সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

ছবি: সংগৃহীত
যিশুর আদলে ছবি পোস্ট করে সমালোচনায় ট্রাম্প, শেষ পর্যন্ত মুছে ফেললেন

নিজেকে যিশুর আদলে উপস্থাপন করে একটি ছবি পোস্ট করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে বিতর্ক বাড়তে থাকায় তিনি ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে মুছে ফেলেন।   ট্রাম্পের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ পোস্ট করা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ওই ছবিতে দেখা যায়, সাদা পোশাকে ট্রাম্প একজন অসুস্থ ব্যক্তির কপালে হাত রেখে তাকে সুস্থ করে তুলছেন। অনেকেই ছবিটিকে যিশুর অলৌকিক নিরাময়ের ঘটনার সঙ্গে তুলনা করেন।   ছবিটি প্রকাশের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গন ও ধর্মীয় মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এমনকি ট্রাম্পের সমর্থকদের মধ্য থেকেও সমালোচনা উঠে আসে।   খ্রিষ্টান কর্মী শন ফিউচট ছবিটি অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একইভাবে রক্ষণশীল কর্মী রাইলি গেইনস মন্তব্য করেন, ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে এমন উপস্থাপন অনুচিত। খ্রিষ্টান ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের সাংবাদিক ডেভিড ব্রোডিও এটিকে ‘সীমা অতিক্রম’ হিসেবে উল্লেখ করেন।   তবে সমালোচনার মুখে পড়লেও ট্রাম্প প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেননি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ছবিটি তাকে একজন ‘চিকিৎসক’ হিসেবে তুলে ধরেছে। তার ভাষায়, ‘আমি মানুষকে ভালো করি, অনেক ভালো করি।’   উল্লেখ্য, এই ছবি পোস্টের কয়েক ঘণ্টা আগেই ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ-এর সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। পোপ সাম্প্রতিক সংঘাতকে ‘অমানবিক সহিংসতা’ হিসেবে অভিহিত করায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। ফাইল ছবি
ফেনী সীমান্তে শিরীন শারমিন আটক—ফটোকার্ড নিয়ে যা জানা গেল

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয়—ফেনী সীমান্ত থেকে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ১০০ ভরি স্বর্ণসহ আটক করা হয়েছে। ফটোকার্ডটি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের নামে প্রচার করা হয়, যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।   তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ দাবি সঠিক নয়। ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা রিউমর স্ক্যানার জানায়, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করা হলেও তা ফেনী সীমান্ত থেকে নয় এবং তার কাছে কোনো স্বর্ণ পাওয়া যায়নি।   তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।   অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ভাইরাল হওয়া ফটোকার্ডটি Channel 24-এর নামে তৈরি করা হলেও সেটি বিকৃত। মূল ফটোকার্ডের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, প্রচারিত ছবিতে পুলিশ সদস্যদের হাতে স্বর্ণের বারভর্তি একটি ব্যাগ যুক্ত করা হয়েছে, যা আসল ছবিতে ছিল না।   বিষয়টি যাচাই করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণ টুল ব্যবহার করা হলে দেখা যায়, ছবিটি কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।   এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলের আসল পোস্ট ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে নিশ্চিত হওয়া যায়, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকেই আটক করা হয়েছে।   পরে আদালতে তাকে একটি মামলায় হাজির করা হলে রিমান্ড ও জামিন—উভয় আবেদনই নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।   সব মিলিয়ে, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ফেনী সীমান্ত থেকে স্বর্ণসহ আটক করার যে দাবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
রাজনীতি নয়, আপাতত ক্রিকেটেই মনোযোগ: বিতর্কের জবাবে সাকিব আল হাসান যা বললেন

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন সাকিব আল হাসান। তাঁর ক্রিকেটে ফেরা ও রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। গত ৫ এপ্রিল দ্য ডেইলি স্টার-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে সাকিব তাঁর ক্রিকেটে ফেরা এবং রাজনীতিতে ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততা নিয়ে কথা বলেন। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। এই পরিস্থিতিতে ৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেন সাকিব। পোস্টে তিনি লেখেন, সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি পরিষ্কার করতে চান—এই মুহূর্তে তাঁর পুরো মনোযোগ শুধুই ক্রিকেটে। ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসে জাতীয় দলের হয়ে নিজের সেরাটা দিতে চান এবং সুযোগ পেলে দেশকে আরও ভালো পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তাঁর। রাজনীতি প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, একটি দেশের উন্নয়নে রাজনীতির গুরুত্ব রয়েছে। তবে ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ করার আগে তিনি কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমে মনোযোগ দিতে চান না। ভবিষ্যতে দেশের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থাকলেও সেটি শুধু রাজনীতির মাধ্যমেই করতে হবে—এমনটা নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পোস্টের শেষাংশে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করে বলেন, লাল-সবুজের জার্সিতে হাসিমুখে নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ করতে চান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
সিমরিন লুবাবা। ছবি: সংগৃহীত
শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা বিয়ে করলেন, পোস্ট ঘিরে জল্পনা, চুপ পরিবার

আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী-মডেল সিমরিন লুবাবা-এর বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে নিজের ফেসবুক-এ একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ। দুইটি আত্মা, এক কিবলা। দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য। আল্লাহ আমাকে একজন দ্বীন শেখার সঙ্গী উপহার দিয়েছেন।” এই পোস্ট থেকেই মূলত বিয়ের আলোচনা শুরু হয়েছে।   যদিও পোস্টটি তাঁর ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে, লুবাবার বিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো নিশ্চিত হয়নি। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মা জাহিদা ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়া পরিবারের সূত্র থেকেও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।   লুবাবার পোস্টে থাকা ছবিতে বর ও কনের চেহারা পরিষ্কার নয়। পাত্রের পরিচয়ও তিনি প্রকাশ করেননি। ফলে কে তাঁর জীবনসঙ্গী তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকে পাত্রকে বিদেশপ্রবাসী বা আলেম বলে দাবী করলেও এর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   গত বছরের শেষদিকে হঠাৎ করেই বিনোদন জগৎ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন লুবাবা। তখন তিনি জানিয়েছেন, ধর্মীয় অনুশীলনের দিকে মনোনিবেশ এবং জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে চান। সেই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর ব্যক্তিজীবন নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সিমরিন লুবাবার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিলেও বিয়ে সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
তাইজুল ইসলাম
আমি শিক্ষিত না, আমাকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় করাবেন না: তাইজুল ইসলাম

মাত্র কয়েক দিন আগেও যাকে কেউ চিনত না, সেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চরাঞ্চলের তরুণ তাইজুল ইসলাম এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তাজু ভাই’ নামে ভাইরাল। একটি সাধারণ প্রশ্ন“জিলাপির দাম কত?”তাকে এনে দিয়েছে ব্যাপক পরিচিতি।   গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বাজারে দাঁড়িয়ে তাজু প্রশ্ন করেন, “আজকে সরকারি রেটে সাদা জিলাপি কত, লালটা কত?”এই সরল ও আন্তরিক উপস্থাপনাই মুগ্ধ করেছে নেটিজেনদের। ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ মানুষ দেখেছেন। কয়েক দিনের ব্যবধানে তার অনুসারীর সংখ্যাও হাজার থেকে বেড়ে লাখে পৌঁছেছে।   তবে ভাইরাল হওয়া এই হাসির আড়ালে রয়েছে সংগ্রামের বাস্তবতা। তাজু একটি অভাবী পরিবারের বড় ছেলে। তাঁর বাবা-মা দুজনই শ্রবণ প্রতিবন্ধী। আট সদস্যের পরিবার নিয়ে অন্যের জমিতে একটি জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করেন তারা। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কখনো স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পাননি তিনি।   জীবিকার তাগিদে ঢাকায় রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করেন তাজু। কঠোর পরিশ্রমের ফাঁকে মোবাইল ফোনে ভিডিও তৈরি করাই তার একমাত্র স্বস্তি। নিজের ভাষায়, “আমি সাংবাদিক না… আমাদের এলাকায় সাংবাদিক আসে না… তাই আমি নিজেই মানুষের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করি।” তিনি জানান, ভিডিও তৈরি তার কাছে শুধু বিনোদন নয় বরং নিজের কষ্ট ভুলে থাকার উপায় এবং অবহেলিত চরাঞ্চলের মানুষের জীবনচিত্র তুলে ধরার একটি মাধ্যম।   নাগেশ্বরীর দুর্গম চরাঞ্চলে পৌঁছাতে একাধিক নৌপথ অতিক্রম করতে হয়, ফলে গণমাধ্যমের উপস্থিতি সেখানে খুবই সীমিত। এই বাস্তবতায় তাজুর ভিডিও অনেকের কাছে নতুন এক জানালার মতো হয়ে উঠেছে।   ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাজুকে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ প্রশংসা করছেন, আবার কেউ করছেন সমালোচনা ও ট্রল। তবে এসব বিষয়ে তাজুর প্রতিক্রিয়া সহজ-সরল “আমি বোকাসোকা মানুষ, ভুল হতেই পারে। ট্রল করলে আমার কষ্ট নেই। আমি শুধু চাই আমাদের চরের উন্নয়ন হোক।”   নিজের কোনো পাকা ঘর নেই, ঝড়-বৃষ্টিতে বসতভিটা হারানোর শঙ্কা নিয়েই দিন কাটে তার। তবুও স্বপ্ন দেখেন একদিন সবকিছু বদলে যাবে।   তাজুর কথাবার্তা হয়তো পরিপাটি নয়, কিন্তু তার প্রশ্নের ভেতরে রয়েছে জনস্বার্থের ইঙ্গিত। তিনি কি শুধুই ভাইরাল কনটেন্ট নির্মাতা, নাকি অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

দক্ষিণ আফ্রিকার মিরক্যাট রেডিও টেলিস্কোপ ওই সংকেতটি শনাক্ত করেছে।
বিশ্ব

৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে এল শক্তিশালী লেজার সংকেত, তাজ্জব বিজ্ঞানীরা!

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0