লাইফস্টাইল

নতুন অর্থ সহায়তা পরিকল্পনা যোগ্য আমেরিকানদের ৩ হাজার ডলার দেওয়ার প্রস্তাব
নতুন অর্থ সহায়তা পরিকল্পনা: যোগ্য আমেরিকানদের ৩ হাজার ডলার দেওয়ার প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা দিতে নতুন একটি অর্থ সহায়তা পরিকল্পনার প্রস্তাব আনা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, যোগ্য আমেরিকানদের প্রত্যেককে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত নগদ সহায়তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।   এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং কংগ্রেস সদস্য রো খান্না। তাদের পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধনী বিলিয়নিয়ারদের ওপর অতিরিক্ত সম্পদ কর আরোপ করে সেই অর্থ সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে বিতরণ করা যেতে পারে।   প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের কম, তারা এই সহায়তার জন্য যোগ্য হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি ৩ হাজার ডলার এবং চার সদস্যের একটি পরিবার সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারে।   তবে এই অর্থ সহায়তা এখনই কার্যকর হচ্ছে না। কারণ প্রস্তাবটি এখনও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে আলোচনাধীন এবং এটি এখনো আইন হিসেবে পাস হয়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, পরিকল্পনাটি কার্যকর হতে হলে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে অনুমোদন পেতে হবে এবং পরে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। এরপরই এটি আইন হিসেবে কার্যকর হতে পারে।   প্রস্তাবদাতারা বলছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চাপের সময় সাধারণ মানুষের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা আনা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সঙ্গী পরকীয়ায় জড়িয়েছেন কি না, বুঝবেন যেসব আচরণে

বর্তমান সমাজে পারিবারিক অশান্তি ও সহিংসতার একটি বড় কারণ হয়ে উঠেছে পরকীয়া সম্পর্ক। বিবাহবহির্ভূত এই সম্পর্ক শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্বই তৈরি করে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক ভাঙন ও সহিংসতার ঘটনাও ঘটায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরকীয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।   অনেক সময় সঙ্গীর আচরণে কিছু পরিবর্তন দেখা দিলে পরকীয়ার সন্দেহ তৈরি হতে পারে। তবে নিশ্চিত না হয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। আচরণগত পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে সতর্কভাবে বিষয়টি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।   সঙ্গীর মোবাইল ফোন ব্যবহারের ধরন হঠাৎ পরিবর্তন হলে সেটির দিকে নজর রাখা জরুরি। একসঙ্গে সময় কাটানোর সময় সঙ্গী যদি অকারণে ফোনে ব্যস্ত থাকেন, বারবার মেসেজ বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন কিংবা দীর্ঘ সময় ধরে ফোনালাপে থাকেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। তবে কাজের প্রয়োজনে ফোন ব্যবহার বাড়তেও পারে, তাই তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।   এ ছাড়া সঙ্গী যদি আগের তুলনায় কম সময় দিতে শুরু করেন বা নিজের মধ্যে গুটিয়ে যেতে থাকেন, তবে সেটিও একটি সতর্ক সংকেত হতে পারে। তবে কর্মব্যস্ততা বা ব্যক্তিগত চাপের কারণে এমন পরিবর্তন হতে পারে—এ বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।   অযৌক্তিক রাগ, খিটখিটে আচরণ বা কথায় বিরক্তির সুর থাকাও অনেক সময় পরকীয়ার ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হয়। পাশাপাশি আপনার দৈনন্দিন চলাফেরা, বাড়ি ফেরার সময় বা অবস্থান সম্পর্কে অতিরিক্ত খোঁজখবর নেওয়াও সন্দেহের কারণ হতে পারে।   অন্যদিকে সঙ্গীর হঠাৎ নিজের চেহারা, পোশাক বা সাজসজ্জার প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়াও পরিবর্তনের লক্ষণ হতে পারে। তবে এটি সব সময় পরকীয়ার নিশ্চিত প্রমাণ নয়—সঙ্গী হয়তো নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে চাইছেন।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্দেহের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস বজায় রাখা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম উপায়।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ফলের ওপর সামান্য দারুচিনি ছিটানো রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাদ বাড়ায়

রান্নাঘরের একটি সাধারণ অভ্যাস আপনার দৈনন্দিন ফল খাওয়ার অভ্যাসকে আরও স্বাস্থ্যকর করতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, ফলের ওপর সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিলে তা শুধু স্বাদ বাড়ায় না, বরং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।   ফলে প্রাকৃতিকভাবে সরল শর্করা থাকে, যা দ্রুত রক্তে মিশে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে দিতে পারে। দারুচিনি এই শর্করা প্রক্রিয়াকরণকে পরিবর্তন করে। এটি কোষে গ্লুকোজ শোষণে সহায়তা করে, ফলে হঠাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন বলেন, দারুচিনিতে থাকা পলিফেনল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।   দারুচিনির অতিরিক্ত স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে। এটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়া শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে দারুচিনি প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়, কোষের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।   দারুচিনি চিনি ছাড়া ফলের স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে, হজমে সহায়ক এবং অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। বিশেষজ্ঞরা ফলের সঙ্গে লবণ বা অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার না করে দারুচিনি গুঁড়ো ব্যবহারের পরামর্শ দেন। সামান্য এই অভ্যাস ফলের পুষ্টিগুণ বাড়ায় এবং শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
হঠাৎ জয়েন্টে ব্যথা, হাঁটুর বা পায়ের আঙ্গুলে ফোলা বা অজানা শক্ত হয়ে যাওয়া এসব উপসর্গের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। ছবি: সংগৃহীত
ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে গেছে, যে ৮টি খাবার খেলেই বিপদ

একটা সময় মনে করা হতো বয়স বাড়লেই ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সমস্যা হয়। তবে বর্তমান সময়ে দেখা যায় কম বয়সেও এই সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। হঠাৎ জয়েন্টে ব্যথা, হাঁটুর বা পায়ের আঙ্গুলে ফোলা বা অজানা শক্ত হয়ে যাওয়া এসব উপসর্গের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। শরীর যখন প্রাকৃতিকভাবে ইউরিক অ্যাসিড নির্গত করতে ব্যর্থ হয়, তখন তা জয়েন্টে ক্রিস্টাল তৈরি করে, যা দেয় জ্বালা ও প্রদাহ।    ডা. শিবরাম বলেন, ইউরিক অ্যাসিড শুধু জয়েন্টের সমস্যা নয়। যদি সময়মতো নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তবে কিডনিতে ক্ষতি এবং চলাফেরার সমস্যা তৈরি হতে পারে। সে কারণে খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সচেতন হতে হবে। যেসব খাবার ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় সেগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।    যেসব খাবার ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ায়:  ১. রেড মিট রেড মিটের তালিকায় গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষের মাংস। এতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকে। এসব সরাসরি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় এবং জয়েন্টে প্রদাহ সৃষ্টি করে।   ২. অর্গান মিট  অর্গান মিটে পিউরিনের মাত্রা এখানে অনেক বেশি। উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের রোগীরা ছোট পরিমাণ হলেও এড়িয়ে চলা উচিত। অর্গান মিটের তালিকায় আছে যকৃত, কিডনি ও মস্তিষ্ক।    ৩. কিছু সামুদ্রিক খাবার  উচ্চ-পিউরিন সামুদ্রিক খাবারগুলো গাঁটের ব্যথার ঝুঁকি বাড়ায়। সেক্ষেত্রে সালমন বা কোড মাছ নিরাপদ বিকল্প।   রেড মিটের তালিকায় গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষের মাংস। এতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকে। এসব সরাসরি ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায় এবং জয়েন্টে প্রদাহ সৃষ্টি করে। ছবি: সংগৃহীত   ৪. প্রসেসড ও জাঙ্ক ফুড প্যাকেটজাত খাবার, ফ্রাইড ফুড, ফাস্ট ফুড এসব সরাসরি পিউরিন না থাকলেও প্রদাহ বাড়িয়ে দেয় এবং ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটায়।   ৫. অ্যালকোহল, বিশেষ করে বিয়ার বিয়ার ও অন্যান্য অ্যালকোহল শরীরের ইউরিক অ্যাসিড বের করতে বাধা দেয়। তাই জটিলতা এড়াতে এসব থেকে বিরত থাকাই ভালো।   ৬. অতিরিক্ত ডাল ও কিছু ফসল ডাল-শাক শাকসবজি স্বাস্থ্যকর হলেও সংবেদনশীল ব্যক্তির জন্য অতিরিক্ত পরিমাণে এসব না খাওয়াই ভালো। এতে করে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে জয়েন্ট পেইন হতে পারে তাই নিয়ন্ত্রণ জরুরি।   ফ্রুক্টোজ সরাসরি ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়। তাই সোডা ও মিষ্টি পানীয় সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। ছবি: সংগৃহীত   ৭. চিনি জাতীয় পানীয় ও সোডা ফ্রুক্টোজ সরাসরি ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়। তাই সোডা ও মিষ্টি পানীয় সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।   ৮. উচ্চ চর্বির ডেইরি পণ্য পুরো ফ্যাটের দুধ, ক্রীম, চিজ এসব প্রদাহ বাড়াতে পারে। লো-ফ্যাট বিকল্প নিরাপদ।   ইউরিক অ্যাসিডের কারণে শরীরে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে  পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাদ্য, ওজন নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত পরীক্ষা এসব স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে। আর এতে করে জয়েন্ট পেইন থেকে মুক্তি মেলে। সমইয়স আবেশি জটিল হলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।  সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

তাবাস্সুম জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
আন্তর্জাতিক

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১, ২০২৬ 0