Live update news
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরো
আদালতে হাসিমুখে মাদুরো, অভিযোগ অস্বীকার করে বললেন ‘আমি নির্দোষ’

ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাসিমুখে হাজির নিকোলাস মাদুরো, বিচারকের সামনে নিজেকে নির্দোষ দাবি; বিচারপ্রক্রিয়া ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে আলোচনা।   যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাজির হওয়ার সময় ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে হাসিমুখে ও স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা গেছে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। আদালতকক্ষে প্রবেশের সময় তিনি নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে ছিলেন এবং উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে শুভেচ্ছাও জানান।   ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, আদালতে আনার আগে মাদুরোকে নিউইয়র্কের একটি আটককেন্দ্র থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বলেন, “আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট” ও “আমি একজন যুদ্ধবন্দি বলে মনে করি।”   আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ও আদালতের নথির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদুরো আদালতে নিজেকে নির্দোষ (Not Guilty) দাবি করেন। বিচারক মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন এবং তাকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।   গণমাধ্যমের বর্ণনা অনুযায়ী, আদালতকক্ষে প্রবেশের সময় মাদুরো শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন এবং বিচারকের প্রশ্নের জবাব দেন। আদালতের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং সংবাদকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।   দ্য গার্ডিয়ান আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। জাতিসংঘের জরুরি বৈঠক ডাকা হয় এবং লাতিন আমেরিকা, ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চলের কয়েকটি দেশ ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।   অন্য দিকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচার, মাদক-সন্ত্রাসবাদ এবং অস্ত্র-সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তিনি ও তার আইনজীবীরা এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

১৭ মিনিট Ago
যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নের বাড়ি কিনে বিপাকে পরিবার, বাড়িজুড়ে শত শত সাপের বাস
যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নের বাড়ি কিনে বিপাকে পরিবার, বাড়িজুড়ে শত শত সাপের বাস

বহু বছরের খোঁজাখুঁজির পর যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার একটি ঐতিহাসিক পাথরের বাড়ি কিনেছিলেন টাইলার ও লরেন বোল্ডিন দম্পতি। কিন্তু সেখানে বসবাস শুরু করার পর তারা আবিষ্কার করেন, বাড়িটির প্রকৃত বাসিন্দা যেন তারাই নন; বরং শত শত সাপ। এরপর থেকেই সাপের এই অস্বাভাবিক উপদ্রব মোকাবিলা করে বাড়িটিকে বাসযোগ্য রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।   পেনসিলভানিয়ার মধ্যাঞ্চলের প্রায় দুই হাজার জনসংখ্যার ছোট শহর পাইন গ্রোভে অবস্থিত ১৮৩০-এর দশকে নির্মিত বাড়িটি ২০২০ সালে নিলামে ৪ লাখ ৬০ হাজার ডলারে কেনেন বোল্ডিন দম্পতি। প্রায় ৬ হাজার বর্গফুটের বাড়িটিতে রয়েছে ছয়টি শয়নকক্ষ ও পাঁচটি বাথরুম। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।   পরিবার নিয়ে সেখানে ওঠার পর থেকেই বাড়ির চারপাশে নিয়মিত সাপ দেখা দিতে শুরু করে। কখনও পাথরের দেয়াল বেয়ে ওপরে উঠছে, কখনও সামনের সিঁড়ি পার হচ্ছে, আবার কখনও পুরো আঙিনাজুড়ে বিচরণ করছে সাপগুলো। দম্পতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে এসব দৃশ্য শেয়ার করার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।   অনেকে বাড়িটি ছেড়ে দেওয়া কিংবা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার মতো মন্তব্য করলেও টাইলার বোল্ডিন বাস্তবসম্মত সমাধানের পথ বেছে নেন। তার ভাষায়, এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সমস্যার উৎস দূর করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।   সে লক্ষ্যেই বাড়ির ভিত্তির বিভিন্ন ফাটল বন্ধ করা হয়েছে, উঠানের পুরোনো গাছের গুঁড়ি ও সাপের সম্ভাব্য আশ্রয়স্থল সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ ধরনের ‘স্নেক গ্র্যাবার’ ব্যবহার করে বাড়ির আশপাশে পাওয়া সাপগুলো ধরে কাছের বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।   বোল্ডিন দম্পতির বাড়িতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় অ-বিষধর ব্ল্যাক র‍্যাট স্নেক বা কালো ইঁদুরখেকো সাপ। যুক্তরাষ্ট্রে এ প্রজাতির সাপ মানুষের জন্য সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং ইঁদুরসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রাণী নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   টাইলার বোল্ডিন ২০২৩ সালে প্রকাশিত এক টিকটক ভিডিওতে জানান, শুরু থেকেই তারা এসব অ-বিষধর সাপকে না মারার নীতি অনুসরণ করেছেন। কারণ এসব সাপ এলাকায় বিষধর কপারহেড ও টিম্বার র‍্যাটলস্নেকের মতো আরও বিপজ্জনক প্রজাতির বিস্তার কমাতে সহায়তা করে।   বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদেরও মতে, অ-বিষধর সাপ পরিবেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বাড়িতে সাপের উপস্থিতি দেখা দিলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে হত্যা না করে নিরাপদ উপায়ে অপসারণ এবং তাদের প্রবেশের পথ বন্ধ করাই সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা।   বর্তমানে বোল্ডিন পরিবার ধাপে ধাপে সাপের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অভিজ্ঞতা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে এবং একটি ঐতিহাসিক বাড়ি কেনার স্বপ্ন কীভাবে অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে, তার একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

