Live update news
তোলপাড় সৃষ্টি করেছে ডিপসিক-ভি৪, এআই দুনিয়ায় এবার রাজত্ব করতে যাচ্ছে চীন?

বিশ্বের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাজারে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই এবার আরও তুঙ্গে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের জেমিনাই-কে সরাসরি টেক্কা দিতে চীনভিত্তিক স্টার্টআপ ‘ডিপসিক’ বাজারে এনেছে তাদের লেটেস্ট মডেল ‘ডিপসিক-ভি৪’।  শুক্রবার (২৪ এপ্রিল, ২০২৬) এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় কোম্পানিটি এই নতুন মডেলের প্রিভিউ সংস্করণ উন্মোচন করেছে। মার্কিন মডেলের চেয়েও সস্তা:ডিপসিক-ভি৪ এর সবচেয়ে বড় চমক হলো এর অবিশ্বাস্য কম দাম। কোম্পানিটির দাবি, তাদের এই মডেলটি ব্যবহার করতে খরচ হবে ওপেনএআই বা অ্যানথ্রপিকের মডেলগুলোর তুলনায় কয়েক গুণ কম।  যেখানে মার্কিন কোম্পানিগুলো তাদের শক্তিশালী মডেলগুলোর এপিআই (API) ব্যবহারের জন্য উচ্চমূল্য রাখে, সেখানে ডিপসিক অত্যন্ত সস্তায় একই মানের বা তার চেয়েও উন্নত সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কারিগরি সক্ষমতা: ডিপসিকের নতুন এই মডেলে রয়েছে ‘ভি৪-প্রো’ (V4-Pro) এবং ‘ভি৪-ফ্ল্যাশ’ (V4-Flash) নামক দুটি সংস্করণ। এর মধ্যে প্রো সংস্করণটিতে ১.৬ ট্রিলিয়ন প্যারামিটার রয়েছে, যা একে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এআই মডেলে পরিণত করেছে। এটি গণিত এবং কোডিংয়ের ক্ষেত্রে ওপেন-সোর্স মডেলগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে এবং বিশ্বজ্ঞানের ক্ষেত্রে জেমিনাই ৩.১-প্রো-র ঠিক পরেই এর অবস্থান। ১ মিলিয়ন টোকেন উইন্ডো: গবেষকদের মতে, ডিপসিক-ভি৪ এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ১ মিলিয়ন টোকেন সমৃদ্ধ কন্টেক্সট উইন্ডো। এর মানে হলো, এই এআই একবারে কয়েক হাজার পৃষ্ঠার বই বা বিশালাকার কোডবেস বিশ্লেষণ করতে পারবে কোনো তথ্য না হারিয়েই। হুয়াওয়ে চিপের প্রভাব: মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এনভিডিয়া (Nvidia) চিপের সংকট থাকলেও, ডিপসিক তাদের এই মডেলটিকে চীনের তৈরি হুয়াওয়ে অ্যাসেন্ড (Huawei Ascend) চিপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করেছে। এটি প্রমাণ করে যে, হার্ডওয়্যার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও চীন এআই প্রযুক্তিতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

২ ঘন্টা Ago
ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ৮ দিনেও মেলেনি সন্ধান

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী গত আট দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবার ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে। এ অবস্থায় স্থানীয় পুলিশ সর্বসাধারণের সহায়তা চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।   নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী হলেন জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। তারা দুজনই সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছেন। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে প্রায় দুই বছর আগে তারা যুক্তরাষ্ট্রে যান।   পুলিশ জানায়, গত ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে তাদের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। লিমনকে সর্বশেষ ওই দিন সকাল ৯টার দিকে টেম্পা শহরের বাসায় দেখা যায়। অন্যদিকে বৃষ্টিকে সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেম্পা ক্যাম্পাসে সর্বশেষ দেখা গেছে।   বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা ল্যারি ম্যাককিনন জানান, পরিবারের সদস্যরা ১৭ এপ্রিল বিকেলে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানান। এর আগে ২৪ ঘণ্টা ধরে তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি স্বজনরা। এরপর পুলিশ সম্ভাব্য সব উপায়ে খোঁজ চালিয়েও তাদের সন্ধান পায়নি।   পুলিশ আরও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কোনো অপরাধের আলামত মেলেনি। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং গোয়েন্দারা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি ফেডারেল ও স্টেট পর্যায়ের নিখোঁজ ব্যক্তিদের ডেটাবেসেও তাদের তথ্য যুক্ত করা হয়েছে।   লিমনের ছোট ভাই জুবায়ের আহমেদ জানান, লিমন ও বৃষ্টির মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা বিয়ের পরিকল্পনাও করেছিলেন। তবে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত ছিল তাদের।   লিমন জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এবং বৃষ্টি কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছেন। তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কেউ তাদের সন্ধান পেলে ৮১৩-৯৭৪-২৬২৮ নম্বরে ফ্লোরিডা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

