বাংলাদেশে অনেকেই চাকরি, ব্যবসা, ব্যাংকিং কিংবা বিভিন্ন সরকারি কাজে প্রয়োজন হওয়ায় ই-টিন সার্টিফিকেট তৈরি করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আয় বন্ধ হয়ে গেলে, ব্যবসা গুটিয়ে ফেললে অথবা টিনের প্রয়োজন না থাকলে সেটি বাতিল করতে চান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে টিন নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করা যায়। তবে শুধু আয় না থাকলেই টিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২৬২ ধারায় করদাতার নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির পরপর তিন বছর করযোগ্য আয় শূন্য থাকলে এবং ভবিষ্যতেও করযোগ্য আয় হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তিনি নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করতে পারেন। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা না থাকা, ভুলবশত একাধিক টিন নেওয়া কিংবা স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার মতো কারণেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। কারা টিন বাতিল করতে পারবেন এনবিআরের বিধান অনুযায়ী, যাঁরা আইনগতভাবে আর করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত থাকার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেন না, তাঁরা নির্দিষ্ট শর্তে আবেদন করতে পারেন। একইভাবে ভুল তথ্য দিয়ে টিন নিবন্ধন, একাধিক টিন থাকা, ব্যবসা বন্ধ হওয়া, করদাতার মৃত্যু অথবা প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তির ক্ষেত্রেও বাতিলের আবেদন করা যায়। তবে প্রতিটি আবেদনের কারণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবে কর কর্তৃপক্ষ। ঘরে বসে কীভাবে আবেদন করবেন প্রথমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সরকারি অনলাইন সেবায় নিজের টিন নিবন্ধনের তথ্য ও সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এরপর বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে একটি আবেদনপত্র প্রস্তুত করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি ও পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্নের তথ্যও সংগ্রহ করে রাখা উচিত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অনলাইনে টিন বাতিলের আবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হলেও এনবিআরের প্রকাশিত সরকারি নির্দেশনায় সবার জন্য সরাসরি অনলাইন বাতিলের নির্দিষ্ট সুবিধা নিশ্চিত করা যায়নি। তাই কেবল ই-টিন অ্যাকাউন্টে লগইন করলেই টিন বাতিল হয়ে যাবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। অনলাইন সুবিধা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলের উপকর কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। টিন সার্টিফিকেট বাতিল করতে চান? জেনে নিন আবেদন ও প্রয়োজনীয় নিয়ম বাংলাদেশে অনেকেই চাকরি, ব্যবসা, ব্যাংকিং কিংবা বিভিন্ন সরকারি কাজে প্রয়োজন হওয়ায় ই-টিন সার্টিফিকেট তৈরি করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আয় বন্ধ হয়ে গেলে, ব্যবসা গুটিয়ে ফেললে অথবা টিনের প্রয়োজন না থাকলে সেটি বাতিল করতে চান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে টিন নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করা যায়। তবে শুধু আয় না থাকলেই টিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২৬২ ধারায় করদাতার নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির পরপর তিন বছর করযোগ্য আয় শূন্য থাকলে এবং ভবিষ্যতেও করযোগ্য আয় হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তিনি নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত সাপেক্ষে নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করতে পারেন। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা না থাকা, ভুলবশত একাধিক টিন নেওয়া কিংবা স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার মতো কারণেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। কারা টিন বাতিল করতে পারবেন এনবিআরের বিধান অনুযায়ী, যাঁদের আইনগতভাবে আর করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত থাকার প্রয়োজন নেই, তাঁরা নির্দিষ্ট শর্তে আবেদন করতে পারেন। একইভাবে ভুল তথ্য দিয়ে টিন নিবন্ধন, একাধিক টিন থাকা, ব্যবসা বন্ধ হওয়া, করদাতার মৃত্যু অথবা প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তির ক্ষেত্রেও বাতিলের আবেদন করা যায়। তবে ব্যবসা বন্ধ হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিন বাতিলের যোগ্যতা তৈরি হয় না। প্রতিটি আবেদনের কারণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবে কর কর্তৃপক্ষ। ঘরে বসে কীভাবে আবেদন প্রস্তুত করবেন প্রথমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সরকারি অনলাইন সেবায় নিজের টিন নিবন্ধনের তথ্য ও সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এরপর বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে একটি আবেদনপত্র প্রস্তুত করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি ও পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্নের তথ্যও সংগ্রহ করে রাখা উচিত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অনলাইনে টিন বাতিলের আবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হলেও এনবিআরের প্রকাশিত সরকারি নির্দেশনায় সবার জন্য সরাসরি অনলাইন বাতিলের নির্দিষ্ট সুবিধা নিশ্চিত করা যায়নি। তাই কেবল ই-টিন অ্যাকাউন্টে লগইন করলেই টিন বাতিল হয়ে যাবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। অনলাইন সুবিধা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলের উপকর কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। সরাসরি আবেদন করবেন যেভাবে টিন সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা কর সার্কেলের উপকর কমিশনার বরাবর আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রে নিজের নাম, টিন নম্বর, ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য এবং বাতিলের কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। সেই সঙ্গে কারণের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট কর অফিসে আবেদন জমা দিয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে আবেদনকারীর পরিস্থিতি অনুযায়ী টিন সার্টিফিকেটের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি, পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ এবং আয় বন্ধ হওয়ার কারণসংক্রান্ত নথি প্রয়োজন হতে পারে। ব্যবসা বন্ধ হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র দিতে হতে পারে। করদাতা মারা গেলে তাঁর মৃত্যুসনদ ও উত্তরাধিকারীর পরিচয়সংক্রান্ত কাগজপত্র চাওয়া হতে পারে। তিন বছর জিরো রিটার্ন দিলেই কি টিন বাতিল হবে শুধু পরপর তিন বছর জিরো রিটার্ন জমা দিলেই টিন বাতিল হয়ে যাবে না। আয়কর আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী, করযোগ্য আয় শূন্য থাকার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও করযোগ্য আয় না হওয়ার যৌক্তিক কারণ থাকতে হবে। একই সঙ্গে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতাসহ অন্যান্য আইনি শর্তও বিবেচনায় নেওয়া হবে। এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, কারও আয় করমুক্ত সীমার নিচে নেমে গেলে এবং নিকট ভবিষ্যতে করযোগ্য আয় হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তিনি সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে কারণ ব্যাখ্যা করে আবেদন করতে পারেন। উপকর কমিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী নথিপত্র যাচাই বা শুনানির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কোন পরিস্থিতিতে আবেদন আটকে যেতে পারে আয়কর আইনের ২৬২ ধারা অনুযায়ী, নিবন্ধন বাতিলের আগে কর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হবে যে আবেদনকারীর কোনো বকেয়া কর নেই। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কর নির্ধারণের কার্যক্রম বা আয়করসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকলেও বাতিলের অনুমোদন পাওয়া যাবে না। পাশাপাশি আবেদনে উল্লেখ করা কারণের সত্যতাও যাচাই করা হবে। টিন বাতিল হলে আগের তথ্য কি মুছে যাবে আইন অনুযায়ী, টিন বাতিল বলতে নম্বরটি নিষ্ক্রিয় করা এবং সাধারণ ব্যবহারের অনুপযোগী করে দেওয়াকে বোঝায়। এর অর্থ এই নয় যে করদাতার আগের সব তথ্য সরকারি ডাটাবেস থেকে মুছে যাবে। এনবিআর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য ও রেকর্ড সংরক্ষণ করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, টিন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভবিষ্যতে চাকরি, ব্যবসা, ব্যাংকিং বা অন্য কোনো আর্থিক কাজে নম্বরটি প্রয়োজন হবে কি না, তা বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী রিটার্ন ও করসংক্রান্ত দায় নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ আবেদন করলেই নিবন্ধন বাতিল হয় না। সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পরই টিন বাতিল কার্যকর হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগের পাশাপাশি পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রায় ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সংখ্যাটি মাইক্রোসফটের মোট বৈশ্বিক কর্মীসংখ্যার প্রায় ২৭ শতাংশ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) নতুন এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। তবে এটি সরাসরি কর্মী ছাঁটাই নয়। যোগ্য কর্মীরা চাইলে নির্দিষ্ট আর্থিক সুবিধা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। মাইক্রোসফটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ভলান্টারি এক্সিট অফার। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও ভারতে কর্মরত নির্দিষ্ট বিভাগের কর্মীরা এই সুযোগ পাবেন। প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ পদমর্যাদার ৭০ বা তার নিচের স্তরের কর্মীরা এতে অংশ নিতে পারবেন। কিছু ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যায়ের কর্মকর্তাও এই কর্মসূচির আওতায় পড়ছেন। মাইক্রোসফটের চিফ পিপল অফিসার অ্যামি কোলম্যান কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় জানান, যাঁরা প্রতিষ্ঠানের বাইরে নতুন ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবছেন, তাঁদের জন্য এই সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাবেন। তবে প্রতিষ্ঠানের সব বিভাগ এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট বিভাগের ব্যবসায়িক প্রয়োজন ও কর্মী ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তি করে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে বিশ্বজুড়ে মাইক্রোসফটের পূর্ণকালীন কর্মী ছিলেন প্রায় ২ লাখ ২৩ হাজার। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার কর্মী নতুন প্রস্তাবের আওতায় পড়লেও সবাই চাকরি ছাড়বেন, এমন নয়। কতজন কর্মী শেষ পর্যন্ত প্রস্তাব গ্রহণ করবেন, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যোগ্য কর্মীদের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। যাঁরা প্রস্তাব গ্রহণ করবেন, তাঁদের চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রতিষ্ঠান ছাড়ার কথা রয়েছে। চাকরির মেয়াদ ও পদমর্যাদার ভিত্তিতে আর্থিক সুবিধার পরিমাণ নির্ধারিত হবে। এর মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ের বেতন, হেলথ ইন্স্যুরেন্স এবং ক্যারিয়ার পরিবর্তনে সহায়তার মতো সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এদিকে মাইক্রোসফটের নতুন সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এল, যখন প্রতিষ্ঠানটি এআই প্রযুক্তি, ডেটা সেন্টার এবং ক্লাউড অবকাঠামোয় বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। এই খাতে ব্যয় বাড়ার কারণে পরিচালন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখার চাপও তৈরি হয়েছে। তবে নতুন স্বেচ্ছা প্রস্থান কর্মসূচির কারণ হিসেবে মাইক্রোসফট সরাসরি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্মীদের প্রতিস্থাপনের কথা বলেনি। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, পরিবর্তিত ব্যবসায়িক প্রয়োজনের সঙ্গে কর্মী ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই এই উদ্যোগ। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮ হাজার ৭৫০ কর্মীকে স্বেচ্ছায় অবসরের সুযোগ দিয়েছিল মাইক্রোসফট। ওই কর্মসূচিতে প্রায় ৩০ শতাংশ যোগ্য কর্মী অংশ নেন। পরে জুলাই মাসে আরও প্রায় ৪ হাজার ৮০০ পদ বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এসব সিদ্ধান্তের ফলে মাইক্রোসফটের কর্মীসংখ্যায় পরিবর্তন এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণের বিপুল ব্যয় সামলাতে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কর্মী ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন খরচ নতুনভাবে মূল্যায়ন করছে। মাইক্রোসফটের সর্বশেষ উদ্যোগও সেই বৃহত্তর পরিবর্তনের অংশ। তবে ৬০ হাজার কর্মীকে চাকরি ছাড়ার সুযোগ দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে কতজন এই প্রস্তাব গ্রহণ করবেন এবং প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মীসংখ্যা কতটা কমবে, তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে তৈরি হতে যাচ্ছে ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে বিশেষভাবে নির্মিত একটি হাঁটার পথ। বিশ্বের দীর্ঘতম সোনার ওয়াকওয়ে হিসেবে এটি চালুর পরিকল্পনা করেছে দুবাই গোল্ড ডিস্ট্রিক্ট কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের শেষ নাগাদ পথটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই আকর্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও স্বর্ণ ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে দুবাইয়ের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চায় কর্তৃপক্ষ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ টুডের ২৫ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুবাই গোল্ড ডিস্ট্রিক্টের বাণিজ্যিক বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর রশিদ আল হারমুদি জানিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে ওয়াকওয়েটি চালু হওয়ার কথা রয়েছে। তাঁর দাবি, ২৪ ক্যারেট সোনার তৈরি এ ধরনের হাঁটার পথ বিশ্বে এটিই প্রথম এবং দীর্ঘতম হবে। তবে পথটির নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য, নির্মাণব্যয় এবং কত পরিমাণ সোনা ব্যবহার করা হবে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই ওয়াকওয়ে দুবাই গোল্ড ডিস্ট্রিক্টের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকেরাও বিশেষভাবে তৈরি সোনার পথে হাঁটার অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন। একই সঙ্গে স্বর্ণ ও অলংকারের আন্তর্জাতিক বাজারে দুবাইয়ের পরিচিতি আরও বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে এই প্রকল্পের। রশিদ আল হারমুদি আরও জানান, চলতি বছরের শুরু থেকে দুবাই গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে পাইকারি স্বর্ণ ব্যবসায়িক অফিসের সংখ্যা ২০ শতাংশ বেড়েছে। স্বর্ণ, অলংকার, মূল্যবান পাথর ও বিলাসবহুল ঘড়ির নতুন দোকানের সংখ্যা বেড়েছে ১৫ শতাংশ। আগামী এক বছরে আরও ১০ থেকে ২০ শতাংশ নতুন প্রতিষ্ঠান এই এলাকায় কার্যক্রম শুরু করতে পারে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে সোনার ওয়াকওয়ে নির্মাণের ঘোষণার সময় দুবাইয়ে আরও দুটি বিশ্বরেকর্ডের খবর সামনে এসেছে। বিখ্যাত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান জোয়ালুক্কাস তৈরি করেছে ২২ ক্যারেট সোনার একজোড়া বিশাল ঝুমকা, যার মোট ওজন ১৬ দশমিক ৫১৪ কেজি। বিশ্বের সবচেয়ে ভারী এবং সবচেয়ে বড় একজোড়া কানের দুল হিসেবে এটি দুটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি পেয়েছে। ময়ূরের নকশায় তৈরি বিশেষ এই অলংকারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ময়ূরা সহস্র’, যার অর্থ এক হাজার ময়ূর। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী ঝুমকা নকশা অনুসরণ করে দক্ষ কারিগরেরা কয়েক মাস ধরে এটি তৈরি করেছেন। গত ২৪ অক্টোবর দুবাই গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অলংকারটি উন্মোচন করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনীতি ও পর্যটনমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন তৌক আল মারি। জোয়ালুক্কাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বরেকর্ড গড়া এই অলংকার বিক্রি করা হবে না। শিল্পকর্ম হিসেবে এটি দুবাইয়ের জুয়েল অব জয় শোরুমে স্থায়ীভাবে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে। ফলে পর্যটকেরা কাছ থেকে বিশাল সোনার ঝুমকাটি দেখার সুযোগ পাবেন। দুবাই দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক স্বর্ণ ও অলংকার ব্যবসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এবার সোনার ওয়াকওয়ে এবং বিশ্বরেকর্ড গড়া অলংকারের মতো নতুন আকর্ষণ যুক্ত করে শহরটিকে স্বর্ণ ব্যবসার পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চাইছে কর্তৃপক্ষ।
মায়ের জন্মমাসের সঙ্গে মিলিয়ে লটারির একটি সংখ্যা বেছে নিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতপ্রবাসী ভারতীয় তরুণ অনিলকুমার বোল্লা। সেই সংখ্যাই মিলে যায় বিজয়ী টিকিটের সঙ্গে। ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর দেশটির ইউএই লটারিতে ১০ কোটি দিরহাম জেতেন তিনি, যা তৎকালীন হিসাবে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৪০ কোটি রুপি। ২৯ বছর বয়সী এই তরুণের জীবনে রাতারাতি আসে বড় পরিবর্তন। ঘটনার এক বছর পর তিনি জানিয়েছেন, বিপুল অর্থ জেতার পর কীভাবে বদলে গেছে তাঁর জীবন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ইউএই লটারির ২৩তম লাকি ডে ড্রতে বিজয়ী হন অনিলকুমার। সে সময় তিনি আবুধাবিতে বসবাস করছিলেন। লটারির ইতিহাসে তিনিই প্রথম ১০ কোটি দিরহামের জ্যাকপট বিজয়ী। ওই বছরের ২৭ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পরিচয় প্রকাশ করে লটারি কর্তৃপক্ষ। অনিলকুমার জানান, লটারির জন্য তিনি মোট ১২টি টিকিট কিনেছিলেন। বেশির ভাগ সংখ্যা বেছে নেন ইজি পিক পদ্ধতিতে, যেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বর নির্বাচন করা হয়। তবে একটি সংখ্যা তিনি নিজেই ঠিক করেন। সেটি ছিল ১১, কারণ নভেম্বর তাঁর মায়ের জন্মমাস। বিজয়ী টিকিটের সাতটি সংখ্যার মধ্যে এই ১১ নম্বরটিও মিলে যায়। প্রায় ৮৮ লাখের বেশি সম্ভাব্য সমন্বয়ের মধ্যে তাঁর টিকিটটি জ্যাকপট জিতে নেয়। লটারি জেতার খবর পাওয়ার মুহূর্তটিও ছিল অবিশ্বাস্য। অনিলকুমার জানান, তিনি তখন বাড়িতে সোফায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। লটারি কর্তৃপক্ষের ফোন পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি এত বিপুল অর্থ জিতেছেন। খবরটি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথমে এক সহকর্মীকে জানান তিনি। পরে ভারতে থাকা ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিজয়ী হওয়ার পর অনিলকুমার জানিয়েছিলেন, তাঁর সবচেয়ে বড় ইচ্ছা বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করা। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেশি সময় কাটানো এবং তাঁদের ভালো রাখাই তাঁর অগ্রাধিকার। পাশাপাশি নিজের জন্য একটি দামি স্পোর্টস কার কেনা, বিলাসবহুল হোটেলে ছুটি কাটানো এবং ভবিষ্যতের জন্য অর্থ বিনিয়োগের পরিকল্পনাও করেছিলেন। অসহায় মানুষের সহায়তায় অর্থ দান করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি। এক বছর পর সেই স্বপ্নের অনেকটাই বাস্তব হয়েছে। গত ২২ অক্টোবর গালফ নিউজে প্রকাশিত নতুন এক সাক্ষাৎকারে অনিলকুমার জানান, মায়ের জন্য সোনার হার, আংটি ও চুড়ি কিনেছেন তিনি। বাবার জৈব চাষের স্বপ্ন পূরণ করতে উপহার দিয়েছেন কৃষিজমি। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতে সম্পত্তি কিনেছেন এবং ভবিষ্যতে নিজের ব্যবসা শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে ভাবছেন। ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের কৃষক পরিবারের সন্তান অনিলকুমার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। লটারি জেতার সময় তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে আবুধাবিতে বসবাস করছিলেন। বিপুল অর্থ পাওয়ার পর তাঁর জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এলেও পরিবারের গুরুত্ব কমেনি। নতুন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, অর্থ জেতার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ। অনিলকুমারের ভাষায়, জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলো এখন পরিবারের জন্য কিছু করতে পারার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এক বছর আগে মায়ের জন্মমাসের প্রতি ভালোবাসা থেকে বেছে নেওয়া ১১ সংখ্যাটি তাঁর জীবনে যে পরিবর্তন এনেছিল, সেই অর্থ দিয়ে এখন পরিবারের দীর্ঘদিনের স্বপ্নগুলো পূরণ করছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ ভিসা থাকার পরও কোনো ঘটনায় গ্রে প্তার হলে ভিসা বাতিলসহ বিভিন্ন আইনি ও অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে পারেন বিদেশি নাগরিকেরা। পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো কিংবা ভবিষ্যতে দেশটির ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধার মুখেও পড়তে হতে পারে। এ বিষয়ে বাংলাদেশি ভিসাধারীদের সতর্ক করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় সম্ভাব্য এসব পরিণতির কথা তুলে ধরা হয়। দূতাবাসের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি গ্রে প্তার হলে তাঁর মার্কিন ভিসা বাতিল করা হতে পারে। পাশাপাশি তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান ও ভবিষ্যতে প্রবেশের যোগ্যতা নিয়েও পর্যালোচনা হতে