Live update news
আইস ডিটেনশন সেন্টারে অমানবিক পরিবেশ: চিকিৎসা সংকটে ধুঁকছেন হাজারো অভিবাসী
আইস ডিটেনশন সেন্টারের ভেতরের বাস্তবতা: চিকিৎসা সংকট, অমানবিক পরিবেশে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হাজারো অভিবাসী

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিরোধী অভিযান জোরদারের মধ্যেই দেশটির বৃহত্তম ICE (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) ডিটেনশন সেন্টারের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র। প্রতিবেদনে আটক অভিবাসীদের বর্ণনায় চিকিৎসা সংকট, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, আইনি সহায়তার সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার মতো নানা অভিযোগ উঠে এসেছে।    দ্য নিউ ইয়র্কারের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে টেক্সাসের এল পাসোতে অবস্থিত ক্যাম্প ইস্ট মন্টানা ডিটেনশন সেন্টারের বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে দ্রুত সম্প্রসারিত এই কেন্দ্রটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অভিবাসী আটক কেন্দ্রগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রটি পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার আগেই সেখানে বিপুলসংখ্যক অভিবাসীকে রাখা শুরু হয়।    প্রতিবেদনে আটক ব্যক্তিদের অভিযোগ অনুযায়ী, অনেককে সপ্তাহের পর সপ্তাহ সূর্যের আলো ছাড়াই ভবনের ভেতরে থাকতে হয়েছে। কোথাও কোথাও নষ্ট টয়লেট, দূষিত পানি, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং চিকিৎসাসেবা পেতে দীর্ঘ অপেক্ষার কথাও উঠে এসেছে। কয়েকজন বন্দি অভিযোগ করেছেন, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী না থাকায় তারা নিজেদের পোশাক ব্যবহার করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বাধ্য হয়েছেন।    প্রতিবেদনে কিউবার বংশোদ্ভূত রে নামের এক অভিবাসীর অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়েছে। বহু বছর ধরে তিনি নিয়মিতভাবে ICE-এর বিকল্প তদারকি কর্মসূচির আওতায় কর্মকর্তাদের কাছে হাজিরা দিতেন। কিন্তু একদিন নিয়মিত রিপোর্ট করতে গিয়েই তাকে আটক করা হয়। এরপর থেকে তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ডিটেনশন সেন্টারে রয়েছেন। তার স্ত্রী, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, জানান—একটি স্বাভাবিক পারিবারিক জীবন মুহূর্তেই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।    অনুসন্ধানে আরও বলা হয়েছে, অনেক অভিবাসীর জন্য আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে জামিনের সুযোগও সীমিত হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে আটকাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ফেডারেল আদালতে হেবিয়াস করপাস আবেদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।    প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি এমন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া হয়েছিল, যার আগে বড় আকারের অভিবাসী ডিটেনশন পরিচালনার অভিজ্ঞতা ছিল না। এ বিষয়েও ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।    অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে, আটক ব্যক্তিদের মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে স্বাধীন তদন্ত এবং কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের অবস্থান হলো, অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং বহিষ্কার কার্যক্রম কার্যকর করতে ডিটেনশন ব্যবস্থা আইনানুগভাবেই পরিচালিত হচ্ছে।    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ICE-এর অভিযান বৃদ্ধি, নতুন ডিটেনশন সেন্টার চালু এবং আটক ধারণক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আটক ব্যক্তিদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

