জাতীয়

সময় বদলালে রাষ্ট্রপতির ভাষণও বদলায়

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর দিনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন । ছবি: পিআইডি
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর দিনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন । ছবি: পিআইডি

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তিন বছরের মধ্যে তিনটি ভিন্ন সরকারের সময় তিনি রাষ্ট্রপতি থাকলেও সরকারের স্বরূপ ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও তাদের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন।
 
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেয়া হয়। এর আগে তিনি জেলা ও দায়রা জজ, দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ও ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এ কারণে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ নিয়ে রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা হয়।
 
সংসদে তার ভাষণে উল্লেখিত হয়েছে, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক এবং বেগম খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণযোগ্য। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি একে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন এবং হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা উল্লেখ করেছেন।
 
রাজনৈতিক দৃশ্যপটের প্রতিফলন দেখা যায় যখন রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, জামায়াত ও এনসিপি সংসদে ভাষণ চলাকালীন সময়ে ওয়াকআউট করেছেন।
 
২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেছিলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনের সাফল্য নিশ্চিত করেছে এবং সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ যথার্থ ছিল। তৎকালীন বক্তব্যে তিনি ‘জয় বাংলা’ বলে বক্তৃতা শেষ করেছিলেন, এবার শেষ করেছেন ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বলে।
 
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণ সাধারণত সরকার বা মন্ত্রিসভার প্রস্তুতকৃত হয়। তবে এবারের সংসদে ভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে তার বক্তব্যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদধারীর নিজস্ব অবস্থানও প্রতিফলিত হয়েছে। বহু প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ও রাষ্ট্রের মৌলিক পরিবর্তন আশা, এ ভাষণকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
 
বিরোধী দল এনসিপি নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতির ভাষণের সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একদিকে রাষ্ট্রপতির সমর্থকরা নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে তার বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরছেন, অন্যদিকে সমালোচকরা তাকে বিভিন্ন পদে থাকা অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে সমালোচনা করেছেন।
 
সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও এটি এখনও সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতার অংশ। প্রশ্ন উঠে, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতির ভাষণ কি কেবল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে থাকবে নাকি সেখানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদধারীর নিজস্ব অবস্থান প্রতিফলিত হবে?

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

জাতীয়

View more
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতির ব্যাপারে মন্তব্য করতে চান না স্পিকার

নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদে ক্রিকেটের মতোই নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।   শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা জানান।   মেজর হাফিজ বলেন, “রাষ্ট্রপতির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তারা গতকাল তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। আশা করি জাতীয় সংসদে তারা শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন।”   তিনি আরও উল্লেখ করেন, “অনেক ত্যাগ এবং ধৈর্যের বিনিময়ে আমরা একটি গণতান্ত্রিক সংসদ পেয়েছি। আশা করি আগামী দিনগুলোতে জনগণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সক্ষম হব। একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”   সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় বিরোধী দলের ওয়াকআউট নিয়ে জানতে চাইলে স্পিকার বলেন, “সংসদে ওয়াকআউট একটি প্রচলিত রীতি। তারা মোটামুটি শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিলেন, তবে সংসদে স্লোগান দেওয়া ঠিক নয়, এটি সংসদের রেওয়াজের বাইরে।”   নিরপেক্ষ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, “সংসদে আমরা—স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার—নিরপেক্ষ থাকব। ক্রিকেট খেলায় যেমন আম্পায়ার থাকে, আমরা তেমনি নিরপেক্ষভাবে সংসদ পরিচালনা করব।”   গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আহ্বানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে সংসদীয় নেতা তারেক রহমান প্রস্তাব দেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য। সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা এবং বিরোধী দলীয়রাও সমর্থন দেন।   এরপর ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্পিকার নির্বাচনের প্রস্তাব আসে। বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম হাফিজ উদ্দিনের নাম প্রস্তাব করেন, যা সমর্থন পেয়ে কণ্ঠভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়। এর ফলে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ স্পিকার নির্বাচিত হন।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর দিনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন । ছবি: পিআইডি

সময় বদলালে রাষ্ট্রপতির ভাষণও বদলায়

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

পত্রিকা: সময়ের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যও পাল্টে যায়

নতুন সরকারের উদ্যোগে মাঠ প্রশাসন পরিবর্তন, প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে ঈদের আগে

নতুন সরকারের উদ্যোগে মাঠ প্রশাসন পরিবর্তন, প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে ঈদের আগে

বাংলাদেশকে ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ নয়াদিল্লি বিবেচনা করছে
বাংলাদেশকে ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ নয়াদিল্লি বিবেচনা করছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনা করছে নয়াদিল্লি।   বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানিয়েছেন।   তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ডিজেল দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভারত নিজেদের জ্বালানি মজুত, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং দেশের তেল শোধনাগারগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পর্যালোচনা করবে। অর্থাৎ, অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সক্ষমতা নিশ্চিত করার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র আরও জানান, শুধু বাংলাদেশ নয়—শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ-সহ আরও কয়েকটি দেশ থেকেও পেট্রোলিয়াম পণ্য সরবরাহের অনুরোধ পেয়েছে ভারত। এসব আবেদনও এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে।   এর আগে বুধবার জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দেশের অর্থনীতিকে সহায়তা দিতে ভারতের মতো বাংলাদেশকেও রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র-এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা।   সূত্র: রয়টার্স।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংসদে মিটিমিটি হাসি ও হট্টগোলের প্রেক্ষাপট

ছবি: সংগৃহীত

ড. ইউনূস ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও সদস্যদের অভিনন্দন জানালেন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বিরোধী দলের ওয়াক আউট নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া জবাব

মির্জা আব্বাস ও  নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মির্জা আব্বাসের আরোগ্য কামনা করে দোয়া চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের সুস্থতা কামনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।  বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তার মাধ্যমে তিনি এই দোয়া ও সংহতি প্রকাশ করেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার পোস্টে লিখেন, ‘মির্জা আব্বাসের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’ উল্লেখ্য, মির্জা আব্বাস বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এই দুই নেতা। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সেই নির্বাচনে মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, যেখানে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে রানার্সআপ হয়েছিলেন।  ভোটের লড়াই ছাপিয়ে অসুস্থতার এই সময়ে নাসীরুদ্দীনের এমন সহমর্মিতা রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১২, ২০২৬ 0
সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। ফাইল ছবি

গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: সেনাপ্রধান

সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। ফাইল ছবি

সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের বাবার মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুতে জাতীয় সংসদের শোক

0 Comments