Live update news
ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক ও ব্যক্তিগত ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী প্রচলন থেকে সরে এসে নতুন ধারা অনুসরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণের সময় তিনি দলীয় প্রতীক বা ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করেননি, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–এর সময় জাতির উদ্দেশে ভাষণের পেছনে সাধারণত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান–এর ছবি এবং টেবিলের সামনে রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর প্রতীক নৌকা রাখা হতো।   তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণের দৃশ্যপটে ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেওয়া ভাষণের সময় পেছনে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর কোনো ছবি ছিল না।   ভাষণের ব্যাকগ্রাউন্ডে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক শাপলা সংবলিত প্রধানমন্ত্রীর লোগো এবং তার ওপর আরবি বাক্য লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ—ইসলামের মৌলিক কালেমা—স্থান পেয়েছে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় প্রতীক বা ব্যক্তিগত ছবি পরিহার করার এই উদ্যোগ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার বার্তা বহন করে। তবে সরকার এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।   পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এ ধরনের দৃশ্যায়ন ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় ভাষণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন ধারা তৈরি করতে পারে।

৪৭ মিনিট Ago
নড়িয়া উপজেলা-এ শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

নড়িয়া উপজেলা–এর চাকধ বাজারে অবস্থিত শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে এসে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা। এর মধ্যে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নড়িয়া–ঘড়িসার সড়কের চাকধ বাজারে অবস্থিত কার্যালয়টি ঘটনার সময় বন্ধ ছিল। বাজারের আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও তারাবিহ নামাজের সময় বন্ধ ছিল। এ সুযোগে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয় এবং অপরটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় সড়কে পড়ে থাকে।   বিস্ফোরণের পর বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময়ের জন্য সড়কে যানবাহন চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে রাত প্রায় ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ আলামত সংগ্রহ করে।   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর নড়িয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক রয়েল মাঝি বলেন, কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। ঘটনার সময় কার্যালয়টি বন্ধ ছিল। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে বের করার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।   নড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত দত্ত বলেন, মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরিত ও অবিস্ফোরিত ককটেলের আলামত জব্দ করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।   পুলিশ জানায়, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

৫৮ মিনিট Ago
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ — সভাপতিত্ব কে করবেন

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ–এর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আগামী ১২ মার্চ। নতুন সংসদের এই অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে অধিবেশনের শুরুতে কে সভাপতিত্ব করবেন, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।   নির্বাচন–পরবর্তী নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত বিদায়ী স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় এবং প্রথমেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু এবার বিদায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতি নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।   গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এরপর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান এ এম এম নাসির উদ্দীন।   এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্বের বিষয়টি এখনো আলোচনা হয়নি। আগামী কার্যক্রম সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।   সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, কোনো সদস্য অধিবেশনের অন্তত এক ঘণ্টা আগে অন্য কোনো সদস্যকে স্পিকার পদে নির্বাচনের জন্য সংসদ সচিবের কাছে লিখিত প্রস্তাব দিতে পারেন। প্রস্তাবটি তৃতীয় কোনো সদস্যের সমর্থনসহ জমা দিতে হয়। প্রস্তাবিত ব্যক্তি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নিতে সম্মত—এমন ঘোষণাও সংযুক্ত থাকতে হবে।   তবে কেউ নিজের নাম প্রস্তাব বা সমর্থন করতে পারবেন না এবং নিজের নির্বাচনের সময় সভাপতিত্বও করতে পারবেন না।   দ্বাদশ সংসদের স্পিকার ছিলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেন এবং এরপর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বিদায়ী ডেপুটি স্পিকার বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে।   সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করতে হবে। কোনো পদ শূন্য হলে সাত দিনের মধ্যে অথবা সংসদ বৈঠকরত না থাকলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তা পূরণ করতে হবে।   সংসদ গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির মনোনীত (প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে) কোনো ব্যক্তি স্পিকার নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করতে পারেন।   সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার কিংবা সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের অনুপস্থিতিতে সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে প্রস্তাবের মাধ্যমে একজনকে সভাপতিত্বের জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।   এবারের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি কারো নাম মনোনীত করবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংবিধান ও সংসদের বিধি অনুসরণ করেই প্রথম অধিবেশন পরিচালনা করা হবে।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ১২ মার্চের অধিবেশনের দিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