৩২ মিনিট Ago
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আইন পাসের পর বিক্রির তালিকায় ৯ হাজারের বেশি ভাড়াবাড়ি
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আইন পাসের পর বিক্রির তালিকায় ৯ হাজারের বেশি ভাড়াবাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আইন পাসের পর শীর্ষ রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারীরা আগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি ভাড়াবাড়ি বিক্রির তালিকায় তুলেছেন। সিএনবিসি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে প্রায় ৯,৪৪৭টি বাড়ি বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করেছেন, যা গত ১ ফেব্রুয়ারিতে ছিল মাত্র ৪,১৬৬টি। মূলত গত সপ্তাহে পাস হওয়া ‘২১স্ট সেঞ্চুরি রোড টু হাউজিং অ্যাক্ট’ নামের দ্বিদলীয় আইনের কারণেই বাজারে বিক্রয়যোগ্য বাড়ির এই হঠাৎ বৃদ্ধি লক্ষ করা যাচ্ছে।   নতুন এই আইন অনুযায়ী, যেসব বিনিয়োগকারীর ইতিমধ্যে অন্তত ৩৫০টি সিঙ্গেল-ফ্যামিলি বাড়ি রয়েছে, তারা নতুন করে আর কোনো সম্পত্তি কিনতে পারবেন না। তবে বিল্ড-টু-রেন্ট, রেনোভেট-টু-রেন্ট প্রকল্প এবং ভাড়াটিয়াদের বাড়ির মালিকানার জন্য ক্রেডিট তৈরিতে সহায়তাকারী প্রোগ্রামগুলোর ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যতিক্রম রয়েছে। যাদের ৩৫০টির বেশি বাড়ি রয়েছে, তাদের সেগুলো বিক্রি করতে বাধ্য করা না হলেও পোর্টফোলিও ৩৫০-এর নিচে না আসা পর্যন্ত তারা নতুন কোনো বাড়ি কিনতে পারবেন না।   পার্সেল ল্যাবস-এর সংগৃহীত তথ্যে দেখা গেছে, ৩৫০টির বেশি বাড়ির মালিকানায় থাকা বড় বিনিয়োগকারীদের হাতে সম্মিলিতভাবে ৫ লাখ ৮৯ হাজার বাড়ি রয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১ কোটি ৪০ লাখ সিঙ্গেল-ফ্যামিলি ভাড়াবাড়ির প্রায় ৩.৯ শতাংশ। চলতি বছরে নিট বিক্রির ৪০ শতাংশেরও বেশি এসেছে এসব বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে। তথ্য বলছে, প্রগ্রেস রেসিডেন্সিয়াল, ফার্স্টকি, ভাইনব্রুক, ইনভাইটেশন হোমস, আমহার্স্ট, ট্রাইকন এবং এএমএইচ-এর মতো দেশের শীর্ষ বিনিয়োগকারীরা এ বছর কেনার চেয়ে ৩,১৮০টি বাড়ি বেশি বিক্রি করেছে। যদিও তাদের কাছে এখনো ৪ লক্ষাধিক বাড়ি সংরক্ষিত রয়েছে।   সিএনবিসি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্রির দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ভাইনব্রুক, যারা তাদের পোর্টফোলিওর প্রায় ১০ শতাংশ বাড়ি বাজারে তুলেছে। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১,৯০০টি বাড়ি বিক্রির অপেক্ষায় রয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ২৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। পার্সেল ল্যাবস জানিয়েছে, বাজারে বেশি বাড়ি তোলার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা কিছুটা ছাড়েও এগুলো বিক্রি করছেন। জাতীয় পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বর্তমানে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত ৩৮.৭ শতাংশ বাড়ির দাম কমানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫০টির বেশি বাড়ির মালিকানা থাকা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে দাম কমানোর এই হার ৫৪ শতাংশ।   পার্সেল ল্যাবস-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা জেসন লিউরিস এক বিবৃতিতে বলেন, বিক্রির হারের এই পরিবর্তনের দিকে নজর রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বাড়ির মূল্যের ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, এই বিক্রির কিছুটা কৌশলগত পরিবর্তনের অংশ। অর্থাৎ, অপেক্ষাকৃত কম লাভজনক সম্পদ বিক্রি করে সেই মূলধন বিল্ড-টু-রেন্টের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে নতুন করে বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

