Live update news
চার দশক পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে পুনঃপ্রার্থী বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন সরে দাঁড়াল

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচন থেকে ফিলিস্তিন সরে দাঁড়ানোর পর আগামী জুনে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছেন।   বাংলাদেশ প্রায় ৪০ বছর পর এই পদে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে; শেষবার ১৯৮৬ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২৬–২৭ মেয়াদের জন্য এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কক্ষপথে বাংলাদেশ প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল চার বছর আগে। ফিলিস্তিন প্রথমে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেও পরে তা প্রত্যাহার করেছে।   গত বছরের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় বাংলাদেশ নির্বাচনে থাকছে কি না, তা নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক বাংলাদেশের প্রতি আবেদন জানায় যাতে তারা নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ায়। ফিলিস্তিন সরে দাঁড়ানোর পর মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের সঙ্গে সাইপ্রাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়েছে।   জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ বৈশ্বিক কূটনীতিতে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। সভাপতির দায়িত্বে সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং বৈশ্বিক ইস্যুতে নেতৃত্ব দেওয়া অন্তর্ভুক্ত। চার দশক পর এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সক্রিয়তা ও মর্যাদা পুনরায় প্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৩১ মিনিট Ago
ট্রাম্পের বিতর্কিত দাবি: দুই মুসলিম কংগ্রেসওম্যানকে ‘দেশছাড়া’ করার আর্জি

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump দুই মুসলিম কংগ্রেসওম্যান Ilhan Omar ও Rashida Tlaib-কে যুক্তরাষ্ট্র থেকে “দেশছাড়া” করার দাবি জানিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। সাম্প্রতিক স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর তিনি এ মন্তব্য করেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাষণ চলাকালে ওমর ও তালিব প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি বলেন, তাদের “যেখান থেকে এসেছে সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।” তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।   বার্তা সংস্থা Reuters জানায়, ট্রাম্পের বক্তব্যের পরপরই ডেমোক্র্যাট নেতারা এর তীব্র সমালোচনা করেন এবং একে বিভাজনমূলক ও বৈষম্যমূলক ভাষা হিসেবে আখ্যা দেন।   উল্লেখ্য, ইলহান ওমর একজন প্রাকৃতিকীকৃত মার্কিন নাগরিক এবং দীর্ঘদিন ধরে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছেন। অন্যদিকে রাশিদা তালিব যুক্তরাষ্ট্রেই জন্মগ্রহণ করেন এবং মিশিগানের নির্বাচিত প্রতিনিধি। মার্কিন আইন অনুযায়ী, কোনো নাগরিককে দেশ থেকে বহিষ্কার বা ডিপোর্ট করা যায় না। ফলে বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য রাজনৈতিক বক্তব্য হলেও এর কোনো তাৎক্ষণিক আইনগত ভিত্তি নেই।   ঘটনাটি আবারও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে অভিবাসন, নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক ভাষার সীমা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

