আমেরিকা

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হলো
মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হলো

মালয়েশিয়া থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছে শিশু শোষণ সংক্রান্ত একাধিক গুরুতর অভিযোগে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৮ বছর বয়সী জোবাইদুল আমিনকে কুয়ালালামপুর থেকে স্থানান্তর করে আলাস্কার ফেডারেল আদালতে হাজির করা হয়েছে।   মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে আলাস্কার একটি গ্র্যান্ড জুরি তার বিরুদ্ধে ১৩টি ফেডারেল অভিযোগ গঠন করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের টার্গেট করতেন এবং বিভিন্ন কৌশলে তাদের কাছ থেকে যৌন স্পষ্ট ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করতেন।   তদন্তকারীদের দাবি, প্রথমে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলে পরে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো। সংগৃহীত ছবি বা ভিডিও প্রকাশের হুমকি দিয়ে আরও ছবি বা ভিডিও পাঠাতে বাধ্য করা হতো। তদন্তে উঠে এসেছে, তার কার্যক্রম শুধু আলাস্কা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গরাজ্য এবং বিদেশেও বিস্তৃত ছিল।   মামলার নথি অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিতরণের ষড়যন্ত্র, সাইবারস্টকিং, পরিচয় জালিয়াতি এবং ওয়্যার জালিয়াতিসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার ২০ বছর থেকে শুরু করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। এফবিআইয়ের শিশু শোষণবিরোধী একটি বৃহৎ তদন্তের অংশ হিসেবেই এই মামলাটি পরিচালিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।   তবে আদালতে দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আইনের দৃষ্টিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হন।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
এপস্টিন ফাইল বিতর্কে নতুন মোড়: যৌন নিপীড়ন অভিযোগ তদন্তে ট্রাম্প-এফবিআই সাক্ষাৎকার প্রকাশ করলো বিচার বিভাগ
এপস্টিন ফাইল বিতর্কে নতুন মোড়: যৌন নিপীড়ন অভিযোগ তদন্তে ট্রাম্প-এফবিআই সাক্ষাৎকার প্রকাশ করলো বিচার বিভাগ

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সম্প্রতি অনলাইনে তিনটি এফবিআই সাক্ষাৎকারের নথি প্রকাশ করেছে, যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে ঘিরে ওঠা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সম্পর্কিত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে। এসব নথি আগে প্রকাশিত বিপুল পরিমাণ জেফরি এপস্টিন–সংক্রান্ত ফাইলের মধ্যে ছিল না।   মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফবিআই তদন্তের সময় নেওয়া তিনটি সাক্ষাৎকারের রেকর্ড নতুন করে প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি বিচার বিভাগ যে বিশাল আকারের এপস্টিন নথিপত্র প্রকাশ করে, তার মধ্যে এসব সাক্ষাৎকার না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।   বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে এপস্টিন তদন্তসংক্রান্ত অতিরিক্ত নথিপত্র ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হচ্ছে।   তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এপস্টিনের সঙ্গে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে আসছেন।   উল্লেখ্য, অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন নিপীড়ন ও পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টিনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছর ধরে তদন্ত ও বিতর্ক চলছে। এই মামলায় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম আলোচনায় আসায় বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আলোচিত হয়ে উঠেছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
নিরাপত্তা শঙ্কায় কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস খালি করার নির্দেশ
নিরাপত্তা শঙ্কায় কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস খালি করার নির্দেশ

নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় কুয়েত সিটিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে জরুরি ভিত্তিতে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।   স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে এই সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ তাদের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।   দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দূতাবাস খালি করার নির্দেশনার পাশাপাশি সেখানে সংরক্ষিত স্পর্শকাতর নথিপত্র ধ্বংস এবং গোপন তথ্যসম্বলিত সার্ভার সম্পূর্ণ মুছে ফেলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর কুয়েতে অবস্থিত দূতাবাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করার ঘোষণা দেয়। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, এখন পর্যন্ত কোনো মার্কিন নাগরিকের হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও বিদেশে অবস্থানরত আমেরিকানদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের শুরুতে কুয়েতে ইরানি ড্রোন হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এরপর দূতাবাসকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলার আশঙ্কা তৈরি হলে শেষ পর্যন্ত কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাবে দলীয় লাইনের বাইরে ভোট দিলেন কয়েকজন আইনপ্রণেতা
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাবে দলীয় লাইনের বাইরে ভোট দিলেন কয়েকজন আইনপ্রণেতা

ওয়াশিংটন: ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সামরিক ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটিতে দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে ভোট দিয়েছেন কয়েকজন আইনপ্রণেতা।   প্রতিনিধি পরিষদে উত্থাপিত যুদ্ধ ক্ষমতা–সংক্রান্ত প্রস্তাবটির লক্ষ্য ছিল কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করা। তবে ভোটে প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত পাস হয়নি।   ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, অধিকাংশ ডেমোক্র্যাট সদস্য প্রস্তাবটির পক্ষে এবং অধিকাংশ রিপাবলিকান সদস্য বিপক্ষে ভোট দেন। কিন্তু এই ভোটাভুটিতে দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে কয়েকজন আইনপ্রণেতা ভিন্ন অবস্থান নেন।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, চারজন ডেমোক্র্যাট সদস্য রিপাবলিকানদের সঙ্গে প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন, যা কার্যত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করে। অন্যদিকে দুইজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন। তারা হলেন থমাস ম্যাসি এবং ওয়ারেন ডেভিডসন।   প্রস্তাবটির সমর্থকরা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা বা বড় সামরিক অভিযানের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকা উচিত। অন্যদিকে বিরোধীরা মনে করেন, চলমান সংঘাতের সময় প্রেসিডেন্টের হাতে সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার যথেষ্ট ক্ষমতা থাকা জরুরি।   বিশ্লেষকদের মতে, এই ভোটের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে শুধু দলীয় বিভাজনই নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক ক্ষমতার প্রশ্নেও ভিন্নমত রয়েছে।

নুরুল্লাহ সাইদ মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে হাউজিং লোনের সুদের হার

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন ঋণের বাজারেও। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়া এবং আর্থিক অনিশ্চয়তা বাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে হাউজিং লোন বা মর্টগেজের সুদের হার আবার বাড়তে শুরু করেছে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ৩০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি স্থির সুদের মর্টগেজ হার তিন বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এলেও চলতি সপ্তাহে তা আবার বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও বেড়ে যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা বেশি সুদে সরকারি বন্ড কিনতে শুরু করেন, যার ফলে বন্ডের ফলন বাড়ে। আর এই বন্ডের ফলনের সঙ্গে যুক্ত থাকে মর্টগেজ ঋণের সুদের হার।   অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং তেলের দাম আরও বাড়ে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ঋণের সুদের হার আরও বাড়তে পারে। এতে বাড়ি কেনা সাধারণ মানুষের জন্য আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।   তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে এবং বাজারে অনিশ্চয়তা কমলে ভবিষ্যতে সুদের হার আবার কমার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির ধাক্কা: অনিশ্চয়তায় ছোট ব্যবসা, বাড়ছে কর্মী ছাঁটাই

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতিকে ঘিরে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অনেক ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই করছে এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা স্থগিত করছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা বলছেন, আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা এবং কাঁচামালের দাম বাড়ার কারণে তাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছে এবং বিদ্যমান কর্মীদের মধ্যেও ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।   বিশেষ করে উৎপাদন, নির্মাণ ও খুচরা খাতের অনেক ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই নীতিগত পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে। অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে বা বিনিয়োগ পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে।   অর্থনীতিবিদদের মতে, বাণিজ্য নীতি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আস্থা কমিয়ে দিতে পারে এবং এর প্রভাব শ্রমবাজারেও পড়তে পারে। ফলে আগামী মাসগুলোতে নিয়োগ ও বিনিয়োগের গতি আরও ধীর হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরেছেন অন্তত ২০ হাজার মার্কিন নাগরিক, জানাল স্টেট ডিপার্টমেন্ট

