিন বছরের মধ্যে প্রথমবার সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত হলে ইতোমধ্যে উচ্চ মর্টগেজ রেটের চাপে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের হাউজিং মার্কেটে আরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন রিয়েল এস্টেট সংশ্লিষ্টরা। ফেডের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দুই দিনের বৈঠকে বসেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর সিদ্ধান্ত ঘোষণা ও ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশের সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। জুলাইয়ের বৈঠকে ফেড ফেডারেল ফান্ডস রেট ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রেখেছিল। সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনার পেছনে মূল্যস্ফীতি ও শ্রমবাজারের পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বা CPI মাসিক হিসাবে ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। গত ১২ মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। খাদ্য ও জ্বালানি বাদ দিলে মূল মূল্যস্ফীতি ছিল ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এদিকে মর্টগেজ রেটও ইতোমধ্যে বাড়ছে। ফ্রেডি ম্যাকের হিসাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩০ বছরের ফিক্সড মর্টগেজের গড় হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। ১৫ বছরের ফিক্সড মর্টগেজের গড় হারও বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ০৯ শতাংশ। রিয়েলটর ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান বাড়ি বিক্রির বার্ষিকীকৃত হার ১৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে এবং প্রথমবারের মতো ৪০ লাখের নিচে চলে গেছে। একই সময়ে পেন্ডিং হোম সেলসও কমেছে, ফলে আট মাসের ধারাবাহিক বৃদ্ধির অবসান হয়েছে। তবে ফেডের সুদের হার সরাসরি মর্টগেজ রেট নির্ধারণ করে না। ফেড মূলত ব্যাংকগুলোর মধ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণের সুদের হার নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে মর্টগেজ রেট বন্ড মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। তাই ফেড সুদের হার বাড়ালেই মর্টগেজ রেট একই হারে বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই। রিয়েলটর ডটকমের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েল হেল মনে করেন, সেপ্টেম্বরে ফেড সুদের হার বাড়াক বা না বাড়াক, মর্টগেজ রেটের ওপর চাপ ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। উচ্চ সুদের পরিবেশে ক্রেতা ও বিক্রেতারা তুলনামূলক সতর্ক হয়ে উঠছেন। রিয়েল এস্টেট এজেন্টদের মতে, সুদের হার দীর্ঘ সময় বেশি থাকলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়তে পারে ফার্স্ট টাইম হোমবায়ার ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ওপর। অন্যদিকে উচ্চমূল্যের বাড়ির ক্রেতা এবং পর্যাপ্ত নগদ অর্থ থাকা সেকেন্ড হোমের ক্রেতাদের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে। উচ্চ মর্টগেজ রেট দীর্ঘস্থায়ী হলে বাড়ি বিক্রেতাদেরও দাম, মেরামতের খরচ এবং ক্লোজিংয়ের সময় বিভিন্ন কনসেশন নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে বেশি সমঝোতা করতে হতে পারে বলে রিয়েলটর ডটকমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাজার ধসে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে, এমনটা মনে করছেন না অনেক রিয়েল এস্টেট পেশাজীবী। ফলে ফেডের এবারের সিদ্ধান্ত শুধু সুদের হার নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি কেনাবেচা, মর্টগেজ খরচ এবং নতুন বাড়ি কেনার সামর্থ্যের ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যারা বর্তমানে বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য আগামী কয়েক দিনের সুদের হার ও মর্টগেজ মার্কেটের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান করেছেন এ আর তাহসিন জাহান। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং তাদের শিক্ষার অধিকার রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। তাহসিন জাহান নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের উপউদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস অ্যাওয়ার্ড সাধারণত নিজ নিজ বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে সর্বোচ্চ একাডেমিক ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। নিজের পোস্টে তাহসিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছরের স্নাতকজীবনের শুরু থেকেই তিনি ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। দীর্ঘ পরিশ্রম ও পড়াশোনার পর নিজ বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার পাওয়ার কথা ছিল তাঁর। একসময় যে পুরস্কার অর্জনের জন্য তিনি এতটা পরিশ্রম করেছেন, সেটি শেষ পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান করা তাঁর জন্য সহজ সিদ্ধান্ত ছিল না বলেও জানান তিনি। তবে পুরস্কারের মর্যাদার চেয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের নৈতিক দায়বদ্ধতাকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন বলে জানান তাহসিন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও মতাদর্শের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রশাসন তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। এমন পরিস্থিতিতে তিনি সেই প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া স্বীকৃতি গ্রহণ করে নিজের অর্জন উদযাপন করতে চাননি। তাহসিন নিজের শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তিনি মবের আক্রমণের শিকার হন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও নিজ বিভাগের ভেতরে হুমকির মুখে পড়েন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁকে ফাইনাল ভাইভায় অংশ নেওয়া এবং স্নাতক থিসিস জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল। নিরাপত্তার কারণে একপর্যায়ে তিনি ক্যাম্পাসে ফিরতে পারেননি বলেও দাবি করেন। তবে ওই সময় তাঁর বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন বলে জানান তাহসিন। তাঁদের সহযোগিতায় নিরাপদ স্থান থেকে অনলাইনে ফাইনাল ভাইভায় অংশ নিয়ে তিনি স্নাতক সম্পন্ন করতে সক্ষম হন। নিজের অর্জনের পেছনে এসব শিক্ষকের অবদানের কথা স্বীকার করে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাহসিন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত তাঁর মতো আরও অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষ করার সুযোগ পাননি। তিনি দাবি করেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এখনো তাঁর মতো সুযোগ পাননি। এই সংখ্যা তাঁর নিজের বক্তব্যের দাবি, এর স্বাধীন কোনো যাচাই বা বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক পরিসংখ্যান প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। তাহসিন আরও প্রশ্ন তুলেছেন, দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়ে থাকলে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো শিক্ষার্থী এখনো কেন শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারছেন না। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষার অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করা প্রয়োজন এবং কোনো শিক্ষার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় তার শিক্ষা গ্রহণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার কারণ হতে পারে না। তাঁকে সহযোগিতা করা শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই ডিনস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তাহসিন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সিদ্ধান্তটি পুরস্কারটির মর্যাদা খাটো করার উদ্দেশ্যে নয়; বরং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শিক্ষার অধিকার ও ভবিষ্যৎ হারানো সহপাঠীদের প্রতি সংহতি জানানোর একটি অবস্থান। ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে এটি তাঁর একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি, অন্যদিকে পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে তাঁর উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফ্রাঙ্কোনিয়া টাউনশিপে দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আবুল কালাম আজাদ নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাউপাথ রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আজাদের দেশের বাড়ি চাঁদপুর। তিনি ল্যান্সডেলে বসবাস করতেন এবং হ্যাটফিল্ড মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আওয়াজ বিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার দুপুর ১টা ৭ মিনিটে কাউপাথ রোডের ১০০ ব্লকে একটি ধূসর ও একটি রুপালি রঙের সেডানের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে আবুল কালাম আজাদ নিহত হন। দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য গ্র্যান্ড ভিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুর্ঘটনার পর কাউপাথ রোডের একটি অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। লেইডি রোড থেকে মিডো উড লেন পর্যন্ত সড়কটি যান চলাচলের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল। দুর্ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা ও সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দল কাজ করে। ফ্রাঙ্কোনিয়া টাউনশিপ পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে হ্যাটফিল্ড ও টোওয়ামেসিন পুলিশ এবং মন্টগোমারি কাউন্টি ডিটেকটিভ ব্যুরো সহায়তা করছে। তবে দুই গাড়ির সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নিহত আবুল কালাম আজাদ চার ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। সন্তানদের মধ্যে ১৪ ও ৮ বছর বয়সী দুই ছেলে, ৭ বছর বয়সী এক মেয়ে এবং ৯ মাস বয়সী যমজ দুই ছেলে রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ল্যান্সডেল ও হ্যাটফিল্ড এলাকার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ ও ঘটনার পূর্ণ পরিস্থিতি জানতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আওয়াজ বিডির
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফ্রাঙ্কোনিয়া টাউনশিপে দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আবুল কালাম আজাদ নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাউপাথ রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আজাদের দেশের বাড়ি চাঁদপুর। তিনি ল্যান্সডেলে বসবাস করতেন এবং হ্যাটফিল্ড মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আওয়াজ বিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার দুপুর ১টা ৭ মিনিটে কাউপাথ রোডের ১০০ ব্লকে একটি ধূসর ও একটি রুপালি রঙের সেডানের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে আবুল কালাম আজাদ নিহত হন। দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য গ্র্যান্ড ভিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুর্ঘটনার পর কাউপাথ রোডের একটি অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। লেইডি রোড থেকে মিডো উড লেন পর্যন্ত সড়কটি যান চলাচলের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল। দুর্ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা ও সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দল কাজ করে। ফ্রাঙ্কোনিয়া টাউনশিপ পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে হ্যাটফিল্ড ও টোওয়ামেসিন পুলিশ এবং মন্টগোমারি কাউন্টি ডিটেকটিভ ব্যুরো সহায়তা করছে। তবে দুই গাড়ির সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নিহত আবুল কালাম আজাদ চার ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। সন্তানদের মধ্যে ১৪ ও ৮ বছর বয়সী দুই ছেলে, ৭ বছর বয়সী এক মেয়ে এবং ৯ মাস বয়সী যমজ দুই ছেলে রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ল্যান্সডেল ও হ্যাটফিল্ড এলাকার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ ও ঘটনার পূর্ণ পরিস্থিতি জানতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আওয়াজ বিডির
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফ্রাঙ্কোনিয়া টাউনশিপে দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আবুল কালাম আজাদ নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাউপাথ রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আজাদের দেশের বাড়ি চাঁদপুর। তিনি ল্যান্সডেলে বসবাস করতেন এবং হ্যাটফিল্ড মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আওয়াজ বিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার দুপুর ১টা ৭ মিনিটে কাউপাথ রোডের ১০০ ব্লকে একটি ধূসর ও একটি রুপালি রঙের সেডানের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে আবুল কালাম আজাদ নিহত হন। দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য গ্র্যান্ড ভিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুর্ঘটনার পর কাউপাথ রোডের একটি অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। লেইডি রোড থেকে মিডো উড লেন পর্যন্ত সড়কটি যান চলাচলের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল। দুর্ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা ও সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দল কাজ করে। ফ্রাঙ্কোনিয়া টাউনশিপ পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে হ্যাটফিল্ড ও টোওয়ামেসিন পুলিশ এবং মন্টগোমারি কাউন্টি ডিটেকটিভ ব্যুরো সহায়তা করছে। তবে দুই গাড়ির সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নিহত আবুল কালাম আজাদ চার ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। সন্তানদের মধ্যে ১৪ ও ৮ বছর বয়সী দুই ছেলে, ৭ বছর বয়সী এক মেয়ে এবং ৯ মাস বয়সী যমজ দুই ছেলে রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ল্যান্সডেল ও হ্যাটফিল্ড এলাকার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ ও ঘটনার পূর্ণ পরিস্থিতি জানতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আওয়াজ বিডির
