এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকার দলীয়করণের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করছে।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে নাহিদ ইসলাম এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের দলীয়করণ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত।   নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়ার গতি ব্যাহত হচ্ছে। তাই তিনি দ্রুত ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের জোর দাবি জানান এবং আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন যাতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে জনকল্যাণে নিয়োজিত করা যায়।   ইফতার মাহফিলে ব্রিটিশ, কানাডা, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার এবং ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, স্পেন ও শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। এনসিপি নেতাদের মধ্যে সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ এমপি, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ এমপি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ইফতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ইফতার মাহফিলের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।   বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর হাতে আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। মন্ত্রী আনন্দের সঙ্গে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন বলে আখতার হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নিশ্চিত করেন।   পোস্টে তিনি জানান, ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে আয়োজিত ইফতার মাহফিলের মধ্য দিয়েই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল কর্মসূচি শুরু হবে।   তিনি আরও উল্লেখ করেন, উক্ত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
হাসনাত আবদুল্লাহ
২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষক নূরা ও তাদের শ‌ক্তির উৎস বিএন‌পি নেতা‌দের ধর‌তে হ‌বে: হাসনাত আবদুল্লাহ

ধর্ষক নূরাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই দাবি জানান।   পোস্টে তিনি লেখেন, নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও পরে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় এক বিএনপি নেতা জড়িত বলে জানা যাচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন মহিষাশুরা ইউনিয়নের মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান।   সংবাদমাধ্যমের তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি আরও লেখেন, প্রায় ১৫ দিন আগে নরসিংদীর মাধবদীতে নূরার নেতৃত্বে ৫–৬ জনের একটি বখাটে দল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটির বাবা স্থানীয় মেম্বারের কাছে বিচার চাইলে ধর্ষকদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে আপসের নামে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন আহম্মদ আলী দেওয়ান। এ সময় মামলা করতে বাধা দেওয়া হয় এবং মেয়েটির পরিবারকে এলাকা ছাড়ার হুমকিও দেওয়া হয়।   তিনি বলেন, এসব ঘটনার পর চাপে পড়ে বুধবার বিকেলে কিশোরী মেয়েকে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। এ সময় নূরা তাকে আবার তুলে নেয়। পরদিন বৃহস্পতিবার সরিষা ক্ষেতে মেয়েটির লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পুলিশ মহিষাশুরা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে, তবে এটি যথেষ্ট নয়।   পোস্টের শেষ অংশে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ধর্ষক নূরাকে অবশ্যই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে। একই সঙ্গে আহম্মদ আলী দেওয়ানের শক্তির উৎস থাকা বিএনপি নেতাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রশ্ন তোলেন—বিএনপি নেতাদের প্রশ্রয়ে ধর্ষণ, অপহরণ ও হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ কবে বন্ধ হবে?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
গণঅভ্যুত্থান করল ছাত্ররা, সুফল নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো: নাহিদ ইসলাম

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের রক্ত আর আত্মত্যাগের ফসল এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের করে নিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, অভ্যুত্থানে ছাত্রদের অবদান সবচেয়ে বেশি থাকলেও বারবার তাদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।   সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ নিয়ে চলমান অচলাবস্থার কড়া সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্ধারিত দিনে শপথ না নেওয়া জনাদেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যদি সংস্কার পরিষদের শপথ না হয়, তবে এই জাতীয় সংসদের কোনো মূল্য থাকে না।" তার মতে, জনগণ কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং স্বৈরাচারী কাঠামোর আমূল সংস্কারের জন্যই ভোট দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার বিচার, সংস্কার এবং অর্থনৈতিক প্রশ্নে জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে হাঁটছে। বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে অপসারণ করায় জনমনে সন্দেহ দানা বাঁধছে। এছাড়া ঋণখেলাপিদের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে বর্তমান সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন এই নেতা। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সংসদে যদি গঠনমূলক আলোচনার পরিবেশ না থাকে, তবে ছাত্র-জনতা আবারো রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। এজন্য তিনি প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান এবং অবিলম্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগের দাবি জানান।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম
বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম

বিএনপি বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বিনা কারণ ও বিনা অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিচারে নানা ধরনের হস্তক্ষেপের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং ভিকটিম ও সাক্ষীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে সুষ্ঠু বিচার নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় কেবল শেখ হাসিনার পতন নয়, বরং পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অবসান এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ছিল তাদের। যেখানে স্বৈরাচার, বৈষম্য ও অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি হবে না এবং মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হবে।   নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, দেশের সংকটে ছাত্ররা এগিয়ে এলেও বারবার তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর যেমনটি হয়েছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পরও তেমনই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। ছাত্র ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের ফল ভোগ করছে রাজনৈতিক শক্তিগুলো, আর সংস্কার ও বিচারের দাবি উপেক্ষিত হচ্ছে।   সংস্কার পরিষদে বিএনপির শপথ না নেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এতে গণরায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে দলটি। সংবিধানের দোহাই দিয়ে শপথ না নেওয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপি আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অপসারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অগণতান্ত্রিকভাবে গভর্নরকে সরিয়ে দিয়ে একজন ঋণখেলাপি ব্যবসায়ীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে আর্থিক লুটপাটের পথ আরও প্রশস্ত হচ্ছে। তিনি যোগ্য, সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের আহ্বান জানান।   নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপির বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা গেছে। নানা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল নিজেদের পক্ষে নেওয়া হয়েছে এবং সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণে এনে আইন ও বিচার নিজেদের মতো পরিচালনার চেষ্টা চলছে।   তিনি আরও বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন রাজপথে গড়াতে বাধ্য হবে। তবে সংসদের মধ্যেই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চাওয়া হচ্ছে।   অনুষ্ঠানে ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল আমিন, যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সরকারসহ অন্যান্য নেতারা।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দৌড়ানো নিয়ে সারজিসের কড়া মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির পেছনে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দৌড়ানোর ঘটনা নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, এ দৃশ্য তাকে গভীরভাবে কষ্ট দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।   তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধনে যাওয়ার সময় ছাত্রদলের ভাষ্যমতে, অভ্যুত্থানের একটি সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে পরিচিত রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে গাড়ির পেছনে দৌড়াতে দেখা যায়। এ দৃশ্য তার কাছে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন সারজিস আলম।   তিনি আরও বলেন, রাকিবের নেতৃত্বে দেশে লাখ লাখ ছাত্র রয়েছে। এমন একজন নেতাকে যেভাবে দৌড়াতে দেখা গেছে, তা তিনি অতীতের রাজনৈতিক বাস্তবতায়ও দেখেননি বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতিতে নতুন একটি মানদণ্ড স্থাপন করতে হবে, যা দেশের ভবিষ্যৎ ছাত্র রাজনীতির দিকনির্দেশনা দেবে।   অনুষ্ঠানে ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল আমিন, যুবশক্তির আহ্বায়ক এডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সরকারসহ অন্যান্য নেতারা।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
শুনলাম আমার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল হবে, স্বাগতম: নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী

অরাজনৈতিক ক্যাম্পাস বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) গিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন—এমন অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রলীগের হাতে নিহত আবরার ফাহাদের ভাই আবরার ফাইয়াজ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও দিয়েছেন দু’জন।   বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে বুয়েটে তারাবির নামাজ আদায় করতে যান নাসিরুদ্দিন। অভিযোগ রয়েছে, তার উপস্থিতিতে সেখানে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে আবরার ফাইয়াজসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী আপত্তি জানান।   ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আবরার ফাইয়াজ লেখেন, “বুয়েটের আজকের এই ছাত্র-রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস দুইটি প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া। শত শত শিক্ষার্থীর দিন-রাত পরিশ্রমের ফল এটি। নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ভাই জানতেন কি না যে বুয়েট এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ নেই, তা আমি জানি না। তবে এখানে এসে তার কী লাভ হলো, সেটিও বুঝতে পারছি না।”   তিনি আরও লেখেন, “নামাজ পড়তে আসা কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু নামাজের পর স্লোগান বা মিছিলের প্রয়োজন নেই। এসব কাজ দেশের যেকোনো মসজিদেই করা যায়। উনার এই উপস্থিতি যে কতটা ক্ষতি করেছে, তা বুঝতে সময় লাগবে।”   এই অভিযোগের জবাবে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী নিজের ফেসবুক পোস্টে বলেন, “বুয়েটের কয়েকজন ভাইয়ের আমন্ত্রণে আমি সেখানে তারাবির নামাজ আদায় করতে যাই। সেখানে গিয়ে জানানো হয়, অরাজনৈতিক ক্যাম্পাসে কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। আমি তা সম্মানের সঙ্গে মেনে নিই এবং নামাজ শেষে চলে যাওয়ার কথা জানাই।”   তিনি আরও জানান, নামাজ শেষে বের হওয়ার সময়ও তাকে মিডিয়া ব্রিফিং না করার অনুরোধ জানানো হয়, সেটিও তিনি মেনে নেন। সেখানে তিনি শুধু শহীদ আবরার ফাহাদ ও শহীদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। পরে পলাশীতে গিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন। ওই সময় কয়েকজন “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” স্লোগান দিলে তিনি নিজেই তাদের থামিয়ে দেন বলে দাবি করেন।   নাসিরুদ্দিন বলেন, “অরাজনৈতিক বুয়েটের সিদ্ধান্তকে আমি সর্বোচ্চ সম্মান করি এবং আমার আচরণে তা প্রমাণের চেষ্টা করেছি। যদি আমার এই কাজকে অপরাধ মনে করা হয়, তবে আপনারা শাস্তি দিতে পারেন। আমি তা মেনে নেব।”   শেষে তিনি সবাইকে দোয়ায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে বিদায় জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
সারজিস আলম। ফাইল ছবি
এনসিপির স্থানীয় নির্বাচনে প্রস্তুতি শুরু

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। দায়িত্বপ্রাপ্তির পর তিনি মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানান, এনসিপি ইতোমধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।   সারজিস আলম বলেন, দ্রুত প্রার্থী যাচাই-বাছাই শুরু করা হবে। উপজেলা এবং সাংগঠনিক অঞ্চলে গিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। তিনি আরও জানান, এনসিপি তৃতীয় প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনে পারদর্শিতা প্রদর্শন করেছে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো ধরনের ভুল না হওয়ার জন্য দলের নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবেন।   এনসিপি এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সারজিস আলম বলেন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকা জরুরি। মানুষের কাছে যারা গ্রহণযোগ্য, তারাই মূল্যায়ন পাবে। তবে এনসিপি ও জামায়াত এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিলেও জোটকেন্দ্রিক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত শেষ মুহূর্তে নেওয়া হবে।   সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ প্রমুখ।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন কমিটি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের দফতর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন সারজিস আলম। সদস্যসচিব (এমপি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল হান্নান মাসউদ। এছাড়া আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও অ্যাড মঞ্জিলা ঝুমা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।   কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সকল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলার নেতৃবৃন্দ এই কমিটিকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম
বহুভাষা ও বহুসংস্কৃতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে: নাহিদ ইসলাম

