আন্তর্জাতিক

ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা

তাবাস্সুম মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ইরানের খার্গ দ্বীপ। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের খার্গ দ্বীপ। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১৪ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল এই দ্বীপ থেকে রপ্তানি হয়। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার দ্বীপটিতে একাধিক দফায় হামলা চালানো হয় এবং অন্তত ১৫টিরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনী খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে, তবে তেলের অবকাঠামোতে কোনো হামলা চালানো হয়নি। স্থানীয় সূত্রগুলোও জানিয়েছে, ব্যাপক বিস্ফোরণ ও ধোঁয়া দেখা গেলেও দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলো এখন পর্যন্ত অক্ষত রয়েছে। তবে ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী ধাপে সরাসরি তাদের তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে।

 

এদিকে যুদ্ধের উত্তেজনায় বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত ২ হাজার ৫০০ মেরিন সেনা এবং যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ট্রিপোলি’ মোতায়েন করছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই যুদ্ধে ইতোমধ্যে অন্তত দুই হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করে প্রতিবেশী দেশগুলোকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন দেশকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান ট্রাম্পের

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান ধমনী হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (১৪ মার্চ) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় ট্রাম্প এই পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন।   শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো—যারা ইরানের এই কৃত্রিম বাধার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে এই পথটি উন্মুক্ত রাখতে নিজেদের যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান এই প্রণালি বন্ধের যে চেষ্টা করছে তা প্রতিহত করতে সম্মিলিত শক্তির প্রয়োজন।   এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র খুব শীঘ্রই এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করা সব তেলবাহী ট্যাঙ্কারকে মার্কিন নৌবাহিনীর পাহারায় পারাপারের ব্যবস্থা করবে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকাংশে ধ্বংস করা হলেও ছোট ড্রোন বা মাইনের মাধ্যমে তারা এখনও নৌপথে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। তাই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই অঞ্চলে আন্তর্জাতিক নৌ-উপস্থিতি বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে কোন দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এই আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে এখনও কোনো চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

তাবাস্সুম মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের ১৫তম দিন : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ছেই

ছবি: সংগৃহীত।

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত: আরও ৬ ফিলিস্তিনি নিহত

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের চলাচল। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় জাহাজকে নিরাপদ চলাচলের অনুমতি ইরানের

মসজিদের আশপাশের রাস্তায় জামাতে নামাজ আদায় করছেন ফিলিস্তিনিরা। ছবি: সংগৃহীত
আল-আকসায় ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে ইসরাইলি বাধা

ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞার কারণে ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করতে পারছেন না হাজার হাজার ফিলিস্তিনি মুসল্লি। রমজানের শেষ সময়েও তারা মসজিদের ভেতরে যেতে না পেরে আশপাশের রাস্তায় জামাতে নামাজ আদায় করছেন।   গত বছরগুলোতে রমজানের এই সময়টায়, বিশেষ করে জুমার নামাজে, লাখো মানুষের সমাগম হতো আল-আকসা প্রাঙ্গণে। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। নিরাপত্তার অজুহাতে জেরুজালেমের পুরনো শহর ও পবিত্র স্থানগুলোতে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরাইলি বাহিনী।   সব বাধা সত্ত্বেও অনেক ফিলিস্তিনি আল-আকসা প্রাঙ্গণে ঢুকতে না পেরে নিকটবর্তী বাব আল-সাহিরা গেটের আশপাশে মাদুর বিছিয়ে মাগরিব, এশা ও তারাবির নামাজ আদায় করছেন।   ৬৫ বছর বয়সী জেরুজালেমের বাসিন্দা ইকরিমা আল-হুসাইনি জানান, গত পাঁচ দশক ধরে তিনি কখনও আল-আকসায় তারাবির নামাজ মিস করেননি। তিনি বলেন, অর্ধ শতাব্দী ধরে প্রতি রমজানে এখানে আসছেন, কিন্তু এ বছরের পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। শেষ দশ দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভেতরে হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে নামাজ আদায় করার সুযোগ না পেয়ে মনে হচ্ছে মূল্যবান কিছু হারিয়ে গেছে।   ৪০ বছর বয়সী রামি মোহাম্মদ বলেন, পুরনো শহরের বাইরে শত শত মানুষকে জায়নামাজ বিছিয়ে একসঙ্গে নামাজ পড়তে দেখা যাচ্ছে। তার ভাষায়, মানুষ ভেতরে ঢুকতে না পারলেও যতটা সম্ভব মসজিদের কাছেই থাকতে চায়। রাস্তায় নামাজ পড়ার কষ্টের মধ্যেও আল-আকসার প্রতি মানুষের টান ও সংহতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।   জেরুজালেমভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ওয়াদি হিলওয়েহ ইনফরমেশন সেন্টার জানিয়েছে, গত বুধবার বাব আল-সাহিরার কাছে নামাজ পড়তে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী চড়াও হয়। অনেককে তল্লাশি করা হয়, কয়েকজনকে মারধর করা হয় এবং অনেককে পুরনো শহরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।   উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালের পর এবারই প্রথম আল-আকসা মসজিদ এভাবে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগেই বিধিনিষেধ আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল ইসরাইল। রমজানের প্রথম জুমায় অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে মাত্র ১০ হাজার মানুষকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে প্রায় পাঁচ লাখ মুসল্লির সমাগম হতো।   জর্ডান পরিচালিত পবিত্র আল-আকসা পরিচালনা পরিষদ (ওয়াকফ) জানিয়েছে, রমজানের আগে থেকেই তাদের পাঁচজন কর্মীকে প্রশাসনিকভাবে আটক করেছে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত। পাশাপাশি ৩৮ জন কর্মী ও ৬ জন ইমামের ওপর মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।   এদিকে আটটি মুসলিম ও আরব দেশ যৌথভাবে ইসরাইলের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা এটিকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও উপাসনালয়ে অবাধ প্রবেশাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইসরাইলকে এই নীতি থেকে বিরত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।   ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জেরুজালেম গভর্নরেটও সতর্ক করে বলেছে, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, রমজানের শেষ জুমার নামাজেও আল-আকসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।

তাবাস্সুম মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৫ মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

ছবি: সংগৃহীত

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

ইরানের খার্গ দ্বীপ। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা

ছবি: সংগৃহীত
আমিরাতের ৩ বন্দর ত্যাগের আলটিমেটাম ইরানের

সংযুক্ত আরব আমিরাতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। শনিবার (১৪ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর, আবুধাবির খলিফা বন্দর এবং ফুজাইরাহ বন্দরের আশপাশের এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব বেসামরিক স্থাপনার ভেতরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি ও তাদের গোপন অবস্থান শনাক্ত করা গেছে। এই কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো এখন থেকে ‘বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এসব স্থানে ভয়াবহ হামলা চালানো হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   আলজাজিরা জানিয়েছে, মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি কার্যক্রমের পাল্টা জবাব দিতেই ইরান এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সরাসরি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা এড়াতে আগাম এই সতর্কতা দেওয়া হলেও, গুরুত্বপূর্ণ এসব বাণিজ্যিক বন্দরে হামলার হুমকি পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

তিন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

ফাইল ছবি।

মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে ইরানের হামলা

সোমালিয়ায় অভিযান

সোমালিয়ায় জোড়া অভিযানে চার কমান্ডারসহ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ২২ সদস্য নিহত

0 Comments