Live update news
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী আটক | ছবি: এনএসটিপি
মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বিশাল ক্র্যাকডাউন, বাংলাদেশিসহ আটক ২৭০

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ২৭০ জন অভিবাসী কর্মীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। আটকদের বিরুদ্ধে ভিসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এই বড় ধরনের পদক্ষেপে সেলাঙ্গর এলাকার প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।   সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-পরিচালক মোহদ খুসাইরি কামারুদ্দিন জানান, ২৪ জুন সকাল ৮টার দিকে শুরু হওয়া অভিযানের প্রথম ধাপে মেরু এলাকার একটি প্লাস্টিক কারখানায় ৬৬ জন শ্রমিককে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে প্রাথমিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ জনকে ইমিগ্রেশন আইন ভঙ্গের সন্দেহে আটক করা হয়। মূলত পাসের অপব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন মালয়েশিয়ায় অবস্থান করার কারণে তাঁদের আটক করা হয়েছে।   এরপর অভিযানের দ্বিতীয় ধাপে তেলোক গংয়ের একটি বড় আসবাবপত্র তৈরীর কারখানায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে কর্মরত মোট ৫২০ জন বিদেশি শ্রমিকের নথিপত্র পরীক্ষা করে ২৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। এই ২৫২ জনের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করা, সরকারের অনুমোদিত খাতের বাইরে গিয়ে কাজ করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পাস বা পাসপোর্ট নিয়ে অবৈধভাবে দেশটিতে অবস্থানের অভিযোগ রয়েছে।   অভিযান চলাকালে কারখানাগুলোতে এক নাটকীয় ও থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেফতার এড়াতে অনেক বিদেশি শ্রমিক কারখানার বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে পড়েন, আবার কেউ কেউ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলায় তাঁদের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়ে যায়।   কর্মকর্তারা জানান, তেলোক গংয়ের কারখানায় এক বাংলাদেশি শ্রমিক ধরা পড়ার ভয়ে একটি বর্জ্যবাহী কনটেইনারের ভেতরে থাকা ময়লার স্তূপের আড়ালে গিয়ে নিজেকে আত্মগোপন করেছিলেন। তবে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশির একপর্যায়ে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে সেখান থেকে খুঁজে বের করে। এছাড়া আরও কয়েকজন বিদেশি শ্রমিক কাঠ কাটার মেশিন ও কারখানার বড় বড় বাক্সের পেছনে আশ্রয় নিয়েও শেষ রক্ষা পাননি।   মোহদ খুসাইরি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শ্রমিকরা বৈধ পাসের অপব্যবহার করেছেন। কিছু ব্যক্তি অভিযানের সময় নিজেদের বৈধ দাবি করলেও ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, বিদেশি শ্রমিক নিয়োগকারী মালয়েশিয়ান মালিকদের অবশ্যই শ্রমিকদের বৈধতা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস বা পিএলকেএস অনুমোদিত খাত ও নির্ধারিত কর্মস্থলেই ব্যবহার হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্বও নিয়োগকর্তার।   আটককৃত সকল বিদেশি নাগরিককে বর্তমানে ইমিগ্রেশন হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দেশটির প্রচলিত ইমিগ্রেশন আইনের আওতায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট ধারায় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ নিশ্চিত করেছে।

১০ মিনিট Ago
এপস্টেইনের ছবিতে মুখ ঢাকা নারীর পাশে বিল গেটস।
তিন নারীর সঙ্গে পরকীয়ার কথা স্বীকার করলেন বিল গেটস

মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস তিন নারীর সঙ্গে তাঁর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা পরকীয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছেন। সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন কংগ্রেসে কুখ্যাত দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন-সংক্রান্ত এক তদন্তে দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য দেন। মার্কিন আইনপ্রণেতাদের দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর বিল গেটসের দেওয়া এই জবানবন্দির গোপনীয় নথিটি সম্প্রতি জনসমক্ষে প্রকাশিত হয়েছে।   প্রকাশিত সাক্ষ্যের প্রতিলিপি অনুযায়ী, গত ১০ জুন অনুষ্ঠিত এক দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে বিল গেটস প্রথমে দুই রুশ নারীর সঙ্গে তাঁর গোপন সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন ব্রিজ খেলোয়াড় মিলা আন্তোনোভা এবং অন্যজন পারমাণবিক পদার্থবিদ কারিমা নিগমাতুলিনা। পরবর্তীতে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একের পর এক কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়ে তিনি আরও এক নারী বিজ্ঞানীর সঙ্গেও সম্পর্কের কথা মেনে নেন। ড. অ্যালিস জ্যাকবস নেসেলরট নামের ওই নারী একজন নামকরা চিকিৎসা-উদ্যোক্তা।   বিশ্বের একসময়কার শীর্ষ ধনী এই ব্যবসায়ী বরাবরই দাবি করে আসছেন যে, তিনি দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের কোনো যৌন নির্যাতন বা অপরাধ নিজে প্রত্যক্ষ করেননি। এপস্টেইনের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সময় কাটানোকে তিনি অতীতেও ‘একটি বড় ভুল’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। কংগ্রেস সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে গেটস আবারও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব ধরনের যৌন অসদাচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, এপস্টেইনের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় অজান্তেই তিনি নির্যাতনের শিকার কোনো ব্যক্তির উপস্থিতিতে থেকে থাকতে পারেন, কারণ এপস্টেইনের সঙ্গে যুক্ত কিছু নারী ও কিশোরী তাঁর প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন।   সাক্ষ্য চলাকালীন বিল গেটস একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য শেয়ার করে বলেন, অতীতে তাঁর মনে এক ধরনের গভীর আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে কোনো এক নারীর মাধ্যমে তিনি হয়তো যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। এই উদ্বেগের বিষয়টি নিয়ে তিনি সে সময় এপস্টেইন এবং তাঁর পরিচিত এক বন্ধুর সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। গেটস জানান, ওই দুই রুশ নারীর সাথে তাঁর অবিশ্বস্ততা বা পরকীয়ার কথা জানার পর এপস্টেইন মূলত সেই তথ্য ব্যবহার করে তাঁকে ব্ল্যাকমেইল বা ব্ল্যাকমেইলিং করার পরিকল্পনা করেছিলেন।   কংগ্রেসের নথিতে দেখা যায়, ২০১৩ সালের একটি গোপন ই-মেইলে এপস্টেইন সরাসরি ড. অ্যালিস জ্যাকবস নেসেলরটের নাম উল্লেখ করেছিলেন। আইনপ্রণেতারা সেই ই-মেইলটি বিল গেটসের সামনে প্রদর্শন করার পর তিনি বাধ্য হয়ে ওই নারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এপস্টেইন তাঁকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করলেও কখনো সফলভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে পারেননি। ২০১১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে মোট ১২ থেকে ১৪ বার সশরীরে সাক্ষাৎ করেছেন এবং দুবার স্কাইপ ভিডিও কলে কথা বলেছেন।   গেটস দাবি করেন, এসব বৈঠকের বেশিরভাগই মূলত দাতব্য কার্যক্রম ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করার জন্য হয়েছিল। ২০১১ সালে এপস্টেইনের পূর্ববর্তী যৌন অপরাধের দণ্ড সম্পর্কে জানার পরও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতে বড় অনুদান সংগ্রহের আশায় তিনি সীমিত পরিসরে যোগাযোগ রেখেছিলেন। তবে পরবর্তীতে কোনো প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় ২০১৪ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করেন। ২০১৯ সালে কারাগারে মারা যাওয়া এপস্টেইনকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত বছর থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রকাশ শুরু করার পর থেকেই বিল গেটসের এই পুরোনো অধ্যায় নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।   সূত্র: টেলিগ্রাফ

৩৮ মিনিট Ago
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন | ছবি: সংগৃহীত
পারমাণবিক বোমার কারণেই রক্ষা পাচ্ছে পৃথিবী, বিশ্বযুদ্ধ ঠেকানো নিয়ে রাশিয়ার বড় দাবি

পারমাণবিক অস্ত্রই বিশ্বকে আরেকটি বৈশ্বিক বা মহাযুদ্ধে জড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করার একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধক বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। নতুন করে বহুদেশীয় পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এমন বিস্ফোরক দাবি করা হলো। বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যখন ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে, তখন রাশিয়ার এই অবস্থান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।   রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান সর্বশেষ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই পারমাণবিক শক্তির ওপর এত বছর ধরে থাকা বিভিন্ন আইনি সীমাবদ্ধতাও কার্যত উঠে গেছে। এখন পর্যন্ত চুক্তিটি নবায়ন বা এর বিকল্প কোনো নতুন সমঝোতা করার বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। যদিও উভয় দেশই উচ্চপর্যায়ের সামরিক সংলাপ পুনরায় শুরু করতে সম্মত হয়েছে।   মস্কোয় আয়োজিত এক পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক আন্তর্জাতিক ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধীরে ধীরে চরমভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। বাস্তবে পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা ছাড়া এখন পৃথিবীতে আমাদের আর কোনো বড় শক্তি অবশিষ্ট নেই। এটিই একমাত্র মূল বিষয়, যা এখনো পুরো বিশ্বকে একটি বিধ্বংসী বিশ্বযুদ্ধ থেকে রক্ষা করে চলেছে।   পেসকভ আরও উল্লেখ করেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কিছু নতুন ধরনের অ-পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি হবে, যার ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা পারমাণবিক অস্ত্রের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ইউক্রেনে চার বছরের সামরিক অভিযান চলাকালীন একাধিকবার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ কারণে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র বারবার রাশিয়ার বিরুদ্ধে দায়িত্বজ্ঞানহীন পারমাণবিক হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে আসছে।   এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন একটি পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন, যেখানে শুধু রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং চীনকেও অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো প্রস্তাব রয়েছে। যদিও চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দ্রুত বাড়ছে, তবে তা এখনো রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক ছোট। আর সে কারণেই বেইজিং প্রকাশ্যেই ওয়াশিংটনের এমন চাপ ও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।   অন্যদিকে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানানো হয়েছে যে, যদি চীনকে নতুন কোনো চুক্তির আওতায় আনা হয়, তাহলে মার্কিন পারমাণবিক মিত্র যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকেও সেই আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার ফলে কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন সীমিত করার কোনো কার্যকর আন্তর্জাতিক চুক্তি বর্তমানে বিশ্বে বলবৎ নেই।   ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত ‘নিউ স্টার্ট’ ছিল স্নায়ুযুদ্ধ-পরবর্তী যুগে টিকে থাকা সর্বশেষ বড় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি। এর আওতায় রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি মোতায়েনকৃত পারমাণবিক ওয়ারহেড রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিকবার চুক্তির শর্ত যথাযথভাবে না মানার অভিযোগ তুলেছিল।   সূত্র: এনডিটিভি