২ ঘন্টা Ago
এক টিকিটের দাম ২৩ কোটি টাকা! ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল খেলা হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল

২০২৬ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা এখনই চরমে। তবে ফুটবল প্রেমীদের জন্য এবার এক চমকে দেওয়ার মতো খবর সামনে এসেছে। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের একটি টিকিটের দাম হাঁকানো হচ্ছে অবিশ্বাস্য ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ কোটি টাকারও বেশি! সম্প্রতি টিকিট পুনঃবিক্রয়কারী একটি প্ল্যাটফর্মে এই চড়া দাম লক্ষ্য করা গেছে। সাধারণত ফিফা কর্তৃক নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে টিকিট রিসেল বা পুনঃবিক্রয় করার ঘটনা নতুন নয়, তবে ২০ লাখ ডলারের এই অঙ্ক সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। যদিও ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ জনগণের জন্য টিকিটের মূল্য তালিকা প্রকাশ করেনি, তবে রিসেলারদের এমন কর্মকাণ্ডে ফুটবল ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় টিকিটের সংখ্যা কম হওয়ায় কালোবাজারি এবং বিভিন্ন থার্ড পার্টি ওয়েবসাইটগুলো এই সুযোগ নিচ্ছে। ফিফা বরাবরই দর্শকদের সতর্ক করে আসছে যেন তারা কেবল অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকেই টিকিট সংগ্রহ করেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮টি দল অংশ নেবে, ফলে ম্যাচ এবং টিকিটের সংখ্যা বাড়লেও ফাইনালের মতো হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের টিকিটের জন্য দর্শকদের বড় অঙ্কের অর্থই গুণতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২ ঘন্টা Ago
নিউইয়র্কে ভাড়া স্থগিতের দাবিতে চাপ বাড়ছে, উত্তপ্ত রেন্ট বোর্ডের শুনানি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে ভাড়া সংকটকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রেন্ট গাইডলাইনস বোর্ড- এর সাম্প্রতিক শুনানি। এতে অংশ নিয়ে ভাড়াটিয়া অধিকারকর্মীরা শহরের সব ভাড়া-নিয়ন্ত্রিত লিজের ওপর অবিলম্বে ভাড়া স্থগিত কার্যকরের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৪ লাখ ভাড়াটিয়া সরাসরি উপকৃত হবেন।   শুনানিতে বক্তব্য দেন নিউইয়র্ক স্টেট টেন্যান্ট ব্লকের নির্বাহী পরিচালক সুমাথি কুমার, চায়নাটাউন টেন্যান্ট ইউনিয়নের সংগঠক জুলি জু এবং হাউজিং কনজারভেশন কোঅর্ডিনেটরস-এর কমিউনিটি সংগঠক এলিসা মার্টিনেজ। তারা বলেন, বর্তমান সংকট শুধু ভাড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অভিবাসন অভিযানের চাপ, যুদ্ধজনিত মূল্যস্ফীতি এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় সংকোচন।   ভাড়াটিয়া নেতাদের দাবি, এই বহুমাত্রিক সংকট মোকাবিলায় ভাড়া স্থগিতই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে এ দাবির পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হয়েছে। গত বসন্তে প্রায় ২০ হাজার ভাড়াটিয়া এতে স্বাক্ষর করেছেন এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে এক মিলিয়নের বেশি ভোটার ভাড়া স্থগিতের প্রতিশ্রুতিদাতা প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৭৮ শতাংশ নিউইয়র্কবাসী এ দাবির পক্ষে।   তাদের যুক্তি, বিদ্যমান তথ্য-উপাত্তও এই দাবিকে সমর্থন করে। রেন্ট বোর্ডের নিজস্ব প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছর বাড়িওয়ালাদের মুনাফা ৬ শতাংশ বেড়েছে এবং গত তিন বছরে তাদের নিট পরিচালন আয় প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে ভাড়া বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ, অথচ ভাড়াটিয়াদের আয় তেমন বাড়েনি। একটি জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেকের বেশি ভাড়াটিয়া দৈনন্দিন খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন এবং দুই-তৃতীয়াংশের কোনো জরুরি সঞ্চয় নেই।   শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভাড়া বৃদ্ধি বাড়িওয়ালাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণকে উৎসাহিত করছে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া ভবনের রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় না করে ঋণ পরিশোধ বা নতুন সম্পত্তি কেনায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি শহরের মেরামত সহায়তা কর্মসূচিতে অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও অনেক বাড়িওয়ালা তাতে আবেদন করেননি যা তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।   বর্তমানে নিউইয়র্কে ভাড়াটিয়াদের আর্থিক চাপ চরমে পৌঁছেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শহরের প্রায় ৫১.৬ শতাংশ ভাড়াটিয়া তাদের আয়ের ৩০ শতাংশের বেশি ভাড়ায় ব্যয় করছেন এবং প্রায় ২৮.৮ শতাংশ ভাড়াটিয়া তাদের আয়ের অর্ধেকের বেশি ভাড়ার পেছনে খরচ করছেন। বিশেষ করে ব্রঙ্কস এলাকায় কম আয়ের বিপরীতে ভাড়া দ্রুত বাড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।   এছাড়া ২০২৫ সালে শহরে উচ্ছেদের হার প্রায় ৯.৭ শতাংশ বেড়েছে, যা ভাড়াটিয়াদের অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন খরচ এখন মূল্যস্ফীতির অন্যতম প্রধান কারণ এবং অধিকাংশ পরিবারের মাসিক ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ।   এই প্রেক্ষাপটে ভাড়াটিয়া নেতারা মনে করছেন, ভাড়া স্থগিত কেবল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নও। তাদের দাবি, রেন্ট গাইডলাইনস বোর্ডের উচিত বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, যাতে নিউইয়র্কের লাখো ভাড়াটিয়া কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন।

