জাতীয়

ঢাকায় কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংগৃহীত ছবি
সব স্তরে দুর্নীতি দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

সরকারের সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সহনশীল সমাজ গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।   এ সময় তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতি সমর্থন দেওয়ার জন্য ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদের আহ্বান জানান।   ইফতার অনুষ্ঠানে ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কূটনৈতিক সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।   ইফতার আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
গ্যাস সংকটে চার ইউরিয়া কারখানা ১৫ দিনের জন্য বন্ধ

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে দেশের চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ইউরিয়া সার কারখানায় সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। আপাতত ১৫ দিনের জন্য এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।   বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) পরিচালিত পাঁচটি ইউরিয়া কারখানার মধ্যে বর্তমানে কেবল শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড চালু রয়েছে। অন্যদিকে ঘোড়াশালের পলাশ ফার্টিলাইজার, চট্টগ্রামের ইউরিয়া ফার্টিলাইজার, যমুনা ফার্টিলাইজার এবং আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানিতে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।   বিসিআইসির পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) মনিরুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ১৫ দিনের জন্য কারখানাগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।   এদিকে বেসরকারি খাতে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)ও গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। ফলে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে দেশের মোট ছয়টি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে বর্তমানে পাঁচটিতেই উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।   বিসিআইসির তথ্য অনুযায়ী, তাদের পাঁচটি ইউরিয়া কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হয়। বর্তমানে চালু থাকা শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানির দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১,৩০০ মেট্রিক টন।   এদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য নির্দেশনা জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।   বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই নির্দেশনায় প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার কমানো, গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতি অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যবহার না করা এবং পাইপলাইনের লিকেজ দ্রুত প্রতিরোধ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।   এ ছাড়া জ্বালানি তেল সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ সীমিত রাখতে বলা হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রস্তুত করতে দুই দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বিএনপি। বিশেষ করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নতুন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।   শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিয়ে দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ভাগাভাগি করছেন।   উদ্বোধনী পর্বে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কর্মশালায় তার কন্যা জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।   দলীয় নেতারা জানান, কর্মশালায় সংসদের নিয়ম-কানুন, আচরণবিধি, বিল প্রণয়ন ও পর্যালোচনার পদ্ধতি, বাজেট সংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাজের ধরনসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা নতুনদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।   রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেন। তার ঘোষণানুযায়ী, ১২ মার্চ সকাল ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে। সেই অধিবেশনকে সামনে রেখেই নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রস্তুত করতে এই নিবিড় প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে।   কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে সাবেক আমলা, শিক্ষাবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। তারা সংসদীয় কার্যপ্রণালী, বিল ও বাজেট প্রক্রিয়া এবং স্থায়ী কমিটির ভূমিকা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দিচ্ছেন।   দুই দিনের এই কর্মশালার কার্যক্রম বিভিন্ন সেশনে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম দিনের সকালে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা অংশ নেন। বিকেলে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের কিছু সংসদ সদস্য উপস্থিত থাকবেন। পরদিন শনিবার সকালে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের বাকি সদস্যরা অংশ নেবেন এবং বিকেলে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সংসদ সদস্যরা কর্মশালায় যোগ দেবেন।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মোট ২০৯ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪৬ জনই প্রথমবারের মতো সংসদে এসেছেন। ফলে সংসদীয় কার্যপ্রণালী সম্পর্কে নতুন সদস্যদের প্রস্তুত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, কর্মশালায় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপনের পদ্ধতি, বিল প্রণয়ন ও তা নিয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার নিয়ম, নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার সমস্যা সংসদে তুলে ধরার কৌশল এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি সংসদ অধিবেশনে সদস্যদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।   দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার বিষয়ে কর্মশালায় আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় উন্নয়ন তদারকি, নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হতে পারে।   এছাড়া মন্ত্রীদের জন্য দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হচ্ছে এই প্রশিক্ষণে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পাট দিবস ভাষণ দিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আরও অগ্রগতি অর্জন করতে হবে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর জাতি গঠন করতে হবে।   শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন–এ জাতীয় পাট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।   অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি পাটচাষিদের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে উচ্চ ফলনশীল চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পাট উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পাটজাত নতুন স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পণ্য উদ্ভাবনে এগিয়ে আসতে হবে। কম খরচে পাটের ব্যাগ উৎপাদন ও বিপণনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।   এ ছাড়া তরুণ প্রজন্মকে স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে দেশের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
জামালপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার

জামালপুর শহরের দড়িপাড়া মন্ডলপাড়া এলাকায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত প্রায় ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করে।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নারী তাহমিনা আক্তার তানিয়া (৩৬) প্রায় ১৭ বছর আগে দড়িপাড়া এলাকার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয়ধারী হোসাইন মো: তাইফুর (৪০)-এর সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পারিবারিক কলহের কারণে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলছিল।   নিহতের আত্মীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তাহমিনা আক্তার তানিয়া বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে আসেন। পরে রাত দেড়টার দিকে পরিবারের সদস্যরা ধোঁয়া দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। স্থানীয়রা জানালা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর তানিয়ার পোড়া মরদেহ দেখতে পান।   খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত স্বামী হোসাইন মো: তাইফুরকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।   ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ঘটনাটি পারিবারিক কলহের জেরে ঘটেছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   নিহতের মামা মনোয়ার ইসলাম কর্নেল এই ঘটনার সর্বোচ্চ বিচার দাবি করেছেন।  

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ইতিকাফ এর ফজিলত, নিয়ম, ও শর্ত সমূহ
বৃহস্পতিবার থেকে ইতিকাফ, বসার আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো

পবিত্র রমজানের শেষ দশকের নীরব এক আত্মিক প্রশান্তির নাম ইতিকাফ। দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভের বিশেষ সুযোগ এটি। বাংলাদেশ–সহ বিশ্বের মুসলিম সমাজে ধর্মপ্রাণ মানুষরা এই বিশেষ ইবাদতের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।   রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করা সুন্নতে মুআক্কাদা কিফায়া হিসেবে গণ্য। অর্থাৎ মহল্লার অন্তত একজন ইতিকাফ করলে অন্যরা দায়মুক্ত হন। তবে কেউ ইতিকাফ না করলে সবাই গুনাহের অংশীদার হতে পারেন।   ইতিকাফ শুরু করতে হবে ২০ রমজান সূর্যাস্তের আগেই মসজিদে প্রবেশের মাধ্যমে। সূর্যাস্ত বা মাগরিবের পর মসজিদে প্রবেশ করলে তা সুন্নত ইতিকাফ হিসেবে গণ্য হবে না; তখন তা নফল ইবাদত হিসেবে ধরা হবে। ইতিকাফ সাধারণত ঈদের চাঁদ দেখার দিন সূর্যাস্তের পর শেষ হয়।   ইতিকাফ তিন ধরনের— সুন্নত ইতিকাফ: রমজানের শেষ ১০ দিন, ওয়াজিব ইতিকাফ: মানত পূরণের জন্য, নফল ইতিকাফ: যেকোনো সময় করা যায়।   ইতিকাফ শুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত করা, পবিত্রতা বজায় রাখা এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে জামাত হয় এমন মসজিদে অবস্থান করা জরুরি। সুন্নত ও ওয়াজিব ইতিকাফের জন্য রোজা রাখাও শর্ত।   ইতিকাফ ভেঙে যাওয়ার কারণ ইতিকাফকারী প্রয়োজন ছাড়া মসজিদ থেকে বের হলে ইতিকাফ ভেঙে যেতে পারে। অবশ্য প্রাকৃতিক প্রয়োজন, ফরজ গোসল, জুমার নামাজ আদায় বা আজান দেওয়ার মতো শরয়ি প্রয়োজনের ক্ষেত্রে সাময়িক বাইরে যাওয়া যায়।   তবে যেসব কারণে ইতিকাফ নষ্ট হতে পারে— অপ্রয়োজনীয়ভাবে মসজিদ ত্যাগ করা, নফল গোসলের জন্য বাইরে যাওয়া, জানাজা বা রোগী দেখতে শুধু এই উদ্দেশ্যে বের হওয়া, ব্যবসায়িক বা দুনিয়াবি কাজ করা, ইতিকাফ অবস্থায় স্ত্রী-সহবাস করা, টাকার বিনিময়ে অন্যকে ইতিকাফে বসানো (নাজায়েজ)।   নারীদের ইতিকাফ নারীরা নিজ ঘরের নির্দিষ্ট কক্ষে ইতিকাফ করতে পারেন। তবে মসজিদে ইতিকাফ করতে চাইলে পর্দা ও নিরাপদ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। স্বামীর অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক এবং ঋতুস্রাব শুরু হলে ইতিকাফ বন্ধ করতে হবে।   ইতিকাফে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় বিছানাপত্র, পরিষ্কার পোশাক, ধর্মীয় বই ও তসবিহ সঙ্গে রাখা ভালো। অপ্রয়োজনীয় কথা, মোবাইল ব্যবহার এবং দুনিয়াবি ব্যস্ততা কমিয়ে কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও নফল ইবাদতে সময় দেওয়াই ইতিকাফের মূল লক্ষ্য।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত
বিমানে যেসব জিনিস নিষিদ্ধ ও অনুমোদিত

