অপরাধ

ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ
চাদর মুড়ি দিয়ে জামায়াত আমিরের নির্বাচনি বুথে আগুন, ধরা পড়ল সিসি ফুটেজে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কাউন্টডাউন যখন শেষ পর্যায়ে, ঠিক তখনই রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনি সহিংসতা ও নাশকতার খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এই আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি নির্বাচনি বুথে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।   দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১৫ আসনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১৩ ও ৩ নম্বর রোড সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত জামায়াতের এই নির্বাচনি বুথটিতে ভোর ৪টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ভোর ৪টা ২৬ মিনিটের দিকে এক ব্যক্তি গায়ে চাদর মুড়িয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সেখানে আসে। এরপর সে বুথের ভেতরে দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।   আগুনে নির্বাচনি বুথটির আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং স্থানীয়দের মাঝে এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা বরাবরই একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন চেয়ে আসছি। কিন্তু নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে এ ধরনের কাপুরুষোচিত হামলা প্রমাণ করে একটি গোষ্ঠী নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করতে মরিয়া। জনগণকে সাথে নিয়ে এ ধরনের অপতৎপরতার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।”   নির্বাচনের আগ মুহূর্তে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে এমন নাশকতার ঘটনায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
সাংবাদিক শ্যামল দত্ত এবং মোজাম্মেল বাবুর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
সাংবাদিক শ্যামল দত্ত এবং মোজাম্মেল বাবুর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

দুর্নীতি সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে আদালত ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত ও তার পরিবার এবং একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবুর নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।   ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ আজ, সোমবার ৯ জানুয়ারি, দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। শ্যামল দত্ত, তার স্ত্রী সঞ্চিতা দত্ত ও কন্যা সুষমা শশী দত্তের নামে থাকা মোট ১৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ হয়েছে, যেখানে প্রায় ৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা রয়েছে। একইভাবে, মোজাম্মেল হক বাবু, তার স্ত্রী অপরাজিতা হক ও মেয়ে শাবাবা ইশায়াত হকের নামে থাকা ১১টি ব্যাংক হিসাবেও প্রায় ৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা রয়েছে।   দুদকের পক্ষ থেকে সংস্থার উপ-পরিচালক বায়োজিদুর রহমান খান আদালতে জানিয়েছিলেন যে, উক্ত সাংবাদিকদের পরিবারের নামে থাকা সম্পদগুলো অর্জনের স্পষ্ট উৎস পাওয়া যায়নি। তদন্তে দেখা গেছে, এসব সম্পদ বিভিন্নভাবে হস্তান্তর বা স্থানান্তরের মাধ্যমে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা অর্থপাচার এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে প্রমাণিত হয়েছে।   উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর শ্যামল দত্তকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তে ভারত যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করেছিল। মোজাম্মেল হক বাবু সেই সময় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালানোর সময় দুজনকেই আটক করা হয়। এরপর থেকে তারা কারাগারে রয়েছেন।   প্রতিবেদক: শ্যামল সান্যাল

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
ঝিরি দিয়ে পাচার করা হচ্ছে গাছের গুঁড়ি
চবিতে ‘পুষ্পা স্টাইলে’ ঝিরি দিয়ে গাছ পাচারের চেষ্টা, জব্দ ৭৪টি গুঁড়ি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে কাঠ পাচারকারী সিন্ডিকেট। তবে এবার তারা সড়কপথ নয়, বরং পাহাড়ি ঝিরির প্রবল স্রোতকে ব্যবহার করেছে গাছ পাচারের মাধ্যম হিসেবে। গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনের পেছন দিয়ে প্রবাহিত ঝিরিতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।   জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২২-২৩ সেশনের একদল শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস ভ্রমণে বের হন। বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন ঝিরির কাছে পৌঁছালে তারা পানির তীব্র গর্জনের সাথে বিপুল পরিমাণ গাছের গুঁড়ি ভেসে যেতে দেখেন। মুহূর্তেই শিক্ষার্থীরা সেই দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নজরে আসার পরপরই সক্রিয় হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দফতরের সুপারভাইজার শাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টহল টিম এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ঝিরি ধরে বেশ কিছুদূর অনুসন্ধানের পর একের পর এক গাছের গুঁড়ি খুঁজে পাওয়া যায়। অভিযানে মোট ৭৪টি মূল্যবান গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।   নিরাপত্তা সুপারভাইজার শাহেদুল ইসলাম জানান, প্রশাসক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমান উল্লাহর নির্দেশনায় দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধারকৃত গাছগুলো যেন পুনরায় কেউ সরিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য রাতেই ঘটনাস্থলে ৮ সদস্যের একটি বিশেষ নিরাপত্তা টিম মোতায়েন করা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী সংবাদমাধ্যমকে জানান, জব্দকৃত গাছগুলো মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানার বাইরে থেকে পাচার হয়ে আসছিল। বনবিভাগের যথাযথ অনুমতি ও মালিকানার প্রমাণ ছাড়া এই কাঠগুলো স্থানান্তর করা আইনত দণ্ডনীয়। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ সুনির্দিষ্ট ক্লিয়ারেন্স বা বৈধ মালিকানা দাবি না করে, তবে নিলাম কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে এই ৭৪টি গুঁড়ি দ্রুত নিলামে তোলা হবে।   উল্লেখ্য, গত বছরও প্রায় একই কায়দায় ঝিরি ব্যবহার করে গাছ পাচারের ঘটনা ঘটেছিল। বারবার এই ধরনের পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বনজ সম্পদ রক্ষায় ক্যাম্পাসের সীমানা প্রাচীর ও নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন ডিবির হারুন