১১ মিনিট Ago
সম্পর্ক ভাঙার কথা বলায় প্রেমিকাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ I ছবি: সংগৃহীত
সম্পর্ক ভাঙার কথা বলায় প্রেমিকাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ, হিউস্টনে যুবক গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হ্যারিস কাউন্টিতে সম্পর্ক শেষ করার কথা বলার পর ৪১ বছর বয়সী এক নারীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে। শনিবার সন্ধ্যায় হিউস্টনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেলডন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যার অভিযোগে ২৯ বছর বয়সী কোডি প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।   হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার কিছু পর মেরিটাইম ড্রাইভের ১১১০০ ব্লকের একটি বাড়িতে গুলির খবর পেয়ে ডেপুটিরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে টনিয়া সুইঙ্ক নামের ওই নারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।    কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, টনিয়া ও কোডি প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন এবং একই বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে তর্ক চলছিল। একপর্যায়ে টনিয়া সম্পর্কটি শেষ করে দেওয়ার কথা জানালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, এরপর কোডি তাঁকে গুলি করেন।   ঘটনার পর পরিবারের এক সদস্য জরুরি সেবা নম্বর ৯১১-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। ডেপুটিরা পৌঁছানোর সময় কোডি ঘটনাস্থলেই ছিলেন। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।   শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথা বলার সময় কোডি গুলি করার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে হত্যার অভিযোগ আনা হয় এবং তাঁকে হ্যারিস কাউন্টি কারাগারে পাঠানো হয়।    তবে পুলিশের বক্তব্য ও তদন্তে উঠে আসা তথ্য এখনো অভিযোগ পর্যায়ে রয়েছে। আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোডিকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ঘটনার পেছনে সম্পর্কসংক্রান্ত বিরোধের বাইরে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের হত্যাকাণ্ড তদন্তকারী দল ও অপরাধস্থল পরিদর্শনকারী কর্মকর্তারা আলামত সংগ্রহ করেছেন। মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হ্যারিস কাউন্টিতে সম্পর্ক শেষ করার কথা বলার পর ৪১ বছর বয়সী এক নারীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে। শনিবার সন্ধ্যায় হিউস্টনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেলডন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যার অভিযোগে ২৯ বছর বয়সী কোডি প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।   হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার কিছু পর মেরিটাইম ড্রাইভের ১১১০০ ব্লকের একটি বাড়িতে গুলির খবর পেয়ে ডেপুটিরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে টনিয়া সুইঙ্ক নামের ওই নারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।    কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, টনিয়া ও কোডি প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন এবং একই বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে তর্ক চলছিল। একপর্যায়ে টনিয়া সম্পর্কটি শেষ করে দেওয়ার কথা জানালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, এরপর কোডি তাঁকে গুলি করেন।   ঘটনার পর পরিবারের এক সদস্য জরুরি সেবা নম্বর ৯১১-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। ডেপুটিরা পৌঁছানোর সময় কোডি ঘটনাস্থলেই ছিলেন। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।   শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথা বলার সময় কোডি গুলি করার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে হত্যার অভিযোগ আনা হয় এবং তাঁকে হ্যারিস কাউন্টি কারাগারে পাঠানো হয়।    তবে পুলিশের বক্তব্য ও তদন্তে উঠে আসা তথ্য এখনো অভিযোগ পর্যায়ে রয়েছে। আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোডিকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ঘটনার পেছনে সম্পর্কসংক্রান্ত বিরোধের বাইরে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের হত্যাকাণ্ড তদন্তকারী দল ও অপরাধস্থল পরিদর্শনকারী কর্মকর্তারা আলামত সংগ্রহ করেছেন। মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।

২৯ মিনিট Ago
সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত I গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত

চলমান আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে চরম জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির কৌশলগত তেলের মজুত (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) কমতে কমতে গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম ইউরেশিয়া ডেইলির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গিয়েই ওয়াশিংটনকে তাদের জরুরি মজুতে হাত দিতে হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ)-এর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশটির বর্তমান কৌশলগত তেলের মজুত কমে মাত্র ৩১৯ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। ১৯৮৩ সালের পর এটিই আমেরিকার ইতিহাসের সর্বনিম্ন মজুতের রেকর্ড। এমনকি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদের সর্বনিম্ন রেকর্ডের চেয়েও বর্তমান মজুত আরও ২৭ মিলিয়ন ব্যারেল কম।   বিশ্লেষকদের মতে, এবার মূলত ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের অর্থনৈতিক ও জ্বালানিগত প্রভাব মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে এই মজুত ব্যবহার করছে ওয়াশিংটন। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর সদস্য দেশগুলোর বৈঠকে বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এটি তারই ধারাবাহিকতা।   রাশিয়ার ন্যাশনাল এনার্জি সিকিউরিটি ফান্ডের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ইগর ইউশকভ এই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করতেই যুক্তরাষ্ট্র মূলত এই নীতি অনুসরণ করছে।   তবে প্রতিবার যখনই দেশটির তেলের মজুত রেকর্ড মাত্রায় কমে যাওয়ার খবর সামনে আসে, তখনই আন্তর্জাতিক বাজারে এর উল্টো ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং তেলের দাম আরও বৃদ্ধি পায়। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন পশ্চিম এশিয়ার তেল বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছানোর জন্য বিভিন্ন বিকল্প পথ ও কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে। ইউশকভ সতর্ক করে আরও বলেন, চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ক্রুড অয়েলের (অপরিশোধিত তেল) দাম আবারও ১০০ ডলার বা তারও বেশি ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

৪৮ মিনিট Ago
গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
২০ লাখ টাকার লোভে নিজের স্বামীকে বিষধর সাপের কামড় খাইয়ে হত্যা করলেন স্ত্রী