বিমান ভ্রমণের দিনটা অনেকের কাছেই আনন্দের। পরিবারকে বিদায় জানানো, নতুন গন্তব্যে যাত্রার প্রস্তুতি- সবকিছুই যেন এক আবেগময় মুহূর্ত। কিন্তু সেই আনন্দের মুহূর্তই অনেক সময় ভ্রমণ প্রস্তুতির ছোট ভুলের কারণে ঝুঁকিতে পড়ে যেতে পারে। তাই যাত্রার আগে জানতে হবে কী নেওয়া যাবে আর কী নেওয়া যাবে না।   রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে কর্তৃপক্ষ নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। বিমান ভ্রমণ নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রাখতে যাত্রীদের লাগেজ ও বহনযোগ্য জিনিসপত্রের ওপর বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।   কেবিন ও চেক-ইন ব্যাগেজে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ জিনিস সংকুচিত গ্যাস, দাহ্য গ্যাস, অক্সিজেন সিলিন্ডার, বিস্ফোরক, গোলাবারুদ, আতশবাজি, ক্ষয়কারী পদার্থ যেমন অ্যাসিড, পারদ, তেজস্ক্রিয় ও সংক্রামক পদার্থ, ধারালো অস্ত্র, ছুরি, কাঁচি, বন্দুক বা অস্ত্রের প্রতিরূপ, অপ্রীতিকর গন্ধযুক্ত বস্তু।   কেবিন ব্যাগেজে সীমিত পরিমাণে বহনযোগ্য (সাধারণত ১০০ মিলি পর্যন্ত) পানীয়, শ্যাম্পু, ক্রিম, টুথপেস্ট, হেয়ার জেল, স্প্রে, মধু বা তরল খাদ্য, তরল, জেল বা অ্যারোসল হলে স্বচ্ছ ও পুনঃসিলযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগে রাখতে হবে।   মূল্যবান জিনিস কোথায় রাখবেন IndiGo–এর নির্দেশনা অনুযায়ী- ওষুধ, টাকা, ক্যামেরা, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এগুলো কেবিন ব্যাগেজে রাখা ভালো, কারণ এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষ এসবের দায় নেয় না। অনুমোদিত জিনিস (সঠিক প্যাকিং সাপেক্ষে) শুকনো খাবার, শুকনো ফল, মোবাইল, ল্যাপটপ ও চার্জার, স্বর্ণ/রূপার গয়না (প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ), ভাঁজযোগ্য বেবি স্ট্রলার, ড্রোন ক্যামেরা (ব্যাটারি ≤ ১৬০ Wh) বিশেষ সীমাবদ্ধতা পাওয়ার ব্যাংক ব্যাটারির ক্ষমতা ১৬০ Wh-এর বেশি নয়, অস্ত্র বহনের ক্ষেত্রে বৈধ লাইসেন্স ও কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন, ব্যক্তিগত অস্ত্র পরিবহনে হ্যান্ডলিং চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।  সন্দেহজনক বা নিষিদ্ধ জিনিস বহন করবেন না, লাগেজ সঠিকভাবে প্যাক করুন, বিমানবন্দর নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলুন

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ছুটির দিনেও ভয়াবহ বায়ুদূষণ ঢাকায়, বিশ্বের দূষিত নগরীর তালিকায় দ্বিতীয়

ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদে দেখা যাচ্ছে, ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও রাজধানী ঢাকা–তে বায়ুদূষণের মাত্রা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল থেকেই আকাশে ধুলোর আস্তরণ দেখা গেছে, যদিও রোদ ছিল এবং যানবাহন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রমও ছিল তুলনামূলক কম।   সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্বের প্রায় ১২০টি শহরের মধ্যে বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। এ সময় রাজধানীর বায়ুমান সূচক (AQI) ছিল ৩৩০, যা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ পর্যায়ের কাছাকাছি। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার প্রায় একই সময়ে বিশ্বের ১২৪টি শহরের মধ্যে দূষণে শীর্ষে ছিল ঢাকা; তখন বায়ুমান ছিল ২৯৮।   সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান IQAir নিয়মিতভাবে বিশ্বজুড়ে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করে থাকে। তাদের প্রকাশিত লাইভ সূচকে শহরের বাতাস কতটা দূষিত বা নিরাপদ তা তুলে ধরা হয়। সাধারণত কোনো এলাকার বায়ুমান ৩০০ ছাড়িয়ে গেলে সেটিকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ ধরা হয়, যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।   আজ রাজধানীর অন্তত আটটি এলাকায় বায়ুমান ৩০০–এর ওপরে উঠে গেছে। ফলে পুরো শহরের বাতাসই ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে। আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের শহর লাহোর, যেখানে বায়ুমান সূচক ছিল ৪১৮।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রায় পুরো সময়জুড়েই ঢাকার বায়ুদূষণ শীর্ষ পর্যায়ে ছিল। চলতি মার্চ মাসেও একই পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীতে দীর্ঘ ১১৪ দিন পর বৃষ্টি হলেও বায়ুর মানে তেমন কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।   বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণের কারণে ২০১৯ সালে দেশে প্রায় দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এতে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৮ শতাংশ ক্ষতিও হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।   সবচেয়ে দূষিত এলাকা আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— বেচারাম দেউড়ি (৫৪৯), গুলশান লেক পার্ক (৫১৯), ইস্টার্ন হাউজিং (৪৫১), দক্ষিণ পল্লবী (৪৪১), উত্তর বাড্ডার আবদুল্লাহবাগ (৩৮৬), বারিধারা পার্ক রোড (৩৪৯), গুলশানের বে’জ এইজ ওয়াটার (৩৪০) এবং গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এলাকা (৩২০)। আইকিউএয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। পাশাপাশি খোলা জায়গায় ব্যায়াম না করা এবং ঘরের জানালা যতটা সম্ভব বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
এআই প্রযুক্তিতে তৈরি প্রতীকী ছবি
উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, শিশু-নারীসহ দগ্ধ ১০

