অর্থনীতি

৬ মার্চ ২০২৬: বাংলাদেশি টাকায় বিভিন্ন দেশের মুদ্রার আজকের বিনিময় হার
৬ মার্চ ২০২৬: বাংলাদেশি টাকায় বিভিন্ন দেশের মুদ্রার আজকের বিনিময় হার

আজ শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ (২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ)। দিনের শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার। প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার এই রেট জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর ওপর নির্ভর করে দেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রকৃত মূল্য।   প্রবাস থেকে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর সময় সাধারণত ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের নির্ধারিত রেটে বাংলাদেশি টাকা পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশে বসে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এর মূল্য ভিন্ন হতে পারে। এছাড়া স্থান, সময় ও লেনদেনের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত রেট কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।   আজকের বৈদেশিক মুদ্রার রেট (বাংলাদেশি টাকায়)   মালয়েশিয়ান রিংগিত: ১ রিংগিত = ৩০ টাকা ৯৬ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ ৩০.৭০, ক্যাশ ৩০.৭০ সৌদি রিয়াল: ১ রিয়াল = ৩২ টাকা ৬২ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ), ক্যাশ ৩২.৪২ মার্কিন ডলার: ১ ডলার = ১২২ টাকা ৯১ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ১২২.৯১, ক্যাশ ১২৩.৭৪ ইউরো (ইউরোপ): ১ ইউরো = ১৪৪ টাকা ০৮ পয়সা (ব্যাংক/মোবাইল ওয়ালেট/ক্যাশ) ইউরো (ইতালি): ১ ইউরো = ১৪৪ টাকা ০৮ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ১৪০.৬৯, ক্যাশ ১৪৪.২৫ ব্রিটিশ পাউন্ড: ১ পাউন্ড = ১৬৩ টাকা ০৭ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ১৫৯.৯৯, ক্যাশ ১৬৩.৪২ সিঙ্গাপুর ডলার: ১ ডলার = ৯৬ টাকা ২৬ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ৯৬.২৭, ক্যাশ ৯৫.১০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ১ ডলার = ৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ৮৫.৮৮, ক্যাশ ৮৪.৯৬ নিউজিল্যান্ড ডলার: ১ ডলার = ৭২ টাকা ২৪ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ ৭১.৮৩, ক্যাশ ৬৮.৬৭ কানাডিয়ান ডলার: ১ ডলার = ৮৯ টাকা ৪৩ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ৮৮.৮৮, ক্যাশ ৮৯.৩৯ ইউএই দিরহাম: ১ দিরহাম = ৩৩ টাকা ৩০ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ) ওমানি রিয়াল: ১ রিয়াল = ৩১৭ টাকা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ) বাহরাইন দিনার: ১ দিনার = ৩২৪ টাকা ৫৬ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ), ক্যাশ ৩২৩.৬৯ কাতারি রিয়াল: ১ রিয়াল = ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ) কুয়েতি দিনার: ১ দিনার = ৩৯৯ টাকা ১৯ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ), ক্যাশ ৩৯৫.৫০ সুইস ফ্রাঁ: ১ ফ্রাঁ = ১৫২ টাকা ৫৪ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ১৫২.০২, ক্যাশ ১৫৩.৭১ দক্ষিণ আফ্রিকান র্যান্ড: ১ র্যান্ড = ৭ টাকা ৩৭ পয়সা (ব্যাংক) জাপানি ইয়েন: ১ ইয়েন = ০.৭৭৭ টাকা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ) দক্ষিণ কোরিয়ান ওন: ১ ওন = ০.০৮২৩৯৯৮৬ টাকা (ব্যাংক), বিকাশ/ক্যাশ ০.০৮১৯০৩৩৩ ভারতীয় রুপি: ১ রুপি = ১ টাকা ৩০ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ)   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারসহ বিভিন্ন মুদ্রার ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই প্রবাস থেকে টাকা পাঠানোর আগে সর্বশেষ রেট জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।   এদিকে সরকার বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহ দিতে বিশেষ প্রণোদনা চালু রেখেছে। বর্তমানে ব্যাংক বা অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রেরিত অর্থের ওপর ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ বিদেশ থেকে ১০০ টাকা পাঠালে দেশে প্রায় ১০২ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যায়।   প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ নিরাপদে দেশে পাঠাতে ব্যাংক বা অনুমোদিত বৈধ চ্যানেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অবৈধ পদ্ধতি যেমন হুন্ডি ব্যবহার না করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।   বি.দ্র.: বৈদেশিক মুদ্রার এই হার সময় ও লেনদেন পদ্ধতির ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে। সর্বশেষ তথ্য জানতে নিকটস্থ ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।   সূত্র: ফরেন এক্রাচেন্জ

