Live update news
নিউইয়র্কের বুকে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’, প্রবাসীদের পরিচয় ও উপস্থিতির প্রতীক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস এলাকায় “বাংলাদেশ স্ট্রিট” নামের একটি সড়কচিহ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে। নিউইয়র্কের ব্যস্ত ও বহুজাতিক এই নগরীতে বাংলাদেশের নাম বহনকারী সাইনবোর্ডটিকে অনেকেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিচয়, উপস্থিতি ও দীর্ঘদিনের অবদানের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।   সম্প্রতি নিউইয়র্কের বাফেলোভিত্তিক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পার্সোনাল ইনজুরি অ্যাটর্নি জনাব নাজমুস সাকিব তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে “Bangladesh Street” সাইনবোর্ডের একটি ছবি শেয়ার করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, “জোহরান মামদানির নিউইয়র্ক সিটি!”।   ছবিতে দেখা যায়, নিউইয়র্ক সিটির ৭৩ স্ট্রিটের পাশে আনুষ্ঠানিকভাবে “Bangladesh Street” লেখা একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। জ্যাকসন হাইটস এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট, মুদি দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও কমিউনিটি কার্যক্রম। এ কারণেই এলাকাটি অনেকের কাছে “লিটল বাংলাদেশ” নামেও পরিচিত।   কমিউনিটি নেতাদের মতে, “বাংলাদেশ স্ট্রিট” নামকরণ শুধু একটি সড়কের পরিচয় নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কয়েক দশকের পরিশ্রম, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং কমিউনিটির বিকাশের একটি প্রতীকী স্বীকৃতি। নিউইয়র্কের মতো আন্তর্জাতিক শহরে বাংলাদেশের নাম দৃশ্যমান হওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য গর্বের বিষয় বলেও মনে করছেন অনেকে।   প্রবাসীদের একাংশের মতে, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের নাম এভাবে প্রকাশ্যে দেখতে পাওয়া নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানদের মধ্যেও নিজেদের শিকড়, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে সহায়তা করে।   তাদের ভাষায়, নিউইয়র্কের “বাংলাদেশ স্ট্রিট” শুধু একটি সাইনবোর্ড নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি কমিউনিটির দৃশ্যমান উপস্থিতি ও বহুমাত্রিক অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

১ ঘন্টা Ago
বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল ও সবুজ জ্বালানি ব্যবস্থার পথে এগোচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার দিকে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।   অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে জাতীয় সংসদ ভবনের এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বীর বিক্রম। এতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই উদ্যোগ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নয়, এটি বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ ভবনের ছাদে সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, নেতৃত্ব শুধু নীতিতে নয়, বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হতে হবে।   তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারিত হচ্ছে, শিল্পায়ন বাড়ছে এবং বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক ঝুঁকি দেশের বাস্তবতা। তাই টেকসই জ্বালানির দিকে অগ্রসর হওয়া এখন অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।   তিনি জানান, বাংলাদেশে সৌরশক্তির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের ছাদ, শিল্পাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।   অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।

৩ ঘন্টা Ago
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি’র সঙ্গে পর্দায় জায়েদ খান, প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আসছে নতুন শর্টফিল্ম

নিউইয়র্কভিত্তিক প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম, স্বপ্ন ও বাস্তবতা তুলে ধরা শর্টফিল্ম সিরিজ ‘ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস এপিসোড ২’-এ এবার অভিনয় করেছেন ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান এবং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানি। জন কবির ও সাদ আল আমীনের যৌথ পরিচালনায় নির্মিত এই পর্বটি আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ‘ঠিকানা’র পর্দায় মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।   প্রযোজনা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে নির্মিত সিরিজটির প্রথম পর্ব গত মার্চে প্রকাশের পর দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সেই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় পর্বে যুক্ত হয়েছে নতুন এই অভিনয় জুটি, যা নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশি দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।   শুটিং প্রসঙ্গে জায়েদ খান জানান, নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার জন্য ভিন্নমাত্রার। তিনি বলেন, শুটিং চলাকালে জোহরান মামদানি পেশাদারভাবে কাজ করেছেন এবং পরিচালকের নির্দেশনা মেনে পুরো প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।   জায়েদ খান আরও জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রযোজনা টিম ‘ঠিকানা’র রুহিন হোসেন ও আনুভা শাহীন হোসেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাদের উদ্যোগে মেয়রের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং ইমেইলের মাধ্যমে প্রকল্পের ধারণা উপস্থাপনের পর শুটিংয়ের অনুমতি পাওয়া যায়।   শুটিং সেটে মেয়রের আচরণকে পেশাদার ও সহযোগিতামূলক হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। তার মতে, ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যেও পুরো কাজটি মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।   নিউইয়র্কভিত্তিক এই শর্টফিল্ম সিরিজ ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আগ্রহ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের একজন অভিনেতার এমন উপস্থিতি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

