Live update news
লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দাদের জন্য সুখবর, গাড়ি ব্যবহার না করলেই মিলবে ৬০০ ডলার পুরস্কার
লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দাদের জন্য সুখবর, গাড়ি ব্যবহার না করলেই মিলবে ৬০০ ডলার পুরস্কার

লস অ্যাঞ্জেলেসের চালকদের জন্য দারুণ এক খবর! নিজেদের অন্তত একটি গাড়ি বাড়িতে পার্ক করে রাখলেই নগদ অর্থ দিচ্ছে শহরের কর্তৃপক্ষ। লস অ্যাঞ্জেলেস মেট্রো (এলএ মেট্রো) সম্প্রতি তাদের ‘ওয়ান কার চ্যালেঞ্জ’ নামক একটি পাইলট প্রোগ্রামের দ্বিতীয় ধাপ চালু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য পরিবারগুলোকে ৬০০ ডলার পর্যন্ত প্রদান করা হবে, যদি তারা পাঁচ সপ্তাহের জন্য তাদের একটি গাড়ি ব্যবহার না করার শর্তে রাজি হয়। এর বদলে তাদের যাতায়াতের জন্য গণপরিবহন, সাইকেল, হাঁটা বা কারপুলিংয়ের মতো বিকল্প মাধ্যমগুলো বেছে নিতে হবে।   ২০২৩ সালে সান্তা মনিকায় প্রায় ৩০০টি পরিবারের অংশগ্রহণে এই উদ্যোগটি পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছিল। সেই সাফল্যের পর এবার পুরো লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে এর পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। এবারের কর্মসূচিতে প্রায় ২,০০০ পরিবারকে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এবং প্রথমবারের মতো যেসব পরিবারে কেবল একটি গাড়ি রয়েছে, তারাও এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই আর্থিক প্রণোদনা বাসিন্দাদের গাড়ি চালানোর প্রবণতা কমাবে এবং যানজট কমানো, কার্বন নির্গমন হ্রাস ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নতিতে এ ধরনের কর্মসূচি কতটা কার্যকর হতে পারে, তা নির্ধারণে সাহায্য করবে।   এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে হলে অংশগ্রহণকারীর বয়স অন্তত ২১ বছর হতে হবে এবং তাদের একটি গাড়ি পাঁচ সপ্তাহ পার্ক করে রাখতে হবে। তাদের যাতায়াতের অভ্যাসগুলো ‘গোকারমা’ (GoCarma) নামের একটি স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নজরদারি করা হবে, যা ট্রিপ এবং গাড়ির মাইলেজ ট্র্যাক করবে। সফলভাবে চ্যালেঞ্জটি শেষ করতে পারলে পরিবারগুলো ৬০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবে। সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাসোসিয়েশন অব গভর্নমেন্টস থেকে প্রাপ্ত ২০ লাখ ডলারের অনুদানের সাহায্যে এই কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম ধাপের ফলাফল বেশ আশাব্যঞ্জক ছিল এবং সেসময় মানুষের হাঁটা, সাইকেল চালানো ও গণপরিবহন ব্যবহারের হার ১৬.১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।   কর্মকর্তারা বলছেন, এই বড় পরিসরের গবেষণার মাধ্যমে ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিককে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ ট্রাফিক নীতি প্রণয়ন করা সহজ হবে। তবে এই উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনলাইনে অনেকেই নগদ অর্থ পাওয়ার সুযোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও, সমালোচকদের দাবি—লস অ্যাঞ্জেলেসের গণপরিবহন ব্যবস্থা এখনো এতটা ব্যবহারোপযোগী নয়। একজন মন্তব্যকারী আক্ষেপ করে বলেন, গাড়িতে যে পথ যেতে ১৫ মিনিট লাগে, বাসে সেখানে ৪৫ মিনিট সময় নষ্ট হয়; তাই কোনো অর্থের বিনিময়েই তিনি এই সুবিধা ছাড়বেন না। অন্যদিকে, অনেকেই আবার মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই অভিনব উদ্যোগের প্রশংসাও করেছেন।   আগ্রহী বাসিন্দারা লস অ্যাঞ্জেলেস মেট্রোর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জে অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এই চ্যালেঞ্জ থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো ক্যালিফোর্নিয়ার দীর্ঘমেয়াদি যানজট নিরসন এবং বায়ুদূষণ কমানোর নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

৭ মিনিট Ago
ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতালগুলোর জন্য দুঃসংবাদ, বাতিল হচ্ছে ঋণ মওকুফের গুরুত্বপূর্ণ বিল
ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতালগুলোর জন্য দুঃসংবাদ, বাতিল হচ্ছে ঋণ মওকুফের গুরুত্বপূর্ণ বিল