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফ্রাঙ্কোনিয়া টাউনশিপে দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আবুল কালাম আজাদ নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাউপাথ রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আজাদের দেশের বাড়ি চাঁদপুর। তিনি ল্যান্সডেলে বসবাস করতেন এবং হ্যাটফিল্ড মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আওয়াজ বিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার দুপুর ১টা ৭ মিনিটে কাউপাথ রোডের ১০০ ব্লকে একটি ধূসর ও একটি রুপালি রঙের সেডানের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে আবুল কালাম আজাদ নিহত হন। দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য গ্র্যান্ড ভিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুর্ঘটনার পর কাউপাথ রোডের একটি অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। লেইডি রোড থেকে মিডো উড লেন পর্যন্ত সড়কটি যান চলাচলের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল। দুর্ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা ও সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দল কাজ করে। ফ্রাঙ্কোনিয়া টাউনশিপ পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে হ্যাটফিল্ড ও টোওয়ামেসিন পুলিশ এবং মন্টগোমারি কাউন্টি ডিটেকটিভ ব্যুরো সহায়তা করছে। তবে দুই গাড়ির সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নিহত আবুল কালাম আজাদ চার ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। সন্তানদের মধ্যে ১৪ ও ৮ বছর বয়সী দুই ছেলে, ৭ বছর বয়সী এক মেয়ে এবং ৯ মাস বয়সী যমজ দুই ছেলে রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ল্যান্সডেল ও হ্যাটফিল্ড এলাকার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করা হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ ও ঘটনার পূর্ণ পরিস্থিতি জানতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আওয়াজ বিডির
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ চলতি সপ্তাহে সুদের হার নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। বাজারে এবার তিন বছরের মধ্যে প্রথমবার সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত হলে ইতোমধ্যে উচ্চ মর্টগেজ রেটের চাপে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের হাউজিং মার্কেটে আরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন রিয়েল এস্টেট সংশ্লিষ্টরা। ফেডের ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দুই দিনের বৈঠকে বসেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর সিদ্ধান্ত ঘোষণা ও ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ারশের সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। জুলাইয়ের বৈঠকে ফেড ফেডারেল ফান্ডস রেট ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রেখেছিল। সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনার পেছনে মূল্যস্ফীতি ও শ্রমবাজারের পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বা CPI মাসিক হিসাবে ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। গত ১২ মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। খাদ্য ও জ্বালানি বাদ দিলে মূল মূল্যস্ফীতি ছিল ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এদিকে মর্টগেজ রেটও ইতোমধ্যে বাড়ছে। ফ্রেডি ম্যাকের হিসাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩০ বছরের ফিক্সড মর্টগেজের গড় হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। ১৫ বছরের ফিক্সড মর্টগেজের গড় হারও বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ০৯ শতাংশ। রিয়েলটর ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যমান বাড়ি বিক্রির বার্ষিকীকৃত হার ১৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে এবং প্রথমবারের মতো ৪০ লাখের নিচে চলে গেছে। একই সময়ে পেন্ডিং হোম সেলসও কমেছে, ফলে আট মাসের ধারাবাহিক বৃদ্ধির অবসান হয়েছে। তবে ফেডের সুদের হার সরাসরি মর্টগেজ রেট নির্ধারণ করে না। ফেড মূলত ব্যাংকগুলোর মধ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণের সুদের হার নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে মর্টগেজ রেট বন্ড মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। তাই ফেড সুদের হার বাড়ালেই মর্টগেজ রেট একই হারে বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই। রিয়েলটর ডটকমের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েল হেল মনে করেন, সেপ্টেম্বরে ফেড সুদের হার বাড়াক বা না বাড়াক, মর্টগেজ রেটের ওপর চাপ ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। উচ্চ সুদের পরিবেশে ক্রেতা ও বিক্রেতারা তুলনামূলক সতর্ক হয়ে উঠছেন। রিয়েল এস্টেট এজেন্টদের মতে, সুদের হার দীর্ঘ সময় বেশি থাকলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়তে পারে ফার্স্ট টাইম হোমবায়ার ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ওপর। অন্যদিকে উচ্চমূল্যের বাড়ির ক্রেতা এবং পর্যাপ্ত নগদ অর্থ থাকা সেকেন্ড হোমের ক্রেতাদের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে। উচ্চ মর্টগেজ রেট দীর্ঘস্থায়ী হলে বাড়ি বিক্রেতাদেরও দাম, মেরামতের খরচ এবং ক্লোজিংয়ের সময় বিভিন্ন কনসেশন নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে বেশি সমঝোতা করতে হতে পারে বলে রিয়েলটর ডটকমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাজার ধসে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে, এমনটা মনে করছেন না অনেক রিয়েল এস্টেট পেশাজীবী। ফলে ফেডের এবারের সিদ্ধান্ত শুধু সুদের হার নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি কেনাবেচা, মর্টগেজ খরচ এবং নতুন বাড়ি কেনার সামর্থ্যের ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যারা বর্তমানে বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য আগামী কয়েক দিনের সুদের হার ও মর্টগেজ মার্কেটের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
অভিবাসীদের সরকারি সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি ভিসা ও গ্রিন কার্ডের আবেদন মূল্যায়নে বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ বাড়ানো ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে নিউইয়র্ক সিটি। মেয়র জোহান মামদানি সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন। ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে করা মামলায় নিউইয়র্ক সিটির নেতৃত্বে একাধিক স্থানীয় সরকার এই নীতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছে। মামলাকারীদের দাবি, নতুন বিধির মাধ্যমে ফেডারেল সরকার ‘পাবলিক চার্জ’ ধারণার প্রচলিত ও দীর্ঘদিনের আইনি ব্যাখ্যার সীমা অতিক্রম করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছরের জুলাইয়ে নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ বিধি প্রকাশ করে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন বিধির আওতায় নির্দিষ্ট ভিসা ও গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীরা ভবিষ্যতে সরকারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কি না, তা মূল্যায়নের সময় আগের তুলনায় বিস্তৃত পরিসরের সরকারি সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে আয়ভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য সহায়তা এবং আবাসন সহায়তার মতো সুবিধা রয়েছে। তবে কোনো অভিবাসী এসব সুবিধার একটি গ্রহণ করলেই তার ভিসা বা গ্রিন কার্ডের আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে, এমন বিধান নেই। কর্মকর্তারা আবেদনকারীর সামগ্রিক আর্থিক ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। নিউইয়র্ক সিটির মামলায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ‘পাবলিক চার্জ’ শব্দটি দীর্ঘদিন ধরে এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যিনি মূলত সরকারের কাছ থেকে নগদ সহায়তার ওপর জীবিকা নির্বাহের জন্য নির্ভরশীল। মামলাকারীদের মতে, সাময়িক, সম্পূরক বা নগদ নয় এমন সরকারি সুবিধাকে এই ধারণার আওতায় বিস্তৃতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা ঐতিহাসিক আইনি ব্যাখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, কংগ্রেস