৬ ঘন্টা Ago
শতাধিক মসজিদ উদ্যোগ নিউইয়র্কে খোলা মাঠে ঈদুল আজহার নামাজে প্রস্তুতি

নিউইয়র্ক সিটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে খোলা মাঠ ও মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সাড়ে তিন শতাধিক মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার। ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে পার্ক, স্কুলের খেলার মাঠ, পার্কিং লট এবং মসজিদসংলগ্ন সড়ক ব্যবহারের অনুমতি নিয়েছে বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠন।   শুক্রবার ও শনিবার নিউইয়র্কের বিভিন্ন বরোতে একাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। যেসব মসজিদ খোলা মাঠে নামাজের আয়োজন করেছে, সেখানে সাধারণত একটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আর মসজিদের ভেতরে আয়োজন করা হলে সর্বোচ্চ চারটি পর্যন্ত জামাতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বেশিরভাগ স্থানে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগও থাকবে।   নিউইয়র্ক ঈদগাহ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় এবার ছয়টি পৃথক জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৬টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এসব জামাত আয়োজন করা হবে।   জ্যামাইকার জামাইকা মুসলিম সেন্টারের পক্ষ থেকে থমাস এডিসন স্কুল মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। ব্রুকলিনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড এলাকায় বায়তুল জান্নাহ জামে মসজিদের উদ্যোগে সড়কের ওপর জামাতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দূরে কোরবানি কাজে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের সুবিধার্থে ভোরে বিশেষ জামাতের আয়োজনও করা হয়েছে।   ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টারে বাংলাবাজার জামে মসজিদের আয়োজনে পিএস ১০৬ স্কুলের মাঠে খোলা আকাশের নিচে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বৃষ্টি হলে সেখানে একাধিক সময়সূচিতে জামাতের বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।   ওজোন পার্ক, ব্রুকলিন, ম্যানহাটনসহ বিভিন্ন এলাকায় মসজিদভিত্তিক ও খোলা মাঠে ঈদের জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কিছু স্থানে বৃষ্টি পরিস্থিতির জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।   ম্যানহাটনের ইসলামিক কালচারাল সেন্টারে সকাল থেকে চারটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আস-সাফা ইসলামিক সেন্টারেও তিনটি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন মসজিদে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘নো পার্কিং’ নির্দেশনা, পুলিশ টহল এবং সমন্বিত ব্যবস্থাপনা নেওয়া হয়েছে।   ঈদ জামাত ঘিরে নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন এলাকায় মুসল্লিদের অংশগ্রহণ বাড়ছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

৬ ঘন্টা Ago
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল ও সবুজ জ্বালানি ব্যবস্থার পথে এগোচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার দিকে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।   অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে জাতীয় সংসদ ভবনের এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বীর বিক্রম। এতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই উদ্যোগ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নয়, এটি বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ ভবনের ছাদে সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, নেতৃত্ব শুধু নীতিতে নয়, বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হতে হবে।   তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারিত হচ্ছে, শিল্পায়ন বাড়ছে এবং বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক ঝুঁকি দেশের বাস্তবতা। তাই টেকসই জ্বালানির দিকে অগ্রসর হওয়া এখন অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।   তিনি জানান, বাংলাদেশে সৌরশক্তির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের ছাদ, শিল্পাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।   অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।

শাহারিয়া নয়ন প্রকাশ: মে ২৩, ২০২৬ ২৩:২৫
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের বুকে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’, প্রবাসীদের পরিচয় ও উপস্থিতির প্রতীক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস এলাকায় “বাংলাদেশ স্ট্রিট” নামের একটি সড়কচিহ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে। নিউইয়র্কের ব্যস্ত ও বহুজাতিক এই নগরীতে বাংলাদেশের নাম বহনকারী সাইনবোর্ডটিকে অনেকেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিচয়, উপস্থিতি ও দীর্ঘদিনের অবদানের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।   সম্প্রতি নিউইয়র্কের বাফেলোভিত্তিক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পার্সোনাল ইনজুরি অ্যাটর্নি জনাব নাজমুস সাকিব তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে “Bangladesh Street” সাইনবোর্ডের একটি ছবি শেয়ার করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, “জোহরান মামদানির নিউইয়র্ক সিটি!”।   ছবিতে দেখা যায়, নিউইয়র্ক সিটির ৭৩ স্ট্রিটের পাশে আনুষ্ঠানিকভাবে “Bangladesh Street” লেখা একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। জ্যাকসন হাইটস এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট, মুদি দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও কমিউনিটি কার্যক্রম। এ কারণেই এলাকাটি অনেকের কাছে “লিটল বাংলাদেশ” নামেও পরিচিত।   কমিউনিটি নেতাদের মতে, “বাংলাদেশ স্ট্রিট” নামকরণ শুধু একটি সড়কের পরিচয় নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসীদের কয়েক দশকের পরিশ্রম, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং কমিউনিটির বিকাশের একটি প্রতীকী স্বীকৃতি। নিউইয়র্কের মতো আন্তর্জাতিক শহরে বাংলাদেশের নাম দৃশ্যমান হওয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য গর্বের বিষয় বলেও মনে করছেন অনেকে।   প্রবাসীদের একাংশের মতে, বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের নাম এভাবে প্রকাশ্যে দেখতে পাওয়া নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানদের মধ্যেও নিজেদের শিকড়, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে সহায়তা করে।   তাদের ভাষায়, নিউইয়র্কের “বাংলাদেশ স্ট্রিট” শুধু একটি সাইনবোর্ড নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি কমিউনিটির দৃশ্যমান উপস্থিতি ও বহুমাত্রিক অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ঠিকানা’
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি’র সঙ্গে পর্দায় জায়েদ খান, প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আসছে নতুন শর্টফিল্ম

নিউইয়র্কভিত্তিক প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম, স্বপ্ন ও বাস্তবতা তুলে ধরা শর্টফিল্ম সিরিজ ‘ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস এপিসোড ২’-এ এবার অভিনয় করেছেন ঢালিউড অভিনেতা জায়েদ খান এবং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানি। জন কবির ও সাদ আল আমীনের যৌথ পরিচালনায় নির্মিত এই পর্বটি আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় ‘ঠিকানা’র পর্দায় মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।   প্রযোজনা সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে নির্মিত সিরিজটির প্রথম পর্ব গত মার্চে প্রকাশের পর দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সেই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় পর্বে যুক্ত হয়েছে নতুন এই অভিনয় জুটি, যা নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশি দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।   শুটিং প্রসঙ্গে জায়েদ খান জানান, নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার জন্য ভিন্নমাত্রার। তিনি বলেন, শুটিং চলাকালে জোহরান মামদানি পেশাদারভাবে কাজ করেছেন এবং পরিচালকের নির্দেশনা মেনে পুরো প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।   জায়েদ খান আরও জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রযোজনা টিম ‘ঠিকানা’র রুহিন হোসেন ও আনুভা শাহীন হোসেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাদের উদ্যোগে মেয়রের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং ইমেইলের মাধ্যমে প্রকল্পের ধারণা উপস্থাপনের পর শুটিংয়ের অনুমতি পাওয়া যায়।   শুটিং সেটে মেয়রের আচরণকে পেশাদার ও সহযোগিতামূলক হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। তার মতে, ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যেও পুরো কাজটি মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।   নিউইয়র্কভিত্তিক এই শর্টফিল্ম সিরিজ ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আগ্রহ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের একজন অভিনেতার এমন উপস্থিতি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

হলিউড অভিনেত্রী স্কারলেট জোহানসন। ছবি: সংগৃহীত
সাফল্য ও আয়ের শীর্ষে থেকেও জীবনে ‘ঘাটতি’ অনুভব করেন হলিউড অভিনেত্রী স্কারলেট জোহানসন

