ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে পরিবর্তন করা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ছবিটি প্রকাশ নিজের মুখের আদলে ইরানের মানচিত্র পোস্ট করলেন ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে পরিবর্তন করে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ছবিটি পোস্ট করেন ট্রাম্প। ছবিতে ইরানের প্রচলিত মানচিত্রের সঙ্গে পরিবর্তিত একটি মানচিত্র পাশাপাশি দেখানো হয়েছে। ছবিটির ‘বিফোর’ অংশে ইরানের স্বাভাবিক মানচিত্র দেখা যায়। আর ‘আফটার’ অংশে দেশটির সীমানা এমনভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে সেটি ট্রাম্পের মুখমণ্ডল ও চুলের পাশের অবয়বের মতো দেখায়। তবে ছবিটি প্রকাশের সঙ্গে এর উদ্দেশ্য বা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বার্তা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প। ফলে কেন তিনি এমন একটি ছবি প্রকাশ করেছেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক মানচিত্র নয় এবং এর মাধ্যমে ইরানের সীমান্ত পরিবর্তন বা নতুন কোনো ভৌগোলিক দাবির ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বরং ট্রাম্প নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পরিবর্তিত ছবি প্রকাশ করেছেন। ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প একই সময়ে আরও কয়েকটি পোস্ট করেন। এসব পোস্টে ইরান ও চলমান সংঘাত নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি। ট্রাম্পের এমন প্রতীকী ছবি প্রকাশের ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নজর কেড়েছে। বিশেষ করে ইরানকে কেন্দ্র করে সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা চলার সময়ে দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে উপস্থাপন করায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ছবিটির প্রকৃত উদ্দেশ্য বা এর মাধ্যমে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছেন কি না, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা ট্রাম্পের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।করেন তিনি। এতে ‘বিফোর’ আগের অংশে ইরানের প্রচলিত মানচিত্র দেখানো হলেও ‘আফটার’ তথা পরের অংশে দেশটির সীমানা পরিবর্তন করে ট্রাম্পের মুখ ও চুলের পাশের অবয়বের মতো করে দেখানো হয়েছে। তবে ছবিটির সঙ্গে এর উদ্দেশ্য বা অর্থ সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক নতুন মানচিত্র বা ইরানের সীমান্ত পরিবর্তনের ঘোষণা নয়; বরং ট্রাম্পের পোস্ট করা পরিবর্তিত একটি ছবি। একই সময়ে ইরানকে ঘিরে আরও কয়েকটি পোস্টও করেন তিনি।
উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো নতুন ৫ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার ‘ক্যাং কন’। দেশটির নেতা কিম জং উন বলেছেন, যুদ্ধজাহাজটি উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কাজ করবে এবং শত্রুর বিরুদ্ধে ভয়াবহ পাল্টা হামলা চালানোর সক্ষমতা গড়ে তুলবে। রোববার পূর্ব উপকূলের ওয়ানসান বন্দরে আয়োজিত কমিশনিং অনুষ্ঠানে কিম জং উন নতুন যুদ্ধজাহাজটি পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রি সল-জু ও মেয়ে কিম জু-এ। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানায়, জাহাজটি দেশটির পূর্ব সাগর বহরে যুক্ত করা হয়েছে। কিম বলেন, নতুন প্রজন্মের এই ডেস্ট্রয়ারকে রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক পাল্টা-আঘাত ব্যবস্থার অংশ হিসেবে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে সক্ষম হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন বাহিনীতে রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ক্যাং কন ডেস্ট্রয়ারে বর্তমানে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে কি না, তা উত্তর কোরিয়ার প্রকাশিত তথ্যে নিশ্চিত করা হয়নি। রয়টার্সও জানিয়েছে, কেসিএনএ যুদ্ধজাহাজটি পারমাণবিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার অংশ হবে বললেও এতে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করেনি। ইয়োনহাপের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাং কন উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় ৫ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার। এর আগে একই শ্রেণির ‘চোয়ে হিয়ন’ নামের প্রথম যুদ্ধজাহাজটি নৌবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। গত জুলাইয়ে ক্যাং কন থেকে কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন অস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও চালানো হয়েছিল বলে উত্তর কোরিয়ার দাবি। যুদ্ধজাহাজটির নির্মাণেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছিল। গত বছরের মে মাসে প্রথমবার পানিতে নামানোর সময় এটি উল্টে যায়। পরে মেরামতের পর প্রায় এক মাসের মধ্যে আবার জাহাজটি পানিতে নামানো হয়। উত্তর কোরিয়া সাম্প্রতিক সময়ে নৌবাহিনী আধুনিকায়নে জোর দিয়েছে। দেশটি পশ্চিম ও পূর্ব উভয় উপকূলে পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন নৌযান মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে। একই সঙ্গে ১০ হাজার টন শ্রেণির আরও বড় যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে পিয়ংইয়ং। এদিকে নতুন যুদ্ধজাহাজটি নৌবাহিনীতে যুক্ত করার খবর এমন সময়ে এলো, যখন দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান ‘ফ্রিডম এজ’ নামে পাঁচ দিনের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে সামরিক প্রস্তুতি হিসেবে সমালোচনা করে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়িতে থেকে সন্তান লালন-পালন করা অভিভাবকদেরও সরকারি শিশু যত্ন ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে বাস্তবায়িত হলে নির্দিষ্ট আয়ের সীমার মধ্যে থাকা কিছু বিবাহিত দম্পতি, যাদের একজন বাইরে কাজ করবেন আর অন্যজন বাড়িতে থেকে সন্তানের যত্ন নেবেন, তারা ফেডারেল সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। পরিকল্পনাটি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। বর্তমানে যে ফেডারেল তহবিল থেকে কম ও মধ্যম আয়ের কর্মজীবী পরিবারগুলো শিশু যত্নের খরচের জন্য সহায়তা পায়, সেই চাইল্ড কেয়ার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফান্ড থেকেই অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তহবিলটির আকার প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো পরিবারকে যোগ্য হতে হলে আয় নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে। পাশাপাশি একজন বিবাহিত অভিভাবককে সপ্তাহে অন্তত ৩৫ ঘণ্টা কাজ করতে হবে এবং অন্যজন বাড়িতে থেকে নিজের সন্তানের যত্ন নেবেন। এ ক্ষেত্রে বাড়িতে থাকা অভিভাবকের যত্নকে শিশু পরিচর্যার একটি ধরন হিসেবে বিবেচনা করে ভাতা দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। বর্তমান ব্যবস্থায় সাধারণত বাবা-মাকে কাজ, পড়াশোনা অথবা প্রশিক্ষণে থাকার শর্ত পূরণ করতে হয়। সরকারি সহায়তাটি মূলত শিশুদের ডে-কেয়ার বা অন্যান্য পরিচর্যার খরচ মেটাতে ব্যবহৃত হয়। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে একই তহবিলের অর্থ বাড়িতে থেকে সন্তান দেখাশোনা করা কিছু পরিবারও পেতে পারে। বর্তমানে এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৮ লাখ ৭০ হাজার পরিবার শিশু যত্নের ভর্তুকি পাচ্ছে। এর প্রায় ৮০ শতাংশ পরিবারে একক কর্মজীবী অভিভাবক রয়েছেন এবং তাদের বেশিরভাগই নারী। নতুন পরিকল্পনার সমালোচকেরা আশঙ্কা করছেন, একই পরিমাণ অর্থ আরও বেশি পরিবারের মধ্যে ভাগ হলে কর্মজীবী ও একক অভিভাবকদের জন্য বরাদ্দ কমে যেতে পারে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় বাড়িতে থাকা অভিভাবককে সরাসরি অর্থ দেওয়ার ফলে শিশু যত্নের বর্তমান বাজারেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কিছু বিশেষজ্ঞ। তাদের মতে, সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরশীল ডে-কেয়ার কেন্দ্রগুলো শিশু হারালে আয় কমে যেতে পারে এবং কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতেও পড়তে পারে। অন্যদিকে, পরিকল্পনাটির সমর্থকেরা বলছেন, সন্তান লালন-পালনে বাড়িতে থাকা অভিভাবকের অবদানও আর্থিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে পরিবার ও শিশুদের জন্য সহায়তা বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে। তবে নতুন নিয়ম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রস্তাবটি হোয়াইট হাউসের অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ ও জনমত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর থেকেই এটি কার্যকর হতে পারে।
মাত্র ১১ দিনের এক নবজাতকের নখের নিচে দেখা দেওয়া ক্ষুদ্র সংক্রমণ শেষ পর্যন্ত তার মস্তিষ্কে থাকা মারাত্মক টিউমার শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে ওঠে। চিকিৎসকদের দ্রুত পদক্ষেপে অস্ত্রোপচার ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটি। স্কটল্যান্ডের মিডলোথিয়ানের পেনিকুইকের বাসিন্দা স্যাম শার্প ২০২০ সালে ছেলে জোয়ির জন্ম দেন। জন্মের মাত্র ১১ দিন পর জোয়ি ঠিকমতো দুধ খেতে পারছিল না, ওজন কমছিল এবং জন্ডিসও কমছিল না। এর পাশাপাশি তার শরীরে মাঝে মাঝে খিঁচুনির মতো স্প্যাজম দেখা দিতে শুরু করে। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় চিকিৎসকদের নজরে আসে তার একটি নখের নিচে অতি ছোট একটি সংক্রমণের মতো চিহ্ন। সেটি পরীক্ষা করতে গিয়ে আল্ট্রাসাউন্ডে ধরা পড়ে মস্তিষ্কে একটি টিউমার। পরে নমুনা পরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হন, এটি গ্লিওব্লাস্টোমা - মস্তিষ্কের একটি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ক্যানসার। চিকিৎসার সময় জোয়ির তিনবার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার এবং নয় দফা কেমোথেরাপি হয়। একপর্যায়ে দিনে ৩০টিরও বেশি খিঁচুনি হচ্ছিল এবং তাকে খাবারের জন্য ফিডিং টিউব ব্যবহার করতে হয়েছিল। ২০২১ সালের ৪ আগস্ট চিকিৎসার শেষ দিকে স্ক্যানের ফলাফলে তার শরীরে রোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে পরিবারকে জানানো হয়। বর্তমানে পাঁচ বছর বয়সী জোয়ি স্কুলে যাচ্ছে। তবে চিকিৎসার পর তার সেরিব্রাল পালসি হয়েছে, ডান হাতের ব্যবহার সীমিত এবং দীর্ঘ দূরত্ব চলাচলে হুইলচেয়ার ব্যবহার করে। জোয়ির মা স্যাম এখন শিশুদের মস্তিষ্কের ক্যানসার নিয়ে আরও গবেষণায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আগামী বছর এডিনবার্গ ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন, যার মাধ্যমে স্কটিশ ব্রেইন টিউমার রিসার্চ সেন্টার অব এক্সেলেন্সের জন্য অর্থ সংগ্রহ করবেন। এদিকে যুক্তরাজ্যের এনএইচএস বলছে, মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ টিউমারের অবস্থান ও ধরনভেদে ভিন্ন হতে পারে। সাধারণ লক্ষণের মধ্যে নতুন বা বাড়তে থাকা মাথাব্যথা, খিঁচুনি, বমি বমি ভাব বা বমি, অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব, স্মৃতি বা আচরণে পরিবর্তন, শরীরের এক পাশে দুর্বলতা এবং দৃষ্টি বা কথা বলার সমস্যা থাকতে পারে। এসব লক্ষণ থাকলেই যে মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে, তা নয়; তবে অস্বাভাবিক বা ক্রমশ বাড়তে থাকা উপসর্গ চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করা জরুরি। সূত্র - The Independent
বর্তমানে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে ভিডিও দেখার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ইউটিউব। তবে এই বিশাল প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু হয়েছিল খুব সাধারণ একটি উদ্যোগের মাধ্যমে, যার নেপথ্যে রয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন প্রযুক্তিবিদ জাওয়েদ করিম। ২০০৫ সালে পেপ্যালের সাবেক দুই সহকর্মী স্টিভ চেন ও চ্যাড হার্লির সঙ্গে মিলে তিনি ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন। পেপ্যালে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় অনলাইন লেনদেনের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত কাজের অভিজ্ঞতা তাকে এই নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে সাহায্য করেছিল। ইতিহাসে জাওয়েদ করিম সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে আছেন ইউটিউবের প্রথম ভিডিও আপলোডের জন্য। ২০০৫ সালের ২৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগো চিড়িয়াখানায় হাতির সামনে দাঁড়িয়ে মাত্র ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ধারণ করেন তিনি। “Me at the zoo” শিরোনামের সেই ছোট্ট ভিডিওটিই