ক্যালিফোর্নিয়ার ঋণগ্রস্ত হাসপাতালগুলোর জন্য বড় দুঃসংবাদ। হাসপাতালগুলোর আর্থিক সংকট দূর করতে এবং ঋণ মওকুফের জন্য প্রস্তাবিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল হঠাৎ করেই বাতিল করা হয়েছে। আসন্ন নভেম্বরের নির্বাচনে জনসাধারণের মতামতের আগেই বিলটিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়।   ডিস্ট্রিক্ট ২৭-এর অ্যাসেম্বলি মেম্বার এসমেরালদা সোরিয়া বিদ্যমান 'অ্যাসেম্বলি বিল ১৯২৩' (এবি ১৯২৩) সংশোধন করেছেন। মূলত 'ডিস্ট্রেসড হসপিটাল লোন প্রোগ্রাম' বা দুর্দশাগ্রস্ত হাসপাতালগুলোর ঋণ কর্মসূচি হিসেবে পরিচিত এই বিলটির জায়গায় এখন ফ্রেসনো কাউন্টিতে আধা-সেন্ট বিক্রয় কর (সেলস ট্যাক্স) অব্যাহত রাখার একটি উদ্যোগ যুক্ত করা হয়েছে। মূল বিলটির পরিবর্তে এখন নভেম্বরের ব্যালটে 'বেটার রোডস, সেফ স্ট্রিটস' বা উন্নত ও নিরাপদ রাস্তাঘাট উদ্যোগটি স্থান পাবে। বিলটির প্রণেতা সোরিয়া গণমাধ্যমকে জানান, তাদের চারপাশে থাকা রাস্তাঘাট ও ফুটপাতসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর জরুরি মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে।   হাসপাতাল লোন প্রোগ্রামটি পুরো ক্যালিফোর্নিয়ার (গোল্ডেন স্টেট) সব হাসপাতালকে সাহায্য করতে পারত, অথচ নতুন উদ্যোগটি শুধুমাত্র ফ্রেসনো কাউন্টির রাস্তাঘাটের উন্নয়নে সীমিত। এতে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা। কাওয়াহ হেলথের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক মের্টজ বলেন, বিলটি এখন শুধু ফ্রেসনোর রাস্তাঘাটে সীমাবদ্ধ হওয়ায় এটি পুরো ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতালগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।   মের্টজ আরও জানান, তাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬২ শতাংশ রোগী 'মেডি-ক্যাল'-এর অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে হাসপাতালের কর্মীদের জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাস্থ্যসেবা খাতের ন্যূনতম মজুরির নিয়ম মেনে চলা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তার মতে, পুরো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ায় মেডি-ক্যাল রেট অন্যতম সর্বনিম্ন হলেও এখানকার স্বাস্থ্যসেবার খরচ অনেক বেশি।   অন্যদিকে, অ্যাসেম্বলি মেম্বার সোরিয়া বিষয়টিকে কোনো একটির চেয়ে অপরটিকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন না; বরং তিনি এটিকে সময়ের প্রয়োজন হিসেবে বিবেচনা করছেন। তার মতে, বর্তমান জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবি ১৯২৩ বিলটি একটি অন্যতম সেরা মাধ্যম ছিল। হাসপাতাল লোন প্রোগ্রামটি বাতিল করার বিষয়ে তিনি জানান, ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরকার এরই মধ্যে চলতি বছর হাসপাতালগুলোর জন্য প্রায় ১৩০ মিলিয়ন ডলার অনুদান অনুমোদন করেছে, তাই ফ্রেসনোর অবকাঠামো উন্নয়ন আপাতত বেশি জরুরি।

২০ মিনিট Ago
মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক সেনেট প্রাইমারি নির্বাচনে জয়ী হলেন মুসলিম নেতা আব্দুল এল-সায়েদ
মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক সেনেট প্রাইমারি নির্বাচনে জয়ী হলেন মুসলিম নেতা আব্দুল এল-সায়েদ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সেনেট প্রাইমারি নির্বাচনে ঐতিহাসিক এক জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন প্রগতিশীল পপুলিস্ট নেতা আব্দুল এল-সায়েদ। দলটির প্রথাগত ধারা ও ইসরায়েলপন্থী লবিং গ্রুপ 'আইপ্যাক' (AIPAC)-এর সমর্থনপুষ্ট শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী রিপ্রেজেন্টেটিভ হ্যালি স্টিভেন্সকে অত্যন্ত কঠিন লড়াইয়ে পরাজিত করেন ৪১ বছর বয়সী এই সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) তথ্য অনুযায়ী, ৯৫ শতাংশের বেশি কেন্দ্রের ভোট গণনার পর এল-সায়েদ ৪৮.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্টিভেন্স পান ৪৭.৫ শতাংশ ভোট।   মিশরীয় অভিবাসী দম্পতির সন্তান আব্দুল এল-সায়েদ পেশায় একজন সম্মানীয় চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। রোর্ডস স্কলার হিসেবে অক্সফোর্ডে পড়াশোনার পর কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে ডিনারের বয়সে ডেট্রয়েট শহরের স্বাস্থ্য বিভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১৮ সালে মিশিগানের গভর্নর পদের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূলধারার রাজনীতিকদের কাছে হেরে যান। তবে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজ নীতিতে অটল থেকে আবারও জোরালোভাবে উঠে এলেন তিনি।   আগামী নভেম্বরের মূল নির্বাচনে অবসর নেওয়া সেনেটর গ্যারি পিটার্সের আসনে তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। সাধারণ নির্বাচনে জয় পেলে এল-সায়েদ হবেন মার্কিন সেনেটের দুই শতকের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর।   এল-সায়েদের এই রাজনৈতিক উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে গাজায় সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে তার আপসহীন অবস্থান। গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে সরাসরি 'গণহত্যা' হিসেবে অভিহিত করে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সামরিক সহায়তা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের করের টাকা বিদেশে যুদ্ধ বা বোমার পেছনে না ঢেলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় বিনিয়োগের পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন এই প্রগতিশীল নেতা।   শুধু বৈদেশিক নীতিই নয়, তিনি মার্কিন রাজনীতি থেকে করপোরেট অর্থের প্রভাব হঠানো, সবার জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা (মেডিকেয়ার ফর অল) চালু করা এবং কঠোর মার্কিন অভিবাসন সংস্থা 'আইস' (ICE) পুনর্গঠনের মতো প্রগতিশীল ইশতেহার নিয়ে মাঠে নেমেছেন।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিশিগানের মতো একটি সুইং স্টেটে—যেখানে ২০১৬ এবং ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হয়েছিলেন—সেখানে একজন প্রগতিশীল মুসলিম প্রার্থীর জয় পাওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে এল-সায়েদ মনে করেন, সাধারণ আমেরিকানরা এখন করপোরেট-বান্ধব রাজনীতিকদের চেয়ে জনঘনিষ্ঠ এবং সাহসী নেতাদেরই বেশি পছন্দ করেন। নভেম্বরের মূল নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে ডেমোক্র্যাটদের সেনেট ধরে রাখার লড়াইয়ে এল-সায়েদ জয়ী হতে পারেন কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে পুরো আমেরিকা।

