সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
Live update news
দুপুরের পরই প্রকাশ হতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন
দুপুরের পরই প্রকাশ হতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরের পরই নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে একাধিক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে বা বিজি প্রেসে ছাপার কাজ চলছে।    আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আজই নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হতে পারে।   এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে মূল বেতন একসঙ্গে নয়, তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।   নতুন কাঠামোয় আগের মতো ২০টি গ্রেডই বহাল থাকছে। ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।   প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। অন্যদিকে ২০তম গ্রেডে বৃদ্ধির হার ১৪২ শতাংশ। বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত রয়েছে।   নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী উপকৃত হবেন বলে সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় হতে পারে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।   এখন সরকারি চাকরিজীবীদের নজর মূলত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সময়ের দিকে। দুপুরের পর প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হলে এরপর নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণ ও বকেয়া পাওনা সমন্বয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

১৩ মিনিট Ago
তারেক রহমানের আগমন ঘিরে ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে জ্যাকসন হাইটস
তারেক রহমানের আগমন ঘিরে ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে জ্যাকসন হাইটস

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর আগমন ঘিরে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ডাইভারসিটি প্লাজায় ব্যানার-পোস্টার ও ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে।   তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে এসব ব্যানার-পোস্টার লাগিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি এবং দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টার ও ব্যানার দিয়েছেন।    জ্যাকসন হাইটসের পাশাপাশি নিউইয়র্কের অন্যান্য বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাতেও তাঁর সফর ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতা বেড়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর জন এফ কেনেডি বা জেএফকে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।   এদিকে তারেক রহমানের নিউইয়র্ক আগমন উপলক্ষে দলীয় প্রস্তুতি সভাও চলছে। ১৫ সেপ্টেম্বর জ্যাকসন হাইটসে নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপির দক্ষিণ শাখার একটি কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সফরকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।   ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। এটি সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে তাঁর প্রথম বক্তব্য হবে। সফরটি সংক্ষিপ্ত করে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপির পাশাপাশি ভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনগুলোরও কর্মসূচির প্রস্তুতি রয়েছে। ফলে জেএফকে বিমানবন্দর, জ্যাকসন হাইটস ও জাতিসংঘ সদর দপ্তর ঘিরে আগামী কয়েকদিন রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে পারে।   তবে নিউইয়র্কে তারেক রহমানকে ঘিরে সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রস্তুতির চিত্র এখন জ্যাকসন হাইটসেই—বাংলাদেশি অধ্যুষিত এই এলাকায় তাঁর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনে সাজানো হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো।

৩৪ মিনিট Ago
স্ন্যাপ খাদ্য সহায়তা বা মেডিকেড নিলে ঝুঁকিতে গ্রিন কার্ড, নতুন নিয়ম কার্যকর
স্ন্যাপ খাদ্য সহায়তা বা মেডিকেড নিলে ঝুঁকিতে গ্রিন কার্ড, নতুন নিয়ম কার্যকর

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়ম কার্যকর হয়েছে। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হওয়া এই নীতির আওতায় মেডিকেড, স্ন্যাপ খাদ্য সহায়তা, শিক্ষায় আর্থিক সহায়তা ও ফ্রি স্কুল লাঞ্চসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি কিছু আবেদনকারীর গ্রিন কার্ড পাওয়ার সিদ্ধান্তে বিবেচনায় আসতে পারে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   নতুন নিয়মে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের হাতে আবেদনকারীর সরকারি সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি মূল্যায়নের আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কোনো আবেদনকারী ভবিষ্যতে সরকারের ওপর অতিরিক্তভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কি না, সেটি নির্ধারণের সময় বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তবে কোনো একটি সুবিধা নিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রিন কার্ডের আবেদন বাতিল হবে, এমন নিয়ম নয়।   নতুন নীতির আওতায় মেডিকেড ও স্ন্যাপ খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি কলেজের টিউশন সহায়তা, ফ্রি স্কুল লাঞ্চ এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তাও কর্মকর্তাদের বিবেচনায় আসতে পারে। কোন সুবিধা কীভাবে আবেদনকারীর ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের মূল্যায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কারণে অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে নিয়মটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে এই নীতি ‘পাবলিক চার্জ’ নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা কোনো ব্যক্তি ভবিষ্যতে সরকারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে কি না, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সরকারি সহায়তা বিবেচনা করে আসছেন। নতুন নিয়ম সেই বিবেচনার আওতা আরও বিস্তৃত করেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করা কিছু অভিবাসীর ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি আগের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।   তবে সব অভিবাসী এই নিয়মের আওতায় পড়বেন না। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাসাইলামপ্রার্থী ও শরণার্থীদের মতো কিছু শ্রেণির অভিবাসী নতুন নিয়মের বাইরে থাকবেন। অন্যদিকে মার্কিন নাগরিকদের নির্দিষ্ট পারিবারিক সদস্য, দক্ষ ও ধর্মীয় কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রিন কার্ড আবেদনকারী এই নীতির আওতায় পড়তে পারেন।   নতুন নিয়ম নিয়ে ইতোমধ্যে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। নিউইয়র্কসহ একাধিক অঙ্গরাজ্য, কাউন্টি ও শহর ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের অভিযোগ, নতুন নীতিটি সরকারি সুবিধা পাওয়ার যোগ্য অভিবাসীদের সেই সুবিধা নিতে নিরুৎসাহিত করতে পারে এবং ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের হাতে অতিরিক্ত ও অস্পষ্ট ক্ষমতা দিতে পারে।   অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের স্বনির্ভর হওয়া উচিত এবং করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীলতা কমানোই এই নীতির উদ্দেশ্য। প্রশাসনের হিসাবে, নতুন নিয়মের কারণে প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার মানুষ সরকারি সহায়তা থেকে সরে যেতে পারেন বা নতুন করে এসব কর্মসূচিতে যুক্ত না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এতে ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য সরকারের ব্যয় বছরে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার কমতে পারে বলে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের হিসাব উদ্ধৃত করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।   এর আগে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও একই ধরনের পাবলিক চার্জ নীতি চালু হয়েছিল। পরে আদালতে তা নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ হয় এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ২০২২ সালে নীতিটি বাতিল করে তুলনামূলক সংকীর্ণ নিয়ম চালু করেছিল। ২০২৬ সালের নতুন নীতি সেই বিস্তৃত পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন করেছে।   নতুন নিয়মের ফলে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের জন্য সরকারি সুবিধা গ্রহণের আগে নিজেদের ইমিগ্রেশন পরিস্থিতি এবং কোন সুবিধা তাদের ক্ষেত্রে বিবেচনায় আসতে পারে, তা বুঝে নেওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যেসব পরিবারে একজন সদস্য গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করছেন এবং অন্য সদস্যরা সরকারি সহায়তা নিচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।

