স্বর্ণ

ভারতের মাটির নিচে ‘স্বর্ণের পাহাড়’। ছবি: সংগৃহীত
মাটির নিচে বিপুল স্বর্ণভাণ্ডার, তবুও আমদানিনির্ভর ভারত

ভারত-এর ভূগর্ভে প্রায় ৫০ কোটি টন স্বর্ণ আকরিক মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু এত বড় সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দেশটি এখনো স্বর্ণের জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে শশী থারুর এই পরিস্থিতিকে ভারতের জন্য এক ধরনের ‘স্বেচ্ছায় তৈরি সংকট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।   তার মতে, ভারতে স্বর্ণ শুধু গয়না নয়—এটি সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার প্রতীক। কিন্তু এই বিশাল চাহিদা মেটাতে দেশীয় উৎপাদন অত্যন্ত সীমিত, বছরে আনুমানিক দেড় টনের মতো। ফলে অস্ট্রেলিয়া, ঘানা এবং পেরুসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ আমদানি করতে হচ্ছে, যার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার বড় অংশ বাইরে চলে যাচ্ছে।   কেন পিছিয়ে খনি খাত? শশী থারুরের বিশ্লেষণে ভারতের খনি শিল্প পিছিয়ে থাকার কয়েকটি প্রধান কারণ তুলে ধরা হয়েছে— জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া: খনি চালুর জন্য দীর্ঘ ও জটিল অনুমোদন প্রক্রিয়া বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। উচ্চ করের চাপ: খনি খাতে কর ও রয়্যালটির পরিমাণ বেশি হওয়ায় অনেক কোম্পানির জন্য এই খাতে বিনিয়োগ লাভজনক হয় না। নীতিগত সীমাবদ্ধতা: খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এখনও রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পাচ্ছে, যা শিল্পের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে।   কী করা যেতে পারে? এই পরিস্থিতি বদলাতে কয়েকটি সংস্কারের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে— সহজ অনুমোদন ব্যবস্থা: দীর্ঘমেয়াদী নিশ্চয়তা দিয়ে ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ পদ্ধতিতে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করা। কর ছাড়: নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রাথমিক পর্যায়ে কর সুবিধা দেওয়া। আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি: আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানিগুলোকে যুক্ত করে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ খনন নিশ্চিত করা।   বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির অস্থিরতায় স্বর্ণকে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে ধরা হয়। এমন পরিস্থিতিতে নিজের ভূগর্ভস্থ সম্পদ কাজে লাগাতে না পারলে ভারতের আমদানিনির্ভরতা আরও বাড়তে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, সঠিক নীতি ও সংস্কারের মাধ্যমে এই লুকিয়ে থাকা সম্পদকে কাজে লাগানো গেলে দেশটির অর্থনৈতিক শক্তি অনেকটাই বাড়তে পারে।   সূত্র: এনডিটিভি

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো।
ভরিতে ২৫ হাজার টাকা কমল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ২৫ হাজার টাকা হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্যে এই বড় পরিবর্তনের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।   বাজুস-এর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগে, গত ১১ই মার্চ এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লক্ষ ৮৭ হাজার ২৬২ টাকা।   অন্যান্য ক্যারেটের ক্ষেত্রেও দাম কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। বর্তমানে বাজারে:   ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লক্ষ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা।   ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লক্ষ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা।   উল্লেখ্য যে, গত ১১ই মার্চের পর থেকে মাত্র এক সপ্তাহে মোট পাঁচবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার প্রতিবারই দাম কিছুটা করে কমেছে। গত এক বছরে স্বর্ণের বাজারে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও, সাম্প্রতিক এই দরপতন বাজারে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই নিম্নমুখী প্রবণতা কতদিন স্থায়ী হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণের দাম
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়ল স্বর্ণের দাম

টানা দুইবারের পতনের পর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বেড়েছে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।   নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।   এর আগে সোমবার সকালে বাজুস ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে স্বর্ণের দাম ৩৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ২৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৪ বার কমানো হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
৯ মার্চ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত
৯ মার্চ: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

টানা ছয়বার বাড়ার পর এবার দুইবার কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে, যা কার্যকর হয়েছে সোমবার (৯ মার্চ) থেকে।   নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৭ টাকা। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ডের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।   বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ কিনতে খরচ পড়বে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা, যা আগের দিন ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা ছিল। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।   গত দুই সপ্তাহে স্বর্ণের দাম ছয়বার বেড়েছিল এবং এরপর দুইবার কমেছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৩৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৪ বার বৃদ্ধি এবং ১৪ বার দাম কমানো হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
স্বর্ণের দাম ফের বাড়ল
স্বর্ণের দাম ফের বাড়ল

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে।   নতুন সমন্বয় অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, যা আগের দামের চেয়ে ২ হাজার ২১৬ টাকা বেশি।   সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্যের বৃদ্ধির কারণে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।   নতুন স্বর্ণের দাম ২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৬১,০৪০ টাকা প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট: ২ লাখ ৪৯,১৪৩ টাকা প্রতি ভরি ১৮ ক্যারেট: ২ লাখ ১৩,৫৬৮ টাকা প্রতি ভরি সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৭৪,৭৮৫ টাকা প্রতি ভরি বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্বর্ণের মূল্যে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হার কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।   এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারি স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮,৮২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা আগের দামের থেকে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বেশি ছিল।   চলতি বছরে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৩২ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ১২ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছে এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।   রুপার দাম অপরিবর্তিত   স্বর্ণের দাম বেড়ালেও রুপার দাম একই রাখা হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬,৭০৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতি ৪,০৮২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।   চলতি বছরে রুপার দাম ১৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ১১ বার বেড়েছে এবং ৭ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমানো হয়েছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: খালিজ টাইমস
বিশ্বে প্রথম স্বর্ণের সড়ক নির্মাণ করছে দুবাই

বিশ্বে প্রথম স্বর্ণ দিয়ে সড়ক নির্মাণ করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। রাস্তাটির নাম হবে ‘গোল্ড স্ট্রিট’। আর এটি নির্মাণ করা হবে আমিরাতের গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে। তবে বিস্তারিত তথ্য ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে দুবাই গোল্ড ডিস্ট্রিক্টের উদ্বোধনের সময় এই ঘোষণা দেয় রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ইথরা দুবাই। খবর খালিজ টাইমসের  ‘হোম অব গোল্ড’ নামে পরিচিত গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে স্বর্ণ ও গয়নাশিল্প-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম এক ছাদের নিচে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে খুচরা ও পাইকারি বাণিজ্য, বুলিয়ন ট্রেড, বিনিয়োগ, স্বর্ণ ব্যবসা এবং সংশ্লিষ্ট লাইফস্টাইল খাত অন্তর্ভুক্ত থাকবে।   বর্তমানে এই ডিস্ট্রিক্টে এক হাজারের বেশি খুচরা বিক্রেতা রয়েছে। যেখানে স্বর্ণালংকার ছাড়াও পারফিউম, কসমেটিকস ও লাইফস্টাইল পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ইতিমধ্যে জাওহারা জুয়েলারি, মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস, আল রোমাইজান ও তানিশক জুয়েলারির মতো বড় ব্র্যান্ড এখানে তাদের ফ্ল্যাগশিপ স্টোর স্থাপন করেছে। জুয়েলারি ব্র্যান্ড জয়ালুক্কাস মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সবচেয়ে বড়- ২৪ হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালুর ঘোষণা দিয়েছে।   ইথরা দুবাইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইসাম গালাদারি বলেন, গোল্ড ডিস্ট্রিক্ট দুবাইয়ের ঐতিহ্য, বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে একত্রিত করবে।   দুবাই ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমি অ্যান্ড ট্যুরিজমের অধীন দুবাই ফেস্টিভ্যালস অ্যান্ড রিটেইল এস্টাবলিশমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ আল খাজা বলেন, ‘স্বর্ণ দুবাইয়ের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা ঐতিহ্যকে সম্মান জানাচ্ছি এবং একই সঙ্গে সৃজনশীল ও টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’   উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রায় ৫৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলারের স্বর্ণ রপ্তানি করেছে। দেশটি বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্বর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

প্রতীকী ছবি
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে পাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে ব্রাজিল থেকে ধরে আনা হলো বাংলাদেশিকে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0