পারে। তবে শুধু গ্রে প্তার হওয়ার কারণেই সবার ক্ষেত্রে একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন নয়। অভিযোগের ধরন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অভিবাসনসংক্রান্ত অবস্থান এবং প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি ভিসাধারীদের পাশাপাশি দেশটিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন ব্যক্তিদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। পর্যটন, ব্যবসা, পড়াশোনা কিংবা অস্থায়ী কাজের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ ভিসার শর্ত মেনে চলতে হয়। দেশটিতে অবস্থানকালে কোনো আইনি অভিযোগের মুখোমুখি হলে তার প্রভাব ফৌজদারি কার্যক্রমের পাশাপাশি ভিসা ও ভবিষ্যৎ ভ্রমণের ওপরও পড়তে পারে। এর আগে ১০ অক্টোবর প্রকাশিত আরেকটি সতর্কবার্তায় শারীরিক হামলা, চুরি, ডাকাতি কিংবা অনুমতি ছাড়া অন্যের স্থানে প্রবেশের মতো ঘটনায় জড়িত হওয়ার সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে জানিয়েছিল মার্কিন দূতাবাস। এসব ঘটনায় ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের যোগ্যতা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের স্থানীয় আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেয় দেশটির কর্তৃপক্ষ। ভ্রমণের অনুমতি পাওয়া মানেই দেশটির সব আইন ও নিয়মের বাইরে থাকার সুযোগ নয়। তাই ভিসাধারীদের নিজ নিজ ভিসার শর্ত, অনুমোদিত কার্যক্রম এবং অবস্থানের মেয়াদ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। মার্কিন ভিসা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পাসপোর্টে বৈধ ভিসা থাকলেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিশ্চিত হয় না। দেশটির বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে পৌঁছানোর পর কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের কর্মকর্তারা প্রবেশের অনুমতি ও অবস্থানের মেয়াদ নির্ধারণ করেন। একইভাবে ভিসার বৈধতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অভিবাসনগত অনুমতি এক বিষয় নয়। এ কারণে ভিসা বাতিল হলেই কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। কোনো ব্যক্তির অবস্থান, আইনি পরিস্থিতি এবং তাঁর বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার ওপর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করে। ভিসার যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও আবেদনকারীর অতীত আইনি রেকর্ড ও অভিবাসনসংক্রান্ত ইতিহাস বিবেচনায় আসতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া, মাদকসংক্রান্ত অপরাধ কিংবা ভিসার আবেদনে প্রতারণার মতো কারণে কেউ ভিসা পাওয়ার অযোগ্য হতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের অযোগ্যতা দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ীও হতে পারে। তবে সব ধরনের অভিযোগ বা গ্রে প্তারের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। অভিযোগের প্রকৃতি, আদালতের সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট আইনের ভিত্তিতে প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়। তাই কোনো আইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে নিজের ক্ষেত্রে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নির্দিষ্টভাবে জেনে নেওয়া জরুরি। সাম্প্রতিক সময়ে ভিসার শর্ত ভঙ্গ এবং অনুমোদিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা নিয়েও সতর্ক করেছে মার্কিন দূতাবাস। ভিসায় অনুমোদিত উদ্দেশ্যের বাইরে কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া কিংবা বৈধ অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে ভবিষ্যতে দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ভিজিট ভিসায় যাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে যান, তাঁদের অনুমোদিত উদ্দেশ্যের বাইরে কাজ করা থেকে বিরত থাকা এবং স্থানীয় আইন মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো আইনি অভিযোগের মুখোমুখি হলে নিজের ভিসা ও অভিবাসনগত অবস্থার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বুঝতে যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। মার্কিন দূতাবাসের সর্বশেষ সতর্কবার্তার মূল বক্তব্য হলো, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ কিংবা অবস্থানের সময় দেশটির আইন ও ভিসার শর্ত মেনে চলতে হবে। বৈধ ভিসা থাকলেও আইনগত পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে ভ্রমণের সুযোগে প্রভাব পড়তে পারে—তাই ভিসাধারীদের এ বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েট শহরে বাড়ির মালিকদের জন্য প্রপার্টি ট্যাক্স শতভাগ পর্যন্ত মওকুফের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের যেসব পরিবার বাড়ির কর পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের জন্য এই সুবিধা চালু রেখেছে শহর কর্তৃপক্ষ। ডেট্রয়েটের Homeowners Property Exemption (HOPE) কর্মসূচির আওতায় যোগ্য বাড়ির মালিকেরা আয় ও অন্যান্য শর্ত অনুযায়ী ১০০ শতাংশ পর্যন্ত প্রপার্টি ট্যাক্স ছাড় পেতে পারেন। ২০২৬ সালের জন্য আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ৬ নভেম্বর, শুক্রবার, বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট। ডেট্রয়েট সিটি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো আর্থিক সমস্যায় থাকা বাড়ির মালিকদের করের চাপ কমানো এবং কর বকেয়ার কারণে বাড়ি হারানোর ঝুঁকি হ্রাস করা। আবেদনকারীর পরিবারের আয়, সম্পদ, বাড়ির মালিকানা এবং বসবাসের তথ্য যাচাই করে কর মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে শহরের সব বাড়ির মালিক এই সুবিধা পাবেন না। নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেতে হবে। ২০২৬ সালের নির্ধারিত আয়ের সীমা অনুযায়ী, এক সদস্যের পরিবারের বার্ষিক আয় সর্বোচ্চ ২১ হাজার ৫৯৭ ডলার হলে শতভাগ কর মওকুফের জন্য বিবেচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুই সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে এই সীমা ২৬ হাজার ১৫ ডলার এবং চার সদস্যের পরিবারের জন্য ৩৩ হাজার ৪৩৬ ডলার। পরিবারের সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী আয়ের সীমা পরিবর্তিত হয়। তবে শুধু আয়ের শর্ত পূরণ করলেই সুবিধা নিশ্চিত হবে না। আবেদনকারীর অন্যান্য আর্থিক তথ্যও যাচাই করা হবে। এই কর্মসূচির সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে ডেট্রয়েট শহরের বাড়িটির মালিক হতে হবে এবং সেটি তাঁর প্রধান বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ শুধু বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে কেনা কিংবা অন্যের কাছে ভাড়া দেওয়া বাড়ির জন্য সাধারণভাবে এই সুবিধা প্রযোজ্য নয়। আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যদের আয় ও সম্পদের তথ্য জমা দিতে হবে। শহর কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সম্পদের সীমাও পূরণ করতে হবে। ফলে আবেদন করার আগে নিজের যোগ্যতা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনের জন্য বাড়ির মালিকানার প্রমাণ, সরকারি ফটো আইডি, পরিবারের আয়ের বিবরণ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে হতে পারে। আয়ের প্রমাণ হিসেবে পে-স্টাব, ডব্লিউ-২, সোশ্যাল সিকিউরিটি বেনিফিট বা পেনশনের কাগজপত্র গ্রহণ করা হতে পারে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। যাঁরা ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প নথি বা ঘোষণাপত্রের ব্যবস্থা রয়েছে। আগ্রহী বাড়ির মালিকেরা ডেট্রয়েট সিটির সরকারি HOPE কর্মসূচির মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সেখানে আবেদনপত্র পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। যাঁদের অনলাইনে আবেদন করতে সমস্যা হয়, তাঁরা শহর কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কমিউনিটি সহায়তা কেন্দ্রগুলোর সহযোগিতা নিতে পারেন। তবে আবেদন জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ এবং প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করা জরুরি। শুধু চলতি বছরের কর মওকুফ নয়, পুরোনো বকেয়া প্রপার্টি ট্যাক্সের ক্ষেত্রেও সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। HOPE কর্মসূচিতে অনুমোদিত বাড়ির মালিকেরা ওয়েইন কাউন্টির Pay As You Stay (PAYS) কর্মসূচির জন্য বিবেচিত হতে পারেন। এই কর্মসূচিতে যোগ্য ব্যক্তিদের বকেয়া করের পরিমাণ কমানো এবং নির্দিষ্ট শর্তে সুদমুক্ত পেমেন্ট প্ল্যানের সুবিধা দেওয়া হয়। তবে পুরোনো সব বকেয়া কর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মওকুফ হবে না। এ জন্য আলাদা যোগ্যতা ও অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে। ডেট্রয়েট সিটি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ১৫ হাজারের বেশি বাড়ির মালিক HOPE কর্মসূচির আওতায় কর ছাড়ের অনুমোদন পেয়েছিলেন। শহরের নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে নিজ বাড়িতে বসবাস অব্যাহত রাখতে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে যেসব পরিবার সীমিত আয়ের কারণে নিয়মিত প্রপার্টি ট্যাক্স পরিশোধ করতে পারছে না, তাদের জন্য এই কর্মসূচি আর্থিক চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি করেছে। তবে শতভাগ প্রপার্টি ট্যাক্স মওকুফের অনুমোদন পেলেও বাড়ির মালিকদের সব ধরনের ফি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় না। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো কিছু নির্দিষ্ট ফি পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে। পাশাপাশি অধিকাংশ আবেদনকারীকে প্রতিবছর নতুন করে আবেদন করতে হয়। ফলে এক বছর কর মওকুফের সুবিধা পেলেই পরবর্তী বছরগুলোতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একই সুবিধা পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। মিশিগানের ডেট্রয়েটে বসবাসকারী বাংলাদেশি কমিউনিটির বাড়ির মালিকদের জন্যও এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের পরিবারের আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে এবং যাঁরা নিজের বাড়িতে বসবাস করছেন, তাঁরা যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন। তবে ডেট্রয়েট শহরের বাইরের বাসিন্দাদের জন্য এই নির্দিষ্ট কর্মসূচি প্রযোজ্য নয়। আগ্রহীদের ৬ নভেম্বর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের আগেই আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি ও লস অ্যাঞ্জেলেসে উবার চালিয়ে কত টাকা আয় করা যায়, তা নিয়ে ড্রাইভারদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। একই কোম্পানির অ্যাপ ব্যবহার করলেও দুই শহরের ড্রাইভারদের আয়ের হিসাব এক নয়। যাত্রীদের চাহিদা, ট্রিপের দূরত্ব, স্থানীয় পেমেন্ট নীতি এবং গাড়ি পরিচালনার খরচের কারণে এই পার্থক্য তৈরি হয়। ২০২৬ সালের সরকারি পেমেন্ট নীতিতে দেখা যাচ্ছে, নিউইয়র্কে উবার ড্রাইভারদের জন্য ট্রিপভিত্তিক ন্যূনতম আয়ের আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যদিকে লস অ্যাঞ্জেলেসে ক্যালিফোর্নিয়ার প্রপোজিশন ২২ অনুযায়ী ড্রাইভারদের ন্যূনতম আয়ের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। তবে কোন শহরে প্রকৃত লাভ বেশি, তা জানতে শুধু ট্রিপের আয় নয়, সব খরচও বিবেচনা করতে হবে। নিউইয়র্ক সিটির ট্যাক্সি অ্যান্ড লিমুজিন কমিশন বা টিএলসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে সাধারণ গাড়িতে উবার ও লিফটের ট্রিপের জন্য ন্যূনতম পেমেন্টের হার বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে শহরের ভেতরে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রতি মাইলে ১ ডলার ২৮ দশমিক ৩ সেন্ট এবং প্রতি মিনিটে ৬৮ দশমিক ১ সেন্ট হারে ন্যূনতম পেমেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। আগের বছরের তুলনায় এই হার ৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে এটি ড্রাইভারদের ঘণ্টাপ্রতি নির্দিষ্ট বেতন নয়। যাত্রী নিয়ে কত মাইল এবং কত মিনিট গাড়ি চালানো হয়েছে, তার ভিত্তিতে প্রতিটি ট্রিপের ন্যূনতম পেমেন্ট হিসাব করা হয়। সহজ উদাহরণ হিসেবে, নিউইয়র্কে একজন উবার ড্রাইভার যদি যাত্রী নিয়ে ছয় মাইল পথ অতিক্রম করতে ২০ মিনিট সময় নেন, তাহলে টিএলসির বর্তমান ফর্মুলা অনুযায়ী ওই ট্রিপের ন্যূনতম পেমেন্ট হবে প্রায় ২১ ডলার ৩২ সেন্ট। যাত্রী টিপস দিলে তা এই পেমেন্টের অতিরিক্ত হিসেবে পাওয়ার কথা। কিন্তু একজন ড্রাইভার দিনে এমন কতটি ট্রিপ পাবেন, তা নির্দিষ্ট নয়। যাত্রী ওঠানোর আগে গাড়ি চালিয়ে যাওয়া, ট্রিপের জন্য অপেক্ষা এবং যানজটে আটকে থাকার কারণে একই সময় কাজ করেও দুই ড্রাইভারের আয় ভিন্ন হতে পারে। অন্যদিকে লস অ্যাঞ্জেলেসে উবার ড্রাইভারদের আয়ের হিসাব চলে ক্যালিফোর্নিয়ার প্রপোজিশন ২২-এর আওতায়। উবারের প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ড্রাইভাররা অ্যাকটিভ টাইমের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার ন্যূনতম মজুরির অন্তত ১২০ শতাংশ এবং অ্যাকটিভ মাইলের জন্য নির্ধারিত মাইলেজ ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা পান। অ্যাকটিভ টাইম বলতে ট্রিপ গ্রহণ করার পর থেকে সেটি শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। ফলে অ্যাপে অনলাইনে থেকে যাত্রীর অপেক্ষায় কাটানো সময় এই নিশ্চয়তার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না। নির্ধারিত সময় শেষে ড্রাইভারের যোগ্য আয় নিশ্চয়তার পরিমাণের নিচে থাকলে কোম্পানি পার্থক্য সমন্বয় করে দেয়। এই দুই ব্যবস্থার পার্থক্য বোঝা জরুরি। নিউইয়র্কে ড্রাইভারদের ন্যূনতম পেমেন্ট মূলত ট্রিপের দূরত্ব ও সময়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাকটিভ টাইম ও মাইলেজের ভিত্তিতে আয়ের নিশ্চয়তা হিসাব করা হয়। ফলে নিউইয়র্কের প্রতি ট্রিপের পেমেন্ট এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের ঘণ্টাভিত্তিক আয়ের নিশ্চয়তাকে সরাসরি তুলনা করলে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। দুটি শহরের প্রকৃত আয় তুলনা করতে হলে একই সময়ের মোট কাজের ঘণ্টা, সম্পন্ন করা ট্রিপ এবং গাড়ির খরচের তথ্য প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের রাইডশেয়ার ড্রাইভারদের আয় নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায়ও গ্রস আয় ও নেট আয়ের মধ্যে পার্থক্যের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। গ্রস আয় হলো ড্রাইভার গাড়ি পরিচালনার নিজস্ব খরচ বাদ দেওয়ার আগে যত অর্থ পান। অন্যদিকে নেট আয় নির্ধারণ করতে গ্যাস, ইন্স্যুরেন্স, গাড়ির কিস্তি বা লিজ, মেইনটেন্যান্স, টায়ার পরিবর্তন এবং অন্যান্য খরচ বাদ দিতে হয়। ড্রাইভারের ব্যক্তিগত ট্যাক্সের হিসাবও আলাদা। ফলে প্রতিদিন ২০০ ডলার গ্রস আয় করলেই পুরো অর্থ তাঁর হাতে থেকে যাবে, এমন নয়। নিউইয়র্কে উবার চালানোর ক্ষেত্রে টিএলসি লাইসেন্স ও সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। গাড়ির ইন্স্যুরেন্স, লাইসেন্সিং এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয়ও আয়ের ওপর প্রভাব ফেলে। অনেক ড্রাইভার নিজের গাড়ি ব্যবহার করেন, আবার কেউ ভাড়া বা লিজ নেওয়া গাড়ি দিয়ে কাজ করেন। ভাড়া গাড়ির ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক নির্দিষ্ট খরচ থাকায় পর্যাপ্ত ট্রিপ না পেলে লাভ কমে যেতে পারে। অন্যদিকে নিজের গাড়ি থাকলেও মর্টগেজের মতো গাড়ির লোন, ইন্স্যুরেন্স ও মেইনটেন্যান্সের খরচ বিবেচনায় নিতে হয়। লস অ্যাঞ্জেলেসেও গাড়ি পরিচালনার খরচ গুরুত্বপূর্ণ। শহরের বিস্তৃত এলাকা, যাত্রী ওঠানো ও নামানোর স্থান এবং ট্রিপের মধ্যবর্তী দূরত্বের কারণে ড্রাইভারদের অনেক সময় যাত্রী ছাড়াই গাড়ি চালাতে হয়। এসব মাইলের জন্য সরাসরি ট্রিপের ভাড়া পাওয়া যায় না, অথচ গ্যাস ও গাড়ির ক্ষয়ক্ষতির খরচ বাড়তে থাকে। একইভাবে ব্যস্ত সময়ে বেশি ট্রিপ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও যানজট এবং যাত্রী পাওয়ার অনিশ্চয়তা আয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। নিউইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলেসের ড্রাইভারদের প্রতিদিনের গড় আয়ের সরাসরি তুলনাযোগ্য সাম্প্রতিক সরকারি তথ্য পাওয়া যায় না। তাই নিউইয়র্কে প্রতিদিন ২৫০ ডলার এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে ২০০ ডলার আয় হয়, এমন নির্দিষ্ট অঙ্ককে দুই শহরের সব ড্রাইভারের গড় আয় হিসেবে উপস্থাপন করা যথাযথ নয়। একজন ড্রাইভার কত ঘণ্টা কাজ করছেন, কোন সময়ে গাড়ি চালাচ্ছেন, কতটি ট্রিপ পাচ্ছেন এবং কী ধরনের গাড়ি ব্যবহার করছেন, তার ওপর আয় উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশি উবার ড্রাইভারদের জন্য এই পার্থক্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ফুলটাইম উবার চালান, আবার কেউ নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের জন্য রাইডশেয়ার করেন। তাঁদের ক্ষেত্রে শুধু অ্যাপে দেখানো দৈনিক আয় নয়, সপ্তাহ শেষে প্রকৃত কত অর্থ হাতে থাকছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নতুন করে উবার চালানোর পরিকল্পনা থাকলে গাড়ি কেনা বা লিজ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট শহরের নিয়ম, ইন্স্যুরেন্সের খরচ এবং সম্ভাব্য ট্রিপের চাহিদা যাচাই করা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে নিউইয়র্কে উবার ড্রাইভারদের জন্য নির্দিষ্ট ট্রিপভিত্তিক ন্যূনতম পেমেন্টের ব্যবস্থা রয়েছে, আর লস অ্যাঞ্জেলেসে ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাকটিভ টাইমভিত্তিক আয়ের নিশ্চয়তা কার্যকর। কিন্তু শুধু এই দুই নিয়মের ভিত্তিতে কোন শহরে উবার চালিয়ে বেশি লাভ হয়, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। প্রকৃত তুলনার জন্য একই সময়ের মোট আয়, অনলাইনে থাকার সময়, যাত্রী পরিবহনের সময় এবং গাড়ির সব খরচ বিবেচনা করতে হবে। ড্রাইভারদের জন্য শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো কত ডলার আয় হয়েছে, তার পাশাপাশি কত ডলার খরচ বাদ দিয়ে হাতে থাকছে।
বাংলাদেশে অনেকেই চাকরি, ব্যবসা, ব্যাংকিং কিংবা বিভিন্ন সরকারি কাজে প্রয়োজন হওয়ায় ই-টিন সার্টিফিকেট তৈরি করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আয় বন্ধ হয়ে গেলে, ব্যবসা গুটিয়ে ফেললে অথবা টিনের প্রয়োজন না থাকলে সেটি বাতিল করতে চান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে টিন নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করা যায়। তবে শুধু আয় না থাকলেই টিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২৬২ ধারায় করদাতার নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির পরপর তিন বছর করযোগ্য আয় শূন্য থাকলে এবং ভবিষ্যতেও করযোগ্য আয় হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তিনি নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করতে পারেন। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা না থাকা, ভুলবশত একাধিক টিন নেওয়া কিংবা স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার মতো কারণেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। কারা টিন বাতিল করতে পারবেন এনবিআরের বিধান অনুযায়ী, যাঁরা আইনগতভাবে আর করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত থাকার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেন না, তাঁরা নির্দিষ্ট শর্তে আবেদন করতে পারেন। একইভাবে ভুল তথ্য দিয়ে টিন নিবন্ধন, একাধিক টিন থাকা, ব্যবসা বন্ধ হওয়া, করদাতার মৃত্যু অথবা প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তির ক্ষেত্রেও বাতিলের আবেদন করা যায়। তবে প্রতিটি আবেদনের কারণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবে কর কর্তৃপক্ষ। ঘরে বসে কীভাবে আবেদন করবেন প্রথমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সরকারি অনলাইন সেবায় নিজের টিন নিবন্ধনের তথ্য ও সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এরপর বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে একটি আবেদনপত্র প্রস্তুত করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি ও পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্নের তথ্যও সংগ্রহ করে রাখা উচিত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অনলাইনে টিন বাতিলের আবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হলেও এনবিআরের প্রকাশিত সরকারি নির্দেশনায় সবার জন্য সরাসরি অনলাইন বাতিলের নির্দিষ্ট সুবিধা নিশ্চিত করা যায়নি। তাই কেবল ই-টিন অ্যাকাউন্টে লগইন করলেই টিন বাতিল হয়ে যাবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। অনলাইন সুবিধা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলের উপকর কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। টিন সার্টিফিকেট বাতিল করতে চান? জেনে নিন আবেদন ও প্রয়োজনীয় নিয়ম বাংলাদেশে অনেকেই চাকরি, ব্যবসা, ব্যাংকিং কিংবা বিভিন্ন সরকারি কাজে প্রয়োজন হওয়ায় ই-টিন সার্টিফিকেট তৈরি করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আয় বন্ধ হয়ে গেলে, ব্যবসা গুটিয়ে ফেললে অথবা টিনের প্রয়োজন না থাকলে সেটি বাতিল করতে চান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে টিন নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করা যায়। তবে শুধু আয় না থাকলেই টিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২৬২ ধারায় করদাতার নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির পরপর তিন বছর করযোগ্য আয় শূন্য থাকলে এবং ভবিষ্যতেও করযোগ্য আয় হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তিনি নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত সাপেক্ষে নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করতে পারেন। এ ছাড়া রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা না থাকা, ভুলবশত একাধিক টিন নেওয়া কিংবা স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার মতো কারণেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। কারা টিন বাতিল করতে পারবেন এনবিআরের বিধান অনুযায়ী, যাঁদের আইনগতভাবে আর করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত থাকার প্রয়োজন নেই, তাঁরা নির্দিষ্ট শর্তে আবেদন করতে পারেন। একইভাবে ভুল তথ্য দিয়ে টিন নিবন্ধন, একাধিক টিন থাকা, ব্যবসা বন্ধ হওয়া, করদাতার মৃত্যু অথবা প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তির ক্ষেত্রেও বাতিলের আবেদন করা যায়। তবে ব্যবসা বন্ধ হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে টিন বাতিলের যোগ্যতা তৈরি হয় না। প্রতিটি আবেদনের কারণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবে কর কর্তৃপক্ষ। ঘরে বসে কীভাবে আবেদন প্রস্তুত করবেন প্রথমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সরকারি অনলাইন সেবায় নিজের টিন নিবন্ধনের তথ্য ও সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এরপর বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে একটি আবেদনপত্র প্রস্তুত করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি ও পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্নের তথ্যও সংগ্রহ করে রাখা উচিত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে অনলাইনে টিন বাতিলের আবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হলেও এনবিআরের প্রকাশিত সরকারি নির্দেশনায় সবার জন্য সরাসরি অনলাইন বাতিলের নির্দিষ্ট সুবিধা নিশ্চিত করা যায়নি। তাই কেবল ই-টিন অ্যাকাউন্টে লগইন করলেই টিন বাতিল হয়ে যাবে, এমন ধারণা সঠিক নয়। অনলাইন সুবিধা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলের উপকর কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। সরাসরি আবেদন করবেন যেভাবে টিন সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা কর সার্কেলের উপকর কমিশনার বরাবর আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রে নিজের নাম, টিন নম্বর, ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য এবং বাতিলের কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। সেই সঙ্গে কারণের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট কর অফিসে আবেদন জমা দিয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে আবেদনকারীর পরিস্থিতি অনুযায়ী টিন সার্টিফিকেটের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি, পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ এবং আয় বন্ধ হওয়ার কারণসংক্রান্ত নথি প্রয়োজন হতে পারে। ব্যবসা বন্ধ হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র দিতে হতে পারে। করদাতা মারা গেলে তাঁর মৃত্যুসনদ ও উত্তরাধিকারীর পরিচয়সংক্রান্ত কাগজপত্র চাওয়া হতে পারে। তিন বছর জিরো রিটার্ন দিলেই কি টিন বাতিল হবে শুধু পরপর তিন বছর জিরো রিটার্ন জমা দিলেই টিন বাতিল হয়ে যাবে না। আয়কর আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী, করযোগ্য আয় শূন্য থাকার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও করযোগ্য আয় না হওয়ার যৌক্তিক কারণ থাকতে হবে। একই সঙ্গে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতাসহ অন্যান্য আইনি শর্তও বিবেচনায় নেওয়া হবে। এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, কারও আয় করমুক্ত সীমার নিচে নেমে গেলে এবং নিকট ভবিষ্যতে করযোগ্য আয় হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তিনি সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে কারণ ব্যাখ্যা করে আবেদন করতে পারেন। উপকর কমিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী নথিপত্র যাচাই বা শুনানির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কোন পরিস্থিতিতে আবেদন আটকে যেতে পারে আয়কর আইনের ২৬২ ধারা অনুযায়ী, নিবন্ধন বাতিলের আগে কর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হবে যে আবেদনকারীর কোনো বকেয়া কর নেই। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কর নির্ধারণের কার্যক্রম বা আয়করসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকলেও বাতিলের অনুমোদন পাওয়া যাবে না। পাশাপাশি আবেদনে উল্লেখ করা কারণের সত্যতাও যাচাই করা হবে। টিন বাতিল হলে আগের তথ্য কি মুছে যাবে আইন অনুযায়ী, টিন বাতিল বলতে নম্বরটি নিষ্ক্রিয় করা এবং সাধারণ ব্যবহারের অনুপযোগী করে দেওয়াকে বোঝায়। এর অর্থ এই নয় যে করদাতার আগের সব তথ্য সরকারি ডাটাবেস থেকে মুছে যাবে। এনবিআর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য ও রেকর্ড সংরক্ষণ করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, টিন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভবিষ্যতে চাকরি, ব্যবসা, ব্যাংকিং বা অন্য কোনো আর্থিক কাজে নম্বরটি প্রয়োজন হবে কি না, তা বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী রিটার্ন ও করসংক্রান্ত দায় নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ আবেদন করলেই নিবন্ধন বাতিল হয় না। সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পরই টিন বাতিল কার্যকর হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যে গোপন গ্রুপ চ্যাটে বর্ণবাদী বার্তা আদান-প্রদান এবং কৃষ্ণাঙ্গদের বেশি সংখ্যায় থামানো নিয়ে প্রতিযোগিতার অভিযোগ সামনে আসার পর ছয় পুলিশ কর্মকর্তার পদত্যাগের খবর পাওয়া গেছে। শার্লট-মেকলেনবার্গ পুলিশ বিভাগের সাত কর্মকর্তাকে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছয়জন পদত্যাগ করেছেন, আর একজন বেতন ছাড়াই সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় আছেন। বিষয়টি সামনে আসার পর পুলিশ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অভ্যন্তরীণ তদন্তের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অতীতের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করছেন। ঘটনাটি সামনে আসে সম্পূর্ণ আলাদা একটি তদন্তের সূত্র ধরে। নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা শেঠ এলিয়টের বিরুদ্ধে পুলিশের স্বয়ংক্রিয় নম্বরপ্লেট শনাক্তকারী ক্যামেরা ব্যবস্থার তথ্য অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্ত করছিল। অভিযোগ ছিল, মাদক পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে সহায়তা করতে তিনি ওই ব্যবস্থার তথ্য ব্যবহার করেছিলেন। তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁর মুঠোফোনের তথ্য পরীক্ষা করতে গিয়ে কর্মকর্তারা বর্ণবাদী বার্তা-সম্বলিত একটি গ্রুপ চ্যাট খুঁজে পান। পরে সেই বার্তা শার্লট-মেকলেনবার্গ পুলিশ বিভাগকে জানানো হলে পৃথক তদন্ত শুরু হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ওই চ্যাটে কয়েকজন কর্মকর্তা কতজন কৃষ্ণাঙ্গ চালককে গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি বা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ফেলতে পারেন, তা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বার্তাগুলোতে বর্ণবাদী গালিগালাজের পাশাপাশি যৌনতা ও ধর্ম নিয়ে বিদ্বেষমূলক মন্তব্যও ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশপ্রধান এস্টেলা প্যাটারসন। তাঁর ভাষায়, ঘটনাটি গুরুতর ও গভীরভাবে উদ্বেগজনক। বার্তাগুলো কয়েক বছর আগের হলেও, এলিয়টের বিরুদ্ধে পৃথক তদন্ত চলার সময়ই প্রথম সেগুলো বিভাগের নজরে আসে। শার্লট-মেকলেনবার্গ পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতির প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন পরে পদত্যাগ করেন। সপ্তম কর্মকর্তা শেঠ এলিয়ট আগের তদন্তের সময়ই পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে গ্রুপ চ্যাটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাতজনের মধ্যে মোট ছয়জনের পদত্যাগের খবর প্রকাশিত হয়েছে; অন্য একজন বেতন ছাড়াই সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন। তাঁর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সিভিল সার্ভিস বোর্ডের পর্যালোচনা বাকি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রুপ চ্যাটের বার্তা বিনিময়ের অভিযোগে ফৌজদারি মামলা হয়েছে, এমন তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। পুলিশপ্রধান প্যাটারসন জানিয়েছেন, বিভাগ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাড়ি থামানোর তথ্য, গ্রেপ্তারের নথি, অভিযোগ এবং শরীরে থাকা ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও পর্যালোচনা করেছে। এখন পর্যন্ত ওই পর্যালোচনায় বাসিন্দাদের অধিকার লঙ্ঘন বা মামলার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে সম্ভাব্য নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিনি কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের সহায়তা চেয়েছেন। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় কাজ করার সনদ বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। এদিকে, কর্মকর্তাদের অতীতের মামলাগুলো নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কারণে আগে পরিচালিত তদন্ত, আটক কিংবা গ্রেপ্তারের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইনজীবীরা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা থাকা মামলাগুলো পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউটরদের কার্যালয়। তবে কতটি মামলা পুনরায় খোলা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। পুলিশ বিভাগ বলেছে, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং কর্মকর্তাদের আচরণে আরও কোনো অনিয়ম ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্র: ডব্লিউএফএএই, স্পেকট্রাম নিউজ, শার্লট-মেকলেনবার্গ পুলিশ বিভাগ।
