জাতীয়

পত্রিকা: ‘জুলাই সনদ ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তপ্ত হতে পারে সংসদ’

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
পত্রিকা
পত্রিকা

আজকের পত্রিকার শিরোনামগুলোতে যুদ্ধের প্রভাব, বাণিজ্য, বিচারব্যবস্থা ও নিরাপত্তা ইস্যু
 
ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার আজকের শিরোনামগুলোতে উঠে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব, ফ্লাইট বাতিল, আদালতে টাকা চাওয়ার অভিযোগ, কঙ্কাল চোরাচালান, পোশাক রফতানিতে চাপ, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সে অনিয়ম এবং ভুয়া পাইলটের মতো নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিচে আজকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পত্রিকার প্রধান সংবাদ তুলে ধরা হলো-
 

নয়া দিগন্ত পত্রিকা: ‘জুলাই সনদ ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তপ্ত হতে পারে সংসদ’
 
 
জুলাই–আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। তবে শুরু থেকেই অধিবেশন উত্তপ্ত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

গণভোটে পাস হওয়া জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে সংসদে ওয়াকআউটও করতে পারেন জামায়াত–এনসিপি জোটের সংসদ সদস্যরা।

 

সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, স্পিকার প্যানেল গঠন এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

 

ডেপুটি স্পিকার পদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর একজনকে মনোনয়নের প্রস্তাব দিয়েছে সরকারদলীয় বিএনপি। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অবস্থান দেখে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে দলটি।

 

এবারের অধিবেশনকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্ন। গণভোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন সংসদকে প্রথম ছয় মাস সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবেও কাজ করার কথা রয়েছে।

 

এ নিয়ে শপথ গ্রহণকে ঘিরে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে, কারণ বিএনপি জোটের সংসদ সদস্যরা এখনো সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি, যদিও জামায়াত জোটের সদস্যরা দুই ধরনের শপথই গ্রহণ করেছেন।

 

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনের পর সাপ্তাহিক ছুটির কারণে কার্যক্রম ১৫ ও ১৬ মার্চ চলবে। এরপর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অধিবেশন প্রায় ১৩ দিনের জন্য মুলতবি থাকতে পারে এবং ২৯ মার্চ আবার অধিবেশন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


 
 যুগান্তর পত্রিকা: ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি- বছরে ১৩২৭ কোটি টাকা হারানোর শঙ্কা: সিপিডি’


 
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হলে বছরে প্রায় ১ হাজার ৩২৭ কোটি টাকার আমদানি শুল্ক রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।


 
ব্রিফিংয়ে সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য দেন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা প্রায় সাড়ে চার হাজার পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিতে হবে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে আরও ২ হাজার ২১০টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।


 
সিপিডির মতে, এসব পণ্য থেকে বর্তমানে সরকারের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আসে। ফলে চুক্তি কার্যকর হলে এই আয় কমে যেতে পারে। এছাড়া একতরফাভাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে এবং এতে অন্য দেশগুলোকেও একই সুবিধা দেওয়ার চাপ তৈরি হতে পারে।


 
মানবজমিন পত্রিকা: ‘যুদ্ধের জেরে ৩৬৭ ফ্লাইট বাতিল’
 
 
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ৩৬৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ১০ মার্চ একদিনেই অন্তত ৩২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজ, এয়ার অ্যারাবিয়া, গালফ এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস, জাজিরা, ফ্লাই দুবাই, বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট। তবে একই সময়ে মোট ৩২৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।


 
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি ভিসা জটিলতা ও যাতায়াত অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন অনেকেই।


 
প্রথম আলো পত্রিকা: ‘টাকা চাওয়ার অভিযোগে তদন্ত শুরু’
 
 
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলার আসামিকে জামিন পাইয়ে দেওয়ার জন্য এক কোটি টাকা দাবি করার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দল। এ ঘটনায় চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।


 
প্রথম আলো ও নেত্র নিউজের এক যৌথ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মামলার এক আসামিকে জামিন পাইয়ে দিতে একজন প্রসিকিউটর এক কোটি টাকা দাবি করেছেন। প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্লেষকদের মতে, জামিনের জন্য টাকা চাওয়ার মতো অভিযোগ বিচারব্যবস্থার ওপর জনসাধারণের আস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।


