Live update news
কক্সবাজারে এলপিজি পাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আগুনে ঘরবাড়ি পুড়ে আতঙ্ক

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি এলপিজি গ্যাসপাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে কলাতলী বাইপাস সড়কের আদর্শগ্রাম এলাকায় অবস্থিত এন আলম এলপিজি গ্যাসপাম্প-এ এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত আশপাশের বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।   প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর গ্যাসপাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ পর ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাসে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন পুনরায় ছড়িয়ে পড়ে।   ঘটনাস্থলের আশপাশে অন্তত পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম দিকে অবস্থিত কলাতলী হোটেল–মোটেল জোন এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। বিস্ফোরণের আগুন রাত ১১টার মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয় এবং অনেকে পাহাড়ি এলাকায় নিরাপদ আশ্রয় নেন।   আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর সাতটি ইউনিট এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্যরা। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে জানান অলক বিশ্বাস।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে চালু হওয়া এই পাম্পে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার এলপিজি গ্যাস মজুত ছিল। বিস্ফোরণের ফলে ট্যাংক থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের অনেক ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে যায়। ঘরের ভেতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারগুলোও থেমে থেমে বিস্ফোরিত হতে থাকে।   ঘটনার পর রাত আটটা থেকে ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। ফলে হোটেল–মোটেল জোনের অন্তত দুই শতাধিক স্থাপনা অন্ধকারে রয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন, এটি নাশকতামূলক ঘটনা হতে পারে, তবে কর্তৃপক্ষ এখনো বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।   এ ঘটনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন দগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

১৬ মিনিট Ago
বিল গেটস স্বীকার করেন অতীতে দুই রুশ নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিলো

মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বখ্যাত দাতা প্রতিষ্ঠান বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান বিল গেটস সম্প্রতি একটি অভ্যন্তরীণ টাউনহল বৈঠকে স্বীকার করেছেন যে অতীতে তার দুইজন রুশ নারীসহ সম্পর্ক ছিল, যা পরে আলোচনার বিষয় হয়েছে।     গেটস এই বক্তব্যটি করেছিলেন ফাউন্ডেশনের কর্মীদের সঙ্গে ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত একটি সভায়, যেখানে তিনি জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী সম্পর্ক ও ভুলের দায়িত্ব নিয়ে কথাবার্তা বলছিলেন।    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গেটস ওই সভায় বলেছেন যে তার অতীতে দুইটি ব্যাক্তিগত সম্পর্ক হয়েছে, এবং এপস্টিন তা পরে জানতে পেরেছিল। তিনি পাশাপাশি বলেছেন যে এই সম্পর্কগুলো এপস্টিনের ভুক্তভোগীদের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না এবং কোনো অবৈধ আচরণ ছিল না।     গেটস এই ভুল সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভুলগুলোকে “ভাল সিদ্ধান্ত নয়” বলে উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে তিনি কোনো অপরাধে লিপ্ত বা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না।     এ ঘটনার তথ্যের উৎস হিসেবে রয়টার্স এবং দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করা হয়েছে, যা গেটসের Town Hall-এর একটি রেকর্ডিং এবং Gates Foundation-এর মুখপাত্রের বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

৪৮ মিনিট Ago
ব্যাংকিং খাতে সরাসরি অভিজ্ঞতা ছাড়াই গভর্নর নিয়োগ, আলোচনায় মোস্তাকুর রহমান

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগ আর্থিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তার প্রকাশিত জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তিনি একজন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CMA) এবং ৩৩ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতার অধিকারী।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (অনার্স) ও মাস্টার্স সম্পন্ন করা মোস্তাকুর রহমান দীর্ঘ সময় ধরে কর্পোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক গভর্ন্যান্স এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা খাতে কাজ করেছেন। তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব, এটাব ও ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে সিভিতে উল্লেখ আছে।   তবে জীবনবৃত্তান্তে সরাসরি বাণিজ্যিক ব্যাংক পরিচালনা বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের স্পষ্ট অভিজ্ঞতার উল্লেখ নেই। এ কারণে ব্যাংকিং খাতে তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে।   অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, আর্থিক শাসন, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ঝুঁকি তদারকি ও ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনে সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, সরাসরি ব্যাংকিং খাতে অভিজ্ঞতার অভাব নীতিনির্ধারণ ও সংকট মোকাবিলায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।   নতুন গভর্নরের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন জোরদার করা। আর্থিক খাতের অংশীজনরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্থিতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