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাটে বিমার ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে এক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরকীয়া প্রেমিক ও সাপুড়ের সহায়তায় নিজের স্বামীকে বিষধর সাপ দিয়ে কামড় খাইয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছেন এক নারী। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে মিরাটের হস্তিনাপুর এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশ মূল পরিকল্পনাকারী স্ত্রী দামিনী পাওয়ার (৩০) এবং তার প্রেমিক তুষার কুমারসহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছে।   পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত অতুল পাওয়ার (৩২) এবং দামিনীর মধ্যে সাত বছর আগে প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল। মাত্র তিন মাস আগে অতুল একটি প্লে-স্কুল চালু করেন এবং সেখানে তুষার কুমার নামের এক ব্যক্তিকে স্কুলের ভ্যানচালক হিসেবে নিয়োগ দেন। এর কিছুদিন পরই চালক তুষারের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন দামিনী। এদিকে অতুলের নামে ২০ লাখ টাকার একটি জীবন বিমা পলিসি ছিল।   সেই বিমার মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের নতুন ভবিষ্যৎ গুছিয়ে নিতেই তারা অতুলকে হত্যার এই ভয়ংকর ছক কষেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তুষারকে তার নিজের স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে বলা হয়, যাতে পরবর্তীতে দামিনী ও তুষার বিয়ে করে একসঙ্গে সংসার পাততে পারেন।   হত্যাকাণ্ডের দিন রাতে প্রথমে অতুলকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর তার গায়ের কম্বলের ভেতর একটি বিষধর সাপ ছেড়ে দিয়ে দামিনী তার সন্তানকে নিয়ে অন্য ঘরে চলে যান। সাপের কামড়ে বিছানাতেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয় অতুলের। পরদিন সকাল ৬টার দিকে দামিনী নাটক শুরু করেন এবং চিৎকার করে প্রতিবেশীদের জানান যে তার স্বামী অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন এবং বিছানায় একটি সাপ রয়েছে। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে এবং অতুলকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   প্রাথমিকভাবে এটিকে সাধারণ সাপের কামড়ে মৃত্যু বলে মনে হলেও, অতুলের পরিবার দামিনীর এই দাবি মেনে নিতে অস্বীকার করে এবং পুলিশে খবর দেয়। তদন্তে নেমে মিরাটের এসএসপি অবিনাশ পান্ডে জানান, দামিনীর মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড পরীক্ষা করে চালক তুষারের সঙ্গে ঘন ঘন কথা বলার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর তুষারের ফোন তল্লাশি করে একটি বাক্সে বন্দি সাপের ছবি উদ্ধার করা হয়।   পুলিশের কঠোর জেরার মুখে দামিনী ও তুষার দুজনেই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তারা জানান, দামিনীর প্ররোচনাতেই তুষার স্থানীয় সাপুড়েদের কাছ থেকে বিষধর সাপটি কিনে এনেছিলেন। এই অপরাধে সহায়তার জন্য সনু কুমার ও উদয় কুমার নামে দুই সাপুড়েকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর ধারা ১০৩ (১) (খুন) এবং ১২৩ (বিষ বা চেতনানাশক প্রয়োগ করে ক্ষতি সাধন)-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১ ঘন্টা Ago
নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘ম্যাচা হাউস’-এ উদ্যোক্তা মিশেল ইয়ুং। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা
২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের চাকরি ছেড়ে ম্যাচা ক্যাফে, প্রথম বছরেই লাভের পথে নিউইয়র্কের তরুণীর ব্যবসা