হলিউড অভিনেত্রী স্কারলেট জোহানসন স্বীকার করেছেন, নিখুঁত ‘কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য’ বলে বাস্তবে কিছু নেই। বিশ্বজুড়ে খ্যাতি, ব্যস্ত ক্যারিয়ার এবং কোটি ডলারের আয় থাকা সত্ত্বেও জীবনের কোনো না কোনো অংশে সবসময়ই ঘাটতি থেকে যায় বলে মনে করেন তিনি।   মার্কিন টেলিভিশন অনুষ্ঠান “সিবিএস সানডে মর্নিং”-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।   স্কারলেট বলেন, কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে পুরোপুরি ভারসাম্য রাখা সম্ভব নয়—এ বিষয়টি মেনে নেওয়াই আসলে প্রথম ধাপ। তার ভাষায়, “সব সময় জীবনের কোনো না কোনো জায়গায় একটা ঘাটতি থেকেই যায়। সবকিছু একসঙ্গে নিখুঁতভাবে করা সম্ভব না। তাই নিজের প্রতি একটু সহানুভূতিশীল হওয়া শিখেছি।”   মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নিজেকেই সবকিছু ঠিকভাবে সামলানোর চাপ দিয়েছেন। তবে সময়ের সঙ্গে বুঝেছেন, প্রতিটি ক্ষেত্রেই শতভাগ নিখুঁত হওয়া বাস্তবসম্মত নয়।   বর্তমানে স্কারলেট জোহানসন একদিকে যেমন অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত, অন্যদিকে পরিবার ও ব্যবসাও সামলাচ্ছেন। কৌতুক অভিনেতা কলিন জোস্টের সঙ্গে তার সংসার এবং দুই সন্তান রয়েছে। পাশাপাশি সম্প্রতি নিজের ত্বক পরিচর্যা ব্র্যান্ডও চালু করেছেন তিনি।   ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে স্কারলেট জোহানসনের আয় ছিল প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। একই সঙ্গে চলতি বছরের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী হিসেবেও তার নাম ঘোষণা করা হয়েছে।   তবে সাফল্য নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি আগের চেয়ে অনেক বদলে গেছে বলে জানান এই অভিনেত্রী। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, একবার একজন তাকে বলেছিলেন, “আপনি যদি একজন অভিভাবক হিসেবে ৭৫ শতাংশ সময়ও ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেটাই অনেক বড় অর্জন।”   স্কারলেটের মতে, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে নিজের সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করা এবং মানসিক ভারসাম্য ধরে রাখাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে, বিশেষ করে কর্মজীবন ও পরিবার একসঙ্গে সামলানো মানুষদের মধ্যে।

পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো | ছবি: সংগৃহীত
আয়ের দিক থেকে ফোর্বসের শীর্ষে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

ফোর্বসের জরিপে আয়ের দিক থেকে ফুটবল জগতের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা টানা চতুর্থ এবং সব মিলিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ফোর্বসের সর্বোচ্চ আয়কারী অ্যাথলেট নির্বাচিত হয়েছেন।   গত ১২ মাসে কর এবং এজেন্ট ফি বাদে রোনালদোর আনুমানিক আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ কোটি ডলারে। এর মধ্যে সৌদির ক্লাব আল নাসরের খেলার চুক্তি থেকে তিনি পেয়েছেন ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বাকি ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার এসেছে বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাত থেকে।   ফোর্বসের আয়ের তালিকায় ষষ্ঠবার শীর্ষে উঠে রোনালদো এখন বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডানের পাশে স্থান করে নিয়েছেন। এই তালিকায় রেকর্ড ১১ বার শীর্ষে থেকে তার ওপরে আছেন কেবল যুক্তরাষ্ট্রের গলফ কিংবদন্তি টাইগার উডস।   ৩০ কোটি ডলার আয়ের মাধ্যমে রোনালদো মুষ্টিযোদ্ধা ফ্লয়েড মেওয়েদার জুনিয়রের ২০১৫ সালের আয়ের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন। ১৯৯০ সালে ফোর্বস অ্যাথলেটদের আয়ের তালিকা প্রকাশ শুরুর পর এটি এক বছরে যৌথভাবে সর্বোচ্চ আয়ের অনন্য রেকর্ড।

ছবি: সংগৃহীত
আবারও আকাশে ডানা মেলছে ‘প্যান অ্যাম’: এক সময়ের কিংবদন্তি বিমান সংস্থার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন

এভিয়েশন বা বিমান চলাচলের ইতিহাসে ‘প্যান আমেরিকান ওয়ার্ল্ড এয়ারওয়েজ’ বা সংক্ষেপে ‘প্যান অ্যাম’ একটি রূপকথার নাম। ১৯২৭ সালে যাত্রা শুরু করা এই মার্কিন বিমান সংস্থাই বিশ্ববাসীকে প্রথম দূরপাল্লার বিমান ভ্রমণের স্বাদ দিয়েছিল। তবে ভুল ব্যবসায়িক কৌশল আর বৈশ্বিক সংকটের কারণে ১৯৯১ সালে বন্ধ হয়ে যায় এই কিংবদন্তি ব্র্যান্ড। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর, সেই গৌরবময় সোনালী অতীতকে ফিরিয়ে আনতে একবিংশ শতাব্দীতে এক বিশাল ও উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।     ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্যালিফোর্নিয়ার উদ্যোক্তা ক্রেইগ কার্টারের নেতৃত্বাধীন একদল বিনিয়োগকারী প্যান অ্যামের সমস্ত স্বত্ব ও লাইসেন্স কিনে নেন। তাঁদের লক্ষ্য—প্যান অ্যামকে কেবল একটি বিমান সংস্থা হিসেবে নয়, বরং একটি প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করা।   নস্টালজিয়ার জাদুতে সফল ‘এয়ার ক্রুজ’ দীর্ঘ ৩০ বছর বন্ধ থাকলেও বিমানপ্রেমীদের মনে প্যান অ্যামের আবেদন যে ফুরিয়ে যায়নি, তার প্রমাণ মেলে গত বছরের (২০২৫) জুন মাসে। সে সময় প্যান অ্যামের লোগো ও নীল-সাদা রঙে সজ্জিত একটি বিশেষ বিমান ১২ দিনের এক ঐতিহাসিক ‘এয়ার ক্রুজ’ বা বিমান সফরের আয়োজন করে। আইসল্যান্ড এয়ার থেকে লিজ নেওয়া বোয়িং ৭৫৭-২০০ বিমানটিতে মাত্র ৫০টি বিলাসবহুল আসন ছিল।     নিউইয়র্ক থেকে রওনা হয়ে বারমুডা, লিসবন, মার্সেই, লন্ডন এবং আয়ারল্যান্ডের শ্যাননের মতো পুরোনো রুটে যাতায়াত করা এই সফরের টিকিটের মূল্য ছিল প্রায় ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। চড়া দাম সত্ত্বেও মাত্র তিন দিনের মধ্যে সফরের সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। এই সাফল্যই বিনিয়োগকারীদের বাণিজ্যিকভাবে আবারও আকাশে ফেরার আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।   বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ফেরা ও নতুন পরিকল্পনা প্যান অ্যামের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং এভিয়েশন খাতের অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব এড ওয়েগেল জানান, প্যান অ্যামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বিমান সংস্থা হিসেবে আকাশে ফিরিয়ে আনার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। তবে এবার বোয়িং নয়, প্যান অ্যামের নতুন চালিকাশক্তি হবে ইউরোপীয় বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের ‘এয়ারবাস এ২২০’ এবং ‘এ৩২০’ মডেলের বিমান।     প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আমেরিকার মিয়ামি শহরকে প্রধান কেন্দ্র (বেস) করে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল থেকে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার বাজারগুলোকে লক্ষ্য করে চার্টার্ড এবং নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এই বিমানগুলোতে ইকোনমি থেকে শুরু করে প্রিমিয়ার তিন শ্রেণির আসন বিন্যাস থাকবে। তবে বিমান সংকটের কারণে প্রথম ফ্লাইটের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।   ভবিষ্যতের প্যান অ্যাম হোটেল ও রেস্তোরাঁ: বিমান সংস্থার পাশাপাশি জীবনযাত্রার অন্যান্য খাতেও প্যান অ্যামের নাম যুক্ত হচ্ছে। আগামী ২০২৭ সালের মার্চ মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার কমার্স শহরে চালু হতে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘প্যান অ্যাম হোটেল’। বিখ্যাত হোটেল চেইন হিলটনের ব্যবস্থাপনায় এই হোটেলে থাকবে আশির দশকের বিমান ভ্রমণের নস্টালজিক আবহ। এছাড়া ২০২৬ সালের অক্টোবরে নিউইয়র্কের একটি বিমানবন্দরে চালু হবে প্রথম ‘প্যান অ্যাম রেস্তোরাঁ’। ২০২৮ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের প্যান অ্যাম লাউঞ্জ এবং ঘড়ি ও লেগো সেটের মতো বিভিন্ন লাইসেন্সড পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।     চ্যালেঞ্জ ও সমালোচনা প্যান অ্যামের এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তনকে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা দারুণ এক রোমাঞ্চকর উদ্যোগ বললেও এর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে। বিমান শিল্প বিশ্লেষক অ্যাডিসন শোনল্যান্ডের মতে, বর্তমানের তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে নতুন একটি প্রিমিয়াম বিমান সংস্থার টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে চলমান জ্বালানি সংকট যখন প্রতিষ্ঠিত বিমান সংস্থাগুলোকেই ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য করছে, তখন প্যান অ্যামের মতো ব্যয়বহুল ব্র্যান্ডের ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ কতটা মসৃণ হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

