সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

পানি

৫০ বছর ধরে পানি পান করেন না ওয়ারেন বাফেট
৫০ বছর ধরে পানি পান করেন না ওয়ারেন বাফেট, তৃষ্ণা মেটান যে পানীয় দিয়ে

প্রখ্যাত মার্কিন ধনকুবের এবং বিনিয়োগকারী ওয়ারেন বাফেট গত ৫০ বছর ধরে এক গ্লাস সাধারণ পানিও পান করেননি! সম্প্রতি ‘ইক্যুইটি মেটস ইনভেস্টিং’ (Equity Mates Investing) পডকাস্টের একটি পর্বে অংশ নিয়ে আরেক বিলিয়নিয়ার হেজ ফান্ড ম্যানেজার বিল অ্যাকম্যান এই বিস্ময়কর তথ্য প্রকাশ করেছেন।   অ্যাকম্যান জানান, ৯৬ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি ব্যবসায়ী একবার তাকে জানিয়েছিলেন যে, ১৯৭০-এর দশকের পর থেকে তিনি আর কখনো পানি পান করেননি। দীর্ঘ এই সময়ে পানি ছাড়াই সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পানীয়ের ওপর নির্ভর করে চলছেন তিনি।   অ্যাকম্যান তার স্মৃতিচারণ করে বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে ওয়ারেন বাফেট একবার তার বাড়িতে রাতের খাবার খেতে এসেছিলেন। বাফেটের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা থাকায় অ্যাকম্যান তার রেফ্রিজারেটর এই কিংবদন্তি বিনিয়োগকারীর প্রিয় পানীয় ‘চেরি কোক’ (Cherry Coke) দিয়ে ভরিয়ে রেখেছিলেন।   কারণ, সাধারণ পানির বদলে এই চেরি কোকই বাফেটের তৃষ্ণা মেটানোর একমাত্র উপায়। দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে সাধারণ পানি এড়িয়ে কেবল কোমল পানীয়ের ওপর নির্ভর করে ৯৬ বছর বয়সেও তার এমন সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকার বিষয়টি অনেকের কাছেই রীতিমতো অবিশ্বাস্য এক ব্যাপার।

ইসতিয়াক আহমেদ অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ১৪:০ 0
১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
৩ তলা থেকে পানের পিক ফেলতে গিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ভারতের মধ্যপ্রদেশে বাড়ির তৃতীয় তলার বারান্দা থেকে পানের পিক ফেলতে গিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের হাইভোল্টেজ বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজ্যের বিদিশা জেলার গঞ্জবাসোদা শহরের গায়ত্রী নগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম প্রভুলাল গুপ্তা। তাঁর বয়স ৬৫ বছর বলে স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবাসিক ভবনের একেবারে কাছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন থাকা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নবদুনিয়া ও টিভি নাইন হিন্দির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক একটার দিকে গঞ্জবাসোদা শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গায়ত্রী নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রভুলাল গুপ্তা একটি নির্মাণাধীন ভবনের তৃতীয় তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। একপর্যায়ে পানের পিক বাইরে ফেলতে তিনি বারান্দা থেকে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এ সময় ভবনের খুব কাছ দিয়ে যাওয়া ১১ কেভি বিদ্যুতের লাইনের সংস্পর্শে আসেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে বিদ্যুতের প্রচণ্ড ঝটকায় তাঁর শরীর মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর প্রভুলাল গুপ্তা বারান্দার কিনারায় আটকে পড়েন। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে জরুরি সেবা ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার পর উদ্ধারকারীরা তাঁর মরদেহ নিচে নামান। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। স্থানীয় পুলিশ এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে।   নিহত প্রভুলাল গুপ্তা মূলত মধ্যপ্রদেশের ছাতারপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি গঞ্জবাসোদার গায়ত্রী নগরে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রি ছিলেন এবং নির্মাণকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দুর্ঘটনার সময় তিনি যে ভবনে অবস্থান করছিলেন, সেটির নির্মাণকাজ চলছিল বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তবে ঠিক কীভাবে বিদ্যুতের সংস্পর্শ ঘটেছে, সে বিষয়ে পুলিশের তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। এদিকে ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, আবাসিক ভবনের অত্যন্ত কাছ দিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের লাইন চলে গেছে। এতে বাসিন্দাদের পাশাপাশি ভবনের নির্মাণশ্রমিকেরাও দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। বিপজ্জনক এই লাইন সরিয়ে নেওয়ার জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।   বাড়ির মালিক পদ্মা চিড়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাড়ির কাছ দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন সরানোর জন্য তিনি আগেও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছিলেন। কর্মকর্তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও দীর্ঘদিনেও লাইনটি সরানো হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলর মনীশ বিশ্বকর্মাও এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বিদ্যুতের খুঁটি, তার ও অন্যান্য সরঞ্জামের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ লাইনগুলো পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।   গুরুতর এই দুর্ঘটনার পর বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। পুলিশ দুর্ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে। বিশেষ করে বাড়ির এত কাছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন থাকার বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে। ঘটনাটি আবাসিক ভবন ও নির্মাণাধীন স্থাপনার আশপাশে হাইভোল্টেজ বিদ্যুতের লাইন থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে।  