৩৫ মিনিট Ago
দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন, বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ
দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন, বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ

নয়াদিল্লিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।    গত ৫ আগস্ট জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনাকে এ ধরনের সরাসরি ব্রিফিং বা সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়া দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।   ​পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, এ ধরনের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা সংবাদ সম্মেলনের সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও ভারত সরকার এই অনুষ্ঠান আয়োজনে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বা বাধা প্রদান করেনি।   ​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিনে ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনার এমন বাংলাদেশ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। একইসাথে এটি জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের প্রতি চরম অবমাননার শামিল।    জাতিসংঘ স্বীকৃত জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও গণহত্যার নির্মম সত্যকে অস্বীকার করার এই ব্যর্থ অপচেষ্টাকে বাংলাদেশের জনগণ ইতোমধ্যে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।    ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের অন্ধকার দিনগুলোতে বাংলাদেশ আর কখনো ফিরে যাবে না বলে গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় দেশের মানুষ আজ সুদৃঢ় প্রতিজ্ঞ।   ​বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সর্বদা সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে ভারতের সাথে একটি গঠনমূলক, সম্মানজনক ও অমায়িক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।    ২০১৩ সালের দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বারবার অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।   ​এমতাবস্থায়, ভারতের মাটিতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অপরাধী শেখ হাসিনাকে এমন প্রকাশ্য গণমাধ্যম সংযোগের সুযোগ করে দেওয়া বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।    এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঢাকা ও নতুন দিল্লির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রযাত্রাকে গভীরভাবে ব্যাহত করছে বলে মনে করে বাংলাদেশ সরকার।

৫২ মিনিট Ago
আমেরিকা
মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক সেনেট প্রাইমারি নির্বাচনে জয়ী হলেন মুসলিম নেতা আব্দুল এল-সায়েদ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সেনেট প্রাইমারি নির্বাচনে ঐতিহাসিক এক জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন প্রগতিশীল পপুলিস্ট নেতা আব্দুল এল-সায়েদ। দলটির প্রথাগত ধারা ও ইসরায়েলপন্থী লবিং গ্রুপ 'আইপ্যাক' (AIPAC)-এর সমর্থনপুষ্ট শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী রিপ্রেজেন্টেটিভ হ্যালি স্টিভেন্সকে অত্যন্ত কঠিন লড়াইয়ে পরাজিত করেন ৪১ বছর বয়সী এই সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) তথ্য অনুযায়ী, ৯৫ শতাংশের বেশি কেন্দ্রের ভোট গণনার পর এল-সায়েদ ৪৮.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্টিভেন্স পান ৪৭.৫ শতাংশ ভোট।   মিশরীয় অভিবাসী দম্পতির সন্তান আব্দুল এল-সায়েদ পেশায় একজন সম্মানীয় চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। রোর্ডস স্কলার হিসেবে অক্সফোর্ডে পড়াশোনার পর কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করে ডিনারের বয়সে ডেট্রয়েট শহরের স্বাস্থ্য বিভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১৮ সালে মিশিগানের গভর্নর পদের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূলধারার রাজনীতিকদের কাছে হেরে যান। তবে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজ নীতিতে অটল থেকে আবারও জোরালোভাবে উঠে এলেন তিনি।   আগামী নভেম্বরের মূল নির্বাচনে অবসর নেওয়া সেনেটর গ্যারি পিটার্সের আসনে তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। সাধারণ নির্বাচনে জয় পেলে এল-সায়েদ হবেন মার্কিন সেনেটের দুই শতকের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সেনেটর।   এল-সায়েদের এই রাজনৈতিক উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে গাজায় সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে তার আপসহীন অবস্থান। গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে সরাসরি 'গণহত্যা' হিসেবে অভিহিত করে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সামরিক সহায়তা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের করের টাকা বিদেশে যুদ্ধ বা বোমার পেছনে না ঢেলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় বিনিয়োগের পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন এই প্রগতিশীল নেতা।   শুধু বৈদেশিক নীতিই নয়, তিনি মার্কিন রাজনীতি থেকে করপোরেট অর্থের প্রভাব হঠানো, সবার জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা (মেডিকেয়ার ফর অল) চালু করা এবং কঠোর মার্কিন অভিবাসন সংস্থা 'আইস' (ICE) পুনর্গঠনের মতো প্রগতিশীল ইশতেহার নিয়ে মাঠে নেমেছেন।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিশিগানের মতো একটি সুইং স্টেটে—যেখানে ২০১৬ এবং ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হয়েছিলেন—সেখানে একজন প্রগতিশীল মুসলিম প্রার্থীর জয় পাওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে এল-সায়েদ মনে করেন, সাধারণ আমেরিকানরা এখন করপোরেট-বান্ধব রাজনীতিকদের চেয়ে জনঘনিষ্ঠ এবং সাহসী নেতাদেরই বেশি পছন্দ করেন। নভেম্বরের মূল নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে ডেমোক্র্যাটদের সেনেট ধরে রাখার লড়াইয়ে এল-সায়েদ জয়ী হতে পারেন কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে পুরো আমেরিকা।

