জাতীয়

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান | ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে তিনি ৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।   নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস। জাতিসংঘের সদর দফতরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।   জাতিসংঘ সূত্রে জানা গেছে, মোট ১৯০টি ভোটের মধ্যে ড. খলিলুর রহমান ৯৯টি দেশের সমর্থন লাভ করেন। অন্যদিকে আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পান ৯১টি ভোট।   প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক আবর্তন পদ্ধতি অনুযায়ী, ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদটি এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের জন্য নির্ধারিত ছিল। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং সাইপ্রাসের বহুপাক্ষিকতা-বিষয়ক বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেয়াস কাকোরিস এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।   নির্বাচনে জয়ী হয়ে ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতি এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।   জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী ফোরামগুলোর একটি হলো সাধারণ পরিষদ। এর সভাপতি সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনার সমন্বয়, অধিবেশনের কার্যক্রম পরিচালনা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে কূটনৈতিক সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: জুন ২, ২০২৬ ০:৩
বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস | ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন ইমিগ্রান্ট ভিসা স্থগিতাদেশ বহাল, ঢাকায় দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ শুরু হলেও মিলছে না ভিসা

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রান্ট ভিসা কার্যক্রমের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ এখনো বহাল রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষণায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্রান্ট ভিসা প্রদান ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়। সেই সিদ্ধান্ত এখনো কার্যকর রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালতে আইনি লড়াই চলমান।   এদিকে স্থগিতাদেশ বহাল থাকলেও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ১ জুন থেকে ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন একটি ব্যবস্থা চালু করেছে। দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন থেকে সব ধরনের ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদন দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। আবেদনকারীরা আগের মতোই আবেদন জমা দিতে এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। তবে বর্তমান স্থগিতাদেশ বহাল থাকায় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও ভিসা ইস্যু করা হবে না এবং আবেদনকারীরা পাসপোর্টে ভিসা পাবেন না।   মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই নীতির পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর কিছু অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বহন করেন, যা ‘পাবলিক চার্জ’ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে অভিবাসন অধিকারকর্মী, আইনজীবী এবং বিভিন্ন নাগরিক অধিকার সংগঠন এই ব্যাখ্যার বিরোধিতা করেছে।   তাদের দাবি, জাতীয়তার ভিত্তিতে কোনো দেশের নাগরিকদের জন্য সামগ্রিকভাবে ইমিগ্রান্ট ভিসা বন্ধ করে দেওয়া মার্কিন অভিবাসন আইনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। এ বিষয়ে নিউইয়র্কের ফেডারেল আদালতে চলমান CLINIC v. Rubio মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন যে, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট জাতীয়তার ভিত্তিতে ইমিগ্রান্ট ভিসা প্রদানে বৈষম্য নিষিদ্ধ করেছে এবং ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ওপর একযোগে নিষেধাজ্ঞা সেই আইনের লঙ্ঘন হতে পারে।   মামলাটি ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট ফেডারেল আদালতে দায়ের করা হয়। বাদীপক্ষের মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল ইমিগ্রেশন ল সেন্টার, ডেমোক্র্যাসি ফরওয়ার্ড, লিগাল এইড সোসাইটি অব নিউইয়র্ক, সেন্টার ফর কনস্টিটিউশনাল রাইটসসহ একাধিক অধিকারভিত্তিক সংগঠন। এছাড়া এমন কয়েকজন মার্কিন নাগরিকও মামলায় যুক্ত আছেন, যারা এই নীতির কারণে তাদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনতে পারছেন না।   বাদীপক্ষ আদালতের কাছে চারটি প্রধান দাবি উত্থাপন করেছে। তারা চায় আদালত এই নীতিকে বেআইনি ঘোষণা করুক, স্থগিতাদেশ স্থায়ীভাবে বাতিল করুক, স্টেট ডিপার্টমেন্টকে আগের নিয়মে প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে মূল্যায়নের নির্দেশ দিক এবং যেসব আবেদনকারী এই নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়া হোক।   বর্তমানে মামলাটি ‘ক্রস-মোশন ফর পার্শিয়াল সামারি জাজমেন্ট’ পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে।   আদালত বা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা সীমিত। ইমিগ্রান্ট ভিসা প্রদান পুনরায় শুরু হতে পারে মূলত দুটি উপায়ে। প্রথমত, ফেডারেল আদালত স্থগিতাদেশ বাতিলের নির্দেশ দিতে পারে। দ্বিতীয়ত, প্রশাসন নিজ উদ্যোগে নীতিটি প্রত্যাহার করতে পারে।   উল্লেখযোগ্য যে, এই স্থগিতাদেশ কেবল ইমিগ্রান্ট ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ফলে গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বসবাসের মর্যাদা অর্জনের জন্য আবেদনকারীরাই এর সরাসরি প্রভাবের মুখে পড়েছেন। অন্যদিকে পর্যটন, শিক্ষা ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অ-অভিবাসী ভিসা, যেমন বি-১/বি-২, এফ-১ এবং এইচ-১বি, এই স্থগিতাদেশের আওতাভুক্ত নয়।   তবে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বি-১/বি-২ ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমা দেওয়ার একটি নতুন শর্ত যুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।   ফলে বর্তমানে ঢাকায় ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের সুযোগ চালু হলেও, স্থগিতাদেশ বহাল থাকায় আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে। কবে আবার ইমিগ্রান্ট ভিসা প্রদান স্বাভাবিক হবে, তার উত্তর নির্ভর করছে আদালতের রায় এবং মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: জুন ১, ২০২৬ ২৩:১৫
সঠিক পদ্ধতি না মানলে নষ্ট হতে পারে স্বাদ ও গুণগত মান
কোরবানির মাংস সংরক্ষণে সতর্কতা জরুরি: সঠিক পদ্ধতি না মানলে নষ্ট হতে পারে স্বাদ ও গুণগত মান