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আজ প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কত? ২২ ক্যারেট ভরি ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা।   বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন নির্ধারিত মূল্য বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং শুক্রবার (৬ মার্চ) পর্যন্ত একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।   বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।   স্বর্ণের নতুন দাম ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,৬৮,২১৪ টাকা ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,৫৬,০২৫ টাকা ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,১৯,৪৫৮ টাকা সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১,৭৯,১৫৯ টাকা   বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে।   স্বর্ণের পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ৬৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা।   রুপার নতুন দাম ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ৬,৫৩২ টাকা ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ৬,২৪০ টাকা ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ৫,৩৬৫ টাকা সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ৪,০২৪ টাকা   বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব এবং স্থানীয় কাঁচামালের দামের পরিবর্তনের কারণে স্বর্ণ ও রুপার দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার নীতিকে ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে দাম বাড়ার গতি কিছুটা সীমিত রয়েছে। খবর রয়টার্স।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,১৬৮ দশমিক ৪৩ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারসের দাম দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৫,১৭৯ দশমিক ২০ ডলারে দাঁড়ায়।   এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানের রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ইরানি কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানা গেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।   যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ইকোনমিক্সের পণ্যবাজার বিশ্লেষক হামাদ হুসেইন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত তীব্র হলে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকতে পারেন। তবে দীর্ঘ সময় জ্বালানি পণ্যের উচ্চমূল্য বজায় থাকলে সুদের হার কমার সম্ভাবনা কমে যেতে পারে। এতে স্বর্ণের দামের বড় ধরনের উত্থান সীমিত থাকতে পারে।   বিশ্ববাজারে অস্থিরতার প্রভাবে মার্কিন ডলারের মানও বেড়েছে। তিন মাসের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা নেমে এলেও বৃহস্পতিবার ডলার সূচক প্রায় দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।   অন্যদিকে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বাড়ছে, যা মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বেশি থাকলে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রবণতা কম থাকে, কারণ এটি সুদবিহীন সম্পদ।   এদিকে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক ফেডারেল রিজার্ভ গভর্নর কেভিন ওয়ারশকে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন।   একই দিন ফেডারেল রিজার্ভের প্রকাশিত ‘বেইজ বুক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে পণ্যের দাম বাড়ছে এবং শ্রমবাজার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।   বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী ১৮ মার্চের বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। এ তথ্য জানিয়েছে সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুল।   এদিকে বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক বেকার ভাতা দাবির তথ্য এবং ফেব্রুয়ারির কর্মসংস্থান প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করছেন। এসব তথ্য চলতি বছরে সুদের হার নীতির বিষয়ে নতুন ইঙ্গিত দিতে পারে।   অন্যদিকে ধাতব বাজারে স্পট সিলভারের দাম দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮৩ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ২,১৭২ দশমিক ২০ ডলারে উঠেছে। তবে প্যালাডিয়ামের দাম দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১,৬৬২ দশমিক ৭ ডলারে নেমে এসেছে।

আবু জোবায়ের মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স।   ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই অধ্যাপক আল জাজিরাকে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন যদি অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে একসময় তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মার্কিন নৌবাহিনী যদি ওই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ট্যাংকারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   হির্স জানান, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি বাজারেও এর প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে। হামলার প্রথম দিনেই এলএনজির দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। সোমবার ও মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, ডিজেলের দামও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। গ্যাসনির্ভর অনেক দেশ এখন বিপুল পরিমাণ পেট্রোলিয়াম মজুত করতে শুরু করেছে, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ভবিষ্যৎ জ্বালানি অর্ডারেও প্রভাব পড়ছে।   হির্স সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলো এই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও চাপ তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
আরামকো তেল শোধনাগার
আরামকো তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলা: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

