Live update news
৪০তম ফোবানা কনভেনশনে যোগ দিচ্ছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ‍্যান্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) ৪০তম কনভেনশন ২০২৬-এ  যোগদানের সম্মতি দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।   ২০ মে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে ফোবানা লস অ‍্যান্জেলেস কনভেনশন ২০২৬ হোস্ট কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সম্মতি দেন।   সাক্ষাৎকালে লস অ‍্যান্জেলেস ফোবানা হোস্ট কমিটির প্রেসিডেন্ট মোয়াজ্জেম এইচ চৌধুরী, কালচারাল সেক্রেটারি শহীদ আহমেদ মিঠু এবং সাবেক ফোবানা চেয়ারম্যান ও বর্তমান মেম্বারশিপ কমিটির চেয়ারম্যান রেহান রেজা মন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করে বিএনপি’র সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কনভেনশনে যোগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছেন হোস্ট কমিটির কর্মকর্তারা।   আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত হলিউডে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ফোবানার ৪০তম কনভেনশন। উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাঙালিদের বৃহত্তম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ফোবানার এ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।   লস অ‍্যান্জেলেসের ইউনিভার্সাল হিলটন হোটেলে আয়োজিত এবারের কনভেনশন ঘিরে ইতোমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি তারকা শিল্পীদের পরিবেশনার পাশাপাশি থাকছে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সেমিনার, নেটওয়ার্কিং, স্বাস্থ্যসেবা, নারী উদ্যোক্তা কর্মশালা, বইমেলা, কাব্যজলসা, সাহিত্য ও কবিতা আসর, ইয়ুথ ও যুব ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশ ও সংস্কৃতিবিষয়ক আলোচনা, ট্যালেন্ট ও ফ্যাশন শো এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ফোবানা স্কলারশিপ প্রদানসহ নানা আয়োজন।   এবারের ফোবানা কনভেনশনের আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া। আয়োজক কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন কনভেনর ড. জয়নুল আবেদীন, ডেপুটি কনভেনর হাবিব আহমেদ টিয়া, মেম্বার সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল, প্রেসিডেন্ট মোয়াজ্জেম এইচ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ড. মুশফিকুল হক, কালচারাল সেক্রেটারি শহীদ আহমেদ মিঠু, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকেশনস চেয়ারম্যান সাংবাদিক লস্কর আল মামুন, স্টল ও বুথ চেয়ারম্যান শওকত আনজিমসহ বিভিন্ন কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।   এছাড়া ফোবানা নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রবিউল করিম বেলাল, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ, জয়েন্ট এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি এন্থনি পিউস গোমেজ, কোষাধ্যক্ষ মহিউদ্দিন দুলাল, নির্বাহী সদস্য কাজী নাহিদ এবং সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রিয়লাল কর্মকারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা সম্মেলন সফলে কাজ করছেন ।

২ ঘন্টা Ago
ঈদের আগে ১৯ দিনে প্রবাসী আয় প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলার

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশে প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা দরে) প্রায় ৩০ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সে তুলনায় চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনে প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।   চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনে দৈনিক গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩ কোটি ডলারের বেশি। ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে প্রবাসীরা বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন, যা এ প্রবাহ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। এভাবে আয় আসতে থাকলে ঈদের আগে তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।   অন্যদিকে প্রবাসী আয় বাড়ায় ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত তৈরি হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিনিয়ত ডলার কিনে রিজার্ভ বাড়াচ্ছে। আজ চারটি ব্যাংক থেকে সাত কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, প্রতি ডলারের দাম ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

৭ ঘন্টা Ago
কুরবানির গোশত সংরক্ষণে অসচেতনতা বাড়াচ্ছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি

পবিত্র ঈদুল আজহা শুধু পশু কুরবানির আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ত্যাগ, তাকওয়া, পরিচ্ছন্নতা ও মানবিকতার এক অনন্য শিক্ষা। কুরবানির সঙ্গে যেমন জড়িয়ে আছে ধর্মীয় বিধান, তেমনি রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি, পরিবেশ সচেতনতা এবং বৈজ্ঞানিক দিকও। কিন্তু প্রতি বছর অসচেতনতা, তাড়াহুড়া এবং সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অনেকেই এমন কিছু ভুল করেন, যা কুরবানির গোশতের গুণগত মান নষ্ট করে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ায়। এসব ভুল শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, বৈজ্ঞানিকভাবেও ক্ষতিকর হতে পারে। কুরবানির সময় সাধারণ কিছু ভুল ও তার সঠিক দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।   জবাইয়ের সময় যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয় ও সঠিক পদ্ধতি: কুরবানির অন্যতম বড় ভুল হলো শরিয়তসম্মত জবাই পদ্ধতি অনুসরণ না করা, যেমন— ধারালো ছুরি ব্যবহার না করা, পশুকে অতিরিক্ত কষ্ট দেওয়া কিংবা এক পশুর সামনে অন্য পশু জবাই করা। আরেকটি গুরুতর ভুল হলো, জবাইয়ের পর পশুর পুরোপুরি প্রাণ বের হওয়ার আগেই চামড়া ছাড়ানো বা দ্রুত প্রাণ বের করার জন্য গলার স্থান বা মেরুদণ্ডে ধারালো ছুরির আগা দিয়ে আঘাত করা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে, এতে পশুর মেরুরজ্জুর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পশু আকস্মিক শক বা হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়ার ব্যাঘাতে মারা যেতে পারে। ফলে শরীর থেকে স্বাভাবিকভাবে রক্ত বের হতে পারে না এবং গোশতে জমাট রক্ত থেকে গোশতের গুণগত মান ও সংরক্ষণ ক্ষমতা হ্রাস পায়। সঠিক নিয়ম হলো প্রধান রগগুলো কেটে পশুর শরীর থেকে পর্যাপ্ত রক্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বের হওয়ার সুযোগ দেওয়া।   গরম গোশত সংরক্ষণ ও ধোয়ার ভুল পদ্ধতি: কুরবানির পরপরই গরম গরম গোশত রান্না করে খাওয়া কিংবা তাড়াহুড়া করে পলিথিনে ভরে স্তূপ করে রাখা বড় ধরনের ভুল। বৈজ্ঞানিকভাবে, জবাইয়ের পর গোশত অন্তত ৬ ঘণ্টা ঠান্ডা পরিবেশে রাখা বা ‘চিলিং’ করা উত্তম, যা গোশত নরম করে, স্বাদ উন্নত করে এবং ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির ঝুঁকি কমায়। গরম অবস্থায় গোশত প্যাকেট বা স্তূপ করে রাখলে ভেতরে তাপ আটকে দ্রুত জীবাণু বৃদ্ধি ও পচনের আশঙ্কা তৈরি হয়। এছাড়া গোশত কাটার পর অতিরিক্ত পানি দিয়ে বারবার ধোয়ার ফলে গোশতের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাদ নষ্ট হতে পারে এবং পানির ছিটা থেকে জীবাণু রান্নাঘরের সিঙ্ক বা অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তবে গোশতে দৃশ্যমান ময়লা, লোম বা জমাট রক্ত থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পানি দিয়ে পরিষ্কার করা যেতে পারে।   অতিরিক্ত গোশত খাওয়ার ঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণ: কুরবানির দিনে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত গোশত বেশি পরিমাণে খেলে বদহজম, গ্যাসট্রিক, অ্যাসিডিটি, উচ্চ কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই পরিমিত খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে পশু জবাই করা, রক্ত ও বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে রাখা, ড্রেন বন্ধ করে দেওয়া কিংবা রাস্তা দখল করার কারণে পরিবেশ দূষণ হয় এবং রোগজীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘ সময় রক্ত ও বর্জ্য পড়ে থাকলে দুর্গন্ধ, মাছি ও সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, তাই নির্দিষ্ট স্থানে পরিচ্ছন্নভাবে কুরবানি সম্পন্ন করা এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ করা জরুরি।   কুরবানি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়, এটি সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা, সহমর্মিতা ও ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতিফলন। তাই শরিয়তের বিধান, স্বাস্থ্যবিধি ও বৈজ্ঞানিক দিক মাথায় রেখে সঠিকভাবে কুরবানি সম্পন্ন করা সবার দায়িত্ব। সচেতনতা ও সঠিক নিয়ম মেনে কুরবানি করলে একদিকে যেমন ইবাদতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, অন্যদিকে পরিবার ও সমাজও থাকে নিরাপদ, সুস্থ ও ঝুঁকিমুক্ত।

৭ ঘন্টা Ago
৫ বছরে ১৫০০% প্রবৃদ্ধি, বিশ্বের প্রায় সব দেশের জিডিপিকে ছাড়াল এনভিডিয়া

