জাতীয় সংসদ নির্বাচন

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং | ছবি: বাসস
তফসিল ঘোষণার পর ২৭৪ সহিংসতা, নিহত ৫: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ

গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে মোট ২৭৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। এই তথ্য জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সহিংস ঘটনাগুলো ১১টি শ্রেণিতে (ক্যাটাগরি) ভাগ করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে—মোট ৮৯টি ঘটনা। এরপর সর্বাধিক সহিংসতার অবস্থান ধরে রেখেছে নির্বাচনী প্রচারকাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা (২৯টি) এবং নির্বাচনী অফিস ও প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ (২০টি)। এছাড়া প্রার্থীর ওপর আক্রমণ হয়েছে ১৫টি ঘটনায়, ভীতি প্রদর্শন বা আক্রমণাত্মক আচরণ ঘটেছে ১৬টি ঘটনায়, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে ৩টি ঘটনায়, হুমকি প্রদান হয়েছে ৯টি ঘটনায় এবং সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ হয়েছে ১টি ঘটনায়। বিক্ষোভ ও অবরোধের ঘটনা হয়েছে ১৭টি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অন্যান্য’ শিরোনামের মধ্যে ৭০টি ঘটনা রয়েছে, তবে সেগুলো কী ধরনের সহিংসতা, তা স্পষ্ট করা হয়নি। অতীতের নির্বাচনের সহিংসতার তুলনাও প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ৫৩০টি সহিংস ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে ১১৫ জন নিহত ও ৩১৫ জন আহত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ৪১৪টি সহিংসতায় ২২ জন নিহত ও ৭৮০ জন আহত হন। সর্বশেষ, ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ৫৩৪টি সহিংসতায় ৬ জন নিহত ও ৪৬০ জন আহত হওয়ার তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সহিংসতার চিত্র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করতে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্বকে আরও বেশি প্রমাণ করছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
মনির হোসেন কাসেমী, আব্দুল্লাহ্ আল আমিন, মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী। ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা ছাড়া ১৩ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা, জমজমাট ভোটের মাঠ

নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জ–৪ (সদর উপজেলা) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে এবারের নির্বাচনে ব্যালটে থাকছে না বিএনপির ধানের শীষ কিংবা জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। তবুও বহুমুখী প্রার্থী ও বিদ্রোহী অংশগ্রহণে আসনটিতে ভোটের লড়াই ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসেন কাসেমী। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ‘খেজুরগাছ’। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন নিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন আব্দুল্লাহ্ আল আমিন, যার প্রতীক ‘শাপলা কলি’। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দল এবং একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী দুই নেতা—দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ শাহ্ আলম এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে তৃণমূল পর্যায়ে তাঁদের শক্ত অনুসারী থাকায় ভোটের সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। ফতুল্লা, মাসদাইরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব প্রার্থীই ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উন্নয়ন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশ এবং নির্বাচনের পর যাঁকে সব সময় পাশে পাওয়া যাবে—এমন প্রার্থীই তাঁদের অগ্রাধিকার। মনির হোসেন কাসেমী বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএনপির নেতা-কর্মীরাও তাঁর পক্ষে মাঠে নেমেছেন এবং তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজেদের জনপ্রিয়তা ও গণসংযোগের শক্তির কথা তুলে ধরে বিজয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন। এনসিপির প্রার্থী আব্দুল্লাহ্ আল আমিন বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর মানুষ বিকল্প শক্তির দিকে তাকাচ্ছে, যা এ আসনে ভোটের লড়াইকে আরও বহুমাত্রিক করেছে। সব মিলিয়ে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার অনুপস্থিতিতেও নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনে ভোটের উত্তাপ কমেনি। বরং একাধিক জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অংশগ্রহণে এ আসনটি পরিণত হয়েছে এবারের নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ নিশ্চিত করতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রচারণার সিদ্ধান্ত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’-কে জয়যুক্ত করতে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাপক প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।   রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রতিনিধি দলের এক বৈঠকে এই প্রচারণার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে দিবাগত রাত ১২টার পর এ তথ্য জানানো হয়।   সিদ্ধান্ত মোতাবেক দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রচারণার সুবিধার্থে ছয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে— ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেট। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে এই প্রচারণা শুরু হবে।   সভা আয়োজনের সময়সূচি অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারি ঢাকা ও ময়মনসিংহ, ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম ও সিলেট, এবং ৩ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী ও যশোর অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।   সভায় অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “তারুণ্যের স্পর্ধিত অহংকার দীর্ঘদিন জাতির ঘাড়ে চেপে বসা স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। সেই তারুণ্যের সম্মিলিত সমাবেশে নতুন বাংলাদেশের পথচলার সূচনা হবে। ৫৪ বছর পর সুযোগ এসেছে— গণতান্ত্রিক, মানবিক ও ইনসাফের একটি সমাজ গড়ার। তরুণরা এ প্রসঙ্গে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।” তিনি আরও যোগ করেন, এই মতবিনিময় সভার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নাগরিকদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হবে।   এসময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক তানজিমউদ্দীন খান, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শাহারিয়া নয়ন জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন
নিবন্ধিত ৬০ দলের মধ্যে অংশ নিচ্ছে কতটি, জানাল ইসি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত মঞ্চ প্রস্তুত! ৪ দিনব্যাপী যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের রুদ্ধশ্বাস নাটক শেষে ভোটের লড়াইয়ে টিকে রইলেন ১ হাজার ৯৬৭ জন যোদ্ধা।    নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ডামাডোল এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশের নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৪৯টি দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগসহ ১১টি দল এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে থাকছে।   নির্বাচনী লড়াইয়ে যারা আছেন: মাঠে থাকা প্রধান দলগুলোর মধ্যে রয়েছে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি (জাপা), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), এবি পার্টি এবং সিপিবিসহ মোট ৪৯টি দল।   মাঠের বাইরে যে ১১ দল: নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ১১টি নিবন্ধিত দল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, আওয়ামী লীগ (নিবন্ধন স্থগিত), বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, তরিকত ফেডারেশন এবং জাসদ।   প্রার্থী ও দলীয় পরিসংখ্যান: মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩০৫ জন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে চূড়ান্ত লড়াইয়ে টিকে আছেন ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী।  দলভিত্তিক প্রার্থীর সংখ্যা নিম্নরূপ: বিএনপি: ২৯০ জন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ: ২৫৯ জন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: ২১৬ জন জাতীয় পার্টি (জাপা): ১৯৬ জন গণঅধিকার পরিষদ: ৯২ জন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি): ৩০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী: ৩০০ জনের বেশি (যার মধ্যে বিএনপির অর্ধশতাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন) নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ শুরু হবে এবং প্রার্থীরা পূর্ণ উদ্যমে প্রচারণায় নামতে পারবেন। ১২ ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশের ভাগ্য। রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম—সবত্রই এখন ভোটের আমেজ।

Admin জানুয়ারী ২১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

যুক্তরাষ্ট্রে ধেয়ে আসছে বিশাল বরফ ও তুষার ঝড় — সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত থেকে কম বিপদগ্রস্ত রাজ্য