৪৪ মিনিট Ago
কবরস্থান নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৯ জন

যশোরের অভয়নগর উপজেলা-এর বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া বাজার এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার পারিবারিক কবরস্থান নিয়ে বিএনপির সমর্থক আশিক ও জামায়াত সমর্থক সাত্তারের মধ্যে বিরোধের ঘটনায় মারামারি হয়, এতে সাত্তার আহত হন।   পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার বিকেলে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি শের আলীর নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হলে, আসরের নামাজের পর দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে জামায়াতের মাসুদ কামাল, বুখারী, জাহাঙ্গীর হোসেন ও আহাদ মোল্লাসহ চারজন আহত হন। বিএনপির ইকবাল, খালিদ শেখ, ইউসুফ হোসেন ও ফোরকানসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।   খবর পেয়ে অভয়নগর আর্মি ক্যাম্পের টহল দল ও থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।   অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান জানান, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি; অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১ ঘন্টা Ago
যুক্তরাষ্ট্রে রোহিঙ্গা শরণার্থী নুরুল আমিন শাহ আলমের রহস্যময় মৃত্যু, কমিউনিটিতে ক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের Buffalo শহরে রোহিঙ্গা শরণার্থী নুরুল আমিন শাহ আলমের রহস্যময় মৃত্যুকে ঘিরে কমিউনিটিতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিবারের দাবি, প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি এবং দায়িত্বহীনতার কারণেই এই করুণ পরিণতি ঘটেছে।   শাহ আলম ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। প্রায় অন্ধ এই মিয়ানমার নাগরিক স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বাফেলোতে বসবাস শুরু করেন। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয় অন্যের সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ, আঘাত ও ‘অস্ত্র’ রাখার অভিযোগে। তার আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তথাকথিত অস্ত্রটি ছিল একটি পর্দার রড, যা তিনি চলাচলের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতেন।   গ্রেফতারের পর তাকে এক বছর রাখা হয় Erie County Holding Center-এ। তার বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত ‘ডিটেইনার’ জারি করে U.S. Immigration and Customs Enforcement (আইস)। পরিবার আশঙ্কা করেছিল, জামিনে মুক্তি পেলে তাকে আইস হেফাজতে নেওয়া হতে পারে এই ভয়ে দীর্ঘদিন জামিন চাওয়া হয়নি।   সম্প্রতি দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে মামলা নিষ্পত্তির প্রস্তাবে সম্মত হওয়ার পর তিনি মুক্তি পান। তবে পরে জানা যায়, ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বর্ডার পেট্রোল সদস্যরা তাকে হোল্ডিং সেন্টার থেকে নিয়ে যায় এবং রাতের দিকে ব্ল্যাক রক এলাকার নায়াগ্রা স্ট্রিটের একটি কফি শপে নামিয়ে দেয়। পরিবার জানায়, তিনি চোখে প্রায় দেখতেন না, ইংরেজি জানতেন না এবং নিজের বর্তমান বাসার ঠিকানাও স্পষ্টভাবে বলতে পারতেন না।   ওইদিন থেকেই নিখোঁজ ছিলেন শাহ আলম। কয়েকদিন পর শহরের পেরি স্ট্রিট এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় অনুসন্ধানী গণমাধ্যম Investigative Post জানায়, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মৃত্যুকে ‘স্বাস্থ্যগত’ বলে উল্লেখ করেছেন; এটি ঠান্ডাজনিত মৃত্যু বা হত্যাকাণ্ড নয়।   তবে কমিউনিটির প্রশ্ন একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, ভাষাজ্ঞানহীন শরণার্থীকে সন্ধ্যার পর শহরের অন্যপ্রান্তে নামিয়ে দেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত ছিল? তাকে নিরাপদে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব কার ছিল?   বাফেলোর রোহিঙ্গা কমিউনিটির নেতারা বলছেন, শরণার্থীদের সহায়তা ও তদারকিতে স্পষ্ট ঘাটতি রয়েছে। তারা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছেন। মানবাধিকার কর্মীরাও বলছেন, এই মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়—বরং পুরো শরণার্থী ব্যবস্থাপনার মানবিক দিক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

১ ঘন্টা Ago
ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা
ট্রাম্পের বিতর্কিত দাবি: দুই মুসলিম কংগ্রেসওম্যানকে ‘দেশছাড়া’ করার আর্জি

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump দুই মুসলিম কংগ্রেসওম্যান Ilhan Omar ও Rashida Tlaib-কে যুক্তরাষ্ট্র থেকে “দেশছাড়া” করার দাবি জানিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। সাম্প্রতিক স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর তিনি এ মন্তব্য করেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাষণ চলাকালে ওমর ও তালিব প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি বলেন, তাদের “যেখান থেকে এসেছে সেখানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।” তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।   বার্তা সংস্থা Reuters জানায়, ট্রাম্পের বক্তব্যের পরপরই ডেমোক্র্যাট নেতারা এর তীব্র সমালোচনা করেন এবং একে বিভাজনমূলক ও বৈষম্যমূলক ভাষা হিসেবে আখ্যা দেন।   উল্লেখ্য, ইলহান ওমর একজন প্রাকৃতিকীকৃত মার্কিন নাগরিক এবং দীর্ঘদিন ধরে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছেন। অন্যদিকে রাশিদা তালিব যুক্তরাষ্ট্রেই জন্মগ্রহণ করেন এবং মিশিগানের নির্বাচিত প্রতিনিধি। মার্কিন আইন অনুযায়ী, কোনো নাগরিককে দেশ থেকে বহিষ্কার বা ডিপোর্ট করা যায় না। ফলে বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য রাজনৈতিক বক্তব্য হলেও এর কোনো তাৎক্ষণিক আইনগত ভিত্তি নেই।   ঘটনাটি আবারও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে অভিবাসন, নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক ভাষার সীমা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান–কে মনোনয়ন দিয়েছেন । ছবি: সংগৃহীত
চার দশক পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে পুনঃপ্রার্থী বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন সরে দাঁড়াল

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচন থেকে ফিলিস্তিন সরে দাঁড়ানোর পর আগামী জুনে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছেন।   বাংলাদেশ প্রায় ৪০ বছর পর এই পদে পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে; শেষবার ১৯৮৬ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২৬–২৭ মেয়াদের জন্য এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কক্ষপথে বাংলাদেশ প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল চার বছর আগে। ফিলিস্তিন প্রথমে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেও পরে তা প্রত্যাহার করেছে।   গত বছরের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় বাংলাদেশ নির্বাচনে থাকছে কি না, তা নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক বাংলাদেশের প্রতি আবেদন জানায় যাতে তারা নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ায়। ফিলিস্তিন সরে দাঁড়ানোর পর মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের সঙ্গে সাইপ্রাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়েছে।   জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদ বৈশ্বিক কূটনীতিতে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। সভাপতির দায়িত্বে সাধারণ পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং বৈশ্বিক ইস্যুতে নেতৃত্ব দেওয়া অন্তর্ভুক্ত। চার দশক পর এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সক্রিয়তা ও মর্যাদা পুনরায় প্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত
মব কালচার’-এ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাম্প্রতিক ‘মব’ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।   কী ঘটেছে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ভবনের সামনে একদল কর্মকর্তা জড়ো হয়ে গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহ-কে ঘিরে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন এবং তাকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি বিকেল ৩টার দিকে ঘটে বলে জানা গেছে।   কেন ব্যবস্থা সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ‘মব কালচার’-এ জড়িতদের বিরুদ্ধে মানবসম্পদ নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   কীভাবে সুশাসন তিনি জানান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিয়মতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কাজের গতি বাড়াতে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে, যাতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজ নিজ দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন।   ঘটনাটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

ছবি: সংগৃহীত
বরিশালে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত অন্তত ২০

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন চালক নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সেতু-র উত্তর পাশের ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।   নিহত ব্যক্তি ইসলাম পরিবহনের চালক কবির হোসেন। তিনি বরগুনার বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।   পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পাথরঘাটা থেকে ঢাকাগামী ইসলাম পরিবহন (ঢাকা মেট্রো ব-১৩-২৩৪৬) এবং ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা পরিবহন (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৩৯৭৯) বাস দুটি মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে লাবিবা পরিবহনের চালক রাসেলসহ উভয় বাসের ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।   গুরুতর আহত অবস্থায় কবির হোসেনকে দ্রুত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর বাবুগঞ্জ ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে। আহতদের বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নিকটবর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।   বাবুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার জাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।   বাবুগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নিহত চালকের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।   দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালে ভর্তি আহতদের খোঁজ নেন। তিনি আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানান।

প্রতীকী ছবি
রমজান মাসের ৩০ আমল: তাকওয়া ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের পথ

রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।” (সুরা বাকারা: ১৮৩)   রোজা শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাধ্যম। নবীজি (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি রোজা রেখেও মিথ্যা ও পাপ কাজ ত্যাগ করল না, তার পানাহার ত্যাগের আল্লাহর কাছে কোনো মূল্য নেই।” (সহিহ বুখারি: ৬০৫৭)   রমজানে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ আমল তুলে ধরা হলো-   ১. তারাবি নামাজ আদায় ঈমান ও সওয়াবের আশায় তারাবি আদায় করলে অতীতের গুনাহ মাফ হয়। (বুখারি)   ২. তাহাজ্জুদ পড়া রমজানে তাহাজ্জুদে বিশেষ ফজিলত রয়েছে। (নাসায়ী)   ৩. কোরআন তিলাওয়াত রমজান কোরআন নাজিলের মাস। বেশি বেশি তিলাওয়াত ও কোরআন শিক্ষা করা উত্তম।   ৪. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় জামাতে নামাজ একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ বেশি মর্যাদাসম্পন্ন। (বুখারি)   ৫. সেহরি খাওয়া সেহরিতে বরকত রয়েছে। (বুখারি)   ৬. দেরিতে সেহরি করা ফজরের আগে সেহরি করা সুন্নত।   ৭. সময়মতো ইফতার করা ইফতারের সময় রোজাদারের জন্য বিশেষ আনন্দ রয়েছে। (তিরমিজি)   ৮. তাড়াতাড়ি ইফতার করা সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা সুন্নত। (আবু দাউদ)   ৯. ইফতারের দোয়া পড়া “আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু…” (আবু দাউদ)   ১০. অন্যকে ইফতার করানো রোজাদারকে ইফতার করালে সমান সওয়াব পাওয়া যায়। (তিরমিজি)   ১১. দান-সদকা রমজানে রাসুল (সা.) সবচেয়ে বেশি দান করতেন। (বুখারি)   ১২. সদকাতুল ফিতর আদায় ঈদের আগে আদায় করা ওয়াজিব। (মুসলিম)   ১৩. যাকাত আদায় যার ওপর ফরজ হয়েছে, তিনি রমজানে আদায় করতে পারেন।   ১৪. বেশি বেশি নফল ইবাদত রমজানে একটি নফল অন্য মাসের ফরজের সমান সওয়াবের। (শুয়াবুল ইমান)   ১৫. জুমার দিন তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া প্রতিটি পদক্ষেপে এক বছরের নফল রোজা ও নামাজের সওয়াব। (আবু দাউদ)   ১৬. ওমরাহ পালন রমজানে একটি ওমরাহ একটি হজের সমতুল্য। (বুখারি)   ১৭. তওবার নামাজ পড়া গুনাহের পর দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে তওবা করা।   ১৮. সালাতুত তাসবিহ পড়া বিগত গুনাহ মাফের বিশেষ আমল।   ১৯. মাসনূন দোয়া পড়া দৈনন্দিন জীবনের দোয়াগুলো নিয়মিত পড়া।   ২০. বেশি বেশি ইস্তিগফার ইস্তিগফার করলে আল্লাহ সংকট দূর করেন। (আবু দাউদ)   ২১. শেষ দশকে ইতিকাফ সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া।   ২২. লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (বুখারি)   ২৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা আখেরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করবে। (বুখারি)   ২৪. গিবত, মিথ্যা ও অশ্লীলতা বর্জন গিবত মারাত্মক গুনাহ।   ২৫. বেশি বেশি জিকির “আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো…” (সূরা আনফাল: ৪৫)   ২৬. মা-বাবার খেদমত মা-বাবা জান্নাত বা জাহান্নামের কারণ হতে পারেন। (ইবনে মাজাহ)   ২৭. অসুস্থ ও বিপদগ্রস্তদের খোঁজ নেওয়া রোগী দেখা সুন্নত। (বুখারি)   ২৮. নবীজি (সা.) ও সাহাবিদের জীবনী পড়া তাদের জীবন আমাদের জন্য আদর্শ।   ২৯. রমজানের মাসআলা জানা শুদ্ধভাবে রোজা পালনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন।   ৩০. বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ একবার দরুদ পড়লে আল্লাহ ১০টি রহমত নাজিল করেন। (নাসায়ী)

ছবি: সংগৃহীত
চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী সুপারসনিক মিসাইল কিনছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে যখন যুদ্ধের দামামা বাজছে, ঠিক তখনই বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিতে এক ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে ইরান ও চীন। আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সূত্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, ইরান চীনের তৈরি অত্যন্ত শক্তিশালী ‘সিএম-৩০২’ (CM-302) সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইল কেনার প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে।   সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মিসাইলটি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সংজ্ঞা চিরতরে বদলে দিতে পারে। এটি প্রায় ২৯০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। এর বিশেষত্ব হলো এটি অত্যন্ত নিচু দিয়ে এবং শব্দের চেয়েও দ্রুত গতিতে উড়ে যেতে পারে, যা বর্তমানের আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলোর পক্ষে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব। এই প্রযুক্তি পারস্য উপসাগরে মোতায়েন মার্কিন নৌবহরের জন্য এক ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষক ড্যানি সিট্রিনোভিজ।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন মাসে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সরাসরি উত্তজনা তৈরি হওয়ার পর এই চুক্তি ত্বরান্বিত হয়। সম্প্রতি ইরানের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাসুদ ওরাই বেইজিং সফর করে আলোচনার চূড়ান্ত পর্ব সম্পন্ন করেছেন। এটি বাস্তবায়িত হলে তা হবে চীনের পক্ষ থেকে ইরানকে দেওয়া এ যাবতকালের সবচেয়ে উন্নত সামরিক প্রযুক্তি। এর বাইরেও উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ও অ্যান্টি-স্যাটেলাইট প্রযুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।   এদিকে, এই সামরিক মেরুকরণের জবাবে বসে নেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের ওভদা বিমানঘাঁটিতে ১২টি পঞ্চম প্রজন্মের অত্যাধুনিক এফ-২২ (F-22) র‍্যাপ্টর স্টিলথ যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে। রাডার ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত হামলা চালাতে সক্ষম এই বিমানগুলোর মোতায়েনকে ইরানের প্রতি ওয়াশিংটনের একটি শক্তিশালী সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।   তবে যুদ্ধের এই প্রস্তুতির মাঝেই কূটনীতির জানলা খোলা রাখতে চাইছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। আজ বৃহস্পতিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনায় বসার কথা রয়েছে তেহরানের। আরাগচি জানিয়েছেন, সংঘাত এড়ানোর সুযোগ এখনো “হাতের নাগালে।” তিনি পুনরায় স্পষ্ট করেছেন যে ইরান শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না।   সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে একদিকে যেমন চীনের অত্যাধুনিক মিসাইলের ছায়া, অন্যদিকে আমেরিকার ঘাতক যুদ্ধবিমানের গর্জন— এই ত্রিমুখী লড়াই এখন এক নতুন ও জটিল মোড় নিয়েছে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
পাকিস্তানের ভয়াবহ হামলার পর ‘যথাযথ প্রতিশোধের’ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আফগানিস্তান । ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলা, ডুরান্ড লাইনে উত্তেজনা বৃদ্ধি
শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় উত্তেজনা বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সীমান্তজুড়ে তীব্র সংঘর্ষের দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালেবান কর্তৃপক্ষ।   আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক মিডিয়া অফিসের ভাষ্য, নাঙ্গারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলার জবাবে তারা সীমান্তবর্তী পাকিস্তানি সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ চালায়।   তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, “ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বৃহৎ আকারের অভিযান শুরু হয়েছে।” তিনি দাবি করেন, আফগান বাহিনী একাধিক ফাঁড়ি দখল করেছে এবং পাকিস্তানি সেনাদের হতাহত করেছে।   দুই দেশের মধ্যে ২,৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তটি ডুরান্ড লাইন নামে পরিচিত, যা আফগানিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় না।   অন্যদিকে পাকিস্তানের তাৎক্ষণিক বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া না মিললেও পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কয়েকটি সেক্টরে তালেবানদের গুলিবর্ষণের ‘তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব’ দিয়েছে পাকিস্তানি বাহিনী।   এর আগে রোববার পাকিস্তান সেনাবাহিনী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৭০ জন যোদ্ধা নিহতের দাবি করেছিল। তবে আফগানিস্তান বলেছে, ওই হামলায় নারী ও শিশুসহ বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন।   সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসেছেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। প্রতীকী ছবি
ইরানকে না মানলে হামলার হুমকি ট্রাম্পের
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