২ ঘন্টা Ago
ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা
নিউইয়র্কে ভাড়া স্থগিতের দাবিতে চাপ বাড়ছে, উত্তপ্ত রেন্ট বোর্ডের শুনানি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে ভাড়া সংকটকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রেন্ট গাইডলাইনস বোর্ড- এর সাম্প্রতিক শুনানি। এতে অংশ নিয়ে ভাড়াটিয়া অধিকারকর্মীরা শহরের সব ভাড়া-নিয়ন্ত্রিত লিজের ওপর অবিলম্বে ভাড়া স্থগিত কার্যকরের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৪ লাখ ভাড়াটিয়া সরাসরি উপকৃত হবেন।   শুনানিতে বক্তব্য দেন নিউইয়র্ক স্টেট টেন্যান্ট ব্লকের নির্বাহী পরিচালক সুমাথি কুমার, চায়নাটাউন টেন্যান্ট ইউনিয়নের সংগঠক জুলি জু এবং হাউজিং কনজারভেশন কোঅর্ডিনেটরস-এর কমিউনিটি সংগঠক এলিসা মার্টিনেজ। তারা বলেন, বর্তমান সংকট শুধু ভাড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অভিবাসন অভিযানের চাপ, যুদ্ধজনিত মূল্যস্ফীতি এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় সংকোচন।   ভাড়াটিয়া নেতাদের দাবি, এই বহুমাত্রিক সংকট মোকাবিলায় ভাড়া স্থগিতই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে এ দাবির পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হয়েছে। গত বসন্তে প্রায় ২০ হাজার ভাড়াটিয়া এতে স্বাক্ষর করেছেন এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে এক মিলিয়নের বেশি ভোটার ভাড়া স্থগিতের প্রতিশ্রুতিদাতা প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৭৮ শতাংশ নিউইয়র্কবাসী এ দাবির পক্ষে।   তাদের যুক্তি, বিদ্যমান তথ্য-উপাত্তও এই দাবিকে সমর্থন করে। রেন্ট বোর্ডের নিজস্ব প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছর বাড়িওয়ালাদের মুনাফা ৬ শতাংশ বেড়েছে এবং গত তিন বছরে তাদের নিট পরিচালন আয় প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে ভাড়া বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ, অথচ ভাড়াটিয়াদের আয় তেমন বাড়েনি। একটি জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেকের বেশি ভাড়াটিয়া দৈনন্দিন খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন এবং দুই-তৃতীয়াংশের কোনো জরুরি সঞ্চয় নেই।   শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভাড়া বৃদ্ধি বাড়িওয়ালাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণকে উৎসাহিত করছে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া ভবনের রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় না করে ঋণ পরিশোধ বা নতুন সম্পত্তি কেনায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি শহরের মেরামত সহায়তা কর্মসূচিতে অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও অনেক বাড়িওয়ালা তাতে আবেদন করেননি যা তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।   বর্তমানে নিউইয়র্কে ভাড়াটিয়াদের আর্থিক চাপ চরমে পৌঁছেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শহরের প্রায় ৫১.৬ শতাংশ ভাড়াটিয়া তাদের আয়ের ৩০ শতাংশের বেশি ভাড়ায় ব্যয় করছেন এবং প্রায় ২৮.৮ শতাংশ ভাড়াটিয়া তাদের আয়ের অর্ধেকের বেশি ভাড়ার পেছনে খরচ করছেন। বিশেষ করে ব্রঙ্কস এলাকায় কম আয়ের বিপরীতে ভাড়া দ্রুত বাড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।   এছাড়া ২০২৫ সালে শহরে উচ্ছেদের হার প্রায় ৯.৭ শতাংশ বেড়েছে, যা ভাড়াটিয়াদের অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন খরচ এখন মূল্যস্ফীতির অন্যতম প্রধান কারণ এবং অধিকাংশ পরিবারের মাসিক ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ।   এই প্রেক্ষাপটে ভাড়াটিয়া নেতারা মনে করছেন, ভাড়া স্থগিত কেবল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নও। তাদের দাবি, রেন্ট গাইডলাইনস বোর্ডের উচিত বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, যাতে নিউইয়র্কের লাখো ভাড়াটিয়া কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
তোলপাড় সৃষ্টি করেছে ডিপসিক-ভি৪, এআই দুনিয়ায় এবার রাজত্ব করতে যাচ্ছে চীন?

