সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
Live update news
গর্ভধারিনী মার দেখাশোনা করতে ৩০ বছরেই সেনাবাহিনী ছাড়লেন রাষ্ট্রপতির সাবেক এডিসি ঋষভ
গর্ভধারিনী মার দেখাশোনা করতে ৩০ বছরেই সেনাবাহিনী ছাড়লেন রাষ্ট্রপতির সাবেক এডিসি ঋষভ

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাবেক এডিসি মেজর ঋষভ সিং সাম্বিয়াল ১২ বছর সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পর ৩০ বছর বয়সে সময়পূর্ব অবসর নিয়েছেন। ৪ প্যারা স্পেশাল ফোর্সে দায়িত্ব পালন এবং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেখা যাওয়ার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া এই সেনা কর্মকর্তার অবসরের কারণও এখন সামনে এসেছে। ঋষভ জানিয়েছেন, নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পাশাপাশি পরিবার ও বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিতেই তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।    সম্প্রতি রাজ শামানির পডকাস্টে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেন ঋষভ। পরে একটি ভিডিওতেও তিনি অবসরের কারণ ব্যাখ্যা করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করা ছিল তাঁর স্বপ্নের পেশা। এত দ্রুত ইউনিফর্ম ছেড়ে দিতে হবে, এমনটা তিনি কখনো ভাবেননি। তবে জীবনের একটি পর্যায়ে এসে পরিবারকে সময় দেওয়া এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তা তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।    ঋষভ জানান, ২০১৪ সাল থেকে সামরিক জীবনের কারণে দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের পাশে থাকা এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালনের বিষয়টি তাঁর সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রেখেছে। তিনি এই অবসরকে সহজ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন না; বরং নিজের জীবনের অন্যতম কঠিন সিদ্ধান্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।    ঋষভের সামরিক ক্যারিয়ারও ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি এবং ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। জাট রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালনের পর তিনি ৪ প্যারা স্পেশাল ফোর্সে কাজ করেন। ২০২১ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে জাট রেজিমেন্টের কন্টিনজেন্টের নেতৃত্ব দেন তিনি। ওই কন্টিনজেন্ট সেরা মার্চিং কন্টিনজেন্ট ট্রফিও জেতে।    ২০২৩ সালের মার্চে ঋষভকে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর এডিসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান, আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও বিদেশ সফরে তাঁর উপস্থিতি নিয়মিত চোখে পড়ে। দায়িত্ব পালনের সময় তাঁর সামরিক শৃঙ্খলা ও ব্যক্তিত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানেও রাষ্ট্রপতির পাশে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর তাঁর পরিচিতি আরও ছড়িয়ে পড়ে।    অবসরের পর ঋষভের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়ায়। বিশেষ করে বিয়ে বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে তিনি সেনাবাহিনী ছেড়েছেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে ঋষভ এসব ধারণা নাকচ করে জানিয়েছেন, তাঁর অবসরের সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ পরিবার ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব। নিজের সামরিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করার মতো কোনো কাজে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।

২৯ মিনিট Ago
আইসিইর ধরপাকড় ও বহিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারাবে ৬০ লাখ
আইসিইর ধরপাকড় ও বহিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারাবে ৬০ লাখ, নতুন প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাপক অভিবাসন ধরপাকড় ও বহিষ্কার কার্যক্রমের প্রভাব শুধু অনিবন্ধিত অভিবাসীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং মার্কিন নাগরিকদের চাকরিতেও পড়তে পারে বলে দাবি করেছে নতুন এক প্রতিবেদনে। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (ACLU) ও এএফএল-সিআইওর যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান নীতি অব্যাহত থাকলে প্রায় ৬০ লাখ চাকরি হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, যার প্রায় অর্ধেক বর্তমানে মার্কিন নাগরিকদের দখলে।   ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘সিটিজেনশিপ অ্যান্ড দ্য অ্যাফোর্ডেবিলিটি এজেন্ডা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংগঠন দুটি দাবি করেছে, ব্যাপক ডিপোর্টেশন শ্রমবাজারে কর্মী সংকট তৈরি করছে এবং নির্মাণ, হসপিটালিটি ও কেয়ারগিভিংয়ের মতো অভিবাসী কর্মী নির্ভর খাতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত করছে। তাদের মতে, এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্য ও সেবার দাম এবং কর্মসংস্থানের ওপরও পড়তে পারে।    প্রতিবেদনের সবচেয়ে আলোচিত হিসাবটি এসেছে ইকোনমিক পলিসি ইনস্টিটিউটের একটি প্রক্ষেপণ থেকে। এতে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ডিপোর্টেশন কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে প্রায় ৬০ লাখ চাকরি বিলুপ্ত হতে পারে। এর প্রায় অর্ধেক চাকরি বর্তমানে মার্কিন নাগরিকরা করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রক্ষেপণ, ইতোমধ্যে হারিয়ে যাওয়া চাকরির পরিসংখ্যান নয়।    ACLU ও এএফএল-সিআইও আরও দাবি করেছে, অভিবাসন ধরপাকড়ের কারণে অনেক এলাকায় মানুষ কর্মস্থলে যাওয়া, কেনাকাটা ও রেস্টুরেন্টে যাওয়ার মতো স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড থেকেও দূরে থাকছেন। তাদের প্রতিবেদনে একটি হিসাব তুলে ধরে বলা হয়েছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বছরে প্রায় ৮ দশমিক ১ বিলিয়ন কম ভিজিট এবং ৩ থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলারের কম ব্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। মিনেসোটায় ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ চলাকালে ব্যবসাগুলোর সাপ্তাহিক ১০ থেকে ২০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।    প্রতিবেদনটির আরেকটি দাবি হলো, অভিবাসন এনফোর্সমেন্টের ফলে শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা বাড়লে কিছু নিয়োগকর্তার জন্য কর্মীদের কম মজুরি দেওয়া বা শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সংগঠন দুটি বলছে, এর প্রভাব শুধু অভিবাসীদের ওপর সীমাবদ্ধ থাকে না এবং অভিবাসী ও মার্কিন নাগরিক উভয় ধরনের কর্মী থাকা একই শিল্পে মজুরি ও কর্মপরিবেশের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।    তবে এসব দাবির সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন একমত নয়। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লরেন বিস নিউজউইককে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অনিবন্ধিত অভিবাসন বৃদ্ধিই মার্কিন নাগরিকদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক চাপ, মূল্যস্ফীতি এবং মজুরির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে প্রশাসনের অবস্থান। প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিবাসন আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মার্কিন কর্মীদের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়ানোই তাদের লক্ষ্য।   অভিবাসন নীতির অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২৬ সালের মে মাসে ন্যাশনাল ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চের একটি গবেষণায় বলা হয়েছিল, বেশি ICE গ্রেপ্তার হওয়া এলাকাগুলোতে অনিবন্ধিত কর্মীদের কর্মসংস্থান ৪ থেকে ৫ শতাংশ কমেছিল। একই গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক বা তার নিচের শিক্ষাগত যোগ্যতার মার্কিন নাগরিক পুরুষদের কর্মসংস্থানও কমেছে।    ওই গবেষণায় আরও দেখা যায়, অনিবন্ধিত পুরুষ কর্মীদের প্রতি ছয়জন চাকরি হারানোর বিপরীতে প্রায় একজন মার্কিন নাগরিক কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। গবেষকরা বিশেষ করে কৃষি, নির্মাণ ও উৎপাদন খাতে এর প্রভাব দেখতে পেয়েছেন। গবেষণাটি ২০২৫ সালে ICE গ্রেপ্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল এমন এলাকাগুলোর মাসভিত্তিক কর্মসংস্থান তথ্য বিশ্লেষণ করে তুলনা করেছে।    অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের সমর্থকদের যুক্তি হলো, অনিবন্ধিত কর্মীদের শ্রমবাজার থেকে সরিয়ে দিলে মার্কিন নাগরিকদের জন্য চাকরির সুযোগ তৈরি হতে পারে। ফলে নতুন ACLU ও এএফএল-সিআইও প্রতিবেদন এবং প্রশাসনের অবস্থানের মধ্যে মূল বিরোধটি হলো, অভিবাসন ধরপাকড় শেষ পর্যন্ত মার্কিন কর্মীদের জন্য চাকরি ও মজুরি বাড়াবে, নাকি শ্রমবাজার ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংকুচিত করে উল্টো প্রভাব ফেলবে।   নতুন প্রতিবেদনটি এমন সময়ে প্রকাশিত হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয়, চাকরি ও মজুরি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনও সামনে রয়েছে। তবে প্রতিবেদনটির ৬০ লাখ চাকরি হারানোর হিসাব একটি প্রক্ষেপণ এবং এর সঙ্গে অভিবাসন নীতির পাশাপাশি অর্থনীতির অন্যান্য পরিবর্তনশীল কারণও জড়িত থাকতে পারে। তাই এটিকে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ ফলাফল হিসেবে নয়, বরং একটি নীতি বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবের হিসাব হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৩৭ মিনিট Ago
মণীশের নামে গিনেস বিশ্বরেকর্ড
১,৬৩৮টি বৈধ ক্রেডিট কার্ড! মণীশের নামে গিনেস বিশ্বরেকর্ড

