বিশ্ব

মেলানিয়া–এপস্টিনের ভাইরাল ছবি ‘ভুয়া’, ম্যাক্রোঁ জড়িত নন—জানাল ফ্রান্স

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মেলানিয়া ট্রাম্প ও জেফ্রি এপস্টিনের কথিত ঘনিষ্ঠ একটি ছবিকে ‘ভুয়া’ বলে দাবি করেছে ফ্রান্স। একই সঙ্গে ছবিটি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ শেয়ার করেছেন—এমন দাবিও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে দেশটি।

 

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ওই ছবিটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। অনেক নেটিজেন দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ম্যাক্রোঁর স্ত্রী ব্রিজিত ম্যাক্রোঁকে নিয়ে মন্তব্য করায় প্রতিশোধ হিসেবে ম্যাক্রোঁ এই ছবি প্রকাশ করেছেন।

 

তবে ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বা ডিজিটালি বিকৃত করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ২৪ এক প্রতিবেদনে জানায়, ম্যাক্রোঁ নয়—কিছু ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে এই ভুয়া ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছেন।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিশরীয় সাংবাদিক নাবিল ওমরান প্রথমদিকে ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করে দাবি করেন, ‘ম্যাক্রোঁ প্রতিশোধ নিয়েছেন।’ পরে এই দাবিটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর আগেও এক্স (সাবেক টুইটার)-এর একটি ব্যঙ্গাত্মক অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেটিকে ‘ডিজিটালি পরিবর্তিত’ বলে সতর্কবার্তাও যুক্ত করা হয়।

 

এদিকে সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে মেলানিয়া ট্রাম্প জানান, জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না এবং তিনি কখনো তার কোনো অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে ভুয়া তথ্য ও বিকৃত ছবি ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির প্রবণতা বাড়ছে, যা জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের খ্রীস্টান গ্রাম ডেবেলে ছবিটি তোলা হয় । ছবি: টাইমস অব ইসরায়েল
লেবাননে যিশুর মূর্তি ভাঙার অভিযোগে বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ, তদন্তে আইডিএফ

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে যিশু খ্রিস্টের একটি মূর্তি ভাঙার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক সদস্য ক্রুশবিদ্ধ যিশুর মূর্তিতে ভারী হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করছেন।   স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ লেবাননের মারোনাইট খ্রিস্টান অধ্যুষিত দেবেল গ্রামে। সীমান্তবর্তী এই গ্রামটি সম্প্রতি ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের আওতায় রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মূর্তিটি একটি ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে স্থাপিত ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যরা।   আইডিএফ প্রথমে ছবিটির সত্যতা যাচাই করে এবং নিশ্চিত করেছে যে এটি প্রকৃত ঘটনা। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “সেনার এই আচরণ আইডিএফের প্রত্যাশিত মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।” উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তদন্তের ফলাফল অনুসারে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।   ঘটনাটি অনলাইনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বব্যাপী খ্রিস্টান সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। অনেকে এটিকে ধর্মীয় প্রতীকের প্রতি অসম্মান বলে অভিহিত করেছেন। কিছু প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরাও এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।   এই ঘটনাকে ইসরায়েল ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে খ্রিস্টান ধর্মীয় স্থানে ক্রমবর্ধমান আক্রমণের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।  ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন হিজবুল্লাহর মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর ওই ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী সম্পদ ধ্বংস করছে ও লুটপাট করছে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণের সর্বশেষ উদাহারণ এই ছবি, লিখেছে টাইমস অব ইসরায়েল। জেরুজালেমে খ্রীস্টান নেতাদের সঙ্গে ইসরায়েল সরকারের সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই এই ছবি সামনে এল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

স্থলপথেই ‘এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার’ চীনের! ড্রোন চার্জ হবে মহাকাশ থেকে আসা অদৃশ্য রশ্মিতে

ছবি: সংগৃহীত।

মানুষকে ছাড়িয়ে গেল যন্ত্রমানব: বেইজিং হাফ-ম্যারাথনে হিউম্যানয়েড রোবটের বিশ্বরেকর্ড

ম্যানিলার একটি গ্যাস স্টেশন। এশিয়ায় আমেরিকার প্রাচীনতম মিত্র ফিলিপাইনে তেলের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় কর্মকর্তারা জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য হন।

এশিয়ায় মার্কিন আধিপত্যে ফাটল: রাশিয়া-ইরানের দিকে ঝুঁকছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা

ফাইল ফটো।
সৌদিতে সাঁড়াশি অভিযান: এক সপ্তাহেই ১৪ হাজার অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে গত এক সপ্তাহে আবাসন, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৪ হাজার ৪৮৭ জন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, গত ৯ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৭ হাজার ৯১১ জনের বিরুদ্ধে আবাসন আইন লঙ্ঘন, ৩ হাজার ৫৮৮ জনের বিরুদ্ধে সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ২ হাজার ৯৮৮ জনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার সময় ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৮ শতাংশ ইয়েমেনি, ৬১ শতাংশ ইথিওপিয়ান এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। এছাড়া অবৈধ উপায়ে দেশ ত্যাগের চেষ্টাকালে আটক হয়েছেন আরও ৪৩ জন। সৌদি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, যারা অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেবেন, পরিবহন সুবিধা দেবেন বা কোনোভাবে সহযোগিতা করবেন, তাদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। এই অপরাধে ১৫ বছর পর্যন্ত জেল এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বর্তমানে ৩৯ হাজার ২৫৮ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৯ হাজার ৪৬০ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ৭৯৮ জন নারী। ইতিমধ্যে ১২ হাজার ৫৫৪ জন অভিবাসীকে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
পোপ লিও

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির ডাক দিলেন পোপ লিও

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ । ফাইল ছবি: এপি

হরমুজ প্রণালিতে ২৪ ঘণ্টায় নাটকীয় পালাবদল

ছবি: সংগৃহীত।

২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি: বিশ্বজুড়ে কোথায় কত সম্পদ আটকে আছে ইরানের?

ছবি: সংগৃহীত।
রোবো-ডাইভিং স্যুট, সমুদ্রের গভীরে দীর্ঘক্ষণ থাকার নতুন প্রযুক্তি চীনের

সমুদ্রের তলদেশে গবেষণা বা জটিল উদ্ধারকাজে ডুবুরিদের জন্য সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো অক্সিজেন। সেই সংকট কাটাতে এবার যুগান্তকারী এক রোবোটিক ডাইভিং স্যুট উদ্ভাবন করেছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।  দাবি করা হচ্ছে, এই ‘রোবো-ডাইভিং স্যুট’ ব্যবহার করলে একজন ডুবুরি স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ কম অক্সিজেন খরচ করে দীর্ঘক্ষণ পানির নিচে অবস্থান করতে পারবেন। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই বিশেষ স্যুটটিতে যুক্ত করা হয়েছে উন্নত মানের অ্যালগরিদম যা ডুবুরির প্রতিটি নড়াচড়া বা মুভমেন্টকে নিখুঁতভাবে অনুসরণ করতে পারে। ফলে ডুবুরিকে সাতার কাটতে বা হাত-পা নাড়াতে অতিরিক্ত শক্তি ব্যয় করতে হয় না, যা তার শরীরে অক্সিজেনের চাহিদা কমিয়ে দেয়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তি শুধু অক্সিজেন সাশ্রয়ই করবে না, বরং গভীর সমুদ্রের প্রতিকূল পরিবেশে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমিয়ে আনবে। পানির নিচে ভারী কোনো যান্ত্রিক কাজ বা উদ্ধার তৎপরতার সময় এই রোবোটিক স্যুট ডুবুরিকে ‘শ্যাডো’ বা ছায়ার মতো সহায়তা করবে। বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও ভবিষ্যতে সমুদ্র সম্পদ আহরণ এবং সামরিক ক্ষেত্রে এটি বড় পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ সংকটে জ্বালানি টানাপোড়েন: কোন দেশ কীভাবে সামাল দিচ্ছে

ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও

ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বন্দ্বের খবর উড়িয়ে দিলেন পোপ লিও

ছবি: সংগৃহীত।

হরমুজের ত্রাস ইরানের ‘মস্কুইটো ফ্লিট’: কেন এটি এখনও বড় হুমকি?

0 Comments