ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যালেক্স প্যাডিলা সম্প্রতি মার্কিন সিনেটে একটি যুগান্তকারী বিল পুনরায় উত্থাপন করেছেন, যা লাখ লাখ অভিবাসীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। ‘রিনিউয়িং ইমিগ্রেশন প্রভিশনস অব দ্য ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট অব ১৯২৯’ শীর্ষক এই বিলটি ১৯২৯ সালের একটি পুরোনো অভিবাসন আইনকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি এবং গণ-ডিপোর্টেশন বা বিতাড়ন কর্মসূচির বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদী অভিবাসীদের আইনি সুরক্ষা দিতেই মূলত ডেমোক্র্যাটরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রস্তাবিত এই বিলে বর্তমান অভিবাসন আইনের 'রেজিস্ট্রি' বা নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। ১৯৮৬ সালের পর থেকে এই আইনে কোনো বড় সংস্কার হয়নি এবং বর্তমানে কেবল ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারির আগে যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন, তারাই এই সুবিধার আওতাভুক্ত। কিন্তু নতুন বিলে এই নির্দিষ্ট কাট-অফ তারিখ বাতিল করে একটি চলমান বা রোলিং সময়সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে, কোনো অভিবাসী গুরুতর অপরাধমূলক রেকর্ড ছাড়া টানা সাত বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলে তিনি আইনত স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। সিনেটর প্যাডিলার কার্যালয় ও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রায় ৮ মিলিয়ন বা ৮০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। সুবিধাভোগীদের মধ্যে ড্রিমার, টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস) হোল্ডার, দীর্ঘমেয়াদী ভিসাধারীদের সন্তান এবং দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা এইচ-১বি (H-1B) ভিসাধারী উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীরাও রয়েছেন। প্যাডিলা জোর দিয়ে বলেছেন, যারা বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও সমাজে অবদান রাখছেন এবং নিয়মিত কর পরিশোধ করছেন, তাদের জন্য একটি সুষ্ঠু আইনি পথ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। তবে, বিলটি মার্কিন কংগ্রেসে চূড়ান্তভাবে পাস হওয়া বেশ কঠিন একটি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। বর্তমান কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের আধিপত্য থাকায় এবং অভিবাসন ইস্যুতে মার্কিন রাজনীতিতে তীব্র দলীয় বিভক্তি থাকায় এই পদক্ষেপের ভবিষ্যৎ অনেকটাই অনিশ্চিত। রক্ষণশীল ও কট্টরপন্থীরা এরই মধ্যে বিলটির তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন; অনেকেই এটিকে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য একটি সাধারণ ক্ষমা বা 'অ্যামনেস্টি' হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করছেন। তা সত্ত্বেও, ডিক ডারবিন ও বার্নি স্যান্ডার্সের মতো প্রবীণ নেতারা এবং দেশব্যাপী অসংখ্য শ্রমিক ও মানবাধিকার সংগঠন এই বিলের প্রতি তাদের জোরালো সমর্থন জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় পারিবারিক সুইমিং পুলে ডুবে যাওয়ার পর এক দেড় বছর বয়সী শিশুকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালের মর্গে তাকে শ্বাস নিতে দেখা যায়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় শিশুটির মা-বাবার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গিলবার্ট পুলিশের পক্ষ থেকে অবহেলার অভিযোগ আনার সুপারিশ করা হলেও, ম্যারিকোপা কাউন্টির অ্যাটর্নি র্যাচেল মিচেল জানিয়েছেন যে, এই মামলায় সন্দেহাতীতভাবে দোষ প্রমাণের সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ। বুধবার অ্যাটর্নি মিচেল জানান, পরিবারটি শিশু সুরক্ষায় একাধিক চাইল্ডপ্রুফ লক ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। ঘটনার সময় বাড়িতে একাধিক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন এবং প্রত্যেকেই ভেবেছিলেন অন্য কেউ হয়তো শিশুটির খেয়াল রাখছেন। এছাড়া, তদন্তে বাবা-মায়ের কোনো ধরনের সুস্পষ্ট অস্বাভাবিক আচরণের প্রমাণও পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি পানিতে ডুবে যাওয়ার খবর পেয়ে উদ্ধারকারীরা ওই বাড়িতে পৌঁছান। জীবন রক্ষাকারী প্রাথমিক চিকিৎসার পর শিশুটিকে মার্সি গিলবার্ট মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হলে প্রায় এক ঘণ্টা পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ঘটনার মোড় ঘোরে এর প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর। পুলিশকে জানানো হয়, মর্গে রাখা শিশুটি শ্বাস নিচ্ছে! দ্রুত তাকে হেলিকপ্টারে করে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং বিস্ময়করভাবে শিশুটি বেঁচে যায়। এ ঘটনায় মার্সি গিলবার্ট মেডিকেল সেন্টার বিস্তারিত কিছু না জানালেও এটিকে একটি "হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি" বলে উল্লেখ করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনাটি থেকে শিক্ষা নিতে এবং নিজেদের চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করতে তারা পুরো প্রক্রিয়াটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেছে। এদিকে, বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) হাতে আসা নথিতে দেখা গেছে, হাসপাতালে উপস্থিত গিলবার্ট পুলিশের কর্মকর্তারা শিশুটির শরীরে একাধিকবার প্রাণের লক্ষণ দেখতে পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন। তা সত্ত্বেও শিশুটিকে মর্গের 'কোল্ড রুমে' নিয়ে যাওয়া হয়। ওই নথিতে পুলিশ কর্মকর্তা ও এক চিকিৎসকের মধ্যে উত্তেজনার বিষয়টিও উঠে এসেছে। জানা যায়, ওই চিকিৎসক এক পুলিশ কর্মকর্তাকে বলেছিলেন, "দয়া করে আপনি আপনার কাজ করুন এবং আমাকে আমার কাজ করতে দিন। আমি অকারণে মেডিকেল কলেজে পড়িনি।"