৫৬ মিনিট Ago
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বুয়েটে আগমন: রাত ১টায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১ টার সময় নাসিরুদ্দ্দিন পাটোয়ারী তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)–এর কয়েকজন ছাত্রের আমন্ত্রণে তিনি সেখানে তারাবির নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন। নামাজের আগে একজন তাকে জানান, অরাজনৈতিক ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের বক্তব্য দেওয়া যাবে না। তিনি সঙ্গে সঙ্গে তা মেনে নেন এবং নামাজ শেষে সেখান থেকে বের হন।   নামাজ শেষে পাটোয়াড়ী শহীদ আবরার ফাহাদ ও ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন। এরপর পলাশীতে গিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নেন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এই সময় কয়েকজন “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” স্লোগান দেয়, যা তিনি নিজেই থামিয়ে দেন।   তিনি জানিয়েছেন, অরাজনৈতিক বুয়েটের সিদ্ধান্তকে তিনি সর্বোচ্চ সম্মান করেছেন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আরও বলেন, শুনেছি আমার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল হবে, স্বাগতম। যদি উপরের কাজগুলো অপরাধ হয়ে থাকে, তবে আমাকে শাস্তি দিন, আমার শির আপনারা আদালতে নত।   পাটোয়াড়ী পোস্টে উল্লেখ করেন, তিনি নিয়ত করেছেন আগামী ৩০ দিনে ৩০টি ভিন্ন মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করবেন। এই উদ্যোগের নাম দিয়েছেন “রিহলা-এ-তারাবি”, যেখানে “রিহলা” অর্থ ভ্রমণ, অর্থাৎ ৩০টি মসজিদে ভ্রমণের মাধ্যমে ৩০ তারাবি আদায়ের এক আত্মিক সফর।   এদিকে, তাঁর BUET আগমনকে ঘিরে শিক্ষার্থীরা রাত ১টায় বুয়েট শহীদ মিনারের সামনে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল এবং প্রেস ব্রিফিং শুরু করে।

১ ঘন্টা Ago
কক্সবাজার শহরের কলাতলী আদর্শগ্রামে গ্যাসপাম্পে বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের ঘরবাড়িতে। বুধবার রাতের চিত্র। ছবি: সংগৃহীত
সারাদেশ
কক্সবাজারে এলপিজি পাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আগুনে ঘরবাড়ি পুড়ে আতঙ্ক

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি এলপিজি গ্যাসপাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে কলাতলী বাইপাস সড়কের আদর্শগ্রাম এলাকায় অবস্থিত এন আলম এলপিজি গ্যাসপাম্প-এ এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত আশপাশের বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।   প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর গ্যাসপাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ পর ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাসে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন পুনরায় ছড়িয়ে পড়ে।   ঘটনাস্থলের আশপাশে অন্তত পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম দিকে অবস্থিত কলাতলী হোটেল–মোটেল জোন এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। বিস্ফোরণের আগুন রাত ১১টার মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয় এবং অনেকে পাহাড়ি এলাকায় নিরাপদ আশ্রয় নেন।   আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর সাতটি ইউনিট এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্যরা। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে জানান অলক বিশ্বাস।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে চালু হওয়া এই পাম্পে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার এলপিজি গ্যাস মজুত ছিল। বিস্ফোরণের ফলে ট্যাংক থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের অনেক ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে যায়। ঘরের ভেতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারগুলোও থেমে থেমে বিস্ফোরিত হতে থাকে।   ঘটনার পর রাত আটটা থেকে ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। ফলে হোটেল–মোটেল জোনের অন্তত দুই শতাধিক স্থাপনা অন্ধকারে রয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন, এটি নাশকতামূলক ঘটনা হতে পারে, তবে কর্তৃপক্ষ এখনো বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।   এ ঘটনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন দগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার দেখানো নিয়ে রাজশাহী পুলিশের 'বিশেষ নির্দেশনা'

রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর অন্য মামলায় গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানোর বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান।  মঙ্গলবার এক গোপনীয় চিঠির মাধ্যমে এই কঠোর বার্তা পাঠানো হয়েছে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাটের পুলিশ সুপারদের। ডিআইজির পাঠানো ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যে সকল নেতাকর্মী জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় দলকে সংগঠিত করা বা মাঠপর্যায়ে তৎপরতা দেখানোর সক্ষমতা রাখেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে যারা এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নন, তাদের ক্ষেত্রে আপাতত পুনরায় গ্রেপ্তারের প্রয়োজন নেই। যদিও চিঠিতে সরাসরি আওয়ামী লীগের নাম নেওয়া হয়নি, তবে 'ফ্যাসিস্ট সংগঠন' শব্দবন্ধটি ব্যবহার করা হয়েছে। চিঠিটি ফাঁস হওয়ার পর ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করে একে পুলিশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে দাবি করেছেন। তিনি জানান, এটি নির্দিষ্ট কোনো দলের জন্য নয়, বরং সমাজে বিশৃঙ্খলা রোধে একটি আগাম সতর্কতামূলক বার্তা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই এমন কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ছবি: সংগৃহীত
ব্যাংকিং খাতে সরাসরি অভিজ্ঞতা ছাড়াই গভর্নর নিয়োগ, আলোচনায় মোস্তাকুর রহমান

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগ আর্থিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তার প্রকাশিত জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তিনি একজন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CMA) এবং ৩৩ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতার অধিকারী।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (অনার্স) ও মাস্টার্স সম্পন্ন করা মোস্তাকুর রহমান দীর্ঘ সময় ধরে কর্পোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক গভর্ন্যান্স এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা খাতে কাজ করেছেন। তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব, এটাব ও ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে সিভিতে উল্লেখ আছে।   তবে জীবনবৃত্তান্তে সরাসরি বাণিজ্যিক ব্যাংক পরিচালনা বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের স্পষ্ট অভিজ্ঞতার উল্লেখ নেই। এ কারণে ব্যাংকিং খাতে তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে।   অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, আর্থিক শাসন, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ঝুঁকি তদারকি ও ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনে সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, সরাসরি ব্যাংকিং খাতে অভিজ্ঞতার অভাব নীতিনির্ধারণ ও সংকট মোকাবিলায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।   নতুন গভর্নরের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন জোরদার করা। আর্থিক খাতের অংশীজনরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্থিতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ছবি: সংগৃহীত
জনগণের টাকায় বেতন পাওয়া পুলিশের কাজ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দমন করা নয় : জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, জনগণের অর্থে পরিচালিত পুলিশ বাহিনীর প্রধান কাজ হলো নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা বা দমন-পীড়ন চালানো নয়। আজ মঙ্গলবার তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি পুলিশের বর্তমান ভূমিকা ও আগামীর রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে এক শক্তিশালী বার্তা প্রদান করেন।   বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে দেশের জন্য একটি দীর্ঘ 'দুঃসময়' হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সেই সময়ে একদল অসৎ ও দলদাস পুলিশ কর্মকর্তা ফ্যাসিবাদী শক্তিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে নির্লজ্জ ভূমিকা রেখেছিল। যার চড়া মাসুল হিসেবে ২০২৪ সালে আমরা পুলিশের নৈতিক ভিত্তি ধসে পড়া এবং সাধারণ মানুষের তীব্র ক্ষোভ প্রত্যক্ষ করেছি।   সম্প্রতি ছাত্র, সাংবাদিক এবং শ্রমজীবী মানুষের ওপর পুলিশের আক্রমণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “নিরীহ নাগরিকদের ওপর এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি মূলত সেই পুরনো ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়ন সংস্কৃতিরই পুনরাবৃত্তি। আমি এহেন ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”   তিনি প্রশাসন ও নীতিনির্ধারকদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয় কোনো শক্তিই সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। যারা পুলিশ বাহিনীকে নিজেদের দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইবে কিংবা বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।   পরিশেষে তিনি এক নতুন ও মানবিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে বলেন, “আইনের শাসন মানে কেবল শক্তির আস্ফালন নয়, বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। পুলিশ বাহিনীকে প্রকৃত অর্থে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই যেখানে রাষ্ট্র হবে মানুষের ভরসার স্থল, ভয়ের নয়।”