পবিত্র ঈদুল আজহা মানেই কোরবানির মাংস ঘিরে ব্যস্ততা। নিজের পরিবারের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও এ সময় প্রচুর মাংস পাওয়া যায়।   ফলে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাংস সংরক্ষণ করতে গিয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে ফ্রিজে অতিরিক্ত চাপ পড়লে মাংস ঠিকভাবে হিমায়িত হয় না, যার প্রভাব পড়ে স্বাদ ও গুণগত মানে।   খাদ্য সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে দীর্ঘদিন মাংস ভালো রাখা সম্ভব। সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে অনেক সময় অযত্নেই নষ্ট হয়ে যায় মূল্যবান এই খাবার।   বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, কোরবানির পরপরই গরম অবস্থায় মাংস ফ্রিজে না রাখাই ভালো। মাংস প্রথমে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এরপর ফ্রিজারে রাখলে তা ভালোভাবে জমাট বাঁধে এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।   অনেকেই মাংস ধুয়ে সংরক্ষণ করেন, যা আসলে সঠিক পদ্ধতি নয়। এতে মাংসের স্বাদ ও গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বরং পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মাংসের রক্ত মুছে নিয়ে সংরক্ষণ করাই উত্তম।   একসঙ্গে বড় প্যাকেটে মাংস না রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট ছোট ভাগে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে প্রয়োজনের সময় সহজে বের করা যায় এবং বারবার গলানো-জমানোর কারণে স্বাদের পরিবর্তনও কম হয়।   সংরক্ষণের তারিখ লিখে রাখা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে গরু বা খাসির মাংস ফ্রিজারে চার থেকে ছয় মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। তাই প্রতিটি প্যাকেটের গায়ে তারিখ লিখে রাখলে কোনটি আগে ব্যবহার করতে হবে তা বোঝা সহজ হয়।   ফ্রিজারের তাপমাত্রাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাপমাত্রা যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণে না থাকলে মাংস দ্রুত নষ্ট হতে পারে। তাই ফ্রিজারের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি ফারেনহাইটের কাছাকাছি আছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি।   সংরক্ষণের সময় বায়ুরোধী প্যাকেট ব্যবহার করা উচিত। ফ্রিজার-সেফ ব্যাগ বা পাত্রে মাংস রেখে ভেতরের বাতাস যতটা সম্ভব বের করে সিল করে দিলে ‘ফ্রিজার বার্ন’ হওয়ার ঝুঁকি কমে। প্রয়োজনে প্লাস্টিক মোড়ক বা ফয়েল ব্যবহার করে দ্বিস্তর সুরক্ষা দেওয়া যেতে পারে।   এ ছাড়া মাংসের প্যাকেটগুলো খাড়া করে না রেখে সমানভাবে শুইয়ে রাখলে ফ্রিজের জায়গা সাশ্রয় হয় এবং বেশি মাংস রাখা যায়। প্যাকেটের মাঝে কাগজ ব্যবহার করলে আলাদা করা সহজ হয়।   সবশেষে, ফ্রিজের দরজা বারবার খোলা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে ভেতরের তাপমাত্রা ওঠানামা করে, যা মাংস সংরক্ষণের জন্য ক্ষতিকর। দরজা ঠিকভাবে বন্ধ হচ্ছে কি না, সেটিও নিয়মিত খেয়াল রাখা প্রয়োজন।   সঠিক নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করলে ঈদের আনন্দের সঙ্গে কোরবানির মাংসের স্বাদও দীর্ঘদিন উপভোগ করা সম্ভব—এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ২৭, ২০২৬ ১:৪৯
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল ও সবুজ জ্বালানি ব্যবস্থার পথে এগোচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার দিকে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।   অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে জাতীয় সংসদ ভবনের এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বীর বিক্রম। এতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই উদ্যোগ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নয়, এটি বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন, সংসদ ভবনের ছাদে সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, নেতৃত্ব শুধু নীতিতে নয়, বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হতে হবে।   তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারিত হচ্ছে, শিল্পায়ন বাড়ছে এবং বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক ঝুঁকি দেশের বাস্তবতা। তাই টেকসই জ্বালানির দিকে অগ্রসর হওয়া এখন অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।   তিনি জানান, বাংলাদেশে সৌরশক্তির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের ছাদ, শিল্পাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।   অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।

