আন্তর্জাতিক

ইরানকে সমর্থন করে মার্কিন চুক্তি হারালেন হোন্ডা

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
জাপানের সাবেক তারকা ফুটবলার কিসুকে হোন্ডা।
জাপানের সাবেক তারকা ফুটবলার কিসুকে হোন্ডা।

আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ইরান ফুটবল দলের অংশগ্রহণের পক্ষে নিজের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন জাপানের ফুটবল কিংবদন্তি কিসুকে হোন্ডা। ইরানের প্রতি সংহতি জানানোয় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি নামী কোম্পানির সাথে তার প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া একটি বড় বিজ্ঞাপন চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। ৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবল আইকন শনিবার (১৪ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

গত বৃহস্পতিবার হোন্ডা এক পোস্টে লিখেছিলেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়া সত্ত্বেও একজন ফুটবলার হিসেবে তিনি চান ইরান বিশ্বকাপে অংশ নিক। এই পোস্টের পরপরই সংশ্লিষ্ট মার্কিন কোম্পানিটি তাদের বিজ্ঞাপন প্রচার স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। উল্লেখ্য, বর্তমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন এবং দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রীও বিশ্বকাপে না যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে হোন্ডার এই মন্তব্যকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

 

বিজ্ঞাপন চুক্তি হারানো প্রসঙ্গে এসি মিলানের সাবেক এই তারকা বলেন, “যেসব কোম্পানি বিষয়ের মূল সারমর্ম বুঝতে না পেরে এমন বাজে সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের সাথে না থাকাই ভালো।” নিজের নৈতিক অবস্থানে অনড় থেকে তিনি আরও জানান, অনেক মানুষ এবং বিশ্বাস এর সাথে জড়িত, তাই চাপের মুখে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করবেন না। কিসুকে হোন্ডা জাপানের হয়ে ৩টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন এবং এশিয়ান ফুটবলের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধবিরতির কোনো প্রস্তাব দিইনি: ট্রাম্পের দাবিকে নাকচ করলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার কোনো প্রস্তাব ইরান দেয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন দাবিকে তিনি সরাসরি নাকচ করেছেন।   রোববার (১৫ মার্চ) মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস নিউজের ‘ফেস দ্য নেশন’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, ইরান কখনোই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেনি এবং আলোচনার কোনো প্রস্তাবও দেয়নি।   এর আগে শনিবার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তেহরান যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে আগ্রহী ছিল। তবে শর্তগুলো সন্তোষজনক না হওয়ায় তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আরাঘচি বলেন, আমরা কখনোই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করিনি, এমনকি আলোচনার প্রস্তাবও দিইনি।   তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার অভিজ্ঞতা অতীতে ভালো ছিল না। আরাঘচির মতে, বর্তমান সংঘাত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্তের ফল। তিনি এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পছন্দের যুদ্ধ’ বলেও উল্লেখ করেন।   ইরান কেবল আত্মরক্ষার জন্য লড়াই করছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে এই লড়াই দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। তাঁর ভাষ্য, আমরা যখন তাদের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম, তখনই তারা আমাদের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তাই আমেরিকানদের সঙ্গে কথা বলার কোনো কারণ আমরা দেখি না।   হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে আরাঘচি জানান, বেশ কয়েকটি দেশ নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজের জন্য এই পথ খোলা রাখতে ইরান প্রস্তুত রয়েছে।   তবে তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘লুকাস’ নামের একটি ড্রোন তৈরি করেছে, যা দেখতে ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোনের মতো। এই ধরনের ড্রোন ব্যবহার করে আরব দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে ইরানকে দায়ী করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।   এ ছাড়া আরাঘচি সতর্ক করে বলেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো বা খারগ দ্বীপকে লক্ষ্য করে হামলা হলে ইরানও এ অঞ্চলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর স্বার্থে আঘাত হানতে পারে। সম্প্রতি এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, মার্কিন বাহিনী চাইলে খারগ দ্বীপে আরও হামলা চালাতে পারে।   যুদ্ধের ১৬তম দিনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই কঠোর অবস্থান থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াশিংটনের চাপের কাছে তেহরান আপাতত নতি স্বীকারে প্রস্তুত নয় এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইস্তাম্বুলে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিশাল বিক্ষোভ: যুদ্ধবিরোধী স্লোগান

ছবি: সংগৃহীত

কফির কাপ হাতে মৃত্যু জল্পনা ওড়ালেন নেতানিয়াহু!