১ ঘন্টা Ago
যে কোনো সময় আসতে পারে এক দফা দাবি জামায়াত আমিরের হুশিয়ার
যে কোনো সময় আসতে পারে এক দফা দাবি জামায়াত আমিরের হুশিয়ার

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১১ দলীয় ঐক্যের বর্তমান আট দফা দাবি ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে এবং জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় তা এক দফায় পরিণত হতে পারে। এক দফায় রূপ নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।    শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে লংমার্চটি রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে।    শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে আট দফা দাবি রয়েছে। এটি নয় বা ১০ দফায় রূপ নিতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এক দফা কর্মসূচি এলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।    সরকারকে জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে কোনো ধরনের চাপ বা হুমকিতে তারা পিছিয়ে যাবেন না। সাম্প্রতিক অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে পরিস্থিতি আরও কঠিন হওয়ার আগেই জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।    ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।    সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেন। আয়োজকদের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।    সূত্র: কালবেলা

১ ঘন্টা Ago
আমেরিকা
ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ফি বাড়লো আরও এক বছর, প্রভাব পড়বে বাংলাদেশিদের ওপর

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য ব্যবহৃত এইচ-১বি ভিসার নির্দিষ্ট আবেদনে ১ লাখ ডলারের অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা আরও এক বছর বাড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন ঘোষণায় এই বিধিনিষেধ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে।    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথম এই নিয়ম চালু করা হয়। এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা নির্দিষ্ট এইচ-১বি কর্মীদের নতুন ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হয়। তবে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।    নতুন ঘোষণাটি এসেছে যখন এই ফি নিয়ে আদালতে আইনি লড়াই চলছে। ২০২৬ সালের জুনে একটি ফেডারেল আদালত এই অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতাকে বেআইনি বলে রায় দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল চলমান রয়েছে। ফলে নীতিটি আগামী এক বছর বহাল রাখার পাশাপাশি এর আইনি বৈধতাও আদালতে পর্যালোচনার মধ্যে থাকছে।    হোয়াইট হাউসের দাবি, এই নীতির লক্ষ্য এইচ-১বি কর্মসূচির অপব্যবহার ঠেকানো এবং কম বেতনের বিদেশি কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে মার্কিন কর্মীদের ওপর চাপ তৈরি বন্ধ করা। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়ার পর বড় আইটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর এইচ-১বি নিবন্ধন ৯২ শতাংশ কমেছে।    তবে ব্যবসায়ী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে এই নীতির প্রভাব নিয়ে আপত্তি রয়েছে। তাদের বক্তব্য, অতিরিক্ত ব্যয় দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর জন্য বড় বাধা তৈরি করতে পারে। প্রযুক্তি খাতসহ যেসব শিল্প এইচ-১বি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে নিয়োগ পরিকল্পনাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।    নতুন ঘোষণায় বর্তমান এইচ-১বি ভিসাধারীদের সব ক্ষেত্রকে একইভাবে এই ১ লাখ ডলারের অর্থের আওতায় আনা হয়নি। হোয়াইট হাউসের নথি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা নির্দিষ্ট নতুন এইচ-১বি কর্মীদের প্রবেশের ক্ষেত্রে এই অর্থ পরিশোধের শর্ত প্রযোজ্য। জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ পৃথকভাবে ছাড় দেওয়ার ক্ষমতাও রাখে।    বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের দক্ষ পেশাজীবীরা যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি কর্মসূচির মাধ্যমে প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গবেষণা ও অন্যান্য বিশেষায়িত পেশায় কাজের সুযোগ পান। তাই নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে এইচ-১বি ভিসায় যেতে আগ্রহী বিদেশি কর্মী এবং তাঁদের সম্ভাব্য নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ব্যয়ের বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। তবে আদালতের চলমান মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নীতিটির ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১:৪৩
তারেক রহমানের আগমন ঘিরে ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে জ্যাকসন হাইটস

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর আগমন ঘিরে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ডাইভারসিটি প্লাজায় ব্যানার-পোস্টার ও ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে।   তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে এসব ব্যানার-পোস্টার লাগিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি এবং দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টার ও ব্যানার দিয়েছেন।    জ্যাকসন হাইটসের পাশাপাশি নিউইয়র্কের অন্যান্য বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাতেও তাঁর সফর ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতা বেড়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর জন এফ কেনেডি বা জেএফকে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।   এদিকে তারেক রহমানের নিউইয়র্ক আগমন উপলক্ষে দলীয় প্রস্তুতি সভাও চলছে। ১৫ সেপ্টেম্বর জ্যাকসন হাইটসে নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপির দক্ষিণ শাখার একটি কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সফরকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।   ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। এটি সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে তাঁর প্রথম বক্তব্য হবে। সফরটি সংক্ষিপ্ত করে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপির পাশাপাশি ভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনগুলোরও কর্মসূচির প্রস্তুতি রয়েছে। ফলে জেএফকে বিমানবন্দর, জ্যাকসন হাইটস ও জাতিসংঘ সদর দপ্তর ঘিরে আগামী কয়েকদিন রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে পারে।   তবে নিউইয়র্কে তারেক রহমানকে ঘিরে সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রস্তুতির চিত্র এখন জ্যাকসন হাইটসেই—বাংলাদেশি অধ্যুষিত এই এলাকায় তাঁর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুনে সাজানো হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো।

