Live update news
১৭ বছরের ধারাবাহিক পতনের পর ১২ কোটির নিচে জাপানের জনসংখ্যা, রেকর্ড বাড়ছে বিদেশি নাগরিক
১৭ বছরের ধারাবাহিক পতনের পর ১২ কোটির নিচে জাপানের জনসংখ্যা, রেকর্ড বাড়ছে বিদেশি নাগরিক

জাপানের জনসংখ্যা সংক্রান্ত সর্বশেষ পরিসংখ্যানে একটি বড়সড় ও উদ্বেগজনক পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে। জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বুধবারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বসবাসরত জাপানি নাগরিকদের সংখ্যা ১২ কোটির নিচে নেমে এসেছে। ১ জানুয়ারির হিসাব অনুযায়ী, জাপানি বাসিন্দাদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ জন (০.৭৬ শতাংশ) কমে ১১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৩ জনে দাঁড়িয়েছে। বিগত ১৭ বছর ধরে দেশটিতে ধারাবাহিকভাবে জনসংখ্যা কমছে এবং এটিই রেকর্ডকৃত সবচেয়ে বড় পতন।   অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের সংখ্যা কমলেও, জাপানে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৯৬ জন (৯.৬২ শতাংশ) বেড়ে ৪০ লাখ ৩১ হাজার ১৫৯-এ পৌঁছেছে, যা ২০১৩ সালে পরিসংখ্যান শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ। বিশেষ করে, কোভিড-১৯ মহামারির পর ২০২৩ সাল থেকে জাপানে বিদেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেবল ২০২৫ সালেই রেকর্ড ৭ লাখ ২০ হাজার ৯৮৮ জন মানুষ বিদেশ থেকে দেশটিতে স্থানান্তরিত হয়েছেন।   জাপানের ৪৭টি প্রিফেকচারের মধ্যে ৪৬টিতেই জাপানি নাগরিকের সংখ্যা কমেছে। এর মধ্যে আকিটায় সর্বোচ্চ ১.৯৫ শতাংশ পতন দেখা গেছে। একমাত্র টোকিওতেই টানা তৃতীয় বছরের মতো জাপানি বাসিন্দাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। জনসংখ্যা হ্রাসের এই সংকটের পেছনে মূল কারণ হলো জন্মহার কমা এবং মৃত্যুহার বৃদ্ধি। ২০২৫ সালে জাপানে জন্ম নিয়েছে মাত্র ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪৬৭ জন শিশু, যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৫। ফলে স্বাভাবিক জনসংখ্যা হ্রাসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ২৩ হাজার ৮ জনে। দেশটিতে জাপানি ও বিদেশি মিলিয়ে মোট জনসংখ্যা ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪২-এ নেমে এসেছে।

৯ মিনিট Ago
বিশ্বের এআই র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দশে সিঙ্গাপুরের দুই স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্বের এআই র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দশে সিঙ্গাপুরের দুই স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে গবেষণায় এশিয়া মহাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের চিত্র উঠে এসেছে সদ্য প্রকাশিত ইউএস নিউজের ২০২৬–২০২৭ সালের 'বেস্ট গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিজ' সাবজেক্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে। এই তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ দশটি এআই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ সিঙ্গাপুরের দুটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।   বৈশ্বিক এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (এনটিইউ)। অন্যদিকে, আগের চেয়ে চার ধাপ এগিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (এনইউএস)। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে কেবল সিঙ্গাপুরই শীর্ষ দশে অবস্থান করতে পেরেছে। এই অঞ্চলের অপর দেশ হিসেবে মালয়েশিয়ার চারটি বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিংয়ের ১৬৫ থেকে ২৪১তম স্থানের মধ্যে রয়েছে।   তালিকায় চীন এককভাবে তাদের সুস্পষ্ট আধিপত্য বিস্তার করেছে। শীর্ষ দশে কোনো মার্কিন বা ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম না থাকলেও, আটটি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তালিকায় দাপট দেখাচ্ছে মূল ভূখণ্ডের চীন। চীনের স্বনামধন্য সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় বৈশ্বিকভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এছাড়া তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে দ্য চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং।   ইউএস নিউজের এই র‍্যাঙ্কিং তৈরিতে ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কমপক্ষে ২০০টি এআই গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বের ২,২৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এআই ছাড়াও এনটিইউ এবং এনইউএস কম্পিউটার সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স ও ফিজিক্সের মতো বিষয়গুলোতেও বৈশ্বিকভাবে শীর্ষ স্থানগুলোতে অবস্থান করছে। সার্বিক বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে এনইউএস এশিয়ায় দ্বিতীয় ও বিশ্বে ১৬তম এবং এনটিইউ এশিয়ায় চতুর্থ ও বিশ্বে ২৭তম স্থান লাভ করেছে।