শেয়ারবাজারের ইতিহাসে এনভিডিয়ার বর্তমান উত্থানটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক নজির সৃষ্টি করেছে। মাত্র পাঁচ বছর আগেও যে প্রতিষ্ঠানটিকে উচ্চমানের গেমিং গ্রাফিক্স কার্ড নির্মাতা হিসেবে চেনা হতো, আজ তারা বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা জেনারেটিভ এআই-এর মূল কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ৫ বছরে প্রায় ১,৫০০% প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এনভিডিয়া তার বাজারমূল্যে যুক্ত করেছে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। বর্তমানে কোম্পানির আনুমানিক বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে।   বৈশ্বিক প্রযুক্তি জায়ান্টদের মধ্যে অ্যালফাবেটের বাজারমূল্য ৪.৭৬ ট্রিলিয়ন, অ্যাপলের ৪.৩৫ ট্রিলিয়ন, মাইক্রোসফটের ২.৯৯ ট্রিলিয়ন এবং অ্যামাজনের বাজারমূল্য ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। কোনো কোম্পানির বাজারমূল্য এবং দেশের জিডিপি এক বিষয় না হলেও, এই তুলনাটি স্পষ্ট করে যে এনভিডিয়া কতটা দানবীয় আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে এনভিডিয়া কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (৩০.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং চীন (১৯.৬ ট্রিলিয়ন ডলার) বাদে পৃথিবীর যেকোনো একক দেশের বার্ষিক জিডিপির চেয়েও বেশি মূল্যবান। এটি জার্মানি, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভারত ও ফ্রান্সের জিডিপিকে অনায়াসে ছাড়িয়ে গেছে। সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্পদ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে এনভিডিয়া, যা রূপার চেয়েও বেশি।   জেনারেটিভ এআই বা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM), রোবোটিক্স ও স্বয়ংক্রিয় গাড়ির ডাটা সেন্টার পরিচালনায় এনভিডিয়ার জিপিইউ (GPU) অপরিহার্য হয়ে ওঠায় এই অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি এসেছে। গত অর্থ বছরে কোম্পানিটি প্রায় ২১৬ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব এবং ৯৬.৬ বিলিয়ন ডলার ফ্রি ক্যাশ ফ্লো (FCF) তৈরি করেছে। ওয়াল স্ট্রিটের ধারণা, আগামী দুই বছরে কোম্পানিটি ৪০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফ্রি ক্যাশ ফ্লো উৎপাদন করবে, যা কর্পোরেট ইতিহাসে বিরল। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, মার্কিন সরকারের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে চীনের মতো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এআই বাজারে পূর্ণ প্রবেশাধিকার না পেয়েও এনভিডিয়া এই উচ্চতায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যোগ দিয়েছেন এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং, যা বিনিয়োগকারীরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।   অভাবনীয় এই সাফল্যের মাঝেও বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু ঝুঁকি থেকে যায়। এনভিডিয়ার বর্তমান মূল্যায়ন ধরে রাখতে হলে তাদের আগামী বহু বছর এআই বাজারে একক আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তবে বর্তমানে অ্যামাজন, মাইক্রোসফট এবং অ্যালফাবেটের মতো ক্লাউড জায়ান্টরা তাদের নিজস্ব কাস্টম এআই চিপ তৈরি করছে, যা এনভিডিয়াকে প্রতিযোগিতার মুখে ফেলবে। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর বাজারের চড়াই-উতরাইয়ের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে, যা দ্রুত সম্প্রসারণের পর সাধারণত কিছুটা ঠাণ্ডা বা ঝিমিয়ে পড়ে। একটি গেমিং চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র আধ দশকে ৫.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের এআই টাইটানে পরিণত হওয়া আধুনিক পুঁজি বাজারের ইতিহাসে অন্যতম সেরা কর্পোরেট রূপান্তর হিসেবে লেখা থাকবে।  

৮ ঘন্টা Ago
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব
থাইল্যান্ডে ভিসামুক্ত অবস্থানের মেয়াদ কমছে ৯০ দেশের জন্য

থাইল্যান্ড সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ ৯০টির বেশি দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল অবস্থানের সময়সীমা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ দিনের বেশি দেশটিতে থাকতে হলে পর্যটকদের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।   সরকারি সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, আগে কোভিড পরবর্তী অর্থনীতি চাঙা করতে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ৯৩টি দেশের পর্যটকদের ৬০ দিন পর্যন্ত ভিসা ছাড়াই থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি মন্ত্রিসভা সেই সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।   নতুন নীতিমালায় বিদেশি পর্যটকদের অবস্থানের সময়সীমা দেশভিত্তিকভাবে নির্ধারণ করা হবে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর নির্ভর করবে। নিরাপত্তা জোরদার এবং ভিসা ব্যবস্থায় জটিলতা কমানোর লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে মাদক ও মানবপাচারের মতো অপরাধে বিদেশি নাগরিকদের জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার ভারসাম্য রক্ষার জন্য বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন হয়েছে।   ৬০ দিনের ভিসামুক্ত সুবিধাপ্রাপ্ত দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইতালি ও স্পেন ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব দেশের নাগরিকদেরও ৩০ দিনের বেশি অবস্থানের জন্য ভিসা নিতে হবে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে।   সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একই দেশের নাগরিকদের জন্য একাধিক ভিসা সুবিধা থাকায় অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতো। নতুন নীতির মাধ্যমে সেই জটিলতা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।   পর্যটননির্ভর অর্থনীতির জন্য পরিচিত থাইল্যান্ডে ২০১৯ সালে প্রায় ৪ কোটি পর্যটক ভ্রমণ করেছিলেন। মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে পর্যটন খাত পুনরুদ্ধারের পথে থাকলেও সাম্প্রতিক নিরাপত্তা উদ্বেগ নীতিগত এই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: মে ২০, ২০২৬ ২:০
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেসি ক্রিস্টেনসেন | ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় ৫০ বিশেষ রিকশার উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশে এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেসি ক্রিস্টেনসেন লাল, সাদা ও নীল রঙে সাজানো ৫০টি বিশেষ রিকশার উদ্বোধন করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকার রঙের প্রতীক বহন করছে।   এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঐতিহাসিক মাইলফলকই উদযাপন করা হয়নি, পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্বের বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। আয়োজকদের ভাষ্য, রিকশা বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত সাংস্কৃতিক প্রতীক হওয়ায় এই মাধ্যমকে বেছে নেওয়া হয়েছে দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতিফলন হিসেবে।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক গত কয়েক দশকে বাণিজ্য, শিক্ষা, উন্নয়ন সহযোগিতা, সংস্কৃতি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়াতেও এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মত দেন তারা।   লাল, সাদা ও নীল রঙে সাজানো রিকশাগুলো রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলাচল করবে বলে জানা গেছে। এতে স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।   কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় উদযাপনকে একত্রিত করার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি প্রতীকী উপস্থাপন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ছবি: মন্ত্রী মহোদয়ের হাতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র তুলে দিচ্ছেন আয়োজক কমিটি
৪০তম ফোবানা কনভেনশনে যোগ দিচ্ছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ‍্যান্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) ৪০তম কনভেনশন ২০২৬-এ  যোগদানের সম্মতি দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।   ২০ মে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে ফোবানা লস অ‍্যান্জেলেস কনভেনশন ২০২৬ হোস্ট কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সম্মতি দেন।   সাক্ষাৎকালে লস অ‍্যান্জেলেস ফোবানা হোস্ট কমিটির প্রেসিডেন্ট মোয়াজ্জেম এইচ চৌধুরী, কালচারাল সেক্রেটারি শহীদ আহমেদ মিঠু এবং সাবেক ফোবানা চেয়ারম্যান ও বর্তমান মেম্বারশিপ কমিটির চেয়ারম্যান রেহান রেজা মন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করে বিএনপি’র সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কনভেনশনে যোগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছেন হোস্ট কমিটির কর্মকর্তারা।   আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত হলিউডে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ফোবানার ৪০তম কনভেনশন। উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাঙালিদের বৃহত্তম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ফোবানার এ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।   লস অ‍্যান্জেলেসের ইউনিভার্সাল হিলটন হোটেলে আয়োজিত এবারের কনভেনশন ঘিরে ইতোমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি তারকা শিল্পীদের পরিবেশনার পাশাপাশি থাকছে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সেমিনার, নেটওয়ার্কিং, স্বাস্থ্যসেবা, নারী উদ্যোক্তা কর্মশালা, বইমেলা, কাব্যজলসা, সাহিত্য ও কবিতা আসর, ইয়ুথ ও যুব ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশ ও সংস্কৃতিবিষয়ক আলোচনা, ট্যালেন্ট ও ফ্যাশন শো এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ফোবানা স্কলারশিপ প্রদানসহ নানা আয়োজন।   এবারের ফোবানা কনভেনশনের আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া। আয়োজক কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন কনভেনর ড. জয়নুল আবেদীন, ডেপুটি কনভেনর হাবিব আহমেদ টিয়া, মেম্বার সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল, প্রেসিডেন্ট মোয়াজ্জেম এইচ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ড. মুশফিকুল হক, কালচারাল সেক্রেটারি শহীদ আহমেদ মিঠু, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকেশনস চেয়ারম্যান সাংবাদিক লস্কর আল মামুন, স্টল ও বুথ চেয়ারম্যান শওকত আনজিমসহ বিভিন্ন কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।   এছাড়া ফোবানা নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রবিউল করিম বেলাল, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ, জয়েন্ট এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি এন্থনি পিউস গোমেজ, কোষাধ্যক্ষ মহিউদ্দিন দুলাল, নির্বাহী সদস্য কাজী নাহিদ এবং সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রিয়লাল কর্মকারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা সম্মেলন সফলে কাজ করছেন ।