১ ঘন্টা Ago
লেভান্তেকে উড়িয়ে লা লিগার শীর্ষে ফিরল বার্সেলোনা

লা লিগায় দাপুটে জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে কাতালান ক্লাব FC Barcelona। লেভান্তের বিপক্ষে ৩–০ গোলের অনবদ্য জয়ে দীর্ঘ প্রতিদ্বন্দ্বী Real Madrid CF–কে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা।   ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বার্সা। মাত্র ৫ মিনিটে দলের হয়ে গোলের খাতা খোলেন বার্নাল। দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এরপর ৩২ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর অ্যাসিস্টে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফ্রেংকি ডি ইয়ং।   প্রথমার্ধে ২–০ গোলের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। ম্যাচে বার্সেলোনার আক্রমণভাগ ছিল বেশ সংগঠিত। বিশেষ করে কানসেলো ও রবার্ট লেভানডোভস্কির সমন্বিত আক্রমণ প্রতিপক্ষ রক্ষণকে বারবার চাপে ফেলে।   দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ধরে রাখে বার্সেলোনা। ৮০ মিনিটে দূরপাল্লার শটে আরও একটি গোল করেন ফারমিন লোপেজ, যা নিশ্চিত করে দলের বড় জয়।   চোট কাটিয়ে দলে ফেরেন পেদ্রি, যিনি বদলি হিসেবে কিছু সময় মাঠে খেলেন। পাশাপাশি শুরুর একাদশে জায়গা ফিরে পান রাফিনিয়া। সবমিলিয়ে টিমের ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্সেই গুরুত্বপূর্ণ এই জয় পায় কাতালান জায়ান্টরা।   এই জয়ের ফলে লা লিগা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করে বার্সেলোনা, যা দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

১ ঘন্টা Ago
হাসিনার ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক বা কারও ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
ট্র্যাডিশন ভেঙে দলীয় প্রতীক ও ব্যক্তিগত ছবি ছাড়াই ভাষণ দিলেন তারেক রহমান

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী প্রচলন থেকে সরে এসে নতুন ধারা অনুসরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণের সময় তিনি দলীয় প্রতীক বা ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করেননি, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–এর সময় জাতির উদ্দেশে ভাষণের পেছনে সাধারণত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান–এর ছবি এবং টেবিলের সামনে রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর প্রতীক নৌকা রাখা হতো।   তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণের দৃশ্যপটে ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেওয়া ভাষণের সময় পেছনে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর কোনো ছবি ছিল না।   ভাষণের ব্যাকগ্রাউন্ডে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক শাপলা সংবলিত প্রধানমন্ত্রীর লোগো এবং তার ওপর আরবি বাক্য লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ—ইসলামের মৌলিক কালেমা—স্থান পেয়েছে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় প্রতীক বা ব্যক্তিগত ছবি পরিহার করার এই উদ্যোগ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার বার্তা বহন করে। তবে সরকার এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।   পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এ ধরনের দৃশ্যায়ন ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় ভাষণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নতুন ধারা তৈরি করতে পারে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও আলি লারিজানি।
ইরানে ক্ষমতার পটপরিবর্তন, পেজেশকিয়ানের বদলে কে হলেন খামেনির উত্তরসূরি?

ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী এবং ঝানু রাজনীতিক আলি লারিজানিকে কার্যত দেশের ‘ডি-ফ্যাক্টো’ বা ছায়া নেতা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্রমবর্ধমান সামরিক হামলার হুমকি এবং খামেনিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করার আশঙ্কার মধ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অনেকাংশেই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে ছিটকে পড়েছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, গত জানুয়ারি মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ যখন তুঙ্গে ছিল, তখনই লারিজানিকে এই বিশেষ দায়িত্ব দেন খামেনি। মূলত সর্বোচ্চ নেতার অবর্তমানে বা কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে ইসলামিক রিপাবলিকের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং যুদ্ধের সময় রাষ্ট্র পরিচালনার চূড়ান্ত ক্ষমতা লারিজানির হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। খামেনি ইতিমধ্যেই লারিজানি ও একটি বিশেষ ক্ষুদ্র গোষ্ঠীকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তাকে হত্যা করা হলে বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একজন চিকিৎসক এবং সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে তার ক্ষমতা অনেকটা নামমাত্র। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিদ্ধান্ত বা বিদেশি দূতের সাথে আলোচনার ক্ষেত্রেও পেজেশকিয়ানকে এখন লারিজানির সম্মতির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, মার্কিন দূতের এক বার্তার উত্তর দেওয়ার আগে পেজেশকিয়ানকে লারিজানির পরামর্শ নিতে হয়েছিল। আলি লারিজানি ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে রেভল্যুশনারি গার্ডসের সাবেক কমান্ডার, পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার এবং বর্তমানে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। যদিও সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চতর ধর্মীয় যোগ্যতা (আয়াতুল্লাহ পদবী) তার নেই, তবুও বর্তমান সংকটময় মুহূর্তে খামেনি তাকেই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মনে করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লারিজানিকে সামনে আনা মানে হলো ইরান সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লারিজানি বর্তমানে পরমাণু আলোচনা থেকে শুরু করে যুদ্ধের সময়কার আপদকালীন পরিকল্পনা সবই তদারকি করছেন। এর মাধ্যমে খামেনি একটি শক্তিশালী ‘সারভাইভাল প্ল্যান’ বা টিকে থাকার কৌশল তৈরি করছেন যাতে নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি না হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে এলো যখন ইরানের ভেতরে বিক্ষোভ এবং বাইরে পশ্চিমা বিশ্বের সাথে সামরিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

পাট, বস্ত্র, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির
দেশের রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত পাট, বস্ত্র, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।   বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, “ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতি। তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং ও সার্ভিস সেক্টর অত্যন্ত শক্তিশালী। এটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে অর্থনৈতিক সক্ষমতার দিক থেকে ভারতের এক ধরণের প্রাধান্য থাকবেই। তবে আমরা চাই আমাদের রপ্তানি যেন আরও বৃদ্ধি পায় এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে যেন একটি ন্যায্য ভারসাম্য বজায় থাকে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং বাজারে প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারিত হলে বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।   বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারত এখন বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির একটি বড় হাব। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) খাতে তারা প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। আমরা চাই বাণিজ্যের পাশাপাশি ভারত যেন আমাদের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে। গুগলের মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান সেখানে কাজ করছে, সেই প্রযুক্তিগত সুবিধা আমাদের দেশেও নিয়ে আসার সুযোগ তৈরি করতে হবে।”   খন্দকার আবদুল মুক্তাদির মনে করেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক কেবল শক্তিশালীই হবে না, বরং পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এর আগে তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু নেতাদের কাছ থেকে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন এবং নতুন সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা
শুধু রমজান এসেছে বলেই মাথায় টুপি তুলবেন না : আমির হামজা

পবিত্র রমজান মাসের ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি রাজনীতির মাঠেও নতুন বারতা দিলেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি আমির হামজা। তিনি বলেন, "আজকে অনেকের মাথায় টুপি দেখে মনে হচ্ছে তারা ইবাদত করছেন। আমরা চাই এই পবিত্র পরিবেশ যেন বছরের বাকি ১১ মাসও বজায় থাকে। শুধু রমজান এসেছে বলেই মাথায় টুপি তুলবেন না; আপনাদের এই সুন্দর চেহারা, সুরত এবং কর্ম আমরা সারা বছর দেখতে চাই।"   শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণে মুফতি আমির হামজা বলেন, "নির্বাচনে পরিকল্পনা, ইঞ্জিনিয়ারিং বা মেকানিজম যাই থাকুক না কেন, শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। এটি জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।" এ সময় তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, "সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি মহান দায়িত্ব। আপনারা যে তথ্যগুলো জাতির সামনে তুলে ধরেন, সেই কাজটাও যে এক ধরণের ইবাদত—তা আমাদের অনেকেই অনুধাবন করি না।"   তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, "আগামীতে আপনাদের কাছে প্রত্যাশা থাকবে আপনারা স্বচ্ছতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন। কোনো ব্যক্তি বা বিশেষ গোষ্ঠীর দিকে ঝুঁকে না পড়ে ন্যায়কে ন্যায় এবং অন্যায়কে অন্যায় বলার সৎ সাহস প্রদর্শন করবেন।"   কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সূজা উদ্দিন জোয়ার্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যক্ষ (অব.) খন্দকার এ.কে.এম. আলী মুহসিন। শহর জামায়াতের আমির এনামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।   মুফতি আমির হামজার এই বক্তব্য স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকতাকে ‘ইবাদত’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া এবং ধর্মীয় রীতিনীতি সারা বছর পালনের আহ্বান সচেতন মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম
বহুভাষা ও বহুসংস্কৃতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে: নাহিদ ইসলাম

এককেন্দ্রীক ও সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের গণ্ডি পেরিয়ে বহুভাষা এবং বহুসংস্কৃতির এক নতুন ও উদার বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি ভাষা ও সংস্কৃতির এই নতুন রাজনৈতিক এবং সামাজিক দর্শন তুলে ধরেন।   নাহিদ ইসলাম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয় ও সংগ্রামের প্রতীক হলেও দীর্ঘ সময় ধরে একে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের ফ্রেমে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “বাংলা ভাষা কখনো একরৈখিক বা বিচ্ছিন্ন ছিল না; এটি সবসময়ই সমন্বয় ও সংলাপের মাধ্যমে সভ্যতা নির্মাণ করেছে। বৈচিত্র্যকে ধারণ করা এবং বহুত্বকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করাই হলো বাংলার প্রকৃত ঐতিহ্য।”   তিনি আরও দাবি করেন, একটি ভাষা তখনই সমৃদ্ধ হয় যখন সেটি আত্মবিশ্বাসের সাথে অন্য ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে মেলবন্ধনে আবদ্ধ হয়। নাহিদ ইসলামের মতে— আরবি, ফারসি, উর্দু, সংস্কৃত, পালি, ইংরেজির পাশাপাশি চাকমা ও মারমাসহ সকল জনজাতির ভাষা বাংলার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এমনকি চর্যাপদের ঐতিহ্য থেকে শুরু করে সুফি সাহিত্য এবং বর্তমানের আঞ্চলিক ভাষাগুলোও (সিলেটী বা চাঁটগাইয়া) আমাদের অগ্রগতির সমান অংশীদার।   নতুন বাংলাদেশের ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে ৪ দফা করণীয়: নাহিদ ইসলাম সমৃদ্ধ জাতি গঠনে চারটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন: ১. রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার পূর্ণ ও সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করা। ২. প্রতিটি ক্ষুদ্র ও বৃহৎ জনগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষার যথাযথ মর্যাদা সংরক্ষণ করা। ৩. বৈশ্বিক নেতৃত্ব ও জ্ঞান অর্জনের জন্য বিদেশি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া। ৪. ঐতিহাসিক, ধর্মীয় এবং আঞ্চলিক ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চাকে উৎসাহিত করা।   বাংলাদেশ হবে বহুভাষিক ও বহুসাংস্কৃতিক দেশ, যেখানে বৈচিত্র্য, সংলাপ এবং ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিলনই আমাদের জাতির মূল শক্তি হবে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ! তাঁর এই উদার সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   

ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর উনি পরিষ্কার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথেই হাঁটছেন: ফারুকী

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, “অনেক দিন ধরেই শুনে আসছিলাম যে তারেক রহমান নাকি এখন আর জিয়াউর রহমানের ধারায় নেই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দেখলাম, তিনি স্পষ্টভাবেই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করছেন।   শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব মন্তব্য করেন তিনি। পাঠকদের পড়ার সুবিধার্থে ফারুকীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো: বেশ কিছুদিন আগে একজন আমাকে একটা ছবি পাঠায়। ছবিটার অথেনটিসিটি যাচাই করার জন্য একজনকে দেই। ছবিটা ছিল ১৯৫৩ সালে প্রভাত ফেরি শেষে মোনাজাতরত মানুষের। এর মধ্যে আজকে ফাহাম আব্দুস সালামের সৌজন্যে ওই ছবিটা টীকাসহ পাইলাম। আর গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ মিনারে মোনাজাত আদায় করলেন।   অনেক দিন ধরে শুনতেছিলাম, তারেক রহমান এখন আর জিয়াউর রহমানের লাইনে নাই। আমি তো দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর উনি পরিষ্কার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথেই হাঁটছেন।   জিয়াউর রহমানের পথটা কী? সেটা হইলো আমাদের ধর্মীয় পরিচয়-আচার-রীতি না লুকাইয়াই আমরা একটা বহু জাতি-বহু ধর্ম-বহু ভাষার মানুষের রিপাবলিক বানাইতে পারি। যেই রিপাবলিকের মানুষ শহীদ মিনারে ফুল দেয়, চাইলে মোনাজাত পড়তে পারে, আবার গাইতেও পারে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো….’, যেই রিপাবলিক কারো হেজেমনিক পারপাস সার্ভ না কইরা আত্মপরিচয় গইড়া তুলতে পারে, যেই রিপাবলিকের মানুষেরা তার স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়া গৌরব করে এবং স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়োজন হইলে চব্বিশ ঘটাইয়া দিতে পারে।   কিন্তু এখন প্রশ্ন হইলো- কে বা কারা কোন সংকোচে এই মোনাজাতকে আমাদের কালেকটিভ মেমোরি থেকে মুছে দিতে চাইলো? এর পেছনের রাজনীতিটাই বাংলাদেশের অনেকগুলা সাংস্কৃতিক সংকটের একটা।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ার সাবাহ উপকূলে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0

মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের উপকূলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   স্থানীয় সময় রোববার দিবাগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। সাবাহ রাজ্যটি বোর্নিও দ্বীপে অবস্থিত।   যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উপকূলীয় সাবাহ রাজ্যের রাজধানী কোটা কিনাবালু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬১৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার।   প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে কম্পন অনুভূত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও আলি লারিজানি।
ইরানে ক্ষমতার পটপরিবর্তন, পেজেশকিয়ানের বদলে কে হলেন খামেনির উত্তরসূরি?
শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0

ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী এবং ঝানু রাজনীতিক আলি লারিজানিকে কার্যত দেশের ‘ডি-ফ্যাক্টো’ বা ছায়া নেতা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্রমবর্ধমান সামরিক হামলার হুমকি এবং খামেনিকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করার আশঙ্কার মধ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অনেকাংশেই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে ছিটকে পড়েছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, গত জানুয়ারি মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ যখন তুঙ্গে ছিল, তখনই লারিজানিকে এই বিশেষ দায়িত্ব দেন খামেনি। মূলত সর্বোচ্চ নেতার অবর্তমানে বা কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে ইসলামিক রিপাবলিকের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং যুদ্ধের সময় রাষ্ট্র পরিচালনার চূড়ান্ত ক্ষমতা লারিজানির হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে। খামেনি ইতিমধ্যেই লারিজানি ও একটি বিশেষ ক্ষুদ্র গোষ্ঠীকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তাকে হত্যা করা হলে বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একজন চিকিৎসক এবং সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে তার ক্ষমতা অনেকটা নামমাত্র। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিদ্ধান্ত বা বিদেশি দূতের সাথে আলোচনার ক্ষেত্রেও পেজেশকিয়ানকে এখন লারিজানির সম্মতির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, মার্কিন দূতের এক বার্তার উত্তর দেওয়ার আগে পেজেশকিয়ানকে লারিজানির পরামর্শ নিতে হয়েছিল। আলি লারিজানি ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে রেভল্যুশনারি গার্ডসের সাবেক কমান্ডার, পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার এবং বর্তমানে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। যদিও সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চতর ধর্মীয় যোগ্যতা (আয়াতুল্লাহ পদবী) তার নেই, তবুও বর্তমান সংকটময় মুহূর্তে খামেনি তাকেই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মনে করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লারিজানিকে সামনে আনা মানে হলো ইরান সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লারিজানি বর্তমানে পরমাণু আলোচনা থেকে শুরু করে যুদ্ধের সময়কার আপদকালীন পরিকল্পনা সবই তদারকি করছেন। এর মাধ্যমে খামেনি একটি শক্তিশালী ‘সারভাইভাল প্ল্যান’ বা টিকে থাকার কৌশল তৈরি করছেন যাতে নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি না হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে এলো যখন ইরানের ভেতরে বিক্ষোভ এবং বাইরে পশ্চিমা বিশ্বের সাথে সামরিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের হাসপাতাল জাহাজ গ্রিনল্যান্ড প্রত্যাখ্যান
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ডে পাঠানো একটি আধুনিক হাসপাতাল জাহাজ গ্রিনল্যান্ড প্রত্যাখ্যান করেছে। দ্বীপ দেশের প্রধানমন্ত্রী মুত বি. এগেড (Múte B. Egede) রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানান, এ ধরনের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই।   প্রধানমন্ত্রী এগেড বলেন, "গ্রিনল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং বিদেশি ভাসমান হাসপাতালের সহায়তা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবের প্রশংসা করি, কিন্তু আমাদের নিজস্ব স্বাস্থ্য পরিকাঠামো জনগণের চাহিদা পূরণে সক্ষম।"   এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছিল, গ্রিনল্যান্ডের মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তারা একটি ‘বিশাল ও অত্যাধুনিক’ হাসপাতাল জাহাজ পাঠাচ্ছে। ট্রাম্পের দাবি ছিল, গ্রিনল্যান্ডের জনগণ পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না এবং জাহাজটি তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপহার হবে।   কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রস্তাবের পেছনে ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহও কাজ করছে থাকতে পারে। ২০১৯ সালে তিনি গ্রিনল্যান্ড কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, যা ডেনিশ ও স্থানীয় সরকার প্রত্যাখ্যান করেছিল।   গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো স্থানীয় সরকার পরিচালনা করে। ট্রাম্পের পদক্ষেপকে অনেকেই গ্রিনল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব বিস্তার হিসেবে দেখছেন। সরকারের তাৎক্ষণিক ‘না’ ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় কূটনৈতিক ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি | ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের সীমানা বিস্তারের মন্তব্যে ১৪ দেশের তীব্র নিন্দা
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0

ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবির বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তানসহ বিশ্বের ১৪টি দেশ। হাকাবি ইঙ্গিত দেন, ইসরায়েল যদি মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল অংশ দখল করে নেয়, তাতে তার কোনো আপত্তি থাকবে না। রোববার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই নিন্দার কথা জানায়।   গত শুক্রবার ফক্স নিউজের সাবেক সঞ্চালক টাকার কার্লসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকাবি দাবি করেন, ইসরায়েলের সীমানা মূলত বাইবেল দ্বারা নির্ধারিত। পাল্টা প্রশ্নে তিনি বলেন, বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী ইরাকের দজলা নদী থেকে মিশরের নীল নদ পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল দখল করলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে।   এই মন্তব্যের প্রতিবাদে পাকিস্তান, মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, ওমান, তুরস্ক, সৌদি আরব, বাহরাইন, লেবানন, সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যৌথ বিবৃতি দেন। এতে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা, আরব লীগ এবং জিসিসি সংহতি প্রকাশ করে।   যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের চরম লঙ্ঘন এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি। একই সঙ্গে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড বা অন্য কোনো আরব ভূমির ওপর ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌমত্ব নেই বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই অবস্থান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি উদ্যোগের পরিপন্থী এবং এতে শান্তি প্রক্রিয়ার পরিবর্তে উত্তেজনা ও সহিংসতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Follow us

Trending

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
126 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
128 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
93 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
ধর্ম
Advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
সারাদেশ
জাতীয়