Live update news
ঝিনাইদহে ফেসবুক পোস্টের জেরে কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় আবুল কাশেম নামের এক কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার কুল্লাগাছা-ভাতুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।   নিহত আবুল কাশেম কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত আবদুল লতিফের ছেলে।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বুধবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সন্ধ্যায় একটি চায়ের দোকানে সেই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।   একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আবুল কাশেম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাহ হোসেন জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এলাকায় নতুন করে সহিংসতা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

১ মিনিট Ago
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, তখন সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে।  মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, বর্তমানে এই অঞ্চলে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। ওয়াশিংটন মুখে যুদ্ধবিরতি ও শান্তির প্রস্তাব দিলেও বাস্তবে তাদের কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সেন্টকম-এর তথ্যমতে, কেবল সেনাসদস্যই নয়, এই অঞ্চলে বর্তমানে অন্তত ২০০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং দুটি বিশালাকার বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করছে। সামরিক শক্তির এই বহর আরও বাড়াতে নতুন করে মোতায়েন করা হচ্ছে '৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন'-এর আরও ১ হাজার সেনা। এছাড়া ৫ হাজার মেরিন ও নৌ-সেনা নিয়ে গঠিত দুটি বিশেষ 'মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট' এখন মধ্যপ্রাচ্যের পথে। বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব আর অন্যদিকে রেকর্ড সংখ্যক সেনা মোতায়েন—যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও বাস্তবে যুদ্ধপ্রস্তুতি কি কোনো বড় সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

১১ মিনিট Ago
ইরান যুদ্ধে শান্তির দূত পাকিস্তান! কেন ভারত নেই এই ভূমিকায়?

ইরান, ইসরায়েল এবং আমেরিকার মধ্যকার রণংদেহী পরিস্থিতিতে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। যেখানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অভাবনীয়ভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে পাকিস্তান, সেখানে ভারতের অবস্থান নিয়ে খোদ দেশের অন্দরেই উঠছে নানা প্রশ্ন। বুধবার ভারতের সংসদ ভবনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত সর্বদলীয় বৈঠকে এই অস্বস্তিকর প্রশ্নটিই তুলে ধরেছে বিরোধী শিবির। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়েছেন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শান্তি ফেরাতে আলোচনার সেতুবন্ধন করতে পারলে তাঁরা গর্বিত হবেন। রয়টার্সের সূত্র অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই আমেরিকার ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব তেহরানের হাতে পৌঁছে দিয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে। এই প্রেক্ষাপটেই বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ে ভারত কি ইসলামাবাদের থেকে পিছিয়ে পড়ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর সাফ জানান, ভারত কোনো ‘দালাল রাষ্ট্র’ নয়। বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক আঙিনায় ভারত দালালের (ব্রোকার) কাজ করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, সরকার এই সংকটে মোটেও মৌন নয়, বরং প্রয়োজনীয় সময়ে যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরান জুড়ে শুরু হওয়া আমেরিকা-ইসরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল অগ্নিগর্ভ হয়ে আছে। পাকিস্তান শান্তির দূত হওয়ার চেষ্টা করলেও ইরান অবশ্য ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আপসের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছে। ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ডকে ‘কূটনীতির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অভিহিত করেছে তেহরান।

১৫ মিনিট Ago
ইরানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে হলেও আপত্তি নেই নিউজিল্যান্ডের

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের ‘জি’ গ্রুপে ইরান, বেলজিয়াম, মিসর ও নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গ্রুপের প্রথম ম্যাচে আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড ইরানের মুখোমুখি হবে।   নিউজিল্যান্ডের ফুটবলাররা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ইরানের বিপক্ষে ম্যাচ খেললেও তাদের কোনো আপত্তি নেই। মধ্যপ্রাচ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।   ইরান ফুটবল ফেডারেশন ইতিমধ্যেই ফিফার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ম্যাচ সরানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করার কথা জানিয়েছিল। তবে ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রস্তাব বিবেচনা করবে না বলে জানিয়েছে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদী তাজ স্পষ্ট করে বলেছেন, “আমরা আমেরিকাকে বয়কট করব, কিন্তু বিশ্বকাপকে নয়।”   তুরস্কে অনুশীলন ক্যাম্পের মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে ইরান। দুইটি প্রীতি ম্যাচও তারা খেলবে। নিউজিল্যান্ডের মিডফিল্ডার রায়ান টমাস বলেন, “আমাদের যদি মেক্সিকো বা কানাডায় গিয়ে ইরানের বিপক্ষে খেলতে হয়, আমরা সেখানেই খেলব। এটি আমাদের জন্য বড় কোনো সমস্যা নয়।”   ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। নিউজিল্যান্ডের মূল বেস ক্যাম্প দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো শহরে হবে। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেনবাউম জানিয়েছেন, দেশটি ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। তবে চূড়ান্ত ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ফিফার ওপর নির্ভর করছে।   তথ্যসূত্র: রয়টার্স

১৯ মিনিট Ago
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব
ইরান যুদ্ধে শান্তির দূত পাকিস্তান! কেন ভারত নেই এই ভূমিকায়?

