ইউক্রেন

ছবি: সংগৃহীত।
গাজা বা ইউক্রেনের মতো কেন ইরানে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না পশ্চিমা বিশ্বের রাজপথে?

ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনা যখন চরম শিখরে, তখন একটি প্রশ্ন বিশ্বজুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে—গাজা বা ইউক্রেন যুদ্ধের সময় পশ্চিমা বিশ্বের রাজপথ যেভাবে প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছিল, ইরানের ক্ষেত্রে কেন তা অনুপস্থিত? আল জাজিরার এক বিশেষ বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই 'নীরবতার' নেপথ্য কারণ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে গাজা এবং ইউক্রেন ইস্যুতে ক্রমাগত আন্দোলন করতে করতে পশ্চিমা অ্যাক্টিভিস্টদের মধ্যে এক ধরনের 'ক্লান্তি' (Protest Fatigue) চলে এসেছে। এছাড়া, ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক জটিলতা এবং দেশটির শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে পশ্চিমা সাধারণ মানুষের মধ্যে থাকা নেতিবাচক ধারণা বা ভীতি অনেক ক্ষেত্রে যুদ্ধবিরোধী অবস্থানকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর চলমান সামরিক চাপ এবং অবরোধের ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়লেও, পশ্চিমা জনমতে ইরানের প্রতি সহমর্মিতার অভাব স্পষ্ট। অনেক ক্ষেত্রে পশ্চিমা সরকারগুলোর কঠোর অবস্থান এবং গণমাধ্যমের একপাক্ষিক প্রচারণা সাধারণ মানুষকে দ্বিধাগ্রস্ত করে তুলেছে। ফলে গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে যে বিশাল গণজোয়ার দেখা গিয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দামামা বাজলেও রাজপথে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। এই নীরবতাকে 'হতাশা' এবং 'ভয়ের' সংমিশ্রণ হিসেবে দেখছেন সমাজবিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, একদিকে যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে আতঙ্ক, অন্যদিকে নিজ দেশের রাজনৈতিক অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে ইরানের পক্ষে দাঁড়ানোর ঝুঁকি—সব মিলিয়ে স্তিমিত হয়ে পড়েছে পশ্চিমা যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় সহায়তা দিয়েছে ইউক্রেন: জেলেনস্কি

মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশকে ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোন ভূপাতিত করতে কারিগরি ও সামরিক সহায়তা দিয়েছে ইউক্রেন—এমন দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনীয় সামরিক বিশেষজ্ঞরা মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে স্থানীয় বাহিনীকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমে কীভাবে ইরানি ড্রোন প্রতিহত করতে হয়, তা দেখানো হয়েছে।   জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন মোকাবিলায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা এখন অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ভাগাভাগি করা হচ্ছে।   গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য সফরের সময় তিনি এসব দেশের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়টি চূড়ান্ত করেন। সে সময় উপসাগরীয় অঞ্চল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে ছিল। জেলেনস্কি আরও দাবি করেন, ইউক্রেন শুধু একটি দেশে নয়, বরং একাধিক দেশে এই সহায়তা দিয়েছে এবং ইতোমধ্যে সফলভাবে ইরানি ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইউক্রেনের সামরিক দক্ষতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও বাড়াবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতি চায় ইউক্রেন
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতি চায় ইউক্রেন

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়ার কাছে দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব থেকে তারা সরে আসছেন না। এই প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে মস্কোর কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, কিয়েভ এমন একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে, যা কার্যকর হতে পারে যদি রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সব ধরনের হামলা বন্ধ করে।   তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে, যা তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।   জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, রাশিয়া যদি ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা বন্ধ করে, তবে ইউক্রেনও একইভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত থাকবে। তিনি বলেন, এই প্রস্তাব ইতোমধ্যে মার্কিন পক্ষের মাধ্যমে রাশিয়ার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।   এর আগে গত সপ্তাহেও ইস্টার উপলক্ষে একই ধরনের শর্তে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিলেন জেলেনস্কি। উল্লেখ্য, রাশিয়া ও ইউক্রেন—উভয় দেশেই অর্থডক্স খ্রিস্টানদের মধ্যে আসন্ন রোববার ইস্টার উদযাপিত হওয়ার কথা।   তবে সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, রাশিয়া এই প্রস্তাবের জবাবে ইরানে তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করেছে।   গত সপ্তাহে কিয়েভের প্রস্তাবে মস্কোর প্রতিক্রিয়া খুব ইতিবাচক ছিল না। তারা জানায়, পৃথক যুদ্ধবিরতির বদলে একটি সামগ্রিক শান্তি চুক্তির দিকেই তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।   এদিকে সোমবার কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী ওডেসা শহরে রাতভর হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া ইস্টারকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী নয় বলেই মনে হচ্ছে।   তিনি বলেন, বিশেষ এই সময়কে ঘিরে বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হলেও রাশিয়ার অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে—তাদের কাছে কোনো কিছুই যেন পবিত্র নয়।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
ইউক্রেনের টেনিস সেনসেশন মার্তা কস্ত্যুক
বিশ্বমঞ্চে যুদ্ধের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইউক্রেনের শীর্ষ টেনিস তারকা

