Live update news
মধ্য রাতে সিলেটে কেন্দ্র দিকে ঢোকার চেষ্টা: পর্যবেক্ষক পরিচয়ে তিন তরুণ আটক

সিলেট নগরের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিন তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা তাদের কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা আটকান এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।   সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন, “তিনজন রাতে কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। পরে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে।”   পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতরা নিজেদের ভোট পর্যবেক্ষক বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। তবে রাতের বেলায় কেন তারা কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া তারা প্রকৃত পর্যবেক্ষক কিনা, এবং যদি হন, ভোটকেন্দ্রে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না সব বিষয় তদন্তের আওতায় রয়েছে।   ঘটনার পর সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, “আজ দুপুরে জামায়াতের এক নেতার বাসা থেকে লাঠিসোঁটা উদ্ধার করা হয়েছে। এটি ভোটের পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। নির্বাচনের দিন রাতে পর্যবেক্ষকরা কেন কেন্দ্রে এসেছেন, প্রশাসন তা খতিয়ে দেখুক। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে কি তারা ঢুকেছেন, সেটাও দেখা প্রয়োজন।”   তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশা করি। তবে ভোটকেন্দ্রে রাতের বেলা অস্বাভাবিক ঘটনা নির্বাচনের স্বচ্ছতার প্রশ্ন উত্থাপন করছে।” পুলিশের আটকের পর পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিকভাবে চলছে।

১ ঘন্টা Ago
শরীয়তপুর–২: জামায়াত কার্যালয় থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা জব্দ, এক পোলিং কর্মকর্তা আটক

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। অভিযানের সময় কার্যালয় থেকে পোলিং কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে আটক করা হয়।   জামায়াত প্রার্থী মাহমুদ হোসেন বুধবার রাত ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, জব্দ করা টাকাগুলো ছিল কর্মীদের সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের জন্য রাখা। তিনি বলেন, “আমার বিরোধী পক্ষ মব সৃষ্টি করে আমাদের কর্মীদের হেনস্থা করেছে। তারপর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাকা, কিছু কাগজপত্র ও ল্যাপটপ জব্দ করেছেন।”   জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুজন মিয়া আটক পোলিং কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।   স্থানীয় সূত্র জানায়, নড়িয়া পৌরসভার দক্ষিণ বৈশাখীপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে এই নির্বাচনী কার্যালয় পরিচালিত হচ্ছিল। অভিযানের সময় সেখানে জামায়াতের কয়েকজন কর্মী উপস্থিত ছিলেন। গোলাম মোস্তফা পঞ্চপল্লী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।   শরীয়তপুর–২ আসনের নির্বাচনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাঁদের মধ্যে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাহমুদ হোসেন ও বিএনপির সফিকুর রহমান।   মাহমুদ হোসেন প্রশাসন ও ইলেকশন কমিশনকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা বিচারের প্রতি আস্থাশীল। তবে আমার বুঝে আসে না, এই বিস্তীর্ণ এলাকায় আমরা কর্মীদের কীভাবে খাবার খাওয়াব।”

১ ঘন্টা Ago
নির্বাচনের আগের দিন কেমন কাটালেন উপদেষ্টারা

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষের প্রাক্কালে নির্বাচনের আগের দিনটি ব্যস্ততা ও বিদায়ের আবহে কাটিয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে।   প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগের দিনও কর্মব্যস্ত ছিলেন। তিনি বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আগামীকাল রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে।   অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব শেষে আবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছেন। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় ফিরবেন এবং গবেষণা ও লেখালেখিতে মনোযোগ দেবেন।   পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে পুনরায় লেখালেখিতে ফিরতে চান। খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার সামাজিক-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও গণমাধ্যমে যুক্ত থাকবেন। বিদ্যুৎ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান রমজান মাসে ইবাদতে মনোযোগ দিয়ে পরে লেখালেখি ও বই পড়ায় ফিরবেন।   পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দায়িত্ব শেষে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-তে ফিরে যাবেন। সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ কিছুদিন বিরতি নিয়ে মানবাধিকার ও নারীদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।   দেড় বছরের দায়িত্ব শেষে বিদায়ের সুর বাজলেও, উপদেষ্টাদের অনেকেই নিজ নিজ পেশা ও আগ্রহের জায়গায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

