আমেরিকা

ভিসায় বড় পরিবর্তন: মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

ভিসায় বড় পরিবর্তন: মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
মার্কিন ভিসা
মার্কিন ভিসা

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। এখন থেকে দেশটিতে অবস্থানকালে নিজের খরচ বহনের পর্যাপ্ত সামর্থ্য না থাকলে কিংবা সরকারি জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার করলে তাৎক্ষণিক বাতিল হতে পারে ভিসা। 


এমনকি এর ফলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।


শনিবার (১৪ মার্চ) এক বিশেষ বার্তায় দূতাবাস স্পষ্ট জানায় যে, পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা কিংবা ট্রানজিট—যেকোনো নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীর ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে। বিশেষ করে যারা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত চিকিৎসা বা অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা সেবার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


দূতাবাসের পক্ষ থেকে পর্যটকদের অনুরোধ করা হয়েছে, তারা যেন ভ্রমণের আগেই চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতিসহ যাবতীয় সম্ভাব্য খরচ মেটানোর মতো পর্যাপ্ত তহবিলের প্রস্তুতি রাখেন। মূলত দেশটিতে গিয়ে স্থানীয় সরকারি সুবিধার অপব্যবহার রোধ করতেই ওয়াশিংটন এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
মার্কিন ভিসা
ভিসায় বড় পরিবর্তন: মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। এখন থেকে দেশটিতে অবস্থানকালে নিজের খরচ বহনের পর্যাপ্ত সামর্থ্য না থাকলে কিংবা সরকারি জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার করলে তাৎক্ষণিক বাতিল হতে পারে ভিসা।  এমনকি এর ফলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) এক বিশেষ বার্তায় দূতাবাস স্পষ্ট জানায় যে, পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা কিংবা ট্রানজিট—যেকোনো নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীর ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে। বিশেষ করে যারা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত চিকিৎসা বা অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা সেবার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে পর্যটকদের অনুরোধ করা হয়েছে, তারা যেন ভ্রমণের আগেই চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতিসহ যাবতীয় সম্ভাব্য খরচ মেটানোর মতো পর্যাপ্ত তহবিলের প্রস্তুতি রাখেন। মূলত দেশটিতে গিয়ে স্থানীয় সরকারি সুবিধার অপব্যবহার রোধ করতেই ওয়াশিংটন এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতি বেড়েই চলেছে, এক মিনিটে ১৭ লাখ ডলারের গয়না লুট

যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতি বেড়েই চলেছে, এক মিনিটে ১৭ লাখ ডলারের গয়না লুট

ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের প্রধান তেলকেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলা

ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের প্রধান তেলকেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলা

হরমুজে হামলা চললে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

হরমুজে হামলা চললে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের আসন্ন বিপদ ‘এপস্টেইন ফাইল’

