স্বাস্থ্য

রোজায় ক্লান্তি দূর করতে ইফতারে পান করুন স্বাস্থ্যকর গুড়ের শরবত

তাবাস্সুম মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি।
ফাইল ছবি।

পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘদিনের ক্লান্তি ও তৃষ্ণা মেটাতে গুড়ের শরবত একটি অত্যন্ত কার্যকরী ও প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক। এটি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গুড় একটি প্রাকৃতিক মিষ্টি হওয়ায় এটি সাধারণ চিনির তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। ইফতারে এই শরবত পান করলে সারাদিনের অবসাদ দূর হয়ে মন ও শরীর সতেজ হয়ে ওঠে।

 

গুড়ের শরবত তৈরির প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ। প্রথমে এক কাপ গুড় পরিমাণমতো পানিতে ২০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। গুড় সম্পূর্ণ গলে গেলে পানিটি ভালো করে ছেঁকে নিতে হবে। এরপর আলাদা পাত্রে তোকমা দানা ভিজিয়ে রাখতে হবে। একটি জগে গুড়ের পানির সঙ্গে ভেজানো তোকমা দানা এবং দুই-তিন টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্বাস্থ্যকর এই পানীয়।

 

শরবতটির স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বাড়াতে এতে পুদিনাপাতা এবং লেবুর টুকরো যোগ করা যেতে পারে। এছাড়া স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে সামান্য আদা গুঁড়ো ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে পরিবেশন করা যায়। স্বাস্থ্য সচেতন রোজাদারদের জন্য ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এই শরবতটি কৃত্রিম পানীয়র চমৎকার বিকল্প হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

স্বাস্থ্য

View more
ফাইল ছবি।
রোজায় ক্লান্তি দূর করতে ইফতারে পান করুন স্বাস্থ্যকর গুড়ের শরবত

পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘদিনের ক্লান্তি ও তৃষ্ণা মেটাতে গুড়ের শরবত একটি অত্যন্ত কার্যকরী ও প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক। এটি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গুড় একটি প্রাকৃতিক মিষ্টি হওয়ায় এটি সাধারণ চিনির তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। ইফতারে এই শরবত পান করলে সারাদিনের অবসাদ দূর হয়ে মন ও শরীর সতেজ হয়ে ওঠে।   গুড়ের শরবত তৈরির প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ। প্রথমে এক কাপ গুড় পরিমাণমতো পানিতে ২০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। গুড় সম্পূর্ণ গলে গেলে পানিটি ভালো করে ছেঁকে নিতে হবে। এরপর আলাদা পাত্রে তোকমা দানা ভিজিয়ে রাখতে হবে। একটি জগে গুড়ের পানির সঙ্গে ভেজানো তোকমা দানা এবং দুই-তিন টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে স্বাস্থ্যকর এই পানীয়।   শরবতটির স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বাড়াতে এতে পুদিনাপাতা এবং লেবুর টুকরো যোগ করা যেতে পারে। এছাড়া স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে সামান্য আদা গুঁড়ো ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে পরিবেশন করা যায়। স্বাস্থ্য সচেতন রোজাদারদের জন্য ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এই শরবতটি কৃত্রিম পানীয়র চমৎকার বিকল্প হতে পারে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
বিভিন্ন ধরনের খাবার । ফাইল ছবি: সংগৃহীত

ইফতারে খালি পেটে যে ৩ খাবার খেলেই হতে পারে বিপদ

ছবি: সংগৃহীত

ভোলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য লিগ্যাল নোটিশ

সেহরিতে জেগে ওঠার পন্থা

সেহরিতে ওঠা সহজ করতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অভ্যাস

ছবি: সংগৃহীত
ইফতারের পর মাথাব্যথা কেন হয়? জানুন ঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায়

রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় বা তার পর অনেকেই মাথাব্যথায় ভোগেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং হেডেক’ বা উপবাসজনিত মাথাব্যথা। সাধারণত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা, পানিশূন্যতা এবং হঠাৎ ক্যাফেইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়।   বিশেষজ্ঞদের মতে, টানা আট ঘণ্টা বা তার বেশি সময় উপবাসে থাকলে রক্তে শর্করার ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়, যা মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। পাশাপাশি যাঁরা নিয়মিত চা বা কফি পান করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে রোজার সময় হঠাৎ ক্যাফেইন গ্রহণ বন্ধ হলে মাথাব্যথার প্রবণতা বেড়ে যায়। পানিশূন্যতা এবং মানসিক চাপও এ সমস্যাকে তীব্র করে তুলতে পারে।   উপবাসজনিত মাথাব্যথা সাধারণত মৃদু থেকে মাঝারি তীব্রতার হয় এবং কপালজুড়ে অনুভূত হয়। এটি সাধারণ মাইগ্রেনের মতো দপদপে ব্যথা সৃষ্টি না করলেও, যাঁদের মাইগ্রেনের ইতিহাস রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে রোজা রাখা এই ব্যথাকে উসকে দিতে পারে। খাবার গ্রহণের পর অধিকাংশ ক্ষেত্রে কয়েক দিনের মধ্যেই এই সমস্যা কমে যায়।   চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, ইফতারের পর মাথাব্যথা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করা, সেহরিতে সুষম খাবার গ্রহণ, ধীরে ধীরে ক্যাফেইন কমানো, নিয়মিত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। সেহরি বাদ না দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা, কারণ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা মাথাব্যথার ঝুঁকি বাড়ায়।   তবে মাথাব্যথার সঙ্গে ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, তীব্র বমি, কথা জড়িয়ে যাওয়া, জ্বর, শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে যাওয়া বা দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।   প্রতিবেদকঃ সিদ্দিকুর রহমান