এককেন্দ্রীক ও সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের গণ্ডি পেরিয়ে বহুভাষা এবং বহুসংস্কৃতির এক নতুন ও উদার বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি ভাষা ও সংস্কৃতির এই নতুন রাজনৈতিক এবং সামাজিক দর্শন তুলে ধরেন।   নাহিদ ইসলাম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয় ও সংগ্রামের প্রতীক হলেও দীর্ঘ সময় ধরে একে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের ফ্রেমে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “বাংলা ভাষা কখনো একরৈখিক বা বিচ্ছিন্ন ছিল না; এটি সবসময়ই সমন্বয় ও সংলাপের মাধ্যমে সভ্যতা নির্মাণ করেছে। বৈচিত্র্যকে ধারণ করা এবং বহুত্বকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করাই হলো বাংলার প্রকৃত ঐতিহ্য।”   তিনি আরও দাবি করেন, একটি ভাষা তখনই সমৃদ্ধ হয় যখন সেটি আত্মবিশ্বাসের সাথে অন্য ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে মেলবন্ধনে আবদ্ধ হয়। নাহিদ ইসলামের মতে— আরবি, ফারসি, উর্দু, সংস্কৃত, পালি, ইংরেজির পাশাপাশি চাকমা ও মারমাসহ সকল জনজাতির ভাষা বাংলার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এমনকি চর্যাপদের ঐতিহ্য থেকে শুরু করে সুফি সাহিত্য এবং বর্তমানের আঞ্চলিক ভাষাগুলোও (সিলেটী বা চাঁটগাইয়া) আমাদের অগ্রগতির সমান অংশীদার।   নতুন বাংলাদেশের ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে ৪ দফা করণীয়: নাহিদ ইসলাম সমৃদ্ধ জাতি গঠনে চারটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করেন: ১. রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার পূর্ণ ও সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করা। ২. প্রতিটি ক্ষুদ্র ও বৃহৎ জনগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষার যথাযথ মর্যাদা সংরক্ষণ করা। ৩. বৈশ্বিক নেতৃত্ব ও জ্ঞান অর্জনের জন্য বিদেশি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া। ৪. ঐতিহাসিক, ধর্মীয় এবং আঞ্চলিক ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চাকে উৎসাহিত করা।   বাংলাদেশ হবে বহুভাষিক ও বহুসাংস্কৃতিক দেশ, যেখানে বৈচিত্র্য, সংলাপ এবং ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিলনই আমাদের জাতির মূল শক্তি হবে। ইনকিলাব জিন্দাবাদ! তাঁর এই উদার সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
গণভোট বাতিল হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ: নাহিদ ইসলাম

যদি গণভোট বাতিল হয়ে যায়, তাহলে এই নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।   এসময় তিনি সরকারি দল বিএনপিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ কার্যকর করার আহ্বান জানান। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, তা সত্ত্বেও গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা এই ফলাফল মেনে নিয়ে এগোতে চেয়েছেন।   নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে এনসিপি শপথ গ্রহণ করেছে। তবে শপথের প্রথম দিনেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সরকারি দল বিএনপি শপথ গ্রহণ না করে জনগণের সঙ্গে এবং সংস্কারের পক্ষের মানুষদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনে কারা কত আসন পাবে, সেটা আগেই ঠিক করা ছিল : পাটওয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ও প্রক্রিয়া নিয়ে এবার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর দাবি, নির্বাচনে কারা কতটি আসন পাবে, তা জনগণের ভোটের ওপর নয় বরং আগে থেকেই একটি বিশেষ ছকে নির্ধারিত ছিল। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কারামুক্ত ২৪ জন প্রবাস ফেরত বাংলাদেশিদের নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।   নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, "জনগণ আমাদের ওপর অগাধ ভরসা রেখেছিল। একজন ৯০ বছরের বৃদ্ধা কথা বলতে পারেন না, তবুও সাভার থেকে আমাকে ভোট দিতে এসেছিলেন। একজন ক্যান্সারের রোগী জীবন বাজি রেখে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছিলেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এই সাধারণ মানুষের আবেগ আর পবিত্র ভোটগুলো তারা সুপরিকল্পিতভাবে চুরি করেছে।" তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যে ভোট চুরি হয়েছে, তার জন্য সংশ্লিষ্টদের জনগণের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।   নির্বাচনে এনসিপির সাফল্যের কৃতিত্ব প্রবাসীদের দিয়ে তিনি বলেন, "এনসিপি ও ১১ দলীয় জোট যেসব আসনে জয়ী হয়েছে, তার পেছনে প্রবাসীদের ভোট ও সমর্থনের বড় অবদান রয়েছে। প্রবাসীরা যেমন গণঅভ্যুত্থানে এগিয়ে এসেছিলেন, তেমনি ব্যালটেও ‘শাপলা কলি’র পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁদের এই ঋন বাংলাদেশ কোনোদিন শোধ করতে পারবে না।"   নতুন সরকার গঠন ও বিরোধী দলের সাথে বর্তমান সখ্যতাকে কটাক্ষ করে এনসিপি নেতা বলেন, "এখন আমরা নতুন এক ‘কুসুম কুসুম প্রেম’ দেখতে পাচ্ছি। জনগণের কাছে যাওয়ার আগে তারা বিরোধী দলীয় নেতার বাসায় যাতায়াত নিয়ে ব্যস্ত। জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া এই সখ্যতা ভিত্তিহীন।"   আগামী দিনের মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, "নির্বাচনের নামে আপনারা অনেক চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজকে সংসদে ঢুকিয়েছেন। তাদের কোনোভাবেই মন্ত্রণালয় দেবেন না। আপনারা যে ভোট চুরি করেছেন তাতেই সীমাবদ্ধ থাকেন, এবার যেন সিনাচুরি করতে যাবেন না।" তিনি অভিযোগ করেন যে, বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যক্তিরা ইতোমধ্যেই যোগাযোগ, গৃহায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পাওয়ার জন্য লবিং শুরু করেছেন।   সবশেষে, সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সামাজিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঘোষণা করেন যে, পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য রুখতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে এনসিপি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