গাজীপুরের পাতারটেকে ২০১৬ সালে কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে সাতজনকে হত্যার অভিযোগে সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ পুলিশের ১০ জন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘ফরমাল চার্জ’ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।   তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: হারুন অর রশীদ: সাবেক ডিবি প্রধান (তৎকালীন গাজীপুরের এসপি)। একেএম শহিদুল হক: সাবেক আইজিপি। জাবেদ পাটোয়ারী: সাবেক আইজিপি। আসাদুজ্জামান মিয়া: ডিএমপির সাবেক কমিশনার। মনিরুল ইসলাম: সিটিটিসির তৎকালীন প্রধান।   ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের পাতারটেকে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে ‘জঙ্গি’ হিসেবে নিহতের দাবি করেছিল পুলিশ। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এই ঘটনা নিয়ে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসে। অভিযোগকারীর বক্তব্য: নিহতদের মধ্যে ইবরাহীম নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর বাবা ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন যে, তাঁর ছেলেকে গুম করার পর সাজানো নাটকের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তদন্ত সংস্থার দাবি: প্রসিকিউশন জানিয়েছে, দীর্ঘ তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে এটি কোনো জঙ্গিবিরোধী প্রকৃত অভিযান ছিল না, বরং পরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র ব্যক্তিদের ধরে এনে হত্যা করা হয়েছিল।   চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে আজ তা আদালতে পেশ করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল এই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে শুনানির জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করবেন।   এটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি মামলা যেখানে পুলিশের একাধিক সাবেক আইজিপি এবং প্রভাবশালী কমিশনার পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন। বিগত সরকারের আমলে ‘ক্রসফায়ার’ বা ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে হওয়া বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পথে এটিকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

Unknown ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ বিমানের এমডি গ্রেফতার

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান,তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অন্য দুইজন হলেন বাসার আরও দুই গৃহকর্মী। সোমবার গ্রেফতারদের ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রোমের মিয়া তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন। প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই তাহমিনা আক্তার জানান, আদালতে আজ গ্রেফতারদের জামিন বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন,১১ বছরের এক শিশু গৃহকর্মীকে বীভৎসভাবে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।এঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
গৃহকর্মী নির্যাতন: স্ত্রীসহ বিমানের এমডি কারাগারে

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের এক মামলায় গ্রেফতার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রীসহ চারজনকে করাগারে পাঠানো হয়েছে।   রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উত্তরায় নিজ বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোমের মিয়া। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণ করেন।   উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ বলেন, শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় বিমান বাংলাদেশের এমডিসহ চারজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।   পুলিশের একটি সূত্র জানায়, সাফিকুর রহমানের বাসায় ওই শিশু গৃহকর্মীর কাজ করে। ওই গৃহকর্মীকে দীর্ঘদিন ধরে মারধর করা হচ্ছিল। ওই শিশুর পরিবার থানায় মামলা করেছে। সেই মামলায় রোববার রাত সাড়ে ৩টার দিকে সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী বীথি এবং বাসার অন্য দুই গৃহকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহ হিল আমান আল আযমী
যমটুপি পরানোর পরও ডিজিএফআই কর্মকর্তা মকছুরুলকে চিনতে পারি

