Live update news
জামিনে কারামুক্ত সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি দবিরুল ইসলাম

গ্রেফতারের দেড় বছর পর জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা দবিরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে দিনাজপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এর আগে একই দিন ঠাকুরগাঁওয়ের একটি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।   দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেলার ফরহাদ সরকার সাবেক এই সংসদ সদস্যের কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জমি দখল ও চাঁদাবাজির মামলায় দবিরুল ইসলাম গ্রেফতার হন। একই মামলায় তার ছেলে এবং ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম সুজনও গ্রেফতার হয়েছিলেন। তিনি বর্তমানে দিনাজপুর কারাগারেই রয়েছেন।   দবিরুলের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, কারাগারে যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে এবং হাঁটাচলা করার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছেন তিনি।   এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি একই কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা যান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন।

২ মিনিট Ago
গাজা পুনর্গঠনে ৭ বিলিয়ন ডলারের তহবিল

গাজা পুনর্গঠনের জন্য ৭ বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠকে তিনি জানান, বিভিন্ন দেশ এই তহবিলে অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।   বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, হামাস নিরস্ত্র হলে গাজাকে পুনর্গঠন ও নিরাপদ করার কাজ দ্রুত শুরু হবে। এ লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত এ বাহিনী শুরুতে রাফাহ এলাকায় কাজ করবে এবং পর্যায়ক্রমে ২০ হাজার সেনা ও ১২ হাজার পুলিশ প্রস্তুত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বোর্ডে ইসরায়েল অংশ নিলেও এতে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা নেই।   বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে অর্থ ও সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। সৌদি আরব ১ বিলিয়ন ডলার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং কাতার ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ৮ হাজারের বেশি সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে এবং তুরস্ক পুনর্গঠন ও পুলিশ প্রশিক্ষণে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।   ট্রাম্প আরও বলেন, গাজার যুদ্ধ শেষ হয়েছে এবং হামাস অস্ত্র সমর্পণ করবে বলে তিনি আশা করছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ সংস্কারের উদ্যোগ নেবে, তবে গাজা পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দেবে বোর্ড অব পিস।   অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ভূখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

১৫ মিনিট Ago
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণে সন্তুষ্ট সাধারণ মানুষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রথম ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, দেশের মানুষ এখন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ দেখতে চায়।   বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তি কিংবা জোরজবরদস্তির পরিবর্তে আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি।   সাধারণ মানুষ বলেন, অতীতে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি এবং প্রশাসনকে দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই নতুন সরকারের কাছে তাদের প্রধান প্রত্যাশা গণতান্ত্রিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।   পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখা, গুম-খুনের আতঙ্ক দূর করা, মামলা বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান তারা। মানুষের মৌলিক অধিকার যাতে কেউ হরণ করতে না পারে, সেই নিশ্চয়তার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিকরা।   তাদের প্রত্যাশা, বিএনপি সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এবং বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

২৮ মিনিট Ago
গণভোট বাতিল হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ: নাহিদ ইসলাম

যদি গণভোট বাতিল হয়ে যায়, তাহলে এই নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।   এসময় তিনি সরকারি দল বিএনপিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ কার্যকর করার আহ্বান জানান। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, তা সত্ত্বেও গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা এই ফলাফল মেনে নিয়ে এগোতে চেয়েছেন।   নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে এনসিপি শপথ গ্রহণ করেছে। তবে শপথের প্রথম দিনেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সরকারি দল বিএনপি শপথ গ্রহণ না করে জনগণের সঙ্গে এবং সংস্কারের পক্ষের মানুষদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

৪২ মিনিট Ago
সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে। ছবি: সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে
সারাদেশ
পরিবহনে চাঁদাবাজিকে ‘সমঝোতা’ বলে মন্ত্রী কি তবে বৈধতা দিলেন?