জুলাই জাতীয় সনদে এনসিপির চূড়ান্ত স্বাক্ষর

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অবশেষে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টায় দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় পৌঁছে সনদে স্বাক্ষর করেন।   প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এনসিপির পক্ষে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন সনদে স্বাক্ষর করেন। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা—সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন, জাবেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম মূসা।   ব্রিফিংয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সনদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট ব্যাতিরেকে আমাদের দল স্বাক্ষর করেছে। দেরিতে স্বাক্ষর করলেও আমরা সর্বোচ্চ তৎপরতা দেখিয়েছি।”   প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেন, “এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে, তার জন্য প্রতিটি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।”   জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ সাত মাস ধরে ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেদিন ২৪টি দল স্বাক্ষর করেছিল, পরে আরও একটি দল সই করেছে।   এর আগে এনসিপি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়নি, তবে পরে সনদে স্বাক্ষর করেছেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল পরে সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ পেতে পারে।   গত ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন। এই আদেশের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতেছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
জুলাই জাতীয় সনদে এনসিপির চূড়ান্ত স্বাক্ষর

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অবশেষে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টায় দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় পৌঁছে সনদে স্বাক্ষর করেন।   প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এনসিপির পক্ষে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন সনদে স্বাক্ষর করেন। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা—সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন, জাবেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম মূসা।   ব্রিফিংয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “সনদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট ব্যাতিরেকে আমাদের দল স্বাক্ষর করেছে। দেরিতে স্বাক্ষর করলেও আমরা সর্বোচ্চ তৎপরতা দেখিয়েছি।”   প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেন, “এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে, তার জন্য প্রতিটি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।”   জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ সাত মাস ধরে ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেদিন ২৪টি দল স্বাক্ষর করেছিল, পরে আরও একটি দল সই করেছে।   এর আগে এনসিপি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়নি, তবে পরে সনদে স্বাক্ষর করেছেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল পরে সনদে স্বাক্ষর করার সুযোগ পেতে পারে।   গত ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন। এই আদেশের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতেছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-৮–এ হারলেও যেভাবে সিনেটে যাচ্ছেন পাটওয়ারী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে পরাজিত হলেও জাতীয় সংসদের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় বড় ভূমিকা রাখতে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় এবং জুলাই সনদের ভিত্তিতে দেশে যে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে, সেখানে এনসিপির হয়ে উচ্চকক্ষ বা সিনেটে জায়গা পেতে পারেন তিনি।   কিভাবে এই সুযোগ তৈরি হচ্ছে? প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষে মোট ১০০টি আসন থাকবে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রাপ্ত মোট ভোটের হারের ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে। এবারের নির্বাচনে এনসিপি ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে রেকর্ড ২২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩১ ভোট পেয়েছে, যা মোট সংগৃহীত ভোটের ৩.২১ শতাংশ। এই গাণিতিক হিসাবে উচ্চকক্ষে এনসিপির অন্তত ৩টি আসন নিশ্চিত। দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এই সম্ভাব্য আসনগুলোর মনোনয়ন তালিকার শীর্ষে রয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।   