৪৩ মিনিট Ago
ফোবানা ২০২৬-এর সদস্য নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ জুন।
ফোবানা ২০২৬: সংগঠন নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ জুন, সদস্য সংগঠনগুলোর প্রতি জরুরি আহ্বান

উত্তর আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৃহত্তম সম্মেলন ফোবানা ২০২৬ এ অংশগ্রহণে আগ্রহী সদস্য সংগঠনগুলোর নিবন্ধনের শেষ সময় আগামী ৩০ জুন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফোবানার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ।   খালেদ রউফ বলেন, ৪০তম ফোবানা কনভেনশনকে সফল ও অংশগ্রহণমূলক করতে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং কানাডার সদস্য সংগঠনগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য যেসব সংগঠন এখনো নিবন্ধন সম্পন্ন করেনি, তাদের দ্রুত নিবন্ধন করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।   তিনি জানান, সংগঠন নিবন্ধনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে আগ্রহীদের কালচারাল মেম্বারশিপ নবায়ন, হাউস রেজিস্ট্রেশন এবং নির্ধারিত সাংস্কৃতিক স্লট নিশ্চিত করার প্রক্রিয়াও চলছে।   ফোবানার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি বলেন, সময়মতো নিবন্ধন সম্পন্ন করলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো কনভেনশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, প্রতিনিধিত্ব এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে।   তিনি আরও জানান, ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানার ৪০তম কনভেনশনকে ঘিরে প্রস্তুতি ভালোভাবে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে নিবন্ধন, হোটেল বুকিং, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন কমিউনিটি কার্যক্রমের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।   আগামী ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ইউনিভার্সাল সিটির হিলটন লস অ্যাঞ্জেলেস/ইউনিভার্সাল সিটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনব্যাপী এই কনভেনশন। এতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।   খালেদ রউফ বলেন, “ফোবানা শুধু একটি কনভেনশন নয়, এটি উত্তর আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে সংযোগ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। তাই সকল সদস্য সংগঠনকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

৫৮ মিনিট Ago
ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা
যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব আবেদন ফি বাড়ানোর প্রস্তাব, খরচ বাড়তে পারে ৫৭০ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসীদের নাগরিকত্ব অর্জনের প্রক্রিয়া আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। দেশটির প্রশাসন নাগরিকত্ব আবেদন ফি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, যা কার্যকর হলে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত কয়েকশ ডলার ব্যয় করতে হবে।   মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (USCIS) প্রস্তাবিত বিধিমালায় জানিয়েছে, নাগরিকত্বের জন্য ব্যবহৃত এন-৪০০ (N-400) ফরম কাগজে জমা দিলে আবেদন ফি বর্তমান ৭৬০ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৩৩০ ডলার হবে। অনলাইনে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ফি ৭১০ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ২৮০ ডলার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।   এতে নাগরিকত্ব আবেদনকারীদের ব্যয় গড়ে প্রায় ৫৭০ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে।   প্রস্তাবে নিম্ন আয়ের আবেদনকারীদের জন্য বিদ্যমান ফি মওকুফ এবং ফি কমানোর সুবিধা বাতিলের কথাও বলা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের জন্য এ সুবিধা বহাল থাকবে।   তবে এ পরিবর্তন এখনই কার্যকর হচ্ছে না। এটি একটি প্রস্তাবিত বিধিমালা, যা বাস্তবায়নের আগে জনমত গ্রহণ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।   প্রশাসনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, নাগরিকত্ব আবেদন যাচাই, নিরাপত্তা পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ব্যয়ের পূর্ণ অর্থ জোগান দিতেই ফি বাড়ানোর প্রয়োজন হয়েছে।   অন্যদিকে অভিবাসন অধিকারকর্মী ও সমালোচকদের দাবি, প্রস্তাবটি কার্যকর হলে বৈধ অভিবাসীদের জন্য নাগরিকত্ব অর্জন আরও কঠিন হয়ে উঠবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের আবেদনকারীরা সবচেয়ে বেশি চাপে পড়তে পারেন।   অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব আবেদন ফি তুলনামূলকভাবে এমন পর্যায়ে রাখা হয়েছিল যাতে বৈধ স্থায়ী বাসিন্দারা নাগরিকত্ব গ্রহণে উৎসাহিত হন। নতুন প্রস্তাব সেই নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মনে করছেন।   বিশ্লেষকদের মতে, অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরোপের সাম্প্রতিক ধারাবাহিকতার মধ্যেই এই উদ্যোগ এসেছে। ফলে বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়ে চলমান রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও উসকে দিতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৪, ২০২৬ ১০:৪৬
ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী আবের কাওয়াস | ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকায় ইতিহাস গড়লেন ফিলিস্তিনি মুসলিম নারী, নিউইয়র্কে আবের কাওয়াসের ঐতিহাসিক জয়