৪০ মিনিট Ago
কলেজছাত্র নোলান
যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে মিলছে না উত্তর

মিসিসিপির কিশোর নোলান ওয়েলসের মৃত্যুর রহস্য আরও ঘনীভূত, স্বাধীন ময়নাতদন্তেও কারণ অজানা; তদন্ত অব্যাহত, পরিবারের ন্যায়বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে বাড়ছে আলোচনা ও উদ্বেগ।   মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের ১৮ বছর বয়সী কলেজ শিক্ষার্থী ও ফুটবল খেলোয়াড় নোলান জেভিয়ার ওয়েলসের মৃত্যুর রহস্য আরও গভীর হয়েছে। পরিবারের উদ্যোগে পরিচালিত স্বাধীন ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর কারণ ও ধরন—উভয়ই ‘তদন্তাধীন’ (Undetermined, Pending Investigation) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।   নোলান ৪ জুলাই বন্ধুদের সঙ্গে মিসিসিপি উপকূলের হর্ন আইল্যান্ডে বেড়াতে গিয়েছিলেন। পরে তিনি নিখোঁজ হন এবং দুই দিন পর দ্বীপের উপকূল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি তদন্তকারীরা।    শিকাগোতে এনএএসিপির জাতীয় সম্মেলনে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের আইনজীবী বেন ক্রাম্প জানান, স্বাধীন ফরেনসিক পরীক্ষায় শরীরে বড় ধরনের ভাঙা হাড় বা স্পষ্ট আঘাতের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে মরদেহের পচন এবং প্রথম ময়নাতদন্তে সংরক্ষিত কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পরীক্ষার জন্য অনুপস্থিত থাকায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে হত্যাকাণ্ড বা অন্য কোনো অপরাধমূলক ঘটনার সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।   পরিবারের দাবি, তদন্তে আরও স্বচ্ছতা এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা জরুরি। তারা মনে করছেন, নোলানের মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল, তা উদ্ঘাটনে এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। এদিকে মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের সরকারি ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন এবং টক্সিকোলজি পরীক্ষার ফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি।   ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নাগরিক অধিকারকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠন নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে অভিযুক্ত করেনি এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।

১ ঘন্টা Ago
যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নের বাড়ি কিনে বিপাকে পরিবার, বাড়িজুড়ে শত শত সাপের বাস
আমেরিকা
যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নের বাড়ি কিনে বিপাকে পরিবার, বাড়িজুড়ে শত শত সাপের বাস

বহু বছরের খোঁজাখুঁজির পর যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার একটি ঐতিহাসিক পাথরের বাড়ি কিনেছিলেন টাইলার ও লরেন বোল্ডিন দম্পতি। কিন্তু সেখানে বসবাস শুরু করার পর তারা আবিষ্কার করেন, বাড়িটির প্রকৃত বাসিন্দা যেন তারাই নন; বরং শত শত সাপ। এরপর থেকেই সাপের এই অস্বাভাবিক উপদ্রব মোকাবিলা করে বাড়িটিকে বাসযোগ্য রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।   পেনসিলভানিয়ার মধ্যাঞ্চলের প্রায় দুই হাজার জনসংখ্যার ছোট শহর পাইন গ্রোভে অবস্থিত ১৮৩০-এর দশকে নির্মিত বাড়িটি ২০২০ সালে নিলামে ৪ লাখ ৬০ হাজার ডলারে কেনেন বোল্ডিন দম্পতি। প্রায় ৬ হাজার বর্গফুটের বাড়িটিতে রয়েছে ছয়টি শয়নকক্ষ ও পাঁচটি বাথরুম। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।   পরিবার নিয়ে সেখানে ওঠার পর থেকেই বাড়ির চারপাশে নিয়মিত সাপ দেখা দিতে শুরু করে। কখনও পাথরের দেয়াল বেয়ে ওপরে উঠছে, কখনও সামনের সিঁড়ি পার হচ্ছে, আবার কখনও পুরো আঙিনাজুড়ে বিচরণ করছে সাপগুলো। দম্পতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে এসব দৃশ্য শেয়ার করার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।   অনেকে বাড়িটি ছেড়ে দেওয়া কিংবা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার মতো মন্তব্য করলেও টাইলার বোল্ডিন বাস্তবসম্মত সমাধানের পথ বেছে নেন। তার ভাষায়, এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সমস্যার উৎস দূর করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।   সে লক্ষ্যেই বাড়ির ভিত্তির বিভিন্ন ফাটল বন্ধ করা হয়েছে, উঠানের পুরোনো গাছের গুঁড়ি ও সাপের সম্ভাব্য আশ্রয়স্থল সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ ধরনের ‘স্নেক গ্র্যাবার’ ব্যবহার করে বাড়ির আশপাশে পাওয়া সাপগুলো ধরে কাছের বনাঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।   বোল্ডিন দম্পতির বাড়িতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় অ-বিষধর ব্ল্যাক র‍্যাট স্নেক বা কালো ইঁদুরখেকো সাপ। যুক্তরাষ্ট্রে এ প্রজাতির সাপ মানুষের জন্য সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং ইঁদুরসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রাণী নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   টাইলার বোল্ডিন ২০২৩ সালে প্রকাশিত এক টিকটক ভিডিওতে জানান, শুরু থেকেই তারা এসব অ-বিষধর সাপকে না মারার নীতি অনুসরণ করেছেন। কারণ এসব সাপ এলাকায় বিষধর কপারহেড ও টিম্বার র‍্যাটলস্নেকের মতো আরও বিপজ্জনক প্রজাতির বিস্তার কমাতে সহায়তা করে।   বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদেরও মতে, অ-বিষধর সাপ পরিবেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বাড়িতে সাপের উপস্থিতি দেখা দিলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে হত্যা না করে নিরাপদ উপায়ে অপসারণ এবং তাদের প্রবেশের পথ বন্ধ করাই সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা।   বর্তমানে বোল্ডিন পরিবার ধাপে ধাপে সাপের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অভিজ্ঞতা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে এবং একটি ঐতিহাসিক বাড়ি কেনার স্বপ্ন কীভাবে অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে, তার একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ১৫:৯
ক্যালিফোর্নিয়া ও মিনেসোটার জন্য নির্ধারিত ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি মেডিকেইড অর্থ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়া-মিনেসোটার মেডিকেইড তহবিল স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন, অনিশ্চয়তায় লাখো বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীর স্বাস্থ্যসেবা