প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের উচ্চ বেতনের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি ছেড়ে নিজের স্বপ্নের পেছনে ছুটেছেন ২৯ বছর বয়সী মিশেল ইয়ুং। দীর্ঘ পরিকল্পনা, সঞ্চয় এবং প্রশিক্ষণের পর নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের লোয়ার ইস্ট সাইডে তিনি চালু করেন ‘ম্যাচা হাউস’ নামে একটি বিশেষায়িত ম্যাচা ক্যাফে। ব্যবসা শুরুর এক বছরের মধ্যেই সেটি লাভজনক হওয়ার পথে রয়েছে।   সিএনবিসি মেক ইট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তি খাতে সফল ক্যারিয়ার গড়লেও ২০২২ সালের পর থেকে নিজের কাজের প্রতি আগ্রহ হারাতে শুরু করেন ইয়ুং। তার ভাষায়, তিনি এমন কিছু করতে চেয়েছিলেন যা মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে এবং কাজের মধ্যেই অর্থপূর্ণতা খুঁজে পাবেন।   ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে বন্ধুদের সঙ্গে ম্যাচা পান করতে গিয়ে ম্যানহাটনে উচ্চমানের ম্যাচা ক্যাফের অভাব তার চোখে পড়ে। তখনই নিজের ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করেন। তবে চাকরি ছেড়ে ঝুঁকি নেওয়ার আগে তিনি কয়েক মাস ধরে প্রস্তুতি নেন।   ম্যাচা সম্পর্কে গভীরভাবে জানার জন্য তিনি জাপান সফর করেন। সেখানে চা সংগ্রহ, প্রস্তুত প্রণালী, পরিবেশন পদ্ধতি এবং বিভিন্ন ধরনের ম্যাচার গুণগত মান নিয়ে গবেষণা করেন। একই সময়ে ভোর ৫টা থেকে স্টারবাকসে কাজ করে ক্যাফে পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতাও অর্জন করেন। এরপর নিজের সঞ্চিত দুই লাখ ডলারের বেশি অর্থের একটি বড় অংশ বিনিয়োগ করে ক্যাফেটি চালু করেন।    বর্তমানে ‘ম্যাচা হাউস’-এ প্রায় ১০ জন খণ্ডকালীন কর্মী কাজ করছেন। শুরুতে প্রতিটি পানীয় নিজেই তৈরি করলেও এখন তিনি ধীরে ধীরে দায়িত্ব কর্মীদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন। ব্যবসার বেশির ভাগ আয় আবার ব্যবসার সম্প্রসারণেই বিনিয়োগ করছেন। ফলে আগে বছরে আয় ছিল প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার হলেও, ২০২৬ সালে নিজের জন্য মাত্র ৩৩ হাজার ডলার বেতন নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।    ইয়ুংয়ের ভাষায়, এখন তার জীবনের মূল্যায়ন আয়ের অঙ্কে নয়, প্রতিদিন কী কাজ করছেন এবং সেটি তাকে কতটা তৃপ্তি দিচ্ছে—সেখানেই। তিনি বলেন, ব্যবসার প্রথম বছর টিকে থাকতে পারাই তার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।   যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষায়িত কফি ও চা-ভিত্তিক ক্যাফের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেই প্রবণতার মধ্যেই সীমিত মেনু, মানসম্মত উপকরণ এবং গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর জোর দিয়ে নিজের অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা করছেন মিশেল ইয়ুং। তার এই যাত্রা দেখিয়ে দিচ্ছে, অনেকের কাছে আর্থিক নিরাপত্তার চেয়ে নিজের পছন্দের কাজ থেকে পাওয়া তৃপ্তিই বড় হয়ে উঠতে পারে।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ১৮, ২০২৬ ২২:৩
সম্পর্ক ভাঙার কথা বলায় প্রেমিকাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ I ছবি: সংগৃহীত
সম্পর্ক ভাঙার কথা বলায় প্রেমিকাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ, হিউস্টনে যুবক গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হ্যারিস কাউন্টিতে সম্পর্ক শেষ করার কথা বলার পর ৪১ বছর বয়সী এক নারীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে। শনিবার সন্ধ্যায় হিউস্টনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেলডন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যার অভিযোগে ২৯ বছর বয়সী কোডি প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।   হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার কিছু পর মেরিটাইম ড্রাইভের ১১১০০ ব্লকের একটি বাড়িতে গুলির খবর পেয়ে ডেপুটিরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে টনিয়া সুইঙ্ক নামের ওই নারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।    কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, টনিয়া ও কোডি প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন এবং একই বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে তর্ক চলছিল। একপর্যায়ে টনিয়া সম্পর্কটি শেষ করে দেওয়ার কথা জানালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, এরপর কোডি তাঁকে গুলি করেন।   ঘটনার পর পরিবারের এক সদস্য জরুরি সেবা নম্বর ৯১১-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। ডেপুটিরা পৌঁছানোর সময় কোডি ঘটনাস্থলেই ছিলেন। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।   শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথা বলার সময় কোডি গুলি করার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে হত্যার অভিযোগ আনা হয় এবং তাঁকে হ্যারিস কাউন্টি কারাগারে পাঠানো হয়।    তবে পুলিশের বক্তব্য ও তদন্তে উঠে আসা তথ্য এখনো অভিযোগ পর্যায়ে রয়েছে। আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোডিকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ঘটনার পেছনে সম্পর্কসংক্রান্ত বিরোধের বাইরে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের হত্যাকাণ্ড তদন্তকারী দল ও অপরাধস্থল পরিদর্শনকারী কর্মকর্তারা আলামত সংগ্রহ করেছেন। মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হ্যারিস কাউন্টিতে সম্পর্ক শেষ করার কথা বলার পর ৪১ বছর বয়সী এক নারীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর প্রেমিকের বিরুদ্ধে। শনিবার সন্ধ্যায় হিউস্টনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেলডন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হত্যার অভিযোগে ২৯ বছর বয়সী কোডি প্রিন্সকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।   হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার কিছু পর মেরিটাইম ড্রাইভের ১১১০০ ব্লকের একটি বাড়িতে গুলির খবর পেয়ে ডেপুটিরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে টনিয়া সুইঙ্ক নামের ওই নারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।    কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, টনিয়া ও কোডি প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন এবং একই বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে তর্ক চলছিল। একপর্যায়ে টনিয়া সম্পর্কটি শেষ করে দেওয়ার কথা জানালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, এরপর কোডি তাঁকে গুলি করেন।   ঘটনার পর পরিবারের এক সদস্য জরুরি সেবা নম্বর ৯১১-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। ডেপুটিরা পৌঁছানোর সময় কোডি ঘটনাস্থলেই ছিলেন। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।   শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথা বলার সময় কোডি গুলি করার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে হত্যার অভিযোগ আনা হয় এবং তাঁকে হ্যারিস কাউন্টি কারাগারে পাঠানো হয়।    তবে পুলিশের বক্তব্য ও তদন্তে উঠে আসা তথ্য এখনো অভিযোগ পর্যায়ে রয়েছে। আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোডিকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ঘটনার পেছনে সম্পর্কসংক্রান্ত বিরোধের বাইরে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের হত্যাকাণ্ড তদন্তকারী দল ও অপরাধস্থল পরিদর্শনকারী কর্মকর্তারা আলামত সংগ্রহ করেছেন। মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।

গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
২০ লাখ টাকার লোভে নিজের স্বামীকে বিষধর সাপের কামড় খাইয়ে হত্যা করলেন স্ত্রী

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাটে বিমার ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে এক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরকীয়া প্রেমিক ও সাপুড়ের সহায়তায় নিজের স্বামীকে বিষধর সাপ দিয়ে কামড় খাইয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছেন এক নারী। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে মিরাটের হস্তিনাপুর এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশ মূল পরিকল্পনাকারী স্ত্রী দামিনী পাওয়ার (৩০) এবং তার প্রেমিক তুষার কুমারসহ মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছে।   পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত অতুল পাওয়ার (৩২) এবং দামিনীর মধ্যে সাত বছর আগে প্রেম করে বিয়ে হয়েছিল। মাত্র তিন মাস আগে অতুল একটি প্লে-স্কুল চালু করেন এবং সেখানে তুষার কুমার নামের এক ব্যক্তিকে স্কুলের ভ্যানচালক হিসেবে নিয়োগ দেন। এর কিছুদিন পরই চালক তুষারের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন দামিনী। এদিকে অতুলের নামে ২০ লাখ টাকার একটি জীবন বিমা পলিসি ছিল।   সেই বিমার মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের নতুন ভবিষ্যৎ গুছিয়ে নিতেই তারা অতুলকে হত্যার এই ভয়ংকর ছক কষেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তুষারকে তার নিজের স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে বলা হয়, যাতে পরবর্তীতে দামিনী ও তুষার বিয়ে করে একসঙ্গে সংসার পাততে পারেন।   হত্যাকাণ্ডের দিন রাতে প্রথমে অতুলকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর তার গায়ের কম্বলের ভেতর একটি বিষধর সাপ ছেড়ে দিয়ে দামিনী তার সন্তানকে নিয়ে অন্য ঘরে চলে যান। সাপের কামড়ে বিছানাতেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয় অতুলের। পরদিন সকাল ৬টার দিকে দামিনী নাটক শুরু করেন এবং চিৎকার করে প্রতিবেশীদের জানান যে তার স্বামী অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন এবং বিছানায় একটি সাপ রয়েছে। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে এবং অতুলকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   প্রাথমিকভাবে এটিকে সাধারণ সাপের কামড়ে মৃত্যু বলে মনে হলেও, অতুলের পরিবার দামিনীর এই দাবি মেনে নিতে অস্বীকার করে এবং পুলিশে খবর দেয়। তদন্তে নেমে মিরাটের এসএসপি অবিনাশ পান্ডে জানান, দামিনীর মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড পরীক্ষা করে চালক তুষারের সঙ্গে ঘন ঘন কথা বলার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর তুষারের ফোন তল্লাশি করে একটি বাক্সে বন্দি সাপের ছবি উদ্ধার করা হয়।   পুলিশের কঠোর জেরার মুখে দামিনী ও তুষার দুজনেই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তারা জানান, দামিনীর প্ররোচনাতেই তুষার স্থানীয় সাপুড়েদের কাছ থেকে বিষধর সাপটি কিনে এনেছিলেন। এই অপরাধে সহায়তার জন্য সনু কুমার ও উদয় কুমার নামে দুই সাপুড়েকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর ধারা ১০৩ (১) (খুন) এবং ১২৩ (বিষ বা চেতনানাশক প্রয়োগ করে ক্ষতি সাধন)-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আইস ডিটেনশন সেন্টারে অমানবিক পরিবেশ: চিকিৎসা সংকটে ধুঁকছেন হাজারো অভিবাসী
আইস ডিটেনশন সেন্টারের ভেতরের বাস্তবতা: চিকিৎসা সংকট, অমানবিক পরিবেশে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হাজারো অভিবাসী

