বিশ্ব

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি তরুণী নিশাতের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটিত

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
জান্নাত নিশাত
জান্নাত নিশাত

ইমা এলিস/বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্কের কুইন্সে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৯ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণী জান্নাত নিশাত তার ছোট বোনের জন্মদিনের জন্য কেক কিনতে গিয়েছিলেন এমন তথ্য জানিয়েছেন তার পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।

 

জান্নাত নিশাতের অকাল মৃত্যুর খবর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিউ ইয়র্কসহ গোটা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া।


পরিবারের বন্ধু আমিন মেহেদি বলেন, তার ছোট বোন তাকে কেক কিনে আনতে বলেছিল। সে দোকানে গিয়েছিল এবং বাড়ি ফিরছিল। পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষা করছিল, কিন্তু সে ফিরছিল না। পরে তার ফোনের শেষ লোকেশন দেখে এক বোন তাকে খুঁজে পায়।
জানা যায়, নিশাত জ্যামাইকার একটি পার্কিং গ্যারেজে খণ্ডকালীন ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি কেক কিনতে থামেন। এরপরই ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।


রবিবার রাত প্রায় ১১টা ৫৫ মিনিটে উডসাইড এলাকায় ৬২তম স্ট্রিট পার হওয়ার সময় একটি বেসরকারি স্যানিটেশন ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। ট্রাকটি রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ থেকে মোড় নিচ্ছিল। দুর্ঘটনাস্থলটি তার বাড়ি থেকে প্রায় আধা মাইল দূরে ছিল। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।


নিশাত ম্যানহাটনের সিটি কলেজ অফ নিউ ইয়র্ক -এর একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এই মৃত্যু পরিবারে গভীর শোক নেমে এনেছে, বিশেষ করে তার ছোট বোনের জন্য, যার জন্মদিন এখন চিরদিনের জন্য এই দুঃখজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে।


আমিন মেহেদি বলেন, আমরা সবাই ভীষণ শোকাহত। এত অল্প বয়সে কেউ এভাবে জীবন হারাবে, তা আমরা কখনো ভাবিনি। সে ছিল পরিশ্রমী একটি মেয়ে, পড়াশোনা করছিল, নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করছিল।


নিহতের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ সিদ্দিক বলেন, পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছে। সে খুবই ভালো ও মেধাবী ছাত্রী ছিল। বাবা-মায়ের প্রতি খুব যত্নশীল ছিল। ছোট বয়সেই পরিবারকে সহায়তা করতে কাজ শুরু করেছিল।


মঙ্গলবার তার বাড়ির কাছে বাইতুল জান্নাহ মসজিদ মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুরা উপস্থিত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।


৩৮ বছর বয়সী ট্রাকচালক ঘটনাস্থলেই ছিলেন এবং তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়নি। নিশাত তার বাবা-মা এবং চার বোনকে রেখে গেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
শ্রমিক সংকট কাটাতে নামানো হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন চালকবিহীন ট্রাক

বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হংকংয়ের বন্দরে তীব্র শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রথমবারের মতো বন্দর এলাকায় পণ্য পরিবহনের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত চালকবিহীন ট্রাক। হংকংয়ের কুয়াই তসিং টার্মিনালে এই স্বায়ত্তশাসিত ট্রাকগুলো ইতিমধ্যে সফলভাবে কাজ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই চালকবিহীন ট্রাকগুলো প্রায় ৮,০০০-এর বেশি কন্টেইনার মুভমেন্ট সম্পন্ন করেছে। মূলত বন্দরের ট্রেলার চালকদের অভাব এবং ক্রমবর্ধমান কাজের চাপ সামাল দিতেই এই আধুনিক প্রযুক্তির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ছয়টি স্বায়ত্তশাসিত ট্রাক দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে এর সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। হংকংয়ের লজিস্টিক খাতে এটি একটি বড় মাইলফলক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই ব্যবহার শুধুমাত্র শ্রমিকের অভাবই পূরণ করবে না, বরং বন্দরের সার্বিক দক্ষতা এবং নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। আধুনিক এই ট্রাকগুলো সেন্সর এবং এআই অ্যালগরিদমের মাধ্যমে মানুষের সাহায্য ছাড়াই ভারী কন্টেইনার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ শুরু, অস্তিত্ব বনাম আধিপত্যের লড়াইয়ে মুখোমুখি তৃণমূল ও বিজেপি

ছবি: সংগৃহীত।

সুপার পাউডার থেকে সুপার পাওয়ার: প্লাজমা প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে দিচ্ছে চীন

টেক্সাস থেকে শুরু হয়ে পুরো দেশজুড়ে সুপরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হচ্ছে ঘৃণা— মার্কিন রাজনীতিতে এক নতুন সংকটের ইঙ্গিত।

যুক্তরাষ্ট্রে ভোট পেতে মুসলিম বিদ্বেষ উস্কে দিচ্ছে রিপাবলিকানরা: চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত।
বিনিয়োগ করলেই স্থায়ী বসবাসের সুযোগ, নিউজিল্যান্ডের ‘গোল্ডেন ভিসা’ নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে

ধনী অভিবাসীদের আকৃষ্ট করতে নিউজিল্যান্ডের নতুন ‘গোল্ডেন ভিসা’ কর্মসূচি বা অ্যাক্টিভ ইনভেস্টর প্লাস (AIP) ভিসা ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। চালুর মাত্র এক বছরের মধ্যেই এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটিতে প্রায় ২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (নিউজিল্যান্ডের মুদ্রায় প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। বুধবার নিউজিল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের অভিবাসন মন্ত্রী এরিকা স্ট্যানফোর্ড জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ১.৪৯ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও ২.৪১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে। গত বছর ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬০৯টি আবেদন জমা পড়েছে, যার আওতায় ১৯৮৮ জন ব্যক্তি নিউজিল্যান্ডে বসবাসের সুযোগ খুঁজছেন। কীভাবে কাজ করে এই গোল্ডেন ভিসা? ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের জন্য দুটি প্রধান বিভাগ রাখা হয়েছে: ১. গ্রোথ (Growth) ক্যাটাগরি: এতে সর্বনিম্ন ৫ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ করতে হয়। এই বিনিয়োগটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ তবে দেশের উৎপাদনশীল খাতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। ২. ব্যালেন্সড (Balanced) ক্যাটাগরি: এতে বিনিয়োগের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১০ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার। এটি তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ যেমন বন্ড বা শেয়ার বাজারে করা যায়। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এই ভিসার জন্য কোনো ইংরেজি ভাষার দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয় না। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের সশরীরে নিউজিল্যান্ডে থাকার সময়সীমাও আগের চেয়ে অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে। পরিবারসহ (স্বামী/স্ত্রী এবং ২৪ বছরের কম বয়সী সন্তান) স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ থাকায় ধনী বিনিয়োগকারীদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন আসছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন থেকে। এর বাইরে জার্মানি, হংকং, তাইওয়ান এবং সিঙ্গাপুরের নাগরিকরাও তালিকায় রয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়া থেকে ভারতের মাত্র ২ জন বিনিয়োগকারী এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
মহোজের ১০ ড্রোন

যেভাবে ড্রোনের মাধ্যমে যুদ্ধের সমীকরণ বদলে দিল ইরান

ফাইল ছবি

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেন ট্রাম্প: বোমাবর্ষণ পুনরায় শুরু করার হুমকি দিলেও শেষ পযর্ন্ত কেন পিছিয়ে এলেন

ছবি: সংগৃহীত

অভিবাসন পথে মৃত্যুমিছিল; এক বছরেই ঝরে গেল প্রায় ৮ হাজার প্রাণ!

ছবি: সংগৃহীত।
যুদ্ধের প্রভাবে এবার দুর্মূল্য হতে যাচ্ছে কনডম!

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতার প্রভাব এবার পড়ছে ব্যক্তিগত সুরক্ষা পণ্যের বাজারে। বিশ্বের বৃহত্তম কনডম প্রস্তুতকারক মালয়েশীয় কোম্পানি ‘কারেক্স’ তাদের পণ্যের দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এই দাম আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কারেক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লোহিত সাগরসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে নৌপরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। জাহাজ চলাচলে দীর্ঘসূত্রতার ফলে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ চেইন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এর ফলে অনেক আমদানিকারক ও বিক্রেতার গুদাম প্রায় শূন্য হয়ে পড়েছে, যা বাজারে এই পণ্যের চাহিদা ও সংকট উভয়ই বাড়িয়ে দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কারেক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বলেন, "বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল। পরিবহন ও কাঁচামালসহ সবকিছুর ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এই মুহূর্তে উৎপাদনের বাড়তি খরচ গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই।" উল্লেখ্য, কারেক্স বছরে প্রায় ৫০০ কোটিরও বেশি কনডম উৎপাদন করে। শুধু কনডমই নয়, যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পেট্রোকেমিক্যাল খাতে অস্থিরতা চলায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত গ্লাভস উৎপাদনকারীরাও একই ধরনের সংকটে পড়েছেন। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের এই পণ্যের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বজুড়ে সংকটের মধ্যেও অজেয় চীনের ‘জ্বালানি দুর্গ’?

ইতিহাসে প্রথমবার: বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশ পুরস্কার ‘গোল্ডম্যান প্রাইজ’ জিতলেন ৬ নারী

ছবি: সংগৃহীত।

ট্রাম্প, পুতিন ও নেতানিয়াহুকে ‘শিকারী’ আখ্যা দিল অ্যামনেস্টি

0 Comments