নতুন সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পরিবহন খাতে মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলোর নামে তোলা চাঁদাবাজিকে ‘সমঝোতার ভিত্তিতে তোলা অর্থ’ হিসেবে দেখার মনোভাব প্রকাশ করেছেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, এটি জোরপূর্বক আদায় করা হয় না, তাই সাধারণ চাঁদা হিসেবে গণ্য করা যায় না।   গত বৃহস্পতিবার নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন এই অর্থ তাদের কল্যাণে ব্যয় করে। এখানে বিতর্কের বিষয় হতে পারে, কিন্তু তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এটি করছে।   মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ভবিষ্যতে পর্যবেক্ষণ করবে যে, এই সমঝোতার ভিত্তিতে তোলা অর্থের ব্যবহার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হচ্ছে কি না। তিনি স্পষ্ট করেছেন, জনস্বার্থে কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া হবে না।   সংবাদ সম্মেলনে সরকারের অগ্রাধিকার ও পরিকল্পনা নিয়ে বলা হয়— রেল সম্প্রসারণ, সড়কে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, খাল পুনঃখনন ও সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থাপনা। ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার নিয়ন্ত্রণ ও যানজট কমানোর পদক্ষেপ। ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত বাস বিশেষ লেন (বিআরটি) প্রকল্প পুনঃপর্যালোচনা।   পরিবহন খাতের বিশেষজ্ঞরা এই মনোভাবের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, পরিবহন খাতে যেকোনো ছায়া খরচ বা চাঁদা অপ্রকাশ্য চাপ তৈরি করে। শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে শুধু নিয়োগপত্র ও বেতন যথেষ্ট।   ২০২৪ সালের ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে মালিকানাধীন বাস ও মিনিবাস থেকে বছরে প্রায় ১,০৫৯ কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয়, যা বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
অভিবাসী খাতে অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাব—নিউইয়র্ক মেয়রকে তীব্র সমালোচনা রোগানের
অভিবাসী খাতে অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাব—নিউইয়র্ক মেয়রকে তীব্র সমালোচনা রোগানের

নিউইয়র্ক সিটির প্রস্তাবিত ২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে অভিবাসী সহায়তা খাতে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনা করেছেন জনপ্রিয় মার্কিন পডকাস্ট উপস্থাপক জো রোগান। তার উপস্থাপিত “দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স” অনুষ্ঠানের সাম্প্রতিক এক পর্বে তিনি এই ব্যয় পরিকল্পনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।   প্রকাশিত বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, শহরে আগত অভিবাসীদের আশ্রয়, খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক সহায়তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে। এ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে রোগান বলেন, এত বড় অঙ্কের ব্যয় শহরের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং বিষয়টি জনস্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্বিবেচনা করা উচিত।   অন্যদিকে নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবকে মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল সংখ্যক অভিবাসীর আগমনের ফলে জরুরি সেবা ও অস্থায়ী আবাসনের চাহিদা বেড়েছে, যা মোকাবিলায় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন।   বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গন, নীতিনির্ধারক মহল এবং জনসাধারণের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। সমর্থকদের মতে, এটি মানবিক সংকট মোকাবিলার জন্য অপরিহার্য পদক্ষেপ; তবে সমালোচকদের দাবি, শহরের করদাতাদের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক প্রভাব নিয়ে আরও স্বচ্ছ আলোচনা দরকার।   বাজেট প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সিটি কাউন্সিলে আলোচনা ও পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

রমজানের শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী বাজার
রমজানের শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী বাজার

পবিত্র রমজানের প্রথম দিনেই রাজধানীর কাঁচাবাজারে রীতিমতো আগুন লেগেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় মাছ, মাংস ও সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বাজার পরিস্থিতির এমন এক অদ্ভুত চিত্র দেখা গেছে যেখানে মাত্র এক হালি লেবু কিনতে যে অর্থ খরচ হচ্ছে, তা দিয়ে অনায়াসেই কেনা যাচ্ছে এক ডজন ডিম।   আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল, আগারগাঁও তালতলা ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম রাতারাতি বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ গত বুধবারই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পবিত্র এই মাসে অতিরিক্ত মুনাফা না করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি কড়া আহ্বান জানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশনাকে উপেক্ষা করেই বাজারে চলছে সিন্ডিকেট ও উচ্চমূল্যের দাপট।   বর্তমানে ঢাকার বাজারে এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। অন্যদিকে, এক ডজন বাদামি ডিমের দাম ১১০ টাকা। অর্থাৎ, এক হালি লেবুর দাম এখন এক ডজন ডিমের সমান। এছাড়া বেগুন, শসা, পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচা মরিচ ও খেজুরের দামও আকাশচুম্বী। আমিষের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও বিভিন্ন দেশি মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।   বিক্রেতারা চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকার অজুহাত দিলেও সাধারণ ক্রেতারা একে স্রেফ কৃত্রিম সংকট ও অতি-মুনাফার কৌশল হিসেবেই দেখছেন।