ইরান, ইসরায়েল এবং আমেরিকার মধ্যকার রণংদেহী পরিস্থিতিতে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। যেখানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অভাবনীয়ভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে পাকিস্তান, সেখানে ভারতের অবস্থান নিয়ে খোদ দেশের অন্দরেই উঠছে নানা প্রশ্ন। বুধবার ভারতের সংসদ ভবনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত সর্বদলীয় বৈঠকে এই অস্বস্তিকর প্রশ্নটিই তুলে ধরেছে বিরোধী শিবির। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়েছেন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শান্তি ফেরাতে আলোচনার সেতুবন্ধন করতে পারলে তাঁরা গর্বিত হবেন। রয়টার্সের সূত্র অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই আমেরিকার ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব তেহরানের হাতে পৌঁছে দিয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে। এই প্রেক্ষাপটেই বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ে ভারত কি ইসলামাবাদের থেকে পিছিয়ে পড়ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর সাফ জানান, ভারত কোনো ‘দালাল রাষ্ট্র’ নয়। বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক আঙিনায় ভারত দালালের (ব্রোকার) কাজ করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, সরকার এই সংকটে মোটেও মৌন নয়, বরং প্রয়োজনীয় সময়ে যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরান জুড়ে শুরু হওয়া আমেরিকা-ইসরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল অগ্নিগর্ভ হয়ে আছে। পাকিস্তান শান্তির দূত হওয়ার চেষ্টা করলেও ইরান অবশ্য ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আপসের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছে। ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ডকে ‘কূটনীতির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অভিহিত করেছে তেহরান।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে হলেও আপত্তি নেই নিউজিল্যান্ডের

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের ‘জি’ গ্রুপে ইরান, বেলজিয়াম, মিসর ও নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গ্রুপের প্রথম ম্যাচে আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড ইরানের মুখোমুখি হবে।   নিউজিল্যান্ডের ফুটবলাররা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ইরানের বিপক্ষে ম্যাচ খেললেও তাদের কোনো আপত্তি নেই। মধ্যপ্রাচ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।   ইরান ফুটবল ফেডারেশন ইতিমধ্যেই ফিফার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ম্যাচ সরানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করার কথা জানিয়েছিল। তবে ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রস্তাব বিবেচনা করবে না বলে জানিয়েছে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদী তাজ স্পষ্ট করে বলেছেন, “আমরা আমেরিকাকে বয়কট করব, কিন্তু বিশ্বকাপকে নয়।”   তুরস্কে অনুশীলন ক্যাম্পের মাধ্যমে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে ইরান। দুইটি প্রীতি ম্যাচও তারা খেলবে। নিউজিল্যান্ডের মিডফিল্ডার রায়ান টমাস বলেন, “আমাদের যদি মেক্সিকো বা কানাডায় গিয়ে ইরানের বিপক্ষে খেলতে হয়, আমরা সেখানেই খেলব। এটি আমাদের জন্য বড় কোনো সমস্যা নয়।”   ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। নিউজিল্যান্ডের মূল বেস ক্যাম্প দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো শহরে হবে। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেনবাউম জানিয়েছেন, দেশটি ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। তবে চূড়ান্ত ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ফিফার ওপর নির্ভর করছে।   তথ্যসূত্র: রয়টার্স

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, তখন সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে।  মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, বর্তমানে এই অঞ্চলে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। ওয়াশিংটন মুখে যুদ্ধবিরতি ও শান্তির প্রস্তাব দিলেও বাস্তবে তাদের কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সেন্টকম-এর তথ্যমতে, কেবল সেনাসদস্যই নয়, এই অঞ্চলে বর্তমানে অন্তত ২০০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং দুটি বিশালাকার বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করছে। সামরিক শক্তির এই বহর আরও বাড়াতে নতুন করে মোতায়েন করা হচ্ছে '৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন'-এর আরও ১ হাজার সেনা। এছাড়া ৫ হাজার মেরিন ও নৌ-সেনা নিয়ে গঠিত দুটি বিশেষ 'মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট' এখন মধ্যপ্রাচ্যের পথে। বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব আর অন্যদিকে রেকর্ড সংখ্যক সেনা মোতায়েন—যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও বাস্তবে যুদ্ধপ্রস্তুতি কি কোনো বড় সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারে ছুরিকাঘাতে ছাত্রদল নেতা খোরশেদ নিহত

