রাজনীতি

ঐতিহাসিক নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ: ৩৬ বছর পর আসছে পুরুষ প্রধানমন্ত্রী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ৩৬ বছর পর আসছে পুরুষ প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ ৩৬ বছর পর আসছে পুরুষ প্রধানমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দিতে যাচ্ছে। প্রায় সাড়ে তিন দশক পর দেশ আবারও একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে যা ‘দুই নেত্রী’র দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত মাঝখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রায় দুই বছর বাদ দিলে বাংলাদেশের শাসনক্ষমতা আবর্তিত হয়েছে মূলত দুই নারী নেত্রী, শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করে। ১৯৯১ সালে স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদের পতনের পর খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া।

 

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন। একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা জিয়ার মৃত্যু ঘটে। এই দুই ঘটনার মধ্য দিয়ে কার্যত অবসান ঘটে ‘দুই নেত্রী’র যুগের।

 

এবারের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর নেতৃত্বে কোনো নারী নেই। বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তারেক রহমান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি জয়ী হলে তিনিই হতে পারেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়, যেখানে সম্ভাব্য সরকারপ্রধান হিসেবে পুরুষ নেতৃত্বের কথাই আলোচনায় রয়েছে।

 

ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯৮৯-১৯৯০ সালে কাজী জাফর আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের সর্বশেষ পুরুষ প্রধানমন্ত্রী। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে শুরু হয় নারী নেতৃত্বের দীর্ঘ অধ্যায়। সেই হিসেবে প্রায় ৩৬ বছর পর আবারও জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা:

  • তাজউদ্দীন আহমদ (১৯৭১-১৯৭২)

  • শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭২-১৯৭৫)

  • মুহাম্মদ মনসুর আলী (১৯৭৫)

  • শাহ আজিজুর রহমান (১৯৭৯-১৯৮২)

  • আতাউর রহমান খান (১৯৮৪-১৯৮৫)

  • মিজানুর রহমান চৌধুরী (১৯৮৬-১৯৮৮)

  • মওদুদ আহমদ (১৯৮৮-১৯৮৯)

  • কাজী জাফর আহমদ (১৯৮৯-১৯৯০)

  • খালেদা জিয়া (১৯৯১-১৯৯৬, ১৯৯৬, ২০০১-২০০৬)

  • শেখ হাসিনা (১৯৯৬-২০০১, ২০০৯-২০২৪)

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়; এটি গণতন্ত্রের গ্রহণযোগ্যতা পুনর্গঠনের এক বড় পরীক্ষা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক কাজী মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান বলেন, “গত তিন দশকে নারী নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। কিন্তু শেখ হাসিনার অনুপস্থিতি এবং খালেদা জিয়ার মৃত্যু এই বাস্তবতায় পুরুষ নেতৃত্বের প্রত্যাবর্তন সময়ের ব্যাপার।”

 

স্বাধীনতার পর বহু রাজনৈতিক উত্থান-পতনের সাক্ষী বাংলাদেশ। তবে ‘দুই নেত্রী’র যুগ ছিল দীর্ঘতম ও প্রভাবশালী অধ্যায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা করতে যাচ্ছে।

 

বাংলাদেশ এখন অপেক্ষায় নতুন নেতৃত্ব কি স্থিতিশীলতা, গণতান্ত্রিক সংস্কার ও রাজনৈতিক সহাবস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারবে?

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

রাজনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত
ওবায়দুল কাদেরের কক্সবাজার সফরের নেপথ্যে ছিল ‘বস্তা ভরা ইয়াবা’!

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বীর বিক্রম। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি দাবি করেন, ওবায়দুল কাদের প্রতি মাসে নিয়ম করে কক্সবাজার যেতেন এবং সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদির কাছ থেকে বস্তা ভরে ইয়াবা নিয়ে আসতেন।   অলি আহমদ বলেন, অনেকেই ওবায়দুল কাদেরের ঘনঘন কক্সবাজার সফরকে তাঁর ‘পরিশ্রম’ মনে করতেন, কিন্তু আসলে তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল মাদক সংগ্রহ করা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ওবায়দুল কাদের কেন রাজশাহী বা দিনাজপুরের মতো জেলায় না গিয়ে বারবার শুধু কক্সবাজারকেই বেছে নিতেন? এলডিপি সভাপতির মতে, দ্রুত বিত্তবান হওয়ার নেশায় তৎকালীন জনপ্রতিনিধিরাই ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন।   বক্তব্যে বর্তমান সংসদ সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশা নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন অলি আহমদ। তিনি দাবি করেন, সংসদের একটি বড় অংশই অশিক্ষিত এবং ব্যবসায়ীদের দখলে, যা দেশের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে অন্তরায়। খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত এই বৈঠকে তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, জনপ্রতিনিধিরা মুখে মাদক নির্মূলের কথা বললেও বাস্তবে তাঁরাই এই ব্যবসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২৫ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১১ দলের মহাসমাবেশ; নেতৃত্বে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক | ছবি: সংগৃহীত