ছবি: সংগৃহীত
তথ্য সরবরাহ না করায় সিলেটের জেলা প্রশাসককে আদালতের শোকজ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিলেটের গোলাপগঞ্জে পুলিশের গুলির নির্দেশের নেপথ্যে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নাম ও প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ না করায় সিলেটের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন আদালত। সিলেটের আমলি আদালত নম্বর-২-এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার এই কড়া নির্দেশ প্রদান করেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি জনসমক্ষে আসে।   আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গোলাপগঞ্জের ধারাবহর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে একাধিকবার জেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চান— সেদিন ঘটনাস্থলে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বরত ছিলেন এবং কার নির্দেশে গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল।   আদালত থেকে একাধিকবার আদেশ দেওয়া সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন রহস্যজনকভাবে এই তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছে। যেখানে বিজিবি তাদের দায়িত্বরত সদস্যদের তথ্য প্রদান করেছে, সেখানে জেলা প্রশাসনের জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে দীর্ঘ সময় পার হলেও মামলার চার্জশিট দাখিল করা বা বিচারকাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।   আদালত তাঁর আদেশে স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, বিচারবিভাগীয় তদন্তে তথ্য সরবরাহ না করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এটি সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল। বিচারক সুদীপ্ত তালুকদার আদেশে প্রশ্ন তোলেন— কেন এই অসহযোগিতাকে বিচারকাজে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে আইনগত বা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ১৫ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে এই কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না মিললে ডিসির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আদালত।   নতুন বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জুলাই-আগস্টের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে যখন সাধারণ মানুষ সোচ্চার, তখন প্রশাসনের এমন উদাসীনতা ও অসহযোগিতা জনমনে গভীর সংশয় ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

ছবি: সংগৃহীত
জিয়াউর রহমানের ফরেন পলিসিতে ফেরত যাচ্ছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ঘোষণা করেছেন, তাঁর সরকারের মূলমন্ত্র হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী ও সাহসী পররাষ্ট্রনীতিতে ফিরে যাবে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কোনো আপস করবে না।   বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মার সঙ্গে এক ফলপ্রসূ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।   জাতীয় স্বার্থই আমাদের ‘রেডলাইন’ খলিলুর রহমান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বারবার একটি কথা বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হবে দেশের সার্বভৌমত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং কারো অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। তবে মনে রাখবেন, জাতীয় মর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থ আমাদের জন্য ‘রেডলাইন’। আমরা আমাদের প্রতিটি পাওনা পই পই করে বুঝে নেব।”   জিয়াউর রহমানের নীতিতে প্রত্যাবর্তন শহীদ রাষ্ট্রপতির আমলের কূটনৈতিক সাফল্যগুলো স্মরণ করিয়ে দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে সদস্যপদ পাওয়ার মাত্র চার বছরের মাথায় আমরা জাপানের মতো শক্তিশালী দেশকে পরাজিত করে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হয়েছিলাম। এছাড়া সার্ক গঠন এবং আল-কুদস কমিটিতে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিল অতুলনীয়। বাংলাদেশ তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী বিশ্বমঞ্চে ভূমিকা রাখতে পারেনি এতদিন, আমরা সেই গৌরবময় অবস্থানেই দেশকে ফিরিয়ে নিতে চাই।”   রোহিঙ্গা ও আঞ্চলিক রাজনীতি রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি জানান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে মিয়ানমারের পরিস্থিতির ওপর তাঁর যে বিশেষ নজর ছিল, তা এখন আরও বাড়বে। তিনি বলেন, “আমরা মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। এই সমস্যার একটি টেকসই ও দ্রুত সমাধানের বিষয়ে আমি অত্যন্ত আশাবাদী।”   ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ও সমালোচনার জবাব নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন সমালোচনা এবং তাঁর নিয়োগ নিয়ে ওঠা প্রশ্নের সরাসরি জবাব দিয়েছেন খলিলুর রহমান। নির্বাচনে ‘রেফারি’র ভূমিকা পালন করে এখন সরকারের অংশ হওয়া নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি রসিকতা করে বলেন, “অনেকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলছেন। তার মানে তো গণনা নিয়ে প্রশ্ন! আমার উত্তর খুব সহজ—সন্দেহ থাকলে গুনে নিন আরেকবার। গুনতে তো কোনো বাধা নেই।” নির্বাচনে তাঁর মন্ত্রিত্ব পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের ধারণা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয় এবং তিনি যোগ্যতার ভিত্তিতেই এই দায়িত্ব পেয়েছেন।   গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান পররাষ্ট্রনীতি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয় উল্লেখ করে তিনি গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আপনাদের একটি ভুল তথ্য আমাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে। আপনারা গুজবের কারখানা না হয়ে সত্যের বাহক হোন। আমাদের জবাবদিহিতা জনগণের কাছে, আর সেই বার্তার যোগসূত্র হলেন আপনারা।”

