Live update news
বিনিয়োগ করলেই স্থায়ী বসবাসের সুযোগ, নিউজিল্যান্ডের ‘গোল্ডেন ভিসা’ নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে

ধনী অভিবাসীদের আকৃষ্ট করতে নিউজিল্যান্ডের নতুন ‘গোল্ডেন ভিসা’ কর্মসূচি বা অ্যাক্টিভ ইনভেস্টর প্লাস (AIP) ভিসা ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। চালুর মাত্র এক বছরের মধ্যেই এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটিতে প্রায় ২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (নিউজিল্যান্ডের মুদ্রায় প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। বুধবার নিউজিল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের অভিবাসন মন্ত্রী এরিকা স্ট্যানফোর্ড জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ১.৪৯ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও ২.৪১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে। গত বছর ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬০৯টি আবেদন জমা পড়েছে, যার আওতায় ১৯৮৮ জন ব্যক্তি নিউজিল্যান্ডে বসবাসের সুযোগ খুঁজছেন। কীভাবে কাজ করে এই গোল্ডেন ভিসা? ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের জন্য দুটি প্রধান বিভাগ রাখা হয়েছে: ১. গ্রোথ (Growth) ক্যাটাগরি: এতে সর্বনিম্ন ৫ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ করতে হয়। এই বিনিয়োগটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ তবে দেশের উৎপাদনশীল খাতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ২. ব্যালেন্সড (Balanced) ক্যাটাগরি: এতে বিনিয়োগের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১০ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার। এটি তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ যেমন বন্ড বা শেয়ার বাজারে করা যায়। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এই ভিসার জন্য কোনো ইংরেজি ভাষার দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয় না। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের সশরীরে নিউজিল্যান্ডে থাকার সময়সীমাও আগের চেয়ে অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে। পরিবারসহ (স্বামী/স্ত্রী এবং ২৪ বছরের কম বয়সী সন্তান) স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ থাকায় ধনী বিনিয়োগকারীদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন আসছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন থেকে। এর বাইরে জার্মানি, হংকং, তাইওয়ান এবং সিঙ্গাপুরের নাগরিকরাও তালিকায় রয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়া থেকে ভারতের মাত্র ২ জন বিনিয়োগকারী এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন।

১৩ মিনিট Ago
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হাম টিকা আমদানি হয়নি: প্রধানমন্ত্রীর দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শিশুদের জন্য হামের টিকা বিদেশ থেকে আনা হয়নি বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   বুধবার সংসদের অধিবেশনে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামে আক্রান্ত হয়ে অনেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।   তিনি আরও বলেন, একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটাতে দেশের সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করেছে। কিন্তু সেই সময়ের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও কয়েক বছর ধরে শিশুদের জন্য হামের টিকা আমদানি করা হয়নি, যা বর্তমান সমস্যার অন্যতম কারণ।   তারেক রহমান জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউনিসেফ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছে এবং দ্রুত হামের টিকা সরবরাহ করেছে। এর ফলে প্রায় ২ কোটি শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনা সম্ভব হবে।   হাম শনাক্তে ব্যবহৃত টেস্ট কিটের কিছু ঘাটতি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এ সমস্যা সমাধানে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু কিট দেশে পৌঁছেছে এবং আরও কিছু কিট বিমানবন্দরের কাস্টমসে রয়েছে, যা দ্রুত ছাড় করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

৪০ মিনিট Ago
বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও হরমুজে জাহাজ চলাচলে সহায়তা দেবে ইরান

ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাস আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে দূতাবাসের অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে। দূতাবাস জানায়, সম্প্রতি আন্টালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের পার্শ্ববৈঠকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খাতিবজাদেহ এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।  বিজ্ঞপ্তিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ খামেনেই-এর শাহাদাত বরণে বাংলাদেশ সরকারের শোকবার্তা এবং জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব গ্রহণের জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। এছাড়া, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে ইরানে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করেছে দূতাবাস। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দূতাবাস হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া সম্প্রতি ১৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ইরান থেকে আজারবাইজান হয়ে নিরাপদে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনে ইরান সরকার সহযোগিতা করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আমেরিকা ও জায়নবাদী শাসনের আগ্রাসনের ফলে নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তির শেষাংশে দূতাবাস সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের খণ্ডিত বা বিকৃত প্রচারের বিষয়ে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দূতাবাস জানায়, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা দুই দেশের বন্ধুত্বের পরিপন্থী। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে এবং কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি না করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

