আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত, ১০ জনের অবস্থা গুরুতর

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। বাকিদের মধ্যে ১৮০ জন ইতিমধ্যেই আবার দায়িত্বে ফিরেছেন।

 

মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সোমবার (১৬ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিনস জানান, আহতদের মধ্যে পোড়া, ভয়জনিত মস্তিষ্কের আঘাত এবং শার্পনেলের আঘাতের ঘটনা রয়েছে।

 

আহতদের বেশিরভাগই ইরানের আত্মঘাতী ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন। চলতি সংঘর্ষের শুরুতে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।

 

সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে, এবং যুদ্ধে অংশ নেওয়া সেনাদের পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

 

সূত্র: আলজাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত, ১০ জনের অবস্থা গুরুতর

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। বাকিদের মধ্যে ১৮০ জন ইতিমধ্যেই আবার দায়িত্বে ফিরেছেন।   মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সোমবার (১৬ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিনস জানান, আহতদের মধ্যে পোড়া, ভয়জনিত মস্তিষ্কের আঘাত এবং শার্পনেলের আঘাতের ঘটনা রয়েছে।   আহতদের বেশিরভাগই ইরানের আত্মঘাতী ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন। চলতি সংঘর্ষের শুরুতে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।   সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে, এবং যুদ্ধে অংশ নেওয়া সেনাদের পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।   সূত্র: আলজাজিরা

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ইসরায়েলের লক্ষ্য করে নতুন ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে

অপ্রতিরোধ্য ট্রু প্রমিজ-৪ ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ট্রু প্রমিজ–৪ অভিযান: মার্কিন ঘাঁটিতে ৫৬তম দফায় বড় হামলা

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে ভুয়া খবর করায় আমিরাতে ১৯ ভারতীয়সহ ৩৫ জনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত
তীব্র ক্ষমতার দ্বন্দ্ব পেরিয়ে যেভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হলেন মোজতবা খামেনি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রে শুরু হয় তীব্র রাজনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন। কয়েক দিনের সেই অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ের মধ্য দিয়েই শেষ পর্যন্ত নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে উঠে আসেন তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times–এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাইরে থেকে বিষয়টি সহজ বা পূর্বনির্ধারিত মনে হলেও বাস্তবে ইরানের ক্ষমতার অন্দরমহলে চলেছে তীব্র প্রতিযোগিতা। নতুন নেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় আলেমদের পরিষদ, সামরিক নেতৃত্ব এবং রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়।   উত্তরসূরি নির্বাচনে গোপন বৈঠক ইরানে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে ৮৮ সদস্যের আলেমদের পরিষদ Assembly of Experts–এর ওপর। পরিষদটি ৩ মার্চ একটি গোপন ভার্চুয়াল বৈঠকে বসে। নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রার্থী দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়া পর্যন্ত ভোট চলার কথা।   প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলের হামলায় কুম শহরে পরিষদের সদর দপ্তরের আশপাশে ক্ষয়ক্ষতি হয়।   ক্ষমতার লড়াই: কট্টরপন্থী বনাম মধ্যপন্থী নতুন নেতা নির্বাচনকে ঘিরে ইরানের ক্ষমতার ভেতরে দুটি বড় শিবির তৈরি হয়। কট্টরপন্থী শিবিরে ছিল ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডসের প্রভাবশালী জেনারেলরা। তারা আলি খামেনির নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার পক্ষে ছিলেন এবং মোজতবা খামেনির পক্ষে অবস্থান নেন।   অন্যদিকে মধ্যপন্থী শিবিরের নেতারা নতুন নেতৃত্ব এবং তুলনামূলক নমনীয় নীতির পক্ষে যুক্তি দেন। তারা সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এবং আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি–কে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সামনে আনেন। তবে সামরিক নেতৃত্বের শক্ত অবস্থান এবং প্রতিশোধের রাজনীতির কারণে শেষ পর্যন্ত পরিষদের অধিকাংশ সদস্য এমন একজন নেতার পক্ষে মত দেন, যিনি কঠোর অবস্থান বজায় রাখতে পারবেন।   শেষ পর্যন্ত জয় মোজতবার প্রথম দফা ভোটেই মোজতবা খামেনি প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন পান। পরে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক কারণে তাঁর নাম ঘোষণা বিলম্বিত করা হয়। এ সময় মধ্যপন্থীরা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি। ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত আরেকটি বৈঠকে চূড়ান্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। সেখানে ৮৮ সদস্যের মধ্যে ৫৯ জন মোজতবা খামেনির পক্ষে ভোট দেন। ফলে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন।   এরপর রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় এবং দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব নতুন নেতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ ইস্যুতে ট্রাম্পের ডাকে সাড়া দিচ্ছে না ইউরোপের কয়েক দেশ

ছবি: সংগৃহীত

আইনবহির্ভূত আগ্রাসনের কাছে নতিস্বীকার করবে না তেহরান

ছবি: সংগৃহীত

শিগগিরই বিজয় উদযাপন করবে ইরান : আরাগচি

ফাইল ছবি : রয়টার্স
ইরান হামলা বন্ধ না করলে কূটনৈতিক আলোচনা সম্ভব নয়: কাতার

ইরান হামলা বন্ধ না করলে কূটনৈতিক আলোচনার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এই অবস্থান তুলে ধরা হয়। ব্রিফিংয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, হামলা চলতে থাকলে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজা সম্ভব নয়।   তিনি বলেন, তারা যদি হামলা বন্ধ করে, তাহলে আমরা কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে পেতে পারি। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের দেশগুলো হামলার শিকার হচ্ছে, ততক্ষণ কমিটি গঠনের সময় নয়। আল-আনসারি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেওয়াই সবচেয়ে জরুরি এবং অবিলম্বে হামলা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।   তিনি যে কমিটির কথা উল্লেখ করেন, সেটি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি প্রস্তাব করেছিলেন। প্রস্তাবিত ওই কমিটির উদ্দেশ্য ছিল উপসাগরীয় দেশগুলোতে বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলার অভিযোগ তদন্ত করা। যদিও ইরান এসব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।   তবে কাতার সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। আল-আনসারি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হুমকি ও হামলা বন্ধ হয়নি। তিনি জানান, সম্প্রতি একটি ক্ষেপণাস্ত্র দোহার একটি আবাসিক এলাকার দিকে ছোড়া হয়েছিল, যা প্রতিহত করা হয়েছে। ওই সময় সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণে কিছু এলাকায় মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।   কাতারের কর্মকর্তারা জানান, সরিয়ে নেওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ও ছিল। এর মধ্যে রয়েছে Google, American Express এবং Microsoft। আল-আনসারি বলেন, কাতার পরিস্থিতি শান্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক মধ্যস্থতা চলছে বলে তিনি জানেন না।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের স্থল সেনা, বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা

ছবি: সংগৃহীত

বেইজিং সফরের আগে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে চীনের ওপর ট্রাম্পের চাপ

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল দায়ী: ম্যাক্রোঁকে পেজেশকিয়ান

0 Comments