মেয়র নির্বাচন নাকি উচ্চকক্ষ? যদিও এনসিপির অভ্যন্তরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উচ্চকক্ষে যাওয়া প্রায় চূড়ান্ত, তবে একটি ভিন্ন আলোচনাও দলীয় মহলে রয়েছে। গুঞ্জন উঠেছে, তিনি আসন্ন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। যদি তিনি মেয়র হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোন, তবে উচ্চকক্ষের আসনটি দলের অন্য কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাকে ছেড়ে দিতে পারেন। এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা এ বিষয়ে জানান, “উচ্চকক্ষে যোগ্য প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে আমাদের দলের ভেতরে এবং ১১ দলীয় জোটের মধ্যে নিবিড় আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার পরপরই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে নামগুলো ঘোষণা করব।”   হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্র: ঢাকা-৮ আসনে এবারের নির্বাচন ছিল অন্যতম আলোচিত বিষয়। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট। মাত্র ৫ হাজার ২৩৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও তাঁর এই বিশাল প্রাপ্ত ভোট এবং তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা তাঁকে এনসিপির এক অপরাজেয় মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।   এখন দেখার বিষয়, নতুন বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘উচ্চকক্ষ’ দিয়ে তাঁর নতুন যাত্রা শুরু করেন কি না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম
কারচুপি, ফলাফল বদলের রাজনীতি নতুন বাংলাদেশের সাথে যায় না: নাহিদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই ঢাকা-১১ আসনের ফলাফল ও ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি দাবি করেছেন, জুলাই-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে কারচুপি, ভয়ভীতি এবং ফলাফল পরিবর্তনের যে সংস্কৃতি দেখা গেছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি নির্বাচনের দিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরেন।   নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন, বাড্ডা আদর্শনগর বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্রে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বরকতের অবৈধ প্রবেশ এবং অবস্থান নির্বাচনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভোটের দিন বিভিন্ন গণমাধ্যমের লাইভ প্রতিবেদনে স্পষ্ট দেখা গেছে, অন্য দলের পোলিং এজেন্টদের নির্ধারিত আসনে বসে কিছু ব্যক্তি সরাসরি বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের পক্ষে স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং নাম উচ্চারণ করছিলেন।   সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে নাহিদ বলেন, “প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী আমি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফলের কাগজে সেই ব্যবধান রহস্যজনকভাবে এবং হঠাৎ করেই কমিয়ে ফেলা হয়েছে। ভোর পাঁচটা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে ফলাফল পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলেছে বলে জোরালো অভিযোগ রয়েছে।” তিনি আরও জানান, বিএনপি প্রার্থীর ক্যাডার বাহিনী বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার ও এজেন্টদের মধ্যে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করেছে। বিশেষ করে বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণার সময় যে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছিল, তা ছিল সুপরিকল্পিত।   নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এ ধরণের চাক্ষুষ অনিয়ম ও কারচুপি করে তাঁকে দমানো যাবে না। জনগণের পবিত্র রায়কে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, শেষ পর্যন্ত জনগণই তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে তরুণ এই নেতার এমন কঠোর অবস্থান বর্তমানে রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
এবার ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা দিলেন আসিফ মাহমুদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশের রাজনীতিতে এক নতুন ও আধুনিক চর্চার সূচনা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নতুন গঠিতব্য সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ (Shadow Cabinet) গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।   রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে আসিফ মাহমুদ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, “আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। নবগঠিত সরকারের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই ছায়া মন্ত্রিসভা মূলত একটি ‘ওয়াচডগ’ বা অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবে।”   এর আগে শনিবার রাতে সুনামগঞ্জ-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই ধরণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, “আমরা ছায়া মন্ত্রীপরিষদ গঠন করব ইনশাআল্লাহ।” মূলত বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।   