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক বাছাই বা প্রাইমারি রেসে এক ঐতিহাসিক জয় লাভ করেছেন ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী আবের কাওয়াস। কুইন্সের এই নির্বাচনে তিনি ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট আদর্শ এবং গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তহবিল বন্ধ করার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছিলেন। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে প্রথম ফিলিস্তিনি মুসলিম নারী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এক নতুন রেকর্ড গড়লেন।   নিউইয়র্কের বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির সরাসরি সমর্থন ও জোরালো প্রচারণার পর আবের কাওয়াস এই গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক নির্বাচনে জয়ী হতে সক্ষম হন। নিউইয়র্কে ফিলিস্তিনি অভিবাসী দম্পতির ঘরে জন্ম ও বেড়ে ওঠা কাওয়াস তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান অভিবাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং নিউইয়র্কের তীব্র আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট মোকাবিলার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছিলেন। মেয়রের তিন প্রধান প্রাইমারি জয়ের ধারাবাহিকতায় এই জয় ডেমোক্রেটিক পার্টিকে সমাজতান্ত্রিক ধারায় রূপান্তরের চেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করেছে।   নির্বাচনী জয়ের পর কাওয়াসের রাজনৈতিক অবস্থান ও তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট নিয়ে ইতিমধ্যে মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। তিনি তাঁর ওয়েবসাইটে মেয়র জোহরান মামদানির সাথে যৌথভাবে শুরু করা ‘নট অন আওয়ার ডাইম’ নামক একটি বিশেষ প্রচারণার নেপথ্য ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। এই প্রচারণার মূল লক্ষ্য হলো নিউইয়র্কে নিবন্ধিত বা অবস্থিত কোনো সংস্থা বা চ্যারিটি যাতে ইসরায়েলকে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দিতে না পারে, তা সম্পূর্ণ বন্ধ করা।   এই প্রচারণার মূল স্লোগান হলো ‘ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধে নিউইয়র্কের তহবিল বন্ধ করো’। তাঁদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, নিউইয়র্ক স্টেট মূলত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন এবং রাষ্ট্রীয় সহিংসতাকে ভর্তুকি দিয়ে সহায়তা করছে। কাওয়াসের ওয়েবসাইটে পশ্চিম তীর এবং গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযানকে ‘গণহত্যার কৌশল’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যার উল্লেখ থাকলেও সেখানে ৭ অক্টোবরের ঘটনার কোনো উল্লেখ করা হয়নি।   এই রাজনৈতিক প্রচারণার সাথে সম্পর্কিত একটি নতুন বিল প্রস্তাব করা হয়েছে, যা নিউইয়র্কের অলাভজনক বা চ্যারিটি সংস্থার আইন সংশোধন করার দাবি জানায়। এর উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ হিসেবে বিবেচিত ইসরায়েলি বসতি স্থাপনে নিউইয়র্ক-ভিত্তিক চ্যারিটিগুলো থেকে প্রতি বছর যে প্রায় ৬ কোটি ডলারের তহবিল যায়, তা সম্পূর্ণরূপে আটকে দেওয়া। যদি এই বিলটি পাস হয়, তবে নিউইয়র্কের কোনো সিনাগগ বা ইহুদি কর্পোরেশন জাকা বা ইউনাইটেড হাতজালাহের মতো সংস্থাকে অর্থ দিলে অন্তত ১০ লাখ ডলার জরিমানা বা মামলার মুখোমুখি হবে।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: সংগৃহীত
হাউজিং বিলে সই করলেন না ট্রাম্প, নতুন শর্ত দেওয়ায় মার্কিন রাজনীতিতে তোলপাড়