মিশিগান প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১৭:২৭
ব্রেস্ট ইমপ্লেন্ট সার্জারির পর মৃত্যু এনওয়াইপিডি অফিসারের, তদন্ত চায় পরিবার

ডোমিনিকান রিপাবলিকে ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট অপসারণের সার্জারির পর জটিলতায় নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের এক অফিসারের মৃত্যু হয়েছে। ৩১ বছর বয়সী রেবেকা ডি পাউলা তিন সন্তানের মা ছিলেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৬তম প্রিসিঙ্কটে কর্মরত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে এনওয়াইপিডি ও সহকর্মীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে।    ডোমিনিকান রিপাবলিকের একটি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এবিসি সেভেন নিউইয়র্ক জানিয়েছে, ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট অপসারণের সার্জির পর তৈরি হওয়া জটিলতায় ডি পাউলার মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি, অপারেশনের পর তিনি গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তার মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক কারণ এখনো তদন্তাধীন।    ডি পাউলা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এনওয়াইপিডিতে যোগ দেন। মাত্র ১৮ মাসের চাকরিজীবনে তিনি সহকর্মী ও কমিউনিটির কাছে নিবেদিতপ্রাণ পুলিশ অফিসার হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। চলতি বছরের মার্চে ব্রঙ্কসের ৪৬তম প্রিসিঙ্কটের ‘অফিসার অব দ্য মান্থ’ নির্বাচিত হন তিনি।    পুলিশ বেনেভোলেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হেনড্রি এক বিবৃতিতে ডি পাউলার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিউইয়র্কবাসীকে তার পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের জন্য প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।   পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ডি পাউলা স্ত্রী ও মা হওয়ার পাশাপাশি স্বামীর সঙ্গে ধর্মীয় কাজেও যুক্ত ছিলেন। তার তিন সন্তান রয়েছে। সাবেক প্রশিক্ষক ও সহকর্মীরা তাকে সহানুভূতিশীল, প্রাণবন্ত এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী একজন মানুষ হিসেবে স্মরণ করেছেন।    পরিবার এখন সার্জারি ও পরবর্তী চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। ডোমিনিকান কর্তৃপক্ষের ফরেনসিক প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।    ঘটনাটি বিদেশে কসমেটিক সার্জারি করাতে যাওয়া রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, এ ধরনের সার্জারিতে ইনফেকশন, রক্ত জমাট বাঁধা এবং হৃদ্‌যন্ত্র বা ফুসফুসের জটিলতাসহ গুরুতর ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার আগে ক্লিনিক, সার্জন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং পরবর্তী ফলোআপ সম্পর্কে ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি।

লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দাদের জন্য সুখবর, গাড়ি ব্যবহার না করলেই মিলবে ৬০০ ডলার পুরস্কার