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে গত শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ হাজার মার্কিন নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসেছেন বলে জানিয়েছে U.S. Department of State। বিভাগটি জানায়, তাদের গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে ১০ হাজার মার্কিন নাগরিককে সহায়তা করেছে যাতে তারা নিরাপদে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে পারেন।   এদিকে সংকট পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য ব্যবহৃত ক্রাইসিস ইনটেক ফর্মের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে এই ফর্মটি শুধু United Arab Emirates, Qatar, Saudi Arabia এবং Israel–এ অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ছিল, এখন সেখানে Bahrain এবং Kuwait-কেও যুক্ত করা হয়েছে।   তবে মার্কিন প্রশাসন সমালোচনার মুখেও পড়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ মার্কিন–ইসরায়েলি অভিযানের আগে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য যথাযথ পরিকল্পনা প্রস্তুত ছিল না।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান যদি নিজে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে এগোয়, আবার যুদ্ধ বাধবে: ট্রাম্প

গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র ইরানে একটি অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলী খামেনিকে হত্যা করেছে। এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় নিজেকে যুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।   ‘অ্যাক্সিওস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর পরবর্তী নেতা নির্বাচনে তাকে ব্যক্তিগতভাবে যুক্ত করা উচিত। তিনি সতর্ক করে বলেন, মার্কিন সম্পৃক্ততা ছাড়া ইরান যদি নিজের মত করে উত্তরসূরি নির্ধারণের চেষ্টা করে, তবে তা কেবল সময় নষ্ট হবে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করবে।   ট্রাম্প উল্লেখ করেন, নিহত খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে তিনি এটিকে গ্রহণযোগ্য মনে করছেন না। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, ইরানে এমন নেতা প্রয়োজন যিনি দেশটিতে শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনবেন, আগের নেতৃত্বের নীতি অনুসরণ করবেন না।   সূত্র: আলজাজিরা।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘কেয়ামতের’ মিসাইল পরীক্ষা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে ‘মিনিটম্যান থ্রি’ নামক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) সফলভাবে পরীক্ষা চালিয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দিয়ে প্রায় ৬,৭০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের একটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।   মার্কিন বিমান বাহিনীর গ্লোবাল স্ট্রাইক কমান্ড জানিয়েছে, এটি কোনো নির্দিষ্ট বৈশ্বিক ঘটনার প্রতিক্রিয়া নয়, বরং ক্ষেপণাস্ত্রটির নির্ভুলতা ও কার্যকারিতা যাচাই করতে রুটিন পরীক্ষা। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ক্যারি রে বলেন, “পরীক্ষাটি আমাদের পারমাণবিক সক্ষমতার নির্ভরযোগ্যতা এবং ICBM বহরের প্রস্তুতি নিশ্চিত করে।”   ১৯৭০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক ত্রয়ীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছে মিনিটম্যান থ্রি। এটি ১৩,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম, প্রায় ২৪,০০০ কিমি/ঘণ্টার গতিতে ছুটতে পারে এবং হিরোশিমায় ব্যবহৃত পারমাণবিক বোমার চেয়েও ২০ গুণ শক্তিশালী ওয়ারহেড বহন করতে পারে।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই উৎক্ষেপণ বিশ্বশক্তিগুলোর প্রতি একটি কড়া বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানা, নর্থ ডাকোটা ও ওয়াইওমিং-এর ভূগর্ভস্থ সাইলোতে প্রায় ৪০০টি মিনিটম্যান থ্রি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন আছে।   ভবিষ্যতে মিনিটম্যান থ্রি’র পরিবর্তে আধুনিক ‘এলজিএম-৩৫এ সেন্টিনেল’ ক্ষেপণাস্ত্র আনার পরিকল্পনা থাকলেও ২০৩০-এর দশক পর্যন্ত এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্থলভিত্তিক পারমাণবিক শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে থাকবে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সিনেটে ইরানপক্ষের স্লোগান, প্রার্থীর হাত ভেঙে গেল