ছবি: সংগৃহীত
কুরবানির গোশত সংরক্ষণে অসচেতনতা বাড়াচ্ছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি

পবিত্র ঈদুল আজহা শুধু পশু কুরবানির আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ত্যাগ, তাকওয়া, পরিচ্ছন্নতা ও মানবিকতার এক অনন্য শিক্ষা। কুরবানির সঙ্গে যেমন জড়িয়ে আছে ধর্মীয় বিধান, তেমনি রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি, পরিবেশ সচেতনতা এবং বৈজ্ঞানিক দিকও। কিন্তু প্রতি বছর অসচেতনতা, তাড়াহুড়া এবং সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অনেকেই এমন কিছু ভুল করেন, যা কুরবানির গোশতের গুণগত মান নষ্ট করে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ায়। এসব ভুল শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, বৈজ্ঞানিকভাবেও ক্ষতিকর হতে পারে। কুরবানির সময় সাধারণ কিছু ভুল ও তার সঠিক দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।   জবাইয়ের সময় যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয় ও সঠিক পদ্ধতি: কুরবানির অন্যতম বড় ভুল হলো শরিয়তসম্মত জবাই পদ্ধতি অনুসরণ না করা, যেমন— ধারালো ছুরি ব্যবহার না করা, পশুকে অতিরিক্ত কষ্ট দেওয়া কিংবা এক পশুর সামনে অন্য পশু জবাই করা। আরেকটি গুরুতর ভুল হলো, জবাইয়ের পর পশুর পুরোপুরি প্রাণ বের হওয়ার আগেই চামড়া ছাড়ানো বা দ্রুত প্রাণ বের করার জন্য গলার স্থান বা মেরুদণ্ডে ধারালো ছুরির আগা দিয়ে আঘাত করা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে, এতে পশুর মেরুরজ্জুর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পশু আকস্মিক শক বা হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়ার ব্যাঘাতে মারা যেতে পারে। ফলে শরীর থেকে স্বাভাবিকভাবে রক্ত বের হতে পারে না এবং গোশতে জমাট রক্ত থেকে গোশতের গুণগত মান ও সংরক্ষণ ক্ষমতা হ্রাস পায়। সঠিক নিয়ম হলো প্রধান রগগুলো কেটে পশুর শরীর থেকে পর্যাপ্ত রক্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বের হওয়ার সুযোগ দেওয়া।   গরম গোশত সংরক্ষণ ও ধোয়ার ভুল পদ্ধতি: কুরবানির পরপরই গরম গরম গোশত রান্না করে খাওয়া কিংবা তাড়াহুড়া করে পলিথিনে ভরে স্তূপ করে রাখা বড় ধরনের ভুল। বৈজ্ঞানিকভাবে, জবাইয়ের পর গোশত অন্তত ৬ ঘণ্টা ঠান্ডা পরিবেশে রাখা বা ‘চিলিং’ করা উত্তম, যা গোশত নরম করে, স্বাদ উন্নত করে এবং ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির ঝুঁকি কমায়। গরম অবস্থায় গোশত প্যাকেট বা স্তূপ করে রাখলে ভেতরে তাপ আটকে দ্রুত জীবাণু বৃদ্ধি ও পচনের আশঙ্কা তৈরি হয়। এছাড়া গোশত কাটার পর অতিরিক্ত পানি দিয়ে বারবার ধোয়ার ফলে গোশতের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাদ নষ্ট হতে পারে এবং পানির ছিটা থেকে জীবাণু রান্নাঘরের সিঙ্ক বা অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তবে গোশতে দৃশ্যমান ময়লা, লোম বা জমাট রক্ত থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পানি দিয়ে পরিষ্কার করা যেতে পারে।   অতিরিক্ত গোশত খাওয়ার ঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণ: কুরবানির দিনে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত গোশত বেশি পরিমাণে খেলে বদহজম, গ্যাসট্রিক, অ্যাসিডিটি, উচ্চ কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই পরিমিত খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে পশু জবাই করা, রক্ত ও বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে রাখা, ড্রেন বন্ধ করে দেওয়া কিংবা রাস্তা দখল করার কারণে পরিবেশ দূষণ হয় এবং রোগজীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে। দীর্ঘ সময় রক্ত ও বর্জ্য পড়ে থাকলে দুর্গন্ধ, মাছি ও সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, তাই নির্দিষ্ট স্থানে পরিচ্ছন্নভাবে কুরবানি সম্পন্ন করা এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ করা জরুরি।   কুরবানি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়, এটি সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা, সহমর্মিতা ও ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতিফলন। তাই শরিয়তের বিধান, স্বাস্থ্যবিধি ও বৈজ্ঞানিক দিক মাথায় রেখে সঠিকভাবে কুরবানি সম্পন্ন করা সবার দায়িত্ব। সচেতনতা ও সঠিক নিয়ম মেনে কুরবানি করলে একদিকে যেমন ইবাদতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, অন্যদিকে পরিবার ও সমাজও থাকে নিরাপদ, সুস্থ ও ঝুঁকিমুক্ত।

