Live update news
খাবারের ভিডিও থেকে যেভাবে বাংলাদেশে আসা শুরু হয় সুলিভান ব্রাদার্সের

লবঙ্গ কাবাব অ্যান্ড ক্যাফেতে নান-মাংসের স্বাদ নিতে নিতেই যেন বদলে গেল দেশের ফুটবলের দৃশ্যপট। ফিলাডেলফিয়ার একটি স্থানীয় খাবারের দোকানে বসে কুইন সুলিভান যখন নিজের নানীর কথা বলছিলেন, কেউ কি ভেবেছিল সেই গল্পের সূত্র ধরেই বাংলাদেশের ঘরে আসবে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ শিরোপা? মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারে সেই আইকনিক 'পানেনকা শট'। বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ল গ্যালারির হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি। আর সেই ঐতিহাসিক গোলের নায়ক রোনান সুলিভান, যিনি মাত্র কয়েক মাস আগেও জানতেন না যে তিনি একদিন লাল-সবুজের জার্সি গায়ে মাঠ মাতাবেন। আমেরিকা থেকে বড় ভাই কুইন সুলিভানের চিৎকার— ‘চিপ ইট!’ যেন সমুদ্র পেরিয়ে পৌঁছে গিয়েছিল রোনানের কানে। ফুটবল সুলিভান ভাইদের রক্তে। বাবা ব্রেন্ডান সুলিভান খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার লিগে, মা হেইকে ছিলেন ডিভশন ওয়ান ফুটবলের অধিনায়ক। এমনকি তাদের বড় ভাই কুইন এখন খেলছেন লিওনেল মেসির সাথে একই লিগে, যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের (এমএলএস) তারকা তিনি। কিন্তু তাদের নাড়ির টান যে বাংলাদেশে! তাদের নানী সুলতানা আলম ছিলেন একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা, যিনি ঢাকা থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমিয়েছিলেন পেনসিলভ্যানিয়ায়। একটি অনলাইন পেজ 'সেভ বাংলাদেশ ফুটবল' প্রথম সেই খাবারের ভিডিও থেকে সুলিভানদের বংশসূত্র আবিষ্কার করে। এরপর যোগাযোগ হয় বাফুফের সাথে। ফলশ্রুতিতে রোনান ও ডেকলান সুলিভান এখন বাংলাদেশের সম্পদ। গোলরক্ষক মাহিনের বীরত্ব আর রোনানের সেই শৈল্পিক ফিনিশিংয়ে আজ দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বাংলাদেশের মাথায়। সুলিভান ভাইদের এই গল্প কেবল ফুটবলের নয়, এ যেন শিকড় খুঁজে পাওয়ার এক অনন্য উপাখ্যান।

২১ মিনিট Ago
আকাশে অজেয় নয় যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্প ও হেগসেথে দম্ভোক্তি চুরমার

ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘নিশ্চিহ্ন’ করার যে দাবি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করেছিলেন, তার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মাথায় চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ল মার্কিন বিমানবাহিনী। শুক্রবার ইরানের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে তেহরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। চলমান যুদ্ধের পাঁচ সপ্তাহের মাথায় এই প্রথম ইরানের অভ্যন্তরে কোনো মার্কিন মানবচালিত বিমান ধ্বংসের ঘটনা নিশ্চিত হওয়া গেল। সিএনএন-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন বলছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক এখনো অক্ষত। এমনকি দেশটির ড্রোন সক্ষমতার ৫০ শতাংশ এখনো কার্যকর রয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের আগের দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত। হেগসেথ দাবি করেছিলেন যে, মার্কিন বাহিনী ইরানের আকাশে ‘সম্পূর্ণ আধিপত্য’ বিস্তার করেছে, যা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। ভূপাতিত এফ-১৫ই বিমানটির দুজন ক্রু সদস্য প্যারাসুটের মাধ্যমে জরুরি অবতরণ করতে সক্ষম হন। মার্কিন বিশেষ বাহিনী একজনকে উদ্ধার করতে পারলেও অন্যজন এখনো ইরানি ভূখণ্ডে নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে খুঁজে বের করতে ব্যাপক তল্লাশি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান সরকার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। একই দিনে কুয়েতের আকাশে ইরানের গুলিতে একটি এ-১০ ওয়ার্থহগ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পাইলট অক্ষত থাকলেও পরপর দুটি বিমান হারানোর ঘটনায় মার্কিন সামরিক কৌশল নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, রণক্ষেত্রের বাস্তবতা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবির চেয়ে অনেক বেশি জটিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, ইরান এখনো এই অঞ্চলে ‘ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ’ চালানোর সক্ষমতা রাখে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মাধ্যমে ইরানের ক্ষতি করা হলেও তেহরানের প্রতিরক্ষা দেয়াল যে পুরোপুরি ভাঙেনি, শুক্রবারের ঘটনাই তার প্রমাণ। নিখোঁজ পাইলটকে ঘিরে এখন যুদ্ধের মোড় কোন দিকে ঘোরে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।

২৪ মিনিট Ago
দরূদে ইবরাহিমের পরিবর্তে অন্য দরূদ পড়লে কি নামাজ হবে?

নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠ করার পর দরূদ পাঠ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল যা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা কিংবা মতান্তরে ওয়াজিব হিসেবে গণ্য হয়।   সাধারণত নামাজের মধ্যে দরূদে ইবরাহিম পাঠ করা অধিক উত্তম কারণ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবিগণকে এটি বিশেষভাবে শিক্ষা দিয়েছেন।   তবে অনেকেরই এই বিশেষ দরূদটি পুরোপুরি মুখস্থ না থাকায় তারা কেবল ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ পাঠ করেন এবং এতে নামাজ হবে কি না তা নিয়ে দ্বিধায় থাকেন।   ইসলামি ফকিহ ও আলেমদের মতে নামাজের শেষ বৈঠকে যেকোনো স্বীকৃত ও সঠিক দরূদ পাঠ করলেই নামাজের এই সুন্নাতটি পুরোপুরি আদায় হয়ে যাবে।   বিখ্যাত আলেম ইবনে হাজার হাইতামি রহ. ও হানাফি ফকিহগণের বক্তব্য অনুযায়ী দরূদে ইবরাহিম সর্বোত্তম হলেও অন্য যেকোনো শব্দে দরূদ পড়লে নামাজের কোনো ক্ষতি হয় না।   যেহেতু ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ একটি স্বীকৃত ও পূর্ণাঙ্গ দরূদ তাই নামাজে এটি পাঠ করাকেও ধর্মীয় আইন অনুযায়ী যথেষ্ট বলে মনে করা হয়।   তবে একজন সচেতন মুসলিমের জন্য নামাজের প্রতিটি দোয়া ও বিশেষ করে দরূদে ইবরাহিম সহিহভাবে শিখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ও ভাগ্যের বিষয়।   ইবাদতের পূর্ণ সওয়াব ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে দরূদে ইবরাহিম মুখস্থ না থাকলে তা অবহেলা না করে দ্রুত মুখস্থ করে নেওয়া প্রত্যেক মুমিনের নৈতিক দায়িত্ব।   ধর্মীয় এই বিধানটি সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে নামাজের একাগ্রতা বাড়ে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।   নামাজ, দরূদে ইবরাহিম, ইসলাম ও জীবন, নামাজের দোয়া, মাসয়ালা, দরূদ পাঠের নিয়ম, ইসলামি প্রশ্ন উত্তর, ইবাদত, নামাজের বিধান, সুন্নাত, রাসূলের দরূদ, নামাজের মাসায়েল, ইসলামি শিক্ষা, ধর্মীয় জিজ্ঞাসা, নামাজের ফজিলত।  

৪ ঘন্টা Ago
রোনান সুলিভান: বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন রাজপুত্র এবং সাফ জয়ের মহানায়ক