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে সিনেটের একটি শুনানির সময় নর্থ ক্যারোলাইনার সিনেট নির্বাচনের গ্রিন পার্টির প্রার্থী ও সাবেক মেরিন সদস্য ব্রায়ান ম্যাকগিনিস ইরানের পক্ষে স্লোগান দেন। এসময় তাকে জোরপূর্বক কক্ষ থেকে বের করার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে তার হাত ভেঙে যায়।   শুনানি চলাকালীন সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ দাঁড়িয়ে ম্যাকগিনিস বলেন, ইসরাইল এই যুদ্ধের জন্য দায়ী। পরে তিনজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং মন্টানার রিপাবলিকান সিনেটর টিম শিহির সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় ভিডিওতে দেখা যায়, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তার ডান হাত ভেঙে যায়। পরে তিনি স্বীকার করেন, বাম হাতেও গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।   রিপাবলিকান সিনেটর শিহি জানিয়েছেন, তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য এগিয়ে গিয়েছিলেন। ক্যাপিটল পুলিশ জানায়, ম্যাকগিনিস কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হয়ে সহিংসভাবে বাধা দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আক্রমণ, বেআইনিভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং কাজের বাধার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
শিয়া লাবিউফ
শিয়া লাবিউফ গ্রেপ্তার, দ্বিতীয়বার ঝুলল আদালতের মামলায়

মার্কিন জনপ্রিয় টিভি অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শিয়া লাবিউফকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে নিউ অরলিন্সের একটি বারের বাইরে মারামারির ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।   এবার ১ মার্চের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে লাবিউফকে দ্বিতীয়বার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের রেকর্ড অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আরও একটি অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।   অভিনেতার আইনজীবী সারাহ চেরভিনস্কি জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টারের রয়্যাল স্ট্রিট ইন অ্যান্ড আউট বার সংলগ্ন সংঘর্ষের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে শিয়া লাবিউফকে। সেই ঘটনায় মার্ডিস গ্রাস উদযাপনের সময় একাধিক ব্যক্তিকে আঘাত এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে গালাগালি করার অভিযোগ রয়েছে।   নিউ অরলিন্স পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, একজন ব্যক্তিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলা হচ্ছে এবং অন্য ব্যক্তির মুখে আঘাত করা হচ্ছে। এতে একজনের নাক ভেঙে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনিও একজন পরিচিত বিনোদনকর্মী।   আইনজীবী বলেন, নতুন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর শিয়া লাবিউফ স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। আদালত জানিয়েছে, এক লাখ ডলারের বেশি বন্ডে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং দুই আলাদা কারাভোগ হবে না।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা কি খর্ব হচ্ছে? সেনেটে ব্যর্থতার পর হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নতুন লড়াই

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় নতুন নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে।   বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিনিধি সভায় ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ প্রস্তাব উত্থাপন করার কথা রয়েছে, যার মূল লক্ষ্য বর্তমান সামরিক অভিযানগুলোতে হোয়াইট হাউসের একচ্ছত্র আধিপত্য কমিয়ে আনা। তবে এই উদ্যোগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে। যদিও ধারণা করা হচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের পূর্ণ সমর্থন এবং রিপাবলিকান শিবিরের কিছু সদস্যের ভোটে প্রতিনিধি সভায় প্রস্তাবটি পাস হতে পারে, কিন্তু মার্কিন আইন অনুযায়ী এটি কার্যকর হওয়া প্রায় অসম্ভব। কারণ, এর আগে উচ্চকক্ষ তথা সেনেটে একই ধরনের একটি প্রস্তাব ভোটাভুটিতে হেরে গেছে। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার কোনো একটি কক্ষে প্রস্তাব নাকচ হয়ে গেলে তা আইনে পরিণত হওয়ার সুযোগ হারায়।   বর্তমানে প্রশ্ন উঠছে, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোনো আইনি পদক্ষেপ বা মামলা দায়ের করা সম্ভব কি না। তাত্ত্বিকভাবে এমন সম্ভাবনা থাকলেও বাস্তবক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত কঠিন। কারণ, মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা এখনো দেশটির সংবিধানের স্বীকৃত কাঠামোর মধ্যেই বিষয়টির সমাধান খুঁজতে আগ্রহী।  ফলে ট্রাম্পের যুদ্ধ ঘোষণার একক ক্ষমতা খর্ব করার এই চেষ্টা আপাতত রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান দুই সপ্তাহের মধ্যে পারমাণবিক বোমা বানিয়ে ফেলত: ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সময়োচিত পদক্ষেপই ইরানকে পারমাণবিক শক্তিধর হওয়া থেকে বিরত রেখেছে। ট্রাম্প বলেন, “আমরা যদি দুই সপ্তাহের মধ্যে আঘাত না করতাম, তবে তারা পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত। পাগলাটে মানুষের হাতে এমন বিধ্বংসী অস্ত্র থাকা মানেই ভয়াবহ বিপর্যয়।” এদিকে ইরান বরাবরই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ‘শান্তিপূর্ণ’ বলে দাবি করে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-র মহাপরিচালক এই দাবিতে পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারছেন না।  তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ইরান পারমাণবিক বোমা বানাচ্ছে এমন অকাট্য প্রমাণ না থাকলেও, তাদের কাছে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুদ এবং পরিদর্শকদের কাজে বাধা দেওয়ার বিষয়টি গভীর উদ্বেগের।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ ব্যর্থ