সৌদি আরবের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি কেন্দ্র আরামকো তেল শোধনাগারে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার ভোরে পরিচালিত এই হামলায় ইরানের তৈরি ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। হামলার পরপরই নিরাপত্তার স্বার্থে আরামকো পরিচালিত এই শোধনাগারটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার ফলে স্থাপনাটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   রাস তানুরা শোধনাগারটি সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। প্রতিদিন ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল শোধন করার সক্ষমতা রয়েছে এই বিশাল স্থাপনাটির। এর সংলগ্ন রপ্তানি টার্মিনালটি থেকে প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে এই প্ল্যান্টের শোধন ইউনিট, বিশাল সংরক্ষণ ট্যাংক এবং পাইপলাইন নেটওয়ার্কের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছেন আরামকোর প্রকৌশলীরা। বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই স্থানে এমন হামলা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।   বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের তেল সরবরাহে রাস তানুরার ভূমিকা অপরিসীম। এই শোধনাগারে যেকোনো ধরনের দীর্ঘমেয়াদী অচলাবস্থা আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম একলাফে বাড়িয়ে দিতে পারে। ইতিমধ্যেই হামলার খবরে অপরিশোধিত তেলের বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সৌদি আরব তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ২, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত
ইরান ইস্যুতে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, এশীয়ার শেয়ারবাজারে ধস

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এর হামলার জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি ও শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কায় অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে, একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।   সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তেল সূচক ব্রেন্ট ক্রুড এর দাম এক দিনের ব্যবধানে প্রায় ১৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে এই সূচক প্রায় ৫ শতাংশ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। টোকিও সময় দুপুর পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল তেলের দাম দাঁড়ায় ৭৬ দশমিক ৪৮ মার্কিন ডলার। এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিনিয়োগকারীরা পর্যাপ্ত তেল সংগ্রহ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। এতে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং তার প্রভাব সরাসরি দামে পড়েছে।   এদিকে, এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলো সপ্তাহের শুরুতেই নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু করে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক প্রায় ২ শতাংশ এবং জাপানের নিক্কেই ২২৫ প্রায় দেড় শতাংশ কমেছে।   মার্কিন বাজারেও নেতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। নিয়মিত লেনদেনের সময়ের বাইরে হওয়া ফিউচার সূচকগুলোতে বড় ধরনের পতন দেখা যায়, যা ওয়াল স্ট্রিটে দুর্বল সূচনার আশঙ্কা তৈরি করেছে।   ফিউচার লেনদেনে মানদণ্ড সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক কম্পোজিট উভয়ই প্রায় শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কম অবস্থানে ছিল।   বিশ্ববাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি ও শেয়ারবাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ২, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো
তারল্য সংকট, ন্যাশনাল ব্যাংককে ১,০০০ কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ঈদের আগে গ্রাহকদের টাকার চাহিদা মেটাতে এবং চরম আর্থিক সংকট মোকাবিলায় বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংককে ১,০০০ কোটি টাকার জরুরি তারল্য সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১১.৫ শতাংশ উচ্চ সুদে ৯০ দিনের জন্য এই তহবিল প্রদান করা হয়েছে।  মূলত আমানত ও ঋণ আদায় আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় ব্যাংকটি গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে হিমশিম খাচ্ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ‘ডিমান্ড প্রমিসরি’ নোটের বিপরীতে এই বিশেষ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় ধুঁকতে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকটি গত কয়েক বছরে একাধিকবার মালিকানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। সিকদার গ্রুপ থেকে শুরু করে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ এবং সর্বশেষ পটপরিবর্তনের পর বর্তমান পর্ষদ দায়িত্ব নিলেও তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ব্যাংক টিকিয়ে রাখা জরুরি হলেও, এভাবে নতুন টাকা বাজারে ছাড়লে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেখানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনশীল নীতি অনুসরণ করছে, সেখানে এই বিপুল অর্থ জোগান দেওয়াকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ব্যাংকিং খাতে সরাসরি অভিজ্ঞতা ছাড়াই গভর্নর নিয়োগ, আলোচনায় মোস্তাকুর রহমান

