আওয়ামী লীগ

চট্টগ্রাম-বরিশালে আ.লীগ কার্যালয় খুলেছে নেতাকর্মীরা
মুজিবের ভাস্কর্য পরিষ্কার, দলীয় ব্যানার টাঙিয়ে স্লোগান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে অস্থিরতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আইনগতভাবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য তৎপরতা শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম ও বরিশালে গভীর রাতে ব্যানার টাঙানো, কার্যালয় খোলা এবং স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।   চট্টগ্রামে পুলিশের সামনেই তৎপরতা: গত সোমবার বিকেলে চট্টগ্রামের নিউ মার্কেট মোড় সংলগ্ন দোস্ত বিল্ডিংয়ে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পুলিশের উপস্থিতিতেই সাইনবোর্ড টাঙান ছাত্রলীগ নেতারা। একই সময়ে লালদীঘি এলাকায় পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের দেয়ালে থাকা শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দেখা যায় একদল যুবককে। দীর্ঘক্ষণ ধরে এসব কাজ চললেও প্রশাসনের কোনো সক্রিয় ভূমিকা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে গভীর রাতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে এনসিপি, ছাত্রশক্তি ও সাধারণ ছাত্রজনতা। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা দোস্ত বিল্ডিংস্থ আওয়ামী লীগের সেই কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।   বরিশালে রাতের আঁধারে ব্যানার: বরিশাল মহানগরীর সোহেল চত্বরে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সোমবার গভীর রাতে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ লেখা বিশাল ব্যানার টাঙিয়ে দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে মঙ্গলবার সকালে সেই ব্যানার আর দেখা যায়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের দাবি, নিষিদ্ধ দলের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া পুরোপুরি প্রশাসনের দায়িত্ব।   পলাতক নেতাদের উসকানি: জানা গেছে, চট্টগ্রামের মিরসরাই অঞ্চলেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কার্যালয় খুলে জয়ের স্লোগান দিয়েছেন। এই প্রতিটি ঘটনা ভারত থেকে পরিচালিত সাবেক মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। যা মূলত দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির একটি বড় ছক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   ছাত্রজনতার হুঁশিয়ারি ও প্রশাসনের বক্তব্য: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য প্রশাসনকে দায়ী করা হয়েছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, যদি নিষিদ্ধ সংগঠনের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা না নেয়, তবে ছাত্রজনতা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। অন্যদিকে, সিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিডিও ফুটেজ দেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।   বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের এই প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা এবং তার প্রেক্ষিতে ছাত্রজনতার অনড় অবস্থান দেশের শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ব্যালট পুড়িয়ে ভোট বানচালের পরিকল্পনা আ.লীগের

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে যখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে, ঠিক তখনই নির্বাচন পণ্ড করার এক ভয়াবহ ও নৃশংস ষড়যন্ত্রের তথ্য উদ্ঘাটন করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনি সরঞ্জাম বিশেষ করে ব্যালট পেপার পুড়িয়ে দিয়ে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ভন্ডুল করার একটি গভীর পরিকল্পনা সাজিয়েছে একটি বিশেষ গোষ্ঠী। এই পরিকল্পনা রুখতে সারা দেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা (রেড অ্যালার্ট) জারি করা হয়েছে।   নিরাপত্তা বাহিনীর একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, রাতের আঁধারে বা ভোরবেলায় যেসব স্থানে ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি সরঞ্জাম রাখা হয়েছে, সেখানে ককটেল বিস্ফোরণ, পেট্রল বোমা এবং গ্রেনেড ব্যবহারের মাধ্যমে অগ্নিসংযোগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য নির্দিষ্ট কিছু ‘হিট স্কোয়াড’ গঠন করা হয়েছে যাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় এবং স্কুল-কলেজভিত্তিক অস্থায়ী স্টোররুমগুলোকে মূল লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রেকি করা হচ্ছে।   গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের শীর্ষ পর্যায় থেকে মাঠ পর্যায়ের ক্যাডারদের প্রতি ‘কঠোর নাশকতার’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং নির্বাচনকে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নবিদ্ধ করা।   নিরাপত্তা ব্যবস্থা যখন দুর্ভেদ্য প্রাচীর এই তথ্য পাওয়ার পরপরই নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উপজেলা নির্বাচন অফিস ও গুদামগুলোর নিরাপত্তা কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি সার্বক্ষণিক টহল ও সশস্ত্র পাহারা নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্যালট পেপার পরিবহনের রুট ও সময়সূচি সম্পূর্ণ গোপন রাখা হচ্ছে এবং পরিবহনের সময় পুলিশ ও আনসারের সশস্ত্র এসকর্ট থাকছে। পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি মিডিয়া) শাহাদাত হোসাইন জানিয়েছেন, যেকোনো ধরনের নাশকতার চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে। বিশৃঙ্খলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।   ভার্চুয়াল জগতেও কঠোর নজরদারি মাঠ পর্যায়ের হামলার পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘নির্বাচন বাতিল’ বা ‘সরঞ্জাম পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে’ এমন ভুয়া গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির ছক কষা হয়েছে। বিটিআরসি ও সাইবার ক্রাইম ইউনিট সম্মিলিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়িয়েছে। যেকোনো উসকানিমূলক পোস্ট বা গুজব ছড়ালে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।   নির্বাচন কমিশন দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, কোনো হুমকি বা ষড়যন্ত্র নির্বাচন থামাতে পারবে না। ভোটারদের নিরাপদ ও নির্ভয় পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্যগণ মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করছেন। পাড়া-মহল্লায় কোনো সন্দেহভাজন বা অচেনা ব্যক্তির তৎপরতা দেখলে অবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য নাগরিকদের অনুরোধ করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা
বাংলাদেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের নেতারা

৫ আগস্টের সেই নাটকীয় পটপরিবর্তন এবং দীর্ঘ নীরবতার পর এবার সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা কি পর্দার আড়ালে নতুন কোনো ছক কষছেন? আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক বিস্ফোরক চিত্র।   কলকাতায় অবস্থানরত প্রায় ৬০০ নেতার গতিবিধি এবং দিল্লির সাথে তাঁদের নিয়মিত যোগাযোগ এখন আলোচনার তুঙ্গে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি সত্যিই ‘বীরের বেশে’ ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? ভারতের মাটিতে বসে প্রতিদিন ১৫-১৬ ঘণ্টা মিটিং আর ফোন কলে কী বার্তা দিচ্ছেন তিনি? মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—সংকট কাটিয়ে দলটি কি আবারো বাংলাদেশের রাজনীতিতে জায়গা করে নিতে পারবে?   পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। তাঁর দাবি এবং গার্ডিয়ানের অনুসন্ধানী তথ্যে ঠাসা আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন।   ভারতে অবস্থান: বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আওয়ামী লীগের ৬০০-এর বেশি প্রভাবশালী নেতা অবস্থান করছেন।   দিল্লির সাথে যোগাযোগ: গত কয়েক মাসে সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়মিত দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে দলীয় কৌশলের আলোচনার জন্য।   শেখ হাসিনার ব্যস্ততা: সাদ্দাম হোসেনের ভাষ্যমতে, শেখ হাসিনা প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা নেতাকর্মী ও পেশাজীবী সংগঠনের সাথে যোগাযোগ রাখছেন।   ফিরে আসার পরিকল্পনা: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ও নানা অভিযোগ মাথায় থাকলেও, দলটি বিশ্বাস করে শেখ হাসিনা আবারো বাংলাদেশে ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন।

ইসতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা এনায়াতি -ফাইল ফটো।
আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মেরুকরণ: সৌদি আরবের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ইরানের

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0