ছায়া মন্ত্রিসভা আসলে কী? সংসদীয় গণতন্ত্রে ছায়া মন্ত্রিসভা হলো বিরোধী দলের একটি বিশেষ বিকল্প কাঠামো। এখানে প্রতিটি সরকারি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে বিরোধী দলের একজন বিশেষজ্ঞ বা জ্যেষ্ঠ নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও এই মন্ত্রিসভার কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না, তবে তাদের মূল কাজ হলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নীতি ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা, ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া এবং জনস্বার্থে বিকল্প প্রস্তাবনা পেশ করা। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন সরকারকে নিয়মিত জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা যায়, অন্যদিকে বিরোধী দলও ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তোলার সুযোগ পায়।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এই প্রথাটি খুব একটা প্রচলিত না হলেও এনসিপি ও জামায়াত নেতাদের এই ঘোষণা আগামীর রাজনীতিকে আরও দায়িত্বশীল ও গতিশীল করবে। নতুন সরকারের কাজের মান বজায় রাখতে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এটি একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ভুক্তভোগী করা ওই নারী হাসপাতালে
হাতিয়ায় শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জেরে এক গৃহবধূকে (৩২) নিজ ঘরে ধর্ষণ ও সপরিবারে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই নারী বর্তমানে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।   ভাইরাল ভিডিওতে ওই নারী দাবি করেন, গত বৃহস্পতিবার নির্বাচনের দিন থেকেই তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। শুক্রবার রাতে ‘কালা এমরান’, ‘রহমান’ ও ‘রুবেল’ নামে তিন ব্যক্তি তাঁর ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। তাঁর স্বামীকে পাশের রুমে আটকে রেখে রহমান তাঁকে ধর্ষণ করে এবং কালা এমরান দরজায় পাহারা দেয়। অভিযুক্তরা এ সময় ‘এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) করার স্বাদ মিটিয়ে দেওয়ার’ হুমকি দেয়। পরদিন সওকালে পুনরায় ১০-১২ জন এসে তাঁদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে মারধর করে বলে জানান তিনি।   এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ওই আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “হাতিয়াতে শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ার অপরাধে ধর্ষণের মতো জঘন্য ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালেও একইভাবে এক নারীকে হেনস্তা করা হয়েছিল। আমি সরকারকে বলব, অবিলম্বে হাতিয়াতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালাতে হবে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।”   এদিকে, প্রধান অভিযুক্ত এমরান সকল অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসে ভুগছেন এবং বর্তমানে থেরাপি নিচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি ভোটের দিনই নিজের বাড়িতে চলে এসেছি। সঠিক তদন্ত হলে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হব।”   ঘটনার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা ভিন্ন তথ্য দিচ্ছেন। চানন্দী ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোরশেদ ও তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই শহীদ জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে ওই নারীকে মারধরের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে ধর্ষণের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রতিবেশী বা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।   নোয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) রাজিব আহমেদ চৌধুরী জানান, ওই নারী প্রথমে ‘মারধরের রোগী’ হিসেবে ভর্তি হয়েছিলেন। ভর্তির দুই ঘণ্টা পর তিনি ধর্ষণের দাবি তোলেন। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং লেডি পুলিশের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরেই ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।   নির্বাচন পরবর্তী এই অভিযোগ হাতিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশকে আবারও উত্তপ্ত করে তুলেছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ আসন দিতে ভোট গণনায় কারাচুপির অভিযোগ আসিফ মাহমুদের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতিতে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তাঁর দাবি, বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাইয়ে দেওয়ার জন্য অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ভোট গণনায় কারচুপি ও ফলাফল টেম্পারিং করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য প্রদান করেন।   