আট বছরেরও বেশি সময় গুম থাকার পর মুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির হয়ে নিজের ওপর চলা অমানুষিক নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী। শেখ হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিতে গিয়ে তিনি তুলে ধরেন ‘আয়নাঘর’ বা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলের (জেআইসি) অন্তরালের বীভৎস কাহিনী।   জবানবন্দিতে আমান আযমী জানান, ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট মগবাজারের বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়ার সময় তিনি অপহরণকারীদের মধ্যে ডিজিএফআই কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মকছুরুলকে চিনতে পেরেছিলেন। অপহরণের পর তাকে হাতকড়া পরিয়ে, চোখ বেঁধে এবং মুখে যমটুপি পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কচুক্ষেতে অবস্থিত ডিজিএফআই কমপ্লেক্সের ১১ নম্বর সেলে।   আযমী বলেন, "২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা ২৯০৮ দিন আমি আকাশ দেখিনি, চাঁদ-সূর্য দেখিনি, মেঘ-বৃষ্টির ছোঁয়া পাইনি। দুনিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে আমাকে একটি অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আটকে রাখা হয়েছিল।" তিনি আরও জানান, সেলের ভেতর সার্বক্ষণিক কৃত্রিম শব্দ বা যান্ত্রিক আওয়াজ তৈরি করা হতো যাতে বন্দিদের আর্তনাদ বাইরে না যায় এবং ভেতর থেকে বাইরের কোনো শব্দ না শোনা যায়।   নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সেখানের খাবার ছিল অত্যন্ত নিম্নমানের। আট বছরে একদিনও তিনি তৃপ্তি করে খেতে পারেননি। দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টি ও চিকিৎসার অভাবে তিনি চারবার অজ্ঞান হয়ে যান এবং একিউট কিডনি ইনফেকশনসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হন। এমনকি টয়লেটে যাওয়ার সময়ও তাকে যমটুপি পরিয়ে হাতকড়া লাগিয়ে নেওয়া হতো।   জবানবন্দিতে তিনি স্পষ্ট করেন, ডিজিএফআই কমপ্লেক্সের দক্ষিণে অবস্থিত অফিসার্স মেস-বি এবং আশেপাশের আজানের শব্দ শুনে তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন যে তাকে কচুক্ষেতেই রাখা হয়েছে। জবানবন্দি অপূর্ণ থাকায় আজ পুনরায় ট্রাইব্যুনালে তার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। এর আগে, ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার তার অবৈধ বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে তাকে সসম্মানে অবসরে পাঠায়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
হাদি হত্যাকাণ্ড: হত্যার দায় স্বীকার করলেন রাব্বানীর বন্ধু রুবেল

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেল আহমেদ আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার৩১ জানুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার১ ফেব্রুয়ারি আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রিমান্ড শেষে আসামি রুবেলকে আদালতে হাজির করা হয়।এসময় আসামি রুবেল স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ২১জানুয়ারি মধ্যরাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরদিন২২ জানুয়ারি প্রথম দফায় তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। পরে বুধবার২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় তাকে আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজের পরে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওইদিন দুপুর ২টা২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। পরবর্তীতে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। তদন্ত শেষে গত ৬জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। তবে ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে গত১৫ জানুয়ারি নারাজির আবেদন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।   আগামী ২৫ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন, প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার বাবা মো.হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া,শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা,মো,কবির মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজুওহত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল , মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলার রায় ৫ ফেব্রুয়ারি