একজন মানুষের কাছে ক্রেডিট কার্ড থাকতে পারে কতটি? পাঁচটি, দশটি কিংবা কয়েক ডজন। কিন্তু ভারতের মণীশ ধামেজার কাছে ছিল ১,৬৩৮টি বৈধ ক্রেডিট কার্ড। এই সংখ্যার জন্য ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল হায়দরাবাদে তাকে ‘সবচেয়ে বেশি বৈধ ক্রেডিট কার্ডের সংগ্রহ’-এর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দেওয়া হয়। গিনেসের সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, যাচাইয়ের সময় কার্ডগুলোর সবই বৈধ ছিল।    মণীশের এই বিপুল সংগ্রহ শুধু কার্ড জমিয়ে রাখার জন্য নয়। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে দেওয়া তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিভিন্ন কার্ডের আলাদা আলাদা সুবিধা কাজে লাগান তিনি। পুরস্কার পয়েন্ট, বিমানযাত্রার মাইল, ক্যাশব্যাক, বিমানবন্দরের লাউঞ্জ, রেলওয়ে লাউঞ্জ, হোটেল সুবিধা, ভ্রমণ, খাবার, কেনাকাটার ভাউচার, সিনেমার টিকিট, গলফ সেশন এবং জ্বালানির সুবিধার মতো নানা ধরনের অফার তিনি ব্যবহার করেন।    একটি কার্ডে যে সুবিধা বেশি, অন্য কার্ডে সেটি নাও থাকতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা কার্ড ব্যবহারের কৌশল নিয়েছেন মণীশ। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্রমণ, কেনাকাটা, জ্বালানি বা হোটেলের মতো আলাদা খরচের জন্য তিনি আলাদা কার্ড ব্যবহার করেন। প্রতিটি কার্ডের নিয়ম, বিলিং সাইকেল ও পুরস্কার সুবিধা বুঝে ব্যবহার করাই তার ব্যবস্থাপনার অন্যতম দিক।    মণীশের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০০৫ সালে তিনি প্রথম ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার শুরু করেন। ধীরে ধীরে কার্ডের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ২০২১ সালে তা ১,৬৩৮-এ পৌঁছায়। গিনেসের রেকর্ডের সময় এই ১,৬৩৮টি কার্ডই বৈধ হিসেবে যাচাই করা হয়।    ২০১৬ সালে ভারতের নোটবন্দির সময়ও ক্রেডিট কার্ড তার কাজে এসেছিল বলে গিনেসকে দেওয়া বক্তব্যে মণীশ জানিয়েছেন। ওই সময় নগদ টাকার সংকটের মধ্যে তিনি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ডিজিটাল লেনদেন চালিয়ে যান। গিনেসের রেকর্ড পাতাতেও তার এই অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ রয়েছে।    এত বিপুল সংখ্যক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো হিসাব রাখা। প্রতিটি কার্ডের বিলিং সাইকেল, পেমেন্টের সময়সীমা, ফি এবং পুরস্কারের শর্ত আলাদা হতে পারে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে মণীশের ক্ষেত্রে নিয়মিত হিসাব রাখা এবং সময়মতো বিল পরিশোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের কয়েকটি প্রতিবেদনে তাকে বকেয়া ঋণ ছাড়াই কার্ড ব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মণীশ ধামেজার রেকর্ডের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা ১,৬৩৮ এবং রেকর্ডটি অর্জনের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২১। পরবর্তী সময়ে সংবাদমাধ্যমে তার বর্তমান কার্ডের সংখ্যা আরও বেশি বলে বিভিন্ন দাবি প্রকাশিত হলেও, সেগুলোকে নতুন গিনেস রেকর্ড হিসেবে ধরা যায় না। গিনেস নিজেই জানিয়েছে, রেকর্ড প্রতিদিন পরিবর্তিত হতে পারে এবং সব পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে অনলাইনে প্রকাশিত হয় না।    মণীশের ঘটনা দেখায়, ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা বাড়ানোই মূল বিষয় নয়, বরং প্রতিটি কার্ডের শর্ত ও সুবিধা বোঝা এবং সময়মতো বিল পরিশোধ করাই গুরুত্বপূর্ণ। তার ১,৬৩৮টি কার্ডের রেকর্ডটি অবশ্যই ব্যতিক্রমী। তবে সাধারণ ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সংখ্যক ক্রেডিট কার্ড মানেই অতিরিক্ত সুবিধা নয়। হিসাবের জটিলতা, ফি, সুদ ও বকেয়া এড়াতে আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী কার্ড ব্যবহার করাই গুরুত্বপূর্ণ।   সূত্র: এনডিটিভি