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের দুই শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।   শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে উত্তরার কামারপাড়া এলাকার ১০ নম্বর সেক্টরের একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে।   দগ্ধরা হলেন- রুবেল (৩০), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া আক্তার (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই দুবাইপ্রবাসী এনায়েত আলী (৩২), তার স্ত্রী দেলেরা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১০), এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব (৩০), ভাগনি আয়েশা আক্তার (১৯) এবং রুবেল (৩৫)।   আহতদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট–এ ভর্তি করা হয়েছে।   জানা গেছে, কামারপাড়ার ১০ নম্বর সেক্টরের কবরস্থান রোডে মেম্বার বাড়ির পাশে আবুল কালামের মালিকানাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। ওই বাসায় পরিবার নিয়ে থাকেন রাইড শেয়ারিং চালক রুবেল। তার চাচাতো ভাই এনায়েত আলী দুবাই থেকে দেশে এসে গ্রাম থেকে পরিবারসহ বেড়াতে এসেছিলেন। তাদের বাড়ি শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর।   একই ভবনের চারতলায় থাকা স্বজন সাজেদ মাতব্বর জানান, ভোরে বিকট শব্দ শুনে নিচে নেমে দেখেন নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার দেয়াল ভেঙে গেছে। ঘরের ভেতরে থাকা ১০ জনই দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।   জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে সোনিয়া আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এছাড়া এনায়েত আলীর ৪৫ শতাংশ, রিয়া আক্তারের ৩২ শতাংশ, রুবেলের (৩০) ৩২ শতাংশ, শিশু রোজার ১৮ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, দেলেরা খাতুনের ১৪ শতাংশ, রুবেলের (৩৫) ৭ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ এবং আয়েশা আক্তারের ১২ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে।   তিনি আরও জানান, যাদের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ বেশি তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে। অন্যরা চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।   ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স–এর নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, বিস্ফোরণের খবর পেয়ে দ্রুত দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।   প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গিজার বা গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণটি ঘটেছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ডিএনসিসির তহবিল সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূরীকরণে প্রশাসকের বক্তব্য

Dhaka North City Corporation (ডিএনসিসি)-এর তহবিল সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জনমনে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সংস্থাটির বর্তমান প্রশাসক Md. Shafiqul Islam Khan। তিনি জানান, সাবেক প্রশাসক দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় কর্পোরেশনের ২৬টি ব্যাংক হিসাব মিলিয়ে ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকার বেশি অর্থ থাকার যে দাবি করেছেন, সেটি প্রকৃত চিত্র নয়। এ অর্থের একটি বড় অংশ বিভিন্ন নির্দিষ্ট তহবিলের এবং ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবে সংরক্ষিত ছিল।   প্রশাসক বলেন, ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ করা হয় মূলত কর্পোরেশনের সাধারণ তহবিল থেকে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি দায়িত্ব গ্রহণের সময় সাধারণ তহবিলে নগদ ছিল মাত্র ২৫ কোটি টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন নির্দিষ্ট তহবিলের ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবে প্রায় ৮২৫ কোটি টাকা সংরক্ষিত রয়েছে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়েছে।   ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩–২৪ অর্থবছর শেষে ২০২৫ সালের ১ জুলাই কর্পোরেশনের সাধারণ তহবিলে নগদ ছিল ৫৯৭ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন তহবিলের ফিক্সড ডিপোজিট ছিল ৮২৫ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয় ১ হাজার ১৭৮ কোটি টাকা। এতে মোট নগদ প্রবাহ দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা।   কিন্তু একই সময়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ১ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা ব্যয় হওয়ায় ২০২৫ সালের ১ জুলাই নগদ স্থিতি কমে দাঁড়ায় ৩৩৬ কোটি টাকায়। পরে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয় আরও ৮২০ কোটি টাকা।   ডিএনসিসি প্রশাসকের দাবি, পরবর্তী সময়ে অপ্রয়োজনীয় কিছু প্রকল্প গ্রহণের ফলে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ১৩১ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়। ফলে দায়িত্ব গ্রহণের সময় কর্পোরেশনের নগদ স্থিতি নেমে আসে মাত্র ২৫ কোটি টাকায়, যা সংস্থাটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন বলে তিনি উল্লেখ করেন।   প্রশাসক আরও বলেন, সাবেক প্রশাসন ফিক্সড ডিপোজিটের ৮২৫ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন নির্দিষ্ট তহবিল—যেমন জামানত, পেনশন, শিক্ষা ও জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ)—এর হিসাব একত্র করে মোট ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকার একটি পরিসংখ্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছে, যা প্রকৃত আর্থিক অবস্থাকে প্রতিফলিত করে না।   এদিকে সাবেক প্রশাসক দায়িত্ব ছাড়ার আগে ৩৬টি বিল অনুমোদন করে গেছেন, যার বিপরীতে প্রায় ৪২ কোটি টাকা বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পাওনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিগুলো বর্তমানে যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, কর্পোরেশনের আর্থিক অবস্থার সঠিক তথ্য নগরবাসীর সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। এ কারণেই বিষয়টি পরিষ্কার করতে এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ইরাকের কুর্দিস্তানে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