ছবি: সংগৃহীত
৫ বছরে ১৫০০% প্রবৃদ্ধি, বিশ্বের প্রায় সব দেশের জিডিপিকে ছাড়াল এনভিডিয়া

শেয়ারবাজারের ইতিহাসে এনভিডিয়ার বর্তমান উত্থানটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক নজির সৃষ্টি করেছে। মাত্র পাঁচ বছর আগেও যে প্রতিষ্ঠানটিকে উচ্চমানের গেমিং গ্রাফিক্স কার্ড নির্মাতা হিসেবে চেনা হতো, আজ তারা বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা জেনারেটিভ এআই-এর মূল কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ৫ বছরে প্রায় ১,৫০০% প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এনভিডিয়া তার বাজারমূল্যে যুক্ত করেছে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। বর্তমানে কোম্পানির আনুমানিক বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে।   বৈশ্বিক প্রযুক্তি জায়ান্টদের মধ্যে অ্যালফাবেটের বাজারমূল্য ৪.৭৬ ট্রিলিয়ন, অ্যাপলের ৪.৩৫ ট্রিলিয়ন, মাইক্রোসফটের ২.৯৯ ট্রিলিয়ন এবং অ্যামাজনের বাজারমূল্য ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। কোনো কোম্পানির বাজারমূল্য এবং দেশের জিডিপি এক বিষয় না হলেও, এই তুলনাটি স্পষ্ট করে যে এনভিডিয়া কতটা দানবীয় আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে এনভিডিয়া কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (৩০.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং চীন (১৯.৬ ট্রিলিয়ন ডলার) বাদে পৃথিবীর যেকোনো একক দেশের বার্ষিক জিডিপির চেয়েও বেশি মূল্যবান। এটি জার্মানি, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভারত ও ফ্রান্সের জিডিপিকে অনায়াসে ছাড়িয়ে গেছে। সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্পদ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে এনভিডিয়া, যা রূপার চেয়েও বেশি।   জেনারেটিভ এআই বা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM), রোবোটিক্স ও স্বয়ংক্রিয় গাড়ির ডাটা সেন্টার পরিচালনায় এনভিডিয়ার জিপিইউ (GPU) অপরিহার্য হয়ে ওঠায় এই অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি এসেছে। গত অর্থ বছরে কোম্পানিটি প্রায় ২১৬ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব এবং ৯৬.৬ বিলিয়ন ডলার ফ্রি ক্যাশ ফ্লো (FCF) তৈরি করেছে। ওয়াল স্ট্রিটের ধারণা, আগামী দুই বছরে কোম্পানিটি ৪০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফ্রি ক্যাশ ফ্লো উৎপাদন করবে, যা কর্পোরেট ইতিহাসে বিরল। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, মার্কিন সরকারের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে চীনের মতো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এআই বাজারে পূর্ণ প্রবেশাধিকার না পেয়েও এনভিডিয়া এই উচ্চতায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরে যোগ দিয়েছেন এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং, যা বিনিয়োগকারীরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।   অভাবনীয় এই সাফল্যের মাঝেও বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু ঝুঁকি থেকে যায়। এনভিডিয়ার বর্তমান মূল্যায়ন ধরে রাখতে হলে তাদের আগামী বহু বছর এআই বাজারে একক আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তবে বর্তমানে অ্যামাজন, মাইক্রোসফট এবং অ্যালফাবেটের মতো ক্লাউড জায়ান্টরা তাদের নিজস্ব কাস্টম এআই চিপ তৈরি করছে, যা এনভিডিয়াকে প্রতিযোগিতার মুখে ফেলবে। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর বাজারের চড়াই-উতরাইয়ের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে, যা দ্রুত সম্প্রসারণের পর সাধারণত কিছুটা ঠাণ্ডা বা ঝিমিয়ে পড়ে। একটি গেমিং চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র আধ দশকে ৫.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের এআই টাইটানে পরিণত হওয়া আধুনিক পুঁজি বাজারের ইতিহাসে অন্যতম সেরা কর্পোরেট রূপান্তর হিসেবে লেখা থাকবে।  