অতীতে ‘পাবলিক চার্জ’ ধারণার পরিধি বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে প্রশাসনিকভাবে নতুন বিধির মাধ্যমে এর অর্থ ও প্রয়োগের ক্ষেত্র ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। মেয়র মামদানি বলেন, নতুন নীতি অভিবাসী পরিবারগুলোকে এমন সরকারি কর্মসূচি থেকেও দূরে সরিয়ে দিতে পারে, যেগুলো তারা আইন অনুযায়ী পাওয়ার অধিকার রাখে। তার আশঙ্কা, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য সহায়তা বা আবাসন সহায়তা নেওয়ার ক্ষেত্রেও অভিবাসীদের মধ্যে ভয় তৈরি হতে পারে। মামদানি বলেন, নিউইয়র্কের অভিবাসী সম্প্রদায় কোনো বোঝা নয়। তারা শহর ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত করতে শহর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ নেবে বলেও জানান তিনি। নিউইয়র্ক সিটির সঙ্গে শিকাগো ও সিয়াটলসহ আরও কয়েকটি স্থানীয় সরকার এই আইনি চ্যালেঞ্জে যুক্ত হয়েছে। তাদের মূল উদ্বেগ হলো, নতুন নীতি কার্যকর হলে বৈধভাবে সরকারি সহায়তা পাওয়ার যোগ্য অভিবাসীরাও প্রয়োজনীয় সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য নতুন নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সরকারের বক্তব্য, অভিবাসন আইনে আবেদনকারীদের ভবিষ্যতে সরকারের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনার সুযোগ রয়েছে এবং নতুন বিধি সেই আইনগত কাঠামোকে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা জানিয়েছে, অভিবাসীদের নিজেদের আর্থিকভাবে সক্ষম থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা এই নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য। কোনো আবেদনকারীর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শুধু একটি সরকারি সুবিধা গ্রহণের তথ্য নয়, বরং তার বয়স, স্বাস্থ্য, আয়, সম্পদ, পারিবারিক পরিস্থিতি, চাকরি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে ‘পাবলিক চার্জ’ নীতি দীর্ঘদিনের। তবে এর ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ নিয়ে বিভিন্ন প্রশাসনের সময়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৯ সালে এই নীতির পরিধি বাড়ানো হয়েছিল। পরে বাইডেন প্রশাসন ২০২২ সালে সেই বিস্তৃত বিধান বাতিল করে তুলনামূলকভাবে সীমিত কাঠামো চালু করে। নতুন বিধি কার্যকর হওয়ার আগেই নিউইয়র্কসহ কয়েকটি স্থানীয় সরকারের করা মামলার কারণে বিষয়টি আবার আদালতের সামনে এসেছে। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নীতি নির্ধারিত সময়ে কার্যকর হবে কি না এবং এর কতটা অংশ বাস্তবে প্রয়োগ করা যাবে। নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের অভিবাসনবিষয়ক কার্যালয় অভিবাসন-সংক্রান্ত আইনি সহায়তা প্রয়োজন এমন বাসিন্দাদের নিরাপদ ও গোপনীয় আইনি সহায়তার জন্য শহরের হটলাইনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে। সূত্র: রয়টার্স
একজন নারীকে আগুনের হাত থেকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে নিজের মুখ ও শরীরের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপির স্বেচ্ছাসেবী দমকলকর্মী প্যাট্রিক হার্ডিসনের। ১৪ বছর ধরে একের পর এক অস্ত্রোপচারের পরও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০১৫ সালে নিউইয়র্কে ২৬ ঘণ্টার এক জটিল মুখ প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার বদলে দেয় তার জীবন। ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর। মিসিসিপির সেনাটোবিয়ায় একটি জ্বলন্ত বাড়িতে আটকে থাকা এক নারীকে খুঁজতে ঢুকেছিলেন হার্ডিসন। তিনি তখন স্বেচ্ছাসেবী দমকলকর্মী। উদ্ধার অভিযানের সময় হঠাৎ ভবনের ছাদ ধসে পড়ে তার ওপর। কোনোভাবে একটি জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারলেও ততক্ষণে তার মাথা ও শরীরের ওপরের অংশে আগুন ধরে যায়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এই দুর্ঘটনায় তার চোখের পাতা, কান, ঠোঁট এবং নাকের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। মাথা থেকে বুক পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় তৈরি হয় গুরুতর ক্ষত ও দাগ। পরবর্তী ১৪ বছরে স্বাভাবিক চেহারা ও শরীরের কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে তাকে ৭১টি পুনর্গঠনমূলক অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু এত চিকিৎসার পরও তিনি স্বাভাবিকভাবে চোখ বন্ধ করতে বা পলক ফেলতে পারতেন না। চোখের পাতা না থাকায় তার চোখ সবসময় খোলা থাকত। এতে চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও পরিষ্কার রাখার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতো এবং ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। খাওয়াদাওয়া ও হাসার মতো স্বাভাবিক কাজও তার জন্য কষ্টকর হয়ে উঠেছিল। বাইরে বের হলে মানুষের দৃষ্টিও তার দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় অস্বস্তির কারণ ছিল। ২০১৫ সালে তার সামনে আসে চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি অভূতপূর্ব সুযোগ। নিউইয়র্কের এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোন মেডিকেল সেন্টারের প্লাস্টিক সার্জন এডুয়ার্ডো রদ্রিগেজের নেতৃত্বে ১০০ জনের বেশি চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য চিকিৎসাকর্মী দীর্ঘ প্রস্তুতির পর হার্ডিসনের মুখ প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। ১৪ আগস্ট ২০১৫ সকালে শুরু হয় অস্ত্রোপচার। প্রায় ২৬ ঘণ্টা ধরে দুইটি পাশাপাশি অপারেশন কক্ষে চলে জটিল চিকিৎসা প্রক্রিয়া। হার্ডিসনের ক্ষতিগ্রস্ত মুখ ও মাথার টিস্যু সরিয়ে সেখানে একজন মৃতদাতার মুখ, মাথার ত্বক, কান, নাকের কাঠামো, ঠোঁট এবং চোখের পাতা প্রতিস্থাপন করা হয়। চোখের পাতা ও পলক ফেলার সঙ্গে যুক্ত পেশি প্রতিস্থাপন ছিল এই অস্ত্রোপচারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। হার্ডিসনের নতুন মুখের দাতা ছিলেন ২৬ বছর বয়সী ডেভিড রোডবগ। সাইক্লিং দুর্ঘটনায় গুরুতর মাথায় আঘাত পাওয়ার পর তিনি মস্তিষ্ক-মৃত অবস্থায় ছিলেন। তিনি নিবন্ধিত অঙ্গদাতা ছিলেন। তার পরিবার মুখসহ অন্যান্য অঙ্গ দানের সিদ্ধান্ত নেয়। রোডবগের হৃদ্যন্ত্র, কিডনি ও যকৃতও অন্য রোগীদের প্রতিস্থাপনের জন্য দান করা হয়েছিল। রোডবগের মুখ হার্ডিসনের সঙ্গে শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও টিস্যুর সামঞ্জস্যের দিক থেকে ভালোভাবে মিলে যায়। চিকিৎসকেরা এই মিলকে অস্ত্রোপচারের সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেছিলেন। মুখ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে শুধু রক্তের গ্রুপ বা টিস্যুর মিল নয়, মুখের গঠন ও অন্যান্য শারীরিক বৈশিষ্ট্যও বিবেচনায় নিতে হয়। অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। দাতা ও গ্রহীতার মাথার সিটি স্ক্যানের ভিত্তিতে বিশেষ কাটিং গাইড তৈরি করা হয়েছিল, যাতে রোডবগের মুখের হাড় হার্ডিসনের মুখের কাঠামোর সঙ্গে যথাসম্ভব নিখুঁতভাবে বসানো যায়। মুখের হাড়কে নির্দিষ্ট অবস্থানে ধরে রাখতে বিশেষ ধাতব প্লেট ও স্ক্রুও ব্যবহার করা হয়। অস্ত্রোপচার শেষ হওয়ার পর শুরু হয় আরও কঠিন পুনর্বাসন। হার্ডিসনকে নতুন মুখের মাধ্যমে কথা বলা, গিলতে পারা এবং বিভিন্ন মুখের পেশি ব্যবহার করার জন্য আবার প্রশিক্ষণ নিতে হয়। অস্ত্রোপচারের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি নতুন চোখের পাতা ব্যবহার করে পলক ফেলতে সক্ষম হন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কথা বলা ও শক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষমতাও ফিরে আসতে শুরু করে। প্রতিস্থাপনের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর একটি ছিল তার চোখ বন্ধ ও পলক ফেলার ক্ষমতা ফিরে পাওয়া। এর ফলে চোখ আর্দ্র রাখা ও পরিষ্কার করার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া পুনরায় কাজ করতে শুরু করে। পরবর্তীতে চিকিৎসকেরা জানান, এর মাধ্যমে তার দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল, তা আর আগের মতো ছিল না। এক বছর পর হার্ডিসন স্বাভাবিকভাবে চোখ বন্ধ করতে, বিভিন্ন মুখের অভিব্যক্তি তৈরি করতে এবং ব্যথা ছাড়াই খেতে পারছিলেন। তিনি গাড়ি চালানোর সক্ষমতাও ফিরে পান। হার্ডিসনের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপনের পর শরীর নতুন মুখের টিস্যু প্রত্যাখ্যান করবে কি না, সেটিও ছিল বড় উদ্বেগ। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অস্ত্রোপচারের প্রথম বছর তিনি বড় ধরনের প্রত্যাখ্যানজনিত জটিলতার মুখে পড়েননি। চিকিৎসকেরা মনে করেন, দাতার সঙ্গে ভালো টিস্যু মিল এবং বিশেষ ওষুধ ব্যবহারের কারণে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছিল। এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোনের তথ্য অনুযায়ী, এই অস্ত্রোপচার সে সময় পর্যন্ত করা সবচেয়ে বিস্তৃত মুখ প্রতিস্থাপন ছিল। একই সঙ্গে এটি ছিল প্রথমবারের মতো কোনো প্রথম সারির জরুরি সেবাকর্মীর মুখ প্রতিস্থাপন। মুখের পাশাপাশি চোখের পাতা, পলক ফেলার সঙ্গে যুক্ত পেশি, কান এবং নির্দিষ্ট মুখের হাড় প্রতিস্থাপন এই অস্ত্রোপচারকে বিশেষ করে তুলেছিল। হার্ডিসনের জন্য এই অস্ত্রোপচার শুধু চেহারা পরিবর্তনের বিষয় ছিল না। দুর্ঘটনার পর যে কাজগুলো তিনি বছরের পর বছর করতে পারেননি, সেগুলোর অনেকটাই আবার সম্ভব হয়। চোখ বন্ধ করে ঘুমানো, পরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে সময় কাটানো, গাড়ি চালানো এবং মানুষের সামনে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করার সুযোগ ফিরে আসে তার জীবনে। এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পরে তিনি পরিবারের সঙ্গে ছুটিতে গিয়ে সাঁতারও কাটেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে হার্ডিসনের ঘটনা মুখ প্রতিস্থাপনের সম্ভাবনাকে নতুন মাত্রা দেয়। একই সঙ্গে এটি দেখায়, অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত কীভাবে একজন মানুষের মৃত্যুর পর অন্য একজনের জীবনে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনতে পারে। ডেভিড রোডবগের পরিবার তার অঙ্গ ও মুখ দানের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় হার্ডিসন আবারও স্বাভাবিক জীবনের অনেকটা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পান। হার্ডিসনের অস্ত্রোপচারের পর মুখ প্রতিস্থাপন চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে আরও এগিয়েছে। তবে এটি এখনো অত্যন্ত জটিল ও বিরল চিকিৎসা পদ্ধতি। দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ সেবন, শরীরের প্রতিস্থাপিত টিস্যু প্রত্যাখ্যানের ঝুঁকি এবং দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এর সঙ্গে জড়িত। হার্ডিসনের ক্ষেত্রে সফল ফলাফল চিকিৎসকদের এই পদ্ধতি নিয়ে আরও গবেষণা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা দিয়েছে। সূত্র: এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোন হেলথ, নিউইয়র্ক।
চার বছর বয়স পর্যন্ত কথা বলতে পারেননি ফক্স রাইকার। ওই বয়সে তার অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসকেরা পরিবারকে জানিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে তিনি স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। কিন্তু সেই আশঙ্কাকে ভবিষ্যতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেয়নি তার পরিবার। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার বাসিন্দা ফক্সের শৈশব কেটেছে যোগাযোগ ও সামাজিক দক্ষতা শেখার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। তিনি চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়েছেন এবং প্রায় এক দশক বিভিন্ন ধরনের থেরাপি নিয়েছেন। তার নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, ছোটবেলায় কথোপকথন শুরু করা, অন্যের মুখের অভিব্যক্তি বোঝা এবং সামাজিক পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়, এসব বিষয় আলাদাভাবে অনুশীলন করতে হয়েছে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ফক্স শুধু যোগাযোগের দক্ষতাই অর্জন করেননি, একাডেমিক ক্ষেত্রেও নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দেন। সেন্ট জোসেফস ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সম্মানসহ পড়াশোনা শেষ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২২ সালে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক হন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অটিজম সহায়তা কর্মসূচির প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে চিকিৎসাবিদ্যায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান। স্নাতক শেষ করার পর ফক্স পেনসিলভানিয়ার পাওলি হাসপাতালে জরুরি বিভাগের প্রযুক্তিবিদ হিসেবে কাজ করেন। সেখানে গুরুতর অসুস্থ বা জরুরি অবস্থায় আসা রোগীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার চিকিৎসক হওয়ার আগ্রহকে আরও দৃঢ় করে। ২০২৩ সালে সিবিএস ফিলাডেলফিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফক্স জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকেরা একসময় মনে করেছিলেন তিনি হয়তো স্বাবলম্বীভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন না। কিন্তু হাসপাতালের সহকর্মীরা পরে তার কাজের প্রশংসা করেন। পাওলি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক স্টুয়ার্ট ব্রিল্যান্ট জানিয়েছিলেন, ফক্সকে দেখে কর্মক্ষেত্রে তার অটিজম বোঝার উপায় ছিল না। তিনি ফক্সকে পরিশ্রমী, দায়িত্বশীল ও সহানুভূতিশীল কর্মী হিসেবে বর্ণনা করেন। চিকিৎসাবিদ্যায় পড়ার সুযোগ পাওয়ার পরও ফক্স নিজের অটিজমের বিষয়টি আড়াল করেননি। বরং মেডিকেল স্কুলের আবেদনে তিনি বিষয়টি উল্লেখ করেন। তার মতে, এটি তার জীবনের একটি অংশ এবং অটিজমের সঙ্গে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে রোগীদের বুঝতে তাকে আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি দিতে পারে। বর্তমানে ফক্স ফিলাডেলফিয়া কলেজ অব অস্টিওপ্যাথিক মেডিসিনে চিকিৎসাবিদ্যা পড়ছেন। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত এক লেখায় তিনি নিজেই তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অটিজম তার জন্য শুধু একটি চ্যালেঞ্জ নয়, রোগীদের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে একটি ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতাও তৈরি করেছে। বিশেষ করে অটিজমে আক্রান্ত রোগীরা জরুরি বিভাগে এলে তাদের আচরণ ও প্রয়োজন বুঝতে নিজের অভিজ্ঞতা তাকে সহায়তা করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ফক্স আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগের কিছু বিষয় তার জন্য এখনো সচেতনভাবে পরিচালনা করতে হয়। চোখে চোখ রাখা, অন্যের অঙ্গভঙ্গি বোঝা কিংবা কথার অন্তর্নিহিত অর্থ ধরার মতো বিষয়গুলো তিনি দীর্ঘদিনের অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করেছেন। কখনো কখনো কোনো কথাকে আক্ষরিক অর্থে নেওয়ার কারণে ভুল বোঝাবুঝিও হতে পারে। তবে এসব অভিজ্ঞতাই তাকে অন্য মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও সচেতন করেছে। চিকিৎসাবিদ্যায় তার যাত্রা এখন শেষ পর্যায়ের