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগ আর্থিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তার প্রকাশিত জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তিনি একজন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CMA) এবং ৩৩ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতার অধিকারী।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (অনার্স) ও মাস্টার্স সম্পন্ন করা মোস্তাকুর রহমান দীর্ঘ সময় ধরে কর্পোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক গভর্ন্যান্স এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা খাতে কাজ করেছেন। তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব, এটাব ও ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে সিভিতে উল্লেখ আছে।   তবে জীবনবৃত্তান্তে সরাসরি বাণিজ্যিক ব্যাংক পরিচালনা বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের স্পষ্ট অভিজ্ঞতার উল্লেখ নেই। এ কারণে ব্যাংকিং খাতে তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে।   অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, আর্থিক শাসন, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ঝুঁকি তদারকি ও ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনে সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, সরাসরি ব্যাংকিং খাতে অভিজ্ঞতার অভাব নীতিনির্ধারণ ও সংকট মোকাবিলায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।   নতুন গভর্নরের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন জোরদার করা। আর্থিক খাতের অংশীজনরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্থিতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
বাংলাদেশি মুরগি ও ডিম আমদানি বন্ধ করল সৌদি আরব
বাংলাদেশি মুরগি ও ডিম আমদানি বন্ধ করল সৌদি আরব

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরব ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।   একই সঙ্গে আরও ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে আংশিক আমদানি সীমিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি।   মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গালফ নিউজ–এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক রোগ পরিস্থিতি ও হালনাগাদ এপিডেমিওলজিক্যাল তথ্যের ভিত্তিতে এই তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা ২০০৪ সাল থেকে বলবৎ রয়েছে, আবার কিছু দেশ ঝুঁকি মূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনের আলোকে পরে যুক্ত হয়েছে।   উচ্চমাত্রার এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাবই এ সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিসর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, কোট দিভোয়ার ও মন্টেনিগ্রো।   অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইনস, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল থেকে আংশিক আমদানিতে বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।   তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত স্বাস্থ্যমান পূরণ সাপেক্ষে তাপপ্রক্রিয়াজাত (হিট-ট্রিটেড) মুরগির মাংস ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। সেক্ষেত্রে সরকারি প্রত্যয়নপত্র থাকতে হবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং পণ্য অনুমোদিত স্থাপনা থেকে রপ্তানি করা হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর ১০% বৈশ্বিক শুল্ক

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বিতর্কিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের কিছু শুল্ক আরোপকে অবৈধ ঘোষণা করার পর হোয়াইট হাউস দ্রুত এই নতুন শুল্ক ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।   হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ‘ব্যালেন্স-অফ-পেমেন্টস’ বা লেনদেন ভারসাম্যজনিত ঘাটতি মোকাবিলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৫০ দিনের জন্য এই শুল্ক কার্যকর থাকবে। কংগ্রেস চাইলে সময়সীমা আরও বাড়াতে পারবে।   এর আগে ১৯৭৭ সালের ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্টের আওতায় আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ফলে শুল্ক বাবদ সংগ্রহ করা প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। এ রায়কে ট্রাম্প ‘হাস্যকর, দুর্বল ও চরমভাবে আমেরিকাবিরোধী’ আখ্যা দিলেও আদালতের নির্দেশে পুরনো শুল্ক আদায় বন্ধ করে নতুন এই ১০ শতাংশ শুল্ক আদায় শুরু করেছে মার্কিন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।   ভবিষ্যতে এই শুল্কের হার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে ইস্পাত ও অটোমোবাইল খাতসহ কিছু নির্দিষ্ট পণ্য এবং ইউএস-মেক্সিকো-কানাডা বাণিজ্য চুক্তির আওতাভুক্ত পণ্যগুলো এই শুল্কের বাইরে থাকতে পারে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, যারা বাণিজ্যে কৌশলী আচরণ করবে, তাদের ওপর আরও কঠোর শুল্ক আরোপ করা হবে।   এই একতরফা সিদ্ধান্তে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাজ্য পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে, আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির অনুমোদন স্থগিত রেখেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই শুল্ক বিশ্ববাজারে, বিশেষ করে টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কা বাড়াতে পারে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফেব্রুয়ারির ২৩ দিনে ২৫৬ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৬ লাখ ডলার।   মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রবাসী আয়ের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে দেশে এসেছিল ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার।   চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ১৯৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।   সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এর আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।   উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ছয় মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা
ছয় মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি এখন সরকারের দায়িত্ব নিয়েছে।   তবে ক্ষমতায় যাওয়ার আগে থেকেই দেশের অর্থনীতির দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্যে ধীরগতি, বিনিয়োগে কমতি এবং ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা সহ উচ্চ সুদের হার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।   পুঁজিবাজারে এখনও ভরসার অভাব রয়েছে, আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি অনিশ্চিত এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত। এসব কারণে সরকারের কোষাগারও চাপের মুখে।   জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই–জানুয়ারি সময়ে রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকার ওপরে পৌঁছেছে। নির্ধারিত লক্ষ্য ছিল প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, তবে আয়কর, আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট খাতে ঘাটতি হয়েছে।   আয়কর খাত: লক্ষ্য ১ লাখ ৩ হাজার ৯৮০ কোটি, আদায় মাত্র ৭৫ হাজার কোটি টাকা। আমদানি শুল্ক: লক্ষ্য ৭৮ হাজার কোটি, আদায় ৬২ হাজার কোটি টাকা। ভ্যাট: লক্ষ্য এক লাখ ১ হাজার কোটি, আদায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজস্ব আয়ের এই ঘাটতি নির্বাচিত সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ব্যবসায়ীরা বর্তমানে বিনিয়োগে সংযমী, সরকারি প্রকল্পও স্থবির। উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ভ্যাট আদায়ও প্রভাবিত হয়েছে।   বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেছেন, “ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ছাড়া রাজস্ব বাড়ানো কঠিন। আইন-শৃঙ্খলা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও করনীতি স্থিতিশীল না হলে বড় বিনিয়োগ আশা করা যায় না।”   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মানুষের আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে না এবং জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ৮.৫৮ শতাংশ। বাসাভাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয়ের চাপ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচ্চ সুদের হারও এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফলাফল দিতে পারেনি। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং রাজস্ব আদায়ের স্থিতিশীলতা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
নির্ধারিত দামে সার নেই, বোরো চাষে ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা
নির্ধারিত দামে সার নেই, বোরো চাষে ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা

বরিশালে বোরো মৌসুমে সরকার নির্ধারিত দামে সার না পাওয়ার অভিযোগ করছেন কৃষকেরা। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই বোরো চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন।   সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে লাভের সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় কেউ কেউ আবাদ কমিয়েছেন, আবার কেউ চাষই বন্ধ রেখেছেন। রোববার জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।   উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের চিনিবাড়ী গ্রামের কৃষক মো. সেলিম এ বছর ২৫ একর জমিতে বোরো চাষ করেছেন। তিনি জানান, খরচের তুলনায় লাভ কম হওয়ায় তাঁর এলাকার অনেক কৃষক আবাদ কমিয়েছেন। সেচ, সার ও ওষুধের বাড়তি দামের কারণে খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।   কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বোরো মৌসুমে ইউরিয়া ও ডিএপি (ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট) সারের চাহিদা বেশি থাকে। এসব সার সংগ্রহ করতে হয় ডিলার বা বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। বড় আকারে চাষ করা কয়েকজন কৃষক জানান, ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়া কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ টাকায়। একই ওজনের ডিএপি সার কিনতে হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ২৫০ টাকায়। এতে প্রতি কেজি ইউরিয়ার দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৯ টাকা এবং ডিএপির ২৫ টাকা। অথচ সরকার ইউরিয়ার মূল্য কেজিপ্রতি ২৭ টাকা এবং ডিএপির ২১ টাকা নির্ধারণ করেছে। স্থানীয় বাজার থেকে কিনলে দাম আরও বেশি পড়ছে বলে অভিযোগ।   আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ও উজিরপুরের ধামুরা এলাকায় প্রায় ২৫ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছেন কৃষক সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, সার, সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি যোগ করলে লাভের মুখ দেখা কঠিন। দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ করছেন বলেই এখনো চাষ ছাড়তে পারছেন না।   কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ২ লাখ ৫ হাজার ৩৮৮ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭৮ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় চাষ হয়েছে ৬২ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে।   সরেজমিনে দেখা যায়, আগৈলঝাড়া ও উজিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় চারা রোপণ প্রায় শেষ। কোথাও কোথাও এখনো রোপণের কাজ চলছে। কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করলেও লাভ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।   বরিশাল সদরের করমজা এলাকার কৃষক গিয়াস উদ্দিন সাত একর জমিতে বোরো চাষ করেছেন। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, প্রতি একরে প্রায় ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। কিন্তু সেই পরিমাণ ধান উঠবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, পাম্প থেকে সরাসরি ডিজেল না পেয়ে বাইরে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।   কখনো মাপেও কম দেওয়া হয়। সারের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা—ডিলাররা সরবরাহ সংকটের কথা জানিয়ে বেশি দাম নিচ্ছেন। পাশাপাশি কীটনাশকের দাম গত কয়েক বছরে প্রায় দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।   অন্যদিকে, করমজা এলাকার কৃষক আবদুল বারেক জানান, তিনি বোরো চাষের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর মতোই চাষ করছেন। তাঁর মতে, শ্রমিক মজুরি ও উপকরণের দাম বাড়লেও ফলন তুলনামূলক কম। ডিএপি ও ইউরিয়ার বস্তা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।   এ বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) বরিশাল অঞ্চলের যুগ্ম পরিচালক (সার ও বীজ) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। সরকার নির্ধারিত দামে ইউরিয়া ও ডিএপি সরবরাহ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে তিনি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সংশ্লিষ্টতার কথা জানান।   কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   এদিকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফি সরদার পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার কাজে সহায়তা করে। সম্প্রতি সার কিনতে গিয়ে বাড়তি দাম দিতে হয়েছে বলে জানায় সে। নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা চাওয়ায় বাড়ি থেকে অতিরিক্ত অর্থ এনে সার কিনতে হয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
খলিলুর রহমান পেলেন দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ

নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর ঢাকা-নয়াদিল্লির কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার হয়েছে। রোববার বিকেলে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।   সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে হাইকমিশনার জানিয়েছেন, ভারতের সরকার বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে প্রস্তুত। বিশেষ করে জনমুখী সহযোগিতা, পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা এবং একটি গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী অংশীদারত্ব গড়ে তোলা নতুন সরকারের সঙ্গে নয়াদিল্লির প্রধান লক্ষ্য।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বৈঠকে বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই দেশের জনগণের কল্যাণে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও অগ্রগামী অংশীদারত্ব গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্য। বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।   হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা স্মরণ করিয়ে দেন, নির্বাচনের পরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ চিঠি হস্তান্তর করেছেন। ভারতের পক্ষ পুনর্ব্যক্ত করেছে, তারা একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতার ওপর জোর দিচ্ছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
সরকার চাইলে তিস্তা প্রকল্পে কাজ শুরু করবে চীন: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

তিস্তা প্রকল্পে কাজ করতে চীন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, সরকার চাইলে চীন যেকোনো সময় কাজ শুরু করতে পারে।   রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।   আরেক প্রশ্নের উত্তরে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ বা বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ চীন চায় না। তিনি বলেন, যে কোনো দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক যদি তৃতীয় কোনো পক্ষের লক্ষ্যবস্তু হয়, তাহলে তা সফল হবে না।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্সে জোয়ার, দিনে গড়ে ১২ কোটি ডলার
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্সে জোয়ার, দিনে গড়ে ১২ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২১৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ডলার।   এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাসে দিনের সংখ্যা কম হলেও মোট রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর আগে টানা দুই মাস—ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে—৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল।   বাংলাদেশ ব্যাংক–এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ফেব্রুয়ারির একই সময়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছিল ১৬৭ কোটি ডলার। সেই তুলনায় এবার প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি এসেছে, যা প্রবৃদ্ধির হার ২৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ।   চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৫৬ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৬৩ কোটি ডলার।   অর্থাৎ বছরওয়ারি হিসাবে বেড়েছে ৩৯৩ কোটি ডলার বা ২২ দশমিক ২৯ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল ৬৪২ কোটি ডলার, যা শতাংশের হিসাবে ২৬ দশমিক ৮৩।   দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড হয় গত বছরের মার্চে—৩৩০ কোটি ডলার। রমজান ও ঈদকে ঘিরে সে সময় প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠান। পরে ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ডলার। সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পেছনে নির্বাচন ও রোজাকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, অর্থ পাচার রোধে কঠোর নজরদারি এবং অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম দমনে উদ্যোগের ফলে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। গত বৃহস্পতিবার দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা গত ৩৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ফ্যামিলি কার্ড
পাঁচ কোটি পরিবার পাচ্ছে সরকারি ‘ফ্যামিলি কার্ড’, সরাসরি মিলবে নগদ টাকা!

দেশের পাঁচ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে প্রচলিত পণ্য সহায়তার পরিবর্তে এবার এই কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় জনকল্যাণমূলক এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।   বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা এই প্রকল্পের রূপরেখা তুলে ধরেন। কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের হাতে সরাসরি নগদ টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। এই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমাজের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং নারীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।   প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের হতদরিদ্র পরিবারগুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে দেশের অন্যান্য দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝেও এই কার্ড বিতরণ করা হবে।   একই অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে জনবল ছাঁটাইয়ের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি স্পষ্ট জানান যে, বিধি বহির্ভূতভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না এবং 'মব' বা গণদাবীর মুখে কাউকে পদত্যাগে বাধ্য করা গ্রহণযোগ্য নয়। বাসসে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাকে তিনি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন।   জনবান্ধব এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং আসন্ন উৎসবে দরিদ্র পরিবারগুলোর ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছে সরকার।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
রমজানে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি

পবিত্র রমজান মাসে দেশের সকল তফশিলি ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।   নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রমজান মাসে ব্যাংকিং লেনদেন শুরু হবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এবং চলবে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংক কর্মকর্তাদের অফিস খোলা থাকবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।   বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, জোহরের নামাজের জন্য বিরতি থাকলেও গ্রাহকদের সুবিধার্থে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে লেনদেন কার্যক্রম সচল রাখতে হবে। অর্থাৎ, নামাজের বিরতির সময়েও ব্যাংকের সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।   সাধারণত স্বাভাবিক সময়ে ব্যাংকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত লেনদেন হয় এবং সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অফিশিয়াল কার্যক্রম চলে। কিন্তু পবিত্র মাসের পবিত্রতা রক্ষা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইফতারের সুবিধার্থে প্রতি বছরের মতো এবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পরিবর্তন এনেছে।   উল্লেখ্য, রমজান মাস শেষ হওয়ার পরপরই ব্যাংকগুলোর অফিস ও লেনদেনের সময় পুনরায় আগের স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে যাবে। ব্যাংকিং সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের এই নতুন সময়সূচি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ আর চলবে না: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মুষ্টিমেয় ব্যক্তির কবজা থেকে মুক্ত করে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নতুন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।   বুধবার সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ বন্ধের পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেন।   আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার কর্মপরিকল্পনার তিনটি মূল স্তম্ভের কথা উল্লেখ করেন:   প্রাতিষ্ঠানিক পুনরুদ্ধার: মন্ত্রী শুরুতেই জোর দেন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভগ্ন দশা সংস্কারে। তিনি স্পষ্ট জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনা না গেলে কোনো বড় কর্মসূচিই সফল হবে না।   অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ: ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ বা বিশেষ সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে একটি ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরির প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তার মতে, বাংলাদেশের অর্থনীতি হতে হবে সর্বজনীন, যেখানে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অংশগ্রহণ ও সুফল পাওয়ার অধিকার থাকবে।   নিয়ন্ত্রণের বেড়াজাল মুক্ত করা: বর্তমানে দেশের অর্থনীতি অতিরিক্ত বিধিবিধানের শিকলে বন্দি বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বজায় রাখতেই এই ‘ওভার রেগুলেশন’ তৈরি করা হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে বড় ধরনের ‘ডিরেগুলেশন’ বা বিধিবিধান শিথিলকরণ এবং উদারীকরণের ঘোষণা দেন তিনি।   অভিজ্ঞ এই রাজনীতিক এর আগে ২০০১ সালে বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে তাকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দ্বৈত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।   দেশের ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে এবং সাধারণ মানুষের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে তার এই সংস্কারমুখী অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ড. অলিভার কুটজ জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নতুন ম্যানেজিং ডিরেক্টর

জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ লিমিটেড ড. অলিভার কুটজকে নতুন ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে তিনি ঢাকায় দায়িত্ব পালন করছেন।   ড. কুটজের তামাক শিল্পে দুই দশকেরও বেশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ২০০০ সালে রিমৎসমা/ইম্পেরিয়াল ব্র্যান্ডস-এ কর্মজীবন শুরু করেন এবং এশিয়া, ককেশাস, পূর্ব ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় একাধিক সিনিয়র কমার্শিয়াল ও জেনারেল ম্যানেজমেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।   তার নেতৃত্বের যাত্রায় তিনি তাইওয়ানে মার্কেটিং ডিরেক্টর, ককেশাস, ইউক্রেন ও রাশিয়ায় জেনারেল ম্যানেজার এবং আইটিজি ব্র্যান্ডস ইউএসএ-এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগ থেকে সেন্ট্রাল ও ইস্টার্ন ইউরোপ অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার এবং সর্বশেষ যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া মার্কেটিংয়ে তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে।   বাংলাদেশের বাজার প্রসঙ্গে ড. কুটজ বলেন, “বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় বাজার। এখানে দায়িত্বশীলভাবে প্রবৃদ্ধির অনেক সুযোগ আছে। আমি আমাদের টিম ও অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করে ব্যবসার ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে চাই। একই সঙ্গে নীতিমালা নিশ্চিত করে বাজারে জেটিআই-এর উপস্থিতির ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখতে আমি উদ্‌গ্রীব।”

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ ঐতিহাসিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত

দীর্ঘ দরকষাকষি আর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর অবশেষে চূড়ান্ত হলো বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ঐতিহাসিক 'অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড' (ART)। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্ক নীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর। জেনে নিন এই চুক্তির ফলে আপনার ব্যবসা বা দেশের অর্থনীতিতে কী কী পরিবর্তন আসছে। পোশাক খাতে বিশাল জয়: যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা বা সুতা আমদানি করে তৈরি পোশাক রপ্তানি করলে মিলবে ১০০% শুল্কমুক্ত সুবিধা! বর্তমানে চালু হওয়া ১৯% বাড়তি শুল্ক গুণতে হবে না এই খাতে।   ২৫০০ পণ্যে শূন্য শুল্ক: ওষুধ, প্লাস্টিক, কাঠ এবং কৃষিপণ্যসহ আড়াই হাজার বাংলাদেশি পণ্য এখন সরাসরি শূন্য শুল্কে প্রবেশ করবে মার্কিন বাজারে।   স্বল্প শুল্কের সুফল: প্রাথমিক প্রস্তাবিত ২০% শুল্ক থেকে কমিয়ে তা ১৯%-এ নামিয়ে এনেছে বাংলাদেশ সরকার।   এক্সিট ক্লজ বা বাতিলের সুযোগ: অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে সুযোগ না থাকলেও, বাংলাদেশের বিশেষ অনুরোধে চুক্তিতে থাকছে ‘চুক্তি বাতিলের’ বিশেষ ধারা।   ১০ বছরের দীর্ঘ সময়সীমা: মার্কিন পণ্যের জন্য শুল্ক কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত দীর্ঘ সময় পেয়েছে, যা দেশের স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেবে।   চুক্তির বিস্তারিত ও প্রভাব: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা কেবল টিকে থাকবে না, বরং বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের কাঁচামাল আমদানির উৎস পরিবর্তন করে মার্কিন তুলা ব্যবহার করলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা বিশাল অংকের শুল্ক সাশ্রয় করতে পারবেন।   এছাড়াও আইপিআর, ই-কমার্স এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তিতে নতুন কোনো কঠোর শর্ত যোগ করা হয়নি, বরং বিদ্যমান আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারগুলোকেই (ILO, WTO) পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিমা, তেল ও গ্যাস খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পথ আরও সুগম হলো।   বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, এনবিআর এবং ওয়াশিংটন দূতাবাসের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সম্পাদিত এই চুক্তিটি বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্যিক প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনীতির জন্য একটি শক্তিশালী রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
আন্তর্জাতিক

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১, ২০২৬ 0