ছবি: সংগৃহীত
ভোলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য লিগ্যাল নোটিশ

দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা ভোলার প্রায় ১৮ লাখ মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোলায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি মেডিকেল কলেজ ও আধুনিক হাসপাতাল স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।   গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে এই নোটিশ পাঠানো হয়। এর আগে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়ে সরকারের কাছে আবেদন করলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি আইনি পথ বেছে নিয়েছেন।   নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ভোলা একটি নদী ও সাগরবেষ্টিত বিচ্ছিন্ন জনপদ। এখানকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। বর্তমানে ভোলায় কোনো জটিল রোগ বা জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে রোগীদের ৪-৫ ঘণ্টা নদীপথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল বা ঢাকা যেতে হয়। যাতায়াতের এই দীর্ঘ সময়ে এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে পথেই বহু রোগীর মৃত্যু হয় কিংবা অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও ভোলার স্বাস্থ্য খাতে তেমন কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। বিদ্যমান জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো জনবল সংকট ও আধুনিক সরঞ্জামের অভাবে প্রায় অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে।   অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া তাঁর নোটিশে দেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) এবং ৩২ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। ভোলার বিশাল জনগোষ্ঠীকে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা রাষ্ট্রের নীতিগত অঙ্গীকারের পরিপন্থী। তাই মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং চিকিৎসাসেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ভোলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন এখন সময়ের দাবি।   তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই লিগ্যাল নোটিশের প্রেক্ষিতে যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়, তবে তিনি ভোলার আপামর জনগণের স্বার্থ রক্ষায় উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করবেন।   নতুন বাংলাদেশের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ভোলার মতো উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের এই ন্যায়সঙ্গত দাবিটি এখন সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সচেতন মহলের প্রত্যাশা, সরকার দ্রুত এই দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করবে।