Cox's Bazar শহরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খোরশেদ আলম নামে এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ১০টার দিকে সমুদ্র সৈকতের কবিতাচত্বর পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খোরশেদ আলম শহরের পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয়ভাবে ছাত্রদলের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।   প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই জেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।   এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তারিন নামের এক তরুণীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহে ফেসবুক পোস্টের জেরে কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় আবুল কাশেম নামের এক কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার কুল্লাগাছা-ভাতুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।   নিহত আবুল কাশেম কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত আবদুল লতিফের ছেলে।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বুধবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সন্ধ্যায় একটি চায়ের দোকানে সেই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।   একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আবুল কাশেম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাহ হোসেন জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এলাকায় নতুন করে সহিংসতা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দলের আমির শফিকুর রহমান। জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা। ২৫ মার্চ। ছবি: সংগৃহীত
জামায়াত আমির শফিকুর রহমান: গোশত মানেন, ঝোল খাইতে রাজি না

জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি সরকারের কাছে সংবিধানের অংশ মানা হচ্ছে, আবার অংশ উপেক্ষিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, একই দিনে দুই ভোট হলেও আচরণ ভিন্ন। আপনি গোশত খাচ্ছেন, ঝোলটা হারাম বলছেন। জনগণ এত বোকা নয়, তারা সব বুঝে।   ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় শফিকুর রহমান বলেন, পরিবর্তিত বাংলাদেশে শাসক বদলালেও শোষণ থেমে যায়নি। আমরা চাই, দেশ গণতান্ত্রিক ট্রেনের মতো চলুক। তবে প্রশাসনিক পদে রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে লোক বসানো হচ্ছে, যা সংবিধানবিরোধী। আমরা তা মেনে নিই না।   বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা বলছেন সংবিধান মেনে চলব, কিন্তু ভোটের অধিকার জনগণের, আপনার নয়। যদি ভোটকে অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করা হয়, দেশের মানুষ তার প্রতিকার নিতে প্রস্তুত।   একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও সামরিক বাহিনী জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে দমাতে চেয়েছিল। তারা খুন, লুণ্ঠন ও ধ্বংস চালালেও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা নিঃশেষ হয়নি। দেশের পতাকা ও মানচিত্রের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু নেতৃত্বের ব্যর্থতা, লোভ ও দুর্নীতি তা ব্যাহত করেছে।   দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শুধু টাকা হাতানোর জন্যই নয়, মানুষের অধিকার হরণ, অযোগ্যদের যোগ্য স্থানে বসানো এবং যোগ্যদের অবমাননা সবচেয়ে বড় দুর্নীতি। যতক্ষণ এটি সমাজ থেকে চলে যাবে না, স্বাধীনতার সুফল ভোগ সম্ভব নয়।   আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আবদুস সবুর ফকির। সঞ্চালক ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ। প্রধান অতিথি ছিলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। সভা শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। এরপর মহানগর শিল্পীগোষ্ঠীর পরিবেশনায় দেশাত্মবোধক গান “এই দেশ আমার বাংলাদেশ” পরিবেশন করা হয়।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা
নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, তখন সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে।  মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, বর্তমানে এই অঞ্চলে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। ওয়াশিংটন মুখে যুদ্ধবিরতি ও শান্তির প্রস্তাব দিলেও বাস্তবে তাদের কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সেন্টকম-এর তথ্যমতে, কেবল সেনাসদস্যই নয়, এই অঞ্চলে বর্তমানে অন্তত ২০০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং দুটি বিশালাকার বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করছে। সামরিক শক্তির এই বহর আরও বাড়াতে নতুন করে মোতায়েন করা হচ্ছে '৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন'-এর আরও ১ হাজার সেনা। এছাড়া ৫ হাজার মেরিন ও নৌ-সেনা নিয়ে গঠিত দুটি বিশেষ 'মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট' এখন মধ্যপ্রাচ্যের পথে। বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব আর অন্যদিকে রেকর্ড সংখ্যক সেনা মোতায়েন—যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও বাস্তবে যুদ্ধপ্রস্তুতি কি কোনো বড় সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধে শান্তির দূত পাকিস্তান! কেন ভারত নেই এই ভূমিকায়?
নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

