যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই বড় চ্যালেঞ্জ ছিল IELTS ও TOEFL-এর মতো ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষা। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের ভর্তি নীতিমালায় পরিবর্তন এনে বিকল্প পদ্ধতিতে ইংরেজি দক্ষতা যাচাইয়ের সুযোগ বাড়াচ্ছে। ফলে এখন অনেক ক্ষেত্রেই আলাদা করে ইংলিশ প্রফিয়েন্সি পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার পথ উন্মুক্ত হচ্ছে।
শিক্ষাবিষয়ক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, বর্তমানে বহু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ইংরেজি মাধ্যমে পূর্ববর্তী পড়াশোনা (Medium of Instruction – MOI), Duolingo English Test, PTE Academic কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ইনটেনসিভ ইংলিশ প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার ভিত্তিতে ভর্তি দিচ্ছে। অর্থাৎ IELTS বা TOEFL না থাকলেও বিকল্প প্রমাণ থাকলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হচ্ছে।
যেসব মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলছে এই সুবিধা
হালনাগাদ ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট শর্তে ইংলিশ প্রফিয়েন্সি পরীক্ষার ছাড় বা বিকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
California State University-এর বিভিন্ন ক্যাম্পাস, Drexel University, University of Dayton, University of New Orleans, University of Delaware, University of Colorado Boulder, University of North Alabama, University of Arizona, Texas Tech University এবং আরও কয়েকটি স্বীকৃত মার্কিন প্রতিষ্ঠান।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সুবিধা সব শিক্ষার্থীর জন্য একভাবে প্রযোজ্য নয়। কোন কোর্সে আবেদন করা হচ্ছে, শিক্ষার্থীর পূর্ববর্তী একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড এবং কোন বিকল্প প্রমাণ দেওয়া হচ্ছে—এসব বিষয়ের ওপর শর্ত নির্ভর করে।
ভিসা প্রক্রিয়ায় সতর্কতার পরামর্শ
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাড় পাওয়া গেলেও যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসা ইন্টারভিউতে ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা যাচাই করা হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের মৌলিক ইংরেজি দক্ষতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন শিক্ষা ও অভিবাসন বিশ্লেষকরা।
শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইংলিশ প্রফিয়েন্সি পরীক্ষার বাধা এখন আর যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার একমাত্র প্রতিবন্ধক নয়। সঠিক তথ্য সংগ্রহ, বিকল্প প্রমাণ প্রস্তুত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট যাচাই করে আবেদন করলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ আগের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছে।
America Bangla’র পাঠকদের জন্য সুখবর—ইংরেজি পরীক্ষার কারণে আর যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থেমে থাকার কারণ নেই। সচেতন পরিকল্পনায় এখন যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়েও পৌঁছানো সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের একটি বিমানঘাঁটিতে অবৈধভাবে সামরিক বিমানের ছবি তোলার অভিযোগে তিয়ানরুই লিয়াং (২১) নামে এক চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার মার্কিন অ্যাটর্নি লেসলি এ উডস এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটির অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল জন এ আইজেনবার্গ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, লিয়াং গত ২৮ মার্চ ভ্যানকুভার থেকে একটি বৈধ বি১/বি২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। নেব্রাস্কার অফুট এয়ার ফোর্স বেসে যাওয়ার আগে তিনি সাউথ ডাকোটার এলসওয়ার্থ এয়ার ফোর্স বেসেও উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নেব্রাস্কায় এফবিআই কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হওয়ার পর লিয়াং সেখান থেকে গাড়ি চালিয়ে নিউ ইয়র্কে চলে যান, যেখান থেকে তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন। গ্রেপ্তারের পর লিয়াংকে নিউ ইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত প্রথমে জামিন দিলেও নেব্রাস্কার প্রসিকিউটরদের আপিলের প্রেক্ষিতে ১০ এপ্রিল তাকে পুনরায় হেফাজতে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ইউএস মার্শালের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন এবং বিচারিক কার্যক্রমের জন্য তাকে নেব্রাস্কায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অফুট এয়ার ফোর্স বেসটি মার্কিন কৌশলগত কমান্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে পেন্টাগন। মার্কিন অ্যাটর্নি লেসলি উডস জানিয়েছেন, যারা সামরিক স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করবে, তাদের আইনের আওতায় কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। অভিযুক্ত