Live update news
মেরিল্যান্ডের স্কুল বাস ড্রাইভার জিতেছেন ৫০ লাখ ডলারের লটারি

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের এক স্কুল বাস ড্রাইভার লটারিতে ৫০ লাখ ডলার জিতে রাতারাতি আলোচনায় এসেছেন। সৌভাগ্যবান ওই ব্যক্তির নাম মরিস উইলিয়ামস। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বাস চালকের কাজ করছেন।   স্থানীয় লটারি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মরিস একটি সেভেন ইলেভেন দোকানে থেমে আগের একটি লটারিতে জেতা ৫০ ডলারের পুরস্কার ভাঙান। পরে সেই অর্থ দিয়েই তিনি আরেকটি স্ক্র্যাচ-অফ লটারির টিকিট কেনেন।   গাড়িতে বসে টিকিটটি পরীক্ষা করার সময় প্রথমে তিনি বুঝতে পারেননি যে তিনি জ্যাকপট জিতেছেন। পরে টিকিট স্ক্যান করার পর দেখা যায়, সেটিই ছিল ৫০ লাখ ডলারের শীর্ষ পুরস্কারজয়ী টিকিট।   মরিস বলেন, “প্রথমে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। স্ক্যান করার পর দেখি মিলেছে ৫৯ নম্বর, আর মজার বিষয় হলো কয়েকদিন আগেই আমার বয়স ৫৯ বছর হয়েছে।”   বড় অঙ্কের পুরস্কার জয়ের খবরটি তিনি প্রথমে তার মাকে জানান। মরিসের ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা তাকে শান্ত থাকতে বলেন এবং এই আনন্দের মুহূর্তে পাশে থাকেন।   পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যয় করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মরিস জানান, সবার আগে তিনি তার মায়ের জন্য একটি বাড়ি কিনতে চান। এছাড়া বাকি অর্থ সঞ্চয় করে ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করবেন।   এদিকে, বিজয়ী টিকিট বিক্রি করার কারণে সেভেন-ইলেভেন দোকানটিও ৫ হাজার ডলারের বিশেষ বোনাস পাবে।   ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মরিসের মায়ের জন্য বাড়ি কেনার সিদ্ধান্তকে মানবিক ও অনুপ্রেরণাদায়ক বলে মন্তব্য করছেন।

১০ ঘন্টা Ago
কোভিড সময়ের ট্যাক্স ফাইল নিয়ে আদালতের যে রায়ে অনেকেই পেতে পারেন রিফান্ড

কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেরিতে ট্যাক্স ফাইল করা বা সময়মতো কর জমা দিতে না পারায় জরিমানা ও সুদ পরিশোধ করা লাখো আমেরিকান এখন রিফান্ড পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতের সাম্প্রতিক রায়ের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।   “Kwong v. United States” মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ফেডারেল ক্লেইমস রায় দেয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় ট্যাক্স ফাইলিংয়ের সময়সীমা বাড়ানোর যে আইনি বিধান রয়েছে, তা কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও কার্যকর হওয়া উচিত ছিল। আদালতের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড জরুরি অবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত কার্যকর ছিল।   এই রায়ের ফলে ওই সময়ের মধ্যে দেরিতে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া বা সময়মতো কর পরিশোধ করতে না পারায় যাদের কাছ থেকে জরিমানা ও সুদ আদায় করা হয়েছিল, তারা সেই অর্থ ফেরত পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন বলে মনে করছেন কর বিশেষজ্ঞরা।   বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক আমেরিকান হয়তো না জেনেই অপ্রয়োজনীয় জরিমানা পরিশোধ করেছেন। মহামারির সময় চাকরি হারানো, অসুস্থতা, ব্যবসায় ক্ষতি কিংবা আর্থিক সংকটের কারণে বহু মানুষ সময়মতো ট্যাক্স ফাইল করতে পারেননি। আদালতের এই রায় তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।   তবে বিষয়টি এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। মামলাটি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আইআরএস এখন পর্যন্ত সবার জন্য স্বয়ংক্রিয় রিফান্ড ঘোষণা করেনি। ফলে কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভাব্য রিফান্ড পেতে আগ্রহীদের নিজেদের ট্যাক্স রেকর্ড পর্যালোচনা করা উচিত এবং প্রয়োজন হলে সংশোধিত রিটার্ন বা রিফান্ড দাবি জমা দিতে হবে।   এছাড়া রিফান্ড দাবির সময়সীমাও দ্রুত শেষ হয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই যারা কোভিড সময়ের ট্যাক্স জরিমানা বা সুদ পরিশোধ করেছিলেন, তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১৩ ঘন্টা Ago
জর্জিয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেখ রহমানের স্টেট সিনেটর পদে পুনর্নির্বাচনী দৌড়ে দেশি কমিউনিটির ব্যাপক সাড়া