ইউটিউবের ইতিহাসে আপলোড হওয়া প্রথম কনটেন্ট। তখন কেউ কল্পনাও করেনি যে এই কয়েক সেকেন্ডের ভিডিওটিই একদিন পুরো বিশ্বের ভিডিও দেখার সংস্কৃতিকে আমূল বদলে দেবে। জাওয়েদ করিমের শিকড় বাংলাদেশে। তার বাবা বাংলাদেশি এবং মা জার্মান নাগরিক। জার্মানিতে জন্ম নেওয়া জাওয়েদ পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ইউটিউব প্রতিষ্ঠার পর তিনি কোম্পানিতে পূর্ণকালীন কাজ করার পরিবর্তে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্সে উচ্চশিক্ষায় মনোযোগ দেন এবং ইউটিউবের পরামর্শক হিসেবে কাজ চালিয়ে যান। ২০০৬ সালে গুগল ১৬৫ কোটি ডলারে ইউটিউবকে কিনে নেয়। প্রযুক্তিতে বিনিয়োগকারী হিসেবেও করিম সফল। তার সহপ্রতিষ্ঠিত ভেঞ্চার ফার্ম 'Y Ventures'-এর মাধ্যমে তিনি এয়ারবিএনবি (Airbnb), রেডিট (Reddit) ও প্যালানটিরের (Palantir) মতো সফল প্রযুক্তি স্টার্টআপগুলোতে বিনিয়োগ করেছেন। ছোট্ট একটি ভিডিও দিয়ে শুরু হওয়া সেই ইউটিউব আজ শুধু বিনোদন নয়, বরং বিশ্বজুড়ে শিক্ষা, সংবাদ ও যোগাযোগের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।
বাড়ি বা গাড়ি নেই, নেই নিয়মিত সংসারের ঝামেলাও। গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে ক্রুজ জাহাজেই বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক লিবি রোম ও তার স্বামী। তাদের দাবি, খাবার, থাকার জায়গা, যাতায়াত ও বিনোদনসহ দুজনের দৈনিক মোট খরচ প্রায় ৬৬ ডলার, যা তাদের আগের জীবনযাপনের তুলনায় বেশ কম। ৫২ বছর বয়সী লিবি রোম পিপল ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, তিনি ও তার স্বামী গত ১৬ বছর ধরে অনেকটা যাযাবর জীবনযাপন করছেন। একসময় বিভিন্ন দেশে হোটেলে থেকে কাজ করলেও পরে ক্রুজ জাহাজে স্থায়ীভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। তিন বছরেরও বেশি সময় আগে শুরু হওয়া সেই জীবন এখনো চলছে এবং আপাতত স্থলে ফিরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তাদের। রোম পেশাগতভাবে রিমোটে কাজ করেন। দুজন মিলে নিজেদের বেশির ভাগ সম্পদ বিক্রি করে জীবনযাপনকে অনেকটাই মিনিমালিস্ট করে ফেলেছেন। এখন তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এত কম যে সবকিছু একটি ব্যাকপ্যাকেই রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন রোম। এই জীবনযাপনের সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলোর একটি হলো প্রতিদিনের সংসারের ঝামেলা কমে যাওয়া। তাদের নিজস্ব বাড়ি বা গাড়ি নেই। কাপড় ধোয়ার কাজও অনেক সময় ক্রুজ কোম্পানির সুবিধার মাধ্যমে হয়ে যায়। প্রিন্সেস ক্রুজের এলিট পর্যায়ের সদস্যরা নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রুজ বা ক্রুজ-ডে পূরণ করলে বিনামূল্যে লন্ড্রি সার্ভিসসহ বিভিন্ন সুবিধা পান। রোম জানান, তারা একই জাহাজে সারাবছর থাকেন না। সাধারণত বছরে দুই থেকে তিনটি জাহাজে পরপর ক্রুজ বুক করেন। কখনো আট থেকে নয় মাস পর্যন্ত একটানা ক্রুজের পরিকল্পনাও করেছেন। রুটের মধ্যে বিরতি পড়লে এক রাতের জন্য হোটেলে থাকতে হয়। খরচ কমানোর পেছনে রয়েছে আরও একটি কৌশল। রোম ও তার স্বামী বিভিন্ন ক্রুজ লাইনের ক্যাসিনো লয়্যালটি প্রোগ্রামের সুবিধা নেন। এসব প্রোগ্রামে নির্দিষ্ট পর্যায়ের খরচ বা ব্যবহারের পর ফ্রি বা কম খরচে ক্রুজ পাওয়ার সুযোগ থাকে। এর ফলে তারা মূলত পোর্ট ফি ও ট্যাক্সসহ অন্যান্য সীমিত খরচ বহন করে অনেক সময় ক্রুজ চালিয়ে যেতে পারেন। রোমের হিসাবে, দুজনের দৈনিক প্রায় ৬৬ ডলারের খরচে থাকা, খাবার, যাতায়াত ও বিনোদনের বড় অংশই অন্তর্ভুক্ত থাকে। অর্থাৎ মাসে গড়ে প্রায় ২ হাজার ডলারের মতো খরচ হয় তাদের। তবে ক্রুজে স্থায়ীভাবে বসবাসের সঙ্গে কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জও রয়েছে। রোমের টাইপ-১ ডায়াবেটিস থাকায় নিয়মিত ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রয়োজন হয়। শুরুতে বিভিন্ন বন্দর ও বিভিন্ন চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করতে গিয়ে তার জন্য প্রেসক্রিপশন ও চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে উঠেছিল। এখন তিনি এমন ক্রুজ বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেন, যেগুলো একই বন্দর থেকে শুরু ও শেষ হয়, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা সহজ হয়। ক্রুজ জাহাজের মেডিকেল সেন্টার জরুরি বা আকস্মিক অসুস্থতা ও দুর্ঘটনায় চিকিৎসা দিতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে এগুলো ব্যবহারের জন্য তৈরি নয়। তাই নিয়মিত চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে এমন যাত্রীদের জন্য স্থায়ী ক্রুজ জীবনযাপনে বাড়তি পরিকল্পনা জরুরি। ডাকপত্রের ক্ষেত্রেও রোমের আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ চিঠিপত্র যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তার বোনের ঠিকানায় পাঠানো হয়। আর প্রতিদিন নতুন কোনো দেশে ঘুম থেকে ওঠা, সমুদ্রযাত্রা এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার অভিজ্ঞতাই তার কাছে এই জীবনযাপনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক। যারা এমন জীবন বেছে নেওয়ার কথা ভাবছেন, তাদের আগে কয়েকটি ক্রুজ করে অভিজ্ঞতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রোম। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় সমুদ্রে থাকার অভিজ্ঞতা নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন তিনি। তিন বছরের বেশি সময় জাহাজে কাটানোর পরও তিনি ও তার স্বামী এই জীবনযাপন নিয়ে সন্তুষ্ট এবং আপাতত স্থায়ীভাবে স্থলে ফেরার কোনো পরিকল্পনা করছেন না।