মার্কিন সিনেটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব পাস হয়নি। ইরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষমতা কমাতে আনা এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন ৪৭ জন সিনেটর, আর বিপক্ষে ভোট দেন ৫৩ জন।   ভোটাভুটিতে আইনপ্রণেতারা প্রায় পুরোপুরি দলীয় অবস্থান অনুযায়ী বিভক্ত ছিলেন। প্রস্তাবটিতে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের সংঘাত থেকে প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছিল। তবে এর আগেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। এমনকি এই প্রস্তাব পাস হলেও যুদ্ধের গতিপথ কতটা পরিবর্তন হতো, সেটিও স্পষ্ট নয়।   ভোটের আগে ডেমোক্র্যাট সদস্যরা অভিযোগ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং যুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে বেশিরভাগ রিপাবলিকান সদস্য বলেন, তারা এই প্রস্তাব আটকে দিলেও যদি সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।   তবে এ বিষয়ে কংগ্রেসের চূড়ান্ত অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের হাতে। তাই ইরানে চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে এই বিতর্কে তারা আবারও ফিরে আসতে পারে।   এদিকে একই বিষয়ে আগামীকাল প্রতিনিধি পরিষদেও ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ক্যাপিটল হিলে কয়েকজন সিনেটর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যুদ্ধ যদি কয়েক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়, তাহলে ভবিষ্যতে যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন বাড়তে পারে।   সূত্র: বিবিসি বাংলা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
১০ দিনের বেশি যুদ্ধ চললে ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র, পেন্টাগনের সতর্কবার্তা

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ আরও ১০ দিন স্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে আসতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে পেন্টাগন।   কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের চতুর্থ দিনে পেন্টাগনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এ সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে অবহিত করেছেন। দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের ফলে শুধু অস্ত্রের ঘাটতিই নয়, ফুরিয়ে যাওয়া গোলাবারুদ পুনরায় সংগ্রহ করতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।   তবে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে এবং এই মজুত দিয়েই দীর্ঘ সময় যুদ্ধ চালানো সম্ভব।   পেন্টাগনের ফাঁস হওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি দেখা দিতে পারে। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সতর্ক করে বলেছেন, ইসরাইল ও ইউক্রেনকে বিপুল সামরিক সহায়তা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মজুত ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। গত বছর ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের থাড ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার করেছিল।   বর্তমান সংঘাতে ইরান যেভাবে ড্রোন ব্যবহার করছে, তা মোকাবিলায় যে পরিমাণ ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর প্রয়োজন, তার উৎপাদন হার খুবই কম। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরান মাসে প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে, অথচ যুক্তরাষ্ট্র মাসে মাত্র ৬ থেকে ৭টি ইন্টারসেপ্টর উৎপাদন করতে সক্ষম।   যুদ্ধের আর্থিক চাপ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। সেন্টার ফর নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, একটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পরিচালনায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬৫ লাখ ডলার ব্যয় হয়। অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার খরচ করেছে।   পেন হোয়ার্টন বাজেট মডেলের পরিচালক কেন্ট স্মেটার্সের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ট্রাম্পের ইঙ্গিত অনুযায়ী যুদ্ধ যদি কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ব্যয় ২১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। গত এক বছরে কেবল ইসরাইলকে সামরিক সহায়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অভিযানে ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।   বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, জেডিএএম কিট—যার মাধ্যমে সাধারণ বোমাকে স্মার্ট বোমায় রূপান্তর করা হয়—এবং নৌবাহিনী থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টরের মজুতও কমে আসছে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও ইরানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সামরিক অভিযানকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।   পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত রাশিয়া বা চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি তীব্র সংঘাতের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ইরানের মতো দেশগুলোর পক্ষ থেকে দীর্ঘস্থায়ী ও তুলনামূলক কম খরচের রকেট বা ড্রোন হামলা মোকাবিলা করা অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই ভারসাম্যহীনতা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে সেনাবাহিনীতে পাঠানোর দাবি—ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট চালু