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল

নরসিংদীতে নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনে নজর দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চিকিৎসাসেবা পৌঁছাবে মানুষের দুয়ারে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চিকিৎসাসেবা পৌঁছাবে মানুষের দুয়ারে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্লিপ ব্যাংকিং ।  ছবি: সংগৃহীত

ঘুম ভবিষ্যতের জন্য জমা রাখা সম্ভব? বিজ্ঞান বলছে

সংগৃহীত
ফোন স্ক্রলিংয়ের নেশা থেকে মুক্তির উপায়

স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজ, যোগাযোগ, বিনোদন সবকিছুই এক ডিভাইসের ভেতরে। কিন্তু এই সুবিধার আড়ালেই ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে এক নীরব আসক্তি, অকারণে ফোন স্ক্রলিং।প্রয়োজন না থাকলেও বারবার মোবাইল ফোন হাতে নেওয়া, সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক ভিডিও বা পোস্ট দেখা, সময়ের হিসাব না থাকা এই অভ্যাস এখন অনেকের জীবনযাপনের অংশ হয়ে গেছে। এর প্রভাব পড়ছে মনোযোগ, মানসিক স্বাস্থ্য ও সম্পর্কের ওপর। মোবাইল ফোন স্ক্রলিংয়ের নেশা মূলত মস্তিষ্কের ডোপামিনের সঙ্গে জড়িত। নতুন নোটিফিকেশন, লাইক বা ভিডিও মস্তিষ্কে ক্ষণিকের আনন্দ তৈরি করে। সেই আনন্দ বারবার পাওয়ার আশায় মানুষ অজান্তেই ফোনের দিকে হাত বাড়ায়। ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে এবং বাস্তব জীবনের ছোট আনন্দগুলো আর ততটা আকর্ষণীয় মনে হয় না। ফলে কাজের ফাঁকে, পড়ার সময়, এমনকি পরিবারের সঙ্গে বসেও ফোন স্ক্রলিং চলতেই থাকে। এই অভ্যাস থেকে মুক্তির প্রথম ধাপ হলো নিজের সমস্যাটি স্বীকার করা। অনেকেই বলেন, ‘আমি তো সময় পেলেই ফোন দেখি’—কিন্তু সময় পাওয়ার বদলে ফোন দেখতেই মূলত সময় তৈরি হয়ে যায়।   দিনে কতক্ষণ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন, কোন অ্যাপে সবচেয়ে বেশি সময় যাচ্ছে এই হিসাব রাখা খুব জরুরি। এজন্য স্ক্রিন টাইম বা ডিজিটাল ওয়েলবিইং ফিচার ব্যবহার করে নিজের অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হওয়া যেতে পারে।   মোবাইল ফোন স্ক্রলিং কমানোর একটি কার্যকর উপায় হলো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা। সারাদিন এলোমেলোভাবে ফোন ব্যবহারের বদলে ঠিক করে নেওয়া যেতে পারে দিনে কখন সোশ্যাল মিডিয়া দেখবেন, কতক্ষণ দেখবেন।   ঘুমানোর আগে অন্তত এক ঘণ্টা ফোন ব্যবহার না করার অভ্যাস গড়ে তুললে ঘুমের মানও ভালো হয়, মনও শান্ত থাকে।   নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিলে বারবার ফোন ধরার প্রবণতা কমে যায়। ফোনকে সব সময় চোখের সামনে না রেখে ব্যাগে বা অন্য ঘরে রেখে কাজ করার চেষ্টা করা যেতে পারে। ছোট এই পরিবর্তনগুলোই বড় প্রভাব ফেলতে পারে।   মোবাইল ফোন স্ক্রলিংয়ের জায়গায় বিকল্প অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি। অবসর সময়ে বই পড়া, গান শোনা, হাঁটতে বের হওয়া, ডায়েরি লেখা বা পরিবারের সঙ্গে কথা বলার মতো অভ্যাস মনকে ধীরে ধীরে ফোন থেকে দূরে সরিয়ে আনে। শুরুতে ফোনের প্রতি টান থাকলেও ধীরে ধীরে বাস্তব জীবনের এই কাজগুলোই আনন্দের উৎস হয়ে উঠতে পারে।   সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের সঙ্গে ধৈর্য রাখা। হঠাৎ করে মোবাইল ফোন ব্যবহার একেবারে বন্ধ করা সম্ভব নয়, আবার সেটি প্রয়োজনও নেই। লক্ষ্য হওয়া উচিত নিয়ন্ত্রণ। মোবাইল ফোন যেন আমাদের ব্যবহার করে না, বরং আমরা যেন ফোন ব্যবহার করি—এই বোধ তৈরি করাই আসল মুক্তি।   ফোন স্ক্রলিংয়ের নেশা থেকে মুক্তি মানে প্রযুক্তিকে অস্বীকার করা নয়, বরং সচেতনভাবে ব্যবহার করা। সময়, মনোযোগ ও মানসিক শান্তি—এই তিনটি জিনিস ফেরত পেতেই আমাদের ফোনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তুলতে হবে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
ঔষধ

২৯৫ টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দেবে সরকার

0 Comments