লস অ্যাঞ্জেলেসের চালকদের জন্য দারুণ এক খবর! নিজেদের অন্তত একটি গাড়ি বাড়িতে পার্ক করে রাখলেই নগদ অর্থ দিচ্ছে শহরের কর্তৃপক্ষ। লস অ্যাঞ্জেলেস মেট্রো (এলএ মেট্রো) সম্প্রতি তাদের ‘ওয়ান কার চ্যালেঞ্জ’ নামক একটি পাইলট প্রোগ্রামের দ্বিতীয় ধাপ চালু করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য পরিবারগুলোকে ৬০০ ডলার পর্যন্ত প্রদান করা হবে, যদি তারা পাঁচ সপ্তাহের জন্য তাদের একটি গাড়ি ব্যবহার না করার শর্তে রাজি হয়। এর বদলে তাদের যাতায়াতের জন্য গণপরিবহন, সাইকেল, হাঁটা বা কারপুলিংয়ের মতো বিকল্প মাধ্যমগুলো বেছে নিতে হবে।   ২০২৩ সালে সান্তা মনিকায় প্রায় ৩০০টি পরিবারের অংশগ্রহণে এই উদ্যোগটি পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছিল। সেই সাফল্যের পর এবার পুরো লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে এর পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। এবারের কর্মসূচিতে প্রায় ২,০০০ পরিবারকে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এবং প্রথমবারের মতো যেসব পরিবারে কেবল একটি গাড়ি রয়েছে, তারাও এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই আর্থিক প্রণোদনা বাসিন্দাদের গাড়ি চালানোর প্রবণতা কমাবে এবং যানজট কমানো, কার্বন নির্গমন হ্রাস ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নতিতে এ ধরনের কর্মসূচি কতটা কার্যকর হতে পারে, তা নির্ধারণে সাহায্য করবে।   এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে হলে অংশগ্রহণকারীর বয়স অন্তত ২১ বছর হতে হবে এবং তাদের একটি গাড়ি পাঁচ সপ্তাহ পার্ক করে রাখতে হবে। তাদের যাতায়াতের অভ্যাসগুলো ‘গোকারমা’ (GoCarma) নামের একটি স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নজরদারি করা হবে, যা ট্রিপ এবং গাড়ির মাইলেজ ট্র্যাক করবে। সফলভাবে চ্যালেঞ্জটি শেষ করতে পারলে পরিবারগুলো ৬০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবে। সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাসোসিয়েশন অব গভর্নমেন্টস থেকে প্রাপ্ত ২০ লাখ ডলারের অনুদানের সাহায্যে এই কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম ধাপের ফলাফল বেশ আশাব্যঞ্জক ছিল এবং সেসময় মানুষের হাঁটা, সাইকেল চালানো ও গণপরিবহন ব্যবহারের হার ১৬.১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।   কর্মকর্তারা বলছেন, এই বড় পরিসরের গবেষণার মাধ্যমে ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিককে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ ট্রাফিক নীতি প্রণয়ন করা সহজ হবে। তবে এই উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনলাইনে অনেকেই নগদ অর্থ পাওয়ার সুযোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও, সমালোচকদের দাবি—লস অ্যাঞ্জেলেসের গণপরিবহন ব্যবস্থা এখনো এতটা ব্যবহারোপযোগী নয়। একজন মন্তব্যকারী আক্ষেপ করে বলেন, গাড়িতে যে পথ যেতে ১৫ মিনিট লাগে, বাসে সেখানে ৪৫ মিনিট সময় নষ্ট হয়; তাই কোনো অর্থের বিনিময়েই তিনি এই সুবিধা ছাড়বেন না। অন্যদিকে, অনেকেই আবার মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই অভিনব উদ্যোগের প্রশংসাও করেছেন।   আগ্রহী বাসিন্দারা লস অ্যাঞ্জেলেস মেট্রোর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জে অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এই চ্যালেঞ্জ থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো ক্যালিফোর্নিয়ার দীর্ঘমেয়াদি যানজট নিরসন এবং বায়ুদূষণ কমানোর নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতালগুলোর জন্য দুঃসংবাদ, বাতিল হচ্ছে ঋণ মওকুফের গুরুত্বপূর্ণ বিল
ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতালগুলোর জন্য দুঃসংবাদ, বাতিল হচ্ছে ঋণ মওকুফের গুরুত্বপূর্ণ বিল

ক্যালিফোর্নিয়ার ঋণগ্রস্ত হাসপাতালগুলোর জন্য বড় দুঃসংবাদ। হাসপাতালগুলোর আর্থিক সংকট দূর করতে এবং ঋণ মওকুফের জন্য প্রস্তাবিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল হঠাৎ করেই বাতিল করা হয়েছে। আসন্ন নভেম্বরের নির্বাচনে জনসাধারণের মতামতের আগেই বিলটিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়।   ডিস্ট্রিক্ট ২৭-এর অ্যাসেম্বলি মেম্বার এসমেরালদা সোরিয়া বিদ্যমান 'অ্যাসেম্বলি বিল ১৯২৩' (এবি ১৯২৩) সংশোধন করেছেন। মূলত 'ডিস্ট্রেসড হসপিটাল লোন প্রোগ্রাম' বা দুর্দশাগ্রস্ত হাসপাতালগুলোর ঋণ কর্মসূচি হিসেবে পরিচিত এই বিলটির জায়গায় এখন ফ্রেসনো কাউন্টিতে আধা-সেন্ট বিক্রয় কর (সেলস ট্যাক্স) অব্যাহত রাখার একটি উদ্যোগ যুক্ত করা হয়েছে। মূল বিলটির পরিবর্তে এখন নভেম্বরের ব্যালটে 'বেটার রোডস, সেফ স্ট্রিটস' বা উন্নত ও নিরাপদ রাস্তাঘাট উদ্যোগটি স্থান পাবে। বিলটির প্রণেতা সোরিয়া গণমাধ্যমকে জানান, তাদের চারপাশে থাকা রাস্তাঘাট ও ফুটপাতসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর জরুরি মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে।   হাসপাতাল লোন প্রোগ্রামটি পুরো ক্যালিফোর্নিয়ার (গোল্ডেন স্টেট) সব হাসপাতালকে সাহায্য করতে পারত, অথচ নতুন উদ্যোগটি শুধুমাত্র ফ্রেসনো কাউন্টির রাস্তাঘাটের উন্নয়নে সীমিত। এতে চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা। কাওয়াহ হেলথের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক মের্টজ বলেন, বিলটি এখন শুধু ফ্রেসনোর রাস্তাঘাটে সীমাবদ্ধ হওয়ায় এটি পুরো ক্যালিফোর্নিয়ার হাসপাতালগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।   মের্টজ আরও জানান, তাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬২ শতাংশ রোগী 'মেডি-ক্যাল'-এর অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে হাসপাতালের কর্মীদের জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার স্বাস্থ্যসেবা খাতের ন্যূনতম মজুরির নিয়ম মেনে চলা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তার মতে, পুরো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ায় মেডি-ক্যাল রেট অন্যতম সর্বনিম্ন হলেও এখানকার স্বাস্থ্যসেবার খরচ অনেক বেশি।   অন্যদিকে, অ্যাসেম্বলি মেম্বার সোরিয়া বিষয়টিকে কোনো একটির চেয়ে অপরটিকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন না; বরং তিনি এটিকে সময়ের প্রয়োজন হিসেবে বিবেচনা করছেন। তার মতে, বর্তমান জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবি ১৯২৩ বিলটি একটি অন্যতম সেরা মাধ্যম ছিল। হাসপাতাল লোন প্রোগ্রামটি বাতিল করার বিষয়ে তিনি জানান, ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরকার এরই মধ্যে চলতি বছর হাসপাতালগুলোর জন্য প্রায় ১৩০ মিলিয়ন ডলার অনুদান অনুমোদন করেছে, তাই ফ্রেসনোর অবকাঠামো উন্নয়ন আপাতত বেশি জরুরি।