৪৩ মিনিট Ago
সংস্কার থেকে পিছু হটছে কি বাংলাদেশ? নতুন সংসদের সিদ্ধান্তে উঠছে প্রশ্ন

২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর প্রণীত জবাবদিহি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া একাধিক সংস্কার বাতিল বা স্থগিত করেছে বাংলাদেশের নতুন সংসদ। এতে করে গণতান্ত্রিক অগ্রগতি থেকে দেশ পিছিয়ে যাচ্ছে কি না- তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ ও বিশ্লেষকেরা।   ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ক্ষমতায় আসা বিএনপি-প্রধান নতুন সংসদ সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করে। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সেই অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর দায়িত্ব নিয়েছিল।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এসব অধ্যাদেশের মধ্যে ১১০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে- কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনসহ। তবে অন্তত ২৩টি অধ্যাদেশ বাতিল হয়েছে বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদন না পাওয়ায় অকার্যকর হয়ে গেছে। এর মধ্যে মানবাধিকার, বিচারব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন ও পুলিশ সংস্কারসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধানও রয়েছে।   সমালোচকদের মতে, বাতিল হওয়া এসব অধ্যাদেশ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিরোধী দলগুলোর দাবি, এসব সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংস্কারের মূল কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং ক্ষমতা আবার কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।   তবে সরকার বলছে, এটি সংস্কার বাতিল নয়; বরং আইনগুলো আরও পরিপূর্ণ ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় পর্যালোচনা। আলোচনার মাধ্যমে সংশোধিত আইন পুনরায় আনা হবে বলেও জানিয়েছে তারা।   পটভূমি: আন্দোলন থেকে সংস্কার ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্রদের নেতৃত্বে গণআন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। দীর্ঘদিনের স্বেচ্ছাচারিতা, মতপ্রকাশের দমন, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে।   এরপর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’ নামে একটি সংস্কার কাঠামো প্রণয়ন করে, যাতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, নির্বাচনব্যবস্থা ও বিকেন্দ্রীকরণের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ সমর্থন পায় এই চার্টার।   তবে সংসদ না থাকায় অন্তর্বর্তী সরকার পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন করতে পারেনি; পরিবর্তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অধ্যাদেশ জারি করে। সংবিধান অনুযায়ী, এসব অধ্যাদেশ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন বা বাতিল করতে হয়।   মানবাধিকার কমিশন: কী পরিবর্তন হলো বাতিল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোর একটি ছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) সংক্রান্ত। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে কমিশনকে আরও স্বাধীন ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত, নির্দিষ্ট সময়সীমা, ক্ষতিপূরণ ও প্রশাসনিক স্বাধীনতার বিধান ছিল। কিন্তু তা বাতিল হওয়ায় ২০০৯ সালের পুরোনো আইন পুনর্বহাল হয়েছে, যেখানে কমিশনের ক্ষমতা সীমিত।   সরকার বলছে, ওই অধ্যাদেশে আইনি অস্পষ্টতা ছিল। তবে সাবেক কমিশনারদের অভিযোগ, সরকারের যুক্তি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।   গুমের আইনগত স্বীকৃতি: শূন্যতা তৈরি গুমের ঘটনাকে আলাদা অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করার উদ্যোগও বাতিল হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কমিশন ১ হাজার ৯০০-এর বেশি অভিযোগ পায়, যার মধ্যে অন্তত ১ হাজার ৫৬৯টি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, গুমকে স্পষ্টভাবে আইনে সংজ্ঞায়িত না করলে বিচার প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দায়মুক্তির ঝুঁকি তৈরি হয়।   বিচার বিভাগীয় সংস্কার বাতিল হওয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ছিল সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় গঠন এবং বিচারক নিয়োগে নতুন পদ্ধতি চালু করা। এর লক্ষ্য ছিল নির্বাহী বিভাগের প্রভাব কমানো। এসব প্রস্তাব বাতিল হওয়ায় আগের ব্যবস্থাই বহাল থাকছে।   সরকারের অবস্থান: ‘পুনর্মূল্যায়ন, বাতিল নয়’ সরকার বলছে, স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা কঠিন ছিল। তাই কিছু আইন পরে আলোচনা করে পুনরায় আনা হবে। আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধান হুইপের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আইনগুলো আরও পরিশীলিত করে পুনরায় প্রণয়ন করা হবে।   বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া বিরোধী দলগুলোর মতে, এটি সংস্কারের পথ থেকে সরে আসার ইঙ্গিত। তাদের দাবি, গণভোটে জনগণের যে প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছিল, তা উপেক্ষা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি কেবল আইন বাতিল নয়; বরং ক্ষমতার কাঠামো পুনর্গঠনের প্রশ্ন।   বিশ্লেষকেরা বলছেন, এসব পদক্ষেপ জবাবদিহি ও ক্ষমতার ভারসাম্য দুর্বল করতে পারে। এতে করে আগের মতোই নির্বাহী বিভাগের প্রভাব বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তারা এটিও মনে করেন, সরকার চাইলে আলোচনার মাধ্যমে সংস্কারগুলো আরও শক্তিশালী করে ফিরিয়ে আনার সুযোগ এখনো রয়েছে।   সূত্র: আল জাজিরা