৩২ মিনিট Ago
শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ৫ সহযোগীসহ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে যশোরের ঝিকরগাছা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে এবং তার আরও পাঁচ সহযোগীকে পৃথক অভিযানে আটক করা হয়। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নেতৃত্বে পরিচালিত এই ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদী নজরদারির সফল পরিণতি হিসেবে পুলিশের জালে ধরা পড়ল এই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী।   পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম নিজেই ফোর্সের সঙ্গে এই অভিযানে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রায় সাত দিন ধরে ডেভিড ইমনের গতিবিধির ওপর নিবিড় নজরদারি চালানোর পর বুধবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নিয়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই যশোর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।   তবে এই সন্ত্রাসীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী রায়হানকে ধরার জন্য একই সময়ে অভিযান চালানো হলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়। পলাতক রায়হানকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও অভিযানের বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।   উল্লেখ্য, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র-সংক্রান্ত একাধিক গুরুতর অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই ডেভিড ইমনকে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি গত ১৩ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরা-বাকলিয়া এক্সেস সড়কে অবস্থিত ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে এক ভয়াবহ সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও অর্থ লুটের ঘটনায় তার নাম নতুন করে আলোচনায় আসে।   প্রতিষ্ঠানটির মালিক আদিল বিন মামুন অভিযোগ করেন, হামলার মাত্র দুই দিন আগে বিদেশি একটি নম্বর থেকে ফোন করে নিজেকে 'ডেভিড ইমন' পরিচয়ে এককালীন দুই কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে মাসিক ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। ফোনে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলা হয়েছিল, চাঁদা না দিলে প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। সেই অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাখ্যান করার জের ধরেই কার্যালয়ে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়।

৫৩ মিনিট Ago
আইফোন কিনতে আর এককালীন খরচ নয়, ভাড়ায় ব্যবহারের সুযোগ আনছে অ্যাপল
আইফোন কিনতে আর এককালীন খরচ নয়, ভাড়ায় ব্যবহারের সুযোগ আনছে অ্যাপল

ইলেকট্রনিক পণ্যের ক্রমাগত দাম বৃদ্ধির এই সময়ে গ্রাহকদের স্বস্তি দিতে নতুন একটি দীর্ঘমেয়াদী 'লিজ' বা ভাড়ার কর্মসূচি চালু করেছে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। এর ফলে গ্রাহকদের এখন আর এককালীন বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে আইফোন বা ম্যাক কিনতে হবে না; বরং নির্দিষ্ট মেয়াদে সাশ্রয়ী ভাড়ায় এসব ডিভাইস ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন তারা। জনপ্রিয় পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম 'ক্লার্না'-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার 'অ্যাপল আপগ্রেড' নামের এই নতুন সেবাটির ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপল স্টোর, অনলাইন এবং অ্যাপল স্টোর অ্যাপের মাধ্যমে এই যুগান্তকারী সুবিধা উপভোগ করা যাবে।   এই কর্মসূচির আওতায় গ্রাহকরা আইফোন ও অ্যাপল ওয়াচ ১২ থেকে ২৪ মাসের জন্য লিজ নিতে পারবেন। অন্যদিকে, ম্যাক এবং আইপ্যাডের ক্ষেত্রে এই মেয়াদ হবে ২৪ থেকে ৩৬ মাস। লিজের জন্য নির্ধারিত পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে সদ্য আসা আইফোন ১৭ সিরিজ, আইফোন এয়ার, অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১, অ্যাপল ওয়াচ আলট্রা ৩, ম্যাকবুক এয়ার, ম্যাকবুক প্রো, আইম্যাক, ম্যাক স্টুডিওসহ আইপ্যাডের প্রিমিয়াম মডেলগুলো।   তবে তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামের আইফোন ১৬, ম্যাকবুক নিও, বেজ আইপ্যাড এবং অ্যাপল ওয়াচ এসই-কে এই কর্মসূচির বাইরে রাখা হয়েছে। নতুন এই পরিকল্পনাটি অ্যাপলের পুরোনো 'আইফোন আপগ্রেড প্রোগ্রাম'-এর স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছে। অ্যাপলের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, আইফোন লিজ নেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মাসিক কিস্তির পরিমাণ শুরু হবে মাত্র ১৭ দশমিক ৯৯ ডলার থেকে।   বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশনের বিশ্লেষক ফ্রান্সিসকো জেরোনিমোর মতে, এই উদ্যোগের ফলে গ্রাহকরা অ্যাপল পণ্যকে বড় কোনো ক্রয়ের বদলে একটি সাবস্ক্রিপশন বা নিয়মিত সেবার অংশ হিসেবে দেখার সুযোগ পাবেন। গত বছরের এক জরিপে দেখা গেছে, সাধারণ ব্যবহারকারীরা এখন প্রায় ২২ মাস পর্যন্ত একই ফোন ব্যবহার করছেন, যা ক্রেতাদের প্রতি বছর নতুন ফোন কেনার প্রবণতাকে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।   এদিকে, বিশ্লেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, ডাটা সেন্টারের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে মেমোরি চিপের যে সংকট তৈরি হয়েছে, তাতে আগামী প্রজন্মের আইফোনের দাম দেড় হাজার ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। তাছাড়া আগামী সেপ্টেম্বরে বাজারে অ্যাপলের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন আসার গুঞ্জন রয়েছে। পণ্যের দাম অতিরিক্ত বাড়লে ক্রেতারা যেন ডিভাইস বদলানোর চক্র থেকে পিছিয়ে না আসেন, সেই দিকটি বিবেচনা করেই ঠিক মোক্ষম সময়ে এই লিজ কর্মসূচিটি হাতে নিয়েছে অ্যাপল।