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিরোধী অভিযান জোরদারের মধ্যেই দেশটির বৃহত্তম ICE (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) ডিটেনশন সেন্টারের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র। প্রতিবেদনে আটক অভিবাসীদের বর্ণনায় চিকিৎসা সংকট, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, আইনি সহায়তার সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার মতো নানা অভিযোগ উঠে এসেছে।    দ্য নিউ ইয়র্কারের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে টেক্সাসের এল পাসোতে অবস্থিত ক্যাম্প ইস্ট মন্টানা ডিটেনশন সেন্টারের বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে দ্রুত সম্প্রসারিত এই কেন্দ্রটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অভিবাসী আটক কেন্দ্রগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রটি পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার আগেই সেখানে বিপুলসংখ্যক অভিবাসীকে রাখা শুরু হয়।    প্রতিবেদনে আটক ব্যক্তিদের অভিযোগ অনুযায়ী, অনেককে সপ্তাহের পর সপ্তাহ সূর্যের আলো ছাড়াই ভবনের ভেতরে থাকতে হয়েছে। কোথাও কোথাও নষ্ট টয়লেট, দূষিত পানি, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং চিকিৎসাসেবা পেতে দীর্ঘ অপেক্ষার কথাও উঠে এসেছে। কয়েকজন বন্দি অভিযোগ করেছেন, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী না থাকায় তারা নিজেদের পোশাক ব্যবহার করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বাধ্য হয়েছেন।    প্রতিবেদনে কিউবার বংশোদ্ভূত রে নামের এক অভিবাসীর অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়েছে। বহু বছর ধরে তিনি নিয়মিতভাবে ICE-এর বিকল্প তদারকি কর্মসূচির আওতায় কর্মকর্তাদের কাছে হাজিরা দিতেন। কিন্তু একদিন নিয়মিত রিপোর্ট করতে গিয়েই তাকে আটক করা হয়। এরপর থেকে তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ডিটেনশন সেন্টারে রয়েছেন। তার স্ত্রী, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, জানান—একটি স্বাভাবিক পারিবারিক জীবন মুহূর্তেই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।    অনুসন্ধানে আরও বলা হয়েছে, অনেক অভিবাসীর জন্য আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে জামিনের সুযোগও সীমিত হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে আটকাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ফেডারেল আদালতে হেবিয়াস করপাস আবেদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।    প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি এমন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া হয়েছিল, যার আগে বড় আকারের অভিবাসী ডিটেনশন পরিচালনার অভিজ্ঞতা ছিল না। এ বিষয়েও ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।    অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে, আটক ব্যক্তিদের মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে স্বাধীন তদন্ত এবং কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের অবস্থান হলো, অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং বহিষ্কার কার্যক্রম কার্যকর করতে ডিটেনশন ব্যবস্থা আইনানুগভাবেই পরিচালিত হচ্ছে।    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ICE-এর অভিযান বৃদ্ধি, নতুন ডিটেনশন সেন্টার চালু এবং আটক ধারণক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আটক ব্যক্তিদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত I গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত

চলমান আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে চরম জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির কৌশলগত তেলের মজুত (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) কমতে কমতে গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম ইউরেশিয়া ডেইলির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গিয়েই ওয়াশিংটনকে তাদের জরুরি মজুতে হাত দিতে হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ)-এর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশটির বর্তমান কৌশলগত তেলের মজুত কমে মাত্র ৩১৯ মিলিয়ন ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। ১৯৮৩ সালের পর এটিই আমেরিকার ইতিহাসের সর্বনিম্ন মজুতের রেকর্ড। এমনকি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদের সর্বনিম্ন রেকর্ডের চেয়েও বর্তমান মজুত আরও ২৭ মিলিয়ন ব্যারেল কম।   বিশ্লেষকদের মতে, এবার মূলত ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের অর্থনৈতিক ও জ্বালানিগত প্রভাব মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে এই মজুত ব্যবহার করছে ওয়াশিংটন। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর সদস্য দেশগুলোর বৈঠকে বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এটি তারই ধারাবাহিকতা।   রাশিয়ার ন্যাশনাল এনার্জি সিকিউরিটি ফান্ডের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ইগর ইউশকভ এই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করতেই যুক্তরাষ্ট্র মূলত এই নীতি অনুসরণ করছে।   তবে প্রতিবার যখনই দেশটির তেলের মজুত রেকর্ড মাত্রায় কমে যাওয়ার খবর সামনে আসে, তখনই আন্তর্জাতিক বাজারে এর উল্টো ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং তেলের দাম আরও বৃদ্ধি পায়। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন পশ্চিম এশিয়ার তেল বৈশ্বিক বাজারে পৌঁছানোর জন্য বিভিন্ন বিকল্প পথ ও কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে। ইউশকভ সতর্ক করে আরও বলেন, চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ক্রুড অয়েলের (অপরিশোধিত তেল) দাম আবারও ১০০ ডলার বা তারও বেশি ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ঘটনা স্থলে পুলিশ। ছবি:সংগৃহীত
নাইটক্লাবের সামনে সংঘর্ষের পর গুলিবর্ষণ, আহত ৯, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরের আপটাউন এলাকায় একটি নাইটক্লাবের বাইরে সংঘর্ষের জেরে গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই তরুণের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।     মিনিয়াপোলিস পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত সাড়ে ১২টার কিছু আগে ২৯তম স্ট্রিট ও হেনেপিন অ্যাভিনিউয়ের কাছে অবস্থিত রেইন ইভেন্ট সেন্টারের বাইরে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির মধ্যে একটি মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি গুলিবর্ষণে রূপ নেয়।     ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ চারজন গুলিবিদ্ধকে উদ্ধার করে। পরে আরও পাঁচজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে আহতের সংখ্যা বেড়ে নয়জনে দাঁড়ায়।     পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ২০ বছর ও ২১ বছর বয়সী দুই তরুণ গুরুতর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং তাদের অবস্থা জীবনসংকটাপন্ন। বাকি সাতজনের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন। তাদের বয়স ১৮ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে এবং অধিকাংশই বিশের কোঠার তরুণ-তরুণী। চিকিৎসকদের মতে, তাদের সবার প্রাণহানির আশঙ্কা নেই।     ঘটনার পর রোববার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। মিনিয়াপোলিস পুলিশ জানিয়েছে, এটি চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা ছিল কি না, সেটিসহ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।     ঘটনার কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং গুলিবর্ষণের সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মিনিয়াপোলিস পুলিশ বিভাগ।

