Live update news
‘বিনাভোটের মেয়র দিচ্ছে বিএনপি’—আসিফ মাহমুদের অভিযোগ

ইন্টেরিম সরকারকে ‘বিনাভোটের সরকার’ বলে সমালোচনা করা বিএনপি এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিনাভোটে মেয়র দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।   পোস্টে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘শহরগুলোতে ভোটের অঙ্ক দেখে নির্বাচন দিতে সাহস পাচ্ছে না সরকারি দল। ইন্টেরিমকে সকাল-বিকেল বিনাভোটের সরকার বলে গালি দেওয়া দলটি এখন বিনাভোটের মেয়র দিচ্ছে সব জায়গায়।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আপকামিং: বিনাভোটের উপজেলা চেয়ারম্যান, বিনাভোটের ইউপি চেয়ারম্যান, বিনাভোটের মেম্বার, বিনাভোটের ওয়ার্ড কাউন্সিলর।’   সম্প্রতি ক্ষমতা গ্রহণের এক সপ্তাহের মাথায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) স্থানীয় সরকার প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিসহ দেশের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিটি করপোরেশনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের সরিয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তরা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতা বলে জানা গেছে।   রোববার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়-এর সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অথবা নতুন নির্বাচিত পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করবেন।   উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক মেয়রদের সরিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। পরে বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর আবার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এসব পদে বসানো হলো।   দায়িত্ব গ্রহণের পর স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘যত দ্রুত সম্ভব’ নির্বাচন দেওয়ার আশ্বাস দিলেও, তার আগেই এসব প্রশাসক নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

১ ঘন্টা Ago
পাসপোর্ট সেবায় ভোগান্তি কমাতে নতুন ব্যবস্থা

দেশে পাসপোর্ট প্রাপ্তিতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে পাসপোর্ট সেবা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। অধিকাংশ মানুষ সঠিকভাবে আবেদন করার নিয়ম না জানায় দালালচক্র বা অসাধু মধ্যস্বত্বভোগীদের কবলে পড়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় ও হয়রানির শিকার হন।   তিনি জানান, এ সমস্যা নিরসনে সরকার নতুন একটি পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দলিল লেখকদের মতো পাসপোর্ট কার্যক্রমেও কিছু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ‘নিবন্ধিত সহায়তাকারী’ হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হবে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব নিবন্ধিত সহায়তাকারী আবেদনপত্র পূরণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই এবং অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবেন। বিনিময়ে তারা নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ নিতে পারবেন। এতে সাধারণ মানুষের হয়রানি কমবে এবং দালালনির্ভরতা হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে পাসপোর্ট সেবা আরও স্বচ্ছ ও সহজলভ্য হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই বিস্তারিত নীতিমালা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

১ ঘন্টা Ago
হেটমায়ার–পাওয়েলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সুপার এইট শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশাল জয়ে

সুপার এইট পর্বের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ডগড়া ব্যাটিং প্রদর্শনী উপহার দিয়ে বড় জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শিমরন হেটমায়ার ও রোভম্যান পাওয়েলের তাণ্ডবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৫৪ রান তোলে দলটি—যা চলতি আসরে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।   হেটমায়ার শুরুতেই জীবন পেয়ে তা পুরোপুরি কাজে লাগান। মাত্র ১৯ বলে ফিফটি পূর্ণ করে তিনি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড ভাঙেন। তাঁর ৩৪ বলের ৮৫ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৭টি ছক্কা। হেটমায়ারের সঙ্গে ৫২ বলে ১২২ রানের জুটি গড়েন পাওয়েল। ধীর সূচনা কাটিয়ে ২৯ বলে ফিফটি করেন পাওয়েল; শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৫৯ রান করেন তিনি।   শেষভাগে শেরফান রাদারফোর্ড (১৩ বলে ৩১), রোমারিও শেফার্ড (১০ বলে ২১) ও জেসন হোল্ডার (৪ বলে ১৩) দ্রুতগতির ইনিংসে স্কোর আরও বাড়ান। দলটির ইনিংসে মোট ১৯টি ছক্কা আসে।   বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে। পাওয়ারপ্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান তোলে তারা। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ২০ বলে ২৭ রান করেন। ব্র্যাড ইভান্সের ২১ বলে ৪৩ রানের ইনিংস কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিলেও তা যথেষ্ট হয়নি। শেষ পর্যন্ত ১৪৭ রানে অলআউট হয়ে ১০৭ রানের বড় ব্যবধানে হার মানে জিম্বাবুয়ে।   এই জয়ের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-এর সুপার এইট পর্বে শক্ত বার্তা দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হেটমায়ারের ব্যাটিং ঝড় ও সামগ্রিক দলীয় পারফরম্যান্সে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ শুরু থেকেই ছিল ক্যারিবীয়দের হাতে।