১ ঘন্টা Ago
স্বামীর জন্য নিজেই পছন্দ করলেন দ্বিতীয় স্ত্রী
স্বামীর জন্য নিজেই পছন্দ করলেন দ্বিতীয় স্ত্রী, একই সংসারে দুই স্ত্রী থাকছেন বন্ধুর মতো

গাজীপুরের চন্দ্রা-কোনাবাড়ী এলাকায় ব্যতিক্রমী এক পারিবারিক সম্পর্কের গল্প সামনে এসেছে। আব্দুর রহমান নামের এক ব্যক্তি চার বছর ধরে দুই স্ত্রীকে নিয়ে একই সংসারে বসবাস করছেন। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েতে আপত্তি না করে বরং নিজেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রথম স্ত্রী রুমা আক্তার।   পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছর আগে পারিবারিকভাবে রুমা আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় আব্দুর রহমানের। দীর্ঘদিন একসঙ্গে সংসার করার পর একপর্যায়ে নাজনিন সুলতানা নামের আরেক নারীকে পছন্দ করেন তিনি। বিষয়টি গোপন না রেখে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে জানান। এরপর রুমা স্বামীর ইচ্ছাকে মেনে নিয়ে দ্বিতীয় বিয়েতে সম্মতি দেন।   পরে রুমা নিজে উপস্থিত থেকে কাজী অফিসে বিয়ের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। বিয়ে শেষে নাজনিনকে পরিবারের সদস্য হিসেবে ঘরে তুলে আনেন তিনি। সেই থেকে প্রায় চার বছর ধরে দুই স্ত্রীকে নিয়েই চলছে আব্দুর রহমানের সংসার। বর্তমানে এই পরিবারে মোট তিন সন্তান রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।   এই পরিবারের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী দিক হলো দুই স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক। সাধারণত সতিনের সম্পর্ককে ঘিরে পারিবারিক দ্বন্দ্বের নানা ঘটনা শোনা গেলেও আব্দুর রহমানের পরিবারের চিত্র ভিন্ন। রুমা ও নাজনিনের মধ্যে গড়ে উঠেছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তারা একে অপরকে বোনের মতো সহযোগিতা করেন বলে পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য।   শুধু ঘরের কাজেই নয়, বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের একসঙ্গে দেখা যায়। বাজার করতে যাওয়া, আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া কিংবা পারিবারিক বিভিন্ন কাজে তারা পাশাপাশি থাকেন। দীর্ঘদিন একই সংসারে থাকার ফলে তাদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়াও তৈরি হয়েছে বলে পরিবারটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।   আব্দুর রহমান জানান, দুই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি দুজনের প্রতি সমান অধিকার ও মর্যাদা বজায় রাখার চেষ্টা করেন। সমাজের অনেকেই বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন এবং কৌতূহল দেখান। তবে এসবের বাইরে পারিবারিক শান্তি বজায় রাখাকেই তিনি গুরুত্ব দেন বলে জানান।   তবে এই পরিবারের অভিজ্ঞতা যে সবার ক্ষেত্রে একই হবে, এমন কোনো সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। বহুবিবাহের সামাজিক, পারিবারিক ও আইনি বিষয় দেশভেদে এবং ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। আব্দুর রহমানের পরিবারের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীর সম্মতি এবং দুই স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্কই ঘটনাটিকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।   চার বছর ধরে একই সংসারে দুই স্ত্রীকে নিয়ে বসবাসের এই ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই পরিবারের পারস্পরিক বোঝাপড়া নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে পরিবারের সদস্যদের কাছে এটি এখন তাদের স্বাভাবিক পারিবারিক জীবন, যেখানে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারস্পরিক সম্মতি, সহযোগিতা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   সূত্র: কালবেলা

১ ঘন্টা Ago
আমেরিকা
আইসিইর ধরপাকড় ও বহিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারাবে ৬০ লাখ, নতুন প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যাপক অভিবাসন ধরপাকড় ও বহিষ্কার কার্যক্রমের প্রভাব শুধু অনিবন্ধিত অভিবাসীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং মার্কিন নাগরিকদের চাকরিতেও পড়তে পারে বলে দাবি করেছে নতুন এক প্রতিবেদনে। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (ACLU) ও এএফএল-সিআইওর যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান নীতি অব্যাহত থাকলে প্রায় ৬০ লাখ চাকরি হারানোর ঝুঁকি রয়েছে, যার প্রায় অর্ধেক বর্তমানে মার্কিন নাগরিকদের দখলে।   ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘সিটিজেনশিপ অ্যান্ড দ্য অ্যাফোর্ডেবিলিটি এজেন্ডা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংগঠন দুটি দাবি করেছে, ব্যাপক ডিপোর্টেশন শ্রমবাজারে কর্মী সংকট তৈরি করছে এবং নির্মাণ, হসপিটালিটি ও কেয়ারগিভিংয়ের মতো অভিবাসী কর্মী নির্ভর খাতে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত করছে। তাদের মতে, এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্য ও সেবার দাম এবং কর্মসংস্থানের ওপরও পড়তে পারে।    প্রতিবেদনের সবচেয়ে আলোচিত হিসাবটি এসেছে ইকোনমিক পলিসি ইনস্টিটিউটের একটি প্রক্ষেপণ থেকে। এতে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ডিপোর্টেশন কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে প্রায় ৬০ লাখ চাকরি বিলুপ্ত হতে পারে। এর প্রায় অর্ধেক চাকরি বর্তমানে মার্কিন নাগরিকরা করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রক্ষেপণ, ইতোমধ্যে হারিয়ে যাওয়া চাকরির পরিসংখ্যান নয়।    ACLU ও এএফএল-সিআইও আরও দাবি করেছে, অভিবাসন ধরপাকড়ের কারণে অনেক এলাকায় মানুষ কর্মস্থলে যাওয়া, কেনাকাটা ও রেস্টুরেন্টে যাওয়ার মতো স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড থেকেও দূরে থাকছেন। তাদের প্রতিবেদনে একটি হিসাব তুলে ধরে বলা হয়েছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বছরে প্রায় ৮ দশমিক ১ বিলিয়ন কম ভিজিট এবং ৩ থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলারের কম ব্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। মিনেসোটায় ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ চলাকালে ব্যবসাগুলোর সাপ্তাহিক ১০ থেকে ২০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।    প্রতিবেদনটির আরেকটি দাবি হলো, অভিবাসন এনফোর্সমেন্টের ফলে শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা বাড়লে কিছু নিয়োগকর্তার জন্য কর্মীদের কম মজুরি দেওয়া বা শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সংগঠন দুটি বলছে, এর প্রভাব শুধু অভিবাসীদের ওপর সীমাবদ্ধ থাকে না এবং অভিবাসী ও মার্কিন নাগরিক উভয় ধরনের কর্মী থাকা একই শিল্পে মজুরি ও কর্মপরিবেশের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।    তবে এসব দাবির সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন একমত নয়। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লরেন বিস নিউজউইককে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অনিবন্ধিত অভিবাসন বৃদ্ধিই মার্কিন নাগরিকদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক চাপ, মূল্যস্ফীতি এবং মজুরির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে প্রশাসনের অবস্থান। প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিবাসন আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মার্কিন কর্মীদের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়ানোই তাদের লক্ষ্য।   অভিবাসন নীতির অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২৬ সালের মে মাসে ন্যাশনাল ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চের একটি গবেষণায় বলা হয়েছিল, বেশি ICE গ্রেপ্তার হওয়া এলাকাগুলোতে অনিবন্ধিত কর্মীদের কর্মসংস্থান ৪ থেকে ৫ শতাংশ কমেছিল। একই গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চমাধ্যমিক বা তার নিচের শিক্ষাগত যোগ্যতার মার্কিন নাগরিক পুরুষদের কর্মসংস্থানও কমেছে।    ওই গবেষণায় আরও দেখা যায়, অনিবন্ধিত পুরুষ কর্মীদের প্রতি ছয়জন চাকরি হারানোর বিপরীতে প্রায় একজন মার্কিন নাগরিক কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। গবেষকরা বিশেষ করে কৃষি, নির্মাণ ও উৎপাদন খাতে এর প্রভাব দেখতে পেয়েছেন। গবেষণাটি ২০২৫ সালে ICE গ্রেপ্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল এমন এলাকাগুলোর মাসভিত্তিক কর্মসংস্থান তথ্য বিশ্লেষণ করে তুলনা করেছে।    অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের সমর্থকদের যুক্তি হলো, অনিবন্ধিত কর্মীদের শ্রমবাজার থেকে সরিয়ে দিলে মার্কিন নাগরিকদের জন্য চাকরির সুযোগ তৈরি হতে পারে। ফলে নতুন ACLU ও এএফএল-সিআইও প্রতিবেদন এবং প্রশাসনের অবস্থানের মধ্যে মূল বিরোধটি হলো, অভিবাসন ধরপাকড় শেষ পর্যন্ত মার্কিন কর্মীদের জন্য চাকরি ও মজুরি বাড়াবে, নাকি শ্রমবাজার ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংকুচিত করে উল্টো প্রভাব ফেলবে।   নতুন প্রতিবেদনটি এমন সময়ে প্রকাশিত হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয়, চাকরি ও মজুরি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনও সামনে রয়েছে। তবে প্রতিবেদনটির ৬০ লাখ চাকরি হারানোর হিসাব একটি প্রক্ষেপণ এবং এর সঙ্গে অভিবাসন নীতির পাশাপাশি অর্থনীতির অন্যান্য পরিবর্তনশীল কারণও জড়িত থাকতে পারে। তাই এটিকে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ ফলাফল হিসেবে নয়, বরং একটি নীতি বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবের হিসাব হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ৩:৪৯
দক্ষিণ আফ্রিকার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে কূটনৈতিক বিরোধ