১ ঘন্টা Ago
আন্তর্জাতিক
বিশ্বের এআই র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দশে সিঙ্গাপুরের দুই স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে গবেষণায় এশিয়া মহাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের চিত্র উঠে এসেছে সদ্য প্রকাশিত ইউএস নিউজের ২০২৬–২০২৭ সালের 'বেস্ট গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিজ' সাবজেক্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে। এই তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ দশটি এআই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ সিঙ্গাপুরের দুটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।   বৈশ্বিক এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (এনটিইউ)। অন্যদিকে, আগের চেয়ে চার ধাপ এগিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (এনইউএস)। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে কেবল সিঙ্গাপুরই শীর্ষ দশে অবস্থান করতে পেরেছে। এই অঞ্চলের অপর দেশ হিসেবে মালয়েশিয়ার চারটি বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিংয়ের ১৬৫ থেকে ২৪১তম স্থানের মধ্যে রয়েছে।   তালিকায় চীন এককভাবে তাদের সুস্পষ্ট আধিপত্য বিস্তার করেছে। শীর্ষ দশে কোনো মার্কিন বা ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম না থাকলেও, আটটি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তালিকায় দাপট দেখাচ্ছে মূল ভূখণ্ডের চীন। চীনের স্বনামধন্য সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় বৈশ্বিকভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এছাড়া তালিকায় নবম স্থানে রয়েছে দ্য চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং।   ইউএস নিউজের এই র‍্যাঙ্কিং তৈরিতে ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কমপক্ষে ২০০টি এআই গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বের ২,২৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এআই ছাড়াও এনটিইউ এবং এনইউএস কম্পিউটার সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স ও ফিজিক্সের মতো বিষয়গুলোতেও বৈশ্বিকভাবে শীর্ষ স্থানগুলোতে অবস্থান করছে। সার্বিক বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে এনইউএস এশিয়ায় দ্বিতীয় ও বিশ্বে ১৬তম এবং এনটিইউ এশিয়ায় চতুর্থ ও বিশ্বে ২৭তম স্থান লাভ করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ১৫:২২
অক্সফোর্ডের ভুয়া ডিগ্রি ও জাল সনদে যুক্তরাজ্যের এনএইচএস-এ ১৩ চাকরি, চার বছরের কারাদণ্ড ব্রিটিশ-বাংলাদেশির