ছবি: সংগৃহীত
স্ত্রীসহ র‍্যাবের সাবেক ডিজির ১০ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) হারুন অর রশিদ এবং তাঁর স্ত্রী ফাতেহা ফারভীন লুনার বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আদালত। তাঁদের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।   দুদকের অনুসন্ধান দল জানিয়েছে, সাবেক এই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১০০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়ে নিবিড় অনুসন্ধান চলছে। প্রাথমিক তদন্তে তাঁদের আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।   আদালতে পেশ করা দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, অভিযুক্তরা তাঁদের ওয়ান ব্যাংকের বিভিন্ন মেয়াদী আমানত এবং জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সঞ্চয়পত্রসহ প্রায় ৬৪ লাখ টাকার অধিক সম্পদ অন্যত্র সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করছেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। এই সম্পদ যেন হাতবদল বা পাচার হতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই আইনি প্রক্রিয়ায় এগুলো অবরুদ্ধ করার আবেদন জানানো হয়েছিল।   নতুন বাংলাদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এমন পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই আদেশের ফলে পাচারকৃত অর্থের উৎস এবং নেপথ্যের কুশীলবদের শনাক্ত করা আরও সহজ হবে। খুব শীঘ্রই এই দম্পতির অন্যান্য সম্পদের বিষয়েও বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে পেশ করবে দুদক।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
বিল গেটস। ছবি: সংগৃহীত
বিল গেটস স্বীকার করেন অতীতে দুই রুশ নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিলো
শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বখ্যাত দাতা প্রতিষ্ঠান বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান বিল গেটস সম্প্রতি একটি অভ্যন্তরীণ টাউনহল বৈঠকে স্বীকার করেছেন যে অতীতে তার দুইজন রুশ নারীসহ সম্পর্ক ছিল, যা পরে আলোচনার বিষয় হয়েছে।     গেটস এই বক্তব্যটি করেছিলেন ফাউন্ডেশনের কর্মীদের সঙ্গে ২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত একটি সভায়, যেখানে তিনি জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী সম্পর্ক ও ভুলের দায়িত্ব নিয়ে কথাবার্তা বলছিলেন।    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গেটস ওই সভায় বলেছেন যে তার অতীতে দুইটি ব্যাক্তিগত সম্পর্ক হয়েছে, এবং এপস্টিন তা পরে জানতে পেরেছিল। তিনি পাশাপাশি বলেছেন যে এই সম্পর্কগুলো এপস্টিনের ভুক্তভোগীদের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না এবং কোনো অবৈধ আচরণ ছিল না।     গেটস এই ভুল সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভুলগুলোকে “ভাল সিদ্ধান্ত নয়” বলে উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে তিনি কোনো অপরাধে লিপ্ত বা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না।     এ ঘটনার তথ্যের উৎস হিসেবে রয়টার্স এবং দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করা হয়েছে, যা গেটসের Town Hall-এর একটি রেকর্ডিং এবং Gates Foundation-এর মুখপাত্রের বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মার্জ (বাঁয়ে) ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (ডানে)
বাণিজ্য ও কূটনীতিতে নতুন মোড়: দুই দিনের সফরে চীনে জার্মান চ্যান্সেলর
শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0

বিশ্ব অর্থনীতির দুই পরাশক্তি জার্মানি ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক টানাপোড়েন নিরসন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দুই দিনের এক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে চীন পৌঁছেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মার্জ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেইজিং পৌঁছানোর পর তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চ্যান্সেলর মার্জকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিতে চীন ও জার্মানির উচিত একে অপরের ‘নির্ভরযোগ্য অংশীদার’ হিসেবে কাজ করা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের কঠোর শুল্ক নীতির প্রতি ইঙ্গিত করে শি বলেন, বৈশ্বিক মুক্ত বাণিজ্য রক্ষায় দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত জরুরি। চীন ইউরোপের স্বনির্ভরতাকে সমর্থন করে এবং আশা করে যে ইউরোপও চীনের সাথে সমান তালে কাজ করবে। বাণিজ্যিক আলোচনার পাশাপাশি ভূ-রাজনৈতিক বিষয়গুলোও গুরুত্ব পেয়েছে এই সফরে। বৈঠকে চ্যান্সেলর মার্জ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চীনের প্রভাব কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “মস্কো বেইজিংয়ের সিগন্যালকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়। আমরা চাই চীন এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখুক।” জবাবে প্রেসিডেন্ট শি জানান, চীন আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষপাতি। এছাড়া তাইওয়ান ইস্যুতে মার্জ স্পষ্ট করেন যে, যেকোনো ধরণের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া অবশ্যই শান্তিপূর্ণ হতে হবে। সফরের শুরুতেই জার্মানির জন্য বড় ধরণের বাণিজ্যিক সুসংবাদ মিলেছে। আলোচনার পর মার্জ ঘোষণা করেন যে, ইউরোপীয় বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 'এয়ারবাস' থেকে ১২০টি বিমান কেনার বিষয়ে বেইজিং সম্মতি দিয়েছে। এই চুক্তিকে তিনি তার সফরের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেন। সফরে মার্জের সাথে রয়েছেন বিএমডব্লিউ (BMW) এবং ভক্সওয়াগেনের (Volkswagen) মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। চীনের প্রিমিয়ার লি ছিয়াংয়ের সাথে বৈঠকে মার্জ জার্মানির উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। গত বছর চীনের সাথে জার্মানির বাণিজ্য ঘাটতি ছিল প্রায় ৯০ বিলিয়ন ইউরো। মার্জ বলেন, “এই ভারসাম্যহীন বাণিজ্য সুস্থ অর্থনীতির লক্ষণ নয়।” তিনি চীনা কোম্পানিগুলোকে জার্মানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বাজারের অসম প্রতিযোগিতা দূর করার অনুরোধ করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণার ফলে বিশ্বজুড়ে যে বাণিজ্যিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা থেকে নিজেদের অর্থনীতিকে সুরক্ষা দিতেই ইউরোপীয় নেতারা এখন বেইজিংয়ের দিকে ঝুঁকছেন। মার্জের এই সফরকে সেই প্রচেষ্টারই একটি অংশ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। আগামীকাল সফরের দ্বিতীয় দিনে চ্যান্সেলর মার্জ চীনে কর্মরত বিভিন্ন জার্মান প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন এবং দুই দেশের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ১২৯ সাংবাদিক নিহত
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0