আমেরিকার সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আবাসন খরচ নামিয়ে আনার লক্ষ্যে আনা একটি যুগান্তকারী 'হাউজিং বিল' বা আবাসন বিলে শেষ মুহূর্তে সই করা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কংগ্রেসের উভয় কক্ষে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস হওয়া সত্ত্বেও এই দ্বিপক্ষীয় (বাইপার্টিসান) বিলটির চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ট্রাম্প স্থগিত করেছেন নিজের একটি নতুন রাজনৈতিক দাবির কারণে। তিনি সাফ জানিয়েছেন, আইনপ্রণেতারা যতক্ষণ না 'সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট' (SAVE America Act) নামের একটি নতুন নির্বাচনী সংস্কার বিল পাস করছেন, ততক্ষণ তিনি এই আবাসন আইনে সই করবেন না।   ক্যাপিটল হিলে '২১স্ট সেঞ্চুরি রোড টু হাউজিং অ্যাক্ট' নামের এই ঐতিহাসিক বিলটির স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। গত কয়েক দশকের মধ্যে এটিকে সবচেয়ে বড় ও বিস্তৃত আবাসন আইন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য ছিল ঘরবাড়ির সরবরাহ বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের জন্য আবাসন খরচ কমিয়ে আনা। বিশেষ করে বড় বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যাতে ঢালাওভাবে একক পরিবারের জন্য তৈরি বাড়িগুলো (সিঙ্গেল ফ্যামিলি হোম) কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেই লাগাম টানার কথা বলা হয়েছে এই আইনে। তবে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, "সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাস না হওয়া পর্যন্ত আজকের হাউজিং বিল স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বাতিল করা হলো, যাকে আমি জাতীয় জরুরি অবস্থা মনে করি।"   মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, কংগ্রেসের উভয় কক্ষে কোনো বিল পাস হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট যদি ১০ দিনের মধ্যে (রবিবার বাদে) তাতে সই বা ভেটো না দেন, তবে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আইনে পরিণত হয়। হাউস স্পিকার মাইক জনসন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ট্রাম্প মূলত এই ১০ দিনের সময়সীমাকে কাজে লাগিয়ে 'সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট' পাসের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন এবং ওই সময়ের শেষ দিকে গিয়েই তিনি আবাসন বিলে সই করবেন। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই আবাসন বিলটিকে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় পক্ষই এক বড় সাফল্য হিসেবে ভোটারদের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছিল, কারণ সাধারণ মানুষের কাছে এখন আবাসন খরচ এক বড় উদ্বেগের নাম।   এদিকে ট্রাম্প এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা সিনেটে যে 'সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট' পাসের দাবি জানাচ্ছেন, তার উদ্দেশ্য হলো ভোটার নিবন্ধনে কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করা। তবে সিনেটের রিপাবলিকান নেতারাই বারবার বলছেন যে, এই নির্বাচনী বিলটি পাস করার মতো পর্যাপ্ত ভোট তাঁদের হাতে নেই। অন্যদিক ডেমোক্র্যাট নেতা ও সিনেট মাইনরিটি লিডার চাক শুমার ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, "আমেরিকার সাধারণ মানুষের উপকারে আসতে পারে এমন একটি বিরল দ্বিপক্ষীয় অর্জন থেকে ট্রাম্প এভাবে সই না করে পালিয়ে যাচ্ছেন। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাত্র দুই ঘণ্টা আগে এটি বাতিল করা সম্পূর্ণ হাস্যকর।"   প্রস্তাবিত আবাসন বিলে যা যা রয়েছে: বিনিয়োগকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা: বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (যাদের ১,০০০-এর বেশি বাড়ি আছে) একক পরিবারের জন্য তৈরি বাড়ি কেনায় কড়া সীমাবদ্ধতা আনা। বাণিজ্যিক ভবন রূপান্তর: পরিত্যক্ত বা খালি বাণিজ্যিক ভবনগুলোকে সাধারণ মানুষের সাশ্রয়ী আবাসন উপযোগী করে গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকারকে বিশেষ তহবিল দেওয়া। regulatory সহজীকরণ: আবাসন নির্মাণ শিল্পকে গতিশীল করতে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অন্যান্য আইনি জটিলতা বা আমলাতান্ত্রিক বাধা দূর করা। ফ্যাক্টরি-বিল্ট হোম: কারখানায় তৈরি আধুনিক বাড়ি (ফ্যাক্টরি-বিল্ট হোম) নির্মাণের জন্য আরও বেশি সরকারি অনুদান উন্মুক্ত করা।   জ্যাক্সনভিল, ডালাস কিংবা ফিনিক্সের মতো আমেরিকার বড় বড় শহরগুলোতে বর্তমানে ২০ শতাংশেরও বেশি একক পরিবারের বাড়ি জায়ান্ট ইনভেস্টর বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দখলে চলে গেছে। এর ফলে সাধারণ মার্কিন নাগরিকেরা বাড়ি কিনতে গিয়ে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছেন এবং প্রোপার্টির দাম আকাশচুম্বী হচ্ছে। এই লাগামহীন আবাসন সংকট থেকে সাধারণ মধ্যবিত্তদের বাঁচাতে এই বিলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যা এখন ট্রাম্পের নতুন রাজনৈতিক শর্তের বেড়াজালে আটকে গেল।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
‘ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইরান গাজার মতো ধ্বংস হতো’—পাকিস্তানে পেজেশকিয়ানের মন্তব্য

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা না থাকলে দেশটিকে গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হতো—এমন মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা শক্তিই ইরানকে সম্ভাব্য বড় ধরনের আঘাত থেকে রক্ষা করছে।   বুধবার (২৪ জুন) সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকিস্তান সফরকালে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গাজায় চলমান পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার করেছে।   প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের ভাষ্য, “আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি না থাকলে শত্রুরা ইরানের শিশু কিংবা বৃদ্ধ—কাউকেই রেহাই দিত না।” তিনি আরও বলেন, আত্মরক্ষার প্রশ্নে ইরান কোনো ধরনের আপস করবে না এবং সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখা দেশের জন্য অপরিহার্য।   পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে মঙ্গলবার (২৩ জুন) ইসলামাবাদে পৌঁছান পেজেশকিয়ান। রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। এ সময় ইসলামাবাদে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দামও উপস্থিত ছিলেন।   এছাড়া ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও ওমান থেকে এসে প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান।   বিশ্লেষকদের মতে, পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেওয়া। গাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘাতের উদাহরণ টেনে তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা নীতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।   ইরানের দৃষ্টিতে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এ কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও দেশটি বরাবরই বলে আসছে, এটি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক এবং জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২৭০ অভিবাসী আটক | ছবি: এনএসটিপি
মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বিশাল ক্র্যাকডাউন, বাংলাদেশিসহ আটক ২৭০