ছবি: সংগৃহীত

মোজতবা খামেনি সুস্থ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্রিয়: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত।
পশ্চিমবঙ্গে ভোট গ্রহণ দু'দফায়, যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন

জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। রোববার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, পশ্চিমবঙ্গে এবারের বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে মাত্র দুই দফায়। আগামী ২৩শে এপ্রিল এবং ২৯শে এপ্রিল ভোটগ্রহণ করা হবে এবং আগামী ৪ঠা মে জানা যাবে বাংলার মসনদে কে বসছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে আট দফায় ভোট হলেও এবার নজিরবিহীনভাবে তা কমিয়ে আনা হয়েছে। কমিশনারের মতে, প্রক্রিয়ার সুবিধার্থেই এই সিদ্ধান্ত। একইসাথে আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু ও পন্ডিচেরিতেও ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এক নজরে ভোটের তফশিল: প্রথম দফা (২৩শে এপ্রিল): উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলসহ মোট ১৫টি জেলায় ভোট। জেলাগুলো হলো— কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রাম। দ্বিতীয় দফা (২৯শে এপ্রিল): দক্ষিণবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে ভোট। জেলাগুলো হলো— কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলি, নদীয়া এবং পূর্ব বর্ধমান। ফলাফল: ৪ঠা মে। ভোটের আগে 'ভোটার তালিকা' কাঁটা নির্বাচন ঘোষণা হলেও পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে বিতর্ক এখনো থামেনি। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের নাম বর্তমানে 'বিবেচনাধীন' অবস্থায় রয়েছে। হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা এই তালিকা খতিয়ে দেখছেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আশ্বস্ত করেছেন যে, "কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না, আবার কোনো অবৈধ নাম তালিকায় থাকবে না।" ভোট গ্রহণের আগে পর্যন্ত যাদের নাম নিষ্পত্তি হবে, তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। লড়াই যখন অস্তিত্বের ও পরিবর্তনের ২০২৬-এর এই নির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য যেমন ক্ষমতা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ, তেমনই বিজেপির জন্য এটি মহাকরণ দখলের লড়াই। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার', 'কন্যাশ্রী' ও ডিএ বৃদ্ধির মতো জনমুখী প্রকল্প; অন্যদিকে বিজেপির তোলা 'দুর্নীতি', 'নারী নিরাপত্তা' ও 'পরিবর্তন'-এর ডাক— দুই শিবিরের প্রচারেই এখন উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। ব্রিগেডের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আক্রমণ এবং তৃণমূলের পাল্টা হুঙ্কার আসন্ন নির্বাচনকে এক অন্য মাত্রা দিয়েছে। ২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১৪৮। শেষ পর্যন্ত বাংলার জনতা কাকে বেছে নেয়, এখন সেটাই দেখার।

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

রণক্ষেত্র কান্দাহার: পাক বিমান হামলার পর পাল্টা আঘাত তালিবানের

ছবি: সংগৃহীত।

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা: অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ একই পরিবারের চারজন নিহত

জাপানের সাবেক তারকা ফুটবলার কিসুকে হোন্ডা।

ইরানকে সমর্থন করে মার্কিন চুক্তি হারালেন হোন্ডা

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
জাহাজ চলাচলে ইরানের সঙ্গে বেশ কিছু দেশের যোগাযোগ

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশের সাথে আলোচনা শুরু করেছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেশ কিছু দেশ ইতিমধ্যেই তাদের জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে তেহরানের সাথে যোগাযোগ করেছে এবং এই বিষয়ে আলোচনার জন্য ইরানের দরজা সবসময় খোলা।   আরাগচি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোন কোন জাহাজ যাতায়াত করবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইরানের সামরিক বাহিনী। সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজকে বিশেষ নিরাপত্তা প্রদানের মাধ্যমে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, গত শনিবার ভারতে গমনাগমনকারী দুটি তেলের ট্যাংকার এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি নিরাপদে অতিক্রম করেছে। তবে কৌশলগত কারণে তিনি যোগাযোগকারী অন্যান্য দেশগুলোর নাম প্রকাশ করেননি।   চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন যে, ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছে না। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দীর্ঘমেয়াদী আত্মরক্ষার জন্য ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আন্তর্জাতিক শক্তির সহযোগিতা চাইছেন, অন্যদিকে ইরান সরাসরি দেশগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি।

কুয়েতে ড্রোন হামলায় ইতালীর যুদ্ধবিমান ধ্বংস

হাউজ মাইনোরিটি লিডার হাকিম জেফরিস।

ট্রাম্পের যুদ্ধের ক্ষমতা সীমিত করতে প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটির ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দামে রেকর্ড লাফ: সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি

0 Comments