সামিয়া ইসলাম অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ১৪:০ 0
যুক্তরাষ্ট্রে ৫ সেন্টের নিকেল তৈরিতে খরচ ১৩ সেন্ট, পেনির পর এবার নিকেলেও খরচ কমানোর উদ্যোগ
যুক্তরাষ্ট্রে ৫ সেন্টের নিকেল তৈরিতে খরচ ১৩ সেন্ট, পেনির পর এবার নিকেলেও খরচ কমানোর উদ্যোগ

মার্কিন নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে খুচরা পয়সার ব্যবহার দিন দিন উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসছে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের অংশ হিসেবে ১ সেন্টের 'পেনি' বাতিলের পর এবার ৫ সেন্ট মূল্যের 'নিকেল' নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে মার্কিন কংগ্রেস। একটি ৫ সেন্টের নিকেল তৈরি করতে ১৩ সেন্ট খরচ হওয়ায় এখন এর বিকল্প ও সাশ্রয়ী উপাদান খুঁজছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা।   চলতি বছরের শুরুর দিকে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে দ্বিদলীয় ‘কমন সেন্টস অ্যাক্ট’ (Common Cents Act) নামের একটি বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল পেনিকে চিরতরে বাতিল করা। বিলটি বর্তমানে আইনে পরিণত হওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে।   গত বছরের ডিসেম্বরে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ঘোষণা করেছিল যে, ইউএস মিন্ট আর পেনি তৈরি করবে না, কারণ তখন একটি পেনি তৈরি করতে এর প্রকৃত মূল্যের চেয়ে তিনগুণ বেশি খরচ হতো। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, পেনি তৈরি বন্ধের এই সিদ্ধান্ত থেকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার সাশ্রয় হবে।   পেনি উৎপাদন বন্ধের পর এবার বিলটির আরেকটি অংশের দিকে নজর দিচ্ছেন আইনপ্রণেতারা। বিলের এই অংশে ট্রেজারি বিভাগকে নিকেল তৈরির জন্য বর্তমানের চেয়ে সস্তা উপাদান ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে একটি নিকেল ২৫ শতাংশ নিকেল ও ৭৫ শতাংশ তামার মিশ্রণে তৈরি হয় এবং সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি মুদ্রা তৈরি করতে করদাতাদের প্রায় ৮ সেন্ট লোকসান হয়।   মিশিগানের রিপাবলিকান প্রতিনিধি লিসা ম্যাকক্লেইন জানান, ৫ সেন্টের একটি মুদ্রা তৈরি করতে ১৩ সেন্ট খরচ হওয়াটা সরকারের অর্থের অপচয়। তিনি মনে করেন, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে নিকেল তৈরির খরচ কমানোর একটি সহজ ও সাশ্রয়ী পথ তৈরি করবে এই বিল।   সিনেটে এই বিলের নেতৃত্ব দেওয়া ওয়াইমিংয়ের রিপাবলিকান সিনেটর সিনথিয়া লুমিসও বিষয়টি সমর্থন করে জানান, মানুষ এখন দৈনন্দিন কেনাকাটায় নগদ অর্থের বদলে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড এবং স্টেবলকয়েন বেশি ব্যবহার করছেন। প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যাওয়ায় অতীতে যেমন হাফ-সেন্ট বাতিল করা হয়েছিল, পেনির ক্ষেত্রেও এখন একই সময় এসেছে। তবে এখনই নিকেল উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করার কোনো ইচ্ছা আইনপ্রণেতাদের নেই।   গত মে মাসে ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে নিকেল তৈরির প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনে এর উৎপাদন খরচ কমাতে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি এই বিলে চূড়ান্ত স্বাক্ষর না করেন, তাহলে ভবিষ্যতের যেকোনো প্রশাসন পেনি বাতিলের সিদ্ধান্তটি উল্টে দেওয়ার ক্ষমতা রাখবে।