দুপুরের পরই প্রকাশ হতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরের পরই নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে একাধিক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে বা বিজি প্রেসে ছাপার কাজ চলছে।    আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আজই নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হতে পারে।   এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে মূল বেতন একসঙ্গে নয়, তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।   নতুন কাঠামোয় আগের মতো ২০টি গ্রেডই বহাল থাকছে। ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।   প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। অন্যদিকে ২০তম গ্রেডে বৃদ্ধির হার ১৪২ শতাংশ। বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত রয়েছে।   নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী উপকৃত হবেন বলে সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় হতে পারে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।   এখন সরকারি চাকরিজীবীদের নজর মূলত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সময়ের দিকে। দুপুরের পর প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হলে এরপর নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণ ও বকেয়া পাওনা সমন্বয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন স্মার্ট চশমা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গোপনীয়তার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত
মেটার এআই চশমায় গোপনে যৌনতা, নগ্নতা ও বাথরুমের দৃশ্য ধারণের অভিযোগ, ক্যালিফোর্নিয়ায় মামলা

মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন স্মার্ট চশমা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে গোপনীয়তা-সংক্রান্ত আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ৭০ জনের বেশি ব্যবহারকারী, ক্রেতা ও চশমার ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে করা একটি প্রস্তাবিত গণমামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, এসব চশমায় ধারণ করা কিছু ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ছবি-ভিডিও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা ঠিকাদারি কর্মীদের কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।   ক্যালিফোর্নিয়ায় দায়ের করা সংশোধিত মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, মেটার স্মার্ট চশমার মাধ্যমে পোশাক পরিবর্তন, গোসল, শৌচাগার ব্যবহার, ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত এবং পাসওয়ার্ড প্রবেশের মতো দৃশ্য ধারণ হয়েছে। মামলাকারীদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, চশমাটি তখন ভিডিও ধারণ করছে, তা তারা জানতেন না। এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। মেটা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আইনি লড়াই চালানোর কথা জানিয়েছে।   মামলার নথি অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ার এক মামলাকারী, যাকে পিএল১৮ নামে উল্লেখ করা হয়েছে, দাবি করেছেন তিনি স্মার্ট চশমা একটি বাথরুমের কাউন্টারে রেখে যাওয়ার পর তাঁর পরিবারের সদস্যদের গোসল ও বাথরুম ব্যবহারের ছবি পরবর্তী সময়ে নিজের গ্যালারিতে দেখতে পান। তাঁর দাবি, পরিবারের কেউ এসব ছবি ধারণ করার উদ্দেশ্যে চশমাটি ব্যবহার করেননি।   মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ব্যবহারকারীরা ‘হে মেটা’ বলে এআই সহকারী সক্রিয় করলে চশমার ক্যামেরা ও অডিও ব্যবস্থা চালু হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে চশমা অনিচ্ছাকৃতভাবেও সক্রিয় হয়েছে বলে মামলাকারীরা দাবি করেছেন। এরপর ধারণ করা তথ্য মেটার সার্ভারে পাঠানো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল উন্নত করার কাজে ব্যবহারের জন্য মানব কর্মীদের কাছে পর্যালোচনার জন্য পৌঁছেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।   মামলায় কেনিয়ার ঠিকাদারি কর্মীদের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণ ও তথ্য শ্রেণিবিন্যাসের কাজে যুক্ত কিছু কর্মী এসব চশমায় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও পর্যালোচনা করেছেন। সুইডেনের সংবাদপত্র সুয়েনস্কা ডাগব্লাডেট ও গ্যোটেবর্গস-পোস্টেনের ফেব্রুয়ারির এক অনুসন্ধানেও কেনিয়ায় মেটার এক ঠিকাদারের কর্মীদের ব্যক্তিগত ফুটেজ পর্যালোচনার বিষয়টি উঠে এসেছিল।   মামলাকারীদের আইনজীবী টিনা উলফসন বলেছেন, যারা চশমাটি কিনেছেন তারা এটিকে সাধারণ প্রযুক্তিপণ্য হিসেবেই ব্যবহার করেছেন এবং এআই সুবিধা চালু করলে ধারণ করা ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের কাজে যেতে পারে, এমন বিষয় সম্পর্কে তারা যথেষ্ট অবগত ছিলেন না। তাঁর মতে, মামলাটি শুধু চশমা ব্যবহারকারীদের নয়, এমন ব্যক্তিদের গোপনীয়তার বিষয়ও সামনে আনছে যারা নিজেরা চশমা ব্যবহার না করেও এর ক্যামেরায় ধারণ হয়েছেন।   মেটা অবশ্য বলেছে, এআই ব্যবহারের সময় কিছু তথ্য পণ্য ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য পর্যালোচনা করা হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং পরিচয় শনাক্ত করতে পারে এমন তথ্য ফিল্টার করার চেষ্টা করা হয়। মেটার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারী নিজে মেটার সঙ্গে কোনো ছবি বা ভিডিও শেয়ার না করলে সেই গণমাধ্যম সাধারণত ব্যবহারকারীর ডিভাইসেই থাকে।   মামলাটির নথিতে মেটার স্মার্ট চশমার গোপনীয়তা-সংক্রান্ত প্রচারণার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, চশমাগুলোকে ব্যবহারকারীর তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও গোপনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বাজারজাত করা হলেও এআই ব্যবহারের সময় ধারণ করা তথ্য মানব কর্মীদের মাধ্যমে পর্যালোচনার বিষয়টি ক্রেতাদের কাছে যথেষ্ট স্পষ্ট ছিল না।   এই আইনি বিরোধের পাশাপাশি মেটার স্মার্ট চশমার সম্ভাব্য মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। মেটার প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু বসওয়ার্থ ‘নেমট্যাগ’ নামে একটি সম্ভাব্য সুবিধার কথা বলেছেন, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পরিচিত ব্যক্তিদের নাম মনে রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা পেতে পারেন। তবে গোপনীয়তা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো এমন প্রযুক্তির সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।   এ নিয়ে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যেও মেটার বিরুদ্ধে আরেকটি প্রস্তাবিত গণমামলা হয়েছে। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ্যে থাকা মানুষের ছবি ব্যবহার করে মেটা এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে মুখ শনাক্তকরণ সুবিধায় ব্যবহার করা হতে পারে। মেটা বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য কীভাবে তাদের এআই পণ্য উন্নয়নে ব্যবহৃত হয় সে বিষয়ে তারা স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করে এবং ‘নেমট্যাগ’ সুবিধাটি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।   মামলাগুলো এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন মেটা নতুন প্রজন্মের পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ২৩ সেপ্টেম্বর মেনলো পার্কে প্রতিষ্ঠানটির ডেভেলপার সম্মেলনে নতুন পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি উন্মোচনের কথা রয়েছে। একই সময়ে রয়টার্স জানিয়েছে, মেটা ক্যামেরাবিহীন নতুন স্মার্ট চশমা তৈরির পরিকল্পনা করছে, যা গোপনীয়তা নিয়ে চলমান উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া হিসেবেও দেখা হচ্ছে।   সূত্র: লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস, নিউইয়র্ক পোস্ট

