মো. সাহাবুদ্দিন

ছবি: সংগৃহীত
স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ ১৯৭১ সালের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন ও তারেক রহমান।   বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে তারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করেন।   শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর সম্মান জানান।   এই দিনে জাতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গ করা বীর শহীদদের।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত
সিয়াম সাধনা শেষে দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসবে ঈদ উদযাপন

এক মাস সিয়াম সাধনার পর আজ শনিবার (২১ মার্চ) সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। বৃহস্পতিবার দেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আজ ৩০ রোজা পূর্ণ করে হিজরি ১৪৪৭ সনের এই ঈদ আনন্দ উৎসবে মেতেছে দেশবাসী। যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উৎসবটি পালিত হচ্ছে।   রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেবেন। প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত সরিয়ে নেওয়া হবে।   জাতীয় ঈদগাহে নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ ও নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ নারীসহ ৩৫ হাজার মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন। এদিকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি জামাত (সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও পৌনে ১১টায়) অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল ৮টায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ১৯৯তম ঈদ জামাত শুরু হবে সকাল ১০টায়।   ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে কঠোর নজরদারিতে থাকবে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি চলছে। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে এবং হাসপাতাল ও এতিমখানাগুলোতে পরিবেশন করা হচ্ছে উন্নত মানের খাবার। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিশু পার্ক ও জাদুঘরে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর দিনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন । ছবি: পিআইডি
সময় বদলালে রাষ্ট্রপতির ভাষণও বদলায়

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তিন বছরের মধ্যে তিনটি ভিন্ন সরকারের সময় তিনি রাষ্ট্রপতি থাকলেও সরকারের স্বরূপ ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও তাদের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন।   রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেয়া হয়। এর আগে তিনি জেলা ও দায়রা জজ, দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ও ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এ কারণে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ নিয়ে রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা হয়।   সংসদে তার ভাষণে উল্লেখিত হয়েছে, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক এবং বেগম খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণযোগ্য। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি একে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের সঙ্গে যুক্ত করেছেন এবং হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা উল্লেখ করেছেন।   রাজনৈতিক দৃশ্যপটের প্রতিফলন দেখা যায় যখন রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, জামায়াত ও এনসিপি সংসদে ভাষণ চলাকালীন সময়ে ওয়াকআউট করেছেন।   ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেছিলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনের সাফল্য নিশ্চিত করেছে এবং সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ যথার্থ ছিল। তৎকালীন বক্তব্যে তিনি ‘জয় বাংলা’ বলে বক্তৃতা শেষ করেছিলেন, এবার শেষ করেছেন ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বলে।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণ সাধারণত সরকার বা মন্ত্রিসভার প্রস্তুতকৃত হয়। তবে এবারের সংসদে ভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে তার বক্তব্যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদধারীর নিজস্ব অবস্থানও প্রতিফলিত হয়েছে। বহু প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ও রাষ্ট্রের মৌলিক পরিবর্তন আশা, এ ভাষণকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।   বিরোধী দল এনসিপি নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতির ভাষণের সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একদিকে রাষ্ট্রপতির সমর্থকরা নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে তার বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরছেন, অন্যদিকে সমালোচকরা তাকে বিভিন্ন পদে থাকা অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে সমালোচনা করেছেন।   সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও এটি এখনও সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতার অংশ। প্রশ্ন উঠে, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতির ভাষণ কি কেবল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে থাকবে নাকি সেখানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদধারীর নিজস্ব অবস্থান প্রতিফলিত হবে?

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
নাহিদ ইসলাম। ফাইল ছবি
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন ও গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে অভিশংসন করে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বুধবার বিকালে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এ দাবি জানান।   নাহিদ ইসলাম বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে গণহত্যা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ কারণে তিনি গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না। সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাকে অভিশংসনের দাবি জানানোর পাশাপাশি গণহত্যার দায়ে তাকে গ্রেফতার করার আহ্বান জানান তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আমাকে বিদেশ সফরে যেতে বাধা দিয়েছে ইউনূস সরকার

বিদেশে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁকে সুপরিকল্পিতভাবে আড়ালে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর দাবি, বিভিন্ন দেশ থেকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তাঁর জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ এলেও তৎকালীন সরকারের নীতিনির্ধারকরা সেই সফরগুলোতে বাধা হয়ে দাঁড়ান। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।   রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর বক্তব্যে নির্দিষ্ট দুটি দেশের আমন্ত্রণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, গত ডিসেম্বরে কসোভোর একটি অ্যাসেম্বলিতে ‘কি-নোট পেপার’ উপস্থাপনের জন্য তাঁকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরে তাঁকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।   এরপর কাতারের আমিরের পক্ষ থেকে আসা একটি আমন্ত্রণের বিষয়ে তিনি অত্যন্ত অবাক করা এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কাতারে একটি আন্তর্জাতিক সামিটে তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল, যেখানে কেবল রাষ্ট্রপতিরই অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। কিন্তু সেই সফরটি বাতিল করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক নজিরবিহীন কৌশলের আশ্রয় নেয়। মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রপতির নামে একটি চিঠির খসড়া তৈরি করে পাঠানো হয়, যেখানে লেখা ছিল— ‘রাষ্ট্রীয় জরুরি কাজে অত্যন্ত ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি ওই সামিটে অংশ নিতে পারছেন না।’   রাষ্ট্রপতির অভিযোগ, এই চিঠি তৈরির আগে তাঁর সাথে কোনো পরামর্শই করা হয়নি। এমনকি তাঁকে সেই খসড়া চিঠিতে সই করার জন্য রীতিমতো চাপ দেওয়া হয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "সংবিধান অনুযায়ী একজন রাষ্ট্রপতি কি এতটাই রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকেন যে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যেতে পারবেন না?" পরিস্থিতি বুঝতে পেরে রাষ্ট্রপতি সেই চিঠিতে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে পাল্টা প্রতিবাদ জানান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আচরণকে ‘শিষ্টাচারবহির্ভূত ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে সতর্ক করেন। তবে সেই প্রতিবাদের কোনো জবাব তিনি পাননি।   সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি আক্ষেপ করে বলেন, তাঁকে বিদেশ সফরে যেতে না দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাঁর নাম ও পরিচয়কে আড়াল করে রাখা। তৎকালীন সরকার চায়নি কোথাও রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি থাকুক বা জনগণ তাঁর সম্পর্কে জানুক। এই সংকীর্ণ মানসিকতা তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।   শুধু আন্তর্জাতিক অঙ্গনই নয়, দেশের ভেতরেও তাঁকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমাবর্তনে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রীয় রেওয়াজ থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে এভাবে জনবিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা হয়েছিল, সেই প্রশ্ন এখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

ছবি: সংগৃহীত।
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থান ভিসায় বড় পরিবর্তন: বিপাকে পড়তে পারেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0