মতামত

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
থাইল্যান্ডে ভিসামুক্ত অবস্থানের মেয়াদ কমছে ৯০ দেশের জন্য
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: মে ২০, ২০২৬ ২:০

থাইল্যান্ড সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ ৯০টির বেশি দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল অবস্থানের সময়সীমা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ দিনের বেশি দেশটিতে থাকতে হলে পর্যটকদের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।   সরকারি সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, আগে কোভিড পরবর্তী অর্থনীতি চাঙা করতে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ৯৩টি দেশের পর্যটকদের ৬০ দিন পর্যন্ত ভিসা ছাড়াই থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি মন্ত্রিসভা সেই সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।   নতুন নীতিমালায় বিদেশি পর্যটকদের অবস্থানের সময়সীমা দেশভিত্তিকভাবে নির্ধারণ করা হবে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর নির্ভর করবে। নিরাপত্তা জোরদার এবং ভিসা ব্যবস্থায় জটিলতা কমানোর লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে মাদক ও মানবপাচারের মতো অপরাধে বিদেশি নাগরিকদের জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার ভারসাম্য রক্ষার জন্য বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন হয়েছে।   ৬০ দিনের ভিসামুক্ত সুবিধাপ্রাপ্ত দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইতালি ও স্পেন ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব দেশের নাগরিকদেরও ৩০ দিনের বেশি অবস্থানের জন্য ভিসা নিতে হবে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে।   সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একই দেশের নাগরিকদের জন্য একাধিক ভিসা সুবিধা থাকায় অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতো। নতুন নীতির মাধ্যমে সেই জটিলতা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।   পর্যটননির্ভর অর্থনীতির জন্য পরিচিত থাইল্যান্ডে ২০১৯ সালে প্রায় ৪ কোটি পর্যটক ভ্রমণ করেছিলেন। মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে পর্যটন খাত পুনরুদ্ধারের পথে থাকলেও সাম্প্রতিক নিরাপত্তা উদ্বেগ নীতিগত এই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ছবি: সংগৃহীত
চীনে ১০ পরিবারের ৯টিরই নিজস্ব বাড়ি, অর্থনৈতিক চাপ ও আবাসন সংকটে বদলাচ্ছে স্বপ্ন
নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ১৮, ২০২৬ ২২:০