ইউক্রেনের টেনিস সেনসেশন মার্তা কস্ত্যুক আবারও আলোচনায়। তবে এবার কেবল তার র‍্যাকেট বা ফোরহ্যান্ড শটের জন্য নয়, বরং নিজ দেশ ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার সংকল্প নিয়ে তিনি শুরু করতে যাচ্ছেন বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ 'ক্লে-কোর্ট' মৌসুম। সম্প্রতি সিএনএন-এর সাথে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ২৩ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় তার ক্যারিয়ার, বর্তমান ফর্ম এবং যুদ্ধের ময়দানে থাকা নিজ দেশের পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। টেনিসের লাল মাটির কোর্ট বা ক্লে-কোর্ট সবসময়ই খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক ধৈর্য পরীক্ষা করে। কস্ত্যুক জানান, এবারের মৌসুমে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী। গত কয়েক মাসে তার খেলায় ব্যাপক উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের ফাইনালে পৌঁছানো এবং অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালের পারফরম্যান্স তাকে র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে প্রবেশের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। সাক্ষাৎকারে কস্ত্যুক আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন যখন তিনি তার দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা বলেন। কস্ত্যুক জানান, টেনিস কোর্টে যখন তিনি প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করেন, তখন তার মনের এক কোণায় সবসময় ইউক্রেনের মানুষের কষ্টের কথা ঘুরপাক খায়। তিনি বলেন, "আমি প্রতিদিন হৃদয়ে এক ধরণের ব্যথা নিয়ে খেলি। যখন ভাবি আমার দেশে হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎ ও পানি ছাড়াই দিন কাটাচ্ছে, তখন কোর্টের লড়াইকে অনেক ছোট মনে হয়।" তিনি আরও যোগ করেন, "আমার খেলা এখন আর কেবল আমার একার নয়। আমি চাই আমার প্রতিটি জয় যেন ইউক্রেনবাসীর মুখে হাসি ফোটায় এবং বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দেয় যে আমরা এখনও লড়ে যাচ্ছি।" রাশিয়ান ও বেলারুশিয়ান খেলোয়াড়দের সাথে করমর্দন না করার যে সিদ্ধান্ত কস্ত্যুক এবং অন্যান্য ইউক্রেনীয় খেলোয়াড়রা নিয়েছেন, সে বিষয়েও তিনি কথা বলেন। তিনি একে তার "সচেতন পছন্দ" হিসেবে বর্ণনা করেন। তার মতে, যতক্ষণ পর্যন্ত ইউক্রেনে আগ্রাসন বন্ধ না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক আচরণ করা সম্ভব নয়। যদিও টেনিস বিশ্বে এই নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে, তবে কস্ত্যুক তার অবস্থানে অনড়। বর্তমানে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৬ নম্বরের আশেপাশে থাকা এই তরুণী এখন তার ক্যারিয়ার সেরা ফর্মে আছেন। ক্লে-কোর্ট মৌসুমে ভালো ফলাফল করতে পারলে প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০-এ জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। টেনিস বিশ্লেষকদের মতে, কস্ত্যুক যদি তার বর্তমান মানসিক দৃঢ়তা ধরে রাখতে পারেন, তবে আসন্ন ফ্রেঞ্চ ওপেনে তিনি বড় কোনো চমক দেখাতে পারেন। দেশের সংকটময় মুহূর্তে একজন ক্রীড়াবিদ কীভাবে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠতে পারেন, মার্তা কস্ত্যুক আজ তার জীবন্ত উদাহরণ। সূত্র: সিএনএন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0
ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫ জন
ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫ জন

ইউক্রেন–এর বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়া–র বোমা হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১৪ জন। অন্যদিকে, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ এলাকায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একজন নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে মস্কো।   রোববার (২৯ মার্চ) স্থানীয় সময় দোনেৎস্ক অঞ্চলের ক্রামাতোরস্ক শহরে রুশ বাহিনী গ্লাইড বোমা হামলা চালায়। এতে হতাহতের পাশাপাশি কয়েকটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।   কিয়েভের আঞ্চলিক প্রশাসনের অভিযোগ, বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে। একই দিনে ওডেসা শহরে মাতৃসদন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাও ঘটে, যেখানে বেশ কয়েকজন হতাহত হন।   এর জবাবে ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে হামলার তৎপরতা বাড়িয়েছে। বাল্টিক সাগরের উস্ত-লুগা বন্দর এলাকায় ড্রোন হামলার পর আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থার দাবি, এসব হামলা রাশিয়ার জ্বালানি ও রপ্তানি সক্ষমতা দুর্বল করার কৌশলের অংশ।   এদিকে বেলগোরোদ অঞ্চলেও ইউক্রেনের ড্রোন হামলার দাবি করেছে রাশিয়া। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় রুশ বাহিনী ইউক্রেনের দিকে শত শত ড্রোন ও একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। কিয়েভের দাবি, এর মধ্যে অধিকাংশ ড্রোন প্রতিহত বা ভূপাতিত করা হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ এখন দুই পক্ষের অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে।   তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
জর্ডানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি
মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা: জর্ডানে পৌঁছে যে বার্তা দিলেন জেলেনস্কি

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আবহে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সমর্থন ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আদায়ে এবার জর্ডানে পৌঁছেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।  কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের পর এটিই তার এই ঝটিকা সফরের সর্বশেষ গন্তব্য। জর্ডান বিমানবন্দরে অবতরণের পর জর্ডানি কর্মকর্তাদের সাথে কুশল বিনিময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন জেলেনস্কি। সেখানে তিনি স্পষ্ট জানান, এবারের সফরে তার মূল লক্ষ্য হলো ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করা’।  ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে ইতিমধ্যে সৌদি আরব ও কাতারের সাথে চুক্তি সম্পন্ন করেছেন তিনি। জর্ডানের সাথেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তার, যেখানে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা এবং কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
দুবাইয়ে ড্রোন ডিপোতে ইরানের হামলার দাবি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই–এ ইউক্রেনের একটি ড্রোন-বিধ্বংসী অস্ত্রের ডিপোতে হামলার দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর বরাতে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শনিবার (২৮ মার্চ) চালানো ওই হামলায় ডিপোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।   ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল কমান্ড–এর এক মুখপাত্র দাবি করেন, হামলার সময় সেখানে ২১ জন ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন। হামলার পর ডিপোর ভেতরের অবস্থা স্পষ্ট না হওয়ায় তাদের সবাই নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   সামরিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর গোপন স্থাপনা লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা ইউক্রেনের ড্রোন-বিধ্বংসী ব্যবস্থার ডিপোও লক্ষ্যবস্তু করা হয়।   তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করেছে ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংস্থাটির মুখপাত্র জর্জি তিখি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করছি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইরান প্রায়ই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে।   এর আগে শনিবারই এক অনানুষ্ঠানিক সফরে আমিরাতে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সফরকালে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারের কথা জানান। তার এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ড্রোন ডিপোতে হামলার দাবি সামনে আসে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও এটি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
কাতারের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করলো ইউক্রেন
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা হুমকিতে কাতারের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করলো ইউক্রেন

মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন ও মিসাইল হামলার হুমকির মধ্যে কাতার ও ইউক্রেন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ একে অপরের সঙ্গে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং যুদ্ধ অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে।   ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চলতি সপ্তাহে উপসাগরীয় দেশগুলোতে এক ঝটিকা সফরে বের হন। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর কাতারের সঙ্গে এই চুক্তি তার সফরের বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই পক্ষ বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। ইউক্রেনের পক্ষে চুক্তিতে সই করেছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আন্দ্রি নাটোভ এবং কাতারের পক্ষে সই করেছেন কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জসিম বিন মোহাম্মদ আল-মান্নাই।   চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ কেবল প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নয়, বরং প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক বিনিয়োগের পথও প্রসারিত করবে। বিশেষ করে, গত এক মাসে ইরানের সঙ্গে সংঘটিত যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে তাদের নিজস্ব ড্রোন ও মিসাইল প্রতিরক্ষা অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করতে আগ্রহী ইউক্রেন।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে ইউক্রেনের জন্য এমন মিত্র প্রয়োজন, যাদের আর্থিক সক্ষমতা এবং সামরিক রসদ সরবরাহের সামর্থ্য বেশি। বর্তমান সময়ে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ মধ্যপ্রাচ্যে বেশি, তখন কাতার ও সৌদি আরবের সমর্থন কিয়েভের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
উপসাগরীয় দেশগুলোর ইউক্রেনের ১০ বছরের মেগা প্রতিরক্ষা চুক্তি

প্রতিরক্ষা খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে এক ঐতিহাসিক সফরে তিনি আগামী এক দশকের জন্য দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা সহযোগিতার চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।  এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে যৌথভাবে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন করবে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, "আমরা ১০ বছরের এক সুদূরপ্রসারী সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করছি। ইতিমধ্যে সৌদি আরবের সাথে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং কাতারের সাথেও সমজাতীয় একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথেও একই ধরনের চুক্তি হতে যাচ্ছে।" এই চুক্তির বিশেষত্ব হলো কেবল অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় নয়, বরং দুই অঞ্চলেই যৌথভাবে অত্যাধুনিক অস্ত্রের কারখানা ও প্রোডাকশন লাইন স্থাপন করা। এর ফলে ইউক্রেনের মাটিতে যেমন নতুন কারখানা তৈরি হবে, তেমনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও ইউক্রেনীয় প্রযুক্তিতে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদিত হবে।  বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্পকে দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব দেবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে কৌশলগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ইউক্রেন ও সৌদির মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারে ইউক্রেন ও সৌদি আরব একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।   সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানায়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) জেদ্দায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা এবং ইউক্রেন পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতেও মতবিনিময় হয়।   জেলেনস্কি তার এক্স পোস্টে উল্লেখ করেন, সৌদি আরব সফরের অংশ হিসেবে জেদ্দায় বৈঠকের আগে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তিনি বলেন, ইউক্রেন তার অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সৌদি আরবের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে প্রস্তুত।   সূত্র জানায়, শনিবার (২৮ মার্চ) জেদ্দা ত্যাগ করার কথা রয়েছে জেলেনস্কির। কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানানোর জন্য মক্কা অঞ্চলের উপ-গভর্নর প্রিন্স সৌদ বিন মিশআলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।   উল্লেখ্য, ইরান-সংক্রান্ত সামরিক উত্তেজনা শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন জেলেনস্কি। বিশেষ করে ড্রোন প্রতিরোধে ইউক্রেনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে, এবং বর্তমানে এসব দেশে ইউক্রেনের দুই শতাধিক সামরিক প্রযুক্তিবিদ কাজ করছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে জেলেনস্কি: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার লক্ষ্যেই এই সফর।  প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে রয়েছেন ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রধান রুস্তম উমেরভ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় জেলেনস্কি জানান, "সৌদি আরবে পৌঁছেছি। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। যারা আমাদের সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে আগ্রহী এবং আমাদের সমর্থন করছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।" সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন ইউক্রেন তাদের নিজস্ব 'এয়ার ডিফেন্স' বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ড্রোন প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাব দিয়েছে। কিয়েভ ইতিমধ্যে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জেলেনস্কি এই সহায়তার বিনিময়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সৌদি আরবের আর্থিক সমর্থন এবং উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন। মূলত 'প্রযুক্তি ও অর্থ'-এর বিনিময়ে নিরাপত্তা সহযোগিতার এই নতুন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে ইউক্রেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলায় রাশিয়ার ড্রোন ব্যবহারের অভিযোগ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের

রাশিয়া ও ইরানকে ঘিরে নতুন এক বিতর্ক সামনে এনেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি দাবি করেছেন, রাশিয়ার তৈরি শাহেদ ড্রোন ইরান ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও ইসরাইল সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ক্ষেত্রে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এ সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক ফরিদ জাকারিয়ার সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, ইরান যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির বিরুদ্ধে রাশিয়ার তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করেছে—এ বিষয়ে তিনি “সম্পূর্ণ নিশ্চিত”।   তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক কিছু হামলার ক্ষেত্রেও এই ধরনের ড্রোন ব্যবহারের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও সব ঘটনায় ড্রোনগুলো ঠিক কোথায় তৈরি হয়েছে তা স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।   শাহেদ ড্রোন মূলত ইরানেই প্রথম তৈরি হয়। তুলনামূলক কম খরচে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হওয়ায় এগুলো ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২০২২ সালের শেষ দিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের সময় এই ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়। ইউক্রেনের দাবি অনুযায়ী, তখন থেকে রুশ বাহিনী হাজার হাজার শাহেদ ড্রোন নিক্ষেপ করেছে।   প্রথমদিকে ইরান থেকে এসব ড্রোন সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে রাশিয়া নিজস্ব কারখানায় একই ধরনের ড্রোন তৈরি করছে বলে জানা গেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য দেশও তাদের সামরিক কার্যক্রমে এই ধরনের ড্রোন ব্যবহার শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ইরানকে ঘিরে চলমান অভিযানের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ড্রোন ব্যবহারের ঘটনা দেখা গেছে।   তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি
ইউক্রেনকে হামলা হুমকি দিল ইরান, রাশিয়া পাশে দাঁড়াল

ইরান ইউক্রেনকে সরাসরি আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে সংঘাত শুরু করেছে, কিয়েভ এখন সেই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছে।   তিনি বলেন, “ইসরায়েলকে ড্রোন ও বিমানবিধ্বংসী সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে ইউক্রেন কার্যত এই যুদ্ধে জড়িত। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে ইরানকে আত্মরক্ষার জন্য ইউক্রেনের যেকোনো অঞ্চলে আঘাত হানার বৈধ অধিকার রয়েছে।” আজিজি ইউক্রেন সরকারকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এর ফলে পুরো দেশ ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।   এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পারস্য উপসাগরের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে কিয়েভের ভূমিকায় আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। জেলেনস্কি দাবি করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক অংশীদাররা ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে ড্রোন প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে। ইউক্রেন ইতোমধ্যে নিজ দেশে তৈরি ড্রোন ইন্টারসেপ্টর ও অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট টিম ওই অঞ্চলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।   অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রস্তাবে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ড্রোন প্রতিরক্ষা নিয়ে আমেরিকার কারো সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আমাদের প্রযুক্তি বিশ্বের সেরা।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার ৪ রণতরী ক্ষতিগ্রস্ত

ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা (SSU) যৌথভাবে চালানো সফল ড্রোন হামলায় কৃষ্ণসাগরে মোতায়েন রাশিয়ার শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ‘অ্যাডমিরাল এসেন’ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার ফলে জাহাজটি বর্তমানে ইউক্রেনের ভূখণ্ডে ‘কালিবার’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ক্ষমতা হারিয়েছে।   হামলা ১ ও ২ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরে পরিচালিত হয়। হামলায় রণতরীটির কেন্দ্রীয় কাঠামো আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ১৮ ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। জাহাজের প্রধান নজরদারি রাডার ‘ফ্রেগেট-এম২এম’, বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নির্দেশক ‘জেডআর-৯০ ওরেখ’, এবং ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম ‘টিকে-২৫’ অকেজো হয়েছে। এছাড়া জাহাজের আটটি কালিবার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বহনের ক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   একই অভিযানে নভোরোসিস্ক বন্দরের একটি তেল টার্মিনালেও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার আরও তিনটি জাহাজ—‘ভ্যালেন্টিন পিকুল’, ‘ইয়েস্ক’ এবং ‘কাসিমভ’—ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অ্যাডমিরাল এসেনের মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ অকেজো হওয়া কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার নৌ-শক্তির জন্য বড় ধাক্কা। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন একের পর এক ড্রোন হামলার মাধ্যমে রাশিয়ার নৌবহরকে চাপের মধ্যে রেখেছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
তেল আভিভের একটি আবাসিক ভবন
যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ এশিয়া, মহাপ্রলয়ের দ্বারপ্রান্তে বিশ্ব

একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের মাঝামাঝি সময়ে এসে বিশ্ব আজ এক নজিরবিহীন ও ভয়াবহ অস্থিরতার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত থেকে মধ্যপ্রাচ্যের তপ্ত মরুভূমি, আর ইউক্রেনের সমভূমি থেকে গাজার ধ্বংসস্তূপ— সর্বত্রই এখন কেবল বারুদের গন্ধ আর যুদ্ধের দামামা।   কূটনৈতিক টেবিলের চেয়ে সামরিক শক্তির আস্ফালনই এখন ভূ-রাজনীতির প্রধান ভাষা হয়ে উঠেছে, যা মানবসভ্যতাকে ঠেলে দিচ্ছে এক অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে। মধ্যপ্রাচ্যে ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ ও ইরানি পাল্টা আঘাত মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন খাদের কিনারায়। গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে শুরু করেছে বিশাল সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই বলে অভিহিত করলেও, ইরানও বসে নেই। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েল অভিমুখে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে তেহরান।  এমনকি বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে অস্ত্র সমর্পণের চরমপত্র দিয়েছেন, যা এই অঞ্চলের সংঘাতকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এবার কেবল আকাশপথের হামলায় সীমাবদ্ধ না থেকে ইরান সরকারের পতনের ডাক দিয়েছেন, যা পুরো অঞ্চলের মানচিত্র বদলে দিতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন ফ্রন্ট: পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধ পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার মধ্যেই দক্ষিণ এশিয়ায় শুরু হয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে পুরোদস্তুর যুদ্ধ। গত শুক্রবার কাবুল ও কান্দাহারে পাকিস্তানের বিমান হামলার জবাবে আফগান বাহিনীও ইসলামাবাদ ও অ্যাবটাবাদে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ একে ‘সরাসরি যুদ্ধ’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ ও উগ্রবাদ দমনের আড়ালে থাকা এই দ্বন্দ্ব এখন এক বিশাল আঞ্চলিক সংকটে রূপ নিয়েছে, যেখানে পরাশক্তিগুলোর পরোক্ষ সমর্থন সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলছে। পঞ্চম বছরে ইউক্রেন যুদ্ধ ও গাজার মানবিক বিপর্যয় ইউরোপের মাটিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পা দিয়েছে পঞ্চম বছরে। এটি এখন আর কেবল ভূখণ্ডের লড়াই নেই, বরং রূপ নিয়েছে ‘প্রযুক্তিগত যুদ্ধে’। ইউক্রেনের নিজস্ব প্রযুক্তির ‘ফ্ল্যামিংগো’ মিসাইল বনাম রাশিয়ার উৎপাদনমুখী সামরিক শক্তি— দুই পক্ষের এই লড়াইয়ে রক্তক্ষয় থামার কোনো লক্ষণ নেই। অন্যদিকে, গাজায় মার্কিন মধ্যস্থতায় তথাকথিত যুদ্ধবিরতি থাকলেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে চলা এই যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। গাজা এখন কেবল এক ধ্বংসস্তূপ আর মানবিক হাহাকারের নাম। খাদের কিনারায় বিশ্ব ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ‘গ্লোবাল অর্ডার’ বা বিশ্ব ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার মুখে। কূটনীতির পথ সংকুচিত হয়ে আসায় সামরিক শক্তিই এখন সমস্যা সমাধানের একমাত্র হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরাশক্তিগুলোর এই মরণজয়ী খেলায় বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং মানবিক স্থিতিশীলতা আজ চরম ঝুঁকির মুখে। কাতার বা জর্ডানের মতো দেশগুলো থেকে বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া এবং আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বিশ্ব হয়তো একটি পূর্ণাঙ্গ বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সময় থাকতে বিশ্বনেতারা কোনো সমঝোতায় না পৌঁছালে, এই যুদ্ধের দামামা অচিরেই এক বৈশ্বিক মহাপ্রলয়ে রূপ নেবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
যুদ্ধের ছায়ায় ইউক্রেনে বাড়ছে বিধবা ও এতিমের সংখ্যা
যুদ্ধের ছায়ায় ইউক্রেনে বাড়ছে বিধবা ও এতিমের সংখ্যা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চার বছরে গড়ানোর পর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ভয়াবহ জনসংখ্যাগত চাপে পড়েছে।   দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের প্রভাবে জন্মহার দ্রুত হ্রাস পেয়েছে, বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বা দেশ ছেড়েছে, আর অনেক পরিবার অনিশ্চয়তার কারণে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে। এর ফলে দেশটি বড় ধরনের জনসংখ্যা সংকটের মুখোমুখি।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন–এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় এক কোটি মানুষ হয় নিহত হয়েছেন, নয়তো দেশ ছেড়েছেন কিংবা রাশিয়ার দখলকৃত এলাকায় বসবাস করছেন। ইউক্রেনের জনসংখ্যাবিষয়ক গবেষক এল্লা লিবানোভা পরিস্থিতিকে “জাতীয় বিপর্যয়” হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, মানুষের অভাবে কোনো রাষ্ট্র দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।   যুদ্ধের আগে ইউক্রেনীয় নারী ওলেনা বিলোজেরস্কা সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তিনি ও তাঁর স্বামী দুজনেই যুদ্ধে অংশ নেন। সেনাবাহিনী থেকে ফেরার পর চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর মাতৃত্বের সম্ভাবনা খুবই কমে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তা নারী-পুরুষ উভয়ের প্রজননক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।   সংঘাতে বহু সেনা নিহত হওয়ায় দেশটিতে বিধবা ও এতিমের সংখ্যা বাড়ছে। ইরিনা ইভানোভা তাঁর স্বামী পাভলো ইভানোভ–কে হারান যুদ্ধক্ষেত্রে, যখন তিনি গর্ভবতী ছিলেন। পরে কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়ে স্বামীর পছন্দ করা নাম রাখেন ইউস্তিনা। তাঁর ভাষায়, মাতৃত্বের আনন্দ আর প্রিয়জন হারানোর বেদনা একসঙ্গে অনুভব করেছেন তিনি।   গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসাবে, যুদ্ধের পর থেকে এক লাখের বেশি ইউক্রেনীয় নিহত হয়েছেন। বর্তমানে প্রায় ৫৯ হাজার শিশু মা-বাবা ছাড়া বড় হচ্ছে। জন্মহার নেমে এসেছে একের নিচে, যা ভবিষ্যৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য অশনিসংকেত। পাশাপাশি প্রায় ৬০ লাখ মানুষ বিদেশে শরণার্থী হিসেবে আছেন। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তাঁদের অনেকেই আর দেশে ফিরবেন না—এমন আশঙ্কা বাড়ছে। এতে দক্ষ কর্মশক্তির ঘাটতি আরও তীব্র হতে পারে।   অন্যদিকে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া–র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কিয়েভের অভিযোগ, রাশিয়ার তেল পরিবহন পুনরায় চালু না হলে তারা ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার হুমকি দিচ্ছে। ইউক্রেন বলছে, এ ধরনের চাপ মস্কোর ওপর প্রয়োগ করা উচিত, কিয়েভের ওপর নয়।   এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। কিয়েভ, ওডেসা ও অন্যান্য এলাকায় হামলায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। পশ্চিমাঞ্চলীয় লভিভ শহরেও বিস্ফোরণে একজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। অপরদিকে ইউক্রেন দাবি করেছে, রাশিয়ার উদমুর্তিয়া অঞ্চলের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কারখানায় তারা হামলা চালিয়েছে।   সব মিলিয়ে, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ শুধু অবকাঠামো নয়, ইউক্রেনের সামাজিক কাঠামো ও জনসংখ্যাগত ভবিষ্যৎকেও গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
জুন মাসের মধ্যেই থামাতে হবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