জর্জিয়ায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্টেট সিনেটর শেখ রহমানের পুনর্নির্বাচনী প্রচারণায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। গতকাল জর্জিয়ার রোডস জর্ডান পার্কে অনুষ্ঠিত “Early Vote & BBQ” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ এবং ভোটারদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভোটার ও সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন শেখ রহমান। তিনি আগাম ভোটদানের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি কমিউনিটির ঐক্য ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল ভোটারদের সম্পৃক্ত করা এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করা।   শেখ রহমান বর্তমানে জর্জিয়া স্টেট সিনেটের ডিস্ট্রিক্ট ৫-এর প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির অন্যতম পরিচিত রাজনৈতিক মুখ। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, জননিরাপত্তা এবং অভিবাসী কমিউনিটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন তিনি। এবারও তিনি স্টেট সিনেটর পদে পুনর্নির্বাচনের জন্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।   অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন শেখ রহমানের ভাই ইকবাল, যিনি সম্প্রতি বাংলাদেশে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ সময় তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং কমিউনিটির ঐক্য ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।   অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অনেকেই বলেন, শেখ রহমানের মতো একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিকের জর্জিয়ার মূলধারার রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা প্রবাসী কমিউনিটির জন্য গর্বের বিষয়। তাদের আশা, আসন্ন নির্বাচনেও তিনি শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবেন।

১৭ ঘন্টা Ago
নিউজার্সিতে ‘বিজনেস অ্যান্ড কমিউনিটি পার্টনারশিপ’ পুরস্কারে পেলেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আফসানা আনজুম

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যে আবাসন নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বিজনেস অ্যান্ড কমিউনিটি পার্টনারশিপ’ পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত উদ্যোক্তা আফসানা আনজুম। শনিবার রাতে ইটন টাউনের শেরাটন হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টারের ১৪তম গালা অনুষ্ঠানে তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।   আফসানা আনজুম নিউজার্সিভিত্তিক নির্মাণ ও পরিবেশগত পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান ‘তাহশিন কনস্ট্রাকশন’-এর মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজারের বেশি প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।   বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তার জন্য ঘরবাড়ি থেকে সিসা ও অ্যাসবেস্টস অপসারণ কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য সুনাম অর্জন করেছে।   অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তাহশিন কনস্ট্রাকশন বর্তমানে নিউজার্সির ১৫টি অনুমোদিত সংস্থার জন্য সিসা দূষণ অপসারণ ও পুনর্বাসনের কাজ করছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি অঙ্গরাজ্য অনুমোদিত অ্যাসবেস্টস অপসারণকারী ঠিকাদার এবং ‘লেড ইন্সপেক্টর’ হিসেবেও স্বীকৃত।   আটলান্টিক কাউন্টিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিবারগুলোর নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে আফসানা আনজুম দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। হারিকেন স্যান্ডির পর ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরের উন্নয়ন ও বন্যা ঝুঁকি মোকাবিলাতেও তার সক্রিয় ভূমিকার কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়। এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নিউজার্সির সিনেটর ও অ্যাসেম্বলিম্যানদের পক্ষ থেকেও তাকে বিশেষ মানপত্র প্রদান করা হয়। আফসানা আনজুম বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে ডিগ্রিধারী এবং চার সন্তানের জননী। তার স্বামী জহিরুল ইসলাম বাবুলের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাউথ জার্সির বাংলাদেশি কমিউনিটির উন্নয়ন, নিরাপদ আবাসন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে আসছেন।   তার এই অর্জনে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।  