শাহারিয়া নয়ন প্রকাশ: মে ২৩, ২০২৬ ২৩:২৫
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেসি ক্রিস্টেনসেন | ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় ৫০ বিশেষ রিকশার উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশে এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেসি ক্রিস্টেনসেন লাল, সাদা ও নীল রঙে সাজানো ৫০টি বিশেষ রিকশার উদ্বোধন করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকার রঙের প্রতীক বহন করছে।   এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঐতিহাসিক মাইলফলকই উদযাপন করা হয়নি, পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্বের বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। আয়োজকদের ভাষ্য, রিকশা বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত সাংস্কৃতিক প্রতীক হওয়ায় এই মাধ্যমকে বেছে নেওয়া হয়েছে দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতিফলন হিসেবে।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক গত কয়েক দশকে বাণিজ্য, শিক্ষা, উন্নয়ন সহযোগিতা, সংস্কৃতি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়াতেও এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মত দেন তারা।   লাল, সাদা ও নীল রঙে সাজানো রিকশাগুলো রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলাচল করবে বলে জানা গেছে। এতে স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।   কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় উদযাপনকে একত্রিত করার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি প্রতীকী উপস্থাপন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ১৯, ২০২৬ ২১:৩৪
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এনইসি সভায় সভাপতিত্ব করেন | ছবি পিএমও
রেকর্ড তিন লাখ কোটির এডিপি পাস, বড় বরাদ্দ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মূল এডিপির আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা। এছাড়া স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন খরচসহ সার্বিক এডিপির আকার দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা, যা চলমান এডিপির চেয়ে এক লাখ কোটি টাকা বেশি।   সোমবার (১৮ মে) শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় নতুন এই এডিপি পাস হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবারের এডিপিতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যার ফলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতে আগের চেয়ে বরাদ্দ বেশ বেড়েছে।   এডিপির নথি অনুসারে, এবারের মূল এডিপিতে দেশজ উৎস থেকে জোগান দেওয়া হবে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা হিসেবে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে মিলবে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। এবারের এডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১ হাজার ১০৫টি। এছাড়া আজকের এনইসি সভায় পাঁচ বছরের জন্য সংস্কার ও উন্নয়নের কৌশলকাঠামোও পাস করা হয়।   সভা শেষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে ড্যাশবোর্ড থাকবে এবং অগ্রগতি সন্তোষজনক না হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বাদ দিতে পর্যালোচনা চলছে এবং দুর্নীতি রোধে প্রয়োজনীয় দক্ষতা না থাকলে কেউ প্রকল্প পরিচালক হতে পারবেন না। বড় এডিপি নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, অতীতের সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতিতে বিনিয়োগ বাড়াতেই এই উদ্যোগ।   নতুন এডিপিতে বরাদ্দের দিক থেকে ৩৩ হাজার ৭৩৫ কোটি টাকা পেয়ে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। ২৬ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এছাড়া চতুর্থ স্থানে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ২০ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা এবং পঞ্চম স্থানে থাকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ১৯ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ১৭, ২০২৬ ২৩:৯
বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনার | ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখবে নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পরও শুল্কমুক্ত ও অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নিউজিল্যান্ড। রোববার (১৭ মে) সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে এক সৌজন্য বৈঠকে নিউজিল্যান্ডের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেভিড পাইন এই আশ্বাসের কথা জানান। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।   বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণকে সফল করতে দ্রুত বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অত্যন্ত অপরিহার্য। বাংলাদেশের মোট রপ্তানির বড় অংশ তৈরি পোশাক খাতনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণের নানা উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী নিউজিল্যান্ডের ব্যবসায়ীদের এদেশের সম্ভাবনাময় খাতসমূহে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।   নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনার ডেভিড পাইন বৈঠকে জানান, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাণিজ্যের বহুমুখীকরণ এবং আমদানির উৎস বৈচিত্র্যকরণ উভয় দেশের জন্যই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের পর বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধায় যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়ে নিউজিল্যান্ড বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে বিশ্বস্ত ও উচ্চমানসম্পন্ন হিসেবে সুপরিচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল এবং দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য কাঠামো প্রতিষ্ঠায় নিউজিল্যান্ড গভীরভাবে আগ্রহী।   সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষই বাণিজ্য সহযোগিতা আরও জোরদারে বিদ্যমান আঞ্চলিক কাঠামোর কার্যকর ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ১৬, ২০২৬ ২১:২২
ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসীদের জন্য আধুনিক আবাসন প্রকল্প, ২ মাসের মধ্যে মিলবে ‘প্রবাসী কার্ড’