বাংলাদেশ দূতাবাস, বাগদাদ জানিয়েছে যে, ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্থানের আরবিলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ফলে তিনজন বাংলাদেশি মারা গেছেন। নিহতরা হলেন মোহাম্মদ তারেক (পাসপোর্ট নং EL-0875891) ও মো: সাব্বির, উভয়ই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার, এবং মেহেদী হাসান (পাসপোর্ট নং A18633961), ফেনীর বাসিন্দা।   ঘটনাটি ০৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঘটেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ইরাক নিহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেছে এবং পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি
টয়োটার এমডি ও দুই কর্মকর্তা আত্মসমর্পণ করে জামিন

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমিত সিংসহ তিন কর্মকর্তা জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে তারা আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। পরে আদালত প্রত্যেকের ১ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন এবং মামলাটি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন।   অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন টয়োটা টুশো এশিয়া প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাপানি নাগরিক আকিও ওগাওয়া এবং টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান। আদালতের সহকারী আশুতোষ ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৫ সালের ৯ জুলাই নাভানা লিমিটেডের পক্ষে শফিউল ইসলাম বাদী হয়ে। অভিযোগে বলা হয়, টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা নাভানা লিমিটেডের একক ডিস্ট্রিবিউটরশিপ ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। ফলে নাভানার ব্যবসায়িক সক্ষমতা ও সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।   পিবিআই তদন্তে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডারকৃত যানবাহনের উৎপাদন বিলম্বিত করেছেন এবং কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়েস’ সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করেছেন। এর ফলে নাভানা লিমিটেড আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে এবং প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী: দুর্নীতিমুক্ত কর্মকর্তা ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা ফিরবে না

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের পবিত্র ও দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘হান্টাররাই যদি অপবিত্র হয় বা ঘুষ খায়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পবিত্রতা কোনোভাবেই ফিরে আসবে না।’   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পরিদর্শন নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।   মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সূচক নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে ফল জানতে চান। সরকারি কাজে সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষা খাতের সেবা মান ও গতি বৃদ্ধিই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।   শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে দপ্তরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এলজিইডি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজের গতিশীলতা বাড়ানো সম্ভব।’   মন্ত্রী শিক্ষক বদলিতে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির বন্ধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সফটওয়্যার চালুর নির্দেশ দেন। তিনি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন ও ছুটির মতো প্রশাসনিক কাজ করাতে যেন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরে হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেন।   মতবিনিময় সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহজাহান মিয়া সহ স্ব স্ব দপ্তরের প্রধান ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি।
বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ সংসদীয় আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদেশটি আসে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের করা আবেদনের শুনানির পর।   গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কপিল কৃষ্ণ পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। আসনটিতে তিনটি উপজেলা এবং ১৪৭টি ভোটকেন্দ্র ছিল।   ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর কপিল কৃষ্ণ কয়েকটি কেন্দ্রের ফলাফলে আপত্তি জানান এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিকার চেয়েও সন্তুষ্ট হননি। এর পর তিনি হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করেন। আদালত এই আবেদনের শুনানি শেষে ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন।   ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে জামায়াতের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে জামায়াতের শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ এবং বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে জামায়াতের আব্দুল আলিম জয়ী হন। বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
এমপিও শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ প্রস্তাব অনুযায়ী বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে পাওয়া উৎসব ভাতা বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার পাঠানো হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অপরিসীম। তাদের চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা প্রদানের সার্বিক সেবা উন্নয়ন করা সরকারের দায়িত্ব।   চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অতীতে শিক্ষা খাতের উন্নয়নের পরিবর্তে অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো খাতে বেশি অর্থ ব্যয়ের কারণে শিক্ষার বাজেট সংকুচিত হয়েছে। ফলে শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সামাজিক অবস্থানে নানা ধরনের বৈষম্য দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষা খাতে আনুপাতিক বাজেট বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে সরকার।   এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৫১ জন। তারা বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে এ ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।   চিঠিতে আরও বলা হয়, অতিরিক্ত ১০ শতাংশ উৎসব ভাতা বাড়ানো হলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য বছরে অতিরিক্ত ১৯০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৯৫.৮০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ মোট অতিরিক্ত ব্যয় হবে ২৮৫.৮০ কোটি টাকা।   ডিও লেটারে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সার্বিক কল্যাণ ও দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসনের অংশ হিসেবে এ আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি তাদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করবে এবং শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।   চিঠিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য অতিরিক্ত ১৯০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য অতিরিক্ত ৯৫.৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বিমানবন্দরে থাকবে না মন্ত্রী–আমলাদের লম্বা লাইন

