ঈদযাত্রা

ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজন নিহতের পর ঘটনাস্থলে স্বজনদের আহাজারি। শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেংগর এলাকায়। ছবি: সংগৃহীত
টাঙ্গাইলে বাস বিকল হয়ে থামার পর রেললাইনে বসা—ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৫

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত আটটার দিকে উপজেলার ধলাটেংগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই একটি যাত্রীবাহী বাসের যাত্রী ছিলেন, যা তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় পথেই থেমে যায়।   প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্র জানায়, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থেকে ছেড়ে আসা বাসটি সন্ধ্যার দিকে কালিহাতীতে এসে তেল শেষ হয়ে থামে। বাসের কর্মীরা তেল আনতে গেলে যাত্রীরা নিচে নেমে আশপাশে অবস্থান নেন। এ সময় কয়েকজন যাত্রী পাশের রেললাইনে গিয়ে বসেন।   এ অবস্থায় ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জগামী একটি ট্রেন দ্রুতগতিতে এসে পড়লে পাঁচজন যাত্রী ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। ট্রেনের চালক হর্ন দিলেও নিহতরা সময়মতো সরে যেতে পারেননি বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার নার্গিস (৩৫), তাঁর ছেলে নিরব (১২), দোলা (৩৫), সুলতান (৩৩) ও রিফা (২৩)।   দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক যাত্রী জানান, বাসটি দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকায় অনেকে ক্লান্ত হয়ে রেললাইনে বসেছিলেন। হঠাৎ ট্রেন চলে আসায় কেউ সরে যেতে পারলেও কয়েকজন আর উঠতে পারেননি। টাঙ্গাইল রেলওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলটি স্টেশন এলাকা থেকে দূরে হওয়ায় সেখানে সরাসরি তদারকি সম্ভব ছিল না। রেললাইনে অবস্থান করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও অসতর্কতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।   রেলের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় সতর্কতা না মানলে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। এদিকে, ঈদকে ঘিরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনে দেশে ৩৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭৪ জন নিহত হয়েছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি বাড়ছেই: ১২ দিনে সড়ক-রেল-নৌপথে নিহত ২৪১

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ঈদযাত্রা পুরোপুরি শেষ না হলেও প্রাথমিক হিসাবেই ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। মাত্র ১২ দিনেই বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ২৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।   প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, এই সময়ের মধ্যে ২০৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪২ জন নিহত এবং অন্তত ৪৪১ জন আহত হয়েছেন। যদিও ঈদের আগে-পরে মোট ১৫ দিনকে সাধারণত ঈদযাত্রা হিসেবে ধরা হয়, তবে এবারের হিসাব এখনো পূর্ণাঙ্গ নয়।   এদিকে, ১৮ মার্চ রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত দুজন নিহত হন। একই দিন কুমিল্লায় একটি যাত্রীবাহী বাস রেললাইনে উঠে ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে ১২ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হন।   অন্যদিকে, ২৫ মার্চ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে। উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে আরও কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।   সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, ঈদের সময় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বেপরোয়া গতি, চালকের ক্লান্তি ও অদক্ষতা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। গত এক দশকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে দেশে হাজারো দুর্ঘটনায় কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং দুর্বল তদারকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৪২ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বেপরোয়া গতি। পাশাপাশি সড়কের নাজুক অবস্থাও বড় ঝুঁকি হিসেবে কাজ করছে।   তারা মনে করেন, দুর্ঘটনা কমাতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার, দক্ষ চালক তৈরি, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিতকরণ এবং কঠোর আইন প্রয়োগ জরুরি। একই সঙ্গে চালক ও যাত্রীদের সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
পত্রিকা: ‘মিত্ররা পাশে নেই, যুদ্ধে একা ট্রাম্প’

ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার আজকের শিরোনামগুলোতে উঠে এসেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, জ্বালানি সংকট, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা, ঈদযাত্রার চ্যালেঞ্জ ও শিক্ষা খাতের পরিবর্তনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিচে আজকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পত্রিকার প্রধান সংবাদ তুলে ধরা হলো-   আজকের পত্রিকা: ‘মিত্ররা পাশে নেই, যুদ্ধে একা ট্রাম্প’   ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররা সরাসরি সমর্থন দিচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে ন্যাটোর সহায়তা চাইলেও যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স ও গ্রিস এতে অংশ নিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে।   অস্ট্রেলিয়াও একই অবস্থান নিয়েছে, আর জোটের অন্য দেশগুলো এখনো নীরব রয়েছে। এদিকে ইরানের পাল্টা হামলা ও হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ১০৫ ডলারে পৌঁছেছে।   ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে, যা এখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। নয়াদিগন্ত: ‘সাহাবুদ্দিনকে আরো এক বছর রাষ্ট্রপতি রাখতে চায় বিএনপি!’   রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অন্তত আরও এক বছর দায়িত্বে রাখতে চায় বিএনপি এমন তথ্য প্রকাশ করেছে পত্রিকাটি। দলটির একাধিক নেতার সঙ্গে আলাপের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়, এখনই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করলে নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদ সংসদের মেয়াদের সঙ্গে সমান হয়ে যেতে পারে।   সংশ্লিষ্ট নেতারা মনে করছেন, এতে আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় রাষ্ট্রপতি পদে নিজেদের প্রভাব রাখা কঠিন হতে পারে। তাই এক বছর পর পরিবর্তন করলে সংসদের মেয়াদ শেষ হলেও রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনীত ব্যক্তি বহাল থাকার সুযোগ থাকবে।   তারা আরও বলছেন, যেহেতু আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই রাষ্ট্রপতি পদে নিজেদের ঘনিষ্ঠ কেউ থাকলে নির্বাচন ও প্রশাসনিক বিষয়ে কিছুটা সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও এই কৌশলের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   যুগান্তর: ‘রাশিয়া থেকে ডিজেল আনার উদ্যোগ’   মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার। এ অবস্থায় রাশিয়া থেকে প্রায় ৫ লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।   জ্বালানি বিভাগ ইতোমধ্যে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিধিনিষেধ না থাকলে তবেই এই আমদানি কার্যকর করা সম্ভব হবে।   জ্বালানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে তেল আমদানির চেষ্টা করছে এবং রাশিয়াও সম্ভাব্য একটি উৎস। তুলনামূলক কম দামের কারণে রাশিয়ার তেলের প্রতি আগ্রহ রয়েছে।   এদিকে ইন্দোনেশিয়ার বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশমুখী দুটি তেলবাহী জাহাজ আটকে আছে। সেগুলো ছাড়িয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   দ্য ডেইলি স্টার: ‘Shady pilot licences expose Biman to risk’   বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলটদের লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিষ্ঠানটিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে বলে এক তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভুয়া ফ্লাইট রেকর্ড, নিরাপত্তা নীতিমালা লঙ্ঘন এবং জবাবদিহিতার অভাব দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। কিছু পাইলট ভুয়া তথ্য দেখিয়ে পদোন্নতিও পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।   এছাড়া গুরুতর পরিচালনাগত ত্রুটি বা অভিযোগ প্রমাণিত হলেও অনেক পাইলট দায়িত্বে বহাল ছিলেন। চলতি বছরের শুরুতে বিষয়টি সামনে এলে পাঁচজন পাইলটের বিরুদ্ধে তদন্তে কমিটি গঠন করা হয় এবং ফেব্রুয়ারির শুরুতেই সেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।   কালের কণ্ঠ: ‘ঈদযাত্রায় কঠিন চ্যালেঞ্জ’   এবারের ঈদযাত্রা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মহাসড়ক এখনো ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে।   রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রামসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে শত শত কিলোমিটার সড়ক মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে।   এদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনে মোট আসনসংখ্যা প্রায় ৩১ হাজার হলেও ঈদের সময় প্রতিদিন কয়েক লাখ যাত্রী রাজধানী ছাড়েন। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়।   নৌপথেও বাড়তি চাপের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সদরঘাট থেকে ৩৩টি রুটে লঞ্চ চলাচল করলেও ঈদ উপলক্ষে আরও পাঁচটি নতুন রুট যুক্ত করা হয়েছে।   বণিক বার্তা: ‘তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্রে যেতে চায় সরকার’   দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে এবং ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানি কমাতে স্থলভাগ ও সমুদ্রের মোট ৪৭টি ব্লকে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।   জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত উৎপাদন-বণ্টন কাঠামোর আওতায় ২১টি অনশোর এবং ২৬টি অফশোর ব্লকে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে অনুসন্ধানের সুযোগ দেওয়া হবে।   পেট্রোবাংলা ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়েছে এবং সরকারের অনুমতি পেলে দ্রুত দরপত্র আহ্বান করা হবে।   মানবজমিন: ‘নানা শঙ্কায় দুবাই প্রবাসীরা’   মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে দুবাইয়ে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলায় জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লাগায় ফ্লাইট চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। অন্যদিকে আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।   প্রবাসীরা জানিয়েছেন, দৈনন্দিন জীবনযাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্ক তাদের মধ্যে কাজ করছে।   সমকাল: ‘স্কুলে ভর্তির লটারি বাতিল, তীব্র প্রতিক্রিয়া’   সরকার স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি বাতিল করে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর হবে।   তবে এ সিদ্ধান্তে অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, এতে ভর্তি বাণিজ্য ও অনিয়মের ঝুঁকি বাড়তে পারে এবং সারাদেশে এতগুলো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা তদারকি করাও কঠিন হবে।   প্রথম আলো: ‘একসঙ্গে ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু’ দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪ জেলায় এ কার্যক্রম চালু হয়েছে।   দিনাজপুরে একটি খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে পরিকল্পিত উদ্যোগের বিকল্প নেই এবং জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।   দেশ রূপান্তর: ‘নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব’   সরকার গঠনের এক মাস পূর্তিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে।   তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করা হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   নিউ এইজ: ‘Fuel oil crisis persists across country’   সরকার জ্বালানি তেলের রেশনিং তুলে নেওয়ার পরও দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ সংকট অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ফিলিং স্টেশন মালিকরা অভিযোগ করেছেন, চাহিদার তুলনায় কম সরবরাহ পাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।   জ্বালানি বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী মজুত সীমিত রাখার কারণে সরবরাহে এই ঘাটতি দেখা দিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0