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বিশেষ চার্টার ফ্লাইটে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোরে ওমনি এয়ার ইন্টারন্যাশনালের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে ফিরে আসা এসব বাংলাদেশি বিভিন্ন সময়ে উন্নত কর্মসংস্থানের আশায় বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন। পরবর্তীতে তারা দুবাই, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও পেরুসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থান করেন এবং সেখান থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করলেও বৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে পারেননি। পরে মার্কিন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক প্রত্যেক প্রত্যাবর্তনকারীকে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়। পাশাপাশি তাদের জন্য খাবারেরও ব্যবস্থা করা হয়। ইমিগ্রেশন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর দুপুর দেড়টার দিকে তারা বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান বা অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশি নাগরিকদেরও পর্যায়ক্রমে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বরাবরই সতর্ক করে আসছেন, বিদেশে কর্মসংস্থান বা স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে যাত্রার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন আইন ও বৈধ ভিসা প্রক্রিয়া অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় গ্রেপ্তার, আটক এবং শেষ পর্যন্ত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।
ইউরোপের সবচেয়ে বড় সামরিক বিমানটিকে এবার ফ্রান্সের ভয়াবহ দাবানল নেভানোর কাজে নামানো হয়েছে। এয়ারবাসের তৈরি 'এ৪০০এম অ্যাটলাস' (A400M Atlas) নামের এই বিমানটি সাধারণত সেনা ও সামরিক যান বহনে ব্যবহৃত হলেও, প্রকৌশলীদের জরুরি পরিবর্তনের পর এটি এখন ২২ টন ধারণক্ষমতার বিশালাকার 'ওয়াটার বোমারু' হিসেবে কাজ করছে। কার্গো হোল্ডে বসানো এই বিশেষ পানির ট্যাংক ব্যবহার করে বিমানটি মাটি থেকে মাত্র ১০০ ফুট ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে উন্মুক্ত র্যাম্পে বসানো পাইপের মাধ্যমে পানি বা রাসায়নিক ফায়ার রিটার্ডেন্ট (অগ্নিনির্বাপক পদার্থ) ফেলতে সক্ষম। ২০২২ সাল থেকে এই অগ্নিনির্বাপণ প্রযুক্তির উন্নয়ন কাজ চলছিল। তবে ফ্রান্সে দাবানল ভয়াবহ আকার ধারণ করায় ফরাসি কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে গত সপ্তাহে এর চূড়ান্ত পরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করা হয়। কাজ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম এয়ারবাস বিমানটি বোর্দোর কাছাকাছি অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ এই দাবানলকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সের 'সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, যার কারণে দেশটিতে ইতোমধ্যে তিন লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এয়ারবাসের প্রধান নির্বাহী গিয়ম ফোরি জানিয়েছেন, অগ্নিনির্বাপণের জন্য বিশেষভাবে নকশা করা না হলেও, সামরিক বাহিনীতে সহজলভ্য হওয়ায় এই বিমানগুলোকে বর্তমান জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজে লাগানো হচ্ছে। সচরাচর ব্যবহৃত হলুদ রঙের ক্যানাডায়ার (Canadair) ওয়াটার বোমারুর চেয়ে এটি তিনগুণ বেশি তরল বহন করতে পারে। মাত্র এক আঘাতেই এটি ৪,৪০০ গ্যালন তরল ফেলতে পারে, যা ১,৩০০ ফুটেরও বেশি দীর্ঘ এলাকা ভিজিয়ে দিতে সক্ষম। ক্যানাডায়ারের মতো এটি হ্রদ বা সমুদ্র থেকে সরাসরি পানি তুলতে না পারলেও, মাটি থেকে ফায়ার রিটার্ডেন্ট লোড করার ক্ষেত্রে এটি অনেক বেশি কার্যকর। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কাজে লাগিয়ে কার্গো বিমানের পেছনের র্যাম্প দিয়ে সহজেই এই পানির ট্যাংক প্রবেশ করানো যায় এবং মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই একটি সাধারণ সামরিক বিমানকে অগ্নিনির্বাপক বিমানে রূপান্তর করা সম্ভব। ঘণ্টায় ৫৫০ মাইল বেগে উড়তে সক্ষম এই বিমানটি সাধারণ ক্যানাডায়ার বিমানের চেয়ে অনেক দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য তৈরি হওয়ায় দুর্গম বা অস্থায়ী রানওয়েতেও এটি সহজেই ওঠানামা করতে পারে। এয়ারবাস জানিয়েছে, দাবানলের কারণে সৃষ্ট তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে কীভাবে বিমান নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, সে বিষয়ে তারা আরও পাইলটকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। চলতি বছরেই এই ফায়ারফাইটিং কিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে স্পেনও তাদের সামরিক