আসিফ মাহমুদ বলেন, “সারা দেশে বিএনপিকে একটি ‘স্লাইড মেজরিটি’ বা ২০০ আসন উপহার দিতে ‘মেডিকুলাসলি’ প্ল্যান করে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। বিশেষ করে এনসিপির প্রার্থীরা যেখানে বিজয়ী হওয়ার কাছাকাছি ছিলেন, সেখানে ৮-৯ ঘণ্টার নাটকীয়তা আর নতুন নতুন ব্যাখ্যার মাধ্যমে ফলাফল বদলে দেওয়া হয়েছে। অন্তত তিনটি আসনে আমাদের সুনিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।” তিনি এই ঘটনার সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু সংস্থা ও মিডিয়া এস্টাবলিশমেন্টের একধরণের ‘বোঝাপড়া’ ছিল বলেও অভিযোগ করেন।   বিএনপির এই বিশাল বিজয়ের নেপথ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন আঁতাঁতের অভিযোগ তুলে আসিফ মাহমুদ বলেন, “বিএনপি বিজয়ী হওয়ার সাথে সাথেই দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসগুলো উদ্বোধন করা হচ্ছে। এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে একটি গোপন আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের মাধ্যমেই তারা নির্বাচনে জয় লাভ করেছে। যেখানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম আইনগতভাবে নিষিদ্ধ, সেখানে তাদের অফিস উদ্বোধনের সাথে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”   গণভোটের ফলাফল প্রসঙ্গে এনসিপি নেতা উল্লেখ করেন যে, ৬৮ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “গণভোটের এই জনরায়ের বৈধতা জাতীয় নির্বাচনের থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন, তাদের অবশ্যই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে সংসদে পা রাখতে হবে। জনগণের এই রায়কে কোনোভাবেই উপেক্ষা করা চলবে না।”   নির্বাচন পরবর্তী এমন পরিস্থিতির কারণে দেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। কারচুপির এই অভিযোগ এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাঁতের দাবি আগামীর রাজনীতিতে বড় ধরণের মেরুকরণ ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর দপ্তরে একটি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম
জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ১১ দলীয় জোট

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন যে, ঢাকা-৮ ও ঢাকা-১৩ সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আসনে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে।   তিনি স্পষ্ট জানান, নির্বাচনে জালিয়াতির মাধ্যমে জনগণের রায়কে ছিনতাই করা হয়েছে।   বিএনপির সম্ভাব্য সরকার গঠনের প্রাক্কালে নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনের পরদিনই যারা প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করছে, তাদের হাতে দেশ কতটা নিরাপদ? আওয়ামী লীগের কৌশলে নির্বাচন করার এই প্রচেষ্টা জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।   জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামবে ১১ দলীয় জোট।

ইসতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
হাসনাত আবদুল্লাহ
শত্রুর সঙ্গেও যেন বেইনসাফি না হয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে বিজয়ী হওয়ার পর এক ব্যতিক্রমী ও বলিষ্ঠ রাজনৈতিক অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। ১১ দলীয় জোটের এই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর এলাকায় দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সঙ্গে সমান আচরণ করা হবে এবং কোনো ধরনের বেইনসাফি সহ্য করা হবে না।   ভোটের পরদিন শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর এই ঐতিহাসিক বিজয়ের নেপথ্য লড়াইয়ের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এই নির্বাচনটি ছিল হাসনাত আবদুল্লাহ বনাম এক শক্তিশালী অশুভ সিন্ডিকেটের লড়াই। আমার বিরুদ্ধে একদিকে ছিল বিএনপি ও আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে ছিল লুটেরা, চাঁদাবাজ, মাদক সম্রাট এবং ব্যাংক লুটেরারা। কিন্তু সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে জনগণ আমার ওপর আস্থা রেখেছে, তাই আজ আমি বিজয়ী।”   রাজনীতিতে নতুন শিষ্টাচার প্রবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা সমাজে প্রকৃত ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব। আমি এমন একটি সিস্টেম তৈরি করতে চাই, যেখানে আমার কট্টর শত্রুর সঙ্গেও যেন কোনো অবিচার না হয়। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হবে ভেঙে পড়া রাষ্ট্র কাঠামোকে নতুন করে বিনির্মাণ করা।”   ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বিলুপ্তিই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। এনসিপি জনগণের প্রতি যে রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান হবে জিরো টলারেন্স। আমরা পুরো রাষ্ট্র কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেব, যাতে সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।”   দেবিদ্বারের এই জয়কে ‘নতুন বাংলাদেশের’ নতুন রাজনীতির সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তরুণ এই নেতার এমন সাহসী ও ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্যে স্থানীয় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আশার সঞ্চার হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়াতি -ফাইল ফটো।
আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মেরুকরণ: সৌদি আরবের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ইরানের

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0