খেলাধুলা

পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দেবে না সরকার

Unknown জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ‘দ্বিমুখী নীতি’ ও বাংলাদেশের প্রতি ‘বৈষম্যমূলক’ আচরণের প্রতিবাদে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের পথে হাঁটছে পাকিস্তান। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় পাকিস্তান অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং তারা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংহতি প্রকাশ করতে চায়।

 

নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানানোয় আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। অথচ অতীতে ভারত ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ‘হাইব্রিড মডেল’ (নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলা) অনুসরণ করা হয়েছিল। ইসলামাবাদের মতে:

  • দ্বিমুখী নীতি: ভারতের জন্য ভেন্যু পরিবর্তনের সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশের ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা করা হয়েছে।

  • নীতির প্রশ্ন: এটি কেবল ক্রিকেটের বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে সমমর্যাদা ও ইনসাফের প্রশ্ন।

 

আজ সোমবার ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যদি সবুজ সংকেত না দেন, তবে পাকিস্তান বিশ্বকাপে দল পাঠাবে না। মহসিন নাকভি স্পষ্ট করে বলেছেন, “পিসিবি আইসিসির অধীনে নয়, বরং আমাদের সরকারের অধীন। সরকার যা বলবে, আমরা তা-ই করব।”

 

রোববার লাহোরে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা পিসিবি চেয়ারম্যানের অবস্থানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। সালমান আলী আগার নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করা হলেও তারা পরিষ্কার জানিয়েছেন যে, দেশের নীতি ও সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে তারা পা রাখবেন না।

 

এদিকে পাকিস্তান সরে দাঁড়ালে আইসিসি ও ব্রডকাস্টাররা (সম্প্রচারকারী সংস্থা) বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। আইসিসি ইতোমধ্যে পাকিস্তানকে নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিলেও পাকিস্তান সরকার ‘নীতির প্রশ্নে’ অটল থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপ থেকে ইরানকে বাদ দিয়ে ইতালিকে নেওয়ার প্রস্তাব ট্রাম্পের, ফিফার নাকচ

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ইরানকে সরিয়ে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালিকে অন্তর্ভুক্ত করার এক বিতর্কিত প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত পাওলো জাম্পোলি। ফিফা প্রেসিডেন্ট জান্নি ইনফান্তিনোর কাছে পাঠানো এই প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে, ফুটবলের ঐতিহ্যের খাতিরেই ইতালির বিশ্বকাপে থাকা জরুরি। উল্লেখ্য, বাছাইপর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে হেরে ইতালি এবারের বিশ্বকাপে জায়গা করতে ব্যর্থ হয়েছে।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রস্তাবটি মূলত ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েন কমানোর একটি রাজনৈতিক কৌশল। পোপ লিও চতুর্দশকে নিয়ে ট্রাম্পের করা কিছু মন্তব্যে ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ক্ষুব্ধ হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ফিফার অভ্যন্তরে এই প্রস্তাব নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক ফুটবল বিশেষজ্ঞ একে ‘নগ্ন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন।   ইরান এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা মাঠের লড়াইয়ে যোগ্যতা অর্জন করেই বিশ্বকাপে জায়গা পেয়েছে। ইরান ফুটবল ফেডারেশন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু ম্যাচ মেক্সিকোতে আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছে। ফিফার ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির এমন চেষ্টার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোও।   ফিফা প্রেসিডেন্ট জান্নি ইনফান্তিনো অবশ্য এই প্রস্তাবে সায় দেননি। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান বাছাইপর্ব পেরিয়েই বিশ্বকাপে এসেছে এবং কোনো দেশের রাজনৈতিক চাপের মুখে তাদের বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে ট্রাম্প প্রশাসনের এমন প্রস্তাব ফুটবল বিশ্বে অস্থিরতা ও চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
সিরিজ জয়ে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ ক্রিকেট দল | ছবি: সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দুই মাসে দ্বিতীয় সিরিজ জয় বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত।

টিকিট নিয়ে ফিফার নতুন চমক: বাড়ছে দাম, যুক্ত হলো নতুন প্রিমিয়াম ক্যাটাগরি

ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপ ড্র: ফিফা বিশ্বকাপ ড্র-এর আদ্যোপান্ত

অস্ট্রেলীয় স্প্রিন্টার গাউট গাউট
বিশ্ব রেকর্ড হারিয়ে তরুণ বিস্ময় গাউট গাউটকে যে বিশেষ পরামর্শ দিলেন উসাইন বোল্ট