  রোনান সুলিভান—বাংলাদেশের ফুটবল আকাশে উদিত হওয়া এক নতুন ধুমকেতু, যিনি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে লাল-সবুজের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে আনতে একাই পালন করেছেন মহাবীরত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা।   সুদূর আমেরিকা থেকে এসে বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামা এই তরুণের রক্তে মিশে আছে বাংলার চিরন্তন নাড়ির টান, যা তাকে বিদেশের আরামদায়ক জীবন ছেড়ে এই মাটির জন্য লড়তে উদ্বুদ্ধ করেছে।   ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমির মতো বিশ্বমানের ফুটবল পাঠশালায় নিজেকে গড়ে তোলা রোনান কেবল একজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় নন, বরং তিনি বাংলাদেশের আগামীর এক বিশাল ফুটবল প্রকল্পের প্রধান সেনাপতি।   সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে রোনানের পায়ের জাদু যেভাবে প্রতিপক্ষকে কুপোকাত করেছে, তা দেশের কোটি ফুটবল ভক্তের হৃদয়ে দীর্ঘকাল পর এক নতুন উন্মাদনা ও অসীম আশার আলো জ্বালিয়েছে।   টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচে তার ক্ষিপ্র গতি, অসামান্য ড্রিবলিং এবং নিখুঁত ফিনিশিং দেখে মনে হয়েছে বাংলাদেশের ফুটবল অবশেষে তার কাঙ্ক্ষিত গোল মেশিন বা এক সত্যিকারের ত্রাতা খুঁজে পেয়েছে।   পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তার লড়াকু মানসিকতা এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করার দক্ষতাই মূলত বাংলাদেশকে সাফের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে সবচাইতে বড় ও প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।   রোনানের দীর্ঘদেহী শারীরিক গঠন এবং বলের ওপর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ তাকে আধুনিক ফুটবলের এক পরিপূর্ণ স্ট্রাইকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার ডিফেন্ডারদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।   বিদেশের মাটিতে জন্ম ও বেড়ে উঠলেও রোনান প্রমাণ করেছেন যে নাড়ির টান এবং দেশের প্রতি মমত্ববোধ থাকলে যেকোনো বাধা ডিঙিয়ে বিদেশের মাঠ থেকেও জাতীয় দলের জন্য সাফল্য ছিনিয়ে আনা সম্ভব।   তার এই অভাবনীয় উত্থান বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশনের জন্য এক নতুন বার্তা দিচ্ছে যে, বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী প্রতিভাদের সঠিক মূল্যায়নে দেশের ফুটবলের চেহারা আমূল বদলে যেতে পারে।   রোনান সুলিভান কেবল বর্তমানের সাফ জয়ের নায়ক নন, বরং তিনি হচ্ছেন সেই বাতিঘর যাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ আগামীতে এশিয়ার বড় বড় ফুটবল শক্তিগুলোর চোখে চোখ রেখে লড়াই করার সাহস পাবে।   জাতীয় দলের মূল স্কোয়াডে রোনানের অন্তর্ভুক্ত হওয়া এখন সময়ের দাবি, কারণ তার মতো একজন জাত স্ট্রাইকারই পারে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের গোল খরা কাটিয়ে বড় বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে জয় ছিনিয়ে আনতে।   রোনানের স্বপ্ন এখন আরও বড়—লাল-সবুজের জার্সি গায়ে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করা এবং বাংলাদেশের ফুটবলকে দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডি ছাড়িয়ে এশিয়ার সেরাদের কাতারে নিয়ে যাওয়া যা এখন তার সামর্থ্যের ভেতরেই রয়েছে।   বাংলাদেশের ফুটবলের এই নতুন রাজপুত্রকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে তিনি হবেন এদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা আইকন, যার হাত ধরে বদলে যাবে এদেশের লক্ষ লক্ষ উদীয়মান তরুণ ফুটবলারের ভাগ্য।   সাফ জয়ের আনন্দ ছাপিয়ে এখন সাধারণ মানুষের মুখে একটিই নাম রোনান সুলিভান, যিনি প্রমাণ করেছেন ফুটবল কেবল একটি খেলা নয় বরং এটি একটি জাতির হাজার বছরের আবেগ ও আত্মপরিচয়।   সব বাধা পেরিয়ে রোনান এখন বাংলাদেশের আগামীর সুপারস্টার হওয়ার পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছেন এবং তার এই যাত্রা কেবল শুরু, যার শেষ হবে দেশের ফুটবলে এক নতুন স্বর্ণালী দিগন্তের উন্মোচনে।    

৪ ঘন্টা Ago
ছবি: সংগৃহীত।
আমেরিকা
আকাশে অজেয় নয় যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্প ও হেগসেথে দম্ভোক্তি চুরমার

ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘নিশ্চিহ্ন’ করার যে দাবি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করেছিলেন, তার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মাথায় চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ল মার্কিন বিমানবাহিনী। শুক্রবার ইরানের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে তেহরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। চলমান যুদ্ধের পাঁচ সপ্তাহের মাথায় এই প্রথম ইরানের অভ্যন্তরে কোনো মার্কিন মানবচালিত বিমান ধ্বংসের ঘটনা নিশ্চিত হওয়া গেল। সিএনএন-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন বলছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক এখনো অক্ষত। এমনকি দেশটির ড্রোন সক্ষমতার ৫০ শতাংশ এখনো কার্যকর রয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের আগের দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত। হেগসেথ দাবি করেছিলেন যে, মার্কিন বাহিনী ইরানের আকাশে ‘সম্পূর্ণ আধিপত্য’ বিস্তার করেছে, যা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। ভূপাতিত এফ-১৫ই বিমানটির দুজন ক্রু সদস্য প্যারাসুটের মাধ্যমে জরুরি অবতরণ করতে সক্ষম হন। মার্কিন বিশেষ বাহিনী একজনকে উদ্ধার করতে পারলেও অন্যজন এখনো ইরানি ভূখণ্ডে নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে খুঁজে বের করতে ব্যাপক তল্লাশি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান সরকার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। একই দিনে কুয়েতের আকাশে ইরানের গুলিতে একটি এ-১০ ওয়ার্থহগ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পাইলট অক্ষত থাকলেও পরপর দুটি বিমান হারানোর ঘটনায় মার্কিন সামরিক কৌশল নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, রণক্ষেত্রের বাস্তবতা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবির চেয়ে অনেক বেশি জটিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, ইরান এখনো এই অঞ্চলে ‘ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ’ চালানোর সক্ষমতা রাখে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মাধ্যমে ইরানের ক্ষতি করা হলেও তেহরানের প্রতিরক্ষা দেয়াল যে পুরোপুরি ভাঙেনি, শুক্রবারের ঘটনাই তার প্রমাণ। নিখোঁজ পাইলটকে ঘিরে এখন যুদ্ধের মোড় কোন দিকে ঘোরে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ব।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ছবি - সংগৃহিত
রোনান সুলিভান: বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন রাজপুত্র এবং সাফ জয়ের মহানায়ক