ভুয়া পরিচয়ে ৩০ বছর মার্কিন সামরিক কারখানায় কাজ করার অভিযোগে গ্রেপ্তার মেক্সিকান নারী। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন নাগরিক পরিচয় জাল করে ৩০ বছর সামরিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি, গ্রেপ্তার মেক্সিকান নারী

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মার্কিন নাগরিকত্বের ভুয়া দাবি করে প্রায় তিন দশক একটি মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিযোগে মেক্সিকোর এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ফেডারেল কর্তৃপক্ষ।   আলমা প্যাট্রিসিয়া কনত্রেরাস ভিয়াফানা নামে ৫৪ বছর বয়সী ওই নারী দক্ষিণ লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দা। শুক্রবার তাকে টরেন্সে হাওমেট অ্যারোস্পেসের একটি কারখানার বাইরে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে তিনি যন্ত্রকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে মোট আটটি ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়েছে।   অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি তারবার্তা-ভিত্তিক প্রতারণার মামলা, ভুয়া বা জাল নাগরিকত্ব সনদ ব্যবহারের একটি অভিযোগ, গুরুতর পরিচয় চুরির একটি অভিযোগ এবং মার্কিন নাগরিকত্বের মিথ্যা দাবি করার একটি অভিযোগ।   ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরির দাখিল করা অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ভিয়াফানা ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে টরেন্সের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়ার সময় ফর্ম আই-৯-এ নিজেকে মার্কিন নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেন। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কর্মীদের পরিচয় ও কাজের বৈধ অনুমতি যাচাইয়ের জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়।   তবে মার্কিন অভিবাসন নথি অনুযায়ী, ২০০৩ সালে একজন অভিবাসন বিচারক তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপরও তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে কাজ চালিয়ে যান বলে অভিযোগ।   চলতি বছরের জানুয়ারিতে চাকরি ধরে রাখার জন্য আবারও ফর্ম আই-৯ জমা দেন ভিয়াফানা। এবারও তিনি নিজেকে মার্কিন নাগরিক বলে উল্লেখ করেন এবং এমন একটি ন্যাচারালাইজেশন সনদের নম্বর ব্যবহার করেন, যা অন্য একজনের ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।   মার্কিন বিচার বিভাগের হিসাবে, ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠান ও এর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ করে ভিয়াফানা অন্তত ১৪ লাখ ২ হাজার ৪৫৯ ডলার পারিশ্রমিক পেয়েছেন। এর একটি অংশ সরাসরি তার ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে।   শুক্রবার গ্রেপ্তারের আগে টরেন্সের কারখানায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পরিস্থিতি জটিল ছিল বলে নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতির খবর পেয়ে ভিয়াফানা নিজের কর্মস্থল ছেড়ে একটি সম্মেলনকক্ষে অবস্থান নেন বলে তদন্তকারীদের উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়েছে। পরে তিনি সেখান থেকে বের হলে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।   মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, যে প্রতিষ্ঠানটিতে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন সেটি বিমান ও প্রতিরক্ষা খাতের জন্য বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি করে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে ব্যবসা করে। হাওমেট অ্যারোস্পেস জেট ইঞ্জিনের উপাদান, মহাকাশযানের জন্য টাইটানিয়াম কাঠামোসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ও শিল্পপণ্য তৈরি করে। প্রতিষ্ঠানটির তৈরি কিছু উপাদান লকহিড মার্টিনের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানেও ব্যবহৃত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   লস অ্যাঞ্জেলেসের শীর্ষ ফেডারেল প্রসিকিউটর বিল এসাইলি বলেন, সামরিক খাতের সঙ্গে কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানে ভিয়াফানা এত দীর্ঘ সময় ধরে কীভাবে কাজ করতে পেরেছেন, তা উদ্বেগের বিষয়। তিনি দাবি করেন, এমন ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে এগুলো প্রসিকিউটরের বক্তব্য, আদালতে প্রমাণিত কোনো তথ্য নয়।   ভিয়াফানার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত করছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস। প্রতিষ্ঠানটির নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনো আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। হাওমেটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি তারবার্তা-ভিত্তিক প্রতারণার প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ ২০ বছর করে কারাদণ্ড হতে পারে। ভুয়া নাগরিকত্ব সনদ ব্যবহারের অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছর, মিথ্যা নাগরিকত্ব দাবির অভিযোগে সর্বোচ্চ তিন বছর এবং গুরুতর পরিচয় চুরির অভিযোগে বাধ্যতামূলকভাবে অতিরিক্ত দুই বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।   তবে মার্কিন বিচার বিভাগ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, গ্র্যান্ড জুরির অভিযোগপত্র কেবল অভিযোগের আনুষ্ঠানিক উপস্থাপন। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ভিয়াফানাকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আগামী সোমবার লস অ্যাঞ্জেলেসের ফেডারেল আদালতে তার প্রাথমিক শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।   সূত্র: মার্কিন বিচার বিভাগ, নিউইয়র্ক পোস্ট