মাত্র ১১ দিনের এক নবজাতকের নখের নিচে দেখা দেওয়া ক্ষুদ্র সংক্রমণ শেষ পর্যন্ত তার মস্তিষ্কে থাকা মারাত্মক টিউমার শনাক্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে ওঠে। চিকিৎসকদের দ্রুত পদক্ষেপে অস্ত্রোপচার ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটি। স্কটল্যান্ডের মিডলোথিয়ানের পেনিকুইকের বাসিন্দা স্যাম শার্প ২০২০ সালে ছেলে জোয়ির জন্ম দেন। জন্মের মাত্র ১১ দিন পর জোয়ি ঠিকমতো দুধ খেতে পারছিল না, ওজন কমছিল এবং জন্ডিসও কমছিল না। এর পাশাপাশি তার শরীরে মাঝে মাঝে খিঁচুনির মতো স্প্যাজম দেখা দিতে শুরু করে। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় চিকিৎসকদের নজরে আসে তার একটি নখের নিচে অতি ছোট একটি সংক্রমণের মতো চিহ্ন। সেটি পরীক্ষা করতে গিয়ে আল্ট্রাসাউন্ডে ধরা পড়ে মস্তিষ্কে একটি টিউমার। পরে নমুনা পরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হন, এটি গ্লিওব্লাস্টোমা - মস্তিষ্কের একটি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ক্যানসার। চিকিৎসার সময় জোয়ির তিনবার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার এবং নয় দফা কেমোথেরাপি হয়। একপর্যায়ে দিনে ৩০টিরও বেশি খিঁচুনি হচ্ছিল এবং তাকে খাবারের জন্য ফিডিং টিউব ব্যবহার করতে হয়েছিল। ২০২১ সালের ৪ আগস্ট চিকিৎসার শেষ দিকে স্ক্যানের ফলাফলে তার শরীরে রোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে পরিবারকে জানানো হয়। বর্তমানে পাঁচ বছর বয়সী জোয়ি স্কুলে যাচ্ছে। তবে চিকিৎসার পর তার সেরিব্রাল পালসি হয়েছে, ডান হাতের ব্যবহার সীমিত এবং দীর্ঘ দূরত্ব চলাচলে হুইলচেয়ার ব্যবহার করে। জোয়ির মা স্যাম এখন শিশুদের মস্তিষ্কের ক্যানসার নিয়ে আরও গবেষণায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আগামী বছর এডিনবার্গ ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন, যার মাধ্যমে স্কটিশ ব্রেইন টিউমার রিসার্চ সেন্টার অব এক্সেলেন্সের জন্য অর্থ সংগ্রহ করবেন। এদিকে যুক্তরাজ্যের এনএইচএস বলছে, মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ টিউমারের অবস্থান ও ধরনভেদে ভিন্ন হতে পারে। সাধারণ লক্ষণের মধ্যে নতুন বা বাড়তে থাকা মাথাব্যথা, খিঁচুনি, বমি বমি ভাব বা বমি, অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব, স্মৃতি বা আচরণে পরিবর্তন, শরীরের এক পাশে দুর্বলতা এবং দৃষ্টি বা কথা বলার সমস্যা থাকতে পারে। এসব লক্ষণ থাকলেই যে মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে, তা নয়; তবে অস্বাভাবিক বা ক্রমশ বাড়তে থাকা উপসর্গ চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করা জরুরি। সূত্র - The Independent
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়িতে থেকে সন্তান লালন-পালন করা অভিভাবকদেরও সরকারি শিশু যত্ন ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে বাস্তবায়িত হলে নির্দিষ্ট আয়ের সীমার মধ্যে থাকা কিছু বিবাহিত দম্পতি, যাদের একজন বাইরে কাজ করবেন আর অন্যজন বাড়িতে থেকে সন্তানের যত্ন নেবেন, তারা ফেডারেল সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। পরিকল্পনাটি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। বর্তমানে যে ফেডারেল তহবিল থেকে কম ও মধ্যম আয়ের কর্মজীবী পরিবারগুলো শিশু যত্নের খরচের জন্য সহায়তা পায়, সেই চাইল্ড কেয়ার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফান্ড থেকেই অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তহবিলটির আকার প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো পরিবারকে যোগ্য হতে হলে আয় নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে। পাশাপাশি একজন বিবাহিত অভিভাবককে সপ্তাহে অন্তত ৩৫ ঘণ্টা কাজ করতে হবে এবং অন্যজন বাড়িতে থেকে নিজের সন্তানের যত্ন নেবেন। এ ক্ষেত্রে বাড়িতে থাকা অভিভাবকের যত্নকে শিশু পরিচর্যার একটি ধরন হিসেবে বিবেচনা করে ভাতা দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। বর্তমান ব্যবস্থায় সাধারণত বাবা-মাকে কাজ, পড়াশোনা অথবা প্রশিক্ষণে থাকার শর্ত পূরণ করতে হয়। সরকারি সহায়তাটি মূলত শিশুদের ডে-কেয়ার বা অন্যান্য পরিচর্যার খরচ মেটাতে ব্যবহৃত হয়। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে একই তহবিলের অর্থ বাড়িতে থেকে সন্তান দেখাশোনা করা কিছু পরিবারও পেতে পারে। বর্তমানে এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৮ লাখ ৭০ হাজার পরিবার শিশু যত্নের ভর্তুকি পাচ্ছে। এর প্রায় ৮০ শতাংশ পরিবারে একক কর্মজীবী অভিভাবক রয়েছেন এবং তাদের বেশিরভাগই নারী। নতুন পরিকল্পনার সমালোচকেরা আশঙ্কা করছেন, একই পরিমাণ অর্থ আরও বেশি পরিবারের মধ্যে ভাগ হলে কর্মজীবী ও একক অভিভাবকদের জন্য বরাদ্দ কমে যেতে পারে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় বাড়িতে থাকা অভিভাবককে সরাসরি অর্থ দেওয়ার ফলে শিশু যত্নের বর্তমান বাজারেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কিছু বিশেষজ্ঞ। তাদের মতে, সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরশীল ডে-কেয়ার কেন্দ্রগুলো শিশু হারালে আয় কমে যেতে পারে এবং কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতেও পড়তে পারে। অন্যদিকে, পরিকল্পনাটির সমর্থকেরা বলছেন, সন্তান লালন-পালনে বাড়িতে থাকা অভিভাবকের অবদানও আর্থিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে পরিবার ও শিশুদের জন্য সহায়তা বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে। তবে নতুন নিয়ম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রস্তাবটি হোয়াইট হাউসের অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ ও জনমত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর থেকেই এটি কার্যকর হতে পারে।
কানাডায় বেড়ে ওঠা ইয়াসমিন মোহাম্মদ দাবি করেছেন, মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাকে আল-কায়েদার সদস্য এসাম মারজুককে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়েছিল। বিয়ের পর শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত মেয়েকে নিয়ে সেই সম্পর্ক থেকে পালিয়ে যান। বর্তমানে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উগ্রবাদ ও জোরপূর্বক বিয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছেন তিনি। ৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ইয়াসমিন ফক্স নিউজ ডিজিটালকে তার জীবনের সেই অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, তার মা ধর্মীয় ব্যাখ্যা দিয়ে স্বামীর নির্যাতনকে সমর্থন করতেন এবং তাকে বোঝানো হতো যে স্বামী হিসেবে ওই ব্যক্তির ওপর তার অধিকার রয়েছে। ইয়াসমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের পর তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন এবং একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। পরে তার স্বামী মেয়েকে মিশরে নিয়ে গিয়ে নারী যৌনাঙ্গ বিকৃত করার প্রথার মধ্যে ফেলতে চাচ্ছিলেন বলে তিনি জানতে পারেন। মেয়েকে রক্ষা