খুলনা

ছবি: সংগৃহীত
দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে বহু মানুষের ত্যাগ ও রক্ত রয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সংস্কার সভা (রিফর্ম অ্যাসেম্বলি) গঠনের উদ্যোগ না নেওয়া হলে আগামী ১২ মার্চ সংসদ ভবনের সামনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, সংসদের পাশাপাশি সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার জন্য আলাদা অধিবেশন প্রয়োজন।   সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে এনসিপির উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।   নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে বহু মানুষের ত্যাগ ও রক্ত রয়েছে। সেই বাস্তবতায় সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংস্কার সভা গঠনের বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন।   তিনি বলেন, সংসদের অধিবেশন শুরু হলেও কেবল সংসদের ভেতরের কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংস্কার সভা গঠন জরুরি।   পাটওয়ারী আরও বলেন, ১২ মার্চ যদি সংসদ ভবনের সামনে যেতে বাধা দেওয়া হয়, তবুও আন্দোলনকারীরা পিছু হটবেন না। অতীতে আন্দোলনের সময় দমন-পীড়ন সত্ত্বেও তারা রাজপথে থেকেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও বক্তব্য দেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে এবং উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বাড়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।   এ ছাড়া খুলনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি মেনে নেওয়া হবে না। তরুণদের এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।   অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৯, ২০২৬ 0
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে । ছবি: সংগৃহীত
কবরস্থান নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৯ জন

যশোরের অভয়নগর উপজেলা-এর বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া বাজার এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার পারিবারিক কবরস্থান নিয়ে বিএনপির সমর্থক আশিক ও জামায়াত সমর্থক সাত্তারের মধ্যে বিরোধের ঘটনায় মারামারি হয়, এতে সাত্তার আহত হন।   পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার বিকেলে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি শের আলীর নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হলে, আসরের নামাজের পর দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে জামায়াতের মাসুদ কামাল, বুখারী, জাহাঙ্গীর হোসেন ও আহাদ মোল্লাসহ চারজন আহত হন। বিএনপির ইকবাল, খালিদ শেখ, ইউসুফ হোসেন ও ফোরকানসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।   খবর পেয়ে অভয়নগর আর্মি ক্যাম্পের টহল দল ও থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।   অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান জানান, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি; অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
খুলনায় গুলিবর্ষণে যুবক আহত, পুলিশ তদন্তে তৎপর

খুলনায় আবারও দুর্বৃত্তদের গুলিবর্ষণে এক যুবক আহত হয়েছেন। আহতের নাম আইনুল হোসেন ওরফে আয়নাল (৩২)। ঘটনা ঘটে বুধবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নগরের লবণচরা থানাধীন হঠাৎ বাজার সংলগ্ন রহমানিয়া প্রথম গলিতে।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪-৫ জনের একটি দুর্বৃত্ত দল আইনুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। গুলিটি তার ডান পায়ে লাগলে গুরুতর জখম হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (খুমেক) ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।   আইনুল ঘটনার দিনই লবণচরা থানায় দায়ের করা একটি মামলার ১ নম্বর আসামি ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতা বা মামলার জের থেকেই এই হামলা হতে পারে। লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তুহিনুজ্জামান জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে।   পুলিশ ইতিমধ্যে সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সংগ্রহে তৎপর। এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে নগরের টুটপাড়া এলাকায় এক যুবক সোহেল ওরফে চেগা সোহেলও প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত হন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবিতে ফুলের মালা দেন নেতা-কর্মীরা। আজ রোববার বিকেলে খুলনা নগরের লোয়ার যশোর রোডের শঙ্খ মার্কেট এলাকায়। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতা–কর্মী উপস্থিতি, খুলনা বিএনপির তীব্র ক্ষোভ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিনের মাথায় খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতা–কর্মীদের উপস্থিতি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিতে ফুলের মাল্যদানকে কেন্দ্র করে খুলনা মহানগর বিএনপি তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে।   রোববার রাতে নগর বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।   রোববার বিকেলে খুলনা নগরের লোয়ার যশোর রোডের শঙ্খ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো একদল নেতা–কর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়। এই সময় তাঁরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবিতে ফুলের মালা দেন। উপস্থিতরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।   ঘটনার পর সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতাদের নেতৃত্বে কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। এছাড়াও কাঠের দরজা ও কাগজপত্রে আগুন জ্বালানো হয়।   খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড উসকানিমূলক ও সুপরিকল্পিত চক্রান্তের ইঙ্গিত দেয়। এটি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল এবং নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা জড়িতদের অবিলম্বে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। অন্যথায় গণতান্ত্রিক কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।   মাল্যদানের সময় কার্যালয়ে উপস্থিত এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের নেতা–কর্মীদের উদ্যোগে সেখানে প্রবেশ করা হয়। প্রায় ২৫–৩০ জন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু কোনো উল্লেখযোগ্য নেতা ছিলেন না।   উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর খুলনা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এর এক দিন আগে, ৪ আগস্ট, মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছিল। এরপর থেকে জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে কাউকে যেতে দেখা যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত: বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান
সোমবার খুলনায় যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) খুলনা বিভাগ সফরে আসছেন। সফরকালে তিনি খুলনা ও যশোরে পৃথক নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন।   বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, ২০০৪ সালে তারেক রহমান সর্বশেষ খুলনা সফর করেছিলেন। সেই সময়ে তিনি বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। এবারের সফর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। বিশেষ করে খুলনার শিল্পাঞ্চলে তারেক রহমানের আগমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।   সোমবার সকাল ১০টায় খালিশপুরের প্রভাতি স্কুল মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন।   একসময়ের পাটকল শ্রমিক হাফিজুর রহমান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান খালিশপুরে আসায় আমরা খুশি। আমরা মিল-কারখানা চালু চাই, কাজ চাই। মিল থাকলে কাজ হবে, কাজ করে বাঁচতে পারব।   মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা জানান, তারেক রহমানের খুলনা আগমন শুধু একটি নির্বাচনী কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের জন্য রাজনৈতিক বার্তা, আত্মবিশ্বাস ও মনোবল ফিরে পাওয়ার একটি সুযোগ।