বিশ্বের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাজারে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই এবার আরও তুঙ্গে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের জেমিনাই-কে সরাসরি টেক্কা দিতে চীনভিত্তিক স্টার্টআপ ‘ডিপসিক’ বাজারে এনেছে তাদের লেটেস্ট মডেল ‘ডিপসিক-ভি৪’।  শুক্রবার (২৪ এপ্রিল, ২০২৬) এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় কোম্পানিটি এই নতুন মডেলের প্রিভিউ সংস্করণ উন্মোচন করেছে। মার্কিন মডেলের চেয়েও সস্তা:ডিপসিক-ভি৪ এর সবচেয়ে বড় চমক হলো এর অবিশ্বাস্য কম দাম। কোম্পানিটির দাবি, তাদের এই মডেলটি ব্যবহার করতে খরচ হবে ওপেনএআই বা অ্যানথ্রপিকের মডেলগুলোর তুলনায় কয়েক গুণ কম।  যেখানে মার্কিন কোম্পানিগুলো তাদের শক্তিশালী মডেলগুলোর এপিআই (API) ব্যবহারের জন্য উচ্চমূল্য রাখে, সেখানে ডিপসিক অত্যন্ত সস্তায় একই মানের বা তার চেয়েও উন্নত সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কারিগরি সক্ষমতা: ডিপসিকের নতুন এই মডেলে রয়েছে ‘ভি৪-প্রো’ (V4-Pro) এবং ‘ভি৪-ফ্ল্যাশ’ (V4-Flash) নামক দুটি সংস্করণ। এর মধ্যে প্রো সংস্করণটিতে ১.৬ ট্রিলিয়ন প্যারামিটার রয়েছে, যা একে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এআই মডেলে পরিণত করেছে। এটি গণিত এবং কোডিংয়ের ক্ষেত্রে ওপেন-সোর্স মডেলগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে এবং বিশ্বজ্ঞানের ক্ষেত্রে জেমিনাই ৩.১-প্রো-র ঠিক পরেই এর অবস্থান। ১ মিলিয়ন টোকেন উইন্ডো: গবেষকদের মতে, ডিপসিক-ভি৪ এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ১ মিলিয়ন টোকেন সমৃদ্ধ কন্টেক্সট উইন্ডো। এর মানে হলো, এই এআই একবারে কয়েক হাজার পৃষ্ঠার বই বা বিশালাকার কোডবেস বিশ্লেষণ করতে পারবে কোনো তথ্য না হারিয়েই। হুয়াওয়ে চিপের প্রভাব: মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এনভিডিয়া (Nvidia) চিপের সংকট থাকলেও, ডিপসিক তাদের এই মডেলটিকে চীনের তৈরি হুয়াওয়ে অ্যাসেন্ড (Huawei Ascend) চিপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করেছে। এটি প্রমাণ করে যে, হার্ডওয়্যার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও চীন এআই প্রযুক্তিতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত।
ছাই থেকে ফিরল আভিজাত্য: ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা থেকে মুক্ত উগান্ডার ‘কাসুবি সমাধি’

