ক্ষমতায় বসার আগেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে পঞ্চগড়ের একটি ঘটনা। নির্বাচনে বিজয়ের পরদিন পঞ্চগড় সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একটি দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ কার্যালয় খুলে দেওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে কার্যালয়ের তালা খোলা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বিএনপি নেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কার্যালয়টি খুলে দেওয়ায় তাঁরা কৃতজ্ঞ। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, আপাতত মুক্তিযোদ্ধারাই কার্যালয়ে অবস্থান করবেন; দলীয় কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধে থাকা একটি দলের কার্যালয় খুলে দেওয়ার এই উদ্যোগের তাৎপর্য কী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, বিজয়ের পরপরই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তালা খোলার ঘটনা সংবেদনশীল। এটি স্থানীয় শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রয়াস হতে পারে, তবে এর রাজনৈতিক বার্তা নিয়েও আলোচনা চলছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান দাবি করেছেন, এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে যখন সারা দেশে উত্তেজনা ও আলোচনা চলছে, তখন শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে দেখা গেল এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। নির্বাচনী ফল নিয়ে বাজিতে জিতে ব্যান্ড পার্টি নিয়ে মহিষসহ বাড়ি ফিরেছেন এক ব্যক্তি। শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান পাশের বালুঘাটা গ্রামের আমীর হোসেনের সঙ্গে মজার ছলে একটি বাজি ধরেন। শর্ত ছিল—শেরপুর-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জয়ী হলে মান্নান দেবেন ছয়টি মহিষ। আর ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে তিনি পাবেন একটি মহিষ। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, শেরপুর-2 আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৫ ভোট। ফলে বাজির শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার সকালে ব্যান্ড পার্টি নিয়ে আমীর হোসেনের বাড়ি থেকে একটি মহিষ নিয়ে বাড়ি ফেরেন আবদুল মান্নান। এ দৃশ্য দেখতে নাকশী গ্রামসহ আশপাশের এলাকার মানুষ ভিড় করেন। এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয়রা জানান, আমীর হোসেন ও আবদুল মান্নানের মধ্যে নানা-নাতির সম্পর্ক রয়েছে। মজার ছলেই বাজিটি ধরা হয়েছিল এবং ঘটনার পরও তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক আগের মতোই আন্তরিক রয়েছে।
সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ের পর সরকার গঠন ও শপথগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির নেতারা কীভাবে এবং কার কাছে শপথ নেওয়া হবে সে বিষয়ে আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখছেন। শুক্রবার রাতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা। বৈঠকের পর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া ও আইনি কাঠামো বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে। তিনি বিবিসি বাংলা–কে জানান, “যদি গেজেট প্রকাশ হয় এবং স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সুযোগ না থাকে, তাহলে তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সেই হিসাবে ১৭ তারিখের মধ্যে শপথ হতে পারে।” প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা সকালে শপথ নেওয়ার পর একই দিন বিকেলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। বর্তমান আইন অনুযায়ী, সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়ান। তবে তাঁদের অনুপস্থিতি বা অসমর্থতার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াতে পারেন। আর তাও সম্ভব না হলে নির্ধারিত সময় পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়ানোর সুযোগ পান। এই প্রেক্ষাপটে, শপথগ্রহণ প্রক্রিয়ার আইনি ব্যাখ্যা ও সাংবিধানিক বিধান পর্যালোচনা করছে বিএনপি নেতৃত্ব। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনগত সব দিক নিশ্চিত করেই শপথগ্রহণের পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। তাঁকে সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেখার জল্পনা ছড়িয়ে পড়লেও এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি। নির্বাচন-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে রাষ্ট্রদূত বলেন, দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের দল, নেতা ও প্রার্থী নির্বাচন করেছেন। জনগণের এই ম্যান্ডেটের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানান তিনি। পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিজয়ের আনন্দ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে ভাগাভাগি করার সংস্কৃতি গড়ে উঠছে যা দেশের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ইতিবাচক বলে তিনি মনে করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দেখার আহ্বান প্রসঙ্গে মুশফিকুল ফজল আনসারী লেখেন, “আমার ব্যক্তিগত কোনো অভিলাষ নেই। পছন্দ কিংবা ভালোবাসা থেকে আমাকে নানা জায়গায় দেখতে চেয়ে যারা আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ করছেন, এমন প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আন্তরিক অনুরোধ জানাই।” পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে ‘যোগ্যতম নেতৃত্ব’ পেয়েছে এটাই তাঁর সবচেয়ে বড় তৃপ্তি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ আধুনিক, স্বনির্ভর ও মর্যাদাশালী রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনে জয়ী হলে তারেক রহমান সরকারের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্বে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ক্ষমতায় বসার আগেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে পঞ্চগড়ের একটি ঘটনা। নির্বাচনে বিজয়ের পরদিন পঞ্চগড় সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একটি দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ কার্যালয় খুলে দেওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে কার্যালয়ের তালা খোলা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বিএনপি নেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কার্যালয়টি খুলে দেওয়ায় তাঁরা কৃতজ্ঞ। এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, আপাতত