  রোনান সুলিভান—বাংলাদেশের ফুটবল আকাশে উদিত হওয়া এক নতুন ধুমকেতু, যিনি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে লাল-সবুজের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে আনতে একাই পালন করেছেন মহাবীরত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা।   সুদূর আমেরিকা থেকে এসে বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামা এই তরুণের রক্তে মিশে আছে বাংলার চিরন্তন নাড়ির টান, যা তাকে বিদেশের আরামদায়ক জীবন ছেড়ে এই মাটির জন্য লড়তে উদ্বুদ্ধ করেছে।   ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমির মতো বিশ্বমানের ফুটবল পাঠশালায় নিজেকে গড়ে তোলা রোনান কেবল একজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় নন, বরং তিনি বাংলাদেশের আগামীর এক বিশাল ফুটবল প্রকল্পের প্রধান সেনাপতি।   সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে রোনানের পায়ের জাদু যেভাবে প্রতিপক্ষকে কুপোকাত করেছে, তা দেশের কোটি ফুটবল ভক্তের হৃদয়ে দীর্ঘকাল পর এক নতুন উন্মাদনা ও অসীম আশার আলো জ্বালিয়েছে।   টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচে তার ক্ষিপ্র গতি, অসামান্য ড্রিবলিং এবং নিখুঁত ফিনিশিং দেখে মনে হয়েছে বাংলাদেশের ফুটবল অবশেষে তার কাঙ্ক্ষিত গোল মেশিন বা এক সত্যিকারের ত্রাতা খুঁজে পেয়েছে।   পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তার লড়াকু মানসিকতা এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করার দক্ষতাই মূলত বাংলাদেশকে সাফের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে সবচাইতে বড় ও প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।   রোনানের দীর্ঘদেহী শারীরিক গঠন এবং বলের ওপর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ তাকে আধুনিক ফুটবলের এক পরিপূর্ণ স্ট্রাইকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার ডিফেন্ডারদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।   বিদেশের মাটিতে জন্ম ও বেড়ে উঠলেও রোনান প্রমাণ করেছেন যে নাড়ির টান এবং দেশের প্রতি মমত্ববোধ থাকলে যেকোনো বাধা ডিঙিয়ে বিদেশের মাঠ থেকেও জাতীয় দলের জন্য সাফল্য ছিনিয়ে আনা সম্ভব।   তার এই অভাবনীয় উত্থান বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশনের জন্য এক নতুন বার্তা দিচ্ছে যে, বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী প্রতিভাদের সঠিক মূল্যায়নে দেশের ফুটবলের চেহারা আমূল বদলে যেতে পারে।   রোনান সুলিভান কেবল বর্তমানের সাফ জয়ের নায়ক নন, বরং তিনি হচ্ছেন সেই বাতিঘর যাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ আগামীতে এশিয়ার বড় বড় ফুটবল শক্তিগুলোর চোখে চোখ রেখে লড়াই করার সাহস পাবে।   জাতীয় দলের মূল স্কোয়াডে রোনানের অন্তর্ভুক্ত হওয়া এখন সময়ের দাবি, কারণ তার মতো একজন জাত স্ট্রাইকারই পারে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের গোল খরা কাটিয়ে বড় বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে জয় ছিনিয়ে আনতে।   রোনানের স্বপ্ন এখন আরও বড়—লাল-সবুজের জার্সি গায়ে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করা এবং বাংলাদেশের ফুটবলকে দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডি ছাড়িয়ে এশিয়ার সেরাদের কাতারে নিয়ে যাওয়া যা এখন তার সামর্থ্যের ভেতরেই রয়েছে।   বাংলাদেশের ফুটবলের এই নতুন রাজপুত্রকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে তিনি হবেন এদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা আইকন, যার হাত ধরে বদলে যাবে এদেশের লক্ষ লক্ষ উদীয়মান তরুণ ফুটবলারের ভাগ্য।   সাফ জয়ের আনন্দ ছাপিয়ে এখন সাধারণ মানুষের মুখে একটিই নাম রোনান সুলিভান, যিনি প্রমাণ করেছেন ফুটবল কেবল একটি খেলা নয় বরং এটি একটি জাতির হাজার বছরের আবেগ ও আত্মপরিচয়।   সব বাধা পেরিয়ে রোনান এখন বাংলাদেশের আগামীর সুপারস্টার হওয়ার পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছেন এবং তার এই যাত্রা কেবল শুরু, যার শেষ হবে দেশের ফুটবলে এক নতুন স্বর্ণালী দিগন্তের উন্মোচনে।    