প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ‘প্রবাসী কার্ড’ আগামী দুই মাসের মধ্যে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে প্রবাসীদের জন্য আধুনিক অ্যাপার্টমেন্টভিত্তিক আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ শনিবার (১৬ মে) সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবালাইজিং সিলেট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।   মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে আগামী দুই মাসের মধ্যে বিশেষ সুবিধাসম্পন্ন ‘প্রবাসী কার্ড’ প্রদান করা হবে। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স ও বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে, তাই তাদের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগ ও আবাসনের সুযোগ তৈরি করা সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি জানান, দেশে জমির সংকট বাড়তে থাকায় ভবিষ্যতে প্লটভিত্তিক প্রকল্পের পরিবর্তে অ্যাপার্টমেন্টভিত্তিক আধুনিক আবাসন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব আবাসনে উন্নত সব নাগরিক সুবিধা থাকবে এবং এগুলো শুধু প্রবাসীরাই বরাদ্দ পাবেন। সিলেট থেকেই এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।   মন্ত্রী আরও বলেন, প্রবাসীদের নতুন প্রজন্মকে দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে তারা দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে এবং পারিবারিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে। সেমিনারে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে পৃথক লাউঞ্জ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।   পাশাপাশি ইমিগ্রেশন এলাকায় জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল ইউনিট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ প্রবাসীদের দ্রুত হাসপাতালে নিতে বিমানবন্দরে সার্বক্ষণিক বা স্থায়ী অ্যাম্বুলেন্স রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ ছাড়া বিদেশে কোনো প্রবাসী মারা গেলে তাঁর মরদেহ সম্পূর্ণ বিনা খরচে দেশে এনে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা সরকার চালু করেছে বলে জানান তিনি। অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরীসহ বিভিন্ন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, প্রবাসী প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: মে ১৫, ২০২৬ ২৩:১৮
ছবি: সংগৃহীত
বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বর্ণপদক পাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল ‘বেগম জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক’-এ ভূষিত হতে যাচ্ছেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ অবদান এবং সফল নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। শনিবার (৯ মে) সকালে পদকের জন্য মনোনীত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।   যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক সংগঠন 'বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটি (ইনক)' প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এই বিশেষ স্বর্ণপদক প্রবর্তন করেছে। ২০২৬ সালের জন্য মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। ক্রীড়াঙ্গন থেকে তামিম ইকবালের পাশাপাশি সাফজয়ী সাবেক গোলরক্ষক ও বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।   পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় ক্রীড়াবিদদের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও রয়েছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও ইসমাইল জবিউল্লাহ এই সম্মাননা পাচ্ছেন।   তালিকায় অন্যান্যদের মধ্যে সাংবাদিক আশরাফ কায়সার, বাসস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল উদ্দিন সবুজ, সাহিত্যিক ড. মাহবুব হাসান এবং খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত সহকারী ফাতেমা বেগমের নাম রয়েছে। মাঠের ক্রিকেটে সফল ওপেনার হিসেবে দীর্ঘ সময় দাপট দেখানোর পর বর্তমানে বিসিবি প্রধান হিসেবে প্রশাসনিক দায়িত্বেও প্রশংসা কুড়াচ্ছেন চট্টগ্রামের এই তারকা ক্রিকেটার।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৯, ২০২৬ ০:৫২
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শারলে | ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় দেশ: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শার্লে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন। শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিশাল ভোক্তা বাজারের কারণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে বলে তিনি জানান।   বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে ফরাসি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ সহজ করার সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানান। উভয় পক্ষ বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। রাষ্ট্রদূত মনে করেন, বর্তমান সংস্কার কার্যক্রমগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।   বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, বর্তমান সরকার একটি বিনিয়োগবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং অনুমোদন প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজড করার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মূলত ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজ ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের বর্তমান লক্ষ্য।   ব্যবসায়িক নিবন্ধন ও সেবা প্রদান প্রক্রিয়াকে আরও সময়োপযোগী করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এই আলোচনা ফলপ্রসূ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৭, ২০২৬ ০:২৭
ছবি: সংগৃহীত
১৬ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

শিশু ও কিশোরদের ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। লিগ্যাল ভয়েস ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূরী আজ এই নোটিশ প্রেরণ করেন। নোটিশটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব এবং বিটিআরসি চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়েছে।   নোটিশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার রোধে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার শিশু-কিশোরদের মধ্যে উদ্বেগজনকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আধুনিক এই প্রযুক্তির আসক্তি তাদের ভবিষ্যৎ বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।   আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তির কারণে বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোররা খেলাধুলা ও পড়াশোনায় চরম অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি এসব মাধ্যমে ভুল তথ্য, প্রোপাগান্ডা ও পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা তাদের মানসিক ও নৈতিক বিকাশে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। ডিজিটাল মাধ্যমের এমন সহজলভ্যতা তাদের বিপথগামী করছে বলে নোটিশে দাবি করা হয়।   নোটিশে আরও বলা হয়, ডিজিটাল মাধ্যমের অপব্যবহারের ফলে অনেক শিশু-কিশোর জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে এবং ক্রমেই তারা অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার রোধে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৬, ২০২৬ ২১:১৯
রবি ঠাকুরের শশুর বাড়ি কে জন্মজয়ন্তীতে সাজানো হচ্ছে খুলনার পিঠাভোগ-দক্ষিণডিহি
রবি ঠাকুরের শশুর বাড়ি কে জন্মজয়ন্তীতে সাজানো হচ্ছে খুলনার পিঠাভোগ-দক্ষিণডিহি

