শাহবাগ

শাহবাগ থানার ভেতরে মারধরের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
৭ মার্চের ভাষণ বাজানো নিয়ে রাতে শাহবাগ থানার সামনে উত্তেজনা

রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় পাল্টাপাল্টি স্লোগান ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।   এর আগে দুপুরে রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে সাউন্ড বক্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) কর্মসংস্থান সম্পাদক আসিফ আহমেদসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ব্যবহৃত সাউন্ড বক্সটিও জব্দ করা হয়।   আটকের প্রতিবাদে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে আবার ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে জাতীয় জাদুঘরের ফটকের সামনে একটি রিকশায় স্থাপিত সাউন্ড বক্সে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো শুরু হয়। সেখানে কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।   কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা জানান, আটক শিক্ষার্থীকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত তারা ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এদিকে কর্মসূচির প্রতিবাদে ডাকসু ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানার সামনে পাল্টা অবস্থান নেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে দেখা যায়।   একপর্যায়ে ডাকসুর কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে ভাষণ বাজানো রিকশাসহ ইমিকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় উত্তেজনার মধ্যে ইমির সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে।   ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের বলেন, সাতই মার্চের ভাষণকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মুক্তিযুদ্ধের নাম নিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হচ্ছে। যাকে আটক করা হয়েছে, সে আওয়ামী লীগের চিহ্নিত কর্মী এবং জুলাইয়ের আন্দোলনে হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল।   ঘটনার বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। রাত একটার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আবদুল্লাহ আল মামুন থানায় আটক ছিলেন। আগে থেকে আটক রয়েছেন আসিফ আহমেদ। কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা অন্যরা পরে সেখান থেকে চলে যান এবং ডাকসুর নেতারাও ক্যাম্পাসে ফিরে যান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে ঘিরে শাহবাগে উত্তেজনা, দুজনকে আটক

রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।   শনিবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার বিপরীতে জাতীয় জাদুঘরের ফটকের সামনে সাউন্ডবক্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর একটি কর্মসূচি শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রতিরোধ পর্ষদের ভিপি প্রার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।   প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি রিকশায় স্থাপন করা সাউন্ডবক্সে ভাষণ বাজানো হচ্ছিল। সেখানে ইমিসহ বামপন্থি কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলের আশপাশে পুলিশ থাকলেও শুরুতে কর্মসূচিতে বাধা দিতে দেখা যায়নি।   সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অস্তিত্ব মুছে ফেলা যাবে না। আটক হওয়া সৈকতের প্রতিবাদেই তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানান তিনি।   তবে কিছু সময় পর একদল শিক্ষার্থী সেখানে এসে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজনা বাড়লে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মাইক বহনকারী রিকশাটি সরিয়ে দেয় এবং সাউন্ড সিস্টেম খুলে ফেলার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়।   পরে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।   এ সময় সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী বলেন, আটক হওয়া আসিফ আহমেদ সৈকত নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি দাবি করেন, গত ১৫ জুলাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায়ও সৈকতের সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে।   তিনি আরও অভিযোগ করেন, ৭ মার্চের ভাষণের আড়ালে ক্যাম্পাসে আবার ছাত্রলীগের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।   এর আগে শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং শহিদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক আসিফ আহমেদ সৈকতকে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকা থেকে সাউন্ডবক্সসহ আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৭, ২০২৬ 0
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছার ও তার স্ত্রী ফারজানা জাহান নীলা। ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে শাহবাগে পুলিশের হামলার মুখে জুলাই শহীদ ওমরের স্ত্রী

রাজধানীর শাহবাগে সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে আহত হয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ইঞ্জিনিয়ার ওমর বিন নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা জাহান নীলা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতিসংঘের অধীনে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তের দাবিতে আন্দোলনরতদের ওপর পুলিশের অভিযান চলাকালে তিনি আহত হন।   রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে ফারজানা জাহান নীলা বিষয়টি জানান। তিনি লেখেন, চাকরির ইন্টারভিউ দিতে শাহবাগে গিয়ে হঠাৎ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন। ইন্টারভিউ শেষে বের হয়ে চারদিকে স্লোগান, মানুষের ভিড় এবং টিয়ারশেলের শব্দ শুনতে পান। অল্প সময়ের মধ্যেই পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ভিড়ের চাপে তার পা মচকে যায় এবং তিনি গুরুতর ব্যথা পান।   তিনি আরও লেখেন, আশ্রয়ের জন্য একটি ফার্মেসিতে ঢুকে পড়েন এবং সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে ছিলেন। পরে কয়েকজনের সহায়তায় রিকশায় করে বাসায় ফিরতে সক্ষম হন। বর্তমানে তার পায়ে তীব্র ব্যথা ও ফোলা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে হাদি ও ওমরসহ সকল শহীদের হত্যার বিচার দাবি করেন।   উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের সময় গত বছরের আগস্টে রাজধানীর উত্তরায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ওমর বিন নুরুল আবছার (২২)। তিনি বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ট্রেনিং সেন্টারের প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং পরবর্তীতে তার মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ইনকিলাব মঞ্চ ও পুলিশের সংঘর্ষ
ইনকিলাব মঞ্চ ও পুলিশের সংঘর্ষে উত্তাল শাহবাগ, যা বলছে সরকার

শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজপথ। ওসমান হাদি হত্যার তদন্তের দাবিতে আয়োজিত এই বিক্ষোভ দমনে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহার করেছে পুলিশ। একদিকে শতাধিক আহত হওয়ার দাবি আন্দোলনকারীদের, অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে প্রকৃত পরিস্থিতি। আসলে কী ঘটেছিল সেখানে? বিস্তারিত জেনে নিন।   ঘটনার মূলবিন্দু ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকেই প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন 'যমুনা'র সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিকেলে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের মোড় ও শাহবাগ এলাকায় অবরোধ সৃষ্টি করলে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। রাত পৌনে ৮টার দিকে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের মাধ্যমে এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।   ইনকিলাব মঞ্চের অভিযোগ সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ফেসবুক লাইভে এসে দাবি করেন, পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাদের অনেক কর্মীকে রক্তাক্ত করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, অনেক পুলিশ সদস্যের গায়ে নেমপ্লেট ছিল না এবং তারা মাস্ক পরে হামলা চালিয়েছে—যা বিগত ফ্যাসিবাদী আমলের কথা মনে করিয়ে দেয়। তাদের দাবি অনুযায়ী, পুলিশের গুলিতে শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।   সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, 'যমুনা' ও এর আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা জলকামানের ওপর উঠে পড়লে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। তবে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি। ঢাকা মেডিকেলের তথ্য অনুযায়ী, আহত ২৩ জনের কারো শরীরে গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। জননিরাপত্তা ও প্রধান উপদেষ্টার সুরক্ষায় আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে।   জাতিসংঘের তদন্ত ও সরকারের প্রতিশ্রুতি বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের আইনগত দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং আগামী রোববার এ বিষয়ে জাতিসংঘকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে। আসন্ন নির্বাচন ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সবাইকে ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
জাতীয়

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0