দীর্ঘদিন ধরে যৌন অপরাধের অভিযোগে আলোচিত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইন–কে ঘিরে তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’ আইনে স্বাক্ষর করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে এপস্টেইনকে ঘিরে দীর্ঘদিনের গোপন নথি প্রকাশের পথ খুলে যায়।   ১৯৯৬ সালে শুরু হওয়া তদন্তের শেষ পর্যায়ে এসে নতুন আইনের আওতায় বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করতে শুরু করে মার্কিন বিচার বিভাগ। এসব নথির মধ্যে রয়েছে লিখিত ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও এবং ই-মেইল বার্তা। বিশেষ করে নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এতে উঠে এসেছে।   প্রকাশিত প্রায় সাড়ে তিন মিলিয়ন নথির বিশ্লেষণে কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম বারবার উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্রু, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বিল গেটস, ইলন মাস্ক এবং সাবেক হোয়াইট হাউস কৌশলবিদ স্টিভ ব্যানন।   দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস–এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাইবেলের ইংরেজি অনুবাদে ‘প্রভু’ শব্দটি যতবার এসেছে, প্রকাশিত এপস্টেইন নথিতে তার চেয়েও বেশি বার ট্রাম্পের নাম উল্লেখ রয়েছে। বিভিন্ন ইংরেজি অনুবাদে ‘প্রভু’ শব্দটি প্রায় তিন হাজার ৩০০ থেকে সাড়ে চার হাজারবার ব্যবহৃত হলেও প্রকাশিত প্রায় পাঁচ হাজার ৩০০ নথিতে ট্রাম্পের নাম পাওয়া গেছে।   এছাড়া ট্রাম্প, তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টসহ প্রেসিডেন্টকে ঘিরে ৩৮ হাজারের বেশি উল্লেখ এসব নথিতে পাওয়া গেছে। তবে মিরর ইউএস–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশিত নথিতে ট্রাম্প সরাসরি কোনো অপরাধে জড়িত—এমন স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।   প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, এক সময় ট্রাম্প ও এপস্টেইনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, যদিও পরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। অন্তত ২০০০ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে আসছেন।   বিবিসি–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে এফবিআই–এর নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মাইকেল রেইটার জানান, ২০০৬ সালে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ার পর ট্রাম্প তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তিনি বলেন, তখন ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে এপস্টেইনের আচরণ সম্পর্কে নিউ ইয়র্কের অনেক মানুষ আগেই জানতেন এবং তাকে অপছন্দ করতেন।   প্রকাশিত নথির আরেক অংশে এক নারীর সাক্ষাৎকার উঠে এসেছে, যেখানে তিনি দাবি করেন—কিশোরী বয়সে তাকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন ট্রাম্প। তার অভিযোগ অনুযায়ী, এপস্টেইনই তাকে ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ওই নারী বলেন, যখন তার বয়স ১৩ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে, তখন ট্রাম্প ও এপস্টেইন তাকে নির্যাতন করেন। তিনি আরও দাবি করেন, এক পর্যায়ে ট্রাম্প তাকে জোর করে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার চেষ্টা করলে তিনি প্রতিবাদ করে তাকে কামড় দেন।   তবে ট্রাম্প এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন। আগে থেকেই মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছিল, প্রকাশিত কিছু নথিতে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ‘অসত্য ও চাঞ্চল্যকর’ দাবি থাকতে পারে।   উল্লেখ্য, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হামলার কয়েক দিন আগে এপস্টেইন–সংক্রান্ত কিছু নথি প্রকাশ করা হয়, যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর বিষয়টি অনেকটাই আড়ালে চলে যায়।   এদিকে কংগ্রেসে এই আইন পাসে ভূমিকা রাখা রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান থমাস ম্যাসি বলেছেন, বিশ্বের অন্য কোথাও বোমা হামলা হলেই এপস্টেইন ফাইলের প্রশ্ন মুছে যাবে না। একই সঙ্গে তিনি চলমান যুদ্ধেরও সমালোচনা করেছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের উপদেষ্টার ভিসা বাতিল করল ব্রাজিল

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের প্রভাব বৈশ্বিক বাজারে, মার্কিন শেয়ারবাজারে বড় পতন

ছবি: সংগৃহীত
এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেন ট্রাম্প: সাবেক মার্কিন দূত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভবত আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দিতে পারেন বলে মনে করছেন সাবেক মার্কিন কূটনীতিক এলিয়ট আব্রামস।   সিএনএনের সাংবাদিক ক্রিশ্চিয়ান আমানপুর–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আব্রামস বলেন, ট্রাম্পের সামনে ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে।   তিনি বলেন, একটি সম্ভাবনা হলো—ইরানে কোনো ধরনের বিদ্রোহ দেখা দিতে পারে। অন্য সম্ভাবনাটি হচ্ছে, এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যেই ট্রাম্প যুদ্ধ শেষের ঘোষণা দেবেন এবং বলবেন যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরিকল্পিত সব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, তাই এখন অভিযানের সমাপ্তি ঘটছে।   আব্রামস, যিনি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ভেনেজুয়েলা ও ইরান বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, মনে করেন দ্বিতীয় সম্ভাবনাটিই বেশি বাস্তবসম্মত।   তিনি বলেন, ইরানের সাধারণ মানুষ বর্তমান সরকারকে তীব্রভাবে অপছন্দ করলেও সেই সরকার এক সপ্তাহের মধ্যে পতন ঘটবে নাকি পাঁচ বছর পর—এটি নিশ্চিত করে বলা কঠিন।   সূত্র: আল জাজিরা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে ‘অবৈধ যুদ্ধের’ জন্য আর এক ডলারও নয়: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভান হোলেন

ছবি: সংগৃহীত

ইরান আত্মসমর্পণের পথে—জি–৭ বৈঠকে দাবি ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

রণকৌশল নাকি সমন্বয়হীনতা? ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভিন্ন সুর

0 Comments