ছবি: সংগৃহীত
তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ছাত্রদল সভাপতি-সম্পাদকের

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রসমাজের প্রাণপ্রিয় সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। গত সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে এই কুশল বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।   জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির ছাত্রদল পরিবারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন। এ সময় তাঁরা প্রিয় নেতার সাথে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে আলোচনা করেন।   শুভেচ্ছা বিনিময়কালে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ বলেন, “দেশের গণতন্ত্র পুনর্গঠন এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শের সুদৃঢ় ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় তারেক রহমানের আপসহীন নেতৃত্ব আমাদের জন্য ধ্রুবতারার মতো। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি উন্নত ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে তাঁর দিকনির্দেশনা এই জাতিকে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”   নেতৃবৃন্দ আরও জানান, শহীদ জিয়ার আদর্শিক উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমানের প্রতিটি আহ্বান বাস্তবায়নে ছাত্রদল রাজপথে সর্বদা অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করবে। সাক্ষাৎ শেষে তাঁরা মহান আল্লাহর দরবারে তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সফল রাষ্ট্রনায়কত্ব কামনায় বিশেষ দোয়া করেন।   নির্বাচন পরবর্তী এই সৌজন্য সাক্ষাৎ তৃণমূল পর্যায়ের ছাত্রনেতা ও কর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই শক্তিশালী নেতৃত্ব আগামী দিনে দেশের শিক্ষাঙ্গন ও জাতীয় রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
গাজা পুনর্গঠনে ৭ বিলিয়ন ডলারের তহবিল
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

গাজা পুনর্গঠনের জন্য ৭ বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠকে তিনি জানান, বিভিন্ন দেশ এই তহবিলে অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।   বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, হামাস নিরস্ত্র হলে গাজাকে পুনর্গঠন ও নিরাপদ করার কাজ দ্রুত শুরু হবে। এ লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত এ বাহিনী শুরুতে রাফাহ এলাকায় কাজ করবে এবং পর্যায়ক্রমে ২০ হাজার সেনা ও ১২ হাজার পুলিশ প্রস্তুত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বোর্ডে ইসরায়েল অংশ নিলেও এতে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা নেই।   বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে অর্থ ও সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। সৌদি আরব ১ বিলিয়ন ডলার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং কাতার ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ৮ হাজারের বেশি সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে এবং তুরস্ক পুনর্গঠন ও পুলিশ প্রশিক্ষণে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।   ট্রাম্প আরও বলেন, গাজার যুদ্ধ শেষ হয়েছে এবং হামাস অস্ত্র সমর্পণ করবে বলে তিনি আশা করছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ সংস্কারের উদ্যোগ নেবে, তবে গাজা পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দেবে বোর্ড অব পিস।   অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ভূখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক। ছবি: সংগৃহীত
ইরান ছাড়তে পোলিশ নাগরিকদের জরুরি নির্দেশ
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় দেশটিতে অবস্থানরত পোল্যান্ডের নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যেতে পারে এবং যেকোনো সময় নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে নতুন করে ইরানে ভ্রমণ না করারও কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।   বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানায়, বৃহস্পতিবার ওয়ারশর কাছে জিয়েলোনকা শহরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ডোনাল্ড টাস্ক এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘দয়া করে অবিলম্বে ইরান ত্যাগ করুন এবং কোনো পরিস্থিতিতেই এই দেশে ভ্রমণ করবেন না।’ সংঘাতের আশঙ্কাকে বাস্তব উল্লেখ করে তিনি জানান, নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ খুব দ্রুত সীমিত হয়ে যেতে পারে।   ডোনাল্ড টাস্ক আরও বলেন, কয়েক ঘণ্টা বা স্বল্প সময়ের মধ্যেই মানুষকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তাই এ সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানান তিনি। অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের আহ্বান উপেক্ষা করলে গুরুতর পরিণতি হতে পারে।   বর্তমানে ইরানে কতজন পোলিশ নাগরিক অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি পোল্যান্ড সরকার। এ বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনা দেবে পোলিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   বিভিন্ন সূত্র ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চললেও ওয়াশিংটন ও তেলআবিব ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিকভাবে মুখোমুখি অবস্থানের দিকে এগোচ্ছে। গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র স্বল্প সময়ের জন্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। সিউলে সাংবিধানিক আদালতে, ২৩ জানুয়ারি ২০২৫। ফাইল ছবি : রয়টার্স
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