ক্যালিফোর্নিয়া ও মিনেসোটার জন্য নির্ধারিত ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফেডারেল মেডিকেইড অর্থ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, সম্ভাব্য জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থ ছাড়া হবে না। তবে দুই অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা এ সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করেছেন।    মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেস (সিএমএস) জানায়, ক্যালিফোর্নিয়ার জন্য ৮৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার এবং মিনেসোটার জন্য ১৯৯ মিলিয়ন ডলারের ফেডারেল মেডিকেইড অর্থ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি স্থায়ী অর্থ কর্তন নয়; সংশ্লিষ্ট দাবির বৈধতা প্রমাণে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলে অর্থ ছেড়ে দেওয়া হবে।    স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের সচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র বলেন, মেডিকেইড কর্মসূচির অর্থ কেবল বৈধ দাবির ক্ষেত্রেই ব্যয় হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, করদাতাদের অর্থ সুরক্ষিত রাখতে জালিয়াতি, অপচয় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সিএমএসের প্রশাসক ড. মেহমেত ওজও বলেন, অর্থ বিতরণের পর তা উদ্ধারের চেয়ে আগে থেকেই সন্দেহজনক দাবিগুলো যাচাই করাই সংস্থার নতুন কৌশল।    প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ায় বিশেষ করে ইন-হোম কেয়ার কর্মসূচির ব্যয়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং মিনেসোটার ১৪টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ মেডিকেইড সেবা খাতে কিছু দাবির বিষয়ে অতিরিক্ত পর্যালোচনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ফেডারেল সরকার নির্দিষ্ট কোনো জালিয়াতির প্রমাণ প্রকাশ করেনি।    এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে ক্যালিফোর্নিয়ার ইন-হোম সাপোর্টিভ সার্ভিসেস (আইএইচএসএস) কর্মসূচির ওপর, যার মাধ্যমে ৯ লাখের বেশি বয়স্ক, প্রতিবন্ধী এবং গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি নিজ বাড়িতে পরিচর্যা সেবা পান। অর্থ দীর্ঘ সময় স্থগিত থাকলে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও পরিচর্যাকারীদের অর্থপ্রদান বিলম্বিত হওয়ার পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে বিকল্প অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে হতে পারে। তবে বর্তমানে মেডিকেইড সুবিধাভোগীদের যোগ্যতা বা স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ করা হয়নি।    অন্যদিকে মিনেসোটায় স্থগিত হওয়া অর্থ ১৪টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ মেডিকেইড সেবা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হলেও কতজন সুবিধাভোগী সরাসরি প্রভাবিত হতে পারেন, সে সংখ্যা এখনো প্রকাশ করেনি ফেডারেল সরকার বা অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষ।    ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ এ পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁদের দাবি, প্রশাসন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই অর্থ স্থগিত করেছে এবং এর ফলে বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ও নিম্নআয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।    মেডিকেইড যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নআয়ের পরিবার, বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী এবং কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগীর জন্য পরিচালিত যৌথ ফেডারেল-অঙ্গরাজ্য স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি। সাম্প্রতিক এই অর্থ স্থগিতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনে স্বাস্থ্যনীতি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং ফেডারেল-অঙ্গরাজ্য সম্পর্ক নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