দিকে। তার সাম্প্রতিক পেশাগত তথ্য অনুযায়ী, তিনি বর্তমানে চিকিৎসাবিদ্যার চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফক্সের গল্পটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের ঘটনা নয়, অটিজম নিয়ে প্রচলিত কিছু ধারণাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। অটিজমে আক্রান্ত প্রত্যেক ব্যক্তির সক্ষমতা, প্রয়োজন ও বিকাশের পথ এক নয়। তাই শৈশবের একটি নির্ণয় দিয়ে কোনো শিশুর ভবিষ্যৎ কতটা দূর যেতে পারবে, তা আগেভাগে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার অন্যতম উদ্দেশ্যও সেটিই বলে জানিয়েছেন ফক্স। তার মতে, অটিজম বা অন্য কোনো স্নায়ুবৈচিত্র্য একজন মানুষের পরিচয়ের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু সেটিই তার সক্ষমতার পুরো পরিচয় নয়। চিকিৎসক হওয়ার পথে এগিয়ে গিয়ে তিনি এখন এমন একটি পেশায় প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে নিজের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে রোগীদের আরও ভালোভাবে বুঝতে কাজে লাগাতে চান। চার বছর বয়সে যাকে নিয়ে স্বাবলম্বী জীবনযাপন সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, সেই ফক্স রাইকার এখন নিজের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের কাছাকাছি। তার যাত্রা দেখাচ্ছে, একটি শিশুর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা বা আশঙ্কা সবসময় তার শেষ পরিণতি নির্ধারণ করে না। সূত্র: ফক্স রাইকারের লেখা, ফিলাডেলফিয়া কলেজ অব অস্টিওপ্যাথিক মেডিসিন, সিবিএস ফিলাডেলফিয়া ও সেন্ট জোসেফস ইউনিভার্সিটি।
রাজনীতি
১১ দলের নেতারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচনা করে আমাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করেছেন: কর্নেল অলি
মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী, ঘোষণা বুধবার
তারেক রহমান–মোদি একসঙ্গে বসলে বাংলাদেশ-ভারতের অনেক সমস্যার সমাধান হবে: দীনেশ ত্রিবেদী
হাসিনাকে সেদিন ভারতে পৌঁছে দেন যারা, প্রকাশ্যে এলো নতুন তথ্য
ইসরায়েলকে রক্ষায় যথেষ্ট নৌবাহিনী নেই, পেন্টাগনকে মার্কিন জেনারেলের সতর্কবার্তা
ভারত সব রাজনৈতিক দলকে পকেটে পুরলেও জামায়াতকে পারেনি: ডা. শফিকুর রহমান
সিনেটে ফাউসিকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক: রিপাবলিকানদের প্রশ্নবাণ, অধিকাংশ প্রশ্নেই ‘ফিফথ অ্যামেন্ডমেন্ট’ ব্যবহার
ছাত্রশিবির ছাড়ার একদিন পরই জামায়াতে যোগ দিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম
ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিভার জামিন মঞ্জুর
‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’, যা জানাল ফ্যাক্টচেকার
Recommended news
মতামত
নাইমুল রাজ্জাক
বিশ্ব
View moreইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফে গরুর মাংসের নামে শূকরের মাংস বিক্রির দায়ে এক কসাইকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দেশটির সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল জানিয়েছে, ওই কসাইয়ের কাছ থেকে ৭৫ কেজি শূকরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছিল। তিনি মাংসটি গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করছিলেন বলে আদালতে বিষয়টি উঠে এসেছে। সোমবার নাজাফের ফৌজদারি আদালত ওই ব্যক্তিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। ইরাকের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানায়, মানবদেহের জন্য অনুপযোগী মাংস বিক্রির দায়ে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে। আদালত ১৯৯৮ সালের একটি আইনের আওতায় এই রায় দিয়েছেন। ওই আইনে কুকুর, গাধা কিংবা অন্য কোনো প্রাণীর এমন মাংস বিক্রি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা মানুষের খাওয়ার উপযোগী নয়। আদালতের রায়ে মূলত মাংসটি মানুষের খাদ্য হিসেবে অনুপযোগী হওয়ার বিষয়টিকেই আইনি ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে। ইরাকে শূকরের মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করার জন্য সরাসরি কোনো আইন নেই। দেশটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও সেখানে খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। তবে মুসলিমদের জন্য শূকরের মাংস খাওয়া ইসলামে নিষিদ্ধ হওয়ায় দেশটির সামাজিক ও ধর্মীয় বাস্তবতায় বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। নাজাফ ইরাকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নগরী। শহরটিতে শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থাপনা ইমাম আলীর মাজার অবস্থিত। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ মানুষ সেখানে ধর্মীয় সফরে আসেন। ফলে শহরের খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয়দের পাশাপাশি দর্শনার্থীদেরও উদ্বেগ রয়েছে। পুলিশ চলতি মাসে ওই কসাইকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার কাছে বিপুল পরিমাণ শূকরের মাংস পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, মাংসটি গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছিল। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ইরাকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজারে মাংসের উৎস যাচাইয়ের বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। আবার অনেকে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে রসিকতাও করেছেন এবং শূকরের ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। নাজাফের বাসিন্দা আহমেদ আল-মানসুরি বার্তা সংস্থা এএফপিকে রসিকতা করে বলেছেন, গত কয়েক বছরে তিনি গরু বা খাসির মাংসের চেয়ে বেশি শূকরের মাংস খেয়ে থাকতে পারেন। তিনি জানান, নিয়মিত যে কসাইয়ের কাছ থেকে মাংস কিনতেন, সেখান থেকেই তিনি প্রতারিত হয়েছেন। মানসুরির ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় তিনি ওই দোকান থেকে এক কেজি কিমা করা মাংস কিনেছিলেন। মাংসটির মান ভালো এবং বাজারদরের তুলনায় দাম কম হওয়ায় তিনি সেটিকে গরুর মাংস হিসেবেই ধরে নিয়েছিলেন। মাংস পছন্দ হওয়ায় তিনি পরে ওই কসাইয়ের দোকানে আরও নিয়মিত যাতায়াত শুরু করেন। পরে কসাইকে শূকরের মাংস বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার করার খবর পেয়ে তিনি ও অন্য ক্রেতারা বিস্মিত হন। মানসুরি বলেন, তারা এতদিন যে মাংস কিনেছেন, সেটি আসলে কী ছিল তা জানতে পেরে বিষয়টি তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। ঘটনাটি খাদ্য বিক্রির ক্ষেত্রে পণ্যের পরিচয় ও মান নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বও সামনে এনেছে। বিশেষ করে গরু, খাসি বা অন্যান্য মাংসের নামে ভিন্ন প্রাণীর মাংস বিক্রি করা হলে তা শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয় নয়, ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা এবং খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নও তৈরি করে। ইরাকি আদালতের এই রায় এমন এক সময়ে এলো, যখন নাজাফে ধর্মীয় পর্যটন ও তীর্থযাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। শহরের খাবারের বাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মানুষেরও নির্ভরতা রয়েছে। তাই খাদ্যপণ্যের উৎস ও মান নিয়ে আস্থা বজায় রাখা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: দ্য নিউ আরব ও এএফপি।