৪ ঘন্টা Ago
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতীয়
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হাম টিকা আমদানি হয়নি: প্রধানমন্ত্রীর দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শিশুদের জন্য হামের টিকা বিদেশ থেকে আনা হয়নি বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   বুধবার সংসদের অধিবেশনে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামে আক্রান্ত হয়ে অনেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।   তিনি আরও বলেন, একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটাতে দেশের সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করেছে। কিন্তু সেই সময়ের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও কয়েক বছর ধরে শিশুদের জন্য হামের টিকা আমদানি করা হয়নি, যা বর্তমান সমস্যার অন্যতম কারণ।   তারেক রহমান জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউনিসেফ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করেছে এবং দ্রুত হামের টিকা সরবরাহ করেছে। এর ফলে প্রায় ২ কোটি শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনা সম্ভব হবে।   হাম শনাক্তে ব্যবহৃত টেস্ট কিটের কিছু ঘাটতি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এ সমস্যা সমাধানে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু কিট দেশে পৌঁছেছে এবং আরও কিছু কিট বিমানবন্দরের কাস্টমসে রয়েছে, যা দ্রুত ছাড় করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
বিনিয়োগ করলেই স্থায়ী বসবাসের সুযোগ, নিউজিল্যান্ডের ‘গোল্ডেন ভিসা’ নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে

ধনী অভিবাসীদের আকৃষ্ট করতে নিউজিল্যান্ডের নতুন ‘গোল্ডেন ভিসা’ কর্মসূচি বা অ্যাক্টিভ ইনভেস্টর প্লাস (AIP) ভিসা ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। চালুর মাত্র এক বছরের মধ্যেই এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটিতে প্রায় ২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (নিউজিল্যান্ডের মুদ্রায় প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। বুধবার নিউজিল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের অভিবাসন মন্ত্রী এরিকা স্ট্যানফোর্ড জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ১.৪৯ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও ২.৪১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে। গত বছর ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬০৯টি আবেদন জমা পড়েছে, যার আওতায় ১৯৮৮ জন ব্যক্তি নিউজিল্যান্ডে বসবাসের সুযোগ খুঁজছেন। কীভাবে কাজ করে এই গোল্ডেন ভিসা? ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের জন্য দুটি প্রধান বিভাগ রাখা হয়েছে: ১. গ্রোথ (Growth) ক্যাটাগরি: এতে সর্বনিম্ন ৫ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ করতে হয়। এই বিনিয়োগটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ তবে দেশের উৎপাদনশীল খাতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ২. ব্যালেন্সড (Balanced) ক্যাটাগরি: এতে বিনিয়োগের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১০ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার। এটি তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ যেমন বন্ড বা শেয়ার বাজারে করা যায়। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এই ভিসার জন্য কোনো ইংরেজি ভাষার দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয় না। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের সশরীরে নিউজিল্যান্ডে থাকার সময়সীমাও আগের চেয়ে অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে। পরিবারসহ (স্বামী/স্ত্রী এবং ২৪ বছরের কম বয়সী সন্তান) স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ থাকায় ধনী বিনিয়োগকারীদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন আসছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন থেকে। এর বাইরে জার্মানি, হংকং, তাইওয়ান এবং সিঙ্গাপুরের নাগরিকরাও তালিকায় রয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়া থেকে ভারতের মাত্র ২ জন বিনিয়োগকারী এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন।

ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে নোবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী নিখোঁজ, চার দিনেও মেলেনি সন্ধান

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ হয়েছেন। গত চার দিন ধরে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে পরিবার ও সহপাঠীদের মধ্যে। জানা গেছে, তিনি বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা-এ স্নাতকোত্তর (এমএসসি) পর্যায়ে অধ্যয়নরত ছিলেন। সহপাঠী ও বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে এক সহপাঠীর সঙ্গে ক্যাম্পাসের বাইরে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তার এবং সঙ্গে থাকা সহপাঠীর মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে। নিখোঁজের পরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ও স্টেট পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সর্বশেষ তার অবস্থান ক্যাম্পাসের ভেতরে পাওয়া গেলেও এরপর আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে বিষয়টি মায়ামিতে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলকে জানানো হয়েছে। কনস্যুলেট সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজন হলে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-কেও তদন্তে সম্পৃক্ত করা হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আশপাশের হাসপাতাল, বিমানবন্দর ও আটক কেন্দ্রগুলোতেও খোঁজ নিয়েছে, তবে এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবার জানায়, গত বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সঙ্গে তাদের সর্বশেষ কথা হয়। এরপর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। তারা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে এবং সহযোগিতা চেয়েছে। এ ঘটনায় সহপাঠী, বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং বৃষ্টির নিরাপদ ফিরে আসার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। একই সঙ্গে কেউ তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
প্রথম দিনেই কেন অনুপস্থিত ২৫ হাজার পরীক্ষার্থী?

সারাদেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) পরীক্ষার প্রথম দিনেই অনুপস্থিতির এক বিশাল পরিসংখ্যান সামনে এনেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে দেশের ৩ হাজার ৮৭৫টি কেন্দ্রে মোট ২৫ হাজার ৪০৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি। এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৬ জন শিক্ষার্থীকে।   কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত নথিতে জানানো হয়, এবার ১৫ লাখ ৯ হাজার ৬ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও উপস্থিত ছিল ১৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫৯৮ জন। সাধারণ ৯টি বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯০ জন হলেও মাদ্রাসা বোর্ডে এই হার উদ্বেগজনক; সেখানে কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ১১ হাজার ২১১ জন শিক্ষার্থী।   কারিগরি বোর্ডেও ২ হাজার ৩০৭ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল এবং সেখানে একজন কক্ষ পরিদর্শককে দায়িত্ব অবহেলার কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে। বড় অংকের এই অনুপস্থিতির নেপথ্যে কোনো নির্দিষ্ট কারণ আছে কি না, তা নিয়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম দিনের এই চিত্র কি সামনের পরীক্ষাগুলোতেও বজায় থাকবে?