করতেই তখন তিনি পালানোর সিদ্ধান্ত নেন। ইয়াসমিন কানাডার একটি ধর্মনিরপেক্ষ মুসলিম পরিবারে বড় হয়েছেন বলে জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে তার মা আরও কট্টর ধর্মীয় অবস্থানে চলে যান এবং তার জীবনযাপনে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেন। কিশোরী বয়স থেকেই তাকে হিজাব পরতে বাধ্য করা হয় এবং পরে নিকাবও পরতে হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। বিয়ের পরও পরিস্থিতি বদলায়নি। ইয়াসমিনের দাবি, স্বামীর নির্যাতনের পাশাপাশি তাকে বাড়ির বাইরে যাওয়া ও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকতে হতো। তিনি তার বই ‘আনভেইলড’-এও এসব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। সম্পর্ক থেকে পালানোর পর নিজের মেয়েকে নিরাপদে রাখতে ইয়াসমিনকে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে হয়। পরে তিনি ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় পড়াশোনা করেন। সেখানে ধর্মের ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনার সময় তিনি নিজের বিশ্বাস ও অতীত অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেন বলে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন। বর্তমানে ইয়াসমিন মোহাম্মদ ক্ল্যারিটি কোয়ালিশনের কো-ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছেন। নিজের অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি ধর্মীয় উগ্রবাদ, জোরপূর্বক বিয়ে এবং চরমপন্থী মতাদর্শের প্রভাব নিয়ে কথা বলেন। তার বক্তব্যের মূল লক্ষ্য হলো, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষকে উগ্রবাদের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা। সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও উগ্র মতাদর্শের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে চরমপন্থী ধারণা ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ নিয়ে তিনি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এসব বক্তব্য তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মতামতের ভিত্তিতে দেওয়া। ইয়াসমিনের গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উঠে এসেছে, নির্যাতনমূলক সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে নিজের ও সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লড়াই এবং পরে সেই অভিজ্ঞতাকে জনসচেতনতার কাজে ব্যবহার করা। তিনি এখন নিজের অতীতকে আড়াল না করে জোরপূর্বক বিয়ে ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে পরিবর্তন করা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ছবিটি প্রকাশ নিজের মুখের আদলে ইরানের মানচিত্র পোস্ট করলেন ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে পরিবর্তন করে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ছবিটি পোস্ট করেন ট্রাম্প। ছবিতে ইরানের প্রচলিত মানচিত্রের সঙ্গে পরিবর্তিত একটি মানচিত্র পাশাপাশি দেখানো হয়েছে। ছবিটির ‘বিফোর’ অংশে ইরানের স্বাভাবিক মানচিত্র দেখা যায়। আর ‘আফটার’ অংশে দেশটির সীমানা এমনভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে সেটি ট্রাম্পের মুখমণ্ডল ও চুলের পাশের অবয়বের মতো দেখায়। তবে ছবিটি প্রকাশের সঙ্গে এর উদ্দেশ্য বা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বার্তা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প। ফলে কেন তিনি এমন একটি ছবি প্রকাশ করেছেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক মানচিত্র নয় এবং এর মাধ্যমে ইরানের সীমান্ত পরিবর্তন বা নতুন কোনো ভৌগোলিক দাবির ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বরং ট্রাম্প নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পরিবর্তিত ছবি প্রকাশ করেছেন। ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প একই সময়ে আরও কয়েকটি পোস্ট করেন। এসব পোস্টে ইরান ও চলমান সংঘাত নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি। ট্রাম্পের এমন প্রতীকী ছবি প্রকাশের ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নজর কেড়েছে। বিশেষ করে ইরানকে কেন্দ্র করে সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা চলার সময়ে দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে উপস্থাপন করায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ছবিটির প্রকৃত উদ্দেশ্য বা এর মাধ্যমে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছেন কি না, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা ট্রাম্পের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।করেন তিনি। এতে ‘বিফোর’ আগের অংশে ইরানের প্রচলিত মানচিত্র দেখানো হলেও ‘আফটার’ তথা পরের অংশে দেশটির সীমানা পরিবর্তন করে ট্রাম্পের মুখ ও চুলের পাশের অবয়বের মতো করে দেখানো হয়েছে। তবে ছবিটির সঙ্গে এর উদ্দেশ্য বা অর্থ সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক নতুন মানচিত্র বা ইরানের সীমান্ত পরিবর্তনের ঘোষণা নয়; বরং ট্রাম্পের পোস্ট করা পরিবর্তিত একটি ছবি। একই সময়ে ইরানকে ঘিরে আরও কয়েকটি পোস্টও করেন তিনি।
রাজনীতি
মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী, ঘোষণা বুধবার
তারেক রহমান–মোদি একসঙ্গে বসলে বাংলাদেশ-ভারতের অনেক সমস্যার সমাধান হবে: দীনেশ ত্রিবেদী
হাসিনাকে সেদিন ভারতে পৌঁছে দেন যারা, প্রকাশ্যে এলো নতুন তথ্য
ইসরায়েলকে রক্ষায় যথেষ্ট নৌবাহিনী নেই, পেন্টাগনকে মার্কিন জেনারেলের সতর্কবার্তা
ভারত সব রাজনৈতিক দলকে পকেটে পুরলেও জামায়াতকে পারেনি: ডা. শফিকুর রহমান
সিনেটে ফাউসিকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক: রিপাবলিকানদের প্রশ্নবাণ, অধিকাংশ প্রশ্নেই ‘ফিফথ অ্যামেন্ডমেন্ট’ ব্যবহার
ছাত্রশিবির ছাড়ার একদিন পরই জামায়াতে যোগ দিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম
এক ইঞ্চি নয়, এক বালুকণার ওপরও কাউকে পা রাখতে দেব না’ নেত্রকোনায় ডা. শফিকুর রহমান
ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিভার জামিন মঞ্জুর
‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’, যা জানাল ফ্যাক্টচেকার
Recommended news
মতামত
নাইমুল রাজ্জাক
বিশ্ব
View moreইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে পরিবর্তন করা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ছবিটি প্রকাশ নিজের মুখের আদলে ইরানের মানচিত্র পোস্ট করলেন ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে পরিবর্তন করে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ছবিটি পোস্ট করেন ট্রাম্প। ছবিতে ইরানের প্রচলিত মানচিত্রের সঙ্গে পরিবর্তিত একটি মানচিত্র পাশাপাশি দেখানো হয়েছে। ছবিটির ‘বিফোর’ অংশে ইরানের স্বাভাবিক মানচিত্র দেখা যায়। আর ‘আফটার’ অংশে দেশটির সীমানা এমনভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে সেটি ট্রাম্পের মুখমণ্ডল ও চুলের পাশের অবয়বের মতো দেখায়। তবে ছবিটি প্রকাশের সঙ্গে এর উদ্দেশ্য বা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বার্তা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প। ফলে কেন তিনি এমন একটি ছবি প্রকাশ করেছেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক মানচিত্র নয় এবং এর মাধ্যমে ইরানের সীমান্ত পরিবর্তন বা নতুন কোনো ভৌগোলিক দাবির ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বরং ট্রাম্প নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পরিবর্তিত ছবি প্রকাশ করেছেন। ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্প একই সময়ে আরও কয়েকটি পোস্ট করেন। এসব পোস্টে ইরান ও চলমান সংঘাত নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি। ট্রাম্পের এমন প্রতীকী ছবি প্রকাশের ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নজর কেড়েছে। বিশেষ করে ইরানকে কেন্দ্র করে সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা চলার সময়ে দেশটির মানচিত্রকে নিজের মুখের আদলে উপস্থাপন করায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ছবিটির প্রকৃত উদ্দেশ্য বা এর মাধ্যমে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছেন কি না, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা ট্রাম্পের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।করেন তিনি। এতে ‘বিফোর’ আগের অংশে ইরানের প্রচলিত মানচিত্র দেখানো হলেও ‘আফটার’ তথা পরের অংশে দেশটির সীমানা পরিবর্তন করে ট্রাম্পের মুখ ও চুলের পাশের অবয়বের মতো করে দেখানো হয়েছে। তবে ছবিটির সঙ্গে এর উদ্দেশ্য বা অর্থ সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক নতুন মানচিত্র বা ইরানের সীমান্ত পরিবর্তনের ঘোষণা নয়; বরং ট্রাম্পের পোস্ট করা পরিবর্তিত একটি ছবি। একই সময়ে ইরানকে ঘিরে আরও কয়েকটি পোস্টও করেন তিনি।
উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো নতুন ৫ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার ‘ক্যাং কন’। দেশটির নেতা কিম জং উন বলেছেন, যুদ্ধজাহাজটি উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কাজ করবে এবং শত্রুর বিরুদ্ধে ভয়াবহ পাল্টা হামলা চালানোর সক্ষমতা গড়ে তুলবে। রোববার পূর্ব উপকূলের ওয়ানসান বন্দরে আয়োজিত কমিশনিং অনুষ্ঠানে কিম জং উন নতুন যুদ্ধজাহাজটি পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রি সল-জু ও মেয়ে কিম জু-এ। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানায়, জাহাজটি দেশটির পূর্ব সাগর বহরে যুক্ত করা হয়েছে। কিম বলেন, নতুন প্রজন্মের এই ডেস্ট্রয়ারকে রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক পাল্টা-আঘাত ব্যবস্থার অংশ হিসেবে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে সক্ষম হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন বাহিনীতে রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ক্যাং কন ডেস্ট্রয়ারে বর্তমানে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে কি না, তা উত্তর কোরিয়ার প্রকাশিত তথ্যে নিশ্চিত করা হয়নি। রয়টার্সও জানিয়েছে, কেসিএনএ যুদ্ধজাহাজটি পারমাণবিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার অংশ হবে বললেও এতে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করেনি। ইয়োনহাপের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাং কন উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় ৫ হাজার টনের ডেস্ট্রয়ার। এর আগে একই শ্রেণির ‘চোয়ে হিয়ন’ নামের প্রথম যুদ্ধজাহাজটি নৌবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। গত জুলাইয়ে ক্যাং কন থেকে কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন অস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও চালানো হয়েছিল বলে উত্তর কোরিয়ার দাবি। যুদ্ধজাহাজটির নির্মাণেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছিল। গত বছরের মে মাসে প্রথমবার পানিতে নামানোর সময় এটি উল্টে যায়। পরে মেরামতের পর প্রায় এক মাসের মধ্যে আবার জাহাজটি পানিতে নামানো হয়। উত্তর কোরিয়া সাম্প্রতিক সময়ে নৌবাহিনী আধুনিকায়নে জোর দিয়েছে। দেশটি পশ্চিম ও পূর্ব উভয় উপকূলে পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন নৌযান মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে। একই সঙ্গে ১০ হাজার টন শ্রেণির আরও বড় যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে পিয়ংইয়ং। এদিকে নতুন যুদ্ধজাহাজটি নৌবাহিনীতে যুক্ত করার খবর এমন সময়ে এলো, যখন দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান ‘ফ্রিডম এজ’ নামে পাঁচ দিনের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে সামরিক প্রস্তুতি হিসেবে সমালোচনা করে আসছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ভৌগোলিক স্থান, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম পরিবর্তন বা পুনঃনামকরণের উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। লেক অন্টারিওর নাম ‘লেক আমেরিকা’ করার পর এবার হরমুজ প্রণালির নাম ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ করার প্রস্তাবও সামনে এসেছে। তবে এসব উদ্যোগের সবগুলো একই ধরনের নয় - কিছু ইতোমধ্যে ফেডারেল পর্যায়ে কার্যকর হয়েছে, আবার কিছু এখনো প্রস্তাব বা রাজনৈতিক উদ্যোগের পর্যায়ে রয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তনগুলোর একটি হলো লেক অন্টারিওকে ‘লেক আমেরিকা’ নাম দেওয়া। ২৭ আগস্ট জারি করা নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প মার্কিন ফেডারেল নথি ও জিওগ্রাফিক নেমস ইনফরমেশন সিস্টেম (জিএনআইএস)-এ নতুন নাম ব্যবহারের নির্দেশ দেন। তবে লেকটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় কানাডা এই নাম গ্রহণ করেনি এবং দেশটি এখনো ‘লেক অন্টারিও’ নামই ব্যবহার করছে। এর আগে ২০২৫ সালে ট্রাম্প গালফ অব মেক্সিকোকে ‘গালফ অব আমেরিকা’ নামে অভিহিত করার উদ্যোগ নেন। একই সময়ে উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বত ডেনালির ফেডারেল নাম আবার ‘মাউন্ট ম্যাককিনলি’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে ডেনালি ন্যাশনাল পার্ক অ্যান্ড প্রিজার্ভের নাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সামরিক স্থাপনাতেও নাম পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৫ সালে ট্রাম্প প্রশাসন নয়টি আর্মি ঘাঁটির নাম পরিবর্তন বা আগের নাম ফিরিয়ে আনে। এর মধ্যে ফোর্ট লিবার্টিকে আবার ফোর্ট ব্র্যাগ এবং ফোর্ট মুরকে ফোর্ট বেনিং করা হয়। এগুলো ট্রাম্পের নিজের নামে করা হয়নি; বরং আগের নাম ফিরিয়ে দেওয়া বা নতুন ব্যক্তির নামে নামকরণ করা হয়েছে। সরকারি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিয়েও একই ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কেনেডি সেন্টারের বোর্ডে ট্রাম্পের সমর্থকেরা তাঁর নাম যুক্ত করে প্রতিষ্ঠানটিকে ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প অ্যান্ড জন এফ. কেনেডি মেমোরিয়াল সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস’ হিসেবে পরিচিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জও হয়েছে, কারণ প্রতিষ্ঠানটি কংগ্রেসের আইনে প্রতিষ্ঠিত। এদিকে ইউনাইটেড স্টেটস ইনস্টিটিউট অব পিস-এর ওয়াশিংটন সদর দপ্তরকেও ট্রাম্পের নামে পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আইনি বিরোধ চলার মধ্যেই এই নাম ব্যবহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সবচেয়ে সাম্প্রতিক প্রস্তাবগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি নিয়ে। ২ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৌশলগত এই জলপথের নাম ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ করার কথা বলেন। পরে ওভাল অফিসে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তিনি শুধু ‘উত্থাপন’ করেছিলেন। ফলে এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নয়। এ ছাড়া নিউইয়র্কের পেন স্টেশন ও ওয়াশিংটন ডালেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ট্রাম্পের নামে করার ধারণাও আলোচনায় এসেছে। তবে এগুলোও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর নাম পরিবর্তন নয়। ট্রাম্পের নাম যুক্ত হয়েছে এমন আরও কিছু উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যৎ ‘ট্রাম্প-ক্লাস’ যুদ্ধজাহাজ, ২০২৬ সালের একটি ট্রাম্পের প্রতিকৃতিযুক্ত ১ ডলারের মুদ্রা এবং আর্মেনিয়ার একটি প্রস্তাবিত পরিবহন করিডোরের নাম ‘ট্রাম্প রুট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি’। ফ্লোরিডায় পাম বিচ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম ট্রাম্পের নামে পরিবর্তনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে, যদিও সেটি রাজ্য পর্যায়ের উদ্যোগ এবং ফেডারেল অনুমোদনের বিষয় রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশের ক্ষমতারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফেডারেল সরকার তার নিজস্ব নথি, মানচিত্র ও সরকারি যোগাযোগে নতুন নাম ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু কোনো নির্বাহী আদেশ অন্য দেশ, অঙ্গরাজ্য, আন্তর্জাতিক সংস্থা বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক নয়। লেক অন্টারিওর ক্ষেত্রে কানাডা এখনো পুরোনো নাম ব্যবহার করছে - যা এই সীমাবদ্ধতার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। নাম পরিবর্তনের উদ্যোগগুলো নিয়ে জনমতও বিভক্ত নয়, বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিরোধিতার চিত্র পাওয়া গেছে। রয়টার্স/ইপসোসের ২৮-৩০ আগস্টের জরিপে ৬৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তনের বিরোধিতা করেছেন, বিপরীতে সমর্থন করেছেন ১৪ শতাংশ।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে নিহত এক মার্কিন সেনা কর্মকর্তার পরিবারকে যুদ্ধকালীন কিছু আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছিল। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়নি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করে মার্কিন এয়ার ফোর্স। পরে জানানো হয়, ওই পরিবারের প্রাপ্য সুবিধাগুলো আসলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি মার্কিন বিমানবাহিনীর মেজর অ্যালেক্স ক্লিনারের পরিবারকে ঘিরে। ৩৩ বছর বয়সী ক্লিনার মার্চে পশ্চিম ইরাকে একটি KC-135 জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ছয় সদস্যের একজন। বিমানটি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযানে সহায়তা করছিল। ক্লিনারের স্ত্রী লিবি ক্লিনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেন, স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা না হওয়ায় পরিবারটি কিছু যুদ্ধকালীন সুবিধার জন্য যোগ্য নয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। এরপর এয়ার ফোর্স লিবি ক্লিনারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার স্বামীর বেতন ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনা করে। এয়ার ফোর্স জানায়, ক্লিনারের প্রাপ্য সব কমব্যাট থিয়েটার সুবিধা তার বকেয়া বেতনসহ আগেই অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর মধ্যে ছিল হ্যাজার্ড পে এবং কমব্যাট জোন ট্যাক্স সুবিধা। তবে এসব সুবিধা কীভাবে বেতন বিবরণীতে দেখানো হয়েছিল, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। মার্কিন সামরিক ব্যবস্থায় তথাকথিত কমব্যাট পে পেতে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণা সবসময় প্রয়োজন হয় না। নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালন এবং শত্রুতামূলক হামলার মতো পরিস্থিতির ওপর এসব সুবিধা নির্ভর করতে পারে। ইরান সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করা নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স সম্প্রতি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি যুদ্ধ বলতে চান না। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সংঘাতটিকে ‘মিলিটারি কনফ্লিক্ট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে, ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং প্রায় ৭৯০ জন আহত হয়েছেন বলে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। লিবি ক্লিনারের জন্য তার স্বামীর মৃত্যুর পর একটি গোফান্ডমি তহবিলও খোলা হয়েছিল। সেখানে ১৫ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। লিবি বলেন, শোকাহত সামরিক পরিবারগুলোকে যেন সরকারি সুবিধা পেতে জটিল সামরিক পরিভাষা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বুঝতে না হয়, সেটিই তার মূল উদ্দেশ্য। তিনি চান, তার অভিজ্ঞতার পর অন্য পরিবারগুলো যেন শুরু থেকেই নিজেদের প্রাপ্য সুবিধা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পায়।