ইরান পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে দেশটিতে সীমিত হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির মধ্যেই তৃতীয় দফায় বৈঠক শুরু হয়েছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   বৈঠকটি এমন সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে। অন্যদিকে ইরানও ঘোষণা করেছে, যেকোনো হামলার জবাবে তারা শক্তি প্রয়োগ করবে। তাই বৃহস্পতিবারের আলোচনাকে সংঘাত এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা এখনও অস্পষ্ট।   ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধান করতে পছন্দ করেন। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরানি নেতাদের চুক্তিতে বাধ্য করতে দেশটিতে সীমিত হামলার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।   নতুন আলোচনায় ট্রাম্পের বিস্তারিত দাবি বা সামরিক পদক্ষেপের কারণ স্পষ্ট হয়নি। ইরান তাদের ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বন্ধ করার মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে তারা এবারের বৈঠকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কিছুটা ছাড় দিতে ইঙ্গিত দিয়েছে।

ডিসেম্বরে হিউগোর জন্মের পর গ্রেস বেল বলেন, ‘আমার দাতা এবং তাঁর পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর মতো যথেষ্ট ভাষা আমার জানা নেই । ’ছবি: ওম্ব ট্রান্সপ্ল্যান্ট ইউকে/পিএ
মৃত নারীর জরায়ু প্রতিস্থাপিত হলো জরায়ুবিহীন নারীর শরীরে, জন্ম নিল এক শিশু
আবু জোবায়ের ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

মৃত এক নারীর দান করা জরায়ু অন্য এক জরায়ুবিহীন নারীর শরীরে প্রতিস্থাপনের পর সেই জরায়ুতে বেড়ে ওঠে একটি ভ্রূণ এমন ঘটনা নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। বিশ্বজুড়েই এ ধরনের শিশুজন্ম অত্যন্ত বিরল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটেছে এমন এক ঘটনা। জন্ম নিয়েছে এক শিশু, যার পৃথিবীতে আসার গল্প চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।   প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে একটি সন্তান বেড়ে ওঠে মায়ের জরায়ুতে। যে নারীর জরায়ু নেই, তাঁর নিজের সন্তান ধারণ প্রায় অসম্ভব বলেই ধরা হয়। ত্রিশোর্ধ্ব গ্রেস বেল জন্মগতভাবেই জরায়ুবিহীন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি জানতে পারেন এই বাস্তবতা।   মা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণের সামনে গ্রেস ও তাঁর জীবনসঙ্গীর ছিল দুটি পথ—সারোগেসি, অর্থাৎ অন্য নারীর জরায়ুতে ভ্রূণ প্রতিস্থাপন; অথবা গ্রেসের শরীরে অন্য কোনো নারীর জরায়ু প্রতিস্থাপন। দ্বিতীয় পথটি সফল হলে তাঁর নিজের শরীরেই বেড়ে উঠবে সন্তান, তাঁর রক্ত থেকেই পাবে পুষ্টি ও অক্সিজেন।   তবে উপযুক্ত দাতা পাওয়া সহজ ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে মৃত এক নারীর দান করা জরায়ু প্রতিস্থাপনের সুযোগ এলে আশার আলো দেখেন গ্রেস। ২০২৪ সালের জুনে অক্সফোর্ডের একটি হাসপাতালে প্রায় ১০ ঘণ্টাব্যাপী অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গ্রেসের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয় দানকৃত জরায়ু। কয়েক মাস পর ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) পদ্ধতিতে তাঁর ডিম্বাণু ও তাঁর জীবনসঙ্গীর শুক্রাণু থেকে ভ্রূণ তৈরি করা হয়। গ্রেসের ডিম্বাশয় স্বাভাবিক থাকায় এই প্রক্রিয়া সম্ভব হয়। প্রস্তুত ভ্রূণটি প্রতিস্থাপিত জরায়ুতে স্থাপন করা হয়। ধীরে ধীরে গ্রেসের শরীরেই বেড়ে ওঠে সন্তান। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পশ্চিম লন্ডনের একটি হাসপাতালে জন্ম নেয় শিশুটি। জন্মের সময় তার ওজন ছিল প্রায় সাত পাউন্ড। তার নাম রাখা হয় হিউগো। সন্তানের জন্মের পর গ্রেস দাতা ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর মতো যথেষ্ট ভাষা তাঁর জানা নেই। যুক্তরাজ্যে একটি ক্লিনিক্যাল গবেষণা কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত ১০ জন নারীর শরীরে মৃত দাতার জরায়ু সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে তাঁদের মধ্যে গ্রেসই প্রথম, যাঁর সন্তান জন্ম নিয়েছে। একজন ব্যক্তির অঙ্গ অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন নিজেই জটিল প্রক্রিয়া। সেই প্রতিস্থাপিত অঙ্গে একটি সুস্থ সন্তানের বেড়ে ওঠা চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক অনন্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রতিস্থাপিত জরায়ুতে সন্তান জন্মের ঘটনা যুক্তরাজ্যে এর আগেও ঘটেছে। ২০২৫ সালের শুরুর দিকে জীবিত দাতার জরায়ু প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে একটি শিশুর জন্ম হয়েছিল। তবে মৃত নারীর দান করা জরায়ুতে বেড়ে ওঠা শিশুর জন্ম এই প্রথম।   বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত শতাধিক জরায়ু প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিস্থাপিত জরায়ুতে জন্ম নেওয়া সুস্থ শিশুর সংখ্যা ৭০-এর বেশি। গ্রেস ও তাঁর জীবনসঙ্গী চাইলে ভবিষ্যতে আরেকটি সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে নির্দিষ্ট সময় পর তাঁর শরীর থেকে প্রতিস্থাপিত জরায়ু অপসারণ করা হবে। কারণ, প্রতিস্থাপিত অঙ্গ সুস্থ রাখতে দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ সেবন করতে হয়, যা সারা জীবন গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ।

