বিএনপি

বিএনপি লোগো
সরকারি প্লট ও শুল্কমুক্ত গাড়ি নেবেন না বিএনপির এমপিরা

দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্যরা সরকারি শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট সুবিধা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত দলটির সংসদীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে।   জাতীয় সংসদের সদস্যদের জন্য প্রচলিত আইন অনুযায়ী শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির বিশেষ সুবিধা এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা রাজউক থেকে বিশেষ কোটায় প্লট বরাদ্দের নিয়ম দীর্ঘদিনের। তবে বিগত কয়েক দশকে এই সুবিধাগুলোর অপব্যবহার এবং জনগণের অর্থের অপচয় নিয়ে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে জনগণের সেবক হিসেবে বিলাসিতা ত্যাগ করাই তাদের দলের প্রধান লক্ষ্য। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিএনপি একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করতে চায় যেখানে সংসদ সদস্যরা নিজেদের সুযোগ-সুবিধার চেয়ে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবেন।   উল্লেখ্য যে, বিএনপির এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অনুরূপ একটি কঠোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, তাদের দল থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় প্লট কিংবা শুল্কমুক্ত গাড়ির সুবিধা গ্রহণ করবেন না। প্রধান দুটি রাজনৈতিক শক্তির পক্ষ থেকে এই অভিন্ন অবস্থান দেশের রাজনীতিতে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর এই 'ত্যাগের রাজনীতি' সংসদ সদস্যদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ঢাকা-১৮ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন
অপরাধ করলে ভাইকেও ছাড় দেব না: এস এম জাহাঙ্গীর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসন থেকে বিজয়ী হওয়ার পর নেতাকর্মীদের প্রতি এক কঠোর ও আপসহীন সতর্কবার্তা দিয়েছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো কাজে লিপ্ত হলে নিজের ভাই বা নিকটাত্মীয়কেও তিনি বিন্দুমাত্র ছাড় দেবেন না।   সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উত্তরার নিজ বাসভবনে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন। এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, “আমার ভাইও যদি এমন কোনো অপরাধ করে যাতে দলের সামান্যতম ক্ষতি হয়, তবে আমি ভাই চিনব না; তাঁর সঙ্গে মুহূর্তেই সম্পর্ক ছিন্ন করব।”   নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন: অপকর্ম ও অবৈধ ব্যবসা বন্ধ: তিনি সবাইকে অবৈধ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে হালাল ও বৈধ ব্যবসা করার পরামর্শ দেন। তিনি সতর্ক করেন যে, দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি কোনো অন্যায়ে জড়ায়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   থানা ও বিচার ব্যবস্থা: নবনির্বাচিত এই এমপি নেতাকর্মীদের থানায় অপ্রয়োজনীয় ভিড় না করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, আগে সাধারণ মানুষ থানায় বিচার পেত না, কিন্তু এখন থেকে প্রতিটি নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, “এলাকাভিত্তিক সালিশ বা সামাজিক বিচার-আচার কমিয়ে দিন। আইনের মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান হবে। পক্ষপাতমূলক বিচারের অভিযোগ উঠলে আমি কাউকেই রেহাই দেব না।”   সরাসরি অভিযোগ জানানোর আহ্বান: সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি ঘোষণা করেন যে, যদি তাঁর দলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা হয়রানির অভিযোগ থাকে, তবে যেন সরাসরি তাঁকে জানানো হয়। অভিযোগের সত্যতা ও প্রমাণ পেলে তিনি নিজেই বাদী হয়ে দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।   উন্নয়ন ও জনসেবা: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, “জনগণের সেবাই আমার মূল লক্ষ্য। এলাকার কোন কাজগুলো আগে করা প্রয়োজন, তা স্থানীয়দের সাথে আলোচনা করেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।”   বিজয় পরবর্তী এই অনুষ্ঠানে এস এম জাহাঙ্গীরের এমন কঠোর ও নীতিবান অবস্থান স্থানীয় সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এমন দায়িত্বশীল আচরণ দেশের সুস্থ রাজনৈতিক ধারাকে আরও মজবুত করবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
চাঁদাবাজি রুখতে ময়মনসিংহে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের মাইকিং, কুমিল্লায় অভিযোগ বাক্স স্থাপন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর এক দিনও সময় নষ্ট না করে নিজ নিজ এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ‘চাঁদাবাজি’র সংস্কৃতি চিরতরে নির্মূল করতে ব্যতিক্রমী সব উদ্যোগ নিয়েছেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য। ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) এবং কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছে।   গফরগাঁওয়ে মাইকিং ও কঠোর হুশিয়ারি: ময়মনসিংহ-১০ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানের পক্ষ থেকে পুরো উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভয় দিয়ে বলা হয়েছে, কেউ যদি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কোনো ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করে, তবে তাকে তৎক্ষণাৎ ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে। আক্তারুজ্জামান তাঁর ফেসবুক বার্তায় স্পষ্ট করেছেন, “বিশৃঙ্খলা ও অপরাধে জড়িতরা কোনোভাবেই দলের লোক হতে পারে না। অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী।” তিনি ‘দেশ আগে, দল পরে’ নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।   নাঙ্গলকোটে এমপির ‘অভিযোগ বাক্স’: এদিকে কুমিল্লা-১০ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া চাঁদাবাজি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড রুখতে এক অভিনব পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি নাঙ্গলকোট বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ ‘অভিযোগ বাক্স’ স্থাপন করেছেন। এই বাক্সে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধেও যদি চাঁদাবাজির অভিযোগ থাকে, তবে যে কেউ পরিচয় গোপন রেখে তা জমা দিতে পারবেন।   