অ্যারিজোনা প্রাইমারি নির্বাচনে নিজের সমর্থিত প্রার্থীদের বড় জয়কে “সম্পূর্ণ বিজয়” আখ্যা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
অ্যারিজোনা প্রাইমারিতে ট্রাম্পের শক্ত অবস্থান, সমর্থিত প্রার্থীদের একের পর এক জয়

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত রিপাবলিকান পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থিত একাধিক প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ফলাফল প্রকাশের পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এটিকে “সম্পূর্ণ বিজয়” হিসেবে উল্লেখ করে বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানান।   নিজের পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, তার সমর্থিত “মাগা” প্রার্থীরা অ্যারিজোনার গুরুত্বপূর্ণ সব প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, অ্যারিজোনা ধীরে ধীরে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে।   তবে এই নির্বাচন ছিল রিপাবলিকান পার্টির অভ্যন্তরীণ প্রাইমারি। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রাইমারির মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রার্থী চূড়ান্ত করে। ফলে এই নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীরা নিজেদের দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করতে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।   রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সমর্থিত কংগ্রেস সদস্য অ্যান্ডি বিগস অ্যারিজোনার গভর্নর পদে রিপাবলিকান মনোনয়ন পেয়েছেন। একই সঙ্গে সাবেক এনএফএল খেলোয়াড় জে ফিলিও অ্যারিজোনার প্রথম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।   অ্যারিজোনা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বা ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ অঙ্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনে রাজ্যটিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে। সে কারণে এবারের প্রাইমারি ফলাফল রিপাবলিকান পার্টির অভ্যন্তরে ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাবের আরেকটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।   তবে বিশ্লেষকদের মতে, প্রাইমারি নির্বাচনের ফল সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করে না। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা মুখোমুখি হবেন। সেই নির্বাচনের ফলের ভিত্তিতেই গভর্নর, কংগ্রেসের বিভিন্ন আসন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারিত হবে।

ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরো
আদালতে হাসিমুখে মাদুরো, অভিযোগ অস্বীকার করে বললেন ‘আমি নির্দোষ’

ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাসিমুখে হাজির নিকোলাস মাদুরো, বিচারকের সামনে নিজেকে নির্দোষ দাবি; বিচারপ্রক্রিয়া ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে আলোচনা।   যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে হাজির হওয়ার সময় ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে হাসিমুখে ও স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা গেছে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। আদালতকক্ষে প্রবেশের সময় তিনি নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে ছিলেন এবং উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে শুভেচ্ছাও জানান।   ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, আদালতে আনার আগে মাদুরোকে নিউইয়র্কের একটি আটককেন্দ্র থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বলেন, “আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট” ও “আমি একজন যুদ্ধবন্দি বলে মনে করি।”   আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা ও আদালতের নথির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদুরো আদালতে নিজেকে নির্দোষ (Not Guilty) দাবি করেন। বিচারক মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন এবং তাকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।   গণমাধ্যমের বর্ণনা অনুযায়ী, আদালতকক্ষে প্রবেশের সময় মাদুরো শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন এবং বিচারকের প্রশ্নের জবাব দেন। আদালতের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং সংবাদকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।   দ্য গার্ডিয়ান আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। জাতিসংঘের জরুরি বৈঠক ডাকা হয় এবং লাতিন আমেরিকা, ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চলের কয়েকটি দেশ ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।   অন্য দিকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচার, মাদক-সন্ত্রাসবাদ এবং অস্ত্র-সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তিনি ও তার আইনজীবীরা এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

কোলাজ: আমেরিকা বাংলা
জামায়াতের এমপি বহিষ্কার নিয়ে যা বললেন হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মির্জা গালিব