ইসতিয়াক আহমেদ অক্টোবর ৭, ২০২৬ ১৪:০ 0
২৩৪ বছরের ইতিহাস পেরিয়ে বিদায়ের পথে আমেরিকার চেনা এক সেন্টের পেনি
২৩৪ বছরের পথ পেরিয়ে এবার বিদায়ের পথে আমেরিকার পকেটের চেনা প্রিয় পেনি

একসময় আমেরিকার প্রায় প্রতিটি পকেট, কয়েনের জার কিংবা শিশুর পিগি ব্যাংকে দেখা যেত ছোট্ট এক সেন্টের মুদ্রা—পেনি। দোকানের কাউন্টারে খুচরা ফেরত, ছোটখাটো কেনাকাটা কিংবা সঞ্চয়ের প্রথম ধাপ—দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিশে ছিল এই ছোট্ট মুদ্রাটি। কিন্তু ২৩৪ বছরের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এবার সেই পরিচিত পেনি বিদায়ের পথে।   মার্কিন সিনেটে পেনি তৈরির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির বিল পাস হয়েছে। ‘কমন সেন্টস অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত এই বিল এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য যাচ্ছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রচলনের জন্য নতুন পেনি তৈরির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।   তবে পেনির গল্প আজকের নয়। ১৭৯২ সালের ‘কয়েনেজ অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে এক সেন্টের মুদ্রা তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পর ১৭৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টাকশাল প্রথম পেনি তৈরি করে। সেই সময়ের পেনি ছিল বর্তমান মুদ্রার তুলনায় বড় এবং মূলত তামা দিয়ে তৈরি।   এরপর আমেরিকার ইতিহাসের নানা অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী হয়ে থেকেছে পেনি। ১৯০৯ সালে মুদ্রাটিতে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের ছবি যুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তামার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ১৯৪৩ সালে পেনির একটি সংস্করণ তামার পরিবর্তে ইস্পাত দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এর ধাতব উপাদানও পরিবর্তিত হয়েছে।   দীর্ঘ এই যাত্রার পর ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর ফিলাডেলফিয়া টাকশালে প্রচলনের জন্য শেষ পেনিটি তৈরি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রচলিত পেনির নিয়মিত উৎপাদনের দীর্ঘ ইতিহাসের অবসান ঘটে। তবে মানুষের হাতে থাকা পেনিগুলো এখনো বৈধ মুদ্রা হিসেবে থাকবে এবং সেগুলো দিয়ে লেনদেন করা যাবে।   পেনি তৈরির খরচই মূলত এর বিদায়ের অন্যতম বড় কারণ। মার্কিন টাকশালের হিসাবে, ২০২৪ সালে একটি পেনি তৈরি করতে প্রায় ৩ দশমিক ৬৯ সেন্ট খরচ হয়েছে। অথচ মুদ্রাটির মূল্য মাত্র ১ সেন্ট। একই বছরে প্রায় ৩২০ কোটি পেনি তৈরি করা হয়েছিল।   এর পাশাপাশি সময়ের সঙ্গে নগদ অর্থের ব্যবহারও কমেছে। কার্ড, মোবাইল পেমেন্ট ও অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন জনপ্রিয় হওয়ায় এক সেন্টের মতো ছোট মূল্যমানের মুদ্রার ব্যবহার আগের তুলনায় অনেক কমেছে।   পেনি সরবরাহ ধীরে ধীরে কমে গেলে নগদ লেনদেনে নতুন নিয়ম চালু হতে পারে। ‘কমন সেন্টস অ্যাক্ট’-এ মোট বিলের অঙ্ক কাছের পাঁচ সেন্টে সমন্বয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনো মোট বিলের শেষ অঙ্ক ১, ২, ৬ বা ৭ হলে তা নিচের পাঁচ সেন্টে নামিয়ে নেওয়া হবে। আর শেষ অঙ্ক ৩, ৪, ৮ বা ৯ হলে তা ওপরের পাঁচ সেন্টে নেওয়া হবে।   এই নিয়ম শুধু নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। কার্ড বা ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে আগের মতোই নির্দিষ্ট সেন্ট পর্যন্ত সঠিক মূল্য পরিশোধ করা যাবে।   অর্থাৎ, আমেরিকার পকেট থেকে পেনি হয়তো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে। কিন্তু দোকানের কাউন্টারে খুচরা হিসেবে পাওয়া সেই ছোট্ট কয়েন, শিশুর পিগি ব্যাংকে জমিয়ে রাখা প্রথম সঞ্চয় কিংবা পুরোনো কয়েনের জারে পড়ে থাকা এক সেন্ট—এসব স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ২৩৪ বছরের ইতিহাস সহজে মুছে যাওয়ার নয়।