ইসরায়েলের সর্বোচ্চ সংসদীয় সম্মান 'মেডেল অব দ্য নেসেট' পেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ইহুদিদের কল্যাণে বিশেষ অবদান: ইসরায়েলে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত মোদি
নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

ইসরায়েল রাষ্ট্র এবং ইহুদি জনগোষ্ঠীর কল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেশটির সর্বোচ্চ সংসদীয় সম্মাননা ‘মেডেল অব দ্য নেসেট’ (Medal of the Knesset) প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্পিকার আমির ওহানা প্রধানমন্ত্রী মোদির হাতে নবপ্রবর্তিত এই পদকটি তুলে দেন। এদিন নেসেটে ভাষণ দেওয়ার পর মোদিকে এই বিরল সম্মানে ভূষিত করা হয়। ইসরায়েলি পার্লামেন্টের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং কৌশলগত সহযোগিতা গভীর করার ক্ষেত্রে মোদির অসামান্য ভূমিকার কারণে তাকে এই পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। পদক প্রদান অনুষ্ঠানে নেসেট স্পিকার আমির ওহানা বলেন, “এটি নেসেট এবং পুরো ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে এই সম্মাননা প্রদান করা মানেই হলো ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি শক্তিশালী কৌশলগত জোট গঠনে তাঁর প্রচেষ্টার প্রতি আমাদের গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। তাঁর নীতি ইসরায়েলের প্রতি এক সাহসী, অবিচল এবং আন্তরিক বন্ধুত্বের প্রতিফলন, যা কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং সময়েও আমাদের পাশে ছিল।” বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছে। বিশেষ করে উদ্ভাবন, সাইবার নিরাপত্তা এবং যৌথ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নে ভারত এখন ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান অংশীদার। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অবস্থান সুসংহত করতেও মোদির কূটনৈতিক দূরদর্শিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করে তেল আবিব। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ভাষণে নয়া দিল্লি ও জেরুজালেমের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই সম্মাননা দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Follow us

Trending

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
141 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
144 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
102 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
ধর্ম
Advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
সারাদেশ
জাতীয়