নরেন্দ্র মোদি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
মোদির মুখোশ খুলে দেব, এক মঞ্চে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ মমতার!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক লড়াই এখন তুঙ্গে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কলকাতায় এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি এক মঞ্চে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীকে বলুন আমার সঙ্গে এক মঞ্চে বিতর্ক করতে। মুখোশ টেনে খুলে দেব। টেলিপ্রম্পটার ছাড়া তিনি কথা বলতে পারেন না, শুধু সাজানো সাক্ষাৎকার দেন।"   জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী ভোটারদের একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিজেপিকে সিপিএমের থেকেও 'ভয়ঙ্কর' বলে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক ভোটারের নাম তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হচ্ছে। নাম কাটা যাওয়া ভোটারদের দ্রুত ট্রাইব্যুনালে আবেদনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, "যারা নাম কেটেছে, তাদের একটিও ভোট দেবেন না। ভোটের মাধ্যমেই এই নাম কাটার বদলা নিতে হবে।"   মালদার সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বহিরাগতরা এসে বাংলার সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করছে। হায়দরাবাদ থেকে আসা আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "বিহারের মতো এখানেও বিভাজনের রাজনীতি করার চেষ্টা চলছে। সংখ্যালঘু ভোটারদের সতর্ক থাকতে হবে যেন ভোট ভাগ না হয়।" আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি রাজ্যের সিআইডির প্রশংসা করলেও অভিযোগ করেন যে, নির্বাচন কমিশন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় তার হাত পা বাধা।   কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা বলেন, "এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন অশান্তি আটকানো যাচ্ছে না? বাংলার মানুষ আতিথেয়তা দেবে আর ভোট লুট হয়ে যাবে, তা হতে পারে না।" মণিপুর পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে বলেন, "আগে নিজের রাজ্য সামলান, তারপর বাংলার দিকে তাকান।" রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ায় বাংলার নির্বাচনী লড়াই এখন চূড়ান্ত উত্তেজনায় পৌঁছেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও হিন্দুত্ববাদী লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার। ফাইল ছবি
মন্ত্রিত্বের বিনিময়ে ‘শারীরিক সম্পর্ক’? মোদির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সুব্রহ্মণ্যম স্বামী

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্কের ঝড় উঠেছে। বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী অভিযোগ করেছেন যে, একাধিক নারী সংসদ সদস্যকে বিশেষ অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে মন্ত্রীপদ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে আন্তর্জাতিক বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব জেফ্রি এপস্টেইনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ভারতে এমন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।   স্বামীর এই বিস্ফোরক দাবিকে সমর্থন জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ পোস্ট করেছেন এক সময় মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হিন্দুত্ববাদী লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার। তিনি অভিযোগ করেন, নির্দিষ্ট কিছু এমপিকে কিসের ভিত্তিতে মন্ত্রী করা হয়েছে তা হিন্দুত্ববাদী মহলের অনেকেরই জানা। কিশওয়ার এমনকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, হরদীপ সিং পুরী এবং স্মৃতি ইরানির নাম উল্লেখ করে তাদের মন্ত্রী হওয়ার পেছনে ‘বিশেষ পরিষেবার’ ইঙ্গিতপূর্ণ দাবি করেন।   মধুপূর্ণিমা কিশওয়ার এক সময় মোদিকে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তুলনা করলেও, তার এই আকস্মিক অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে স্বামী বা কিশওয়ার—কেউই এখন পর্যন্ত তাদের এই গুরুতর অভিযোগের পক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হলেও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (PMO) বা শাসকদল বিজেপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
অধিকার কেড়ে নিতে দেব না: ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মঞ্চে মোদিকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee কলকাতার ঐতিহাসিক Red Road-এর ঈদের জামাতে অংশ নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-কে কটাক্ষ করে ‘সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী’ বলে মন্তব্য করেছেন।   শনিবার পবিত্র Eid al-Fitr উপলক্ষে রেড রোডে রাজ্যের বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে হালকা বৃষ্টি থাকলেও নামাজ আদায়ে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। দলে দলে মুসল্লির উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলিতে মেতে ওঠেন মুসল্লিরা।   জামাতে যোগ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি বলেন, রাজ্য ও দেশের উন্নয়ন এবং সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করা জরুরি।   এ সময় নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেকের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং এ নিয়ে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, সবার অধিকার রক্ষায় এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।   প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মমতা প্রশ্ন তোলেন, বিদেশ সফরে গিয়ে ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্য দেখানো হলেও দেশে ফিরে বিভাজনের রাজনীতি করা হচ্ছে কি না। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিজিই ভারতের সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী।”   এ ছাড়া তিনি সতর্ক করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে লক্ষ্য করে কোনো ধরনের উসকানি দেওয়া হলে তা প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির ফোনালাপ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-এর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান মোদি।   পোস্টে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলার নিন্দা জানান। একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে নৌপথ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।   মোদি আরও বলেন, ইরানে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেহরানের সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি। বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ফোনালাপকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।   মোদির পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, “ঈদ মোবারক। ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।”   প্রধানমন্ত্রী মোদি রমজান মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এক মাস ধরে ভারতসহ সারা বিশ্বের মুসলমানরা রোজা ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে পবিত্র রমজান পালন করেছেন।” তিনি ঈদকে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা এবং একসঙ্গে থাকার চিরন্তন মূল্যবোধের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।   মোদির আশীর্বাদ, “আমরা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করি। আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও শক্তিশালী হোক।”   ৩০ দিন রোজা রাখার পর আগামী শনিবার বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু । এক্স থেকে নেওয়া
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ইসরায়েল ও নেতানিয়াহুকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানালেন মোদি