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ২৭০ জন অভিবাসী কর্মীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। আটকদের বিরুদ্ধে ভিসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এই বড় ধরনের পদক্ষেপে সেলাঙ্গর এলাকার প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।   সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-পরিচালক মোহদ খুসাইরি কামারুদ্দিন জানান, ২৪ জুন সকাল ৮টার দিকে শুরু হওয়া অভিযানের প্রথম ধাপে মেরু এলাকার একটি প্লাস্টিক কারখানায় ৬৬ জন শ্রমিককে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে প্রাথমিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ জনকে ইমিগ্রেশন আইন ভঙ্গের সন্দেহে আটক করা হয়। মূলত পাসের অপব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন মালয়েশিয়ায় অবস্থান করার কারণে তাঁদের আটক করা হয়েছে।   এরপর অভিযানের দ্বিতীয় ধাপে তেলোক গংয়ের একটি বড় আসবাবপত্র তৈরীর কারখানায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে কর্মরত মোট ৫২০ জন বিদেশি শ্রমিকের নথিপত্র পরীক্ষা করে ২৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। এই ২৫২ জনের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করা, সরকারের অনুমোদিত খাতের বাইরে গিয়ে কাজ করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পাস বা পাসপোর্ট নিয়ে অবৈধভাবে দেশটিতে অবস্থানের অভিযোগ রয়েছে।   অভিযান চলাকালে কারখানাগুলোতে এক নাটকীয় ও থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেফতার এড়াতে অনেক বিদেশি শ্রমিক কারখানার বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে পড়েন, আবার কেউ কেউ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলায় তাঁদের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়ে যায়।   কর্মকর্তারা জানান, তেলোক গংয়ের কারখানায় এক বাংলাদেশি শ্রমিক ধরা পড়ার ভয়ে একটি বর্জ্যবাহী কনটেইনারের ভেতরে থাকা ময়লার স্তূপের আড়ালে গিয়ে নিজেকে আত্মগোপন করেছিলেন। তবে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশির একপর্যায়ে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে সেখান থেকে খুঁজে বের করে। এছাড়া আরও কয়েকজন বিদেশি শ্রমিক কাঠ কাটার মেশিন ও কারখানার বড় বড় বাক্সের পেছনে আশ্রয় নিয়েও শেষ রক্ষা পাননি।   মোহদ খুসাইরি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শ্রমিকরা বৈধ পাসের অপব্যবহার করেছেন। কিছু ব্যক্তি অভিযানের সময় নিজেদের বৈধ দাবি করলেও ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, বিদেশি শ্রমিক নিয়োগকারী মালয়েশিয়ান মালিকদের অবশ্যই শ্রমিকদের বৈধতা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস বা পিএলকেএস অনুমোদিত খাত ও নির্ধারিত কর্মস্থলেই ব্যবহার হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্বও নিয়োগকর্তার।   আটককৃত সকল বিদেশি নাগরিককে বর্তমানে ইমিগ্রেশন হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দেশটির প্রচলিত ইমিগ্রেশন আইনের আওতায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট ধারায় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সেলাঙ্গর ইমিগ্রেশন বিভাগ নিশ্চিত করেছে।