২৫ বৈশাখ (৮ মে শুক্রবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী।   এ উপলক্ষে নতুন সাজে সাজানো হচ্ছে বিশ্বকবির স্মৃতিধন্য খুলনার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স এবং রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামে রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা।    সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজনের প্রতিপাদ্য ‘শান্তি ওমানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’।   রবী ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীকে স্মরণীয় করতে আয়োজন করা হচ্ছে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানওলোকজ মেলা।যা শুরু হবে আগামী৮মে শুক্রবার। ফলে পিঠাভোগ ও দক্ষিণডিহিতে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। প্রতি বছরের মত অপেক্ষায় থাকা রবীন্দ্রভক্তদের পাশাপাশি উল্লেখিত দু’টি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। গত মঙ্গলবার সরেজমিনে পিঠাভোগে গিয়ে রবী ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর নানা আয়োজন চোখে পড়ে। এখানে উন্মুক্ত মঞ্চ রয়েছে। রয়েছে রবী ঠাকুরের আবক্ষ মূর্তি। একতলাবিশিষ্ট সংগ্রহশালা ভবনে পাঠকক্ষও আছে। রবী ঠাকুরের ছবি, বংশ তালিকা রয়েছে। বাইরে রবী ঠাকুরের বংশ তালিকা আছে। সেখানে দেখা যায়,কুশরী থেকে কলকাতার পরিবার ঠাকুর পদবি পেয়েছেন। এখানে কবির বর্তমান বংশধররা ‘কুশরী’ উপাধি নিয়ে আছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শান্তি নিকেতনের আদলে এখানেও আলপনা আঁকা হয়।রবীন্দ্র বিষয়ে আলোচনা, রবীন্দ্রনাথের সমাজ চিন্তা, কৃষি ভাবনা, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়ভিত্তিক আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া রবীন্দ্র প্রবন্ধ, রবীন্দ্র কবিতা,নৃত্য এবং নাটকের আয়োজন করা হয়। গ্রামীণ মেলা হয়।দূর দুরান্ত থেকে আসা বহু লোকের সমাগম হয় এখানে।   রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্ব পুরুষের আবাসভূমি রূপসার পিঠাভোগ এবং ফুলতলার দক্ষিণডিহিতে কবির শ্বশুরালয় হওয়ায়এঅঞ্চলের মানুষ গর্ববোধ করেন।   খুলনা জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বংশধরের মধ্যে দ্বীননাথ কুশারীর অষ্টম পুরুষ তারানাথ কুশারী তৎকালীন খুলনার ভৈরব-তীরবর্তী রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ গ্রামে বসতি স্থাপন করেন।তারানাথ কুশারীর দুই পুত্র রামগোপালও রামনাথ। রামগোপালের পুত্র জগন্নাথ কুশারীই ছিলেন ঠাকুর বংশের আদি পুরুষ। যিনি খুলনা জেলার ফুলতলার দক্ষিণডিহি নিবাসী শুকদেব রায় চৌধুরীর এক কন্যাকে বিয়ে করে পীরালি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ভুক্ত হন।   জগন্নাথ কুশারীর পরবর্তী বংশধর পঞ্চানন কুশারী। পারিবারিক মত-পার্থক্যের কারণে পঞ্চানন কুশারী খ্রিষ্টীয় সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে কলকাতা গ্রামের (কলকাতা ছিল একটি গ্রামের নাম) দক্ষিণে আদি গঙ্গার তীরে গোবিন্দপুরে বসতি স্থাপন করেন।যেহেতু তাঁরা ব্রাহ্মণ ছিলেন তাই জেল, মালো, কৈবর্ত প্রভৃতি নিম্নবর্ণের প্রতিবেশীরা তাঁদের ‘ঠাকুরমশাই’ বলে সম্বোধন করতেন। এভাবেই মহেশ্বরের পুত্র পঞ্চানন ‘কুশারী’ একসময় হয়ে যান জয়রাম ঠাকুর। পঞ্চানন থেকেই কলকাতার পাথুরিয়াঘাটা, জোড়াসাঁকোও কয়লাঘাটার ঠাকুর গোষ্ঠীর উৎপত্তি। পঞ্চানন ঠাকুরের অধস্তন সপ্তম পুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।   নতুন সাজে সাজানো হচ্ছে পিঠাভোগ গ্রামে রবীন্দ্র স্মৃতি।   অপরদিকে মহেশ্বর কুশারীর অপর সন্তান প্রিয়নাথ কুশারী পিঠাভোগ গ্রামে থেকে যান।যার সপ্তদশওঅষ্টাদশ বংশধর এখনো পিঠাভোগ গ্রামে বসবাস করছেন।   সূত্র জানায়, রূপসার পিঠাভোগ গ্রামে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্ব পুরুষের আবাসভূমিটি দীর্ঘ বছর পরিত্যক্ত ও অবৈধ দখলে চলে যায়। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে সরকার আদি বাড়িটি উদ্ধার করে। ২০১১-১২ অর্থবছরে সাতটি বর্গে পরীক্ষামূলক প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ পরিচালনা করা হয়।বর্তমানে এটি রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা নামে জাতীয় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।   রবীন্দ্রনাথের পূর্ব পুরুষের বংশ লতিকার ২৪ নং বংশধরওরূপসা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক রবীন্দ্রনাথের বাড়ি দেখ-ভালের দায়িত্বরত বরুন কুশারী বাসস’কে বলেন, বাংলাদেশের সেরা মেলা হয় রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ রবী ঠাকুরের বসতভিটায়। প্রচুর লোক সমাগম হয়। কুঠিবাড়িতেও এমন লোকের সমাগম হয় না। এখানে রবী ঠাকুরের বই বিক্রি থেকে শুরু করে মনোহরী দোকানপাটসহ নানা পদের খাবারও বিক্রি হয়।   রূপসার ঘাটভোগ এলাকার পিঠাভোগের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫তম পুরুষের পুত্রবধূ ছায়ারাণী বাসস’কে বলেন, রবী ঠাকুরেরএ ভিটায় প্রতিবছর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে স্কুল,কলেজের ছেলে-মেয়েসহ বিভিন্ন জায়গার লোকজন আসে। বহু লোকের সমাগম হয়।দোকান বসে।   দোকানীরা পাপড়, চা-পান আবার কেউ সাজ-সজ্জার পসরা সাজায়। এছাড়া এলাকার বধুরা লাল পাইড়ের হলুদ শাড়ি পড়ে সাজ-সজ্জা করে।রবী ঠাকুরের বসতভিটা রূপসায় হওয়ায় আমরা গর্বিত, বলেন তিনি।   রূপসা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হালিম বাসস’কে বলেন,এধরনের অনুষ্ঠান মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণও আলোচনার মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করে।   তিনি আরও বলেন,নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ভাষাও সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মর্যাদায় উন্নীত করেছেন এবং তাঁর পূর্ব পুরুষের ভিটা ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগে অবস্থিত হওয়ায় রূপসাবাসীর জন্য গর্বের।   রূপসার নৈহাটী নেহালপুর এলাকার বাসিন্দা সুখেন রায় বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের১৬৫তম জন্মজয়ন্তীর তিনদিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠান শুরু হবে আগামী ৮ মে শুক্রবার। ২০১৫সাল থেকে এ জাতীয় অনুষ্ঠান হয়।    অপরদিকে, খুলনা শহর থেকে প্রায়২৮ কিলোমিটার পশ্চিমে ফুলতলা উপজেলার অন্তর্গত দক্ষিণডিহি গ্রামে বেণীমাধব রায় চৌধুরীর আদি বাড়ি।কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই রায় পরিবারের জামাতা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুর ছিলেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের জমিদারি এস্টেটের বেতনভুক্ত কর্মচারী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মামার বাড়িও একই গ্রামে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা মহর্ষী দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর বিয়ে করেন দক্ষিণডিহির অধিবাসী রামনারায়ণ রায় চৌধুরীর কন্যা সারদা দেবীকে, যেটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ি থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে।মামার বাড়ি ওতাঁর শ্বশুর ঠাকুর বাড়ির কর্মচারীর সুবাদে মৃণালিনী দেবীর সঙ্গে পরিচয় ঘটে।   উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগের পাঁচ পুরুষও এই গ্রামে বিয়ে করেন।কারন, এলাকাতেই তখন ঠাকুর পরিবারের সমগোত্র পীরালি ব্রাহ্মণদের বসবাস ছিল। ১৮৮৩ সালে বেণীমাধব রায় চৌধুরীওদাক্ষায়নী দেবীর একমাত্র কন্যা ভবতারিণী দেবী ওরফে ফুলি ওরফে ফেলির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিয়ে হয়।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মামা নিরাঞ্জন রায় চৌধুরীওহিরণ্ময় রায় চৌধুরীর মাধ্যমে কন্যাহ্বানে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে তাঁদের বিয়ে হয়।   ঠাকুর বাড়ির প্রথানুযায়ী বিয়ের পর ভবতারিণী দেবীর নাম রাখা হয় মৃণালিনী দেবী।বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী দক্ষিণডিহি এবং পিঠাভোগে আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছে।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: মে ৬, ২০২৬ ২০:৪২
সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম । ছবি: জাতীয় সংসদ সচিবালয়
সংরক্ষিত নারী আসনে শপথ নিলেন এনসিপির নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম। বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।   সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮ এর তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি ৫ অনুযায়ী তাকে শপথ পাঠ করানো হয়।   শপথ গ্রহণ শেষে নুসরাত তাবাসসুম নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সচিবের কার্যালয়ে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের প্রধান হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পর মনোনয়নপত্র জমা দেন নুসরাত তাবাসসুম। বিলম্বের কারণে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেনি।   পরবর্তীতে উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনার পর নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।