বহরে থাকা এ৪০০এম বিমানগুলোকে একইভাবে রূপান্তর করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যালেক্স প্যাডিলা সম্প্রতি মার্কিন সিনেটে একটি যুগান্তকারী বিল পুনরায় উত্থাপন করেছেন, যা লাখ লাখ অভিবাসীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। ‘রিনিউয়িং ইমিগ্রেশন প্রভিশনস অব দ্য ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট অব ১৯২৯’ শীর্ষক এই বিলটি ১৯২৯ সালের একটি পুরোনো অভিবাসন আইনকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি এবং গণ-ডিপোর্টেশন বা বিতাড়ন কর্মসূচির বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদী অভিবাসীদের আইনি সুরক্ষা দিতেই মূলত ডেমোক্র্যাটরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রস্তাবিত এই বিলে বর্তমান অভিবাসন আইনের 'রেজিস্ট্রি' বা নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। ১৯৮৬ সালের পর থেকে এই আইনে কোনো বড় সংস্কার হয়নি এবং বর্তমানে কেবল ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারির আগে যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন, তারাই এই সুবিধার আওতাভুক্ত। কিন্তু নতুন বিলে এই নির্দিষ্ট কাট-অফ তারিখ বাতিল করে একটি চলমান বা রোলিং সময়সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে, কোনো অভিবাসী গুরুতর অপরাধমূলক রেকর্ড ছাড়া টানা সাত বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলে তিনি আইনত স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। সিনেটর প্যাডিলার কার্যালয় ও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রায় ৮ মিলিয়ন বা ৮০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। সুবিধাভোগীদের মধ্যে ড্রিমার, টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস) হোল্ডার, দীর্ঘমেয়াদী ভিসাধারীদের সন্তান এবং দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা এইচ-১বি (H-1B) ভিসাধারী উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীরাও রয়েছেন। প্যাডিলা জোর দিয়ে বলেছেন, যারা বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও সমাজে অবদান রাখছেন এবং নিয়মিত কর পরিশোধ করছেন, তাদের জন্য একটি সুষ্ঠু আইনি পথ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। তবে, বিলটি মার্কিন কংগ্রেসে চূড়ান্তভাবে পাস হওয়া বেশ কঠিন একটি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। বর্তমান কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের আধিপত্য থাকায় এবং অভিবাসন ইস্যুতে মার্কিন রাজনীতিতে তীব্র দলীয় বিভক্তি থাকায় এই পদক্ষেপের ভবিষ্যৎ অনেকটাই অনিশ্চিত। রক্ষণশীল ও কট্টরপন্থীরা এরই মধ্যে বিলটির তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন; অনেকেই এটিকে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য একটি সাধারণ ক্ষমা বা 'অ্যামনেস্টি' হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করছেন। তা সত্ত্বেও, ডিক ডারবিন ও বার্নি স্যান্ডার্সের মতো প্রবীণ নেতারা এবং দেশব্যাপী অসংখ্য শ্রমিক ও মানবাধিকার সংগঠন এই বিলের প্রতি তাদের জোরালো সমর্থন জানিয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি অত্যাধুনিক এফ-৩৫ লাইটনিং-২ স্টেলথ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, এই হামলায় আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীও নিহত হয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি এবং স্বাধীন কোনো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। আইআরজিসির বিবৃতি অনুযায়ী, কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে আল-আজরাক ঘাঁটির বিমান পার্কিং এলাকা ও রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গারে এই হামলা চালানো হয়। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল যে, জর্ডানে তাদের ঘাঁটিতে ইরানের হামলার জবাবে তারা আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট কয়েক ডজন স্থাপনায় ব্যাপক বিমান অভিযান চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে যে, তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সামরিক কমান্ড সেন্টার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন স্থাপনা এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত ছিল। এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলায় তিনজন নিহত ও দুজন আহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। চলমান এই সংঘাতের রেশ ইরান ও জর্ডানের সীমানা ছাড়িয়ে অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। জর্ডান জানিয়েছে যে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইরানের ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করেছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। অন্যদিকে, কুয়েত জানিয়েছে যে ইরানের হামলায় সেখানে একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ওই প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মী নিহত হয়েছেন। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, যদি সত্যিই তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়ে থাকে, তবে কনফিগারেশন অনুযায়ী কেবল বিমানগুলোর আর্থিক ক্ষতিই ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। বর্তমান বৈশ্বিক সামরিক প্রেক্ষাপটে এফ-৩৫ লাইটনিং-২ বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও শক্তিশালী বহুমুখী স্টেলথ যুদ্ধবিমান। রাডার ফাঁকি দেওয়ার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত সেন্সর ফিউশন এবং নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতার কারণে এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাক ১.৬ গতিতে উড়তে সক্ষম এই যুদ্ধবিমান শত্রুপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করতে এবং পরবর্তী বিমান অভিযানের পথ সুগম করতে বিশেষভাবে কার্যকর।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের ব্লেয়ার হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য জন ফেটারম্যান। পেনসিলভানিয়া থেকে নির্বাচিত এই ডেমোক্র্যাট সিনেটর প্রথাগত পোশাকের বদলে হাফপ্যান্ট ও হুডি পরে এবং পায়ে পা তুলে এই আনুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নেন। তার এই অনানুষ্ঠানিক উপস্থিতি কূটনৈতিক প্রটোকল নিয়ে আলোচনার জন্ম দিলেও, শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের প্রতি ফেটারম্যানের দৃঢ় ও অকুণ্ঠ সমর্থনই হয়ে ওঠে এই বৈঠকের মূল বিষয়। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মার্কিন সিনেটর ফেটারম্যানকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের একজন সাহসী সমর্থক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের জোটের পক্ষে নির্ভীকভাবে অবস্থান নেওয়ার জন্য ফেটারম্যান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হচ্ছেন। সত্যের পক্ষে নির্ভয়ে কথা বলার স্বীকৃতিস্বরূপ ইসরায়েলের জনগণ এবং বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের পক্ষ থেকে তিনি ফেটারম্যানকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। জবাবে সিনেটর ফেটারম্যান জানান, মার্কিন সিনেটে দায়িত্ব পালনকালে ইসরায়েলের পাশে শক্তভাবে দাঁড়াতে পারা তার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। নিজের একাধিক ইসরায়েল সফরের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি দেশটিকে একটি ‘অলৌকিক রাষ্ট্র’ হিসেবে অভিহিত করেন। একইসঙ্গে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অভ্যন্তরে ইসরায়েলবিষয়ক বর্তমান অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি জানান, দলের ভেতরে তিনি এ বিষয়ে ব্যতিক্রমী একটি অবস্থান ধরে রেখেছেন। পাশাপাশি তিনি নিউইয়র্ক সিটির রাজনীতিবিদ জোহরান মামদানিরও সমালোচনা করেন। বৈঠকে ফেটারম্যান স্পষ্টভাবে জানান, গাজায় হামাসবিরোধী অভিযান, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ এবং ইরানের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ইসরায়েল যে অভিযান পরিচালনা করছে, তার প্রতি তিনি অবিচল সমর্থন অব্যাহত রাখবেন। এসব সামরিক পদক্ষেপকে তিনি ‘ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করেন এবং নিজের এমন অবস্থানের জন্য তার বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দেন। বৈঠকের শেষাংশে নেতানিয়াহু পুনরায় ফেটারম্যানের প্রশংসা করে বলেন, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তার এই অটল ভূমিকা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ভিয়েতনামের চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্থাপিত হয়েছে। দেশটির রাজধানী হ্যানয়ের ভিয়েত ডুক ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে ৪৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তির শরীরে মৃত মস্তিষ্ক-ঘোষিত (ব্রেন-ডেড) দাতার লিঙ্গ সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেছেন চিকিৎসকেরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি ভিয়েতনামের ইতিহাসে প্রথম সফল লিঙ্গ প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার। রোগী চার বছর আগে আংশিক লিঙ্গ অপসারণ (পার্শিয়াল পেনেকটমি) অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যান। অস্ত্রোপচারের পর তিনি স্বাভাবিকভাবে প্রস্রাব করতে পারলেও লিঙ্গের খুব সামান্য অংশ অবশিষ্ট ছিল, যা তার স্বাভাবিক জীবনযাপন, মানসিক স্বাস্থ্য এবং আত্মবিশ্বাসে গুরুতর প্রভাব ফেলেছিল। অস্ত্রোপচারের আগে চিকিৎসকেরা রোগীর শারীরিক অবস্থা, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সামঞ্জস্য, মানসিক প্রস্তুতি এবং নৈতিক বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করেন। সবদিক বিবেচনায় তাকে প্রতিস্থাপনের উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা হয়। অস্ত্রোপচারের নেতৃত্বদানকারী অ্যান্ড্রোলজি কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুয়েন কোয়াং জানান, অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে মূত্রনালি, রক্তনালি, স্নায়ু এবং লিঙ্গের অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ গঠনগুলো পুনঃসংযুক্ত করা হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় উচ্চমাত্রার নিখুঁততা বজায় রাখতে হয়েছে, যাতে প্রতিস্থাপিত অঙ্গটি কার্যকর থাকে এবং ভবিষ্যতে স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। হাসপাতাল জানিয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিস্থাপিত অঙ্গ ভালোভাবে সেরে উঠছে এবং এখন পর্যন্ত অঙ্গ প্রত্যাখ্যান বা অন্য কোনো বড় ধরনের জটিলতার লক্ষণ দেখা যায়নি। রোগীকে নিয়মিত অঙ্গ-প্রত্যাখ্যান প্রতিরোধী ওষুধ দেওয়া হচ্ছে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ অনুভূতি, যৌনক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি মূত্রত্যাগের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ফিরে আসতে আরও সময় লাগবে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। ভিয়েত ডুক ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুয়ং ডুক হুং বলেন, এ ধরনের জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য চিকিৎসক দল কয়েক মাস ধরে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করেছে এবং বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা-সাহিত্যের তথ্য অনুযায়ী, এই অস্ত্রোপচারের আগে বিশ্বে মাত্র পাঁচটি সফল লিঙ্গ প্রতিস্থাপনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে ভিয়েতনামের এই সাফল্য বিশ্বব্যাপী বিরল ও গুরুত্বপূর্ণ পুনর্গঠনমূলক অস্ত্রোপচারগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি ডেইরি কুইন রেস্তোরাঁয় মিল্কশেক নিয়ে বিতর্কের জেরে এক গ্রাহকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করতে যাচ্ছে পুলিশ। মেট্রো আটলান্টা এলাকার পাউডার স্প্রিংসের অস্টেল-পাউডার স্প্রিংস রোডে অবস্থিত ওই ফাস্টফুড রেস্তোরাঁয় গত মঙ্গলবার দুপুরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুপুর ১টা ১১ মিনিটের দিকে ড্রাইভ-থ্রু লেনে এক ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে এক কর্মীর দিকে পানীয় ও কাপ ছুড়ে মারছেন এবং এরপর দ্রুত গাড়ি চালিয়ে চলে যাচ্ছেন। ডেইরি কুইন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই গ্রাহক তাকে দেওয়া পানীয়টি ‘মিল্কশেক নয়’ দাবি করে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে ম্যানেজারের ওপর এই হামলা চালান। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করার মাত্র একদিন পরই পাউডার স্প্রিংস পুলিশ জানিয়েছে, তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, সেবা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করা, ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলা বা অর্ডারের ত্রুটি সংশোধনের অনুরোধ করা পুরোপুরি স্বাভাবিক। কিন্তু শুধুমাত্র নিজের দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মীর ওপর হামলা করা কখনোই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। তবে কর্তৃপক্ষ এখনো অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম-পরিচয় বা তার বিরুদ্ধে ঠিক কী কী ধারায় অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা প্রকাশ করেনি। এদিকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ডেইরি কুইন কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের কর্মীদের প্রতি সাধারণ মানুষের এই সমর্থন ও ভালোবাসা তাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে একজন উর্বরতা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গুরুতর প্রতারণার অভিযোগ এনে দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রোগীর সম্মতি ছাড়াই সন্তান ধারণের চিকিৎসার সময় তিনি দাতার শুক্রাণুর পরিবর্তে নিজের শুক্রাণু ব্যবহার করেছিলেন। বহু বছর পর ডিএনএ পরীক্ষায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। দ্য ফোরাম অব ফার্গো-মুরহেড-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই ওয়ার্ড কাউন্টি আদালতে দায়ের করা মামলায় টাশিনা গ্রিভস, জানাই নেলসন রেমন্ড এবং তাদের মা জিন অ্যান নেলসন বাদী হয়েছেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সন্তান ধারণে সমস্যার কারণে জিন অ্যান নেলসন চিকিৎসক ডেনিস লুটজের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসার অংশ হিসেবে তিনি কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতির মাধ্যমে গর্ভধারণ করেন। প্রথমবার গর্ভধারণের পর গর্ভপাত হলেও পরবর্তী দুটি গর্ভধারণে ১৯৮৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি টাশিনা গ্রিভস এবং ১৯৮৬ সালের ২২ মে জানাই নেলসন রেমন্ডের জন্ম হয়। সে সময় লুটজ নর্থ ডাকোটার মিনোট শহরে চিকিৎসা করতেন। মামলায় বলা হয়েছে, চিকিৎসক নেলসনকে জানিয়েছিলেন যে, তার স্বামী ওয়ারেন নেলসনের শুক্রাণুর সঙ্গে একজন দাতার শুক্রাণু মিশিয়ে ব্যবহার করলে স্বামীর জিনগত বৈশিষ্ট্য বহনকারী সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। তবে বাদীপক্ষের দাবি, এই ব্যাখ্যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, দাতার শুক্রাণু ব্যবহার না করে চিকিৎসক নিজের শুক্রাণুই ব্যবহার করেন এবং বিষয়টি কখনোই রোগীকে জানাননি। মামলার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি কোনো ভুল, দুর্ঘটনা বা চিকিৎসাগত সিদ্ধান্ত ছিল না; বরং রোগীর অধিকার সম্পর্কে সচেতন থেকেও ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করা হয়েছে। সম্প্রতি ডিএনএ পরীক্ষা করার পর টাশিনা গ্রিভস ও জানাই নেলসন রেমন্ড জানতে পারেন, তাদের জৈবিক বাবা আসলে চিকিৎসক ডেনিস লুটজ। বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জানান, এই তথ্য জানার পর দুই নারী এবং