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে ইসরায়েল ত্যাগের আগে দেশটির সরকার ও জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, “উষ্ণ আতিথেয়তা এবং ভালোবাসার জন্য ইসরায়েলকে ধন্যবাদ।”   মোদি জানান, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সহধর্মিণী ব্যক্তিগতভাবে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাকে বিদায় জানিয়েছেন, যা তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরগুলোতে ভারত–ইসরায়েল অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।   সফরকালে মোদি ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও প্রতিরক্ষা খাতে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে বলে জানা গেছে।   ইসরায়েলি নেতৃত্বও এ সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে বর্ণনা করেছে। কূটনৈতিক মহলে এই সফর ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। বিদায়বার্তায় মোদি পুনরায় উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের আতিথেয়তা তার হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। সূত্র: ANI

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ইসরাইরের পার্লামেন্টে নরেন্দ্র মোদি
নিরীহ মানুষ হত্যা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়

নরেন্দ্র মোদি ইসরাইল সফরে গিয়ে দেশটির প্রতি ভারতের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ অবস্থান তুলে ধরেন বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরাইলের।   উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস। ওই ঘটনার পর থেকে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান চলমান রয়েছে। মোদি তার বক্তব্যে হামাসের হামলার নিন্দা জানালেও গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।   বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুই দিনের সফরে তেল আবিব পৌঁছান মোদি। পরে তিনি জেরুজালেমে অবস্থিত ইসরাইলি সংসদ ভবনে গিয়ে ভাষণ দেন। সেখানে ৭ অক্টোবরের হামলায় নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছেন এবং যেসব পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের প্রতি ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে।   একই সঙ্গে তিনি বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন। তার ভাষায়, বিশ্বের যে কোনো স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এ কারণে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়, ভারত সেগুলোর পক্ষে থাকবে।   এ সময় আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত Abraham Accords–এর প্রতিও সমর্থন জানান তিনি। পাশাপাশি গাজা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত পরিকল্পনার প্রতিও সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ইসরাইরের পার্লামেন্টে নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়

বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত প্রেক্ষাপটে ইসরাইলের সাথে মৈত্রীর বন্ধন আরও দৃঢ় করার বার্তা দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ইসরাইলে পৌঁছে দেশটির পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ দেওয়া এক ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি ইসরাইলের প্রতি ভারতের পূর্ণ আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। প্রথমবারের মতো কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেসেটে ভাষণ দিয়ে মোদি এক নতুন কূটনৈতিক মাইলফলক স্থাপন করলেন।   মোদির আগমনে বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। নেসেটে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু ভারতকে একটি ‘ভরসার প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং মোদিকে ‘বন্ধুর চেয়েও বেশি, একজন ভাই’ হিসেবে সম্বোধন করেন। তিনি বলেন, ভারত ও ইসরাইলের অভিন্ন স্বার্থ ও মূল্যবোধ দুই দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।   প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ভাষণে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলাকে ‘বর্বর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো লক্ষ্য বা আদর্শই নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের হত্যাকাণ্ডকে যুক্তিযুক্ত করতে পারে না। গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা বিতর্ক থাকলেও মোদি ইসরাইলের সাথে ভারতের অংশীদারিত্বকে বিশ্বশান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ‘অপরিহার্য’ বলে উল্লেখ করেন।   তবে সমর্থনের পাশাপাশি মোদি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির পরিচয়ও দিয়েছেন। তিনি গত নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদিত গাজা শান্তি উদ্যোগের প্রতি ভারতের জোরালো সমর্থনের কথা জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, এই উদ্যোগই মধ্যপ্রাচ্যে একটি টেকসই ও ন্যায়বিচারভিত্তিক শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রকৃত পথ হতে পারে।   প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশ এখন অনন্য উচ্চতায় অবস্থান করছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভারত ইসরাইল থেকে প্রায় ২০.৫ বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করেছে। নতুন এই সফরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তির মতো আধুনিক খাতে সমন্বয় আরও বৃদ্ধির অঙ্গীকার করা হয়েছে।   মোদির এই সফর ভারতের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিরোধী দল কংগ্রেস এবং কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা ফিলিস্তিনিদের অধিকারের প্রশ্নে উদ্বেগ প্রকাশ করে এই সফরের সমালোচনা করেছেন। তবে ইসরাইলি সাংবাদিক গিডন লেভি মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এই সফর দিল্লির ঘনিষ্ঠ ও কৌশলগত সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ। আজ সফরের দ্বিতীয় দিনেও নরেন্দ্র মোদি ইসরাইলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
রণধীর জয়সওয়াল | ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে আগ্রহী নয়াদিল্লি

বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ভারত। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশটিতে একটি গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি নিজেদের সমর্থনের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লি।   শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।   তিনি জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা অংশ নেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে নরেন্দ্র মোদীর একটি বিশেষ চিঠি হস্তান্তর করেন এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।   রণধীর জয়সওয়াল বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ওই চিঠিতে একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি ও সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ভিত্তিতে নতুন প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী ভারত। বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।   সূত্র: ট্রিবিউন নিউজ

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালু

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন পুনরায় ভিসা কার্যক্রম চালু করেছে। গত দুই মাস ধরে ভিসা প্রদান স্থগিত থাকায় ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারছিলেন না। এটি করা হয়েছিল ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু ঘিরে দ্বিপক্ষীয় কূটনীতিক সম্পর্কের অবনতি এবং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার কারণে।   শুক্রবার থেকে হাইকমিশন ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রদান শুরু করেছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার তিন দিনের মাথায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের এই অগ্রগতি ঘটে। নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে।   ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণার আগে, ১৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানান। ফল ঘোষণার পর বিকেলে মোদি তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি সমর্থনের আশ্বাস দেন। ভারতের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার জানানো হয়, তারা শিগগিরই বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম চালু করবে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মন্ত্রীসভার শপথ অনুষ্ঠানে যারা থাকছেন

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ সশরীরে উপস্থিত থাকবেন না। তবে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসবেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মইজ্জু এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।   তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকার আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ গ্রহণ করবে।   ইতোমধ্যে নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারছেন না। ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।   পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফও ঢাকায় আসছেন না। এর পরিবর্তে অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল। এছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রয়েছেন। সোমবারের (১৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে আরও কয়েকজন অতিথির চূড়ান্ত উপস্থিতির তথ্য জানা যেতে পারে।   নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য চীন, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটানসহ মোট ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।   এতে আগে নির্বাচিত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলও তুলে ধরা হয়েছে। ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয়লাভ করেছে। ফলাফল স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। দলটির জোটসঙ্গীরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যান্য শরিকরা ৯টি আসনে জয়লাভ করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লাইয়েন(বামে) ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(ডানে)। ফাইল ছবি: রয়টার্স
নতুন নিরাপত্তা অংশীদারত্বে এগোচ্ছে ইইউ ও ভারত

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা কর্মসূচিগুলোতে ভারতীয় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছে। এক খসড়া নথি অনুযায়ী, এই ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটতে যাচ্ছে, যখন ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সহযোগীতামূলক সম্পর্ক গড়তে চাচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।   উক্ত নথিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা হুমকি, ভূরাজনৈতিক সংঘাতময় পরিস্থিতি এবং প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ইইউ এবং ভারতের মধ্যে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা  বাড়াচ্ছে।   নতুন অংশীদারত্বে প্রতি বছর নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সংলাপ হবে। এতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সাইবার হুমকি, সন্ত্রাসবিরোধী উদ্যোগ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইইউএর বিভিন্ন প্রতিরক্ষা কর্মসূচিতে ভারতের অংশগ্রহণ উভয়পক্ষের জন্য যুতসই ও লাভজনক কিনা, তাও এই আলোচনায় খতিয়ে দেখা হবে।     প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি, মঙ্গলবার ভারত ও ইইউ দীর্ঘ আলোচনার পর একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা করতে যাচ্ছে।   এই নতুন অংশীদারত্ব মূলত ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৌশলগত সম্পর্ক আরও দৃঢ়ই করবে। সেই সাথে পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় উভয়পক্ষের সার্বভৌমত্বের উপর হুমকি মোকাবেলায় এই অংশীদারত্ব ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
জাতীয়

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0