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে যাওয়া এবং দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে মন্ত্রী, সচিব ও বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের দীর্ঘ লাইনে উপস্থিত থাকার প্রচলিত দৃশ্যে পরিবর্তন আসছে। এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।   বুধবার (৪ মার্চ) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরের সময় এবং দেশে প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে নির্ধারিত কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন।   নির্দেশনা অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম সদস্য একজন মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।   মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে পূর্বে জারি করা ২০২৪ সালের ২৮ আগস্টের একটি সার্কুলার বাতিল করে নতুন নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।   এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে তালাবদ্ধ অফিস: ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও সময়নিষ্ঠার অভাবে শাস্তির মুখে পড়লেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসের তিন কর্মকর্তা। বুধবার সকালে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের আকস্মিক পরিদর্শনে অফিস তালাবদ্ধ পাওয়ার পর দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রায়হান কবির জানান, অভিযুক্ত তিনজনকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।   ঘটনার প্রেক্ষাপট বুধবার সকালে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সরকার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি দেখেন অফিসের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ। প্রতিমন্ত্রী দীর্ঘ ৩০ মিনিট বাইরে অপেক্ষা করার পর একজন কর্মচারী এসে তালা খোলেন, তবে তখনও মূল কর্মকর্তারা অনুপস্থিত ছিলেন।   যারা শাস্তির আওতায় এলেন দায়িত্বে অবহেলার দায়ে শাস্তিমূলক বদলি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন:   মো. নাসির উদ্দিন: ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (আড়াইহাজারে বদলি)।   মো. ওমর ফারুক: উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (আড়াইহাজারে বদলি)।   জান্নাতী: অফিস সহকারী (বন্দর উপজেলায় বদলি)।   প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে অভিহিত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, জনগণের সেবায় বিঘ্ন ঘটানো বা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এমন উদাসীনতা সরকারের জনসেবামূলক লক্ষ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি বা দায়িত্বহীনতার কোনো স্থান নেই।

আবু জোবায়ের মার্চ ৫, ২০২৬ 0
তারেক রহমান। ফাইল ছবি
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অর্ধেক লাইট-এসিতেই চলছে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও জাতীয় সম্পদ রক্ষায় এক অনন্য এবং ব্যতিক্রমী নজির স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কৃচ্ছতা সাধনের অংশ হিসেবে তিনি নিজের দপ্তরে ৫০ শতাংশ বৈদ্যুতিক বাতি এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ২০১ নম্বর কক্ষসহ তাঁর কার্যালয়ের প্রতিটি কক্ষে কার্যকর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   জানা গেছে, কৃত্রিম আলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দিনের বেলা জানালার পর্দা সরিয়ে প্রাকৃতিক আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও এই সিদ্ধান্তের প্রতিফলন দেখা গেছে। সেখানে অর্ধেক লাইট ও এসি ব্যবহার করেই যাবতীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।   বৈঠক শেষে অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী কেবল নিজের দপ্তরেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শপিংমল ও বাণিজ্যিক ভবনসহ সাধারণ নাগরিকদের নিজ নিজ বাসস্থানেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।   এদিকে, আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে জ্বালানি সাশ্রয়ে বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ নিয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় স্বার্থে অপচয় রোধে এই সময়োপযোগী উদ্যোগ সারাদেশে ইতিবাচক সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ৫, ২০২৬ 0
সরকারি চাকরিজীবীরা ঈদে উপভোগ করতে পারেন টানা ১২ দিনের ছুটি
সরকারি চাকরিজীবীরা ঈদে উপভোগ করতে পারেন টানা ১২ দিনের ছুটি