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কনিষ্ঠ ছেলে ব্যারন ট্রাম্পকে মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট চালু করেছেন অ্যানিমেটেড টিভি সিরিজ ‘সাউথ পার্ক’-এর সাবেক লেখক টবি মর্টন।   ওয়েবসাইটটিতে ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেহেতু নিজেকে শক্তিশালী নেতা হিসেবে তুলে ধরেন, তাই তাঁর ছেলে ব্যারনও দেশের জন্য যুদ্ধে যেতে পারেন। সেখানে ট্রাম্প পরিবারের “প্রমাণিত জিন” ও “সাহসিকতার উত্তরাধিকার” নিয়েও বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করা হয়েছে।   সাইটটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে একটি অফিসের চেয়ারে ঘুমিয়ে পড়ার মতো ভঙ্গিতে দেখানো কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া সেখানে ট্রাম্পের বড় ছেলে এরিক ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের নামে কিছু কাল্পনিক মন্তব্যও দেওয়া হয়েছে, যা মূলত রাজনৈতিক ব্যঙ্গ হিসেবে তৈরি।   এর আগে টবি মর্টন ট্রাম্প প্রশাসনকে লক্ষ্য করে আরও কয়েকটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলেন। এর মধ্যে একটি ওয়েবসাইট ছিল ট্রাম্পের নামে কেনেডি সেন্টারের নাম যুক্ত করার বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে ঘিরে।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৮৬৬ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ৫ হাজার ৯৪৬ জন।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পকে ‘যিশুর মনোনীত নেতা’ বলা হচ্ছে—ইরান যুদ্ধকে ঘিরে মার্কিন সেনাদের অভিযোগ

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে বিতর্কিত এক অভিযোগ সামনে এসেছে। মার্কিন সেনাদের একটি অংশ দাবি করেছে, কিছু সামরিক কমান্ডার সৈন্যদের বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প “যিশুর মনোনীত নেতা” এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নাকি ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ।   যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি অধিকার সংগঠন জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে তারা মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখা থেকে ২০০টিরও বেশি অভিযোগ পেয়েছে। অভিযোগগুলো ৫০টির বেশি সামরিক ঘাঁটি থেকে এসেছে বলে সংগঠনটি দাবি করেছে।   অভিযোগে বলা হয়েছে, কিছু কমান্ডার যুদ্ধ প্রস্তুতি বৈঠকে সৈন্যদের সামনে দাবি করেন যে ইরানে চলমান সংঘাত বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি “ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ”। একটি অভিযোগে এক নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা জানান, তাদের কমান্ডার বৈঠকে বাইবেলের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি যিশুর দ্বারা মনোনীত।   ওই অভিযোগটি একটি ইউনিটের ১৫ জন সদস্যের পক্ষ থেকে করা হয়েছে, যাদের অনেকেই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, বিষয়টি ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরোধিতা নয়; বরং সামরিক পরিবেশে ধর্মীয় মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে তাদের আপত্তি।   সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল ওয়াইনস্টিন সতর্ক করে বলেছেন, সামরিক বাহিনীর মধ্যে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাব বাড়লে তা সংবিধানে নির্ধারিত রাষ্ট্র ও ধর্মের পৃথক নীতির জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্তের ফল প্রকাশ করা হয়নি।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো আঘাতে ধ্বংস ইরানি যুদ্ধজাহাজ, নিহত ৮৭