চীনের মালান বিমানঘাঁটিতে দেখা যাওয়া রহস্যময় লেজবিহীন ড্রোন। ছবি: সংগৃহীত
চীনের ‘এরিয়া ৫১’ ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক ড্রোনের পরীক্ষা, উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি গোপন সামরিক ঘাঁটিতে নতুন ধরনের বিশাল উড়োজাহাজের উপস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার গোপন পরীক্ষাকেন্দ্র ‘এরিয়া ৫১’-এর সঙ্গে তুলনা করা মালান বিমানঘাঁটিতে দেখা যাওয়া এই উড়োজাহাজটি চীনের পরবর্তী প্রজন্মের নজরদারি ও গোপনীয় সামরিক প্রযুক্তি পরীক্ষার অংশ হতে পারে বলে ধারণা করছেন সামরিক ও বিমান বিশেষজ্ঞরা।   চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শিনজিয়াং অঞ্চলে অবস্থিত মালান বিমানঘাঁটিতে সম্প্রতি রহস্যময় নতুন একটি উড়োজাহাজের ছবি প্রকাশ্যে আসে। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে বাণিজ্যিক উপগ্রহচিত্রেও একই ধরনের একটি বিশাল উড়োজাহাজকে ঘাঁটিটির কাছে দেখা গিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে সেটিকে আকাশে উড়তে দেখা গেছে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান জেনস উড়োজাহাজটির সম্ভাব্য নাম ডব্লিউজেড-এক্স বলে উল্লেখ করেছে।   ছবিতে দেখা উড়োজাহাজটির নকশা অনেকটা লেজবিহীন উড়ন্ত ডানার মতো। জেনসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এর ডানার বিস্তার প্রায় ৫২ থেকে ৫৩ মিটার এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩ মিটার। আকার ও নকশা বিবেচনায় এটি দীর্ঘ সময় ও অনেক উচ্চতায় উড়তে সক্ষম গোয়েন্দা, নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহকারী ড্রোন হিসেবে তৈরি করা হতে পারে। তবে এটি আক্রমণাত্মক কাজে ব্যবহারের সক্ষমতা রাখে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।   বিমান বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেয়াস রুপপ্রেখটের বরাতে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, মালান ঘাঁটি চীনের বিভিন্ন ধরনের ড্রোন পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণকারী বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ নতুন উড়োজাহাজটিকে ডব্লিউজেড-এক্স হিসেবে শনাক্ত করেছেন। তবে এর প্রকৃত সক্ষমতা, ব্যবহার এবং চীনের সামরিক বাহিনীতে সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে এখনো প্রকাশ্য তথ্য সীমিত।   মালান বিমানঘাঁটির গুরুত্ব অবশ্য নতুন নয়। শিনজিয়াংয়ের প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত এই ঘাঁটি ঐতিহাসিকভাবে চীনের সামরিক ও পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিল। কাছাকাছি লপ নুর এলাকায় ১৯৬৪ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত চীন প্রায় ৪৫টি পরমাণু পরীক্ষা চালায়। পরবর্তী সময়ে মালান ঘাঁটি পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ ও ড্রোন উন্নয়নের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে।   সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘাঁটিটিতে উন্নত সামরিক উড়োজাহাজ পরীক্ষার কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান হয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে মালানে জে-১১সহ বিভিন্ন ধরনের চীনা গোপনীয় ড্রোনের উপস্থিতি উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়ে। বড় আকারের লেজবিহীন উড়ন্ত ডানার নকশার একাধিক ড্রোনও সেখানে দেখা গেছে।   চীনের আরেকটি গোপন পরীক্ষাকেন্দ্র লপ নুর বিমানঘাঁটিতেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টে প্রকাশিত স্যাটেলাইটচিত্র বিশ্লেষণে সেখানে নতুন হ্যাঙ্গার, ট্যাক্সিওয়ে ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি উঠে আসে। দ্য ওয়ার জোনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ঘাঁটিটি এখন উন্নত সামরিক উড়োজাহাজের পরীক্ষার জন্য আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্ষম হয়ে উঠছে।   লপ নুর ঘাঁটিতে এর আগে চীনের নতুন প্রজন্মের জে-৩৬ ও জে-এক্সডিএস যুদ্ধবিমানের উপস্থিতিও উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়ে। এসব উড়োজাহাজকে সাধারণত ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ কারণেই চীনের প্রত্যন্ত সামরিক পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের সামরিক বিশ্লেষকদের আগ্রহ বাড়ছে।   তবে বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় উঠে আসা আশঙ্কাগুলোকে সরাসরি নিশ্চিত সামরিক সক্ষমতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। নতুন উড়োজাহাজটির উদ্দেশ্য, পাল্লা, অস্ত্র বহনের সক্ষমতা এবং চূড়ান্ত ব্যবহার সম্পর্কে চীনা কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। প্রকাশ্যে আসা ছবি ও উপগ্রহচিত্রের ভিত্তিতেই এসব বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।   মালান বিমানঘাঁটির নতুন উড়োজাহাজের উপস্থিতি তাই চীনের উন্নত ড্রোন ও গোপনীয় বিমান প্রযুক্তি কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় উচ্চ আকাশে অবস্থান করতে সক্ষম বড় আকারের গোয়েন্দা ড্রোন তৈরি হলে তা নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে চীনের সক্ষমতা বাড়াতে পারে বলে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ধারণা। তবে প্রকল্পটির প্রকৃত সামরিক প্রভাব নির্ধারণের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য ও পরীক্ষার ফল প্রকাশের অপেক্ষা করতে হবে।   সূত্র: ডেইলি মেইল, জেনস, দ্য ওয়ার জোন

