ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন ঋণের বাজারেও। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়া এবং আর্থিক অনিশ্চয়তা বাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে হাউজিং লোন বা মর্টগেজের সুদের হার আবার বাড়তে শুরু করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ৩০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি স্থির সুদের মর্টগেজ হার তিন বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এলেও চলতি সপ্তাহে তা আবার বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও বেড়ে যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা বেশি সুদে সরকারি বন্ড কিনতে শুরু করেন, যার ফলে বন্ডের ফলন বাড়ে। আর এই বন্ডের ফলনের সঙ্গে যুক্ত থাকে মর্টগেজ ঋণের সুদের হার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং তেলের দাম আরও বাড়ে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ঋণের সুদের হার আরও বাড়তে পারে। এতে বাড়ি কেনা সাধারণ মানুষের জন্য আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে এবং বাজারে অনিশ্চয়তা কমলে ভবিষ্যতে সুদের হার আবার কমার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নতুন করে আবারও মিসাইল ছুড়েছে ইরান। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত পৌনে ৩টার দিকে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। তারা বলেছে, দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ইরান নতুন করে আবারও মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। মিসাইলের প্রভাবে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে বলে উল্লেখ করেছে সংবাদমা্ধ্যমটি। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের বর্তমান সচিব ক্রিস্টি নোয়েম-এর কাজের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সিনেটের বিচারবিষয়ক কমিটির এক শুনানিতে নোয়েমের দেওয়া সাক্ষ্য নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অসন্তুষ্ট হন। শুনানির সময় তার বক্তব্য ও উপস্থাপনা নিয়ে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে হতাশা প্রকাশ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যে রিপাবলিকান সিনেটর মার্কওয়েন মুলিন-কে নতুন করে এই দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের নেতৃত্বে এই সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রশাসনের নিরাপত্তা নীতিতে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক কৌশলগত সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে। ইরানের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করতে পারে—এমন আলোচনা আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ABC News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক ইরানি কুর্দি বিরোধী নেতা বলেছেন, তাদের বাহিনী “যেকোনো কিছুর জন্য প্রস্তুত”। তিনি জানান, পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা ইরানের ভেতরে সামরিক বা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হতে প্রস্তুত। খবরে বলা হয়েছে, ইরান-ইরাক সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান নেওয়া কয়েকটি কুর্দি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে তেহরান সরকারের বিরোধিতা করে আসছে। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দিলে ইরানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই কুর্দি শক্তিকে সমর্থন দেয়, তাহলে তা ইরানের অভ্যন্তরে নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যেতে পারে এবং যুদ্ধের পরিধি বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে ইরান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে বিদেশি শক্তিগুলো কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করে দেশের ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তবে কুর্দি বিরোধী দলগুলো বলছে, তারা ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেই কুর্দি শক্তিকে ঘিরে নতুন এই সম্ভাব্য সমীকরণ অঞ্চলটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নতুন করে আবারও মিসাইল ছুড়েছে ইরান। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত পৌনে ৩টার দিকে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। তারা বলেছে, দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ইরান নতুন করে আবারও মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। মিসাইলের প্রভাবে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে বলে উল্লেখ করেছে সংবাদমা্ধ্যমটি। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন ঋণের বাজারেও। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়া এবং আর্থিক অনিশ্চয়তা বাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে হাউজিং লোন বা মর্টগেজের সুদের হার আবার বাড়তে শুরু করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ৩০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি স্থির সুদের মর্টগেজ হার তিন বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এলেও চলতি সপ্তাহে তা আবার বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও বেড়ে যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা বেশি সুদে সরকারি বন্ড কিনতে শুরু করেন, যার ফলে বন্ডের ফলন বাড়ে। আর এই বন্ডের ফলনের সঙ্গে যুক্ত থাকে মর্টগেজ ঋণের সুদের হার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং তেলের দাম আরও বাড়ে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ঋণের সুদের হার আরও বাড়তে পারে। এতে বাড়ি কেনা সাধারণ মানুষের জন্য আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে এবং বাজারে অনিশ্চয়তা কমলে ভবিষ্যতে সুদের হার আবার কমার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক কৌশলগত সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে। ইরানের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করতে পারে—এমন আলোচনা আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ABC News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক ইরানি কুর্দি বিরোধী নেতা বলেছেন, তাদের বাহিনী “যেকোনো কিছুর জন্য প্রস্তুত”। তিনি জানান, পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা ইরানের ভেতরে সামরিক বা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হতে প্রস্তুত। খবরে বলা হয়েছে, ইরান-ইরাক সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান নেওয়া কয়েকটি কুর্দি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে তেহরান সরকারের বিরোধিতা করে আসছে। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দিলে ইরানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই কুর্দি শক্তিকে সমর্থন দেয়, তাহলে তা ইরানের অভ্যন্তরে নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যেতে পারে এবং যুদ্ধের পরিধি বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে ইরান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে বিদেশি শক্তিগুলো কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করে দেশের ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তবে কুর্দি বিরোধী দলগুলো বলছে, তারা ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেই কুর্দি শক্তিকে ঘিরে নতুন এই সম্ভাব্য সমীকরণ অঞ্চলটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের বর্তমান সচিব ক্রিস্টি নোয়েম-এর কাজের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সিনেটের বিচারবিষয়ক কমিটির এক শুনানিতে নোয়েমের দেওয়া সাক্ষ্য নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অসন্তুষ্ট হন। শুনানির সময় তার বক্তব্য ও উপস্থাপনা নিয়ে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে হতাশা প্রকাশ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যে রিপাবলিকান সিনেটর মার্কওয়েন মুলিন-কে নতুন করে এই দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের নেতৃত্বে এই সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রশাসনের নিরাপত্তা নীতিতে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
দ্বিতীয়বার মা হতে যাচ্ছেন চিত্রনায়িকা Shabnom Bubly—এমন গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরে শোবিজ অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। যদিও অভিনেত্রী নিজে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি, তবে তার চলাফেরা ও উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। দেশের একটি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন বুবলী। বর্তমানে তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে দেশটির অবস্থান করছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন এই অভিনেত্রী। ঘাগরা পরিহিত অবস্থায় ভক্তদের সঙ্গে সেলফিও তোলেন তিনি। ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে ধারণা করেন, বুবলী অন্তঃসত্ত্বা হতে পারেন। তবে এ বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। ‘বসগিরি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করা বুবলী প্রায় দুই ডজনের বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে ২০১৮ সালের ২০ জুলাই চিত্রনায়ক Shakib Khan–এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ২০২০ সালে প্রথম সন্তানের মা হন এই অভিনেত্রী। তবে ছেলের জন্মের খবর প্রকাশ্যে আনেন প্রায় দুই বছর পর। পরে তিনি জানান, ধর্মীয় আচার মেনে শাকিব খানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের সন্তান Shehzad Khan Bir যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে। বর্তমানে বুবলীর দ্বিতীয় সন্তান জন্মের গুঞ্জন নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে আলোচনা চললেও তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সামরিক বাহিনীকে আরও আধুনিক করার লক্ষ্যে ২০২৬ সালের জন্য প্রতিরক্ষা বাজেট ৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন বৃদ্ধি হলেও দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা এবং এশিয়ার অধিকাংশ দেশের তুলনায় এই হার এখনও বেশি। বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টের বার্ষিক অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, দেশের যুদ্ধ প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা হবে এবং উন্নত সামরিক সক্ষমতা গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। তার উপস্থাপিত কর্মপরিকল্পনা প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব উদ্যোগ চীনের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষায় কৌশলগত সক্ষমতা বাড়াবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডের দায়িত্বে রয়েছেন। সামরিক আধুনিকায়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন এবং উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি তৈরির কাজ চলছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাবাহিনীকে পুরোপুরি আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বেইজিং। বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে চীন দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট নীতি অনুসরণ করছে—অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জাতীয় প্রতিরক্ষা শক্তির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। সিঙ্গাপুরের এস. রাজরত্নম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গবেষক জেমস চার বলেন, চীনের সামরিক বাজেট সাধারণত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ানো হয়। অন্যদিকে সামরিক বাহিনীর উচ্চপর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানও জোরদার করেছে বেইজিং। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। চীনের শীর্ষ সামরিক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য জাং ইয়োশিয়াকে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এর আগে গত বছর আরেক জ্যেষ্ঠ জেনারেল হে ওয়িডংকে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাইওয়ানভিত্তিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ইয়েন টি সাং বলেন, দুর্নীতিবিরোধী এই অভিযান দেখাচ্ছে যে বেইজিং সামরিক ব্যয়ের ওপর আরও কঠোর নজরদারি রাখতে চায়। চীন সরকার আবারও জোর দিয়ে বলেছে যে শাসক দল চীনা কমিউনিস্ট পার্টি সশস্ত্র বাহিনীর ওপর পূর্ণ নেতৃত্ব বজায় রাখবে। এদিকে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাইওয়ান। তাইপের মূলভূমি বিষয়ক কাউন্সিলের মুখপাত্র লিয়াং ইয়েনচেহ বলেন, দুর্বল অর্থনীতি ও কম ভোক্তা ব্যয়ের মধ্যেও চীন সামরিক খাতে বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ করছে, যা তাইওয়ানের জন্য সম্ভাব্য হুমকি তৈরি করতে পারে। জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা বলেন, চীনের প্রতিরক্ষা ব্যয় ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা নেই। লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় চীনের সামরিক ব্যয় দ্রুতগতিতে বেড়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এশিয়ার মোট সামরিক ব্যয়ের প্রায় ৪৪ শতাংশই ছিল চীনের। যেখানে ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই হার ছিল গড়ে ৩৭ শতাংশ। চীনের ঘোষিত প্রতিরক্ষা বাজেট বর্তমানে প্রায় ১ দশমিক ৯১ ট্রিলিয়ন ইউয়ান, যা প্রায় ২৭৭ বিলিয়ন ডলারের সমান। অন্যদিকে গত ডিসেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটে স্বাক্ষর করেন।
মো: আবদুর রহমান মিঞা
মো: আবদুর রহমান মিঞা
ড. মাহরুফ চৌধুরী
দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নতুন করে আবারও মিসাইল ছুড়েছে ইরান। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত পৌনে ৩টার দিকে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। তারা বলেছে, দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ইরান নতুন করে আবারও মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। মিসাইলের প্রভাবে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে বলে উল্লেখ করেছে সংবাদমা্ধ্যমটি। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের বর্তমান সচিব ক্রিস্টি নোয়েম-এর কাজের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সিনেটের বিচারবিষয়ক কমিটির এক শুনানিতে নোয়েমের দেওয়া সাক্ষ্য নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অসন্তুষ্ট হন। শুনানির সময় তার বক্তব্য ও উপস্থাপনা নিয়ে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে হতাশা প্রকাশ করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যে রিপাবলিকান সিনেটর মার্কওয়েন মুলিন-কে নতুন করে এই দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের নেতৃত্বে এই সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রশাসনের নিরাপত্তা নীতিতে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক কৌশলগত সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে। ইরানের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করতে পারে—এমন আলোচনা আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ABC News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক ইরানি কুর্দি বিরোধী নেতা বলেছেন, তাদের বাহিনী “যেকোনো কিছুর জন্য প্রস্তুত”। তিনি জানান, পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা ইরানের ভেতরে সামরিক বা রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হতে প্রস্তুত। খবরে বলা হয়েছে, ইরান-ইরাক সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান নেওয়া কয়েকটি কুর্দি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে তেহরান সরকারের বিরোধিতা করে আসছে। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দিলে ইরানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই কুর্দি শক্তিকে সমর্থন দেয়, তাহলে তা ইরানের অভ্যন্তরে নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যেতে পারে এবং যুদ্ধের পরিধি বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে ইরান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে বিদেশি শক্তিগুলো কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করে দেশের ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তবে কুর্দি বিরোধী দলগুলো বলছে, তারা ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেই কুর্দি শক্তিকে ঘিরে নতুন এই সম্ভাব্য সমীকরণ অঞ্চলটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানে কুর্দি যোদ্ধারা হামলা চালালে তা সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন Donald Trump। তিনি বলেছেন, কুর্দিরা যদি ইরানের ভেতরে স্থল অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তিনি তাদের সমর্থন দিতে প্রস্তুত। এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, কুর্দিদের এমন পরিকল্পনা “অসাধারণ উদ্যোগ” হতে পারে। তবে সামরিকভাবে তাদের সহযোগিতা দেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে তিনি সরাসরি কিছু জানাননি। বার্তা সংস্থা Reuters–কে ট্রাম্প বলেন, কুর্দি যোদ্ধারা হামলা চালালে তারা জয় নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই অভিযান পরিচালনা করবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কুর্দিদের সম্ভাব্য স্থল হামলায় আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা দেবে কি না, সে বিষয়টি এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয় যে কুর্দি যোদ্ধারা Iran–এর ভেতরে হামলা চালিয়েছে। তবে ইরান সরকার পরবর্তীতে এ তথ্য অস্বীকার করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের বক্তব্য অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে United States ও ইরানের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনও বাড়তে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।