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)-এ শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্ম-অভিজ্ঞতা ও রেফারেন্স জাল করে ১৩টি চাকরি নেওয়ার অভিযোগে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি এক ব্যক্তিকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। তদন্তে উঠে এসেছে, ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে তিনি এনএইচএসের প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড আর্থিক ক্ষতি করেছেন।   দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আমরান হোসেন (৪০)। কেন্টের ওয়েস্টারহ্যামের ফ্রেঞ্চ স্ট্রিটের বাসিন্দা আমরানকে গত ২৪ জুলাই মেইডস্টোন ক্রাউন কোর্ট চার বছরের কারাদণ্ড দেন। এর আগে তিনি প্রতারণার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছিলেন।   যুক্তরাজ্যের এনএইচএস কাউন্টার ফ্রড অথরিটি (এনএইচএসসিএফএ) জানায়, চাকরি পেতে আমরান মিথ্যা দাবি করেছিলেন যে তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি এনএইচএসের বিভিন্ন উচ্চপদে কাজ করার ভুয়া অভিজ্ঞতাও নিজের জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ করেন। তদন্তে আরও জানা যায়, তিনি বার্কবেক, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকেও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন বলে দাবি করেছিলেন। কিন্তু দুই বিশ্ববিদ্যালয়ই নিশ্চিত করে যে তিনি কোনো কোর্সই সম্পন্ন করেননি।   তদন্তকারীরা জানান, আমরান এনএইচএসের বিভিন্ন পদে ২ হাজার ৭১টি আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে তিনি প্রতারণার মাধ্যমে ১৩টি অ-ক্লিনিক্যাল পদে চাকরি পান। তদন্তে একটি নির্দিষ্ট ধারা দেখা যায় চাকরিতে যোগ দেওয়ার কিছুদিন পরই তিনি অসুস্থতার ছুটি নিতেন এবং চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়া বা চাকরি বাতিল হওয়া পর্যন্ত কাজে অনুপস্থিত থাকতেন। ফলে তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খুব সামান্য বা কোনো কাজই করতেন না। পরে সেই চাকরির অভিজ্ঞতাকেই পরবর্তী আবেদনগুলোতে ব্যবহার করতেন।   এনএইচএস কাউন্টার ফ্রড অথরিটি আরও জানায়, চাকরির আবেদনকে বিশ্বাসযোগ্য করতে তিনি ভুয়া রেফারেন্স জমা দিয়েছিলেন। এমনকি একটি রেফারেন্স ছিল সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং কয়েকটি রেফারেন্স এমন ই-মেইল ঠিকানা থেকে পাঠানো হয়েছিল, যেগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছিল তার নিজের হাতে। এছাড়া বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হওয়ার দাবিও তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়।   ২০২১ সালে ডেভন পার্টনারশিপ এনএইচএস ট্রাস্ট তাকে একটি জ্যেষ্ঠ পদে নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়ার পর নিয়মিত ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাইয়ের সময় এই প্রতারণার সূত্রপাত ধরা পড়ে। আবেদনপত্রে আমরান দাবি করেছিলেন, তিনি কভেন্ট্রি অ্যান্ড ওয়ারউইকশায়ার পার্টনারশিপ এনএইচএস ট্রাস্টে ‘ডিরেক্টর অব ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড ইমপ্রুভমেন্ট’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ট্রাস্ট জানায়, তাদের প্রতিষ্ঠানে আমরান হোসেন নামে কেউ কখনো চাকরি করেননি। এরপর শুরু হয় বিস্তৃত তদন্ত।   এনএইচএস কাউন্টার ফ্রড অথরিটির অপারেশনস প্রধান বেন হ্যারিসন বলেন, এই রায় একটি স্পষ্ট বার্তা দেয় যে মিথ্যা তথ্য, ভুয়া যোগ্যতা বা জাল রেফারেন্স ব্যবহার করে সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেওয়ার চেষ্টা করলে তার কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার ভাষায়, এ ধরনের প্রতারণা শুধু সরকারি অর্থের অপচয়ই নয়, এনএইচএসের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