২ ঘন্টা Ago
ভোটকেন্দ্রের সামনে বস্তাভর্তি টাকাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে বস্তাভর্তি টাকাসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে পৌর এলাকার খেপুপাড়া গার্লস স্কুল কেন্দ্রের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।   আটক ব্যক্তি কাজল মৃধা, যিনি পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনের কর্মী বলে জানা গেছে।   স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, তার কাছে থাকা বস্তায় আনুমানিক অর্ধকোটি টাকা থাকতে পারে। তবে সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত করতে টাকার গণনা চলছে।   ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ বলেন, একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে কাজল মৃধা নামে এক রাজনৈতিক দলের সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। তার কাছে থাকা বস্তায় টাকা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড ও প্রশাসন তদন্ত করছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

২ ঘন্টা Ago
ছবি: সংগৃহীত
সারাদেশ
মধ্য রাতে সিলেটে কেন্দ্র দিকে ঢোকার চেষ্টা: পর্যবেক্ষক পরিচয়ে তিন তরুণ আটক

সিলেট নগরের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিন তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা তাদের কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা আটকান এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।   সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন, “তিনজন রাতে কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। পরে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেছে।”   পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতরা নিজেদের ভোট পর্যবেক্ষক বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। তবে রাতের বেলায় কেন তারা কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া তারা প্রকৃত পর্যবেক্ষক কিনা, এবং যদি হন, ভোটকেন্দ্রে আইন লঙ্ঘন করেছেন কি না সব বিষয় তদন্তের আওতায় রয়েছে।   ঘটনার পর সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, “আজ দুপুরে জামায়াতের এক নেতার বাসা থেকে লাঠিসোঁটা উদ্ধার করা হয়েছে। এটি ভোটের পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। নির্বাচনের দিন রাতে পর্যবেক্ষকরা কেন কেন্দ্রে এসেছেন, প্রশাসন তা খতিয়ে দেখুক। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে কি তারা ঢুকেছেন, সেটাও দেখা প্রয়োজন।”   তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশা করি। তবে ভোটকেন্দ্রে রাতের বেলা অস্বাভাবিক ঘটনা নির্বাচনের স্বচ্ছতার প্রশ্ন উত্থাপন করছে।” পুলিশের আটকের পর পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিকভাবে চলছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: ফেসবুক লাইভ থেকে নেওয়া
কালো টাকার সরবরাহ প্রতিহত করা হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, কালো টাকার সরবরাহ প্রতিহত করা হবে। তারা বাংলাদেশটাকে আবার বিক্রি করে দিতে চায়। তাদের ভুলের কারণে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বছরের পর বছর খেসারত দিতে হয়েছে। রাজপথে রক্ত দিতে হয়েছে। তারা টাকা নিয়ে বের হলে বেঁধে রাখতে হবে। তাদের কোনোভাবে স্পেস দেওয়া যাবে না। অর্থসহ যেখানে দেখা যাবে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রশাসনকে খবর দিতে হবে।   বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার থেকে ফেসবুক লাইভে তিনি এসব কথা বলেন।   হাসনাত বলেন, যারা কালো টাকা নিয়ে ঢুকেছেন তাদের প্রত্যেকের চূড়ান্ত পরিণতি দেখে নেওয়া হবে। এটা আমার শেষ ওয়ার্নিং। প্রত্যেকটা মোড়ে মোড়ে প্রত্যেকটা কেন্দ্রে, প্রত্যেকটা গলিতে গলিতে, প্রত্যেকটা পাড়ায়-পাড়ায় আপনারা অবস্থান নেন। ভোটের ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত অবস্থান নেন।    তিনি বলেন, কালোটাকা দেখলে আপনারা এনসিপির কন্ট্রোল রুমে ইনফর্ম করবেন। আর আমি এখন থেকে মাঠে থাকছি। যেখান থেকে খবর আসবে আমি সেখানে যাব। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সহায়তা চাই। কালোটাকা প্রতিরোধ করতে হবে। ভোট আমাদের পবিত্র আমানত। অর্থ দিয়ে ভোট বিক্রি করা যাবে না। কালো টাকার ছড়াছড়ি আমরা কোনোভাবেই হতে দেব না। আমরা নিজেরা মাঠে থেকে এটা প্রতিরোধ করব। এখন থেকে এই মুহূর্ত থেকে একদম ভোট না দেওয়া পর্যন্ত আমরা পাহারা দেব।    ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবেন উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিশেষ করে কয়েকটা এলাকায় এখন অর্থ ঢুকছে। জাফরগঞ্জ ও বরকামতায় অর্থ নিয়ে ঢুকেছে। এটা প্রতিরোধ করা হবে। সুলতানপুর এবং রাজামেহার এলাকায় অর্থের ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে। ফাতেহাবাদ ইউনিয়নেও অর্থের ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে। যেখানে অর্থসহ কাউকে দেখা হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।   তিনি বলেন, আপনারা যারা অর্থ নিয়ে মাঠে নেমেছেন তাদের কারোর অস্তিত্ব থাকবে না দেবিদ্বারে। আমি আবারও বলছি যেভাবে টাকা নিয়ে আসছেন ঠিক সেভাবেই আবার চলে যান। যদি কেউ একজন ধরা পড়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনাদের অস্তিত্ব রাখবে না। প্রশাসন পুলিশ যথেষ্ট পরিমাণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এতদিন আমরা একটা উৎসবমুখর ভোটের জন্য অপেক্ষা করেছি। নির্বিঘ্নে মানুষ ভোট দেবেন।   হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মানুষ ভোট যাকে খুশি তাকে দেবে। আপনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিচ্ছেন আপনার বিরুদ্ধে ভোট দিলে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেবেন। কাউকে থাকতে দেবেন না। সবাইকে ধ্বংস করে দেবেন। এ ধরনের পরিবেশ দেবিদ্বারে হতে দেওয়া হবে না।    তিনি বলেন, যারা অর্থ নিয়ে নেমেছেন প্রমাণসহ প্রত্যেকের নাম জাতির সামনে প্রকাশ করব। রাজনীতিতে বাংলাদেশের মানুষ চিরতরে আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে। দেবিদ্বারের মানুষ আপনারা সবাই সচেতন থাকেন। আপনাদের বাড়ির সামনে যারা টাকা নিয়ে আসবে তাদের বেঁধে রাখবেন। আপনারা সবাই বাড়ির সামনে অবস্থান নেন। একটা সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ভোট হতে যাচ্ছে। সেখানে যারা বাধা দিবে তাদের প্রতিহত করুন। প্রত্যেকটা কেন্দ্রে আপনারা পাহারা বসান।    স্থানীয় মসজিদে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাসনাত বলেন, যারা কালোটাকা দিতে আসে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানাবেন। তারা পাঁচ বছরের জন্য জনগণকে গোলাম বানাতে আসে। আপনার অধিকার হরণ করার জন্য আসে। বাংলাদেশটাকে পিছিয়ে দিতে আসে। ভোট যাকে ইচ্ছা তাকেই দেবে; কিন্তু টাকা দিয়ে পেশিশক্তি দেখিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে যারা ভোট কিনতে আসছে তাদের প্রতিহত করতেই হবে।

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি
ট্রাম্পের অ্যাটর্নি জেনারেলকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির সাক্ষ্যদান চলাকালীন কংগ্রেসের শুনানিতে এক অভাবনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এপস্টাইন মামলার ফাইল এবং বিচার বিভাগের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের একের পর এক প্রশ্নে শুনানিকক্ষ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।   সংবাদের মূল পয়েন্টগুলো:   ক্ষমা চাওয়ার দাবি: ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা কক্ষে উপস্থিত এপস্টাইনের নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের কাছে বন্ডিকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।   বন্ডির কঠোর প্রতিক্রিয়া: ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাম বন্ডি সরাসরি বলেন, তিনি ওই ডেমোক্র্যাট নারীর সাথে "কর্দমাক্ত তর্কে (gutter with this woman)" জড়াতে চান না।   তদন্ত নিয়ে বিতর্ক: এপস্টাইন ফাইলের পাশাপাশি বিচার বিভাগের আরও বেশ কিছু হাই-প্রোফাইল তদন্ত নিয়ে বন্ডিকে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।   রাজনৈতিক মেরুকরণ: পুরো শুনানিটি এখন একটি দলীয় লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। রিপাবলিকানরা বন্ডিকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা তার নেতৃত্বের তীব্র সমালোচনা করছেন।   "এটি এখন আর সাধারণ শুনানি নেই, বরং একটি রাজনৈতিক যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।" — ড্যানিয়েল বুশ, ওয়াশিংটন করেসপনডেন্ট।   ওয়াশিংটনের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে পুরো বিশ্ব। পরিস্থিতির আরও আপডেট জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

মিয়ানমারের শীর্ষস্থানীয় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা
বিশ্বের নজর এড়িয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা

মিয়ানমারে জান্তা সরকারের ক্রমবর্ধমান বিমান হামলায় শত শত বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন, অথচ বিশ্ব সম্প্রদায় এই ভয়াবহতার দিকে নজর দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির একটি শীর্ষস্থানীয় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা। রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণ হারানো এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে বিমান শক্তির ওপর নির্ভর করছে। বিশেষ করে রাখাইন রাজ্য এবং সাগাইং অঞ্চলে এই হামলার তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওই নেতা জানান, জান্তা বাহিনী এখন শুধু সম্মুখ যুদ্ধে লড়ছে না, বরং সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করতে স্কুল, হাসপাতাল এবং ধর্মীয় উপাসনালয় লক্ষ্য করে নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করছে।   তিনি বলেন, "বিশ্বের অন্যান্য সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যতটা সোচ্চার, মিয়ানমারের ক্ষেত্রে তারা ততটাই উদাসীন। আমাদের সাধারণ মানুষ প্রতিদিন আকাশের দিকে তাকিয়ে মৃত্যুভয়ে দিন কাটাচ্ছে, কিন্তু এই রক্তপাত বন্ধে কার্যকর কোনো বৈশ্বিক পদক্ষেপ নেই।"   জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যেই অন্তত ১৭০ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, জান্তা বাহিনী কিছু ক্ষেত্রে উন্নত ড্রোন এবং বিদেশি জ্বালানি ব্যবহার করে এই হামলাগুলো পরিচালনা করছে।   বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থল যুদ্ধে বিদ্রোহীদের কাছে একের পর এক ঘাঁটি হারানোর পর জান্তা সরকার এখন আকাশপথকে তাদের প্রধান অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে। বিমান হামলা চালিয়ে তারা বিদ্রোহীদের রসদ ধ্বংস করার পাশাপাশি বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে বাস্তুচ্যুত করে দিচ্ছে, যাতে তারা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সমর্থন করতে না পারে।   মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, যদি এখনই আন্তর্জাতিক মহল থেকে মিয়ানমারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং বিমান জ্বালানি সরবরাহে বাধা সৃষ্টি না করা হয়, তবে এই মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নেবে। সূত্র: রয়টার্স।

শ্রীলঙ্কায় সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা
সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, শ্রীলঙ্কায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

২০২২ সালের সেই উত্তাল শ্রীলঙ্কাকে হয়তো কেউই ভুলতে পারবেন না। অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের ক্ষোভ যখন চরমে, তখন ঘটেছিল এক নজিরবিহীন ঘটনা। গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংসদ সদস্য অমরকীর্তি আথুকোরালাকে পিটিয়ে হত্যার অপরাধে আজ বুধবার ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত।   ঘটনার নেপথ্যে যা জানা যাচ্ছে:   বিক্ষোভের সূত্রপাত: বৈদেশিক মুদ্রার অভাব, খাদ্য ও জ্বালানি সংকটে গোতাবায়ে রাজাপাক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল কয়েক লাখ মানুষ।   সেই ভয়াবহ দিন: কলম্বোর কাছে নিত্তাম্বুয়া শহরে উত্তেজিত জনতা এমপি আথুকোরালার গাড়ি আটকে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।   গণপিটুনি: প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীর হাত থেকে বাঁচতে তিনি গুলি চালালে জনতা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত তাকে এবং তার দেহরক্ষীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।   দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। যেখানে ১২ জনকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হলেও, প্রমাণের অভাবে ২৩ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সালের পর থেকে সরাসরি কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হলেও গুরুতর অপরাধে আদালত নিয়মিত এই সাজা প্রদান করে আসছে।

অ্যামেরিকায় গাথরি অপহরণ
সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করল এফবিআই

অ্যারিজোনার টাসকন থেকে নিখোঁজ ন্যান্সি গাথরির সন্ধানে এবার বড় পদক্ষেপ নিল এফবিআই। দীর্ঘ ১০ দিন পার হলেও হদিস মেলেনি এই বৃদ্ধার। অবশেষে তদন্তের স্বার্থে নিখোঁজ হওয়ার দিনের সেই ভয়ংকর সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।   ভিডিওতে দেখা যায়, ৩১ জানুয়ারি গভীর রাতে এক মুখোশধারী ব্যক্তি ন্যান্সির বাড়ির দরজায় লাগানো ক্যামেরাটি অত্যন্ত পেশাদারভাবে বিকল করে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য—১ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে ন্যান্সির শরীরে থাকা পেসমেকারের সাথে তার ফোনের ডিজিটাল সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।   উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি এক আত্মীয় ন্যান্সিকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যান। পরদিন গির্জার প্রার্থনায় উপস্থিত না হওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডাইরি করা হয়। এনবিসির জনপ্রিয় 'টুডে' অনুষ্ঠানের সঞ্চালক সাভানা গাথরির মা নিখোঁজ হওয়ার এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।   পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীর হাতে অস্ত্র ছিল এবং এই অপহরণটি অত্যন্ত পরিকল্পিত। সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের মাধ্যমে তদন্তকারীরা আশা করছেন, স্থানীয় কেউ হয়তো এই রহস্যময় ব্যক্তিকে চিনতে পারবেন এবং তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলবে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
শ্রীলঙ্কায় গণঅভ্যুত্থানে এমপিকে পিটিয়ে হত্যায় ১২ জনের ফাঁসি
শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলঙ্কায় ২০২২ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় এক আইনপ্রণেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অন্তত ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার গামপাহা হাইকোর্টের তিন বিচারকের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এই রায় ঘোষণা করেন।   মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা আদালতকে জানান, ২০২২ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানী কলম্বোর কাছের নিত্তাম্বুয়া শহরে ৫৭ বছর বয়সী আইনপ্রণেতা অমরকীর্তি আথুকোরালার গাড়ি আটকে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এ সময় তিনি বিক্ষোভরত জনতার দিকে গুলি চালালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে জনতার হাতে তিনি গণপিটুনির শিকার হন।   প্রাণ বাঁচাতে আথুকোরালা পাশের একটি ভবনে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলেও প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারী তাকে ঘিরে ফেলেন। উন্মত্ত জনতার মধ্যে কয়েকজন তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। একই ঘটনায় তার দেহরক্ষীকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।   খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের তীব্র সংকট এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ২০২২ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কাজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ওই সহিংস পরিস্থিতির মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।   আদালত এই মামলায় ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং অপর ২৩ সন্দেহভাজনকে খালাস দেন। তবে দণ্ডপ্রাপ্তরা চাইলে সুপ্রিম কোর্টে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের পর থেকে শ্রীলঙ্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি, যদিও আদালত নিয়মিতভাবে ফৌজদারি মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়ে থাকে।   ২০২২ সালের ওই বিক্ষোভের সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসের সমর্থকদের সহিংসতার জেরে দেশজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে এবং সরকারি দলের অন্তত ৭৫ আইনপ্রণেতার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে ও তার ভাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে পদত্যাগ করেন।   ২০২২ সালের এপ্রিলে সরকার ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার পর দেশটিতে অর্থনৈতিক সংকট চরমে পৌঁছে। পরে প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহায়তায় অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি বামপন্থী নেতা অনুরা কুমারা দিসানায়েকের কাছে পরাজিত হন। ক্ষমতা গ্রহণের পর দিসানায়েকে ব্যয় সংকোচন নীতি অনুসরণ করে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।   সূত্র: এএফপি

শ্রীলঙ্কায় সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা
সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, শ্রীলঙ্কায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড
ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

২০২২ সালের সেই উত্তাল শ্রীলঙ্কাকে হয়তো কেউই ভুলতে পারবেন না। অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের ক্ষোভ যখন চরমে, তখন ঘটেছিল এক নজিরবিহীন ঘটনা। গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংসদ সদস্য অমরকীর্তি আথুকোরালাকে পিটিয়ে হত্যার অপরাধে আজ বুধবার ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত।   ঘটনার নেপথ্যে যা জানা যাচ্ছে:   বিক্ষোভের সূত্রপাত: বৈদেশিক মুদ্রার অভাব, খাদ্য ও জ্বালানি সংকটে গোতাবায়ে রাজাপাক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল কয়েক লাখ মানুষ।   সেই ভয়াবহ দিন: কলম্বোর কাছে নিত্তাম্বুয়া শহরে উত্তেজিত জনতা এমপি আথুকোরালার গাড়ি আটকে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।   গণপিটুনি: প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীর হাত থেকে বাঁচতে তিনি গুলি চালালে জনতা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত তাকে এবং তার দেহরক্ষীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।   দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। যেখানে ১২ জনকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হলেও, প্রমাণের অভাবে ২৩ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সালের পর থেকে সরাসরি কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হলেও গুরুতর অপরাধে আদালত নিয়মিত এই সাজা প্রদান করে আসছে।

