বিনোদন

একুশে পদক পাচ্ছেন ববিতা, আইয়ুব বাচ্চুসহ ৯ ব্যক্তি

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
একুশে পদক পাচ্ছেন ববিতা, আইয়ুব বাচ্চুসহ ৯ ব্যক্তি
একুশে পদক পাচ্ছেন ববিতা, আইয়ুব বাচ্চুসহ ৯ ব্যক্তি

২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা, প্রয়াত ব্যান্ডসংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু, সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ওয়ারফেজকে মনোনীত করেছে সরকার।

 

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

 

একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন—
চলচ্চিত্রে ফরিদা আক্তার ববিতা,
চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (প্রয়াত),
নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার
এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

 

এ ছাড়া সংগীত ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ওয়ারফেজকেও একুশে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। একুশে পদকের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রক ব্যান্ড জাতীয় পর্যায়ের এই সম্মাননার জন্য বিবেচিত হলো। নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলাদেশের রক সংগীতকে মূলধারায় পরিচিত করে তুলতে ওয়ারফেজের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

 

একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা। ভাষা আন্দোলনের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৭৬ সাল থেকে ভাষা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, শিক্ষা, গবেষণা, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক প্রদান করা হচ্ছে। প্রতি বছর মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মনোনীতদের হাতে এই পদক তুলে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিনোদন

View more
ভারতীয় অভিনেত্রী নুসরত জাহান | ছবি: সংগৃহীত
রেশন দুর্নীতি ও গম পাচার মামলায় বিপাকে নুসরত জাহান; সিজিও কমপ্লেক্সে তলব

রেশন দুর্নীতি এবং বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গম পাচার মামলায় বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছেন টলিউড অভিনেত্রী ও বসিরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য নুসরত জাহান। এই দুর্নীতির তদন্ত প্রক্রিয়ায় নুসরতকে আগামীকাল সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হওয়ার জন্য তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তবে সূত্র মারফত জানা গেছে, অভিনেত্রী কলকাতায় ইডির দপ্তরে না গিয়ে দিল্লির সদর দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।   তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, যখন বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ সরকারি গম পাচারের অভিযোগ ওঠে, সেই সময় নুসরত জাহান বসিরহাটের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, এই পাচারচক্রের আর্থিক লেনদেনের সাথে অভিনেত্রীর কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। রেশন দুর্নীতির একটি বিশেষ সূত্র ধরেই তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে জানা গেছে।   ব্যক্তিগত জীবনে স্বামী যশ দাশগুপ্তর সঙ্গে সময় কাটানো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকলেও এই স্পর্শকাতর মামলা নিয়ে নুসরত এখনও প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। এর আগেও বাণিজ্যিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছিলেন তিনি। বর্তমানে বিনোদন জগত থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখলেও এই নতুন আইনি পদক্ষেপের ফলে আবারও নেটিজেনদের চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছেন এই তারকা-রাজনীতিবিদ।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
অভিনেত্রী পূর্ণিমা | ফাইল ছবি

নিজের সৌন্দর্য নিয়ে ভক্তদের প্রশংসা বনাম বাস্তবতা: যা বললেন ঢাকাই সিনেমার ‘পরীর মতো’ পূর্ণিমা

রুকাইয়া জাহান চমক | ছবি: সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী অভিনেত্রী চমক; প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের দাবি

মার্কিন গায়ক ও টিকটক সেনসেশন ডেভিড বার্ক

টেসলা গাড়িতে মিলল কিশোরীর মরদেহ: জনপ্রিয় মার্কিন গায়ক ডেভিড বার্ক গ্রেফতার

কাশিশ মেথওয়ানি
গ্ল্যামার জগত মাতিয়ে এবার ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট হলেন 'মিস ইন্ডিয়া' কাশিশ

গ্ল্যামার জগতের চাকচিক্য আর সামরিক জীবনের কঠিন শৃঙ্খলা— এই দুই বিপরীত মেরুকে এক সুতোয় বেঁধে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কাশিশ মেথওয়ানি। ২০২৩ সালে ‘মিস ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়া’র মুকুট জয়ী এই সুন্দরী এখন আর কেবল র‍্যাম্পের মডেল নন, তিনি এখন ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত লেফটেন্যান্ট। ভারতের পুণের সাবিত্রীবাই ফুলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োটেকনোলজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী কাশিশের স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি শৈশব থেকেই তাঁর মনে ছিল দেশসেবার অদম্য বাসনা। ২০২৩ সালে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় সাফল্যের শীর্ষবিন্দু ছোঁয়ার পর তিনি থেমে থাকেননি। নিজের মেধা ও কঠোর পরিশ্রমকে পুঁজি করে যোগ দেন কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিসেস (সিডিএস) পরীক্ষায়। সেখানেও সফলতার স্বাক্ষর রাখেন তিনি, অর্জন করেন সর্বভারতীয় দ্বিতীয় র‍্যাঙ্ক। চেন্নাইয়ের অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমিতে টানা ১১ মাসের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে গত ৬ সেপ্টেম্বর পাসিং আউট প্যারেডের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগদান করেন তিনি। কাশিশ প্রমাণ করেছেন যে, প্রবল ইচ্ছা আর একাগ্রতা থাকলে একই অঙ্গে রূপ আর শৌর্যের মিলন ঘটানো সম্ভব। উল্লেখ্য, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও কাশিশ পিছিয়ে নেই। ২০২০ সালের করোনা মহামারির সময়ে তিনি ‘ক্রিটিক্যাল কজ’ নামক একটি উদ্যোগ শুরু করেছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল রক্তদান ও অঙ্গদান সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। র‍্যাম্পের মোহময়ী জগত ছেড়ে দেশের সীমান্ত রক্ষার এই কঠিন পথ বেছে নেওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন এই নতুন সেনাসদস্য।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
‘দম’ সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

বিদেশের মাটিতে নিশো-চঞ্চল ম্যাজিক; যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ৫৮ প্রেক্ষাগৃহে দাপট দেখাচ্ছে ‘দম’

মডেল রুবি রোজ ও মার্কিন পপ তারকা কেট পেরি

কেট পেরি’র বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার বিস্ফোরক অভিযোগ রুবি রোজের: তদন্তে অস্ট্রেলীয় পুলিশ

অভিনেতা জেমি ডোরনান

'লর্ড অফ দ্য রিংস'-এর নতুন সিনেমায় অ্যারাগর্ন হচ্ছেন জেমি ডোরনান

চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস
অল্প বয়সে বিয়েই জীবনের বড় ভুল: অকপট অপু বিশ্বাস

ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। তবে কোনো নতুন সিনেমা নয়, বরং নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এক কঠিন সত্য প্রকাশ্যে এনে নেটিজেনদের নজর কেড়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী অকপটে স্বীকার করেছেন যে, অল্প বয়সে আবেগের বশে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। অপু বিশ্বাস জানান, যখন তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন, তখন জীবন ও সম্পর্কের গভীরতা বোঝার মতো পরিপক্কতা তার ছিল না। স্রেফ আবেগের বশে নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত পরবর্তীকালে তাকে অনেক চড়াই-উতরাইয়ের মুখোমুখি করেছে। তার মতে, যেকোনো মেয়েরই উচিত পরিপূর্ণ পরিণত বয়স এবং মানসিক প্রস্তুতি ছাড়া বিয়ের মতো বড় জীবনমুখী সিদ্ধান্ত না নেওয়া। ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল অনেকটা গোপনেই ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানকে বিয়ে করেছিলেন অপু। প্রায় দীর্ঘ ৯ বছর সেই খবর লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখার পর ২০১৭ সালে একটি টেলিভিশন লাইভে সন্তানসহ উপস্থিত হয়ে পুরো বিশ্বকে চমকে দেন তিনি। তবে সেই সম্পর্কের স্থায়ীত্ব বেশিদিন টেকেনি; ২০১৮ সালের ১২ মার্চ আইনিভাবে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। বর্তমানে তাদের একমাত্র সন্তান আব্রাহাম খান জয় মা অপুর সাথেই থাকছেন। তবে বিশেষ দিনগুলোতে জয়কে তার বাবা ও দাদা-দাদির সাথে সময় কাটাতে দেখা যায়। অতীত নিয়ে অনুশোচনা থাকলেও অপু বিশ্বাস মনে করেন, সেই ভুলগুলোই তাকে আজকের পরিণত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে। পুনরায় বিয়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে এই চিত্রনায়িকা সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে বিষয়টি রহস্যের জালে আটকে রেখেছেন। বর্তমানে তিনি অভিনয়, বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রমোশন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সক্রিয়তা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গুঞ্জন রয়েছে, আসন্ন কোরবানির ঈদে বড় পর্দায় নতুন সিনেমা নিয়ে ফিরতে পারেন অপু।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
ভিয়েতনামের শিক্ষার্থী হুইন কুয়ং এনগুয়েন ও টেইলর সুইফট | ছবি: সংগৃহীত

টেইলর সুইফটের গানে অক্সফোর্ডে সরাসরি ভর্তির সুযোগ পেলেন ভিয়েতনামি তরুণী

আশা ভোঁসলে

প্রয়াত কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে, যা বলেছিলেন শেষ বার্তায়

মার্কিন পপ তারকা সেলেনা গোমেজ। ছবি: সংগৃহীত

ফোর্বসের স্বনির্ভর ধনীর তালিকায় সেলেনা গোমেজ; ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল বিতর্ক

0 Comments