আন্তর্জাতিক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনে প্রস্তুত রেজা পাহলভি

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
সাবেক শাহ-পুত্র রেজা পাহলভি।
সাবেক শাহ-পুত্র রেজা পাহলভি।

দীর্ঘ কয়েক দশকের নির্বাসন কাটিয়ে ইরানের শাসনভার গ্রহণে সরাসরি প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক শাহ-পুত্র রেজা পাহলভি। বর্তমান ইসলামী প্রজাতন্ত্র সরকারের পতন ঘটলে একটি শক্তিশালী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পরিচালনার মাধ্যমে দেশকে পুনর্গঠন করতে তিনি এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।


বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত এই নির্বাসিত যুবরাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিশেষ বার্তায় জানান, তিনি ইতিমধ্যে ইরানের ভেতরে ও বাইরে থাকা দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে একটি ‘ট্রানজিশনাল সিস্টেম’ বা অন্তর্বর্তী কাঠামো গঠনের কাজ শুরু করেছেন। 


পাহলভির মূল লক্ষ্য হলো, বর্তমান প্রশাসনের পতন হওয়ার সাথে সাথেই যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই এই কাঠামো দেশের শাসনভার বুঝে নিতে পারে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।


এই অন্তর্বর্তী কাঠামোর রূপরেখা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংকট্যাংক ‘ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রাসিস’-এর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা সাঈদ ঘাসেমিনেজাদ। তিনি বর্তমানে যোগ্য সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। 


পাহলভির দাবি, এমন ব্যক্তিদেরই এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, যারা খুব অল্প সময়ে ইরানে শান্তি, শৃঙ্খলা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।

 

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসান ঘটেছিল। দীর্ঘ সময় রাজনীতির আড়ালে থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানে তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলনগুলোতে অনেক বিক্ষোভকারীকে রাজতন্ত্রের সমর্থনে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। 

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের ভেতরে ক্রমবর্ধমান এই জনমতকে কাজে লাগিয়েই রেজা পাহলভি এখন সরাসরি ক্ষমতার হাল ধরার সাহসী ঘোষণা দিচ্ছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ব্রিটেনে ‘ধূমপানমুক্ত প্রজন্ম’ গড়ার ঐতিহাসিক বিল পাস; ২০০৯-এর পর জন্মালেই আজীবন নিষিদ্ধ তামাক!

একটি সুস্থ ও তামাকমুক্ত প্রজন্ম তৈরির লক্ষ্যে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিয়েছে ব্রিটেন সরকার। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) দেশটির পার্লামেন্টে পাস হয়েছে বহুল আলোচিত ‘টোবাকো অ্যান্ড ভেপস বিল’। এই আইনের ফলে ব্রিটেনে বর্তমানে ১৭ বছর বা তার কম বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য তামাকজাত পণ্য কেনা চিরতরে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে।   নতুন আইনের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হলো এর সময়সীমা। ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্ম নেওয়া কোনো ব্যক্তি ভবিষ্যতে আর কখনোই বৈধভাবে তামাকজাত পণ্য কিনতে পারবেন না। এমনকি বয়স বাড়লেও তাঁদের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা আজীবন বহাল থাকবে। এছাড়া শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্কুল, খেলার মাঠ, হাসপাতাল এবং শিশুদের বহনকারী গাড়ির ভেতরে ধূমপান ও ভেপিং কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।   বিবিসি জানিয়েছে, বিলটি পার্লামেন্টে পাস হওয়ার পর এখন কেবল ‘রাজকীয় সম্মতি’ (Royal Assent) পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। এটি কার্যকর হলে তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। তবে পাব বাগান, সৈকত বা ব্যক্তিগত বাড়ির ভেতরে ধূমপানের ক্ষেত্রে এখনই কোনো নতুন বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়নি। ব্রিটিশ সরকারের এই সাহসী সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশে লজ্জাজনক কাণ্ড! হোটেল থেকে চুরির অভিযোগে আটক ভারতীয় পর্যটকরা

টাইটানিক দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট নিলামে বিক্রি ৯ লাখ ডলারে

টাইটানিক দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট নিলামে বিক্রি ৯ লাখ ডলারে

মদিনা বিমানবন্দরে প্রথম দফায় আগত হজযাত্রীদের ফুল উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কর্মকর্তারা | ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হজযাত্রীরা; মদিনায় প্রথম কাফেলার উষ্ণ অভ্যর্থনা

ছবি: রয়টার্টস
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাজ্যে খাদ্য ও গ্যাস সংকটের আশঙ্কা; গোপন পরিকল্পনায় সতর্কতা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের প্রভাব ইউরোপের দেশগুলোতে পড়তে শুরু করেছে, যার ফলে যুক্তরাজ্যে বড় ধরনের খাদ্য ও শিল্প সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সম্ভাব্য ঘাটতির কারণে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ থেকে শুরু করে পানীয় শিল্প এবং চিকিৎসা সেবা পর্যন্ত স্থবির হয়ে পড়তে পারে। দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আসন্ন গ্রীষ্মজুড়ে দেশটিতে খাদ্য সরবরাহে চরম চাপ সৃষ্টি হতে পারে।   ব্রিটিশ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ‘এক্সারসাইজ টার্নস্টোন’ নামক একটি মহড়ার মাধ্যমে যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত সম্ভাব্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। ফাঁস হওয়া গোপন পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে কার্বন ডাই-অক্সাইড সরবরাহ বর্তমানের মাত্র ১৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মুরগি ও শূকর জবাই প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয় উৎপাদন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। এছাড়া রক্ত, অঙ্গ এবং ভ্যাকসিন সংরক্ষণে ব্যবহৃত ড্রাই আইস সংকটে প্রাণহানির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।   যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবে জি৭ দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। রেজোলিউশন ফাউন্ডেশনের হিসাব মতে, জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে চলতি বছর প্রতিটি পরিবারকে অতিরিক্ত প্রায় ৪৮০ পাউন্ড খরচ করতে হতে পারে। কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনে জরুরি আইন জারি করে অন্যান্য শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার বিষয়েও সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছে।   যুক্তরাজ্যের ব্যবসা বিষয়ক মন্ত্রী পিটার কাইল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার নিজে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফাঁস হওয়া তথ্যে এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতি নিয়ে আগাম পরিকল্পনা করে এগোচ্ছে। বর্তমানে বড় ধরনের খাদ্যসংকটের আশঙ্কা না থাকলেও সুপারমার্কেটে পণ্যের বৈচিত্র্য কমে যেতে পারে এবং পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে জনগণকে সরাসরি অবহিত করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
যুদ্ধবিধস্ত গাজা | ছবি: সংগৃহীত

গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে কায়রোতে যুক্তরাষ্ট্র ও হামাসের ঐতিহাসিক সরাসরি বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত

আর্থিক সংকট ও শিক্ষার্থী হ্রাস: লন্ডনের শীর্ষ ইহুদি কলেজ বন্ধের ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতির অবসান; ১০ বছর পর সেনা প্রত্যাহার

১৭ দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
অলৌকিক উদ্ধার: খনি ধসের ১৭ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার

পাকিস্তানে একটি পাথর খনি ধসের দীর্ঘ ১৭ দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক ব্যক্তিকে অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম আবদুল ওয়াহাব বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রেসকিউ ১১২২’।   জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩১ মার্চ খাইবার পাখতুনখোয়ার মারদান জেলার রুস্তম তেহসিলের নাঙ্গাবাদ এলাকায় এই ভয়াবহ খনি ধসের ঘটনা ঘটে। এতে কর্মরত শ্রমিকরা মাটির নিচে চাপা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই আটজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ১৭ দিন ধরে চলা টানা উদ্ধার অভিযান শেষে আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) আবদুল ওয়াহাবকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন উদ্ধারকর্মীরা।   রেসকিউ ১১২২-এর কর্মকর্তা সৈয়দ আব্বাস এক ভিডিও বার্তায় জানান, আবদুল ওয়াহাব মোহমান্দ জেলার বাসিন্দা। নিখোঁজ এই শ্রমিকের সন্ধানে দীর্ঘ সময় ধরে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছিল। তাকে উদ্ধারের পরপরই দ্রুত জরুরি চিকিৎসা প্রদান করা হয়। বর্তমানে তিনি মারদান মেডিকেল কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।   উল্লেখ্য, খাইবার পাখতুনখোয়ার পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে ভঙ্গুর ভূপ্রকৃতির কারণে ভূমিধস ও খনি ধস একটি নিয়মিত ঝুঁকি। বিশেষ করে আপার দির, সোয়াত ও কোহিস্তানের মতো এলাকায় খনি শ্রমিকরা সবসময়ই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। ১৭ দিন পর আবদুল ওয়াহাবের ফিরে আসা যেন এক অবিশ্বাস্য অলৌকিক ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে গ্যাস পাইপলাইন বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৮ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ | ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েল নয়, ইরানই এখন ‘প্রধান শত্রু’: আমিরাত প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা আলোচনা; মধ্যপ্রাচ্যে কি ফিরবে স্থায়ী শান্তি?

0 Comments