 
নিউ এইজ পত্রিকা: ‘কবরস্থান থেকে কঙ্কাল বিক্রি—ডেন্টাল শিক্ষার্থীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার’
 
 
ঢাকায় কবরস্থান থেকে মানুষের কঙ্কাল সংগ্রহ করে অনলাইনে বিক্রির অভিযোগে দুই ডেন্টাল শিক্ষার্থীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪৭টি মানব খুলি ও বিপুল পরিমাণ মানব অস্থি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
 
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ ইবনে মিজান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মনিপুরি পাড়া ও উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, তারা দেশজুড়ে সক্রিয় একটি সংগঠিত কঙ্কাল পাচার চক্রের সদস্য।


 
বণিক বার্তা পত্রিকা: ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে ইউরোপে পোশাক রফতানিতে চাপ’
 
 
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালসহ গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশের রফতানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে পোশাক খাতের ওপর চাপ বাড়ছে। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে জরুরি সরবরাহের জন্য পোশাক আকাশপথে ইউরোপে পাঠানো হয়। কিন্তু সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ আকাশসীমা বন্ধ থাকায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে।


 
আজকের পত্রিকা: ‘৮ হাজার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্বরাষ্ট্রের সম্মতি ছাড়াই’
 
 
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র ছাড়াই অন্তত ৮ হাজার ১৭৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এসব লাইসেন্সের অধিকাংশই রাজনৈতিক নেতা–কর্মী ও তাদের স্বজনদের নামে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।


 
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা: ‘জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার’
 
 
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা মাথায় রেখে বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, মার্চ মাসের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এপ্রিল–মে মাসের জন্যও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


 
কালের কণ্ঠ পত্রিকা: ‘বিমানে চার ‘ভুয়া’ পাইলটের অভিযোগ’
 
 
জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে চারজন পাইলটের বিরুদ্ধে যোগ্যতা জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গেছে, কেউ প্রয়োজনীয় উড়ানঘণ্টা পূরণ না করেই লাইসেন্স পেয়েছেন, আবার কেউ লগবুকে একই উড়ান সময় দুইবার দেখিয়ে ঘণ্টা বাড়িয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন সংস্থাগুলোর নজরদারি বা নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

জাতীয়

View more
ছবি: নিউ এজ
সংসদে আবারও চাটুকারিতার পুনরুত্থান

জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম নিউএজ অনলাইনে ১৯ এপ্রিল প্রকাশিত “Sycophancy resurfaces in JS” শিরোনামের একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।   প্রতিবেদন প্রকাশের পর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যঙ্গচিত্র ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে সংসদীয় কার্যক্রমে অতিরিক্ত প্রশংসামূলক বক্তব্যের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এসব কনটেন্টকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্নমত ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ তম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদীয় আলোচনায় প্রশংসামূলক বক্তব্য ও স্তুতিবাচক মন্তব্যের প্রবণতা আবারও দেখা গেছে। এতে সংসদের কার্যকর আলোচনার পরিবর্তে সময়ের একটি অংশ এ ধরনের বক্তব্যে ব্যয় হচ্ছে বলে সমালোচনা তৈরি হয়।   অধিবেশনে সরকারি দলের একাধিক সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অভিনন্দন ও প্রশংসাসূচক বক্তব্য দেন। এর মধ্যে একজন মুখ্য হুইপ প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি এ উপলক্ষে একটি কবিতাও পাঠ করেন, তবে কবির নাম উল্লেখ করেননি।   এর আগে অধিবেশনের প্রথম দিনেও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কবিতা পাঠ এবং প্রশংসামূলক বক্তব্যের ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে সংসদীয় আলোচনায় মূল ইস্যুর পরিবর্তে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রশংসা বেশি স্থান পাচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকদের মত প্রকাশ পায়।   অন্যদিকে, গাজীপুর-১ আসনের এক সংসদ সদস্য আলোচনায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের প্রসঙ্গ তুলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রেও স্বীকৃতির আহ্বান জানান তিনি।   এছাড়া অতীত সংসদগুলোর মতো বর্তমান অধিবেশনেও সংসদীয় আলোচনার একটি বড় অংশ সরকার ও দলের অর্জন তুলে ধরা এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনায় ব্যয় হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।   ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর এক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, একাদশ জাতীয় সংসদে সভাপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় প্রায় ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ সময় সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশংসায় ব্যয় করা হয়েছিল। পাশাপাশি ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ সময় সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে ব্যবহার করা হয়।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে অনেক প্রশ্নই মূল বিষয় থেকে সরে গিয়ে প্রশংসামূলক বক্তব্যে পরিণত হয়, যা নির্ধারিত সময়ের একটি বড় অংশ দখল করে নেয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

উচ্চশিক্ষায় সুযোগ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

বিদ্যমান মজুতে চলবে আরও ১২ বছর; গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারে সরকারের মহাপরিকল্পনা

ফাইল ফটো।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের বিষয়ে সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

ছবি: সংগৃহীত।
তেলের দাম বাড়লেও কাটেনি সংকট: পাম্পে দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তিতে চালকরা

ইরানকে ঘিরে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। দাম বাড়ার ঘোষণার পর প্রথম দিনেই রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা গেছে তেলের জন্য হাহাকার এবং যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক চালক জ্বালানি না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি ফিলিং স্টেশনের সামনেই শত শত যানবাহন অপেক্ষায় রয়েছে। কোথাও কোথাও তেলের লাইনের শেষ প্রান্ত আশপাশের অলিগলিতে গিয়ে ঠেকেছে। চালকদের অভিযোগ, ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি। ভোগান্তির শিকার এক প্রাইভেটকার চালক বলেন, "ভেবেছিলাম দাম বাড়লে অন্তত তেল পাওয়া যাবে। কিন্তু সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, পাম্প থেকে বলছে তেল শেষ।" একই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মোটরবাইক চালকরাও। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকায় তাদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে দৈনন্দিন উপার্জনে। পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় তেলের সরবরাহ অত্যন্ত কম। তেল আসার কিছুক্ষণ পরেই মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে, ফলে লাইনে থাকা সবাইকে জ্বালানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে সরকার ভোক্তা পর্যায়ে তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জ্বালানি তেলের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জনসাধারণের আশঙ্কা, জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ভাড়া এবং নিত্যপণ্যের দাম আরও আকাশচুম্বী হবে। অন্যদিকে, পাম্প মালিকরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের দাবি, এতে তেলের অবৈধ মজুত কমবে এবং বাজারে স্বচ্ছতা ফিরবে। তবে বর্তমান সংকট নিরসনে দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

লিটারে ১৫–২০ টাকা বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয়: দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তি; শুল্ক ছাড় ও কঠোর শর্তের আদ্যোপান্ত

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী | ছবি: সংগৃহীত
সরকারের ৬০ দিনের বড় সাফল্য; প্রধানমন্ত্রীর ওপর জনগণের আস্থা ফিরেছে

বিগত দুই মাসে বর্তমান সরকারের ওপর দেশের মানুষের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপের ওপর জনগণের গভীর বিশ্বাস তৈরি হওয়াকে সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন তিনি। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।   বিএনপি সরকারের বিগত দুই মাসের উল্লেখযোগ্য সাতটি সাফল্য তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সালেহ শিবলী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতিরিক্ত নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে সাধারণ মানুষের মতো তাদের মাঝে থাকছেন এবং চলাফেরা করছেন। তিনি নির্বাচনের আগে ও দায়িত্ব নেওয়ার পর জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।   সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ সেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজগুলো সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। সরকারের দাবি, গত ৬০ দিনে প্রশাসনের কার্যক্রমে গতিশীলতা এবং জনবান্ধব নীতি গ্রহণের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।   জনগণের বিশ্বাস অর্জনকেই বর্তমান প্রশাসনের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে গণ্য করছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং। সংবাদ সম্মেলনে প্রেস উইংয়ের সিনিয়র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন এবং সরকারের আগামী দিনের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নিয়ে আলোকপাত করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: ফাইল ফটো

সুনামগঞ্জ ও রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু; সুরক্ষায় জরুরি নির্দেশনা

ইস্টার্ন রিফাইনারি

বিপাকে ইস্টার্ন রিফাইনারি, তেল নিয়ে দুশ্চিন্তা কতটুকু?

রুমিন ফারহানা

এনসিপিতে যোগের আলোচনা নিয়ে মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা

0 Comments