ছবি: সংগৃহীত
অনিয়মিত ঘুমে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা

পর্যাপ্ত ঘুম কেবল শরীরের ক্লান্তিই দূর করে না, বরং হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে শুধু দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোই যথেষ্ট নয়; ঘুমের সময়সূচিতে অনিয়ম বা ‘স্লিপ ইরেগুলারিটি’ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকসহ অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন আলাদা সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস হৃদযন্ত্রের কার্যকলাপে নীরবে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে।   নিয়মিত ঘুমের সময় পরিবর্তন করলে শরীরের 'সার্কাডিয়ান রিদম' বা প্রাকৃতিক জৈবঘড়ির ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ ও হরমোন ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এই ছন্দপতনের ফলে শরীরে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। সাধারণত রাতে রক্তচাপ স্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার কথা থাকলেও অনিয়মিত ঘুমের কারণে তা বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং হার্ট ও রক্তনালির ওপর চাপ বাড়াতে থাকে। ফলে ঘুমের দৈর্ঘ্য ঠিক থাকলেও ভুল সময়ের কারণে উচ্চ রক্তচাপ, ক্লান্তি এবং শরীরের প্রদাহ কমছে না।   ব্যস্ত জীবনে রাত জেগে সিরিজ দেখা বা একেক দিন একেক সময়ে ঘুমানো এখন একটি সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অনেকেই একে সামান্য ব্যাপার মনে করলেও চিকিৎসকেরা একে শরীরের ওপর অত্যাচার করার শামিল বলে অভিহিত করেছেন। সুস্থ হৃদযন্ত্র নিশ্চিত করতে প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত গভীর ঘুম নিশ্চিত করা ভীষণ জরুরি বলে তারা পরামর্শ দিয়েছেন।   হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে এবং ঘুমের সময় নির্দিষ্ট করতে চিকিৎসকেরা কিছু কার্যকরী উপায় অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। প্রথমত, নিজের কাজের ওপর ভিত্তি করে কখন ঘুমাতে যাবেন এবং কখন উঠবেন তা নির্দিষ্ট করতে হবে। প্রয়োজনে ঘুমানো ও ওঠার জন্য ঘড়িতে রিমাইন্ডার বা অ্যালার্ম ব্যবহার করা যেতে পারে, যাতে ফোনের সংকেত পাওয়া মাত্রই সব কাজ বা ডিভাইস ছেড়ে বিশ্রামের আবহ তৈরি করা যায়।   এ ছাড়া, ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে ফোন বা ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে চোখ দূরে রাখার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, কারণ স্ক্রিনের ব্লু-লাইট মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। একই সাথে সন্ধ্যার পর চা বা কফির মতো ক্যাফিনজাতীয় পানীয় সেবনের পরিমাণ কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা দ্রুত ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
থাইল্যান্ডে ভিসামুক্ত অবস্থানের মেয়াদ কমছে ৯০ দেশের জন্য
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: মে ২০, ২০২৬ ২:০

থাইল্যান্ড সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ ৯০টির বেশি দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল অবস্থানের সময়সীমা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ দিনের বেশি দেশটিতে থাকতে হলে পর্যটকদের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।   সরকারি সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, আগে কোভিড পরবর্তী অর্থনীতি চাঙা করতে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ৯৩টি দেশের পর্যটকদের ৬০ দিন পর্যন্ত ভিসা ছাড়াই থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি মন্ত্রিসভা সেই সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।   নতুন নীতিমালায় বিদেশি পর্যটকদের অবস্থানের সময়সীমা দেশভিত্তিকভাবে নির্ধারণ করা হবে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর নির্ভর করবে। নিরাপত্তা জোরদার এবং ভিসা ব্যবস্থায় জটিলতা কমানোর লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে মাদক ও মানবপাচারের মতো অপরাধে বিদেশি নাগরিকদের জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার ভারসাম্য রক্ষার জন্য বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন হয়েছে।   ৬০ দিনের ভিসামুক্ত সুবিধাপ্রাপ্ত দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইতালি ও স্পেন ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব দেশের নাগরিকদেরও ৩০ দিনের বেশি অবস্থানের জন্য ভিসা নিতে হবে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে।   সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একই দেশের নাগরিকদের জন্য একাধিক ভিসা সুবিধা থাকায় অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতো। নতুন নীতির মাধ্যমে সেই জটিলতা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।   পর্যটননির্ভর অর্থনীতির জন্য পরিচিত থাইল্যান্ডে ২০১৯ সালে প্রায় ৪ কোটি পর্যটক ভ্রমণ করেছিলেন। মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে পর্যটন খাত পুনরুদ্ধারের পথে থাকলেও সাম্প্রতিক নিরাপত্তা উদ্বেগ নীতিগত এই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ছবি: সংগৃহীত
চীনে ১০ পরিবারের ৯টিরই নিজস্ব বাড়ি, অর্থনৈতিক চাপ ও আবাসন সংকটে বদলাচ্ছে স্বপ্ন
নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ১৮, ২০২৬ ২২:০