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

মতামত

বিশ্ব

View more
ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা গোপন করছে পেন্টাগন
ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা গোপন করছে পেন্টাগন, তথ্যে ধোঁয়াশা
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ০:৪২

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা পেন্টাগনের প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে ছয় মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত ২২ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। অথচ পেন্টাগনের প্রকাশ্য তথ্যভান্ডারে নিহতের সংখ্যা ১৮ জন দেখানো হয়েছে।    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ কর্মকর্তা জানিয়েছেন নিহত সেনার সংখ্যা অন্তত ২২ জন। আরেক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, সংখ্যা ২৩ জন হতে পারে। তবে প্রকাশ্য হিসাবের বাইরে থাকা সব মৃত্যুই সরাসরি ইরান যুদ্ধের কারণে হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সময় সেখানে অবস্থানরত কিছু মার্কিন সেনার মৃত্যুও এই সংখ্যার মধ্যে রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর ওই অঞ্চলে থাকা তিন মার্কিন ঠিকাদারও মারা গেছেন বলে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।    পেন্টাগনের প্রকাশ্য প্রতিরক্ষা হতাহত তথ্যভান্ডার অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত ইরান সংঘাত শুরুর পর ১৮ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে শত্রুর হামলা এবং অন্যান্য কারণে হওয়া মৃত্যুও অন্তর্ভুক্ত। তবে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত মৃত্যুর পরিচয়, কখন, কোথায় এবং কীভাবে তারা মারা গেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পরিষ্কার নয়।    এই হিসাব নিয়ে পেন্টাগনের কাছে জানতে চাওয়া হলেও তারা ওয়াশিংটন পোস্টের প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেয়নি। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পরে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অস্বীকার করেছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে হেগসেথ এটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন।   মার্কিন সেনাদের হতাহতের সরকারি হিসাব নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। পেন্টাগনের প্রতিরক্ষা হতাহত বিশ্লেষণ ব্যবস্থায় ইরান যুদ্ধের মৃত্যুগুলো বিভিন্ন শ্রেণিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং আরও চারজনের মৃত্যু ‘বিদেশি অভিযান’ শ্রেণিতে দেখানো হচ্ছিল। ফলে যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ের হতাহতের সংখ্যা কীভাবে সরকারি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে, তা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।    ইরান যুদ্ধ শুরুর পর ৮২০ জনের বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলেও পেন্টাগনের প্রকাশ্য তথ্যভান্ডারে উল্লেখ রয়েছে। তাদের অনেকেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি পাল্টা হামলার সময় মস্তিষ্কে আঘাতসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির শিকার হয়েছেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্রের ওপরও চাপ বেড়েছে।    যুদ্ধের আর্থিক ব্যয়ও দ্রুত বাড়ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের হিসাব অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরু পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ৪৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহারে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এই অঙ্কের মধ্যে নেই।    মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা নিয়ে নতুন এই তথ্য প্রকাশের ফলে পেন্টাগনের হতাহত তথ্য প্রকাশের পদ্ধতি এবং সরকারি হিসাবের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ওয়াশিংটন পোস্টের কর্মকর্তাভিত্তিক হিসাব এবং পেন্টাগনের প্রকাশ্য তথ্যের মধ্যে পার্থক্যের চূড়ান্ত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা ও কারণ সম্পর্কে সরকারি ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টারের লোহার গেট গাড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলে দুর্বৃত্তরা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে ইসলামিক সেন্টারে হামলা, তেল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টা
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ০:৭

যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে একটি ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টারের প্রবেশপথে দুটি গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে গেট ভেঙে ফেলা এবং পরে সেখানে দাহ্য পদার্থ ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটিকে জাতিগত বিদ্বেষপ্রসূত ক্ষতিসাধন হিসেবে তদন্ত করছে ডেভন অ্যান্ড কর্নওয়াল পুলিশ।   কর্নওয়ালের কার্নন ডাউনস এলাকায় অবস্থিত কর্নওয়াল ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টারে বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১টা ২০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুক্রবার সকালে কেন্দ্রটির স্বেচ্ছাসেবী ইমাম হাসান কিলিককে এক প্রতিবেশী ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখতে পান, কেন্দ্রের লোহার গেটটি ভেঙে কবজা থেকে ছিটকে গেছে।   তবে গেট ভাঙার পাশাপাশি কেন্দ্রের আঙিনা থেকে মূল প্রবেশপথ পর্যন্ত এবং ভবনের দেয়ালে তেলজাতীয় একটি পদার্থ ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি আরও উদ্বেগ তৈরি করেছে। কিলিক জানান, কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজে দুটি ভ্যানকে গেটে ধাক্কা দিতে দেখা গেছে। এরপর দুই ব্যক্তি সেখানে ঢুকে বিভিন্ন স্থানে তেল ছড়িয়ে দেন বলে তিনি জানিয়েছেন।   ঘটনার পর কিলিক বলেন, কেন্দ্রের ভেতরে হামলাকারীরা প্রবেশ করতে পারেনি বা প্রবেশের চেষ্টা করেনি। তবে ভাঙচুরের বিষয়টি তিনি পুলিশ ও স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়কে জানান।   এটি ওই ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টারে গত ১৮ বছরে দ্বিতীয়বারের মতো সম্ভাব্য জাতিগত বিদ্বেষপ্রসূত হামলার ঘটনা। এর আগে ২০০৮ সালে কেন্দ্রটি যে সাবেক মেথডিস্ট চার্চ ভবনে পরিচালিত হতো, তার দরজায় শূকরের মাথা পেরেক দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ভবনে বর্ণবাদী গ্রাফিতিও লেখা হয়েছিল বলে CornwallLive জানিয়েছে।   সাম্প্রতিক ঘটনার পর স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হলেও কেন্দ্রটির নেতারা উত্তেজনার পরিবর্তে ঐক্য ও ইতিবাচকতার মাধ্যমে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার কথা জানিয়েছেন।   হাসান কিলিক CornwallLive-কে বলেন, ঘটনাটি সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য স্বাভাবিকভাবেই কষ্টদায়ক। তবে তারা এটিকে স্থানীয় বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একজন বা কয়েকজনের কর্মকাণ্ড দিয়ে পুরো সম্প্রদায়কে সংজ্ঞায়িত করা হবে না।   শুক্রবার মুসলমানদের সাপ্তাহিক প্রধান নামাজের দিন হওয়ায় ওই দিন কেন্দ্রটিতে দেওয়া বক্তব্যেও শান্তি, ধৈর্য, ঐক্য ও আশার বার্তা তুলে ধরার কথা জানান কিলিক। তিনি বলেন, এই ঘটনা তাদের ভয় দেখাতে বা কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে না।   পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। কর্নওয়াল ও আইলস অব সিলির পুলিশ কমান্ডার চিফ সুপারিনটেনডেন্ট স্কট ব্র্যাডলি বলেন, ঘটনার স্থান ও পরিস্থিতির কারণে প্রাথমিকভাবে এটিকে জাতিগতভাবে প্ররোচিত ক্ষতিসাধন হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনাটির শ্রেণিবিন্যাস পরিবর্তিত হতে পারে।   পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে তথ্য চেয়েছে। ঘটনার সময় আশপাশে সন্দেহজনক কোনো গাড়ি বা ব্যক্তির উপস্থিতি কেউ দেখে থাকলে তা জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় এলাকায় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করতে শুক্রবার ও সপ্তাহান্তে অতিরিক্ত টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।   ডেভন অ্যান্ড কর্নওয়াল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কর্নওয়ালে জাতিগত ও ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক অপরাধের ঘটনা নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের সহায়তার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে। পুলিশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাহিনীর আওতাধীন এলাকায় ২৮২টি ঘটনায় মুসলিমবিরোধী ধর্মীয় বিদ্বেষের ধরন নথিভুক্ত হয়েছিল। তবে এসব পরিসংখ্যানের মধ্যে এই নির্দিষ্ট ঘটনার কোনো তথ্য নেই।   পুলিশের পক্ষ থেকে সন্দেহজনক তথ্য থাকা ব্যক্তিদের ১০১ নম্বরে অথবা পুলিশের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। বেনামে তথ্য দিতে স্বাধীন দাতব্য সংস্থা ক্রাইমস্টপার্সের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যায়।   সূত্র: CornwallLive, Devon & Cornwall Police

ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য ১০ লাখ ডলার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছেন ইউটিউব তারকা মিস র‍্যাচেল। ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় ১০ লাখ ডলার দিচ্ছেন ইউটিউব তারকা মিস র‍্যাচেল
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ২২:১

ফিলিস্তিনি শিশুদের সহায়তায় মার্কিন র‍্যাপার ম্যাকলমোরের ১০ লাখ ডলারের অনুদানের সমপরিমাণ অর্থ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউব তারকা ও শিশুদের শিক্ষামূলক কনটেন্ট নির্মাতা মিস র‍্যাচেল। তাঁর আসল নাম র‍্যাচেল অ্যাকুরসো। ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য কাজ করা একটি ত্রাণ সংস্থায় এই অর্থ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।   ১৭ সেপ্টেম্বর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে মিস র‍্যাচেল জানান, ফিলিস্তিনি শিশুদের সহায়তায় ম্যাকলমোরের অনুদানের সঙ্গে সমপরিমাণ অর্থ দিতে চান তিনি। তাঁর অনুদান যাবে প্যালেস্টাইন চিলড্রেনস রিলিফ ফান্ডে, যা ফিলিস্তিনি শিশুদের জন্য চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা দিয়ে থাকে।   মিস র‍্যাচেল তাঁর পোস্টে শিশুদের সুরক্ষা ও মানবাধিকারের পক্ষে জনপরিচিত ব্যক্তিদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি অন্য ধনী তারকাদেরও একই ধরনের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ইউটিউবে শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান তৈরি করে পরিচিতি পাওয়া মিস র‍্যাচেলের ২১ মিলিয়নের বেশি গ্রাহক রয়েছে।   ম্যাকলমোর গত ১৬ সেপ্টেম্বর ঘোষণা দেন, এড শিরানের ‘লুপ ট্যুর’-এ উদ্বোধনী শিল্পী হিসেবে পাওয়া তাঁর ১০ লাখ ডলারের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় কাজ করা ছয়টি সংগঠনের মধ্যে দান করবেন। এই ঘোষণা আসে তাঁকে শিরানের যুক্তরাষ্ট্রের সফর থেকে বাদ দেওয়ার পর।   এর আগে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে একটি কনসার্টে ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বক্তব্য দেন ম্যাকলমোর। সেখানে তিনি ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দেন। পরে তাঁর ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয় এবং তাঁকে এড শিরানের সফরের বাকি অনুষ্ঠানগুলো থেকে বাদ দেওয়া হয়।   ম্যাকলমোরের বক্তব্যের সমালোচনা করেছিলেন মার্কিন গায়িকা পিংকও। তিনি ইহুদি দর্শকদের অনুভূতির বিষয়টি তুলে ধরে ম্যাকলমোরের মন্তব্যের সমালোচনা করেন। পাশাপাশি ২০১৪ সালে ম্যাকলমোরের একটি বিতর্কিত পোশাক পরার ঘটনাও উল্লেখ করেন। ওই ঘটনার জন্য ম্যাকলমোর তখন প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন।   পরবর্তী এক অনুষ্ঠানে ম্যাকলমোর ইহুদি দর্শকদের উদ্দেশে বলেন, ইসরায়েলের সমালোচনা বা ফিলিস্তিনিদের পক্ষে অবস্থান নেওয়াকে ইহুদিদের বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে দেখা উচিত নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর বার্তা শান্তি, ভালোবাসা এবং সব মানুষের মর্যাদা, সম্মান ও সমতার পক্ষে।   এদিকে এড শিরান জানিয়েছেন, ম্যাকলমোরকে সফর থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁর একক সিদ্ধান্ত ছিল না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের মালিক ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর চাপের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিরান একই সঙ্গে বলেছেন, সংঘাত নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত মত রয়েছে, তবে তিনি সেগুলো প্রকাশ্যে না বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   ম্যাকলমোরকে সফর থেকে বাদ দেওয়ার পর শিরানের আরও কয়েকজন সহযোগী শিল্পী সফরের বাকি অংশ থেকে সরে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে ফিনিয়াস, অ্যারন রো, লুকাস গ্রাহাম ও বিওগা রয়েছেন।   ম্যাকলমোরের অনুদানের ঘোষণার পর মানবিক সহায়তায় অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শিরান ও নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টসের মালিক রবার্ট ক্রাফটও। প্রত্যেকে ২০ লাখ ডলার করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাঁদের অর্থ কোন কোন সংস্থার মাধ্যমে দেওয়া হবে, তা সব ক্ষেত্রে স্পষ্ট নয়।   মিস র‍্যাচেলের অনুদানের ফলে ফিলিস্তিনি শিশুদের সহায়তায় ম্যাকলমোরের উদ্যোগটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একই সঙ্গে গাজা ও ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য মানবিক সহায়তায় বিনোদন জগতের পরিচিত ব্যক্তিদের অংশগ্রহণও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।   সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, দ্য ন্যাশনাল