উগান্ডার ঐতিহ্য এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতীক ‘কাসুবি সমাধি’ (Kasubi Tombs) দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর তার হারানো গৌরব ফিরে পেয়েছে। ২০১০ সালের এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কঠোর পরিশ্রম এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি এখন আগের রূপে ফিরেছে। এর ফলে ইউনেস্কো তাদের ‘ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যের’ তালিকা থেকে এই স্থানটিকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় অবস্থিত এই কাসুবি সমাধি বুগান্ডা রাজ্যের রাজাদের শেষ শয়ানের স্থান। এটি কেবল একটি সমাধিস্থল নয়, বরং বুগান্ডা জনগোষ্ঠীর কাছে এক পবিত্র আধ্যাত্মিক কেন্দ্র। ১৮৮২ সালে নির্মিত এই স্থাপনাটি মূলত ছিল বুগান্ডা রাজাদের প্রাসাদ, যা ১৮৮৪ সালে রাজকীয় সমাধিসৌধে রূপান্তরিত হয়। ২০১০ সালের সেই রহস্যময় অগ্নিকাণ্ডে সমাধিটির প্রধান কাঠামোর অধিকাংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। ঐতিহ্যবাহী কাঠ, খড় এবং বাঁশ দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।  এই ঘটনায় পুরো উগান্ডায় শোকের ছায়া নেমে এসেছিল এবং স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। দীর্ঘ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় স্থানীয় কারিগরদের পাশাপাশি ইউনেস্কো এবং জাপান সরকারের উল্লেখযোগ্য আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা ছিল। পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী এবং জৈব উপাদানের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে স্থাপনাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির সভায় কাসুবি সমাধিকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংস্থাটি জানায়, সফল সংস্কার এবং আধুনিক অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে সাইটটি এখন সংরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। উগান্ডার পর্যটন ও ঐতিহ্য প্রেমীদের জন্য এটি একটি বড় বিজয়। কাসুবি সমাধি এখন আবার পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত, যা পূর্ব আফ্রিকার সমৃদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।  

ছবি: সংগৃহীত
সংসদ ভবন থেকেই লোডশেডিং শুরু করার প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং মোকাবিলায় জাতীয় সংসদ ভবন থেকেই বিদ্যুৎ সাশ্রয় শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এই প্রস্তাব করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদ অধিবেশন বন্ধ না করে সংসদ ভবনের বিভিন্ন অফিসে লোডশেডিং করা যেতে পারে।   এর আগে অধিবেশনে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে এখন থেকে রাজধানীতেও পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহরের মানুষ আরামে থাকবে আর গ্রামের মানুষ কষ্টে থাকবে—এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। মূলত জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে।   সরকারি তথ্যানুযায়ী, গত বুধবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। দৈনিক প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি থাকায় দেশজুড়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সংকটের বড় কারণ বিগত সরকারের অব্যবস্থাপনা। কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা বেশি দেখানো হলেও বাস্তবে ব্যাপক গড়মিল রয়েছে।   অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে অধিবেশন সচল রাখার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেন। জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা স্পষ্ট করেন যে, তিনি অধিবেশন চলাকালে নয় বরং সংসদ ভবনের প্রশাসনিক শাখাগুলোতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা বলেছেন। এর মাধ্যমে জনগণের কষ্টের অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পারমাণবিক বোম
শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চীনের পারমাণবিক ভাণ্ডারের নজিরবিহীন বিস্তার

শি জিনপিংয়ের দূরদর্শী সামরিক কৌশলের অধীনে চীন তাদের পারমাণবিক সক্ষমতাকে এক অভাবনীয় উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে, যা বর্তমান বিশ্ব নিরাপত্তার সমীকরণকে আমূল বদলে দিচ্ছে। পেন্টাগনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে চীনের কাছে যেখানে প্রায় ৩০০টি কার্যকর পারমাণবিক ওয়ারহেড ছিল, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে সেই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে অন্তত ৬০০-তে পৌঁছেছে। এই দ্রুতগতির বিস্তার প্রমাণ করে যে, বেইজিং কেবল তার আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে চায় না, বরং ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি নাগাদ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সমকক্ষ একটি বৈশ্বিক পারমাণবিক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে চায়। ধারণা করা হচ্ছে, চীনের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের ওয়ারহেড সংখ্যা ১,৫০০-এ পৌঁছাতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে এক নতুন এবং বিপজ্জনক অস্ত্র প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।   চীনের এই পারমাণবিক আধুনিকীকরণের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো তাদের প্রযুক্তির বহুমুখিতা এবং গোপনীয়তা। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় মরুভূমিগুলোতে শত শত নতুন ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) সাইলো বা ভূগর্ভস্থ নিক্ষেপণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে, যেখান থেকে অত্যাধুনিক ডিএফ-৪১ (DF-41) ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া সম্ভব।   একইসাথে চীন তাদের 'নিউক্লিয়ার ট্রায়াড' বা তিন স্তরীয় পারমাণবিক আক্রমণ ব্যবস্থা (স্থল, আকাশ ও সমুদ্র) সম্পূর্ণ করতে অত্যন্ত সক্রিয়। তারা যেমন সমুদ্রের তলদেশ থেকে পারমাণবিক হামলার জন্য অত্যাধুনিক সাবমেরিন তৈরি করছে, তেমনি আকাশে তাদের দূরপাল্লার বোমারু বিমানের বহরকেও ঢেলে সাজাচ্ছে। যদিও চীন দাবি করে আসছে যে তাদের এই পরমাণু নীতি কেবল "ন্যূনতম প্রতিরোধ"গড়ার জন্য এবং তারা কখনোই প্রথমে পারমাণবিক হামলা করবে না, তবুও তাদের ভাণ্ডারের এই বিশাল আকার ও আধুনিকায়ন আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ করে ওয়াশিংটনে চরম অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির এই সন্ধিক্ষণে চীনের এই পারমাণবিক উত্থান আগামী দিনে ক্ষমতার ভারসাম্যকে সম্পূর্ণ নতুন এক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিবে |

সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত | ছবি: সংগৃহীত
সেচ সুবিধা দিতে এবার ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত

ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, শহর ও গ্রামের বিদ্যুৎ বৈষম্য কমাতেই মূলত রাজধানীতে প্রাথমিকভাবে এই লোডশেডিং চালু করা হচ্ছে।   দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। গতকাল সর্বোচ্চ ১৬ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। ফলে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ডিজেল সরবরাহের নির্দেশ দেওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাজধানী থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   জ্বালানি সংকটের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদার বিপরীতে সরবরাহে বড় ঘাটতি রয়ে গেছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতির আশ্বাস দেন তিনি। বর্তমানে গ্যাসের দৈনিক সরবরাহ ২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট, যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ১ হাজার ১৬৪ মিলিয়ন ঘনফুট কম।   প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, একটি আমদানিনির্ভর ও একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে এই কেন্দ্রগুলো উৎপাদনে ফিরলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত সহনীয় পর্যায়ে আনার অঙ্গীকার করেন প্রতিমন্ত্রী।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
দুবাই বা কাতার নয়, এবার বিশ্ব এভিয়েশনে রাজত্ব করতে নামছে ইথিওপিয়া!
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0

আফ্রিকার আকাশপথের রাজা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বিশাল এক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে ইথিওপিয়া। দেশটির রাজধানী আদ্দিস আবাবার অদূরে বিশোফতুতে ১২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা) ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে মহাদেশটির বৃহত্তম বিমানবন্দর। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন এই বিমানবন্দরটি বর্তমানে আফ্রিকার সবচেয়ে ব্যস্ত 'বোলে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট'-এর ওপর চাপ কমাতে তৈরি করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পের প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে, যার মাধ্যমে বছরে ৬ কোটি যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। পুরো প্রকল্প শেষ হলে এর সক্ষমতা দাঁড়াবে বছরে ১১ কোটি যাত্রীতে, যা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর আটলান্টার সক্ষমতার কাছাকাছি। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের সিইও মেসফিন তাসিউ জানিয়েছেন, এই বিমানবন্দরে একই সাথে ২৭০টি বিমান পার্কিংয়ের সুবিধা থাকবে। বিশাল এই প্রকল্পে থাকবে চারটি রানওয়ে এবং অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা। মূলত ট্রানজিট যাত্রীদের জন্য একটি বিশ্বমানের হাব তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। উল্লেখ্য যে, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স বর্তমানে আফ্রিকার বৃহত্তম বিমান সংস্থা এবং সম্প্রতি তারা ঢাকা থেকেও সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে। এই নতুন বিমানবন্দরটি চালু হলে তা বিশ্ববাণিজ্য ও পর্যটনে আফ্রিকার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবি: সংগৃহীত।
ছাই থেকে ফিরল আভিজাত্য: ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা থেকে মুক্ত উগান্ডার ‘কাসুবি সমাধি’
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0

উগান্ডার ঐতিহ্য এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতীক ‘কাসুবি সমাধি’ (Kasubi Tombs) দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর তার হারানো গৌরব ফিরে পেয়েছে। ২০১০ সালের এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কঠোর পরিশ্রম এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি এখন আগের রূপে ফিরেছে। এর ফলে ইউনেস্কো তাদের ‘ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যের’ তালিকা থেকে এই স্থানটিকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় অবস্থিত এই কাসুবি সমাধি বুগান্ডা রাজ্যের রাজাদের শেষ শয়ানের স্থান। এটি কেবল একটি সমাধিস্থল নয়, বরং বুগান্ডা জনগোষ্ঠীর কাছে এক পবিত্র আধ্যাত্মিক কেন্দ্র। ১৮৮২ সালে নির্মিত এই স্থাপনাটি মূলত ছিল বুগান্ডা রাজাদের প্রাসাদ, যা ১৮৮৪ সালে রাজকীয় সমাধিসৌধে রূপান্তরিত হয়। ২০১০ সালের সেই রহস্যময় অগ্নিকাণ্ডে সমাধিটির প্রধান কাঠামোর অধিকাংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। ঐতিহ্যবাহী কাঠ, খড় এবং বাঁশ দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।  এই ঘটনায় পুরো উগান্ডায় শোকের ছায়া নেমে এসেছিল এবং স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। দীর্ঘ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় স্থানীয় কারিগরদের পাশাপাশি ইউনেস্কো এবং জাপান সরকারের উল্লেখযোগ্য আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা ছিল। পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী এবং জৈব উপাদানের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে স্থাপনাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির সভায় কাসুবি সমাধিকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংস্থাটি জানায়, সফল সংস্কার এবং আধুনিক অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে সাইটটি এখন সংরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। উগান্ডার পর্যটন ও ঐতিহ্য প্রেমীদের জন্য এটি একটি বড় বিজয়। কাসুবি সমাধি এখন আবার পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত, যা পূর্ব আফ্রিকার সমৃদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।  