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ একজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী৫ ফেব্রুয়ারি। আজ রোববার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়ের এই দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন,বিচারক মো.মঞ্জুরুল বাছিদ বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। ট্রাইব্যুনালে এই মামলায় প্রসিকিউসন পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম,গাজী এমএইচ তামীম, বি এম সুলতান মাহমুদ,ফারুক আহমেদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান সহ অপর প্রসিকিউটররা। অন্যদিকে,চার আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন। এই মামলায় বর্তমানে আটজন আসামি গ্রেফতার রয়েছেন।তারা হলেন,ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.শহিদুল ইসলাম,ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো.আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন,কামরুল হাসান,শেখ আবজালুল হক এবং সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার। আসামিদের মধ্যে শেখ আবজালুল হক রাজসাক্ষী হয়ে শহীদদের পরিবারও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে জবানবন্দি দেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহএ মামলার বাকি আট আসামি এখনো পলাতক। গত১৪সেপ্টেম্বর মামলার সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন। পরবর্তীতে তিনি সাংবাদিকদের বলেন,ছয়জন আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যার পর পুলিশ তাদের লাশ ভ্যানে তুলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।সে সময় ঘটনাস্থলে একজন জীবিত থাকলেও তাকে বাঁচতে দেয়া হয়নি।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
শেখ হাসিনা-টিউলিপের দুর্নীতির দুই মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ২০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে স্বৈরাচারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাওশেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে করা পৃথক দুই মামলার রায় আগামীকাল সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত আজ বেলা ১১ টার দিকে এ রায় ঘোষণা করবেন। রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর একটি সূত্র গণমাধ্যমে জানায়,সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) শেখ হাসিনাসহ অপর আসামিদের দুই মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য রয়েছে। এদিন বেলা ১১ টার দিকে বিচারকএমামলার রায় ঘোষণা করবেন। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে২০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে পৃথক দুই মামলায় শেখ হাসিনা-টিউলিপসহ ১৮ জন করে ৩৬ জন আসামি। এর মধ্যে গত ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্র এবং আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে শেখ হাসিনা-টিউলিপ-রাদওয়ানের মামলার রায় ঘোষণার জন্য২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম। অপরদিকে গত ১৩ জানুয়ারি রাষ্ট্র এবং আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে শেখ হাসিনা-টিউলিপ-আজমিনার মামলার রায় ঘোষণার জন্য২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেনএকই আদালত। শেখ হাসিনা-টিউলিপ-রাদওয়ানের মামলার বিবরণে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহারও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এস. এম রাশেদুল হাসান। ওই মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকওশেখ হাসিনাসহ মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক,এস. এম. রাশেদুল হাসান ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় আদালতে ২৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন। রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, শেখ হাসিনাওটিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন-জাতীয় গৃহায়ণওগণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সচিব শহিদ উল্লাহ খন্দকার, রাজউক-এর সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা,সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন,মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.),সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ,পরিচালক শেখ শহিদুল ইসলাম, তদন্তে প্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়নও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। শেখ হাসিনা-টিউলিপ-আজমিনার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহারও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে১০কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। মামলায় টিউলিপওশেখ হাসিনাসহ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত বছরের১০মার্চ আরও দুই আসামিসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন আফনান জান্নাত কেয়া। মামলার বিচার চলাকালে ৩১ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন-জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার,সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন,মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.),সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, পরিচালক কামরুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ণও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। এর আগে, গত বছরের ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম দুই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
জাল সনদ দিয়ে চাকরি, অবশেষে ৩ বিসিএস কর্মকর্তা ধরা

সনদ জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়ায় বিসিএস ৩৮ ব্যাচের দুজন ও ৪১ ব্যাচের একজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।   দুদকের মামলার তালিকায় থাকা ওই কর্মকর্তারা হলেন—৩৮তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সঞ্জয় দাস (রেজি. নম্বর-০৮২৯৪৭), ৪১তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সুকান্ত কুণ্ডু (রেজি. নম্বর-১১০৬৬২৯৬) এবং ৩৮তম বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের আবু সালেহ মো. মুসা (রেজি. নম্বর-০৮২৮১৪)।   জালিয়াতির মাধ্যমে স্নাতকের সনদ প্রস্তুতপূর্বক পাবলিক সার্ভিস কমিশনে দাখিল করে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। পরবর্তীকালে সনদ যাচাই করে দেখা যায় যে, তাদের সনদটি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা। এ অপরাধের প্রেক্ষিতে দুদক বিধিমালা, ২০০৭-এর ১০(চ) বিধির আলোকে তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার জন্য কমিশন কর্তৃক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।   সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে স্নাতক পরীক্ষার অবতীর্ণ সনদ জালিয়াতি করে পিএসসিতে জমা দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এরই মধ্যে পিএসসির নিজস্ব তদন্তে এই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের সুপারিশের আলোকেই দুদক এখন আইনি ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। অনুসন্ধান প্রতিবেদন বলছে, অভিযুক্তরা জালিয়াতির মাধ্যমে স্নাতক পরীক্ষার অবতীর্ণ সনদ প্রস্তুত করে বিসিএসে আবেদন করেছিলেন। পরবর্তীকালে সনদ যাচাই করে দেখা যায় যে, আবেদনকালে দাখিল করা সেসব সনদ ছিল জাল।  

তাবাস্সুম জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
আবেদের স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, অবরুদ্ধ গাড়ি-ব্যাংক হিসাব

