আন্তর্জাতিক

আফগানিস্তানে ভয়াবহ বিমান হামলা: ৪০০ জন নিহতের দাবি

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে অন্তত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আফগানিস্তান দাবি করেছে, রাজধানী কাবুলে মাদকাসক্তদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত একটি হাসপাতালে এই হামলা চালানো হয়। এ তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

 

অন্যদিকে পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাবুল ও নানগারহার প্রদেশে শুধুমাত্র সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করেই অভিযান চালানো হয়েছে। বেসামরিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগকে তারা ভিত্তিহীন এবং জনমত বিভ্রান্ত করার চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছে।

 

তালেবান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানান, স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে কাবুলের ওমর অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে হামলার ঘটনা ঘটে। তার দাবি, প্রায় দুই হাজার শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটির বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

 

ফিতরাত আরও বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে এবং প্রায় ২৫০ জন আহত হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

 

স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ভবনের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে দমকলকর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।

 

হাসপাতালটির ৩১ বছর বয়সী নিরাপত্তাকর্মী ওমিদ স্তানিকজাই বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, হামলার আগে তিনি আকাশে যুদ্ধবিমানের শব্দ শুনেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালের আশপাশে সামরিক ইউনিট অবস্থান করছিল। সেসব ইউনিট বিমানটির দিকে গুলি চালানোর পর বিমানটি বোমা ফেললে সেখানে আগুন ধরে যায়। তিনি দাবি করেন, নিহত ও আহতদের সবাই বেসামরিক মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
হাসপাতালটিতে হাজারো মানুষ মাদকাসক্তির চিকিৎসা নিচ্ছিলেন বলেন জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা
কাবুলে হাসপাতালে বিমান হামলা শতাধিক হতাহতের অভিযোগ, দায় অস্বীকার পাকিস্তানের

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি মাদকাসক্তি চিকিৎসা কেন্দ্রে বিমান হামলার ঘটনায় শতাধিক মানুষের হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেছে তালেবান সরকার, যদিও ইসলামাবাদ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তালেবান সরকারের এক মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, সোমবার সন্ধ্যায় কাবুলের ওমিদ নামে একটি আসক্তি চিকিৎসা হাসপাতালে হামলা চালানো হয়। এতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। তাদের অভিযোগ, পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর হামলায় চিকিৎসাধীন রোগীরাই হতাহতের শিকার হয়েছেন। প্রায় দুই হাজার শয্যার এই হাসপাতালটি মাদকাসক্তদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হতো। হামলার ফলে হাসপাতালের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং হতাহতের সংখ্যা কয়েকশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, কাবুল ও পূর্ব আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশে “সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তাকারী অবকাঠামো” লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে, কোনো হাসপাতাল লক্ষ্য করে হামলা করা হয়নি। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অন্তত ৩০টি মরদেহ দেখা গেছে এবং তখনও ভবনের কিছু অংশে আগুন জ্বলছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে প্রায় দুই হাজার রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শারাফাত জামান আমরখাইল জানান, হাসপাতালের আশপাশে কোনো সামরিক স্থাপনা ছিল না। তালেবান সরকারের উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত দাবি করেন, এ হামলায় প্রায় ৪০০ জন নিহত এবং ২৫০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আফগানিস্তানের সাবেক কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ বলেন, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী। একই সঙ্গে আফগান ক্রিকেটার রশিদ খানও হামলাকে “অত্যন্ত লজ্জাজনক” বলে মন্তব্য করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত সাড়ে আটটার দিকে কাবুলজুড়ে তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, পরে আকাশে বিমান ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তান জঙ্গি গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুললেও তালেবান তা অস্বীকার করে আসছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ইতোমধ্যে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
আমিরাতের প্রধান বন্দরে ট্যাঙ্কার হামলার খবর

আমিরাতের প্রধান বন্দরে ট্যাঙ্কার হামলার খবর

তেলের বাজারে অস্থিরতা, এশিয়ায় দাম বাড়ছে দ্রুত

তেলের বাজারে অস্থিরতা, এশিয়ায় দাম বাড়ছে দ্রুত

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে দোকানের ছাদ ধসে প্রাণ গেল ৮ নারীর

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি | সংগৃহীত
ইরানে হামলার পেছনে কিছু দেশের নীরব সমর্থন রয়েছে: দাবি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ গোপনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে উৎসাহ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তার মতে, যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, তারা প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিলেও আড়ালে ভিন্ন ভূমিকা পালন করতে পারে।   একই সঙ্গে তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের দিকেও ইঙ্গিত করেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার নিয়মিত ব্যক্তিগত যোগাযোগের খবর প্রকাশিত হয়েছে—এসব তথ্য কতটা সত্য, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আরাগচি।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শত শত বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যাদের মধ্যে দুই শতাধিক শিশু রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানান তিনি।   অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি উপসাগরীয় অঞ্চলের মুসলিম জনগণের উদ্দেশে বলেন, চলমান সংঘাতে তারা কোন পক্ষকে সমর্থন করবে—এ বিষয়টি তাদের ভাবা উচিত।   তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যদি উপসাগরীয় দেশগুলোর মাটিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়, তবে তেহরান নীরব থাকবে না। লারিজানির ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সংঘাত একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং অন্যদিকে “মুসলিম ইরান ও প্রতিরোধ শক্তির” মধ্যকার লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানে ভয়াবহ বিমান হামলা: ৪০০ জন নিহতের দাবি

ছবি: সংগৃহীত

খামেনির নিয়োগকৃত কর্মকর্তাদের যে নির্দেশনা দিলেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা

ছবি: সংগৃহীত

ইরান নিপীড়কদের কাছে হার মানবে না: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে সামরিকভাবে অংশ নেবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস।   রাজধানী বার্লিন-এ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জার্মানির সংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী এই যুদ্ধে অংশ নেওয়ার মতো কোনো অনুমোদন জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটো—কোনো পক্ষ থেকেই পাওয়া যায়নি। শুরু থেকেই স্পষ্ট ছিল, এই সংঘাত ন্যাটোর আওতার বিষয় নয়।   মের্ৎস আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর আগে জার্মানির সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শও করেনি। পাশাপাশি ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে কখনোই কোনো যৌথ সিদ্ধান্ত হয়নি।   তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে জার্মানি কীভাবে সামরিকভাবে এতে জড়িত হতে পারে—সে প্রশ্নই ওঠে না।”   বিশ্লেষকদের মতে, জার্মানির এই অবস্থান ইউরোপের বড় শক্তিগুলোর মধ্যে যুদ্ধ ইস্যুতে মতপার্থক্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করতে পারে।   সূত্র: আল জাজিরা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির, কর্মীদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত, ১০ জনের অবস্থা গুরুতর

ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইসরায়েলের লক্ষ্য করে নতুন ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে

0 Comments