দক্ষিণ আফ্রিকার নির্দিষ্ট কিছু নাগরিকের বিরুদ্ধে নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, জাতিগত বৈষম্য, সহিংসতায় উসকানি এবং ক্ষতিপূরণ ছাড়া জমি অধিগ্রহণের মতো নীতির সঙ্গে জড়িত বিদেশি নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়েছে।    রুবিওর অভিযোগ, দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার গ্রামীণ এলাকায় অপরাধ, সহিংস ও অবমাননাকর বক্তব্য এবং আফ্রিকানারসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিগত বৈষম্যমূলক নীতি যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিতে এসব নীতি তৈরি বা বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।    এর মধ্যে ক্ষতিপূরণ ছাড়া জমি অধিগ্রহণের নীতি, জাতিগত বৈষম্য এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আসন্ন সহিংসতায় উসকানির অভিযোগও রয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণায় বলা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী বা এতে সহযোগী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিসা বিধিনিষেধ প্রয়োগ করা হবে।   দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের আপত্তি অবশ্য নতুন নয়। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে দক্ষিণ আফ্রিকার ভূমি আইন, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বৈষম্য এবং কৃষকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ওই আদেশে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য মার্কিন সহায়তা বন্ধের নির্দেশ এবং নির্যাতনের শিকার আফ্রিকানারদের পুনর্বাসনের উদ্যোগের কথাও বলা হয়েছিল।    তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এসব অভিযোগের সঙ্গে একমত নয়। দেশটির পক্ষ থেকে এর আগে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাস, বৈষম্য ও ভূমি সংস্কারের বাস্তবতা যথাযথভাবে তুলে ধরে না। প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার সরকারও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে নিজেদের নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।    এদিকে নতুন ভিসা নীতির আওতায় ঠিক কোন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাদের নাম প্রকাশ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনো স্পষ্টতা নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভূমি সংস্কার, জাতিগত নীতি, গ্রামীণ অপরাধ এবং রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে মতপার্থক্য অব্যাহত থাকায় দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নতুন এই পদক্ষেপের প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গর্ভধারিনী মার দেখাশোনা করতে ৩০ বছরেই সেনাবাহিনী ছাড়লেন রাষ্ট্রপতির সাবেক এডিসি ঋষভ

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাবেক এডিসি মেজর ঋষভ সিং সাম্বিয়াল ১২ বছর সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পর ৩০ বছর বয়সে সময়পূর্ব অবসর নিয়েছেন। ৪ প্যারা স্পেশাল ফোর্সে দায়িত্ব পালন এবং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেখা যাওয়ার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া এই সেনা কর্মকর্তার অবসরের কারণও এখন সামনে এসেছে। ঋষভ জানিয়েছেন, নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পাশাপাশি পরিবার ও বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিতেই তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।    সম্প্রতি রাজ শামানির পডকাস্টে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেন ঋষভ। পরে একটি ভিডিওতেও তিনি অবসরের কারণ ব্যাখ্যা করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করা ছিল তাঁর স্বপ্নের পেশা। এত দ্রুত ইউনিফর্ম ছেড়ে দিতে হবে, এমনটা তিনি কখনো ভাবেননি। তবে জীবনের একটি পর্যায়ে এসে পরিবারকে সময় দেওয়া এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তা তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।    ঋষভ জানান, ২০১৪ সাল থেকে সামরিক জীবনের কারণে দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের পাশে থাকা এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালনের বিষয়টি তাঁর সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রেখেছে। তিনি এই অবসরকে সহজ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন না; বরং নিজের জীবনের অন্যতম কঠিন সিদ্ধান্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।    ঋষভের সামরিক ক্যারিয়ারও ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি এবং ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। জাট রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালনের পর তিনি ৪ প্যারা স্পেশাল ফোর্সে কাজ করেন। ২০২১ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে জাট রেজিমেন্টের কন্টিনজেন্টের নেতৃত্ব দেন তিনি। ওই কন্টিনজেন্ট সেরা মার্চিং কন্টিনজেন্ট ট্রফিও জেতে।    ২০২৩ সালের মার্চে ঋষভকে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর এডিসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান, আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও বিদেশ সফরে তাঁর উপস্থিতি নিয়মিত চোখে পড়ে। দায়িত্ব পালনের সময় তাঁর সামরিক শৃঙ্খলা ও ব্যক্তিত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানেও রাষ্ট্রপতির পাশে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর তাঁর পরিচিতি আরও ছড়িয়ে পড়ে।    অবসরের পর ঋষভের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়ায়। বিশেষ করে বিয়ে বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে তিনি সেনাবাহিনী ছেড়েছেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে ঋষভ এসব ধারণা নাকচ করে জানিয়েছেন, তাঁর অবসরের সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ পরিবার ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব। নিজের সামরিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করার মতো কোনো কাজে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।