ছবি - সংগৃহিত
দরূদে ইবরাহিমের পরিবর্তে অন্য দরূদ পড়লে কি নামাজ হবে?

নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠ করার পর দরূদ পাঠ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল যা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা কিংবা মতান্তরে ওয়াজিব হিসেবে গণ্য হয়।   সাধারণত নামাজের মধ্যে দরূদে ইবরাহিম পাঠ করা অধিক উত্তম কারণ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবিগণকে এটি বিশেষভাবে শিক্ষা দিয়েছেন।   তবে অনেকেরই এই বিশেষ দরূদটি পুরোপুরি মুখস্থ না থাকায় তারা কেবল ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ পাঠ করেন এবং এতে নামাজ হবে কি না তা নিয়ে দ্বিধায় থাকেন।   ইসলামি ফকিহ ও আলেমদের মতে নামাজের শেষ বৈঠকে যেকোনো স্বীকৃত ও সঠিক দরূদ পাঠ করলেই নামাজের এই সুন্নাতটি পুরোপুরি আদায় হয়ে যাবে।   বিখ্যাত আলেম ইবনে হাজার হাইতামি রহ. ও হানাফি ফকিহগণের বক্তব্য অনুযায়ী দরূদে ইবরাহিম সর্বোত্তম হলেও অন্য যেকোনো শব্দে দরূদ পড়লে নামাজের কোনো ক্ষতি হয় না।   যেহেতু ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ একটি স্বীকৃত ও পূর্ণাঙ্গ দরূদ তাই নামাজে এটি পাঠ করাকেও ধর্মীয় আইন অনুযায়ী যথেষ্ট বলে মনে করা হয়।   তবে একজন সচেতন মুসলিমের জন্য নামাজের প্রতিটি দোয়া ও বিশেষ করে দরূদে ইবরাহিম সহিহভাবে শিখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ও ভাগ্যের বিষয়।   ইবাদতের পূর্ণ সওয়াব ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে দরূদে ইবরাহিম মুখস্থ না থাকলে তা অবহেলা না করে দ্রুত মুখস্থ করে নেওয়া প্রত্যেক মুমিনের নৈতিক দায়িত্ব।   ধর্মীয় এই বিধানটি সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে নামাজের একাগ্রতা বাড়ে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।   নামাজ, দরূদে ইবরাহিম, ইসলাম ও জীবন, নামাজের দোয়া, মাসয়ালা, দরূদ পাঠের নিয়ম, ইসলামি প্রশ্ন উত্তর, ইবাদত, নামাজের বিধান, সুন্নাত, রাসূলের দরূদ, নামাজের মাসায়েল, ইসলামি শিক্ষা, ধর্মীয় জিজ্ঞাসা, নামাজের ফজিলত।  

রোনান সুলিভান
খাবারের ভিডিও থেকে যেভাবে বাংলাদেশে আসা শুরু হয় সুলিভান ব্রাদার্সের