২২ ঘন্টা Ago
ছবি: আমেরিকা বাংলা
বাংলাদেশ
সংসদ অবৈধ করার ‘স্লো গেম’?, নতুন করে প্রশ্নের মুখে অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে চলমান সমালোচনা, রিট আবেদন এবং রাজনৈতিক বয়ান। নির্বাচন শেষে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরও তাঁকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলের সক্রিয়তা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।   ড. ইউনূসকে নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে তীব্রতা বাড়ছে। কেউ তাঁকে দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করছেন, কেউ আবার তাঁর সরকারের সিদ্ধান্ত ও আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। এমনকি তাঁকে বিচারের আওতায় আনার দাবিও জোরালো হচ্ছে। এসব আলোচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাদের বক্তব্যও নতুন মাত্রা যোগ করেছে।   এদিকে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, সংস্কার কমিশন গঠন, আইন প্রণয়ন এবং বিদেশি চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে একাধিক রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে তাঁর সরকারের কর্মকাণ্ডের সাংবিধানিক বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে কমিশন গঠনের আবেদনও জানানো হয়েছে।   এর আগে ড. ইউনূসের সরকার গঠন ও শপথকে অবৈধ ঘোষণার দাবিতেও রিট করা হয়েছিল। যদিও আদালত সেটি খারিজ করে দেন, এরপর নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি চাপ বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।   বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘রেসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’। চুক্তিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটে বলা হয়েছে, এটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী এবং অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রিটকারীরা অভিযোগ করেছেন, চুক্তিতে অসম শুল্ক কাঠামো ও দেশীয় শিল্পের সম্ভাব্য ক্ষতির বিষয় রয়েছে।   তবে এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি ড. ইউনূস। রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, তাঁর নীরব অবস্থানও নতুন করে নানা ব্যাখ্যার জন্ম দিচ্ছে।   অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বিএনপি প্রকাশ্যে তুলনামূলক সংযত অবস্থান নিলেও দলটির বিভিন্ন বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সিদ্ধান্তের সমালোচনা উঠে এসেছে। একই সময়ে দেশের অর্থনীতি, জ্বালানি খাত, মূল্যস্ফীতি, প্রশাসনিক নিয়োগ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সরকার সমালোচনার মুখে রয়েছে।   বেলজিয়ামভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে। প্রতিবেদনে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, সুশাসন নিশ্চিত এবং বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডকে অবৈধ প্রমাণের চেষ্টা শেষ পর্যন্ত বর্তমান সংসদের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলার পথ তৈরি করতে পারে। আওয়ামী লীগ শুরু থেকেই অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘অবৈধ’ বলে আসছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনও বিভিন্ন বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলেছেন।   একই সময়ে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যেও হতাশা ও বিভাজনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন, আন্দোলনের মূল লক্ষ্য পূরণ হয়নি এবং কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক রূপান্তর অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। ফলে ভবিষ্যতে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ চাকরিতে বাড়ছে বাংলাদেশিদের আগ্রহ, যেভাবে যোগ দিতে পারবেন আপনিও