পারমাণবিক বোম
শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চীনের পারমাণবিক ভাণ্ডারের নজিরবিহীন বিস্তার

শি জিনপিংয়ের দূরদর্শী সামরিক কৌশলের অধীনে চীন তাদের পারমাণবিক সক্ষমতাকে এক অভাবনীয় উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে, যা বর্তমান বিশ্ব নিরাপত্তার সমীকরণকে আমূল বদলে দিচ্ছে। পেন্টাগনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে চীনের কাছে যেখানে প্রায় ৩০০টি কার্যকর পারমাণবিক ওয়ারহেড ছিল, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে সেই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে অন্তত ৬০০-তে পৌঁছেছে। এই দ্রুতগতির বিস্তার প্রমাণ করে যে, বেইজিং কেবল তার আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে চায় না, বরং ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি নাগাদ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সমকক্ষ একটি বৈশ্বিক পারমাণবিক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে চায়। ধারণা করা হচ্ছে, চীনের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের ওয়ারহেড সংখ্যা ১,৫০০-এ পৌঁছাতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে এক নতুন এবং বিপজ্জনক অস্ত্র প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।   চীনের এই পারমাণবিক আধুনিকীকরণের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো তাদের প্রযুক্তির বহুমুখিতা এবং গোপনীয়তা। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় মরুভূমিগুলোতে শত শত নতুন ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) সাইলো বা ভূগর্ভস্থ নিক্ষেপণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে, যেখান থেকে অত্যাধুনিক ডিএফ-৪১ (DF-41) ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া সম্ভব।   একইসাথে চীন তাদের 'নিউক্লিয়ার ট্রায়াড' বা তিন স্তরীয় পারমাণবিক আক্রমণ ব্যবস্থা (স্থল, আকাশ ও সমুদ্র) সম্পূর্ণ করতে অত্যন্ত সক্রিয়। তারা যেমন সমুদ্রের তলদেশ থেকে পারমাণবিক হামলার জন্য অত্যাধুনিক সাবমেরিন তৈরি করছে, তেমনি আকাশে তাদের দূরপাল্লার বোমারু বিমানের বহরকেও ঢেলে সাজাচ্ছে। যদিও চীন দাবি করে আসছে যে তাদের এই পরমাণু নীতি কেবল "ন্যূনতম প্রতিরোধ"গড়ার জন্য এবং তারা কখনোই প্রথমে পারমাণবিক হামলা করবে না, তবুও তাদের ভাণ্ডারের এই বিশাল আকার ও আধুনিকায়ন আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ করে ওয়াশিংটনে চরম অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে। বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির এই সন্ধিক্ষণে চীনের এই পারমাণবিক উত্থান আগামী দিনে ক্ষমতার ভারসাম্যকে সম্পূর্ণ নতুন এক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিবে |

ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে মিরসরাই অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষবরণ ও ঈদ পুনর্মিলনী, নতুন কমিটির অভিষেক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন, ঈদ পুনর্মিলনী এবং নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে মিরসরাই অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএ এনএ ইনক।   গত ১৮ এপ্রিল জ্যামাইকার ইকরা পার্টি হলে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রবাসী মিরসরাইবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বুদ্ধিজীবী, নারী-পুরুষ, শিশু থেকে বয়স্ক- সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।   অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির অভিষেকের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে প্রবাসে বসবাসরত মিরসরাইবাসীদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।   বর্ণিল এই আয়োজনে দেশীয় ও আঞ্চলিক গানের পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়, যা প্রবাসী দর্শকদের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতির আবহ তৈরি করে। শিশুদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।   এ ছাড়া দেশীয় স্বাদের নানা ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজন ছিল অনুষ্ঠানে। মাছ-মাংসসহ বিভিন্ন পদ প্রবাসীদের কাছে দেশের স্বাদ ফিরিয়ে আনে।   সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বৈশাখী আড্ডার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের পাশাপাশি ঈদ পুনর্মিলনীর মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি আবু তাহের মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম উপস্থিত থেকে নববর্ষ ও ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং নতুন কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানান। এছাড়া আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সদস্য সচিব জিএম মোর্শেদ, যুগ্ম সদস্য সচিব শাওন ও হায়দার টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক মঈনউদ্দিন খোন্দকার ও সাজেদা বেগম সাজুসহ বিভিন্ন সংগঠন ও কমিউনিটি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।   আয়োজকরা জানান, প্রবাসে মিরসরাইবাসীদের ঐক্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
বিনিয়োগ করলেই স্থায়ী বসবাসের সুযোগ, নিউজিল্যান্ডের ‘গোল্ডেন ভিসা’ নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0