জামায়াতে ইসলামীর এক সংসদ সদস্য অনৈতিক কাজের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও আলোচিত লেখক মির্জা গালিব।   নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, জামায়াত একটি ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল। ফলে দলের নেতা-পর্যায়ের কারও বিরুদ্ধে অনৈতিকতার অভিযোগ ওঠা এবং দলীয় শাস্তির মুখোমুখি হওয়া স্বাভাবিকভাবেই দলের জন্য লজ্জাজনক।   তবে একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, কোনো দলই সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত নয়। মানুষের সমাজে ভুল, দুর্বলতা ও পদস্খলন থাকবে—এটাই বাস্তবতা। তাই ব্যক্তি অপরাধকে পুরো আদর্শের সঙ্গে এক করে দেখার পরিবর্তে দল কীভাবে সেই অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।   মির্জা গালিব তার লেখায় আরও বলেন, ইসলামী দল বা ধর্মচর্চাকারীদের মধ্যেও যদি অনৈতিকতার ঘটনা ঘটতে পারে, তাহলে অন্যদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অতিরিক্ত বিচারকসুলভ মনোভাব বা ‘মোরাল পুলিশিং’ থেকে বিরত থাকা উচিত। তিনি মনে করেন, মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মান ইসলামে সুরক্ষিত, এবং ধর্মীয় অনুশীলনে কম সক্রিয় ব্যক্তিদের প্রতিও সেই সম্মান সমানভাবে প্রযোজ্য।   স্ট্যাটাসে তিনি আত্মসমালোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে লেখেন, অন্যের পাপ নিয়ে অতিরিক্ত ব্যস্ত হওয়ার পরিবর্তে নিজের ভুল-ত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং তওবা করাই একজন মুসলমানের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।   দলীয় শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে মির্জা গালিব বলেন, ব্যক্তি যে কোনো সময় অপরাধ করতে পারেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল যেন কোনো ধরনের ছাড় না দেয়। তার মতে, দলীয় নেতা-কর্মীরা যদি নিশ্চিত হন যে অপরাধ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে, তাহলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি অনেকটাই কমে আসবে।   উল্লেখ্য, মির্জা গালিব বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের Howard University-এ সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি নিয়মিত মতামত প্রকাশ করে থাকেন।   বিঃদ্রঃ এই প্রতিবেদনে মির্জা গালিবের ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত মতামত তুলে ধরা হয়েছে। এতে প্রকাশিত মন্তব্যগুলো তার নিজস্ব মতামত।

প্রেস টিভির প্রকাশিত ভিডিওতে শাহেদ ড্রোনের গায়ে লামিন ইয়ামালের ছবি দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে এবার লামিন ইয়ামালের ছবি-সংবলিত ড্রোন ছুড়ল ইরান

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে একটি শাহেদ ড্রোনের গায়ে স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামালের একটি ছবি সংযুক্ত অবস্থায় দেখা যায়। ছবিতে ইয়ামালকে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ড্রোনে ছবিটি কেন লাগানো হয়েছিল বা এর উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।   প্রেস টিভির টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত একটি শাহেদ ড্রোনের সামনের অংশে ইয়ামালের ছবি লাগানো রয়েছে। ভিডিওতে ড্রোনটির লক্ষ্যবস্তু বা হামলার স্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে স্বাধীন কোনো আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাও ভিডিওটির প্রতীকী বার্তা বা প্রেক্ষাপট সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি।   ভিডিওতে ব্যবহৃত ছবিটি চলতি বছরের মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা উদ্‌যাপনের সময় তোলা বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। সে সময় লামিন ইয়ামালকে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দেখা যায় এবং ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।   এরপর বিষয়টি রাজনৈতিক আলোচনায়ও স্থান পায়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ইয়ামালের ওই অবস্থানের সমালোচনা করেছিলেন। অন্যদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে ইয়ামালের অধিকারকে সমর্থন জানান। গাজা যুদ্ধের পর থেকে স্পেন ও ইসরায়েলের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই এই বিতর্ক আরও আলোচনায় আসে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার সময় প্রতীকী ছবি বা বার্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন পক্ষ জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করে থাকে। তবে এই নির্দিষ্ট ভিডিওতে ব্যবহৃত ইয়ামালের ছবির উদ্দেশ্য বা এর সঙ্গে কোনো সামরিক সিদ্ধান্তের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে এমন দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে শাহেদ ড্রোন ব্যবহারের একাধিক ভিডিও ইরানি রাষ্ট্রীয় ও রাষ্ট্র-সমর্থিত গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব ভিডিওর অনেক ক্ষেত্রেই অবস্থান, সময় কিংবা নির্দিষ্ট সামরিক দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো উল্লেখ করেছে।   বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের সময় সামরিক শক্তির পাশাপাশি প্রতীকী ও প্রচারমূলক বার্তাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এ ধরনের ভিডিওর ক্ষেত্রে প্রেক্ষাপট ও উৎস যাচাই করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

News stories

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

মতামত

বিশ্ব

View more
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প
৪০ বছর পর লেবাননে সরাসরি ফ্লাইট চালুর নির্দেশ ট্রাম্পের
বায়জিদ হাসান প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ৪:৩৬