News stories

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

মতামত

বিশ্ব

View more
২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম-ক্লাস বিমানের যাত্রী সংখ্যা ৪.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ছবি: শাটারস্টক
বিশ্বের ব্যস্ততম বিমান রুটের তালিকা প্রকাশ, শীর্ষে রয়েছে এশিয়ার দুই বিমানবন্দর
তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: জুলাই ১৯, ২০২৬ ১০:২৮

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ) তাদের সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড এয়ার ট্রান্সপোর্ট স্ট্যাটিস্টিকস’ (ডব্লিউএটিএস) প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক বিমান চলাচলের চাহিদাসহ সামগ্রিক কর্মক্ষমতার বিশদ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। বার্ষিক হালনাগাদ করা এই প্রতিবেদনে ১ হাজার ৩১৫টি বিমান সংস্থার তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।   প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম-ক্লাস অর্থাৎ বিজনেস ও ফার্স্ট ক্লাসের যাত্রী সংখ্যা বছরওয়ারি ৪.৫ শতাংশ বেড়ে ১০ কোটি ৯৭ লাখে পৌঁছেছে, যা মোট আন্তর্জাতিক যাত্রীদের ৫.৫ শতাংশ। এই খাতে লাতিন আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি ২২.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে এবং ইউরোপ ৩ কোটি ৯৭ লাখ যাত্রী নিয়ে সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে মোট যাত্রীদের অনুপাতে প্রিমিয়াম ক্লাসের যাত্রীর সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।   বিশ্বের ব্যস্ততম বিমান রুটের তালিকায় এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের একক আধিপত্য দেখা গেছে। জেজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিউলের গিম্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রুটটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে, যেখানে ১ কোটি ৩৩ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেছেন। শীর্ষ ১০টি ব্যস্ততম অভ্যন্তরীণ রুটের মধ্যে মাত্র একটি রুট এশিয়া প্যাসিফিকের বাইরে ছিল, যা জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংযোগ।   অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে আফ্রিকার ব্যস্ততম রুট ছিল কেপ টাউন থেকে জোহানেসবার্গ এবং লাতিন আমেরিকায় বোগোটা থেকে মেদেয়িন। ইউরোপের ব্যস্ততম রুট হিসেবে বার্সেলোনা থেকে পালমা ডি ম্যালোর্কা অবস্থান ধরে রাখলেও স্টকহোম আরল্যান্ডা থেকে মালমো রুটে যাত্রী সংখ্যা ৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তর আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রুটে নিউইয়র্কের জেএফকে থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস এবং আন্তর্জাতিক রুটে জেএফকে থেকে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর ছিল ব্যস্ততম।   দেশভিত্তিক যাত্রীদের বাজারে ৮৯ কোটি ১ লাখ যাত্রী নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে, যদিও তাদের প্রবৃদ্ধির গতি ছিল সবচেয়ে ধীর। অন্যদিকে, ৭৭ কোটি ৬১ লাখ যাত্রী নিয়ে চীন দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজারের স্থান দখল করেছে। এছাড়া মধ্য এশিয়ার কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের পাশাপাশি ভিয়েতনামেও যাত্রীর সংখ্যায় শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।   বিগত ছয় বছরে বৈশ্বিক বিমান বহরেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বোয়িং ৭৮৭ এবং এয়ারবাস এ৩৫০-এর মতো আধুনিক ও দক্ষ বিমানের ফ্লাইটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এয়ারবাস এ৩৮০ মডেলের বিমানের ব্যবহার ২৪.৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে বোয়িং ৭৩৭, এয়ারবাস এ৩২০ এবং এ৩২১ মডেলের ন্যারোবডি বিমানগুলো ২০২৫ সালেও সর্বাধিক ব্যবহৃত বিমান হিসেবে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে।