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতেও বাড়ছে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ। নিউইয়র্ক, মেরিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া, মিশিগান, টেক্সাস ও ক্যালিফোর্নিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বর্তমানে বহু বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ বিভাগে কর্মরত রয়েছেন। ভালো বেতন, চাকরির নিরাপত্তা, সম্মানজনক পেশা এবং কমিউনিটির সেবার সুযোগ থাকায় অনেকের এ পেশার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।   তবে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ অফিসার হতে হলে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। অধিকাংশ পুলিশ বিভাগে আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অথবা কিছু ক্ষেত্রে বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা (গ্রিন কার্ডধারী) হওয়ার শর্ত থাকে। আবেদনকারীর হাই স্কুল ডিপ্লোমা বা GED থাকতে হয় এবং অনেক বিভাগ কলেজ শিক্ষাকে অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করে।   পুলিশ বিভাগে যোগ দিতে হলে প্রথমে লিখিত পরীক্ষা, শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা, মেডিকেল পরীক্ষা এবং বিস্তারিত ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এছাড়া মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন ও সাক্ষাৎকারও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেক বিভাগে পলিগ্রাফ বা লাই ডিটেক্টর পরীক্ষাও নেওয়া হয়ে থাকে।   নির্বাচিত প্রার্থীদের পরে পাঠানো হয় পুলিশ একাডেমিতে। সেখানে কয়েক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণে আইন, অস্ত্র পরিচালনা, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা, আত্মরক্ষামূলক কৌশল এবং কমিউনিটি পুলিশিং সম্পর্কে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। একাডেমি শেষে নতুন কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে অভিজ্ঞ অফিসারের সঙ্গে কাজ করে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়।   আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলা ভাষা জানা এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা থাকায় কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। বিশেষ করে পারিবারিক সহিংসতা, সামাজিক বিরোধ বা কমিউনিটি সচেতনতা কার্যক্রমে বাংলাদেশি অফিসারদের উপস্থিতি ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।   বেতন ও সুযোগ-সুবিধার দিক থেকেও পেশাটি আকর্ষণীয়। অঙ্গরাজ্য ও বিভাগের ভিত্তিতে একজন পুলিশ অফিসারের বার্ষিক আয় সাধারণত ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ডলারের বেশি হতে পারে। এছাড়া স্বাস্থ্যবীমা, পেনশন, ওভারটাইম এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধাও পাওয়া যায়।   তবে পুলিশ বিভাগে যোগ দিতে আগ্রহীদের জন্য পরিষ্কার ব্যক্তিগত রেকর্ড, শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন এবং শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ছবি: সংগৃহীত
মিশিগানে স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ পদে নির্বাচন করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিনহাজ চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডিস্ট্রিক্ট-১৪ স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ পদে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিনহাজ চৌধুরী। আগামী ৪ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।   নির্বাচনী প্রচারণায় মিনহাজ চৌধুরী স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ছোট ব্যবসায় সহায়তা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কমিউনিটি সেবার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া রাস্তা সংস্কার, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সম্প্রসারণ এবং সামাজিক কর্মসূচি ও পার্ক উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।   তার প্রচারণার মূল স্লোগান হচ্ছে— “Vision. Dedication. Results. Unified, We Create Change.”   মিনহাজ চৌধুরী বলেন, তিনি এমন একটি অগ্রসর ও উদ্ভাবনী ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে চান যেখানে স্থানীয় ব্যবসা, অবকাঠামো ও কমিউনিটির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। মিশিগানে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির মধ্যেও তার প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় প্রবাসীরা বলছেন, মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অংশগ্রহণ কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করবে।