প্রায় ৪০ বছর পর লেবাননের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি বাণিজ্যিক বিমান চলাচল পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।   লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন–এর সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন দেশের সব দেশীয় এয়ারলাইনকে লেবাননে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়।   এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ১৯৮৫ সালের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি লেবাননে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চালু হবে।   যুক্তরাষ্ট্র ১৯৮৫ সালে লেবাননের উদ্দেশে সব বাণিজ্যিক ফ্লাইট স্থগিত করেছিল। ওই বছর গ্রিসের এথেন্স থেকে ইতালির রোমগামী টিডব্লিউএ ফ্লাইট ৮৪৭ ছিনতাই করে বৈরুতে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৭ দিন ধরে চলা সেই জিম্মি সংকটে একজন মার্কিন নৌবাহিনীর ডুবুরি নিহত হন। এরপর থেকেই লেবাননে সরাসরি মার্কিন ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়।   তবে ট্রাম্পের ঘোষণার পরও তাৎক্ষণিকভাবে ফ্লাইট চালু হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA) জানিয়েছে, বৈরুত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পরই কোনো মার্কিন এয়ারলাইন এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে।   এফএএ আরও জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ বাস্তবায়নে তারা সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও বিমান পরিবহন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কাজ করবে, যাতে নিরাপদভাবে লেবাননে ফ্লাইট পুনরায় চালু করা যায়।   তবে বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখনো লেবাননের জন্য ‘ডু নট ট্রাভেল’ বা ভ্রমণ না করার সতর্কতা বহাল রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নিরাপত্তা ঝুঁকি ও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে মার্কিন নাগরিকদের দেশটিতে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরও নিরাপত্তাজনিত কারণে অপ্রয়োজনীয় মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের লেবানন ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।   অন্যদিকে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণেই মার্কিন তিনটি বড় এয়ারলাইন—আমেরিকান এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স এবং ডেল্টা এয়ার লাইন্স—এখনো ইসরায়েলের তেলআবিবে ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে।   এর আগে চলতি বছরই ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত দীর্ঘদিনের বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। প্রায় সাত বছর পর মায়ামি থেকে কারাকাসে আবারও মার্কিন বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হয়। লেবাননের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যদিও নিরাপত্তা মূল্যায়নের ফলাফলই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে সরাসরি ফ্লাইট কবে থেকে শুরু হবে।

হামলায় ওয়াইল্ডবেরিজ
ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ‘অ্যামাজন’ ওয়াইল্ডবেরিজের সরবরাহ নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা
বায়জিদ হাসান প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ৩:৪৬

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় আবারও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে রাশিয়ার বৃহত্তম অনলাইন খুচরা বিক্রেতা ওয়াইল্ডবেরিজ (Wildberries)–এর লজিস্টিক অবকাঠামো।   প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী তাতিয়ানা কিম জানিয়েছেন, ক্রাসনোদার ও নেভিনোমিস্ক শহরে অবস্থিত দুটি বড় গুদামে হামলা হয়েছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং আগুন লাগার ঘটনাও ঘটেছে।   এর আগেও জুলাই মাসে ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামগুলো একাধিকবার হামলার শিকার হয়। ১৮ জুলাই তামবভ অঞ্চলের কোতোভস্ক ও মস্কোর পূর্বে ইলেকট্রোস্টাল–এ অবস্থিত দুটি লজিস্টিক কেন্দ্রে ড্রোন হামলায় কয়েকজন কর্মী নিহত ও বহু মানুষ আহত হন। একই সময়ে একটি তেল ডিপোতেও আগুন লাগে।   ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন, হামলার লক্ষ্য ছিল এমন লজিস্টিক কেন্দ্র, যেখান থেকে রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদন ও নেভিগেশন সরঞ্জামের জন্য বিভিন্ন উপাদান সরবরাহ করা হতো। তবে ক্রেমলিন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ওয়াইল্ডবেরিজ একটি বেসামরিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।   ওয়াইল্ডবেরিজ বর্তমানে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ১০ লাখেরও বেশি বিক্রেতা যুক্ত এবং প্রতিদিন কোটি কোটি অর্ডার প্রক্রিয়াজাত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়ার ই-কমার্স খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় এর লজিস্টিক নেটওয়ার্ক দেশটির অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে।   সাম্প্রতিক হামলাগুলোর ফলে শুধু গুদাম নয়, হাজারো ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীর পণ্য সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও, প্রতিষ্ঠানটি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।   রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের তৃতীয় বছরে দুই পক্ষই এখন একে অপরের জ্বালানি, পরিবহন ও সরবরাহ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে। এর ফলে যুদ্ধের প্রভাব সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক অবকাঠামোতেও ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

