Live update news
মোজতবা খামেনিকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। দেশটির ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের আওতায় ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি এবং প্রভাবশালী নেতা আলী লারিজানিসহ একাধিক কর্মকর্তার তথ্যের বিনিময়ে ১ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ১২০ কোটি টাকা) পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি-র বিভিন্ন শাখাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত। পুরস্কারের পাশাপাশি তথ্যদাতাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের (রিলোকেশন) সুযোগ দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। তালিকায় থাকা অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা হলেন: গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ আলী আসগর হেজাজি মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস্কান্দার মোমেনি সুপ্রিম কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি উল্লেখ্য, মার্কিন এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই আলী লারিজানিকে তেহরানে ‘আল-কুদস দিবস’-এর মিছিলে অংশ নিতে দেখা গেছে। মিছিলে অংশগ্রহণের বেশ কিছু ছবি তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এই ঘোষণার ফলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

১৪ মিনিট Ago
ইরানে ১৬৫ শিশুর প্রাণহানি: এআই-এর ব্যবহার নিয়ে উঠছে বৈশ্বিক প্রশ্ন

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরের একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক এক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬৫ জন শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাটি আধুনিক যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর (AI) ব্যবহার এবং এর নির্ভুলতা নিয়ে নতুন করে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার প্রথম দিনেই ‘শাজারেহ তাইয়েবাহ’ নামক ওই বিদ্যালয়টি টমাহক (Tomahawk) ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে মারাত্মক ভুলের কারণে এই প্রাণহানি ঘটেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে ডাটা বা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল, তা ছিল বহু পুরনো। বিদ্যালয় ভবনটি একসময় একটি সামরিক ঘাঁটির অংশ থাকলেও গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বেসামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)-এর কর্মকর্তাদের তৈরি করা টার্গেট কোঅর্ডিনেটগুলো এআই-চালিত বিশ্লেষণে যাচাই করা হলেও সিস্টেমটি ভবনটির বর্তমান বেসামরিক অবস্থান শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা এই হামলাকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা বলছেন, এআই বা প্রযুক্তির দোহাই দিয়ে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে এই ঘটনার দায় অস্বীকার করলেও পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তদন্তে মার্কিন বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা ও যান্ত্রিক ত্রুটির কথা উঠে এসেছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধে এআই ব্যবহার করলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি বাড়লেও এতে মানুষের মানবিক বিচারবুদ্ধি ও তাৎক্ষণিক তথ্য যাচাইয়ের অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই হামলার পর এখন প্রশ্ন উঠেছে—এআই-এর ভুলে যদি নিরপরাধ শিশুদের প্রাণ যায়, তবে তার দায়ভার কার? প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের, নাকি যে কমান্ড এটি ব্যবহার করেছে তাদের? ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলাটি ঘটে। ইরান একে ‘অপ্রমাণিত ও অপরাধমূলক’ হামলা হিসেবে বর্ণনা করে আন্তর্জাতিক আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এই ঘটনায় নিহত শিশুদের স্মরণে ইরানে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়েছে এবং তাদের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে। বিশ্লেষকদের মতে, মিনাব শহরের এই ট্র্যাজেডি ভবিষ্যতে স্বায়ত্তশাসিত মারণাস্ত্র (Autonomous Weapons) ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে বাধ্য করতে পারে।

৩৮ মিনিট Ago
ট্রাম্পের কঠোর নীতি যেভাবে ইউরোপকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে

প্রবাদ আছে, "কেউ যখন আপনাকে বারবার তার আসল রূপ দেখায়, তখন সেটিই বিশ্বাস করা উচিত।" গত ১৪ মাস ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন ঠিক সেটিই করে দেখাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং তাদের আদর্শকে লক্ষ্যবস্তু করা, ক্রমাগত সমালোচনা আর শুল্ক বা হুমকির মাধ্যমে পুরনো মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা এখন হোয়াইট হাউসের নিয়মিত কৌশলে পরিণত হয়েছে। এতদিন ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের রোষ এড়াতে তোষামোদি বা আলোচনার মাধ্যমে তাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করে আসছিলেন। কিন্তু ইরানের যুদ্ধ কি তবে সেই সমীকরণে পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছে? পরিবর্তনটি শুরু হয়েছে ধীরে ধীরে। প্রথমে স্পেন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং তাদের ভূখণ্ডে থাকা ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে সরাসরি অস্বীকার করে। ব্রিটেনও শুরুতে একই ধরনের সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এসেছে বাণিজ্য যুদ্ধের হুমকি আর কড়া সমালোচনা। কিন্তু গত কয়েক দিনে চিত্রপট আরও বদলে গেছে। ফ্রান্স, পোল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস একে একে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। এমনকি ট্রাম্পের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মিত্র হিসেবে পরিচিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও এবার সুর পাল্টেছেন। তিনি মধ্যপ্রাচ্যের এই সামরিক অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইউক্রেন যখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লড়ছে, তখন রাশিয়ার ওপর থেকে তেলের নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার মার্কিন সিদ্ধান্তে ইউরোপীয় দেশগুলো হতবাক। গত চার বছর ধরে যারা পুতিনের আগ্রাসন ঠেকাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে, তাদের কাছে এটি এক প্রকার বিশ্বাসঘাতকতা। ইউরোপ অনুভব করছে যে, তারা এক অনির্ভরযোগ্য এবং তিক্ত সম্পর্কের মধ্যে আটকা পড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ হয়তো এখনই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পুরোপুরি বিচ্ছেদ চাইছে না, কিন্তু সংকটের মুহূর্তে তারা এখন ওয়াশিংটনের পরিবর্তে নিজেদের ঐক্যের ওপরই বেশি ভরসা রাখতে শুরু করেছে। ট্রাম্পের 'টাফ লাভ' বা কঠোর নীতি কি তবে শেষ পর্যন্ত ইউরোপকে ঐক্যবদ্ধ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দিল? সেই উত্তর হয়তো সময়ের কাছেই তোলা আছে।

১ ঘন্টা Ago
আল-কুদ্স র‍্যালি : ফিলিস্তিনের সমর্থনে সানায় উত্তাল জনসমুদ্র

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ইয়েমেনের রাজধানী সানায় পালিত হলো বিশ্ব আল-কুদ্স দিবস। চলমান সংঘাতের সরাসরি সম্মুখভাগে এখনো না জড়ালেও, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার হুথি সমর্থক। বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল প্রয়াত ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড এবং ব্যানার। মিছিল থেকে তেহরানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলা নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।  সানার প্রধান সড়কগুলো স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে, যা বর্তমান আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে এক বিশেষ বার্তা বহন করছে। ইয়েমেনের এই বিশাল জমায়েত আবারও প্রমাণ করল যে, ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও ফিলিস্তিন ও তেহরানের সাথে হুথিদের আদর্শিক বন্ধন কতটা সুদৃঢ়।  সংঘাতের এই সংকটময় মুহূর্তে হুথি গোষ্ঠীর এমন প্রকাশ্য অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের আগামী দিনের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

১ ঘন্টা Ago
আল-কুদ্স দিবস
বিশ্ব রাজনীতি
আল-কুদ্স র‍্যালি : ফিলিস্তিনের সমর্থনে সানায় উত্তাল জনসমুদ্র

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ইয়েমেনের রাজধানী সানায় পালিত হলো বিশ্ব আল-কুদ্স দিবস। চলমান সংঘাতের সরাসরি সম্মুখভাগে এখনো না জড়ালেও, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার হুথি সমর্থক। বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল প্রয়াত ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড এবং ব্যানার। মিছিল থেকে তেহরানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলা নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।  সানার প্রধান সড়কগুলো স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে, যা বর্তমান আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে এক বিশেষ বার্তা বহন করছে। ইয়েমেনের এই বিশাল জমায়েত আবারও প্রমাণ করল যে, ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও ফিলিস্তিন ও তেহরানের সাথে হুথিদের আদর্শিক বন্ধন কতটা সুদৃঢ়।  সংঘাতের এই সংকটময় মুহূর্তে হুথি গোষ্ঠীর এমন প্রকাশ্য অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের আগামী দিনের সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
স্পেনের মালাগায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
ট্রাম্পের কঠোর নীতি যেভাবে ইউরোপকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে

প্রবাদ আছে, "কেউ যখন আপনাকে বারবার তার আসল রূপ দেখায়, তখন সেটিই বিশ্বাস করা উচিত।" গত ১৪ মাস ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন ঠিক সেটিই করে দেখাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং তাদের আদর্শকে লক্ষ্যবস্তু করা, ক্রমাগত সমালোচনা আর শুল্ক বা হুমকির মাধ্যমে পুরনো মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা এখন হোয়াইট হাউসের নিয়মিত কৌশলে পরিণত হয়েছে। এতদিন ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের রোষ এড়াতে তোষামোদি বা আলোচনার মাধ্যমে তাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করে আসছিলেন। কিন্তু ইরানের যুদ্ধ কি তবে সেই সমীকরণে পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছে? পরিবর্তনটি শুরু হয়েছে ধীরে ধীরে। প্রথমে স্পেন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং তাদের ভূখণ্ডে থাকা ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে সরাসরি অস্বীকার করে। ব্রিটেনও শুরুতে একই ধরনের সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এসেছে বাণিজ্য যুদ্ধের হুমকি আর কড়া সমালোচনা। কিন্তু গত কয়েক দিনে চিত্রপট আরও বদলে গেছে। ফ্রান্স, পোল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস একে একে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। এমনকি ট্রাম্পের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মিত্র হিসেবে পরিচিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও এবার সুর পাল্টেছেন। তিনি মধ্যপ্রাচ্যের এই সামরিক অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইউক্রেন যখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লড়ছে, তখন রাশিয়ার ওপর থেকে তেলের নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার মার্কিন সিদ্ধান্তে ইউরোপীয় দেশগুলো হতবাক। গত চার বছর ধরে যারা পুতিনের আগ্রাসন ঠেকাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে, তাদের কাছে এটি এক প্রকার বিশ্বাসঘাতকতা। ইউরোপ অনুভব করছে যে, তারা এক অনির্ভরযোগ্য এবং তিক্ত সম্পর্কের মধ্যে আটকা পড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ হয়তো এখনই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পুরোপুরি বিচ্ছেদ চাইছে না, কিন্তু সংকটের মুহূর্তে তারা এখন ওয়াশিংটনের পরিবর্তে নিজেদের ঐক্যের ওপরই বেশি ভরসা রাখতে শুরু করেছে। ট্রাম্পের 'টাফ লাভ' বা কঠোর নীতি কি তবে শেষ পর্যন্ত ইউরোপকে ঐক্যবদ্ধ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দিল? সেই উত্তর হয়তো সময়ের কাছেই তোলা আছে।

আকাশপথে বড় হামলার মুখে সৌদি আরব
আকাশপথে বড় হামলার মুখে সৌদি আরব: সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

সৌদি আরবের আকাশসীমায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজধানী রিয়াদসহ দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রিয়াদের কূটনৈতিক পাড়া লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা একটি ড্রোনসহ বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ১১টি ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করা অন্তত ২৮টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।  এর আগে বৃহস্পতিবার প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও আকাশেই ধ্বংস করা হয়। একই দিনে শায়বাহ তেলক্ষেত্র এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে মোট ৫০টি ড্রোন ধ্বংস করে নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষিত রেখেছে আরবের সামরিক বাহিনী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আল-খারজ এলাকায় জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে সিভিল ডিফেন্স। নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে হামলার স্থানে ভিড় না করতে, ছবি তোলা থেকে বিরত থাকতে এবং বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলাকে ইরানের একটি সরাসরি উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। রিয়াদের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে এবং প্রতিবেশী সুলভ আচরণের পরিপন্থী। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষার স্বার্থে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে সজাগ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে ১৬৫ শিশুর প্রাণহানি: এআই-এর ব্যবহার নিয়ে উঠছে বৈশ্বিক প্রশ্ন

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরের একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক এক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬৫ জন শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাটি আধুনিক যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর (AI) ব্যবহার এবং এর নির্ভুলতা নিয়ে নতুন করে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার প্রথম দিনেই ‘শাজারেহ তাইয়েবাহ’ নামক ওই বিদ্যালয়টি টমাহক (Tomahawk) ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে মারাত্মক ভুলের কারণে এই প্রাণহানি ঘটেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে ডাটা বা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল, তা ছিল বহু পুরনো। বিদ্যালয় ভবনটি একসময় একটি সামরিক ঘাঁটির অংশ থাকলেও গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বেসামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)-এর কর্মকর্তাদের তৈরি করা টার্গেট কোঅর্ডিনেটগুলো এআই-চালিত বিশ্লেষণে যাচাই করা হলেও সিস্টেমটি ভবনটির বর্তমান বেসামরিক অবস্থান শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা এই হামলাকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা বলছেন, এআই বা প্রযুক্তির দোহাই দিয়ে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে এই ঘটনার দায় অস্বীকার করলেও পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তদন্তে মার্কিন বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা ও যান্ত্রিক ত্রুটির কথা উঠে এসেছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধে এআই ব্যবহার করলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি বাড়লেও এতে মানুষের মানবিক বিচারবুদ্ধি ও তাৎক্ষণিক তথ্য যাচাইয়ের অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই হামলার পর এখন প্রশ্ন উঠেছে—এআই-এর ভুলে যদি নিরপরাধ শিশুদের প্রাণ যায়, তবে তার দায়ভার কার? প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের, নাকি যে কমান্ড এটি ব্যবহার করেছে তাদের? ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলাটি ঘটে। ইরান একে ‘অপ্রমাণিত ও অপরাধমূলক’ হামলা হিসেবে বর্ণনা করে আন্তর্জাতিক আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এই ঘটনায় নিহত শিশুদের স্মরণে ইরানে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়েছে এবং তাদের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে। বিশ্লেষকদের মতে, মিনাব শহরের এই ট্র্যাজেডি ভবিষ্যতে স্বায়ত্তশাসিত মারণাস্ত্র (Autonomous Weapons) ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে বাধ্য করতে পারে।

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি
মোজতবা খামেনিকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। দেশটির ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের আওতায় ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি এবং প্রভাবশালী নেতা আলী লারিজানিসহ একাধিক কর্মকর্তার তথ্যের বিনিময়ে ১ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ১২০ কোটি টাকা) পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি-র বিভিন্ন শাখাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত। পুরস্কারের পাশাপাশি তথ্যদাতাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের (রিলোকেশন) সুযোগ দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। তালিকায় থাকা অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা হলেন: গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ আলী আসগর হেজাজি মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস্কান্দার মোমেনি সুপ্রিম কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি উল্লেখ্য, মার্কিন এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই আলী লারিজানিকে তেহরানে ‘আল-কুদস দিবস’-এর মিছিলে অংশ নিতে দেখা গেছে। মিছিলে অংশগ্রহণের বেশ কিছু ছবি তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এই ঘোষণার ফলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হওয়ার মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।   মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, বিশেষ লাইসেন্সের মাধ্যমে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত জাহাজে লোড করা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্বে থাকা ট্রেজারির অধীন সংস্থা অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়।   এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধে আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে নতুন পরিস্থিতিতে সেই নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে।   মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কৌশলের অংশ। একই সঙ্গে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার কারণে তেলের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেটিও এই পদক্ষেপের অন্যতম লক্ষ্য।   ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে হয়। ফলে পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি বাজারে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত মজুত থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা তাদের সদস্য দেশগুলোকে সরকারি মজুত থেকে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমন্বিত মজুত ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   এদিকে বিভিন্ন সূত্র বলছে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও ইরান তাদের তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। পারস্য উপসাগরে অন্য দেশগুলোর তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেলের মূল্য আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি
মোজতবা খামেনিকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৪, ২০২৬ 0

ইরানের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। দেশটির ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের আওতায় ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি এবং প্রভাবশালী নেতা আলী লারিজানিসহ একাধিক কর্মকর্তার তথ্যের বিনিময়ে ১ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ১২০ কোটি টাকা) পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি-র বিভিন্ন শাখাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত। পুরস্কারের পাশাপাশি তথ্যদাতাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের (রিলোকেশন) সুযোগ দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। তালিকায় থাকা অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা হলেন: গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ আলী আসগর হেজাজি মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস্কান্দার মোমেনি সুপ্রিম কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি উল্লেখ্য, মার্কিন এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই আলী লারিজানিকে তেহরানে ‘আল-কুদস দিবস’-এর মিছিলে অংশ নিতে দেখা গেছে। মিছিলে অংশগ্রহণের বেশ কিছু ছবি তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এই ঘোষণার ফলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে ১৬৫ শিশুর প্রাণহানি: এআই-এর ব্যবহার নিয়ে উঠছে বৈশ্বিক প্রশ্ন
শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরের একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক এক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬৫ জন শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাটি আধুনিক যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর (AI) ব্যবহার এবং এর নির্ভুলতা নিয়ে নতুন করে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার প্রথম দিনেই ‘শাজারেহ তাইয়েবাহ’ নামক ওই বিদ্যালয়টি টমাহক (Tomahawk) ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে মারাত্মক ভুলের কারণে এই প্রাণহানি ঘটেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে ডাটা বা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল, তা ছিল বহু পুরনো। বিদ্যালয় ভবনটি একসময় একটি সামরিক ঘাঁটির অংশ থাকলেও গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বেসামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)-এর কর্মকর্তাদের তৈরি করা টার্গেট কোঅর্ডিনেটগুলো এআই-চালিত বিশ্লেষণে যাচাই করা হলেও সিস্টেমটি ভবনটির বর্তমান বেসামরিক অবস্থান শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা এই হামলাকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা বলছেন, এআই বা প্রযুক্তির দোহাই দিয়ে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে এই ঘটনার দায় অস্বীকার করলেও পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তদন্তে মার্কিন বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা ও যান্ত্রিক ত্রুটির কথা উঠে এসেছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধে এআই ব্যবহার করলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি বাড়লেও এতে মানুষের মানবিক বিচারবুদ্ধি ও তাৎক্ষণিক তথ্য যাচাইয়ের অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই হামলার পর এখন প্রশ্ন উঠেছে—এআই-এর ভুলে যদি নিরপরাধ শিশুদের প্রাণ যায়, তবে তার দায়ভার কার? প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের, নাকি যে কমান্ড এটি ব্যবহার করেছে তাদের? ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলাটি ঘটে। ইরান একে ‘অপ্রমাণিত ও অপরাধমূলক’ হামলা হিসেবে বর্ণনা করে আন্তর্জাতিক আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এই ঘটনায় নিহত শিশুদের স্মরণে ইরানে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়েছে এবং তাদের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে। বিশ্লেষকদের মতে, মিনাব শহরের এই ট্র্যাজেডি ভবিষ্যতে স্বায়ত্তশাসিত মারণাস্ত্র (Autonomous Weapons) ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে বাধ্য করতে পারে।

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে লাশের মিছিল : ইরান যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়ালো
শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। যুদ্ধের চতুর্দশ দিনে এসে প্রাণহানির সংখ্যা ২,০০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সংস্থার পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।  নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও বিদেশি সেনারাও রয়েছেন। তেহরানের বেহেশত-ই জাহরা কবরস্থানে স্বজন হারানো মানুষের আহাজারিতে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অঞ্চলভেদে ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান: ইরান: জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের তথ্যমতে বুধবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১,৩০০ থাকলেও, মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (HRANA) শুক্রবার জানিয়েছে, ইরানে নিহতের সংখ্যা অন্তত ১,৮৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে। সরকারিভাবে গত এক সপ্তাহ ধরে কোনো নতুন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। লেবানন: লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে অন্তত ৭৭৩ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১০৩ জনই নিষ্পাপ শিশু। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাক: ইরাকে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৬ মার্কিন সেনার মৃত্যুসহ এ পর্যন্ত মোট ১৩ জন মার্কিন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে, ইরাকে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের ২৭ সদস্যসহ মোট ৩২ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল: আবাসিক ভবনে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই সেনাসহ মোট ১৫ জন ইসরায়েলি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই যুদ্ধের আঁচ লেগেছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতেও। কুয়েতে কুমেতীয় নাগরিক ও মার্কিন সেনাসহ বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। আরব আমিরাতে বিভিন্ন দেশের নাগরিকসহ ৬ জন এবং ওমানে ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া সৌদি আরব ও বাহরাইনেও ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ও সরাসরি হামলায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সংঘাত যত দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে, সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি ততই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানালেও পরিস্থিতির উন্নতি এখনো সুদূরপরাহত।