ইরান, ইসরায়েল এবং আমেরিকার মধ্যকার রণংদেহী পরিস্থিতিতে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। যেখানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অভাবনীয়ভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে পাকিস্তান, সেখানে ভারতের অবস্থান নিয়ে খোদ দেশের অন্দরেই উঠছে নানা প্রশ্ন। বুধবার ভারতের সংসদ ভবনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত সর্বদলীয় বৈঠকে এই অস্বস্তিকর প্রশ্নটিই তুলে ধরেছে বিরোধী শিবির। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়েছেন, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শান্তি ফেরাতে আলোচনার সেতুবন্ধন করতে পারলে তাঁরা গর্বিত হবেন। রয়টার্সের সূত্র অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই আমেরিকার ১৫ দফার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব তেহরানের হাতে পৌঁছে দিয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে। এই প্রেক্ষাপটেই বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ে ভারত কি ইসলামাবাদের থেকে পিছিয়ে পড়ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর সাফ জানান, ভারত কোনো ‘দালাল রাষ্ট্র’ নয়। বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক আঙিনায় ভারত দালালের (ব্রোকার) কাজ করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, সরকার এই সংকটে মোটেও মৌন নয়, বরং প্রয়োজনীয় সময়ে যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরান জুড়ে শুরু হওয়া আমেরিকা-ইসরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল অগ্নিগর্ভ হয়ে আছে। পাকিস্তান শান্তির দূত হওয়ার চেষ্টা করলেও ইরান অবশ্য ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আপসের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছে। ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ডকে ‘কূটনীতির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অভিহিত করেছে তেহরান।

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজের পর এবার বাবেল মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুমকি ইরানের: বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের দ্বীপ বা ভূখণ্ডে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ইরান বাবেল মান্দেব প্রণালিসহ কয়েকটি কৌশলগত ফ্রন্ট খোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরানের একটি সামরিক সূত্র বুধবার এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।   লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্তকারী বাবেল মান্দেব প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের ক্ষেত্রে এটি একটি প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট।   ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম উদ্ধৃত করেছে, “শত্রু যদি ইরানের দ্বীপ বা ভূখণ্ডে স্থল অভিযান চালায়, অথবা পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে নৌ-তৎপরতার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করতে চায়, তবে আমরা ‘বিস্ময়’ হিসেবে অন্যান্য ফ্রন্ট খুলতে পারি।”   ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, উত্তেজনা বাড়লে বাবেল মান্দেব প্রণালি এলাকায় ইরান যথেষ্ট হুমকি ও সক্ষমতা প্রদর্শন করতে পারবে। সূত্রটি সতর্ক করেছে, “আমেরিকানরা যদি হরমুজ প্রণালি নিয়ে বেপরোয়া পদক্ষেপ নিতে চায়, তবে তাদের সতর্ক থাকা উচিত, যাতে নতুন কোনো প্রণালি তাদের চ্যালেঞ্জ তালিকায় যুক্ত না হয়।”   বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর সমুদ্রপথে মোট তেলের প্রায় ১২ শতাংশ এবং এলএনজি পরিবহনের বড় অংশ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করে। হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।   তথ্যসূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন। ফাইল ছবি: এএফপি
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শেষের পথে: হাউস স্পিকার মাইক জনসন
নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এখন “শেষের পথে” বলে মন্তব্য করেছেন মাইক জনসন। বুধবার মার্কিন গণমাধ্যমকে হাউস স্পিকার বলেন, আমি মনে করি আমরা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ গুটিয়ে আনছি। এটি দ্রুত শেষ হবে এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলছে।   মাইক জনসনের এই মন্তব্য এসেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর এক বক্তব্যের পর। ট্রাম্প বলেছেন, তার প্রশাসন ইরানের ‘সঠিক ব্যক্তিদের’ সঙ্গে সংলাপ চালাচ্ছে, যারা চুক্তি করতে আগ্রহী। অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবকে ‘বাড়াবাড়ি’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই অবস্থার মধ্যে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ প্রতিরোধ ও কূটনৈতিক সমাধান নিয়েই মূলত আলোচনা তীব্র হয়েছে।   তথ্যসূত্র: বিবিসি

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
214 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
226 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
153 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
আইন-আদালত
Advertisement
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়