১ ঘন্টা Ago
এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন কমিটি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের দফতর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন সারজিস আলম। সদস্যসচিব (এমপি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল হান্নান মাসউদ। এছাড়া আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও অ্যাড মঞ্জিলা ঝুমা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।   কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সকল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলার নেতৃবৃন্দ এই কমিটিকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

৩ ঘন্টা Ago
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ফাইল ছবি
রাজনীতি
‘বিনাভোটের মেয়র দিচ্ছে বিএনপি’—আসিফ মাহমুদের অভিযোগ

ইন্টেরিম সরকারকে ‘বিনাভোটের সরকার’ বলে সমালোচনা করা বিএনপি এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিনাভোটে মেয়র দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।   পোস্টে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘শহরগুলোতে ভোটের অঙ্ক দেখে নির্বাচন দিতে সাহস পাচ্ছে না সরকারি দল। ইন্টেরিমকে সকাল-বিকেল বিনাভোটের সরকার বলে গালি দেওয়া দলটি এখন বিনাভোটের মেয়র দিচ্ছে সব জায়গায়।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আপকামিং: বিনাভোটের উপজেলা চেয়ারম্যান, বিনাভোটের ইউপি চেয়ারম্যান, বিনাভোটের মেম্বার, বিনাভোটের ওয়ার্ড কাউন্সিলর।’   সম্প্রতি ক্ষমতা গ্রহণের এক সপ্তাহের মাথায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) স্থানীয় সরকার প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিসহ দেশের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিটি করপোরেশনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের সরিয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তরা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতা বলে জানা গেছে।   রোববার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়-এর সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অথবা নতুন নির্বাচিত পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করবেন।   উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক মেয়রদের সরিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। পরে বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর আবার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এসব পদে বসানো হলো।   দায়িত্ব গ্রহণের পর স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘যত দ্রুত সম্ভব’ নির্বাচন দেওয়ার আশ্বাস দিলেও, তার আগেই এসব প্রশাসক নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
আলী খামেনি।
মার্কিন হামলায় ভয়ঙ্কর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনও মাত্রার হামলার জবাবে ‘ভয়ঙ্কর’ প্রতিক্রিয়া জানাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান—এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সীমিত হামলার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করছেন বলে জানানোর পর সোমবার এই অবস্থান স্পষ্ট করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, সীমিত হামলাসহ যেকোনও আঘাতই স্পষ্টভাবে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য হবে। আত্মরক্ষার স্বাভাবিক অধিকারের অংশ হিসেবেই ইরান ভয়ঙ্করভাবে এর জবাব দেবে।   এদিকে, ওমানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে। ইরান ও ওমান বৃহস্পতিবার পরবর্তী দফার আলোচনা হবে বলে নিশ্চিত করলেও যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে পারমাণবিক আলোচনায় ইরানকে চুক্তিতে আনতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি জোরদার করে যুক্তরাষ্ট্র। আলোচনায় সমঝোতা না হলে সীমিত হামলার কথাও জানান ট্রাম্প।   ইরান জোর দিয়ে বলেছে, আলোচনায় কেবল তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েই কথা হবে। পশ্চিমা দেশগুলো মনে করে, এই কর্মসূচির লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি, যদিও তেহরান বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে। ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।   অন্যদিকে, উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস বলেন, অঞ্চলে নতুন করে আরেকটি যুদ্ধের প্রয়োজন নেই। এই সময়কে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো উচিত।   ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে ইরানে নতুন করে সংঘাত শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় সুইডেন, সার্বিয়া, পোল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার পর ভারতও নিজ নাগরিকদের ইরান ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে।   সূত্র: এএফপি।