নিজের চেহারা ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারেরও বেশি খরচ করেছেন নিউইয়র্কের উদ্যোক্তা ড্যানিয়েল ফিউইংস। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, ডলারের বিনিময়মূল্য ১২৬ টাকা ধরলে। স্তন অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে বোটক্স, ত্বকের চিকিৎসা, চুল ও নখের পরিচর্যা, দাঁতের সৌন্দর্য বাড়ানোসহ নানা পদ্ধতিতে অর্থ ব্যয় করেছেন তিনি। তবে এত টাকা খরচ করেও তাঁর কোনো অনুশোচনা নেই। বরং নিজের চেহারা নিয়ে আত্মবিশ্বাস তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন ৪০ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারে প্রকাশিত এক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাভিত্তিক প্রতিবেদনে নিজের সৌন্দর্যচর্চার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন ড্যানিয়েল। ডিজিটাল বিপণন খাতে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তিনি। ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নিজের একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার পর সেটি বিক্রি করে দেন। ২০২৬ সালে তিনি গড়ে তোলেন ‘গেট ক্লিয়ার বিউটি’ নামে সৌন্দর্যচিকিৎসাসেবা খুঁজে পাওয়ার একটি বাজারভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম। ড্যানিয়েলের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই নিজের চেহারায় কিছু একটা অপূর্ণতা অনুভব করতেন তিনি। সেই অনুভূতি থেকেই ২০১৩ সালে প্রথম সৌন্দর্যবর্ধক চিকিৎসা নেন, এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত হন। ড্যানিয়েলের প্রথম বড় অস্ত্রোপচার ছিল স্তন ছোট করার চিকিৎসা। ২৭ বছর বয়সে তাঁর স্তনের আকার ছিল ৩২জি, যা তিনি নিজের জন্য অস্বস্তিকর মনে করতেন। অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলনামূলক সহজ হওয়ায় পরবর্তী সময়ে আরও চিকিৎসা নেওয়ার সাহস পান বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, চেহারা নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ার ফলে মানুষের সঙ্গে মেলামেশা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং নিজের ব্যবসার প্রচারেও পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রচারমূলক বিষয়বস্তু তৈরি করা এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের সামনে নিজেকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে এই আত্মবিশ্বাস কাজে এসেছে। তবে নিজের সিদ্ধান্তের পেছনে অন্যের চাপ ছিল না বলে দাবি করেন ড্যানিয়েল। তাঁর বক্তব্য, নিজের পছন্দ অনুযায়ী চেহারায় পরিবর্তন আনতেই তিনি অর্থ ব্যয় করেছেন। চোখের পাতার অতিরিক্ত চামড়া অপসারণের অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন, যদিও তাঁর মতে, অন্যরা হয়তো মনে করবেন এই চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু নিজের চোখের পাতা ভারী মনে হওয়ায় তিনি পরিবর্তনটি চেয়েছিলেন। বয়সের ছাপ কমাতে নিয়মিত পরিচর্যার প্রতিও আগ্রহী তিনি। প্রতি তিন মাসে বোটক্স নেন এবং বছরে একবার ঠোঁটে ফিলার করান। ভবিষ্যতে প্রয়োজন মনে করলে মুখের ত্বক টানটান করার অস্ত্রোপচারও করাতে চান। নিজের হিসাব অনুযায়ী, এককালীন অস্ত্রোপচার ও অন্যান্য সৌন্দর্যচিকিৎসায় প্রায় ৫০ হাজার ডলার ব্যয় করেছেন ড্যানিয়েল। এর মধ্যে ছিল পেটের অতিরিক্ত চামড়া অপসারণ, ত্বক টানটান করার চিকিৎসা, লাইপোসাকশন, অস্ত্রোপচারের দাগ সংশোধন, চোখের পাতার অস্ত্রোপচার, ফিলার এবং ত্বকের বিভিন্ন চিকিৎসা। উল্লেখযোগ্য একটি চিকিৎসা করিয়েছিলেন ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রে। বড় ধরনের ওজন কমার পর পেটের অস্ত্রোপচার, ত্বক টানটান করা এবং স্তনে আরও দুটি অস্ত্রোপচারসহ ওই চিকিৎসাগুলোর জন্য তাঁর খরচ হয়েছিল প্রায় ১২ হাজার ডলার। সব মিলিয়ে স্তনে মোট তিনবার অস্ত্রোপচার করিয়েছেন তিনি। নিয়মিত সৌন্দর্যচর্চার খরচও কম নয়। গত ১০ বছর ধরে প্রতি দুই সপ্তাহে ম্যানিকিউর ও পেডিকিউর করান ড্যানিয়েল। প্রায় ১৫ বছর ধরে প্রতি তিন সপ্তাহে চোখের পাপড়ির পরিচর্যা, পাশাপাশি বোটক্স, ফিলার, ত্বকের বিভিন্ন চিকিৎসা, চুল কাটা ও অন্যান্য পরিচর্যা চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব নিয়মিত খাতে সময়ের সঙ্গে তাঁর ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ডলার। অর্থাৎ এককালীন অস্ত্রোপচারের তুলনায় দীর্ঘদিনের নিয়মিত পরিচর্যাতেই তাঁর খরচ দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই সৌন্দর্যচর্চার প্রকৃত ব্যয় হিসাব করার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন তিনি। নিজের প্রতিষ্ঠানের ধারণার পেছনেও এই অভিজ্ঞতা কাজ করেছে বলে জানান ড্যানিয়েল। ড্যানিয়েলের মতে, নিয়মিত পরিচর্যার উদ্দেশ্য হলো কম সময় ও পরিশ্রমে নিজেকে পরিপাটি রাখা। চোখের পাপড়ি, নখ, ঠোঁটের রং এবং ভ্রুর পরিচর্যা করানোর কারণে তাঁকে প্রতিদিন খুব বেশি প্রসাধনী ব্যবহার করতে হয় না। অন্যদিকে, শরীরের ওজন ওঠানামা করায় কিছু বড় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন তিনি। পায়ের ত্বক ঢিলে হয়ে যাওয়ার কারণে মর্ফিয়াস৮ নামের একটি ত্বকচিকিৎসা নিয়েছেন। তবে কুলস্কাল্পটিং নামের চর্বি কমানোর পদ্ধতি কিংবা নাকের অস্ত্রোপচারে তাঁর আগ্রহ নেই। নিজের নাক নিয়ে এখন সন্তুষ্ট বলেও জানিয়েছেন তিনি। নিজের চেহারা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যবসায়িক সাফল্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন ড্যানিয়েল। সপ্তাহে প্রায় ১৫টি অনলাইন বৈঠকে অংশ নেওয়া এবং ব্যবসার জন্য নিয়মিত ভিডিও ধারণ করার সময় নিজের উপস্থাপনাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, নিজের চেহারা নিয়ে স্বস্তিতে থাকলে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করা যায় এবং নিজের দক্ষতাও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হয়। ওজন কমানোর জন্য জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধ ব্যবহার, বিভিন্ন অস্ত্রোপচার এবং নিয়মিত পরিচর্যার সমন্বয়ে বর্তমান চেহারা পেয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে তাঁর এই অভিজ্ঞতা ব্যক্তিগত; সৌন্দর্যচিকিৎসার প্রয়োজন, ফলাফল ও ঝুঁকি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার।
রাজনীতি
ওবায়দুল কাদেরের কক্সবাজার সফরের নেপথ্যে ছিল ‘বস্তা ভরা ইয়াবা’!
ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিভার জামিন মঞ্জুর
‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’, যা জানাল ফ্যাক্টচেকার
Recommended news
মতামত
জুয়েল সাদাত
বিশ্ব
View moreউত্তর প্রদেশের ঝাঁসিতে একটি হোটেলের কক্ষের দরজায় হঠাৎ পড়ে গিয়ে এক নববধূর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসার পর মৃত্যুর পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মুসকান নামের ওই নারীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাঁর বাবা স্বামী নিলেশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাটি ঘটে ঝাঁসির ঋষভ হোটেলে। ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর সকালে হোটেল থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতির সময় এ ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হোটেলের এক কর্মী ও স্বামীর সঙ্গে কক্ষের দিকে যাচ্ছিলেন মুসকান। তাঁর স্বামী ও ওই কর্মী কক্ষে প্রবেশ করার পর দরজার কাছে পৌঁছেই হঠাৎ মেঝেতে পড়ে যান তিনি। পরে স্বামী তাঁকে তুলে কক্ষের ভেতরে নিয়ে যান। এরপর হোটেলকর্মীদের সহায়তায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। মুসকানের বাবা রামজি লাল আহিরওয়ার অভিযোগ, মেয়ের মৃত্যুর পেছনে স্বামীর ভূমিকা থাকতে পারে। তাঁর দাবি, মুসকানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখে তাঁর সন্দেহ হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের পর মুসকান জানতে পারেন, তাঁর স্বামী নিলেশের আগে থেকেই বিয়ে হয়েছিল এবং আগের স্ত্রী মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে থাকেন। বিষয়টি জানার পর দম্পতির মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৯ জুন নিলেশের সঙ্গে মুসকানের বিয়ে হয়। নিলেশ মধ্যপ্রদেশের বিদিশার বাসিন্দা এবং একটি ব্যাংকে ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন। মুসকান রেলওয়ের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে ১০ অক্টোবর বাবার বাড়ি ঝাঁসিতে ফিরে এসেছিলেন বলে তাঁর বাবা জানিয়েছেন। ২৩ অক্টোবর নিলেশ সেখানে আসেন এবং পরদিন খালার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে মুসকানকে সঙ্গে নিয়ে বের হন বলে অভিযোগ পরিবারের। পরে তাঁরা হোটেলে উঠেছিলেন বলে জানতে পারে পরিবার। ঝাঁসি পুলিশের নগর পুলিশ সুপার প্রীতি সিং জানিয়েছেন, জেলা হাসপাতালে এক নারীকে মৃত অবস্থায় আনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল-সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে এবং মুসকানের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। নিলেশ পুলিশকে জানান, সকালে হোটেল থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতির সময় মুসকান হঠাৎ পড়ে অসুস্থ হয়ে যান। পরে হোটেলকর্মীদের সহায়তায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পুলিশ হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করেছে এবং পরিবারের অভিযোগও খতিয়ে দেখছে। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মুসকানের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা উঠে এসেছে। তবে মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং পরিবারের তোলা অভিযোগের সঙ্গে ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নির্ধারণে পুলিশ অন্যান্য তথ্যপ্রমাণও পরীক্ষা করছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস।
রোগীর জীবন বাঁচাতে টানা ৩২ ঘণ্টা ধরে জটিল অস্ত্রোপচার করেছেন চীনের একদল চিকিৎসক। অস্ত্রোপচার শেষে ক্লান্তিতে অপারেশন কক্ষের মেঝেতে শুয়ে পড়েন তাঁদের কয়েকজন। তাঁদের একজন মেঝেতে শুয়েই ক্যামেরার দিকে বিজয়চিহ্ন দেখান। চিকিৎসকদের এই মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৪ সালের জুনে, চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের ফুঝৌ শহরের ফুজিয়ান মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ইউনিয়ন হাসপাতালে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোগীর মস্তিষ্কে দুটি গুরুতর সমস্যা ছিল। একটি হলো মস্তিষ্কের রক্তনালিতে অ্যানিউরিজম, অর্থাৎ রক্তনালির দেয়াল দুর্বল হয়ে অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা। অন্যটি ছিল ব্রেনস্টেমে হেমানজিওব্লাস্টোমা নামের বিরল ধরনের টিউমার। মস্তিষ্কের এই অংশটি শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। চিকিৎসকদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, একটি সমস্যার চিকিৎসা করতে গিয়ে অন্যটির জটিলতা বা রক্তক্ষরণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা করতে হয়। অস্ত্রোপচারে অংশ নেন তিনজন সার্জন, ছয়জন অ্যানেসথেশিওলজিস্ট এবং আটজন নার্স। প্রায় ৩২ ঘণ্টার এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় মোট ছয়টি ধাপে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকদের দীর্ঘ সময় ধরে নিবিড় মনোযোগ ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে হয়েছিল। প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা কেবল অল্প সময়ের জন্য বিরতি নিয়েছিলেন। রোগীর অবস্থা বিবেচনায় প্রতিটি ধাপে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগোতে হয়েছে তাঁদের। অস্ত্রোপচার শেষে তোলা ছবিতে চিকিৎসকদের শারীরিক ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কয়েকজন সার্জন অপারেশন কক্ষের মেঝেতে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। তাঁদের একজন ক্লান্ত অবস্থাতেও ক্যামেরার দিকে দুই আঙুল তুলে বিজয়চিহ্ন দেখান। ছবিটি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মূলত দীর্ঘ সময় ধরে চলা জটিল অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকদের শারীরিক পরিশ্রম ও মানসিক চাপের বাস্তব চিত্র তুলে ধরায়। তবে ছবিটি ভাইরাল হওয়ার নির্দিষ্ট সময় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর প্রতিক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, অস্ত্রোপচারের পর রোগী বেঁচে যান। তবে তাঁর পরবর্তী শারীরিক অবস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সহজলভ্য নয়। ঘটনাটি চিকিৎসকদের দক্ষতা, দলগত কাজ এবং জটিল চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে। একই সঙ্গে দীর্ঘ অস্ত্রোপচারে চিকিৎসাকর্মীদের শারীরিক সক্ষমতা ও বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও সামনে আনে। সূত্র: গ্লোবাল টাইমস ও সিএনটিভির বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে মেকআপ ব্যবহার শুরু করেছিলেন চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জিলিন প্রদেশের এক তরুণী। এরপর ২২ বছর ধরে নিয়মিত মেকআপ ব্যবহার করলেও রাতে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করার অভ্যাস ছিল না তাঁর। এখন ৩৭ বছর বয়সে তাঁর মুখজুড়ে দেখা দিয়েছে লালচে ফুসকুড়ি, ফোলা ভাব ও ত্বকের প্রদাহ। জুন ২০২৫-এ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বর্তমান অবস্থার একটি ভিডিও প্রকাশের পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। অনলাইনে ‘নিউইয়োমিয়ান’ নামে পরিচিত ওই নারী জানিয়েছেন, পরদিন সকালে আবার মেকআপ করবেন ভেবে রাতে তা পুরোপুরি তুলে ফেলার প্রয়োজন মনে করতেন না তিনি। ওই নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর ত্বকের সমস্যা শুরু হয়েছিল ১৪ বছর বয়সে। তখন ব্রণ দূর করার জন্য একটি ক্রিম ব্যবহার করেছিলেন তিনি, যার পর ত্বকে অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বলে দাবি করেন। পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তখন তুলনামূলক কম দামের তরল প্রসাধনী ব্যবহার করে ত্বকের দাগ ঢাকার চেষ্টা করতেন। পরবর্তী সময়ে সৌন্দর্যচর্চা ও চুলের সাজসজ্জা শেখার সময় বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের সংস্পর্শেও আসেন তিনি। তাঁর ধারণা, এসব অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের অনিয়মিত ত্বক পরিচর্যার সঙ্গে বর্তমান সমস্যার সম্পর্ক থাকতে পারে। চীনা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ত্বকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করলে প্রথমে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে না গিয়ে একটি সৌন্দর্যচর্চা কেন্দ্রে চিকিৎসা নেন ওই নারী। সেখানে মুখে ইনজেকশন দেওয়ার পর তাঁর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। মুখে তীব্র চুলকানি ও অস্বস্তি অনুভব করেন বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বর্ণনায়, কখনো কখনো মনে হয় যেন মুখের ওপর দিয়ে হাজার হাজার ছোট পিঁপড়া হেঁটে যাচ্ছে। তবে কোন রোগ বা নির্দিষ্ট কারণে তাঁর ত্বকের এমন অবস্থা হয়েছে, তা নিশ্চিত করে এমন কোনো চিকিৎসা-নির্ণয়ের তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। নিজের ত্বকের সমস্যাকে ওই নারী ‘হরমোন ফেস’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এটি তাঁর ব্যবহৃত একটি বর্ণনা, নিশ্চিত চিকিৎসা-নির্ণয় নয়। দীর্ঘদিন মেকআপ ব্যবহার করা, মুখ যথাযথভাবে পরিষ্কার না করা, প্রসাধনীর উপাদানে অ্যালার্জি এবং বিভিন্ন প্রসাধনভিত্তিক চিকিৎসার প্রভাব, একাধিক বিষয় ত্বকের সমস্যার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। কিন্তু শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মেকআপ না তোলাকেই মুখের বর্তমান অবস্থার একমাত্র কারণ বলা যায় না। এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা-পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ত্বকের যত্নে নিয়মিত পরিচর্যার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের সাধারণ পরামর্শ অনুযায়ী, মেকআপ ব্যবহারের পর ত্বক উপযোগী পরিষ্কারক দিয়ে তা তুলে ফেলা এবং নতুন কোনো প্রসাধনী ব্যবহারের আগে তার উপাদান সম্পর্কে সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকে দীর্ঘস্থায়ী লালচে ভাব, ফোলা, চুলকানি বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে নিজে থেকে একের পর এক প্রসাধনী বা চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট ও হিন্দুস্তান টাইমস।
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় বিদ্যুতের সংকট, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের অভাব আর পরিবারের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন ছাড়েননি তরুণ শিক্ষার্থী কারিম আয়াদ আলখোদারি। রাতে একটি ছোট সৌরশক্তিচালিত বাতির আলোয় বসে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাঠ পড়েন তিনি। পড়ার উপকরণ পর্যালোচনা করা, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা এবং নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াই এখন তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ। নিজের জীবনের এমন মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছেন কারিম। তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা গাজার প্রতিকূল পরিবেশে শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাওয়ার সংগ্রামকে সামনে এনেছে। কারিমের নিজের ভাষ্যে, চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন তাঁর কাছে কেবল পেশাগত লক্ষ্য নয়, বরং কঠিন সময়েও এগিয়ে চলার প্রেরণা। যুদ্ধের মধ্যে কখনো মোমবাতির আলোয়, কখনো হাতের কাছে পাওয়া সামান্য আলোর সাহায্যে পড়াশোনা করেছেন তিনি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাঠের পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসা ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে প্রশিক্ষণও সম্পন্ন করেছেন বলে জানিয়েছেন। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান তিনি, বিশেষ করে এমন মানুষদের, যাঁরা প্রয়োজনের সময় যথাযথ চিকিৎসা পান না। কারিমের পরিবারের সংকটও তাঁর পড়াশোনাকে কঠিন করে তুলেছে। তাঁর প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর তাঁদের পারিবারিক বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। বাড়িটি তাঁর বাবা প্রায় ৩৮ বছর ধরে নিজের হাতে গড়ে তুলেছিলেন। এখন পরিবারের সাত সদস্যকে একটি ছোট ভাড়া করা ঘরে থাকতে হচ্ছে। খাবার, বিশুদ্ধ পানি, নিরাপদ আশ্রয় এবং চিকিৎসার খরচ জোগাড় করাও তাঁদের জন্য প্রতিদিনের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পড়াশোনার জন্য নির্দিষ্ট একটি জায়গা তৈরি করে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন কারিম। সীমিত আলো ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের মধ্যেই বইপত্র নিয়ে বসেন তিনি, যাতে পড়ার ধারাবাহিকতা নষ্ট না হয়। যুদ্ধের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া, ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন এবং বিদ্যুতের অভাব গাজার বহু শিক্ষার্থীর জন্য বড় বাধা হয়ে উঠেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতো বিষয়, যেখানে নিয়মিত অধ্যয়ন ও অনুশীলন জরুরি, সেখানে এসব সীমাবদ্ধতা শিক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। গাজায় শিক্ষাজীবন ধরে রাখার লড়াই কারিমের একার নয়। ২০২৪ সালে বিএমজে গ্লোবাল হেলথের একটি লেখায় গাজার আরেক চিকিৎসাশিক্ষার্থী যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ক্ষুধা এবং বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন। ২০২৬ সালেও গাজায় শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প শিক্ষার পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কারিমের অভিজ্ঞতা দেখায়, এমন উদ্যোগের পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে নানা সংকট মোকাবিলা করে নিজেদের পড়াশোনা এগিয়ে নিতে হচ্ছে। কারিমের লক্ষ্য একদিন চিকিৎসক হয়ে গাজার মানুষের সেবা করা। তাঁর পরিবারের আর্থিক সংকট ও পড়াশোনার খরচ মেটাতে অনলাইনে তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। নিজের বিবরণে তিনি জানিয়েছেন, কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান এবং ভবিষ্যতে চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে অন্যদের সহায়তা করতে চান। সীমিত আলোয় বইয়ের পাতায় চোখ রেখে তাঁর এই চেষ্টা গাজায় যুদ্ধের মধ্যে শিক্ষার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার এক ব্যক্তিগত উদাহরণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: কারিম আয়াদ আলখোদারির ব্যক্তিগত বিবরণ ও বিএমজে গ্লোবাল হেলথ।
Follow us
Trending
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
বিগ ব্যাশে মোস্তাফিজকে দলে নিতে যাচ্ছে মেলবোর্ন রেনেগেডস, বিসিবির ছাড়পত্রের অপেক্ষা
বেসবল থেকে রাগবি, এক জায়গায় ৪০টিরও বেশি মাঠ নিয়ে যাত্রা শুরু অন্টারিও স্পোর্টস এম্পায়ারের
স্কুল ফুটবল বিশ্বকাপে ভারতের দ্বিতীয় দলকে ২৭-০ গোলে হারাল বেনিন
পেন্টাগন থেকে শুরু হচ্ছে ১০ মাইলের দৌড়, যান চলাচলে যেসব বিধিনিষেধ থাকছে
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভান সুলিভানের ইতিহাস, ১৭ বছরেই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা
রাবণের দশ মাথায় ড. ইউনূস ও ইলন মাস্কের ছবি, লক্ষ্ণৌতে পোস্টার ঘিরে বিতর্ক
বিতর্কিত জলসীমায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, চীনের কড়া প্রতিক্রিয়ায় বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান যুদ্ধ হলে ইসলামাবাদের পাশে থাকবে ভারত, মন্তব্যে বিতর্কে বিজেপি নেতা
যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন মিসাইল মিউজিয়ামে প্রদর্শন করলেন কিম জং উন
রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল চুক্তি নিয়ে বিরোধের জেরে জেলেনস্কিকে সরিয়ে নতুন নেতা চাইলেন ট্রাম্প
ফ্লোরিডায় রোবটের সাহায্যে ৩৫ মাইল দূরের হাসপাতালে রোগীর সার্জারি করলেন চিকিৎসক
নার্সিংহোমে চাকরিতে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত সহায়তার সুযোগ, নতুন উদ্যোগ
পাঁচ বছর ভেগান ডায়েটে সুস্থ হয়ে শক্তি হারান, মাংস খেয়েই নিজেকে সুস্থ রাখতে পারছেন বেয়ার গ্রিলস
হরমোন ছাড়াই পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণের নতুন পদ্ধতি, মানবদেহে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা
যুক্তরাষ্ট্রে হামের সংক্রমণ ভয় বাড়াচ্ছে, চলতি বছরেই তৃতীয় মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত
এআইয়ে বিপুল বিনিয়োগের চাপ, ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব মাইক্রোসফটের
আইফোন ডুওর ডিসপ্লের ত্রুটি স্বীকার করল অ্যাপল, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের নতুন ফোন দেওয়ার ঘোষণা
মাইক্রোসফটের ৬০ হাজার কর্মীকে চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব, মিলবে আর্থিক সুবিধা
ইলন মাস্কের টেসলা রোডস্টারের গবেষণায় বাংলাদেশের বুয়েটের তারেক সরোয়ার! জানালেন অভিজ্ঞতা
বাজারে আসার কয়েক ঘণ্টায় আইফোন ডুওর মজুত শেষ, পুনর্বিক্রিতে দাম চাওয়া হচ্ছে ১০ হাজার ডলার!