ছবি: সংগৃহীত
মানুষের কাছ থেকেই বৈষম্য আর বর্ণবাদ শিখছে এআই, জাতিসংঘের চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিন দিন মানুষের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান হয়ে উঠছে—বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিবিদদের মুখে প্রতিনিয়ত এমনটাই শোনা যাচ্ছে। এমনকি প্রযুক্তি বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্কের মতো ব্যক্তিরাও দাবি করেছেন যে, ইতোমধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে গেছে এআই। তবে জাতিসংঘের নতুন এক গবেষণা প্রতিবেদনে এআই-এর বুদ্ধিমত্তার আড়ালে এক ভয়াবহ আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মূলত মানুষের কাছ থেকেই সমাজ ও ইতিহাসের কিছু কুৎসিত পক্ষপাতিত্ব উত্তরাধিকারসূত্রে গ্রহণ করছে।   জাতিসংঘের গবেষকেরা বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত ১৩৩টি এআই সিস্টেম নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করে দেখেছেন। এই গবেষণায় দেখা গেছে, এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক অর্থাৎ ৪৪ শতাংশ সিস্টেমে স্পষ্ট লিঙ্গবৈষম্যের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, এক-চতুর্থাংশের বেশি এআই সিস্টেমে একই সঙ্গে লিঙ্গবৈষম্য ও বর্ণবাদ বা জাতিগত বিদ্বেষ উভয়েরই উপস্থিতি দেখা গেছে। লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলগুলো (এলএলএম) বারবার নারীদের ঘরবাড়ি, পরিবার ও সন্তান লালন-পালনের গৎবাঁধা কাজের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং পুরুষদের ব্যবসা, নেতৃত্ব ও কর্মজীবনে সফলতার প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে এআই সিস্টেমগুলো এমন সব উত্তর তৈরি করেছে, যেখানে নারীদের কেবল যৌনতার বস্তু কিংবা পুরুষের অধীনস্ত হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। জাতিসংঘের লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতাবিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, গবেষকরা যখন লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলগুলোকে কোনও ব্যক্তির লিঙ্গ দিয়ে বাক্য শুরু করে তা সম্পন্ন করতে বলেছিলেন, তখন প্রতি পাঁচটি উত্তরের মধ্যে প্রায় একটি উত্তর চরম লিঙ্গবৈষম্যমূলক বা নারীবিদ্বেষী হিসেবে এসেছে। এমনকি কিছু উত্তর নারীদের স্বাধীন মানুষ না ভেবে সম্পত্তি বা বস্তু হিসেবেও বর্ণনা করেছে।   জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোটি কোটি মানুষ ই-মেইল লেখা, প্রেজেন্টেশন তৈরি, কনটেন্ট তৈরি এবং দৈনন্দিন নানা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার কাজে যেহেতু দিন দিন এআইয়ের ব্যবহার বাড়াচ্ছেন, তাই এই বৈষম্যমূলক অ্যালগরিদমের মাধ্যমে সমাজে বিদ্যমান অসমতাগুলো আরও বেশি সুদৃঢ় হচ্ছে। ইউএন উইমেন স্পষ্ট জানিয়েছে, এটি কোনো সফটওয়্যার বাগ বা যান্ত্রিক ত্রুটি নয়; বরং এআই মূলত ইন্টারনেট থেকে এসব কুসংস্কার শেখে। ইন্টারনেট জগতটি গত কয়েক দশকের নানা রকম গৎবাঁধা ধারণা ও বৈষম্যে ভরপুর থাকায় এআই শেষ পর্যন্ত মানুষের সেই পক্ষপাতগুলোকেই পুনরায় ফুটিয়ে তোলে।   সংস্থাটির ডিজিটাল প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধান জয়তমা বিক্রমনায়েকে বলেন, এআই模型গুলো মানুষের দ্বারা এবং মানুষকে নিয়ে লেখা বহু দশকের টেক্সট থেকে এসব পক্ষপাত শিখছে। প্রতিবেদনে বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, নারীরা ইতোমধ্যে অনলাইনে অসম মাত্রায় হয়রানির মুখোমুখি হচ্ছেন এবং এআইয়ের মাধ্যমে কিছু কিছু সহিংসতার রূপ তৈরি ও ছড়িয়ে দেওয়া আরও সহজ হয়ে উঠছে। জরিপে অংশ নেওয়া নারী মানবাধিকার কর্মী, সমাজকর্মী ও নারী সাংবাদিকদের মধ্যে প্রায় প্রতি চারজনের একজন এআইয়ের সহায়তায় অনলাইন সহিংসতার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।   ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারীদের মধ্যে ১২ শতাংশ বলেছেন, তাদের সম্মতি ছাড়াই ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করা হয়েছে। অন্যদিকে6 শতাংশ বলেছেন, তাদের ডিপফেক বা বিকৃত ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই বৈষম্য দূর করতে ইউএন উইমেন এআই তৈরির প্রতিটি স্তর থেকে শুরু করে তা বাস্তবায়ন ও নীতি নির্ধারণের প্রতিটি ধাপে লিঙ্গ সমতা এবং নারী অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। গবেষকেরা সতর্ক করেছেন, বর্ণবাদী পক্ষপাতগুলো এভাবে চলতে থাকলে তা বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে প্রচলিত কুসংস্কারগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

News stories

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

মতামত

বিশ্ব

View more
খামেনির রাষ্ট্রীয় দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ
খামেনির রাষ্ট্রীয় দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ, ভারতের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৪, ২০২৬ ৯:৭

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শোক ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে এই অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে ঠিক কে অংশ নেবেন, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম উইয়ন নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও নয়াদিল্লি এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি।   গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এরপর বিভিন্ন দেশ থেকে শোকবার্তা জানানো হয়। ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে সমবেদনা জানানো হয়েছিল। সে সময় ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিসরি নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন।   ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। নয়াদিল্লি তেহরানকে তার বিস্তৃত প্রতিবেশী অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। জ্বালানি, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক কৌশলগত বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা রয়েছে।   সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ায় টানা ৪০ দিনের সংঘাতের সময়ও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ সক্রিয় ছিল। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।   এদিকে, চলমান নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে নয়াদিল্লি সফর করেন। সফরকালে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।   বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি শুধু কূটনৈতিক সৌজন্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের দিকনির্দেশনাও বহন করতে পারে। এখন নজর রয়েছে—ভারত এই আমন্ত্রণে কীভাবে সাড়া দেয় এবং কাকে প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব দেয়।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
‘ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইরান গাজার মতো ধ্বংস হতো’—পাকিস্তানে পেজেশকিয়ানের মন্তব্য
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৪, ২০২৬ ৮:২৮

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা না থাকলে দেশটিকে গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হতো—এমন মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা শক্তিই ইরানকে সম্ভাব্য বড় ধরনের আঘাত থেকে রক্ষা করছে।   বুধবার (২৪ জুন) সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকিস্তান সফরকালে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, গাজায় চলমান পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদার করেছে।   প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের ভাষ্য, “আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি না থাকলে শত্রুরা ইরানের শিশু কিংবা বৃদ্ধ—কাউকেই রেহাই দিত না।” তিনি আরও বলেন, আত্মরক্ষার প্রশ্নে ইরান কোনো ধরনের আপস করবে না এবং সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখা দেশের জন্য অপরিহার্য।   পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে মঙ্গলবার (২৩ জুন) ইসলামাবাদে পৌঁছান পেজেশকিয়ান। রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। এ সময় ইসলামাবাদে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দামও উপস্থিত ছিলেন।   এছাড়া ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও ওমান থেকে এসে প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান।   বিশ্লেষকদের মতে, পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেওয়া। গাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘাতের উদাহরণ টেনে তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা নীতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।   ইরানের দৃষ্টিতে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এ কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও দেশটি বরাবরই বলে আসছে, এটি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক এবং জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট।

দীর্ঘ বিরতির পর ভারত থেকে ট্রেন কোচ আসছে বাংলাদেশে
দীর্ঘ বিরতির পর ভারত থেকে ট্রেন কোচ আসছে বাংলাদেশে
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৪, ২০২৬ ৭:৫৪

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রথমবারের মতো ভারত থেকে যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচ আসতে যাচ্ছে। আগামী জুলাই মাসেই ২০টি ব্রডগেজ কোচ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় রেলওয়ের রপ্তানি বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন—বাংলাদেশের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২০টি কোচ, যা চলতি বছরের জুলাইয়ে সরবরাহ করা হবে। এগুলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আগে সম্পাদিত বড় একটি চুক্তির অংশ।   বাংলাদেশ ৯১৫ কোটি রুপির বিনিময়ে ভারত থেকে মোট ২০০টি ব্রডগেজ কোচ কেনার চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তির আওতায় ধাপে ধাপে কোচগুলো সরবরাহ করা হবে। প্রথম চালান হিসেবে এই ২০টি কোচ পাঠানো হচ্ছে।   এই প্রকল্পে অর্থায়ন করছে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি)। ২০২৪ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ভারত এই কোচ নির্মাণের কাজ পায়। বর্তমানে কোচগুলো তৈরি হচ্ছে ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালায় অবস্থিত রেল কোচ কারখানায়।   ভারতীয় রেলওয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইকোনোমিক টাইমসকে বলেন, “চুক্তির প্রথম রেক আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই প্রস্তুত হবে। বাংলাদেশে বগিগুলো হস্তান্তরের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।”   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কিছু সময়ের জন্য এই প্রকল্পের অগ্রগতি ধীর হয়ে যায়। তবে বর্তমানে কাজ আবার স্বাভাবিক গতিতে এগোচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়সূচি মেনে সরবরাহ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।   এর আগে ভারত বাংলাদেশে ১২০টি ব্রডগেজ কোচ, ২৫টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) এবং ১০ মিটার গেজ লোকোমোটিভ সরবরাহ করেছে। দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ জোরদার এবং পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়নে এসব সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।   সর্বশেষ চুক্তির আওতায় শুধু কোচ সরবরাহই নয়, বরং এর নকশা সহায়তা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সরবরাহ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং কোচগুলো চালু করার ক্ষেত্রেও সহযোগিতা দেবে ভারত।   বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই চালান দুই দেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে এবং চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে গতি আনবে।

যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।
পারমাণবিক সক্ষমতায় নৌবাহিনী জোরদার করছে উত্তর কোরিয়া, আসছে আরও বড় যুদ্ধজাহাজ
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৪, ২০২৬ ৭:১৭

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার পাশাপাশি আরও বড় আকারের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বুধবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৩ জুন) নামফো বন্দরে একটি নবনির্মিত যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কিম জং উন। সেখানে তিনি বলেন, নৌবাহিনীকে পারমাণবিক শক্তিতে সজ্জিত করার কর্মসূচি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে এবং এটি দেশের প্রতিরক্ষা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।   কিম জানান, গত বছর চালু হওয়া প্রায় ৫ হাজার টন ওজনের যুদ্ধজাহাজের পর খুব শিগগিরই আরেকটি নতুন জাহাজ বহরে যুক্ত করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার কৌশলগত যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তার ভাষায়, দেশের পারমাণবিক শক্তিকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে এই প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   উত্তর কোরিয়া আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, নতুন প্রজন্মের এসব যুদ্ধজাহাজে অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থা থাকবে। গত এপ্রিলে এমন একটি জাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরীক্ষাও সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন কিম জং উন, যা দেশটির সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়।   বিশ্লেষকদের মতে, কিমের এই ঘোষণা মূলত দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি কৌশলগত বার্তা। সম্ভাব্য সংঘাতের পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ প্রতিহত করতে নিজেদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেই পিয়ংইয়ং এ ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে।   সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের এক বৈঠকেও দ্রুত সামরিক আধুনিকায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন কিম। ওই বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র কোরীয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।   উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই উত্তর কোরিয়া নিজেদেরকে শক্তিশালী পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছে। নতুন এই নৌ-সামরিক পরিকল্পনা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   সূত্র: জাপান টাইমস

Follow us

Trending

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

এপ্রিল ২, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
579 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
489 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
586 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
439 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়