চীনে দীর্ঘ তিন দশক ধরে নিজস্ব বাড়ির মালিক হওয়া ছিল মধ্যবিত্ত জীবনের অন্যতম বড় লক্ষ্য। সরকারি নীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পারিবারিক মূল্যবোধ মিলিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে গড়ে উঠেছিল শক্তিশালী আবাসন সংস্কৃতি। তবে ধীরগতির অর্থনীতি ও দীর্ঘস্থায়ী আবাসন সংকট সেই স্বপ্নকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।   চীনের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর দেশটিতে নতুন বাড়ি বিক্রির পরিমাণ নেমে এসেছে ২০১৪ সালের পর সর্বনিম্ন অবস্থানে। ২০২১ সালে যেখানে নতুন বাড়ি বিক্রির মূল্য ছিল ১৬ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান, সেখানে গত বছর তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে।   ম্যাককোয়ারি ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপের অর্থনীতিবিদেরা চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে জানান, নতুন বাড়ি বিক্রির পরিমাণ গত বছর ৮ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে এবং এই নিম্নমুখী প্রবণতা দ্রুত থামার কোনো ইঙ্গিত নেই।   বেইজিংয়ের ৩৬ বছর বয়সী গ্রাফিক ডিজাইনার কাই ইয়োচেংও আপাতত বাড়ি কেনার পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছেন। তিনি বলেন, ভাড়া বাসায় থাকলে অনেক সময় অস্থায়ী জীবনের অনুভূতি তৈরি হয় এবং নিজের ইচ্ছামতো ঘর সাজানোর স্বাধীনতা থাকে না। তারপরও বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ভাড়াতেই থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।   তার ভাষায়, “হিসাব করলে ভাড়া থাকাই বেশি যৌক্তিক মনে হয়। তবে মনের ভেতরে নিজের একটি বাড়ির ইচ্ছা এখনো আছে।”   চীনে বাড়ির মালিক হওয়া কেবল সম্পত্তির মালিকানা নয়, এটি পারিবারিক দায়িত্ব ও সামাজিক অবস্থানের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়। হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক এরিক ফং বলেন, কনফুসীয় পারিবারিক মূল্যবোধ চীনা সমাজে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে এবং পরিবারকে কেন্দ্র করেই জীবনের অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক উদারীকরণের পর চীনের কমিউনিস্ট সরকার ধীরে ধীরে কর্মস্থলনির্ভর আবাসন ব্যবস্থা কমিয়ে ব্যক্তিগত মালিকানাকে উৎসাহিত করতে শুরু করে। ১৯৯০-এর দশকে ভর্তুকিনির্ভর নীতির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়।   ইউনিভার্সিটি অ্যাট অ্যালবানির অধ্যাপক হুয়াং ইউচিন বলেন, অনেক মানুষ খুব কম দামে হঠাৎ করেই বাড়ির মালিক হয়ে যান। এতে বিপুলসংখ্যক ভাড়াটিয়া একসময় বাড়ির মালিক শ্রেণিতে পরিণত হন।   চীনা সমাজে সঞ্চয়ের প্রবণতাও এই প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করে। দ্রুত বাড়তে থাকা সম্পত্তির দাম আবাসন খাতকে জনপ্রিয় বিনিয়োগে পরিণত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক গ্রামীণ অভিবাসী শহরে বাড়ি কিনে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চেয়েছেন। আবার সন্তানদের বিয়ের সম্ভাবনা বাড়াতেও বাবা-মায়েরা অ্যাপার্টমেন্ট কিনে দিয়েছেন।   বিভিন্ন জরিপ ও গবেষণা অনুযায়ী, বর্তমানে চীনের প্রতি ১০টি পরিবারের ৯টিরই নিজস্ব বাড়ি রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ আবাসন মালিকানার হার।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির মালিকানার হার প্রায় ৬৫ শতাংশ। উচ্চশিক্ষার ঋণ ও বাড়ির বাড়তি মূল্য অনেক তরুণকে দীর্ঘ সময় ভাড়ায় থাকতে বাধ্য করছে।   তবে চীনের আবাসন খাতের দ্রুত উত্থানের সঙ্গে তৈরি হয়েছে বড় ঝুঁকিও। প্রবৃদ্ধির সময় অনেক নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বিপুল ঋণ নেয়। অতিরিক্ত নির্মাণের কারণে বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয় ফাঁকা আবাসিক অঞ্চল ও অবিক্রীত প্রকল্প।   পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০২০ সালে চীনের কেন্দ্রীয় সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেয়। আবাসন খাত, যা একসময় দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রায় ৩০ শতাংশ জুড়ে ছিল, তা নিয়ন্ত্রণে নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়।   এই পদক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণ কমলেও সম্পত্তির দাম দ্রুত পড়ে যায়। অনেক ক্রেতা অসম্পূর্ণ বা বিলম্বিত ফ্ল্যাটের মুখোমুখি হন। ঋণসংকটে পড়ে বড় বড় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও ধসে পড়ে।   চীনের অন্যতম বৃহৎ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এভারগ্রান্ডকে ২০২৪ সালে হংকংয়ের একটি আদালত বিলুপ্তির নির্দেশ দেয়। কান্ট্রি গার্ডেন ও ভ্যাংকের মতো বড় প্রতিষ্ঠানও আর্থিক চাপে পড়ে।   এই পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুর্বল অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যসংঘাতের আশঙ্কা। ফলে সম্ভাব্য ক্রেতারা এখন আরও সতর্ক।   কাই ইয়োচেং বলেন, তিনি ভবিষ্যতে বাড়ি কিনতে চান, তবে আগামী কয়েক বছরে সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না।   পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও আবাসন খাত এখনো সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি। মার্চ মাসেও দেশজুড়ে নতুন বাড়ির দাম কমেছে, যদিও কয়েকটি বড় শহরে সামান্য উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।   রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান কুশম্যান অ্যান্ড ওয়েকফিল্ডের কর্মকর্তা ঝ্যাং শিয়াওদুয়ান বলেন, সরকারের ইতিবাচক বার্তা থাকলেও বাস্তবে ক্রয়ক্ষমতার বড় ধরনের পুনরুদ্ধার দেখা যাচ্ছে না।   গত বছর চীন ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত অর্জন করলেও সাধারণ মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতায় সেই প্রবৃদ্ধির প্রভাব স্পষ্ট হয়নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।   কুনমিং শহরের ৩০ বছর বয়সী আলোকচিত্রী ম্যান্ডি ফেং বলেন, বাড়ির দাম কমলেও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি করছে।   তার ভাষায়, “মানুষ বাড়ি কিনতে চায় না, এমন নয়। কিন্তু আয় অনিশ্চিত এবং উপার্জন কম থাকলে কেউ ঋণ নিতে সাহস পায় না।”   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে আবাসন নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাচ্ছে। বেইজিংয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ঝো ঝ্যাং বলেন, তিনি সম্ভবত নিজের সন্তানদের জন্য বাড়ি কিনবেন না, যদিও নিজের ফ্ল্যাট কিনতে বাবা-মায়ের সহায়তা পেয়েছিলেন।   তার মতে, চীনের আবাসন বাজার ধীরে ধীরে পশ্চিমা দেশের মতো হয়ে উঠছে, যেখানে ভবিষ্যতে ভাড়া বাসায় থাকার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ৭, ২০২৬ ২১:২৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির বিধায়কদলের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী-কেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি হতে যাচ্ছেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে আলোচনা শেষে শুভেন্দুকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। অমিত শাহ জানান, দলনেতা নির্বাচনের জন্য একাধিক প্রস্তাব উঠলেও প্রতিটি প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। দ্বিতীয় কোনো নাম না আসায় সর্বসম্মতিক্রমেই তাকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দুর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। দলের ভেতরে তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছিল। রাজ্যের রাজনীতিতে তার উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে একাধিক নির্বাচনী লড়াই। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পান।  এরপর সাম্প্রতিক নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্রেই লড়াই করে তিনি আবারও মমতাকে পরাজিত করেন, এবং আগের তুলনায় ব্যবধানও বাড়ান। সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা, ট্রাম্প ‘মুখ রক্ষার’ চেষ্টায় সমঝোতা খুঁজছেন
হরমুজ প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা, ট্রাম্প ‘মুখ রক্ষার’ চেষ্টায় সমঝোতা খুঁজছেন
নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ৬, ২০২৬ ১৯:৫৮

