পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম খান কারাবন্দি অবস্থায় মারা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পটুয়াখালী কারাগারের জেলা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রব মিয়া। শফিকুল ইসলাম খান উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাবিবুর রহমান খানের ছেলে। তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক ঘটনার পর ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট নিজ বাড়ি থেকে আটক হয়ে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি ছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার বিকেলে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরিবার সূত্র জানায়, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। বর্তমানে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
রমজান মাসে রোজা রাখা সকল প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিমের জন্য ফরজ। যেসব পেশার মানুষ কঠোর শারীরিক পরিশ্রমের সঙ্গে যুক্ত—যেমন রিকশা চালক, গার্মেন্টস শ্রমিক বা মাটি কাটার কাজের লোক—তাদের জন্যও রোজা রাখা ফরজই। তবে পরিশ্রমের অজুহাতে রোজা না রাখার সুযোগ নেই। যারা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রমের পেশায় যুক্ত, তাদের উচিত রমজানে কাজের চাপ সামঞ্জস্য করা। উদাহরণস্বরূপ, সাধারণ দিনে পুরো দিন কাজ করা হলেও রমজানে অর্ধদিবস কাজ করা এবং অবশিষ্ট সময় বিশ্রাম নেওয়া উচিত। এতে রোজা রাখা সহজ হয়। তবু যদি কোন দিন এমন কঠোর পরিশ্রম করতে হয়, যার কারণে প্রাণ বা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি থাকে, সেই দিনের রোজা খোলা যায় এবং পরবর্তীতে কাজা রোজা আদায় করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে কাফফারা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আধিকারিক ও অধীস্তদের জন্যও দায়িত্ব রয়েছে। অধীস্তদের কাজ হালকা করে দিলে আল্লাহ তায়ালা তাকে ক্ষমা করবেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য রোজা রাখা বাধ্যতামূলক। আল্লাহ তায়ালা বলেন: হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারীতা অর্জন কর’ (সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৩) এছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, রমজান মাসের রোজা তোমাদের উপর ফরজ, তবে অতিরিক্ত নফল রোজা রাখতে পারো। ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা না রাখা গর্হিত এবং শাস্তিযোগ্য। হাদিসে বর্ণিত আছে, যারা রোজা ভেঙে দেয় পূর্ণ করার আগে, তাদের কঠোর শাস্তি হবে।
ক্রিকেট সুপার এইটের গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের সেমি-ফাইনালে খেলার আশা এখনো জীবিত থাকলেও শ্রীলঙ্কাকে শুধু হারানোই যথেষ্ট নয়। রান রেটের হিসাবও রাখতে হবে। শুক্রবার কলম্বোয় ইংল্যান্ড শেষ তিন ওভারে ৪৩ রানের সমীকরণ পূর্ণ করে ৪ উইকেটে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হওয়ার পাশাপাশি সেমি-ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। এর ফলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিউ জিল্যান্ডের নেট রান রেটও +৩.০৪৫ থেকে ১.৩৯০-এ নেমে গেছে। পাকিস্তানের রান রেট -০.৪৬১। সাবধানতা অবলম্বন করে পাকিস্তানকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে আগে ব্যাট করলে অন্তত ৬৪ রানের ব্যবধান দিয়ে জিততে হবে। পরে ব্যাট করলে লক্ষ্য পূরণ করতে হবে ১৩.১ ওভারের মধ্যে। সেমি-ফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে পাকিস্তান কলম্বোয় খেলে, আর নিউ জিল্যান্ড সেমি-ফাইনালে উঠলে ম্যাচ হবে কলকাতায়।
রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় শিশু তাসলিমা আক্তারের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রামপুরার উলন এলাকায় নিহত শিশুটির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশ্বাস দেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি একটি গর্হিত অপরাধ। যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, এলাকা ও প্রভাবশালী যেকোনো ব্যক্তি হলেও তা বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারবে না; পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে নাহিদ বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘোষণার পরও মব কালচারের ঘটনা ঘটছে। তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপতির সময় শেষ হয়ে এসেছে এবং প্রথম অধিবেশনে সংস্কার ও রাষ্ট্রপতিকে সরানোর বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গ্রেফতার আহম্মদ আলী দেওয়ানকে সদর উপজেলা বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত দলীয় চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আহম্মদ আলী দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন এবং তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দলীয় গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। এতে বিএনপির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই তাকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ধর্ষণ মামলা ধামাচাপা দিতে আহম্মদ আলী সালিশ বৈঠক আয়োজনের পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। মামলার অন্যান্য আসামি নূর মোহাম্মদ নূরা গাজীপুরের মাওনা থেকে এবং হযরত আলী ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার আহম্মদ আলী দেওয়ানসহ আরও পাঁচজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল।
রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় শিশু তাসলিমা আক্তারের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রামপুরার উলন এলাকায় নিহত শিশুটির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশ্বাস দেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি একটি গর্হিত অপরাধ। যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, এলাকা ও প্রভাবশালী যেকোনো ব্যক্তি হলেও তা বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারবে না; পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে নাহিদ বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘোষণার পরও মব কালচারের ঘটনা ঘটছে। তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপতির সময় শেষ হয়ে এসেছে এবং প্রথম অধিবেশনে সংস্কার ও রাষ্ট্রপতিকে সরানোর বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে তালেবানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (পিএএফ) ভয়াবহ বিমান হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার পর থেকে আফগানিস্তানের কান্দাহারসহ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানগুলোকে টহল দিতে দেখা গেছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিটিভি নিউজ এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা সূত্র এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ‘অপারেশন গাজব লিল-হক’-এর আওতায় কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৩৩ জন তালেবান সদস্য নিহত এবং দুই শতাধিক আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের এই সংখ্যা কোনো স্বাধীন মাধ্যম থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ ও বর্তমান পরিস্থিতি: পাক মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে, এই হামলায় তালেবানের বিপুল পরিমাণ সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: ২৭টি চেকপোস্ট সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ৯টি পোস্টের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ। ২টি কর্পস সদর দপ্তর ও ৩টি ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস। বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ডিপো, লজিস্টিক ঘাঁটি এবং ৩টি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দেওয়া। প্রায় ৮০টিরও বেশি ট্যাংক, আর্টিলারি গান এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস করার দাবি করেছে পাকিস্তান। নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, যেকোনো ধরনের পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলায় পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এই বিমান হামলার পর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম খান কারাবন্দি অবস্থায় মারা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পটুয়াখালী কারাগারের জেলা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রব মিয়া। শফিকুল ইসলাম খান উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাবিবুর রহমান খানের ছেলে। তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক ঘটনার পর ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট নিজ বাড়ি থেকে আটক হয়ে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি ছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার বিকেলে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরিবার সূত্র জানায়, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। বর্তমানে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
রমজান মাসে রোজা রাখা সকল প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিমের জন্য ফরজ। যেসব পেশার মানুষ কঠোর শারীরিক পরিশ্রমের সঙ্গে যুক্ত—যেমন রিকশা চালক, গার্মেন্টস শ্রমিক বা মাটি কাটার কাজের লোক—তাদের জন্যও রোজা রাখা ফরজই। তবে পরিশ্রমের অজুহাতে রোজা না রাখার সুযোগ নেই। যারা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রমের পেশায় যুক্ত, তাদের উচিত রমজানে কাজের চাপ সামঞ্জস্য করা। উদাহরণস্বরূপ, সাধারণ দিনে পুরো দিন কাজ করা হলেও রমজানে অর্ধদিবস কাজ করা এবং অবশিষ্ট সময় বিশ্রাম নেওয়া উচিত। এতে রোজা রাখা সহজ হয়। তবু যদি কোন দিন এমন কঠোর পরিশ্রম করতে হয়, যার কারণে প্রাণ বা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি থাকে, সেই দিনের রোজা খোলা যায় এবং পরবর্তীতে কাজা রোজা আদায় করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে কাফফারা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আধিকারিক ও অধীস্তদের জন্যও দায়িত্ব রয়েছে। অধীস্তদের কাজ হালকা করে দিলে আল্লাহ তায়ালা তাকে ক্ষমা করবেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য রোজা রাখা বাধ্যতামূলক। আল্লাহ তায়ালা বলেন: হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারীতা অর্জন কর’ (সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৩) এছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, রমজান মাসের রোজা তোমাদের উপর ফরজ, তবে অতিরিক্ত নফল রোজা রাখতে পারো। ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা না রাখা গর্হিত এবং শাস্তিযোগ্য। হাদিসে বর্ণিত আছে, যারা রোজা ভেঙে দেয় পূর্ণ করার আগে, তাদের কঠোর শাস্তি হবে।
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে রমজানের দ্বিতীয় শুক্রবারে বিশাল সংখ্যক মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় এক লাখ মুসল্লি সকাল থেকেই প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। দখলদার ইসরায়েল বাহিনী শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি চালিয়ে চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করলেও মুসল্লিরা প্রবেশ করতে সক্ষম হন। বিশেষ করে পশ্চিম তীর থেকে আসা ফিলিস্তিনিদের কিছু অংশ প্রবেশে বাধার মুখে পড়ে। রমজানের এই সময় আল-আকসায় নামাজ আদায়ের গুরুত্ব মুসলিম বিশ্বের কাছে বিশেষ। চলমান উত্তেজনার মধ্যে মুসল্লিদের উপস্থিতিকে ধর্মীয় অনুরাগ ও প্রতীকী গুরুত্বের চিহ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। নামাজ শেষে মুসল্লিরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন, যদিও নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক রয়ে গেছে।
মো: আবদুর রহমান মিঞা
ড. মাহরুফ চৌধুরী