ফাইল ছবি
তিন সচিবকে পদ থেকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

তিন সচিবকে তাদের পদ থেকে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে।   প্রত্যাহার হওয়া সচিবরা হলেন—ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মিজ্ রেহানা পারভীন।   প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রত্যাহারের পর তিনজনকেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
শরীয়তপুরে বিএনপির ক্লাবে হাতবোমা নিক্ষেপ

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চাকধ বাজার এলাকায় একটি রাজনৈতিক কার্যালয় (বিএনপি ক্লাব) লক্ষ্য করে হাতবোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে এই অতর্কিত হামলায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।   প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুই দুর্বৃত্ত দ্রুতগতির সাথে ক্লাবের সামনে পৌঁছায় এবং লক্ষ্যবস্তু করে বেশ কয়েকটি হাতবোমা ছুড়ে মারে। বিকট শব্দে বোমাগুলো বিস্ফোরিত হওয়ার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা গুরুতর হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   খবর পাওয়ার পরপরই নড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং তদন্তের স্বার্থে বিস্ফোরণের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত হাতবোমা উদ্ধার করা হয়, যা বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।   এই হামলাকে ‘সুপরিকল্পিত’ আখ্যা দিয়ে ভূমখাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল পেদা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।   নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া জানান, পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। উদ্ধারকৃত অবিস্ফোরিত বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ দল মাঠে কাজ করছে।

ছবি: সংগৃহীত
আ. লীগ নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত গণপূর্তমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর কুমিল্লার বরুড়ায় এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে নিজের দলেরই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন নবনিযুক্ত গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। গত শনিবার সন্ধ্যায় বরুড়ায় নিজ বাসভবনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও জনরোষে থাকা আওয়ামী লীগের একাধিক প্রভাবশালী নেতার কাছ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা গ্রহণ করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে সমালোচনার ঝড়।   জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী হওয়ার পাশাপাশি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর মতো একজন জ্যেষ্ঠ নেতার এমন ‘আপোষকামী’ আচরণে ক্ষোভে ফুঁসছেন রাজপথের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীরা।   শুভেচ্ছা জানানো সেই ‘নিষিদ্ধ’ মুখগুলো: মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো এসব ইউপি চেয়ারম্যানদের প্রায় সবাই স্থানীয় আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদধারী। তালিকায় রয়েছেন— উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামান মাসুদসহ অন্তত ১৩ জন ইউপি চেয়ারম্যান। তাঁরা সবাই বরুড়ার সাবেক বিতর্কিত আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য শফিউদ্দিন শামীমের একনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত।   তৃণমূলের ক্ষোভের আগুন: বিএনপির সাধারণ কর্মীদের অভিযোগ, এই আওয়ামী নেতাদের নেতৃত্বেই গত ১৭ বছর বরুড়াতে বিএনপির নেতাকর্মীরা এলাকা ছাড়া ছিলেন। অসংখ্য মিথ্যা মামলা, হামলা আর নির্যাতনের শিকার হওয়া ত্যাগী কর্মীরা এখন দিশেহারা। আব্দুল হাকিম নামে এক বিএনপি কর্মী আক্ষেপ করে বলেন, “এই নেতারাই আমাদের পিটিয়েছে, এখন ওরাই আবার মন্ত্রীর পাশে বসে ফুল দিচ্ছে। হালুয়া-রুটির ভাগ সবাই মিলেমিশে খাচ্ছে, আর আমাদের মতো সাধারণ কর্মীদের কপালে এখনো সেই গাছতলা আর ধানক্ষেত!”   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে অনেকে লিখছেন— “যাদের কারণে শত শত কর্মী পঙ্গু হয়েছে, তাদের হাত থেকে ফুল নেওয়া শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।” জুলাই বিপ্লবের পর যেখানে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচারের আওতায় আনার কথা, সেখানে বিএনপির নেতারাই তাঁদের ‘শেল্টার’ দিচ্ছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।   এ বিষয়ে জানতে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের শুরুতে এমন ঘটনা জনমনে ভুল বার্তা দিতে পারে এবং সরকারের স্বচ্ছতা ও নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।

ছবি: সংগৃহীত
সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী বাছাই করছে জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর এবার সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে দলটি এবার ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক সংরক্ষিত নারী আসন পেতে যাচ্ছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।   নির্বাচন কমিশনের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে জিতার নিরিখে জামায়াত ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে ১২টি আসন পেতে পারে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচিত ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী যদি সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ১০০ করা হয়, তবে জামায়াতের নারী এমপির সংখ্যা দাঁড়াবে ২৪-এ। এই ঐতিহাসিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিজ্ঞ সাংগঠনিক নেতৃত্বের পাশাপাশি সংসদ কাঁপাতে পারেন এমন দক্ষ পেশাজীবীদের খুঁজছে দলটি।   সম্ভাব্য তালিকায় আলোচনায় যারা: জামায়াতের মহিলা বিভাগ ও নীতিনির্ধারণী সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংরক্ষিত আসনের দৌড়ে বেশ কিছু পরিচিত ও প্রভাবশালী মুখ আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন: দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আমেনা বেগম। নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট। জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুন্নিসা সিদ্দিকা। প্রখ্যাত আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী। কেন্দ্রীয় নেত্রী নাজমুন্নাহার নীলু, সাঈদা রুম্মান এবং ফাতেমা আক্তার হ্যাপি।   পেশাজীবী ও নতুন চমক: দলীয় নেতৃত্বের বাইরেও এবার দক্ষ ও উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবীদের সংসদে পাঠানোর কথা ভাবছে জামায়াত। এক্ষেত্রে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মারদিয়া মমতাজ, সম্মিলিত নারী প্রয়াসের সভাপতি ডা. শামীমা তাসনিম এবং ঢাকা-১০ আসনের আলোচিত নেতা অ্যাডভোকেট জসীমউদ্দিন সরকারের স্ত্রী ড. ফেরদৌস আরা খানম বকুলের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।   জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানান, মহিলা বিভাগ থেকে প্রস্তাবিত নামগুলো দলের সংসদীয় বোর্ডে যাচাই-বাছাই করা হবে। মূলত সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দেশজুড়ে সুষম প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতেই এই তালিকা করা হচ্ছে।   উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে জামায়াত মাত্র ২টি এবং ২০০১ সালে ৪টি সংরক্ষিত আসন পেয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এবারই প্রথম তারা সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের পাশাপাশি এত বড় নারী প্রতিনিধিত্ব পেতে যাচ্ছে। ১১ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর মধ্য থেকেও কাউকে এই কোটায় মূল্যায়ন করা হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
শিলিগুড়িতে বাংলাদেশিদের হোটেলে থাকার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে অবস্থানের ওপর আরোপিত দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (জিএসএইচডব্লিউএ) এই তথ্য নিশ্চিত করে।   সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন সরকার গঠনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওইদিন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসনের অবসান ঘটে।   রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবে সংগঠনটি তাদের সদস্যদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ভোটাভুটির আয়োজন করে। এতে অধিকাংশ সদস্য বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পুনরায় হোটেল সেবা চালুর পক্ষে মত দেন।   উল্লেখ্য, আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর শিলিগুড়ির হোটেল মালিকরা প্রথম বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেলে সেই বিধিনিষেধ পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞায় রূপ নেয়, ফলে দীর্ঘ সময় শিলিগুড়ির হোটেলগুলোতে বাংলাদেশিদের অবস্থান বন্ধ ছিল। বর্তমানে সীমান্ত পারাপারের বিধিনিষেধ শিথিল হওয়া এবং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সদিচ্ছার প্রতিফলনের প্রেক্ষাপটে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   তবে নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না বলে জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, দেশের নিরাপত্তা ও মর্যাদা তাদের কাছে সর্বাগ্রে। ভবিষ্যতে কোনো পর্যটকের পক্ষ থেকে দেশবিরোধী, উসকানিমূলক বা অসম্মানজনক আচরণ দেখা গেলে পুনরায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   ইতোমধ্যে সংগঠনের নির্দেশনা অনুযায়ী শিলিগুড়ির হোটেলগুলোতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বুকিং প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার কাজ শুরু হয়েছে।