হরমুজ প্রণালী দিয়ে সামুদ্রিক চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা খুঁজছেন বলে মন্তব্য করেছেন এক বিশ্লেষক।   তার মতে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনমতের সামনে প্রেসিডেন্টের অবস্থান রক্ষা করা।   তেহরানভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের বিশ্লেষক আলি আকবর দারেইনি আল জাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো দ্রুত চুক্তির ইঙ্গিত তিনি দেখছেন না। তার মতে, পরিস্থিতি এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।   তিনি বলেন, ট্রাম্প চীনে সফরের আগে কিছু অর্জন দেখাতে চেয়েছিলেন, তবে তিনি হরমুজ প্রণালী খুলতে সামরিক বা কূটনৈতিক কোনো প্রচেষ্টাতেই সফল হননি।   এই বিশ্লেষকের দাবি, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে এমন ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করলে তেহরান নতি স্বীকার করবে। তবে বাস্তবে তা ঘটেনি।   আলি আকবর দারেইনি আরও বলেন, “ইরান কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না। এমনকি ভবিষ্যতেও তা সম্ভব নয়।   হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি সরবরাহ চলাচল করে, ফলে বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Follow us

Trending

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

এপ্রিল ২, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
343 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
320 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
403 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
251 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
Advertisement
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়