অলিনা রহমান সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ১৪:০ 0
পানির প্রতিটি ফোঁটা পাকিস্তানের ‘রেড লাইন’, ভারতকে শাহবাজের কঠোর হুঁশিয়ারি
পানির প্রতিটি ফোঁটা পাকিস্তানের ‘রেড লাইন’, ভারতকে শাহবাজের কঠোর হুঁশিয়ারি

পাকিস্তান সর্বদা শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী হলেও এই আকাঙ্ক্ষাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখলে তার চরম ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার ওপর কোনো ধরনের আঘাত এলে ২০২৫ সালের মে মাসের চেয়েও ভয়ংকর সামরিক জবাব দেবে ইসলামাবাদ।   বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের ৭৯তম স্বাধীনতাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই কড়া বার্তা দেন। একই অনুষ্ঠানে তিনি ২০২৫ সালের ঐতিহাসিক ‘মারকা-ই-হক’ যুদ্ধের বিজয় ও শহীদ বীরদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘ইয়াদগার-ই-ফাতাহ’ বা বিজয় স্মৃতিস্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সম্মান ও মর্যাদা বজায় রেখে শান্তি প্রতিষ্ঠাই পাকিস্তানের মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।   ভারতের সঙ্গে চলমান পানিবিরোধ ইস্যুতেও এদিন অত্যন্ত কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, ‘মারকা-ই-হক’ যুদ্ধে পরাজয়ের পর ভারত সম্পূর্ণ একতরফাভাবে ঐতিহাসিক সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নয়াদিল্লি মূলত নিজেদেরকেই এ অঞ্চলে শান্তির পথের প্রধান বাধা হিসেবে প্রমাণ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।   শাহবাজ শরিফ অত্যন্ত দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেন, পাকিস্তানের পানির প্রতিটি ফোঁটাই তাদের জন্য একটি ‘রেড লাইন’। ভারত যদি নিজেদের এই অনড় ও বৈরী অবস্থান থেকে অবিলম্বে সরে না আসে, তবে পাকিস্তান এর সমুচিত ও যুগান্তকারী জবাব দিতে বাধ্য হবে বলে কড়া ভাষায় সতর্ক করে দেন তিনি।   রাজধানীতে আয়োজিত এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, সিনেট চেয়ারম্যান সৈয়দ ইউসুফ রাজা গিলানি, জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক এবং উপপ্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দারসহ দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নতুন উদ্বোধন করা স্মৃতিস্তম্ভটিকে পাকিস্তানের দৃঢ় সংকল্প এবং সশস্ত্র বাহিনীর অসামান্য পেশাদারিত্ব ও যুদ্ধ সক্ষমতার জীবন্ত প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করেন শাহবাজ শরিফ।   জাতীয় এই ভাষণে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন পাক প্রধানমন্ত্রী। কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার ন্যায্য দাবিতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন অবিচল থাকবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই সংগ্রাম চলবে বলে জানান।   পাশাপাশি ফিলিস্তিন সংকটের ন্যায়সংগত সমাধানের পক্ষেও নিজেদের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। পরিশেষে প্রতিবেশী আফগানিস্তানের নেতৃত্বের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে শাহবাজ শরিফ জোরালো আহ্বান জানান, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য আফগান মাটির ব্যবহার যেন অবিলম্বে এবং সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হয়।