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ২,০০০ মাইল দীর্ঘ এক ভয়াবহ বরফ ও তুষার ঝড় দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। আবহাওয়াবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এই ঝড়ে বরফ, তুষারপাত ও হিমশীতল বৃষ্টির সম্মিলিত প্রভাব পড়তে পারে দেশের মধ্য-পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বহু রাজ্যে। ঝড়ের আগেই শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।   CNN–এর আবহাওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঝড়ের তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হলেও কিছু রাজ্যে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।   সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত রাজ্য (High Impact) টেক্সাস (Texas) ঝড়ের সূচনা এখান থেকেই। ভারী বরফ জমে বিদ্যুৎ লাইন ভেঙে পড়া, ব্ল্যাকআউট ও মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ওকলাহোমা (Oklahoma) বরফালার সঙ্গে তীব্র ঠান্ডা। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা। আর্কানসাস (Arkansas) হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফের স্তর জমে চলাচল প্রায় অচল হতে পারে। কেন্টাকি (Kentucky) মধ্য-পশ্চিম থেকে পূর্বাঞ্চলের সংযোগস্থল হওয়ায় তুষারপাত ও বরফের যুগপৎ প্রভাব পড়তে পারে। ওহাইও (Ohio) ভারী তুষার ও তীব্র ঠান্ডায় বিমান ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা। মাঝারি ঝুঁকির রাজ্য (Moderate Impact) টেনেসি (Tennessee) – বরফ ও তুষারের মিশ্র প্রভাব জর্জিয়া (Georgia) – বিশেষ করে উত্তর জর্জিয়ায় বরফ ঝড়ের সতর্কতা নর্থ ক্যারোলিনা (North Carolina) – হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফ জমার ঝুঁকি সাউথ ক্যারোলিনা (South Carolina) – সীমিত এলাকায় বরফালার সম্ভাবনা ভার্জিনিয়া (Virginia) – তুষার ও ঠান্ডার প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে তুলনামূলক কম ঝুঁকির রাজ্য (Lower Impact) মেরিল্যান্ড (Maryland), ওয়াশিংটন ডিসি, পেনসিলভানিয়া (Pennsylvania), নিউ ইয়র্ক (New York), ম্যাসাচুসেটস (Massachusetts) — এসব রাজ্যে ঝড় পৌঁছালেও প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে, তবে তুষারপাত ও শীতজনিত দুর্ভোগ পুরোপুরি এড়ানো যাবে না। পরিবহন ও জনজীবনে প্রভাব ঝড়ের আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন বড় বিমানবন্দরে শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সড়কে না নামার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রস্তুতি ও সতর্কতা জরুরি খাবার, পানি ও ওষুধ মজুত রাখুন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার প্রস্তুতি নিন স্থানীয় আবহাওয়া সতর্কতা ও নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করুন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝড় আগামী কয়েক দিন ধরে ধাপে ধাপে বিভিন্ন রাজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতির অবনতি হলে আরও জরুরি সতর্কতা জারি করা হতে পারে।

নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হওয়ায়, মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব হবে। কারণ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার—সাপ্তাহিক ছুটি।   এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এখানেও টানা চার দিনের ছুটি মিলছে।   প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।   অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, বছরটিতে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে মিলেছে। এছাড়া, ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে।   সে অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী, সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানিরা

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী,সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা স্নেইল ফিভার’ নামে পরিচিত এক ধরনের পরজীবী বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। ত্বকের ভেতর দিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করা এই পরজীবী দীর্ঘদিন রক্তে নীরবে অবস্থান করে এবং পরে ডিম পাড়ে,যা লিভার, ফুসফুসও যৌনাঙ্গসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জমা হতে পারে। ভয়াবহ বিষয় হলো,বছরের পর বছর শরীরে অবস্থান করলেও অনেক ক্ষেত্রে এটি শনাক্তই নাও হতে পারে। শামুকের মাধ্যমে ছড়ানোএ পরজীবীর কারণেই রোগটির নামকরণ করা হয়েছে স্নেইল ফিভার।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, রোগটি এখন বৈশ্বিক উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। কারণ পরজীবীটির গঠন ও বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটছে, যার ফলে এটি নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে এই সতর্কবার্তা এলো,যখন৩০ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ ডে পালন করছে ডব্লিউএইচও।এ দিবসের লক্ষ্য হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, পরজীবীও ছত্রাকজনিত রোগগুলোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো,যা সাধারণত দরিদ্র অঞ্চলের শত কোটিরও বেশি মানুষকে আক্রান্ত করে। কীভাবে ছড়ায় স্নেইল ফিভার :  এই পরজীবী বহন করে নির্দিষ্ট এক ধরনের শামুক।যেসব পানিতে ওই শামুক বসবাস করে,সেখানে পরজীবীর লার্ভা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ যদি সেই পানিতে গোসল করেন বা সংস্পর্শে আসেন,তবে লার্ভা ত্বকের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। পরজীবীগুলো এমন এনজাইম নিঃসরণ করে,যা ত্বক ভেদ করতে সক্ষম। দেহে প্রবেশের পর লার্ভাগুলো ধীরে ধীরে পূর্ণবয়স্ক কৃমিতে পরিণত হয় এবং রক্তনালিতে বাসা বাঁধে।স্ত্রী কৃমিগুলো ডিম পাড়ে। কিছু ডিম মল বা প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে গেলেও বহু ডিম শরীরের ভেতরের টিস্যুতে আটকে থাকে। এতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে আশপাশের সুস্থ টিস্যুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশেষ করে তলপেট যৌনাঙ্গে ডিম জমে থাকলে ইউরোজেনিটাল স্কিস্টোসোমিয়াসিস নামের জটিল রোগ দেখা দেয়। এতে পেটব্যথা, ক্যানসার এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। চিকিৎসাওনতুন উদ্বেগ: সাধারণত অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধে স্নেইল ফিভার চিকিৎসাযোগ্য। ডব্লিউএইচও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী—যেমন শিশু কৃষিশ্রমিকও জেলেদের প্রতি বছর এই ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তবে মালাউই লিভারপুল ওয়েলকাম ক্লিনিক্যাল রিসার্চ প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক জানেলিসা মুসায়া সতর্ক করেছেন, নতুন কিছু ধরন শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো প্রচলিত পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে। হাইব্রিড পরজীবীর আশঙ্কা: গবেষণায় দেখা গেছে,মানুষের শরীরের পরজীবীওপ্রাণীর শরীরের পরজীবী একে অপরের সঙ্গে মিশে ‘হাইব্রিড’ বা মিশ্র ধরন তৈরি করছে। এসব হাইব্রিড পরজীবী মানুষ ওপ্রাণী—উভয়কেই আক্রান্ত করতে পারে।মালাউইতে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নমুনার সাত শতাংশ পরজীবীই ছিল হাইব্রিড,যা গবেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। অধ্যাপক মুসায়া বলেন,এভাবে যদি প্রকৃতিতে সংক্রমণ চলতেই থাকে, তাহলে সংখ্যাটা এক সময় বেশ বড় হয়ে যাবে।তিনি আরও বলেন, গবেষণা যেহেতু নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় করা হয়েছে,এজন্য এটি হয়তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র। শনাক্তকরণে জটিলতা: গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, হাইব্রিড পরজীবীগুলো মানুষের যৌনাঙ্গে সংক্রমণ ঘটালেও তা শনাক্ত করা কঠিন। কারণ এসব ডিম মাইক্রোস্কোপে সাধারণ পরজীবীর মতো দেখায় না। অনেক সময় উপসর্গগুলোকে যৌনবাহিত রোগ ভেবে ভুল করা হয়।চিকিৎসা না হলে বন্ধ্যত্ব, যৌনাঙ্গে ক্ষত এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এপ্রসঙ্গে অধ্যাপক মুসায়া বলেন,“ভাবুন তো,কোনো নারী যদি সন্তান ধারণ করতে না পারেন... আমাদের সংস্কৃতিতে সন্তান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান না হলে ওই নারীকে নানাভাবে কটূক্তি করেন মানুষরা। যা খারাপ এবং খুবই কষ্টের একটি রোগ। বৈশ্বিক প্রস্তুতি: ডব্লিউএইচও’র স্কিস্টোসোমিয়াসিস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান ডা.আমাদু গারবা জিরমে বলেন,রোগটি একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ।তিনি জানান,কিছু দেশে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ না থাকলেও প্রাণীদের শরীরে পরজীবী রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন এই হুমকি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও কৌশল পরিবর্তন করছে।সংস্থাটি প্রাণীদের মধ্যে রোগ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশকে হাইব্রিড পরজীবী নিয়ে আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। যদিও ২০০৬থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ব্যাপক ওষুধ বিতরণের ফলে সংক্রমণ ৬০শতাংশ কমেছে, তবে অর্থায়ন কমে যাওয়ায় এই অগ্রগতি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

Top week

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র
আমেরিকা

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

তাবাস্সুম মোহাম্মদ জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0