ধনী অভিবাসীদের আকৃষ্ট করতে নিউজিল্যান্ডের নতুন ‘গোল্ডেন ভিসা’ কর্মসূচি বা অ্যাক্টিভ ইনভেস্টর প্লাস (AIP) ভিসা ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। চালুর মাত্র এক বছরের মধ্যেই এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটিতে প্রায় ২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (নিউজিল্যান্ডের মুদ্রায় প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। বুধবার নিউজিল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের অভিবাসন মন্ত্রী এরিকা স্ট্যানফোর্ড জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ১.৪৯ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও ২.৪১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে। গত বছর ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬০৯টি আবেদন জমা পড়েছে, যার আওতায় ১৯৮৮ জন ব্যক্তি নিউজিল্যান্ডে বসবাসের সুযোগ খুঁজছেন। কীভাবে কাজ করে এই গোল্ডেন ভিসা? ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের জন্য দুটি প্রধান বিভাগ রাখা হয়েছে: ১. গ্রোথ (Growth) ক্যাটাগরি: এতে সর্বনিম্ন ৫ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ করতে হয়। এই বিনিয়োগটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ তবে দেশের উৎপাদনশীল খাতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ২. ব্যালেন্সড (Balanced) ক্যাটাগরি: এতে বিনিয়োগের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১০ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার। এটি তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ যেমন বন্ড বা শেয়ার বাজারে করা যায়। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এই ভিসার জন্য কোনো ইংরেজি ভাষার দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয় না। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের সশরীরে নিউজিল্যান্ডে থাকার সময়সীমাও আগের চেয়ে অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে। পরিবারসহ (স্বামী/স্ত্রী এবং ২৪ বছরের কম বয়সী সন্তান) স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ থাকায় ধনী বিনিয়োগকারীদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন আসছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন থেকে। এর বাইরে জার্মানি, হংকং, তাইওয়ান এবং সিঙ্গাপুরের নাগরিকরাও তালিকায় রয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়া থেকে ভারতের মাত্র ২ জন বিনিয়োগকারী এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন।

মহোজের ১০ ড্রোন
যেভাবে ড্রোনের মাধ্যমে যুদ্ধের সমীকরণ বদলে দিল ইরান
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এখন আতঙ্কের আরেক নাম ‘ইরানি ড্রোন’। কয়েক দশক ধরে কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা একটি দেশ কীভাবে ড্রোন প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষ শক্তিগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে, তা এখন সামরিক বিশেষজ্ঞদের কাছে এক বিস্ময়। ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি—সবখানেই এখন ইরানের তৈরি ড্রোনের জয়জয়কার। খেলনা থেকে মারণাস্ত্র: এক সংগ্রামের ইতিহাস: ইরানের এই সাফল্যের গল্প শুরু হয়েছিল ১৯৮০-এর দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্য দিয়ে। তৎকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল ইরানের বিমানবাহিনী খুচরা যন্ত্রাংশের অভাবে অকেজো হয়ে পড়েছিল। অস্তিত্ব রক্ষার এই লড়াইয়ে ইসফাহান বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ প্রকৌশলী ও শিক্ষার্থী মিলে প্রথম ড্রোনের পরিকল্পনা করেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, তাদের প্রথম তৈরি ড্রোনটির জ্বালানি ট্যাংক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল মেডিকেল আইভি ব্যাগ (IV Bag), আর পাখা ছিল হাতে তৈরি। যুদ্ধের ব্যাকরণ পরিবর্তন: ইরানি সামরিক কৌশলের মূল ভিত্তি হলো—কম খরচে শত্রুর দামী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কুপোকাত করা। যেখানে একটি অত্যাধুনিক ক্রুজ মিসাইলের দাম ২০ লাখ ডলার, সেখানে একটি ইরানি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ২০ হাজার ডলার। কিন্তু যখন ঝাঁকে ঝাঁকে ১০০টি ড্রোন পাঠানো হয়, তখন সেগুলোকে ধ্বংস করতে প্রতিপক্ষকে ব্যয় করতে হয় কয়েকশ কোটি ডলার। এই অর্থনৈতিক ও মানসিক চাপই ইরানকে ড্রোন যুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে। বৈশ্বিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ: ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হাতে ইরানি ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোনের উপস্থিতি বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দেয়। ২০১৯ সালে সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনায় হামলা ড্রোনের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে, যেখানে অত্যাধুনিক মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ব্যর্থ হয়েছিল। আজ ইরান এমন সব ড্রোন তৈরি করছে যা হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। দীর্ঘ চার দশকের ধৈর্য আর উদ্ভাবনী চিন্তার ফসল হিসেবে ইরান আজ ড্রোন প্রযুক্তিতে এক নতুন বিশ্বব্যবস্থা তৈরি করেছে।