ইসতিয়াক আহমেদ আগস্ট ১৪, ২০২৬ ১৪:০ 0
তীব্র পানি সংকটে হাজারো আমেরিকান
তীব্র পানি সংকটে হাজারো আমেরিকান, এখনো নীরব প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড পুয়ের্তো রিকোতে তীব্র খরা ও দীর্ঘদিনের পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যার মধ্যে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে পালাক্রমে ৪৮ ঘণ্টা করে পানি ছাড়া থাকতে হচ্ছে। রাজধানী সান হুয়ানসহ সাতটি মিউনিসিপ্যালিটির বাসিন্দাদের ওপর এই পানি রেশনিং কার্যকর হয়েছে। সংকট আরও কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   পুয়ের্তো রিকোর অ্যাকুয়েডাক্ট অ্যান্ড স্যুয়ার অথরিটি জানিয়েছে, কারাইজো জলাধারের পানির স্তর সংকটজনকভাবে নিচে নেমে যাওয়ায় এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। নতুন রেশনিং ব্যবস্থায় একদল গ্রাহকের পানি সরবরাহ ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে, এরপর তাদের সংযোগ চালু করে অন্য এলাকার পানি বন্ধ করা হবে। অন্তত আগস্টের শেষ পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চলার কথা রয়েছে।   তবে বর্তমান সংকটের পেছনে শুধু খরা নয়, দ্বীপটির পুরোনো ও দুর্বল পানি অবকাঠামোর সমস্যাও রয়েছে। চলতি বছরের জুনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পানি সরবরাহ পাইপলাইনের একাধিক স্থানে ফাটল দেখা দেওয়ার পর সান হুয়ান ও আশপাশের এলাকায় হাজার হাজার মানুষ পানি সংকটে পড়েন।   কিছু এলাকার বাসিন্দারা চলতি বছর ১০০ দিনের বেশি সময় ধরে অনিয়মিত পানি সরবরাহের মুখোমুখি হয়েছেন বলে নিউজউইকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে বর্তমান খরা আগে থেকেই চাপে থাকা পানি সরবরাহ ব্যবস্থার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।   জুনে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠলে পুয়ের্তো রিকোর গভর্নর জেনিফার গনজালেজ ন্যাশনাল গার্ডকে পানি বিতরণে সহায়তার জন্য মোতায়েন করেছিলেন। সে সময় পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে কয়েক হাজার গ্রাহকের পানি সরবরাহ ব্যাহত হয়।   পানি সংকটের প্রভাব এখন সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ছাড়িয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাতেও পড়ছে। দীর্ঘ সময় পানি না থাকায় পরিবারগুলোকে পানীয় জল সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত অর্থ এবং সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।   পুয়ের্তো রিকোর বর্তমান সংকট নিয়ে শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিউজউইক বলেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে তখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে প্রেসিডেন্টের মন্তব্য না করার বিষয়টিকে সংকট মোকাবিলায় ফেডারেল সরকারের কোনো পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি বলে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। পুয়ের্তো রিকোর পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিচালনার মূল দায়িত্ব স্থানীয় কর্তৃপক্ষের।   পুয়ের্তো রিকোর বাসিন্দারা মার্কিন নাগরিক। ক্যারিবিয়ানে অবস্থিত দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি আনইনকরপোরেটেড টেরিটরি। সেখানে প্রায় ৩২ লাখ মানুষের বসবাস।   দ্বীপটির পানি অবকাঠামোর সমস্যা নতুন নয়। পুরোনো পাইপলাইন, রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি, হারিকেন ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতা দীর্ঘদিন ধরে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।   এর সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে খরা। রয়টার্সের ৭ আগস্টের প্রতিবেদনেও নিশ্চিত করা হয়েছে, পুয়ের্তো রিকোতে পালাক্রমে পানি রেশনিং শুরু হচ্ছে এবং এতে কয়েক দশ হাজার মানুষকে একটানা ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পানি ছাড়া থাকতে হবে। অন্তত আগস্টের শেষ পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চলবে বলে জানানো হয়েছে।   কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জলাধারের পানির স্তর ও বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে রেশনিংয়ের সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের স্থানীয় পানি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নীলুফা নিশাত আগস্ট ৭, ২০২৬ ১৪:০ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

Top week

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক রাইয়ান আবদুল বাতেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

নভেম্বর ২, ২০২৬ ১৩:০