যুক্তরাষ্ট্রে বড় মজুরি পরিবর্তনের প্রস্তাব
যুক্তরাষ্ট্রে বড় মজুরি পরিবর্তনের প্রস্তাব, ঘণ্টায় ৭.২৫ থেকে ২৫ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ২৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২৫ ডলার করার প্রস্তাব উঠেছে কংগ্রেসে। ‘সবার জন্য জীবিকার উপযোগী মজুরি আইন’ নামে প্রস্তাবিত বিলটি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে সিনেটে উত্থাপন করা হয় এবং পরে সংশ্লিষ্ট কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। তবে এটি এখনো আইনে পরিণত হয়নি।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ২৫ ডলার। নতুন প্রস্তাবে একবারে মজুরি ২৫ ডলারে উন্নীত করার পরিবর্তে কয়েক ধাপে তা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। বিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ১২ ডলারে উন্নীত করা হবে। এরপর কয়েকটি ধাপে মজুরি বাড়িয়ে ঘণ্টাপ্রতি ২৫ ডলারে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।   প্রস্তাবিত আইনে বড় ও ছোট ব্যবসার জন্য আলাদা সময়সীমা রাখার কথা বলা হয়েছে। বড় নিয়োগদাতাদের ২০৩২ সালের মধ্যে কর্মীদের ঘণ্টায় ২৫ ডলার মজুরি দেওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। ছোট ব্যবসাগুলোকে এই পরিবর্তনের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি সময় দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে সময়সীমা ২০৩৯ সাল পর্যন্ত যেতে পারে।   বিলটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভবিষ্যতে ন্যূনতম মজুরি কীভাবে সমন্বয় করা হবে। ২৫ ডলারে পৌঁছানোর পর জাতীয় মধ্যম মজুরির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি নিয়মিত সমন্বয় করার প্রস্তাব রয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে জীবনযাত্রার ব্যয় ও দেশের সামগ্রিক মজুরি কাঠামোর পরিবর্তনের সঙ্গে ন্যূনতম মজুরি সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।   প্রস্তাবটির সমর্থকেরা মনে করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি অপরিবর্তিত থাকায় কর্মীদের আয় জীবনযাত্রার ব্যয় ও সামগ্রিক মজুরি বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়েনি। তাদের মতে, ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো হলে কম আয়ের কর্মীদের উপার্জন বাড়তে পারে। অন্যদিকে, সমালোচকেরা আশঙ্কা করছেন, বড় ধরনের মজুরি বৃদ্ধিতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের শ্রম ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব পণ্যের দাম, নিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ওপর পড়তে পারে। বিশেষ করে ছোট ব্যবসাগুলোর ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হওয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।   তবে প্রস্তাবিত এই বিলকে বর্তমান আইন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ২০২৬ সালের ১৪ জুলাই বিলটি সিনেটে উত্থাপনের পর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শ্রম ও পেনশনবিষয়ক কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। অর্থাৎ এটি এখনো আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কংগ্রেসের উভয় কক্ষে অনুমোদন এবং প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরসহ আরও কয়েকটি ধাপ পেরোতে হবে।   ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর এই প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের কর্মী, নিয়োগদাতা ও ভোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিতর্ক সামনে এনেছে। কর্মীদের বেশি মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বাড়তি ব্যয়, পণ্যের দাম এবং কর্মসংস্থানের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত ঘণ্টাপ্রতি ২৫ ডলারের মজুরি কেবল একটি প্রস্তাব, এটি কার্যকর কোনো আইন নয়।

১০০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো এক লাখ ছাড়িয়েছে
জাপানে প্রথমবার লাখ ছাড়াল ১০০ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা, ৮৮ শতাংশ নারী

দীর্ঘায়ুর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত জাপানে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো এক লাখ ছাড়িয়েছে। দেশটিতে শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা টানা ৫৬ বছর ধরে বাড়ছে। এবার এই সংখ্যা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৭৭ জনে। গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৮ হাজার। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শতবর্ষীদের বড় অংশই নারী। মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৭৭ জনের মধ্যে নারী ৯৪ হাজার ২৯৮ জন, যা মোট সংখ্যার প্রায় ৮৮ শতাংশ। পুরুষের সংখ্যা ১৩ হাজার ৩৭৯ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেনিচিরো উয়েনো এই পরিসংখ্যানের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এত বিপুলসংখ্যক মানুষ দীর্ঘ সময় সক্রিয় ও সুস্থ জীবনযাপন করছেন—এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘায়ুর দিক থেকে জাপান বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি। ২০২৪ সালে দেশটির মানুষের গড় আয়ু ছিল ৮৪ বছর। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে গড় আয়ু ছিল ৭৯ বছর। গবেষকদের মতে, জাপানিদের দীর্ঘ জীবনের পেছনে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ভূমিকা রয়েছে। জাপানি সমাজে দীর্ঘদিন ধরে কঠোর পরিশ্রমের সংস্কৃতি থাকলেও অনেক মানুষ ‘ইকিগাই’ দর্শন অনুসরণ করেন। এই দর্শনে জীবনের অর্থ, উদ্দেশ্য ও আনন্দ খুঁজে নিয়ে সক্রিয় থাকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষদের কয়েকজনও বর্তমানে জাপানে বসবাস করছেন। তাদের মধ্যে কিয়োটোর ১১৪ বছর বয়সী নারী ফুয়ো কিশিমোতো এবং কুমামোতোর ১১২ বছর বয়সী পুরুষ হিকারু কাতো উল্লেখযোগ্য। তবে শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও জাপানের জনসংখ্যাগত বাস্তবতা ভিন্ন। দেশটির জন্মহার রেকর্ড পরিমাণে কমে যাওয়ায় মোট জনসংখ্যা ক্রমেই কমছে। প্রায় ১২ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে একই সঙ্গে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী সংকুচিত হচ্ছে। এর ফলে বয়স্কদের পরিচর্যা ও সামাজিক নিরাপত্তার ব্যয় বাড়ছে, পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে শ্রমিক সংকটও তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জাপান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষ ও সাধারণ বিদেশি শ্রমিকদের জন্য কাজের সুযোগ বাড়িয়েছে। তবে বিদেশিবিরোধী মনোভাবের মধ্যে সরকার ভিসা ও অভিবাসনসংক্রান্ত কিছু নিয়মকানুন আরও কঠোর করার উদ্যোগও নিয়েছে।