ছবি: রয়টার্স
সিরিয়া থেকে সেনা সরাতে শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত নিজেদের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা ও ভারী সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নিতে শুরু করেছে মার্কিন বাহিনী। সোমবার সকালে হাসাকা প্রদেশের কাসরাক ঘাঁটি থেকে সাঁজোয়া যান ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র বোঝাই ডজনখানেক ট্রাক বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ফুটেজে ট্রাকগুলোকে কামিশলি শহরের উপকণ্ঠ দিয়ে মহাসড়ক ধরে সরে যেতে দেখা যায়।     সিরীয় সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, কাসরাক ঘাঁটি থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাহার শেষ হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে। তবে এই প্রত্যাহার স্থায়ী নাকি সাময়িক, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা আসেনি। কাসরাক ঘাঁটি থেকে সরে গেলেও ইরাক সীমান্তবর্তী রমেলান এলাকায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের আরও একটি ঘাঁটি রয়েছে।     গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বিরোধী লড়াইয়ে কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের প্রধান সহযোগী হিসেবে কাসরাক ঘাঁটিটি ছিল মার্কিন বাহিনীর মূল কেন্দ্র। তবে সম্প্রতি সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ফলে প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা-র নেতৃত্বাধীন সরকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। এর ধারাবাহিকতায় হাসাকার আল-শাদ্দাদি এবং ইরাক-জর্ডান সীমান্তসংলগ্ন আল-তানফ গ্যারিসন থেকেও মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে।   ওয়াশিংটন স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় মোতায়েন থাকা প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনার সবাইকেই পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গত সপ্তাহে এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, এটি একটি পরিকল্পিত ও শর্তসাপেক্ষ রূপান্তর প্রক্রিয়া।   তিনি বলেন, সিরীয় সরকার নিজ সীমান্তে সন্ত্রাসবাদ দমনে দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হওয়ায় সেখানে মার্কিন বাহিনীর বড় উপস্থিতির প্রয়োজন কমে এসেছে। যদিও আইএসের তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় সাম্প্রতিক হামলায় একজন সৈন্য ও এক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ওই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

আলী খামেনি।
মার্কিন হামলায় ভয়ঙ্কর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনও মাত্রার হামলার জবাবে ‘ভয়ঙ্কর’ প্রতিক্রিয়া জানাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান—এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সীমিত হামলার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করছেন বলে জানানোর পর সোমবার এই অবস্থান স্পষ্ট করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, সীমিত হামলাসহ যেকোনও আঘাতই স্পষ্টভাবে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য হবে। আত্মরক্ষার স্বাভাবিক অধিকারের অংশ হিসেবেই ইরান ভয়ঙ্করভাবে এর জবাব দেবে।   এদিকে, ওমানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে। ইরান ও ওমান বৃহস্পতিবার পরবর্তী দফার আলোচনা হবে বলে নিশ্চিত করলেও যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে পারমাণবিক আলোচনায় ইরানকে চুক্তিতে আনতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি জোরদার করে যুক্তরাষ্ট্র। আলোচনায় সমঝোতা না হলে সীমিত হামলার কথাও জানান ট্রাম্প।   ইরান জোর দিয়ে বলেছে, আলোচনায় কেবল তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েই কথা হবে। পশ্চিমা দেশগুলো মনে করে, এই কর্মসূচির লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি, যদিও তেহরান বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে। ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।   অন্যদিকে, উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস বলেন, অঞ্চলে নতুন করে আরেকটি যুদ্ধের প্রয়োজন নেই। এই সময়কে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো উচিত।   ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে ইরানে নতুন করে সংঘাত শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় সুইডেন, সার্বিয়া, পোল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার পর ভারতও নিজ নাগরিকদের ইরান ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে।   সূত্র: এএফপি।