মাগুরায় সাকিব আল হাসানের বাড়িতে আগুন
মাগুরায় সাকিব আল হাসানের বাড়িতে আগুন, পেট্রলবোমা বিস্ফোরণ

মাগুরায় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের বাড়িতে পেট্রলবোমা ছুড়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ৫ আগস্ট রাত পৌনে ৯টার দিকে দুর্বৃত্তরা এ হামলা চালায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্বৃত্তরা বাড়িটি লক্ষ্য করে দুটি পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় বাড়ির কাচের জানালা ভেঙে যায় এবং সেখানে আগুনের সৃষ্টি হয়।   খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করা হয়। হামলায় কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   কারা এ হামলা চালিয়েছে এবং এর পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।   ঘটনাটি ঘটার কয়েক ঘণ্টা আগে ভারতের নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন সাকিব আল হাসান। তবে ওই অনুষ্ঠানে তার অংশগ্রহণের সঙ্গে বাড়িতে হামলার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কিছু বলেনি।   সাকিব ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মাগুরা ১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। একই বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তিনি আর বাংলাদেশে ফেরেননি। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।   পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের আগে হামলার কারণ বা দায়ীদের পরিচয় নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।

মায়ের মরদেহ দীর্ঘদিন ফ্রিজারে রেখে দেওয়ার ঘটনায় কারাদণ্ড পেয়েছেন ক্রিস্টোফার ফিলিপস। ছবি: সংগৃহীত
আর্থিক সুবিধার জন্য তিন বছরের বেশি সময় ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হলো মায়ের লাশ, ছেলের কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্যের ওয়েলসে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজের মায়ের মরদেহ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বাড়ির ফ্রিজারে লুকিয়ে রাখার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।   গ্রে নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬০ বছর বয়সী ক্রিস্টোফার ফিলিপস সোমবার আদালতে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। এর আগে গত ২০ মার্চ তিনি একটি মৃতদেহের আইনসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ দাফন বা সৎকারে বাধা দেওয়া এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ স্বীকার করেন।   তদন্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাউথ ওয়েলস পুলিশ সিলভিয়া ফিলিপস নামে এক বৃদ্ধার খোঁজ নিতে একটি বাড়িতে যায়। চিকিৎসকদের সঙ্গে ২০২২ সালের পর থেকে তার কোনো যোগাযোগ না থাকায় তার খোঁজখবর নিতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছিল।   পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্রিস্টোফার ফিলিপসের সঙ্গে কথা বলে। মায়ের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, তার মা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লন্ডনে আছেন। তবে কোথায় আছেন বা কার সঙ্গে আছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।   পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ একটি ফ্রিজারের ভেতরে সিলভিয়া ফিলিপসের মরদেহ উদ্ধার করে। কর্মকর্তারা জানান, মরদেহের ওপর ফুল রাখা ছিল।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সিলভিয়া ফিলিপসের বয়স আশির কোঠায় ছিল। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।   আদালতে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, ক্রিস্টোফার ফিলিপস আর্থিক সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন। যদিও প্রতিবেদনে তিনি ঠিক কী ধরনের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।   মামলার রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, মৃত ব্যক্তির মরদেহ দীর্ঘ সময় গোপন রাখা এবং যথাযথভাবে দাফন বা সৎকারে বাধা দেওয়া গুরুতর অপরাধ। একই সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও আদালতে প্রমাণিত হয়েছে।

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

মতামত

বিশ্ব

View more
বিমানে ওভারহেড বিনে ব্যাগ রাখতেও লাগবে আলাদা টাকা!
বিমানে ওভারহেড বিনে ব্যাগ রাখতেও লাগবে আলাদা টাকা! এয়ারলাইনে নতুন নিয়ম
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১১:৫৫