ঘুমের গভীরতা ও মান যাচাই করে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে জাপানের এই ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতায়। ছবি: সংগৃহীত
জাপানে ঘুমের প্রতিযোগিতা, ৯০ মিনিট ঘুমিয়ে জেতা যাবে প্রায় ১৬ লাখ টাকা

ঘুমিয়ে সময় কাটানো নয়, এবার ভালো ঘুমই হতে পারে পুরস্কার জেতার উপায়। জাপানের টোকিওতে এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে যাচ্ছে কোরালা জেপি। ‘ম্যাটরেস বাই কোরালা’ নামের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ৯০ মিনিট ঘুমের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। সবচেয়ে ভালো ঘুমের জন্য বিজয়ী পাবেন ২২২ লাখ ইয়েনের পুরস্কার।   প্রতিযোগিতাটি আগামী ৫ অক্টোবর টোকিওর মিনামি আওয়ামার শেয়ার গ্রিন মিনামি আওয়ামা এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগীদের কোরালা ম্যাট্রেসে শুয়ে ঘুমাতে হবে এবং বিশেষ ঘুম পরিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে তাদের ঘুমের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।   শুধু কতক্ষণ ঘুমানো হলো, সেটিই এখানে মূল বিষয় নয়। ঘুম কতটা গভীর ও মানসম্মত ছিল, কত দ্রুত ঘুম এসেছে এবং ঘুম কতটা স্থিতিশীল ছিল, এসব বিষয় বিবেচনা করে প্রতিযোগীদের জন্য একটি বিশেষ ‘স্লিপ স্কোর’ তৈরি করা হবে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে এই স্কোর নির্ধারণ করা হবে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছে। সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়া প্রতিযোগী হবেন বিজয়ী।   তবে প্রতিযোগিতায় জিততে হলে আগে থেকেই সারারাত জেগে থাকা বা অতিরিক্ত ঘুমের ঘাটতি তৈরি করে আসার সুযোগ নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে ঘুম বঞ্চিত থাকা, ঘুমের ওষুধ বা ঘুম আনতে সহায়তা করে এমন ওষুধ ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ। অর্থাৎ প্রতিযোগিতায় দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার সুবিধা নিতে কেউ আগের রাতের ঘুম নষ্ট করতে পারবেন না।   প্রতিযোগিতা শুরুর আগে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে বিশেষ ধরনের ‘ঘুমের ব্যায়াম’। এরপর প্রত্যেককে এলোমেলোভাবে একটি করে ঘুম-সংক্রান্ত সামগ্রী দেওয়া হবে। এসব সামগ্রী ঘুমের পরিবেশে কিছুটা পরিবর্তন আনতে পারে এবং প্রতিযোগিতাকে আরও অনিশ্চিত করে তুলবে।   এরপর শুরু হবে মূল ৯০ মিনিটের ঘুমের পর্ব। প্রতিযোগীরা যখন ঘুমানোর চেষ্টা করবেন, তখন আয়োজকেরা পরিকল্পিতভাবে কিছু বিঘ্ন ঘটাবেন। এর মাধ্যমে হঠাৎ কোনো বাধা তৈরি হলেও কে কতটা স্থিরভাবে ঘুমিয়ে থাকতে পারেন, সেটিও যাচাই করা হবে। ফলে শুধু দ্রুত ঘুমিয়ে পড়াই নয়, পুরো সময়জুড়ে ঘুমের মান ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।   মূল পুরস্কারের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থাও থাকছে। সবচেয়ে গভীর ঘুমের জন্য ‘ডিপ স্লিপ ডাইভ অ্যাওয়ার্ড’ এবং অস্বাভাবিক বা ব্যতিক্রমী ভঙ্গিতে ঘুমানোর জন্য ‘স্লিপ-টার্নিং অ্যাক্রোব্যাট অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।   পুরো প্রতিযোগিতায় তিনটি পর্ব থাকবে। প্রতিটি পর্বে প্রায় ২০ জন করে অংশ নেবেন এবং প্রতিটি ঘুমের পর্বের সময় ৯০ মিনিট। পুরো আয়োজনটি দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। অংশগ্রহণের জন্য কোনো ফি নেই। আবেদনকারীর সংখ্যা নির্ধারিত আসনের চেয়ে বেশি হলে লটারির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী নির্বাচন করা হবে।   আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০ বছর বা তার বেশি বয়সীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে ৪ সেপ্টেম্বর এবং ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।   জাপানে ঘুমের ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এই ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুমের গুরুত্ব তুলে ধরাই তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে ঘুমকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে এমন একটি আয়োজন, যেখানে শারীরিক শক্তি বা দ্রুততার বদলে প্রতিযোগিতার মূল মাপকাঠি হবে বিশ্রামের মান।   কোরালা জেপি জানিয়েছে, ‘ম্যাটরেস বাই কোরালা’ তাদের কোরালা ম্যাট্রেসকে ঘিরে আয়োজিত একটি নতুন ধরনের অভিজ্ঞতাভিত্তিক অনুষ্ঠান। আয়োজনটির পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ইভেন্ট নির্মাতা আফ্রোম্যান্স।   সূত্র: কোরালা জেপি, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

মতামত

বিশ্ব

View more
গর্ভধারিনী মার দেখাশোনা করতে ৩০ বছরেই সেনাবাহিনী ছাড়লেন রাষ্ট্রপতির সাবেক এডিসি ঋষভ
গর্ভধারিনী মার দেখাশোনা করতে ৩০ বছরেই সেনাবাহিনী ছাড়লেন রাষ্ট্রপতির সাবেক এডিসি ঋষভ
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ৩:৫৭

ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাবেক এডিসি মেজর ঋষভ সিং সাম্বিয়াল ১২ বছর সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পর ৩০ বছর বয়সে সময়পূর্ব অবসর নিয়েছেন। ৪ প্যারা স্পেশাল ফোর্সে দায়িত্ব পালন এবং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেখা যাওয়ার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া এই সেনা কর্মকর্তার অবসরের কারণও এখন সামনে এসেছে। ঋষভ জানিয়েছেন, নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পাশাপাশি পরিবার ও বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিতেই তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।    সম্প্রতি রাজ শামানির পডকাস্টে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেন ঋষভ। পরে একটি ভিডিওতেও তিনি অবসরের কারণ ব্যাখ্যা করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করা ছিল তাঁর স্বপ্নের পেশা। এত দ্রুত ইউনিফর্ম ছেড়ে দিতে হবে, এমনটা তিনি কখনো ভাবেননি। তবে জীবনের একটি পর্যায়ে এসে পরিবারকে সময় দেওয়া এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তা তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।    ঋষভ জানান, ২০১৪ সাল থেকে সামরিক জীবনের কারণে দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের পাশে থাকা এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালনের বিষয়টি তাঁর সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রেখেছে। তিনি এই অবসরকে সহজ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন না; বরং নিজের জীবনের অন্যতম কঠিন সিদ্ধান্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।    ঋষভের সামরিক ক্যারিয়ারও ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি এবং ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। জাট রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালনের পর তিনি ৪ প্যারা স্পেশাল ফোর্সে কাজ করেন। ২০২১ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে জাট রেজিমেন্টের কন্টিনজেন্টের নেতৃত্ব দেন তিনি। ওই কন্টিনজেন্ট সেরা মার্চিং কন্টিনজেন্ট ট্রফিও জেতে।    ২০২৩ সালের মার্চে ঋষভকে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর এডিসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান, আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও বিদেশ সফরে তাঁর উপস্থিতি নিয়মিত চোখে পড়ে। দায়িত্ব পালনের সময় তাঁর সামরিক শৃঙ্খলা ও ব্যক্তিত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানেও রাষ্ট্রপতির পাশে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর তাঁর পরিচিতি আরও ছড়িয়ে পড়ে।    অবসরের পর ঋষভের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়ায়। বিশেষ করে বিয়ে বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে তিনি সেনাবাহিনী ছেড়েছেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে ঋষভ এসব ধারণা নাকচ করে জানিয়েছেন, তাঁর অবসরের সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ পরিবার ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব। নিজের সামরিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে তরুণদের অনুপ্রাণিত করার মতো কোনো কাজে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।

মণীশের নামে গিনেস বিশ্বরেকর্ড
১,৬৩৮টি বৈধ ক্রেডিট কার্ড! মণীশের নামে গিনেস বিশ্বরেকর্ড
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ৩:১৮

একজন মানুষের কাছে ক্রেডিট কার্ড থাকতে পারে কতটি? পাঁচটি, দশটি কিংবা কয়েক ডজন। কিন্তু ভারতের মণীশ ধামেজার কাছে ছিল ১,৬৩৮টি বৈধ ক্রেডিট কার্ড। এই সংখ্যার জন্য ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল হায়দরাবাদে তাকে ‘সবচেয়ে বেশি বৈধ ক্রেডিট কার্ডের সংগ্রহ’-এর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দেওয়া হয়। গিনেসের সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, যাচাইয়ের সময় কার্ডগুলোর সবই বৈধ ছিল।    মণীশের এই বিপুল সংগ্রহ শুধু কার্ড জমিয়ে রাখার জন্য নয়। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে দেওয়া তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিভিন্ন কার্ডের আলাদা আলাদা সুবিধা কাজে লাগান তিনি। পুরস্কার পয়েন্ট, বিমানযাত্রার মাইল, ক্যাশব্যাক, বিমানবন্দরের লাউঞ্জ, রেলওয়ে লাউঞ্জ, হোটেল সুবিধা, ভ্রমণ, খাবার, কেনাকাটার ভাউচার, সিনেমার টিকিট, গলফ সেশন এবং জ্বালানির সুবিধার মতো নানা ধরনের অফার তিনি ব্যবহার করেন।    একটি কার্ডে যে সুবিধা বেশি, অন্য কার্ডে সেটি নাও থাকতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা কার্ড ব্যবহারের কৌশল নিয়েছেন মণীশ। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্রমণ, কেনাকাটা, জ্বালানি বা হোটেলের মতো আলাদা খরচের জন্য তিনি আলাদা কার্ড ব্যবহার করেন। প্রতিটি কার্ডের নিয়ম, বিলিং সাইকেল ও পুরস্কার সুবিধা বুঝে ব্যবহার করাই তার ব্যবস্থাপনার অন্যতম দিক।    মণীশের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০০৫ সালে তিনি প্রথম ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার শুরু করেন। ধীরে ধীরে কার্ডের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ২০২১ সালে তা ১,৬৩৮-এ পৌঁছায়। গিনেসের রেকর্ডের সময় এই ১,৬৩৮টি কার্ডই বৈধ হিসেবে যাচাই করা হয়।    ২০১৬ সালে ভারতের নোটবন্দির সময়ও ক্রেডিট কার্ড তার কাজে এসেছিল বলে গিনেসকে দেওয়া বক্তব্যে মণীশ জানিয়েছেন। ওই সময় নগদ টাকার সংকটের মধ্যে তিনি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ডিজিটাল লেনদেন চালিয়ে যান। গিনেসের রেকর্ড পাতাতেও তার এই অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ রয়েছে।    এত বিপুল সংখ্যক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো হিসাব রাখা। প্রতিটি কার্ডের বিলিং সাইকেল, পেমেন্টের সময়সীমা, ফি এবং পুরস্কারের শর্ত আলাদা হতে পারে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে মণীশের ক্ষেত্রে নিয়মিত হিসাব রাখা এবং সময়মতো বিল পরিশোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ ও ২০২৬ সালের কয়েকটি প্রতিবেদনে তাকে বকেয়া ঋণ ছাড়াই কার্ড ব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মণীশ ধামেজার রেকর্ডের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা ১,৬৩৮ এবং রেকর্ডটি অর্জনের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২১। পরবর্তী সময়ে সংবাদমাধ্যমে তার বর্তমান কার্ডের সংখ্যা আরও বেশি বলে বিভিন্ন দাবি প্রকাশিত হলেও, সেগুলোকে নতুন গিনেস রেকর্ড হিসেবে ধরা যায় না। গিনেস নিজেই জানিয়েছে, রেকর্ড প্রতিদিন পরিবর্তিত হতে পারে এবং সব পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে অনলাইনে প্রকাশিত হয় না।    মণীশের ঘটনা দেখায়, ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা বাড়ানোই মূল বিষয় নয়, বরং প্রতিটি কার্ডের শর্ত ও সুবিধা বোঝা এবং সময়মতো বিল পরিশোধ করাই গুরুত্বপূর্ণ। তার ১,৬৩৮টি কার্ডের রেকর্ডটি অবশ্যই ব্যতিক্রমী। তবে সাধারণ ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সংখ্যক ক্রেডিট কার্ড মানেই অতিরিক্ত সুবিধা নয়। হিসাবের জটিলতা, ফি, সুদ ও বকেয়া এড়াতে আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী কার্ড ব্যবহার করাই গুরুত্বপূর্ণ।   সূত্র: এনডিটিভি

সোলো ট্রিপে আফগানিস্তানে গিয়ে গ্রেপ্তার কেরালার তরুণী
মেয়ে হয়ে একা একা ঘোরা! সোলো ট্রিপে আফগানিস্তানে গিয়ে গ্রেপ্তার কেরালার তরুণী
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ২:১৩