চীনে দীর্ঘ তিন দশক ধরে নিজস্ব বাড়ির মালিক হওয়া ছিল মধ্যবিত্ত জীবনের অন্যতম বড় লক্ষ্য। সরকারি নীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পারিবারিক মূল্যবোধ মিলিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে গড়ে উঠেছিল শক্তিশালী আবাসন সংস্কৃতি। তবে ধীরগতির অর্থনীতি ও দীর্ঘস্থায়ী আবাসন সংকট সেই স্বপ্নকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।   চীনের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর দেশটিতে নতুন বাড়ি বিক্রির পরিমাণ নেমে এসেছে ২০১৪ সালের পর সর্বনিম্ন অবস্থানে। ২০২১ সালে যেখানে নতুন বাড়ি বিক্রির মূল্য ছিল ১৬ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান, সেখানে গত বছর তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে।   ম্যাককোয়ারি ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপের অর্থনীতিবিদেরা চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে জানান, নতুন বাড়ি বিক্রির পরিমাণ গত বছর ৮ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে এবং এই নিম্নমুখী প্রবণতা দ্রুত থামার কোনো ইঙ্গিত নেই।   বেইজিংয়ের ৩৬ বছর বয়সী গ্রাফিক ডিজাইনার কাই ইয়োচেংও আপাতত বাড়ি কেনার পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছেন। তিনি বলেন, ভাড়া বাসায় থাকলে অনেক সময় অস্থায়ী জীবনের অনুভূতি তৈরি হয় এবং নিজের ইচ্ছামতো ঘর সাজানোর স্বাধীনতা থাকে না। তারপরও বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ভাড়াতেই থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।   তার ভাষায়, “হিসাব করলে ভাড়া থাকাই বেশি যৌক্তিক মনে হয়। তবে মনের ভেতরে নিজের একটি বাড়ির ইচ্ছা এখনো আছে।”   চীনে বাড়ির মালিক হওয়া কেবল সম্পত্তির মালিকানা নয়, এটি পারিবারিক দায়িত্ব ও সামাজিক অবস্থানের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়। হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক এরিক ফং বলেন, কনফুসীয় পারিবারিক মূল্যবোধ চীনা সমাজে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে এবং পরিবারকে কেন্দ্র করেই জীবনের অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক উদারীকরণের পর চীনের কমিউনিস্ট সরকার ধীরে ধীরে কর্মস্থলনির্ভর আবাসন ব্যবস্থা কমিয়ে ব্যক্তিগত মালিকানাকে উৎসাহিত করতে শুরু করে। ১৯৯০-এর দশকে ভর্তুকিনির্ভর নীতির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়।   ইউনিভার্সিটি অ্যাট অ্যালবানির অধ্যাপক হুয়াং ইউচিন বলেন, অনেক মানুষ খুব কম দামে হঠাৎ করেই বাড়ির মালিক হয়ে যান। এতে বিপুলসংখ্যক ভাড়াটিয়া একসময় বাড়ির মালিক শ্রেণিতে পরিণত হন।   চীনা সমাজে সঞ্চয়ের প্রবণতাও এই প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করে। দ্রুত বাড়তে থাকা সম্পত্তির দাম আবাসন খাতকে জনপ্রিয় বিনিয়োগে পরিণত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক গ্রামীণ অভিবাসী শহরে বাড়ি কিনে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চেয়েছেন। আবার সন্তানদের বিয়ের সম্ভাবনা বাড়াতেও বাবা-মায়েরা অ্যাপার্টমেন্ট কিনে দিয়েছেন।   বিভিন্ন জরিপ ও গবেষণা অনুযায়ী, বর্তমানে চীনের প্রতি ১০টি পরিবারের ৯টিরই নিজস্ব বাড়ি রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ আবাসন মালিকানার হার।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির মালিকানার হার প্রায় ৬৫ শতাংশ। উচ্চশিক্ষার ঋণ ও বাড়ির বাড়তি মূল্য অনেক তরুণকে দীর্ঘ সময় ভাড়ায় থাকতে বাধ্য করছে।   তবে চীনের আবাসন খাতের দ্রুত উত্থানের সঙ্গে তৈরি হয়েছে বড় ঝুঁকিও। প্রবৃদ্ধির সময় অনেক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বিপুল ঋণ নেয়। অতিরিক্ত নির্মাণের কারণে বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয় ফাঁকা আবাসিক অঞ্চল ও অবিক্রীত প্রকল্প।   পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০২০ সালে চীনের কেন্দ্রীয় সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেয়। আবাসন খাত, যা একসময় দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রায় ৩০ শতাংশ জুড়ে ছিল, তা নিয়ন্ত্রণে নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়।   এই পদক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণ কমলেও সম্পত্তির দাম দ্রুত পড়ে যায়। অনেক ক্রেতা অসম্পূর্ণ বা বিলম্বিত ফ্ল্যাটের মুখোমুখি হন। ঋণসংকটে পড়ে বড় বড় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও ধসে পড়ে।   চীনের অন্যতম বৃহৎ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এভারগ্রান্ডকে ২০২৪ সালে হংকংয়ের একটি আদালত বিলুপ্তির নির্দেশ দেয়। কান্ট্রি গার্ডেন ও ভ্যাংকের মতো বড় প্রতিষ্ঠানও আর্থিক চাপে পড়ে।   এই পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুর্বল অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যসংঘাতের আশঙ্কা। ফলে সম্ভাব্য ক্রেতারা এখন আরও সতর্ক।   কাই ইয়োচেং বলেন, তিনি ভবিষ্যতে বাড়ি কিনতে চান, তবে আগামী কয়েক বছরে সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না।   পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও আবাসন খাত এখনো সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি। মার্চ মাসেও দেশজুড়ে নতুন বাড়ির দাম কমেছে, যদিও কয়েকটি বড় শহরে সামান্য উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।   রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান কুশম্যান অ্যান্ড ওয়েকফিল্ডের কর্মকর্তা ঝ্যাং শিয়াওদুয়ান বলেন, সরকারের ইতিবাচক বার্তা থাকলেও বাস্তবে ক্রয়ক্ষমতার বড় ধরনের পুনরুদ্ধার দেখা যাচ্ছে না।   গত বছর চীন ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত অর্জন করলেও সাধারণ মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতায় সেই প্রবৃদ্ধির প্রভাব স্পষ্ট হয়নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।   কুনমিং শহরের ৩০ বছর বয়সী আলোকচিত্রী ম্যান্ডি ফেং বলেন, বাড়ির দাম কমলেও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি করছে।   তার ভাষায়, “মানুষ বাড়ি কিনতে চায় না, এমন নয়। কিন্তু আয় অনিশ্চিত এবং উপার্জন কম থাকলে কেউ ঋণ নিতে সাহস পায় না।”   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে আবাসন নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাচ্ছে। বেইজিংয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ঝো ঝ্যাং বলেন, তিনি সম্ভবত নিজের সন্তানদের জন্য বাড়ি কিনবেন না, যদিও নিজের ফ্ল্যাট কিনতে বাবা-মায়ের সহায়তা পেয়েছিলেন।   তার মতে, চীনের আবাসন বাজার ধীরে ধীরে পশ্চিমা দেশের মতো হয়ে উঠছে, যেখানে ভবিষ্যতে ভাড়া বাসায় থাকার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ৭, ২০২৬ ২১:২৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির বিধায়কদলের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী-কেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি হতে যাচ্ছেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে আলোচনা শেষে শুভেন্দুকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। অমিত শাহ জানান, দলনেতা নির্বাচনের জন্য একাধিক প্রস্তাব উঠলেও প্রতিটি প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। দ্বিতীয় কোনো নাম না আসায় সর্বসম্মতিক্রমেই তাকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দুর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। দলের ভেতরে তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছিল। রাজ্যের রাজনীতিতে তার উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে একাধিক নির্বাচনী লড়াই। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পান।  এরপর সাম্প্রতিক নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্রেই লড়াই করে তিনি আবারও মমতাকে পরাজিত করেন, এবং আগের তুলনায় ব্যবধানও বাড়ান। সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা, ট্রাম্প ‘মুখ রক্ষার’ চেষ্টায় সমঝোতা খুঁজছেন
হরমুজ প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা, ট্রাম্প ‘মুখ রক্ষার’ চেষ্টায় সমঝোতা খুঁজছেন
নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ৬, ২০২৬ ১৯:৫৮