বিশেষভাবে তৈরি করা এই স্টিলের বাক্সগুলোর চাবি থাকবে সরাসরি সংসদ সদস্যের হাতে। তিনি নিজেই সেগুলো নিয়মিত পরীক্ষা করবেন এবং প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেবেন। মোবাশ্বের আলম বলেন, “জনগণ আমাকে পাহারাদার হিসেবে নির্বাচিত করেছে। আমার দলের কেউ অপরাধ করলে আমি তার প্রতি আরও বেশি কঠোর হব। সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।”   নতুন বাংলাদেশের এই বদলে যাওয়া রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁরা মনে করছেন, নেতাদের এমন দায়িত্বশীল ভূমিকা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকলে দেশ থেকে অপরাজনীতি দূর করা সম্ভব হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ড. ইউনূস যেদিন লন্ডনে যান, সেদিনই ভোটের ফল চূড়ান্ত হয়ে যায়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নজিরবিহীন কারচুপি, সূক্ষ্ম ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং নির্বাচন পরবর্তী দেশব্যাপী সহিংসতার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যজোট। জোটের নেতাদের দাবি, ২০২৬ সালের এই নির্বাচন মূলত একটি ‘ম্যানেজ ভোট’ ছিল, যেখানে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে জনগণের প্রকৃত রায় ছিনতাই করা হয়েছে।   সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে জোটের শীর্ষ নেতারা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাব হয়ে শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।   সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, "সারাদিন একটি সন্দেহপূর্ণ ভোটের পরিবেশ বজায় রেখে সন্ধ্যার পর সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে টার্গেট করা প্রার্থীদের বিজয়ী হতে বাধা দেওয়া হয়েছে। ডিপ স্টেট এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রশাসনকে নগ্নভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।" তিনি ঢাকা-১৩ আসনসহ সারা দেশের অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।   জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় গোটা জাতি আজ স্তম্ভিত। ম্যানিপুলেশন করে বিজয়ী হয়েও আপনারা জনগণের ওপর হামলে পড়েছেন। খুন, অগ্নিসংযোগ আর মা-বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন আমাদের পুনরায় ফ্যাসিবাদের অন্ধকার দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।" তিনি নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত অভিযোগগুলো টালবাহানা না করে অবিলম্বে নিষ্পত্তির আল্টিমেটাম দেন।   জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বলেন, "আমরা ভোট ডাকাতদের মুখোশ জনগণের সামনে উন্মোচন করেছি। সংসদে আজ যারা বসেছেন, তারা জনগণের রায় নিয়ে নয়, বরং ডাকাতি করে গেছেন। আমরা রাজপথ ছাড়ব না; ইঞ্চি ইঞ্চি করে এই জুলুমের হিসাব বুঝে নেওয়া হবে।"   এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বর্তমান নির্বাচনকে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের মতোই কলঙ্কিত হিসেবে অভিহিত করেন। রাশেদ প্রধান বলেন, "লন্ডন থেকে এসে প্রশাসন ও সরকারকে ম্যানেজ করে এই 'ম্যানেজ ভোটের' আয়োজন করা হয়েছে।" অন্যদিকে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে বিএনপির বিশেষ আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের ফলেই এই ফলাফল তৈরি করা হয়েছে।   সমাবেশে উপস্থিত নেতারা বিএনপিকে ‘ভুল পথ’ ছেড়ে সঠিক ও গণতান্ত্রিক ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান। অন্যথায় ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে পুনরায় ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের মতো কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
শপথের পর সংসদীয় দলের প্রথম সভা ডেকেছে বিএনপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সংসদ ভবনে দলের প্রথম সংসদীয় সভা ডেকেছে বিএনপি। এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সংসদ নেতা নির্বাচন করা হবে।   বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সোমবার বিকেলে গণমাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত ২৯৭ জন সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করবেন। শপথ গ্রহণের পরপরই বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনে বিএনপির সংসদীয় দলের সভা বসবে। তিনি জানান, সভায় সংসদ নেতা নির্বাচিত হবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।   এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় অর্জনের পর শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন ২৯৭টি আসনের বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্যরা তাদের নেতা নির্বাচন করেন, যিনি পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের দাবি জানান।   সংসদ সদস্যদের শপথ ও সংসদীয় দলের সভার পর বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভাকে শপথ পাঠ করাবেন। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি ১২০০ অতিথির জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।   দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক লড়াইয়ের পর এটি বিএনপির সংসদীয় ও প্রশাসনিক যাত্রার প্রথম আনুষ্ঠানিক ধাপ। নতুন সংসদ নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে এক নতুন গণতান্ত্রিক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়
ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে এক হৃদ্যতাপূর্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই অভিনন্দন ও সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।   অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও ফেনী-১ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর হাসান রবিন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিএনপি চেয়ারম্যানকে ফুলেল তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং ঐতিহাসিক এই বিজয়ে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।   সাক্ষাৎকালে মহানগর নেতারা উল্লেখ করেন যে, তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় ঐক্য ও সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামোর কারণেই এই বিশাল বিজয় সম্ভব হয়েছে। তাঁরা আগামী দিনে জনগণের প্রতিটি প্রত্যাশা পূরণে এবং রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ডে সংগঠনের ভিত্তি আরও মজবুত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।   তারেক রহমান নেতাকর্মীদের এই ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বিজয় আমাদের দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সময় দেশকে সুসংগঠিত করার এবং প্রতিটি মানুষের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করার। দেশ পুনর্গঠনের এই মহৎ কাজে সবাইকে সমন্বিতভাবে এবং সক্রিয়ভাবে রাজপথে থাকতে হবে।”   নির্বাচন পরবর্তী এই সাক্ষাতের মাধ্যমে রাজধানীর রাজনীতিতে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি হাই কমান্ডের এই সরাসরি দিকনির্দেশনা আগামী দিনে দলটিকে আরও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন তৃণমূলের কর্মীরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন রিজভী

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ছাড়পত্র প্রদান করে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা।   রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার জানান, প্রচণ্ড জ্বর, ঠাণ্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে গত সপ্তাহে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন।   মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর রিজভীর শরীরে এখন আর কোনো জ্বর নেই এবং তাঁর শ্বাসকষ্টের সমস্যাও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট সন্তোষজনক হওয়ায় তাঁকে সোমবার দুপুরে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে পুরোপুরি সুস্থ হতে তাঁকে আরও কিছুদিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।   তাঁর অসুস্থতার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। প্রিয় নেতার সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরার সংবাদে নেতা-কর্মীদের মাঝে এখন স্বস্তি ও আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বাংলাদেশ–ভারতের সম্পর্ক কোনো একটি ইস্যুতে ‘জিম্মি’ হওয়া উচিত নয়: দ্য হিন্দুকে ফখরুল

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সুদীর্ঘ সম্পর্ক কেবল একটি নির্দিষ্ট ইস্যু বা ব্যক্তির কারণে ‘জিম্মি’ হওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগামীকাল মঙ্গলবার বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের মাহেন্দ্রক্ষণে আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।   মির্জা ফখরুল স্পষ্ট করে জানান, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করলেও সেটি দুই দেশের মধ্যে বিস্তৃত বাণিজ্য, অর্থনীতি ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোনো বড় ‘বাধা’ হবে না। তিনি বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি শেখ হাসিনা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন এবং দেশের জনগণের মধ্যে তাকে বিচারের মুখোমুখি করার জোরালো দাবি রয়েছে। আমরা মনে করি ভারতের উচিত তাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা। তবে ভারত যদি তাকে ফেরত না-ও দেয়, তবুও আমরা বৃহত্তর স্বার্থে দিল্লির সাথে আরও উন্নত ও গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।”   সম্পর্কের জটিলতাগুলো ছাপিয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে ফখরুল বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে হাজারো মতপার্থক্য থাকলেও তারা অর্থনৈতিক প্রয়োজনে একে অপরের সাথে কাজ করছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রেও আমাদের একটি মাত্র ইস্যুতে আটকে থাকা চলবে না।” তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদাহরণ টেনে বলেন, ৭৫-পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থানকালেও জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কোচিত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দিল্লি সফর করেছিলেন এবং ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। বিএনপি সেই একই প্রজ্ঞাবান ও ভারসাম্যপূর্ণ নীতিতে বিশ্বাসী।   পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে মির্জা ফখরুল জানান, আগামী বছর গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন এবং ফারাক্কার পানির বিষয়টি তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার হবে। একই সাথে সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয়ে ভারতের সঙ্গে জোরালো আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। যারা অহেতুক যুদ্ধের উস্কানি দেয়, তাদের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ভারতের সাথে আমরা যুদ্ধ করতে পারি না। আমাদের আলোচনার টেবিলে কথা বলতে হবে।”   বেকারত্ব দূরীকরণ এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে ভারতের কারিগরি সম্পদের সহায়তা চান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, “আমাদের বিপুল সংখ্যক তরুণকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে ভারতের সহযোগিতা দরকার, যাতে তারা বিশ্ববাজারে কর্মসংস্থান পেতে পারে।” এছাড়া বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের বোঝা সামলাতে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প পুনর্বিবেচনা করা হবে এবং কেবল দেশের স্বার্থ রক্ষা করে এমন প্রকল্পগুলোই চালু রাখা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।   সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি ইতিমধ্যে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং বিএনপির ‘৩১ দফা’ কর্মসূচির ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
তারেক রহমান ও আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী
হেফাজত আমিরকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ তারেক রহমানের

আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পরবর্তী নতুন সরকারের ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এই মহা-আয়োজনকে সামনে রেখে দেশের শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ শুরু করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।   আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে ফোন করেন তারেক রহমান। টেলিফোনে আলাপকালে তিনি আমিরে হেফাজতকে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানান। আল্লামা বাবুনগরীর ঘনিষ্ঠ সূত্র এই আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।   নতুন বাংলাদেশের পথচলায় ধর্মীয় মূল্যবোধ ও জাতীয় সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরতেই তারেক রহমানের এই উদ্যোগ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এখানেই শেষ নয়, আজ সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম-এর বাসভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাতে যাওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যানের। সেখানে দুই নেতার মধ্যে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগামীর রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   উল্লেখ্য, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিআইসি)। এরপর বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। রাষ্ট্র ও ধর্মের সেতুবন্ধন রচনার এই ইঙ্গিতপূর্ণ পদক্ষেপগুলো শপথের আগেই দেশজুড়ে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
তরুণ নাকি অভিজ্ঞ— মন্ত্রিসভায় কারা পাচ্ছেন অগ্রাধিকার?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে সর্বোচ্চ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এটি এখন নিশ্চিত যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরঙ্কুশ এই বিজয়ের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হচ্ছেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। তবে সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন— কেমন হতে যাচ্ছে তাঁর নতুন মন্ত্রিসভার অবয়ব এবং সেখানে কারা স্থান পাচ্ছেন?   বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারেক রহমানের প্রথম মন্ত্রিসভা গঠিত হচ্ছে অভিজ্ঞ প্রবীণ এবং উদ্যমী নবীনদের এক অনন্য সমন্বয়ে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মন্ত্রিসভায় সফলভাবে দায়িত্ব পালন করা জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি এবার গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে একঝাঁক নতুন ও মেধাবী মুখকে। পাশাপাশি অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন ঘটাতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী প্রতিনিধিদেরও রাখা হবে আগামীর এই ‘টিম বাংলাদেশ’-এ।   সম্ভাব্য তালিকায় যারা এগিয়ে: দলের ভেতরে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। এছাড়া অভিজ্ঞ নজরুল ইসলাম খান এবং সেলিমা রহমানকে টেকনোক্র্যাট কোটায় দেখা যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।   নতুন ও তরুণ মুখ: তারেক রহমান তাঁর মন্ত্রিসভায় তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগাতে চান। সেই তালিকায় শামা ওবায়েদ, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মতো প্রতিশ্রুতিশীল নেতাদের নাম উঠে আসছে। পাশাপাশি দলের জন্য ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত রুহুল কবির রিজভী, হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং মওদুদ আলমগীর পাভেলকেও মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা যেতে পারে।   জাতীয় সরকারের প্রতিশ্রুতি ও শরিক দল: বিএনপি তাদের পূর্বঘোষিত ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে শরিক ও যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদেরও মূল্যায়নের কথা ভাবছে। গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুরের মন্ত্রিসভায় থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া আন্দালিব রহমান পার্থ, ববি হাজ্জাজ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়াকেও নতুন সরকারে দেখা যেতে পারে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই মন্ত্রিসভা হবে মূলত ‘পারফরম্যান্স বেইজড’। ক্ষমতা ভাগাভাগির চেয়েও ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রশাসনিক সংস্কারকে সফল করতে যোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যক্তিদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। আজ সোমবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই তালিকার বিষয়ে চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা আসবে বলে জানা গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
পলাশবাড়ীতে দুর্বৃত্তের হামলায় যুবদল কর্মী গুরুতর আহত

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন পরবর্তী রেশ কাটতে না কাটতেই গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এক নৃশংস রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। একদল অজ্ঞাত দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন উপজেলা যুবদলের সক্রিয় কর্মী কাকন (৩৫)। গত রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ বাজার এলাকায় এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়।   আহত কাকন বরিশাল ইউনিয়নের দূর্বলাগাড়ী গ্রামের মিরু মণ্ডলের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কাকন জুনদহ বাজারে অবস্থান করার সময় ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। পৈশাচিক এই হামলায় কাকনের হাতের একটি আঙুল শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর জখম সৃষ্টি হয়েছে এবং তাঁর দুটি পা-ই ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হামলা শেষে আতঙ্ক ছড়িয়ে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।   স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় কাকনকে উদ্ধার করে দ্রুত পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।   পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ খবর পাওয়ার পরপরই সক্রিয় হয়েছে। হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং এ ঘটনায় থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।   নির্বাচন পরবর্তী এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে বহিষ্কৃত ইউনিয়ন যুবদলের দুই নেতা
চাঁদা না পেয়ে চিকিৎসককে মারধর, দুই যুবদল নেতা বহিষ্কার

বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলায় এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি এবং না পেয়ে তাঁকে মারধরের অভিযোগে ইউনিয়ন যুবদলের দুই শীর্ষ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি (রোববার) যুবদলের কেন্দ্রীয় দপ্তরের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।   বহিষ্কৃত নেতারা হলেন— বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক। যুবদলের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, আদর্শ ও সংহতি বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সাথে, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।   ঘটনার প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, সম্প্রতি বাইশারী বাজারের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বিভাস ঋষির কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেছিলেন এই দুই নেতা। গত শুক্রবার চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই চিকিৎসকের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। হামলার একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি নজরে আসার পরপরই কেন্দ্রীয় যুবদল তদন্ত সাপেক্ষে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।   বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দল কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় নেবে না। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হলো যে— জনস্বার্থবিরোধী কোনো কাজে জড়ালে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
দুর্বৃত্তের হামলায় পিরোজপুরে বিএনপির দুই নেতা গুরুতর জখম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই পিরোজপুরে এক নৃশংস রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় একদল দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন বিএনপির দুই প্রভাবশালী নেতা। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে এই বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়।   আহতরা হলেন পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মল্লিক নাছির এবং তাঁর ভাতিজা ও শংকরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু। উল্লেখ্য, আহত নাছির সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।   আহত রিয়াজ উদ্দিনের ভাষ্যমতে, রোববার রাতে কাজ শেষে তাঁরা দুজন একই মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে আসা একদল অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি তাঁদের গতিরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।   স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাজিব পাইক জানান, দুজনের শরীরেই গভীর জখম রয়েছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।   এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন জাহান হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সাথে কথা বলেছেন। তিনি জানান, পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ামাত্রই কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।   নির্বাচন পরবর্তী এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মনে নতুন করে ভয়ের সঞ্চার হয়েছে। সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির পথে এ ধরণের অন্তরায় রুখতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় আলোচনায় যেসব নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এখন পুরো জাতির নজর নতুন সরকারের গঠন প্রক্রিয়ার দিকে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে যাওয়া তারেক রহমান তাঁর মন্ত্রিসভায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যেখানে অভিজ্ঞ প্রবীণদের পাশাপাশি প্রাধান্য পাবেন একঝাঁক মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির তরুণ নেতা।   দলীয় সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান একটি ‘কার্যকর ও বার্তাবাহী’ মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্যে প্রতিদিন গুলশান কার্যালয়ে নীতিনির্ধারক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা করছেন। এবারের সরকারের মূল লক্ষ্য হবে ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, প্রশাসনিক সংস্কার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। তাই ক্ষমতার ভারসাম্যের চেয়ে ব্যক্তিগত দক্ষতা ও জনমুখী ভাবমূর্তিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।   অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের মেলবন্ধন: মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতাদের। অর্থ, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র এবং স্থানীয় সরকারের মতো নীতি-নির্ধারণী দপ্তরগুলোতে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদেরও অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।   তরুণ ও নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় যারা: মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ও জনপ্রিয় তরুণ নেতাদের মধ্যে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, শামা ওবায়েদ, ড. রেজা কিবরিয়া, সাঈদ আল নোমান এবং খন্দকার আবু আশফাকদের নাম জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। এছাড়া বিশেষজ্ঞ ও টেকনোক্র্যাট কোটায় ড. হুমায়ুন কবির, ড. মাহদী আমিন, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম এবং সাবেক ফুটবল তারকা আমিনুল ইসলামের মতো মেধাবীরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসতে পারেন।   প্রবীণ ও নীতিনির্ধারক পর্যায়ে যারা: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে রাষ্ট্রপতি বা উপ-রাষ্ট্রপতির মতো উচ্চতর কোনো পদে দেখা যেতে পারে। এছাড়া ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের মতো অভিজ্ঞ নেতাদের নেতৃত্বে পুরোনো ও নতুনের এক ভারসাম্যপূর্ণ টিম গঠনের কাজ চলছে।   