আফগানিস্তানের বামিয়ানে একা ভ্রমণ করায় গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়েছেন ভারতের কেরালার ট্রাভেল ভ্লগার অরুণিমা আইপি, যিনি ‘ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা’ নামে পরিচিত। ১৫ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা চেয়ে বার্তা দেওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে তিনি জানান, তাকে কোনো পুলিশ স্টেশন বা কারাগারে নেওয়া হয়নি এবং তিনি নিরাপদে আছেন।    অরুণিমা কেরালার পালাক্কাড জেলার অট্টাপালাম এলাকার বাসিন্দা। গত কয়েক বছর ধরে তিনি একা বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে সেই অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরছেন। আফগানিস্তানে যাওয়ার পরও তিনি নিয়মিত ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করছিলেন। চলতি সফরে তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় একাই ঘুরছিলেন।    বামিয়ানে পৌঁছানোর পরই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে বলে অরুণিমা জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যার দিকে একটি ট্রাকে লিফট নিয়ে তিনি বামিয়ানে পৌঁছান। সেখানে স্থানীয় কয়েকজন তার কাছে পাসপোর্ট, ভিসা ও ভ্রমণের অনুমতিপত্র দেখতে চান। এরপর তাকে বলা হয়, একজন পুরুষ সঙ্গী বা গাইড ছাড়া একা ভ্রমণ করা নিয়ে স্থানীয় নিয়মের সঙ্গে তার অবস্থান সাংঘর্ষিক।    এর আগে জালালাবাদে ভ্রমণের অনুমতি নিতে গিয়েও একই সমস্যায় পড়েছিলেন বলে অরুণিমা জানিয়েছেন। তার দাবি, একা ভ্রমণ করায় তাকে অনুমতিপত্র দেওয়া হয়নি। বামিয়ানে তাকে বলা হয়, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে যাতায়াত করাও নিয়মের লঙ্ঘন হতে পারে এবং এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।    ঘটনার এক পর্যায়ে অরুণিমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা চান। তার পোস্টে তিনি দাবি করেছিলেন, ‘মুজাহিদিন’ তাকে আটক করেছে এবং তার কাছে প্রয়োজনীয় অফিসিয়াল চিঠি নেই। ওই পোস্টের সত্যতা সে সময় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পরে অরুণিমা নিজেই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, তাকে থানায় বা কারাগারে নেওয়া হয়নি, বরং কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল এবং গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।    অরুণিমার বর্ণনা অনুযায়ী, পরিস্থিতি সামাল দিতে তার আগে বামিয়ানে পৌঁছাতে সহায়তা করা এক স্থানীয় ব্যক্তি হস্তক্ষেপ করেন। তার সঙ্গে কর্তৃপক্ষের কথা বলার পর অরুণিমাকে শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, তিনি নিরাপদে আছেন।    ঘটনার পর আফগানিস্তানে নারীদের চলাচল ও ভ্রমণ নিয়ে দেশটির কঠোর বিধিনিষেধ আবারও আলোচনায় এসেছে। অরুণিমার নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, নারী একা ভ্রমণ করতে পারবেন না এবং বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গী বা গাইড এবং অনুমতিপত্রের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এসব বিধিনিষেধের নির্দিষ্ট প্রয়োগ এবং তার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ সম্পর্কে আফগান সরকারের কোনো স্বাধীন আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।    অরুণিমা পরে জানান, তিনি নিরাপদে আছেন এবং আফগানিস্তান থেকে বের হয়ে উজবেকিস্তানের দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। প্রথমে ‘গ্রেপ্তার’ বললেও পরবর্তী বক্তব্যে তিনি ঘটনাটিকে মূলত আটক, জিজ্ঞাসাবাদ এবং গ্রেপ্তারের হুমকি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। ফলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে সতর্ক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ২:৩

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ও পরিবার নিয়ে যাওয়ার নিয়ম আরও কঠোর করার পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। নতুন ব্যবস্থায় অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পড়াশোনার সময় স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানকে অস্ট্রেলিয়ায় সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন। একই সঙ্গে অস্থায়ী ভিসাধারীদের দীর্ঘদিন অবস্থান এবং এক ভিসা থেকে আরেক ভিসায় যাওয়ার সুযোগও সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।    বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে অভিবাসন নীতি নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সরকারের লক্ষ্য হলো নেট বিদেশি অভিবাসন বছরে প্রায় ৩ লাখ থেকে কমিয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা।    বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে তাদের স্বামী বা স্ত্রী এবং ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানকে অস্ট্রেলিয়ায় নিতে পারেন। শিক্ষার্থীর কোর্স ও ভিসার ধরন অনুযায়ী পরিবারের সদস্যদের কাজের সুযোগও থাকতে পারে। নতুন পরিকল্পনায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীর জন্য এই সুবিধা কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।    সরকারের অভিবাসন পরিকল্পনায় শুধু শিক্ষার্থীদের পরিবার নয়, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়া এবং এক ধরনের অস্থায়ী ভিসা থেকে অন্য ভিসায় যাওয়ার প্রবণতাও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বৈধ অবস্থান নিশ্চিত করতে নতুন করে নজরদারি ও প্রয়োগ ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।    অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন কমানোর এই উদ্যোগ এমন সময়ে এসেছে, যখন দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অস্থায়ী ভিসাধারীর সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। করোনা মহামারির পর ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর অভিবাসন দ্রুত বাড়ে। তবে এরপর থেকে নেট বিদেশি অভিবাসনের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে।    অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিকসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশটির নেট বিদেশি অভিবাসন ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার। এর আগের বছর ছিল ৪ লাখ ২৯ হাজার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই সংখ্যা ৫ লাখ ৩৮ হাজারে পৌঁছেছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অস্ট্রেলিয়ায় নতুন অভিবাসীদের সবচেয়ে বড় গোষ্ঠী ছিল অস্থায়ী শিক্ষার্থী, যাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার।    সরকারের নতুন পরিকল্পনার পেছনে আবাসন, অবকাঠামো এবং শ্রমবাজারের ওপর অভিবাসনের প্রভাব নিয়ে চলমান বিতর্কও রয়েছে। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মী নিশ্চিত রাখার বিষয়টিও সরকার বিবেচনায় রাখছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বলেছেন, অভিবাসন কমানোর পাশাপাশি দেশের প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মীদের ধরে রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।    আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নিয়ম কার্যকর হলে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার পরিকল্পনা করা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের ভিসা আবেদন ও পারিবারিক পরিকল্পনায় নতুন নিয়মগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তবে নতুন বিধিগুলোর বিস্তারিত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং কোন কোন শিক্ষার্থী বা কোর্স এর আওতায় পড়বে, তা সরকারের চূড়ান্ত নিয়মের ওপর নির্ভর করবে।

Follow us

Trending

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
1.41K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
1.16K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
1.28K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
1.14K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
1.09K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
ক্যারিয়ার
বিজ্ঞান
অন্যান্য
সাপ্তাহিক পত্রিকা
সাহিত্য
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়