ক্যালিফোর্নিয়ায় পাহাড়ে আরোহণ করতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের, রেখে গেলেন ৮ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের বিগ বিয়ারে পাহাড়ে আরোহণ (ক্লাইম্বিং) করতে গিয়ে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী এক যুবক। নিহত ওই যুবকের নাম অ্যান্ডি ফেরারোন, যার বাড়ি সান দিয়েগোতে।   এই অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া, বিশেষ করে তার আট সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী নিনা এখন দিশেহারা। স্বামীর এই অকাল প্রস্থানে অনাগত সন্তানকে এখন তাকে একাই পৃথিবীতে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।   জানা গেছে, বিগ বিয়ারে ক্লাইম্বিংয়ের সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হন অ্যান্ডি। দুর্ঘটনার পর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তিনি লাইফ সাপোর্টে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন। কিন্তু চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে গত ১৫ জুলাই মৃত্যুর কাছে হার মানেন তিনি।   এই দুঃসময়ে শোকসন্তপ্ত স্ত্রী নিনার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন অ্যান্ডির বন্ধুরা। চিকিৎসা ব্যয়, বাসা ভাড়া এবং অনাগত সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে আর্থিক সহায়তা সংগ্রহের জন্য তারা 'গোফান্ডমি' (GoFundMe)-তে একটি পেজ খুলেছেন।

১৭ বছরের ধারাবাহিক পতনের পর ১২ কোটির নিচে জাপানের জনসংখ্যা, রেকর্ড বাড়ছে বিদেশি নাগরিক
১৭ বছরের ধারাবাহিক পতনের পর ১২ কোটির নিচে জাপানের জনসংখ্যা, রেকর্ড বাড়ছে বিদেশি নাগরিক

জাপানের জনসংখ্যা সংক্রান্ত সর্বশেষ পরিসংখ্যানে একটি বড়সড় ও উদ্বেগজনক পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে। জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বুধবারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বসবাসরত জাপানি নাগরিকদের সংখ্যা ১২ কোটির নিচে নেমে এসেছে। ১ জানুয়ারির হিসাব অনুযায়ী, জাপানি বাসিন্দাদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ জন (০.৭৬ শতাংশ) কমে ১১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৩ জনে দাঁড়িয়েছে। বিগত ১৭ বছর ধরে দেশটিতে ধারাবাহিকভাবে জনসংখ্যা কমছে এবং এটিই রেকর্ডকৃত সবচেয়ে বড় পতন।   অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের সংখ্যা কমলেও, জাপানে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৯৬ জন (৯.৬২ শতাংশ) বেড়ে ৪০ লাখ ৩১ হাজার ১৫৯-এ পৌঁছেছে, যা ২০১৩ সালে পরিসংখ্যান শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ। বিশেষ করে, কোভিড-১৯ মহামারির পর ২০২৩ সাল থেকে জাপানে বিদেশি জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেবল ২০২৫ সালেই রেকর্ড ৭ লাখ ২০ হাজার ৯৮৮ জন মানুষ বিদেশ থেকে দেশটিতে স্থানান্তরিত হয়েছেন।   জাপানের ৪৭টি প্রিফেকচারের মধ্যে ৪৬টিতেই জাপানি নাগরিকের সংখ্যা কমেছে। এর মধ্যে আকিটায় সর্বোচ্চ ১.৯৫ শতাংশ পতন দেখা গেছে। একমাত্র টোকিওতেই টানা তৃতীয় বছরের মতো জাপানি বাসিন্দাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। জনসংখ্যা হ্রাসের এই সংকটের পেছনে মূল কারণ হলো জন্মহার কমা এবং মৃত্যুহার বৃদ্ধি। ২০২৫ সালে জাপানে জন্ম নিয়েছে মাত্র ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪৬৭ জন শিশু, যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৫। ফলে স্বাভাবিক জনসংখ্যা হ্রাসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ২৩ হাজার ৮ জনে। দেশটিতে জাপানি ও বিদেশি মিলিয়ে মোট জনসংখ্যা ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৬৭ হাজার ৬৪২-এ নেমে এসেছে।

শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ৫ সহযোগীসহ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে যশোরের ঝিকরগাছা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে এবং তার আরও পাঁচ সহযোগীকে পৃথক অভিযানে আটক করা হয়। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নেতৃত্বে পরিচালিত এই ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদী নজরদারির সফল পরিণতি হিসেবে পুলিশের জালে ধরা পড়ল এই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী।   পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম নিজেই ফোর্সের সঙ্গে এই অভিযানে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রায় সাত দিন ধরে ডেভিড ইমনের গতিবিধির ওপর নিবিড় নজরদারি চালানোর পর বুধবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নিয়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই যশোর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।   তবে এই সন্ত্রাসীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী রায়হানকে ধরার জন্য একই সময়ে অভিযান চালানো হলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়। পলাতক রায়হানকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও অভিযানের বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।   উল্লেখ্য, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র-সংক্রান্ত একাধিক গুরুতর অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই ডেভিড ইমনকে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি গত ১৩ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরা-বাকলিয়া এক্সেস সড়কে অবস্থিত ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেটের (ডিডিএন) কার্যালয়ে এক ভয়াবহ সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও অর্থ লুটের ঘটনায় তার নাম নতুন করে আলোচনায় আসে।   প্রতিষ্ঠানটির মালিক আদিল বিন মামুন অভিযোগ করেন, হামলার মাত্র দুই দিন আগে বিদেশি একটি নম্বর থেকে ফোন করে নিজেকে 'ডেভিড ইমন' পরিচয়ে এককালীন দুই কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে মাসিক ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। ফোনে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলা হয়েছিল, চাঁদা না দিলে প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। সেই অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাখ্যান করার জের ধরেই কার্যালয়ে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়।