ছবি: সংগৃহীত
মেরিল্যান্ডের স্কুল বাস ড্রাইভার জিতেছেন ৫০ লাখ ডলারের লটারি

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের এক স্কুল বাস ড্রাইভার লটারিতে ৫০ লাখ ডলার জিতে রাতারাতি আলোচনায় এসেছেন। সৌভাগ্যবান ওই ব্যক্তির নাম মরিস উইলিয়ামস। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বাস চালকের কাজ করছেন।   স্থানীয় লটারি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে মরিস একটি সেভেন ইলেভেন দোকানে থেমে আগের একটি লটারিতে জেতা ৫০ ডলারের পুরস্কার ভাঙান। পরে সেই অর্থ দিয়েই তিনি আরেকটি স্ক্র্যাচ-অফ লটারির টিকিট কেনেন।   গাড়িতে বসে টিকিটটি পরীক্ষা করার সময় প্রথমে তিনি বুঝতে পারেননি যে তিনি জ্যাকপট জিতেছেন। পরে টিকিট স্ক্যান করার পর দেখা যায়, সেটিই ছিল ৫০ লাখ ডলারের শীর্ষ পুরস্কারজয়ী টিকিট।   মরিস বলেন, “প্রথমে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। স্ক্যান করার পর দেখি মিলেছে ৫৯ নম্বর, আর মজার বিষয় হলো কয়েকদিন আগেই আমার বয়স ৫৯ বছর হয়েছে।”   বড় অঙ্কের পুরস্কার জয়ের খবরটি তিনি প্রথমে তার মাকে জানান। মরিসের ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা তাকে শান্ত থাকতে বলেন এবং এই আনন্দের মুহূর্তে পাশে থাকেন।   পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যয় করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মরিস জানান, সবার আগে তিনি তার মায়ের জন্য একটি বাড়ি কিনতে চান। এছাড়া বাকি অর্থ সঞ্চয় করে ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করবেন।   এদিকে, বিজয়ী টিকিট বিক্রি করার কারণে সেভেন-ইলেভেন দোকানটিও ৫ হাজার ডলারের বিশেষ বোনাস পাবে।   ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মরিসের মায়ের জন্য বাড়ি কেনার সিদ্ধান্তকে মানবিক ও অনুপ্রেরণাদায়ক বলে মন্তব্য করছেন।

ছবি: সংগৃহীত
কোভিড সময়ের ট্যাক্স ফাইল নিয়ে আদালতের যে রায়ে অনেকেই পেতে পারেন রিফান্ড

কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেরিতে ট্যাক্স ফাইল করা বা সময়মতো কর জমা দিতে না পারায় জরিমানা ও সুদ পরিশোধ করা লাখো আমেরিকান এখন রিফান্ড পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতের সাম্প্রতিক রায়ের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।   “Kwong v. United States” মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ফেডারেল ক্লেইমস রায় দেয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় ট্যাক্স ফাইলিংয়ের সময়সীমা বাড়ানোর যে আইনি বিধান রয়েছে, তা কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও কার্যকর হওয়া উচিত ছিল। আদালতের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড জরুরি অবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত কার্যকর ছিল।   এই রায়ের ফলে ওই সময়ের মধ্যে দেরিতে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া বা সময়মতো কর পরিশোধ করতে না পারায় যাদের কাছ থেকে জরিমানা ও সুদ আদায় করা হয়েছিল, তারা সেই অর্থ ফেরত পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন বলে মনে করছেন কর বিশেষজ্ঞরা।   বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক আমেরিকান হয়তো না জেনেই অপ্রয়োজনীয় জরিমানা পরিশোধ করেছেন। মহামারির সময় চাকরি হারানো, অসুস্থতা, ব্যবসায় ক্ষতি কিংবা আর্থিক সংকটের কারণে বহু মানুষ সময়মতো ট্যাক্স ফাইল করতে পারেননি। আদালতের এই রায় তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।   তবে বিষয়টি এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। মামলাটি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আইআরএস এখন পর্যন্ত সবার জন্য স্বয়ংক্রিয় রিফান্ড ঘোষণা করেনি। ফলে কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভাব্য রিফান্ড পেতে আগ্রহীদের নিজেদের ট্যাক্স রেকর্ড পর্যালোচনা করা উচিত এবং প্রয়োজন হলে সংশোধিত রিটার্ন বা রিফান্ড দাবি জমা দিতে হবে।   এছাড়া রিফান্ড দাবির সময়সীমাও দ্রুত শেষ হয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই যারা কোভিড সময়ের ট্যাক্স জরিমানা বা সুদ পরিশোধ করেছিলেন, তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ছবি: আমেরিকা বাংলা
১৭ কোটি টাকার বৃত্তি নিয়ে হার্ভার্ডে অনন্যা, মিশিগানে বাঙালি কমিউনিটিতে উচ্ছ্বাস