জাতীয় সরকারের প্রতিশ্রুতি ও শরিকদের অবস্থান: নির্বাচনের আগেই বিএনপি ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার প্রতিফলন দেখা যাবে এবারের মন্ত্রিসভায়। দীর্ঘদিনের আন্দোলনে রাজপথের সাথী হওয়া মিত্রদের মধ্য থেকে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, নুরুল হক নুর, জোনায়েদ সাকি এবং ববি হাজ্জাজদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। এছাড়া মোস্তফা জামাল হায়দার ও মাহমুদুর রহমান মান্নাকেও টেকনোক্র্যাট কোটায় দেখা যেতে পারে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই ‘টিম বাংলাদেশ’ হবে আগামীর সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। তবে চূড়ান্ত তালিকায় কারা স্থান পাচ্ছেন, তা জানতে দেশবাসীকে মঙ্গলবারের শপথ অনুষ্ঠান পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ যুবদল নেতা জুয়েলের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ লক্ষ্য করা গেছে রাজধানীর গুলশান এলাকায়। নির্বাচনের মাত্র দুই দিন পরই রাজপথ থেকে নির্বাচনী প্রচারণামূলক ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার অপসারণের কাজ শুরু করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল।   রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গুলশান ও বনানী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিজ উদ্যোগে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন তিনি। পরিবেশদূষণ রোধ এবং পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ লাঘব করতেই এই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান এই যুবনেতা।   অভিযান চলাকালে শরীফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, “আমরা শুধু রাজনীতি করি না, আমরা এই মাটির সন্তান। একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে বিএনপি সবসময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনের প্রচারণার জন্য আমরা যেসব সামগ্রী ব্যবহার করেছিলাম, সেগুলো এখন সরিয়ে ফেলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই না আমাদের কারণে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হোক বা সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটুক।”   তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এটি কোনো সাময়িক লোকদেখানো কাজ নয়; ইতিপূর্বেও বড় কোনো রাজনৈতিক সমাবেশের পর বিএনপি একইভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে। নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর উদাত্ত আহ্বান— নিজ নিজ এলাকার সৌন্দর্য রক্ষায় সবাই যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিজ উদ্যোগে প্রচারসামগ্রী অপসারণ করেন।   উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান। নির্বাচনের পর রাজপথের এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বিষয়টিকে ‘নতুন বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
৬০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে প্রথম এমপি হলেন গয়েশ্বর

বাংলাদেশের রাজনীতির এক জীবন্ত কিংবদন্তি এবং বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তাঁর ৬০ বছরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ শাহিনুর ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।   গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই জয় কেবল একটি আসনের বিজয় নয়, বরং এটি দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও ত্যাগের এক অনন্য উদাহরণ। এর আগে ২০০৮ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি একই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আওয়ামী লীগ সরকারের ভোট জালিয়াতি ও প্রতিকূল পরিবেশের কারণে জয়ের স্বাদ পাননি। তবে এবার জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত রায়ে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল স্রোতে নাম লেখালেন।   ১৯৫১ সালে কেরানীগঞ্জের মির্জাপুর রায় পরিবারে জন্ম নেওয়া এই নেতার রাজনীতি শুরু হয়েছিল ১৯৬৬ সালে, যখন তিনি ছিলেন স্কুলের ছাত্র। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণ করা এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭৮ সালে জাতীয়তাবাদী যুবদলে যোগদানের মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। দীর্ঘ ১৫ বছর (১৯৮৭-২০০২) তিনি যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় পরিবেশ ও বন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন।   ব্যক্তিগত জীবনে আদর্শবাদী এই নেতা এক আলাপচারিতায় জানিয়েছেন, রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি কখনোই পদের পেছনে ছোটেননি কিংবা দলের কাছে কখনো নমিনেশন চাননি। দল যখনই তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছে, তিনি তা সাহসিকতার সাথে পালন করেছেন। এবার তাঁর জয়ের পাশাপাশি এক অনন্য পারিবারিক ইতিহাসও রচিত হয়েছে। একদিকে তিনি নিজে বিজয়ী হয়েছেন, অন্যদিকে তাঁর বেয়াই ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরা-২ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।   গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মতে, তাঁর মূল লক্ষ্য কখনোই ক্ষমতা ছিল না, বরং একজন ‘ভালো রাজনীতিবিদ’ হওয়া। দীর্ঘ ছয় দশকের লড়াই শেষে তাঁর এই বিজয় নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান
জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমান

বাংলাদেশের রাজনীতির দুই শীর্ষ মেরুর মধ্যে এক ঐতিহাসিক বৈঠকের সূচনা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবন ও কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচনের নিরঙ্কুশ জয়ের পর দুই নেতার এই সরাসরি সাক্ষাৎকে আগামীর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।   তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে জামায়াত আমিরের বাসভবন এলাকায় এক অন্যরকম উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সেখানে দুই দলেরই বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক সমবেত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।   উল্লেখ্য, গতকাল শনিবারই বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছিল যে— বিএনপি প্রধান তারেক রহমান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করবেন। আজ জামায়াত আমিরের সাথে এই বৈঠকের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামো এবং জাতীয় ঐক্যের এক জোরালো বার্তা ফুটে উঠছে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই নেতার এই একান্ত আলাপে দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং আগামী সরকারের গতিপথ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবিঃ বিএনপি মিডিয়া সেল
সরকারের আকার ছোট হচ্ছে, বিএনপি'র মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন কারা?