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র পেল স্থায়ী সামরিক অধিকার, চীন-রাশিয়ার ঘাঁটি স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ২১:২০

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আর্কটিক দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নিরাপত্তা ও সামরিক অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। তবে চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিচ্ছে না এবং এটি এখনো ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।   ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন ব্যবস্থার আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ীভাবে সামরিক প্রবেশাধিকার, ঘাঁটি ব্যবহারের অধিকার এবং আকাশপথ ব্যবহারের সুযোগ পাবে। প্রয়োজন মনে করলে নতুন সামরিক স্থাপনাও নির্মাণ করতে পারবে ওয়াশিংটন। মার্কিন এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, নতুন সামরিক স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক হবে না, যদিও তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা হবে।   চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, চীন, রাশিয়া এবং অন্যান্য ন্যাটোবহির্ভূত দেশগুলোকে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা সেনা মোতায়েন থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থা। একই সঙ্গে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো, সমুদ্রের নিচের যোগাযোগ কেবল, বন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ স্পর্শকাতর খাতে প্রতিপক্ষ দেশগুলোর বিনিয়োগ সীমিত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে ফক্স নিউজ জানিয়েছে।   ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে চুক্তিটিকে দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এর মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত হবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফক্স নিউজকে বলেছেন, চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের সাফল্য এবং আর্কটিক অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তা স্বার্থকে স্থায়ীভাবে নিশ্চিত করবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডকে উত্তর আমেরিকার কৌশলগত প্রতিরক্ষা এলাকার অংশ হিসেবে ধরে রাখতে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।   তবে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা পাচ্ছে না। গ্রিনল্যান্ড এখনো ডেনমার্কের রাজ্যের অধীন একটি স্বশাসিত অঞ্চল। নতুন চুক্তির আওতায় এর সার্বভৌমত্ব ডেনমার্কের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে না। বরং মূল পরিবর্তনটি হচ্ছে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও সামরিক কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা আরও বিস্তৃত হওয়া।   চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার পরও গ্রিনল্যান্ড ভবিষ্যতে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হলে এর নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ব্যবস্থাগুলো বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে এই বিষয়সহ চুক্তির বিস্তারিত শর্ত এখনো পুরোপুরি প্রকাশ্যে আসেনি।   গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি অবশ্য নতুন নয়। উত্তর গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পিতুফিক মহাকাশ ঘাঁটি রয়েছে। ১৯৫১ সালের যুক্তরাষ্ট্র-ডেনমার্ক প্রতিরক্ষা চুক্তির ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ও প্রবেশাধিকার রয়েছে। ২০০৪ সালে ওই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছিল।   নতুন চুক্তির মাধ্যমে সেই বিদ্যমান সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের ধারণা, গ্রিনল্যান্ডে বাড়তি সামরিক অবকাঠামো ভবিষ্যতে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পিত ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে। তবে নতুন ঘাঁটি বা স্থাপনা ঠিক কোথায় এবং কখন নির্মাণ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।   চুক্তিটি আসার পেছনে কয়েক মাসের গোপন আলোচনা কাজ করেছে। ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের মধ্যে একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে। মার্কো রুবিও, হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার এবং মার্কিন পররাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মকর্তারা আলোচনায় যুক্ত ছিলেন।   রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও এর বিস্তারিত বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু বিষয় এখনো পরিষ্কার নয়। চুক্তিটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্টের অনুমোদনও প্রয়োজন হবে।   ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত চুক্তি ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়। ফলে ট্রাম্পের আগের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবির তুলনায় নতুন চুক্তিটি ভিন্ন কাঠামোর। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহের পেছনে দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থান অন্যতম কারণ। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও আর্কটিক অঞ্চলের মধ্যবর্তী অবস্থানের কারণে সামরিক ও নিরাপত্তার দিক থেকে গ্রিনল্যান্ডকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের কার্যক্রম বাড়ায় ওয়াশিংটনের কৌশলগত উদ্বেগও বেড়েছে বলে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে।   তবে নতুন চুক্তির প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে এর চূড়ান্ত আইনি কাঠামো, পার্লামেন্টের অনুমোদন এবং পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের সামরিক অবকাঠামো গড়ে তোলে তার ওপর। আপাতত চুক্তিটি গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা পরিবর্তনের পরিবর্তে দ্বীপটির নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি নিশ্চিত করার দিকে যাচ্ছে।   সূত্র: ফক্স নিউজ, রয়টার্স

Follow us

Trending

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
1.43K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
1.18K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
1.30K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
1.16K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
1.12K View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
ক্যারিয়ার
বিজ্ঞান
অন্যান্য
সাপ্তাহিক পত্রিকা
সাহিত্য
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়