লবঙ্গ কাবাব অ্যান্ড ক্যাফেতে নান-মাংসের স্বাদ নিতে নিতেই যেন বদলে গেল দেশের ফুটবলের দৃশ্যপট। ফিলাডেলফিয়ার একটি স্থানীয় খাবারের দোকানে বসে কুইন সুলিভান যখন নিজের নানীর কথা বলছিলেন, কেউ কি ভেবেছিল সেই গল্পের সূত্র ধরেই বাংলাদেশের ঘরে আসবে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ শিরোপা? মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারে সেই আইকনিক 'পানেনকা শট'। বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ল গ্যালারির হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি। আর সেই ঐতিহাসিক গোলের নায়ক রোনান সুলিভান, যিনি মাত্র কয়েক মাস আগেও জানতেন না যে তিনি একদিন লাল-সবুজের জার্সি গায়ে মাঠ মাতাবেন। আমেরিকা থেকে বড় ভাই কুইন সুলিভানের চিৎকার— ‘চিপ ইট!’ যেন সমুদ্র পেরিয়ে পৌঁছে গিয়েছিল রোনানের কানে। ফুটবল সুলিভান ভাইদের রক্তে। বাবা ব্রেন্ডান সুলিভান খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার লিগে, মা হেইকে ছিলেন ডিভশন ওয়ান ফুটবলের অধিনায়ক। এমনকি তাদের বড় ভাই কুইন এখন খেলছেন লিওনেল মেসির সাথে একই লিগে, যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের (এমএলএস) তারকা তিনি। কিন্তু তাদের নাড়ির টান যে বাংলাদেশে! তাদের নানী সুলতানা আলম ছিলেন একজন গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা, যিনি ঢাকা থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমিয়েছিলেন পেনসিলভ্যানিয়ায়। একটি অনলাইন পেজ 'সেভ বাংলাদেশ ফুটবল' প্রথম সেই খাবারের ভিডিও থেকে সুলিভানদের বংশসূত্র আবিষ্কার করে। এরপর যোগাযোগ হয় বাফুফের সাথে। ফলশ্রুতিতে রোনান ও ডেকলান সুলিভান এখন বাংলাদেশের সম্পদ। গোলরক্ষক মাহিনের বীরত্ব আর রোনানের সেই শৈল্পিক ফিনিশিংয়ে আজ দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট বাংলাদেশের মাথায়। সুলিভান ভাইদের এই গল্প কেবল ফুটবলের নয়, এ যেন শিকড় খুঁজে পাওয়ার এক অনন্য উপাখ্যান।

ছবি: সংগৃহীত
পারভেজের ঝড়ো ইনিংস, মোস্তাফিজের জোড়া উইকেট—লাহোর কালান্দার্সের জয়

বাংলাদেশি দুই ক্রিকেটার পারভেজ হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমানের দারুণ পারফরম্যান্সে জয়ের দেখা পেয়েছে লাহোর কালান্দার্স। মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ২০ রানের জয় তুলে নেয় দলটি। সংক্ষিপ্ত হয়ে ১৩ ওভারে নামা ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে লাহোর কালান্দার্স ৫ উইকেটে ১৮৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মুলতান সুলতানস ৫ উইকেটে থেমে যায় ১৬৫ রানে।   ব্যাট হাতে এদিন ঘুরে দাঁড়ান বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান পারভেজ হোসেন। আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থতার পর তিনি খেলেন ১৯ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস। শুরুটা ধীরগতির হলেও পরে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তিনি। বিশেষ করে মোহাম্মদ নেওয়াজের এক ওভারে টানা দুই ছক্কা ও একটি চার হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন।   এ ছাড়া ফয়সাল আকরামের ওভারে টানা তিন ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের ইনিংসকে আরও সমৃদ্ধ করেন পারভেজ। তার ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা ও ২টি চার। অল্পের জন্য ফিফটি মিস করলেও দলকে বড় সংগ্রহ পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।   বল হাতেও উজ্জ্বল ছিলেন আরেক বাংলাদেশি মোস্তাফিজুর রহমান। তিন ওভার বল করে ৩৭ রান দিয়ে তুলে নেন ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। তার শিকারদের মধ্যে ছিলেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও অধিনায়ক শান মাসুদ।   ফারহান ২৪ রান করে আউট হন, আর দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করা মাসুদ এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন মোস্তাফিজের বলে। ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের নৈপুণ্যে ভর করে ম্যাচে সহজ জয় তুলে নেয় লাহোর কালান্দার্স।

ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে কনডম সংকট, দাম বাড়তে পারে ৫০%