১২ ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর এখন রাষ্ট্র পরিচালনার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। এই মন্ত্রিসভার আকার, গঠন এবং সম্ভাব্য সদস্যদের নিয়ে দেশজুড়ে এখন টানটান উত্তেজনা ও কৌতূহল বিরাজ করছে।   ছোট হচ্ছে মন্ত্রিসভার আকার: বিএনপির নীতি-নির্ধারণী সূত্র থেকে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিশাল মন্ত্রিসভার বিপরীতে তারেক রহমান একটি ‘সংক্ষিপ্ত ও কর্মক্ষম’ সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছেন। বর্তমানের ৪৩টি মন্ত্রণালয় কমিয়ে ৩০-এর নিচে নামিয়ে আনা হতে পারে। মূলত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। এক্ষেত্রে একই ধরণের কাজ করা মন্ত্রণালয়গুলোকে একীভূত করা হতে পারে; যেমন— সড়ক পরিবহন ও রেলপথকে একই ছাতার নিচে আনার চিন্তা চলছে।   প্রবীণ ও নবীনের মেলবন্ধন: নতুন এই মন্ত্রিসভা গঠিত হতে যাচ্ছে অভিজ্ঞ রাজনীতিক এবং মেধাবী তরুণদের সমন্বয়ে। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব পেতে পারেন দলের প্রবীণ ও বিশ্বস্ত নেতারা। এই তালিকায় রয়েছেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং আব্দুল আউয়াল মিন্টু। অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হিসেবে একঝাঁক তরুণ নেতাকে দেখা যেতে পারে। আলোচনায় আছেন— শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং ইশরাক হোসেন। এছাড়া নারী নেতৃত্বে শামা ওবায়েদ এবং সেলিমা রহমানের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।   মিত্রদের মূল্যায়ন: বিএনপি এককভাবে সরকার গঠনের সুযোগ পেলেও রাজপথের লড়াইয়ে পাশে থাকা মিত্রদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হওয়া ববি হাজ্জাজ ও শাহদাত হোসেন সেলিম যেমন দৌড়ে আছেন, তেমনি নিজেদের প্রতীকে জয়ী হওয়া আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি), জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি আন্দোলন) এবং নুরুল হক নুর (গণ অধিকার পরিষদ) নতুন সরকারে ডাক পেতে পারেন।   শপথের মাহেন্দ্রক্ষণ ও বিশ্বনেতাদের আমন্ত্রণ: আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন সিইসি। এরপর বিকেলেই অনুষ্ঠিত হবে কাঙ্ক্ষিত মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।   তারেক রহমানের এই ‘টিম বাংলাদেশ’ ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। আগামী মঙ্গলবার বিকেলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কারা হচ্ছেন নতুন বাংলাদেশের নীতি-নির্ধারক।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
১৯ আসনের মধ্যে ১৮ টিতেই বিএনপি প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছেন
মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন শ্বশুরের এলাকার এমপিরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট বিভাগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র অভাবনীয় ও ঐতিহাসিক বিজয় হয়েছে। বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৮টিতেই ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয় অর্জন করেছেন। মা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের প্রথা মেনে দুই আউলিয়ার মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকেই নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই বিশাল জয়ের পর এখন সবার নজর—নতুন মন্ত্রিসভায় সিলেট থেকে কারা ঠাঁই পাচ্ছেন।   সিলেট শুধু বিএনপির শক্ত ঘাঁটিই নয়, বরং এটি তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়ির এলাকা। স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহলের মাঝে এখন ব্যাপক জল্পনা চলছে যে, ‘সিলেটি দামান্দ’ (জামাই) এবার তাঁর শ্বশুরবাড়ির এলাকাকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই নিয়ে ট্রল ও আলোচনার ঝড় উঠেছে; অনেকেই বলছেন—সিলেটের বর নিশ্চয়ই এবার উদার হস্তে দেবেন এলাকাবাসীকে।   সূত্রমতে, নতুন মন্ত্রিসভায় সিলেট বিভাগ থেকে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটায়ও সিলেটবাসী বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সিলেটের বেশ কয়েকজন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং দলের হাইকমান্ডের সাথে তাঁদের যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।   যাদের নিয়ে চলছে জোর আলোচনা: নতুন মন্ত্রিসভায় সিলেট বিভাগ থেকে সম্ভাব্য যাদের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তাঁরা হলেন— সিলেট-১ আসনের খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিলেট-৪ আসনের আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১ আসনের ড. রেজা কিবরিয়া, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন এবং মৌলভীবাজার-৩ আসনের জি কে গউছ।   এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় ৩ থেকে ৪ জন অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন— সিলেট-৫ আসনে নির্বাচনি জোটের অংশীদার জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, দলের চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। বিশেষ করে হুমায়ুন কবিরের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও তারেক রহমানের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার দক্ষতাকে বড় যোগ্যতা হিসেবে দেখছেন সমর্থকরা।   তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর। সিলেটের এই বিপুল জনসমর্থন এবং ভালোবাসার প্রতিদান তিনি কীভাবে দেন, তা দেখার অপেক্ষায় এখন পুরো সিলেটবাসী।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংস্কার করব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিজয়কে গণতন্ত্রের জন্য আত্মত্যাগকারী জনগণের প্রতি উৎসর্গ করেন এবং ঘোষণা দেন— "আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন।"   তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, "বিএনপি দেশের মানুষের জন্য ৩১ দফার যে রূপরেখা দিয়েছিল, আমরা তা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জুলাই সনদের অঙ্গীকারগুলোও আমরা পর্যায়ক্রমে পূরণ করব। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং অকার্যকর প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করাই হবে আমাদের নতুন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।"   সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানান, "আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হবে 'বাংলাদেশ ফার্স্ট'। দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ বজায় রেখে আমরা বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখব।" এছাড়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে সার্ক (SAARC) পুনরুজ্জীবনের বিষয়েও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।   ভোট পরবর্তী সহিংসতা রোধে তাঁর কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, "নির্বাচনে হার-জিত থাকবেই, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না। আইনের শাসন সবার জন্য সমান। আমি সারা দেশে আমাদের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছি। আমরা বিজয় মিছিল না করে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে এই জয় উদযাপন করেছি।"   নির্বাচনে ২০০-এর বেশি আসন পাওয়ার নেপথ্যে কোনো ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছিল কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে বলেন, "জনগণকে কনভিন্স করা এবং তাঁদের আস্থায় নিয়ে আসাটাই ছিল আমাদের একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনে সফল হয়েছি।"   সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি জানান, এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার এবং সরকার এখানে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ ২০ বছর পর বিএনপির এই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন এবং তারেক রহমানের দায়িত্বশীল বক্তব্য আগামীর এক স্থিতিশীল ও মানবিক বাংলাদেশের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
তারেক রহমান
মানুষের স্বার্থ ঠিক রেখে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি ঠিক করবো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব গণমাধ্যমের সামনে হাজির হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা ও তাঁর সরকারের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন।   পররাষ্ট্রনীতি: সবার সাথে বন্ধুত্ব, স্বার্থ বাংলাদেশের বিদেশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, তাঁর সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হবে ‘বাংলাদেশের স্বার্থ’। তিনি বলেন, "বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ বজায় রেখে আমরা বিশ্বের প্রতিটি দেশের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখব।" এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিষয়টিকে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে বলেন, বিএনপি ‘মাল্টিলেটারালিজম’ বা বহুপাক্ষিকতায় বিশ্বাসী। কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকেন্দ্রিক নীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমস্বার্থ এবং বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনই হবে আগামীর পথচলা।   আসল ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছিল জনগণ নির্বাচনে ২০০-এর বেশি আসন পাওয়ার পেছনে কোনো ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছিল কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন, "জনগণকে কনভিন্স করা এবং তাঁদের পক্ষে নিয়ে আসাটাই ছিল আমাদের একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা জনগণকে আমাদের আস্থায় নিতে সফল হয়েছি। যেকোনো বড় লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন এবং কষ্টের, আমরা সেই কঠিন পথ পাড়ি দিয়েই আজকের এই বিজয় ছিনিয়ে এনেছি।"   সুশাসন ও চ্যালেঞ্জসমূহ নতুন সরকারের সামনে থাকা বড় চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে তারেক রহমান বলেন, "ভঙ্গুর অর্থনীতি সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রথম কাজ। গত দেড় দশকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে, তা ভেঙে আমরা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং স্বাধীন হিসেবে দেখতে চাই।"   সার্ক সক্রিয়করণ ও পাচারকৃত অর্থ ফেরত আঞ্চলিক রাজনীতির বিষয়ে তিনি জানান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে গঠিত সার্ককে তিনি আবারও সক্রিয় করতে চান। এছাড়া বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং লুটপাট বন্ধে দলের ‘গণতান্ত্রিক অর্থনীতি’র রূপরেখা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি, যেখানে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাই ব্যবসা-বাণিজ্য করার সমান সুযোগ পাবেন।   আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এটি সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। এছাড়া আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই সবকিছু নির্ধারিত হবে। আমরা বিশ্বাস করি, আইন সবার জন্য সমান এবং আইন যাতে তার নিজস্ব গতিতে চলে আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করব।"   সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যের শুরুতে এই বিশাল বিজয়ের জন্য দেশবাসীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানান এবং নতুন বাংলাদেশের জয়যাত্রায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Top week

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা
রাজনীতি

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

নুরুল্লাহ সাইদ ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0