শিক্ষার্থী নীলাওয়ান রাখাইন
পালি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি, নজির গড়লেন নীলাওয়ান রাখাইন
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ৩:৩৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নীলাওয়ান রাখাইন যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। ক্লেমসন ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি ব্লুমিংটন এবং কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষা–সম্পর্কিত বিষয়ে পিএইচডির সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগের নাম নয়, বরং দক্ষতা, গবেষণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাই উচ্চশিক্ষার সবচেয়ে বড় শক্তি।   চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পালি বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার পর নীলাওয়ান রাখাইন এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন থেকে শিক্ষা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে নিজের একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেন।   তিনি ইংরেজি ভাষার শিক্ষক, 10 Minute School–এর কনটেন্ট ক্রিয়েটর, টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং ইউনিসেফ ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিভিন্ন শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি কক্সবাজারে নিজের সম্প্রদায়ের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘চালুং একাডেমি’, যেখানে প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।   শুধু শ্রেণিকক্ষের অভিজ্ঞতাতেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি নীলাওয়ান। ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও কমিউনিটি উন্নয়নকে একসঙ্গে যুক্ত করে তিনি একটি শক্তিশালী একাডেমিক প্রোফাইল গড়ে তুলেছেন। সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড পিএইচডির সুযোগ পেয়েছেন।   এর মধ্যে ক্লেমসন ইউনিভার্সিটিতে Teaching and Learning, ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি ব্লুমিংটনে Curriculum and Instruction এবং কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটিতে Curriculum and Instruction বিষয়ে ভর্তি ও অর্থায়নের সুযোগ পেয়েছেন। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে এসব পিএইচডি প্রোগ্রাম গবেষণাভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ ডক্টরাল ডিগ্রি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা সহকারী বা ফেলোশিপভিত্তিক অর্থায়নের সুযোগ রয়েছে।    উচ্চশিক্ষা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মানবিক বা ভাষাভিত্তিক বিষয়ে পড়াশোনা করলেও গবেষণা, শিক্ষাদান, নেতৃত্ব এবং কমিউনিটি উন্নয়নে ধারাবাহিক অভিজ্ঞতা অর্জন করলে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতামূলক স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। নীলাওয়ান রাখাইনের অর্জন সেই বাস্তবতারই একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।   তাঁর এই সাফল্য এমন শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণা, যারা মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো নির্দিষ্ট বিভাগ ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ করে দেয়। বাস্তবে লক্ষ্যভিত্তিক প্রস্তুতি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং গবেষণামুখী অভিজ্ঞতা থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উচ্চশিক্ষার দরজা যে উন্মুক্ত হতে পারে, নীলাওয়ান রাখাইনের যাত্রা তারই প্রমাণ।

প্রতীকী ছবি
জাপানে ১২ তলা থেকে পথচারী নারীর ওপর পড়লেন যুবক: নারীর মৃত্যু, জীবিত যুবক
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২১, ২০২৬ ২৩:৩১

জাপানের নাগোয়া শহরে একটি ১২ তলা আবাসিক ভবন থেকে এক যুবক নিচে পড়ে এক নারী পথচারীর ওপর আছড়ে পড়ার ঘটনায় ২৩ বছর বয়সী এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ওপর থেকে পড়া ২৯ বছর বয়সী যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, কী কারণে ওই যুবক ভবন থেকে পড়ে গিয়েছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যার চেষ্টা—উভয় দিক থেকেই তদন্ত চলছে।   জাপানি গণমাধ্যম ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৯ জুলাই) রাত প্রায় ১টার দিকে নাগোয়া শহরের সাকায়ে এলাকার ইয়াবাচো স্টেশনের কাছে ঘটনাটি ঘটে। নিহত তরুণী হৌরা ইনাবা (২৩) এক বন্ধুর সঙ্গে ফুটপাত দিয়ে হাঁটছিলেন। এ সময় শিনসেই তাগুচি (২৯) নামের এক ব্যক্তি ১২ তলা ভবন থেকে নিচে পড়ে সরাসরি তাঁর ওপর আছড়ে পড়েন।   ঘটনার পর ইনাবার সঙ্গে থাকা বন্ধু জরুরি সেবায় ফোন করে জানান, একজন ব্যক্তি ওপর থেকে পড়ে তাঁর বন্ধুকে গুরুতর আহত করেছেন। উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত শকে (হেমোরেজিক শক) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ইনাবার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে তাগুচি এখনো অচেতন এবং তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে পুলিশ।   আইচি প্রিফেকচার পুলিশ জানিয়েছে, এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি তাগুচি দুর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়েছিলেন, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে ভবন থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তিনি ভবনের ঠিক কোন তলা থেকে পড়েছেন, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট বা তাৎক্ষণিকভাবে সন্দেহজনক আলামত পাওয়া যায়নি।   দুর্ঘটনাস্থলটি নাগোয়া শহরের ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা, যেখানে অফিস, আবাসিক ভবন, দোকানপাট এবং বিনোদনকেন্দ্র রয়েছে। গভীর রাত হলেও এলাকায় পথচারীদের চলাচল ছিল। ঘটনার পর পুরো এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।   জাপানে এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০২৪ সালের আগস্টে ইয়োকোহামায় একটি ভবন থেকে পড়ে এক স্কুলছাত্রী নিচে থাকা এক নারী পথচারীর ওপর পড়লে ওই পথচারীর মৃত্যু হয়। এর আগে ২০২০ সালে ওসাকায়ও বহুতল ভবন থেকে ঝাঁপ দেওয়া এক কিশোরের সঙ্গে নিচে থাকা এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছিল। ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে এ ধরনের দুর্ঘটনা জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

Follow us

Trending

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
846 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
692 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
811 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
648 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়