তাদের মা গভীর মানসিক আঘাত, পরিচয়সংকট এবং আবেগগত ক্ষতির শিকার হয়েছেন। মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষায় আরও কয়েকজন সম্ভাব্য সৎ ভাইবোনের অস্তিত্বের ইঙ্গিত মিলেছে। এতে আশঙ্কা করা হচ্ছে, একই চিকিৎসকের মাধ্যমে অন্য রোগীদের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এই ঘটনা শুধু তিনজন বাদীর অধিকার লঙ্ঘনের বিষয় নয়; বরং একই সময়ে চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নেওয়া অন্য রোগীরাও একই ধরনের ঘটনার শিকার হয়ে থাকতে পারেন, যা গভীর উদ্বেগের বিষয়। ডেনিস লুটজের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চিকিৎসাগত অননুমোদিত হস্তক্ষেপ, রোগীর প্রতি বিশ্বাসভঙ্গ, ইচ্ছাকৃত মানসিক ক্ষতি এবং জৈবিক পিতৃত্ব গোপন করার মতো একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী কেলেন বুবাক এক বিবৃতিতে বলেন, “এই মামলার মূল বিষয় হলো রোগীর সম্মতি, প্রজনন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার, চিকিৎসকের প্রতি আস্থা এবং সন্তানদের নিজেদের জৈবিক পরিচয় ও চিকিৎসা-ইতিহাস জানার অধিকার।” তিনি আরও বলেন, “অভিযোগগুলো চিকিৎসা সেবার সবচেয়ে সংবেদনশীল ক্ষেত্রগুলোর একটির সঙ্গে জড়িত। নেলসন পরিবার শুধু জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই সামনে আসেনি, তারা আশঙ্কা করছে অন্য পরিবারও একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে।” এ কারণে এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো তথ্য থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তার আইন কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মামলায় বাদীপক্ষ ৫০ হাজার ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ এবং জুরি বিচারের আবেদন জানিয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, বর্তমানে ডেনিস লুটজ নিউ মেক্সিকোতে বসবাস করেন। তিনি ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ডাকোটার মেডিকেল স্কুলের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেভিড ডডস এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে লুটজ বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিভাগের প্রধান। তবে তিনি বলেন, মামলার মাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় আগে জানত না। ব্যক্তিগত আইনি বিষয় বা কর্মী-সংক্রান্ত বিষয়ে মন্তব্য না করার নীতির কারণে এ মুহূর্তে তাদের আর কোনো বক্তব্য নেই। অন্যদিকে, লুটজের আইনজীবীর কাছে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে।
রাজনীতি
Recommended news
মতামত
নাইমুল রাজ্জাক
লুৎফর খোন্দকার
বিশ্ব
View moreফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ চলাকালে ভারত রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসরায়েলে অন্তত ২ হাজার ৫৯৬টি চালানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটির নতুন এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ভারত সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পাঠানো চালানগুলোর মধ্যে ছিল মেশিনগানের যন্ত্রাংশ, ১৫৫ মিলিমিটার কামানের গোলা, ড্রোনের ওয়ারহেড, সাঁজোয়া যানের উপাদান এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম। অ্যামনেস্টির দাবি, এসব চালানের মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৬৫ হাজার বিস্ফোরক অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং প্রায় ৩ লাখ ৯১ হাজার ছোট অস্ত্রের যন্ত্রাংশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। অ্যামনেস্টি বলেছে, তারা উন্মুক্ত বাণিজ্য তথ্য ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত রক্ষণশীল পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করেছে। ফলে প্রতিবেদনে উল্লেখিত সংখ্যার চেয়েও ভারতের প্রকৃত সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের পরিমাণ বেশি হতে পারে বলে সংস্থাটির ধারণা। প্রতিবেদনে ভারতের নয়টি কোম্পানি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) নির্দেশনা ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন বিবেচনায় ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনে সহায়তার শামিল হতে পারে। তিনি দেশগুলোর প্রতি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানান। প্রসঙ্গত, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানি নিয়ে একাধিক দেশের নীতির সমালোচনা করে আসছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সরকার ও প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। তবে ভারতের বিরুদ্ধে অ্যামনেস্টির সর্বশেষ অভিযোগের বিষয়ে নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক অবস্থান এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার আরও সীমিত করার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। কারণ, সেনাদের মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ইরানকে মার্কিন ঘাঁটির অবস্থান, হামলার ফলাফল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে সহায়তা করছে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। রয়টার্সের হাতে আসা একটি অভ্যন্তরীণ চিঠিতে এ তথ্য উঠে এসেছে। চিঠিতে অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাদের মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ব্যবহার করে ইরান প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করতে পারছে। এতে পরবর্তী হামলা আরও নিখুঁতভাবে চালানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং মার্কিন সেনা ও মিত্র দেশগুলোর বেসামরিক মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে। রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যের কিছু ঘাঁটিতে মোতায়েন সেনাদের কাছ থেকে শিগগিরই মোবাইল ফোন জমা নেওয়া হতে পারে। যদিও সেন্টকম এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করেনি। তাদের ভাষ্য, এটি মূলত সেনাদের অপারেশনাল নিরাপত্তা (অপসেক) আরও জোরদার করার একটি সতর্কবার্তা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মাসে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় এক মার্কিন সেনা মেটা স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার করে ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চিঠিতে কুপার উল্লেখ করেন, এ ধরনের ভিডিও থেকে হামলার লক্ষ্যবস্তু, সেনাদের আশ্রয়স্থল এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিষয়ে মূল্যবান তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব। মার্কিন সামরিক বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই যুদ্ধক্ষেত্রে মোবাইল ফোন, জিপিএস তথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে আসছে। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সেনা সদস্যদের অনলাইন কার্যক্রম প্রতিপক্ষের জন্য গোয়েন্দা তথ্যের উৎস হয়ে উঠতে পারে বলে সামরিক কর্মকর্তারা মনে করছেন।
ইরানের কাছে চীন যদি অস্ত্র বিক্রি করে, তবে তা তাকে “খুবই হতাশ” করবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চীন ইরানকে কাঁধে বহনযোগ্য ৩০০ থেকে ৪০০টি আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক সরবরাহ করতে পারে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরই বিষয়টি নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। সিএনএন ও রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই অস্ত্র চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “যদি এই খবর সত্য হয়, তাহলে আমি খুবই অবাক হব। কারণ প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আমাকে স্পষ্টভাবে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে চীন এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে জড়াবে না।” তিনি আরও বলেন, শি জিনপিং খুব ভালো করেই জানেন, এমন কিছু ঘটলে তিনি কতটা হতাশ হবেন। এর আগে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে বিদেশি অংশীদারদের সহায়তায় অস্ত্রভাণ্ডার শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। সেই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, চীন তেহরানকে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে ওয়াশিংটনে চীনের দূতাবাস সে সময় এসব দাবি নাকচ করে দেয়। দূতাবাসের এক মুখপাত্র অভিযোগগুলোকে “সম্পূর্ণ অসত্য” বলে উল্লেখ করেন এবং চীনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। সর্বশেষ রয়টার্সের প্রতিবেদন এবং ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ার পর চীন ও ইরানের সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বেইজিং বা তেহরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অস্ত্র চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ভারসাম্য এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-কে অবমাননা করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতায় আনতে নতুন আইন প্রণয়নের পথে এগিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এ লক্ষ্যে ‘প্রিভেনশন অব ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ বুধবার (২৯ জুলাই) রাজ্যসভায় কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিরোধী দলগুলোর ওয়াকআউটের মধ্যেই বিলটি পাস হয়। এখন এটি লোকসভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতির সম্মতি মিললে বিলটি আইনে পরিণত হবে। বিলটি নিয়ে আলোচনার সময় রাজ্যসভায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিরোধী সদস্যরা নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে রাজধানীতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্য দাবি করে স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভ চললেও স্পিকার অধিবেশন চালিয়ে যান এবং সদস্যদের আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। পরে কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ ও ক্ষমতায়ন প্রতিমন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালে বিলটির পক্ষে বক্তব্য দিতে উঠলে বিরোধী দলগুলো ওয়াকআউট করে। বিলের জবাবি বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন, তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে কংগ্রেস দেশের সম্মান এবং ‘বন্দে মাতরম’-কে অপমান করার চেষ্টা করছে। তার দাবি, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বহু বিপ্লবী ও স্বাধীনতাসংগ্রামী মৃত্যুর আগে ‘বন্দে মাতরম’ উচ্চারণ করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। কংগ্রেস কেন এ সংগীতের বিরোধিতা করছে, তা তার বোধগম্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রস্তাবিত সংশোধনী আইনে ভারতের জাতীয় পতাকা, সংবিধান, জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ এবং জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-সহ জাতীয় প্রতীকগুলোর অবমাননা বা অসম্মানকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আইনটি কার্যকর হলে এসব জাতীয় প্রতীক অবমাননার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। এর আগে গত ২৪ জুলাই রাজ্যসভায় বিলটি উত্থাপন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ‘বন্দে মাতরম’-কে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর সমান আইনি সুরক্ষা প্রদান করা। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বছরব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বিলটি এখনো আইনে পরিণত হয়নি। রাজ্যসভায় পাস হওয়ার পর এটি লোকসভার অনুমোদন এবং পরে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই নতুন আইন কার্যকর হবে।
Follow us
Trending
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
লোহিত সাগরে হুথিদের নতুন হুমকি, চাপে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী
ফিলিস্তিনি হামাসের নতুন প্রধান খলিল আল-হাইয়া, হামাস অস্ত্র ছাড়তে রাজি নয় ইঙ্গিতে কঠোর অবস্থান
বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখে ফিরেই ইরানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, দুই দিনে তিন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত
জর্ডানের আকাবা অভিমুখে ইরানের ক্ষে প ণা স্ত্র, নিজ ভূখণ্ডে প্রবেশের আ শ ঙ্কায় ইসরায়েল
যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে শান্তির মধ্যস্থতাকারী হতে চায় ইরাক, সফলতা নির্ভর করছে এক কঠিন শর্তে
নৌভ্রমণে ক্যাটি পেরির বুকে সানস্ক্রিন মেখে দিলেন জাস্টিন ট্রুডো, ফ্রান্সে ধরা পড়ল প্রেমের অন্য রূপ
কেন বাবার পদবি বাদ দিলেন টম ক্রুজের মেয়ে? বাবা-মেয়ের দূরত্ব নিয়ে যা জানা গেছে
বাবার সাথে সম্পর্ক ছেদ করলেন টম ক্রুজের মেয়ে, নথিতে এখন নতুন পরিচয়
সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ ফাঁস, তিন ঘণ্টার কম সময়েই লাখ লাখ ভিউ
'আমার সঙ্গী ভারতীয়' ছেলের নাম শেখর, রেসিজম ও মুসলিমবিদ্বেষীর অভিযোগে জবাব দিলেন ইলন মাস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের স্বপ্ন পূরণে সিনেটে নতুন বিল, উপকৃত হতে পারেন ৮০ লাখ অভিবাসী
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় পানিতে ডুবে ‘মৃত’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর মর্গে শ্বাস নিতে শুরু করল ১৮ মাসের শিশু
অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
জর্জিয়ায় মিল্কশেক পছন্দ না হওয়ায় ফাস্টফুড কর্মীর ওপর হা মলার অভিযোগ
৬৫ কোটি ডলারের রায় স্থগিত চেয়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে ফিলিস্তিনের আবেদন
শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় বড় সুযোগ, বছরে ৪৫ লাখ টাকার বৃত্তি
যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করতে চান? ১৮১ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন ফি ও ভর্তি সম্ভাবনার তথ্য এক তালিকায়
ভাউচারে হিউস্টনের এসব বেসরকারি স্কুলে পড়া হতে পারে সম্পূর্ণ বিনা টিউশনে
আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে চান? যেভাবে প্রস্তুতি নেবেন
ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পরও হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০২ শিক্ষার্থীর নাম কাটা, ক্ষোভে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা
নিউইয়র্কে দ্রুত বাড়ছে বাংলাদেশিদের সংখ্যা, এক দশকে বেড়েছে ৪৫ শতাংশ
যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের আবেদন ফি বেড়ে ১ হাজার ৩৩০ ডলারের প্রস্তাব
এক প্রিন্সিপালের জীবনের পরাজয়: সম্মান থেকে সংগ্রাম, শেষে রেললাইনে নিথর দেহ
যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাবেক গুগল নির্বাহীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার
ডালাসে ইনডোর ওয়াটার পার্কে ঈদুল আজহা উদযাপন, মুসলিম পরিবারগুলোর ব্যতিক্রমী আয়োজন আলোচনায়
কসকোতে কেনাকাটা করেছেন? ১৪ মিলিয়ন ডলারের নিষ্পত্তি থেকে টাকা পেতে পারেন
ট্রাম্পের শুল্ক নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক-গাড়িসহ ৫ খাতে দাম বাড়তে পারে রকেটের মতো
৬০ দেশের পণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ করছে ট্রাম্প প্রশাসন, আজ থেকেই কার্যকর
যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাড়ি কিনতে চাইছেন? নতুন হিসাব দেখে চোখ কপালে উঠবে
অর্থকষ্টে সবচেয়ে বেশি জর্জরিত যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্য? জানাল নতুন গবেষণা
ফ্রান্সের দাবানল নেভাতে সামরিক বিমানকে বানানো হলো ওয়াটার বোমারু
আর্জেন্টিনায় দাবানল নেভাতে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, দমকলকর্মীসহ নি হত ৭
হাফপ্যান্ট পরে নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার্কিন সিনেটরের বৈঠক, প্রটোকল নিয়ে আলোচনা
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি তেহরানের