মুক্তিযোদ্ধারাই কার্যালয়ে অবস্থান করবেন; দলীয় কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধে থাকা একটি দলের কার্যালয় খুলে দেওয়ার এই উদ্যোগের তাৎপর্য কী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, বিজয়ের পরপরই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তালা খোলার ঘটনা সংবেদনশীল। এটি স্থানীয় শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রয়াস হতে পারে, তবে এর রাজনৈতিক বার্তা নিয়েও আলোচনা চলছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান দাবি করেছেন, এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনায় নজিরবিহীন অনিয়ম, কারচুপি এবং ফলাফল পাল্টে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট। শুক্রবার রাতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দলের কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "নির্বাচনে হার-জিত থাকা স্বাভাবিক এবং তা সবাই মেনে নেয়। কিন্তু যখন বড় ধরনের বৈষম্য ও অনিয়মের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়, তখন জনমনে প্রশ্ন ওঠা অনিবার্য।" তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় জোটের কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে, যা চরম ফ্যাসিবাদী তৎপরতার শামিল। বিজয়ী দলের (বিএনপি) প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি জানান, সরকার গঠন করলে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে। তবে বর্তমানে যেভাবে ফেসিবাদীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা এবং ফলাফল জালিয়াতি করা হচ্ছে, তা ছাত্র-জনতার ২৪-এর আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর আসনে সেন্টার দখলসহ রেজাল্ট শিটে ঘষামাজা করার পর্যাপ্ত নথিপত্র আমাদের কাছে রয়েছে। দ্বৈতনীতির মাধ্যমে জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।" জামায়াত আমির নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই অনিয়মের প্রতিকার না মিললে তারা কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন। তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, কিন্তু ইনসাফ পাওয়া আমাদের নাগরিক অধিকার। নির্বাচন কমিশনকে ন্যায়ের পথে ফিরে আসতে হবে, অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির সব দায় তাদেরই নিতে হবে।"
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার গঠন করা হবে। শুক্রবাভ ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে ঠাকুরগাঁও নিজ বাসভবনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়কে জনগণের ভালোবাসার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি কোনো ক্যাডারভিত্তিক সংগঠন নয়, এটি জনগণের দল। সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর উত্থান নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল একে ‘রাজনৈতিক বিজ্ঞান’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের ফলে উগ্রবাদের এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যখনই গণতন্ত্রকে চেপে ধরা হয় এবং মানুষের কণ্ঠ রোধ করা হয়, তখনই এ ধরনের শক্তির উত্থান ঘটে। আওয়ামী লীগের দমন-পীড়ন এবং বিরোধী দলকে রাজনীতি করতে না দেওয়ার কারণেই জামায়াতেরএই অবস্থান তৈরি হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, আমি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী যে, বাংলাদেশের জনগণ ইতোমধ্যে তাদের রিজেক্ট করেছে। বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। জনগণ সুস্থ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির মাধ্যমে সব অপপ্রবণতা রুখে দিতে সক্ষম হবে। নির্বাচনী জয় প্রসঙ্গে মহাসচিব বলেন, বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ও ৩১ দফার প্রতি জনগণের পূর্ণ সমর্থন ছিল বলেই এই ‘ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরি’ বা ভূমিধস বিজয় সম্ভব হয়েছে। জাতীয় সরকার গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতিতে অটল। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যারা রাজপথে আমাদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, তাদের নিয়েই ইনশাআল্লাহ সরকার গঠন করা হবে। জুলাই সনদ প্রসঙ্গে ফখরুল জানান,সনদের যেসব অংশে বিএনপি স্বাক্ষর করেছে, সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি ৩১ দফাও পর্যায়ক্রমে কার্যকর করা হবে। রংপুর বিভাগে জামায়াতের ভালো ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন,এর বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে বৃহত্তর দিনাজপুরের ১১টি আসনের সবকটিতেই বিএনপি জয়ী হয়েছে, সেখানে জামায়াত একটি আসনও পায়নি। আমরা যদি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে রাজনৈতিকও সাংগঠনিকভাবে কাজ করতে পারি, তবে যেকোনো উগ্রবাদী প্রবণতা দূর করা সম্ভব।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন যে, ঢাকা-৮ ও ঢাকা-১৩ সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানান, নির্বাচনে জালিয়াতির মাধ্যমে জনগণের রায়কে ছিনতাই করা হয়েছে। বিএনপির সম্ভাব্য সরকার গঠনের প্রাক্কালে নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনের পরদিনই যারা প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করছে, তাদের হাতে দেশ কতটা নিরাপদ? আওয়ামী লীগের কৌশলে নির্বাচন করার এই প্রচেষ্টা জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামবে ১১ দলীয় জোট।
টেসলা প্রধান এলন মাস্ক এবং মেটা কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গ—বিশ্বের প্রভাবশালী এই দুই ধনকুবেরের নাম এবার জড়িয়ে গেল কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের নথিতে। মার্কিন বিচার বিভাগের সাম্প্রতিক রিপোর্টে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য: ২০১৫ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে এপস্টেইনের আয়োজিত এক ডিনার পার্টিতে নাকি আমন্ত্রিত ছিলেন এই দুই টেক জায়ান্ট। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এপস্টেইনের নিজের হাতে লেখা নোটে মাস্ক এবং জুকারবার্গের নাম পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, ডিনার পার্টির একটি রহস্যময় ছবিও এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল। যদিও সেই ছবিতে সরাসরি এপস্টেইনকে দেখা যায়নি এবং এই দুই বিলিয়নেয়ারের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি, তবুও এই যোগসূত্র জনমনে তৈরি করেছে নানা প্রশ্ন। এলন মাস্ক অবশ্য বরাবরই এপস্টেইনের সাথে কোনো ধরনের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে আসছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দলের প্রধান ও ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম নানা আকুফো আদো। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট প্রদান কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। নানা আকুফো আদো বলেন, “এখনো পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ খুব ভালো। এটা নিয়ে আমি খুব সন্তুষ্ট। এখানে এসে শান্তিপূর্ণ ভোট দেখছি। আশা করি, সারা দেশেও এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।” তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ ইতিবাচক থাকলে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হয়। উল্লেখ্য, কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে উইলিয়াম নানা আকুফো আদোর নেতৃত্বে সংস্থাটি বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছে। প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল
ড. মাহরুফ চৌধুরী
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। আনোয়ার ইব্রাহিম তার বার্তায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ পার করে ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। এই গণতান্ত্রিক রূপান্তরের সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য তিনি তার প্রিয় বন্ধু এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী হবে। তিনি দুই দেশের জনগণের সমৃদ্ধি কামনায় বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদর নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে জয়লাভ করায় বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এ কথা জানান। পাশাপাশি, সফলভাবে নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "আমি নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় আছি, যাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও বাংলাদেশ-এর সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম, বহুমুখী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা যায় এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরেও শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের যৌথ স্বপ্ন এগিয়ে নেওয়া যায়।"
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদর নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে জয়লাভ করায় বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফাইড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে এক পোস্টে এই অভিনন্দন জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্টে তিনি শুধুমাত্র দল হিসেবে বিএনপিকেই নয়, বরং ব্যক্তিগতভাবে তারেক রহমানকে 'ভাই' সম্বোধন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বার্তায় বলেন, "বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে ও জনগণকে জানাই আমার শুভনন্দন এবং আগাম রমজান মোবারক। বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেক ভাইকে, তার দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন।" দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও যোগ করেন, "আমাদের সঙ্গে সবসময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।" রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতার এই 'ভাই' সম্বোধন এবং জয়ের প্রশংসা প্রতিবেশী দুই দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হতে পারে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলঙ্কায় ২০২২ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় এক আইনপ্রণেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অন্তত ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার গামপাহা হাইকোর্টের তিন বিচারকের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এই রায় ঘোষণা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা আদালতকে জানান, ২০২২ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানী কলম্বোর কাছের নিত্তাম্বুয়া শহরে ৫৭ বছর বয়সী আইনপ্রণেতা অমরকীর্তি আথুকোরালার গাড়ি আটকে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এ সময় তিনি বিক্ষোভরত জনতার দিকে গুলি চালালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে জনতার হাতে তিনি গণপিটুনির শিকার হন। প্রাণ বাঁচাতে আথুকোরালা পাশের একটি ভবনে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলেও প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারী তাকে ঘিরে ফেলেন। উন্মত্ত জনতার মধ্যে কয়েকজন তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। একই ঘটনায় তার দেহরক্ষীকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের তীব্র সংকট এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ২০২২ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ওই সহিংস পরিস্থিতির মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। আদালত এই মামলায় ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং অপর ২৩ সন্দেহভাজনকে খালাস দেন। তবে দণ্ডপ্রাপ্তরা চাইলে সুপ্রিম কোর্টে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের পর থেকে শ্রীলঙ্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি, যদিও আদালত নিয়মিতভাবে ফৌজদারি মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়ে থাকে। ২০২২ সালের ওই বিক্ষোভের সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসের সমর্থকদের সহিংসতার জেরে দেশজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে এবং সরকারি দলের অন্তত ৭৫ আইনপ্রণেতার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে ও তার ভাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে পদত্যাগ করেন। ২০২২ সালের এপ্রিলে সরকার ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার পর দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকট চরমে পৌঁছে। পরে প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তায় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি বামপন্থী নেতা অনুরা কুমারা দিসানায়েকের কাছে পরাজিত হন। ক্ষমতা গ্রহণের পর দিসানায়েকে ব্যয় সংকোচন নীতি অনুসরণ করে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র: এএফপি
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews