সৌদি আরবে বেসরকারি খাতে কর্মরত সৌদি নাগরিকদের জন্য বেতনসংক্রান্ত নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে মাসিক বেতনের নির্ধারিত সীমা হবে ৫ হাজার রিয়াল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ৬ হাজার রিয়াল করা হবে। তবে এই সিদ্ধান্ত সব কর্মীর জন্য বাধ্যতামূলক ন্যূনতম বেতন নির্ধারণ নয়। মূলত সৌদি নাগরিকদের কর্মসংস্থান বাড়াতে পরিচালিত নিতাকাত কর্মসূচির আওতায় নতুন বেতনসীমা কার্যকর হবে। সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। এটি দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম ধাপে ২০২৭ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে মাসিক ৫ হাজার রিয়াল এবং দ্বিতীয় ধাপে ২০২৮ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ৬ হাজার রিয়াল বেতনের সীমা কার্যকর হবে। বর্তমানে এই কর্মসূচিতে একজন সৌদি কর্মীকে পূর্ণ কর্মী হিসেবে গণনার জন্য মাসিক বেতনের সীমা ৪ হাজার রিয়াল। নিতাকাত কর্মসূচির মাধ্যমে সৌদি আরবের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থানীয় নাগরিকদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচিতে কোনো প্রতিষ্ঠানে কতজন সৌদি নাগরিক কাজ করছেন, তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের হিসাব করা হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একজন সৌদি কর্মীকে সেই হিসাবে পূর্ণ কর্মী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে নির্ধারিত বেতনসীমা পূরণ করতে হবে। তবে মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, এই সিদ্ধান্তের কারণে সব প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি কর্মীদের বেতন বাড়াতে বাধ্য করা হচ্ছে না। সৌদি মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের শ্রমবিষয়ক উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আবুথনাইন জানিয়েছেন, নতুন সিদ্ধান্তের আওতায় পাঁচ ধরনের কর্মী অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ফুলটাইম কর্মী, পার্টটাইম কর্মী, নমনীয় কর্মব্যবস্থায় নিয়োজিত কর্মী, পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করা শিক্ষার্থী এবং কর্মক্ষম প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। তবে তাঁদের ক্ষেত্রে নিতাকাত কর্মসূচির নিজস্ব গণনাপদ্ধতি ও শর্ত প্রযোজ্য হবে। সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সৌদি নাগরিকদের জন্য বেসরকারি খাতের চাকরি আরও আকর্ষণীয় করে তোলা। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের স্থায়িত্ব বাড়ানো এবং ভালো বেতনের চাকরির সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন নিয়ম কার্যকরের আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুতির জন্য ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের পর দ্বিতীয় ধাপের আগে আরও এক বছর সময় পাবেন নিয়োগকর্তারা। এদিকে সৌদি আরবের মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলও কর্মসংস্থান সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বেতনসংক্রান্ত সহায়তার সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। যোগ্য সৌদি কর্মীদের বেতনের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হতে পারে। তবে মাসিক সহায়তার সর্বোচ্চ পরিমাণ হবে ৩ হাজার রিয়াল। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌদি নাগরিক নিয়োগে আরও উৎসাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন ঘোষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশিসহ বিদেশি শ্রমিকদের জন্য প্রযোজ্য নয়। বিদেশি কর্মীদের ক্ষেত্রে ৫ হাজার বা ৬ হাজার রিয়াল বাধ্যতামূলক ন্যূনতম বেতন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়নি। তাঁদের বেতন মূলত চাকরির চুক্তি এবং প্রযোজ্য শ্রম আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। ফলে নতুন ঘোষণার কারণে সৌদি আরবে কর্মরত সব বাংলাদেশি শ্রমিকের বেতন বাড়বে, এমন ধারণা সঠিক নয়। একই সময়ে সৌদি সরকার যোগ্য নাগরিকদের জন্য মাসিক ৫০০ রিয়াল অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তারও ঘোষণা দিয়েছে। সরকারি বেসামরিক ও সামরিক কর্মী, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় থাকা যোগ্য পরিবারগুলো এই সহায়তার অন্তর্ভুক্ত। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে বিদ্যুৎ ও পানির নতুন ট্যারিফ কার্যকরের প্রেক্ষাপটে নাগরিকদের আর্থিক চাপ কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সৌদি সরকারের নতুন বেতননীতি দেশটির শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। তবে বাংলাদেশিসহ বিদেশি কর্মীদের জন্য এর সরাসরি কোনো নতুন ন্যূনতম বেতন নির্ধারিত হয়নি। তাই সৌদি আরবে চাকরিপ্রার্থী ও কর্মরত প্রবাসীদের ক্ষেত্রে নিয়োগপত্রে উল্লেখিত বেতন, সুযোগসুবিধা এবং চাকরির শর্ত যাচাই করাই গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের একটি কারাগারে জন্ম নেওয়া অরোরা স্কাই কাস্টনার নিজের মেধা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির সুযোগ পান। ২০২৩ সালে কনরো হাই স্কুল থেকে অসাধারণ ফলাফল নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন করেন তিনি। নিজের জীবনের কঠিন শুরুর কথা তুলে ধরে হার্ভার্ডে ভর্তির আবেদনের ব্যক্তিগত রচনায় লিখেছিলেন মাত্র একটি বাক্য, ‘আমার জন্ম কারাগারে।’ টেক্সাসের গ্যালভেস্টন কাউন্টি জেলে জন্ম হয় অরোরার। তখন তাঁর মা সেখানে কারাভোগ করছিলেন। জন্মের কয়েক দিন পর বাবা তাঁকে কারাগার থেকে নিয়ে আসেন। এরপর টেক্সাসের কনরো শহরে বাবার কাছেই বেড়ে ওঠেন তিনি। বাইপোলার ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত বাবা একাই মেয়েকে বড় করেন। মায়ের সঙ্গে অরোরার কোনো নিয়মিত যোগাযোগ ছিল না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৪ বছর বয়সে মাত্র একবার মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল। শৈশব থেকেই পড়াশোনায় মেধাবী ছিলেন অরোরা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে পড়াশোনা চালিয়ে যান তিনি। ২০২৩ সালের ২৫ মে কনরো হাই স্কুল থেকে নিজের ব্যাচের তৃতীয় সর্বোচ্চ ফলাফল নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন করেন। অসাধারণ একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেন সামা কাম লাউডে সম্মাননা। তবে অরোরার এই সাফল্যের পেছনে শুধু তাঁর নিজের পরিশ্রম নয়, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল একজন মেন্টরেরও। স্কুলের একটি কমিউনিটি মেন্টরিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে মোনা হ্যাম্বির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের দেওয়া একটি নোট থেকে প্রথম অরোরার কথা জানতে পারেন হ্যাম্বি। নোটটি পড়ে তাঁর মনে হয়েছিল, মেয়েটি অত্যন্ত মেধাবী। হিউস্টন ক্রনিকলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সেই নোটটি এখনো তাঁর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। মেন্টর হিসেবে অরোরার পাশে দাঁড়ান মোনা হ্যাম্বি। নিয়মিত যোগাযোগের পাশাপাশি পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তাঁকে উৎসাহ দিতে থাকেন। তাঁদের সম্পর্ক শুধু স্কুলে সপ্তাহে একদিন দুপুরের খাবার খাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। অরোরার স্বপ্ন পূরণে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেন হ্যাম্বি ও তাঁর স্বামী। ২০২২ সালের মার্চে তাঁরা অরোরাকে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখাতে নিয়ে যান। হার্ভার্ডের ক্যাম্পাসে সেই সফর অরোরার সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করে। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির আর্লি অ্যাকশন প্রক্রিয়ায় আবেদন করেন এবং ভর্তির সুযোগ পান। তাঁর জন্য পূর্ণ শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থাও হয়। কারাগারে জন্ম নেওয়া এবং একক অভিভাবকের পরিবারে বেড়ে ওঠা এই তরুণীর শিক্ষাজীবনের সাফল্য তখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আলোচনায় আসে। নিজের বেড়ে ওঠার পরিবেশের সঙ্গে মেন্টরের পরিবারের পরিবেশের পার্থক্যের কথাও তুলে ধরেছেন অরোরা। তিনি জানান, হ্যাম্বির পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ভিন্ন ধরনের জীবনযাপনের অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। সেই অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচকভাবেই দেখেছেন তিনি। অরোরার কাছে মেন্টরের সহযোগিতা শুধু পড়াশোনার পরামর্শ ছিল না, বরং নিজের ভবিষ্যৎকে আরও বড় পরিসরে কল্পনা করার সুযোগও তৈরি করেছিল। ২০২৩ সালে প্রকাশিত অরোরার এই জীবনকাহিনি শিক্ষা ও মেন্টরশিপের গুরুত্বকে নতুনভাবে সামনে নিয়ে আসে। হার্ভার্ডে পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আইন নিয়ে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। কারাগারে জন্মের পর বাবার কাছে বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া পর্যন্ত তাঁর যাত্রায় ছিল ব্যক্তিগত অধ্যবসায়, পারিবারিক সহযোগিতা এবং একজন মেন্টরের দীর্ঘদিনের সমর্থন।
বাংলাদেশে সরকারি বরাদ্দের বাসা বা ফ্ল্যাটে নিজে বসবাস না করে অন্যের কাছে ভাড়া কিংবা সাবলেট দেওয়া সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। আগামী শনিবার, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এসব বাসা থেকে ভাড়াটিয়া ও সাবলেটগ্রহীতাদের সরিয়ে দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো সরকারি বাসায় এ ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসার বরাদ্দ বাতিলের পাশাপাশি আইনগত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ বিষয়ে জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে। বিজ্ঞপ্তিতে পরিদপ্তরের আওতাধীন সব সরকারি বাসা ও ফ্ল্যাটের বরাদ্দপ্রাপক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সরকারি বাসা বরাদ্দ নিয়ে অন্যের কাছে ভাড়া দেওয়া বা সাবলেট করার সুযোগ নেই। বরাদ্দপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারীকেই সংশ্লিষ্ট বাসায় বসবাস করতে হবে। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, সম্প্রতি পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিছু সরকারি চাকরিজীবী তাঁদের নামে বরাদ্দ পাওয়া বাসার এক বা একাধিক কক্ষ কিংবা পুরো ফ্ল্যাট অন্যের কাছে ভাড়া দিয়েছেন। কেউ কেউ নিজেরা সেখানে বসবাস না করে অন্য ব্যক্তিদের থাকতে দিয়েছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২-এর পরিপন্থী। সরকারি বাসা ব্যবহারের নির্ধারিত নিয়ম লঙ্ঘনের কারণেই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নিজের নামে বরাদ্দ পাওয়া সরকারি বাসার সম্পূর্ণ অংশ কিংবা আংশিক কোনো অংশই অন্যের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দেওয়া যাবে না। যাঁরা ইতিমধ্যে এ ধরনের ব্যবস্থা করেছেন, তাঁদের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া ও সাবলেটগ্রহীতাদের সরিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি বরাদ্দ পাওয়া কর্মকর্তা বা কর্মচারীকেই সংশ্লিষ্ট বাসায় অবস্থান ও বসবাস নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ শুধু ভাড়াটিয়া সরিয়ে দিলেই হবে না, বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বাসাটি নিজে ব্যবহার করতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কোনো সরকারি বাসায় ভাড়াটিয়া বা সাবলেটগ্রহীতার উপস্থিতি পাওয়া গেলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হবে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁর অফিসপ্রধান ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হবে। রাজধানীর আজিমপুর, মতিঝিল ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের অধীনে বিপুলসংখ্যক বাসা ও ফ্ল্যাট রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদমর্যাদা ও গ্রেড অনুযায়ী এসব আবাসন বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে কিছু বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তি সরকারি বাসায় নিজে না থেকে অন্যদের কাছে ভাড়া দিয়ে রাখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক পরিদর্শনেও এমন অনিয়মের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে পরিদপ্তর। সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজধানীতে বিভিন্ন শ্রেণির মোট ১৯ হাজার ৯১টি সরকারি বাসা রয়েছে। এর মধ্যে সচিবদের জন্য ১১৪টি সচিব নিবাস এবং ৭৯টি বাংলো রয়েছে। গ্রেড ৩ বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য সুপিরিয়র শ্রেণির ৫৫৮টি, গ্রেড ৫ বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য ১ হাজার ৮৯৯টি এবং গ্রেড ৬ বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য ১ হাজার ৮৯০টি বাসা বরাদ্দ রয়েছে। এ ছাড়া গ্রেড ৭ থেকে ৯-এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ২ হাজার ৬৩২টি, গ্রেড ১০ থেকে ১২-এর জন্য ৪ হাজার ৮৯০টি এবং শুধু গ্রেড ৯-এর কর্মকর্তাদের জন্য ৭৭৫টি ফ্ল্যাট রয়েছে। অন্যদিকে গ্রেড ১২ ও ১৩-এর জন্য ১ হাজার ৮৪টি, গ্রেড ১৪ ও ১৫-এর জন্য ১ হাজার ৫৭৪টি, গ্রেড ১৬ ও ১৭-এর জন্য ২ হাজার ৫১৩টি এবং গ্রেড ১৮ থেকে ২০-এর জন্য ২ হাজার ৬১টি ফ্ল্যাট রয়েছে। সরকারের নতুন নির্দেশনার ফলে যেসব সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী বরাদ্দ পাওয়া বাসা অন্যের কাছে ভাড়া দিয়েছেন, তাঁদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় সরকারি আবাসনের সুবিধা হারানোর পাশাপাশি চাকরিসংক্রান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন তাঁরা। সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য বরাদ্দের নিয়ম মেনে বাসার ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সরকারি আবাসন ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম বন্ধ করা।
বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন পূরণ করতে নিজেদের বাড়ি ও প্রায় সব সম্পত্তি বিক্রি করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের এক দম্পতি। পরিকল্পনা ছিল বিলাসবহুল ক্রুজ জাহাজে বসবাস করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ঘুরে দেখার। কিন্তু যাত্রা শুরুর ১৭ মাসের মাথায় হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে সেই ক্রুজের কার্যক্রম। ফলে কম্বোডিয়ায় জাহাজ ছেড়ে নামতে হয়েছে তাঁদের। বিপুল অর্থ বিনিয়োগের পর এমন পরিস্থিতিতে পড়লেও নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন দম্পতি পল ও লিন মন্টোয়া। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইয়োমিং অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা ছিলেন পল ও লিন। দীর্ঘদিনের বিশ্বভ্রমণের ইচ্ছা পূরণ করতে তাঁরা নিজেদের বাড়ি ও অন্যান্য জিনিসপত্র বিক্রি করে দেন। এরপর ভিলা ভি রেসিডেন্সেস পরিচালিত ওডিসি নামের একটি ক্রুজ জাহাজে থাকার ব্যবস্থা করেন। জাহাজটির একটি কেবিনের জন্য তাঁরা খরচ করেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ডলার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় সাড়ে তিন বছরের এই যাত্রায় বিশ্বের চার শতাধিক বন্দরে থামার কথা ছিল জাহাজটির। কিন্তু গত ২৭ অক্টোবর ক্রুজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটি জানায়, জ্বালানি খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করতে হচ্ছে। এর ফলে কম্বোডিয়ায় অবস্থানরত জাহাজটির বাসিন্দাদের দ্রুত নেমে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ল্যাডবাইবেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দম্পতি জানান, মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, দুপুর দুইটার মধ্যে জাহাজ ছাড়তে হবে। ফলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে বিকল্প থাকার ব্যবস্থা করার জন্য তাঁরা মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় পান। লিন মন্টোয়া জানান, আকস্মিক এই ঘোষণায় জাহাজের বাসিন্দাদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে জাহাজটিই ছিল তাঁদের বাড়ি। পল ও লিনও নিজেদের অধিকাংশ জিনিসপত্র কেবিনে রেখে মাত্র চারটি স্যুটকেস ও একটি ব্যাকপ্যাক নিয়ে নেমে আসেন। তাঁদের সঙ্গে নেওয়া জিনিসপত্র দিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ চলা সম্ভব। বাকি জিনিসপত্র ফেরত নিতে আবার জাহাজে ওঠার সুযোগ পাবেন কি না, সে বিষয়েও কোনো নিশ্চয়তা পাননি তাঁরা। তবে ক্রুজটির কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার আগে থেকেই কিছু সমস্যার আভাস পেয়েছিলেন বলে জানান পল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একাধিকবার জাহাজের ভ্রমণসূচি পরিবর্তন করা হয়েছিল। বিল পরিশোধ না করায় স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবাও বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি খাবারের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছিল। এমনকি যাত্রা চালিয়ে যেতে বাসিন্দাদের কাছে কয়েক দফায় অতিরিক্ত অর্থও চেয়েছিল কর্তৃপক্ষ। দম্পতি জানান, তাঁরা স্বেচ্ছায় সেই অর্থের কিছু অংশ দিয়েছিলেন। এ ছাড়া জাহাজে থাকার জন্য প্রতি মাসে প্রায় ছয় হাজার ডলার রক্ষণাবেক্ষণ খরচও পরিশোধ করছিলেন। এখন সেই অর্থের কতটা ফেরত পাওয়া যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পল মনে করছেন, তাঁদের বিনিয়োগ করা অর্থের একটি বড় অংশ হয়তো আর ফেরত পাওয়া যাবে না। ভিলা ভি রেসিডেন্সেস জানিয়েছে, জ্বালানি খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে আগের মতো কার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেবিনের বিপরীতে জ্বালানি বাবদ ঐতিহাসিক গড় খরচ ছিল প্রায় ১ হাজার ৮০০ ডলার। সেটি বেড়ে আনুমানিক ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার ডলারে পৌঁছেছে। খরচ কমাতে জাহাজের গতি কমানো এবং বিভিন্ন বন্দরে বেশি সময় অবস্থান করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ব্যবসা পুনর্গঠন এবং নতুন মূলধন সংগ্রহের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে নতুন বিনিয়োগ বা মালিকানা পরিবর্তনের কোনো চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ফলে ক্রুজটি আবার চালু হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। এ সময় জাহাজের বাসিন্দা, ক্রু এবং কর্মীদের সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এত অনিশ্চয়তার মধ্যেও নিজেদের সিদ্ধান্তকে ভুল মনে করছেন না পল ও লিন। তাঁদের মতে, এই ১৭ মাসে তাঁরা বিশ্বের অনেক সুন্দর জায়গা দেখেছেন এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন। জীবনের এমন কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যা অন্যভাবে হয়তো কখনো সম্ভব হতো না। পল জানান, শুরুতেই যদি জানতেন ভ্রমণটি মাত্র ১৮ মাস চলবে, তাহলেও তিনি এই অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হাতছাড়া করতেন না। লিনও একই অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, বিপুল অর্থ বিনিয়োগের পর এভাবে যাত্রা থেমে যাওয়া অবশ্যই দুঃখজনক। তবে ভ্রমণের সময় পাওয়া অভিজ্ঞতা এবং মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক তাঁদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তাই আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও বিশ্বভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের কোনো অনুশোচনা নেই। আপাতত কম্বোডিয়া থেকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন এই দম্পতি। সেখানে আট থেকে নয় দিন থাকার কথা রয়েছে তাঁদের। একই সঙ্গে তাঁরা আশা করছেন, নতুন বিনিয়োগকারী কিংবা জাহাজের বাসিন্দাদের সম্মিলিত উদ্যোগে ক্রুজটির কার্যক্রম আবার শুরু হতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। সূত্র: ল্যাডবাইবেল
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটির পরিচিত মুখ মোহাম্মদ কাজল বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের এই কৃতী সন্তান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অথবা বসুরহাট পৌরসভার মেয়র পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন। এ লক্ষ্যে তিনি দলীয় পর্যায়ে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে তাঁর মনোনয়ন বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো নিশ্চিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কাজল যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত এই প্রবাসী নেতা মেরিল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বিভিন্ন উদ্যোগে ভূমিকা রেখে আসছেন। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গেও তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোর শহরে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নামে ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’ নামে একটি সম্মানসূচক সড়কনাম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগেও কাজল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২১ সালের ২০ জুন সড়কটির নামফলক উন্মোচন করা হয়। পরে রাজনৈতিক আপত্তি ও নগর কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনার পর একই বছরের সেপ্টেম্বরে নামফলকটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এখন দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কাজলের আগ্রহ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তিনি শেষ পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে, নাকি বসুরহাট পৌরসভার মেয়র পদে মনোনয়ন চাইবেন, তা এখনো চূড়ান্ত নয়। দলীয় মনোনয়ন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপরই তাঁর রাজনৈতিক পরিকল্পনার বাস্তব রূপ নির্ভর করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা তাদের মানবসদৃশ রোবট ‘অপটিমাস’-এর প্রাথমিক উৎপাদন শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের পরিকল্পনা, ভবিষ্যতে এই রোবট শিল্পকারখানার পাশাপাশি মানুষের বাড়িতেও দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করবে। কাপড় ভাঁজ করা, জিনিসপত্র গোছানো এবং ঘরের বিভিন্ন পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে রোবটটির। তবে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এর বিক্রি শুরু হয়নি। টেসলার লক্ষ্য, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ বাইরের গ্রাহকদের কাছে রোবট সরবরাহ শুরু করা। এই সময়সীমা অবশ্য নিশ্চিত নয়। টেসলার তৃতীয় প্রান্তিকের আয়সংক্রান্ত আলোচনায় মাস্ক স্বীকার করেছেন, রোবটকে বাস্তব জীবনের নানা ধরনের কাজে কার্যকর করে তুলতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও যান্ত্রিক সক্ষমতার আরও উন্নয়ন প্রয়োজন। প্রাথমিক পর্যায়ে অপটিমাসকে শিল্পকারখানায় বিপজ্জনক ও একঘেয়ে কাজের জন্য ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর উৎপাদন বাড়লে সাধারণ মানুষের জন্য বাজারজাত করার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। তবে রোবটটির চূড়ান্ত দাম, সাধারণ পরিবারের জন্য এর পূর্ণাঙ্গ সক্ষমতা এবং বিক্রির নির্দিষ্ট তারিখ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও এ নিয়ে সতর্কতা রয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য ভার্জের ২২ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলির রোবোটিকস অধ্যাপক কেন গোল্ডবার্গ রোবটের সফটওয়্যার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম হলো, রোবট তৈরি করা সম্ভব হলেও বাস্তব পরিবেশে সেটিকে নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করানোর প্রযুক্তি এখনো যথেষ্ট উন্নত নয়। কাপড় ভাঁজ করা, ভঙ্গুর বাসনপত্র সামলানো কিংবা রান্নাঘরের জটিল পরিস্থিতিতে নিরাপদে কাজ করার জন্য রোবটকে আরও নির্ভুল হতে হবে। একটি কারখানায় নির্দিষ্ট পরিবেশে কাজ করা এবং বাড়ির পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি সামলানো এক বিষয় নয়। ঘরে ছড়িয়ে থাকা খেলনা, বিভিন্ন আকৃতির জিনিসপত্র কিংবা গরম পানি ও ধারালো সরঞ্জামের মতো ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হলে রোবটকে পরিবেশ বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রদর্শনীতে কোনো কাজ সফলভাবে দেখানো গেলেও সেটি মানুষের সাহায্য ছাড়া বারবার নির্ভরযোগ্যভাবে করা সম্ভব কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এ ছাড়া উৎপাদন বাড়ানো, যন্ত্রাংশের স্থায়িত্ব এবং সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতাও টেসলার সামনে চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে। ভবিষ্যতে অপটিমাস নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যস্ত পরিবারগুলোর জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। ঘর গোছানো, কাপড় ভাঁজ করা এবং জিনিসপত্র সরানোর মতো কাজে এটি সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে যেসব গৃহিণী প্রতিদিন ঘরের নানা কাজ সামলান, তাঁদের দৈনন্দিন পরিশ্রম কমাতে এ ধরনের প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ভূমিকা রাখতে পারে। বয়স্ক ব্যক্তি বা শারীরিকভাবে সীমাবদ্ধ মানুষের দৈনন্দিন কাজেও সহায়তার সুযোগ রয়েছে। তবে রোবটটির দাম, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। টেসলা এখনো সাধারণ পরিবারের জন্য চূড়ান্ত মূল্য ঘোষণা করেনি। সব মিলিয়ে, টেসলার অপটিমাস গৃহস্থালি কাজে রোবট ব্যবহারের সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে এসেছে। তবে উৎপাদন শুরু হওয়া মানেই ঘরের কাজের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রোবট বাজারে চলে আসা নয়। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ বাইরের গ্রাহকদের কাছে সরবরাহের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নির্ভর করবে প্রযুক্তির উন্নয়ন, নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা এবং উৎপাদন সক্ষমতার ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দেশটির নাগরিক না হয়েও ভোট দেওয়ার অভিযোগে এক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ফেডারেল মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ হাচিবুর রহমান। তাঁর বয়স ৩৩ বছর। গত ২৭ অক্টোবর মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি কার্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের তথ্য প্রকাশ করে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। মেরিল্যান্ড ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি কেলি ও হায়েস এবং এফবিআইয়ের বাল্টিমোর ফিল্ড অফিসের বিশেষ এজেন্ট ইনচার্জ জিমি পল যৌথভাবে মামলার বিষয়টি জানান। তাঁদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাচিবুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন, বিষয়টি জানা থাকা সত্ত্বেও তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট দেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই নির্বাচনে দেশটির প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ করা হয়েছিল। মার্কিন অ্যাটর্নি কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। মামলাটির তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই কাজ করেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার ওয়াশিংটন ফিল্ড অফিসের বাল্টিমোর কার্যালয় তদন্তে সহায়তা করেছে। মামলাটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি ফিলিপ মোৎসে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাচিবুর রহমানের সর্বোচ্চ এক বছরের ফেডারেল কারাদণ্ড হতে পারে। তবে অভিযোগ দায়েরের অর্থ অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তাঁকে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করতে হবে। সাজা নির্ধারণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সাজা নির্দেশিকা ও সংশ্লিষ্ট আইনি বিষয়গুলো বিবেচনায় নেবেন বিচারক। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার মূলত দেশটির নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত। নাগরিক নন এমন ব্যক্তিরা প্রেসিডেন্ট ও কংগ্রেস নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ফেডারেল আইনে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়। সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি কার্যালয় ও মার্কিন বিচার বিভাগ।
নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে বাড়ির দাম বেশি হওয়ায় বিকল্প আবাসনের খোঁজ করছেন অনেক ক্রেতা। তাঁদের পছন্দের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে কুইন্স। তুলনামূলক কম দামে বড় বাসা পাওয়ার পাশাপাশি শহুরে জীবনযাপনের সুবিধা ধরে রাখতে পারায় ম্যানহাটন থেকে কুইন্সের দিকে আগ্রহ বাড়ছে বাড়ির ক্রেতাদের। Realtor.com-এর সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমন চিত্র। নিউ ইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরো, ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, কুইন্স, ব্রঙ্কস ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে বাড়ির বিজ্ঞাপনে অনলাইন অনুসন্ধানের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, বরোগুলোর মধ্যে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে কুইন্স পেয়েছে প্রায় ৩৬ শতাংশ অনলাইন অনুসন্ধান। কুইন্সের বাড়ির বিজ্ঞাপনে বাইরের বরো থেকে আসা আগ্রহের মধ্যে ম্যানহাটনের বাসিন্দাদের অংশই ৪৫ শতাংশের বেশি। বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, ম্যানহাটনে বাড়ি খোঁজার ক্ষেত্রে নিজ বরোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ অনুসন্ধানকারী। বাকি প্রায় ৮০ শতাংশ অনুসন্ধান অন্য বরোগুলোর বাড়ির বিজ্ঞাপনের দিকে যাচ্ছে। তবে এই পরিসংখ্যান অনলাইন অনুসন্ধানের ভিত্তিতে তৈরি। এর অর্থ এই নয় যে ম্যানহাটনের ৮০ শতাংশ বাসিন্দা ইতোমধ্যে অন্য এলাকায় চলে গেছেন বা বাড়ি কিনেছেন। নিজ নিজ বরোর বাড়ির বিজ্ঞাপনে আগ্রহ ধরে রাখার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে স্ট্যাটেন আইল্যান্ড। সেখানে প্রায় ৮৭ শতাংশ অনলাইন অনুসন্ধান নিজ বরোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কুইন্সে এ হার ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ, ব্রঙ্কসে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ব্রুকলিনে ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে ম্যানহাটনের কম অনুসন্ধান ধরে রাখতে পারার পেছনে বাড়ির উচ্চমূল্যকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন আবাসন খাতের বিশেষজ্ঞরা। বাড়ির দামের ব্যবধানেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। Realtor.com-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে ম্যানহাটনে বাড়ির বিজ্ঞাপনে মধ্যম চাওয়া দাম ছিল ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার। একই সময়ে কুইন্সে এই দাম ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা ম্যানহাটনের অর্ধেকেরও কম। ব্রুকলিনে মধ্যম চাওয়া দাম ছিল ৭ লাখ ৯৫ হাজার ডলার, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ ডলার এবং ব্রঙ্কসে ৩ লাখ ২৯ হাজার ডলার। কুইন্সের আবাসন বাজারে আগ্রহ বাড়ার আরেকটি কারণ সেখানে বাড়ির তুলনামূলক বেশি সরবরাহ। ২০২৬ সালের আগস্টে বরোটিতে বিক্রির জন্য সক্রিয় বাড়ির সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৩৪০টি। বিপরীতে ব্রঙ্কসে ছিল মাত্র ১ হাজার ৪২টি। Realtor.com-এর জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ জিয়াই জুয়ের মতে, ব্রঙ্কসে দাম তুলনামূলক কম হলেও কুইন্সে বাড়ির বিকল্প বেশি থাকায় ক্রেতারা নিজেদের বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী বাসা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ম্যানহাটন থেকে কুইন্সে আসা ক্রেতাদের বড় অংশই তুলনামূলক বড় জায়গা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা চান। কুইন্স হোম টিমের আবাসন প্রতিনিধি জেরালডিনে গিরালদো Realtor.com-কে জানান, তাঁর অভিজ্ঞতায় তরুণ দম্পতি এবং দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াবাসায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে কুইন্সে বাড়ি কেনার আগ্রহ বেশি। তাঁদের অনেকেই অন্তত ৮৫০ বর্গফুটের বাসা খুঁজছেন। বিশেষ করে দুই শয়নকক্ষের অ্যাপার্টমেন্ট তাঁদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। কুইন্সের লং আইল্যান্ড সিটি, অ্যাস্টোরিয়া ও বেসাইড ম্যানহাটন থেকে আসা ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। এসব এলাকায় গণপরিবহনের যোগাযোগ, খাবারের বৈচিত্র্য এবং শহুরে পরিবেশের কারণে আগ্রহ বাড়ছে। এ ছাড়া সানিসাইড ও উডসাইড এলাকাতেও বাড়ির সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতাদের নজর পড়ছে। আবাসন প্রতিনিধি আন্দ্রেস পুলি মনে করেন, এসব এলাকায় ম্যানহাটনের মতো নাগরিক সুবিধা পাওয়া যায়, আবার তুলনামূলক বেশি ব্যক্তিগত পরিসরও মেলে। কুইন্সে ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে নতুন নির্মিত কনডোমিনিয়াম বা ব্যক্তিমালিকানাধীন অ্যাপার্টমেন্ট। তবে কেউ কেউ বড় পরিবারের জন্য একক বাড়ি কিনছেন। আবার কয়েকটি পরিবারের একসঙ্গে বসবাস কিংবা বাড়ির একটি অংশ ভাড়া দিয়ে ঋণের খরচ সামলানোর উদ্দেশ্যে বহুতল আবাসনও কিনছেন অনেকে। তরুণ ও প্রথমবার বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের মধ্যে তুলনামূলক কম দামের কো-অপারেটিভ অ্যাপার্টমেন্টের প্রতিও আগ্রহ রয়েছে। এদিকে কুইন্সের সানিসাইড এলাকায় আবাসন উন্নয়নের একটি বড় পরিকল্পনাও রয়েছে। মেয়র জোহরান মামদানি ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনায় উঠে এসেছে সানিসাইড ইয়ার্ডের ওপর অবকাঠামো নির্মাণ করে সেখানে প্রায় ১২ হাজার সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন তৈরির প্রস্তাব। প্রকল্পটির জন্য ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কেন্দ্রীয় তহবিল চেয়েছে নিউ ইয়র্ক সিটি প্রশাসন। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নতুন আবাসনের পাশাপাশি প্রায় ৩০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মেয়র কার্যালয় জানিয়েছে। তবে অর্থায়ন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সব মিলিয়ে বাড়ির উচ্চমূল্য, তুলনামূলক বেশি আবাসন সরবরাহ এবং ম্যানহাটনের সঙ্গে ভালো যোগাযোগের কারণে কুইন্স নিউ ইয়র্ক সিটির বাড়ির ক্রেতাদের কাছে ক্রমেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। Realtor.com-এর বিশ্লেষণ বলছে, শহরের ভেতরেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী আবাসন খুঁজছেন এমন ক্রেতাদের কাছে আপাতত সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য কুইন্স। সূত্র: Realtor.com, নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়রের কার্যালয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে চলমান ফেডারেল তদন্তের সমালোচনা করে দেওয়া এক চিঠিতে সই করেননি ডেমোক্রেটিক পার্টির ৪০ জন প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রতিনিধি পরিষদ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি, সাবেক সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা স্টেনি হোয়ার, জশ গটহাইমার, হেনরি কুয়েলার ও জ্যারেড গোল্ডেন। তবে চিঠিতে স্বাক্ষর না করার অর্থ তাঁরা তদন্তকে সমর্থন করছেন বা চিঠির বক্তব্যের বিরোধিতা করছেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। গত ২৬ অক্টোবর ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেস সদস্য প্রমিলা জয়পালের নেতৃত্বে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়। এতে প্রতিনিধি পরিষদের ১৭৫ জন সদস্য স্বাক্ষর করেন। চিঠিতে মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট সদস্য ইলহান ওমরের ওয়াশিংটন ডিসির বাসায় ১২ অক্টোবর ফেডারেল কর্মকর্তাদের তল্লাশির সমালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করতে পারে, এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব মার্কওয়েইন মুলিনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচনের ঠিক আগে একজন নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্যের বাসায় তল্লাশি এবং তদন্তসংক্রান্ত খবর ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার এমন পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্বাক্ষরকারী আইনপ্রণেতারা। তাঁরা ওমরের পাশে থাকার কথা জানিয়ে তদন্তের কারণে নির্বাচনী পরিবেশ প্রভাবিত না করার আহ্বান জানান। নিউজউইকের প্রতিবেদনে প্রকাশিত স্বাক্ষরকারীদের তালিকার সঙ্গে প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যদের তালিকা মিলিয়ে ৪০ জনের নাম শনাক্ত করা হয়েছে। পেলোসি ও হোয়ার ছাড়াও তালিকায় রয়েছেন জশ হার্ডার, কেটি ক্যাস্টর, জ্যারেড মোসকোভিটজ, এড কেইস, জেক অচিনক্লস, ক্রিস পাপাস, টম সুওজি, ডন ডেভিস, মার্সি ক্যাপ্টর, হেনরি কুয়েলার ও মারি গ্লুসেনক্যাম্প পেরেজ। নিউজউইক জানিয়েছে, এ বিষয়ে ওমর, পেলোসি, হোয়ারসহ কয়েকজন আইনপ্রণেতার কার্যালয়ে ইমেইল পাঠানো হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত উত্তর পাওয়া যায়নি। ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে তদন্তের সূত্রপাত তাঁর পরিবারের যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনসংক্রান্ত নথি নিয়ে ওঠা অভিযোগ থেকে। ১২ অক্টোবর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তদন্তকারীরা ওয়াশিংটন ডিসিতে তাঁর বাসায় আদালতের অনুমোদিত পরোয়ানার ভিত্তিতে তল্লাশি চালান। তদন্তকারীরা ওমর বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিবাসনসংক্রান্ত নথিতে ভুল তথ্য দিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। তবে তদন্তের পূর্ণ বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের ঘোষণা আসেনি। ওমর এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর আইনজীবীরা তল্লাশির বৈধতা ও পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে বিচার বিভাগের আদালতে দাখিল করা নথিতে বলা হয়েছে, তল্লাশির পরোয়ানা কার্যকরের কাজ তখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি এবং তদন্তে আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলমান থাকায় পরোয়ানার আবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথি এখনই প্রকাশ না করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিচার বিভাগ। নিউজউইকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ৪০ জনের মধ্যে আটজন এমন আসনে নির্বাচন করছেন, যেগুলোকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সংস্থা কুক পলিটিক্যাল রিপোর্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করেছে। তবে চিঠিতে তাঁদের স্বাক্ষর না করার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা প্রকাশ্যে জানা যায়নি। সূত্র: নিউজউইক, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রকাশিত চিঠি।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় মাছ ধরার সুতোয় আটকে পড়া একটি গাঙচিলকে বাঁচাতে গিয়ে সাগরে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন দুই সন্তানের বাবা উইলিয়াম ‘স্টোন’ রমবার্গ। ৩১ বছর বয়সী এই যুবক পাখিটিকে উদ্ধারের জন্য পানিতে নামলেও ফেরার পথে স্রোতের টানে তীর থেকে দূরে চলে যান। গত রোববার, ২৫ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটে। স্ত্রী ও দুই ছোট মেয়েকে রেখে গেছেন তিনি। ফক্স ৫ আটলান্টার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লোরিডার ক্যারিলন বিচের কাছে বন্ধুদের সঙ্গে মাছ ধরছিলেন রমবার্গ। এ সময় তাঁর মাছ ধরার সুতোয় একটি গাঙচিল আটকে যায়। পাখিটিকে ছাড়িয়ে আনতে তিনি সাগরে সাঁতরে যান। কিন্তু উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে পাখিটি ও মাছ ধরার বড়শি তাঁর হাতের সঙ্গে আটকে যায়। এরপর তীরে ফেরার চেষ্টা করলে পানির স্রোত তাঁকে আরও গভীর সমুদ্রের দিকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে পানিতে ডুবে মারা যান তিনি। রমবার্গ ফ্লোরিডার ক্যারিলন বিচে লা দোলচে ভিটা নামের একটি প্রতিষ্ঠানে সৈকতসেবা ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর মৃত্যুতে সহকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি ছিলেন পরিশ্রমী, সদয় এবং অন্যকে সহযোগিতা করতে সব সময় প্রস্তুত একজন মানুষ। তাঁর আন্তরিকতা ও ইতিবাচক মনোভাব কর্মস্থলের সবার মনে গভীর ছাপ রেখে গেছে। রমবার্গের স্ত্রী টেইলর এবং তাঁদের দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে হ্যাডলির বয়স তিন বছর, ছোট মেয়ে লেইনির বয়স মাত্র এক বছর। পরিবারের চিকিৎসা ও শেষকৃত্যের ব্যয়সহ আর্থিক সহায়তার জন্য একটি তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর কর্মস্থল ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরাও পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। ফ্লোরিডার উপসাগরীয় উপকূলের এই এলাকায় সাগরের স্রোত কখনো কখনো সাঁতারুদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পানিতে কেউ বিপদে পড়লে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সরাসরি সাঁতরে উদ্ধারের চেষ্টা করা উচিত নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সম্ভব হলে উদ্ধারকর্মীদের খবর দেওয়া এবং ভাসমান কোনো বস্তু ছুড়ে সহায়তা করাই নিরাপদ। সূত্র: ফক্স ৫ আটলান্টা, ফক্স ওয়েদার।
রাজনীতি
ওবায়দুল কাদেরের কক্সবাজার সফরের নেপথ্যে ছিল ‘বস্তা ভরা ইয়াবা’!
ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিভার জামিন মঞ্জুর
‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’, যা জানাল ফ্যাক্টচেকার
Recommended news
মতামত
জুয়েল সাদাত
বিশ্ব
View moreউগান্ডায় ১৫ বছরে ৩৮ জনকে হত্যা করে তাঁদের দেহ খেয়ে ফেলার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবা। আটক ব্যক্তির নাম মোজেস মুজুরিজি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির মাসাকা, ইবান্দা ও কাজো জেলায় এসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি করেছেন সেনাপ্রধান। তবে ৩৮ জনকে হত্যার অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। গত ২৬ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কাইনেরুগাবা গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে উগান্ডার ইতিহাসের ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার ও নরখাদক হিসেবে বর্ণনা করেন। একই পোস্টে তাঁকে প্রকাশ্যে বিচারের মুখোমুখি করার এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথাও বলেন সেনাপ্রধান। তবে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৩৮টি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের পক্ষে বিস্তারিত প্রমাণ, ভুক্তভোগীদের পরিচয় কিংবা তদন্তের পূর্ণাঙ্গ তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি। উগান্ডার সংবাদমাধ্যম ডেইলি মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাসাকা ও আশপাশের এলাকায় ২০১২ ও ২০১৩ সালে ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এক ব্যক্তিকে সন্দেহ করা হয়েছিল। সে সময় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের এক কর্মকর্তা তাঁকে বিপজ্জনক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন। অতীতে তাঁকে একাধিকবার আটক করা হলেও হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে। তবে পুরোনো মামলায় আলোচিত ফ্রেড মুজুলিজি এবং সেনাপ্রধানের ঘোষণায় উল্লেখ করা মোজেস মুজুরিজি একই ব্যক্তি কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সাম্প্রতিক এক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ঘিরেও মাসাকা অঞ্চলে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের পর হত্যার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। উগান্ডা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবপাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতে হাজির করার পর তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয় এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে এই মামলার আসামিদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের ঘোষণায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয়ের সম্পর্ক পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। পুলিশ পুরোনো হত্যাকাণ্ডের নথি আবার পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি আগে নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের ঘটনাগুলোর সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা সম্ভাব্য সহযোগীদের সংশ্লিষ্টতাও যাচাই করছেন। তবে এখন পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যুর সঙ্গে আটক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সেনাপ্রধানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘোষণার বিষয়টিও আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা জরুরি। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকলেও তাঁর অপরাধ আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। ফলে ৩৮ জনকে হত্যা ও তাঁদের দেহ খেয়ে ফেলার অভিযোগটি আপাতত সেনাপ্রধানের বক্তব্য এবং তদন্তাধীন অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে। সূত্র: ডেইলি মনিটর, উগান্ডা পুলিশ, পালস উগান্ডা।
সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজে ২০২৭ সালে ১ হাজার ৭০০টির বেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) রোবট ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। নিরাপত্তা টহল, অগ্নিনির্বাপণ, গবেষণা ও কৃষিকাজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসব রোবট কাজে লাগানো হবে। দেশটির সরকার মনে করছে, বাস্তব কর্মপরিবেশে রোবট ব্যবহারের মাধ্যমে একদিকে সরকারি সেবার সক্ষমতা বাড়বে, অন্যদিকে দেশীয় রোবট নির্মাতারাও প্রযুক্তি উন্নয়নের সুযোগ পাবেন। দক্ষিণ কোরিয়ার শিল্প মন্ত্রণালয়ের ২৮ অক্টোবরের ঘোষণার বরাত দিয়ে সিউল ইকোনমিক ডেইলি জানিয়েছে, এ উদ্যোগে সরকারি ও সংশ্লিষ্ট নয়টি প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির ১১টি রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রেইনবো রোবোটিকস, রোবোটিস, হুন্দাই মোটর ও নিউবিলিটি। ২০২৭ সালে রোবট ব্যবহারের আগে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারি সংস্থাগুলো আলোচনা করে কাজের ধরন, প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ও পরিচালনসংক্রান্ত শর্ত নির্ধারণ করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু মানুষের মতো দেখতে রোবটের ওপর নির্ভর করছে না দক্ষিণ কোরিয়া। বরং চাকার সাহায্যে চলতে পারে এমন রোবট এবং চার পায়ে চলা রোবট ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনায় নজরদারি, অগ্নিকাণ্ড বা দুর্যোগের স্থানে ঝুঁকি শনাক্ত, গবেষণাগারে কাজ এবং কৃষিক্ষেত্রে সহায়তার মতো কাজে এগুলো ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী রোবটের সক্ষমতা যাচাই করবে। এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো রোবটগুলোকে পরীক্ষাগার বা প্রদর্শনীর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মক্ষেত্রে ব্যবহার করা। সেখানে কাজ করার সময় রোবটের কার্যক্ষমতা, সীমাবদ্ধতা ও নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এসব তথ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পৌঁছালে তারা প্রযুক্তির দুর্বলতা চিহ্নিত করে উন্নয়ন করতে পারবে। একই সঙ্গে বাস্তব ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতেও রোবটের বাজার তৈরিতে সহায়তা করতে পারে। রোবট ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, যন্ত্রাংশ সরবরাহ এবং ত্রুটি দেখা দিলে মেরামতের বিষয়েও নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এসব নির্দেশিকা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে রোবট ব্যবহারের পর রক্ষণাবেক্ষণ এবং সংগৃহীত তথ্যের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশটি সরকারি ও বেসরকারি খাতে রোবটের ব্যবহার বাড়িয়ে নিজস্ব রোবটশিল্পকে শক্তিশালী করতে চায়। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাথমিক ক্রেতা হিসেবে যুক্ত করে দেশীয় নির্মাতাদের পণ্য পরীক্ষা, উন্নয়ন ও বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। সূত্র: দক্ষিণ কোরিয়ার শিল্প মন্ত্রণালয়, সিউল ইকোনমিক ডেইলি।
কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে ফরাসি ভাষায় দক্ষ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য বিশেষ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশটির এক্সপ্রেস এন্ট্রি ব্যবস্থায় ফরাসি ভাষায় দক্ষ প্রার্থীদের ১২টি বিশেষ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় মোট ৬০ হাজার ৫০০টি আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। কানাডার অভিবাসন নীতিতে ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে এসব আমন্ত্রণ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে কুইবেক প্রদেশের বাইরে ফরাসিভাষী দক্ষ কর্মী আকৃষ্ট করতে এ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। সর্বশেষ গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও ৫ হাজার প্রার্থীকে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করার আমন্ত্রণ জানিয়েছে কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিভাগ (আইআরসিসি)। এ দফায় আমন্ত্রণ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন কমপ্রিহেনসিভ র্যাঙ্কিং সিস্টেমের (সিআরএস) স্কোর ছিল ৪০৭। অর্থাৎ নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণকারী প্রার্থীদের মধ্যে যাঁদের স্কোর ৪০৭ বা তার বেশি ছিল, তাঁরাই এ দফায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তবে একই স্কোরধারীদের ক্ষেত্রে প্রোফাইল জমা দেওয়ার সময়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১২টি ফরাসিভাষী প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বছরের প্রথম দিকে ৬ ফেব্রুয়ারির একটি প্রক্রিয়ায় ৮ হাজার ৫০০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দফায় ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার ৫০০ জন পর্যন্ত প্রার্থীকে বেছে নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আমন্ত্রণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৫০০। এই পরিসংখ্যান কানাডার অভিবাসন ব্যবস্থায় ফরাসি ভাষায় দক্ষ প্রার্থীদের জন্য বিশেষ গুরুত্বের বিষয়টি তুলে ধরছে। তবে আমন্ত্রণ পাওয়ার অর্থ সরাসরি কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া নয়। নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করার সুযোগ পান। এরপর তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, ভাষাগত দক্ষতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অন্যান্য শর্ত যাচাই করা হয়। সব প্রক্রিয়া সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন হলেই চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। ফলে ৬০ হাজার ৫০০টি আমন্ত্রণকে সরাসরি স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। কানাডা সরকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠীর বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশটির সরকারি ভাষা দুটি, ইংরেজি ও ফরাসি। তবে ফরাসিভাষী জনগোষ্ঠীর বড় অংশ কুইবেক প্রদেশে বসবাস করে। এ কারণে কুইবেকের বাইরের অন্যান্য প্রদেশেও ফরাসিভাষী মানুষের সংখ্যা বাড়াতে অভিবাসন কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতে দক্ষ কর্মী যুক্ত করাও এ নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য। ফরাসি ভাষায় দক্ষতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হতে হলে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। আবেদনকারীদের স্বীকৃত ভাষা পরীক্ষায় ফরাসি ভাষার চারটি দক্ষতা, অর্থাৎ শোনা, বলা, পড়া ও লেখার প্রতিটিতে ন্যূনতম এনসিএলসি-৭ (NCLC 7) অর্জন করতে হয়। পাশাপাশি এক্সপ্রেস এন্ট্রির আওতাভুক্ত ফেডারেল দক্ষ কর্মী, কানাডীয় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মী অথবা ফেডারেল দক্ষ পেশাজীবী কর্মসূচির অন্তত একটির যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। শুধু ফরাসি ভাষা জানলেই এ কর্মসূচিতে আবেদন বা আমন্ত্রণ পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। এদিকে কানাডার ২০২৬-২০২৮ সালের অভিবাসন পরিকল্পনায় কুইবেকের বাইরে ফরাসিভাষী স্থায়ী বাসিন্দা গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬ সালে এ সংখ্যা মোট স্থায়ী বাসিন্দা গ্রহণের ৯ শতাংশ বা ৩০ হাজার ২৬৭ জন। ২০২৭ সালে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৩১ হাজার ৮২৫ জন এবং ২০২৮ সালে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ বা ৩৫ হাজার ১৭৫ জন নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবে কতজন স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে অনুমোদন পাবেন, তার পরিকল্পিত হিসাব। এক্সপ্রেস এন্ট্রিতে দেওয়া আমন্ত্রণের সংখ্যার সঙ্গে এর সরাসরি সমতা নেই। বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্যও এ কর্মসূচি একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প হতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ফরাসি ভাষা শিখছেন, তাঁদের জন্য কানাডার অভিবাসন ব্যবস্থায় অতিরিক্ত সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে আবেদন করার আগে স্বীকৃত ভাষা পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় ফলাফল, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা এবং সিআরএস স্কোর সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া জরুরি। সূত্র: কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিভাগ (আইআরসিসি), কানাডা সরকারের ২০২৬-২০২৮ সালের অভিবাসন পরিকল্পনা।
নিউইয়র্কে নিলামে ৪ কোটি ৭৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছে বিরল প্রজাতির ডাইনোসর ন্যানোটাইর্যানাসের একটি কঙ্কাল। ‘জোডি’ নামে পরিচিত এই জীবাশ্মটি দেখতে অনেকটা ছোট আকারের টি-রেক্সের মতো। মঙ্গলবারের নিলামে ছয়জন সম্ভাব্য ক্রেতার মধ্যে প্রায় ১২ মিনিট ধরে দর-কষাকষি চলে। শেষ পর্যন্ত একজন অজ্ঞাতপরিচয় ক্রেতা কঙ্কালটি কিনে নেন। নিলামের আগে কঙ্কালটির দাম ৬০ লাখ থেকে ৯০ লাখ ডলারের মধ্যে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য সেই অনুমানকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জোডি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া ডাইনোসরের জীবাশ্মগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এর আগে চলতি বছরের জুলাইয়ে ‘গাস’ নামে পরিচিত একটি টি-রেক্সের কঙ্কাল ৫ কোটি ১০ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। সেটিই এখন পর্যন্ত নিলামে বিক্রি হওয়া সবচেয়ে দামি ডাইনোসরের জীবাশ্ম। ফলে জোডির বিক্রয়মূল্য সেই রেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। প্রায় ৬ কোটি ৭০ লাখ বছর আগের এই ডাইনোসর ক্রিটেশিয়াস যুগের শেষভাগে পৃথিবীতে বিচরণ করত। সে সময় ন্যানোটাইর্যানাসের পাশাপাশি বাস করত তার সুপরিচিত আত্মীয় টাইরানোসরাস রেক্স বা টি-রেক্স। তবে আকার ও শারীরিক গঠনে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ছিল। পূর্ণবয়স্ক টি-রেক্সের তুলনায় ন্যানোটাইর্যানাসের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় অর্ধেক। এর সামনের পা তুলনামূলক লম্বা, হাতের নখ বড় এবং দাঁত ছিল সরু ও ছুরির ফলার মতো। এসব বৈশিষ্ট্যই প্রাণীটিকে টি-রেক্সের কাছাকাছি হলেও আলাদা করে চেনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। জোডির কঙ্কালটি দাঁড় করানো অবস্থায় প্রায় ৯ ফুট ৬ ইঞ্চি বা ২ দশমিক ৯ মিটার উঁচু। নাক থেকে লেজ পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ ফুট বা ৬ মিটার। কঙ্কালটি প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়। ন্যানোটাইর্যানাসের এমন পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল পৃথিবীতে খুবই বিরল। এখন পর্যন্ত এ ধরনের মাত্র তিনটি কঙ্কালের অস্তিত্ব জানা গেছে। কঙ্কালটির নাম রাখা হয়েছে মন্টানার খামারি জোডি পিয়ারসনের নামে। ২০১৯ সালে নিজের জমিতে তিনি এটি আবিষ্কার করেন। পরে জীবাশ্ম বিশেষজ্ঞদের একটি দল কঙ্কালটি খনন করে উদ্ধার করে। এই আবিষ্কার ও খননকাজ ২০২০ সালে প্রচারিত ‘ডাইনো হান্টার্স’ নামের একটি প্রামাণ্যচিত্র সিরিজেও তুলে ধরা হয়েছিল। ন্যানোটাইর্যানাসের পরিচয় নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক ছিল। একসময় অনেক গবেষক মনে করতেন, এটি আসলে স্বতন্ত্র কোনো ডাইনোসর নয়; বরং কম বয়সী টি-রেক্স, যা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণবয়স্ক টি-রেক্সে পরিণত হতো। কিন্তু গত বছর প্রকাশিত গবেষণায় ন্যানোটাইর্যানাসকে স্বতন্ত্র ডাইনোসরগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করার পক্ষে প্রমাণ তুলে ধরা হয়। ফলে প্রাণীটির পরিচয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে নতুন মোড় আসে। তবে নিলামে বিক্রি হওয়া জোডির কঙ্কালটিই ওই গবেষণায় সরাসরি পরীক্ষা করা হয়েছিল—এমন দাবি করা ঠিক হবে না। গবেষণার ফলাফল ন্যানোটাইর্যানাসের স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, নির্দিষ্ট এই কঙ্কাল নিয়ে আরও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক ইতিহাস বিভাগের প্রধান ক্যাসান্দ্রা হ্যাটন কঙ্কালটি আবিষ্কার ও সংরক্ষণে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের অবদানের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, জীবাশ্মটি সম্পর্কে জানার এবং সেটি সংরক্ষণের জন্য গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের প্রচেষ্টা এই অর্জন সম্ভব করেছে। বিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা বাড়াতে এ ধরনের আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে এত দামি জীবাশ্ম ব্যক্তিগত মালিকানায় চলে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন কিছু বিজ্ঞানী। তাঁদের মতে, বৈজ্ঞানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ডাইনোসরের কঙ্কাল জাদুঘর বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করা হলে গবেষকেরা তা পরীক্ষা করতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষও সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন। ব্যক্তিগত সংগ্রহে চলে গেলে ভবিষ্যতে এসব জীবাশ্মের নাগাল পাওয়া কঠিন হতে পারে। জোডির নতুন মালিকের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। অনলাইনে ও টেলিফোনে দর হাঁকানো প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে কঙ্কালটি কেনার পর তিনি সেটি কোথায় রাখবেন বা গবেষণার জন্য উন্মুক্ত করবেন কি না, তা-ও জানা যায়নি।
Follow us
Trending
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
গাজার শিশুদের চিকিৎসায় প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা তুললেন বাংলাদেশের ফুটবলার হামজা চৌধুরী
নেইমারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ছয় ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা
বিগ ব্যাশে মোস্তাফিজকে দলে নিতে যাচ্ছে মেলবোর্ন রেনেগেডস, বিসিবির ছাড়পত্রের অপেক্ষা
বেসবল থেকে রাগবি, এক জায়গায় ৪০টিরও বেশি মাঠ নিয়ে যাত্রা শুরু অন্টারিও স্পোর্টস এম্পায়ারের
স্কুল ফুটবল বিশ্বকাপে ভারতের দ্বিতীয় দলকে ২৭-০ গোলে হারাল বেনিন
রাবণের দশ মাথায় ড. ইউনূস ও ইলন মাস্কের ছবি, লক্ষ্ণৌতে পোস্টার ঘিরে বিতর্ক
বিতর্কিত জলসীমায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, চীনের কড়া প্রতিক্রিয়ায় বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান যুদ্ধ হলে ইসলামাবাদের পাশে থাকবে ভারত, মন্তব্যে বিতর্কে বিজেপি নেতা
যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন মিসাইল মিউজিয়ামে প্রদর্শন করলেন কিম জং উন
রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল চুক্তি নিয়ে বিরোধের জেরে জেলেনস্কিকে সরিয়ে নতুন নেতা চাইলেন ট্রাম্প
বিশ্বে প্রথমবারের মতো মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা হলো এআইয়ের তৈরি ভাইরাস
নার্সদের জন্য ৫০ হাজার ডলারের সহায়তা, তিন বছর কাজের শর্তে মিলবে শিক্ষাঋণ পরিশোধের সুযোগ
ফুসফুসের ক্যানসার ফিরে আসার সংকেত মিলতে পারে স্ক্যানে ধরা পড়ার ১৬ মাস আগেই
চোখের বিরল রোগে নতুন আশার আলো, চালের দানার সমান যন্ত্রে সুরক্ষিত থাকতে পারে দৃষ্টি
পেনসিলভানিয়ায় গর্ভবতীদের মধ্যে বাড়ছে হাম, সংক্রমণ নিয়ে জন্ম নিচ্ছে নবজাতক
টেসলার একটি সাইবারক্যাব থেকে বছরে ৫০ হাজার ডলার মুনাফার সম্ভাবনা
নিউ ইয়র্কের বাসে বদলে যাচ্ছে নিরাপত্তা, চালু হচ্ছে সংঘর্ষ প্রতিরোধ প্রযুক্তি
এআইয়ে বিপুল বিনিয়োগের চাপ, ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব মাইক্রোসফটের
আইফোন ডুওর ডিসপ্লের ত্রুটি স্বীকার করল অ্যাপল, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের নতুন ফোন দেওয়ার ঘোষণা
মাইক্রোসফটের ৬০ হাজার কর্মীকে চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব, মিলবে আর্থিক সুবিধা
ওয়াশিংটনে প্রথমবারের মতো স্কুলে মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য হালাল খাবার চালু করছে কেন্ট জেলা
একটি গুলির ঘটনা, চারটি প্রাণহানি, আহত শিশুর পাশে হাজারো মানুষের ভালোবাসা
ভাইকে হারিয়ে স্কুলে ফিরতেই ১২ ‘বড় ভাইয়ের’ ভালোবাসায় কাঁদল ৯ বছরের নোরা
মাতৃত্ব বাধা নয়, শক্তি: পরীক্ষার পুরো সময় ছাত্রীর সন্তান কোলে নিয়ে পরীক্ষা নিলেন শিক্ষক
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গুগলের নতুন অফার, মিলবে ৪০০ জিবি স্টোরেজ ও এআই সুবিধা
কারাগারে জন্ম নেওয়া তরুণী ১৮ বছর বয়সেই ফুল ফান্ডে হার্ভার্ডে ভর্তির অনন্য গল্প
সব সম্পত্তি বিক্রি করে বিশ্বভ্রমণে মার্কিন দম্পতি, মাঝপথে জাহাজ ছাড়ার নির্দেশ
ফ্লোরিডায় মসজিদ সম্প্রসারণ নিয়ে বৈঠকে আজান বাজানোয় নারীকে বের করে দিল পুলিশ
নিউইয়র্কে সংগীতশিল্পী রোকসানা মির্জা ও রিয়েলটর মোহাম্মদ আজাদের বিচ্ছেদ
যুক্তরাষ্ট্রে কলেজে পড়ার খরচ কমাতে সরকারি সহায়তার আবেদন শুরু, জেনে নিন আবেদনের নিয়ম
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বিভাগে চাকরির সুযোগ , নির্দিষ্ট পদে সাইনিং বোনাস ৩০ হাজার ডলার
পাঁচ বছরে আয় ৮ গুণের বেশি, তবু অ্যামাজনের চাকরি ছেড়ে নিজের ব্যবসা শুরু করলেন নাবিল খান
ইন্টেল থেকে টেসলায়! সিনিয়র টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার বাংলাদেশি সারোয়ার মোর্শেদ
সৌদিতে ১৯ হাজার ৬১০টি চাকরি ও প্রশিক্ষণের সুযোগ, আবেদনের নিয়ম জানুন
যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে অ্যামাজন, কর্মীদের মিলবে স্বাস্থ্যবিমার সুবিধাও
দুই হাজার বছর পর রোমান স্কটল্যান্ডে মৃ ত্যু হওয়া ব্যক্তির মুখ ফিরল ডিজিটাল প্রযুক্তিতে
ঘুমের ঘোরে কারা বেশি অশা লীন কথা বলেন, গবেষণায় মিলল চমকপ্রদ তথ্য
নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় ত্রুটি, আ গু ন লাগার ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্রে হুন্দাই ও জেনেসিসের ৯৪ হাজারের বেশি গাড়ি
সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধ করে নারীদের জন্য বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা চালু বুরকিনা ফাসোতে
ডাউন সিনড্রোমের জন্য দায়ী অতিরিক্ত ক্রোমোজোম মানবকোষ থেকে সরালেন বিজ্ঞানীরা
জ্বালানি চুরি করতে গিয়ে ভুলে বাসের পয়োনিষ্কাশন ট্যাংকের বর্জ্যতে হাত দিয়ে বিপাকে চোর
ক্যাশ অ্যাপের ১৫ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ, যোগ্য গ্রাহকদের টাকা পাঠানো শুরু হচ্ছে
নিউইয়র্কে অভিবাসন অভিযান জোরদার, তৃতীয় দেশে পাঠানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন অভিবাসীরা
রোদে পোড়া ব্রিটিশদের মতো লাল মুখ, ব্রাজিলে বানরের ডাকনাম ‘ইংলিশ মাঙ্কি’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্সে ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট, শেষ বয়সে বৃদ্ধাশ্রমে রুমা
বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঠেকাতে মরিয়া আইনি লড়াই, এবার মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে মাহমুদ খলিল
জলবায়ু ক্ষতিপূরণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বড় লড়াই, একদিকে তেল কোম্পানি অন্যদিকে বোল্ডার
হার্ভার্ডের ২২০ কোটি ডলারের গবেষণা অনুদান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আদালতে লড়াই
নিউইয়র্কে এআই নিয়ে ঐতিহাসিক শুনানি, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি কাউন্সিল
জাল সনদে সুপ্রিম কোর্টে ১৯ বছর চাকরি, এবার ৪২ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ
যুক্তরাজ্যের গ্র্যাজুয়েট ভিসায় বড় পরিবর্তন, নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাবেন দুই বছর থাকার সুযোগ
পিএইচডি ও দুই মাস্টার্স ডিগ্রির পরও ৪১ বছর বয়সে এমবিএ করছেন ইন্টেলের কর্মকর্তা! লক্ষ্য এআইে দক্ষতা
কানাডার এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে লাগে না ফি! জেনে নিন সম্পূর্ণ তালিকা
ব্রেক্সিটের পর ইরাসমাসে ফিরছে যুক্তরাজ্য, নভেম্বরেই আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীরা
কম খরচে ভালো শিক্ষা ও চাকরির সুযোগ, আমেরিকার সেরা কলেজ শহরগুলোর তালিকা প্রকাশ
সূরা ফাতিহার সাত আয়াত যেভাবে বদলে দিল ড. ফেরদৌস সালেহীনের জীবনদৃষ্টি
জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের কমিউনিটির বড় সহায়তা, ৮ লাখ ডলারের অনুদান
খ্রিস্টধর্ম প্রচারে সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ, সিস্টার ডেইজির জীবনে কী ঘটেছিল
নবরাত্রিতে গরবা নাচে মামদানি, মন্দিরে পুরোহিতের আশীর্বাদ নিয়ে আলোচনায় নিউইয়র্কের মেয়র
লাইভে প্রার্থনা করছিলেন পুরোহিত, মুহূর্তেই মাথায় ভেঙে পড়ল বিশাল ক্রুশ!
১ নভেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিমায় নতুন সুযোগ, ২০২৭ সালের চিকিৎসা খরচ কমাতে যা করবেন
যুক্তরাষ্ট্রের ৩ অঙ্গরাজ্যে আটক অভিবাসীদের বন্ড শুনানি ছাড়াই আটকের পক্ষে আদালতের রায়
নিউইয়র্কে অভিবাসন অভিযান ঘিরে বিক্ষোভ, পাঁচ বছরের শিশুর সামনে গুলির ঘটনায় ক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় পাউরুটি ফেরত নেওয়া হচ্ছে, দুধের উপাদান নিয়ে সতর্কতা
২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতে ৫০৬ কোটি টাকার বিল, গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ মন্ত্রীর
যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের দামে নাভিশ্বাস, খাবারের খরচ বাঁচাতে খাবার বাদ দিচ্ছেন অর্ধেক মানুষ
১৯৮৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি ক্রয়ের গড় বয়স ছিল ৩৩ বছর, এখন ৫৬! নতুন ক্রেতার রেকর্ড পতন
আম্বানির শেয়ার কিনতে বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের ঢল, প্রথম ঘণ্টাতেই রেকর্ড
ফ্রান্সে দাঙ্গা, জ্বালানির ঊর্ধ্বমূল্য ও বৈশ্বিক উদ্বেগে ইউরোর দর কমল, শক্তিশালী ডলার
আমেরিকায় কোন পেশায় আয় বেশি? জেনে নিন, ঘণ্টাপ্রতি বেতনসহ ১০টি কাজের তালিকা
ব্রঙ্কসে ভয়াবহ আগুনে কিশোরের মৃত্যু, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পরিবারের আরও চারজন
যাত্রীদের সঙ্গে সংঘর্ষ করায় বিতর্ক, নিউ ইয়র্কে পর্যালোচনায় ভাড়া আদায়কারীদের প্রশিক্ষণ
ফ্লোরিডায় ফুটবল ম্যাচ শেষে গুলিবর্ষণ, আহত ১১; ১৫ বছর বয়সীর বিচার হবে প্রাপ্তবয়স্ক আদালতে
করোনাকালীন ত্রাণের অর্থে নিজের বাড়ি! টেক্সাসের নারীর বিরুদ্ধে ১০টি ফেডারেল অভিযোগ
বিমানবন্দরে আটক হওয়ার পর মুক্তি, এবার অন্য বন্দি নারীদের পাশে ইউক্রেনীয় অভিবাসী
প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান ধীরে ধীরে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইছে, আগে থেকেই যেসব লক্ষণ চিনবেন অভিভাবকেরা
মেয়ের বিয়ে দেখে যেতে পারবেন না, তাই মৃত্যুর আগে ১১ বছরের মেয়েকে কনে সাজালেন ক্যান্সার আক্রান্ত বাবা
ককপিটে ঘুমিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা ৭৭ শতাংশ পাইলটের, ক্লান্তি নিয়েও উড়ছেন অনেকে
মাত্র ১৩ হাজার ডলারে ইতালিতে বাড়ি কিনে ১৮ হাজার ডলারে সংস্কার করলেন মার্কিন দম্পতি
জেরিরিগএভরিথিংয়ের পরীক্ষায় টিকল না আইফোন ডুয়ো, ধুলা ও চাপে বিকল স্ক্রিন
ফ্লোরিডায় ১৪ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিষিদ্ধের পক্ষে আদালতের রায়
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী ইরান তবে চাপের মধ্যে নয়: পেজেশকিয়ান
জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘পিঙ্ক বাস’ নারীর নিরাপদ যাতায়াতের উদ্যোগ তুলে ধরলেন শামা ওবায়েদ
গুতেরেসের সঙ্গে তারেকের বৈঠক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী
ঋণ নয়, অনুদান চায় বন্যাবিধ্বস্ত নেপাল; জাতিসংঘের তহবিলে ২ কোটি ডলারের আবেদন
সৌদি আরবে ন্যূনতম বেতনের নতুন ঘোষণা, সর্বোচ্চ ৬ হাজার রিয়াল
'গরু আমাদের মা' ভারতে গরু জবাইয়ের দায়ে ৩ মুসলমানের যাবজ্জীবন, রায়ে ধর্মগ্রন্থের উল্লেখ বিচারকের
২৮ মিনিট হার্টবিট বন্ধ থাকার পর বেঁচে ফেরেন তিনি, জানান মৃত্যুর সময় যা যা দেখেছেন
যুক্তরাজ্যে সপ্তাহে ৬০০ মানুষের মানবসেবায় প্রাইড অব ব্রিটেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাইহানা আহমেদ