রাশিয়া ও ইউক্রেনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে এবার চরম সময়সীমা বেঁধে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের এই 'ডেডলাইন' বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।   গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য যা আপনার জানা প্রয়োজন:   জুন মাসের ডেডলাইন: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসন আগামী জুন মাসের মধ্যে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য কড়া বার্তা দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে সমাধান না হলে উভয় দেশের ওপর চাপ আরও বাড়ানো হবে।   ব্যর্থ বৈঠক ও নতুন আশাবাদ: আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে কোনো সমাধান না আসায় এখন সবার নজর আগামী সপ্তাহে ফ্লোরিডার মিয়ামিতে হতে যাওয়া পরবর্তী বৈঠকের দিকে।   থামছে না হামলা: ট্রাম্পের আল্টিমেটামের মাঝেই জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, রাশিয়ার হামলা আরও তীব্র হয়েছে। শুক্রবার রাতেই ৪০০টি ড্রোন এবং ৪০টি মিসাইল দিয়ে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে পুতিন বাহিনী।   ক্ষয়ক্ষতির চিত্র: মূলত ভলিন, লভিভ এবং কিইভসহ বেশ কিছু অঞ্চলে এই ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে, যা শান্তি আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলছে।   ট্রাম্পের এই হস্তক্ষেপে কি আসলেই থামবে দীর্ঘদিনের এই যুদ্ধ? নাকি জুন মাসের পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে? আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মস্কোতে রুশ জেনারেলকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে

মস্কোর প্রাণকেন্দ্রে এক শীর্ষ রুশ সামরিক কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে আত্মঘাতী হামলার ঘটনায় বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জেনারেল স্টাফের মেইন ডিরেক্টরেটের উপপ্রধান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভ্লাদিমির আলেক্সেয়েভকে শুক্রবার গুলি চালিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।   এই নৃশংস হামলার পরপরই রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ সরাসরি ইউক্রেনকে অভিযুক্ত করেছেন। ল্যাভরভ দাবি করেন, কিয়েভ এই হামলার মাধ্যমে চলমান শান্তি আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও জটিল করতে চাইছে। তবে এই অভিযোগের পক্ষে মস্কো এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেনি। অন্যদিকে, কিয়েভের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।   উল্লেখ্য, লেফটেন্যান্ট জেনারেল আলেক্সেয়েভ রাশিয়ার সামরিক ইতিহাসে অত্যন্ত প্রভাবশালী এক ব্যক্তিত্ব। ২০২৩ সালের জুন মাসে ওয়াগনার প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিন যখন বিদ্রোহ করেছিলেন, তখন আলোচনার জন্য পাঠানো শীর্ষ কর্মকর্তাদের অন্যতম ছিলেন তিনি। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ার বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা এভাবেই লক্ষ্যভিত্তিক হামলার শিকার হয়েছেন। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে রুশ জেনারেল ফানিল সারভারভ গাড়িবোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়েছিলেন।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মস্কোর ভেতরে এমন হাই-প্রোফাইল হামলার ঘটনা রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে যেমন প্রশ্ন তুলছে, তেমনি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পথকেও আরও কঠিন করে তুলছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ: এই প্রথম নিহ*তের প্রকৃত সংখ্যা জানালেন জেলেনস্কি

কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যকার চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের চার বছর পূর্ণ হওয়ার সন্ধিক্ষণে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ফ্রান্স টু টিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে মাতৃভূমি রক্ষায় এ পর্যন্ত ইউক্রেনের ৫৫ হাজার সৈন্য প্রাণ হারিয়েছেন।   তবে সামরিক বিশ্লেষক ও আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জেলেনস্কির দেওয়া এই সংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি নিজেই স্বীকার করেছেন যে, যুদ্ধের ময়দান থেকে নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যাও বিশাল।   উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই সংখ্যাটি ৪৩ হাজার বলে জানানো হয়েছিল। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধিতে যুদ্ধের ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এছাড়া দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৭০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।   ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আগ্রাসনের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ অবসানে বর্তমানে আন্তর্জাতিক স্তরে কূটনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘাত বন্ধে দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ইউক্রেনের ‘হত্যা তালিকায়’ ফিফা প্রেসিডেন্টের নাম
ইউক্রেনের ‘হত্যা তালিকায়’ ফিফা প্রেসিডেন্টের নাম

ফুটবল দুনিয়ায় বইছে চরম অস্থিরতার হাওয়া! ইউক্রেনের বিতর্কিত ‘হত্যা তালিকায়’ (মিরোৎভোরেৎস) নাম উঠলো ফিফা প্রেসিডেন্ট গিয়ান্নি ইনফান্তিনোর। যে ওয়েবসাইটে ইউক্রেনের শত্রু হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের তথ্য রাখা হয়, সেখানেই এবার জায়গা হলো ফুটবলের সর্বোচ্চ অভিভাবকের। কিন্তু কেন এই চরম সিদ্ধান্ত?   মূল ঘটনাটি সংক্ষেপে জেনে নিন:   অভিযোগের তীর: ইউক্রেনের দাবি, ইনফান্তিনো রাশিয়ার প্রতি নমনীয় এবং পুতিন সরকারের প্রোপাগান্ডা ছড়াতে পরোক্ষভাবে সহায়তা করছেন।   পুরানো বন্ধুত্ব: ২০১৯ সালে পুতিনের কাছ থেকে পাওয়া ‘অর্ডার অব ফ্রেন্ডশিপ’ পদকটিও এখন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।   বিস্ফোরক মন্তব্য: সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেছিলেন, ফুটবল থেকে রাশিয়াকে বয়কট করায় কোনো উন্নতি হয়নি, বরং ঘৃণা বেড়েছে। এই মন্তব্যেই ফুঁসে উঠেছে ইউক্রেন প্রশাসন।   কূটনৈতিক উত্তেজনা: ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ফিফা প্রেসিডেন্ট তার নৈতিক অবস্থান হারিয়েছেন।   এই ঘটনা কি আন্তর্জাতিক ফুটবলের রাজনীতিতে নতুন কোনো মোড় নিতে যাচ্ছে? ইউক্রেনের এমন কঠোর অবস্থান নিয়ে আপনার মতামত কী?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
ইউক্রেনে বাসে রুশ হামলার পর চলছে উদ্ধারকাজ। ছবি: রয়টার্স
ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত ১২, আহত ৭

ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল দিনিপ্রোপেত্রোভস্কে রাশিয়ার একটি ড্রোন হামলায় একটি বাসে থাকা অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন। বাসটিতে খনিতে কর্মরতরা ছিলেন। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ডেনিস শেমহাল রোববার টেলিগ্রামে লিখেছেন, “আজ শত্রুরা দিনিপ্রো অঞ্চলে জ্বালানি খাতের কর্মীদের লক্ষ্য করে নিন্দনীয় হামলা চালিয়েছে। এই সন্ত্রাসী হামলায় ১২ জন নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছে।” স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তেরনিভস্কা শহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। জরুরি পরিষেবা অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হামলার পর একটি পোড়া বাস সড়কের পাশে উল্টে পড়ে রয়েছে। জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ডিটিইকে জানিয়েছে, হতাহত ব্যক্তিরা তাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন। হামলার সময় তারা সবাই কর্মস্থল থেকে বাসে ফিরছিলেন। এর পাশাপাশি, রোববার আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানান, দক্ষিণ-পূর্ব শহর জাপোরিঝিয়ায় রাশিয়ার হামলায় একটি মাতৃসদন ও একটি আবাসিক ভবনে কমপক্ষে নয়জন আহত হয়েছেন। এই হামলার খবর আসছে এমন সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের ত্রিপক্ষীয় আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব আগামী বুধবার ও বৃহস্পতিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হবে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন। চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখনও অব্যাহত রয়েছে। দীর্ঘ এই যুদ্ধে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি রাশিয়া দেশের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর নতুন করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে, যা চলতি শীতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
জাতীয়

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0