ওয়াশিংটনে প্রথমবারের মতো স্কুলে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য হালাল খাবার চালু করছে কেন্ট জেলা
একটি গুলির ঘটনা, চারটি প্রাণহানি, আহত শিশুর পাশে হাজারো মানুষের ভালোবাসা
ভাইকে হারিয়ে স্কুলে ফিরতেই ১২ ‘বড় ভাইয়ের’ ভালোবাসায় কাঁদল ৯ বছরের নোরা
মাতৃত্ব বাধা নয়, শক্তি: পরীক্ষার পুরো সময় ছাত্রীর সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা নিলেন শিক্ষক
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গুগলের নতুন অফার, মিলবে ৪০০ জিবি স্টোরেজ ও এআই সুবিধা
স্ন্যাপ ও মেডিকেইড সুবিধা ধরে রাখতে নিউ ইয়র্ক সিটির নতুন উদ্যোগ, চালু হলো বিশেষ ওয়েবসাইট
নিউইয়র্ক নাকি লস অ্যাঞ্জেলেস, উবার চালিয়ে কোথায় বেশি আয় হয়?
মিশিগানের ডেট্রয়েটে বাড়ির মালিকদের ১০০% পর্যন্ত কর মওকুফের সুযোগ, আবেদন শেষ ৬ নভেম্বর
কৃষ্ণাঙ্গদের গ্রেপ্তারের গোপন প্রতিযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ পুলিশ কর্মকর্তার পদত্যাগ
ফ্লোরিডায় ৩ বছরের খুদে ফুটবলারের একের পর এক গোল, বিরোধের জেরে মাঠে ডাকা হলো পুলিশ
পাঁচ বছরে আয় ৮ গুণের বেশি, তবু অ্যামাজনের চাকরি ছেড়ে নিজের ব্যবসা শুরু করলেন নাবিল খান
ইন্টেল থেকে টেসলায়! সিনিয়র টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার বাংলাদেশি সারোয়ার মোর্শেদ
সৌদিতে ১৯ হাজার ৬১০টি চাকরি ও প্রশিক্ষণের সুযোগ, আবেদনের নিয়ম জানুন
যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে অ্যামাজন, কর্মীদের মিলবে স্বাস্থ্যবিমার সুবিধাও
মায়ের বিক্রি করা ছাগলের টাকায় কিনেন ফোন, নাসিম এখন মাইক্রোসফটে
দুই হাজার বছর পর রোমান স্কটল্যান্ডে মৃ ত্যু হওয়া ব্যক্তির মুখ ফিরল ডিজিটাল প্রযুক্তিতে
ঘুমের ঘোরে কারা বেশি অশা লীন কথা বলেন, গবেষণায় মিলল চমকপ্রদ তথ্য
নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় ত্রুটি, আ গু ন লাগার ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্রে হুন্দাই ও জেনেসিসের ৯৪ হাজারের বেশি গাড়ি
সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধ করে নারীদের জন্য বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা চালু বুরকিনা ফাসোতে
ডাউন সিনড্রোমের জন্য দায়ী অতিরিক্ত ক্রোমোজোম মানবকোষ থেকে সরালেন বিজ্ঞানীরা
বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঠেকাতে মরিয়া আইনি লড়াই, এবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে মাহমুদ খলিল
জলবায়ু ক্ষতিপূরণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বড় লড়াই, একদিকে তেল কোম্পানি অন্যদিকে বোল্ডার
হার্ভার্ডের ২২০ কোটি ডলারের গবেষণা অনুদান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আদালতে লড়াই
নিউইয়র্কে এআই নিয়ে ঐতিহাসিক শুনানি, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি কাউন্সিল
জাল সনদে সুপ্রিম কোর্টে ১৯ বছর চাকরি, এবার ৪২ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ
কম খরচে ভালো শিক্ষা ও চাকরির সুযোগ, আমেরিকার সেরা কলেজ শহরগুলোর তালিকা প্রকাশ
৫ কোটি টাকার ফেলোশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডির সুযোগ পেলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আশফাকুর
এইচএসসিতে জিপিএ ২.৯৩ পেয়েও ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডির অফার পেলেন রায়হান
হকিংয়ের পাওয়া পুরস্কার এবার বাঙালির! পদার্থবিদ্যার অস্কার ক্লেন মেডেল অশোক সেনের
বিনা টিউশন ফিতে সুইডেনে মাস্টার্স, সঙ্গে মাসে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ভাতা!
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের কমিউনিটির বড় সহায়তা, ৮ লাখ ডলারের অনুদান
খ্রিস্টধর্ম প্রচারে সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ, সিস্টার ডেইজির জীবনে কী ঘটেছিল
নবরাত্রিতে গরবা নাচে মামদানি, মন্দিরে পুরোহিতের আশীর্বাদ নিয়ে আলোচনায় নিউইয়র্কের মেয়র
লাইভে প্রার্থনা করছিলেন পুরোহিত, মুহূর্তেই মাথায় ভেঙে পড়ল বিশাল ক্রুশ!
দুর্গাপূজার আনন্দে মাতোয়ারা বাংলাদেশ, মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের ঢল, উৎসবের রঙে রঙিন দেশ
যুক্তরাষ্ট্রের ৩ অঙ্গরাজ্যে আটক অভিবাসীদের বন্ড শুনানি ছাড়াই আটকের পক্ষে আদালতের রায়
নিউইয়র্কে অভিবাসন অভিযান ঘিরে বিক্ষোভ, পাঁচ বছরের শিশুর সামনে গুলির ঘটনায় ক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় পাউরুটি ফেরত নেওয়া হচ্ছে, দুধের উপাদান নিয়ে সতর্কতা
২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতে ৫০৬ কোটি টাকার বিল, গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ মন্ত্রীর
জাপানের ধনী পরিবারে ‘ঘরজামাই’ দত্তক, উত্তরাধিকারী হওয়ার সুযোগ বাংলাদেশিদেরও
১৯৮৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি ক্রয়ের গড় বয়স ছিল ৩৩ বছর, এখন ৫৬! নতুন ক্রেতার রেকর্ড পতন
আম্বানির শেয়ার কিনতে বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের ঢল, প্রথম ঘণ্টাতেই রেকর্ড
ফ্রান্সে দাঙ্গা, জ্বালানির ঊর্ধ্বমূল্য ও বৈশ্বিক উদ্বেগে ইউরোর দর কমল, শক্তিশালী ডলার
আমেরিকায় কোন পেশায় আয় বেশি? জেনে নিন, ঘণ্টাপ্রতি বেতনসহ ১০টি কাজের তালিকা
ক্যালিফোর্নিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এয়ারটেবলের কর্মীদের ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা, বে এরিয়ায় চাকরি গেছে ১৪ হাজারের বেশি
ফ্লোরিডায় ফুটবল ম্যাচ শেষে গুলিবর্ষণ, আহত ১১; ১৫ বছর বয়সীর বিচার হবে প্রাপ্তবয়স্ক আদালতে
করোনাকালীন ত্রাণের অর্থে নিজের বাড়ি! টেক্সাসের নারীর বিরুদ্ধে ১০টি ফেডারেল অভিযোগ
বিমানবন্দরে আটক হওয়ার পর মুক্তি, এবার অন্য বন্দি নারীদের পাশে ইউক্রেনীয় অভিবাসী
স্কুলে যাওয়ার পথে আটক, ভাঙল কবজি ২০ বছরের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তোলপাড়
যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল ম্যাচের পর গুলিতে আহত অন্তত ১২, ছয় শিশুকে ঘিরে উদ্বেগ
ফ্লোরিডায় ১৪ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিষিদ্ধের পক্ষে আদালতের রায়
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী ইরান তবে চাপের মধ্যে নয়: পেজেশকিয়ান
জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘পিঙ্ক বাস’ নারীর নিরাপদ যাতায়াতের উদ্যোগ তুলে ধরলেন শামা ওবায়েদ
গুতেরেসের সঙ্গে তারেকের বৈঠক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
ঋণ নয়, অনুদান চায় বন্যাবিধ্বস্ত নেপাল; জাতিসংঘের তহবিলে ২ কোটি ডলারের আবেদন
দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে ২৪ ক্যারেট সোনার রাস্তা! হাঁটার সুযোগ পাবেন সাধারণ পর্যটকেরাও
মায়ের জন্মদিনের সংখ্যা বদলে দিল ভাগ্য! লটারিতে ৩১৪ কোটি টাকা জিতলেন ভারতীয় তরুণ
যুক্তরাজ্যে ঝাড়ফুঁকের নামে তরুণীকে ধর্ষণ, বাংলাদেশি ইমাম কমর উদ্দিনের কারাদণ্ড
খুনের মামলা এড়াতে নিজের মৃত্যুর নাটক, এআই দিয়ে বানালেন শেষকৃত্যের ছবি