ছবি: সংগৃহীত।
শ্রমিক সংকট কাটাতে নামানো হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন চালকবিহীন ট্রাক
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0

বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হংকংয়ের বন্দরে তীব্র শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রথমবারের মতো বন্দর এলাকায় পণ্য পরিবহনের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত চালকবিহীন ট্রাক। হংকংয়ের কুয়াই তসিং টার্মিনালে এই স্বায়ত্তশাসিত ট্রাকগুলো ইতিমধ্যে সফলভাবে কাজ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই চালকবিহীন ট্রাকগুলো প্রায় ৮,০০০-এর বেশি কন্টেইনার মুভমেন্ট সম্পন্ন করেছে। মূলত বন্দরের ট্রেলার চালকদের অভাব এবং ক্রমবর্ধমান কাজের চাপ সামাল দিতেই এই আধুনিক প্রযুক্তির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ছয়টি স্বায়ত্তশাসিত ট্রাক দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে এর সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। হংকংয়ের লজিস্টিক খাতে এটি একটি বড় মাইলফলক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ব্যবহার শুধুমাত্র শ্রমিকের অভাবই পূরণ করবে না, বরং বন্দরের সার্বিক দক্ষতা এবং নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। আধুনিক এই ট্রাকগুলো সেন্সর এবং এআই অ্যালগরিদমের মাধ্যমে মানুষের সাহায্য ছাড়াই ভারী কন্টেইনার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম।  

ছবি: সংগৃহীত।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ শুরু, অস্তিত্ব বনাম আধিপত্যের লড়াইয়ে মুখোমুখি তৃণমূল ও বিজেপি
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে আজ এক মহাসন্ধিক্ষণ। শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের হাইভোল্টেজ ভোটযুদ্ধ। এবারের নির্বাচন কেবল সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য যেমন এটি 'অস্তিত্ব রক্ষার' লড়াই, তেমনই বিরোধী দল বিজেপির জন্য এটি রাজ্যপাট 'দখলের' চূড়ান্ত পরীক্ষা। তৃণমূলের লক্ষ্য চতুর্থ জয় : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ২০১১ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালের নির্বাচনে ২১৫টি আসনে জিতে বিপুল জনমত নিয়ে তারা প্রত্যাবর্তন করেছিল। ২০২৬-এ এসে ঘাসফুল শিবিরের প্রধান লক্ষ্য টানা চতুর্থবারের মতো নবান্ন দখল করা এবং উন্নয়নের ধারা বজায় রাখা। বিজেপির মরণপণ লড়াই : অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবার ক্ষমতা হস্তান্তরে মরিয়া। গত বিধানসভা নির্বাচনে তারা ৭৭টি আসন পেয়ে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। যদিও পরবর্তীতে উপনির্বাচন ও দলবদলের কারণে সেই সংখ্যা ৭৫-এ নেমে আসে। এবার গেরুয়া শিবির সেই ক্ষতি পুষিয়ে রাজদণ্ড নিজেদের হাতে নিতে সবটুকু শক্তি নিয়োগ করেছে। অস্তিত্ব সংকটে বাম-কংগ্রেস : বিগত নির্বাচনে বিধানসভায় খাতা খুলতে ব্যর্থ হওয়া বাম দল এবং কংগ্রেসের জন্য এবারের লড়াই মূলত শূন্যস্থান পূরণের। বিধানসভায় নিজেদের প্রতিনিধিত্ব ফিরিয়ে আনাই এখন তাদের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ। দলবদলের রাজনীতি এবং অভ্যন্তরীণ মেরুকরণের মাঝে ভোটাররা শেষ পর্যন্ত কার দিকে পাল্লা ভারি করেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়। আগামী ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পরেই স্পষ্ট হবে বাংলার মসনদে শেষ হাসি কে হাসছেন—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি পদ্ম শিবির।

Follow us

Trending

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

এপ্রিল ৩, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
282 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
284 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
206 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
Advertisement
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়