লিয়াং দোষী সাব্যস্ত হলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। তবে এই ঘটনার পেছনে আরও বড় কোনো গোয়েন্দা তৎপরতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এফবিআই-এর তদন্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি অত্যন্ত বিতর্কিত ও বর্ণবাদী চিঠি শেয়ার করেছেন। রেডিও সঞ্চালক মাইকেল সেভেজের লেখা ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, ভারত ও চীনের মতো দেশ থেকে মানুষ কেবল যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিতে আসে। এর মাধ্যমে তারা জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব আইনের অপব্যবহার করছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। সেভেজ তার লেখায় ভারত ও চীনকে ‘নরক’ হিসেবে অভিহিত করে অভিযোগ করেন, অভিবাসীরা গর্ভাবস্থার নবম মাসে যুক্তরাষ্ট্রে আসে এবং শিশু জন্ম দিয়ে মুহূর্তেই নাগরিকত্ব লাভ করে। পরবর্তীতে ওই শিশুর সূত্র ধরে তারা পুরো পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসে। ট্রাম্প এই পোস্টটি এমন সময়ে শেয়ার করলেন যার ঠিক একদিন আগেই তিনি জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে একটি ভুল তথ্য দিয়েছিলেন। সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের আর কোনো দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়ার নিয়ম নেই। তবে তথ্যগতভাবে এই দাবিটি সঠিক নয়। মূলত কানাডা ও মেক্সিকোসহ বিশ্বের প্রায় তিন ডজনেরও বেশি দেশে জন্মসূত্রে স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব দেওয়ার বিধান এখনও কার্যকর রয়েছে। ট্রাম্পের এই উসকানিমূলক প্রচারণা এবং বর্ণবাদী মন্তব্য শেয়ার করার বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনি সুবিধা নিতেই তিনি আবারও কঠোর অভিবাসন বিরোধী অবস্থান নিচ্ছেন। মানবাধিকার কর্মীরা এই ধরনের মন্তব্যকে ‘বিদ্বেষমূলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: এনডিটিভি
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক স্টেট প্রাইমারি নির্বাচনকে সামনে রেখে অভিবাসী ও ভাড়াটিয়া সংগঠন সিএএএভি ভয়েস গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। সংগঠনটি সিনেট, স্টেট অ্যাসেম্বলি ও কংগ্রেস নির্বাচনের জন্য তিনজন প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়েছে। সমর্থনপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন—ইউন-লিন নিওউ (স্টেট সিনেট, ডিস্ট্রিক্ট ২৭), ইল্লাপা সাইরিটুপ্যাক (স্টেট অ্যাসেম্বলি, ডিস্ট্রিক্ট ৬৫) এবং ব্র্যাড ল্যান্ডার (কংগ্রেস, নিউইয়র্ক-১০)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সমর্থন একটি বৃহত্তর “শ্রমজীবী জোট” গঠনের অংশ, যার লক্ষ্য ভাড়াবৃদ্ধি, উচ্ছেদ এবং কঠোর অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। সংগঠনের চায়নাটাউন লিড অর্গানাইজার জুলি জু বলেন, বর্তমানে নিউইয়র্কের শ্রমজীবী ও অভিবাসী জনগোষ্ঠী একসঙ্গে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে—অভিবাসন কর্তৃপক্ষের তৎপরতা বৃদ্ধি, সরকারি ব্যয় সংকোচন এবং যুদ্ধজনিত মূল্যস্ফীতি। এই প্রেক্ষাপটে অভিজ্ঞ ও জনমুখী প্রতিনিধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। প্রার্থীদের বাছাইয়ে তাদের ভাড়াটিয়া অধিকার রক্ষা, ভাড়া নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণ এবং অভিবাসন সংক্রান্ত পদক্ষেপের বিরুদ্ধে অবস্থানের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা রিয়েল এস্টেট লবি ও অন্যান্য প্রভাবশালী গোষ্ঠী থেকে অনুদান না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, নিউইয়র্কে জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমেই বাড়ছে। শহরের ৬২ শতাংশের বেশি মানুষ আয়ের তুলনায় বেশি ব্যয় বহন করছেন। বিশেষ করে ব্রুকলিন ও ম্যানহাটন-এ ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় চাপ সৃষ্টি করছে। এর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়ছে। খাদ্য, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যসেবা ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে। সিএএএভি ভয়েস তাদের পূর্বের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করেছে। ২০২৫ সালের মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানি-র পক্ষে তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। বিভিন্ন জোটের মাধ্যমে হাজার হাজার শ্রমজীবী ও অভিবাসী ভোটারকে সংগঠিত করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সংগঠনটি। এছাড়া ড্রাম বিটস ও নিউইয়র্ক কমিউনিটিস ফর চেঞ্জ-এর সঙ্গে যৌথভাবে শহরের অন্তত ১৩টি এলাকায় প্রচারণা চালানো হয়। বিভিন্ন ভাষায়—ম্যান্ডারিন, ক্যান্টনিজ, ফুজিয়ানিজ, তোইশানিজ, সিলেটি ও বাংলা—যোগাযোগের মাধ্যমে তারা তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের কাছে পৌঁছায়। সংগঠনটি জানিয়েছে, আসন্ন প্রাইমারি নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা নয়; বরং এটি নিউইয়র্কের শ্রমজীবী ও অভিবাসী মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।