২০২৫ সালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বিশ্বের ১২৯ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন। নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের জন্য সরাসরি দায়ী ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ২০২৫ সালে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে মোট ৮৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই গাজার ফিলিস্তিনি। এছাড়া গত সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর গণমাধ্যম কার্যালয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও ৩১ জন প্রাণ হারান। সিপিজে এটি তিন দশকের ইতিহাসে সাংবাদিকদের জন্য দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাণঘাতী একক হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ৪৭টি হত্যাকাণ্ডকে ‘ইচ্ছাকৃত লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৮১ শতাংশের নেপথ্যে ইসরায়েল। তবে গাজায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে সংস্থাটি ধারণা করছে।   গাজা ও ইয়েমেনের বাইরেও পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। নিহত ১২৯ জনের মধ্যে ১০৪ জন সংঘাত-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে সুদানে ৯ জন, মেক্সিকোতে ৬ জন, ইউক্রেনে ৪ জন এবং ফিলিপাইনে ৩ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।   সিপিজের তথ্যে বলা হয়েছে, তিন দশকের তথ্য সংগ্রহের ইতিহাসে কোনো দেশের সামরিক বাহিনীর তুলনায় ইসরায়েল সর্বোচ্চ সংখ্যক পরিকল্পিত সাংবাদিক হত্যার সঙ্গে যুক্ত।

ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি ইলহান ওমার।
স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে ট্রাম্পকে ‘মিথ্যাবাদী’ বললেন ইলহান ওমার
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমার মঙ্গলবার রাতের স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি সমালোচনা করেন। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সোমালি জলদস্যুরা মিনেসোটা লুটপাট করেছে এবং সেখানে ঘুষ, দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলার মাধ্যমে সমস্যা সৃষ্টি করেছে। ওমার তার বক্তব্যের উত্তরে ট্রাম্পকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে অভিহিত করেন এবং বলেন, “আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন। আপনি যে আমেরিকানদের হত্যা করেছেন তার জন্য লজ্জা পাওয়া উচিত।”   ট্রাম্প তার অভিবাসন নীতি এবং আশ্রয়শিবির নীতি সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সীমাহীন অভিবাসন এবং মুক্ত সীমান্তের মাধ্যমে সমস্যা আমেরিকায় আসে। মিনেসোটার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যে দুর্নীতি আমেরিকাকে লুটপাট করছে, তার চেয়ে বেশি উদাহরণ মিনেসোটা, যেখানে সোমালি সম্প্রদায় প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলার আমেরিকান করদাতাদের থেকে কেড়ে নিয়েছে।”   ওমার তার আসন থেকে বারবার ট্রাম্পকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে সম্বোধন করেন। ভাষণ চলাকালীন ডেমোক্র্যাটরা চেঁচামেচি ও প্রতিবাদ চালিয়ে যান, যেখানে রিপাবলিকানরা দাঁড়িয়ে সমর্থন জানান। এই বাকবিতণ্ডা যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে বিদ্যমান রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।   সূত্র - এনডিটিভি

Follow us

Trending

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
138 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
141 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
101 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
ধর্ম
Advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
সারাদেশ
জাতীয়