পুলিশ থেকে অপরাধ জগতের সম্রাট: মেক্সিকোর ত্রাস ‘এল মেনচো’র রক্তাক্ত অধ্যায়ের অবসান
পুলিশ থেকে অপরাধ জগতের সম্রাট: মেক্সিকোর ত্রাস ‘এল মেনচো’র রক্তাক্ত অধ্যায়ের অবসান
নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0

মেক্সিকোর অন্যতম শক্তিশালী এবং ভয়ংকর মাদক কার্টেল ‘জেলিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল’ (CJNG)-এর প্রধান নেমেসিও ওসেগুয়েরা, যিনি বিশ্বজুড়ে ‘এল মেনচো’ নামে পরিচিত, গত রবিবার এক সামরিক অভিযানে নিহত হয়েছেন।   এক সময়ের পুলিশ কর্মকর্তা থেকে বিশ্বের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীতে পরিণত হওয়া এই ডন মেক্সিকোজুড়ে রেখে গেছেন লাশের স্তূপ আর এক রক্তাক্ত উত্তরাধিকার।   মেক্সিকোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য জেলিস্কোর পার্বত্য অঞ্চলে এক ঝটিকা অভিযানে মারাত্মকভাবে আহত হন ৬০ বছর বয়সী ওসেগুয়েরা। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে মেক্সিকো সিটিতে স্থানান্তরের সময় তার মৃত্যু হয়। মেক্সিকোর ইতিহাসে মাদক পাচার বিরোধী লড়াইয়ে এটিকে অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই অভিযানে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে।   ওসেগুয়েরার জীবন কোনো থ্রিলার সিনেমার চেয়ে কম নয়। ১৯৬৬ সালে মিশোয়াকান রাজ্যের এক দরিদ্র গ্রামে জন্ম নেওয়া এল মেনচো প্রথম জীবনে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। তবে আইনি ব্যবস্থার চেয়ে অন্ধকার জগৎ তাকে বেশি টানে। প্রথমে মাদক কার্টেলের হিটম্যান বা ঘাতক হিসেবে কাজ শুরু করলেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিজের এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন তিনি।   জেলিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল বা CJNG-কে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক অপরাধী চক্র মনে করা হয়। এল মেনচোর নেতৃত্বে এই গোষ্ঠীটি মেক্সিকোর সিনালোয়া কার্টেলের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল। সিনালোয়ার কারাবন্দি নেতা ‘এল চাপো’ গুজম্যানের পর এল মেনচোই ছিলেন মেক্সিকোর সবচেয়ে প্রভাবশালী ড্রাগ লর্ড। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।   যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ সিন্থেটিক মাদক ‘ফেন্টানিল’ পাচারের মূল হোতা হিসেবে তাকে অভিযুক্ত করা হতো। তার নির্দেশে মেক্সিকোর শত শত পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। ২০১৫ সালে মেক্সিকোর একটি সামরিক হেলিকপ্টার রকেট লাঞ্চার দিয়ে ভূপাতিত করার পেছনেও ছিল এল মেনচোর হাত।   এল মেনচোর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই মেক্সিকোর বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। তার অনুসারী কার্টেল সদস্যরা আটটি রাজ্যে বাস ও ট্রাকে আগুন দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে। অনেক জায়গায় গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।   মেক্সিকোর নতুন প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবাউমের নিরাপত্তা কৌশলের জন্য এটিকে একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এল মেনচোর মৃত্যু মাদক সাম্রাজ্যের ক্ষমতার লড়াইকে আরও উসকে দিতে পারে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় রক্তপাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Follow us

Trending

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
128 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
133 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
96 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
ধর্ম
Advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
সারাদেশ
জাতীয়