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত সুবিধা দিতে সরকার একদিন অতিরিক্ত ছুটি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে এই ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে।   বিষয়টি ৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১৬ মার্চ অফিস করার পর থেকেই কার্যত ঈদের ছুটিতে যোগ দিতে পারবেন।   সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পাঁচ দিনের সাধারণ ছুটি থাকবে। ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায়, যদি ১৮ মার্চ অতিরিক্ত ছুটি দেওয়া হয়, তবে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি হবে।   এছাড়া, ঈদের ছুটির পর ২৪ ও ২৫ মার্চ (মঙ্গলবার ও বুধবার) অফিস খোলা থাকলেও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের ছুটি রয়েছে। পরবর্তী সাপ্তাহিক ছুটি ২৭ ও ২৮ মার্চ। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি ২৪ ও ২৫ মার্চ ব্যক্তিগত ছুটি নেন, তবে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১২ দিনের দীর্ঘ ছুটি নেওয়া সম্ভব হবে।   জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে।   পবিত্র রমজান মাস ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে ৬ দিনে ঢাকা থেকে বাতিল ২১০ ফ্লাইট

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আকাশপথ বন্ধ থাকায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। গত ছয় দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ২১০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ষষ্ঠ দিনের মতো আকাশসীমা বন্ধ থাকায় আজ এক দিনেই ৩৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ।   বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে।   পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম দিনে ঢাকা থেকে ২৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এরপর ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি এবং ৪ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়।   আজ ৫ মার্চ বাতিল হওয়া ৩৪টি ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ারওয়েজ, কুয়েত এয়ারওয়েজ, জাজিরা এয়ারওয়েজ এবং শারজাহভিত্তিক এয়ার অ্যারাবিয়ার একাধিক ফ্লাইট রয়েছে। এর মধ্যে এয়ার অ্যারাবিয়ার সর্বোচ্চ ১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এছাড়া এমিরেটস, গালফ এয়ার, ফ্লাই দুবাই এবং দেশীয় বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলার ফ্লাইটও বাতিলের তালিকায় রয়েছে।   এদিকে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ৫ মার্চ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ, সৌদি আরবের দাম্মাম, কাতারের দোহা এবং কুয়েতগামী সব নিয়মিত ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের ইরান, ইরাক, বাহরাইন ও জর্ডানের মতো দেশগুলো সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ রাখায় বিকল্প পথে ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে হাজার হাজার প্রবাসী শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।   বিমান চলাচল বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাত বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে জনশক্তি রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।   বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বিশেষ ব্যবস্থায় আটকে পড়া যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আসন্ন পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১৪ এপ্রিল এই কর্মসূচি শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।   প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে জানান, কর্মসূচি বাস্তবায়ন তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি সচিব পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   প্রেস সচিব বলেন, ‘কৃষক কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি দেশের কৃষকদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে।’ এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ধাপে ধাপে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাবেন।   এই কর্মসূচির আওতায় কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি, সহজ শর্তে কৃষিঋণ এবং কৃষি বীমার সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া, বাজারদর ও ফসলের রোগবালাই বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শও পাওয়া যাবে।   কর্মসূচির আওতায় শুধু শস্য উৎপাদনকারী কৃষকই নয়, মৎস্যচাষী ও প্রাণিসম্পদ খামারিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।   প্রাথমিক পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সারা দেশের কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর প্রাক-পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের আট বিভাগের নয়টি নির্বাচিত উপজেলার নয়টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।   নির্বাচিত উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর এবং কক্সবাজারের টেকনাফ। মাঠ পর্যায়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।   কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। এছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে।   সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্যায় শেষে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের আশা, এর মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতে নতুন গতি সৃষ্টি হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
আন্তর্জাতিক

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১, ২০২৬ 0