ক্যাম্পাস

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাশের হার ৭.৪৬ শতাংশ

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক লাখ দুই হাজার ৯৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন সাত হাজার ৬২১ জন। পাশের হার সাত দশমিক ৪৬ শতাংশ।

 

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, 

  • এ বছর এক হাজার ৮৯১ টি আসনের বিপরীতে এক লাখ ১৪ হাজার ১১৪ জন আবেদন করেন,
  • পরীক্ষায় অংশ নেন এক লাখ দুই হাজার ৯৩ জন,
  • উত্তীর্ণ হয়েছেন সাত হাজার ৬২১ জন। 

তার মধ্যে-

  • বিজ্ঞান শাখার সাত হাজার ২১২ জন, 
  • মানবিক শাখার ৩০০ জন এবং 
  • ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ১০৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। 
  • চার হাজার ২৭৮ জনের পরীক্ষা বাতিল হয়েছেন,
  • পাশের হার সাত দশমিক ৪৬ শতাংশ। 

 

গত ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের নাফিম ফুয়াদ ফাতিন প্রথম, নটরডেম কলেজের মাহির আহমেদ দ্বিতীয় এবং নটরডেম কলেজের নাবিদ হাসান তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন।

 

পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটে জানা যাবে। এছাড়া, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক অথবা টেলিটক মোবাইল নম্বর থেকে DU SCI ˂roll no˃ টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে পাঠালে ফিরতি SMS-এ ফল জানা যাবে।

 

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আগামী ২৭ জানুয়ারি বিকাল তিনটা থেকে পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিকাল তিনটা পর্যন্ত বিস্তারিত ফরম ও বিষয়ের পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে পারবেন। 

 

বিভিন্ন কোটায় আবেদনকারীদের আগামী এক ফেব্রুয়ারি থেকে পাঁচ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোটার ফরম বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিস থেকে সংগ্রহ ও যথাযথভাবে পূরণ করে উক্ত সময়ের মধ্যে ডিন অফিসে জমা দিতে হবে। ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ফি সাপেক্ষে ২৭ জানুয়ারি থেকে এক ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে আবেদন করা যাবে। তিন ফেব্রুয়ারি সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

ক্যাম্পাস

View more
সারাদেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
সারাদেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আজ সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।   শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। বোর্ডভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বোর্ডে অংশ নিচ্ছে।   সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মানবিক বিভাগে সর্বাধিক ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ২১ হাজার ১৮৪ জন। বেশিরভাগ বিভাগেই ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছাত্রদের তুলনায় বেশি।   এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।   পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ। সব পরীক্ষাকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রের আশপাশে ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে অননুমোদিত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।   পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য সহনশীল ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টরা গুরুত্ব দিচ্ছেন।   সূচি অনুযায়ী, আজ বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে। এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যানে নতুন রেকর্ড: চরম ভোগান্তিতে বাংলাদেশি ও ভারতীয়রা

ছবি: সংগৃহীত

বেরোবিতে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা’; নববর্ষ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি

ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

নিজের মৃত্যুর গুজবে অবাক রাফিয়া; স্ট্যাটাসে জানালেন ‘আমি সুস্থ আছি’

ছবি: সংগৃহীত।
‘লিডনেক্সট ২০২৬’ ফেলোশিপ, এশিয়া ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আবেদন করুন এখনই

বিশ্বমঞ্চে আগামীর দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘লিডনেক্সট ২০২৬: অ্যাম্বাসেডর ফর এ গ্লোবাল ফিউচার’ (LeadNext 2026: Ambassadors for a Global Future) প্রোগ্রামের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে এশিয়া ফাউন্ডেশন। এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং যুক্তরাষ্ট্রের উদীয়মান তরুণ নেতাদের জন্য এটি একটি অনন্য সুযোগ, যেখানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মিলবে ক্যালিফোর্নিয়া ভ্রমণের সুযোগ। এটি চার মাস মেয়াদী একটি হাইব্রিড (অনলাইন ও সরাসরি) ফেলোশিপ প্রোগ্রাম। নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা অভিজ্ঞ মেন্টরদের তত্ত্বাবধানে ভার্চুয়াল মাস্টারক্লাসে অংশ নেবেন। প্রোগ্রামের শেষ পর্যায়ে আগামী বছরের (২০২৬) সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকো বে-এরিয়াতে এক সপ্তাহব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেবেন তারা। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরা, যারা সমাজ পরিবর্তন বা নেতৃত্বে আগ্রহী, তারা এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তরুণদের জন্য এটি একটি বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আয়োজক সংস্থা এশিয়া ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এই প্রোগ্রামের যাবতীয় খরচ (আবাসন, যাতায়াত ও প্রশিক্ষণ) তারা বহন করবে। বিশেষ করে অংশগ্রহণকারীদের মার্কিন ভিসা প্রাপ্তিতে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হবে। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ভিসা সাপোর্ট লেটার প্রদান, ফি মওকুফ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং নতুন কার্যকর হতে যাওয়া ‘ভিসা ইন্টিগ্রিটি ফি’ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা: আবেদনের শেষ সময়: ৫ মে, ২০২৬ (যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন টাইম অনুযায়ী)। ফলাফল ঘোষণা: জুন মাসের শুরুতে। ক্যালিফোর্নিয়া সামিট: ১৯ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ধরণের আন্তর্জাতিক বিনিময় প্রোগ্রাম দক্ষ জনশক্তি ও নেটওয়ার্ক তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যারা উচ্চশিক্ষা বা পেশাদার ক্যারিয়ারে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান, তাদের জন্য ‘লিডনেক্সট’ একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এশিয়া ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের গাড়িতে হামলা; অটোপাশের দাবি প্রত্যাখ্যান

ফাইল ছবি

রাবি ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপন করবেন প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী, থাকছে বিশেষ আয়োজন

নিহত শিক্ষার্থী দীপা দাস। ফাইল ছবি

গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শারমিন জাহান | ছবি: সংগৃহীত
সাভারের বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যা সন্দেহ

সাভারের ইসলামনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।   নিহত ছাত্রীর নাম শারমিন জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১তম আবর্তনের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। শারমিন তার স্বামী ফাহিম আল হাসানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।   শারমিনের স্বামীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় ফিরে তিনি দেখেন বাসার প্রধান দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে বিকল্প উপায়ে ভেতরে প্রবেশ করে মেঝেতে শারমিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তিনি নিস্তেজ অবস্থায় ছিলেন। পরে বাসার মালিক ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাকে দ্রুত সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   এ বিষয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি অফিসার ইউসুফ আলী জানান, বিকেল সোয়া ৫টার দিকে শারমিনকে হাসপাতালে আনা হয় এবং তখন তিনি মৃত অবস্থায় ছিলেন।   ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী। প্রক্টর বলেন, তারা ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছেন। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনকে সঠিক তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়েছে।   আশুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন, এটি একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

‘জুলাই ঐক্য’: রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণের দাবি

অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন। ছবি: সংগৃহীত

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাবি অধ্যাপক জামাল উদ্দীন গ্রেফতার

ছবি: সংগৃহীত।

টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনা, ঢাবির ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

0 Comments