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে রমজানের দ্বিতীয় শুক্রবারে বিশাল সংখ্যক মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় এক লাখ মুসল্লি সকাল থেকেই প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। দখলদার ইসরায়েল বাহিনী শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি চালিয়ে চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করলেও মুসল্লিরা প্রবেশ করতে সক্ষম হন। বিশেষ করে পশ্চিম তীর থেকে আসা ফিলিস্তিনিদের কিছু অংশ প্রবেশে বাধার মুখে পড়ে। রমজানের এই সময় আল-আকসায় নামাজ আদায়ের গুরুত্ব মুসলিম বিশ্বের কাছে বিশেষ। চলমান উত্তেজনার মধ্যে মুসল্লিদের উপস্থিতিকে ধর্মীয় অনুরাগ ও প্রতীকী গুরুত্বের চিহ্ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। নামাজ শেষে মুসল্লিরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন, যদিও নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক রয়ে গেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে এবার সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে প্রতিবেশী দুই দেশ পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে ‘অপারেশন গজব লিল হক’ বা ‘ন্যায়ের হামলা’ শুরুর ঘোষণার পর থেকে সীমান্ত ছাপিয়ে যুদ্ধ এখন কাবুলের দোড়গোড়ায়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, তাদের বিমান হামলায় ইতোমধ্যে ২৭০ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে আফগান বাহিনীর পাল্টা হামলায় ১২ পাকিস্তানি সেনার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ তালেবান প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জানান, তাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে পাকিস্তান এখন জঙ্গি আস্তানার পাশাপাশি সরাসরি তালেবান সরকারের বিভিন্ন স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করছে। সংঘাতের নেপথ্যে দীর্ঘমেয়াদি কারণ: বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পেছনে রয়েছে কয়েক দশকের অমীমাংসিত ইস্যু। ডুরান্ড লাইন বিতর্ক: ২,৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্তরেখাকে কাবুল কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নেয়নি। ফলে সীমান্ত এলাকায় সার্বভৌমত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। টিটিপি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি: পাকিস্তানের অভিযোগ, নিষিদ্ধ সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) আফগান মাটিতে আশ্রয় নিয়ে পাকিস্তানে নাশকতা চালাচ্ছে। সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ায় আত্মঘাতী হামলায় উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়ে। আক্রমণাত্মক কৌশল: বিশেষজ্ঞ মাইকেল কুগেলম্যানের মতে, পাকিস্তান এখন আর কেবল সন্ত্রাসীদের দমন নয়, বরং সরাসরি তালেবান শাসনব্যবস্থাকেই চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। সামরিক শক্তিতে পাকিস্তান এগিয়ে থাকলেও বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন যে, তালেবানরা ‘অপ্রচলিত’ পদ্ধতিতে বা আত্মঘাতী হামলার মাধ্যমে পাল্টা আঘাত হানতে পারে। পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিচ্ছে, তাতে দক্ষিণ এশিয়ায় এক দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার পরবর্তী শাসনভার কার হাতে? দীর্ঘদিনের এই প্রশ্নটি ফের উসকে দিলেন খোদ প্রশাসক কিম জং উন। সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মহড়া এবং দলীয় সভায় কিম জং উনের পাশেই দেখা গেল তাঁর কন্যা কিম জু আই-কে। নজরকাড়া বিষয় ছিল বাবা এবং মেয়ের পরনের একই রঙের ম্যাচিং করা কালো কোট। কিম যেভাবে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলোতে নিজের কন্যাকে সামনে আনছেন, তাতে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ধারণা— উত্তর কোরিয়ার পরবর্তী ক্ষমতার উত্তরাধিকারী হতে যাচ্ছেন কিম জু-ই। বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বেশ কিছু ছবিতে দেখা যায়, কিম জং উন পরম মমতায় তাঁর কন্যাকে সামরিক মহড়া সম্পর্কিত বিভিন্ন কৌশল বুঝিয়ে দিচ্ছেন। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কিম যখন মঞ্চে ভাষণ দিচ্ছেন, কিম জু তখন ঠিক তাঁর পিছনে ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ২০২২ সালে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার অনুষ্ঠানে প্রথম জনসমক্ষে আসার পর থেকে প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় এবং সামরিক কর্মসূচিতে জু আই-এর উপস্থিতি এখন নিয়মিত ঘটনা। কিম জং উনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা গুজব ছড়ালেও তাঁর উত্তরাধিকারী কে হবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছিল না। কিমের বোন কিম ইয়ো জং-এর নাম আলোচনায় থাকলেও, ইদানীং কন্যা জু আই-এর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব অন্য বার্তা দিচ্ছে। তবে কি ক্ষমতার এই লড়াইয়ে নিজের বোনকে ছাপিয়ে কন্যাকেই যোগ্য মনে করছেন কিম? পিয়ংইয়ংয়ের রাজপ্রাসাদে কি তবে কোনো নিঃশব্দ ক্ষমতার দ্বন্দ্ব বা 'গৃহযুদ্ধ' চলছে? সময় এবং কিমের পরবর্তী পদক্ষেপই দেবে এই সব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর।
আগামী মার্চ মাসে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ (RIA) এক পাকিস্তানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৩ থেকে ৫ মার্চের মধ্যে এই সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সীমান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ রুশ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত হামলা এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাশিয়া উভয় পক্ষকেই সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে দুই দেশকেই কূটনৈতিক উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর মস্কো ও ইসলামাবাদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতে নতুন কোনো চুক্তির পথ প্রশস্ত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews