বৈশ্বিক জ্বালানি

ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি সংকটের মাঝেই অস্ট্রেলিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ আগুন, সরবরাহে নতুন শঙ্কা

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। দেশটির মেলবোর্নের দক্ষিণ-পশ্চিমে জিলং শহরের কোরিও এলাকায় অবস্থিত ভিভা এনার্জির তেল শোধনাগারে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।   বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, বুধবার মধ্যরাতের কিছু আগে বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে জরুরি সেবাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় ১৩ ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।   ঘটনার সময় শোধনাগারে কর্মরত সকল শ্রমিককে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয় এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এই শোধনাগারটি ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের অর্ধেকের বেশি জ্বালানি চাহিদা পূরণ করে এবং পুরো অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ১০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   ফলে অগ্নিকাণ্ডের প্রভাব জ্বালানি বাজারে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস বোয়েন এক বিবৃতিতে জানান, এই ঘটনায় পেট্রোল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। তবে সীমিত পরিসরে ডিজেল ও জেট ফুয়েলের উৎপাদন চালু রাখার চেষ্টা চলছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এমন এক সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ফলে অস্ট্রেলিয়া আগে থেকেই জ্বালানি চাপে ছিল, আর এই অগ্নিকাণ্ড সেই সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
আগে থেকেই সংকুচিত হরমুজ, তবু কেন অবরোধের ঘোষণা ট্রাম্পের?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী অবরোধের ঘোষণা দিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি জানান, এখন থেকে মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করা জাহাজগুলো নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া শুরু করবে। তার দাবি, নির্দিষ্ট সময় পর জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা হবে, তবে এতে বাধা দিচ্ছে ইরান।   এই ঘোষণায় এক ধরনের দ্বৈত অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। কারণ, এতদিন ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে প্রণালীটি নিঃশর্তভাবে খুলে দেওয়ার আহ্বান জানালেও এখন নিজেরাই অবরোধের পথে হাঁটার কথা বলছে।   বাস্তবতা হলো, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ নয়। ইরান কিছু জাহাজকে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে এবং নিজেদের তেল রপ্তানিও চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি সংঘাত চলাকালেও ইরানের তেল রপ্তানি কমেনি, বরং কিছুটা বেড়েছে।   ইরানের তেল সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করা গেলে দেশটির অর্থনীতিতে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। তবে এর বিপরীতে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এই ঝুঁকির কারণেই এতদিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বাধা দেয়নি এবং কখনও কখনও নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করেছে, যাতে বাজারে সরবরাহ বজায় থাকে।   ইরানের তেলের বড় অংশ যায় চীনে, তবে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ফলে অন্য দেশগুলোর কাছেও সেই তেল পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছিল। একইসঙ্গে বিশ্ববাজারে দামের ভারসাম্য রাখতে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন—জরুরি তেল মজুদ ব্যবহার এবং রাশিয়ার তেল সংক্রান্ত নীতিতে পরিবর্তন।   সবশেষে, কূটনৈতিকভাবে হরমুজ প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার চেষ্টা করেছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু তাতে প্রত্যাশিত ফল না আসায় এখন আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।   সূত্র– সিএনএন

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা

বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি-তে একটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস।   সংস্থাটি জানায়, একটি জাহাজ অজ্ঞাত বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে আগুন ধরে যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর খাওর ফাক্কান শহরের পূর্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে।   ইউকেএমটিও জানায়, তারা বিশ্বজুড়ে জাহাজ থেকে বিপদ সংকেত গ্রহণ করে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ওই অঞ্চলে চলাচলকারী সব জাহাজকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে।   এদিকে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে চলাচল সীমিত করে দিয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেল পরিবহন পথ। এর ফলে বহু জাহাজ ও নাবিক সেখানে আটকা পড়েছে বলে জানা গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি।
দেশের সব ব্যাংকে নতুন কার্যনির্দেশনা জারি

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সব ব্যাংককে অফিসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংরক্ষণে সতর্ক থাকার জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্ন বিবেচনা করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   বুধবার (১১ মার্চ) জারি করা সার্কুলারে ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয়, শাখা ও উপশাখায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারের ওপর একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, লাইট, ফ্যান ও এসি শুধুমাত্র প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে। দিনের আলো বেশি ব্যবহার করা এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামানো যাবে না।   সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, অফিসিয়াল গাড়ি ব্যবহার সীমিত করতে হবে এবং ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভ্রমণ কমাতে হবে। কর্মকর্তাদের গণপরিবহণ বা কার-শেয়ারিং ব্যবহারে উৎসাহিত করা হবে। জেনারেটরের জ্বালানি ব্যবহার সীমিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় সাজসজ্জা ও ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে বোর্ডের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তার কারণে আর্থিক খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর জারি করা বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার সম্পর্কিত পূর্বের নির্দেশনাও কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক বাহিনী। ছবি: এএফপি (ফাইল)
হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজে পাহারা দিতে দ্বিধায় যুক্তরাষ্ট্র: আলোচনায় ইরানের ‘মোজাইক ডকট্রিন’

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইরানের তথাকথিত ‘মোজাইক ডকট্রিন’। মাত্র ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত এই প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল নিরাপদ রাখতে মার্কিন নৌবাহিনী সামরিক পাহারা দিতে এখনো অনাগ্রহ দেখিয়েছে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।   রয়টার্সের ১০ মার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার পর থেকে তেল ও শিপিং খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচলে সামরিক এসকর্ট চেয়ে আসছে। তবে মার্কিন নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত এ ধরনের পাহারা দিতে রাজি হয়নি। কারণ হিসেবে তারা ইরানের সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিকে অত্যন্ত বেশি বলে উল্লেখ করেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। আরব সাগরে মোতায়েন রয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং লোহিত সাগরে রয়েছে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড। এছাড়া আরও একটি ক্যারিয়ার গ্রুপ মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। প্রতিটি পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরীতে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান এবং অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যও তাদের যুদ্ধজাহাজ এই অঞ্চলে পাঠিয়েছে।   তবে বিশ্লেষকদের মতে, এত সামরিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালীর মতো সংকীর্ণ জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ নয়। প্রণালীর সবচেয়ে সরু অংশ মাত্র ৩৩ কিলোমিটার, আর ট্যাঙ্কার চলাচলের কার্যকর করিডোর দুই দিক মিলিয়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত সংকুচিত হয়ে আসে। সংঘাত শুরুর আগে প্রতিদিন এই পথ দিয়ে প্রায় ১৩৮টি তেলবাহী জাহাজ চলাচল করত।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশল যাকে ‘মোজাইক ডকট্রিন’ বলা হয় এই অঞ্চলে বড় শক্তিগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, দ্রুতগতির নৌকা এবং সমুদ্রের মাইন ব্যবহারের মতো বিভিন্ন কৌশল একসঙ্গে প্রয়োগ করে ছোট ছোট ইউনিটের মাধ্যমে আক্রমণের সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে।   মার্কিন নৌবাহিনীর বিশ্লেষকদের মতে, গভীর সমুদ্রে শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি বড় যুদ্ধজাহাজগুলো সংকীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে সব সময় কার্যকর নয়। কারণ একটি ছোট সমুদ্র-মাইনও একটি বড় যুদ্ধজাহাজের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।   এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে ট্যাঙ্কার পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা “যত দ্রুত সম্ভব এবং যৌক্তিক সময়ের মধ্যে” চালু করা হতে পারে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো সামরিক এসকর্ট কার্যক্রম শুরু হয়নি বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।   বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই করিডোরে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0