গাজা থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস: অস্কারের মঞ্চে কাঁপন ধরাচ্ছে ৫ বছরের হিন্দের আর্তনাদ
আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে আসা এক শিশুর আর্তনাদ এবার বিশ্ব চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ আসর অস্কারের মঞ্চে প্রতিধ্বনিত হতে যাচ্ছে। ৫ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি শিশু হিন্দ রাজাবকে ইসরায়েলি বাহিনীর হত্যার নৃশংস ঘটনা নিয়ে নির্মিত ডকু-ড্রামা ‘দ্য ভয়েস অব হিন্দ রাজাব’ (The Voice of Hind Rajab) আসন্ন একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে ‘সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে। আগামী রবিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য অস্কার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতুহল ও প্রত্যাশা। সেই ভয়াল স্মৃতি ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি গাজা শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলার মুখে সপরিবারে গাড়ি নিয়ে পালাচ্ছিল শিশু হিন্দ। পথে তাদের লক্ষ্য করে ৩৫০টিরও বেশি গুলি চালায় ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক। পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘটনাস্থলেই নিহত হলেও হিন্দ প্রায় ১২ ঘণ্টা জীবিত ছিল। রেড ক্রিসেন্টের সাথে ফোনে তার সেই আকুতি— “আমাকে একা রেখে যেও না, আমি ভয় পাচ্ছি, আমাকে নিয়ে যাও”— পুরো বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। তাকে উদ্ধার করতে যাওয়া দুই অ্যাম্বুলেন্স কর্মীকেও সেদিন হত্যা করা হয়। ১২ দিন পর হিন্দের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। সিনেমা যখন প্রতিবাদের ভাষা তিউনিসিয়ান পরিচালক কাউথার বিন হানিয়া পরিচালিত এই ৮৯ মিনিটের চলচ্চিত্রে হিন্দের সেই প্রকৃত অডিও রেকর্ড ব্যবহার করা হয়েছে। ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনের পর এটি টানা ২৩ মিনিট দাঁড়িয়ে সম্মাননা (Standing Ovation) পেয়েছিল। চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ওডেসা রে আল-জাজিরাকে বলেন, “অস্কার হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম। আমাদের লক্ষ্য এই কাহিনীকে পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় পৌঁছে দেওয়া। এই স্বীকৃতি শুধু সিনেমার জয় নয়, এটি ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর চলা নৃশংসতার বিরুদ্ধে এক জোরালো প্রতিবাদ।” গাজাবাসীর প্রত্যাশা গাজার চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ আল-সাওয়ায়াফ বলেন, “গাজার মানুষের কাছে অস্কার হয়তো যুদ্ধ থামানোর কোনো জাদুকরী শক্তি নয়, কিন্তু এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ফিলিস্তিনিদের কেবল একটি ‘সংখ্যা’ হিসেবে নয়, বরং রক্ত-মাংসের মানুষ হিসেবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে।” অন্যদিকে, হিন্দের মা উইসাম হামাদা এখনও মেয়ের কণ্ঠস্বর শোনার সাহস করতে পারেন না। তবে তিনি সিনেমাটির সাথে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করছেন যাতে বিশ্ববাসী গাজার শিশুদের ওপর চলা এই বর্বরতার কথা জানতে পারে। অস্কার ও ন্যায়বিচারের দাবি দোহা ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সিইও ফাতেমা হাসান আলরেমাইহি বলেন, “অস্কার জয় কেবল শৈল্পিক শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি নয়, এটি হওয়া উচিত সত্যকে রক্ষা করার এবং নৃশংসতার বিরুদ্ধে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি অঙ্গীকার।” উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন আইনপ্রণেতারা ‘জাস্টিস ফর হিন্দ রাজাব অ্যাক্ট’ নামে একটি বিল উত্থাপন করেছেন, যার লক্ষ্য হিন্দের মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। বিশ্ব চলচ্চিত্রের এই মহোৎসবে ‘দ্য ভয়েস অব হিন্দ রাজাব’ শেষ পর্যন্ত পুরস্কার জয় করতে পারে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে শান্তিকামী বিশ্ব। তবে পুরস্কারের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে গাজার অবরুদ্ধ মানুষের কণ্ঠস্বর লস অ্যাঞ্জেলেসের রেড কার্পেট পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
178 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
193 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
127 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
আইন-আদালত
Advertisement
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়