পিএসসির প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আলোচিত সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পীর নামে থাকা এক কোটি ৬৩ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩৩ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেন।   তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেনের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত শাহরিন আক্তার শিল্পীর নিম্নোক্ত সম্পদগুলো জব্দ ও অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন: স্থাবর সম্পদ: শিল্পীর নামে থাকা ১৪৮ শতাংশ জমি এবং দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। যার দাপ্তরিক মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ: ৩৩ লাখ টাকা মূল্যের একটি ব্যক্তিগত গাড়ি। ব্যাংক হিসাব: তাঁর নামে থাকা ৪টি ব্যাংক হিসাব সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ (Freezed) করা হয়েছে।   গত ৫ জানুয়ারি আবেদ আলী, তাঁর স্ত্রী শিল্পী এবং ছেলে সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করে দুদক। তদন্তে উঠে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো হলো: আবেদ আলীর লেনদেন: ১২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তিনি মোট ৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। স্ত্রীর হিসাব: শাহরিন আক্তার শিল্পীর দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া তাঁর নামে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। ছেলের সম্পদ: আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের বিরুদ্ধেও ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।   দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি তাঁর নামে থাকা এই বিপুল সম্পদ যে কোনো সময় হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের অর্থ আত্মসাৎ রোধে এই সম্পদগুলো সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া আবশ্যক ছিল।

Unknown জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
মিজানুর রহমান আজহারী
ভয়েস ক্লোন ও এআই প্রযুক্তিতে অভিনব জালিয়াতি: প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ধরণের নতুন আপদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এআই-চালিত জালিয়াতি। একদল কুচক্রী মহল জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ছবি ও ভয়েস ক্লোন করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতারণামূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরণের অবৈজ্ঞানিক ওষুধি পণ্য এবং চিকিৎসা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে, যা দেখে প্রযুক্তির এই নেতিবাচক দিক সম্পর্কে অজ্ঞাত সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।   এই প্রতারণার আঁচ লেগেছে সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘হাসানাহ ফাউন্ডেশন’-এর ওপরও। ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল নম্বরে ফোন করছেন, যা তাঁদের দাপ্তরিক কাজে বড় ধরণের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্ব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এ ধরণের কোনো বিজ্ঞাপন বা পণ্য বিক্রির সাথে তাঁর বা তাঁর ফাউন্ডেশনের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। এটি কেবল অনৈতিক নয়, বরং চরম জঘন্য একটি অপরাধ।   আইনি ব্যবস্থা ও চূড়ান্ত সতর্কতা: এই ন্যাক্কারজনক জালিয়াতি রুখতে ইতোমধ্যেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রতারক পেজ ও মিডিয়াগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যা দ্রুতই পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে হস্তান্তর করা হবে। দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে—যেখান থেকেই এই ধরণের ডিজিটাল অপরাধ চালানো হচ্ছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রতারকদের প্রতি ‘চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি’ উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, অনতিবিলম্বে এই ধরণের প্রতারণামূলক কন্টেন্ট রিমুভ না করলে কোনো ধরণের আপস ছাড়াই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসাথে মেধা ও প্রযুক্তির দক্ষতাকে অনৈতিক পথে ব্যবহার না করে হালাল উপায়ে জীবিকা অন্বেষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ: যেকোনো প্রলোভন বা বিজ্ঞাপনের সত্যতা যাচাই করতে সর্বদা হাসানাহ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল সোর্স ব্যবহার করুন। কোনো ধরণের ব্যক্তিগত তথ্য বা অর্থ লেনদেনের আগে ভেরিফাইড সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে মিলিয়ে নিন। আপনাদের সচেতনতাই পারে এই ডিজিটাল মাফিয়াদের রুখে দিতে। সকল অফিশিয়াল লিংক নিচে দেওয়া হলো...   Website: https://mizanurrahmanazhari.net/ Instagram: https://www.instagram.com/dr.mizanur.rahman.azhari X (Twitter): https://x.com/AzhariTweets Youtube: https://www.youtube.com/@DrMizanurRahmanAzhariChannel Facebook: https://www.facebook.com/mizanurrahmanazhariofficial TikTok: https://www.tiktok.com/@mizanurrahmanazhari হাসানাহ ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইট: Website: https://hasanahfoundation.com Facebook Page: Hasanah Foundation Group: https://www.facebook.com/groups/Hsanah4All Hasanah Olympiad Page: Hasanah Olympiad Hasanah Olympiad Website: https://hasanaholympiad.com Youtube: https://www.youtube.com/@HasanahFoundation Instagram: https://www.instagram.com/HasanahFoundation_official X (Twitter): https://www.x.com/Hasanah4All

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Top week

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা
রাজনীতি

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

নুরুল্লাহ সাইদ ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0