নুরুল্লাহ সাইদ ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
মুক্তিপণ দিয়ে সুন্দরবন থেকে ফিরল ১৪ জেলে, এখনো বন্দি ৬

সুন্দরবনে মাছ ধরার সময় অপহৃত ১৪ জন জেলে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মুক্তিপণ দিয়ে জলদস্যুদের কবল থেকে লোকালয়ে ফিরে এসেছেন। ফিরে আসা জেলেরা জানিয়েছেন, নিজেদের ‘ডন বাহিনী’ পরিচয় দিয়ে আট থেকে দশ সদস্যের একটি সশস্ত্র দস্যু দল তাদের অপহরণ করেছিল।   ফিরে আসা জেলেরা জনপ্রতি ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিয়েছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী: ইব্রাহিম, দিলীপ, উজ্জ্বল ও ইউসুফ আলী ৪০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। আবু তাহের ও আবুল কালাম ৩৫ হাজার এবং আইয়ুব আলী ২৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। অন্যান্য জেলেরা ৩০ থেকে ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে মুক্তি পেয়েছেন।   ফিরে আসা জেলেদের অভিযোগ, মুন্সিগঞ্জের মৌখালী গ্রামের শফিকুল ইসলাম ওরফে ‘ভেটো শফিকুল’ এবং আটিরউপর গ্রামের শাহাজান এই সশস্ত্র দস্যু দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অপহরণের পর দস্যুরা একটি বিকাশ নম্বর ব্যবহার করে মুক্তিপণের টাকা দাবি করে এবং লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেয়।   মুক্তিপণ কম দেওয়ায় রাজেত আলী নামে এক জেলেকে ছাড়েনি দস্যুরা। এছাড়া মীরগাং গ্রামের মুজিবুর ও হরিনগর গ্রামের নজরুল ইসলামসহ অন্তত ৬ জন জেলে এখনো গভীর জঙ্গলে দস্যুদের জিম্মায় রয়েছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।   সাতক্ষীরা রেঞ্জের ফরেস্ট রেঞ্জার ফজলুল হক জানান, জেলেরা গত ১৪ জানুয়ারি যথাযথ পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে বনে গিয়েছিলেন। ২২ জানুয়ারি চুনকুড়ি ও মালঞ্চ নদী এলাকা থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। লোকমুখে জেলেদের ফেরার খবর পেলেও বাকিদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

Unknown জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
বাগেরহাটে মুক্তি পেলেন কারাবন্দী ২৩ ভারতীয় জেলে

বাগেরহাট কারাগারে থাকা ২৩ ভারতীয় জেলে তিন মাস আট দিন পর মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।   এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশের জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের সদস্যরা আটক করে। পরে আটককৃতদের বাগেরহাটের মংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়। এরপর পুলিশ বাগেরহাট আদালতে পাঠালে আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।   ভারতীয় জেলেদের কারামুক্তির সময় খুলনাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনারের ডেপুটি হাই কমিশনার শ্রী চন্দ্রজিত মুখার্জি, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ হাফিজ আল আসাদ, কোস্টগার্ড পশ্চিমজনের কমান্ডার মোঃ সেলিম, বাগেরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (ফকিরহাট) মোঃ রাশেদুল ইসলাম রানা উপস্থিত ছিলেন।   কারাগারে জেল সুপার মোস্তফা কামাল জানান, কারাগারে বন্দি থাকা ২৩ ভারতীয় জেলেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে মুক্তি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতীয় ২৩ জেলেকে কোস্টগার্ডের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।   জানাযায়, আগামী ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ জলসীমা থেকে ভারতীয় কোস্টগার্ডের হাতে এদের হস্তান্তর করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তা, সংঘর্ষে আহত বেশ কয়েকজন

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের যুগীরহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলের পক্ষে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নারী নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছিলেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন বিএনপির নারী কর্মী তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ উঠে।   পরবর্তীতে বিএনপির পুরুষ কর্মীরাও ঘটনাস্থলে এসে জামায়াতের নারী কর্মীদের গ্রাম থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করেন। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জামায়াতের আরও নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।   জামায়াতের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দাওয়াতি কার্যক্রমে অংশ নেয়া নারী কর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও মারধর করা হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।   এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0