অস্ট্রেলিয়ার স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থা জেটস্টার আগামী বছর থেকে কেবিনের ওভারহেড বিনে হাতব্যাগ বা ক্যারি অন ব্যাগ রাখার জন্য যাত্রীদের কাছ থেকে আলাদা ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নীতির আওতায় টিকিটের মূল ভাড়ায় শুধু সিটের নিচে রাখা যায় এমন একটি ছোট ব্যক্তিগত ব্যাগ বহনের সুযোগ থাকবে। বড় ব্যাগ ওভারহেড বিনে রাখতে চাইলে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।    এয়ারলাইনটির ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন নিয়ম কার্যকর হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে। রুটভেদে ওভারহেড বিন ব্যবহারের ফি ২৫ থেকে ৫২ অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এই ফি পরিশোধ করলে যাত্রীরা “প্রায়োরিটি ক্যারি অন” সুবিধাও পাবেন, যার মাধ্যমে আগে বিমানে ওঠার সুযোগ মিলবে।    তবে যাত্রীরা বিনা খরচে একটি ছোট ব্যাকপ্যাক, হ্যান্ডব্যাগ বা ল্যাপটপ ব্যাগ সঙ্গে নিতে পারবেন, যদি সেটি সামনের সিটের নিচে রাখা যায়। একই সঙ্গে কেবিন ব্যাগের আগের ৭ কেজি ওজনসীমাও তুলে দেওয়া হচ্ছে, ফলে নতুন নিয়মে ওভারহেড বিনে রাখা ব্যাগের সর্বোচ্চ ওজন হবে ১০ কেজি।    জেটস্টারের প্রধান নির্বাহী স্টেফানি টালি বলেছেন, ওভারহেড বিন নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের চাপ ও বিশৃঙ্খলা কমানো এবং দ্রুত বোর্ডিং নিশ্চিত করতেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তার ভাষ্য, যাত্রীরা যাতে কেবল প্রয়োজনীয় সেবার জন্যই অর্থ পরিশোধ করেন, সেই লক্ষ্যেই নতুন মূল্যনীতি চালু করা হচ্ছে।    তবে ঘোষণার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, মূল টিকিটের দাম কমানো ছাড়াই আগে যে সুবিধা ছিল, সেটির জন্য এখন অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তারা এটিকে যাত্রীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ হিসেবে দেখছেন।    বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের অনেক স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন বহু বছর ধরেই ক্যারি অন ব্যাগের জন্য অতিরিক্ত ফি নিয়ে আসছে। জেটস্টারের এই সিদ্ধান্ত সেই একই ব্যবসায়িক মডেলের অনুসরণ হলেও অস্ট্রেলিয়ায় এটি প্রথম বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিজেকে জিহাদি দাবি করল ব্রিটিশ নারী হত্যাকারী
‘খ্রিস্টান হওয়ায় হত্যা করেছি’, নিজেকে জিহাদি দাবি করল ব্রিটিশ নারী হত্যাকারী
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১১:৫১

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে একটি পরিত্যক্ত ভবনে স্যুটকেসের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ সমাজকর্মী এলিজাবেথ জেন রস হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।    এলিজাবেথ জেন রস স্কটল্যান্ডের বাসিন্দা ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে গ্রিসে শরণার্থী ও অসহায় মানুষের সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি জুলাই মাসে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে এথেন্সে যান। ১৫ জুলাই নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর ১৮ জুলাই শহরের কিপসেলি এলাকার একটি পরিত্যক্ত নির্মাণাধীন ভবনে সবুজ রঙের একটি স্যুটকেসের ভেতর তার মরদেহ পাওয়া যায়।    তদন্তে গ্রিক পুলিশ জানায়, ২৬ বছর বয়সী এক আফগান বংশোদ্ভূত পেশাদার বক্সারকে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রিসের গোপনীয়তা আইনের কারণে কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম প্রকাশ করেনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।   প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে দাবি করেন তিনি রসকে মৃত অবস্থায় পেয়েছিলেন এবং ভয় পেয়ে মরদেহ স্যুটকেসে ভরে ফেলে দেন। তবে তদন্তকারীরা বলছেন, সিসিটিভি ফুটেজে তাকে স্যুটকেস টেনে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। এছাড়া রসের মোবাইল ফোন ও ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে। পুলিশ তার বাসা থেকে একটি ছুরি ও একটি নকল পিস্তল উদ্ধার করেছে।    ময়নাতদন্তে মরদেহে পচন ধরায় মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে শ্বাসরোধে মৃত্যুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।    আদালত অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রস্তুতির জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছে। এরপর তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হবে। তদন্তে গ্রিক পুলিশ ছাড়াও যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি, পুলিশ স্কটল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহায়তা করছেন।    তবে মামলাটি এখনো বিচারাধীন। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনগতভাবে দোষী বলা যাবে না।

ফ্লাইটে চার বছরের মেয়ের চোখের সামনেই মায়ের ওপর যৌন নির্যাতন
ফ্লাইটে চার বছরের মেয়ের চোখের সামনেই মায়ের ওপর যৌন নির্যাতন, ঘুম ভাঙার পর আতঙ্কে কেঁপে ওঠেন নারী
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১১:৪৩