ফাইল ছবি
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প: বোমাবর্ষণ পুনরায় শুরু করার হুমকি দিলেও শেষ পযর্ন্ত কেন পিছিয়ে এলেন
ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0

বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে। একদিকে ইরান দাবি করছে যে তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে, অন্যদিকেযুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে কঠোর অবরোধ দিয়ে রেখেছে।   উভয় পক্ষই একে অপরকে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জন্য দায়ী করছে, ফলে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। কূটনৈতিক অঙ্গনেও বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেন যে ইরান সব শর্তে সম্মত হয়েছে, তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, তারা তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে হস্তান্তর করবে না।   এছাড়া জেডি ভ্যান্স ও জ্যারেড কুশনারের মতো শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের ইসলামাবাদে পাঠানো নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য আসায় পরিস্থিতি আরও অস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।   ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযানের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন সপ্তম সপ্তাহে গড়িয়েছে। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, এই অভিযান চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে।   কিন্তু আধুনিক ড্রোন যুদ্ধ ও দ্রুত পরিবর্তনশীল কৌশলের কারণে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। এদিকে কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।   তবে এখনো কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। এই অবস্থায় ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে একটি নতুন প্রস্তাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় দিচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।   সাম্প্রতিক ঘোষণায় ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়েছে এবং চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।   তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, পাকিস্তানের অনুরোধ এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজন হলে সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার জন্য মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।   ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তন এমন সময় এসেছে যখন তিনি এর আগেই বোমাবর্ষণ পুনরায় শুরু করাকে একটি সম্ভাব্য “কৌশলগত বিকল্প” হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ফলে পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত অস্থিতিশীল এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।  

ছবি: সংগৃহীত
অভিবাসন পথে মৃত্যুমিছিল; এক বছরেই ঝরে গেল প্রায় ৮ হাজার প্রাণ!
ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0

বিশ্বজুড়ে অভিবাসন সংকট কতটা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, তা প্রকাশ পেল জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৫ সালে উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমানো অন্তত ৭ হাজার ৯০০ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাঁদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।   আইওএম-এর ‘মিসিং মাইগ্র্যান্টস প্রজেক্ট’-এর তথ্যমতে, ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অভিবাসন পথে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। তবে সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই সংখ্যাটি কেবল নথিভুক্ত ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। দুর্গম পথ এবং সমুদ্রে সলিল সমাধির অনেক ঘটনাই অগোচরে থেকে যায় বলে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি এই মৃত্যুমিছিল রোধে বিশ্বনেতাদের আরও কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। জীবন বাঁচাতে মরিয়া এই মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সামনের দিনগুলোতে বৈশ্বিক অভিবাসন পরিস্থিতি আরও বড় মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Follow us

Trending

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

এপ্রিল ৩, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
280 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
282 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
201 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
Advertisement
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়