শাহারিয়া নয়ন প্রকাশ: মে ৫, ২০২৬ ১৬:২৩
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান | ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অন্য দেশের সাথে তুলনা করে দেখার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চলমান নানা সমালোচনার জবাব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি চুক্তিটিকে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রেখে মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চুক্তিটি পড়ার সময় ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াসহ অন্যান্য দেশের সম্পাদিত অনুরূপ চুক্তিগুলো পাশে নিয়ে তুলনা করলে এর প্রকৃত গুরুত্ব ও প্রেক্ষাপট বোঝা সহজ হবে।   আজ মঙ্গলবার (৫ মে) যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। চুক্তির শর্তে থাকা বাধ্যবাধকতা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যেকোনো চুক্তি নিয়ে মুক্ত আলোচনা হওয়া ভালো। বাংলাদেশ চুক্তিতে ১৩১টি ক্ষেত্রে ‘শ্যাল’ (বাধ্যতামূলক শব্দ) ব্যবহার করলেও ইন্দোনেশিয়া একই ধরণের চুক্তিতে ২৩১টি ক্ষেত্রে ‘শ্যাল’ বলেছে। ফলে এটি কোনো একক ঘটনা নয়।   একই দিনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সকালের দিকে ব্রেন্ডান লিঞ্চের সাথে বৈঠক শেষে এই চুক্তি নিয়ে কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনা করে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতির মাধ্যমে তৈরি হয়। বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনাকারী না হলেও রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে, যা চাইলেই ব্যক্তিগত চুক্তির মতো বাতিল করা সম্ভব নয়।   বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, সরকার জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী প্রমাণিত হয়, তবে তা সংশোধনের সুযোগ খোদ চুক্তির ভেতরেই রয়েছে। চুক্তির ভেতরে এই ‘সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট’ বা সংশোধন করার বিধান থাকায় এটি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৫, ২০২৬ ০:২৯
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু | ছবি: সংগৃহীত
দেশে তেলের কোনো সংকট কখনো হয়নি এবং হবেও না: জ্বালানিমন্ত্রী