সামরিক আইন জারির চেষ্টাকে ‘বিদ্রোহ’ আখ্যা দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল-কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন।   আদালতের রায়ে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আকস্মিকভাবে সামরিক আইন জারির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বিপর্যস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন ইউন। ওই সময় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি’ নির্মূলের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তবে তাঁর ঘোষিত সামরিক আইন মাত্র ছয় ঘণ্টা স্থায়ী হয়।   বিচারক জি গুই-ইয়ন বলেন, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে (পার্লামেন্ট) থাকা বিপুলসংখ্যক সমালোচককে ‘অকেজো’ করে দেওয়ার অভিপ্রায় থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। সামরিক আইন জারির ঘোষণার ফলে সমাজকে বড় মূল্য দিতে হয়েছে উল্লেখ করে বিচারক বলেন, অভিযুক্তের মধ্যে অনুতাপের স্পষ্ট কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।   কৌঁসুলিরা বিদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন জানালেও আদালত মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৯৯৭ সালের পর থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রয়েছে।   রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, সামরিক আইন জারির সময় প্রেসিডেন্ট ইউন রাজনৈতিকভাবে চাপে ছিলেন। পার্লামেন্টে তাঁর দল কোণঠাসা অবস্থায় ছিল এবং প্রশাসনের বাজেট আটকে দেওয়া হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন কর্মকর্তার অভিশংসনও চলছিল।   আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বিরোধীরা প্রেসিডেন্টকে কার্যত অকার্যকর করে দিতে পারে—এমন ধারণায় ইউন ‘আচ্ছন্ন’ হয়ে পড়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সহায়তায় পার্লামেন্ট ভবন দখল ও সমালোচকদের গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।   এশিয়ায় গণতন্ত্রের অন্যতম প্রতীক হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্টের এমন পদক্ষেপ দেশজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। আদালতের এই রায়কে দেশটির গণতান্ত্রিক কাঠামো রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত
জিপিএসের ফাঁদে অ্যামাজন ভ্যান, কাদামাটিতে আটকে বিপাকে চালক
শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

যুক্তরাজ্যে স্যাটেলাইট নেভিগেশন অনুসরণ করতে গিয়ে উপকূলীয় কাদামাটির এলাকায় আটকে পড়ে একটি ডেলিভারি ভ্যান। পরে জরুরি উদ্ধারকারী দলের সহায়তায় ভ্যানটি নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।   স্থানীয় সূত্র জানায়, পণ্য সরবরাহের উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ঠিকানায় যাওয়ার সময় চালক জিপিএসের দেখানো বিকল্প পথ অনুসরণ করেন। তবে সেটি তাকে পাকা সড়কের পরিবর্তে উপকূলবর্তী একটি মাডফ্ল্যাট এলাকায় নিয়ে যায়। বাইরে থেকে জমিটি শক্ত মনে হলেও বাস্তবে তা ছিল গভীর ও নরম কাদায় পূর্ণ। ফলে ভ্যানটি দ্রুত কাদায় দেবে গিয়ে চলাচল অক্ষম হয়ে পড়ে।   কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ধরনের মাডফ্ল্যাট অঞ্চল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে জোয়ারের সময়। পানির স্তর হঠাৎ বেড়ে গেলে সেখানে আটকে পড়া ব্যক্তি বা যানবাহন বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়তে পারে।   খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল বিশেষ সরঞ্জাম ও টো-যানের সহায়তায় ভ্যানটি টেনে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসে। চালক শারীরিকভাবে অক্ষত থাকলেও তাকে ভবিষ্যতে অপরিচিত এলাকায় শুধুমাত্র জিপিএসের ওপর নির্ভর না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেভিগেশন অ্যাপ অনেক সময় বাস্তব পরিস্থিতি—যেমন উপকূলীয় কাদা, অস্থায়ী রাস্তা বা সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড—সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারে না। তাই অচেনা এলাকায় প্রযুক্তির পাশাপাশি স্থানীয় নির্দেশনা ও সতর্কতা মেনে চলা জরুরি।   ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চালকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে—ডিজিটাল নির্দেশনার পাশাপাশি আশপাশের বাস্তব অবস্থা যাচাই করে তবেই পথ নির্বাচন করতে।

Follow us

Trending

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
117 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
119 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
82 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
ধর্ম
Advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
সারাদেশ
জাতীয়