শিশু। ছবি:সংগৃহীত
পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলার সময় কান্না করায় ৩ বছরের ছেলেকে হত্যা

ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরায় প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় শিশুর কান্নায় বিরক্ত হয়ে তিন বছরের ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রায় এক মাস পর কথিত প্রেমিকের সঙ্গে তার ফোনালাপ থেকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বলে জানিয়েছে পুলিশ।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুন মথুরার বালদেও থানার ছাউলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির বাবা কৃষ্ণ মুরারি গুপ্তা দোকানে থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী রুচি জিন্দাল ফোন করে জানান, দীর্ঘক্ষণ কান্নার পর তাদের ছেলে অচেতন হয়ে পড়েছে।   পরিবারের সদস্যরা দ্রুত শিশুটিকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মথুরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   ঘটনার দিন শিশুটিকে পোলিও টিকা দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ধারণা করেন, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। কোনো অভিযোগ না করেই তারা মরদেহ দাফন করেন।   তবে সোমবার (২৭ জুলাই) শিশুটির বাবা স্ত্রীকে কথিত প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে শোনেন। এতে তার সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই নারী সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।   শিশুটির চাচা গোবিন্দ গুপ্তার অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বালদেও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় শর্মা জানিয়েছেন, শিশুটির মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।   পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

মতামত

বিশ্ব

View more
মানবাধিকার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে উ.কোরিয়া-রাশিয়ার সঙ্গে তুলনা
মানবাধিকার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে উ.কোরিয়া-রাশিয়ার সঙ্গে তুলনা, জাতিসংঘে ফ্রান্সের বক্তব্যের সময় মার্কিন প্রতিনিধিদের ওয়াকআউট
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ৪:৩৩

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্কের মেয়াদ বাড়ানোকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ তীব্র হয়েছে। ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মতো দেশের সঙ্গে তুলনা করার পর প্রতিবাদ জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক থেকে বের হয়ে যায় মার্কিন প্রতিনিধিদল।   ঘটনার সূত্রপাত হয় গত সপ্তাহে ভলকার টুর্কের দ্বিতীয় মেয়াদের নিয়োগ নিয়ে ভোটাভুটিকে ঘিরে। ওই ভোটে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে মিলে টুর্কের মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে ভোট দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত ১৪৪টি দেশের সমর্থনে তার পুনর্নিয়োগ অনুমোদিত হয়। বিপক্ষে ভোট দেয় ১০টি দেশ এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।   ভোটের পর জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে। ফ্রান্সের পক্ষ থেকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র একসময় মানবাধিকারের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এখন আর সেই অবস্থানে নেই। এ মন্তব্যে ওয়াশিংটন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।   জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ পাল্টা অভিযোগ করেন, ফ্রান্স এমন একজন কর্মকর্তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যিনি গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে সমালোচনা করেন, অথচ দমনমূলক শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন। তবে নিজের বক্তব্যের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি তিনি।   ভলকার টুর্ক এর আগে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান এবং গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। তার সমর্থকরা বলছেন, তিনি মানবাধিকার রক্ষায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছেন।   জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান নেগ্রিয়া জানিয়েছেন, ফ্রান্স তাদের "অসম্মানজনক বক্তব্য" প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের প্রতিবাদ চালিয়ে যাবে। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, জাতিসংঘের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ও অর্থায়নের বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা হতে পারে।   এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় অর্থায়ন কমিয়েছে এবং কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন এই বিরোধ ওয়াশিংটন ও জাতিসংঘের সম্পর্কের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও স্পষ্ট করেছে।   অন্যদিকে ফরাসি রাষ্ট্রদূত জেরোম বোনাফন্ট ভলকার টুর্ককে "বিবেকের কণ্ঠস্বর" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, টুর্ক প্রথম মেয়াদে দৃঢ়তা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।   জাতিসংঘের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি শুধু বলেছেন, জাতিসংঘ আশা করে সব সদস্য রাষ্ট্র সংস্থাটির সিদ্ধান্তকে সম্মান করবে।

যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি হামলায়, ইরাকে নিহত অন্তত ২০
যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি হামলায়, ইরাকে নিহত অন্তত ২০
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ৪:১১

ইরাকের অন্তত সাতটি প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলায় ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়া জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৩২ জন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে সংগঠনটি।   বুধবার (২৯ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাকের বাগদাদ, ওয়াসিত, নিনাওয়া, বসরা, কিরকুক, কারবালা ও দিয়ালা প্রদেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়।   পিএমএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হতাহতদের সংখ্যা প্রাথমিক হিসাব। ঘটনাস্থলের মূল্যায়ন শেষে নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। হামলায় সংগঠনটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সামরিক যান এবং অস্ত্র সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।   মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও সৌদি বিমান বাহিনী জানিয়েছে, গত ৭২ ঘণ্টায় ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ড্রোন হামলার জবাবে এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, নিজেদের বাহিনী ও মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।   পিএমএফ ইরাকের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে স্বীকৃত একটি আধাসামরিক জোট, যেখানে বেশ কয়েকটি শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে। সংগঠনটির কিছু অংশ ইরানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।   এদিকে ইরাক সরকার এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়ে আলোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও তাদের মিত্রদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা উত্তেজনার মধ্যে ইরাকে এই হামলা নতুন করে আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানের পাশে চীন
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরানের পাশে চীন, কাঁধে বহনযোগ্য চিনের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র পেতে যাচ্ছে ইরান
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ৩:২৫

ইরানকে চীন থেকে কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র। সাম্প্রতিক সংঘাতের পর দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে এই পদক্ষেপকে।   সূত্রগুলোর বরাতে জানা গেছে, ইরান চীনের তৈরি স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়ার চেষ্টা করছে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষের বিমান ও ড্রোন মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এই সরবরাহের পরিমাণ, সময়সূচি এবং আনুষ্ঠানিক চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সাধারণত সেনাদের দ্রুত মোতায়েনযোগ্য প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নিচু উচ্চতায় উড়তে সক্ষম বিমান প্রতিহত করতে এসব অস্ত্র ব্যবহৃত হয়।   ইরান দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহে নানা বাধার মুখে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশটি চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করেছে।   সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার পর ইরানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন অস্ত্র সরবরাহ হলে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে এর প্রভাব পড়তে পারে।   তবে চীন বা ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিষয়টি এখনো গোপনীয় পর্যায়ে রয়েছে এবং সরবরাহ প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।

ক্যানসারে আক্রান্ত ১০০ শিশুর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন তারকারা
মিস্টারবিস্টের উদ্যোগ, ক্যানসারে আক্রান্ত ১০০ শিশুর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন তারকারা
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ২:৫০

বিশ্বখ্যাত ইউটিউবার মিস্টারবিস্ট এবং বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমসসহ কয়েকজন জনপ্রিয় ব্যক্তি ক্যানসারে আক্রান্ত ১০০ শিশুর পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। শিশুদের চিকিৎসা সহায়তা ও তাদের জীবনযাত্রা সহজ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   কেআইআরও ৭-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং পরিবারের ওপর থাকা আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।   মিস্টারবিস্ট, যার আসল নাম জিমি ডোনাল্ডসন, অনলাইন দুনিয়ায় মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত। এর আগে তিনি অসহায় মানুষকে সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন।   লেব্রন জেমসও দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। শিক্ষা, শিশু কল্যাণ এবং কমিউনিটি উন্নয়নে তার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে।   এই নতুন উদ্যোগে আরও কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তিও যুক্ত হয়েছেন। তাদের লক্ষ্য হলো ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করা শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের পরিবারকে সহযোগিতা করা।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের ক্যানসারের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল হতে পারে। এ ধরনের সহায়তা অনেক পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুদের সাহস জোগানো এবং তাদের পাশে পুরো সমাজকে দাঁড়ানোর বার্তা দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য।

Follow us

Trending

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
923 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
749 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
865 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
708 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়