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে ভারত-এর কনডম বাজারে। সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, কাঁচামালের ঘাটতি এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে কনডম সংকট তৈরি হয়েছে, যার ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।   খাত–সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে নয়; বরং সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া, পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ কমে যাওয়া এবং উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় লুব্রিকেন্টের ঘাটতির সরাসরি ফল। বিশেষ করে সিলিকন তেল, যা কনডম উৎপাদনে অপরিহার্য, বর্তমানে সংকটে রয়েছে। পাশাপাশি কাঁচা ল্যাটেক্স সংরক্ষণে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়ার দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।   ভারতে প্রতিবছর ৪০০ কোটির বেশি কনডম উৎপাদিত হয়। এই খাতে HLL Lifecare Limited, Mankind Pharma এবং Cupid Limited-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহ সংকটে পড়েছে। এর মধ্যে শুধু HLL Lifecare-ই বছরে প্রায় ২২১ কোটি কনডম উৎপাদন করে।   উৎপাদকদের মতে, পিভিসি ফয়েল, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলসহ প্যাকেজিং উপকরণের দাম ও সরবরাহে অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যবস্থার বিঘ্ন উৎপাদন ও সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।   বর্তমানে ভারতের কনডম বাজার মূলত উচ্চ উৎপাদন ও কম মুনাফার ওপর নির্ভরশীল, যাতে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য এটি সাশ্রয়ী রাখা যায়। তবে চলমান সংকটে এই মডেলটি বড় চাপে পড়েছে। গত মার্চে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে জানানো হয়, জ্বালানি চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে দেশীয় পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হতে পারে, যা কাঁচামালের সংকট আরও বাড়াবে।   বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই সংকটের গুরুতর জনস্বাস্থ্যগত প্রভাব থাকতে পারে। পরিবার পরিকল্পনা ও যৌনবাহিত সংক্রমণ প্রতিরোধে কনডম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার কমে গেলে দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে বড় শহরগুলোতে এর প্রাথমিক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। মুম্বাই ও দিল্লি-এর বিভিন্ন ওষুধের দোকানে কনডম সরবরাহে অনিয়মিততা লক্ষ্য করা গেছে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে কনডম সংকট, দাম বাড়তে পারে ৫০%
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে ভারত-এর কনডম বাজারে। সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, কাঁচামালের ঘাটতি এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে কনডম সংকট তৈরি হয়েছে, যার ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।   খাত–সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে নয়; বরং সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া, পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ কমে যাওয়া এবং উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় লুব্রিকেন্টের ঘাটতির সরাসরি ফল। বিশেষ করে সিলিকন তেল, যা কনডম উৎপাদনে অপরিহার্য, বর্তমানে সংকটে রয়েছে। পাশাপাশি কাঁচা ল্যাটেক্স সংরক্ষণে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়ার দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।   ভারতে প্রতিবছর ৪০০ কোটির বেশি কনডম উৎপাদিত হয়। এই খাতে HLL Lifecare Limited, Mankind Pharma এবং Cupid Limited-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহ সংকটে পড়েছে। এর মধ্যে শুধু HLL Lifecare-ই বছরে প্রায় ২২১ কোটি কনডম উৎপাদন করে।   উৎপাদকদের মতে, পিভিসি ফয়েল, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলসহ প্যাকেজিং উপকরণের দাম ও সরবরাহে অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যবস্থার বিঘ্ন উৎপাদন ও সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।   বর্তমানে ভারতের কনডম বাজার মূলত উচ্চ উৎপাদন ও কম মুনাফার ওপর নির্ভরশীল, যাতে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য এটি সাশ্রয়ী রাখা যায়। তবে চলমান সংকটে এই মডেলটি বড় চাপে পড়েছে। গত মার্চে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে জানানো হয়, জ্বালানি চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে দেশীয় পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হতে পারে, যা কাঁচামালের সংকট আরও বাড়াবে।   বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই সংকটের গুরুতর জনস্বাস্থ্যগত প্রভাব থাকতে পারে। পরিবার পরিকল্পনা ও যৌনবাহিত সংক্রমণ প্রতিরোধে কনডম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার কমে গেলে দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে বড় শহরগুলোতে এর প্রাথমিক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। মুম্বাই ও দিল্লি-এর বিভিন্ন ওষুধের দোকানে কনডম সরবরাহে অনিয়মিততা লক্ষ্য করা গেছে।

ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানে ভারি বৃষ্টিপাতে ২৫ জনের মৃত্যু, বিপর্যস্ত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে টানা ভারি বৃষ্টিপাত ও বৈরী আবহাওয়ায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গত এক সপ্তাহে প্রদেশটির বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় অন্তত ২৫ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, গত ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই টানা বৃষ্টিপাতে প্রদেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রবল বর্ষণে এখন পর্যন্ত ৭৭টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৩৩টি বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কোহাট, বান্নু, ডেরা ইসমাইল খান এবং কারাক জেলা। এসব এলাকায় ভূমিধস এবং দেয়াল ধসে পড়ার মতো ঘটনায় অধিকাংশ হতাহতের ঘটনা ঘটে। দেশটির প্রধান জরুরি মানবিক সেবা সংস্থা ‘রেসকিউ ১১২২’ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। তারা দুর্গতদের চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া দুর্গম এলাকাগুলোর সড়ক থেকে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এদিকে আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই বৃষ্টিপাত আগামী শনিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় পিডিএমএ প্রদেশজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে এবং সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতি বছরই মৌসুমি ও প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টিপাতে পাকিস্তানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং পাহাড়ি এলাকায় অপরিকল্পিত বসতি স্থাপনের কারণে দুর্যোগের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবি: সংগৃহীত
আদালতের যুগান্তকারী রায়: ফ্রান্সে মুসলিম মহাসমাবেশের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাতিল
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0