জনগণ আমাদের ভোট দেবে; নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান
তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, টানা ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামের পর জনগণ এবার ব্যালটের মাধ্যমে বিএনপির পক্ষেই রায় দেবে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় আরব নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে জনগণের ভোটাধিকারের জন্য রাজপথে সংগ্রাম করেছি। আমি বিশ্বাস করি, জনগণ আমাদের ভোট দেবে এবং ইনশাআল্লাহ আমরা নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করব। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে বিএনপি ছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আরও ৫০টি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ধারণা করা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী পরবর্তী সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে এই নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় নিরাপত্তা এবং যুদ্ধাপরাধের তদন্তের স্বার্থে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে তৎকালীন সরকারের দমন-পীড়নে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালে দেশ ত্যাগের পর লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটানো তারেক রহমান গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দর থেকে ঢাকা পর্যন্ত লাখো জনতা তাকে সংবর্ধনা জানায়। বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কয়েকদিন পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণ করেন।   নির্বাচনে জয়ী হলে প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন, তাদের কর্মসূচিতে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান, আইসিটি খাতের বিকাশ এবং এআই-চালিত প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তিনি সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলে তার প্রথম সফরের গন্তব্য হবে সৌদি আরব। প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি জানান, বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি হবে জাতীয় স্বার্থ' কেন্দ্রিক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচারের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এটি কোনো রাজনৈতিক আক্রোষ নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন। নিজের বিরুদ্ধে আনা অতীতের সকল দুর্নীতির অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশে ফিরেছেন এবং এখন একটি ঐতিহাসিক নির্বাচনের অপেক্ষায় আছেন। তথ্যসূত্র: আরব নিউজ

তেহরানে কড়াকড়ি, বিক্ষোভের পর বন্ধ হচ্ছে একের পর এক ব্যবসা
তেহরানে কড়াকড়ি, বিক্ষোভের পর বন্ধ হচ্ছে একের পর এক ব্যবসা
নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভের পর ইরান সরকার রাজধানী তেহরানের একাধিক বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এমন সময় এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো, যখন দেশটির অর্থনীতি আগে থেকেই চাপে রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ও উদ্যোক্তারা আর্থিক অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।   সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ্যে জানায়নি পুলিশ বা বিচার বিভাগ। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে, তার বেশির ভাগই তেহরানের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত—যেখানে সম্প্রতি তরুণদের অংশগ্রহণে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল।   গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড বাজার এলাকা থেকে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন শুরু হয়। অর্থনৈতিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সেই বিক্ষোভ পরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামের স্টোরির মাধ্যমে অনেকে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করেছিলেন।   সম্প্রতি জনসমাগমস্থল তদারকির দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ ইউনিট তেহরানের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, কফিশপ, আর্ট গ্যালারি ও আইসক্রিম পার্লারসহ ছোট ও মাঝারি আকারের বহু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। বন্ধ হয়ে যাওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, অতীতে দেওয়া কিছু পোস্টকে ‘দেশের বিধি লঙ্ঘন’ এবং ‘পুলিশি নির্দেশনা অমান্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।   এদিকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ একটি লিখিত স্বীকারোক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে বেসরকারি উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলী সাইয়েদিনিয়ার স্বাক্ষর রয়েছে। ৮১ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবার একটি জনপ্রিয় ক্যাফে ও খাবারের ব্র্যান্ড পরিচালনা করতেন, যার দেশজুড়ে একাধিক শাখা রয়েছে।   ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, বিক্ষোভ-পরবর্তী সময়ে সাইয়েদিনিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং দাঙ্গার সময় হওয়া ক্ষতির দায়ে তাঁর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।   প্রকাশিত স্বীকারোক্তিতে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও কারখানায় অর্থায়নের চাপে তাঁর ছেলে তেহরান বাজারের আন্দোলনের সঙ্গে মিল রেখে দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেখানে আরও বলা হয়, তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং জনগণের কাছে ক্ষমা চাইছেন, যেন দেশের শত্রুরা পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে।   সরকারি হিসাবে প্রায় এক মাস ধরে চলা বিক্ষোভে ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি হতে পারে।

Follow us

Trending

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
81 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
87 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
66 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
ধর্ম
Advertisement
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
সারাদেশ
জাতীয়