পৃথিবী থেকে বহু দূরে থাকা বুধ গ্রহের একটি গর্তের নাম রাখা হয়েছে বাংলাদেশের কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী ও শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নামে। আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা (আইএইউ) ২০০৯ সালে বুধের ওই গর্তটির নাম দেয় ‘আবেদিন’। ফলে মহাকাশের মানচিত্রেও স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের এই মহান শিল্পীর নাম। বুধ গ্রহে এখন পর্যন্ত ৭৬৩টি গর্ত বা ক্রেটার শনাক্ত করা হয়েছে। এসব গর্তের অনেকগুলোর নাম রাখা হয়েছে বিশ্বের বিখ্যাত শিল্পী, সংগীতজ্ঞ ও লেখকদের সম্মানে। এর মধ্যে রয়েছে ইয়েটস, বাখ, বালজাক, বিটোফেন ও পাবলো নেরুদার মতো বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিদের নাম। সেই তালিকায় বাংলাদেশের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নামও যুক্ত হয়েছে। জয়নুল আবেদিন বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ। বিশেষ করে ১৯৪০-এর দশকের দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা নিয়ে আঁকা তাঁর চিত্রকর্মগুলো তাঁকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করে তোলে। বাংলাদেশের আধুনিক শিল্প আন্দোলনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে তাঁকে ‘বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার জনক’ বলা হয়। ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের কাছাকাছি এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন জয়নুল আবেদিন। ১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকায় তৎকালীন সরকারি আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট নামে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে ‘সংগ্রাম’ ও ‘দুর্ভিক্ষ ১৯৪৩’। বুধের ‘আবেদিন’ নামের এই গর্তটি নাসার মেসেঞ্জার মহাকাশযানের অভিযানে শনাক্ত ও ছবি তোলা হয়। নাসার তথ্য অনুযায়ী, বুধের উত্তরাঞ্চলের উচ্চ অক্ষাংশে অবস্থিত এই গর্তটির নাম বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিনের সম্মানে রাখা হয়েছে। গর্তটিতে মসৃণ তলদেশ, দেয়ালের ধাপ এবং মাঝখানে শৃঙ্গের মতো একটি কাঠামো রয়েছে। নাসার ফটোজার্নাল অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ৬ অক্টোবর মার্কারি ডুয়াল ইমেজিং সিস্টেমের (এমডিআইএস) ন্যারো অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা দিয়ে ‘আবেদিন’ ক্রেটারের ছবি তোলা হয়। গর্তটির ব্যাস প্রায় ১১০ কিলোমিটার এবং ছবি তোলার সময় মহাকাশযানটি বুধের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২২ হাজার ৮০০ কিলোমিটার উচ্চতায় ছিল। নাসা জানিয়েছে, বুধের পুরো গ্রহের একটি মোজাইক ছবিতে ‘আবেদিন’ ক্রেটারটি ওপরের দিকে দেখা যায়। এর কাছেই রয়েছে একটি দর্শনীয় রশ্মিযুক্ত গর্ত। এভাবেই পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নাম পৌঁছে গেছে সৌরজগতের একটি গ্রহের বুকে।
মৃত্যু যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, তখনও নিজের জন্য নয়—ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক জিওন গিয়ং-চেওল। লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের কাছ থেকে মাত্র ছয় মাসের আয়ুর কথা শোনার পর তার একমাত্র চিন্তা হয়ে ওঠে, তিনি না থাকলে গুরুতর অটিজমে আক্রান্ত ছেলে জেওন কীভাবে বাঁচবে। জিওন দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ছেলেকে একাই বড় করেছেন। ২৬ বছর বয়সী জেওনের ২০০৭ সালে গুরুতর অটিজমের শনাক্তকরণ হয়। ছেলের স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করা সম্ভব নয়—তাই নিজের মৃত্যুর পর তার জন্য এমন একটি জায়গা খুঁজতে শুরু করেন, যেখানে দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদে থাকা ও প্রয়োজনীয় যত্ন পাওয়া সম্ভব। এই খোঁজ সহজ ছিল না। জিওন দক্ষিণ কোরিয়াজুড়ে প্রায় ১ হাজার আবাসিক ও সেবাকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং অনেক জায়গা নিজেও ঘুরে দেখেন। কিন্তু গুরুতর প্রতিবন্ধকতা, প্রয়োজনীয় কর্মী ও যত্নের সীমাবদ্ধতার কারণে তার ছেলেকে গ্রহণ করতে রাজি হয়নি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান। কোথাও ভর্তি হওয়ার পরও পরে তাকে বের হয়ে আসতে হয়েছে। তবু থামেননি জিওন। নিজের অভিজ্ঞতা ও ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে লড়াইয়ের গল্প তিনি অনলাইন লেখালেখির প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করতে শুরু করেন। পরে তার গল্প বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে উঠে আসে। প্রকাশিত হয় তার লেখা বই ‘হ্যালো, পিটার প্যান’। গল্পটি ছড়িয়ে পড়ার পর মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থনও আসে; প্রায় ২ হাজারটি সমর্থনমূলক মন্তব্যের পাশাপাশি প্রায় ৮ কোটি কোরিয়ান ওন অনুদান দেওয়া হয় বলে ইয়নহাপ জানিয়েছে। শেষ পর্যন্ত জেওনের জন্য ৩৬৫ দিন যত্ন নেওয়ার সুবিধা থাকা একটি কমিউনিটি আবাসনের ব্যবস্থা হয়। গুরুতর বিকাশগত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য তৈরি ওই আবাসনেই জেওন থাকতে শুরু করেন। ছেলের জন্য একটি নিরাপদ জায়গা নিশ্চিত হওয়ার পর জিওনের নিজের চিকিৎসাজীবনও শেষের দিকে এগিয়ে যায়। জিওনকে চিকিৎসকেরা প্রাথমিকভাবে প্রায় ছয় মাসের আয়ুর কথা বলেছিলেন। কিন্তু তিনি সেই সময়ের চেয়ে প্রায় এক বছর বেশি বেঁচে ছিলেন। ২০২৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৫৬ মিনিটে ৬৩ বছর বয়সে তিনি মারা যান বলে ইয়নহাপ জানিয়েছে। মৃত্যুর আগ পর্যন্তও তিনি শুধু নিজের ছেলের কথা ভাবেননি; গুরুতর অটিজমে আক্রান্ত অন্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি কল্যাণ ফাউন্ডেশন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তার এই গল্প এখন দক্ষিণ কোরিয়ায় গুরুতর বিকাশগত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি যত্ন ও তাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। একজন বাবা নিজের জীবনের শেষ সময়টুকু ব্যবহার করেছেন এমন একটি নিশ্চয়তা তৈরি করতে, যাতে তার অনুপস্থিতিতেও ছেলে একা হয়ে না পড়ে। সূত্র: ইয়নহাপ, কোরিয়া হেরাল্ড, চোসুনবিজ, এসবিএস, এমবিসি।
ভারতে এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এক নারী, কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ভবিষ্যতে ওই ব্যক্তির চাকরি কেড়ে নিতে পারে বলে তার আশঙ্কা। ম্যাচমেকার ও ডেটিং কোচ ওএন্দ্রিলা কাপুরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও ঘিরে ঘটনাটি আলোচনায় এসেছে। কাপুরের দাবি, ওই নারী তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে এআইয়ের কারণে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি অনিশ্চিত। বিষয়টি ভারতের বিয়ের বাজারে পেশা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। কাপুর জানান, ভারতীয় ম্যাচমেকিংয়ে দীর্ঘদিন ধরে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা পছন্দের পাত্রদের তালিকায় ওপরের দিকে ছিলেন। ভালো বেতন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজের সুযোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রে কাজ বা ভিসার সম্ভাবনার কারণে অনেক পরিবার এই পেশার পাত্রদের বাড়তি গুরুত্ব দিত। কিন্তু প্রযুক্তি খাতে একের পর এক ছাঁটাই এবং এআইয়ের দ্রুত বিস্তারের খবরের মধ্যে কিছু মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে বলে তিনি মনে করেন। এবার সেই পরিবর্তনেরই একটি উদাহরণ হিসেবে ওই নারীর সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। কাপুরের ৫ সেপ্টেম্বরের পোস্টে বলা হয়, ওই নারী তাকে জানিয়েছিলেন, তিনি কোনো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করবেন না, কারণ এআই তার চাকরি নিয়ে