রাজনীতি

জেরুজালেমের আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ

তাবাস্সুম মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার পর পশ্চিম জেরুজালেমের আকাশে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে সংবাদ সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা এবং মার্কিন-ইসরাইলি বাহিনীর তেহরানে হামলার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশের পথে।

 

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের ‘আয়রন ডোম’সহ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় রয়েছে এবং সম্ভাব্য হুমকি প্রতিহত করতে কাজ করছে। জেরুজালেমের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের পর আকাশপথে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ দেখা গেছে, যা মূলত ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী ব্যবস্থার কার্যকারিতার ফলে সৃষ্ট।

 

বিগত কয়েক দিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইরান ও তার মিত্র দেশগুলো ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জেরুজালেমের আকাশে বিস্ফোরণের ঘটনা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

রাজনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত
জেরুজালেমের আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ

ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার পর পশ্চিম জেরুজালেমের আকাশে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে সংবাদ সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা এবং মার্কিন-ইসরাইলি বাহিনীর তেহরানে হামলার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশের পথে।   ইসরাইলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের ‘আয়রন ডোম’সহ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় রয়েছে এবং সম্ভাব্য হুমকি প্রতিহত করতে কাজ করছে। জেরুজালেমের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের পর আকাশপথে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ দেখা গেছে, যা মূলত ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী ব্যবস্থার কার্যকারিতার ফলে সৃষ্ট।   বিগত কয়েক দিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইরান ও তার মিত্র দেশগুলো ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জেরুজালেমের আকাশে বিস্ফোরণের ঘটনা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

৫ সিটিতে নতুন প্রশাসক: সবখানেই বিএনপির শীর্ষ নেতা

ছবি: সংগৃহীত

আমরা আমাদের ভোটটা গণনার সময় রক্ষা করতে পারিনি, কেড়ে নেওয়া হয়েছে: সারজিস আলম

ছবি: সংগৃহীত

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলার চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত: নাহিদ ইসলাম

আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম
গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অপচেষ্টাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নাহিদ ইসলাম

ঢাকা: জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘটনাকে ‘উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়’ হিসেবে অভিহিত করেন। নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে এই ধরনের তৎপরতা জুলাই বিপ্লবের চেতনা এবং তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।   নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার জন্য যে মামলাটি দায়ের করার চেষ্টা হয়েছিল, আদালত তা গ্রহণ করেনি। তিনি মনে করেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ফ্যাসিবাদের পরাজিত শক্তির একটি গভীর চক্রান্ত। তাঁর মতে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আজ দেশের তরুণ প্রজন্মের ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ের প্রতীক, আর সেই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধাদের আইনিভাবে হয়রানি করার মাধ্যমে ৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনো মাঠে সক্রিয় থাকার প্রমাণ দিচ্ছে।   বিগত দিনের সংগ্রামের উদাহরণ টেনে নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতীতেও মামলা বা ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্র নেতৃত্বকে দমন করা সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অপশক্তি সফল হবে না। এই অপচেষ্টা রুখতে তিনি সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরাজিত শক্তির যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।   পোস্টের শেষে তিনি জুলাই বিপ্লবের মূল স্পৃহা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বর্তমান প্রজন্ম এবং আন্দোলনকারীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই ধরনের হয়রানিমূলক মামলার অপচেষ্টা বন্ধ না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ত্যাজ্য

ছাত্রলীগের রাজনীতি করায় বাবা ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি দলে শুভবুদ্ধির উদয় ঘটবে, শহীদদের ঋণ পরিশোধে এগোবে সংসদ: নাহিদ ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত

উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
জুলাই সনদ ভঙ্গ করে সংসদ শুরু করেছে বিএনপি: সারজিস

বিএনপি জুলাই সনদ ভঙ্গ করে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বরে একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।   সারজিস আলম বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য বিএনপি ভালো বার্তা দেয়নি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অনুযায়ী সংসদে স্পিকার সরকারি দল থেকে হলেও ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদল থেকে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ডেপুটি স্পিকার করা হয়েছে ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে, যিনি বিএনপি সমর্থিত একজন এমপি।   স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে শপথ পড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করে সারজিস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় পরিবেশগত পরিস্থিতির কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। তবে দীর্ঘদিন পর নির্বাচন হওয়ার পরও বিএনপি ফ্যাসিস্ট সরকারের রাষ্ট্রপতির মাধ্যমেই শপথ নিয়ে তাদের সরকারের কার্যক্রম শুরু করেছে।   তিনি আরও বলেন, তারা আবারও পূর্বের স্বৈরাচারী ধারার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করছে এবং সেই স্বৈরাচারী লেজ টেনে ধরা শুরু করেছে, যা তাদেরকে মর্মাহত করেছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১২, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির রাঙামাটি জেলা কমিটির আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা

রাঙামাটিতে এনসিপিতে বড় ধস: জেলা আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমার পদত্যাগ

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল  মিয়া গোলাম পরওয়ার

খুলনা-৫ আসনের ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের

ফাইল ছবি।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণার অভিযোগে তিতাসে বিএনপির তিন নেতা বহিষ্কার

0 Comments