১০ শতাংশ লুটপাট কমাতে পারলেই জ্বালানির দাম বাড়ানো লাগবে না: সাইফুল হক

সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ | ছবি: সংগৃহীত

সংসদে হাসনাতের ‘গাড়ি আবদার’, শফিকুর রহমানের পজিটিভ রিঅ্যাকশন; ছোটদের কি ‘না’ বলতে নেই?

যুব মহিলা লীগ নেত্রী মোসা. শিল্পী বেগম | ছবি: সংগৃহীত
কারাগারে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন সেই নেত্রী ও শিশু!

রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় দেড় মাসের শিশুসন্তানসহ কারাগারে পাঠানোর আদেশের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেয়েছেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) রাতে এক বিশেষ শুনানির পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।   এর আগে বিকেলে শিল্পীর ৪৬ দিনের সন্তানকে কোলে নিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে কান্নাকাটি ও হাজতখানায় যাওয়ার দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। মানবিক দিক ও শিশুর স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তাঁর আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী পুনরায় জামিনের আবেদন করলে আদালত ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় পুলিশ রিপোর্ট না দেওয়া পর্যন্ত তাঁর জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।   মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন এক শিক্ষার্থীর বাসায় হামলা ও ভাঙচুরের নির্দেশদাতা ছিলেন এই নেত্রী। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আইনি জটিলতা কাটিয়ে বুধবার সকালে তিনি কারামুক্ত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এক দিনের ব্যবধানে একই মামলায় জেল হাজত এবং জামিন—আদালত পাড়ায় এই ঘটনাটি এখন টক অফ দ্য টাউন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
সংসদে রুমিন ফারহানা | ফাইল ছবি

৫২ দিনে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার; সংসদে রুমিন ফারহানা

বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সহসম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মণি | ফাইল ছবি

জামালপুর থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন নিলোফার চৌধুরী মণি

ছবি: আমেরিকা বাংলা

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থী নাম ঘোষণা, কারা পেলেন মনোনয়ন?

ছবি - সংগৃহিত
এনসিপিকে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ বললেন জিএম কাদের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাম্প্রতিক অবস্থানকে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, জেনজি যে আবেগ সৃষ্টি করেছিল তা ধরে রাখতে পারে নি।    রোববার (১৯ এপ্রিল) এক সংবাদমাধ্যমের টকশোতে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।    অতীতে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এনসিপিতে যোগদানের সুযোগ পাবে-এ ব্যাপারে জিএম কাদের বলেন, মানে এনসিপিতে জয়েন করলে সব দোষ মাফ। আর এর আগে তারা দোসর, তারা ক্রিমিনালস, তাদের ফাঁসি দিতে হবে। এই ধরনের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড তো খুব একটা গ্রহণযোগ্য হবে না। জিএম কাদের আরও বলেন, হঠাৎ করে এনসিপি আমাদের পেছনে লাগলো কেন? আমার ধারণা, তারা আমাদের ভোটব্যাংক নিতে চায়।    এনসিপি মনে করছে আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক নেওয়া কঠিন, বিএনপির ভোট পাওয়া সম্ভব নয়, তাই তারা বিকল্প লক্ষ্য খুঁজছে- উল্লেখ করেন তিনি।  এমনকি এনসিপির আহ্বানে সারা দেবে না মানুষ- বলেও মনে করেন জাপা চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, জনগন ভেবেছিল এনসিপি দেশের মানুষের জন্য়ে কাজ করবে। কিন্তু এই জিনিসটা তারা ধরে রাখতে পারে নি।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
রোববার দুপুরে এনসিপি কার্যালয়ে যোগদান অনুষ্ঠান শেষে কথা বলেন নাহিদ ইসলাম

আপ বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বসহ প্রায় অর্ধশত নেতা-কর্মীর এনসিপিতে যোগদান

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ‘দুঃখজনক’: শফিকুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত

গণভোটের রায় না মানলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ১১ দলীয় ঐক্যের

0 Comments