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের বাঙালি কমিউনিটির জন্য গর্বের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেছেন অনন্যা চন্দ জেসি। ডেট্রয়েটের ক্যাস টেক হাইস্কুলের এই শিক্ষার্থী প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১৭ কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।   অনন্যা মিশিগানপ্রবাসী বিশ্বেশ্বর চন্দ ও শেলী শীল দম্পতির দ্বিতীয় কন্যা। তার এই সাফল্যের খবরে স্থানীয় বাঙালি কমিউনিটিতে আনন্দ ও গর্বের আবহ তৈরি হয়েছে।   নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অনন্যা জানান, তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রি-মেড’ বিষয়ে পড়াশোনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে এই অর্জন তাকে নতুন আত্মবিশ্বাস দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   অনন্যা বলেন, পড়াশোনা শেষ করে তিনি মেট্রো ডেট্রয়েট অঞ্চলের মানুষের সেবায় কাজ করতে চান।   শিক্ষাজীবনে অনন্যা একাডেমিক কৃতিত্বের পাশাপাশি নেতৃত্বমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি ‘ন্যাশনাল অনার সোসাইটি’র সভাপতি এবং ‘অ্যাকাডেমিক গেমস’-এর সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।   এ ছাড়া তিনি মিশিগান মেডিসিনের অ্যাডোলেসেন্ট হেলথ ইনিশিয়েটিভের রিচ বোর্ড এবং ‘ওমেন অব বাংলাটাউন ইউথ অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল’-এর সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।   মেধার স্বীকৃতি হিসেবে অনন্যা ‘পালাজো স্ট্রজি’ পুরস্কারও অর্জন করেছেন। এই পুরস্কারের আওতায় ইতালিতে বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। তবে সব সুযোগের মধ্যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়কেই নিজের প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি।   নিজের এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মা ও মেন্টরদের অবদানের কথা উল্লেখ করে অনন্যা বলেন, তাদের সমর্থন ও অনুপ্রেরণাই তাকে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছে।   কনিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অনন্যার বার্তা, “কখনো নিজের সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করে রাখবে না। মনে রাখবে, সাময়িক ব্যর্থতাও ভবিষ্যতের বড় সাফল্যের ভিত্তি হতে পারে।”  

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

বিশ্ব

View more
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
ডেস্ক রিপোর্ট মে ৮, ২০২৬ 0

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির বিধায়কদলের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী-কেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি হতে যাচ্ছেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে আলোচনা শেষে শুভেন্দুকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। অমিত শাহ জানান, দলনেতা নির্বাচনের জন্য একাধিক প্রস্তাব উঠলেও প্রতিটি প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। দ্বিতীয় কোনো নাম না আসায় সর্বসম্মতিক্রমেই তাকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দুর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। দলের ভেতরে তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছিল। রাজ্যের রাজনীতিতে তার উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে একাধিক নির্বাচনী লড়াই। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পান।  এরপর সাম্প্রতিক নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্রেই লড়াই করে তিনি আবারও মমতাকে পরাজিত করেন, এবং আগের তুলনায় ব্যবধানও বাড়ান। সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা, ট্রাম্প ‘মুখ রক্ষার’ চেষ্টায় সমঝোতা খুঁজছেন
হরমুজ প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা, ট্রাম্প ‘মুখ রক্ষার’ চেষ্টায় সমঝোতা খুঁজছেন
ডেস্ক রিপোর্ট মে ৭, ২০২৬ 0