দেশে তেলের কোনো ধরনের সংকট নেই এবং ভবিষ্যতেও কোনো সংকট তৈরি হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। মন্ত্রী নিশ্চিত করেন যে, পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এর মজুদ সর্বদা বজায় থাকবে।   সারাদেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের কোথাও কোনো লোডশেডিং নেই। অনেক সময় বিদ্যুৎ না থাকার পেছনে লোডশেডিং দায়ী নয়, বরং সঞ্চালন লাইনের কারিগরি ত্রুটি বা ফল্টই এর একমাত্র কারণ। ত্রুটি সংশোধন করার সাথে সাথেই দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।   গ্রামাঞ্চলেও কোনো লোডশেডিং নেই বলে দাবি করেন জ্বালানিমন্ত্রী। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনগুলো অনেক দীর্ঘ হওয়ার কারণে কোথাও কোনো লাইনে ত্রুটি দেখা দিলে তা চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্টদের কিছুটা সময় লেগে যায়। সে কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে, যা স্থানীয়রা লোডশেডিং হিসেবে মনে করেন।   ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, কিছুদিন আগে দেশে যে একটি কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল, জেলা প্রশাসকদের কার্যকর সহযোগিতায় তা থেকে সফলভাবে উত্তরণ সম্ভব হয়েছে। ডিসি সম্মেলনে সংকট দূরীকরণে জেলা প্রশাসকদের প্রশংসনীয় ভূমিকার জন্য তিনি তাদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।   সম্মেলনের তৃতীয় দিনে জেলা প্রশাসকদের সামনে জ্বালানি ও বিদ্যুতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ ও তদারকির কারণে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে মন্ত্রী ব্রিফিংয়ে আশ্বস্ত করেন।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৪, ২০২৬ ২২:৩৯
উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম | ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদকে চট্টগ্রামে এসপি হিসেবে বদলি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের আলোচিত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ (এসপি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়।   মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের একজন কর্মকর্তা, যার পৈত্রিক নিবাস বগুড়া জেলায় এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন কাজের জন্য আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন। বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।   তবে তার কর্মকালে কিছুটা সমালোচনাও তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে পুলিশের বল প্রয়োগের একটি ঘটনার জন্য তিনি কিছুটা সমালোচিত হন।   রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন।   স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আজকের প্রজ্ঞাপনের পর তার এই নতুন বদলি আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৪, ২০২৬ ২১:৫৪
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ | ছবি: সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ক্ষমতার পরিবর্তনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না: শামা ওবায়েদ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্কের ওপর তার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, বাংলাদেশ সর্বদা নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পরিচালনা করবে।   পানি বণ্টন ও অভিবাসন ইস্যু নিয়ে শামা ওবায়েদ জানান, গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বর্তমানে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক ফলাফলের প্রত্যাশা করছে। এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা কাটিয়ে শিগগিরই তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৩, ২০২৬ ২২:৪৭
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া ঋণ পরিশোধ করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী

অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধ করেছে এবং নতুন করে টাকা ছাপিয়ে ঋণ নেওয়া হয়নি।   শনিবার অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভাটি আয়োজন করে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং এতে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও সাংবাদিকরা অংশ নেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সভায় জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েজ অ্যান্ড মিনস ও ওভারড্রাফট খাতে সরকারের ঋণ ছিল ১৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা, যা ২২ এপ্রিল কমে ১১ হাজার ১০৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।   অন্যদিকে অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) মুখ্য অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান দাবি করেন, মার্চ মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ‘হাইপাওয়ার মানি’ হিসেবে ঋণ নিয়েছে, যা মূল্যস্ফীতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।   তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এই দাবি নাকচ করে বলেন, এমন তথ্য সঠিক নয়। তার মতে, দেশের ক্রেডিট রেটিং কমে যাওয়ায় বরোয়িং কস্ট বেড়েছে, তবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরাসরি টাকা ছাপিয়ে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি বাস্তব নয়।   বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবীবুর রহমান জানান, গত দুই বছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের কোনো ট্রেজারি বিল বা বন্ড ক্রয় করেনি। তিনি আরও বলেন, ওয়েজ অ্যান্ড মিনস ও ওভারড্রাফটের মাধ্যমে সরকারের ঋণ মার্চে ২৭ হাজার ৬০১ কোটি টাকা থাকলেও তা পরে অর্ধেকেরও বেশি কমে এসেছে।   তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের ব্যাংক হিসেবে কাজ করে এবং এখানে মূল বিষয় হলো মুদ্রা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, টাকা ছাপানো বা নষ্ট করার মতো কোনো বিষয় নয়।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: এপ্রিল ২৬, ২০২৬ ২:৫৯
সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত | ছবি: সংগৃহীত
সেচ সুবিধা দিতে এবার ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত

ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, শহর ও গ্রামের বিদ্যুৎ বৈষম্য কমাতেই মূলত রাজধানীতে প্রাথমিকভাবে এই লোডশেডিং চালু করা হচ্ছে।   দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। গতকাল সর্বোচ্চ ১৬ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। ফলে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ডিজেল সরবরাহের নির্দেশ দেওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাজধানী থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   জ্বালানি সংকটের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদার বিপরীতে সরবরাহে বড় ঘাটতি রয়ে গেছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতির আশ্বাস দেন তিনি। বর্তমানে গ্যাসের দৈনিক সরবরাহ ২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট, যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ১ হাজার ১৬৪ মিলিয়ন ঘনফুট কম।   প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, একটি আমদানিনির্ভর ও একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে এই কেন্দ্রগুলো উৎপাদনে ফিরলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত সহনীয় পর্যায়ে আনার অঙ্গীকার করেন প্রতিমন্ত্রী।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ২২, ২০২৬ ২২:৫৭
ছবি: সংগৃহীত
সংসদ ভবন থেকেই লোডশেডিং শুরু করার প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং মোকাবিলায় জাতীয় সংসদ ভবন থেকেই বিদ্যুৎ সাশ্রয় শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এই প্রস্তাব করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদ অধিবেশন বন্ধ না করে সংসদ ভবনের বিভিন্ন অফিসে লোডশেডিং করা যেতে পারে।   এর আগে অধিবেশনে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে এখন থেকে রাজধানীতেও পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহরের মানুষ আরামে থাকবে আর গ্রামের মানুষ কষ্টে থাকবে—এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। মূলত জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে।   সরকারি তথ্যানুযায়ী, গত বুধবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। দৈনিক প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি থাকায় দেশজুড়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সংকটের বড় কারণ বিগত সরকারের অব্যবস্থাপনা। কাগজে-কলমে উৎপাদন ক্ষমতা বেশি দেখানো হলেও বাস্তবে ব্যাপক গড়মিল রয়েছে।   অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে অধিবেশন সচল রাখার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেন। জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা স্পষ্ট করেন যে, তিনি অধিবেশন চলাকালে নয় বরং সংসদ ভবনের প্রশাসনিক শাখাগুলোতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা বলেছেন। এর মাধ্যমে জনগণের কষ্টের অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ২২, ২০২৬ ২২:২৪
প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ
প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১৪,৯৪২ জন

দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এতে মোট ১৪ হাজার ৯৪২ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার প্রায় ৩১ শতাংশ।   বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রার্থীরা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখতে পারবেন।   এবারের নিয়োগ পরীক্ষায় ১১ হাজার ১৫১টি শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী।   পরীক্ষাটি গত ১৮ এপ্রিল চারটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে ১০টা, সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা, দুপুর ২টা থেকে ৩টা এবং বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পৃথক সময়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।   উত্তীর্ণদের ফলাফল টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে এসএমএসে জানানো হবে। পাশাপাশি এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটেও বিস্তারিত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।   লিখিত পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে জানানো হবে।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: এপ্রিল ২২, ২০২৬ ২২:৫৭
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Top week

ছবি: সংগৃহীত
খেলাধুলা

ইউটিউবে বিনামূল্যে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ, যেভাবে দেখবেন

তাবাস্সুম মোহাম্মদ মে ২৯, ২০২৬ ১৪:০ 0