থাইল্যান্ডের নাগরিক বিউট পিম্পাপর্ন (৩৩) ইতালির মিলান থেকে ব্যাংককে ফিরছিলেন । ডাবাইয়ে সংযোগকারী ফ্লাইটে ওঠার পর সেখান থেকে ব্যাংককের উদ্দেশে ছয় ঘণ্টার যাত্রা শুরু হয়। মা ও তার মেয়ে ফ্লাইটে ঘুমিয়ে পড়েন।   ঘুম থেকে জেগে তিনি দেখেন পাশের আসনে বসা পুরুষ যাত্রী তার নিতম্ব চেপে ধরেছেন এবং অশ্লীল কাজ করছেন। অভিযুক্ত যাত্রী পরে বিনোদনের স্ক্রিন সামঞ্জস্য করার ভান করতে থাকেন এবং বারবার তার দিকে তাকাতে থাকেন ।   মা বিউট পিম্পাপর্ন ফ্লাইটে হৈ চৈ সৃষ্টি না করে ব্যাংকের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর কেবিন ক্রুদের বিষয়টি জানান । ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রথমে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন ।   অভিযুক্ত যাত্রী এবং তার সঙ্গে থাকা পাকিস্তানি ট্যুর গ্রুপের সদস্যরা ক্ষমা চান। অভিযুক্ত যাত্রী কেঁদে তার কাছে ক্ষমা চান এবং তার পায়ে হাত দিয়ে অনুরোধ করেন । কিন্তু কেবিন ক্রুরা বিষয়টি গুরুতর বলে পুলিশকে জানান এবং বিমান থেকে মেয়েটিকে সরিয়ে নেন যেন তিনি ঘটনা দেখতে না পান ।   বিমান নামার পর ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা অভিযুক্ত রজা আলীকে বিমান থেকে নামিয়ে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যান । ডন মুয়াং জেলা পুলিশ স্টেশনের পুলিশ লেফটেন্যান্ট কর্নেল চামন্যান্ট কঙ্কং জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে থাইল্যান্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে । পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি এবং প্রাথমিকভাবে উভয় পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করা হবে ।   ভুক্তভোগী মা তার পরনের কাপড় জমা দিয়েছেন এবং ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে । তিনি জানিয়েছেন, তিনি মামলা করতে চান এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করবেন । তিনি তার পরিচয় প্রকাশ করে অন্যান্য নারীদের সতর্ক করেছেন যে একা ভ্রমণের সময় সাবধান থাকতে হবে এবং কোনও অস্বস্তি বোধ করলে সাহসের সাথে প্রতিবাদ করতে হবে ।   ফ্লাইটটি পরিচালনাকারী সংস্থা ফ্লাইদুবাইয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং চলমান তদন্তের বিষয়ে তারা কোনো মন্তব্য করছেন না ।

গাজা যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তার কড়া সমালোচক এল-সায়েদ
গাজা যুদ্ধে মার্কিন সামরিক সহায়তার কড়া সমালোচক এল-সায়েদ; যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার পথে
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১০:১

মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেট প্রাইমারিতে বিজয়ী হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন চিকিৎসক ও প্রগতিশীল নেতা ডা. আবদুল এল-সায়েদ। নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত মুসলিম সিনেটর হবেন।   ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জয়ের মাধ্যমে এল-সায়েদ শুধু দলীয় মনোনয়নই নিশ্চিত করেননি, জাতীয় পর্যায়েও আলোচনায় উঠে এসেছেন তার নির্বাচনী এজেন্ডার কারণে। স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার, অভিবাসন নীতির পরিবর্তন এবং গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে তার অবস্থান প্রচারণার অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল।   ভোট গণনার অধিকাংশ শেষ হওয়ার পর প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এল-সায়েদ প্রায় ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসওম্যান হেইলি স্টিভেন্সকে পেছনে ফেলেন। স্টিভেন্স পান প্রায় ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট। এ ফলের মাধ্যমে তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন নিশ্চিত করেন এবং নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের টিকিট অর্জন করেন।   এল-সায়েদের প্রচারণার সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার বিরোধিতা। তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন, মার্কিন করদাতাদের অর্থ এমন সামরিক সহায়তায় ব্যয় হওয়া উচিত নয়, যা বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার এবং মানবাধিকারভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে অবস্থান নেন।   স্বাস্থ্যসেবা খাতেও তিনি উচ্চাভিলাষী সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম ছিল ‘মেডিকেয়ার ফর অল’ বাস্তবায়ন, যাতে সব মার্কিন নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করা যায়। এছাড়া তিনি আয় বৈষম্য কমানো, করব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় হ্রাসের পক্ষে প্রচারণা চালান।   অভিবাসন নীতিতেও তিনি বর্তমান ব্যবস্থার সমালোচক। এল-সায়েদ দীর্ঘদিন ধরে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসিইর বর্তমান কাঠামো বিলুপ্ত করে আরও মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পক্ষে মত দিয়ে আসছেন। তার মতে, বিদ্যমান ব্যবস্থায় অভিবাসীদের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে অন্যায্য আচরণ করা হয় এবং এতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।   মিশিগানে বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতাদের মতে, স্বাস্থ্যসেবা, গাজা যুদ্ধ এবং অভিবাসন নিয়ে স্পষ্ট অবস্থানের কারণে তরুণ ভোটার, প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট, আরব-আমেরিকান এবং মুসলিম ভোটারদের মধ্যে এল-সায়েদ উল্লেখযোগ্য সমর্থন পেয়েছেন। বিশেষ করে মিশিগানের বৃহৎ আরব ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে তার প্রচারণা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।   এখন তার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচন। সেখানে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করতে পারলে ডা. আবদুল এল-সায়েদ শুধু মিশিগানের নতুন সিনেটরই হবেন না, যুক্তরাষ্ট্রের দুই শতাব্দীরও বেশি সময়ের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত মুসলিম সিনেটর হিসেবেও নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবেন।

Follow us

Trending

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
980 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
795 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
914 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
760 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাপ্তাহিক পত্রিকা
সাহিত্য
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়