হরমুজ প্রণালী দিয়ে সামুদ্রিক চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা খুঁজছেন বলে মন্তব্য করেছেন এক বিশ্লেষক।   তার মতে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনমতের সামনে প্রেসিডেন্টের অবস্থান রক্ষা করা।   তেহরানভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের বিশ্লেষক আলি আকবর দারেইনি আল জাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো দ্রুত চুক্তির ইঙ্গিত তিনি দেখছেন না। তার মতে, পরিস্থিতি এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।   তিনি বলেন, ট্রাম্প চীনে সফরের আগে কিছু অর্জন দেখাতে চেয়েছিলেন, তবে তিনি হরমুজ প্রণালী খুলতে সামরিক বা কূটনৈতিক কোনো প্রচেষ্টাতেই সফল হননি।   এই বিশ্লেষকের দাবি, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করলে তেহরান নতি স্বীকার করবে। তবে বাস্তবে তা ঘটেনি।   আলি আকবর দারেইনি আরও বলেন, “ইরান কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না। এমনকি ভবিষ্যতেও তা সম্ভব নয়।   হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি সরবরাহ চলাচল করে, ফলে বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে বাড়ছে সোনার দাম
ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে বাড়ছে সোনার দাম
ডেস্ক রিপোর্ট মে ৭, ২০২৬ 0

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা তিন কার্যদিবস ধরে বাড়ছে সোনার দাম। বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরুতেই মূল্যবান এই ধাতুর দাম শূন্য দশমিক তিন শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত ডলারের বিনিময় মূল্য হ্রাস পাওয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির খবরে বিনিয়োগকারীরা সোনার দিকে ঝুঁকছেন। বর্তমানে প্রতি আউন্স স্পট গোল্ডের দাম দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭০১ ডলারে। এর আগে গত বুধবার একদিনেই সোনার দাম প্রায় তিন শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল যা গত এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। বাজার বিশ্লেষকদের মতে মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড কমে আসা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনের আভাস পাওয়ায় বিশ্ববাজারে ডলার কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ইরান জানিয়েছে তারা বর্তমানে ওয়াশিংটনের দেওয়া একটি শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। সূত্রগুলো বলছে এই চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের অবসান হতে পারে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো নিয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরার আশায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও চলতি সপ্তাহে প্রায় ছয় শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছেন। চুক্তিটি সফল হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরার পাশাপাশি বিনিয়োগের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঘানার একটি গ্রামের সাধারণ দৃশ্য এবং উড়ন্ত ড্রোনের প্রতীকী চিত্র। ছবি: এআই
ঘানার দরিদ্র যুবকের হজযাত্রা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল গল্প, সত্যতা যাচাই হয়নি
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ৬, ২০২৬ 0

ঘানার একটি গ্রামের দরিদ্র যুবক আল-হাসান আবদুল্লাহকে ঘিরে একটি ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ঘটনাটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।   ভাইরাল হওয়া বিবরণ অনুযায়ী, তুরস্কের একটি চলচ্চিত্র দলের ড্রোন একদিন তার গ্রামের কাছে পড়ে যায়। সেটি খুঁজতে গিয়ে দলটি আল-হাসানকে ড্রোনটি হাতে দেখতে পায়।   সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিবরণে বলা হয়, ওই সময় তিনি মজার ছলে প্রশ্ন করেন, “এর চেয়ে বড় কোনো ড্রোন আছে কি, যা আমাকে মক্কায় নিয়ে যেতে পারে?” এরপর তার এই মন্তব্য এবং মুহূর্তটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।   পরবর্তীতে দাবি করা হয়, ঘটনাটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আল-হাসানকে হজ পালনের জন্য স্পনসর করা হয় এবং তিনি হজে যাওয়ার সুযোগ পান।   তবে এসব তথ্যের কোনো আনুষ্ঠানিক সূত্র বা স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি মূলত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি গল্প হিসেবে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।   গল্পটির শেষ অংশে বলা হয়, মানুষের জীবন কখনও কখনও অপ্রত্যাশিত ঘটনাকে ঘিরে পরিবর্তিত হতে পারে এবং সুযোগ আসে এমন জায়গা থেকে, যা আগে কল্পনাও করা যায় না।

Follow us

Trending

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

এপ্রিল ৩, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
321 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
307 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
236 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
Advertisement
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়