অ্যাথলেটিক্সের দুনিয়ায় এখন সবথেকে আলোচিত নাম ১৮ বছর বয়সী অস্ট্রেলীয় স্প্রিন্টার গাউট গাউট। গতি আর দৌড়ানোর ধরনে কিংবদন্তি উসাইন বোল্টের সাথে তার মিল খুঁজে পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি সম্প্রতি ২০০ মিটার দৌড়ে বোল্টের গড়া অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন এই তরুণ। নিজের ছায়া দেখতে পাওয়া সেই গাউট গাউটকে এবার বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন খোদ ‘গতিদানব’ উসাইন বোল্ট। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিএনএন স্পোর্টসের সাথে আলাপকালে বোল্ট জানান, গাউট গাউটের প্রতিভা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, তবে এই বয়সে মনোযোগ ধরে রাখাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। বোল্ট বলেন, "এত অল্প বয়সে চারপাশ থেকে অনেক মনোযোগ এবং প্রলোভন আসবে। ডানে-বামে হাজারো হাতছানি তোমাকে ট্র্যাক থেকে দূরে সরিয়ে নিতে চাইবে।" বোল্ট আরও যোগ করেন, "আমি আশা করি তার পাশে এমন কিছু সঠিক মানুষ থাকবে যারা তাকে সঠিক পথ দেখাবে এবং শুধুমাত্র অ্যাথলেটিক্সেই ফোকাস রাখতে সাহায্য করবে। কারণ সাফল্য এলে বাকি সব সুযোগ এমনিতেই আসবে। কিন্তু যদি মাঠের খেলায় ভুল হয়ে যায়, তবে অর্জিত সবকিছুই হারিয়ে যেতে পারে।" দক্ষিণ সুদান বংশোদ্ভূত গাউট গাউট এরই মধ্যে অ্যাথলেটিক্স বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন। চলতি মাসে অস্ট্রেলীয় সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে ২০০ মিটার দৌড়ে ১৯.৬৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে তিনি নতুন অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব রেকর্ড গড়েন, যা ২০০৪ সালে করা বোল্টের রেকর্ডকেও (১৯.৯৩ সেকেন্ড) ছাড়িয়ে গেছে। আগামী জুনে ডায়মন্ড লিগে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন লেটসিলে তেবোগোর মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন এই বিস্ময় বালক।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বর্ণবাদের শিকার হামজা, প্রতিবাদ করায় হামজা চৌধুরীকে হলুদ কার্ড

ফাইল ফটো।

সরগরম মিরপুর: ডিপিএলের প্রথম দিনে দল পেলেন ৭৯ ক্রিকেটার

কলোরাডো র‍্যাপিডসের বিপক্ষে মেসির জোড়া গোলে রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে ইন্টার মায়ামি

মেসি-ম্যাজিকে কলোরাডোর বিরুদ্ধে ইন্টার মায়ামির রোমাঞ্চকর জয়

ওনস জাবেউর
গাজা ইস্যু ও টেনিস কোর্টে লিঙ্গবৈষম্য নিয়ে সোচ্চার তিউনিসিয়ান তারকা জাবেউর

বিশ্ব টেনিস র‍্যাঙ্কিংয়ের সাবেক দুই নম্বর তারকা ও তিউনিসিয়ান গর্ব ওনস জাবেউর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। তবে এবার শুধু র‍্যাকেট হাতে নয়, বরং মানবতার পক্ষে তার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এবং ব্যক্তিগত জীবনের নতুন এক অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ফিলিস্তিনের গাজা পরিস্থিতি, টেনিসে লিঙ্গবৈষম্য এবং প্রথম সন্তান জন্মের পর কোর্টে ফেরার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এই ‘মিনিস্টার অফ হ্যাপিনেস’। গাজার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাবেউর বলেন, "একজন অ্যাথলেট হিসেবে কথা বলাটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যখন শিশুদের ক্ষুধার্ত থাকতে দেখি বা নিরপরাধ মানুষদের প্রাণ হারাতে দেখি, তখন টেনিস কোর্টের জয়-পরাজয় গৌণ হয়ে যায়।" গাজা ইস্যুতে কথা বলতে গিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার শিকার হলেও, ন্যায়ের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। পাশাপাশি টেনিস বিশ্বে নারীদের সমান অধিকার এবং লিঙ্গবৈষম্য নিয়েও মুখ খুলেছেন এই তিনবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালিস্ট। টেনিসের বড় আসরগুলোতে নারী ও পুরুষ খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা এবং প্রচারের ক্ষেত্রে যে ব্যবধান রয়েছে, তা দূর করার আহ্বান জানান তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে জাবেউর এখন এক নতুন রোমাঞ্চের অপেক্ষায়। তিনি প্রথমবারের মতো মা হতে চলেছেন। তবে মা হওয়া মানেই যে ক্যারিয়ারের ইতি, তা মানতে নারাজ এই তিউনিসিয়ান। কিম ক্লিইস্টার্সের মতো কিংবদন্তিদের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, মা হওয়ার পর আরও শক্তিশালী হয়ে টেনিস কোর্টে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তার। জাবেউর বলেন, "আমি নিজেকে সময় দিতে চাই, দেখতে চাই আমার শরীর কীভাবে সাড়া দেয়। তবে আমি নিশ্চিতভাবেই আবারও টেনিস র‍্যাকেট হাতে ফিরব এবং আগামী কয়েক বছর সর্বোচ্চ পর্যায়ে লড়াই চালিয়ে যেতে চাই।" তার এই ঘোষণা ভক্তদের মনে আশার আলো জাগিয়েছে। মাঠ ও মাঠের বাইরে সমানভাবে প্রভাবশালী এই অ্যাথলেট আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি কেবল একজন খেলোয়াড় নন, বরং এক বৈশ্বিক পরিবর্তনের দূত।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
আর্সেনাল বস মিকেল আর্তেতা

ম্যান সিটির বিপক্ষে শিরোপা লড়াই: চাপ নয়, সুযোগ হিসেবে দেখছেন আর্তেতা

মেটলাইফ স্টেডিয়াম ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল আয়োজন করতে যাচ্ছে, তবে নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে এর অবস্থান এবং যাতায়াত খরচ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত ভাড়ার ‘আকাশচুম্বী’ বৃদ্ধিতে ফুটবল ভক্তদের তীব্র ক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত।

নীরবতা ভেঙে অস্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের দুই নারী ফুটবলার

0 Comments