Follow us
Trending
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
ইরানের খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের দাবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এআই-নির্মিত ভিডিও পোস্ট
‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ বাদ দিয়ে কাশ্মীর দখলে স্লোগান দেওয়া উচিত: শুভেন্দু
গাজায় হামাসবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীকে শেল্টার দিয়ে কাজে লাগাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখলে চীন-ভারতসহ দেশগুলোকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
হামাসের নিরস্ত্রীকরণ বাস্তবায়নের আহ্বানে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত সৌদি-ফ্রান্সের
নখের ক্ষুদ্র সংক্রমণ দেখে নবজাতকের মস্তিষ্কে ক্যানসার শনাক্ত, বাঁচাতে তিনবার অস্ত্রোপচার
মানুষের শরীরে রেকর্ড ২৭১ দিন কাজ করল শূকরের কিডনি, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস
হাঁটবে কিনা ছিল অনিশ্চিত, বিরল রোগের সঙ্গে লড়াই করে পায়ে দাঁড়াল শিশু
গোপন অঙ্গ বড় করার ইনজেকশনে মৃত্যু, বিলাসী ইনফ্লুয়েন্সারের করুণ পরিণতি
১ লাখ ৭১ হাজার রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ, অটিজম নিয়ে নারীদের ক্ষেত্রে মিলল চমকে দেওয়া তথ্য
মাতৃত্ব বাধা নয়, শক্তি: পরীক্ষার পুরো সময় ছাত্রীর সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা নিলেন শিক্ষক
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গুগলের নতুন অফার, মিলবে ৪০০ জিবি স্টোরেজ ও এআই সুবিধা
চীনে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা: নিরাপদ পরিবেশ, আধুনিক প্রযুক্তি ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনের অনন্য সমন্বয়
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ পেলেন ঢাবি ছাত্র সীমান্ত
র্যাগিংয়ের ভিডিও ধারণ করায় প্রক্টরের সামনেই সাংবাদিক ও রাকসু নেতাদের মারধরের অভিযোগ
বাড়িতে থেকে সন্তান দেখাশোনায় অভিভাবকদের ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের
আমেরিকার ভিসা পেতে কত টাকা লাগে? আবেদন থেকে ভিসা পাওয়া পর্যন্ত খরচ কত বাংলাদেশীদের জন্য নতুন হিসাব
আমেরিকায় স্বচ্ছন্দে থাকতে বছরে কত আয় দরকার, নতুন হিসাব
পেনসিলভেনিয়ায় নতুন? চাকরি, শিক্ষা ও কমিউনিটি সহায়তার জন্য যেসব জায়গা চেনা ও জানা জরুরী
এনওয়াইপিডির বিশেষ স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশী সার্জেন্ট মোহাম্মদ হক
একই ধরনের অটিজম বৈশিষ্ট্যের মানুষদের মধ্যেই বন্ধুত্ব-সম্পর্কের টান বেশি
ডোনার ছাড়াই বাঁচার নতুন আশা, ফ্রান্সের তৈরি কৃত্রিম হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনে নতুন সম্ভাবনা
ট্রাম্পের আমেরিকা যখন চীনের রোবট নিয়ে হাসছে, তখন রোবট প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে শি জিনপিংয়ের চীন
'সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রযুক্তি' এআই, কেড়ে নিবে কোটি মানুষের চাকরি, ঘটতে পারে জৈবসন্ত্রাস: বিল গেটস
ল্যাবে তৈরি ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক ৫ বছর ধরে বাঁচিয়ে রাখলেন বিজ্ঞানীরা, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত
চার ছেলেই বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ার, প্রশংসায় ভাসছেন এক রত্নগর্ভা মা
অটিজম নিয়েও ছয় বছর বয়সে অক্সফোর্ডের বিশেষায়িত কর্মসূচিতে জোশুয়া, স্বপ্ন নিউরোসার্জন হওয়ার
১৮০ টাকা চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারের সন্তান শান্তার হার্ভার্ড যাত্রা
পড়াশোনায় অনিয়ম করলে বাতিল হতে পারে মার্কিন শিক্ষার্থী ভিসা, সতর্ক করল ঢাকা ইউএস এম্বাসি
বিদেশে পড়াশোনার খরচে সহায়তা করতে পারে খণ্ডকালীন চাকরি, দেশভেদে বদলে যায় নিয়ম ও আয়
“আপনার ভিসা অনুমোদন হয়েছে” - ইংরেজি না জানা বাংলাদেশি শিশুর নিউইয়র্কে জীবন বদলের গল্প
বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ–নেদারল্যান্ডসের নতুন সহযোগিতার অঙ্গীকার
ফ্লোরিডার প্রাইমারি নির্বাচন ঘিরে গভর্নর ও সিনেট মনোনয়নে তীব্র লড়াই
যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের কর্মীদের জন্য ভিসাভিত্তিক নিয়ম ঘোষণা
প্রথম রাতে সংঘবদ্ধ লুটের ঘটনায় পুলিশ ছবি প্রকাশ করতেই দ্বিতীয় রাতেও সংঘবদ্ধ লুটপাট
সিজারিয়ান প্রসবের সাত স্তর, মিস ওয়ার্ল্ডের গাউনে ফুটে উঠল মায়েদের জীবনের গল্প
যুক্তরাষ্ট্রে অনেক বাংলাদেশির বাসায় ডিশওয়াশার আছে, তবু ব্যবহার করেন না; অজান্তেই নষ্ট করছেন সময়, পানি ও শ্রম
চুলে ক্লিপ পরে গাড়িতে যাতায়াত, দুর্ঘটনার সময় এটি মাথার খুলি পর্যন্ত ঢুকে যেতে পারে
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাসা ভাড়া নিচ্ছেন? যে ৫ টি ভুলে হাতছাড়া হতে পারে পছন্দের বাসা
সস্তা নাশতা খেয়ে ২৪ বছরেই সঞ্চয় ৯৭ হাজার ডলার! ৪০-এ অবসর যা পারছেন তাই করছেন
আল-কায়েদা সদস্যকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিলেন, এখন উগ্রবাদবিরোধী সচেতনতায় ইয়াসমিন
প্রতিবেশীর গোপন খবর বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক কলম্বিয়ার নারী
লন্ডনে ফজরের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির ধাক্কায় নি হত হাফেজ কিশোর
সুইজারল্যান্ডের মার্কেটে খালি গায়ে দাঁত ব্রাশ করতে করতে বাজার, বাংলাদেশিকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা