আন্তর্জাতিক

ইরানের সরকার পতনের কোনো সম্ভাবনা নেই, মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

ইসতিয়াক মাহমুদ মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলা এবং সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির মৃত্যুর পরও ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব বা শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার কোনো উপক্রম হয়নি। 


রয়টার্সের বরাত দিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যে জানানো হয়েছে, ইরানের সরকার এখনো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে তাদের পতনের কোনো সম্ভাবনা নেই।


সংশ্লিষ্ট বিষয়টির ওপর নজর রাখছেন এমন তিনটি বিশ্বস্ত সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ বলছে যে ইরানি জনগণের ওপর বর্তমান প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ এখনো অটুট। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রথম দিনেই আলী খামেনেই নিহত হলেও, দেশটির রাজনৈতিক কাঠামোতে বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় ঘটেনি।


এমনকি ইসরায়েলি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, এই যুদ্ধের ফলে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পুরোপুরি ধসে পড়বে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। সাম্প্রতিক এই মূল্যায়নটি গত কয়েক দিনের নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর চূড়ান্ত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত।
বসরায় মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলা: ভারতীয় নাবিক নিহত

ইরাকের বসরা বন্দরের অদূরে একটি মার্কিন মালিকানাধীন অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবারের এই হামলায় জাহাজে কর্মরত এক ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে বাগদাদে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস নিশ্চিত করেছে। মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘সেফসি বিষ্ণু’ নামক জাহাজটি যখন বসরার কাছাকাছি অবস্থান করছিল, তখনই এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়। ভারতীয় দূতাবাস তাদের অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত নাবিক ছাড়া ওই জাহাজে আরও ১৫ জন ভারতীয় ক্রু সদস্য ছিলেন। তাদের সবাইকে সফলভাবে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দূতাবাস বর্তমানে ইরাকি কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট শিপিং কোম্পানির সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে যাতে বাকি নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং নিহত নাবিকের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

ইসতিয়াক মাহমুদ মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের সরকার পতনের কোনো সম্ভাবনা নেই, মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান

ক্ষমা চাইতে হবে, যুদ্ধ থামানোর জন্য কঠিন শর্ত ইরানের

জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ

অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ফারুক আবদুল্লাহ, নেপথ্যে ২০ বছরের আক্রোশ!

ছবি: সংগৃহীত।
বাংলাদেশসহ ১৫ দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন তাদের প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন তদন্ত শুরু করেছে। সেকশন ৩০১-এর আওতায় শুরু হওয়া এই তদন্তের তালিকায় বাংলাদেশ, ভারত ও চীনসহ ১৫টি দেশের নাম রয়েছে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এই ঘোষণা দেন। সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পূর্ববর্তী কিছু শুল্কনীতি অবৈধ ঘোষণা করার পর হোয়াইট হাউজ এই পাল্টা পদক্ষেপ নিল। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন ব্যবহার করে ঢালাও শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই। তবে দমে না গিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এবার 'অন্যায্য বাণিজ্যচর্চা'র অভিযোগ তুলে নতুন আইনি পথে হাঁটছে। বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানান, এই তদন্তের মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের মধ্যেই চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর ওপর নতুন করে উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। এমনকি ফেব্রুয়ারি মাসে আরোপিত অস্থায়ী শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ওয়াশিংটন। তদন্তের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো—বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যদি তদন্তে কোনো দেশের বিরুদ্ধে অন্যায্য বাণিজ্যের প্রমাণ মেলে, তবে সেই দেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর চড়া আমদানি শুল্ক চাপাবে যুক্তরাষ্ট্র। এতে বাংলাদেশের মতো তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর জন্য মার্কিন বাজারে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। মজার বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হওয়া সত্ত্বেও এই তদন্ত তালিকা থেকে কানাডাকে বাদ রাখা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই তদন্তের মাধ্যমে মূলত ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্ববাজারে তাদের শুল্ক নীতিকে আরও জোরালোভাবে কার্যকর করার সুযোগ খুঁজছে। আগামী সপ্তাহে প্যারিসে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকের আগে এই ঘোষণা বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১২, ২০২৬ 0
মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে তীব্র সমালোচনা, যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করলেন বার্নি স্যান্ডার্স

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘর্ষ তীব্র, বৈরুতে সরিয়ে নেওয়ার জরুরি নির্দেশ

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘর্ষ তীব্র, বৈরুতে সরিয়ে নেওয়ার জরুরি নির্দেশ

তেলের দাম আবারো ১০০ ডলার ছাড়াল

তেলের দাম আবারো ১০০ ডলার ছাড়াল

ছবি: সংগৃহীত
দুবাইয়ে ড্রোন আঘাতে আবাসিক টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ড

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ক্রিক হারবার এলাকার একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। তবে দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবনের সব বাসিন্দা নিরাপদ আছেন এবং কেউ আহত হননি।   দুবাই সরকারের গণসংযোগ দপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানায়, দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ভবনের সব বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   তবে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে বা কে এটি পরিচালনা করেছে—সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।   এদিকে এর আগে বুধবার ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে একযোগে প্রায় ১০০টি রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের দিকে ছোড়া হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে উত্তেজনা বাড়ার পর এটিকে হিজবুল্লাহর সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।   এই হামলার কারণে হাইফা শহরসহ গ্যালিলি ও গোলান হাইটসের বিস্তীর্ণ এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটে যান। আইডিএফ জানিয়েছে, লেবাননের কয়েকটি কৌশলগত স্থান থেকে এসব রকেট নিক্ষেপ করা হয়। যদিও ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক রকেট প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে, তবুও হামলার তীব্রতায় পুরো অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

লেবানন থেকে ইসরায়েলে একযোগে ১০০ রকেট ছুঁড়লো হিজবুল্লাহ

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান যুদ্ধ বন্ধের জন্য তিন শর্তের দাবি জানিয়েছেন

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী সুদানি জানালেন, ইরানের ওপর হামলার জন্য দেশটির ভূমি ব্যবহার করা যাবে না

0 Comments