প্যারিসের উত্তরাঞ্চলে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিশাল এক বার্ষিক সম্মেলন আয়োজনের পথ প্রশস্ত হলো। ফরাসি সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার অজুহাতে এই সমাবেশের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির একটি প্রশাসনিক আদালত।  আজ নির্ধারিত সময়ের মাত্র দুই ঘণ্টা আগে আদালত এই রায় প্রদান করেন, যা ফ্রান্সে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমাবেশের অধিকার রক্ষায় একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্যারিস পুলিশ বিভাগ দাবি করেছিল, চার দিনব্যাপী এই ‘অ্যানুয়াল এনকাউন্টার অব মুসলিমস অব ফ্রান্স’ চরমপন্থীদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে এবং এতে নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে। তবে আয়োজক সংস্থা ‘মুসলিমস অব ফ্রান্স’ (এমএফ) এই নিষেধাজ্ঞাকে মৌলিক স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে আদালতের দ্বারস্থ হয়। আদালত রায়ে স্পষ্ট করে বলেছে যে, পুলিশের পক্ষ থেকে এমন কোনো অকাট্য প্রমাণ পেশ করা সম্ভব হয়নি যা দিয়ে প্রমাণ হয় যে সমাবেশটিতে বড় কোনো হামলার ঝুঁকি রয়েছে বা এটি জননিরাপত্তার জন্য হুমকি। আদালত আরও উল্লেখ করেছে, আয়োজকরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছেন, তাই পুলিশের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার অজুহাতটিও গ্রহণযোগ্য নয়। ২০১৯ সালের পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আয়োজিত এই সম্মেলনটি ইউরোপের অন্যতম বড় মুসলিম মিলনমেলা হিসেবে পরিচিত, যেখানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। ফরাসি সরকারের নতুন 'বিচ্ছিন্নতাবাদ বিরোধী' আইনের প্রেক্ষাপটে এই আইনি লড়াইটিকে দেশটির গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিরক্ষায় বিপুল বরাদ্দ, জনকল্যাণে ছাঁটাই: ট্রাম্পের নতুন বাজেট প্রস্তাব ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তোলপাড়
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ২০২৬ অর্থবছরের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী ও বিতর্কিত বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন। এই প্রস্তাবিত বাজেটে একদিকে যেমন জাতীয় প্রতিরক্ষা ও সামরিক খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক খাতের ব্যয় বা ‘ডিসক্রিশনারি স্পেন্ডিং’ এক ধাক্কায় ১০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই বাজেট প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো সরকারি খরচ কমিয়ে আনা এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। তবে বিশ্লেষকদের মতে, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের বরাদ্দ কমিয়ে সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করায় মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে। বাজেট প্রস্তাবের মূল দিকগুলো: ১. প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড ব্যয়: ট্রাম্পের প্রস্তাবনায় পেন্টাগন বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আধুনিক সমরাস্ত্র সংগ্রহ এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে এই অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা হবে। ২. অভ্যন্তরীণ খাতে ব্যাপক কর্তন: ডিসক্রিশনারি স্পেন্ডিং বা বিবেচনামূলক ব্যয়ের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কাটছাঁটের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে আবাসন সহায়তা, সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প এবং বৈদেশিক সাহায্যের মতো বিষয়গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ৩. অর্থনৈতিক যুক্তি: ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, দেশের ক্রমবর্ধমান জাতীয় ঋণ কমাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই কঠোর কৃচ্ছ্রসাধন জরুরি। তারা মনে করছেন, সরকারি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে আনলে অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হবে। বাজেট প্রস্তাবটি ঘোষণার পরপরই ওয়াশিংটনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রিপাবলিকান শিবিরের অনেকেই এই সাহসী পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, ডেমোক্র্যাটরা এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। বিরোধী দলগুলোর মতে, এই বাজেট সাধারণ আমেরিকানদের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দেবে এবং কেবল সামরিক শিল্পকেই সমৃদ্ধ করবে। উল্লেখ্য যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের এই বাজেট প্রস্তাবটি কার্যকর করতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রেক্ষাপটে এই বাজেট পাশ করা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন বাজেট রূপরেখা বিশ্ব অর্থনীতি এবং ভূ-রাজনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
237 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
244 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
173 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
আইন-আদালত
Advertisement
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়