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজকে টর্পেডো ছুড়ে ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, ভারত মহাসাগরে অবস্থানরত একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে একটি মার্কিন সাবমেরিন থেকে টর্পেডো নিক্ষেপ করা হলে সেটি মাঝসমুদ্রেই তলিয়ে যায়। এ ঘটনায় যুদ্ধজাহাজে থাকা অন্তত ৮৭ জন নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।  বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কী ঘটেছিল? পেন্টাগনের তথ্যানুযায়ী, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে ভারত মহাসাগরে টহলরত একটি মার্কিন ফাস্ট-অ্যাটাক সাবমেরিন থেকে মাত্র একটি ‘Mk-48’ টর্পেডো নিক্ষেপ করা হয়। নিখুঁত নিশানায় টর্পেডোটি ইরানি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘আইআরআইএস ডেনা’ (IRIS Dena)-কে আঘাত করে। জাহাজটি মওজ-শ্রেণির (Moudge-class) একটি ফ্রিগেট ছিল, যা বঙ্গোপসাগরে এক নৌ-মহড়া শেষে নিজ গন্তব্যে ফিরছিল। শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলের অদূরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই ঘটনাটি ঘটে। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ জানিয়েছেন, হামলার সময় জাহাজটিতে ১৮০ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। এখন পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারে এবং মরদেহ উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পেন্টাগনের বক্তব্য প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই অভিযানকে ‘নিস্তব্ধ মৃত্যু’ (Quiet Death) হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “১৯৪৫ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন সাবমেরিন শত্রুপক্ষের জাহাজকে টর্পেডো দিয়ে ধ্বংস করল। এটি আমেরিকার বৈশ্বিক সক্ষমতার এক বিশাল নিদর্শন।” জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী এ পর্যন্ত ইরানের ২,০০০-এর বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং ইরানের প্রায় ২০টি নৌযান ধ্বংস করেছে। তার দাবি, এই অভিযানের ফলে ওই অঞ্চলে ইরানের নৌ-শক্তি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট মার্কিন নৌবাহিনীর ইতিহাসে এটি একটি বিরল ঘটনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর গত আট দশকে মার্কিন সাবমেরিন বহুবার মোতায়েন হলেও সরাসরি টর্পেডো ব্যবহার করে শত্রুজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনা আর ঘটেনি। নিরাপত্তা জনিত কারণে সংশ্লিষ্ট সাবমেরিনটির নাম প্রকাশ করেনি পেন্টাগন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা এবং ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। পেন্টাগন জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা ওই অঞ্চলে তাদের অভিযান আরও জোরদার করা হতে পারে।

তাবাস্সুম মার্চ ৪, ২০২৬ 0
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলজাহরানি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে সাক্ষাৎকারে এসে গ্রেপ্তার সৌদি নাগরিক

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা মঙ্গলবার নিউ জার্সিতে এক সৌদি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে। কর্মকর্তারা জানান, তিনি অভিবাসন সংক্রান্ত সাক্ষাৎকার দিতে এসে আটক হন।   গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলজাহরানি। তিনি নিউ জার্সির নিউয়ার্ক শহরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা দপ্তরের কার্যালয়ে সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে গেলে তাকে আটক করা হয়।   কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আলজাহরানি কলোরাডোর ডেনভার দিয়ে শিক্ষার্থী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। তবে তার ভিসার মেয়াদ ২০১৭ সালে শেষ হলেও তিনি দেশ ত্যাগ করেননি এবং অবৈধভাবে দেশটিতে অবস্থান করছিলেন।   কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, তার বিরুদ্ধে অতীতে কয়েকটি অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। এর মধ্যে একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সহিংস হয়রানির অভিযোগ এবং শিশু নির্যাতনের মামলা রয়েছে।   অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বলেছে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত অভিযানে তাকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি অভিবাসন হেফাজতে রয়েছেন এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলায় মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি ২ বিলিয়ন ডলার!