আলজেরিয়ার শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে আগুন ,ছবি: সংগৃহীত
আলজেরিয়ার শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে আগুনে নিহত ১১, শোকবার্তা সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের
বায়জিদ হাসান প্রকাশ: জুলাই ১৯, ২০২৬ ৪:৫৪

আলজেরিয়ার একটি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডে ১১ জন নিহত এবং ১৯ জন আহত হওয়ার ঘটনায় দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেলমাজিদ তেব্বুনের কাছে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।   সৌদি প্রেস এজেন্সি (SPA) জানিয়েছে, পৃথক শোকবার্তায় সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজ নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোরের আগে আলজেরিয়ার মাসকারা প্রদেশের মোহাম্মাদিয়া শহরের একটি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে আগুন লাগে। এএফপি জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র তাপপ্রবাহের সময় দীর্ঘক্ষণ চালু থাকা একটি এয়ার কন্ডিশনারের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।   আলজেরিয়ার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৫২ বছর বয়সী এক পরিচর্যাকারী রয়েছেন। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন শিশু রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   এদিকে, উত্তর আলজেরিয়াজুড়ে গত এক সপ্তাহে প্রায় এক হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও দেশটিতে গ্রীষ্মকালীন দাবানল এখন নিয়মিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, খরা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উত্তর আলজেরিয়ায় প্রতি বছর দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব অগ্নিকাণ্ডে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, পুড়ে গেছে হাজার হাজার হেক্টর বনভূমি, কৃষিজমি এবং অসংখ্য বসতবাড়ি।

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান ম্যামদানি নেতানিয়াহুকে নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন। ছবি: সংগৃহীত
নেতানিয়াহু ‘যুদ্ধাপরাধী’, আন্তর্জাতিক আদালত তার আসল ঠিকানা
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৮, ২০২৬ ২৩:৩৫

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ আখ্যা দিয়ে তাকে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মুখোমুখি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান ম্যামদানি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তারের আইনগত সুযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।    মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যামদানি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর স্থান হেগে। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযুক্ত একজন যুদ্ধাপরাধী।” তবে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগকে ব্যবহার করে কোনো বিদেশি সরকারপ্রধানকে আটক করার আইনি ক্ষমতা তার রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলেও জানান।    ম্যামদানি বলেন, বিষয়টি নিয়ে নিউইয়র্ক সিটির আইন বিভাগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে আলোচনা চলছে। আইন যতটুকু অনুমতি দেবে, তার প্রশাসন ততটুকুই করবে। এ জন্য নতুন কোনো আইন তৈরি করার পরিকল্পনা নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।  আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে নেতানিয়াহুর নিউইয়র্ক সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই ম্যামদানির এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে।    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তবে ইসরায়েল এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আদালতের এখতিয়ারও স্বীকার করে না।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি লিখিত বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছেন। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের স্বাক্ষর ‘মূল্যহীন’, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৮, ২০২৬ ২৩:২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরকে ‘সম্পূর্ণ মূল্যহীন’ এবং ‘বিশ্বাসযোগ্যতাহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। যুক্তরাষ্ট্র বারবার সমঝোতা লঙ্ঘন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রাখা যায় না।    শনিবার প্রকাশিত এক লিখিত বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার লঙ্ঘন করেছে। তার ভাষায়, এসব ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষর ‘সম্পূর্ণ মূল্যহীন এবং বিশ্বাসযোগ্যতাহীন’।  বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জানা উচিত যে ইরানি জাতি এবং ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’ তাদের জন্য এমন শিক্ষা রেখে দিয়েছে, যা তারা ভুলতে পারবে না। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সংঘাত আরও উসকে না দেওয়ারও সতর্কবার্তা দেন।    এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়ার পর দুই দেশ আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করেছে। নতুন করে সামরিক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।    সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরানও মার্কিন স্বার্থ ও সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপের দাবি করেছে। চলমান এই উত্তেজনার মধ্যে উভয় পক্ষের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সংকটের মুখে পড়েছে।

Follow us

Trending

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
807 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
670 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
782 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
623 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়