নিতে পারে। কাপুর বলেন, ম্যাচমেকার হিসেবে তিনি নানা ধরনের পছন্দ ও শর্ত শুনেছেন, তবে এই কারণটি তাকে বিশেষভাবে ভাবিয়েছে। তার প্রশ্ন, এআইয়ের পরিবর্তনের প্রভাব থেকে আসলে কোন পেশা পুরোপুরি নিরাপদ? কাপুরের মতে, এআইয়ের প্রভাব এখন শুধু প্রযুক্তি খাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ফাইন্যান্স, ডিজাইন, কনসাল্টিং, আইন, হেলথকেয়ারসহ বিভিন্ন পেশায় প্রযুক্তিটির ব্যবহার বাড়ছে। ফলে শুধু বর্তমান পেশার নাম দেখে ভবিষ্যতের চাকরির নিরাপত্তা বিচার করলে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। তার বক্তব্য, একজন মানুষকে বিয়ের ক্ষেত্রে আগামী ৪০ বছরের জন্য একটি নির্দিষ্ট চাকরি বেছে নেওয়া হচ্ছে না, বরং এমন একজন সঙ্গী বেছে নেওয়া হচ্ছে, যিনি সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন। কাপুর আরও বলেন, চাকরির পদবি বা পেশা সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে পারে। কোনো কোম্পানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, কোনো শিল্পে পরিবর্তন আসতে পারে, আবার নতুন প্রযুক্তির কারণে কাজের ধরনও পাল্টে যেতে পারে। তাই বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু পেশার স্থায়িত্বকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে দেখলে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটি ভুল নিরাপত্তাবোধ তৈরি হতে পারে। তার মতে, কঠোর পরিশ্রম, মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা, আর্থিক দায়িত্বশীলতা এবং অনিশ্চিত পরিস্থিতি সামলানোর দক্ষতা একজন জীবনসঙ্গীর ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কাপুরের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ মনে করছেন, বিয়ের ক্ষেত্রে আর্থিক স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ওই নারীর উদ্বেগ পুরোপুরি অযৌক্তিক নয়। অন্যদিকে অনেকে মনে করছেন, একটি নির্দিষ্ট পেশাকে এআইয়ের কারণে ভবিষ্যৎ অনিরাপদ ধরে নিয়ে পুরো পেশার মানুষকে বিয়ের জন্য অযোগ্য ভাবা ঠিক নয়। আলোচনায় উঠে এসেছে, প্রযুক্তির পরিবর্তন যখন প্রায় সব খাতেই প্রভাব ফেলছে, তখন জীবনসঙ্গী নির্বাচনে বর্তমান চাকরির পাশাপাশি ব্যক্তির দক্ষতা, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং আর্থিক দায়িত্বশীলতাও বিবেচনা করা উচিত। তবে ঘটনাটি কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা বা বড় পরিসরের জরিপের ফল নয়। এটি কাপুরের সঙ্গে কথা বলা এক নারীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বর্ণনা, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এআই ভবিষ্যতে বিভিন্ন পেশার কর্মসংস্থানে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চললেও এই একটি ঘটনার ভিত্তিতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনো সার্বিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
Follow us
Trending
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
ইরানের খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের দাবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এআই-নির্মিত ভিডিও পোস্ট
‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ বাদ দিয়ে কাশ্মীর দখলে স্লোগান দেওয়া উচিত: শুভেন্দু
গাজায় হামাসবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীকে শেল্টার দিয়ে কাজে লাগাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখলে চীন-ভারতসহ দেশগুলোকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
হামাসের নিরস্ত্রীকরণ বাস্তবায়নের আহ্বানে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত সৌদি-ফ্রান্সের
সাধারণ পেট ফাঁপা ভেবে এড়িয়ে গিয়েছিলেন, সিটি স্ক্যানে ধরা পড়ল স্টেজ ৪ ক্যানসার
ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি আমেরিকানদের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে! গবেষণায় নতুন তথ্য
নখের ক্ষুদ্র সংক্রমণ দেখে নবজাতকের মস্তিষ্কে ক্যানসার শনাক্ত, বাঁচাতে তিনবার অস্ত্রোপচার
মানুষের শরীরে রেকর্ড ২৭১ দিন কাজ করল শূকরের কিডনি, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস
হাঁটবে কিনা ছিল অনিশ্চিত, বিরল রোগের সঙ্গে লড়াই করে পায়ে দাঁড়াল শিশু
মাতৃত্ব বাধা নয়, শক্তি: পরীক্ষার পুরো সময় ছাত্রীর সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা নিলেন শিক্ষক
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গুগলের নতুন অফার, মিলবে ৪০০ জিবি স্টোরেজ ও এআই সুবিধা
চীনে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা: নিরাপদ পরিবেশ, আধুনিক প্রযুক্তি ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনের অনন্য সমন্বয়
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ পেলেন ঢাবি ছাত্র সীমান্ত
র্যাগিংয়ের ভিডিও ধারণ করায় প্রক্টরের সামনেই সাংবাদিক ও রাকসু নেতাদের মারধরের অভিযোগ
মর্টগেজ রেট বাড়ার শঙ্কা, বাড়ি কিনতে গিয়ে বাড়তি চাপে পরবেন ক্রেতারা
পেনসিলভানিয়ায় দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে বাংলাদেশি আবুল কালাম নিহত
পেনসিলভানিয়ায় দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে বাংলাদেশি আবুল কালাম নিহত
নারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের মুখ হারান প্যাট্রিক, ১৪ বছর পর পেলেন নতুন চেহারা
করোনাকালীন ঋণ জালিয়াতির সন্দেহে ৮ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে সরকারি ঋণ থেকে নিষিদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র
“আপনার ভিসা অনুমোদন হয়েছে” - ইংরেজি না জানা বাংলাদেশি শিশুর নিউইয়র্কে জীবন বদলের গল্প
বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ–নেদারল্যান্ডসের নতুন সহযোগিতার অঙ্গীকার
ফ্লোরিডার প্রাইমারি নির্বাচন ঘিরে গভর্নর ও সিনেট মনোনয়নে তীব্র লড়াই
যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের কর্মীদের জন্য ভিসাভিত্তিক নিয়ম ঘোষণা
প্রথম রাতে সংঘবদ্ধ লুটের ঘটনায় পুলিশ ছবি প্রকাশ করতেই দ্বিতীয় রাতেও সংঘবদ্ধ লুটপাট
ওজন কমানোর ইনজেকশনে বদলাচ্ছে খাবারের অভ্যাস, ব্যবসা হারাচ্ছে রেস্তোরাঁ
বামহাতিদের জন্য নয় আইফোন ডুও, নকশা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন ও বিতর্ক
‘ভালো ঘুম’ দেখালেও আসলে তা নাও হতে পারে, ট্র্যাকার নিয়ে গবেষণায় সতর্কতা
সিজারিয়ান প্রসবের সাত স্তর, মিস ওয়ার্ল্ডের গাউনে ফুটে উঠল মায়েদের জীবনের গল্প
যুক্তরাষ্ট্রে অনেক বাংলাদেশির বাসায় ডিশওয়াশার আছে, তবু ব্যবহার করেন না; অজান্তেই নষ্ট করছেন সময়, পানি ও শ্রম
বিদায়ের বার্তা দিয়েছিলেন আগেই, ইরানি ব্লগারের মৃ ত্যু দ ণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য
বিমান ছাড়তে ৩০ মিনিট, হারাল ৩ লাখ রুপি—৩৫ মিনিটে ব্যাগ উদ্ধার করে সুনাম কুড়াল দিল্লি পুলিশ
সৌদি আরবে ১১ কোটি টন ইউরেনিয়ামসমৃদ্ধ আকরিক, বড় খনিজ সম্পদের সন্ধান
২০ বছর ধরে স্ত্রীর অজান্তে গুরুতর নি র্যাতনের অভিযোগ, ষাটোর্ধ্ব স্বামীর আদালতে স্বীকারোক্তি
১১ বছর কেমোথেরাপির পর জানলেন মস্তিষ্কে কখনো ক্যানসারই ছিল না
প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েও ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান ছাত্রদলের তাহসিনের
ডাকসুর সংগ্রহশালায় ‘গো লাম আযমকে জু তাপে টার ছবি’ টানিয়ে প্রতিবাদ জানাল ছাত্র ফেডারেশন
নির্বাচনে হেরেও রাখলেন প্রতিশ্রুতি, রাবিতে ৭২৫টি গাছ দিলেন আরিফ
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাঁধনের বার্তা, ‘দলকানা না হয়ে পরিবারের কথা ভাবুন’