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে গত চার দিনে ইরানের ধারাবাহিক হামলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম হারিয়েছে। আনাদোলু এজেন্সি ও ওপেন-সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির মূল কারণ হলো কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে থাকা ১.১ বিলিয়ন ডলারের AN/FPS-132 আলি ওয়ার্নিং রাডার, যা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-রুওয়াইস ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে মোতায়েন ৫০ কোটি ডলারের THAAD অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের AN/TPY-2 রাডারও ধ্বংসের শিকার হয়েছে।   বাহরাইনের মানামায় মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে হামলায় দুইটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ টার্মিনাল এবং কয়েকটি ভবন ধ্বংস হয়েছে। তবে সব ক্ষতি সরাসরি ইরানের হামলায় হয়নি; রবিবার কুয়েতি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভুলে তিনটি মার্কিন F-15E স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়, যার প্রতিস্থাপন ব্যয় আনুমানিক ২৮ কোটি ২০ লাখ ডলার। এই ঘটনায় ছয়জন ক্রু প্রাণে বেঁচেছেন।   ইরান এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত সাতটি মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর, কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান, আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটি, ক্যাম্প বুহরিং, ইরাকের এরবিল ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দর এবং কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি। কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে হামলায় ছয় মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটে এবং আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটির একাধিক স্থানে ছাদ ধসে পড়ে।   এছাড়া সৌদি আরব, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলোও হামলার শিকার হয়েছে। রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলায় সামান্য বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে। কুয়েত সিটিতে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে কম্পাউন্ডের কাছে ধোঁয়া দেখা দেয় এবং সমস্ত কর্মী ও পরিবারকে সরিয়ে দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে সন্দেহভাজন ড্রোন আঘাত হানলেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।   তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তাবাস্সুম মার্চ ৪, ২০২৬ 0
কুয়েতে ধ্বংস তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে থাকা যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত
ভুলবশত নিজেই নিজের বিমান ভূপাতিত করল মার্কিন বাহিনী

কুয়েতের আকাশসীমায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের ঘটনায় প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, ভূমি থেকে নিক্ষেপ করা আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তবে পরে জানা যায়, মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যবহৃত এবং যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান ভুলবশত তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ভূপাতিত করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঘটে যাওয়া এ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   এফ/এ-১৮ হর্নেট একটি সামুদ্রিক মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা প্রধানত মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালিত হয়। প্রথম প্রজন্মের এফ-১৮-এর পর এর একাধিক উন্নত সংস্করণ তৈরি হয়েছে, যেগুলোর দায়িত্ব ও সক্ষমতায় ভিন্নতা রয়েছে। ‘এফ/এ’ অর্থ হলো, বিমানটি আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ও ভূমিতে আঘাত—উভয় ধরনের মিশনে সক্ষম। কুয়েতের আকাশে কীভাবে এ ভুল হামলা ঘটেছে, তা এখনো তদন্তাধীন।   এফ/এ-১৮ হর্নেটকে মার্কিন নৌবাহিনীর এফ-১৪ টমক্যাটের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৮৬ সালের ‘টপ গান’ চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত এফ-১৪ টমক্যাটের জায়গায় পরবর্তীতে এফ/এ-১৮ দায়িত্ব গ্রহণ করে। একই সঙ্গে এটি এ–৭ করসেয়ার ও এফ–৪ ফ্যান্টমের দায়িত্বও নেয়। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘টপ গান–২’ সিনেমায়ও এফ-১৮ হর্নেটকে দেখানো হয়। বোয়িংয়ের মতে, এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট ক্যারিয়ার এয়ার উইংসের মেরুদণ্ড এবং এটি বহুমুখী স্ট্রাইক ফাইটার।   এফ/এ-১৮-এর আরেক সংস্করণ ইএ–১৮ গ্রোলার, যা ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। এটি আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে এবং রাডার সিগন্যালের উৎস লক্ষ্য করে অ্যান্টি রেডিয়েশন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম। বোয়িংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, সুপার হর্নেট ও গ্রোলার একসঙ্গে পরিপূরক ক্যারিয়ার-ভিত্তিক দল গঠন করে, যা বহুমাত্রিক আঘাত ও ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক আধিপত্য নিশ্চিত করে।   কুয়েতের আকাশে সাম্প্রতিক ভুল হামলার ঘটনা আবারও আলোচনায় এনেছে এই যুদ্ধবিমানকে, যা বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি হলিউডের পর্দাতেও পরিচিত।   সূত্র: এনডিটিভি

তাবাস্সুম মার্চ ৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
আন্তর্জাতিক

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১, ২০২৬ 0