হরমুজ প্রণালী দিয়ে সামুদ্রিক চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা খুঁজছেন বলে মন্তব্য করেছেন এক বিশ্লেষক।   তার মতে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনমতের সামনে প্রেসিডেন্টের অবস্থান রক্ষা করা।   তেহরানভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের বিশ্লেষক আলি আকবর দারেইনি আল জাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো দ্রুত চুক্তির ইঙ্গিত তিনি দেখছেন না। তার মতে, পরিস্থিতি এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।   তিনি বলেন, ট্রাম্প চীনে সফরের আগে কিছু অর্জন দেখাতে চেয়েছিলেন, তবে তিনি হরমুজ প্রণালী খুলতে সামরিক বা কূটনৈতিক কোনো প্রচেষ্টাতেই সফল হননি।   এই বিশ্লেষকের দাবি, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করলে তেহরান নতি স্বীকার করবে। তবে বাস্তবে তা ঘটেনি।   আলি আকবর দারেইনি আরও বলেন, “ইরান কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না। এমনকি ভবিষ্যতেও তা সম্ভব নয়।   হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি সরবরাহ চলাচল করে, ফলে বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Follow us

Trending

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

এপ্রিল ২, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
354 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
328 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
414 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
263 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
Advertisement
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়