মৃত্যুদণ্ড

এক বছরে ১৬৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে
এক বছরে ১৬৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে

২০২৫ সালে ইরান এ অন্তত ১ হাজার ৬৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। ১৯৮৯ সালের পর এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যক ফাঁসি কার্যকর হওয়ার ঘটনা।   নরওয়ে-ভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস এবং প্যারিসভিত্তিক টুগেদার অ্যাগেইনস্ট দ্য ডেথ পেনাল্টি যৌথভাবে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে যেখানে ৯৭৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল, সেখানে এক বছরের ব্যবধানে ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪৮ জন নারীও ছিলেন।   এতে আরও বলা হয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র যদি বর্তমান সংকট থেকে টিকে যায়, তাহলে দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে মৃত্যুদণ্ড আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহারের ঝুঁকি রয়েছে।   তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকার টিকে থাকলে দমন-পীড়নের উপায় হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমার স্টেনারগার্ড। ছবি: সংগৃহীত
ইরানে সুইডিশ নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ক্ষুব্ধ ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ইরানে এক সুইডিশ নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ, ২০২৬) সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমার স্টেনারগার্ড এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি তেহরান আগেই ঘোষণা করেছিল। সুইডিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "অত্যন্ত দুঃখের সাথে আমাকে জানাতে হচ্ছে যে, আজ ভোরে ইরানে একজন সুইডিশ নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এই ঘটনা আমাদের জন্য অত্যন্ত মর্মপীড়াদায়ক।" প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ চলাকালীন ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে সুইডেন সরকার বিভিন্ন পর্যায়ে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই নাগরিকের মুক্তি বা আইনি সহায়তার বিষয়ে বারবার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তেহরান তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তিতে লিপ্ত ছিলেন। তবে সুইডেন বা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এই বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সাথে পশ্চিমা দেশগুলোর উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। সুইডিশ সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
সুইডেন ও ইরানের দ্বৈত নাগরিক কুরোশ কেয়ভানি। ছবি: সংগৃহীত
গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে সুইডিশ নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলো ইরান

ইরান বুধবার (১৮ মার্চ) গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক সুইডিশ নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে। এই তথ্য জানিয়েছে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমার স্টেনারগার্ড, যিনি বলেন যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত ছিল না। তিনি আরও বলেন, ইরানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে নিন্দা অব্যাহত থাকবে। খবরটি জানিয়েছে সিএনএন।   ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম অভিযুক্ত নাগরিককে কুরোশ কেয়ভানি হিসেবে শনাক্ত করেছে। কেয়ভানি গত বছর গ্রেপ্তার হন এবং ইসরায়েলের পক্ষে গোয়েন্দা সহযোগিতা ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়। সুইডেন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম প্রকাশ না করলেও ২০২৫ সালের জুন থেকে ইরানের সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ চালাচ্ছিল।   কেয়ভানি সুইডেন ও ইরানের দ্বৈত নাগরিক ছিলেন। ২০২৬ সালে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনি তৃতীয় ব্যক্তি। মানবাধিকার সংস্থা নরওয়েতে ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, গত বছর অন্তত ১৩ জনকে একই অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।   বর্তমানে ইরানে শতাধিক বন্দি মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেককে রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মৃত্যুদণ্ড একটি অমানবিক, নিষ্ঠুর এবং অপরিবর্তনীয় শাস্তি। আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বয় করে এর প্রয়োগের তীব্র নিন্দা জানাই।”

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
শ্রীলঙ্কায় সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা
সংসদ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, শ্রীলঙ্কায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

২০২২ সালের সেই উত্তাল শ্রীলঙ্কাকে হয়তো কেউই ভুলতে পারবেন না। অর্থনৈতিক সংকটে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের ক্ষোভ যখন চরমে, তখন ঘটেছিল এক নজিরবিহীন ঘটনা। গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংসদ সদস্য অমরকীর্তি আথুকোরালাকে পিটিয়ে হত্যার অপরাধে আজ বুধবার ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত।   ঘটনার নেপথ্যে যা জানা যাচ্ছে:   বিক্ষোভের সূত্রপাত: বৈদেশিক মুদ্রার অভাব, খাদ্য ও জ্বালানি সংকটে গোতাবায়ে রাজাপাক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল কয়েক লাখ মানুষ।   সেই ভয়াবহ দিন: কলম্বোর কাছে নিত্তাম্বুয়া শহরে উত্তেজিত জনতা এমপি আথুকোরালার গাড়ি আটকে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।   গণপিটুনি: প্রায় পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীর হাত থেকে বাঁচতে তিনি গুলি চালালে জনতা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত তাকে এবং তার দেহরক্ষীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।   দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। যেখানে ১২ জনকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হলেও, প্রমাণের অভাবে ২৩ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সালের পর থেকে সরাসরি কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হলেও গুরুতর অপরাধে আদালত নিয়মিত এই সাজা প্রদান করে আসছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
একই পরিবারের ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে চীন। ছবি: সংগৃহীত
একই পরিবারের ১১ জনের ফাঁসি কার্যকর করল চীন

মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত শহর লাউককাইং দাপিয়ে বেড়ানো কুখ্যাত ‘মিং’ পরিবারের ১১ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর করেছে চীন।    গত সেপ্টেম্বরে আদালতের রায়ের পর এই সাজা কার্যকর করা হয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, চীন বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলেও মিং পরিবারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ ও নজিরবিহীন।   ২০০৯ সাল থেকে মিয়ানমারের শান রাজ্যের রিমোট বর্ডার টাউন লাউককাইং শাসন করে আসছিল মিং, বাউ, ওয়েই এবং লিউ নামের চারটি প্রভাবশালী পরিবার। বর্তমান সামরিক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের আশীর্বাদে তারা ক্ষমতায় আসে।    একসময় আফিম ও মেথামফেটামিন উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল থাকলেও পরবর্তীতে তারা ক্যাসিনো এবং অনলাইন প্রতারণার (অনলাইন স্ক্যাম) এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলে। তাদের এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর পরোক্ষ সমর্থন ছিল এবং পরিবারের অনেক সদস্য জান্তা সমর্থিত দলের হয়ে নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন।   লাউককাইংয়ের এই স্ক্যাম সেন্টারগুলো এশিয়ার অন্য যেকোনো জায়গার চেয়ে বেশি নৃশংস ছিল। বিশেষ করে মিং পরিবারের পরিচালিত ‘ক্রাউচিং টাইগার ভিলা’ ছিল যমপুরীর মতো। হাজার হাজার চীনা নাগরিককে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে বন্দি করে রাখা হতো এবং তাদের দিয়ে ‘পিগ-বাচারিং’ এর মতো ভয়াবহ অনলাইন জালিয়াতি করানো হতো। সেখানে শারীরিক নির্যাতন ছিল নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টার সময় রক্ষীরা বেশ কয়েকজন চীনা নাগরিককে হত্যা করলে বেইজিং কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।   মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধের সুযোগে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এমএনডিএএ লাউককাইং দখল করে নেয় এবং এই চার পরিবারের প্রধানদের আটক করে চীনের পুলিশের হাতে তুলে দেয়। মিং পরিবারের প্রধান মিং সুয়েচ্যাং ধরা পড়ার পর আত্মহত্যা করেন বলে জানা যায়।    জিজ্ঞাসাবাদে এই পরিবারের এক সদস্য স্বীকার করেছেন যে নিজের ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য তিনি র্যান্ডমলি বা উদ্দেশ্যহীনভাবে একজনকে হত্যা করেছিলেন। চীন এই নৃশংসতার বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে এনেছে যাতে তাদের এই কঠোর শাস্তিকে বিশ্ববাসীর কাছে যৌক্তিক হিসেবে তুলে ধরা যায়।   মিং পরিবারের ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও অন্যান্য পরিবারের বিচার এখনো চলমান। বাউ পরিবারের পাঁচজন বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় আছেন এবং ওয়েই ও লিউ পরিবারের বিচারকাজ এখনো শেষ হয়নি। শুধু মিয়ানমার নয়, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া থেকেও অনলাইন স্ক্যাম সাম্রাজ্যের হোতাদের হস্তান্তরের জন্য চাপ দিচ্ছে চীন।    তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় বড় কেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে গেলেও এই অনলাইন প্রতারণার ব্যবসা এখন মিয়ানমারের নতুন নতুন দুর্গম এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে, যা দমানো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   সূত্র: বিবিসি।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
জাতীয়

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0