আন্তর্জাতিক

লেবানন থেকে ইসরায়েলে একযোগে ১০০ রকেট ছুঁড়লো হিজবুল্লাহ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলের দিকে প্রায় ১০০টি রকেট ছুড়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, লেবাননের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব রকেট নিক্ষেপ করা হয়, যার ফলে উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে।

 

ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হামলার প্রভাব পড়ে উত্তর ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ শহর হাইফা, গ্যালিলি অঞ্চল এবং গোলান মালভূমি জুড়ে। সংঘাত তীব্র হওয়ার পর চলতি মাসে এটিকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর সবচেয়ে বড় হামলা হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

 

প্রাথমিকভাবে এই হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

 

একই সময়ে ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, ইরান থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ফলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে।

 

এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরান ও লেবানন থেকে একযোগে ইসরাইলে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই এবার বড় ধরনের রকেট হামলার ঘটনা ঘটল।

 

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
লেবানন থেকে ইসরায়েলে একযোগে ১০০ রকেট ছুঁড়লো হিজবুল্লাহ

লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলের দিকে প্রায় ১০০টি রকেট ছুড়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, লেবাননের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব রকেট নিক্ষেপ করা হয়, যার ফলে উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে।   ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হামলার প্রভাব পড়ে উত্তর ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ শহর হাইফা, গ্যালিলি অঞ্চল এবং গোলান মালভূমি জুড়ে। সংঘাত তীব্র হওয়ার পর চলতি মাসে এটিকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর সবচেয়ে বড় হামলা হিসেবে মনে করা হচ্ছে।   প্রাথমিকভাবে এই হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।   একই সময়ে ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, ইরান থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ফলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে।   এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরান ও লেবানন থেকে একযোগে ইসরাইলে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই এবার বড় ধরনের রকেট হামলার ঘটনা ঘটল।   সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান যুদ্ধ বন্ধের জন্য তিন শর্তের দাবি জানিয়েছেন

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী সুদানি জানালেন, ইরানের ওপর হামলার জন্য দেশটির ভূমি ব্যবহার করা যাবে না

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু: যুদ্ধের সময়কাল বলা সম্ভব নয়

ছবি: সংগৃহীত
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলা

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। দেশটির শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর রকেট হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী।   আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে একসঙ্গে প্রায় ১০০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে। এই হামলার পরপরই পাল্টা জবাবে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।   বিশেষ করে বৈরুতের দাহিয়েহ উপশহরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। এই এলাকাটি হিজবুল্লাহর অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।   ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, দাহিয়েহ এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ও ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। তবে হামলায় হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

থাই জাহাজে হামলা: ২০ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করল ওমান নৌবাহিনী

ছবি: সংগৃহীত।

যুদ্ধে মানুষের জীবন-মরণ নির্ধারণে এআই ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি চীনের

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান

পুরো অঞ্চল আগুনে জড়ানোর আগেই ইরানের যুদ্ধ থামাতে হবে: এরদোয়ান

আয়াতোল্লা আলি খামেনি ও তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি
উইলে চাঞ্চল্যকর তথ্য: নিজের ছেলেকে সুপ্রিম লিডার করতে চাননি খামেনি!

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী 'সুপ্রিম লিডার' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এই নিয়োগ ঘিরেই এখন উত্তাল আন্তর্জাতিক রাজনীতি।  'দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট'-এর একটি বিস্ফোরক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, খোদ খামেনি তাঁর উইলে মোজতবাকে উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করতে নিষেধ করেছিলেন। রিপোর্টে ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেসি ইন ইরান (NUFDI)-এর গবেষক খসরো ইসফাহানি জানিয়েছেন, খামেনির মতে মোজতবার নিজস্ব কোনো রাজনৈতিক ক্যারিশমা বা স্বাধীন পরিচিতি নেই। তা সত্ত্বেও ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর প্রবল চাপে মোজতবাকে এই পদে বসাতে বাধ্য হয়েছে ইরানের 'অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস'। অভিযোগ উঠেছে, বহু ধর্মীয় নেতাকে সভায় যোগ দিতেই দেওয়া হয়নি। মূলত সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকতেই এই ছক কষা হয়েছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে মোজতবাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে চরম ধোঁয়াশা তৈরি হলেও, সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে যে তিনি বর্তমানে 'সুস্থ ও নিরাপদ' আছেন।  ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসে এই প্রথম বাবার পর ছেলে শীর্ষ পদে বসার ঘটনায় ইরানি বিপ্লবের 'পরিবারতন্ত্র বিরোধী' আদর্শ বড়সড় ধাক্কা খেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: ইউরোপের কট্টর ডানপন্থীদের মধ্যে ফাটল

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই

ইইউ-এর নতুন নিষেধাজ্ঞা ‘অযৌক্তিক ও বেআইনি’: তীব্র প্রতিবাদ ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

রেকর্ড পরিমাণ ৪০ কোটি ব্যারেল তেল মুক্তির জন্য আইইএ’র ঐক্যমত

0 Comments